Tripura: দেবীপক্ষে ‘বিজেপি বধে’ মমতার চমক, টিএমসির কমিটি গঠন

Mamata banerjee Durga Puja ekolkata24

নিউজ ডেস্ক: পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী তথা তৃণমূল কংগ্রেস নেত্রীর নির্দেশে দেবীপক্ষেই ত্রিপুরায় (Tripura) গঠিত হল তৃণমূল কংগ্রেসের স্টিয়ারিং কমিটি। আগরতলার রাজনৈতিক মহলে তীব্র আলোড়ন।

তৃ়ণমূল কংগ্রেস আগামী ত্রিপুরা বিধানসভা ভোটে নামছে। সেই লক্ষ্যে ত্রিপুরায় তৈরি হয়েছে দলটির যুব কমিটিও। ত্রিপুরায় তৃণমূল কংগ্রেসের রাজ্য কনভেনার বা আহ্বায়ক হয়েছেন সুবল ভৌমিক। তিনি কংগ্রেস ও বিজেপি ত্যাগী নেতা। আর টিএমসির যুব কমিটির কনভেনার হয়েছেন বাপ্টু চক্রবর্তী।

জানা গিয়েছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের একটি ইশারায় শাসক পক্ষের একাধিক বিজেপি বিধায়ক দলত্যাগ করবেন বলেই প্রস্তুত। ইতিমধ্যে বিজেপি ত্যাগের জন্য কালীঘাট মন্দিরে মস্তক মুন্ডন করে প্রায়শ্চিত্ত করেছেন সুরমা বিধানসভার বিধায়ক আশিস দাস। তিনি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে মাতৃশক্তি বলে তুলনা করেছেন। একইসাথে প্রধানমন্ত্রী মোদীর তীব্র সমালোচনা করেছেন।

সূত্রের খবর, উপনির্বাচনে মমতার জয় ঘোষণা হতেই ত্রিপুরায় শাসক বিজেপির বিদ্রোহী বিধায়করা দলত্যাগ শুরু করবেন বলে তৈরি হয়েছেন। এদের নেতৃত্বে রয়েছেন বিধায়ক সুদীপ রায় বর্মণ।

সুদীপবাবু গত বিধানসভা ভোটের আগে কংগ্রেস ছেড়ে অনুগামীদের নিয়ে তৃণমূলে যান। সে রাজ্যে বিরোধী দল হয় টিএমসি। পরে তিনিই আবার অনুগামীদের নিয়ে বিজেপিতে যান। ভোটে সরকার পরিবর্তন হয়। বাম সরকারকে হারিয়ে বিজেপি জোট সরকার গড়ে।

পশ্চিমবঙ্গে তিনবার সরকার গড়ার পর মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ত্রিপুরায় তৃণমূল কংগ্রেসকে পুনরায় শক্তিশালী করতে মরিয়া। ইতিমধ্যেই বিজেপিতে ভাঙন ধরছে। বিজেপি বিধায়ক আশিস দাস কলকাতায় টিএমসি ভবনে এসে কথাবার্তা পাকা করেছেন বলেই সূত্রের খবর।

Lakhimpur Kheri: মোদী-‘ঠোঙ্গি’ সবেতেই ‘বকওয়াস’, কৃষক খুনে নীরব, কংগ্রেসি কানহাইয়ার হামলা

Lakhimpur Kheri Modi jogi-kanahya kumar

নিউজ ডেস্ক: সম্প্রতি সিপিআই (CPI) ছেড়েছেন। এর পরেই ঘটেছে উত্তর প্রদেশের লখিমপুর খেরিতে (Lakhimpur Kheri) কৃষকদের গাড়ি চাপা দিয়ে ‘খুন’ ইস্যু। বর্তমান কংগ্রেস (INC) নেতা কানহাইয়া কুমারের (Kanhiya Kumar) যুক্তি ও প্রশ্ন হামলার মুখে পড়তে শুরু করলেন প্রধানমন্ত্রী মোদী। একের পর এক টুইট হামলায় মোদীকে জর্জরিত করতে শুরু করেছেন কানহাইয়া।

উত্তর প্রদেশের লখিমপুর খেরিতে কৃষকদের উপর গাড়ি চালিয়ে দেওয়া ও মোট ৯ জনের মৃত্যুর জেরে গোটা দেশ উত্তাল। কানহাইয়া কুমার তাঁর বর্তমান দলনেতা রাহুল গান্ধী, দলনেত্রী প্রিয়াঙ্কা গান্ধীর সমর্থনে প্রশ্লবাণে মোদী, উত্তর প্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ, কেন্দ্র ও সংশ্লিষ্ট রাজ্যের বিজেপি সরকারকে যুক্তি জালে ঘিরতে শুরু করলেন।

কংগ্রেস নেতা কানহাইয়ার যুক্তি, সব বিষয়ে ‘বকওয়াস’ (অযৌক্তিক কথা) করা প্রধানমন্ত্রী কৃষকদের মৃত্যুর পর নীরব। তাঁর নীরব থাকার রহস্য হয় তিনি কৃষকদের অন্ন খান না। বা তিনি বেইমানির কমিশন খান।

উত্তর প্রদেশের (UP) মু়খ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথকে কটাক্ষ করে কানহাইয়ার টুইট, ‘ঠোঙ্গি জী’ যতটা শক্তি দেখিয়ে বিরোধীদের আটকাচ্ছেন, ততটা শক্তি দিয়ে বিজেপির অহঙ্কারি মন্ত্রী ও তার গোল্লায় যাওয়া পুত্রের গাড়ি আটকাতেন তাহলে নির্দোষ কৃষকদের জীবন যেত না। নিজের দেশের কোথাও যেতে পাসপোর্ট লাগবে নাকি ? কানহাইয়া কুমারের টুইট রাহুল গান্ধী ও প্রিয়াঙ্কার টুইটের চেয়েও ঝড়ের গতিতে দেশ জুড়ে ছড়াতে শুরু করেছে। পরপর টুইটে আক্রমণ শুরু করেছেন কানহাইয়া।

কৃষক একতা মঞ্চ, সারা ভারত কৃষক সভা (AIKS) ভারতীয় কিষাণ ইউনিয়ন (BKU) সহ বিভিন্ন কৃষক সংগঠনের দাবি, নিহতদের পকিবার পিছু আর্থিক ক্ষতিপূরণ বা সরকারি চাকরি দিয়ে এই ক্ষত মেটানো যাবে না। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের রাষ্ট্রমন্ত্রীর পুত্র আশিস মিশ্রকে গ্রেফতার করতে হবে।

লখিমপুর খেরির ঘটনায় কেন আশিস মিশ্রকে তাকে গ্রেফতার করা হয়নি প্রশ্ন কংগ্রেস নেত্রী প্রিয়াঙ্কা গান্ধী। তবে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের রাষ্ট্রমন্ত্রী অজয় মিশ্র জানান, তাঁর পুত্র ঘটনাস্থলে ছিল না। এদিকে ভাইরাল ভিডিওতে উঠে এসেছে আশিস মিশ্রর গাড়ি কৃষকদের পিছন থেকে পিষে মারছে।

Lakhimpur kheri: যোগীর নিষেধাজ্ঞা, ‘কৃষক গণহত্যা’ কেন্দ্রে যেতে বাধা রাহুল গান্ধীকে

Rahul Gandhi

নিউজ ডেস্ক: তৃণমূল কংগ্রেস প্রতিনিধিরা ছাড় পেলেন,তবে কেন বাধা কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধীকে (Rahul Gandhi)। প্রবল বিতর্ক উত্তর প্রদেশে। আগেই গ্রেফতার করা হয়েছে প্রধান গান্ধীকে। সংবাদ সংস্থা ANI জানাচ্ছে, উত্তর প্রদেশ সরকার বাতিল করেছে কংগ্রেসের তরফে লখিমপুর খেরি (Lakhimpur kheri) যাওয়ার আবেদন।

রাহুল গান্ধীর অভিযোগ, লখিমপুর খেরিতে ১৪৪ ধারা লাগু থাকায় নিয়মানুসারে ৫ জন গেলে পুলিশ আটকাতে পারে। আমরা তিনজন যাচ্ছিলাম। কেন আটকানো হয়েছে। বিরোধী দল হিসেবে পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া।

মঙ্গলবার দিনভর লখিমপুর খেরি ঘিরে রাজনৈতিক উত্তাপ তুঙ্গে ছিল। প্রথমে পুলিশের চোখে ধুলো দিয়ে সেখানে ঢুকে পড়েন সারা ভারত কৃষকসভার নেতৃত্বরা। এতে হতচকিত হয়ে যায় যোগী আদিত্যনাথের প্রশাসন। কী করে তারা ঢুকলেন তা নিয়ে রাজ্য পুলিশ প্রবল চাপের মুখে পড়ে। বাম কৃষক সংগঠনটির নেতৃত্বে লাগাতার কেন্দ্রের কৃষি আইনের বিরোধিতায় লক্ষাধিক কৃষক আন্দোলন করছেন। আন্দোলন চালাচ্ছে ভারতীয় কিষাণ ইউনিয়ন।

