Khargpur: খড়্গপুর বিধানসভা হাতছাড়া হচ্ছে বিজেপির, তালিকায় শিলিগুড়ি

Hiran Chatterjee

নিউজ ডেস্ক: উত্তর থেকে দক্ষিণ কোথাও যেন স্বস্তি নেই বিরোধী দলের। শুক্রবার রায়গঞ্জের বিধায়ক কৃষ্ণ কল্যানী দল ছাড়লেন। তিনি বিজেপি ত্যাগ করতেই এবার গুঞ্জন পশ্চিম মেদিনীপুরের খড়্গপুর ঘিরে। বিধায়ক হিরন চট্টোপাধ্যায় (Hiran Chatterjee) দলত্যাগ করতে চলেছেন।

হিরন তৃণমূল কংগ্রেসে ফিরে আসছেন বলেই মনে করা হচ্ছে। জানা গিয়েছে ঘনিষ্ঠ মহলে বিজেপি সাংসদ তথা প্রাক্তন রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষের বিরুদ্ধে ক্রমাগত ক্ষোভ উগরে দিচ্ছেন তিনি। তৃ়নমূল ছেড়ে বিজেপিতে এসে বিধায়ক হন হিরন। তবে দলে তেমন কাজের সুযোগ নেই বলে জানাচ্ছেন তিনি। এর আগে তৃণমূল ছাড়ার পর বলেছিলেন দলে কাজ করতে পারছিলাম না।

সূত্রের খবর, হিরনকে তৃণমূলে ফিরে আসার বিষয়ে পরামর্শ দিয়েছেন বাবুল সুপ্রিয়। প্রাক্তন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী বাবুল নিজেও বিজেপি ছেড়ে টিএমসি হয়েছেন।

এদিকে জানা যাচ্ছে, শিলিগুড়ির বিধায়ককেও হারাতে চলেছে বিজেপি। বিধায়ক শংকর ঘোষ তৃণমূলে যাচ্ছেন বলেই তুমুল আলোচনা। ভোটের আগে শংকর ঘোষ সিপিআইএম ছেড়ে বিজেপিতে যান। গুরু তথা প্রাক্তন পুর ও নগরোন্নয় মন্ত্রী অশোক ভট্টাচার্যকে পরাজিত করেন। তবে শিষ্যের সঙ্গে অশোকবাবুর সুসম্পর্ক রয়েছে।

দুর্গাপূজার পর রাজ্য বিজেপিতে ধ্বস নামতে চলেছে। এমনই আশঙ্কা খোদ বিজেপির অন্দরে। দু ডজন বিধায়ক দলত্যাগ করবেন বলেই মনে করা হচ্ছে। শুক্রবার বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী জানান, কে দলত্যাগ করল তাতে বিজেপির কিছু ক্ষতি হবে না। সাংগঠনিকভাবে দল থাকবেই। শুভেন্দুবাবু নিজে ভোটের আগে তৃ়নমূল ছেড়ে বিজেপিতে যোগ দেন। নন্দীগ্রাম কেন্দ্রে তিনি মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে পরাজিত করেন।

Politics: উত্তরে TMC ‘হানা’, রায়গঞ্জের BJP বিধায়কের দলত্যাগ

raiganj bjp mla krishna kalyani

নিউজ ডেস্ক: চিঠিতে দলবিরোধী মন্তব্য করা থেকে নিষেধ করা হয় রাজ্য বিজেপির তরফে। বৃহস্পতিবার সেই চিঠি পাওয়ার পরেই শুক্রবার দলত্যাগ করলেন উত্তর দিনাজপুরের রায়গঞ্জের বিধায়ক কৃষ্ণ কল্যাণী। তাঁর দলত্যাগের পরেই রায়গঞ্জে তৃণমূল কংগ্রেস শিবিরে শুরু হয়েছে তাঁকে বরণের প্রস্তুতি।

বিধায়ক কৃষ্ণ কল্যাণী বিজেপির রাজ্য নেতৃত্বের বিরুদ্ধে একরাশ ক্ষোভ উগরে দিয়েছেন। শুক্রবার সাংবাদিক বৈঠক করে তিনি দলত্যাগের কথা জানান। আগেই দলের সমস্ত কর্মসূচি থেকে নিজেকে সরিয়ে নিয়েছিলেন।
ক্রমাগত বিজেপি বিরোধী সুর চড়াচ্ছিলেন কৃষ্ণবাবু। রায়গঞ্জের সাংসদের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে দেন। দল ছাড়লেও তৃণমূল কংগ্রসে যোগদানের বিষয়ে নীরব কৃষ্ণ কল্যানী। তাঁর নীরবতা সম্মতির লক্ষণ বলে ধরে নিয়েছে তৃণমূল শিবির।

টিএমসির অন্দরমহলে গুঞ্জন, বিধায়ক দলত্যাগ করতেই উত্তরবঙ্গে বিরোধী দলের অভ্যন্তরে টিএমসি হানা জোরদার শুরু হলো। সূত্রের খবর, কোচবিহার, আলিপুরদুয়ার, সহ উত্তরবঙ্গের একাধিক বিজেপি বিধায়ক দ্রুত দলত্যাগ করতে চলেছেন।

সূত্রের আরও খবর, উত্তরবঙ্গের রাজধানী শিলিগুড়ির বিজেপি বিধায়ক শংকর ঘোষ তৃণমূল কংগ্রেসে যোগ দেবেন। নির্বাচনের আগে তিনি সিপিআইএম ছেড়ে বিজেপিতে যোগ দেন। ভোটে নিজের রাজনৈতিক গুরু প্রাক্তন পুর ও নগরোন্নয়ন মন্ত্রী অশোক ভট্টাচার্যের পরাজয় হয়। তাৎপর্যপূর্ণ, অশোকবাবু একেবারে তিন নম্বরে চলে যান। তবে শিষ্য শংকর ঘোষের সঙ্গে অশোক ভট্টাচার্যের সুসম্পর্ক এখনও।

Mamata Banerjee: ভবানীপুরে টার্গেট ‘১ লাখ মার্জিন’, মমতা শিবিরে চিন্তার মেঘ

West Bengal Chief Minister and TMC supremo Mamata Banerjee

নিউজ ডেস্ক: উপনির্বাচনে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে এক লাখ ভোটের মার্জিনে জেতানোর টার্গেট রেখেছে শাসকপক্ষ। তৃ়ণমূল কংগ্রেস শিবিরের তাবড় তাবড় সেনাপতিরা প্রচার ও ভোটের দিন ভবানীপুরে মাটি কামড়ে পড়ে আছেন।

বেলা যত গড়াচ্ছে তত বাড়ছে টেনশন। টার্গেট ছোঁয়া যাবে তো এই চিন্তা এখন শাসক শিবিরে। কারণ ভবানীপুর কেন্দ্রে ভোট পড়ার হার ততটা উল্লেখযোগ্য নয়। ফলে তৃণমূল নেতৃত্বের ঘাড়ে শেষ বেলায় ভোটারদের বুথমুখী করানোর বাড়তি দায়িত্ব পড়েছে।

এরই মাঝে বিরোধী বিজেপির মারাত্মক দাবি, ফলাফল বলে দেবে এই রাজ্যে নতুন মুখ্যমন্ত্রী হতে চলেছে। বিজেপি নেতা শিশির বাজোরিয়া এক সংবাদ মাধ্যমে একথা বলেন। তিনি বিজেপি প্রার্থী প্রিয়াঙ্কা টিবরেওয়ালের উপর কিছু টিএমসি সমর্থকের হামলার নিন্দা করেন।

ভবানীপুর কেন্দ্র তৃণমূল কংগ্রেসের সেফ সিট বলে চিহ্নিত। এই কেন্দ্রের প্রাক্তন বিধায়ক মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বিধানসভা ভোটে তিনি ভবানীপুর ছেড়ে নন্দীগ্রামে দাঁড়িয়ে পরাজিত হন। তবে টিএমসি সরকার গড়ে। মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে মমতা থাকলেও তাঁকে বিধায়ক হতেই হবে। সেই সূত্রে ভবানীপুরের বিধায়ক শোভনদেব চট্টোপাধ্যায় পদত্যাগ করেন। আসনটিতে উপনির্বাচন হচ্ছে।

ভবানীপুরে মমতার প্রেস্টিজ ফাইট। তিনি স্বাধীনতা পরবর্তী পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভায় একমাত্র মুখ্যমন্ত্রী যিনি হেরে গিয়েও পদে আছেন দল জিতে যাওয়ায়। ফলাফল বিপরীত হলে তাঁর রাজনৈতিক জীবনে বিরাট ধাক্কা লাগবে। মমতা প্রচারে জানিয়েছিলেন, আমাকে জেতান না হলে অন্য মুখ্যমন্ত্রী পাবেন।

Mamata Banerjee: নজিরবিহীন ‘পরাজিত’ মুখ্যমন্ত্রীর টেনশনের ভোট পরীক্ষা

mamata banerjee

নিউজ ডেস্ক: বঙ্গ রাজনীতিতে লেখা থাকল বৃহস্পতিবার, ৩০ সেপ্টেম্বর তারিখ। ভারত স্বাধীন হওয়ার পর থেকে বা অবিভক্ত বাংলা প্রদেশের রাজনীতি ধরলেও এই প্রথম এক শাসক যিনি নিজে পরাজিত হয়ে পুনপায় জয়ের জন্য মরিয়া লড়াই শুরু করেছেন। অভূতপূর্ব উপনির্বাচন চলছে রাজ্যে।

