পঞ্চায়েত ভোটে লড়ে তাক লাগিয়ে দিলেন বিজেপি নেতা ডি কার্তিক

BJP leader D Karthik

নিউজ ডেস্ক, নয়াদিল্লি: তামিলনাড়ুর কোয়েম্বাটুর জেলার কুরুদম্পালয় পঞ্চায়েতের ৯ নম্বর ওয়ার্ডে বিজেপির প্রার্থী হয়েছিলেন ডি কার্তিক। নির্বাচনী ফলাফল ঘোষণার পর সকলকে চমকে দিয়েছেন কার্তিক। কোয়েম্বাটুর জেলার বিজেপির যুব মোর্চার সভাপতি কার্তিক পঞ্চায়েত নির্বাচনে ভোট পেয়েছেন মাত্র একটি। যদিও তাঁর পরিবারের পাঁচ সদস্যও এই নির্বাচনে ভোট দিয়েছেন। এই ঘটনায় প্রমাণ হল যে, কার্তিকের পরিবারের সদস্যরা কেউই তাঁকে ভোট দেয়নি।

কার্তিকের এক ভোট পাওয়ার খবর সামনে আসতেই টুইটারে রীতিমত ট্রোল হয়েছেন তিনি। টুইটারে ইতিমধ্যেই একটি হ্যাশট্যাগ ভাইরাল হয়েছে। যেখানে লেখা হয়েছে ‘সিঙ্গল ভোট ফর বিজেপি’। নির্বাচনী ফলাফল সামনে আসতেই নেটদুনিয়ায় রীতিমতো হাসির খোরাক হয়েছেন বিজেপি জেলা যুব মোর্চার এই নেতা। নেটিজেনরা মন্তব্য করেছেন, কার্তিকের এলেম আছে বলতে হবে। তিনি এতটাই জনপ্রিয় যে, নিজের ভোট ছাড়া আর একটি ভোটও পাননি। এমনকি নিজের পরিবারের সদস্যদের ভোটও নয়।

সোশ্যাল মিডিয়ায় একজন মন্তব্য করেছেন, কার্তিক নিজের নির্বাচনী প্রচারে জন্য যে সমস্ত পোস্টার লাগিয়েছিলেন তাতে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি, অমিত শাহ, জেপি নাড্ডা-সহ বহু নেতার ছবি ছাপা হয়েছিল। তাতেও তিনি ভোট পেয়েছেন মাত্র একটি। তাঁর এলেম আছে বলতে হবে। এই ফলাফল থেকেই প্রমাণ হচ্ছে, বিজেপি আজ দেশে কতটা জনপ্রিয় রাজনৈতিক দল।

বিশিষ্ট লেখিকা তথা সমাজকর্মী মীনা কান্দাস্বামী বলেছেন, কুরুদম্পালয় পঞ্চায়েত নির্বাচনে ৯ নম্বর ওয়ার্ডের বিজেপি প্রার্থী মাত্র একটি ভোট পেয়েছেন। যদিও তার পরিবারের পাঁচ সদস্য ভোট দিতে এসেছিলেন। অথচ বাড়ির চারজনই কার্তিককে ভোট দেননি। পরিবারের যে চারজন কার্তিককে ভোট দেননি তাঁদের জন্য আমি গর্ববোধ করি। কার্তিক ছাড়া অন্য কোনও প্রার্থীকে ভোট দেওয়ার এই সিদ্ধান্তকে আমি অভিনন্দন জানাই।

রাজনৈতিক মহল মনে করছে, তামিলনাড়ুতে এমনিতেই বিজেপির পায়ের তলায় সেভাবে মাটি নেই। তার ওপর সম্প্রতি দেশজুড়ে কৃষক আন্দোলন বিজেপির প্রতি মানুষকে আরও বিমুখ করে তুলেছে। বিশেষ করে কৃষক সম্প্রদায় ও গ্রামীণ এলাকার মানুষ বিজেপির থেকে মুখ ঘুরিয়ে নিয়েছে। পঞ্চায়েত নির্বাচনের ফলাফল তারই প্রমাণ।

যদিও কার্তিক পাল্টা বলেছেন তিনি বিজেপির প্রার্থী ছিলেন না। তিনি নির্দল প্রার্থী হিসেবে গাড়ি চিহ্নে ভোট লড়াই করেছিলেন। তাই তাঁকে বিজেপি প্রার্থী হিসেবে চিহ্নিত করাটা একেবারেই ভুল। তিনি যদি বিজেপির প্রার্থী হয়ে লড়াই করতেন তাহলে নির্বাচনী ফলাফল অন্যরকম হত। যদিও মোদি, অমিত শাহ বা নাড্ডার ছবি দেওয়ার বিষয়ে প্রশ্ন করা হলে তিনি কোনও উত্তর দেননি।

lakhimpur Kheri: নিহত কৃষকদের শ্রদ্ধা জানাতে পরপর মিছিল, জমায়েতে কড়া নজর যোগীর

Lakhimpur violence

নিউজ ডেস্ক: লখিমপুর খেরিতে কৃষকদের গাড়ি চাপা দিয়ে ‘মেরে ফেলার’ ঘটনায় উত্তর প্রদেশের রাজনীতি প্রবল তপ্ত। মঙ্গলবার সংযুক্ত কৃষক মোর্চার আহ্বানে ‘শহিদ কিষাণ দিবস’ পালিত হবে। কৃষক মৃত্যুর কেন্দ্র লখিমপুর খেলার তিকোনিয়া গ্রামে কৃষক সংগঠনগুলি জমায়েত করছে।

জমায়েত উপলক্ষে লখিমপুর খেরির দিকে পরপর কৃষক মিছিল ঘিরে পরিস্থিতি রীতিমতো উত্তপ্ত। উত্তর প্রদেশের বিভিন্ন জেলা থেকে আসছে মিছিল। এছাড়াও পাঞ্জাব, হরিয়ানা থেকেও কৃষকদের মিছিল আসতে শুরু করেছে।

Lakhimpur violence

সংযুক্ত কিষাণ মোর্চা জানিয়েছে, মঙ্গলবার লক্ষাধিক কৃষক জমায়েত হবে।গনসমাবেশ থেকে কৃষকদের গাড়ি চাপা দিয়ে মেরে ফেলায় ধৃত আশিস মিশ্রর জেলের সাজা ও তার পিতা কেন্দ্রীয় মন্ত্রী অজয় মিশ্রকে বরখাস্ত করার দাবি তোলা হবে।

স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের রাষ্ট্রমন্ত্রী অজয় মিশ্রকে পদ থেকে সরানোর দাবি জানান সারা ভারত কৃষকসভার সাধারন সম্পাদক হান্নান মোল্লা। পশ্চিমবঙ্গের প্রাক্তন সিপিআইএম সাংসদের দাবির পরেই উত্তর প্রদেশের বিজেপি সরকারের বিরুদ্ধে কৃষক সংগঠনগুলি একযোগে আক্রমণ শুরু করেছে।

গত ৩ অক্টোবর মোদী সরকারের আনা নতুন কৃষি আইনের প্রতিবাদে লখিমপুর খেরিতে কৃষক সমাবেশ ছিল। অভিযোগ, সেই সমাবেশ থেকে কৃষকরা যখন ফিরছিলেন তখন তাদের উপর গাড়ি চালিয়ে দেওয়ার নির্দেশ দেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর পুত্র আশিস। এই ঘটনায় মোট মৃত ৯ জন। এদের মধ্যে চার জন কৃষক।

Coochbehar: ভারত-বাংলাদেশ সীমান্ত গ্রামে TMC গোষ্ঠীদ্বন্দ্বে গুলি, পুজোর আনন্দে মৃত্যুর ছবি

coochbehar political clash

নিউজ ডেস্ক: পঞ্চমীর রাত থেকে যে রক্তাক্ত কাণ্ড ঘটেছে বাংলাদেশ সীমান্ত লাগোয়া কোচবিহারের (coochbehar) মরাকুঠি গ্রামে,তার জেরে এই জেলায় উৎসব ম্লান। গুলিবিদ্ধ দুজনের মৃত্যুর জেরে প্রবল উত্তপ্ত এই গ্রাম। পরিস্থিতি এতটাই স্পর্শকাতর যে কোনও সময় বড় আকার নিতে পারে। দুর্গাপূজার আবহে এমন সংঘর্ষ আসন্ন উপনির্বাচনকে আরও বিশৃংখল করতে চলছে তা ক্রমশ স্পষ্ট।

কোচবিহারের পুলিশ সুপার সুমিত কুমার জানিয়েছেন, আন্তর্জাতিক সীমান্তের লাগোয়া দিনহাটার গীতালদহ-২ গ্রাম পঞ্চায়েতে মরাকুঠি এলাকায় রবিবার রাতে সংঘর্ষ ছড়ায়। গুলি চালানোর ঘটনা ঘটে। দুই গোষ্ঠীর মধ্যে সংঘর্ষের জেরেই সেখানে গুলি চলেছে।