লখিমপুর খেরিতে কৃষক জমায়েতের উপর গাড়ি চালিয়ে অভিযুক্ত বিজেপির হেভিওয়েট নেতা তথা কেন্দ্রীয় মন্ত্রী অজয় মিশ্রের পুত্র আশিস। মৃত ৯ জন। এদের ৬ জনই কৃষক। আশিস মিশ্রকে গ্রেফতারির দাবি তুলেছেন কৃষকসভার সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক তথা প্রাক্তন সিপিআইএম সাংসদ হান্নান মোল্লা।

এই দাবির পরেই উত্তর প্রদেশ সরকার পুরো এলাকা পুলিশ দিয়ে ঘিরে রাখে। সেই ঘেরাও পেরিয়ে কৃষক সভার পরে পৌঁছে যান তৃণমূল কংগ্রেস প্রতিনিধিরা। তারা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বার্তা দেন। বলেন, লখিমপুর খেরিতে সিঙ্গুর নন্দীগ্রামের মতো আন্দোলন করতে তৃ়ণমূল সাহায্য করবে। পশ্চিমবঙ্গে বাম জমানায় এই দুটি জমি আন্দোলনের কারণে টিএমসি রাজনৈতিক মাইলেজ পেয়ে সরকার গড়েছে। লখিমপুর খেরির রক্তাক্ত ঘটনার পর সেখানে ঢুকতে পারেননি উত্তর প্রদেশের দুই প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী অখিলেশ যাদব ও মায়াবতী।

Lakhimpur Kheri: গ্রেফতার কংগ্রেস নেত্রী প্রিয়াঙ্কা গান্ধী, আরও বিতর্কে বিজেপি

priyanka gandhi Arrested

নিউজ ডেস্ক: উত্তর প্রদেশের লখিমপুর খেরিতে কৃষকদের গাড়ি চাপা দিয়ে খুনের ঘটনায় ভাইরাল ভিডিও উত্তেজনা ছড়ানোর অভিযোগে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি হয়েছিল কংগ্রেস নেত্রী প্রিয়াঙ্কা গান্ধীর (priyanka gandhi) বিরুদ্ধে।

১৪৪ ধারা ভাঙার অভিযোগে  সীতাপুরে গান্ধী পরিবারের কন্যাকে গ্রেফতার করা হয়েছে। সীতাপুর গেস্ট হাউসকেই সাময়িক জেল বলে চিহ্নিত করা হয়েছে। পরপর নাটকীয় মুহূর্ত চলছে লখনউয়ের রাজনীতিতে। সেই ধাক্কা লাগছে দেশের সর্বত্র।

লখিমপুর খেরিতে কৃষকের গাড়ি চাপা দিয়ে মেরে ফেলার ঘটমায় উত্তর প্রদেশ ও কেন্দ্রের বিজেপি সরকার প্রবল বিতর্কে। মঙ্গলবার কংগ্রেস নেত্রী প্রিয়াঙ্কা গান্ধী একটি ভাইরাল ভিডিও দেখিয়ে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীকে তুলোধনা করেন। ওই ভিডিও তিনি টুইট করেন। এই ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে একটি এসইউভি গাড়ি পিছন থেকে এসে কৃষকদের পিষে দিয়ে চলে গেল।

অভিযোগ, এই গাড়ি চালিয়ে কৃষকদের মেরেছে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের রাষ্ট্রমন্ত্রী অজয় মিশ্রের পুত্র আশিস মিশ্র। মৃত ৯ জন। এদের মধ্যে ৬ জন কৃষক ও একজন সাংবাদিক। জানা গিয়েছে দুজন নাকি সেই গাড়ির আরোহী। ঘটনাস্থলে গুলি চলেছে। এক মৃত কৃষকের দেহে গুলির আঘাত রয়েছে। জানা গিয়েছে উত্তেজিত কৃষকরা ওই গাড়ি আগুন ধরান। পালাতে গিয়ে দুই আরোহী মারা যায়। তবে মূল অভিযুক্ত আশিস মিশ্র অধরা।

AIKS Leader

লখিমপুর খেরিতে এই ‘কৃষক গণহত্যা’র প্রতিবাদে অ-বিজেপি দলগুলি প্রবল সরব। কংগ্রেস শাসিত ছত্তিসগড়ের মুখ্যমন্ত্রী ভূপেশ বাঘেল প্রিয়াঙ্কা গান্ধীর সঙ্গে দেখা করতে লখনউ আসেন। তাঁকে বিমান বন্দরে আটকে দেয় উত্তর প্রদেশ পুলিশ। ছত্তিসগড়ের মুখ্যমন্ত্রী বিমান বন্দরেই বসে অবস্থান বিক্ষোভ শুরু করেন।
এদিকে লখিমপুর খেরিতে যেতে গিয়ে বাধাপ্রাপ্ত হন তৃ়ণমূল কংগ্রেস সাংসদরা। সাংসদ সুস্মিতা দেব সহ বাকিদের আটকে দেয় পুলিশ। যদিও তারা দাবি করেন দলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নির্দেশে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন।

লখিমপুর খেরি যেতে গিয়েছিলেন উত্তর প্রদেশের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী অখিলেশ সিং যাদব। তাঁকে সহ সমাজবাদী পার্টির নেতাদের আটকে দেয় পুলিশ। ভিডিও বার্তায় রাজ্যের বিজেপি সরকারের প্রবল সমালোচনা করেছেন অখিলেশ। সরব অপর প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মায়াবতী।

তবে যোগী সরকারের পুলিশকে ফাঁকি দিয়ে লখিমপুর খেরিতে ঢুকেছেন বাম সংগঠন সারা ভারত কৃষক সভার নেতৃত্ব। তাঁদের পৌঁছে যাওয়া নিয়ে তীব্র শোরগোল। কী করে এমন সম্ভব হলো এই বিষয়ে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলগুলির।

Bangladesh: মমতার প্রিয় ‘খেলা হবে’ স্লোগান, শেখ হাসিনার দল আওয়ামী লীগের ‘না’

mamata banerjee sheikh hasina

নিউজ ডেস্ক: বাংলাদেশ থেকেই ধার করা ভোট স্লোগান ‘খেলা হবে’ পশ্চিমবঙ্গের শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেসের সৌজন্যে জনগণের মুখে মুখে। আর বাংলাদেশের (Bangladesh) ক্ষমতাসীন দল আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের জানিয়ে দিলেন ‘নির্বাচন নিয়ে খেলা হবে না’।

বিরোধীদের প্রতি বার্তায় আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক তথা বাংলাদেশের সড়ক পরিবহণ ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের আরও বলেন, রাষ্ট্রপতি সব দলের কাছে গ্রহণযোগ্য একটি সার্চ কমিটির মাধ্যমে নির্বাচন কমিশন গঠন করবেন।

সম্প্রতি বাংলাদেশের অন্যতম বিরোধী দল বিএনপি নেতৃত্ব বারবার নির্বাচনে রিগিং অভিযোগ ও সুষ্ঠু ভোট পদ্ধতির দাবি তুলেছে। বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর হুঁশিয়ারি দেন, সরকারের আজ্ঞাবহ নির্বাচন কমিশন দিয়ে এবার ‘নির্বাচন-নির্বাচন খেলা’ মানবে না বিএনপি। তিনি বলেন, বিএনপি এমন নির্বাচন চায় যেখানে জনগন ভোট দিতে পারবে। ইভিএম দিয়ে কারচুপি সহ ভোট জালিয়াতির জবাব দেওয়া হবে বলেও জানান তিনি।

বি়এনপি মহাসচিবের এই মন্তব্যের জবাব দিয়েছেন আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক। তিনি বলেন, কোনও নির্বাচন নির্বাচন খেলা হবে না। নির্বাচনের মতোই নির্বাচন হবে। নির্বাচন কমিশনের মেয়াদ যেহেতু শেষ হয়ে আসছে, রাষ্ট্রপতি সবাইকে নিয়েই একটি নির্বাচন কমিশন গঠন করবেন।

‘খেলা হবে’ স্লোগান পশ্চিমবঙ্গের রাজনীতিতে তীব্র আলোচিত। তবে এই শব্দকে একসময় তুমুল জনপ্রিয় করেছিলেন বাংলাদেশের নারায়ণগঞ্জের আওয়ামী লীগ নেতা শামীম ওসমান। সেই স্লোগান পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভা ভোটে ঝড় তুলেছিল।

তৃণমূল কংগ্রেস ত্যাগ করে বিজেপি যোগ দিয়ে শুভেন্দু অধিকারী নন্দীগ্রামের জনসভায় ‘খেলা হবে’ শব্দ ব্যবহার করেন। এর পরেই বীরভূম জেলার তৃণমূল কংগ্রেস সভাপতি অনুব্রত মণ্ডল তাঁর নিজস্ব ভঙ্গীতে বলতে থাকেন ‘খেলা হবে’।