কেন্দ্র ভবানীপুর। তৃণমূল কংগ্রেস প্রার্থী মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee)। যিনি ফল ঘোষণার দিনের জন্য প্রবল টেনশনে। নিজের প্রচারের ভাষণে ঝরে পড়েছে সেই টেনশন। বলেছিলেন, আমাকে জেতান, না হলে অন্য কাউকে মুখ্যমন্ত্রী করতে হবে।

mamata banerjee

বি়ধানসভা ভোটে পূর্ব মেদিনীপুরের নন্দীগ্রাম কেন্দ্রে লড়াই করেন মমতা। পরাজিত হন। জয়ী বিজেপির শুভেন্দু অধিকারী একদা ছায়াসঙ্গী তবে দলবদলে নেন ভোটের আগে। তিনি এখন বিরোধী দলনেতা।

মমতা হারলেও টিএমসি বিপুল শক্তি নিয়ে সরকার গড়েছে। মুখ্যমন্ত্রী পদে থেকেছেন মমতা। কিন্তু নির্বাচন কমিশনের নিয়মে জয়ী বিধায়ক হতে হবে। ফলে তাঁরই পুরনো কেন্দ্র ভবানীপুরের বিধায়ক শোভনদেব চট্টোপাধ্যায় বিধায়ক পদ ছেড়ে দেন। সেফ সিট হিসেবে টিএমসি মমতা কে এই কেন্দ্রে প্রার্থী করেছে।

বঙ্গ রাজনীতির এমন নজিরবিহীন মুহূর্ত আগে আসেনি। সেই মুহূর্ত দেখছেন রাজ্যবাসী। উপনির্বাচন হচ্ছে মুর্শিদাবাদের সামসেরগঞ্জ ও জঙ্গিপুর কেন্দ্রে। তবে সবই ভবানীপুরের কাছে ম্লান।কারণ সেখানে মমতা নিজে লড়ছেন। তাঁর সামনে দুটি রাস্তা খোলা। হয় জয় নয় বিদায়।

Bihar: কানহাইয়াকে নিয়ে ‘ক্রাইসিস’, তীব্র শোরগোল কংগ্রেস ভবনে

kanhiya kumar

নিউজ ডেস্ক: পাটনায় সিপিআই (CPI) বিহার রাজ্য দফতর থেকে যে ছেলে এসি মেশিন খুলে আনতে পারে, সে ‘ডেঞ্জারাস’। তাকে কংগ্রেসের (INC) দায়িত্ব দেওয়া হলে বিদ্রোহ তুঙ্গে উঠবে এমনই বার্তা আসছে রাহুল গান্ধীর (Rahul Gandhi) কাছে। সবের মূলে সদ্য সিপিআই (CPI) ত্যাগ করে কংগ্রেসে (INC) যোগ দেওয়া কানহাইয়া কুমার (Kanhiya Kumar)। সূত্রের খবর, তাঁকেই বিহার প্রদেশ কংগ্রেসের বড় দায়িত্ব দিতে চলেছেন রাহুল গান্ধী।

কানহাইয়া কুমার বিহার প্রদেশ কংগ্রেসের সভাপতি হতে পারেন এমনই গুঞ্জন রটেছে পাটনার রাজনৈতিক মহলে। এর পর থেকেই বিদ্রোহের আগুন ধিকি ধিকি করে জ্বলতে শুরু করেছে। যদিও বিহার ও কেন্দ্রীয় সিপিআই নেতারা মনে করছেন, কংগ্রেসে যোগ দিয়ে রাজ্যসভায় যেতে চান কানহাইয়া। তাঁর পক্ষে কমিউনিস্ট পার্টির হয়ে দীর্ঘ সময় রাজনীতি চালানোর ধৈর্য্য নেই।

লোকসভা ভোটের আগে বিজেপি ছেড়ে কংগ্রেসে যোগ দেওয়া অভিনেতা ও প্রাক্তন সাংসদ শত্রুঘ্ন সিনহা দলকে আক্রমণ করতে শুরু করেছেন। তাঁর দাবি, কী করে কানহাইয়াকে কংগ্রেসে স্থান দিলেন রাহুল গান্ধী। অভিযোগ, কানহাইয়াকে বিহার প্রদেশ কংগ্রেসের সভাপতি পদ দেওয়া হলে অনেকেই মানতে পারবেন না।

 kanhiya kumar with Rahul gandhi

এমনিতেই কংগ্রেসের অভ্যন্তরীণ জট বিহারে প্রবল। বিধানসভা ভোটে আরজেডি (RJD) ও বামেদের সঙ্গে মহাজোট করেও তেমন কিছু সুবিধা হয়নি। বরং মহাজোটের দ্বিতীয় বৃহত্তম দল হিসেবে সিপিআই (এম-এল) লিবারেশন (CPIML) বিরাট সফল হয়েছে। লিবারেশেনের অভিযোগ, কংগ্রেসকে বেশি আসন দেওয়ার থেকে বামেদের আসন দিলে মহাজোট সরকার গড়তে পারত। নির্বাচনে বিহারে বাম দলগুলি বিশেষ করে সিপিআই (এম-এল) একশ শতাংশের বেশি স্ট্রাইক রেট নিয়ে দেশে নজির গড়ে। বাকি দুই বাম দল সিপিআই (CPI) সিপিআইএম (CPIM) কিছু আসন পায়। মহাজোটের স্টার প্রচারক ছিলেন ততকালীন সিপিআই নেতা কানহাইয়া কুমার।

নির্বাচন পরবর্তী বিহারে মহাজোটের কংগ্রেস ম্রিয়মান। কোনঠাসা কংগ্রেসকে চাঙ্গা করতে সদ্য দলে আসা কানহাইয়া কুমারের মতো জনপ্রিয় মুখ ও বক্তাকে হাতিয়ার করতে চাইছেন রাহুল গান্ধী। মনে করা হচ্ছে তাঁর মূল লক্ষ্য আসন্ন উত্তর প্রদেশ বিধানসভা ভোটে কানহাইয়াকে দিয়ে প্রচার। সূত্রের খবর, এআইসিসি ঠিক করেছে, পাটনার প্রদেশ কংগ্রেস ভবনে বড় পোর্টফোলিও দেওয়া হবে কানহাইয়া কুমারকে।

কানহাইয়া কংগ্রেসে সামিল হতেই কংগ্রেসের হয়ে জবরদস্ত ভাষণ দেওয়া শত্রুঘ্ন সিনহার হুঙ্কার শুরু হয়েছে। এর জেরে বিহার প্রদেশ কংগ্রেসে এখন পাঞ্জাবের মতো বিদ্রোহ পরিস্থিতি। পাটনা কংগ্রেস কার্যালয়ে বিদ্রোহী নেতাদের দাবি ‘নেহি চলেগা কানহাইয়া’। যাঁকে নিয়ে বিতর্ক সেই তুখোর বক্তা নীরব। তেমনই নীরব রাহুল গান্ধী।

ভবানীপুরে ‘হাওয়া গরম’ বুঝছে কমিশন, নির্বিঘ্নে ভোট করানো চ্যালেঞ্জ

by election politics tension spreading in bheanipur

নিউজ ডেস্ক: বিরোধী দল বিজেপির অভিযোগ লোক ঢোকাচ্ছে তৃণমূল। তৃতীয় পক্ষ বামেদের অভিযোগ, ভবানীপুর ও সংলগ্ন এলাকার বিভিন্ন অনুষ্ঠান বাড়ি, হোটেল বুকিং করা হয়েছে। কেন এত বুকিং? শাসক টিএমসির টার্গেট মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে এক লক্ষ ভোটের ব্যবধানে জেতানো। সবমিলে উপনির্বাচনের হাওয়া গরম। নির্বাচন কমিশন নির্বিঘ্নে ভোট করানোর চেষ্টা করছে।

একটি মাত্র কেন্দ্র তাতেই গলদঘর্ম কমিশনের। নির্বাচনের দিন যে কোনওরকম অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে কুইক রেষপন্স টিম থাকবে। কিন্তু কুইক রেসপন্স হবে কি ?.প্রশ্ন বিরোধী দল বিজেপির।

ভবানীপুর বিধানসভা কেন্দ্র বিধানসভা ভোটে তৃণমূল কংগ্রেসের দখলেই গিয়েছে। বিধায়ক হয়েছিলেন শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়। কিন্তু পূর্ব মেদিনীপুরের নন্দীগ্রাম কেন্দ্রে হেরে যান মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তবে টিএমসি তিনবার টানা সরকার ধরে রাখে। মুখ্যমন্ত্রী পদে থাকতে বিধায়ক হতে হবে মমতাকে। তাঁকে ভবানীপুর ছেড়ে দেন শোভনদেব।

by election politics tension spreading in bheanipur

উপনির্বাচন ঘিরে টানটান পরিস্থিতি। বিরোধী বিজেপি, তিন নম্বরে থাকা বামফ্রন্টের প্রচারে বাধার ঘটনায় বারবার উত্তপ্ত হয়েছে ভবানীপুর। তৃণমূল কংগ্রেসের অভিযোগ, উপনির্বাচনে হাওয়া গরম করতে চাইছে বিরোধীরা।

টিএমসি সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় দলীয় কর্মীদের কাছে এক লক্ষ ভোটে জয়ের টার্গেট বেধে দিয়েছেন। অভিযোগ, এই টার্গেট পূরণ করতে বহিরাগতদের আনাচ্ছে শাসকদল।

শাসক বিরোধী রোষের ভবানীরুরের সব বুথে ঝামেলা হওয়ার আশঙ্কা কমিশনের। ভোট পর্ব ঘিরে বিক্ষিপ্ত অশান্তি হবে ধরে নিয়েই নিজেদের প্রস্তুত রাখছে কমিশন। কেন্দ্রীয় বাহিনীর উপস্থিতি, সশস্ত্র পুলিশ, কুইক রেসপন্স টিম, সিসিটিভি নিয়ে ভোটদানের নিরাপত্তা থাকলেও ভবানীপুরবাসী নিশ্চিত কিছু একটা হবেই। কারণ হাওয়া বেশ গরম