আগামী ৩০ অক্টোবর উপনির্বাচনে জেলার দিনহাটা গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র। উপনির্বাচনের আগেই ঘটল এমন রক্তাক্ত ঘটনা। জেলা পুলিশ সূত্রে খবর, গোষ্ঠী সংঘর্ষে গুলি লেগে মারা যান মান্নান হক ও মোজাফফর হোসেন। জানা গিয়েছে দুজনেই তৃণমূল কংগ্রেস সমর্থক। সংঘর্ষে এলাকাবাসী জাহাঙ্গির আলমের হাত জখম। আরও এক জখম দিলদার হোসেন গীতালদহ গ্রাম পঞ্চায়েতের সদস্য। জখম কয়েকজন।

দিনহাটা বিধানসভা কেন্দ্রের উপনির্বাচন এবং শারদীয়া উৎসবের মাঝে এই ঘটনায় কোচবিহার জেলা প্রশাসনিক মহলে চাঞ্চল্য। জেলার রাজনৈতিক উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়েছে। দিনহাটা থেকে বিশাল পুলিশ গীতালদহের মরাকুঠি গ্রামে যায়।

সংঘর্ষের জেরে তৃণমূল কংগ্রেস ও বিজেপির মধ্যে রাজনৈতিক তরজা শুরু। দিনহাটাকে আফগানিস্তানের চেয়েও বেশি সন্ত্রাস কবলিত করে তুলেছে তৃণমূল নেতৃত্ব। গীতালদহ গুলি কাণ্ডে এভাবেই তৃণমূলকে আক্রমণ করলেন নাটাবাড়ি কেন্দ্রের বিজেপি বিধায়ক মিহির গোস্বামী।

জেলা তৃণমূল কংগ্রেসের তরফে অভিযোগ, উস্কানিমূলক বার্তা দিয়ে পরিস্থিতি জটিল করে তুলছে বিজেপি। তবে গোষ্ঠীদ্বন্দ্বে তৃণমূলের নাম জড়িয়েছে। মুখে কুলুপ এঁটেছেন কোচবিহারের তৃণমূল কংগ্রেস নেতৃত্ব।

Lakhimpur Kheri: মৃত ২ বিজেপি কর্মীর পরিবারের দিকে ফিরেও তাকায়নি বিজেপি নেতারা, তীব্র ক্ষোভ এলাকায়

lakhimpur-bjp

নিউজ ডেস্ক: লখিমপুর খেরিতে (Lakhimpur Kheri) গাড়ির ধাক্কায় ৪ কৃষকের মৃত্যুর সঙ্গে সঙ্গে মৃত্যু হয়েছিল আরও ৪ জনের। যার মধ্যে দুই বিজেপি কর্মীও ছিলেন। গেরুয়া দলের দুই কর্মীর পরিবারের অভিযোগ, ঘটনার পর কোনও নেতা মন্ত্রী তো দূরের কথা এলাকার কোনও বিজেপি নেতাও এখনও পর্যন্ত তাঁদের কাছে একবারের জন্যও আসেননি। তাঁদের কী সুবিধা-অসুবিধা সে বিষয়ে জানতে চাননি। এমনকী, সামান্য সমবেদনা জানাতেও কাউকে আসতে দেখা যায়নি।

বিজেপি নেতাদের এই আচরণে মৃত ২ বিজেপি কর্মীর পরিবার ক্ষোভে ফুঁসছে। লখিমপুর খেরিতে মৃত দুই বিজেপি কর্মীর নাম শ্যামসুন্দর ও শুভম মিশ্র। এই দুজনেই দলের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে যুক্ত ছিলেন। বিজেপির বুথ ইনচার্জ হিসেবেও ভোটের সময় কাজ করেছেন।

lakhimpur-bjp-worker

শ্যামসুন্দরের বাবা বলেছেন, আমার ছেলে কুস্তি প্রতিযোগিতা দেখতে খুব ভালোবাসত। সে জন্যই গত রবিবার সে বানবীরপুরে গিয়েছিল। ও তো কোন দোষ করেনি। দলের কাজ করতে গিয়ে ওকে প্রাণ দিতে হল। কিন্তু দলের নেতারা একবারও সে কথা মনে রাখলেন না।

মৃত শুভমের পরিবারেরও একই অভিযোগ। মাত্র বছর তিনেক আগে শুভম বিয়ে করেছে। তার একবছরের ছোটো মেয়ে আছে। দলের কাজ করতে গিয়ে পরিবারের একমাত্র রোজগেরে সদস্য প্রাণ দেওয়ার পর কীভাবে তাঁর পরিবারের ভরণপোষণ চলবে সেটাই এখন বড় প্রশ্ন। যদিও এ বিষয়ে একটি শব্দও খরচ করেনি দল।

বিজেপি নেতাদের এহেন আচরণে শুভমের বিধবা স্ত্রী ও মা প্রবল ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। এ ঘটনায় গোটা এলাকাতেই বিজেপির উপর মানুষের প্রবল ক্ষোভ দেখা গিয়েছে।

RSS: দুর্গাপূজার মাঝেই সংঘ সদরে পরাজয়ের বিষাদ সুর

RSS

নিউজ ডেস্ক: রাষ্ট্রীয় স্বয়ং সেবক সংঘের (RSS) মূখ্য কার্যালয়ে দুর্গাপূজার মাঝেই বাজছে বিষাদ সুর। মহারাষ্ট্রে ক্রমশ জমি হারাচ্ছে সংঘের রাজনৈতিক শাখা বিজেপি। খোদ সংঘ সদর কার্যালয় নাগপুর (Nagpur) জেলায় বিরাট ধস নেমেছে।
মহারাষ্ট্র পঞ্চায়েত ও জেলা পরিষদ নির্বাচনে নাগপুর জেলাতে আরএসএসের বোলবোলাও কমতি লক্ষনীয়। সেখানে ভাগ বসিয়েছে কংগ্রেস। নাগপুর জেলা পরিষদের ১৬টি আসনের মধ্যে ৯টি দখল করে নিয়েছে কংগ্রেস। বিজেপির দখলে তিনটি। নাগপুর পঞ্চায়েত সমিতি ও পুর নিগমের জনসমর্থন ঢলতে শুরু করেছে কংগ্রেসের দিকে। 

নাগপুর লোকসভা কেন্দ্র থেকেই বিজেপির সুপার হেভিওয়েট নীতীন গডকরি সাংসদ। মহারাষ্ট্রের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী দেবেন্দ্র ফড়নবিশের বাড়ি নাগপুরেই। তার থেকেও উল্লেখযোগ্য, নাগপুরে আরএসএস কার্যালয় থেকেই কেন্দ্রের বিজেপি নেতৃত্বে চলা এনডিএ জোট সরকার নিয়ন্ত্রিত হচ্ছে।

এদিকে উত্তর প্রদেশ বিধানসভা নির্বাচনের আগেই সংঘ সদরে ভোটের ধস নেমে যাওয়ায় উল্লসিত কংগ্রেস শিবির। মহারাষ্ট্র প্রদেশ কংগ্রেস নেতাদের ধারণা, এই ধাক্কা দেখা যাবে উত্তর প্রদেশে।

বিজেপির অন্যতম ভরসার রাজ্য এখন কৃষক আন্দোলনে তপ্ত। লখিমপুর খেরিতে কৃষকদের গাড়ি চাপা দিয়ে মেরে ফেলার মামলায় প্রবল অস্বস্তিতে যোগী আদিত্যনাথের সরকার। এই মামলায় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের রাষ্ট্রমন্ত্রী অজয় শর্মার পুত্র আশিস শর্মা গ্রেফতার হয়েছেন। অভিযোগ, তার নির্দেশে লখিমপুর খেরিতে বিক্ষোভে অংশ নেওয়া কৃষকদের উপর গাড়ি চালিয়ে দেওয়া হয়েছে।

উত্তর প্রদেশের কৃষক আন্দোলনের রেশ এই রাজ্যের বিধানসভা ভোটে পড়তে চলেছে। এমনই আশঙ্কা সংঘ পরিবারের। তাৎপর্যপূর্ণ, সংঘ পরিবারও কৃষকদের উপর জোরজবরদস্তির বিরোধিতা করে। এতে অস্বস্তিতে পড়েন প্রধানমন্ত্রী মোদী ও কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ।

খবর এও এসেছে, পশ্চিমবঙ্গে দুর্গাপূজার পর পরই বিজেপিতে ধরে নামতে চলেছে। ডজন খানেক বিধায়ক দলত্যাগ করতে চলেছেন। বেশ কিছু সাংসদ দলত্যাগ করবেন। পশ্চিমবঙ্গের মতো ত্রিপুরায় বিজেপির ভাঙন স্পষ্ট হতে শুরু করেছে।

Survey: দেশের ৪০ শতাংশ মানুষ রাহুল গান্ধীকে পছন্দ করে না

rahul ghandhi

নিউজ ডেস্ক: ২০২০ এর শুরুতেই পাঁচ রাজ্যের বিধানসভা নির্বাচন। কিন্তু ওই সমস্ত রাজ্যগুলিতে করা এক সমীক্ষায় উঠে এসেছে চাঞ্চল্যকর তথ্য। সমীক্ষায় অংশ নেওয়া ৪০ শতাংশেরও বেশি মানুষ জানিয়েছেন, তাঁরা রাহুল গান্ধীর (Rahul Gandhi) কাজকর্মে আদৌ খুশি নন। বিধানসভা ভোটের আগে সমীক্ষার এই ফলাফল কংগ্রেস শীর্ষ নেতৃত্বকে বিপাকে ফেলেছে।