পরে খোদ মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নন্দীগ্রাম কেন্দ্রে প্রচারে গিয়ে পায়ে আঘাত পান। তাঁর প্লাস্টার করা পা-এর ছবি দেখিয়ে তৃণমূল প্রচার করেছিল ‘ভাঙা পায়ে খেলা হবে’। বিপুল ভোটে জিতে টিএমসি পশ্চিমবঙ্গে তিনবার সরকার গড়েছে। এবার

উপনির্বাচনের আবহে তৃণমূল নেতা অনুব্রত মণ্ডল বলছেন, ‘শুধু খেলা হবে না, ভয়ঙ্কর খেলা হবে’। তাঁর বাচন রীতি অনেকটা বাংলাদেশের এমপি শামীম ওসমানের মতো।

Lakhimpur Kheri : যোগী পুলিশের সাথে লুকোচুরি, বাম নেতৃত্ব ঢুকলেন ‘কৃষক গণহত্যা’র কেন্দ্রে

aiks leaders have reached lakhimpur kheri

নিউজ ডেস্ক: ঠিক যেন গোয়েন্দা কাহিনীর প্লট। চোরাপথে এ ওর পিছনে ছুটছে। অনেকটা তেমনই করে গেঁয়ো পথ ধরে মুখ্যমন্ত্রী যোগীআদিত্যনাথের পুলিশের ‘আঁখ মে ধুল’ (চোখ এড়ানো) ছিটিয়ে ‘কৃষক গণহত্যা’র কেন্দ্র উত্তর প্রদেশের লখিমপুর খেরিতে ঢুকলেন বাম কৃষক সংগঠনের নেতারা। সারা ভারত কৃষকসভার (AIKS) নেতারা ঢুকতেই এলাকাবাসী ভিড় করে এগিয়ে আসেন। শুরু হয় নিহতদের পরিবারের কান্না।

aiks leaders have reached lakhimpur kheri

সিপিআইএম (CPIM) ও সিপিআই (CPI) দুই দলের কৃষক সংগঠন কৃষকসভার পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, উত্তর প্রদেশের মুখ্যমন্ত্রীর কড়া পুলিশি পাহারা এড়িয়ে লখিমপুর খেরিতে কৃষক নেতারা ঢুকতে পারলেন। প্রতিনিধি দলে আছেন কৃষক সভার কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য ডিপি সিং, উত্তর প্রদেশ রাজ্য সম্পাদক মুকুট সিং, কৃষক নেতা চন্দ্রপাল সিং সহ অন্যান্যরা।

এই রক্তাক্ত লখিমপুর খেরি ঢুকতে গিয়ে কংগ্রেস(INC) নেত্রী প্রিয়াঙ্কা গান্ধী পুলিশের ঘেরাটোপে আটকে পড়েন। তৃণমূল কংগ্রেস (TMC) সাংসদ সুস্মিতা দেব সহ বাকি প্রতিনিধিরা দলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নির্দেশে যাচ্ছিলেন। তাঁদেরও আটকে দেওয়া হয়। তবে টিএমসি প্রতিনিধিরা দাবি করেছেন তারা লখিমপুর খেরি ঢুকেছিলেন। উত্তর প্রদেশের পূর্বতন দুই শাসক দল সমাজবাদী পার্টি(SP) ও বহুজন সমাজপার্টির (BSP) প্রতিনিধিরাও রাজ্য পুলিশের ঘেরাটোপে আটকে পড়ে ঘটনাস্থলে যেতে পারেননি। বিজেপির (BJP) বিরুদ্ধে বিবৃতি দিয়েছেন দুই দলের নেতা প্রাক্তন দুই মুখ্যমন্ত্রী অখিলেশ সিং যাদব ও মায়াবতী।

aiks leaders have reached lakhimpur kheri

অভিযোগ, লখিমপুর খেরিতেই কেন্দ্রের বিজেপি সরকারের কৃষি আইনের বিরোধিতা করে কৃষক জমায়েত চলছিল। সেই জমায়েতের উপর গাড়ি চালিয়ে পিষে মারা হয়েছে কয়েকজনকে। চলেছে গুলি। মোট মৃত ৯ জন। মৃতদের ৬ জন কৃষক। একজন সাংবাদিক আর দুজন হামলাকারী গাড়িতে ছিল।

গোটা ঘটনায় মূল অভিযুক্ত স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের রাষ্ট্রমন্ত্রী অজয় মিশ্রর পুত্র আশিস। তাঁর পিতা কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহর সহকারী মন্ত্রী। আরও অভিযোগ এই কারণেই আশিসকে এখনও গ্রেফতার করেনি উত্তর প্রদেশ পুলিশ। অভিযোগ আশিস মিশ্র ও তার বন্ধুরা কৃষকদের পিষে মারে।

Lakhimpur Kheri: ভিডিও প্রমাণ দিল যোগীর রাজ্যে গাড়ির চাকায় পিষে মরলেন কৃষকরা

নিউজ ডেস্ক: কৃষকদের গাড়ি চাপা দিয়ে খুন এই অভিযোগে উত্তরপ্রদেশ (Uttar Pradedsh) সরকারের তথৈবচ অবস্থা। আর্থিক ক্ষতিপূরণের ঘোষণা ও সরকারি চাকরি দেওয়ার বার্তা দিলেও প্রবল বিতর্কে মুখে পড়েছেন বিজেপি শাসিত সরকারের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ। লখনউ সরগরম। নয়াদিল্লি থেকে গোটা দেশ জুড়ে বিতর্ক প্রবল। আর কৃষক ‘খুন’ ঘটনাস্থল লখিমপুর খেরিতে কী ঘটেছিল তার ফুটেজ ভাইরাল হয়েছে।

video proved that the farmers were crushed to death by the wheel of the car

 

সেই ফুটেজ একের পর এক বিজেপি বিরোধী নেতা নেত্রীরা টুইট করছেন। কেউ ফেসবুকে দিতে শুরু করেছেন। কংগ্রেস (INC) নেত্রী প্রিয়াঙ্কা গান্ধী টুইট করেন গাড়ি চাপা দিয়ে কৃষকদের পিষে মেরে ফেলার ভিডিও। তাঁর অভিযোগ, কেন অভিযুক্ত আশিস মিশ্রকে গ্রেফতার করছে না সরকার। অভিযুক্ত আশিস স্বরাষ্ট্রমন্ত্রের রাষ্ট্রমন্ত্রী অজয় মিশ্রের পুত্র।

video proved that the farmers were crushed to death by the wheel of the car

সর্বভারতীয় কৃষক নেতা তথা সারা ভারত কৃষকসভার (AIKS) সাধারণ সম্পাদক হান্নান মোল্লার দাবি, অবিলম্বে আশিস মিশ্রকে গ্রেফতার করতে হবে। ভারতীয় কিষাণ ইউনিয়নের নেতা রাকেশ টিকায়েত অভিযোগ করেন, যোগী সরকার ও বিজেপি (BJP) সবকিছু ধামাচাপা দিতে চাইছে।

আরও অভিযোগ, কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহর সহকারি তথা স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের রাষ্ট্রমন্ত্রী অজয় মিশ্রর পুত্র বলেই আশিসকে এখনও গ্রেফতার করেনি পুলিশ। অভিযোগ আশিস মিশ্র ও তার বন্ধুরা কৃষকদের পিষে মারে।
কেন্দ্রের কৃষি নীতির বিরুদ্ধে লখিমপুর খেরিতে জমায়েত করা কৃষদের উপর এসইউভি গাড়ি চালিয়ে দেওয়া হয়। পিষে মারা যান কয়েকজন। পরে জখম আরও কয়েকজনের মৃত্যু হয়। এক সাংবাদিকের মৃত্যু হয়েছে। মোট ৯ জন মৃত। এদের ছয় জন কৃষক।

এই ভিডিও এখন বিজেপি বিরোধী রাজনৈতিক মহলের প্রধান অস্ত্র। তবে এই ভিডিওর সত্যতা www.ekolkata24x7 যাচাই করেনি। দেখা যাচ্ছে প্রিয়াঙ্কা গান্ধীর টুইট থেকে ক্রমাগত ভিডিওর লিংকটি রি টুইট করা হচ্ছে। এছাড়াও সমাজবাদী পার্টি, বিএসপি, আরজেডি, সিপিআই, সিপিআইএম সমর্থকরা এই ভিডিও পোস্ট করছেন। বিভিন্ন কৃষক সংগঠন সরাসরি অভিযোগ তুলেছে, গাড়ি চালিয়েছিল আশিস মিশ্র।

#Lakhimpurkheri: ৮ কৃষক ‘খুন’ ঘটনায় মন্ত্রী-পুত্রকে গ্রেফতার দাবি হান্নান মোল্লার, নিন্দা মমতার