Bihar: ‘আব কেয়া বানসুরি বাজয়াগা কানহাইয়া?’ বেগুসরাই উত্তাপহীন

kanhaiya kumar

নিউজ ডেস্ক: সর্বভারতীয় সংবাদ মাধ্যমের ব্রেকিং দেখেও চমকে যাচ্ছেনা বিহার (Bihar) তথা দেশের অন্যতম আলোচিত রাজনৈতিক এলাকা বেগুসরাই (Begusarai)। সিপিআই (CIP) জেলা কার্যালয়ে তেমন হেলদোল নেই। যে টেবিলে বসে রাজনৈতিক ঝড় তুলতেন কানহাইয়া কুমার (Kanhaiya Kumar ) সেখানে গুটিকয়েক পুরনো পোড়খাওয়া নেতা বসে, আছে কিছু নতুন যুব কর্মী।

শুধু সিপিআই দলীয় দফতরের বাইরে একের পর এক সংবাদ মাধ্যমের প্রতিনিধিরা বাইক রেখে এক্সক্লুসিভ বাইট নিতে মরিয়া। এই সবের কেন্দ্রে কানহাইয়া কুমার, যিনি সদ্য কমিউনিস্ট পার্টি (CPI) ত্যাগ করে কংগ্রেসে (INC) যোগ দিয়েছেন।

আরও পড়ুন: Politics: নেহরু থেকে কানহাইয়া, কংগ্রেসের ‘বাম’ নেতারা বরাবর সুপারহিট

‘জিসকা যানা থা ওহ চলা গেয়া, কোই ফরক নেহি পড়তা। কানহাইয়া সে পহলে সিপিআই থা, উসকে বাদ ভি রহেগা।’ (যার যাওয়ার সে চলে গেছে। কানহাইয়ার আগেও সিপিআই ছিল, ওর পরেও থাকবে)। সর্বভারতীয় সংবাদ মাধ্যমে স্পষ্ট জানিয়ে দিলেন সিপিআই বিহার রাজ্য পরিষদের নেতা তথা বেগুসরাই জেলা সম্পাদক অবধেশ রায়।

কানহাইয়ার সিপিআই ছেড়ে যাওয়া কেমন দেখছেন? অবধেশ রায় জানান, দু:খজনক ঘটনা। কানহাইয়া মার্কসবাদ থেকে সামন্ততান্ত্রিক পুঁজিবাদের পক্ষে গেলেন। তবে সিপিআই যে সমাজ পরিবর্তনের নীতি নিয়ে চলছে তেমনই চলবে।

বেগুসরাই এমন এক জায়গা, যেটি দীর্ঘ সময় ধরে বাম রাজনীতির কেল্লা বলে পরিচিত। বারবার এই কেন্দ্রে সিপিআই জয়ী হয়েছে। বারবার এখানে সিপিআই পরাজিত হয়েছে। বিহারের জমি ভিত্তিক আন্দোলন, জাতপাত ভিত্তিক রাজনীতির মধ্যে বেগুসরাই বিশেষ চিহ্নিত।

আরও পড়ুন: Explained: পঞ্জাব কংগ্রেস থেকে নভজ্যোৎ সিং সিধুর পদত্যাগের কারণ

সিপিআই জেলা সম্পাদক অবধেশ রায় জানান, কানহাইয়ার মতো নেতার কংগ্রেসে যোগদান সাময়িক ধাক্কা তো লাগছেই। তবে কানহাইয়া প্রথম নন, সিপিআইয়ের তাবড় নেতা চন্দ্রশেখর ছিলেন এই বেগুসরাইয়ের। তাঁর মৃত্যুর পর মনে করা হয়েছিল বেগুসরাই থেকে সিপিআই শেষ। তা আদৌ হয়নি। জবরদস্ত বিধায়ক ভোলা সিং সিপিআই ত্যাগ করেন। তাতেও দলের ক্ষতি হয়নি। কানহাইয়া কুমার আধুনিক সময়ের জ্বলন্ত নেতা হিসেবে উঠে এসেছিলেন সিপিআই থেকেই।
কানহাইয়ার সিপিআই ত্যাগ নিয়ে বেগুসরাই উত্তাপহীন। পথ চলতি অনেকেই সংবাদ মাধ্যমে জানিয়েছেন, কানহাইয়া ঠিকই করেছে। কারণ, সিপিআই বেগুসরাইতে শক্তিশালী, কিন্তু সর্বভারতীয় স্তরে লড়াই করতে কংগ্রেসের মতো দল জরুরি।

কারোর কটাক্ষ, আব কেয়া বানসুরি বাজায়েগা কানহাইয়া ? (এবার কি বাঁশি বাজাবেন কানহাইয়া)। কেউ বলছেন, কমিউনিস্ট পার্টি থেকে কংগ্রেসে গেলেন, এর পর তিনি কোথায় যাবেন?

বেগুসরাই নিরুত্তাপ। তবে কেন্দ্রীয় রাজনীতি সরগরম। কানহাইয়া কুমার দলত্যাগের কথা জানিয়ে ব্যক্তিগতভাবে সিপিআই সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক ডি রাজার কাছে চিঠি দেন। ডি রাজা জানিয়েছেন, সে চলে গেছে। দল লড়াইয়ে থাকবে।

বেগুসরাই কেন্দ্রে বামেরা বরাবর সাংগঠনিক শক্তিশালী। বেশ কয়েকবার এই বিধানসভা থেকে সিপিআই(CPI) ও সিপিআইএম (CPIM) জয়ী হয়েছে। এই লোকসভা কেন্দ্রেও দুবার জয়ী সিপিআই।

তবে বেগুসরাই সর্বাধিক আলোচিত হয়েছে জেএনইউ (JNU) বাম ছাত্র নেতা কানহাইয়া কুমারের দুরন্ত ভাষণ, ছাত্র সংসদের সভাপতি হিসেবে তার বিতর্কিত ‘দেশবিরোধী’ মামলায় জড়িয়ে যাওয়া ও জামিন ঘিরে। কানহাইয়া এক ঝটকায় সর্বভারতীয় সিপিআই নেতা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হন। গত লোকসভা ভোটে বেগুসরাই কেন্দ্রে বিজেপির (BJP) গিরিরাজ সিংয়ের বিরুদ্ধে লড়েন। বিপুল প্রচার হলেও কানহাইয়া পরাজিত হন। এখন তিনি রাহুল গান্ধীর যুব ব্রিগেডের অন্যতম নেতা।

Punjab: কংগ্রেসের ইনিংস ‘শেষ’ করতে চলেছেন ক্যাপ্টেন

punjab ex cm captain amarinder singh likely to join bjp

নিউজ ডেস্ক: দশকের পর দশক ধরে কংগ্রেস করা লোক। বিচ্ছেদ আগেও হয়েছে। ফিরেও এসেছেন। এমনই খুঁটি নড়বড়ে হতে শুরু করল। ক্যাপ্টেন অমরিন্দর সিং (Amarinder Singh) দিল্লিতে আসা ইস্তক গুঞ্জন, তিনি কংগ্রেস ছেড়ে বিজেপিতে যোগ দিতে চলেছেন। যদিও মঙ্গলবার রাত পর্যন্ত ‘ক্যাপ্টেন সাহাব’ তেমন পদক্ষেপ নেননি। রাজধানীর আলোচনা কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ পুরো বিষয়টি দেখছেন। 

পাঞ্জাবে (Punjab) ক্যাপ্টেনের কংগ্রেস ইনিংস শেষ বলেই ধরে নিয়েছে ম্যাডাম সোনিয়া গান্ধী। রাজীব জমানার কংগ্রেস নেতাকে বাঁয়ার খাতায় রাখছে কংগ্রেস। আবার ক্যাপ্টেন অমরিন্দর সিংকে টেনে আনতে মরিয়া শিরোমনি আকালি দল। যে দলের পূর্বতন সদস্য সদ্য প্রাক্তন পাঞ্জাবের মুখ্যমন্ত্রী।

অমৃতসর স্বর্ণমন্দিরে খালিস্তানি জঙ্গি সংগঠনের বিরুদ্ধে সেনা অভিযান ‘অপারেশন ব্লু স্টার’ নির্দেশ দেওয়ার পর কংগ্রেসের অভ্যন্তরে ধ্বস নেমেছিল। শিখ ধর্মাবলম্বী অমরিন্দর সিং কংগ্রেস ত্যাগ করেন। শিরোমণি আকালি দলে যোগ দেন। পরে আকালি দলেই নিজের গোষ্ঠী হয়। রাজনৈতিক সমীকরণে ফের কংগ্রেসে ফিরে আসেন। নব্বই দশক থেকে টানা পাঞ্জাব প্রদেশ কংগ্রেসের মুখ তিনি।

গত বিধানসভা ভোটে পাঞ্জাবে আকালি দলের পতন হয়। কংগ্রেস সরকার গড়ে। তারপর টানা স্থানীয় নির্বাচনগুলিতে কংগ্রেস ও আম আদমি পার্টির লড়াই বড় হয়েছে। আকালি দল রয়েছে। কিন্তু কেন্দ্রের কৃষি আইনের ধাক্কায় আকালি দল এনডিএ ত্যাগ করে। সাম্প্রতিক নির্বাচনে বিজেপির বিরাট ধাক্কা লেগেছে পাঞ্জাবে।
বিধানসভা ভোটের আগে পাঞ্জাবে কংগ্রেসের অভ্যন্তরীণ জটিলতার দুই মেরুতে চলে যান নভজ্যোত সিং সিধু ও ক্যাপ্টেন অমরিন্দর সিং। পাঞ্জাবে কংগ্রেস ভেঙে যাওয়ার পরিস্থিতি। সিধু নাকি পুরনো ক্যাপ্টেন কাকে কাছে টানবে কংগ্রেস তাই আলোচনার কেন্দ্রে। পরিস্থিতি এমন যে শ্যাম রাখি না কুল রাখি অবস্থা।

