Kalimpong: হিমালয়ে হাতির মতো দাপাচ্ছে মেঘ, রাংপো সেতুর পিলার ভেসে সিকিম বিচ্ছিন্ন

rangpo Bridge

নিউজ ডেস্ক: কে বলবে কখন কী হয়? সবারই মনে ভয়। এই বুঝি কিছু হয়। পরিস্থিতি এমনই। হিমালয়ের মাথায় মেঘের দল মত্ত হাতির মতো দাপাচ্ছে। প্রবল বৃষ্টির জেরে সিকিমের সঙ্গে পশ্চিমবঙ্গের যোগাযোগ ভেঙেই গেল। কারণ, আন্তঃরাজ্য সীমানার কালিম্পং জেলার সিকিমের সংযোগকারী বিখ্যাত রাংপো সেতুর পিলার ভেসে গিয়েছে।

শিলিগুড়ির সঙ্গে গ্যাংটকের মূল সংযোগ ১০ নম্বর জাতীয় সড়ক ধরে কোনও যোগাযোগ নেই আপাতত। ফলে সিকিম সড়কপথে প্রায় বিচ্ছিন্ন।

পশ্চিমবঙ্গের কালিম্পং জেলার সঙ্গে সিকিমের পেকইয়ং জেলার মধ্যে যাতায়াত করার বিখ্যাত রাংপো সেতুর কোনও পিলারই আর নেই। রাংপো নদীর জলের তোড়ে ভেঙে ভেসে গিয়েছে পিলারগুলো। পুরো সেতু এখন বিপজ্জনকভাবে ঝুলে রয়েছে। যে কোনও সময় বড়সড় দুর্ঘটনা ঘটতে পারে।

অতি বৃষ্টির কারণে বিপদসীমার কাছাকাছি বইছে তিস্তা। প্রবল গতিতে বইছে রাংপো নদী। দুই নদীর সংযোগ এলাকায় সিকিমের বিখ্যাত রাংপো বাজার। পশ্চিমবঙ্গের সঙ্গে এই সেতু দিয়েই সিকিমের যোগাযোগ। রাংপো চেক পোস্টের কাছে সেতু বিপজ্জনকভাবে ঝুলে আছে। দুদিকের দুই রাজ্যের বাসিন্দারা আশঙ্কিত। যেভাবে বৃষ্টি পড়ছে তাতে রাংপো নদীর জলস্তর আরও বাড়বে।

স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, রাতেই ভেসে গিয়েছে সেতুর পিলারগুলো। সকাল থেকে আবহাওয়া আরও খারাপ থাকায় পশ্চিমবঙ্গের দিক থেকে কোনও গাড়ি আসেনি।

সিকিমের মুখ্যমন্ত্রী প্রেমসিং তামাং জরুরি পরিস্থিতিতে দুর্যোগের ক্ষয়ক্ষতি মোকাবিলার প্রস্তুতি নিয়েছেন। গ্যাংটকের খবর, রাংপো সেতু বন্ধ হয়ে যাওয়ায় প্রতিবেশি পশ্চিমবঙ্গের দার্জিলিং জেলার শিলিগুড়ি এখন অগম্য।

১০ নম্বর জাতীয় সড়কের পশ্চিমবঙ্গের সেবক, সিকিমের রানিপুল, সিংটাম, মেলির কাছে পাহাড়ি ঝর্নাগুলো ভয়াবহ রূপ নিতে শুরু করায় ধসে বেশকিছু ঘরবাড়ি ভেঙে পড়ার মুখে। মেলি বাজারের কাছে নদীর জল খাদের উপর দিয়ে বয়ে যাওয়ার মুখে।

সিকিম সরকার জারি করেছে সতর্কতা। বলা হয়েছে শিলিগুড়ি যাওয়ার অতি প্রয়োজন না থাকলে বের হওয়ার দরকার নেই। তবে এই দুর্যোগেও কয়েকজন জীবন হাতে করে বের হয়েছেন। তাঁদের তোলা ছবিতে স্পষ্ট, কী ভয়াবহ পরিস্থিতি। আবহাওয়া বিভাগের সতর্কতা, দুর্যোগ চলবে আরো দুদিন। দুর্যোগ কাটার পরেও ধসের সম্ভাবনা থাকছে।

Sikkim: প্রবল বৃষ্টিতে ভয়ঙ্করী তিস্তা, গ্যাংটক-শিলিগুড়ি যোগাযোগ ভাঙছে

landslide-at-sikkim

নিউজ ডেস্ক: হিমালয়ের মাথায় মেঘের পর মেঘ জমেছে। দুর্যোগের ঘনঘটা। প্রবল বৃষ্টিতে হিমালয় সন্নিহিত এলাকাগুলি বিচ্ছিন্ন হতে শুরু করেছে। অতি বৃষ্টির দাপটে সিকিম থেকে পশ্চিমবঙ্গের যোগাযোগ ব্যবস্থা পুরোপুরি ভেঙে পড়ার মুখে। ভয়ঙ্করী তিস্তা।

landslide-at-sikkim

শিলিগুড়ি থেকে গ্যাংটক যাওয়ার ১০ নম্বর জাতীয় সড়কের ছবি দেখলে স্পষ্ট, তিস্তার জলস্তর ভয়াবহ আকার নিতে শুরু করেছে। জাতীয় সড়কের বিভিন্ন জায়গায় নেমেছে ধস।

পশ্চিমবঙ্গের কালিম্পং ও সিকিমের মধ্যে যাতায়াত স্তব্ধ। তেমনি দার্জিলিং জেলার শিলিগুড়ি থেকে সিকিম যাওয়ার সড়ক স্তব্ধ।

Flood situation in North Bengal due to heavy rains

১০ নম্বর জাতীয় সড়কের সেবক, রানিপুল, সিংটাম, মেলির কাছে পাহাড়ি ঝর্নাগুলো ভয়াবহ রূপ নিতে শুরু করায় ধসে বেশকিছু ঘরবাড়ি ভেঙে পড়ার মুখে। মেলি বাজারের কাছে নদীর জল খাদের উপর দিয়ে বয়ে যাওয়ার মুখে।

teesta
মেঘ ভাঙা বৃষ্টিতে ভয়ঙ্করী তিস্তা

সিকিম সরকার জারি করেছে সতর্কতা। বলা হয়েছে শিলিগুড়ি যাওয়ার অতি প্রয়োজন না থাকলে বের হওয়ার দরকার নেই। তবে এই দুর্যোগেও কয়েকজন জীবন হাতে করে বের হয়েছেন। তাঁদের তোলা ছবিতে স্পষ্ট, কী ভয়াবহ পরিস্থিতি।

আবহাওয়া বিভাগের সতর্কতা, দুর্যোগ চলবে আরো দুদিন। দুর্যোগ কাটার পরেও ধসের সম্ভাবনা থাকছে।

দেশের সেরা মুখ্যমন্ত্রী ভূপেশ বাঘেল, সবচেয়ে অপছন্দের চন্দ্রশেখর রাও

best Chief Minister of the country is Bhupesh Baghel

নিউজ ডেস্ক: এই মুহূর্তে দেশের সেরা মুখ্যমন্ত্রী ছত্রিশগড়ের ভূপেশ বাঘেল। অন্যদিকে জনপ্রিয়তার নিরিখে সবচেয়ে পিছিয়ে রয়েছেন তেলেঙ্গানার মুখ্যমন্ত্রী কে চন্দ্রশেখর রাও। সি-ভোটার ও আইএএনএসের করা এক সমীক্ষায় এই ছবি উঠে এসেছে।

সম্প্রতি দেশের বিভিন্ন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী দের কার্যপদ্ধতি এবং বিভিন্ন সমাজসেবামূলক প্রকল্পের বাস্তবায়নের প্রেক্ষিতে জনপ্রিয় মুখ্যমন্ত্রীকে বেছে নেওয়া হয়। এই সমীক্ষায় দেখা গিয়েছে দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়াল, উড়িশার মুখ্যমন্ত্রী নবীন পট্টনায়ককে পিছনে ফেলে প্রথম স্থানটি দখল করে নিয়েছেন ছত্রিশগড়ের মুখ্যমন্ত্রী ভূপেশ বাঘেল। আইএএনএস এবং সি- ভোটারের এই যৌথ সমীক্ষায় দেখা গিয়েছে, ছত্রিশগড়ের মাত্র ৬ শতাংশ মানুষ মুখ্যমন্ত্রী পদে বদল চেয়েছেন।

বাকিরা সকলেই মুখ্যমন্ত্রী পদে বাঘেলকেই দেখতে চান। তবে রাজ্যের ৩৬.৬ শতাংশ মানুষ কংগ্রেস সরকারের কাজে সন্তুষ্ট নন। যদিও তাঁরা সরকারের বদল চান না। ছত্রিশগড়ের ৪৪.৭ শতাংশ মানুষ জানিয়েছেন, তাঁরা কেন্দ্রের নরেন্দ্র মোদি সরকারের কাজে যথেষ্ট সন্তুষ্ট নন। সি-ভোটার আইএএনএসের এই সমীক্ষা নিশ্চিতভাবেই ভূপেশ বাঘেলকে বাড়তি অক্সিজেন জোগাবে। কারণ সম্প্রতি ভূপেশ বাঘেলকে মুখ্যমন্ত্রীর পদ থেকে সরানোর দাবিতে এক ডজনেরও বেশি কংগ্রেস বিধায়ক দিল্লি গিয়ে রাহুলের দরজায় হত্যে দিয়ে পড়েছিলেন।