এবিপি-সি করা সমীক্ষায় দেখা যাচ্ছে, রাহুল গান্ধীকে পছন্দ করছেন না ৪০.৫ শতাংশ মানুষ। তাঁরা জানিয়েছেন কিভাবে রাজনৈতিক কাজ করতে হয় সেই ধারণাটুকু রাহুলের নেই। রাহুলের পাশে দাঁড়িয়েছেন মাত্র ১৮.৫ শতাংশ মানুষ। পাশাপাশি ২১ শতাংশ মানুষ রাহুলের আচার-আচরণ ও কাজ নিয়ে কোনও মন্তব্য করতে চাননি উত্তরাখান্ড, উত্তরপ্রদেশ, গোয়া, মণিপুর ও পাঞ্জাব এই পাঁচ রাজ্যের ৬৯০টি বিধানসভা কেন্দ্রে এই সমীক্ষা চালিয়েছিল এবিপি-সি ভোটার। প্রায় ১ লাখ মানুষের মতামত সংগ্রহ করা হয়েছে। ৪ সেপ্টেম্বর থেকে ৪ অক্টোবর একমাস ব্যাপী এই সমীক্ষা করা হয়েছে।

পাঞ্জাবে সরকারের রয়েছে কংগ্রেস। কিন্তু ওই রাজ্যের ৫৩ শতাংশ মানুষ বলেছেন, রাহুল গান্ধীর কাজ তাঁরা একেবারেই পছন্দ করেন না। পাঞ্জাবে রাহুলের পক্ষে দাঁড়িয়েছেন মাত্র ৬.৭ শতাংশ মানুষ। উত্তরাখণ্ডে সর্বোচ্চ ৫৪.১ শতাংশ মানুষ রাহুলকে পছন্দ করেন না।

এরপরে মণিপুরে ২৭.৪ শতাংশ, উত্তরপ্রদেশে ৪৬.২ শতাংশ এবং গোয়ায় ১৬.১ শতাংশ মানুষ রাহুলের কাজে খুশি নন।

Lakhimpur kheri: কেন্দ্রীয় মন্ত্রী-পুত্র আশিসকে পুলিশি হেফাজতে না নেওয়ায় উঠছে প্রশ্ন

নিউজ ডেস্ক: দীর্ঘ টালবাহানার পর লখিমপুর খেরি (Lakhimpur kheri) কাণ্ডে গ্রেফতার হয়েছে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের প্রতিমন্ত্রী অজয় মিশ্রর ছেলে আশিস মিশ্র। শনিবারই পুলিশের কাছে হাজিরা দেন আশিস। আদালত তাঁকে ১৪ দিনের জেল হেফাজতে পাঠিয়েছে। ঘটনার প্রেক্ষিতে আইনজীবী মহল প্রশ্ন তুলেছেন, কেন খুনের মামলায় অভিযুক্ত আশিসকে পুলিশি হেফাজতে নেওয়া হল না।

এই ঘটনার তদন্তে নিশ্চিতভাবেই আশিসকে আরও জেরা করা প্রয়োজন ছিল। কিন্তু পুলিশি হেফাজতে না নিয়ে কেন তাঁকে প্রথমেই জেল হেফাজতে পাঠানো হল। শুধু তাই নয়, জেলের ভিতরে আশিসের জন্য বিশেষ ব্যবস্থাও থাকবে বলে অনুমান করা হচ্ছে। সেক্ষেত্রে খুনের ঘটনায় অভিযুক্ত একজন বন্দি বিশেষ সুবিধা পাবে। এর একমাত্র কারণ আশিস বিজেপি সাংসদ তথা কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর ছেলে। বাবা ও ছেলে দুজনেই প্রভাবশালী ব্যক্তি। অনেকেই নাম গোপন করে বলেছেন, বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের অঙ্গুলী হেলনেই চলছে উত্তরপ্রদেশের যোগী আদিত্যনাথ সরকার ও পুলিশ। সে কারণেই আশিসকে সরাসরি জেল হেফাজতে পাঠানো হল।

লখিমপুরে ৪ কৃষককে খুনে অভিযুক্ত আশিসকে ১৪ দিনের জেল হেফাজতে রাখার নির্দেশ দিয়েছে উত্তরপ্রদেশ হাইকোর্ট। শনিবার টানা ১২ ঘন্টা জিজ্ঞাসাবাদের পর গ্রেফতার করা হয় আশিসকে। এদিন তাকে আদালতে তোলা হলে ১৪ দিনের জেল হেফাজতের নির্দেশ দেন বিচারপতি। জিজ্ঞাসাবাদে সময় পুলিশের সঙ্গে চূড়ান্ত অসহযোগিতা করেন মন্ত্রী পুত্র। তার পরেও কেন আশিসকে পুলিশ হেফাজতে না দিয়ে সরাসরি জেল হেফাজতে পাঠানো হলো তা নিয়েই প্রশ্ন উঠেছে।

পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়, আশিস তাদের সঙ্গে কোনওরকম সহযোগিতা করছে না। যদিও তার পরেও পুলিশের তরফে আদালতে আশিসকে হেফাজতে নেওয়ার দাবি তোলা হয়নি। বিরোধীদের অভিযোগ, বেজেপি নেতা তথা মন্ত্রীপুত্র বলেই আদালতে নিজেদের দায় ঝেড়ে ফেলতে তৎপর ছিল যোগীর পুলিশ। যার জেরেই পুলিশি হেফাজতের পরিবর্তে জেল হেফাজত হয়েছে আশিসের।

লখিমপুরের ঘটনা নিয়ে প্রথম থেকেই যোগী সরকারকে নিশানা করছেন প্রিয়াঙ্কা গান্ধী। যদিও এই ঘটনায় মোটেই খুশি নন কংগ্রেস নেত্রী প্রিয়াঙ্কা গান্ধি। পুরোটাই লোকদেখানো বলে দাবি করেছেন তিনি। প্রিয়াঙ্কার অভিযোগ, মন্ত্রী ও তাঁর ছেলেকে বাঁচানোর চেষ্টা চালাচ্ছেন যোগী। জনগণের ফোরাম থেকে মন্ত্রীকে রক্ষা করছেন মুখ্যমন্ত্রী।

প্রধানমন্ত্রী লখনউ এসেছিলেন উত্তরপ্রদেশের পারফরম্যান্স এবং আজাদি কি অমৃত মহোৎসব দেখতে। কিন্তু, উনি লখিমপুর খেরির নিহতদের পরিবারের কষ্ট ভাগ করে নিতেন এলেন না। বরং প্রধানমন্ত্রী আন্দোলনকারী কৃষকদের জঙ্গি বলেছেন। যোগীজি তাঁদের গুণ্ডা বলেছেন। কৃষকদের হুমকি দেওয়ার চেষ্টা করেছেন। উত্তরপ্রদেশের যোগী সরকার সর্বোতভাবে আড়াল করছে অভিযুক্তদের।’

লখিমপুরে হিন্দু বনাম শিখের মধ্যে লড়াই বাঁধানোর চেষ্টা চলছে: বরুণ

Varun Gandhi

নিউজ ডেস্ক: লাগাতার দলের বিরুদ্ধে সরব হওয়া বিশেষ করে লখিমপুরে চার কৃষকের মৃত্যুর পর অভিযুক্তদের শাস্তি দাবি করে বিজেপির শীর্ষ নেতৃত্বের কোপে পড়েন বরুণ গান্ধী (Varun Gandhi)। ঘটনার জেরে বিজেপির ন্যাশনাল এক্সিকিউটিভ কমিটি বা জাতীয় কর্মসমিতি থেকে বাদ পড়েছিলেন তিনি। তবে বরুণও দমবার পাত্র নন। 

বরং ফের দলের বিরুদ্ধে মুখ খুললেন বিজেপির এই তরুণ সাংসদ। রবিবার ফের সোশ্যাল মিডিয়ায় ক্ষোভ উগরে দিতে দেখা গেল পিলভিটের বিজেপি সাংসদকে। রবিবার সকালে ফের এক চাঞ্চল্যকর অভিযোগ করেন বরুণ। তিনি বলেন, লখিমপুরে হিন্দু বনাম শিখের মধ্যে লড়াই বাঁধানোর চেষ্টা করা হচ্ছে। রাজ্যের শাসক দল তলে তলে এই দাঙ্গা বাধানোর কাজে মদত জোগাচ্ছে।

উল্লেখ্য, এর আগে বরুণ দাবি করেছিলেন, লখিমপুরে যে গাড়ি দিয়ে কৃষকদের পিষে দেওয়া হয়েছে, সেই গাড়ির মালিককে গ্রেফতার করা হোক। লখিমপুর কাণ্ডে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নিতে যোগী সরকারকে একাধিক চিঠিও লিখেছেন বরুণ। ওই সব চিঠিতে যোগী সরকার তথা পুলিশ প্রশাসনকে রীতিমতো তুলোধোনা করেছেন বরুণ।

