ATK-নাম মোছার দাবিতে সবুজ-মেরুন জনতার বিক্ষোভের ছবি শেয়ার করলেন জো মরিসন

অনুভব খাসনবীশ: আবার বিক্ষোভ দানা বেঁধেছে ময়দানে, সৌজন্যে এটিকে-মোহনবাগান (ATK Mohun Bagan)। #RemoveATK এবং #BreakTheMerger হ্যাসট্যাগ দুটি আবার ভাইরাল হয়েছে সোশ্যাল মিডিয়ায়। শুধু সোশ্যাল মিডিয়াতেই নয়। মাঠের বাইরেও বিক্ষোভ দেখাচ্ছে সবুজ-মেরুন জনতা। দিনকয়েক আগেই প্রেস ক্লাবের সামনেও বিক্ষোভ কর্মসূচি নেওয়া হয়েছিল বিভিন্ন সমর্থকদের সংগঠনের পক্ষ থেকে। 

আরও পড়ুন পুজোয় আসছে গোলন্দাজ, তার আগেই নগেন্দ্রপ্রসাদের নামে লিগ চালুর দাবি তুললেন মোহনবাগান কর্তা

সেই বিক্ষোভের ছবিই এবার নিজের টুইটার হ্যান্ডেলে পোস্ট করলেন বিখ্যাত ফুটবল প্রেজেন্টার জো মরিসন। TEN SportsTEN Action+, SONY SIX সহ বিভিন্ন চ্যানেলে কাজ করেছেন তিনি। তাঁর জনপ্রিয় শো  C2K (কাউন্টডাউন টু কিকঅফ) বিপুল জনপ্রিয়তা এনে দেয় তাঁকে। তিনিই এবার সবুজ-মেরুন জনতার বিক্ষোভের ছবি শেয়ার করে লিখেছেন, ‘What a photo.’ 

বিক্ষোভের সূত্রপাত্র গতবছর মোহনবাগান এবং এটিকে মার্জ করায়। যদিও সেই বিক্ষোভ খানিক কমলেও কয়েকদিন আগে থেকেই আবার পথে নেমেছেন মোহনবাগান জনতা। বিতর্ক তৈরি হয়েছিল এটিকের বোর্ড মেম্বার উৎসব পারেখের একটি মন্তব্যে। চলতি বছরে এটিকে-মোহনবাগান এএফসি কাপে খেলছে। গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হয়ে পরের পর্বেও পৌঁছেছিল। যদিও ইন্টারজোনাল সেমিফাইনালে ‘এফসি নাসাফ উজবেকিস্তান’এর কাছে স্বপ্নভঙ্গ হয়েছে গঙ্গাপাড়ের ক্লাবের। কিন্তু এএফসি কাপে খেলা সম্ভব হয়েছে গত বছর কিবু ভিকুনার কোচিংয়ে ‘মোহনবাগান’ আই লিগ চ্যাম্পিয়ন হওয়ায়।

একটি সাক্ষাৎকারে পারেখ হঠাৎই বলে বসেন, ‘মোহনবাগানের নিজেদের ক্ষমতায় এএফসি কাপে খেলার যোগ্যতা নেই। ওদের কখনও পরিকল্পনাতেও ছিল না যে মোহনবাগান এএফসি কাপে খেলতে পারবে। মোহনাবাগন তো নিজস্ব গায়ের জোরে আজ পর্যন্ত খেলল না।  এতদিন সেই কারণেই এএফসি কাপে খেলেনি তারা। এটিকে আসাতেই সেই সুযোগ পেয়েছে তারা। ফলে মোহনবাগান সমর্থকদের এটিকে মোহনবাগানকেই সমর্থন করা উচিত। মোহনবাগান এখন অতীত।’