অন্যদিকে মাত্র তিন মাস আগে মুখ্যমন্ত্রী হয়েও সকলকে চমকে দিয়ে তালিকায় দুই নম্বরে স্থানটি দখল করেছেন উত্তরাখণ্ডের মুখ্যমন্ত্রী পুষ্কর সিং ধামি। উত্তরাখণ্ডের মাত্র ১০ শতাংশ মানুষ সরকারের বদল চাইছেন। আগামী বছরের গোড়াতেই রয়েছে উত্তরাখণ্ডে বিধানসভা নির্বাচন। কাজেই এই সমীক্ষা নির্বাচনের আগে বিজেপিকে নিশ্চিতভাবেই স্বস্তি দেবে।

এই সমীক্ষায় যখন উত্তরাখণ্ডে বিজেপিকে এগিয়ে রাখা হয়েছে, তখন উত্তরপ্রদেশের কিন্তু এই সমীক্ষার ফলাফল বিজেপির উদ্বেগ বাড়ছে। সমীক্ষা বলছে, উত্তরপ্রদেশের ২৮.১ শতাংশ মানুষ যোগী সরকারের কাজে অখুশি। এঁরা সকলেই যোগী সরকারের অবসান চাইছেন। তবে বিজেপির পক্ষে স্বস্তির খবর এই যে, রাজ্যের ৪০ শতাংশেরও বেশি মানুষ এখনও উত্তরপ্রদেশের যোগীকেই মুখ্যমন্ত্রী পদে দেখতে চান। আগামী বছরের শুরুতে এই রাজ্যেও নির্বাচন হওয়ার কথা। কাজেই এই সমীক্ষা গো-বলয়ের বৃহত্তম রাজ্যেও বিজেপিকে কিছুটা স্বস্তি দেবে।

জনপ্রিয়তার নিরিখে তৃতীয় স্থানে রয়েছেন উড়িশার মুখ্যমন্ত্রী নবীন পট্টনায়েক। এই রাজ্যের মাত্র ১৪.১ শতাংশ অধিবাসী নবীন পট্টনায়ক সরকারের বদল চান। রাজ্যের ৩৯ শতাংশেরও বেশি মানুষকেই মুখ্যমন্ত্রী পদে নবীনকেই দেখতে চাইছেন। কাজেই আগামী দিনে নবীন পট্টনায়ক সরকার বদল হতে পারে তেমন কোনও সম্ভাবনাই নেই।

অন্যদিকে জনপ্রিয়তার ক্ষেত্রে সবচেয়ে পিছিয়ে রয়েছেন তেলেঙ্গানার মুখ্যমন্ত্রী কে চন্দ্রশেখর রাও। রাজ্যের ২৯.২ শতাংশ মানুষ কেসিআর সরকারের উপর তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। তাঁরা অবিলম্বে টিআরএস সরকারের বদল চেয়েছেন।

Priyanka Gandhi: নারী ক্ষমতায়নের লক্ষ্যে উত্তরপ্রদেশের ৪০ শতাংশ আসনের মহিলা প্রার্থী, ঘোষণা প্রিয়াঙ্কার

Priyanka Gandhi Congress

নিউজ ডেস্ক, নয়াদিল্লি: আসন্ন উত্তরপ্রদেশ বিধানসভা নির্বাচনে ৪০ শতাংশ মহিলাকে কংগ্রেস টিকিট দেবে বলে সোমবার ঘোষণা করলেন কংগ্রেসের সাধারণ সম্পাদক প্রিয়াঙ্কা গান্ধী। মঙ্গলবার লখনউয়ে সংবাদমাধ্যমকে প্রিয়াঙ্কা বলেন, কংগ্রেসে সিদ্ধান্ত হয়েছে রাজ্যের মোট আসনের ৪০ শতাংশ কেন্দ্রে মহিলাদের প্রার্থী করা হবে। মহিলারা যাতে রাজনীতিতে আরও বেশি করে অংশ নিতে পারেন সেজন্যই এই সিদ্ধান্ত।

প্রিয়াঙ্কা এদিন বলেন, মহিলারা মনে করলে সমস্ত পরিস্থিতিকে বদলে দিতে পারেন। এই মুহূর্তে উত্তরপ্রদেশের পরিস্থিতি অত্যন্ত খারাপ। আইনশৃঙ্খলা বলে কোন বস্তু আছে বলে মনে হয় না। রাজ্যে বিভিন্ন প্রান্তে খুন, ধর্ষণের ঘটনা প্রতিদিনই ঘটে চলেছে। অথচ তার বিচার হচ্ছে না। একমাত্র মহিলারাই এই পরিস্থিতি বদলাতে পারেন। সে কারণেই কংগ্রেস সিদ্ধান্ত নিয়েছে, উত্তরপ্রদেশে এবার ৪০ শতাংশ মহিলাকে টিকিট দেওয়া হবে। উন্নাও, হাথরসে মহিলাদের উপর যে ঘটনা ঘটেছে সে কথা মাথায় রেখেই এই সিদ্ধান্ত। মহিলাদের ক্ষমতায়ন হলে রাজ্যের পরিস্থিতি নিশ্চিতভাবেই আমূল বদলে যাবে।

Priyanka Gandhi Congress

প্রিয়াঙ্কা এদিন আরও জানান, প্রয়োজন হলে তিনি নিজেও উত্তরপ্রদেশ থেকে লড়তে পারেন। মেধা ও যোগ্যতার মাপকাঠিতে মহিলাদের টিকিট বন্টন করা হবে বলেও জানান কংগ্রেস নেত্রী। প্রিয়াঙ্কা আরও বলেন, ৪০ শতাংশ মহিলাকে টিকিট দেওয়া কংগ্রেসের প্রাথমিক লক্ষ্য হলেও আগামী দিনে ৫০ শতাংশ আসন মহিলাদের জন্য সংরক্ষিত করা হবে।

প্রিয়াঙ্কার এই সিদ্ধান্তকে অবশ্য ও রাজনৈতিক মহল চমক বলে মনে করছে। রাজনৈতিক মহলের ধারণা, উত্তরপ্রদেশে কংগ্রেসের অবস্থা খুবই খারাপ। ২০১৯- এর লোকসভা নির্বাচনেই তার প্রমাণ মিলেছে। রাজ্যের চার শতাধিক আসনে প্রার্থী দেওয়ার মত সামর্থ্য নেই কংগ্রেসের। সে কারণেই এবার মহিলাদের উপর ভরসা করতে চলেছেন প্রিয়াঙ্কা গান্ধী। পাশাপাশি যোগী আদিত্যনাথের শাসনে উন্নাও থেকে শুরু করে হাথরস একের পরে এক নারী নির্যাতনের ঘটনা ঘটেছে। দুষ্কৃতীরা প্রকাশ্যেই দাপিয়ে বেড়াচ্ছে। তাই মহিলা মহলকে এভাবেই কাছে টানতে চাইছেন প্রিয়াঙ্কা। দলের পুনরুজ্জীবনের লক্ষ্যেই এই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তিনি। তবে প্রিয়াঙ্কার এই সিদ্ধান্ত আগামী বছর বিধানসভা নির্বাচনে কংগ্রেসকে কতটা সাহায্য করবে তা এখন ভবিষ্যতই বলবে।

কংগ্রেস সূত্রে খবর, আগামী বিধানসভা নির্বাচনে রাজ্যের ৭৫টি জেলাতেই যাবেন প্রিয়াঙ্কা। উত্তরপ্রদেশে দলের প্রচার কর্মসূচির মূল দায়িত্ব থাকছে প্রিয়াঙ্কার উপর। দলের তরফে দায়িত্ব পেয়ে ইতিমধ্যেই প্রার্থী বাছাই, বিজেপি বিরোধী অন্যান্য দলগুলির সঙ্গে জোট গঠন, নির্বাচনী রণকৌশল নির্ধারণ সবকিছুর কাজ শুরু করে দিয়েছেন প্রিয়াঙ্কা। উল্লেখ্য, ২০১৭-র সর্বশেষ বিধানসভা নির্বাচনে রাজ্যের ৪০৩ টি আসনের মধ্যে কংগ্রেসের ঝুলিতে গিয়েছিল মাত্র ৭টি।