বরুণের বরিবারের ট্যুইটেও রয়েছে ঝাঁঝালো সুর। বরুণ লেখেন, লখিমপুর খেরিকে হিন্দু বনাম শিখ যুদ্ধক্ষেত্রে পরিণত করার চেষ্টা চলছে। এটা এক অনৈতিক কাজ। হিন্দু ও শিখদের দাঙ্গার ক্ষত সারিয়ে তুলতে প্রজন্মের পর প্রজন্ম লেগেছে। ফের সেই ক্ষতকে জাগিয়ে তোলার চেষ্টা টলছে। এটা খুবই বিপজ্জনক কাজ। আমরা কখনওই জাতীয় ঐক্যের থেকে রাজনৈতিক ফায়দাকে অধিক গুরুত্ব দিতে পারি না।

লখিমপুর খেরির অশান্তির মূল অভিযুক্ত আশিস মিশ্রকে ১৪ দিনের বিচারবিভাগীয় হেফাজতে পাঠাল আদালত। তবে বরুণের এই মন্তব্য নিয়ে বিজেপির তরফে কোনও পাল্টা প্রতিক্রয়া জানানো হয়নি। রাজনৈতিক মহল মনে করছে, বরুণের কথার জবাব দিয়ে বিজেপি তাঁর গুরুত্ব বাড়াতে চাইছে না।

Lakhimpur Kheri: দশেরায় রাবণ তুলনায় ‘মোদী’কে পোড়াতে কৃষকদের প্রস্তুতি

lakhimpur violence farmers protest

নিউজ ডেস্ক: নবরাত্রি শেষে দশেরা। এই দিনেই রাবণ পোড়ানো হয় পশ্চিম ও উত্তর ভারতের সর্বত্র। সেই অনুষ্ঠানকে সামনে রেখেই কৃষি আইন বিরোধিতায় প্রধানমন্ত্রী মোদীর কুশপুতুল পোড়ানোর বার্তা দিল সংযুক্ত কিষাণ মোর্চা।

কিষাণ মোর্চা জানিয়েছে, লখিমপুর খেরিতে (lakhimpur kheri) কৃষকদের গাড়ি চাপা দিয়ে মেরে ফেলার ঘটনার প্রতিবাদে হবে মোদী পোড়ানোর কর্মসূচি। উত্তর প্রদেশ জুড়েই মোদী-যোগীর কুশপুতুল পোডানো হবে গণহারে। এটি একটি প্রতীকি প্রতিবাদ। যেভাবে কৃষকদের উপর দমন নীতি চলছে তার বিরোধিতা চলবেই।
উত্তর প্রদেশ, হিমাচল প্রদেশ, হরিয়ানা, রাজস্থান, পাঞ্জাব, মধ্যপ্রদেশ ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল দিল্লিতে হবে রাবণ রূপী মোদীর কুশপুতুল পোড়ানো।

উত্তরপ্রদেশের লাখিমপুর খেরির ঘটনার প্রতিবাদে সারা দেশজুড়ে প্রতিবাদ কর্মসূচি করবে বলে জানায় সংযুক্ত কিষাণ মোর্চা। আগেই কৃষক সংগঠনগুলি জানিয়েছে, আগামী ১৮ অক্টোবর দেশজুড়ে রেল রোকো আন্দোলন হবে। আর ২৬ অক্টোবর লখনৌতে হবে মহাপঞ্চায়েত। কিষাণ মোর্চা জানায়, ১২ অক্টোবর লাখিমপুর খেরিতে শোক পালন হবে।

কৃষকদের গাড়ি চাপা দিয়ে মেরে ফেলার অভিযোগে টানা ১২ ঘন্টার জেরা শেষে গ্রেফতার করা হয়েছে কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর পুত্র আশিস মিশ্রকে। ফলে আরও অস্বস্তিতে উত্তর প্রদেশ সরকার। লখিমপুর খেরিতে কৃষক খুন মামলায় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের রাষ্ট্রমন্ত্রী অজয় মিশ্রর পুত্র আশিস মূল অভিযুক্ত। গত ৩ অক্টোবর তার গাড়ি কৃষক জমায়েতের উপর প্রবল গতিতে ঢুকে পড়ে। অভিযোগ, কৃষকদের ইচ্ছাকৃত পিষে মারে আশিস ও তার সাগরেদরা। লখিমপুর খেরিতে এই রক্তাক্ত ঘটনার পর থেকেই অভিযুক্ত আশিস পলাতক ছিল।

আশিসকে গ্রেফতার করা হয়নি কেন? সুপ্রিম কোর্টের এই প্রশ্নে নাজেহাল হয় উত্তর প্রদেশের বিজেপি সরকার। পরে সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে আশিসকে ডেকে পাঠায় ক্রাইম ব্রাঞ্চ। শুক্রবার হাজিরা এড়িয়ে শনিবার আসে আশিস। জেরা চলে দিনভর। এর পরেই গ্রেফতার করা হয় তাকে।

লখিমপুর খেরি পুলিশ লাইনে জেরা শেষে ডিআইজি উপেন্দ্র আগরওয়াল জানান, অভিযুক্ত আশিসের বয়ানে বিস্তর অসঙ্গতি আছে। সে সব প্রশ্নের জবাব দিতে পারেনি। তাকে গ্রেফতার করা হলো।

আশিস মিশ্রর পিতা নিজের প্রভাব খাটিয়ে পুত্রকে বাঁচাতে চাইছেন, এমন অভিযোগ করেছে কৃষক সংগঠনগুলি। কেন্দ্র সরকারের কৃষি নীতির প্রতিবাদে জমায়েতে আশিস মিশ্রর নির্দেশে গাড়ি নিয়ে হামলা হয় বলে অভিযোগ। এতে ৯ জনের মৃত্যু হয়েছে। চার জন কৃষক।

সারা ভারত কৃষকসভার সাধারণ সম্পাদক হান্নান মোল্লা দাবি করেছেন আশিস মিশ্রর কড়া শাস্তি হোক। এই ঘটনার জেরে কংগ্রেস, সমাজবাদী পার্টি, বিএসপি একযোগে বিজেপিকে আক্রমণ করেছে। বিধানসভা ভোটের আগে রীতিমতো হাওয়া গরম পরিস্থিতি।

Lakhimpur Kheri: কৃষকদের গাড়ি চাপা দিয়ে ‘খুন’ অভিযোগে গ্রেফতার কেন্দ্রীয় মন্ত্রী-পুত্র

ashis mishra-Lakhimpur Kheri

নিউজ ডেস্ক: কৃষকদের গাড়ি চাপা দিয়ে মেরে ফেলার অভিযোগে টানা ১২ ঘন্টার জেরা শেষে প্রত্যাশিতভাবেই গ্রেফতার কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর পুত্র আশিস মিশ্র। ফলে আরও অস্বস্তিতে উত্তর প্রদেশ সরকার। রবিবার রাতেই আশিসকে পুলিশি ঘেরাটোপে রাখা হয়।

লখিমপুর খেরিতে (Lakhimpur kheri) কৃষক খুন মামলায় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের রাষ্ট্রমন্ত্রী অজয় মিশ্রর পুত্র আশিস মূল অভিযুক্ত। গত ৩ অক্টোবর তার গাড়ি কৃষক জমায়েতের উপর প্রবল গতিতে ঢুকে পড়ে। অভিযোগ, কৃষকদের ইচ্ছাকৃত পিষে মারে আশিস ও তার সাগরেদরা। লখিমপুর খেরিতে এই রক্তাক্ত ঘটনার পর থেকেই অভিযুক্ত আশিস পলাতক ছিল।

Lakhimpur Kheri

আশিসকে গ্রেফতার করা হয়নি কেন? সুপ্রিম কোর্টের এই প্রশ্নে নাজেহাল হয় উত্তর প্রদেশের বিজেপি সরকার। পরে সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে আশিসকে ডেকে পাঠায় ক্রাইম ব্রাঞ্চ। শুক্রবার হাজিরা এড়িয়ে শনিবার আসে আশিস। জেরা চলে দিনভর।

লখিমপুর খেরি পুলিশ লাইনে জেরা শেষে ডিআইজি উপেন্দ্র আগরওয়াল জানান, অভিযুক্ত আশিসের বয়ানে বিস্তর অসঙ্গতি আছে। সে সব প্রশ্নের জবাব দিতে পারেনি। তাকে গ্রেফতার করা হলো।

Lakhimpur violence ashis-mishra

আশিস মিশ্রর পিতা নিজের প্রভাব খাটিয়ে পুত্রকে বাঁচাতে চাইছেন, এমন অভিযোগ করেছে কৃষক সংগঠনগুলি। কেন্দ্র সরকারের কৃষি নীতির প্রতিবাদে জমায়েতে আশিস মিশ্রর নির্দেশে গাড়ি নিয়ে হামলা হয় বলে অভিযোগ। এতে ৯ জনের মৃত্যু হয়েছে। চার জন কৃষক।

সারা ভারত কৃষকসভার সাধারণ সম্পাদক হান্নান মোল্লা দাবি করেছেন আশিস মিশ্রর কড়া শাস্তি হোক। আর কৃষক সংগঠনগুলি আশিসের গ্রেফতারির দাবিতে আগামী ১৮ অক্টোবর রেল রোকো ডাক দিয়েছে।