Lakhimpurkheri

নিউজ ডেস্ক: উত্তর প্রদেশের লখিমপুরখেরি কৃষক জমায়েতে গাড়ি চাপা দিয়ে অন্তত ৮ কৃষককে ‘মেরে ফেলা’র অভিযোগ। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের রাষ্ট্রমন্ত্রী অজয় মিশ্রর পুত্র আশিস মিশ্রকেই দায়ি করা হয়েছে।অভিযুক্তকে গ্রেফতারির দাবি তুলেছেন সর্বভারতীয় কৃষক নেতা তথা কৃষকসভার (AIKS) সাধারণ সম্পাদক হান্নান মোল্লা। সোমবারই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নির্দেশে ঘটনাস্থলে যাচ্ছেন তৃণমূল কংগ্রেস সাংসদ প্রতিনিধিরা।

প্রবল বিতর্কে উত্তর প্রদেশে(UP) ক্ষমতাসীন বিজেপি(BJP)। মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ জরুরি বৈঠক করেন লখনউতে। তিনি জানান, এই ঘটনার পূর্ণাঙ্গ তদন্ত হবে। দোষীকে চিহ্নিত করে কড়া শাস্তি দেওয়া হবে। তাঁর নির্দেশে লখিমপুরখেরিতে বিশাল পুলিশ বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে।

Union Minister of State for Home Ajay Mishra's son runs over protesting farmers

রবিবার রক্তাক্ত ঘটনার সাক্ষী থেকেছে লখিমপুরখেরি। এখানেই কেন্দ্র সরকারের কৃষি আইন বাতিলের প্রতিবাদে কৃষক জমায়েত চলছিল। অভিযোগ, সেই জমায়েতের মধ্যে তীব্র গতিতে গাড়ি চালিয়ে দেয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের রাষ্ট্রমন্ত্রী অজয় মিশ্রর পুত্র আশিস। চাকায় পিষ্ট হন বেশ কয়েকজন কৃষক। মর্মান্তিক এই ঘটনায় অন্তত ৮ জনের মৃত্যু হয়েছে। আরও জখম ৬ জন। তাদের কয়েকজন আশঙ্কাজনক।

গাড়ি চালিয়ে হামলার অভিযোগে লখিমপুরখেরি প্রবল উত্তপ্ত। উত্তেজিত কৃষকরা কেন্দ্রীয় মন্ত্রী অজয় মিশ্রকে আটকে রাখেন। তবে তিনি দাবি করেন, পুত্র আশিস কোনওভাবেই এই ঘটনায় জড়িত নয়। ঘেরাওয়ের মধ্যে পড়েন উপমুখ্যমন্ত্রী কেশব প্রসাদ মৌর্য। তাঁদের ছাড়াতে গেলে রক্ষীদের সামনেই গাড়িতে আগুন ধরায় বিক্ষোভকারী কৃষকরা। তাদের আরও অভিযোগ, মৃত আট কৃষকের মধ্যে দুজন ‘গুলিবিদ্ধ’।

Union Minister of State for Home Ajay Mishra's son runs over protesting farmers

উলুবেড়িয়ার প্রাক্তন সিপিআইএম (CPIM) সাংসদ তথা সর্বভারতীয় কৃষক নেতা হান্নান মোল্লার দাবি, প্রধানমন্ত্রী মোদীর ঘনিষ্ঠ কেন্দ্রীয় মন্ত্রী অজয় মিশ্রকে অবিলম্বে বরখাস্ত করুক সরকার। রাকেশ টিকায়েত সহ কৃষক নেতাদের হুঁশিয়ারি উত্তর প্রদেশ অচল করে দেওয়া হবে।

কৃষক সভা (AIKS) , ভারতীয় কিষাণ ইউনিয়ন (BKU) সহ বিভিন্ন কৃষক সংগঠন লখিমপুরখেরি ঘেরাও ডাক দিয়েছে। উত্তর প্রদেশ, হরিয়ানা, পাঞ্জাব, হিমাচল প্রদেশ, রাজস্থান, মধ্যপ্রদেশ থেকে কৃষকদের লখিমপুরখেরির দিকে আসার আহ্বান জানানো হয়।

Tension increasing in Lakhimpurkheri

লথিমপুরখেরিতে কৃষকদের ‘খুন’ করা হয়েছে, এমনই অভিযোগ রাজ্যের প্রাক্তন দুই মুখ্যমন্ত্রী সমাজবাদী পার্টির (SP) অখিলেশ যাদব ও বহুজন সমাজপার্টির (BSP) মায়াবতীর। দুটি দলই উত্তর প্রদেশ জুড়ে বিক্ষোভের ডাক দিয়েছে।

কৃষক বিক্ষোভের রেশে এমনিতেই উত্তর প্রদেশ, হরিয়ানায় প্রবল। দুই রাজ্যেই বিক্ষোভকারীদের হাতে বারবার লাঞ্ছিত হয়েছেন বিজেপি মন্ত্রী ও নেতারা। লখিমপুরখেরির রক্তাক্ত ঘটনায় ফের মার খাওয়ার আশঙ্কা করছেন তাঁরা।

কৃষক সংগঠনগুলির অভিযোগ, লখিমপুরখেরিতে ‘ঠান্ডা মাথায় কৃষকদের খুন করেছে বিজেপি (BJP) সরকার। বিক্ষোভ আরও জমাট হবে এমনই হুঁশিয়ারি কৃষক নেতাদের।

Uttar Pradesh: মোদী সরকারের মন্ত্রীর ছেলে গাড়িতে পিষে মারলেন ৮ কৃষককে

Union Minister of State for Home Ajay Mishra's son runs over protesting farmers

নিউজ ডেস্ক: কৃষক জমায়েতের মধ্যে প্রবল গতিতে গাড়ি চালিয়ে দিলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের রাষ্ট্রমন্ত্রীর পুত্র। মর্নান্তিক এই ঘটনায় আট কৃষকের মৃত্যু হয়েছে। আরও কয়েকজন জখম। প্রবল উত্তপ্ত উত্তরপ্রদেশের (Uttar Pradesh) লখিমপুর খেরি। উত্তেজিত কৃষকরা একটি গাড়িতে আগুন ধরান। 

Union Minister of State for Home Ajay Mishra's son runs over protesting farmers

অভিযুক্ত কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর পুত্রকে রক্ষা করতে গিয়ে পুলিশ আক্রান্ত হয়। ঘটনাস্থলে এসে প্রবল বিক্ষোভের মুখে পড়েন উত্তর প্রদেশের উপ মুখ্যমন্ত্রী কেশব প্রসাদ মৌর্য। সঙ্গে ছিলেন স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের রাষ্ট্রমন্ত্রী অজয় মিশ্র। মৃতের সংখ্যা বাড়তে পারে। পুলিশ বলছে দু জন। অসমর্থিত সূত্র বলছে ৮ ৷ ভারতীয় কিসান ইউনিয়নের (BKU) দাবি মৃত ৮ কৃষকের মৃত্যু হয়েছে৷

Tripura: মমতার জয়ে আগরতলায় রসগোল্লা উৎসবে মত্ত TMC

mamata banerjee tmc supporters of tripura distributed rosogolla

নিউজ ডেস্ক: পশ্চিমবঙ্গ থেকে দলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Mamata banerjee) জয়ের সংবাদ এক মুহূর্তে পৌঁছে গেল ত্রিপুরায়। বাংলাভাষী প্রধান এই রাজ্যেও শূন্য হয়ে যাওয়া টিএমসি সমর্থকদের মধ্যে এতটাই উল্লাস যে তারা রসগোল্লা উৎসব শুরু করেছেন।

হাঁড়ি হাঁড়ি রসগোল্লা পথচলতি সবাইকে খাওয়ানোর পালা চলছে। আগরতলায় তৃণমূল সমর্থকদের দাবি, পশ্চিমবঙ্গের পর ত্রিপুরাতেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে বিজেপি ও সিপিআইএমকে পরাজিত করে সরকার গড়া হবে।

রসগোল্লা খাওয়ানোর পিছনে জয় ও জনসংযোগ দুটোই চালাচ্ছে ত্রিপুরা প্রদেশ তৃণমূল কংগ্রেস। তবে এই রাজ্যে লোকসভা ভোটের নিরিখে তৃণমূলের প্রাপ্তি ০.৩ শতাংশ। এই শক্তি নিয়েই ত্রিপুরার আসন্ন বিধানসভা ভোটে ঝাঁপিয়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

mamata banerjee tmc supporters of tripura distributed rosogolla

সূত্রের খবর সরকারে থাকা বিজেপির বিধায়করা দলত্যাগে তৈরি। ত্রিপুরায় বিজেপি শিবিরেও ভাঙন স্পষ্ট। সূত্রের খবর, উপনির্বাচনে মমতার জয় ঘোষণা হতেই ত্রিপুরায় শাসক বিজেপির বিদ্রোহী বিধায়করা দলত্যাগ শুরু করবেন। এদের নেতৃত্বে রয়েছেন বিধায়ক সুদীপ রায় বর্মণ।