Uttarakhand: হ্রদের জলে যেন সমুদ্র স্রোত! নৈনিতাল শহরে সেনার মানব প্রাচীর

Uttarakhand flood situation

নিউজ ডেস্ক: প্রাকৃতিক দুর্যোগে নৈনিতাল শহরের পরিস্থিতি প্রতি আধঘন্টায় খারাপ হচ্ছে পূর্বের অবস্থা থেকে। সকাল থেকে যেভাবে নৈনিতাল হ্রদের জল ঢুকতে শুরু করেছে তাতে এই শৈলশহর বিচ্ছিন্ন। পরিস্থিতি আরও খারাপ হচ্ছে দুপুরের পর থেকে। এই অবস্থায় হ্রদ সংলগ্ন এলাকায় সেনা জওয়ানরা নামলেন জলবন্দিদের উদ্ধারে।

Uttarakhand flood situation

নৈনিতাল হ্রদের জল যেন সমুদ্র উপকূলের বাঁধভাঙা ঢেউয়ের মতো। প্রচন্ড গতিতে সেই জল ঢুকতে শুরু করেছে। স্রোতের মুখে মানব প্রাচীর গড়ে উদ্ধার শুরু করলেন জওয়ানরা। নৈনিতাল শহরে এতবড় বিপর্যয় সাম্প্রতিক সময়ে আর হয়নি।

Uttarakhand flood situation

প্রবল বর্ষণের পূর্বাভাস মিলিয়ে হিমালয়ের গাড়োয়াল ও কুমায়ুন দুই পার্বত্য শৃঙ্খলায় অতিভারি বর্ষণ শুরু হয়েছে। বিচ্ছিন্ন পার্বত্য এলাকার জনপদগুলি।

গাড়োয়াল হিমালয়ের দেরাদুন, মুসৌরি, গঙ্গোত্রী, হরশিল, বদ্রীনাথ, চামোলি, পিপলকোঠি,শ্রীনগরের সঙ্গে হরিদ্বারের যাতায়াত বন্ধ। জানা যাচ্ছে কেদারনাথের উপরে শুরু হয়েছে তুষারপাত। বদ্রীনাথের উপরেও তুষারপাত শুরু।

অন্যদিকে কুমায়ুন পার্বত্য শৃঙ্খলার হলদোয়ানি, রানিক্ষেত, কাঠগোদাম ও নৈনিতালের মধ্যে যাতায়াত পুরো স্তব্ধ। কিছু এলাকায় ভেঙেছে রেল লাইন।

Uttarakhand flood situation

কুমায়ুন হিমালয়ের বিখ্যাত নৈনি হ্রদের জল পাড় উপচে নৈনিতাল শহরের ভিতর রাত থেকেই ঢুকছে রাত থেকেই। জলবন্দি এই শৈলশহর। বহু পর্যটক আটকে পড়েছেন। নৈনিতালের জল পুরো শহরের নিম্নাংশ জুড়ে ছড়িয়েছে। ফলে হ্রদের উপরের দিকে থাকা শহরের অংশ আর নিচের অংশ পুরো বিচ্ছিন্ন। প্রবল বৃষ্টির বিরাম নেই যেন। চারিদিক বৃষ্টিতে সাদা।

নৈনিতাল শহরের এমন জলবন্দি পরিস্থিতি যে খাবার ও জ্বালানিতে টান ধরতে পারে। প্রাকৃতিক বিপর্যয়ে মোবাইল পরিষেবায় বিঘ্ন হতে শুরু করেছে।

প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণে গঙ্গা, অলকানন্দা সহ বিভিন্ন নদীতে প্রবল জলস্রোত। বেশকিছু এলাকায় সেতু ভাঙার খবর এসেছে। দুর্যোগের মধ্যে পড়ে বাড়ছে মৃতের সংখ্যা। পরিস্থিতি মোকাবিলায় উত্তরাখণ্ড সরকার তৈরি বলে জানানো হয়। তবে দুর্যোগ যে আকার নিয়েছে তাতে উদ্ধার চালানো অসম্ভব।

By Election: বিজেপি থেকে টিএমসি যাওয়া হিড়িক, উপনির্বাচনের যাঁতাকলে রাজ্য

bengal politics

নিউজ ডেস্ক: উপনির্বাচনের যাঁতাকলে পড়েছে রাজ্য। বিরোধী দল বিজেপির সাংসদ ও বিধায়কদের দলত্যাগ করে তৃণমূল কংগ্রেসে চলে যাওয়ার কারণে পরপর উপনির্বাচন নির্ঘণ্ট তৈরি হতে চলেছে পশ্চিমবঙ্গে। সূত্রের খবর, আরও এক ডজন বিজেপি বিধায়ক দলত্যাগ করবেন।

সম্প্রতি শেষ হওয়া তিনটি কেন্দ্রের উপনির্বাচনে তিনটিতেই জয়ী হয় টিএমসি। এবার রাজ্যের চারটি বিধানসভা কেন্দ্রে উপনির্বাচন। আগামী ৩০ অক্টোবর উপনির্বাচন। চার জেলার চার কেন্দ্রে উপনির্বাচনের প্রস্তুতি নিয়েছে নির্বাচন কমিশন।

ভোট হবে নদিয়ার শান্তিপুর, উত্তর ২৪ পরগনার খড়দহ, দক্ষিণ ২৪ পরগনার গোসাবা কোচবিহারের দিনহাটা কেন্দ্রে। গত বিধানসভা নির্বাচনে দিনহাটা ও শান্তিপুরে জিতেছিল বিজেপি। গোসাবা ও খড়দায় জয়ী হয় তৃণমূল।
শান্তিপূর্ণ ভোট করাতে চায় নির্বাচন কমিশন।

মোট ৮০ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী থাকবে কেন্দ্রীয় বাহিনী রুটমার্চ শুরু করেছে। পিআইবি জানাচ্ছে, বাহাত্তর কোম্পানি বাহিনী নির্বাচনের দিন ভোট গ্রহণ কেন্দ্রগুলিতে ও বাকি আট কোম্পানি বাহিনী গণনা কেন্দ্র এবং স্ট্রংরুমের নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকবে। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের তরফে রাজ্য সরকারকে চিঠি দিয়ে এমনই জানানো হয়েছে।

জওয়ানরা স্পর্শকাতর এলাকায় টহলদারি চালাচ্ছেন। ভোটের দিন নির্ভয়ে ভোটকেন্দ্রে গিয়ে ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারেন, সেই বার্তা দিচ্ছেন।

Bangladesh: দুর্গাপূজায় ‘পরিকল্পিত’ হামলায় দ্রুত অ্যাকশনের নির্দেশ শেখ হাসিনার

sheikh hasina

নিউজ ডেস্ক: দুর্গাপূজায় বাংলাদেশে পরপর পরিকল্পিত হামলায় সংখ্যালঘু হিন্দুরা বিপর্যস্ত। বিভিন্ন স্থানে হামলার ঘটনায় যারা জড়িত তাদের অবশ্যই ধরতে হবে এমন উল্লেখ করে যত দ্রুত সম্ভব অ্যাকশনের নির্দেশ দিলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

শেখ হাসিনা বাংলাদেশের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামালকে নির্দেশ দিয়েছেন মঙ্গলবার মন্ত্রিসভার বৈঠকে। এই বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে সভাপতিত্ব করেন।

মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সচিব ড খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম জানান, সম্প্রতি ঘটে যাওয়া ঘটনায় প্রধানমন্ত্রী বেশ কিছু নির্দেশ দিয়েছেন। যত দ্রুত সম্ভব অপরাধীদের আইনের আওতায় এনে কঠোর শাস্তি নিশ্চিত করতে বলেছেন তিনি। ধর্ম নিয়ে কেউ যাতে বাড়াবাড়ি না করেন এমনই বার্তা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

সোশ্যাল সাইটে ধর্ম নিয়ে কিছু লিখলেই সঙ্গে সঙ্গে প্রতিক্রিয়া জানানো থেকেও বিরত থাকার অনুরোধ জানানো হয়েছে।

দুর্গাপূজার সময় কুমিল্লার একটি পূজামণ্ডপে কোরান রাখা আছে, এই ছবি থেকে ধর্মীয় উস্কানিমূলক বার্তা ছড়ানো হয়েছিল সোশ্যাল সাইটে। তার জেরে শুরু হয় পরপর দুর্গামণ্ডপ ভাঙচুর।

কুমিল্লা, চাঁদপুর, চট্টগ্রাম, নোয়াখালী, রংপুরে পরপর হামলা হয় সংখ্যালঘু হিন্দুদের বাড়ি, মন্দিরে। ঢাকাতেও বায়তুল মোকাররম মসজিদের সামনে উত্তেজিত জনতাকে পুলিশ বেধড়ক পেটায়। চাঁদপুরে পুলিশ গুলি চালায়। কয়েকজন হামলাকারী মৃত্যু হয়। এছাড়া হামলায় মারা যান দুজন সংখ্যালঘু হিন্দু। কয়েকজন জখম।

বাংলাদেশের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আগেই জানান, এই ঘটনা পরিকল্পিত। প্রশাসনিক কাজে ঢিলেমির অভিযোগে বিভিন্ন জেলার পুলিশ কর্তাদের বদলি করা হয়েছে।

Bangladesh: দুর্গাপূজায় হামলার প্রতিবাদে মাশরাফির পোস্ট ‘আল্লাহ আপনি আমাদের হেদায়েত দিন’