এই ঘটনার জেরে কংগ্রেস, সমাজবাদী পার্টি, বিএসপি একযোগে বিজেপিকে আক্রমণ করেছে। বিধানসভা ভোটের আগে রীতিমতো হাওয়া গরম পরিস্থিতি।

Lakhimpur Kheri violence: ১৮ অক্টোবর দেশজুড়ে রেল অবরোধের ডাক দিল সংযুক্ত কিষাণ মোর্চা

Farmers to hold rail roko on Oct 18

নিউজ ডেস্ক:  উত্তরপ্রদেশের লখিমপুর খেরির ঘটনার প্রতিবাদ জানাতে দেশজুড়ে রেল অবরোধের ডাক দিল সংযুক্ত কিষাণ মোর্চা। সংগঠনের অন্যতম নেতা যোগেন্দ্র যাদব জানিয়েছেন, লখিমপুরে ৪ কৃষককে পিষে মারার ঘটনার প্রতিবাদ জানাতে তাঁরা ১৮ অক্টোবর গোটা দেশজুড়ে রেল অবরোধ কর্মসূচি পালন করবেন। তবে শুধু রেল অবরোধ নয়, ওই ঘটনার প্রতিবাদে ১৫ অক্টোবর গোটা দেশে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহর কুশপুতুল পোড়াবেন তাঁরা।

উল্লেখ্য, গত রবিবার লখিমপুরে আন্দোলনরত কৃষকদের উপর গাড়ি চালিয়ে দিয়েছিল বিজেপি নেতা তথা কেন্দ্রীয় মন্ত্রী অজয় মিশ্রর ছেলে আশিস। ওই ঘটনায় চার কৃষক -সহ ৮ জনের মৃত্যু হয়। ইতিমধ্যেই ওই ঘটনায় স্বতঃপ্রণেদিত হয়ে একটি মামলা দায়ের করেছে দেশের সর্বোচ্চ আদালত।

এই মুহূর্তে দেশের রাজনীতিতে লখিমপুর এক বড় ইস্যু হয়ে উঠেছে। বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতারা ইতিমধ্যেই কৃষকদের পরিবারের পাশে দাঁড়িয়েছেন। সবার আগে লখিমপুরে পৌঁছেছে পশ্চিমবঙ্গের শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেসের এক সংসদীয় প্রতিনিধিদল।

সংযুক্ত কিষাণ মোর্চা এদিন রেল অবরোধের ডাক দেওয়ার পর গোটা দেশের একাধিক কৃষক সংগঠন ওই অবরোধ কর্মসূচিতে সামিল হওয়ার কথা ঘোষণা করেছে। পাঞ্জাব ও হরিয়ানার একাধিক কৃষক সংগঠন জানিয়েছে, ১৮ অক্টোবর শুধু রেল নয়, তারা সড়কপথও অবরোধ করবে।

বাঙালি মনীষীদের অবদান ভুলিয়ে দিতে ‘স্পেশাল’ সিলেবাস রাজ্য সরকারের: ABVP

Abvp on new syllabus by west bengal government

নিউজ ডেস্ক: পশ্চিমবঙ্গ সরকার করোনা আবহে একাদশ ও উচ্চমাধ্যমিকের সিলেবাসে কাটছাঁট করতে গিয়ে একেবারে কেটে ফেলে দিয়েছে বাঙালির ঐতিহ্য ,গর্ব এবং শিল্প- সংস্কৃতিকেই ! হ্যাঁ, এমনটাই অভিযোগ এবিভিপি’র।

তাদের অভিযোগ, ২০২২ সালের একাদশ বার্ষিক ও উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষার সিলেবাস থেকে কাট-ছাঁটের যে তালিকা তৈরি করা হয়েছে সেখানে রয়েছে স্বামী বিবেকানন্দের প্রবন্ধ , নজরুল ইসলামের কবিতা , দীনবন্ধু মিত্র ও মাইকেল মধুসূদন দত্তের নাটক, ধর্ম , নাগরিকত্ব ও বাঙালির শিল্পসংস্কৃতি। এই সমস্ত গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলো বাদ দেওয়ার তালিকায় রেখে উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা সংসদের সভাপতি চিরঞ্জীব ভট্টাচার্য নির্দ্বিধায় জানিয়েছেন, “সিলেবাস থেকে কিছু তো বাদ দিতে হবেই। কোনো বিষয় বাদ দেওয়ার পিছনে কোনো যুক্তি বা তাৎপর্য নেই ।”

এবিভিপি’র দক্ষিনবঙ্গের রাজ্য সম্পাদক সুরঞ্জন সরকার বলেন, “অখিল ভারতীয় বিদ্যার্থী পরিষদ সম্পূর্ণরূপে স্বামী বিবেকানন্দের আদর্শের অনুগামী এক ছাত্রসংগঠন।তাই সিলেবাস থেকে স্বামী বিবেকানন্দের প্রবন্ধ বাদ দেওয়ার বিষয়টিকে একেবারেই আমরা মেনে নেবো না। এবং সেইসঙ্গে অন্যান্য মনীষীদের লেখা ও সংস্কৃতির ইতিহাসকে উপেক্ষা করে পশ্চিমবঙ্গের বর্তমান সরকার বাঙালির জাতিসত্বার ভ্রুণকে যেভাবে হত্যা করতে চলেছে তার বিরুদ্ধে জাতীয়তাবাদী ছাত্রসংগঠন হিসেবে এবিভিপি তীব্র প্রতিবাদ ও শিক্ষা সংসদ সভাপতির মন্তব্যের তীব্র ধিক্কার জানায়।”

সম্প্রতি করোনা আবহে পাঠ্যক্রমে কাটছাঁট করেছে রাজ্য। ২০২২ সালের একাদশের বার্ষিক ও উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষার সিলেবাসে কাটছাঁট করা হয়। আর তার জেরেই বাদ যায় ঔপনিবেশিকতাবাদ ও সাম্রাজ্যবাদ। সম্প্রতি প্রকাশ্যে এসেছে বাদ হওয়া পাঠ্যসূচির তালিকা। ২০২২ সালের জন্য বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা সংসদ। জানানো হয়েছে বিশেষজ্ঞদের মতামত নিয়েই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা সংসদের তরফে। সেখানেই বাদ গিয়েছেন নজরুল ও বিবেকানন্দ।।

উল্লেখ্য, সম্প্রতি মধ্যপ্রদেশের ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের সিলেবাসে ঢুকেছে রামায়ণ, মহাভারত, রামচরিত মানস। রামচন্দ্রের চরিত্র ও তাঁর সমসাময়িক কাজ এখনকার ইঞ্জিনিয়ারিং কোর্সের পক্ষে খুব প্রয়োজনীয়, দাবি উচ্চ-শিক্ষামন্ত্রী মোহন যাদবের। পাশাপাশি এমবিবিএসের পাঠ্যক্রমে অন্তর্ভূক্ত হচ্ছে কেশব বলিরাম হেগড়ে থেকে শুরু করে দিনদয়াল উপাধ্যায়ের জীবনী৷

Shantipur: লকডাউনে রাত-বিরেতের ‘অক্সিজেন দাতা’ বাম প্রার্থী সৌমেন ‘জামানত বাঁচাতে’ লড়বেন

Soumen Mahato

নিউজ ডেস্ক: লড়াই হবে জমানত বাঁচানোর। আপাতত এই লক্ষ্যেই আসন্ন উপনির্বাচনে ঝাঁপিয়ে পড়েছে টানা ৩৪ বছর রাজ্যের শাসকপক্ষ বামফ্রন্ট! এই পর্বের উপনির্বাচনে বামেদের অন্যতম প্রার্থী শান্তিপুর (Shantipur) বিধানসভার কেন্দ্রের সৌমেন মাহাতো।

কে তিনি? সিপিআইএমের যুব সংগঠনের নেতা। তার থেকেও বড় কথা, সৌমেন রেড ভলান্টিয়ার্স এই নামে একটি মোবাইল নম্বর নদিয়ার শান্তিপুর বা সংলগ্ন এলাকায় বহুজনের মোবাইলে সেভ করা আছে।

করোনাভাইরাস হামলা ও তীব্র অক্সিজেন সংকটের সময় যখন ঘরে ঘরে মৃতদেহ পড়ে থাকছিল বা অক্সিজেন চেয়েও না পাওয়া মানুষ অসহায় হয়েছিলেন তখন এগিয়ে আসে রেড ভলান্টিয়ার্স।

তীব্র অক্সিজেন সংকটের সেই সময়ে বারবার ভাইরাল হয় রেড ভলান্টিয়ার্স কর্মকান্ড। শান্তিপুরের বাম যুব কর্মীদের নেতা সৌমেন মাহাতো অক্সিজেন সিলিন্ডার নিয়ে করোনা আক্রান্তদের ঘরে ঘরে চলে যান। পরিস্থিতি এমন হয় যে রেড ভলান্টিয়ার্সে-ই ভরসা করেন তৃ়ণমূল কংগ্রেস ও বিজেপি নেতৃত্ব। তাঁদের মোবাইলেও নম্বরগুলো সেভ করা আছে।