সুদীপবাবু গত বিধানসভা ভোটের আগে কংগ্রেস ছেড়ে অনুগামীদের নিয়ে তৃণমূলে যান। সে রাজ্যে বিরোধী দল হয় টিএমসি। পরে তিনিই আবার অনুগামীদের নিয়ে বিজেপিতে যান। ভোটে সরকার পরিবর্তন হয়। বাম সরকারকে হারিয়ে বিজেপি জোট সরকার গড়ে।

পশ্চিমবঙ্গে তিনবার সরকার গড়ার পর মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ত্রিপুরায় তৃণমূল কংগ্রেসকে পুনরায় শক্তিশালী করতে মরিয়া। ইতিমধ্যেই বিজেপিতে ভাঙন ধরছে। শনিবার বিজেপি বিধায়ক আশিস দাস কলকাতায় টিএমসি ভবনে এসে কথাবার্তা পাকা করেছেন বলেই সূত্রের খবর

Bankura: মমতার জয়ে টিএমসি উল্লাসে অকাল হোলি

Mamata's victory Bankura

নিউজ ডেস্ক, বাঁকুড়া: দলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের জয়ের খবরে উল্লসিত বাঁকুড়ার তৃণমূল কর্মী সমর্থকরা। বাঁকুড়া শহর থেকে বিষ্ণুপুর এমনকি জঙ্গলমহলের সিমলাপালেও উল্লসিত তৃণমূল কর্মীরা অকাল হোলিতে অংশ নিলেন। সবুজের আবীরে একে অপরকে রাঙিয়ে দেওয়ার পাশাপাশি চললো দেদার লাড্ডু বিলি।

বাঁকুড়া শহরের রাসতলা মোড়ে জেলা তৃণমূল মুখপাত্র দিলীপ আগরওয়ালের নেতৃত্বে বাজি পোড়ানো হয়। সঙ্গে পথ চলতি মানুষকে মিষ্টি খাওয়ান তারা।

বিষ্ণুপুরের আকাশে এদিন সবুজ আবিরের ছড়াছড়ি। স্থানীয় তৃণমূল নেতৃত্ব আবির খেলার মধ্য দিয়েই দলনেত্রীর জল ‘সেলিব্রেট’ করলেন।

একই ছবি জঙ্গল মহলের সিমলাপালেও। স্কুল মোড়ে এম.এল.এ অফিসের সামনে আবির খেলা আর লাড্ডু বিলির মাধ্যমেই ভবানীপুর উপনির্বাচনে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের জয়ে উচ্ছাস প্রকাশ তৃণমূল নেতা কর্মী থেকে সমর্থকদের। 

মমতা জিতছেন, হেরে যাওয়া কেন্দ্র নন্দীগ্রামে তৃণমূলের উল্লাস

mamata banerjee

নিউজ ডেস্ক: জিতছেন টিএমসি দলনেত্রী তথা মুখ্যমন্ত্রী। তিনি বিধায়ক হচ্ছেন ফের। ভবানীপুর থেকে এই বার্তা ছড়াল দেশ জুড়ে। আর রাজ্যের সর্বত্র শুরু হয়েছে বিজয় উল্লাস। দার্জিলিং থেকে ডায়মন্ডহারবার তৃণমূল কর্মীরা মেতেছেন সবুজ আবিরে। উপনির্বাচনে তিন কেন্দ্র ভবানীপুর, সানসেরগঞ্জ, জঙ্গিপুরে এগিয়ে তৃণমূল কংগ্রেস।

তাৎপর্যপূর্ণ গত বিধানসভা ভোটে পূর্ব মেদিনীপুরের নন্দীগ্রামে বিজেপির কাছে পরাজিত হন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সেই নন্দীগ্রামেও তৃণমূল কংগ্রেসের মধ্যে উল্লাস। দলনেত্রীর নন্দীগ্রামে পরাজয় হলেও বিধানসভা ভোটে বিপুলভাবে জয়ী হয় টিএমসি। তিনবার সরকার গড়ে। বিধায়ক না হয়েও মুখ্যমন্ত্রী পদে থাকেন মমতা। উপনির্বাচনে ভবানীপুর থেকে তিনি ফের জয়ী হয়ে প্রাক্তন বিধায়ক থেকে ফের বিধায়ক হতে চলেছেন।

TMC-Nandigram

নন্দীগ্রাম বিধানসভার টিএমসি কর্মী সমর্থকরা হাঁফ ছেড়েছেন। তাঁদের কেন্দ্রেই মুখ্যমন্ত্রীর পরাজয় ছিল গলায় কাঁটার মতো। বাম জমানায় যে নন্দীগ্রামে গুলি চলেছিল তার বিরুদ্ধে রাজনৈতিক আন্দোলনেই মমতার অগ্রগতি। সাথে ছিল হুগলি সিঙ্গুরে টাটা মোটরসের জন্য তৈরি হতে চলা কারখানার জমি নিয়ে বিতর্ক ও কৃষক বিক্ষোভ। সিঙ্গুর ও নন্দীগ্রাম দুই আন্দোলন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে মুখ্যমন্ত্রীর কুর্সিতে পৌঁছে দিয়েছে।

TMC-Nandigram

পরপর দুবার ক্ষমতা ধরে রেখে গত নির্বাচনে ভোট পরীক্ষা দিতে নামেন মমতা। দলেদলে টিএমসি ত্যাগ ও বিজেপির উত্থান থমকে যায় ভোটের ফলে। তিনবার টানা সরকার গড়ে তৃণমূল। তবে বিজেপি হয় প্রধান বিরোধী দল। আর রাজ্য থেকে মুছে যায় বামেরা।

নন্দীগ্রামে মমতা হেরে যান। তবে মুখ্যমন্ত্রী থাকেন। স্বাধীনতার আগে যুক্তবঙ্গ থেকে স্বাধীনতা পরবর্তী পশ্চিমবঙ্গের আইনসভায় তিনিই এমন ব্যতিক্রমী মুখ্যমন্ত্রী। তবে ভবানীপুর কেন্দ্র তাঁকে ফের বিধানসভায় পাঠাচ্ছে।

মমতা এগোচ্ছেন, শিলং থেকে সাংমার নজর আগরতলায় সুদীপ

mamata banerjee

নিউজ ডেস্ক: প্রতি মুহূর্তে ভবানীপুরের ফল গণনার আপডেট পৌঁছে যাচ্ছে দুই রাজ্য মেঘালয় ও ত্রিপুরায়। উত্তর পূর্ব ভারতের এই দুই রাজ্যে তৃণমূল কংগ্রেস বড়সড় শক্তি নিয়ে জলদি আত্মপ্রকাশ করতে চলেছে। পিছিয়ে নেই পশ্চিম ভারতের গোয়া। সেখানেও তৃণমূল শিবিরে ভিড় বাড়বে বলেই মনে করছে শাসক দলের ভোট কুশলী সংস্থা আই প্যাক। টিম পি কে কর্মীরা একাধিক রাজ্যে তৃণমূল কংগ্রেসের বিস্তারে মরিয়া। তবে ‘সুখবর’ বেশি আসছে শিলং ও আগরতলা থেকেই।

রাজ্যে তিন কেন্দ্র ভবানীপুর, সামসেরগঞ্জ ও জঙ্গিপুরে উপনির্বাচনের গণনার প্রথম থেকে আত্মবিশ্বাসী ব্যবধানে তৃ়ণমূল কংগ্রেস এগিয়ে। বিরোধী দল বিজেপি দ্বিতীয় স্থানেই থাকছে এমনই ইঙ্গিত। বামেরা তিন নম্বরেই। ফলাফল বের হওয়ার শুরুতেই ভবানীপুর কেন্দ্রে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এগিয়ে।

মেঘালয়ে কংগ্রেসের ‘শেষের কবিতা’
এদিকে পশ্চিমবঙ্গের উপনির্বাচনের দিকে তীক্ষ্ণ নজর মেঘালয়ের বিরোধী দল কংগ্রেসের। জানা গিয়েছে বিরোধী দলনেতা মুকুল সাংমা কংগ্রেস ত্যাগ করে তৃণমূল শিবিরে আসছেন। মেঘালয়ে কংগ্রেস বিধায়ক শূন্য হয়ে যাবে বলেই আশঙ্কা এআইসিসির। প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মুকুল সাংমা দলত্যাগ করলেই টিএমসি হতে চলেছে এই রাজ্যে বিরোধী দল।

অরুণাচলে কী হবে ? সূত্রের খবর, অরুণাচল প্রদেশের দিকেও নজর তৃণমূলের। এই রাজ্যে একসময় একাধিক টিএমসি বিধায়ক ছিলেন। পরে তারা দলত্যাগ করেন।