Communal-tension

নিউজ ডেস্ক: বাংলাদেশে পরপর সংখ্যালঘু হিন্দুদের উপর হামলার জেরে বিতর্কিত পরিস্থিতি চলছে। এই পরিস্থিতিতে দেশটির প্রাক্তন ক্রিকেট অধিনায়ক তথা সংসদ সদস্য মাশরাফি বিন মোর্তাজা লিখলেন আবেগঘন পোস্ট। তাঁর পোস্ট ইতিমধ্যেই ভাইরাল।

আন্তর্জাতিক খ্যাতিমান ক্রিকেটার মাশরাফি লিখেছেন, “কাল দুইটা হার দেখেছি, একটা বাংলাদেশ ক্রিকেট দল, যেটায় কষ্ট পেয়েছি। আর একটি পুরো বাংলাদেশের, যা হৃদয় ভেঙ্গে চুরমার করেছে। এ লাল সবুজ তো আমরা চাইনি। কতো কতো সপ্ন,কতো কষ্টার্জিত জীবন যুদ্ধ এক নিমিষেই শেষ। আল্লাহ আপনি আমাদের হেদায়েত দিন।”

মাশরাফির ফেসবুক পোস্টে দুটি ‘হার’ কথা উল্লেখ করেছেন। প্রথম হার অর্থাৎ আইসিসির সহযোগী দেশ স্কটল্যান্ডের কাছে বিশ্বকাপের বাছাইপর্বের প্রথম ম্যাচে বাংলাদেশের পরাজয়। আর দ্বিতীয় ‘হার’ রংপুরের পীরগঞ্জের হিন্দুদের উপর সাম্প্রদায়িক হামলা। দুটি ঘটনাই দাগ কেটেছে বাংলাদেশ ক্রিকেট দলের প্রাক্তন অধিনায়ক মাশরাফি বিন মোর্তাজার। দুটি ‘হারে’ হৃদয়ে ক্ষত সৃষ্টি হয়েছে বলে লিখেছেন তিনি।

mashrafe-bin-mortaza

মাশরাফি বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের নড়াইল-২ কেন্দ্র থেকে আওয়ামী লীগ প্রার্থী হিসেবে জয়ী হন। তাঁর ফেসবুক পোস্ট নিয়ে প্রবল চর্চা চলছে বাংলাদেশ সহ আন্তর্জাতিক মহলে।

পরপর সাম্প্রদায়িক হামলার জেরে বিব্রত বাংলাদেশ সরকার। দুর্গাপূজায় কুমিল্লার একটি মণ্ডপে ‘পরিরল্পিত’ ভাবে কোরান রাখা নিয়ে তীব্র উস্কানিমূলক বার্তা থেকে হামলা শুরু হয়। এর জেরে বাংলাদেশের চাঁদপুর, ফেনী, চট্টগ্রাম, নোয়াখালীতে একের পর এক দুর্গামণ্ডপে হামলা, সংখ্যালঘু হিন্দু মহল্লায় লুঠতরাজ, খুন সবই হয়েছে। চাঁদপুরে হামলাকারীদের রুখতে গুলি চালায় পুলিশ। সংঘর্ষে চাঁদপুরেই মৃত চার। সবমিলে মোট ৬ জন মৃত রবিবার নতুন করে হামলা হয় রংপুরে। এখানকার পীরগঞ্জে সংখ্যালঘুদের মহল্লায় আগুন ধরানো হয়।

Mumbai: পেট্রোল পর ডিজেল, জ্বালানি তেলের জোড়া সেঞ্চুরি নজির

diesel-price-cross-century

নিউজ ডেস্ক: দেশে জ্বালানির জোড়া সেঞ্চুরি হয়ে গেল। আশঙ্কা যা ছিল সেটাই হয়েছে। বাণিজ্য রাজধানীতে ডিজেল মূল্য লিটার পিছু ১০০ টাকা পার করেছে। আগেই সেঞ্চুরি করেছে পেট্রোল। জ্বালানি মূল্যের ঝড় তোলা ব্যাটিংয়ে জনগণ আরও বিপাকে।

বাণিজ্য রাজধানী মুম্বইতে ডিজেল মূল্য লিটার প্রতি ১০২.৫২ টাকা। আর পেট্রোল মূল্য লিটারে ১১১.৭৭ টাকা। বাকি মহানগরগুলিতে ডিজেল মূল্য শত রানের দোরগোড়ায় এসে গিয়েছে।

রাজধানী নয়া দিল্লিতে প্রতি লিটারে পেট্রোলের দাম সর্বোচ্চ ১০৫.৮৪ টাকা। ডিজেলের দাম প্রতি লিটারে ৯৪.৫৭ টাকা।

চেন্নাইতে লিটার প্রতি পেট্রোলের দাম ১০৩.০১ টাকা এবং ডিজেলের দাম ৯৮.৯০ টাকা। কলকাতায় প্রতি লিটারে পেট্রোলের দাম ১০৬.৪৩ টাকা এবং ডিজেলের দাম প্রতি লিটারে ৯৭.৬৮ টাকা।

ডিজেলের ক্রমাগত মূল্যবৃদ্ধি করে চলেছে রাষ্ট্রীয় তেল সংস্থাগুলি। জ্বালানির দাম ঊর্ধ্বমুখী হওয়ায় মাথায় হাত জন সাধারণের। পেট্রোল ও ডিজেলের দামের উপরে এক্সসাইজ ডিউটি, ডিলার কমিশন ও অন্যান্য চার্জ যুক্ত করার পর প্রায় দ্বিগুণ দাম দিয়ে তেল কিনতে হয় উপভোক্তাদের ৷

আন্তর্জাতিক বাজারে অপরিশোধিত তেলের দাম এবং ডলারের তুলনায় টাকার মূল্যের উপর নির্ভর করে দেশের বাজারে পেট্রোলে ও ডিজেলের দাম ৷

পেট্রোলিয়াম আর প্রাকৃতিক গ্যাস মন্ত্রী হরদীপ সিং পুরি আগেই জানিয়েছিলেন, সরকার পেট্রোল আর ডিজেলের মূল্যে নজর রেখে চলেছে। পেট্রোল ও ডিজেলের দামে স্থিরতা বজায় রাখার চেষ্টা চলছে। তাঁর ঘোষণা বাস্তবে দেখা যাচ্ছে না।

Bangladesh: দুর্গাপূজায় হামলার প্রতিবাদে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ুয়াদের অবরোধ, তীব্র যানজট

bangladesh student

নিউজ ডেস্ক: দুর্গাপূজাকে কেন্দ্র করে বাংলাদেশে পরপর হিন্দু মন্দির, পুজামণ্ডপ ও হিন্দু মহল্লায় হামলার জেরে বাংলাদেশ সরকার প্রবল বিতর্কে। নিরাপত্তার কথা বলা হলেও রক্ষীরা হামলার সময় ছিল না বলে অভিযোগ উঠেছে।

এই হামলার প্রতিবাদে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পড়ুয়ারা অবস্থান বিক্ষোভে সরকারের কাছে পূর্ণ তদন্ত ও হামলাকারীদের চরম শাস্তির দাবি করেছেন। ঢাকার শাহবাগ মোড় অবরোধ করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের পড়ুয়ারা। অবরোধের কারণে ঢাকায় তীব্র যানজটের সৃষ্টি হয়েছে।

bangladesh student

আন্দোলনকারীরাদের দাবি, প্রতিবার হামলার পর আশ্বাস দিলেও কোনও পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়নি।দেশের হিন্দু ধর্মাবলম্বীরা চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন।

bangladesh student

পড়ুয়াদের দাবি, হামলার শিকার সব মন্দির দ্রুত সংস্কার করতে হবে। বসতবাড়ি ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে লুটপাটের ক্ষতিপূরণ দিতে হবে। হত্যার শিকার পরিবারগুলোকে স্থায়ী ক্ষতিপূরণ দিতে হবে। দোষীদের শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে।

জাতীয় সংসদে আইন প্রণয়নের মাধ্যমে মন্দির সংখ্যালঘুদের বাড়িতে হামলায় জড়িতদের সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত করারও দাবি করেন তারা। সংখ্যালঘুদের জন্য আলাদা মন্ত্রক ও কমিশন গঠন করতে হবে। জাতীয় বাজেটে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের জন্য জিডিপির ১৫ শতাংশ বরাদ্দ রাখতে হবে।

Uttar Dinajpur: গুলি করে খুন করা হল বিজেপি যুব নেতাকে

mitun-ghosh-bjp

নিউজ ডেস্ক: উপনির্বাচনের পরিস্থিতি গরম হতে চলেছে। খুন করা হয়েছে উত্তর দিনাজপুর জেলার এক বিজেপি যুব নেতাকে। রবিবার গভীর রাতে তাঁকে গুলি করা হয়। মৃতের মিঠুন ঘোষ। তিনি জেলা যুব মোর্চার সহ সভাপতি।