Soumen Mahato

সিপিআইএম ও বিভিন্ন বাম দলগুলির ছাত্র যুব সংগঠনের কর্মীদের নিয়ে গঠিত রেড ভলান্টিয়ার্সের ভূমিকায় রাজ্যবাসী চমকে যান। জাতীয় ও আন্তর্জাতিকস্তরে প্রবল আলোচিত হয় সংগঠনটির ভূমিকা। প্রশাসনিক স্বাস্থ্য পরিষেবা কাঠামো ভেঙে পড়ছিল। তখন বিপদের বন্ধু ছিল রেড ভলান্টিয়ার্স।

শান্তিপুরের করোনা রোগীদের জন্য ‘অক্সিজেন দাতা’ সৌমেন মাহাতো আর অন্যান্য রেড ভলান্টিয়ার্সদের বিভিন্ন মুহূর্ত ভাইরাল হতে শুরু করে।

আসন্ন উপনির্বাচনে সেই ভূমিকা থেকে ভোটের লড়াইতে শান্তিপুরের ‘অক্সিজেন দাতা’।সিপিআইএম এই কেন্দ্রে সৌমেন মাহাতো কে প্রার্থী করার পরেই পুরো বিধানসভা জুড়ে শোরগোল। মূলত তৃ়ণমূল ও বিজেপিতে বিভক্ত ভোটারদের কাছেও দ্বিধা তৈরি হচ্ছে।

চমক ছিল সৌমেন মাহাতোর মনোনয়ন জমার মিছিল। সদ্য সমাপ্ত তিনটি কেন্দ্রের উপনির্বাচনে যা দেখা যায়নি। সর্বত্রই জামানত খোয়ান বাম প্রার্থীরা।

বিধানসভা ভোটে জিতেও শান্তিপুরের বিধায়ক পদ ছেড়েছেন বিজেপির জগন্নাথ সরকার। ফলে আগামী ৩০ অক্টোবর উপনির্বাচন।

শান্তিপুরে বামফ্রন্টের সিপিআইএম প্রার্থী সৌমেন কি ‘জামানত কাঁটা’ দূর করতে পারবেন? সেটাই মূল প্রশ্ন বাম শিবিরে। বহু ভোটের পোড় খাওয়া বাম নেতারা জানেন জনসেবা এক বিষয় আর ভোটের লড়াই ভিন্ন।

Lakhimpur Kheri: নেপালে ‘লুকিয়ে’ কৃষকদের খুনে অভিযুক্ত কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর-পুত্র

ministers-son-ashish-mishra

নিউজ ডেস্ক: নির্দেশ ছিল সকাল দশটার মধ্যে পুলিশের সামনে হাজিরা দিতে হবে। সেই নির্দেশ উপেক্ষা করে গরহাজির কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র রাষ্ট্রমন্ত্রী অজয় মিশ্রর পুত্র আশিস। তার বিরুদ্ধে উত্তর প্রদেশের লখিমপুর খেরিতে (Lakhimpur kheri) কৃষকদের গাড়ি চাপা দিয়ে খুনের অভিযোগ রয়েছে। সূত্রের খবর, অভিযুক্ত গোপনে আন্তর্জাতিক সীমান্ত পেরিয়ে প্রতিবেশি দেশ নেপালে ঢুকেছে।

Lakhimpur Kheri

www.ekolkata24.com কিছু সূত্র মারফত জানতে পেরেছে বৃহস্পতিবার দুপুরের মধ্যেই অভিযুক্ত আশিস মিশ্র ভারত ত্যাগ করে। যেহেতু লখিমপুর খেরি একদম নেপাল লাগোয়া, আর ভারতীয় বা নেপালিদের মধ্যে আসা যাওয়ার ভিসা লাগেনা, সেই সুযোগে নেপালে ঢুকে আত্মগোপনে রয়েছে আশিস।

www.ekolkata24.com আরও জানতে পেরেছে, অভিযুক্ত মন্ত্রীপুত্র নেপাল থেকে অন্যত্র চলে যাওয়ার চেষ্টা করছে। তবে নেপাল সরকার তার সম্পর্কে কিছু জানায়নি। উত্তর প্রদেশের লখিমপুর খেরি সংলগ্ন নেপালের সীমান্ত খোলা। তারই যে কোনও একটি দিয়ে প্রতিবেশি দেশের সুদূর পশ্চিম বিভাগ ও কারনালি বিভাগে ঢুকেছে আশিস মিশ্র।

Union Minister of State for Home Ajay Mishra's son runs over protesting farmers

লখিমপুর খেরিতে কৃষকদের গাড়িতে চাপা দেওয়ার মামলায় সুপ্রিম কোর্ট প্রশ্ন করে উত্তর প্রদেশ সরকার কতজন অভিযুক্তকে গ্রেফতার করেছে। এতে বিরাট ধাক্কা খায় মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথের সরকার। কারণ আশিস মিশ্রর বিরুদ্ধে গাড়ি চাপা দিয়ে কৃষকদের মেরে ফেলার অভিযোগ উঠলেও তাকে গ্রেফতার করেনি যোগী প্রশাসন।

সারা ভারত কৃষকসভার সাধারণ সম্পাদক হান্নান মোল্লা, ভারতীয় কিষান ইউনিয়ন নেতা রাকেশ টিকাইত সহ বাকি কৃষক সংগঠনগুলির অভিযোগ, আশিস মিশ্র প্রভাব খাটিয়ে নিজেকে বাঁচানোর চেষ্টা করছে।

Lakhimpur Kheri: কৃষকদের ‘খুন’, সুপ্রিম ধাক্কায় যোগীর পুলিশ জেরা করবে মন্ত্রীর পুত্রকে

up_police_pastes_notice

নিউজ ডেস্ক: লখিমপুর খেরির (Lakhimpur kheri) ঘটনায় সুপ্রিম কোর্ট প্রশ্ন তুলেছে, কতজন অভিযুক্ত গ্রেফতার? হতচকিত উত্তর প্রদেশের বিজেপি সরকারের কাছে এর উত্তর ছিল না। শীর্ষ আদালতে প্রবল ধাক্কা খেয়ে অবশেষে নড়ে চড়ে বসল যোগী সরকারের পুলিশ। মূল অভিযুক্ত আশিস মিশ্রকে জেরায় হাজিরা দিতে নোটিশ দেওয়া হলো।

সূত্রের খবর, এই নোটিশ পেয়েই স্বরাষ্ট্র রাষ্ট্রমন্ত্রী অজয় মিশ্র ভেঙে পড়েছেন। তাঁর পরিবার তীব্র আতঙ্কিত। মন্ত্রী ও তাঁর পুত্র আশিসের আশঙ্কা জেরা করার পরেই গ্রেফতার করবে পুলিশ।

বিশেষ সূত্রের খবর, লখিমপুর খেরিতে কৃষকদের গাড়ি চাপা দেওয়ার মামলা ‘নরম’ করতে নয়াদিল্লিতে জরুরি ভিত্তিতে যান মন্ত্রী অজয় মিশ্র। যদিও তিনি জানান, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের রাষ্ট্রমন্ত্রী হিসেবে কিছু গুরুত্বপূর্ণ আলোচনার জন্য কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ ডেকেছিলেন।

তবে কৃষক সংগঠনগুলি অবস্থানে অনড়।সারাভারত কৃষক সভার সাধারণ সম্পাদক হান্নান মোল্লার দাবি, উত্তর প্রদেশের লখিমপুর খেরিতে কৃষকদের গাড়ি চাপা দিয়ে মারার পূর্ণাঙ্গ তদন্ত হোক। মূল অভিযুক্ত স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের রাষ্ট্রমন্ত্রীর পুত্র আশিস মিশ্রকে গ্রেফতার করা হোক। অন্যান্য কৃষক সংগঠনগুলির অভিযোগ, মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ সবকিছু আড়াল করছেন।

কেন্দ্রের কৃষি আইনের বিরোধিতায় লখিমপুর খেরিতে কৃষকদের জমায়েতে প্রবল গতিতে গাড়ি ঢুকে পড়ে। গাড়ির ধাক্কায় মোট ৯ জনের মৃত্যু হয়েছে। এদের চার জন কৃষক। মৃত কৃষকদের পরিবার পিছু আর্থিক সাহায্য ও সরকারি চাকরি দেওয়া হবে জানায় উত্তর প্রদেশ সরকার।

কৃষক সংগঠনগুলির অভিযোগ, কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর পুত্র ইচ্ছে করে কৃষকদের উপর দিয়ে গাড়ি চালিয়ে দেয়। একটি ভিডিও ভাইরাল হয়েছে। তার জেরে আরও উত্তপ্ত পরিস্থিতি। অভিযোগ অস্বীকার করেছেন মন্ত্রী। তিনি বলেন, ঘটনার সময় তাঁর পুত্র ছিলেন না।

Lakhimpur Kheri: রাজনীতির একমঞ্চে এবার রাহুল-বরুণ-প্রিয়াঙ্কা?