এমন পরিস্থিতিতে সিধু অনবরত চাপ তৈরি করেছেন দলেরই হাইকমান্ডের উপরে। কোনঠাসা হতে হতে পুরনো বহু নেতার মতো ক্যাপ্টেন অমরিন্দর সিং মুখ ঘোরালেন রাজধানীর দিকে। পাঞ্জাবে ক্যাপ্টেনের কংগ্রেস পিচের ইনিংস শেষের পথে, আশায় বুক বাঁধছেন এই রাজ্যে ধুঁকতে থাকা বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতারা।

Politics: নেহরু থেকে কানহাইয়া, কংগ্রেসের ‘বাম’ নেতারা বরাবর সুপারহিট

Kanhaiya Kumar joins the Congress party

প্রসেনজিৎ চৌধুরী: সুভাষবাবু কংগ্রেস ত্যাগ করে যেদিন ফরওয়ার্ড ব্লক গঠন করলেন সেদিনই ইতিহাসের কিছু নির্দেশ লেখা হয়ে ছিল। কংগ্রেসের প্রথম বড় ধাক্কা কিন্তু সুভাষচন্দ্র বসুর দলত্যাগ। ভারতীয় রাজনীতির দলত্যাগের এই নজির এখনও সমান জ্বলজ্বলে।  সুভাষবাবু বামপন্থী ছিলেন, তাঁর দলের পতাকা, নীতি আদর্শের দিকটি স্পষ্ট। কংগ্রেস তাহলে কী?

কংগ্রেস তখনও বৃহত্তম রাজনৈতিক মঞ্চ, এখনও। জাতীয় কংগ্রেস বকলমে ইন্দিরা কংগ্রেস বহুধা বিভক্ত হয়েছে, জুড়েছে। ভারতের কমিউনিস্ট পার্টির ইতিহাসের গর্ভগৃহ হিসেবে কংগ্রেসকে অস্বীকার করা যাবেনা। তবে কংগ্রেস ঘোষিত দক্ষিণপন্থী দল। আবার এই দলে বাম মনস্কদের সমাহার কম নয়। ভারতের কমিউনিস্ট পার্টি (CPI) ত্যাগ করে জাতীয় কংগ্রেসে যোগ দিলেন কানহাইয়া কুমার। কংগ্রেসের আদর্শে এখন তিনি চলবেন। যে কংগ্রেস জওহরলাল নেহরুর মতো সমাজতান্ত্রিক নেতা ছিলেন, সেই কংগ্রেসে সামিল আধুনিক ভারতের সমাজতান্ত্রিক তথা কমিউনিস্ট নেতা কানহাইয়া কুমার। কানহাইয়ার দলত্যাগ ভারতের অন্যতম কমিউনিস্ট মনোভাবাপন্ন বিপ্লবী নেতা ভগত সিংয়ের জন্মদিনেই। তবে দলীয় পতাকার রং পাল্টে গেল। সিপিআই জাতীয় পরিষদ, বিহার রাজ্য পরিষদের নেতারা জানতেন কানহাইয়া যাচ্ছেন। বস্তুতপক্ষে সিপিআই কেন্দ্রীয় নেতাদের কিছুই করার ছিলনা। কানহাইয়ার মতো প্রবল জনপ্রিয়, তার্কিক নেতার কাছে দলের বাকি নেতারা তুচ্ছ তা স্পষ্ট হয়েছে মোদী জমানাতেই।

কানহাইয়া কুমারের সিপিআই ত্যাগ ইতিহাসের কয়েকটি দিক ফের দেখতে বাধ্য করছে। জাতীয় কংগ্রেসের সমাজতান্ত্রিক ও বাম মনস্ক নেতার অন্যতম নেহরু। বস্তুত নেহরু প্রায় ঘোষিত বাম ঘেঁষা নেতা ছিলেন। আন্তর্জাতিক মঞ্চে সমাজতান্ত্রিক শিবিরের সঙ্গে নিবিড় সংযোগ। সেই প্রভাবে দেশের শিল্প পরিকাঠামো গড়া, কমিউনিস্ট পার্টির নেতৃত্বে চলা সোভিয়েত ইউনিয়নের সাহায্যে ভারতকে এগিয়ে নিয়ে গিয়েছেন।

নেহরু পরবর্তী ইন্দিরা জমানায় কংগ্রেসের মধ্যে সমাজতান্ত্রিক ধারা অব্যাহত। বাবার পথেই দেশীয় শিল্প, আর্থিক কাঠামোর জাতীয়করণে ইন্দিরা পুরোপুরি সোভিয়েত অনুগামী হন।  নেহরু-ইন্দিরার পরিচিত ও বন্ধুবলয়টি আরও লাল তারকা খচিত। ভারতের কমিউনিস্ট পার্টির প্রতিষ্ঠাতা এম এন রায়, কমিউনিস্ট মার্কসবাদী নেতা জ্যোতি বসু, এস এ ডাঙ্গে, মোহন কুমারমঙ্গলম, ভূপেশ গুপ্ত, অজয় ঘোষ, পার্বতী কৃষ্ণান-কে নেই। একেবারে লাল তারার ঘেরাটোপে থেকেও নিজের মতো ছিলেন পিতা-পুত্রী।

১৯৬২ সালে ভারত-চিন সংঘর্ষের পর সিপিআই ভেঙে ১৯৬৪ সালে সিপিআইএম তৈরি হয়। নেহরু পরবর্তী জমানায় ক্ষমতা ধরে রাখতে সিপিআইএমের(CPIM) সঙ্গে ভোটের লড়াইয়ে সরাসরি সংঘর্ষে গেলেও সিপিআইয়ের(CPI) সঙ্গে কংগ্রেসের সংযোগ ছিল নিবিড়। সে কারণেই ১৯৭৫ সালে ইন্দিরা গান্ধীর সরকারের জরুরি অবস্থা ঘোষণাকে সমর্থন করে সিপিআই। পরে অবস্থান বদলেছে এই দলটি। জরুরি অবস্থার বিরোধী নেতা জয়প্রকাশ নারায়ণ কংগ্রেসের মধ্যে চরম সমাজতান্ত্রিক নেতা ছিলেন। পরে তিনিই দেশের প্রথম অ-কংগ্রেসি সরকার গঠনের রূপকার হন।

জরুরি অবস্থার সময় দিল্লির জওহরলাল নেহরু বিশ্ববিদ্যালয়ের তুখোড় ছাত্র বর্তমান সিপিআইএমের সাধারণ সম্পাদক সীতারাম ইয়েচুরি। তিনিও কংগ্রেস ঘনিষ্ঠ। আর মোদী জমানাকে ‘অঘোষিত জরুরি অবস্থা’ বলা জেএনইউ প্রাক্তনী কানহাইয়া কুমার এখন বৃহত্তর মোদী বিরোধী মঞ্চ কংগ্রেসে সামিল। কংগ্রেসের অন্যতম আলোচিত নেতা মনিশংকর আইয়ার তাঁর বাম নীতির জন্য আলোচিত। যতটা আলোচিত প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী মনমোহন সিং তাঁর মার্কসীয় অর্থনীতির জন্য। এরা সবাই কংগ্রেসের ‘বামপক্ষ’।

সেই তালিকায় আরও এক তুখোড় ছাত্র নেতা কানহাইয়া কুমার এলেন। কংগ্রেসের ভাষণ দেওয়া নেতার অভাব মিটল। ক্ষয়িষ্ণু সিপিআই-তে থেকে মোদীর মুখোমুখি হওয়া আর কংগ্রেসে গিয়ে সর্বভারতীয় স্তরে চ্যালেঞ্জ দেওয়ার মধ্যে বিরাট পার্থক্য। যারা ময়দানি রাজনীতি করেন তারা জানেন বড় দলে খেলার সুবিধা। জার্সি বদলে সেই সুবিধা নিলেন কংগ্রেসের কমিউনিস্ট নেতা কানহাইয়া কুমার।

Germany: তীব্র জোট জট, হারলেও মার্কেলের দলের সামনে সুযোগ

Parliament condition in germany

নিউজ ডেস্ক: ভোটে জিতেও কি বামেরা গড়তে পারবে জার্মানির (Germany) সরকার ? একা সরকার গড়ার পর্যাপ্ত আসন না পাওয়ায় শরিক জোটাতে ব্যাস্ত এসপিডি দল ভোট প্রাপ্তির পরিসংখ্যান বলে দিচ্ছে জার্মানির জাতীয় নির্বাচনে কারোর পক্ষে একা সরকার গঠন করা সম্ভব নয়। বিদায়ী চ্যান্সেলর তথা রাষ্ট্রপ্রধান অ্যাঞ্জেলা মার্কেলের দল সিডিইউ পরাজিত হলেও জোট করে সরকার গড়তে পারে যে কোনও সময়।

নির্বাচনে চমকপ্রদ উত্থান গ্রিন পার্টির। পরিবেশ রক্ষার নীতি নিয়ে শিল্পোন্নত দেশ জার্মানিতে হই হই ফেলে দিয়েছে গ্রিন দল। যে দল সরকার গড়তে চায় তাদের সামনে গ্রিন দলের থেকে নির্ভরযোগ্য কেউ নেই।