রবিবার গভীর রাতে ইটাহার থানার রাজগ্রাম এলাকায় গুলিবিদ্ধ হন মিঠুন ঘোষ। পরিবারের অভিযোগ, এলাকার তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীরা গুলি চালায়। বিজেপি নেতাদের অভিযোগ, এলাকার তৃণমূল কর্মী কাশেম আলির দল মিঠুনকে খুনের হুমকি দিত। বিজেপি যুব নেতার খুনের ঘটনায় উত্তেজনা ছড়িয়েছে ইটাহারে।

জানা গিয়েছে,রবিবার রাত সাড়ে নয়টা নাগাদ মিঠুন ঘোষ বাড়ির বাইরে আসেন। তখনই দুষ্কৃতীরা তাকে লক্ষ্য করে গুলি চালায়। গুরুতর জখম বিজেপি নেতাকে রায়গঞ্জ গভর্মেন্ট মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয় সেখানে চিকিৎসকেরা  তাঁকে মৃত বলে ঘোষণা করেন।

সোমবার পরিস্থিতি থমথমে ইটাহারের রাজগ্রামে। সেই সঙ্গে ছড়িয়েছে ক্ষোভ। অভিযুক্তদের কেন গ্রেফতার করা হচ্ছেনা উঠছে সেই প্রশ্ন। তবে তৃ়ণমূল কংগ্রেসের তরফে সব অভিযোগ অস্বীকার করা হয়।জেলা বিজেপি নেতৃত্ব প্রতিবাদ কর্মসূচি পালন করছেন।

Bangladesh: পূজামণ্ডপে হামলার পর সংখ্যালঘু হিন্দুপল্লীতে আগুন, রংপুরে জ্বলছে গ্রাম

Communal-tension

নিউজ ডেস্ক:  কোরান অমাননার মতো ভুয়ো অভিযোগ ও গুজবকে কেন্দ্র করে দুর্গামণ্ডপে হামলার রেশ ধরে বাংলাদেশে ফের আক্রান্ত সংখ্যালঘু হিন্দুরা। এবার রংপুরে একটি গ্রাম জ্বালিয়ে দিল হামলাকারীরা। অভিযোগ, পুলিশের উপস্থিতিতেই হামলা হয়েছে। প্রশাসন প্রায় নির্বিকার।

রংপুর জেলার পীরগঞ্জ উপজেলার মাঝি পাড়ায় পরপর বাড়িতে আগুন ধরানো হয়েছে। দুটি গ্রামে ৫০ থেকে ৬০ টি হিন্দু বাড়ি ও মন্দিরে অগ্নিসংযোগ ও লুটপাট করা হয়েছে।

Communal-tension

রংপুরের জেলা শাসক আসিফ আহসান জানান ফেসবুক পোস্টকে কেন্দ্র করে করিমগঞ্জ গ্রামে উত্তেজনা তৈরি হওয়ার খবর পেয়ে আমরা আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্য এবং জনপ্রতিনিধিদের সঙ্গে নিয়ে সেখানে ছুটে যাই এবং পরিস্থিতি শান্ত করি। কিন্তু এই সময়ের মধ্যে দুর্বৃত্তরা পীরগঞ্জের কয়েকটি গ্রামের কিছু হিন্দু বাড়িতে আগুন ধরিয়ে দেয়।

দুর্গাপূজাকে কেন্দ্র করে কুমিল্লায় কোরান ‘অবমাননা’ করা হয়েছে বলে গুজব ছড়িয়ে পড়ার পর থেকে বাংলাদেশে সাম্প্রদায়িক হামলা চলছে। কুমিল্লা, চাঁদপুর, নোয়াখালী, চট্টগ্রামে পরপর দুর্গা প্রতিমা, মন্দির ও স্থানীয় সংখ্যালঘুদের ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ভাঙচুর করা হয়। সংঘর্ষে মোট মৃত ৬ জন। মৃতদের বেশিরভাগই চাঁদপুরের হামলাকারী বলে বাংলাদেশ পুলিশ জানিয়েছে।

বাংলাদেশের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল সাংবাদিকদের জানান,সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে অপরাধীদের খুঁজে বের করা হচ্ছে।

Punjab: পঞ্জাবের উন্নয়নের জন্য কংগ্রেসের সামনে এটাই শেষ সুযোগ, দাবি সিধুর

Navjot Singh Sidhu

নিউজ ডেস্ক: পঞ্জাবে কংগ্রেসের ঝামেলা কমার এখনও কোনও লক্ষ্মণই দেখা যাচ্ছে না। পঞ্জাব কংগ্রেস সভাপতির পদ থেকে পদত্যাগ করে আবার নাটকীয় উপায়ে পদত্যাগ ফিরিয়ে নিয়ে নভজোত সিং সিধু (Navjot Singh Sidhu) কংগ্রেস সভাপতি সোনিয়া গান্ধীর সঙ্গে দেখা করার জন্য সময় চাইলেন। এ জন্য সিধু সোনিয়াকে একটি চিঠিও লিখেছেন। ওই চিঠিতে তিনি মন্ত্রিসভায় নতুন কয়েকজনকে অন্তর্ভুক্ত করা-সহ ১৩ দফা দাবি পেশ করেছেন।

সিধু ইতিমধ্যেই কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধীর সঙ্গেও দেখা করেছেন। রাহুলের সঙ্গে দেখা করার পর সিধু বলেছিলেন, সমস্ত সমস্যার সমাধান হয়ে গিয়েছে।

পঞ্জাবের নবনিযুক্ত মুখ্যমন্ত্রী চরণজিৎ সিং চান্নির কিছু সিদ্ধান্তে অসন্তুোষ প্রকাশ করে সিধু পঞ্জাব কংগ্রেস সভাপতির পদ ছেড়ে দিয়েছিলেন। যাই হোক, চান্নি এবং অন্যান্য নেতাদের আবেদনে তিনি সভাপতি পদে থাকতে রাজি হন। পঞ্জাবের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী অমরিন্দর সিং এর সঙ্গে সিধুর মতবিরোধ সুপরিচিত। সিধুর অনুগামী বিধায়কদের চাপেই মুখ্যমন্ত্রীর পদ থেকে সরতে হয়েছিল অমরিন্দরকে।

এদিকে সিধুর উপদেষ্টা এবং প্রাক্তন আইপিএস মহম্মদ মোস্তফার স্ত্রী রাজিয়া সুলতানা বলেছেন, ক্যাপ্টেন অমরিন্দর সিং তাঁকে প্রতিনিয়ত হুমকি দিচ্ছেন। রাজিয়া সুলতানা চান্নি সরকারের একজন মন্ত্রী।

সোনিয়া গান্ধীকে লেখা চিঠিতে সিধু বলেছেন, কংগ্রেস দল ২০১৭ সালের পঞ্জাব বিধানসভা নির্বাচনে দুই-তৃতীয়াংশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করেছিল। কংগ্রেস সে সময় জনগণের অর্থনৈতিক ও গণতান্ত্রিক অধিকারকে শক্তিশালী করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল। সিধুর দাবি, তিনি যে ৫৫ টি বিধানসভা কেন্দ্রে প্রচার করেছিলেন, তার মধ্যে কংগ্রেস ৫৩ টিতে জয়লাভ করেছিল।

সিধু উল্লেখ করেছেন, তিনি বিধায়ক, পঞ্জাব মন্ত্রিসভার মন্ত্রী এবং পঞ্জাব কংগ্রেস সভাপতি থাকাকালীন রাজ্যের উন্নয়নকেই অগ্রাধিকার দিয়েছেন। সিধু তাঁর চিঠিতে আরও লিখেছেন, ১৭ বছর ধরে রাজনৈতিক সেবা করার পর তিনি জনসাধারণের অনুভূতিগুলি সহজেই বুঝতে পারেন। তাই তিনি অনুভব করছেন যে পঞ্জাবের পুনরুজ্জীবনের জন্য কংগ্রেসের সামনে এটাই শেষ সুযোগ।

Uddhav Thackeray: মাদকের মতো বিজেপিকে পেয়ে বসেছে ক্ষমতার নেশা, কটাক্ষ উদ্ধব ঠাকরের

Uddhav Thackeray

অনলাইন ডেস্ক, মুম্বই: দশেরা উপলক্ষে এক অনুষ্ঠানে যোগ দিয়ে বিজেপি ও সংঘ পরিবারকে কড়া ভাষায় আক্রমণ করলেন মহারাষ্ট্রের মুখ্যমন্ত্রী তথা শিবসেনা নেতা উদ্ধব ঠাকরে (Uddhav Thackeray)।

মুখ্যমন্ত্রী বলেন, মাদকের নেশার মত বিজেপিকে ক্ষমতার নেশায় পেয়ে বসেছে। কেন্দ্রের বিজেপি সরকারের লক্ষ্য হল যেনতেনভাবে ক্ষমতা দখল করা। নিজেদের স্বার্থসিদ্ধি করতে মোদি সরকার সিবিআই, আয়কর দফতর, ইডি, এনসিবির মত বিভিন্ন সংস্থাকে কাজে লাগাচ্ছে। মোদি সরকারের লক্ষ্য হল বিরোধীদের কণ্ঠরোধ করা। তবে শিবসেনা নেতৃত্বাধীন মহারাষ্ট্র সরকার কেন্দ্রের যেকোনও অন্যায় পদক্ষেপের বিরুদ্ধে রাস্তায় নেমে লড়াই করবে।