ATK Mohun Bagan
এটিকের নামও এভাবেই মিলিয়ে যাক, এমনটাই চাইছেন মোহনবাগান জনতা।

পারেখ-কান্ডের পরেই মোহনবাগান অ্যাথলেটিক ক্লাবের পক্ষ থেকে এটিকে-মোহনবাগানের অন্যতম ডিরেক্টর দেবাশীষ দত্ত এবং সৃঞ্জয় বসু জানিয়ে দেন, সমর্থকদের আবেগকে গুরুত্ব দিতেই হবে। উৎসব পারেখের বক্তব্য অপমান করেছে মোহনবাগানের শতাব্দীপ্রাচীন আবেগকে। তারপরেই এটিকের পক্ষ থেকে ক্ষমা চাওয়া হয় মোহনবাগান ক্লাবে সভ্য-সমর্থকদের কাছে। জানিয়ে দেওয়া হয়েছিল, উৎসব পারেখের বক্তব্যকে সমর্থন করেন না তাঁরা। যদিও তাতেও কমছে না সবুজ-মেরুন সমর্থকদের রাগ। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক সমর্থক জানিয়েছেন, ‘যতদিন না এটিকের নাম মায়ের নামের সামনে থেকে সরবে, ততদিন আমরা বিক্ষোভ চালিয়ে যাবো। জো মরিসন আমাদের বিক্ষোভের ছবি টুইট করেছেন, এবার কয়েকদিনের মধ্যেই এটিকের সরে যাওয়ার খবরও তিনি টুইট করবেন।’

প্রসঙ্গত, গত বছরও এটিকে-মোহনবাগানের নতুন জার্সিতে তিনটি স্টার থাকা এবং ক্রমাগত তাদের ডিফেন্ডিং চ্যাম্পিয়ন বলে উল্লেখ করায় ক্ষিপ্ত হয়েছিলেন সবুজ-মেরুন সমর্থকেরা। তাদের ক্রমাগত আন্দোলনের পরে তিন স্টার সরিয়ে নিয়েছে ক্লাব অফিসিয়ালরা। ঝামেলা বেড়েছিল আইএসএলের একটি প্রোমোশনাল ভিডিওকে ঘিরেও। ওই ভিডিওতে দেখা যায় এটিকের অন্যতম কর্ণধার সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়কে। সবুজ-মেরুন জনতার বিক্ষোভে সেই ভিডিওটিও সরিয়ে নিয়েছিল আইএসএল কর্তৃপক্ষ।

 

 

Durand Cup: বড় ব্যবধানে জিতে ডুরান্ডের ফাইনালে মহামেডান স্পোর্টিং

Mohammedan Sporting Club in the final

স্পোর্টস ডেস্ক: ১৩০ তম ডুরান্ড কাপের ফাইনালে মহামেডান স্পোর্টিং ক্লাব।৪-২ গোলে এফসি বেঙ্গালুরু ইউনাইটেডকে হারিয়ে ফাইনালে সাদা কালো শিবির।

মহামেডানের হয়ে মার্কোস জোসেফ(৮),ফৈজল আলি(৩৭),ব্র‍্যান্ডন (১০৬) এবং নিকোলার পেনাল্টি থেকে গোল করে কালো চিতারা ডুরান্ড ফাইনালের আগে হুঙ্কার দিচ্ছে। এই জয়ের সঙ্গে গ্রুপ ম্যাচের মধুর প্রতিশোধ নিল মহামেডান। দীর্ঘ ৮ বছর পর এফসি বেঙ্গালুরু ইউনাইটেডকে হারিয়ে ডুরান্ডের ফাইনালে।

কলকাতা ফুটবলের মক্কা তা ফের একবার প্রমাণিত হল আজকের সেমিফাইনাল ম্যাচ ঘিরে। ডুরান্ডে কলকাতার হয়ে খেলছে একমাত্র মহামেডান স্পোর্টিং ক্লাব। এদিনের ম্যাচে ইস্টবেঙ্গল সমর্থকেরা মহামেডান ক্লাবের সমর্থনে যুবভারতী ক্রীড়াঙ্গনে বসে গলা ফাটায়।অন্যদিকে মোহনবাগান সমর্থকেরাও যুবভারতীর গ্যালারিতে বসে মহামেডান ক্লাবকে সমর্থনের সঙ্গে#Break The Merger পোস্টার নিয়ে প্রতিবাদ জানায়।