তবে চ্যান্সেলর অ্যাঞ্জেলা বিদায় নিচ্ছেন। তিনি অবসরে যাচ্ছেন। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ পরবর্তী সময়ে জার্মানি দু ভাগে ভাগ হয়েছিল। পরে একীকরণ হয়।হিটলারের নাৎসি জমামার পরে জার্মানির যে দুজন চ্যান্সেলর টানা ১৬ বছর ক্ষমতায় ছিলেন সেই দুজন হলেন হেলমুট কোল ও অ্যাঞ্জেলা মার্কেল।

hung Parliament condition in germany

গত দেড় দশক অ্যাঞ্জেলা মার্কেল বিশ্ব জুড়ে প্রবল আলোচিত। তাঁর ভূমিকায় ইউরোপীয় ইউনিয়ন ও আন্তর্জাতিক ক্ষেত্র বারবার সমস্যামুক্ত হয়েছে। মার্কেল হয়েছেন বিশ্বের অন্যতম শক্তিশালী রাষ্ট্রনেতা। তাঁর বিদায়ের পর সেই শূন্যস্থান পূরণ কে করবেন তাও তীব্র আলোচিত। তবে এর থেকেও জটিলতর হয়ে গেছে জার্মানির সরকার গঠন।

ভোটের অংক বলে দিচ্ছে যে জিতেছে যে হেরেছে তা এখন আর ধর্তব্য নয়। জোটের সমীকরণ পরিস্থিতি বগলে দেবে যে কোনও সময়।

এবার বিজেপির লকেট হারানোর পালা, তালিকায় রূপা

.bjp MP locket chatterjee may quit from her party

নিউজ ডেস্ক: ভবানীপুরের ভোটের আগেই কি ফের বিজেপিতে ধ্বস ? অন্তত তৃণমূল কংগ্রেস নেতা কুনাল ঘোষের টুইট থেকে এমনই গুঞ্জন ছড়াচ্ছে। কুনাল ঘোষ টুইটে বিজেপি নেত্রী সাংসদ লকেট চ্যাটার্জিকে ভবানীপুরে প্রচার না করার জন্য ধন্যবাদ জানান। তিনি লিখেছেন-দুনিয়া ছোট।

কেন ‘দুনিয়া ছোট’ এই শব্দ লিখলেন কুনাল ঘোষ ? এখানেই জল্পনা প্রবল। কারণ বাম জমানায় সিঙ্গুরে টাটা কারখানার জমি নিয়ে বিরোধিতার সময়ে তৎকালীন বিরোধী নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কাছে দেখা যেত লকেটকে। এমনকি মমতার ‘বিখ্যাত’ অনশন মঞ্চেও লকেট গিয়েছিলেন। পরে তিনি বিজেপির নেত্রী হন। প্রাক্তন রাজ্য সভাপতির বাইকে চড়ে দেদার জনসভা করেছেন।

After durga puja Bjp bengal will face masive blow

দিলীপ ঘোষকে সম্প্রতি রাজ্য বিজেপির পদ থেকে অপসারিত করা হয়েছে। লকেট যে এর পরেই টার্গেট হবেন তা স্পষ্ট। গুঞ্জন লকেট গোপনে যোগাযোগ করেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে। তৃণমূল কংগ্রেস তাদের ‘পুরনো বন্ধু’ লকেট চট্টোপাধ্যায়কে ফেরাতে মরিয়া হয়ে উঠেছে। যে কোনও সময় রাজ্য বিজেপিতে আরেকটি সাংসদ কমবে বলেই মনে করছে সংশ্লিষ্ট মহল।

www.ekolkata24 সম্প্রতি একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করে ‘বিজয়ার পরেই বঙ্গ বিজেপিতে ‘বিচ্ছেদ সুর’ চড়া হচ্ছে’ এই শিরোনামে। তাতে সাংসদ লকেট যে দলত্যাগ করতে চলেছেন তারই ইঙ্গিত দিয়েছি আমরা। সোমবার কুনাল ঘোষের টুইট থেকে তেমনই ইঙ্গিত স্পষ্ট হতে শুরু করেছে। লকেট চট্টোপাধ্যায় নীরব। তেমনই নীরব রূপা গাঙ্গুলী। বিজেপির অন্দরে কান পাতলে শোনা যাবে রূপা যে কোনও দিন…!

সূত্রের খবর, আসন্ন শারোদতসবের পর বিজয়া পালন করেই বিচ্ছেদ টানতে চলেছেন বিজেপি সাংসদ বিধায়করা। তৃণমূল কংগ্রেসের দাপুটে নেতা তথা বীরভূম জেলার দলীয় সভাপতি অনুব্রত মন্ডল (কেষ্ট) জানিয়েছেন, ভয়ঙ্কর খেলা হবে। মমতা ব্যানার্জি ভয়ঙ্কর খেলা খেলবেন।

#BharatBandah: ত্রিপুরায় বনধে সফল মানিক, বাংলায় বিফল সূর্য-সেলিম

Bharat-Bandh tripura

নিউজ ডেস্ক: সরকারে নেই দু রাজ্যেই। তবে সরকার হারানোর বামেদের পর তেজ কিন্তু ত্রিপুরাতেই। আগামী বিধানসভা ভোটের আগে ফের সাংগঠনিক শক্তির দেখনাদারিতে সফল হলেন মানিক সরকার। ত্রিপুরায় বনধের বিরাট প্রভাব। এমনকি বিজেপির দখল করা বিধানসভাগুলিতেও জনজীবন স্তব্ধ হয়ে গেছে।

দেশজোড়া বনধের জেরে উত্তর পশ্চিম ভারতের সঙ্গে রাজধানী নয়াদিল্লির সড়ক ও রেল যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন করে দিয়েছে কৃষক সংগঠনগুলি। বিভিন্ন রাজ্যে বনধের প্রভাব পড়লেও পশ্চিমবঙ্গে বনধ পালনে ফের ব্যর্থ বামেরা। বিক্ষিপ্ত কিছু ট্রেন রোকো ও বাজার বন্ধ করাতে পারলেও মোটের উপর রাজ্যে বনধ ব্যর্থ করে দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তবে তিনি বনধের সবকটি ইস্যুকে সমর্থন করছেন বলে জানান।

বনধ যে বাংলায় তেমন হবে না তা বুঝেই গিয়েছিল সিপিআইএম সহ বাম দলগুলি। কিন্তু বঙ্গ বামেদের লজ্জায় ফেলে দিয়ে ফের শক্তি পরীক্ষায় পাশ মার্ক পেল ত্রিপুরা সিপিআইএম। এ রাজ্যে বিরোধী দলের ডাকা যতগুলি বনধ হয়েছে সবকটিকেই ছাপিয়ে গেছে সোমবারের ভারত বনধের ছবি।

কেন্দ্রের বিজেপি সরকারের কৃষি আইনের বিরোধিতায় সর্বভারতীয় কৃষক সংগঠনগুলির ডাকা ভারত বনধের সমর্থনে মানিক সরকার আগেই জানিয়েছিলেন, ত্রিপুরা স্তব্ধ করে দেওয়া হবে। খোদ বিজেপি শাসিত রাজ্য সকাল থেকেই স্তব্ধ।

রাজধানী আগরতলা শুনশান। কৈলাসহর, ধর্মনগর, সাব্রুম, পানিসাগর, গোমতী, বিশালগড়, উদয়পুর সহ রাজ্যের সর্বত্র বনধে বিরাট প্রভাব লক্ষ্য করা যাচ্ছে। একেবারে শুনশান চারিদিক। আগরতলায় বনধের প্রভাব সবথেকে বেশি বলেই মনে করা হচ্ছে। বনধে বিক্ষিপ্ত অশান্তি রুখতে রাজ্য পুলিশ মোতায়েন করা হয়।

সবথেকে উল্লেখযোগ্য, যে পার্বত্য উপজাতি অঞ্চলে সিপিআইএম এবারের বোর্ড হারিয়ে শূন্য হয়েছে এডিসি নির্বাচনে সেখানেও বনধের বড় প্রভাব পড়েছে।

গত নির্বাচনে টানা ২৫ বছরের বাম সরকারের পতন হয় ত্রিপুরায়। বিরোধী দল সিপিআইএমের দখলে থাকা বিধানসভাগুলির পাশাপাশি সরকারপক্ষ বিজেপি ও আইপিএফটি জোটের দখলে যাওয়া বিধানসভাতেও বনধের ‘সর্বাত্মক প্রভাব’ পড়েছে।

হেরেও ‘সুশান্ত এফেক্ট’ পশ্চিম মেদিনীপুরে, বনধের রোষ বাম কর্মীদের

Bharat-Bandh

নিউজ ডেস্ক: বিধানসভা ভোটের আগে প্রবল সাড়া ফেলে নিজ এলাকা পশ্চিম মেদিনীপুরে ফিরে ক্রমাগত তৃণমূল কংগ্রেস ও বিজেপির বিরুদ্ধে রোষ দেখিয়েছিলেন দাপুটে সিপিআইএম নেতা সুশান্ত ঘোষ। তবে ভোটে শালবনী কেন্দ্রে তিনি পরাজিত হন। প্রাক্তন মন্ত্রী ও বিধায়ক তথা বেনাচাপড়া কঙ্কাল কান্ডে জেল খেটে আসা সুশান্তবাবুর দাপট ফের দেখা গেল ভারত বনধে।

পশ্চিম মেদিনীপুর ও ঝাড়গ্রামের বিস্তির্ণ গ্রামাঞ্চলে প্রায় খড়কুটোর মতো উড়ে যাওয়া সিপিআইএম সমর্থকরা তীব্র রোষ নিয়ে বনধে সামিল। চন্দ্রকোনা, মেদিনীপুর, শালবনি, গড়বেতায় বনধের প্রভাব পড়েছে। ঝাড়গ্রামের জঙ্গলমহল এলাকাতেও একই ছবি। সুশান্তবাবুর খাস এলাকা লাগোয়া বাঁকুড়ার বিভিন্ন গ্রামে বনধের প্রভাবে রাজ্য ও জাতীয় সড়ক অবরুদ্ধ।