ওই অনুষ্ঠানে ঠাকরে আরও বলেন, বিজেপি সরকারের অঙ্গুলিহেলনে এনসিবি অহেতুক বলিউড তারকাদের হেনস্তা করছে। আসলে কেন্দ্রীয় সরকার এমন একটা পরিস্থিতি তৈরি করতে চাইছে যা দেখে মনে হয় মহারাষ্ট্র মাদক সেবন কেন্দ্রে পরিণত হয়ে উঠেছে। অথচ গুজরাতের মুন্দ্রা বন্দরে কোটি কোটি টাকার মাদক বাজেয়াপ্ত হচ্ছে। সে বিষয়ে কিন্তু মোদি সরকার একটি কথা ও বলছে না। বিজেপির হিন্দুত্বকেও এদিন কড়া ভাষায় আক্রমণ করেন উদ্ধব। তিনি বলেন, বাইরের কোনও শক্তির জন্য হিন্দুত্ব বিপন্ন হয়নি। নতুন ভাবে নিজেদের হিন্দু বলে দাবি করা একটি দল ও কয়েকজন ব্যক্তির জন্য বিভিন্ন সমস্যা তৈরি হচ্ছে।

নতুন হিন্দুত্ববাদী দল বলতে ঠাকরে যে বিজেপিকেই বুঝিয়েছেন তা স্পষ্ট। শিবসেনা প্রধান আরও বলেছেন, আরএসএস ও শিবসেনা উভয়েরই আদর্শ এক। কিন্তু তাদের চলার পথটা সম্পূর্ণ আলাদা। নতুন হিন্দুত্ববাদী শক্তি এখন ব্রিটিশদের মত বিভাজনের রাস্তা বেছে নিয়েছে। মারাঠি ও অমারাঠিদের মধ্যে বিভাজন করতে তারা চেষ্টা চালাচ্ছে। কিন্তু মানুষকে আমি বলব বিজেপি ও শিবসেনার এই প্ররোচনায় পা দেবেন না। আসলে বিজেপি মহারাষ্ট্রের বদনাম করার চেষ্টা করছে।

এ প্রসঙ্গে ঠাকরে বলেন, প্রেমে ব্যর্থ হয়ে অনেক সময় প্রেমিক প্রেমিকার মুখে অ্যাসিড ছুড়ে মারে। বিজেপির এখন ঠিক সেই অবস্থা হয়েছে। তাই গেরুয়া বাহিনী মহারাষ্ট্রের গায়ে কালি ছেটানোর চেষ্টা করছে। মহারাষ্ট্রের মানুষ একারণেই ওদের প্রত্যাখ্যান করেছে। উল্লেখ্য, সম্প্রতি বিজেপি শিবসেনা সরকারকে দুর্নীতিগ্রস্ত বলে মন্তব্য করেছিল। সেই মন্তব্যের জবাব দিতেই এই উদ্ধব কটাক্ষ করেছেন বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল।
উল্লেখ্য, ২০১৯ সালে মহারাষ্ট্রে ক্ষমতা দখলকে কেন্দ্র করে বিজেপি-শিবসেনার জোট ভেঙে যায়। পরিবর্তে শারদ পাওয়ারের এনসিপি কংগ্রেসের সমর্থনে শিবসেনা সরকার গঠন করে।

P Chidambaram: মোদি-সরকার তোলাবাজি করছে, কড়া ভাষায় কেন্দ্রকে আক্রমণ চিদম্বরমের

Former Finance Minister P Chidambaram’s attack on Modi

নিউজ ডেস্ক, নয়াদিল্লি: সরাসরি কেন্দ্রের নরেন্দ্র মোদি সরকারকে তোলাবাজ বলে উল্লেখ করলেন দেশের প্রাক্তন অর্থমন্ত্রী তথা কংগ্রেস নেতা পি চিদম্বরম (P Chidambaram)। এই প্রবীণ কংগ্রেস নেতা শনিবার বলেন, সাধারণ মানুষকে চরম দুর্বিপাকে ফেলে কেন্দ্রীয় সরকার প্রতিদিন পেট্রোল-ডিজেলের দাম বাড়িয়ে যাচ্ছে। এমনকী, মাসের শুরুতেই বাড়াচ্ছে রান্নার গ্যাসের দাম। আন্তর্জাতিক বাজারে পেট্রোপণ্যের দাম এখনও যথেষ্ট কম। তবুও মোদি সরকার পেট্রোল, ডিজেল, গ্যাসের উপর নিজেদের ইচ্ছামত কর চাপিয়ে কার্যত তোলাবাজি চালাচ্ছে।

নিজের দাবির সপক্ষে চিদাম্বরম পরিসংখ্যানও পেশ করেন। দেশের প্রাক্তন অর্থমন্ত্রী বলেন, এক লিটার পেট্রোলের দাম যদি ১০২ টাকা হয় তাহলে রাষ্ট্রায়ত্ত্ব সংস্থাগুলি প্রায় ৪২ টাকা। কিন্তু মোদি সরকার এক লিটার পেট্রোল থেকে নিজেদের কোষাগারের নিয়ে যাচ্ছে ৩৩ টাকা। পিছিয়ে নেই রাজ্যগুলিও। তারা প্রতি লিটার পেট্রোল থেকে ২৪ টাকা আয় করে। অর্থাৎ পেট্রোলের দামের উপরে ৩৩ শতাংশই রয়েছে কেন্দ্রের কর। এটা তোলাবাজি ছাড়া আর কি হতে পারে! মোদি সরকার এটা জানে না যে, পেট্রোপণ্যের উপর এভাবে কর চাপিয়ে দিয়ে আয় বাড়ানোর পশ্চাদমুখী পদক্ষেপ। তাদের এই পদক্ষেপের কারণে সবচেয়ে বেশি সমস্যায় পড়তে হয় গরিব মানুষকে কারণ দেশে গরিব ও বড়লোক সকলকেই সম পরিমাণ করে দিতে হয়।

চিদম্বরম পেট্রোল-ডিজেলের মূল্যবৃদ্ধির কথা বলতে গিয়ে টেনে আনেন প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী মনমোহন সিংয়ের জমানার কথা।প্রাক্তন অর্থমন্ত্রী বলেন, মনমোহন সিংয়ের আমলে আন্তর্জাতিক বাজারে পেট্রোলের দাম ১০০ ডলার ছাড়িয়ে গিয়েছিল। কিন্তু সে সময়েও পেট্রোল-ডিজেলের দাম দেশের বাজারে ৮০ টাকা ছাড়ায়নি। আন্তর্জাতিক বাজার থেকে অনেক চড়া দামে পেট্রোল কিনে মনমোহন সরকার দেশের মানুষের কাছে সস্তায় পৌঁছে দিত। কিন্তু সে সময়ও বিজেপি তেলের দাম কমানোর জন্য প্রচুর আন্দোলন করেছে। সেই বিজেপি এখন কোথায় গেল? এখন তো আন্তর্জাতিক বাজারে এক ব্যারেল তেলের দাম ৭০ ডলার। তাহলে কিভাবে দেশের বাজারে ১০০ টাকা ছাড়িয়ে যায় পেট্রোলের দাম। পেট্রোলের দাম এভাবে কেন বাড়ছে মোদি সরকার তার ব্যাখ্যা দিতে হবে। সরকারের উচিত সাধারণ মানুষকে সবকিছু জানানো।

মোদি সরকার এখন বলছে, আন্তর্জাতিক বাজারে দাম বাড়ার ফলে দেশের বাজারেও পেট্রোপণ্যের দাম বাড়ছে। এক্ষেত্রে তাদের কিছু করার নেই। কিন্তু গত বছর যখন পেট্রোল-ডিজেলের দাম মাইনাসে চলে গিয়েছিল সে সময়ও কেন দেশে একটি টাকাও দাম কমেনি পেট্রোল-ডিজেলের। মোদি সরকার আগে তার উত্তর দিক। আসলে মোদি সরকার অত্যন্ত লোভী।

এই সরকারের আমলে দেশের আর্থিক কর্মকাণ্ড থেমে গিয়েছে। তাই সরকারের আয়ের কোনও জায়গা নেই। আয় বাড়াতেই সরকার পেট্রোল ডিজেলের উপর কর চাপিয়ে চলেছে। এই একটিমাত্র উৎসের উপর এভাবে কর না চাপিয়ে সরকারের উচিত কিভাবে আয় বাড়ানো যায় সেদিকে দৃষ্টি দেওয়া। কিন্তু মোদি ও তাঁর অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারমন অর্থনীতির এই প্রাথমিক সূত্রগুলো বোধহয় জানেন না।