ত্রিপুরায় টিএমসির শক্তি
ত্রিপুরায় বিজেপি শিবিরেও ভাঙন স্পষ্ট।সূত্রের খবর, উপনির্বাচনে মমতার জয় ঘোষণা হতেই ত্রিপুরায় শাসক বিজেপির বিদ্রোহী বিধায়করা দলত্যাগ শুরু করবেন। এদের নেতৃত্বে রয়েছেন আগরতলার বিধায়ক সুদীপ রায় বর্মণ। তিনি ত্রিপুরার গত বিধানসভা ভোটের আগে কংগ্রেস ছেড়ে অনুগামীদের নিয়ে তৃণমূলে যান। সে রাজ্যে বিরোধী দল হয় টিএমসি। পরে তিনিই আবার অনুগামীদের নিয়ে বিজেপিতে যান। ভোটে সরকার পরিবর্তন হয়। বাম সরকারকে হারিয়ে বিজেপি জোট সরকার গড়ে।

পশ্চিমবঙ্গে তিনবার সরকার গড়ার পর মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ত্রিপুরায় তৃণমূল কংগ্রেসকে পুনরায় শক্তিশালী করতে মরিয়া। ইতিমধ্যেই বিজেপিতে ভাঙন ধরছে। শনিবার বিজেপি বিধায়ক আশিস দাস কলকাতায় টিএমসি ভবনে এসে কথাবার্তা পাকা করেছেন বলেই সূত্রের খবর।

Mamata Banerjee: বেলা গড়াচ্ছে-মমতা এগোচ্ছেন, বিজেপি শিবিরে দলত্যাগ আতঙ্ক চড়ছে

After durga puja Bjp bengal will face masive blow

নিউজ ডেস্ক: তিন কেন্দ্রের উপনির্বাচনে তৃণমূল কংগ্রেসের তরতরিয়ে এগিয়ে যাওয়া শাসক শিবিরে স্বস্তি। কারণ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata banerjee) বিধায়ক হতে চলেছেন। ভবানীপুর কেন্দ্রে তিনি গণনার শুরু থেকেই এগিয়ে। অন্যদিকে মুর্শিদাবাদের দুটি কেন্দ্র সামসেরগঞ্জ ও জঙ্গিপুরেও জোড়াফুলের ঝড় শুরু। 

বেলা গড়াচ্ছে রাজ্যের তিন কেন্দ্রে উপনির্বাচনের ফলে টিএমসির তরতরিয়ে এগিয়ে যাওয়ায় বিরোধী দল বিজেপির অন্দরে ফের ধ্বস আতঙ্ক। সূত্রের খবর, ভবানীপুরে সম্পূর্ণ ফলাফল ঘোষণা হতেই তৃণমূল শুরু করবে তার বিধায়ক শক্তি আরও বাড়িয়ে নিতে। আপাতত বিজেপিতে আছেন ৭০ জন।

উত্তর দিনাজপুরের রায়গঞ্জের বিজেপি বিধায়ক কৃষ্ণ কল্যানীর দলত্যাগের পর থেকে আরও অন্তত ৫ বিধায়ক তৈরি তৃণমূলে যোগ দিতে। এই তালিকায় পশ্চিম মেদিনীপুরের খড়্গপুর, কোচবিহার ও দার্জিলিং জেলার আরও তিন বিধায়ক রয়েছেন। সবমিলে দুর্গা পূজার আগেই বড়সড় ধ্বস নামতে চলেছে বিরোধী দলে। আছেন দুই বিজেপি সাংসদ।

যদিও বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী জানান, দলত্যাগে দলের ক্ষতি হবে না। কিন্তু তিনিও প্রবল চাপে আছেন এমনই জানাচ্ছেন তাঁর ঘনিষ্টরা।
শুধু রাজ্যেই নয়, আগামী দু সপ্তাহের মধ্যে দুটি রাজ্যের বড় অংশের বিজেপি ও কংগ্রেস বিধায়করা তৃণমূল শিবিরে যোগ দিতে চলেছেন।

Assam: ‘সাম্প্রদায়িক উস্কানি’ মন্তব্য করে গ্রেফতার কংগ্রেস বিধায়ক শেরমন আলি

Congress mla Sherman Arrested

নিউজ ডেস্ক: ‘উস্কানিমূলক মন্তব্য’ করার কারণে দল থেকে জবাবদিহি চেয়ে চিঠি দেওয়া হয়েছিল, পাত্তা দেননি কংগ্রেস (Congress) বিধায়ক শেরমন আলি আহমেদ (Sherman Ali Ahmed)। অভিযোগ, তিনি ‘সাম্প্রদায়িক উস্কানিমূলক’ মন্তব্য ছড়াচ্ছেন। সেই অভিযোগের ভিত্তিতে গ্রেফতার করা হলো অসমের এই বিধায়ককে। গুয়াহাটির পানবাজার থানার পুলিশ এমএলএ হোস্টেল থেকে তাকে গ্রেফতার করেছে।

কংগ্রেস বিধায়ককে গ্রেফতারির ঘটনায় অসমের রাজনৈতিক মহল গরম। তবে অসম প্রদেশ কংগ্রেস তাদের দলীয় বিধায়কের ‘উস্কানিমূলক মন্তব্যের’ কারণে ক্ষুব্ধ। সরকারপক্ষ বিজেপি সরাসরি কোনও মন্তব্য করতে চায়নি।

সম্প্রতি রাজ্যের দরং জেলায় গরুখুঁটি গ্রামে সংখ্যালঘুদের গ্রাম উচ্ছেদ ঘিরে বিক্ষোভ ও পুলিশের গুলি চালানো, মৃতদেহের উপর এক চিত্রগ্রাহকের নৃশংস লাফ মারা, মৃতদেহ পা দিয়ে আঘাত করা ঘিরে দেশ জুড়ে বিতর্ক চলছে। সেই চিত্রগ্রাহকও গ্রেফতার। তার বিরুদ্ধেও উস্কানিমূলক ব্যবহার করার অভিযোগ আনা হয়েছে।

আর অসমের বাঘবর বিধানসভার কংগ্রেস বিধায়ক শেরমন আলির বিরুদ্ধে অভিযোগ, তিনিও দরংয়ের প্রায় ৪০ বছর পুরনো একটি ঘটনায় ৮ জনের মৃত্যুর প্রসঙ্গ টেনে ‘সাম্প্রদায়িক মন্তব্য’ করেছেন। বিধায়কের বিরুদ্ধে বিভিন্ন থানায় অন্তত ২৮টি অভিযোগ দায়ের হয়।

বিতর্কিত মন্তব্য করার কারণে কংগ্রেসের তরফে চিঠি পাঠিয়ে কারণ জানতে চাওয়া হয়। ‘সাম্প্রদায়িক উস্কানি’ মন্তবের জন্য বিধায়ক শেরমন আলিকে ‘বিজেপির এজেন্ট’ বলেও কটাক্ষ করেছে অসম প্রদেশ কংগ্রেস। শেরমন আলি এর পরেই গ্রেফতার হন। জানা যাচ্ছে পূর্নাঙ্গ তদন্তের জন্য বিধায়ককে সিআইডির হাতে তুলে দেওয়া হবে।

Tripura: সরকারে ভাঙন? বিজেপি বিধায়ক আশিস দাস তৃণমূল ভবনে

Tripura Bjp mla ashis das

নিউজ ডেস্ক: সরকার ও মুখ্যমন্ত্রীর বিরুদ্ধে বারবার সরব হওয়া ত্রিপুরার বিজেপি বিধায়ক আশিস দাস এবার কি তৃণমূলের ঘরে? তিনি কলকাতার তৃণমূল ভবনে কেন এসেছেন ? এই প্রশ্নে সরগরম ত্রিপুরা।

মনে করা হচ্ছে, সুরমা বিধানসভার বিধায়ক আশিস দাস দ্রুত দলত্যাগ করবেন। সূত্রের খবর, অন্তত এক ডজন বিধায়ক সরকারপক্ষ ত্যাগ করতে চলেছেন। এরা সবাই বিদ্রোহী বিধায়ক বলে সুপরিচিত। তাদের দাবি ত্রিপুরার মুখ্যমন্ত্রী বিপ্লব দেব কে না সরালে জনগণের চোখে শত্রু হয়ে যেতে হবে।

বিদ্রোহী দলের নেতা ত্রিপুরার হেভিএয়েট নেতা সুদীপ রায়বর্মণ। তিনি প্রাক্তন স্বাস্থ্যমন্ত্রী। সুদীপবাবুর নেতৃত্বে গত বিধানসভা ভোটের আগে ত্রিপুরায় ততকালীন বিরোধী দল কংগ্রেস থেকে বেরিয়ে বিধায়করা তৃণমূল কংগ্রেসে গেছিলেন। পরে তারাই আবার যোগ দেন বিজেপিতে। নির্বাচনে টানা দু দশকের বামফ্রন্ট সরকারের পতন হয়। ক্ষমতায় আসে বিজেপি-আইপিএফটি জোট সরকার।

মুখ্যমন্ত্রী বিপ্লব দেবের কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে লাগাতার সরব হয়েছেন বিজেপির বহু বিধায়ক। ফলে সরকারের অভ্যন্তরে ভাঙন স্পষ্ট। আগামী বিধানসভা ভোটের আগে ত্রিপুরায় তৃণমূল কংগ্রেস নতুন করে সংগঠন তৈরিতে নজর দিয়েছে। তৃণমূল সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় আগেই জানান, চাইলে যে কোনও দিন ত্রিপুরায় সরকার ফেলে দিতে পারেন।