priyanka gandhi Rahul gandhi Maneka gandhi Varun gandhi

প্রসেনজিৎ চৌধুরী: ইন্দিরা গান্ধী জীবিত থাকতে যে পারিবারিক চিড় ধরেছিল, সেই ঘরোয়া আয়না ভেঙেছে। জোড়াতালি দিতে কিছুটা চেষ্টা হয়েছিল প্রিয়াঙ্কার (priyanka gandhi) বিবাহ অনুষ্ঠানে। মিষ্টিমু়খ করেন সবাই। কিন্তু ওইটুকুই। গান্ধী পরিবার কংগ্রেস ও বিজেপিতে ভাগাভাগি হয়ে থেকে গিয়েছে। কংগ্রেস পক্ষ সোনিয়া-রাজীব প্রজন্ম রাহুল  (Rahul gandhi) আর প্রিয়াঙ্কা। আর বিজেপি পক্ষ মানেকা গান্ধী ও পুত্র বরুণ।

স্বামী সঞ্জয় গান্ধীর মৃত্যুর পর থেকেই নীরব মানেকা বরাবর শাশুড়ি ইন্দিরার প্রতিপক্ষ। সেই সুযোগে বিজেপির জাতীয়স্তরের নেত্রী, মন্ত্রী। পুত্র বরুণ একইভাবে মাতৃভক্ত। তিনিও বিজেপির জাতীয় কর্মসমিতির সদস্য ও সাংসদ।

সদ্য উত্তর প্রদেশের লখিমপুর খেরিতে (Lakhimpur Kheri) কৃষকদের গাড়ি চাপা দিয়ে মেরে ফেলার ঘটনায় দেশ উত্তাল। মোট ৯ জন মৃত। এদের ৪ জন কৃষক। কেন্দ্রের মোদী সরকারের কৃষি আইনের বিরুদ্ধে জমায়েতে এই ঘটনা ঘটে। কৃষকদের উপর এমন নৃশংস হামলার কড়া প্রতিক্রিয়া দিচ্ছিলেন বিজেপি সাংসদ বরুণ গান্ধী। পরপর টুইট করে বিজেপি নেতা, সরকারের কড়া সমালোচনা করেন তিনি। বরুণের সঙ্গে সুর মেলান মা মানেকা।

হেভিওয়েট মানেকা-বরুণের টুইটে আরও বিব্রত হয় উত্তর প্রদেশের যোগী সরকার। একইভাবে কেন্দ্রের মোদী সরকারও বিব্রত হচ্ছে। এই অবস্থায় বিজেপির জাতীয় কর্মসমিতির সদস্যপদ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে মানেকা গান্ধী ও বরুণ গান্ধীকে। তবে সাংসদ ও দলীয় সদস্য পদ এখনও আছে দুজনেরই।

গত কয়েকদিন ঘরেই লখনউ ও নয়াদিল্লির রাজনৈতিক মহলে গুঞ্জন বিজেপি থেকে বহিষ্কৃত হতে পারেন মানেকা গান্ধী। তাঁর বিরুদ্ধে কোনও পদক্ষেপ নিলে বরুণও দলত্যাগ করবেন। এই গুঞ্জনের রেশ আরও জমাট হয়েছে দুজনকেই বিজেপির জাতীয় কর্মসমিতির পদ থেকে বহিষ্কার করায়।

মনে করা হচ্ছে উত্তর প্রদেশ বিধানসভা ভোটের আগেস কংগ্রেসের মঞ্চে দেখা যেতে পারে রাহুল-বরুণ-প্রিয়াঙ্কাকে। এখন গান্ধী পরিবারের দুই অভিভাবক সোনিয়া ও মানেকা। তাঁরা কী করবেন? কাটবে সেই গুমসুমি ভাব। যার সৃষ্টি রাজীব ও সঞ্জয়কে ঘিরে খোদ ইন্দিরা তৈরি করেছিলেন বলে অভিযোগ রয়েছে বিস্তর।

Lakhimpur Kheri: গাড়ি চাপা দিয়ে কৃষকদের মৃত্যুতে কতজন গ্রেফতার? সুপ্রিম প্রশ্নে বিপাকে যোগী

supreme-court-hearing-lakhimpur-kheri

নিউজ ডেস্ক: এতবড় ঘটনায় কতজন গ্রেফতার হয়েছে? প্রশাসনিক রিপোর্ট জলদি জমা দিতে হবে। লখিমপুর খেরিতে (Lakhimpur Kheri) গাড়ি চাপা দিয়ে কৃষকদের মারার অভিযোগে সুপ্রিম কোর্টের এই প্রশ্নে চরম ধাক্কা খেল উত্তর প্রদেশ সরকার।

সুপ্রিম কোর্টের প্রশ্নের সামনে কার্যত অসহায় উত্তর প্রদেশ সরকার। শীর্ষ আদালত জানতে চায়, যাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের হয়েছে তদন্তের স্বার্থে তাদের আটক বা গ্রেফতার করা হয়েছে কি? এই প্রশ্নে আদালতকে কোনও সদুত্তর দিতে পারেনি যোগী সরকার।

ফলে বিতর্ক আরও জড়িয়ে ধরল উত্তর প্রদেশে বিজেপি সরকার ও মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথের প্রশাসনকে। আগেই সারা ভারত কৃষকসভা, ভারতীয় কিষাণ ইউনিয়ন সহ বিভিন্ন কৃষক সংগঠন অভিযোগ করেছে, কৃষকদের গাড়ি চাপা দিয়ে মেরেছে কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর পুত্র আশিস মিশ্র। সে এখনও অধরা।

লখিমপুর খেরির ঘটনায় এক সদস্যের কমিটি গঠন করেছে উত্তর প্রদেশ সরকার। এলাহাবাদ হাই কোর্টের অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি প্রদীপকুমার শ্রীবাস্তব সবদিক খতিয়ে দেখবেন। তিনি রিপোর্ট দেবেন দু মাস পরে।

এদিক মৃত কৃষকদের আত্মীয়দের অভিযোগ, হামলাকারী আশিস মিশ্রকে গ্রেফতার করছে না রাজ্য সরকার। সারাভারত কৃষকসভা, ভারতীয় কিষাণ ইউনিয়ন সহ বিভিন্ন কৃষক সংগঠনের আরও অভিযোগ, যোগী আদিত্যনাথ সবকিছু চাপা দিতে চাইছেন। যদিও তিনি জানান, লখিমপুর খেরির ঘটনায় কড়া তদন্ত হবে।

অভিযুক্ত হামলাকারী আশিস মিশ্রের পিতা স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের রাষ্ট্রমন্ত্রী অজয় মিশ্র। তিনি লখিমপুর খেরির বিজেপি সাংসদ। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহর সহকারী মন্ত্রীর পদে রয়েছেন। তাঁর দাবি, ঘটনাস্থলে ছিল না আশিস। তবে যে গাড়ির ধাক্কায় মারা গিয়েছেন কৃষকরা সেটি তাঁর পুত্রের। চাপে পড়ে স্বীকার করেছেন মন্ত্রী।

গত ৩ অক্টোবর নেপাল সীমান্ত লাগোয়া লখিমপুর খেরিতে কেন্দ্রের মোদী সরকার যে কৃষি আইন এনেছে তার প্রতিবাদ চলছিল। জমায়েতের মধ্যে একটি গাড়ি প্রবল গতিতে ঢুকে পড়ে। ভাইরাল ভিডিওতে স্পষ্ট, ওই গাড়ির ধাক্কায় কয়েকজন ছিটকে পড়ছেন। এই ঘটনায় মৃত মোট ৯ জন। জানা গিয়েছে, মৃতদের মধ্যে ৪ জন কৃষক। এক সাংবাদিক। হামলাকারী গাড়ির তিনজন। আর একজন সাধারণ ব্যক্তি।

লখিমপুর খেরির ঘটনায় প্রধানমন্ত্রী নীরব। কংগ্রেস নেতা প্রিয়াঙ্কা গান্ধীর অভিযোগ, আইনের শাসন নেই উত্তর প্রদেশে। রাহুল গান্ধীকে সাথে নিয়ে তিনি দেখা করেন মৃত কৃষকদের পরিবারের সঙ্গে।

Lakhimpur Kheri: কৃষকের ‘পিষে মারা’ রিপোর্ট দু’মাস পর আসবে! BJP মন্ত্রীর পুত্র ‘অধরা’

Lakhimpur Kheri

নিউজ ডেস্ক: লখিমপুর খেরিতে গাড়ি চাপা দিয়ে কৃষকদের পিষে মারা হয়েছে বলে দাবি মৃতদের পরিবার সহ সর্বভারতীয় কৃষক সংগঠনগুলির। এই দাবি আদৌ কতটা সত্য তা জানতে এক সদস্যের কমিটি গঠন করল উত্তর প্রদেশ সরকার। এলাহাবাদ হাই কোর্টের অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি প্রদীপকুমার শ্রীবাস্তব সবদিক খতিয়ে দেখবেন। তিনি রিপোর্ট দেবেন দু মাস পরে।

এদিক মৃত কৃষকদের আত্মীয়দের অভিযোগ, হামলাকারী আশিস মিশ্রকে কেন গ্রেফতার করছে না রাজ্য সরকার। সারাভারত কৃষকসভা, ভারতীয় কিষাণ ইউনিয়ন সহ বিভিন্ন কৃষক সংগঠনের আরও অভিযোগ, যোগী আদিত্যনাথ সবকিছু চাপা দিতে চাইছেন। যদিও তিনি জানান, লখিমপুর খেরির ঘটনায় কড়া তদন্ত হবে।