Susanta-Ghosh

তবে আশ্চর্যজনকভাবে সুশান্ত ঘোষ অদৃশ্য। সূত্রের খবর, তিনি দলীয় কর্মী সমর্থকদের কড়া নির্দেশ দিয়েছেন। সেই নির্দেশ মেনে সকাল থেকেই বনধ পালনে নেমেছে বাম সমর্থকরা।

সুশান্ত ঘোষ টানা ৩৪ বছরের বাম জমানার ৩২ বছরের বিধায়ক ছিলেন। বামফ্রন্ট জমানার শেষ দশবছরে ততকালীন মুখ্যমন্ত্রী বুদ্ধদেব ভট্টাচার্যের সঙ্গে বিরোধিতা ছিল চরমে। সেই সব কথা বইতে লিখে দল থেকে সাময়িক সাসপেন্ড হন। পরে বিধানসভা ভোটের আগে তাঁকে ফেরায় সিপিআইএম।

সুশান্ত ঘোষের বিরুদ্ধে একাধিক হামলার অভিযোগ রয়েছে। তবে বাম নেতা আইনি প্রক্রিয়ায় জামিন নিয়েছেন। তাঁর মন্ত্রীত্বের সময়ে নেতাই গণহত্যা ঘটে। প্রবল বিতর্কিত সেই সময়। পরে নির্বাচনে বাম জমানা শেষ হয়। কিন্তু ২০১১ সালের ভোটেও জিতেছিলেন সুশান্ত ঘোষ।

বনধ সফলে মানিক ‘কনফিডেন্ট’, বঙ্গ বাম হাই তুলছে

Manik sarkar

নিউজ ডেস্ক: দুই বাংলাভাষী রাজ্যেই বামেরা ক্ষমতায় নেই। সরকারে না থাকলেও বঙ্গ বামেদের মতো ঝিমিয়ে যায়নি ত্রিপুরি বামেরা, তা রাজনৈতিক ভূমিকা থেকেই স্পষ্ট। পশ্চিমবঙ্গ ও ত্রিপুরা দুই রাজ্যে ক্ষমতায় থাকা তৃণমূল কংগ্রেস ও বিজেপি বনধ বিরোধী। তবুও যে কোনও ইস্যুতে বনধ পালনে কেন্দ্রীয় কমিটির খাতায় ত্রিপুরায় এখনও একশ তে একশ পান মানিক সরকার। আর বঙ্গ বামের কাছে আসে হতাশা।

সোমবার দেশজোড়া বনধ। কেন্দ্রের বিজেপি নেতৃত্বে চলা এনডিএ সরকারের কৃষি আইনের প্রতিবাদে যে কৃষক অবস্থান বিক্ষোভ চলছে তারই রেশ ধরে বনধ ও চাক্কা জ্যাম কর্মসূচি নিয়েছে কৃষক সংঘর্ষ সমিতি। সর্বভারতীয় কৃষক আন্দোলনের অন্যতম সারা ভারত কৃষক সভা যা কিনা সিপিআইএম ও সিপিআইয়ের শাখা তারাও বনধ সমর্থন করেছে।

শুধু কৃষক সংগঠনগুলি নয়, সংঘ পরিবারের বিএমএস বাদে কেন্দ্রীয় শ্রমিক সংগঠনগুলিও এই বনধকে সমর্থন করেছে। কংগ্রেস, ডিএমকে, সমাজবাদী পার্টি, বিএসপি, আরজেডি ও বাম দলগুলি বনধের পক্ষে। ব্যাংক, বিমা, খনি, রেল সহ বিভিন্ন ক্ষেত্রের শ্রমিক সংগঠনও সমর্থন করেছে।

বনধের ব্যাপক প্রভাব পড়তে চলেছে উত্তর প্রদেশ, হরিয়ানা, পাঞ্জাব, উত্তরাখণ্ড, হিমাচল প্রদেশ, মধ্যপ্রদেশ, মহারাষ্ট্র, তামিলনাড়ু, ছত্তিসগড়, কর্নাটক, কেরলে। বিহার, ওডিশা, পশ্চিমবঙ্গ, অসমে প্রভাব পড়বে বলে মনে করা হচ্ছে।

উত্তর পূর্বে বনধের সর্বাধিক প্রভাব পড়তে চলেছে ত্রিপুরায়। রাজ্যের বিরোধী দল সিপিআইএম সরাসরি বনধ পালনে নামবে। ত্রিপুরায় বিরোধী আসনে থেকে বনধ সফল করালেও পশ্চিমবঙ্গে ক্ষমতা হারানোর পর বামেদের ডাকা বনধ কর্মসূচি একেবারেই ফ্লপ হয়। তবে বনধের সকালে কিছু রেষ থাকে ট্রেন চলাচলে। কলকাতা শহরতলী লাগোয়া স্টেশনে বনধ পালনকারীদের রোষ দেখা যায়।

কৃষক আন্দোলনের প্রতি সমর্থন জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তবে রাজ্য সরকার জানায়, বনধ পালন হবে না। অন্যদিকে ত্রিপুরায় বিজেপি সরকার সরাসরি কৃষক আন্দোলনের বিরোধিতা করছে। কিন্তু বিরোধী দল সিপিআইএম বনধে অনড়। আশঙ্কা বনধ ঘিরে শাসক ও বিরোধীদের মধ্যে সংঘর্ষ ছড়াতে পারে। সম্প্রতি যেভাবে রাজনৈতিক সংঘর্ষে জ্বলেছিল ত্রিপুরা, সেরকমই আশঙ্কা থাকছে।

তবে বঙ্গ বামেদের মতো হাই তোলা কর্মসূচি নেই ত্রিপুরার বামেদের। সেখানে রাজনৈতিক কর্মসূচি পালনে মরিয়া বিরোধী দলনেতা মানিক সরকার। কলকাতায় তাঁর দলীয় সহকর্মীদের আক্ষেপ এমন নেতা কেন যে নেই এই ‘দু:সময়ে’।

বনধের দাবিগুলি একনজরে
★নয়া তিন কৃষি আইন বাতিল করো এবং বিদ্যুৎ বিল বাতিল করো।
★ফসলের ন্যূনতম সহায়ক মূল্য গ্যারান্টি আইন চালু করো।
★ধান, আলু, পাট সহ সমস্ত কৃষি ফসল উৎপাদন খরচের দেড়গুণ দামে সরকারকে কিনতে হবে।
★গ্রামীণ মজুরদের বছরে ২০০ দিনের কাজ ও দৈনিক ৬০০ টাকা মজুরি দিতে হবে।
★আদিবাসীদের জল-জমি-জঙ্গল থেকে উচ্ছেদ করা চলবে না।
★কৃষিপণ্যের মজুতদারী ও কালোবাজারী বন্ধ করো।
★কৃষককে কর্পোরেটদের গোলামে পরিণত করা চলবে না।
★শ্রমিকদের শ্রম আইনের অধিকার কেড়ে নিয়ে শ্রম কোড চাপিয়ে দেওয়া চলবে না।
★পেট্রোল-ডিজেল সহ নিত্যপণ্যের মূলবৃদ্ধি কার স্বার্থে?
★দেশের সরকারী সম্পদ বেসরকারী করা চলবে না।

TMC তে আসতে চলা ফিরহাদের সেই ‘বড় নেতা’ কে? সংঘ-বিজেপি কানাকানি চলছে

RSS Vs BJP

নিউজ ডেস্ক: মোটামুটি দু’ডজন যাচ্ছেনই। নিশ্চিত হয়ে গিয়েছে বিজেপি। বিরাট ধাক্কা লাগতে চলেছে মেনে নিচ্ছেন বিরোধী দলের রাজ্য নেতারা। কিন্তু সে কে ? কত বড় নেতা? যার কথা মেয়র ফিরহাদ হাকিম ইঙ্গিতে বলেছেন। বিরোধী দল বিজেপির অন্দর এখনও অস্পষ্ট। তবে সন্দেহ যার বা যাদের দিকে তারা এমন উচ্চস্তরের যে সরাসরি সন্দেহ করাও যাচ্ছে না।

রাজ্য আরএসএসের বড় এক নেতার দাবি, এখন আর অত নীতিবাক্য আঁকড়ে রাজনীতি করার দিন নেই। দেখছেন তো কেমন সব যাওয়া আসা চলছে।
আরএসএসের অন্যতম এই প্রচারক দীর্ঘ বাম জমানার প্রসঙ্গ টানলেন। তাঁর স্পষ্ট বক্তব্য, কমিউনিস্ট পার্টি তবুও শূন্য হলেও এভাবে নীতিহীনতা বিসর্জন দেয়নি। ভোটের আগে টিম পিকে একমাত্র বাম নেতাদের ‘ক্যাপচার’ করতেই ফেল করেছে। এই নীতি আঁকড়ে থাকার পদ্ধতি বা সাংগঠনিক শিক্ষা কমিউনিস্ট পার্টি এবং সংঘের মধ্যেই পাবেন। বাকি সব আয়ারাম গয়ারাম।

সংঘ কি নিয়ন্ত্রণ হারাচ্ছে রাজ্য বিজেপির উপর থেকে ?
দাপুটে হিন্দুত্ববাদী প্রচারকের উল্টো প্রশ্ন, নিয়ন্ত্রণ আদৌ ছিল কি? তিনি বললেন, আরএসএসের রাজনৈতিক শাখা হিসেবে বিজেপি কাজ করে। কিন্তু ভোটের আগে যাদের আনা হয়েছিল তাদের সঙ্গে নূন্যতম আদর্শের যোগ ছিল না। তার ফল এখন পেতেই হবে।