Haryana: গান্ধী জয়ন্তীতে অনশনরত কৃষকদের উপর লাঠি চার্জ, মুখ্যমন্ত্রীর বাড়ি ঘেরাও

haryana police use water cannon against kisan

নিউজ ডেস্ক: কেন্দ্রের কৃষি আইনের বিরোধিতা করে গান্ধী জয়ন্তীতে অনশনকারী কৃষকদের উপর জলকামান ও লাঠি চার্জের ঘটনায় প্রবল উত্তপ্ত হরিয়ানা। রাজধানী চন্ডীগড়ে মুখ্যমন্ত্রী মনোহরলাল খট্টারের বাসভবন ঘেরাও করলেন কৃষকরা। বিক্ষোভকারীরা ভেঙে দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রীর বাসভবনের নিরাপত্তা বলয়ের ব্যারিকেড।

বিক্ষোভের এই ছবি ও সংবাদ হরিয়ানা থেকে হু হু করে ছড়িয়েছে উত্তরপ্রদেশ, দিল্লি, পাঞ্জাব, হিমাচল প্রদেশ সহ দেশ জুড়ে। উত্তপ্ত হরিয়ানার কারনাল। পার্শ্ববর্তী উত্তর প্রদেশের বিভিন্ন গ্রামাঞ্চলে বিক্ষোভ ছড়াতে শুরু করেছে।

বিক্ষোভকারী কৃষকদের অভিযোগ, আন্দোলন দমাতে হরিয়ানার বিজেপি সরকার ধান কেনার সময় দশ দিন পিছিয়ে দিয়েছে। এর ফলে বৃষ্টিতে ধান নষ্ট হওয়ার প্রবল আশঙ্কা। বিক্ষোভকারী কৃষকরা সকাল থেকেই হরিয়নার বিভিন্ন এলাকার সংশ্লিষ্ট প্রশাসনিক কেন্দ্রগুলির দিকে মিছিল করে আসতে থাকেন।

মিছিল আটকে দিয়ে পুলিশের তরফে অনুরোধ জানানো হয় এভাবে মুখ্যমন্ত্রী ও অন্যান্য মন্ত্রীদের বাসভবনের দিকে যাওয়া যাবে না। উত্তেজিত কৃষকরা পুলিশের ব্যারিকেডের উপর ঝাঁপিয়ে পড়েন। শুরু হয় ধুন্ধুমার পরিস্থিতি। পুলিশ লাঠি চালায়। পরে জলকামান চার্জ করে। মুখ্যমন্ত্রী মনোহরলাল খট্টারের বিরুদ্ধে সংযুক্ত কিষান মোর্চার অভিযোগ, তিনি কৃষকদের দাবিকে মান্যতা দিচ্ছেন না।

পূর্ব ঘোষিত কর্মসূচি অনুসারে সংযুক্ত কিষান মোর্চা (SKM) ও সারা ভারত কৃষকসভা (AIKS) নেতৃত্বে জাতির জনক মহাত্মা গান্ধীর জন্ম জয়ন্তীর দিন অনশন পালন চলছে। কৃষি আইন বাতিলের দাবিতে অনড় লক্ষ লক্ষ কৃষক। কৃষকসভার সাধারণ সম্পাদক তথা উলুবেড়িয়ার প্রাক্তন সিপিআইএম সাংসদ হান্নান মোল্লা জানিয়েছেন, দিনভর অনশন কর্মসূচি চলবে।

সংযুক্ত কিষান মোর্চা জানিয়েছে, গান্ধী জয়ন্তীর দিন স্বাধীনতা আন্দোলনের অন্যতম কেন্দ্র বিহারের চম্পারণ থেকে উত্তর প্রদেশের বারাণসী পর্যন্ত পদযাত্রা শুরু হবে। টানা ১৮ দিনের এই পদযাত্রায় ওডিশা, বিহার, উত্তর প্রদেশ থেকে কৃষকরা অংশ নেবেন। প্রধানমন্ত্রী মোদীর সংসদীয় কেন্দ্র বারাণসীতেই হবে বিক্ষোভ।

মহাত্মার অনুগত জিডি বিড়লা আপত্তি তুলেছিলেন গান্ধী স্মৃতি গড়ায়

Gandhi Smriti

বিশেষ প্রতিবেদন: দিল্লিতে অবস্থিত গান্ধী স্মৃতি (Gandhi Smriti) নামে যে মিউজিয়ামটি গড়ে উঠেছে সেটি এক সময় ছিল বিড়লা হাউস বা বিড়লা ভবন৷ এই বাড়িটিতেই ১৯৪৭ সালের ৯ সেপ্টেম্বর থেকে জাতির জনক মহাত্মা গান্ধী (Mahatma Gandhi) জীবনের শেষ ১৪৪টি দিন কাটিয়েছিলেন৷ ১৯৪৮ সালের ৩০ জানুয়ারি বিড়লা পরিবারের ওই ভবন চত্বরেই নাথুরাম গডসে-র গুলিতে মৃত্যু হয় মহাত্মার৷ 

তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী জহরলাল নেহরু চেয়েছিলেন বাপুজীর স্মৃতি বিজড়িত ওই ভবনেই গড়ে উঠুক তাঁর স্মৃতি মন্দির৷ কিন্তু সেইসময় সে বিষয়ে বাদ সেধেছিলেন গান্ধীর অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ বিড়লা গোষ্ঠীর কর্তা ঘনশ্যাম দাস বিড়লা৷ আর এ নিয়ে কিছুটা মতবিরোধ দেখা গিয়েছিল জিডি-র সঙ্গে নেহরুর৷ সে কথা উল্লেখ রয়েছে ডঃ প্রজ্ঞারামের লেখা The Voice of the Mahatama তে ৷

১৯২৮ সালে দিল্লিতে ১২ শয্যা বিশিষ্ট ওই বাড়িটি গড়েছিলেন শিল্পপতি ঘনশ্যামদাস বিড়লা৷ গান্ধীজির নিয়মিত যাতায়াতে এই বিড়লা হাউস যেন হয়ে উঠেছিল তাঁর বাড়ি ৷ শুধু গান্ধীজিকে ঘিরে আরও অনেক রাজনৈতিক নেতাকেই সেই সময় আসতে দেখা যেত ওই ভবনে৷ স্বাভাবিক ভাবেই গান্ধীজির মৃত্যুর পরে প্রধানমন্ত্রী নেহরু চেয়েছিলেন গান্ধীর স্মৃতি জড়িয়ে থাকা এই বাড়িটিকে জাতীয় সৌধ রূপে গড়ে তুলতে৷ সেই মতো তিনি বিড়লা পরিবারের কাছে প্রস্তাব দেন৷ কিন্তু সেই প্রস্তাব গ্রহণযোগ্য মনে হয়নি বিড়লাদের৷ কারণ তারই জবাবে জিডি বিড়লা নেহরুকে লিখেছিলেন, এই বাড়ি স্মৃতির ভাণ্ডার যা তাঁর কাছে একটি বইয়ের মতো হয়ে রয়েছে যা স্মরণ করে তিনি গভীরভাবে উপভোগ করেন৷ ফলে সরকারের পক্ষ থেকে তখন পরামর্শ ছিল যেখানে মহাত্মা নিহত হয়েছিল ভবনের সেই অংশটি গান্ধীজীর স্মৃতিতে হস্তান্তর করা হোক৷

কিন্তু তখন সেটাও মানতে পারেননি জিডি বিড়লা৷ তিনি জবাবে জানিয়েছিলেন, এটা যেন কাউকে বলা হচ্ছে সন্তানকে কেটে দু’ ভাগ করে একটি অংশ রেখে দিয়ে অন্য অংশ দিয়ে দিতে বলা৷ তবে ওই জায়গাটা দেওয়ার জন্য বিড়লা পরিবারের উপর অনবরত চাপ দেওয়া হতে থাকে৷ যদিও বল্লভভাই প্যাটেল এইভাবে বাড়িটিকে অধিগ্রহণের বিরোধিতা করেছিলেন৷ তখন তাঁর বক্তব্য ছিল, এমনটা করা মানে গান্ধীজি এবং জিডি বিড়লার অনুভূতিকে মর্যাদা না দিয়ে বরং খারাপ ভাবে জোরজবরদস্তি করা হচ্ছে৷ পরে প্যাটেলের মৃত্যু হলেও ওই বাড়ি নিয়ে টানাপোড়েন শেষ হয় না৷