অভিযুক্ত হামলাকারী আশিস মিশ্রের পিতা স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের রাষ্ট্রমন্ত্রী অজয় মিশ্র। তিনি লখিমপুর খেরির বিজেপি সাংসদ। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহর সহকারী মন্ত্রীর পদে রয়েছেন। তাঁর দাবি, ঘটনাস্থলে ছিল না আশিস। তবে যে গাড়ির ধাক্কায় মারা গিয়েছেন কৃষকরা সেটি তাঁর পুত্রের। চাপে পড়ে স্বীকার করেছেন মন্ত্রী।

গত ৩ অক্টোবর নেপাল সীমান্ত লাগোয়া লখিমপুর খেরিতে কেন্দ্রের মোদী সরকার যে কৃষি আইন এনেছে তার প্রতিবাদ চলছিল। জমায়েতের মধ্যে একটি গাড়ি প্রবল গতিতে ঢুকে পড়ে। ভাইরাল ভিডিওতে স্পষ্ট, ওই গাড়ির ধাক্কায় কয়েকজন ছিটকে পড়ছেন। এই ঘটনায় মৃত মোট ৯ জন। জানা গিয়েছে, মৃতদের মধ্যে ৪ জন কৃষক। এক সাংবাদিক। হামলাকারী গাড়ির তিনজন। আর একজন সাধারণ ব্যক্তি।

লখিমপুর খেরির ঘটনায় প্রধানমন্ত্রী নীরব। কংগ্রেস নেতা প্রিয়াঙ্কা গান্ধীর অভিযোগ, আইনের শাসন নেই উত্তর প্রদেশে। রাহুল গান্ধীকে সাথে নিয়ে তিনি দেখা করেন মৃত কৃষকদের পরিবারের সঙ্গে।

Lakhimpur Kheri: ‘সাময়িক জেল’ থেকে বেরিয়ে রাহুলকে সঙ্গে নিয়ে মৃত কৃষকের বাড়িতে প্রিয়াঙ্কা

Rahul and Priyanka Gandhi arrive at Lakhimpur Kheri

নিউজ ডেস্ক: বন্দিত্ব কাটল। সীতাপুর গেস্ট হাউসের ‘সাময়িক জেল’ থেকে বেরিয়ে এলেন কংগ্রেস নেত্রী প্রিয়াঙ্কা গান্ধী (Priyanka Gandhi)। তাঁকে সঙ্গে নিয়েই রাহুল গান্ধী (rahul gandhi) পৌঁছে গেলেন লখিমপুর খেরিতে (lakhimpur kheri) গাড়ি চাপা দিয়ে ‘মেরে ফেলা’ কৃষকদের পরিবারের কাছে।

সংবাদ সংস্থা ANI জানাচ্ছে, রাহুল ও প্রিয়াঙ্কা গান্ধী রাতে পৌঁছান মৃত কৃষক লাভপ্রীত সিংয়ের বাড়িতে। মৃতের আত্মীয়রা রাজ্য সরকারের বিরুদ্ধে তীব্র ক্ষোভ উগরে দেন। কেন মূল অভিযুক্ত কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর পুত্র আশিস মিশ্র পুলিশি হেফাজতের বাইরে সেই প্রশ্ন তুলেছেন মৃতের আত্মীয়রা।

Rahul and Priyanka Gandhi arrive at Lakhimpur Kheri

দিনভর লখনউয়ে রাজনৈতিক উত্তাপ ছিল। তীব্র চাপের মুখে অবশেষে রাহুল গান্ধীকে লখিমপুর খেরি যেতে অনুমতি দেয় উত্তর প্রদেশের বিজেপি সরকার। বিমান বন্দরে রাহুল গান্ধীর সঙ্গে ছিলেন পাঞ্জাব ও ছত্তিসগড় দুই কংগ্রেস শাসিত রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী। দুই রাজ্য সরকার লখিমপুর খেরিতে মৃতদের পরিবার পিছু ৫০ লক্ষ টাকা ক্ষতিপূরণ দিচ্ছে।

লখিমপুর খেরিতে কৃষি আইনের বিরোধিতায় কৃষকদের জমায়েতে গাড়ি চালিয়ে তীব্র বিতর্কের মুখে কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর পুত্র। অভিযোগ গাড়ি চাপা দিয়ে কৃষকদের খুন করা হয়। এই ঘটনায় মূল অভিযুক্ত আশিস মিশ্রের পিতা স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের রাষ্ট্রমন্ত্রী অজয় মিশ্র। অভিযোগ, উত্তর প্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ ও কেন্দ্রের বিজেপি সরকার পুরো ঘটনা চাপা দিতে মরিয়া চেষ্টা করছে।

Rahul and Priyanka Gandhi arrive at Lakhimpur Kheri

লখিমপুর খেরিতে মোট মৃতের সংখ্যা ৯ জন। তাদের পরিবার পিছু ৪৫ লক্ষ টাকা ও সরকারি চাকরির ব্যবস্থা ঘোষণা করেছে যোগী আদিত্যনাথের প্রশাসন। তবে সারা ভারত কৃষক সভা ও ভারতীয় কিষাণ ইউনিয়নের দাবি, হামলাকারী আশিস মিশ্রকে গ্রেফতার করতে হবে।

পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হচ্ছে। ANI জানাচ্ছে, উত্তরাখণ্ডের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী তথা প্রবীণ কংগ্রেস নেতা হরিশ রাওয়াত বিশাল সমর্থক বাহিনী নিয়ে লখিমপুর খেরি আসছেন। দেরাদুন থেকে ১ হাজার ট্রাক ভাড়া করেছে কংগ্রেস। এই বিশাল সংখ্যক কংগ্রেস সমর্থক ঢুকলে এলাকার পরিস্থিতি তীব্র উত্তেজনাপূর্ণ হবে বলে আশঙ্কা।

Lakhimpur kheri: যোগীকে চাপে রাখল কংগ্রেস, মৃত কৃষকদের ৫০ লক্ষ টাকা সাহায্য

Rahul gandhi

নিউজ ডেস্ক: তুমুল রাজনৈতিক গরম হওয়া লখনউ ছাড়িয়ে গোটা দেশে বইছে। লখিমপুর খেরি যেতে অনুমতি পেলেন রাহুল গান্ধী। গাড়ি চাপা দিয়ে ‘কৃষকদের খুন’ যেখানে হয়েছিল সেখানে যাওয়ার নির্দেশ দিয়েছে উত্তর প্রদেশ রাজ্য সরকার।

রাহুল গান্ধী লখনউ থেকে লখিমপুর খেরি যাওয়ার আগেই বিজেপিকে রাজনৈতিক চাপে ফেলে দেয় কংগ্রেস। ছত্তিসগড় ও পাঞ্জাবের মুখ্যমন্ত্রীরা মৃত কৃষকদের পরিবার পিছু ৫০ লক্ষ টাকা ক্ষতিপূরণ ঘোষণা করেছে। দুটি রাজ্যই কংগ্রেসের দখলে। মৃত কৃষকদের পরিবার পিছু ৪৫ লক্ষ টাকা দিচ্ছে যোগীর সরকার। করা হয়েছে সরকারি চাকরির ব্যবস্থা।

ছত্তিসগড়ের মুখ্যমন্ত্রী ভূপেশ বাঘেল লখনউতে এসে বিমানবন্দরে ধরনা শুরু করেন। এতে আরও বিব্রত হয় উত্তর প্রদেশ সরকার। মুখ্যমন্ত্রী বাঘেলের নিরাপত্তা নিয়ে বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ চিন্তিত হয়ে পড়ে। অন্যদিকে পাঞ্জাবে সদ্য মুখ্যমন্ত্রী হওয়া চরণজিত সিং চান্নি একইসঙ্গে কেন্দ্র ও যোগী প্রশাসনকে তীব্র আক্রমণ করেন। পরে রাহুল গান্ধীর অনুরোধে দুই রাজ্য সরকার আর্থিক ক্ষতিপূরণের ঘোষণা করে।

লখিমপুর খেরিতে মৃত কৃষকদের পরিবার পিছু উত্তর প্রদেশের বিজেপি সরকার ৪৫ লক্ষ টাকা আর্থিক ক্ষতিপূরণ ও সরকারি চাকরির ব্যবস্থা করছে। যদিও কংগ্রেস সহ বাকি বিরোধী দলগুলির প্রশ্ল গাড়ি চাপা দিয়ে কৃষদের মেরে ফেলায় অভিযুক্ত কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর পুত্র আশিস এখনও কেন অধরা।

অভিযুক্ত আশিস মিশ্রর পিতা স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের রাষ্ট্রমন্ত্রী অজয় মিশ্রর দাবি, ঘটনার সময় আশিস ছিল না। তবে আশিস-ই দোষী, তাকে গ্রেফতার করতে হবে। এমনই অভিযোগ করেছেল সারা ভারত কৃষকসভার সাধারণ সম্পাদক হান্নান মোল্লা। কৃষক সংঠনগুলির পক্ষ থেকে প্রশ্ন, মন্ত্রীর পুত্রকে কেন গ্রেফতার করছেনা মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথের সরকার।