অন্যদিকে আন্তর্জাতিক মহল মনে করছে, করোনা বিধি শিথিল হওয়ায় প্রায় প্রতিটি দেশেই যানবাহনের চলাচল বেড়েছে। স্বাভাবিকভাবেই বেড়েছে জ্বালানির চাহিদা। তাই আগামী কয়েক মাসে চাহিদার তুলনায় জোগান না বাড়লে পেট্রোল-ডিজেলের দাম আরও বাড়তে পারে।

Sonia Gandhi: নিজেকে পূর্ণ সময়ের সভাপতি বলে দাবি সোনিয়ার

sonia gandhi

নিউজ ডেস্ক, নয়াদিল্লি: দীর্ঘ দুই বছর পর কংগ্রেসের ওয়ার্কিং কমিটির বৈঠক হল। এই বৈঠকে আরও একবার দলের নিয়ন্ত্রণ নিজের হাতে তুলে নিলেন কংগ্রেসের অন্তর্বর্তী সভাপতি সোনিয়া গান্ধী। দলের ওয়ার্কিং কমিটির নেতাদের সাফ জানালেন, আপাতত আগামী এক বছর তিনিই দলের পূর্ণ সময়ের সভাপতি। ২০২২ এর সেপ্টেম্বর মাসে কংগ্রেসের নতুন সভাপতি নির্বাচন হবে বলেও জানালেন নেত্রী।

শনিবারের ওয়ার্কিং কমিটির বৈঠকে কার্যত নিয়ন্ত্রণ ছিল পুরোপুরি সোনিয়ার হাতেই। দলের বিক্ষুব্ধ ২৩ জন নেতাকেও এদের নেত্রী কড়া বার্তা দিয়েছেন। সোনিয়া স্পষ্ট বলেছেন, কারও কোনও বিষয়ে অভিযোগ থাকলে সংবাদমাধ্যমের কাছে সে কথা বলার কোন দরকার নেই। সরাসরি আমাকে সব কিছু বলুন। আমি চেষ্টা করব আপনাদের সমস্যার সমাধান করতে। কংগ্রেসের পুনরুজ্জীবনের জন্য সকলকেই কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে কাজ করতে হবে।

এখন প্রশ্ন হল, কেন কংগ্রেস সভাপতি পদে নির্বাচন আরও এক বছরের জন্য স্থগিত রাখা হল। রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন, ২০২২- এর শুরুতেই চার রাজ্যের বিধানসভা নির্বাচন রয়েছে। দলের নতুন সভাপতি নির্বাচন নিয়ে এখনই তাই সময় নষ্ট করার কোনও মানে হয় না। সভাপতি নির্বাচন করতে গিয়ে দলের গোষ্ঠী কোন্দল আরও বাড়তে পারে। বরং ওই চার রাজ্যের নির্বাচনে কিভাবে দলকে নিজের পায়ে দাঁড়ানো করানো যায় সে বিষয়ে মনোনিবেশ করতে চান নেত্রী। সে কারণেই তিনি সভাপতি নির্বাচন আগামী সেপ্টেম্বর পর্যন্ত পিছিয়ে দিয়েছেন।

বছরখানেক ধরে দলের ২৩ জন প্রবীণ নেতা সোনিয়া-রাহুলের বিরুদ্ধে মুখ খুলেছেন। এই দলীয় কোন্দল নিয়ে এদিন বেশ কিছুটা সময় ব্যয় করেছেন সোনিয়া।

এই প্রবীণ নেতাদের গোষ্ঠী জি-২৩কে সোনিয়া বলেন, সংবাদমাধ্যমের সামনে আপনারা কেন কথা বলেন! আপনাদের কিছু বলার থাকলে সরাসরি আমাকে জানান। নিজেদের মধ্যে কাদা ছোড়াছুড়ি না করে বরং রাজ্যে রাজ্যে কিভাবে কংগ্রেসকে নিজের পায়ে দাঁড়ানো যায় সেদিকে খেয়াল রাখুন। নিজেদের মধ্যে বিবাদ করতে গিয়ে মাঝখান থেকে কংগ্রেস প্রতিটি জায়গায় জমি হারাচ্ছে। আপনাদের মত প্রবীণ নেতাদের উচিত কংগ্রেসকে পুনরুজ্জীবিত করা। কংগ্রেসকে মৃত্যুর দিকে ঠেলে দেওয়া নয়।

INC: ‘রাহুল না পসন্দ’ সমর্থকদের মেসেজ ঝড় নেত্রী হোন প্রিয়াঙ্কা গান্ধী

Priyanka Gandhi

নিউজ ডেস্ক: পূর্ববর্তী লোকসভা ভোটের পর বিজেপি তথা এনডিএ শিবিরের কাছে পরাজয় মেনে নিয়ে কংগ্রেস সর্বভারতীয় সভাপতির পদ থেকে ইস্তফা দেন রাহুল গান্ধী। ফের কার্যকরী সভাপতির দায়িত্ব তুলে নেন সোনিয়া। এবার কংগ্রেস ওয়ার্কিং কমিটির বৈঠকে সাংগঠনিক মুখের বদল হওয়ার প্রবল ইঙ্গিত আসছে।

নয়া দিল্লিতে কংগ্রেস ওয়ার্কিং কমিটির বৈঠক থেকেই আসন্ন উত্তর প্রদেশ, গোয়া, পাঞ্জাব সহ বাকি বিধানসভা ও আগামী লোকসভা ভোটের রূপরেখা তৈরি হবে। তবে কংগ্রেসের প্রাথমিক নজর উত্তর প্রদেশের ভোট।

সূত্রের খবর, দলের সভাপতি হিসেবে পুনরায় রাহুল গান্ধী নির্বাচিত হতে চলেছেন। তবে নির্বাচনী লড়াইয়ের মুখ হবেন তাঁর বোন প্রিয়াঙ্কা গান্ধী (Priyanka Gandhi)। ইতিমধ্যে সমর্থক ও সাংগঠনিক সর্বনিম্ন স্তর থেকে লাগাতার মেসেজ ঝড়ে অতিষ্ঠ কেন্দ্রীয় নেতারা। দাবি উঠেছে, প্রিয়াঙ্কার নেতৃত্বে লড়াই করার।

উত্তর প্রদেশ বিধানসভা ভোটের আগে প্রিয়াঙ্কা যেভাবে রাজনৈতিক কর্মসূচিতে নেমেছেন তাতে আশাবাদী কংগ্রেস সমর্থকরা। তবে অতি বড় কংগ্রেস সমর্থকও জানেন, এই রাজ্যে এখনই কংগ্রেসের সরকার গঠনের সম্ভাবনা নেই। তবে প্রিয়াঙ্কার নেতৃত্বে কংগ্রেস লড়লে ফল ‘ভালো হবেই’।

উত্তর প্রদেশ সহ পশ্চিম ভারত জুড়ে কৃষি আইন বাতিলের দাবিতে কৃষক আন্দোলন গোটা দেশেই ছড়িয়েছে। সাম্প্রতিক লখিমপুর খেরিতে কৃষকদের গাড়ি চাপা দিয়ে মারার ঘটনায় প্রবল বিতর্কে বিজেপি। মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ ও প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর বিরুদ্ধে ক্রমাগত হুঁশিয়ারি দিয়ে চলেছে কৃষক সংগঠনগুলির যৌথ মঞ্চ সংযুক্ত কিষাণ মোর্চা।

কৃষক আন্দোলনের ধাক্কায় উত্তর প্রদেশ, হরিয়ানায় বিজেপি ভোট সমর্থনে নেমেছে ধস। কংগ্রেস নেত্রী প্রিয়াঙ্কা গান্ধী খোদ প্রধানমন্ত্রীবিদ্ধস্ত নীরবতা নিয়ে বারবার প্রশ্নে বিদ্ধ করেছেন। তাঁর গ্রেফতারিতে চাঙ্গা হয়েছে কংগ্রেস। এর পরেই প্রধানমন্ত্রী মোদীর সংসদীয় এলাকা বারণসীতে প্রিয়াঙ্কার জনসভার ভিড়ে বিজেপি চিম্তিত।
কংগ্রেস ওয়ার্কিং কমিটির কাছে দুটি প্রশ্ন আসছে, ভোটে লড়াইয়ের নীতি কী হবে? আর প্রিয়াঙ্কা গান্ধীকে পুরোপুরি কখন থেকে নামানো হবে ? সূত্রের খবর, ইন্দিরা নাতনি প্রিয়াঙ্কা হতে চলেছেন কংগ্রেসের পোস্টার গার্ল।

Mohan Bhagwat: তালিবান পাল্টালেও পাকিস্তান একই থাকবে, বিজয়া ভাষণে ভাগবত

Mohan Bhagwat

নিউজ ডেস্ক: প্রথামাফিক বিজয়া দশমী পালন উৎসব অনুষ্ঠান থেকে দেশের সীমান্ত সুরক্ষা কঠোর করতে মোদী সরকারকে বার্তা দিলেন সংঘ প্রধান মোহন ভাগবত। মহারাষ্ট্রের নাগপুরে প্রতিবারের মতো এবছরও বিজয়া দশমী পালন করে আরএসএস।

অনুষ্ঠান থেকে সংঘ প্রধান বলেন,আফগানিস্তানে ফের সরকার গড়া তালিবানের চরিত্র কী তা স্পষ্ট। তাদের অতীত আমরা জানি। তবে তালিবান তার রূপ পাল্টাতে পারে। কিন্তু তালিবানকে সমর্থন করা পাকিস্তান তার চরিত্র বদলাবে না। এই প্রসঙ্গে মোহন ভাগবত চিনকেও টেনে এনেছেন। তিনি বলেন, চিনের অভিপ্রায় কি পাল্টেছে?