সংঘ প্রচারক জানান, একবারও দেখবেন না কমিউনিস্ট পার্টিতে এমন ঢোকার পর্ব চলছে। এখানেই আসলে সংগঠন বেঁচে থাকে। যেটা বাংলার বিজেপি নেতারা জয়ের নেশায় ভুলে গেছিলেন। জয় এলে তৃণমূল নিশ্চিহ্ন হয়ে যেত। এখন ঠিক উল্টো দিকটা স্পষ্ট হতে শুরু করেছে।

যে বড় নেতার কথা মন্ত্রী তথা কলকাতার মেয়র ফিরহাদ হাকিম বলছেন…কথা কেড়ে নিয়েই আরএসএস নেতার দাবি- বিজেপি রাজ্য সম্পাদক কী বলছেন দেখুন, উনি তো দাবিই করছেন তৃণমূলের অন্দরে আরএসএসের লোক আছে। সংঘের আদর্শ মেনেও তৃণমূল কংগ্রেসে ঢুকে থাকার পিছনে কি উদ্দেশ্য ? সংঘ প্রচারকের দাবি, থাকতেই পারে। হিন্দুত্ব প্রচার হলেই হলো। তাবলে সরাসরি বড় নেতা চলে যাবেন? হ্যাঁ, চাপের বিষয়। জানালেন এই সংঘ প্রচারক।

এতক্ষণ যিনি কথা বললেন, তিনি আরএসএসের পশ্চিমবঙ্গ ও বাংলাদেশে সংগঠন করতে নেমেছেন। অনেকদিন আন্দামানেও ছিলেন। বাকি পরিচয় না দেওয়ার একান্ত ব্যক্তিগত অনুরোধ করেছেন।

দশমীতেই ‘বিজেপি বধ’ অভিযান শুরু করছে TMC

mamata banerjee

নিউজ ডেস্ক: একসঙ্গে দুই রাজ্যে ‘বিজেপি বধ’ অভিযান শুরু করতে নামছে তৃণমূল কংগ্রেস। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক শাসক দলের পূর্ব মেদিনীপুর জেলার নেতা জানালেন মোটামুটি অভিযানের কোডওয়ার্ড তৈরি। দেবী দুর্গার ভূমিকায় অসুর নিধনে নামবেন নেত্রী।

ভবানীপুর কেন্দ্রের উপ নির্বাচনের ফল ঘোষণাটুকুই বাকি, দলনেত্রী বিধায়ক হিসেবে নির্বাচিত হলেই আসল অভিযান শুরু করা হবে। এমনই জানাচ্ছেন রাজ্য তৃণমূলের পশ্চিম বর্ধমান জেলার বিতর্কিত নেতা। তিনিও ‘কনফিডেন্ট’। শাসক দলের পূর্ব বর্ধমান জেলা তথা রাজ্যের অতি গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক মুখ আরও এক নেতার দাবি, সময় আগত। কোনওভাবেই আর ছাড় দিতে চাননা নেত্রী।

কী অবস্থা বিরোধী দলের? বিজেপি প্রদেশ শাখার অন্দরমহলে এখন দশমীর অপেক্ষা। কে যাবেন আর কে থাকবেন তা নিয়ে তালিকা তৈরি হচ্ছে। সর্বশেষ হিসেব অন্তত দু ডজন বিধায়ক শুধু শুভ বিজয়া বলেই চলে যাবেন কালীঘাটের দিকে। কারোর উপরেই নিয়ন্ত্রণ নেই।

After durga puja Bjp bengal will face masive blow

বিধায়ক সংখ্যা ধরে রেখেবিজেপির অন্দরে বিরোধী দলের মর্যাদা যে বেশিদিন সম্ভব না তাও স্পষ্ট। সূত্রের খবর, বিজেপি রাজ্য সভাপতিকে মেনে নিতে পারছেন না নেতারা। উত্তর থেকে দক্ষিণ সর্বত্র একই চিত্র।

তৃণমূল কংগ্রেস সূত্রে জানা গিয়েছে, পশ্চিমবঙ্গের মতো ত্রিপুরায় একই কায়দায় অভিযান হবে। সে রাজ্যেও নির্বাচনের আগেই শাসক দল থেকে বিজেপি বিধায়করা ফের তৃণমূল কংগ্রেসে ফিরতে মরিয়া।

এদিকে বিজেপি শাসিত অসমের দরং জেলায় উচ্ছেদের নামে গুলি চালনা ও প্রান্তিক মানুষদের মৃত্যুর জেরে দেশ সরগরম। এ ঘটনা পশ্চিমবঙ্গে বাম জমানায় নন্দীগ্রামের গুলি চালিয়ে কৃষক হত্যার মত মর্মান্তিক বলেই মনে করছে টিএমসি। সূত্রের খবর, সদ্য কংগ্রেস ছেড়ে টিএমসিতে আসা অসমের বরাক উপত্যকার শিলচরের নেত্রী সুস্মিতা দেবের নেতৃত্বে প্রতিনিধি দল পাঠানোর প্রস্তুতি নিচ্ছে তৃ়নমূল কংগ্রেস।

অ্যাঞ্জেলার ‘স্বেচ্ছা’ বিদায়, বাম দখলে যাওয়ার সম্ভাবনা জার্মানির

Angela Merkel

নিউজ ডেস্ক: রাশিয়ায় কমিউনিস্ট পার্টি এবার জনসমর্থন ও সেদেশের সংসদ ‘ডুমা’ তে নিজেদের আসন বাড়িয়ে নিলেও বিরোধী আসনেই থাকল। পূর্বতন সোভিয়েতের শাসক গোষ্ঠীর আচমকা বড় উত্থানে ধাক্কা লেগেছে শাসক পুতিনের ঘরে।

কিন্তু জার্মানির ভোট নিয়ে বিশ্ব জোড়া বাম শিবির ফের আশাবাদী। জার্মানিতেও জাতীয় নির্বাচন আসন। প্রাক নির্বাচনী যত সমীক্ষা আসছে তাতে স্পষ্ট চ্যান্সেলর অ্যাঞ্জেলা মার্কেলের কুর্সি মেয়াদ শেষ ও তাঁর স্বেচ্ছায় সরে যাওয়ার ধাক্কা লাগছে শাসক দল খ্রিষ্টান ডেমোক্রেটিক ইউনিয়ন অফ জার্মানিতে (ইউনিয়ন শিবির )।

বিশ্বের অন্যতম শ্রেষ্ঠ শক্তিশালী নেতৃত্বের একজন অ্যাঞ্জেলা মার্কেল। সমীক্ষায় দাবি করা হচ্ছে, জার্মানির দখল নিতে পারে ইউরোপের কথা বিশ্বের অন্যতম পুরনো বামপন্থী সমাজতান্ত্রিক দল এসপিডি।

জার্মান সংবাদ মাধ্যম ডয়েচভেল জানাচ্ছে, জনমত সমীক্ষার ফলাফল শেষ পর্যন্ত সত্য প্রমাণিত হলে আগামী সরকারের নেতৃত্ব দিতে চলেছে সামাজিক গণতন্ত্রী এসপিডি দল৷ একেবারে শেষ মুহূর্তে ঘুরে দাঁড়াতে চাইছে বিদায়ী চ্যান্সেলর আঙ্গেলা ম্যার্কেলের ইউনিয়ন শিবির৷

আসন্ন নির্বাচনে শাসক দল ইউনিয়ন শিবিরের তরফে চ্যান্সেলর পদপ্রার্থী আরমিন লাশেট। তিনি অ্যাঞ্জেলার উত্তরসূরি হিসেবে চিহ্নিত। তাঁর প্রতিদ্বন্দ্বী এসপিডি দলের চ্যান্সেলর পদপ্রার্থী ওলাফ শলৎস। নির্বাচনী সমীক্ষায় শলৎস বেশ খানিকটা এগিয়ে বলেই জানাচ্ছে ডয়েচভেল।

হিটলারের নাৎসি বাহিনি জার্মানির ক্ষমতা দখলের পর বাকি সব রাজনৈতিক দলের মতো কমিউনিস্ট পার্টি ও এসপিডি নিষিদ্ধ হয়। পরে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ শেষে দ্বিখণ্ডিত জার্মানির পূর্বদিকে সোভিয়েত ক্ষমতা থাকে। সেখানে এসপিডি ও কমিউনিস্ট পার্টি এক হয়। পরে জার্মানির একীকরণ হলে দুটি দল বিচ্ছিন্ন হয়। ১৫৮ বছরের পুরনো এসপিডি দল ইউরোপের অন্যতম প্রাচীন বামমনস্ক রাজনৈতিক সংগঠন।

যখন তোমার কেউ ছিল না…এখন আর অভিমানী রাহুলের বুক ভাঙে না

Rahul Sinha

নিউজ ডেস্ক: বঙ্গ রাজনীতির ইনিও চর্চিত। বিতর্কিত। তবে এখন একাকী। রাহুল সিনহা। এই নাম আর বিজেপি একসময় পশ্চিমবঙ্গে একসাথে উচ্চারিত হতো। ত খন বাজপেয়ী-আদবানী যুগ। রাজ্যে বিজেপি শূন্য ছিল।

তারপর তৃণমূলের উঠতি বয়স। এনডিএ অংশীদারি সুবাদে রাহুল-মমতার পাশাপাশি অবস্থান। রাজ্য থেকে কৃষ্ণনগরের জলুবাবু, দমদমের তপন শিকদারের মতো নেতৃত্বের কেন্দ্রীয় মন্ত্রী হলেও বিধানসভায় হালে পানি পেত না বিজেপি। রাহুল সিনহা রাজ্যের ‘ভাজপা’ মুখ হয়ে শাসক বামফ্রন্ট বিরোধী আন্দোলন চালাতেন।