সময়ের তালে প্রধানমন্ত্রীরও পরিবর্তন হয় এদেশে৷ জহরলাল নেহরুর জমানা শেষ হয়ে লাল বাহাদুর শাস্ত্রীর পরে ইন্দিরা গান্ধীর জমানা শুরু হয়৷ তবে এই বিষয়টি নিয়ে বিড়লা পরিবারের উপর ক্রমাগত চাপ দেওয়ার পাশাপাশি চলছিল ভবনটির দাম নিয়ে দরাদরি করা৷ অবশেষে বিড়লাদের কাছ থেকে সরকার ৫৪ লক্ষ টাকায় এই বাড়িটি কিনে নেয়৷ ১৯৭১ সালের ২ অক্টোবর কিছুটা অনাড়ম্বর অনুষ্ঠানের মাধ্যমে বিড়লা ভবনটি গান্ধী সদনে পরিণত করতে তুলে দেওয়া হয় তৎকালীন রাষ্ট্রপতি ভিভি গিরির হাতে৷

তখন জিডি বিড়লার পরিবার এই বাড়ি ছেড়ে বসন্ত কুঞ্জে একটি ভাড়া বাড়িতে বাস করতে থাকেন, যতদিন না পর্যন্ত অমৃতা শেরগিল মার্গে নতুন বাংলো ‘মঙ্গলম’ গড়ে ওঠে৷ কালের স্রোতে এই বিড়লা হাউসটি জাতীয় সৌধ হিসেবে গড়ে ওঠে এবং নাম হয় গান্ধী স্মৃতি এবং দর্শন সমিতি৷

১৯৭৩ সালের ১৫ অগস্ট থেকে এই ভবনটি সাধারণের পরিদর্শনের জন্য খুলে দেওয়া হয়৷ সেখানে সংগৃহীত রাখা রয়েছে গান্ধীর জীবন ও মৃত্যুর সঙ্গে জড়িত নানা সামগ্রী৷ ২০০৫ সালে এখানে গান্ধীকে ভিত্তি করে একটি মাল্টিমিডিয়া মিউজিয়ামের উদ্বোধন করা হয়েছে৷

(উপরের অংশটি সিদ্ধার্থ মুখোপাধ্যায়ের লেখা ‘সওদাগরের দোসর’ বইটির অংশ বিশেষ ৷ বইটির প্রকাশক সৃষ্টিসুখ ৷ মূল্য ১৬০টাকা ৷)

DYFI রাজ্য সম্মেলনে সাধারণ যাত্রী হয়ে আসছেন চারবারের মুখ্যমন্ত্রী মানিক সরকার

ordinary passenger Ex cm of tripura manik sarkar

নিউজ ডেস্ক: সম্মেলন মঞ্চের প্রস্তুতি দেখনদারি। তবে দলটাই যে বিধানসভায় শূন্য হয়ে গেছে। রাজ্যের কোনও লোকসভাতেই নেই। এমনই অবস্থায় সিপিআইএমের যুব সংগঠন ডিএয়াইএফআইয়ের (DYFI) ১৯ তম রাজ্য সম্মেলন হচ্ছে উত্তর দিনাজপুরের রায়গঞ্জে (Raiganj)।

সম্মেলনের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের প্রধান বক্তা ত্রিপুরার চারবারের মুখ্যমন্ত্রী তথা বর্তমান বিরোধী দলনেতা মানিক সরকার (Manik Sarkar)। তিনি রায়গঞ্জে আসছেন এমন একটি ছবি প্রকাশ হয়েছে। তাতে দেখা যাচ্ছে সিপিআইএম(CPIM) পলিটব্যুরো সদস্য মানিকবাবু তাঁর ‘যুব কমরেড’ দের আহ্বানে ট্রেনে আগরতলা থেকে রায়গঞ্জে আসছেন। সঙ্গে আছেন ত্রিপুরার বাম যুবকর্মীরা।

Manik sarkar

মানিক সরকারের এমন ছবি দেখে বাম সমর্থক তো বটেই বিভিন্ন রাজনৈতিক দলে পড়েছে বিপুল সাড়া। প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী তাঁর সরকারি সুবিধা অনুযায়ী আগরতলা থেকে বিশেষ ব্যবস্থায় আসতে পারতেন, কিন্তু দলীয় সহকর্মীদের সঙ্গে খোশগল্প করতে করতে ট্রেনে আসছেন এ দৃশ্য রীতিমতো বিরল।

শনিবার রায়গঞ্জের রেল ময়দানে ডিওয়াইএফআই রাজ্য সম্মেলনে মানিক সরকার প্রধান বক্তা। তিনি এই মুহূর্তে ক্ষয়িষ্ণু বাম দলগুলির কাছে ‘আইকন’। আসন্ন ত্রিপুরা বিধানসভা ভোটে তাঁকে মুখ করেই ফের রাজ্যটি পুনর্দখলে ঝাঁপাবে সিপিআইএম।

DYFI

টানা ২৫ বছর ত্রিপুরায় বামফ্রন্ট সরকার ছিল। গত বিধানসভা ভোটে সে রাজ্যে বাম সরকারের পতন হয়। কুড়ি বছরের টানা মুখ্যমন্ত্রী মানিক সরকার হন বিরোধী নেতা।

ডিওয়াইএফআই জানিয়েছে, সম্মেলনের লোগো উদ্বোধন করেছেন বিশিষ্ট অভিনেতা সব্যসাচী। তিনিও সম্মেলনের জন্য শুভেচ্ছা পাঠিয়েছেন।

DYFI

অনুষ্ঠানের অন্যতম আকর্ষণ হতে চলেছেন বাম যুব সংগঠনটির রাজ্য সভানেত্রী মীনাক্ষী মুখার্জি (Minakshi Mukherjee)। গত বিধানসভা ভোটে তিনি নন্দীগ্রাম কেন্দ্রে সংযুক্ত মোর্চার সিপিআইএম প্রার্থী হয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee) ও শুভেন্দু অধিকারীর বিরুদ্ধে লড়াই করেন। পরাজিত হলেও মীনাক্ষীর প্রচার নন্দীগ্রাম সহ রাজ্য জুড়ে প্রবল আলোড়ন ফেলেছিল।

Meghalya: কংগ্রেস ভেঙে বিরোধী দলের মর্যাদা পেতে মরিয়া মমতা

Manata Banerjee

নিউজ ডেস্ক: পশ্চিমবঙ্গ শাসনের বাইরে অন্য রাজ্যে প্রথম বড়সড় সাফল্যের মুখ মেঘালয়েই (Meghalya) দেখতে চলেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Manata Banerjee)। উত্তর পূর্ব ভারতের মেঘালয়ের বিরোধী দল হতে চলেছে তৃণমূল কংগ্রেস (TMC)। এই রাজ্যের বিরোধী দল কংগ্রেসের (INC) বিধায়করা প্রায় পুরোটাই তৃণমূলে সামিল হয়ে যাচ্ছেন।

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে সন্ধি করে মেঘালয়ের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মুকুল সাংমা অন্তত ১৩ জন বিধায়ক নিয়ে তৃণমূলে যোগ দিতে তৈরি। মেঘালয় প্রদেশ কংগ্রেস ভবনের নাম কি পাল্টে যাবে? এও প্রশ্ন উঠতে শুরু করল।

২০১০ থেকে ২০১৮ পর্যন্ত মেঘালয়ের মুখ্যমন্ত্রী ছিলেন মুকুল সাংমা। তিনি এখন বিরোধী দলনেতা।ক্ষমতায় আছে এনপিপি (NPP)। মুখ্যমন্ত্রী কনরাড সাংমা। সরকারের শরিক দল বিজেপি।

এক নজরে মেঘালয় বিধানসভার অংক
মোট সদস্য সংখ্যা ৬০
সরকার পক্ষে আছেন ৩৮ জন
এনপিপি ২১
বিজেপি ২
বাকি শরিক দল ১৫
বিরোধী পক্ষে আছেন ১৯ জন
কংগ্রেস ১৭
অন্যান্য ২
৩টি আসন শূন্য।
বিরোধী নেতা মুকুল সাংমা তৃণমূল কংগ্রেসে যোগ দিলে তাঁর নেতৃত্বে টিএমসি বিরোধী দলে পরিনত হবে।

মেঘালয়ের রাজনীতিতে টিএমসির আচমকা প্রবেশে উত্তর পূর্বের ত্রিপুরায় প্রবল চাঞ্চল্য। কারণ, পশ্চিমবঙ্গে তিনবার সরকার গড়ার পর বাংলাভাষী প্রধান ত্রিপুরা বিধানসভার ভোটে ঝাঁপিয়েছে তৃণমূস কংগ্রেস। এ রাজ্যে গত বিধানসভা ভোটের আগে তৎকালীন বিরোধী দল কংগ্রেস থেকে বিধায়করা তৃণমূলে যোগ দেন। ত্রিপুরায় বিরোধী দল হয়েছিল তৃণমূল। পরে সেই বিধায়করা বিজেপিতে যান। নির্বাচনে টানা ২৫ বছরের বামফ্রন্ট সরকারের পতন হয়। সরকার গড়ে বিজেপি। আসন্ন ত্রিপুরা বিধানসভা ভোটের আগে বিজেপি বিধায়কদের বড় অংশ ফের তৃণমূল কংগ্রেসে ফিরছেন বলে প্রবল গুঞ্জন।