উল্লেখ্য, চিন ও পাকিস্তান দুই দেশের সঙ্গে ভারতের আন্তর্জাতিক সীমান্ত। ভাগবতের দাবি, ভারত সীমান্ত আরও মজবুত পাহারার ব্যবস্থা করতে হবে।

রাষ্ট্রীয় স্বয়ং সেবক সংঘ প্রধানের ভাষণের পরেই কূটনৈতিক মহলে শোরগোল পড়েছে। কূটনীতিকরা মনে করছেন, যেহেতু বিজেপি হলো সংঘের রাজনৈতিক শাখা তাই সংঘ ঠিক করে দিল তালিবান সরকারের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক রসায়ণ সূত্র।

আফগানিস্তানের ক্ষমতার দ্বিতীয়বার আসার পর তালিবান জঙ্গি গোষ্ঠী বারবার আন্তর্জাতিক মহলের কাছে নিজেদের নরম অবস্থান তুলে ধরার বার্তা দিয়েছে। তারা জানায়, এই তালিবান সরকার পূর্ববর্তী তালিবান নয়। অনেক নরম। তবে আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংগছম ও সংবাদ সংস্থাগুলির দাবি, আফগানিস্তানে গণহত্যা শুরু করেছে তালিবান।

নাগপুরে সংঘ সদর কার্যালয়ের বিজয়া দশমী অনুষ্ঠানে হাজির ছিলেন ইজরায়েলের রাষ্ট্রদূত সহ অন্যান্যরা। শারদ উৎসবের আগে অবস্য মহারাষ্ট্রের নাগপুর সংলাপ এলাকায় জনসমর্থনে ধাক্কা খেয়েছে বিজেপি। পঞ্চায়েতস্তর থেকেই আসন ও জনসমর্থনে ধস নামতে শুরু করেছে।

Rao Inderjit Singh: শুধু মোদির নামে ভোট চাইলে জেতা অসম্ভব, স্বীকার করে নিলেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী

Union Minister Rao Inderjit Singh

নিউজ ডেস্ক, নয়াদিল্লি: প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির জনপ্রিয়তা নিজের দলের অন্দরেই কি ক্রমশ কমছে! সম্প্রতি কেন্দ্রীয় মন্ত্রী রাও ইন্দ্রজিৎ সিংয়ের এক বক্তব্যে সেই ধারণাই স্পষ্ট হয়েছে। জনপ্রিয়তা যে ক্রমশ কমছে তাই নয় শুধু মোদির নামে আর ভোট পাওয়া যাবে এমন কোনও নিশ্চয়তাও নেই। তাই কেন্দ্র ও হরিয়ানায় তৃতীয়বারের জন্য ক্ষমতা দখল করতে শুধু মোদির নামের উপর নির্ভর করলে চলবে না।

মোদির জনপ্রিয়তা যে ক্রমশ কমছে পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভা নির্বাচনের ফলাফল তারই প্রমাণ। মোদি একের পর এক সভা করলেও পশ্চিমবঙ্গে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সরকারের সামনে দাঁড়াতেই পারেননি তিনি। রাজনৈতিক মহল মনে করছে, ২০১৪-র আগে মোদির যে জনপ্রিয়তা ছিল তা আজ তলানিতে এসে ঠেকেছে।

হরিয়ানায় বিজেপির এক অভ্যন্তরীণ বৈঠকেই কর্পোরেট বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ইন্দ্রজিৎ সিং দলীয় নেতাদের বলেন, মোদির জনপ্রিয়তা আজও আছে এটা ঠিক। কিন্তু শুধু তাঁর নামে ভোট চাইলে যে জয় আসবে এমন কোনও নিশ্চয়তা নেই। নরেন্দ্র মোদির নাম বাদ দিয়েও যাতে ভোটে জেতা যায় আমাদের সেই চেষ্টা করতে হবে। মোদির জনপ্রিয়তাকে কিভাবে ফের চাগিয়ে তোলা যায় তাও ভাবতে হবে দলের নেতাকর্মীদের।

কেন্দ্রীয় প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, কৃষক আন্দোলন আমাদের যথেষ্টই বিপাকে ফেলেছে। কৃষকদের সঙ্গে যে ধরনের আচরণ করা হচ্ছে তা মানুষকে বিজেপি সরকারের উপর ক্ষুব্ধ করে তুলেছে। মানুষের রোষ থেকে রেহাই পাচ্ছেন না প্রধানমন্ত্রীর নরেন্দ্র মোদিও। সে কারণে আমরা যদি শুধুমাত্র মোদির উপরে নির্ভর করে নির্বাচনী ময়দানে নামি তাহলে দলের জয় সম্পর্কে একটা সন্দেহ থেকেই যায়। শুধু মোদি-মোদি করে কখনওই চিরকাল চলতে পারে না। মোদিকে ছাড়াও যাতে ভোটে জেতা যায় আমাদের সেই ক্ষমতা অর্জন করতে হবে। অন্যথায় কেন্দ্র এবং হরিয়ানায় তৃতীয়বারের জন্য সরকার গঠনের আশা আমাদের ছাড়তে হবে।

বীর সাভারকারকে সামরিক কৌশলবিদ বলে নতুন বিতর্ক তৈরি করলেন রাজনাথ

rajnath singh

নিউজ ডেস্ক: বীর সাভারকারকে সামরিক কৌশলবিদ হিসেবে উল্লেখ করে নতুন বিতর্ক তৈরি করলেন প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং। গোটা দেশের কাছেই সাভারকর এক নগণ্য চরিত্র। কিন্তু বিজেপি ও সংঘ পরিবারের কাছে সাভারকর জাতীয় আইকন।

সাভারকরের উপর একটি বই প্রকাশ অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে রাজনাথ বলেন। বিংশ শতকের প্রথম সামরিক কৌশলবিদ ছিলেন সাভারকার। মহাত্মা গান্ধীর অনুরোধেই তিনি ব্রিটিশদের কাছে ক্ষমার আবেদন করেছিলেন। রাজনাথ স্পষ্ট বলেন, মার্কসবাদী-লেনিনবাদীরাই সাভারকর সম্পর্কে ভুল বার্তা পাঠিয়েছিলেন। ইচ্ছাকৃতভাবেই তাঁকে ফ্যাসিবাদী বলে অভিযুক্ত করা হয়েছিল।

সাভারকার কিন্তু আদৌ ফ্যাসিবাদী ছিলেন না। বরং তাঁকে জাতীয় আইকন বলা যেতে পারে। সাভারকার দেশের জন্য শক্তিশালী প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার কথা বলেছিলেন। দেশের উন্নয়ন সম্পর্কে কূটনৈতিক মতামত দিয়েছিলেন। রাজনাথের মত প্রবীণ রাজনীতিবিদের মুখে সাভারকার সম্পর্কে এই মন্তব্য শুনে অনেকেই চমকে উঠেছেন।

বিজেপি ও সংঘের কাছে এমনিতেই জাতীয়তাবাদী হিসেবেই পরিচিত ছিলেন সাভারকর। কিন্তু তিনি যে সামরিক কৌশলবিদ ছিলেন সেকথা এই প্রথম জানালেন রাজনাথ সিং। ওই অনুষ্ঠানে রাজনাথ বলেন, ভারতীয় ইতিহাসের অন্যতম নায়ক ছিলেন সাভারকর। তিনি ভবিষ্যতে ওই আসনেই থাকবেন। কোনও একজন মানুষকে নিয়ে ভিন্নমত থাকতেই পারে। ভিন্নমত থাকা মানে এই নয়, কাউকে ছোট করা। কারও সম্পর্কে মিথ্যা প্রচার করা, বা কাউকে নিয়ে নিকৃষ্ট মন্তব্য করা।

রাজনাথ বলেন, কিন্তু সাভারকার সম্পর্কে কিছু মানুষ কুরুচিপূর্ণ মন্তব্য করে থাকেন। তাঁর সম্পর্কে বিকৃত তথ্য প্রচার করে থাকেন। এটা কখনওই ঠিক নয়। সাভারকার ছিলেন একজন স্বাধীনতা সংগ্রামী এবং কট্টর জাতীয়তাবাদী। এহেন একজন মানুষ সম্পর্কে কখনওই ঘৃণা প্রকাশ ঠিক নয়। বরং মানুষের উচিত যেটুকু সম্মান তাঁর প্রাপ্য সেটা তাঁকে দেওয়া। দেশের প্রতি সাভারকরের যে অবদান রয়েছে সেটা স্বীকার করে নেওয়া।