দিন গত হয়েছে। বিজেপি রাজ্যে বিরোধী দল। বামেরা শূন্য। তৃণমূল সরকার। দলের নির্দেশে রাহুলবাবু সেই যে দিলীপ ঘোষের হাতে দায়িত্ব দিয়ে একপেশে হলেন, আর তেমন নেই তাঁর ভূমিকা এমনই মনে করেন তাঁর নিন্দুক গোষ্ঠী। বঙ্গ বিজেপিতে দিলীপ শাসন এখন অতীত। তবে তাঁর হাতেই বিজেপি রাজ্যে ঐতিহাসিক সাফল্য পায়। তাঁকে অপসারণের পর বিরোধী দলের নতুন রাজ্য সভাপতি হয়েছেন সুকান্ত মজুমদার।

রাহুল সিনহা, দিলীপ ঘোষ দুই বিজেপি রাজ্য সভাপতির আমলে রাজ্যে বাম জমানার পতন ও তৃণমূল জমানা এমনই রাজনৈতিক সমীকরণ। এর মাঝে মোদী ঝড়কে আশীর্বাদ মাথায় করে দিলীপবাবু বিধানসভা ও সংসদে পৌঁছে গেলেন, আর এই ঝড়েও রাহুল সিনহার জয় হলনা। ‘হেরো’ তকমা নিয়েই একলা তিনি।

বিজেপির অভ্যন্তরে কান পাতলে শোনা যায় ‘রাহুল দা কেন যে জিততে পারেন না, রাম-ই জানেন!’ যদিও তাঁর বিরুদ্ধ গোষ্ঠীর কটাক্ষ, একটা কাউন্সিলর ভোটেও জয়ের ক্ষমতা নেই রাহুল সিনহার। আসলে জয় ব্যাপারটাই ওর নামের সঙ্গে যায় না।

রাহুলবাবুর মন ভাঙে তবু বুক ভাঙে না। যে বঙ্গ বিজেপি একদিন তারকা শূন্য, বিধায়ক শূন্য তখন তিনি হাতে ধরে টানতেন সেই দলেই কোনঠাসা।
নতুন রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদারের সঙ্গে তেমন বনিবনা হবে না রাহুলবাবুর এটা ধরেই নিচ্ছেন রাজ্য নেতৃত্বের বড় অংশ। কারণ, সুকান্তবাবু আসলে বিরোধী নেতা শুভেন্দু অধিকারীর ঘনিষ্ঠ।

সূত্রের খবর, দিলীপ ঘোষকে সময়ের আগেই রাজ্য সভাপতির পদ থেকে সরানোর কারণ তাঁর সঙ্গে তৃণমূল কংগ্রেস ত্যাগ করে বিজেপি হওয়া শুভেন্দুবাবুর সঙ্গে ‘মনকষাকষি’। জানা যাচ্ছে বিষয়টি নিয়ে দলের অভ্যন্তরে তুমুল আলোড়ন চলছে। অনেকেই সুকান্তবাবুকে মানতে পারছেন না। এখানেই আশায় বুক বাঁধছেন রাহুল সিনহা।

সূত্রের খবর, শারোদতসবের পরে বিরাট ভাঙনের মুখে পড়তে চলেছে বঙ্গ বিজেপি। সভাপতি হয়ে তা কতটা রুখতে পারবেন সুকান্ত মজুমদার সেটার উপরেই হবে বিচার।

Politics: ভাঙন রোখা ‘অসম্ভব’ সুকান্তবাবুর পক্ষে, বঙ্গ বিজেপি সরগরম

Sukanta mazumdar

নিউজ ডেস্ক: এ যেন কাঁটার মুকুট ! বিরেধী দলের রাজ্য সভাপতি হয়েছেন সাংসদ সুকান্ত মজুমদার। তাঁকে লাড্ডু খাওয়ানোর হিড়িক লেগেছে। আবার মিষ্টিমুখের আড়ালেই রয়েছে তেতো বিষয়-বঙ্গ বিজেপির একাধিক নেতা নারীঘটিত বিষয়ে অভিযুক্ত। বেশ কিছু নেত্রীর বিরুদ্ধে বারবার অশালীন কাজের অভিযোগ রয়েছে। বিভিন্ন ভাইরাল ভিডিও তেমনই ইঙ্গিত দেয়।

সূত্রের খবর, নতুন দায়িত্ব নিয়েই সুকান্ত মজুমদার এই বিষয়গুলি সমাধানে জোর দিচ্ছেন। অভিযোগ, রাজ্য বিজেপির এক প্রাক্তন বিধায়কের নারীঘটিত বিষয়ে বারবার প্রকাশ্যে এসেছে, তাতে কর্নপাত করেননি দিলীপ ঘোষ।

বিজেপি নতুন রাজ্য সভাপতি সংগঠনে পরিচ্ছন্নতা আনতে চাইছেন বলেই খবর। তবে রাজ্য বিজেপির বহু নেতার মনোভাব দলে যেভাবে ভাঙন ধরাচ্ছেন তৃণমূল কংগ্রেস নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তাতে সুকান্তবাবুর মতো নরম নেতার পক্ষে সব সামাল দেওয়া অসম্ভব।

Sukanta majumdar

এদিকে আরএসএস নেতৃত্বের একাংশের মত, যেভাবে আদর্শবিহীন হয়ে বিজেপিতে সবাইকে আনা হচ্ছিল তার ফল পেতেই হবে। সুকান্তবাবুর সামনে কঠিন পরীক্ষা।

সূত্রের খবর, বিধানসভা ভোটে বিজেপি কেন ক্ষমতা দখল করতে পারল না, সেই কারণ খুঁজবেন নতুন রাজ্য সভাপতি। তাঁর কর্মসূচিরর মধ্যে আছে বিস্তারকদের জন্য দেওয়া টাকার হিসেব। এখানে বিস্তর নয়ছয় হয়েছে বলে সাংগঠনিক স্তরেই অভিযোগ ও সরগরম পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে বারবার।

After durga puja Bjp bengal will face masive blow

সুকান্ত মজুমদার রাজনীতিতে নবীন মুখ। তিনি আগে ভালো করে রাজ্য চিনুন, জানিয়েছেন প্রবীন বিজেপি নেতা ও ত্রিপুরার প্রাক্তন রাজ্যপাল তথাগত রায়।

প্রশ্ন উঠছে, ভাবানীপুর বিধানসভার উপনির্বাচনের আগেই কেন বিজেপি রাজ্য সভাপতি পদ থেকে দিলীপবাবুকে অপসারিত করা হলো? সূত্রের খবর, সাম্প্রতিক যে ভাঙন ধরেছে বঙ্গ বিজেপিতে তা রুখতে পারছিলেন না দিলীপ ঘোষ। তাঁর বিরুদ্ধে দলেরই কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের কাছে অভিযোগের পাহাড় জমেছে।

বিরোধী নেতা শুভেন্দু অধিকারীর সঙ্গে দিলীপ ঘোষের সম্পর্কের ফাটল বেড়েছে। দু পক্ষ পরস্পরকে কটাক্ষ করেন অবিরত। বিভিন্ন জেলা থেকে দিলীপবাবুর বিরুদ্ধে অভিযোগের ফিরিস্তি আসছে।

আকাশের কাছাকাছি বাবুল-মমতা ‘সঙ্গীতময়’ বৈঠক

babul supriyo had musical meeting with west bengal chief minister mamata

নিউজ ডেস্ক: নবান্নের ১৪ তলায় ‘আকাশের কাছাকাছি’ সদ্য তৃণমূলি বাবুল সুপ্রিয় এবং মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় মুখোমুখি হলেন৷ রাজনৈতিক কথা বার্তা হলেও, এদিন বলিউড গায়ক-রাজনীতিবিদ বাবুল সুপ্রিয়ের সঙ্গে পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে কার্যত একটি “সঙ্গীত সভা” করেছেন।

বাবুল সুপ্রিয় গত সপ্তাহান্তে তৃণমূল কংগ্রেসে যোগ দেন৷ তার দু’দিন বাদেই তৃণমূল সুপ্রিমোর সঙ্গে দেখা করলেন বাবুল৷ প্রাক্তন কেন্দ্রীয় পরিবেশ প্রতিমন্ত্রী এবং জনপ্রিয় প্লেব্যাক গায়ক কলকাতায় বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের বলেন, মুখ্যমন্ত্রী তাঁকে কাজ করতে এবং হৃদয় দিয়ে গান করতে বলেছেন।

সুপ্রিয় আরও বলেন, “আমি তাঁর সঙ্গে দেখা করতে পেরে খুব খুশি। যে স্নেহ এবং উষ্ণতা দিয়ে তিনি আমাকে তৃণমূল পরিবারে স্বাগত জানিয়েছেন …”

babul supriyo had musical meeting with west bengal chief minister mamata

“তিনি আমাকে বলেছেন তোমার সমস্ত হৃদয় দিয়ে কাজ করুন এবং তোমার সমস্ত হৃদয় দিয়ে গান করুন। তিনি বললেন, পূজার সময় হয়েছে, তুমি গান করো”

তিনি জানান, মমতাই দলে তাঁর ভূমিকা ঠিক করবেন৷ কারণ এটি তার বিশেষাধিকার এবং এ বিষয়ে তাঁর কিছু বলার নেই। শনিবার আসানসোলের সাংসদ বলেছিলেন, তিনি বিজেপির প্রতি হতাশ। বিজেপি ছাড়ার পিছনের কারণ সম্পর্কে কথা বলতে গিয়ে তিনি বলেছিলেন, তিনি অলস বসে থাকতে পছন্দ করেন না।