তবে যুবভারতীর পুরনো রোগ ফের একবার মাথা চাড়া দেয়,ম্যাচ শুরুর আগে।আলো বিভ্রাটে গোটা যুবভারতী ক্রীড়াঙ্গন অন্ধকার হয়ে যায়।ফলে ম্যাচ শুরু হতে বিলম্ব হয়।ম্যাচ চলাকালীন ৯১ মিনিটে এফসি বেঙ্গালুরু ইউনাইটেডের পেড্রো মানঝি লাল কার্ড দেখেন। ম্যাচ পেন্ডুলামের মতো ঘুরেছে বয়স যত গড়িয়েছে।ম্যাচের ৩৬ সেকেন্ডে পেড্রো মানঝির ১৮ গজ দূর থেকে নেওয়া জোরালো শট আর ৭৮ মিনিটে কিংশুক দেবনাথ এফসি বেঙ্গালুরুর হয়ে গোল করেন।মার্কোস মহামেডানকে ৮ মিনিটের মাথায় ১-১ গোলের সমতায় ফেরায়।ম্যাচের ৩৬ সেকেন্ডে ঝটিকায় পেড্রো মানঝির করা দুরন্ত গোল সাদা কালো শিবিরকে জোরালো ধাক্কা দেয়।

কিন্তু মহামেডান ম্যাচে দ্রুত কামব্যাক করে গোলের সমতায় ফিরে আসে।৩৭ মিনিটে মার্কোসের পাস থেকে ফৈজল গোল করে মহামেডানকে ২-১ লিড দেয়। ম্যাচের ৯০ মিনিটে স্কোরলাইন ২-২ গোল হওয়ার জন্য ম্যাচ অতিরিক্ত সময়ে গড়ায়।১০৬ মিনিটে ব্র‍্যান্ডন এবং ১০৯ মিনিটে এফসি বেঙ্গালুরু ইউনাইটেডের রাভাননের হাত বল লাগলে রেফারি পেনাল্টির অর্ডার দেয়। নিকোলা মহামেডানকে পেনাল্টি শ্যুট আউটে ৪-২ গোলে ডুরান্ডের সেমিফাইনাল ম্যাচ জিতিয়ে ফাইনালের টিকিট পকেটে পুড়ে ফেলে।

এবার নতুন কোর্টে পা দিচ্ছেন ভারতের ‘টেনিসের রাণী’

saniya-mirza

স্পোর্টস ডেস্ক: ক্রীড়াজগত থেকে এবার অভিনয় জগতে পা রাখছেন টেনিস তারকা সানিয়া মির্জা। ওয়েব সিরিজ দিয়ে বিনোদন দুনিয়ায় পা রাখছেন তিনি। বিষয়টি তিনি নিজেই জানিয়েছেন। বিশেষ কারণেই অভিনয় জগতে পা রাখছেন সানিয়া। টিউবারকিউলোসিস অর্থাৎ যক্ষ্মারোগের বিরুদ্ধে মানুষকে সচেতন করার তাগিদেই ওয়েব সিরিজের সঙ্গে যুক্ত হয়েছেন তিনি।

আরও পড়ুন খেলা শুরু: তালিবানি কায়দায় পাকিস্তানে শিক্ষাকর্মীদের নিষিদ্ধ আঁটসাঁট পোশাক

মাস কয়েক আগেই টোকিওতে চতুর্থবারের জন্য অলিম্পিকে নেমেছিলেন সানিয়া। সেখানে তাঁর পার্টনার ছিল অঙ্কিতা রায়না। প্রথম রাউন্ডেই ছিটকে যান তাঁরা। সাইনি উইলসনের পর ভারতের দ্বিতীয় মহিলা অ্যাথলিট হিসেবে চতুর্থ অলিম্পিক্স খেলে রেকর্ড গড়েছেন তিনি। ডাবলস এবং মিক্সড-ডাবলস মিলিয়ে তাঁর কেরিয়ারে গ্র্যান্ড-স্লাম সংখ্যা ছ’টি।

আরও পড়ুন অধিনায়কোচিত মনোভাবের অভাব, বিরাটের বিরুদ্ধে নালিশ গেল শাহের কাছে

এর আগে বহু খেলোয়াড় অভিনয় জগতে নাম লিখিয়েছিলেন। সদ্য মুক্তি পেয়েছে বিশ্বকাপজয়ী ক্রিকেটার হরভজন সিংয়ের সিনেমাও। এবার সেই তালিকাতেই নতুন সংযোজন হল সানিয়ার নাম। সানিয়া অভিনীৎত পাঁচটি পর্বের সিরিজটির নাম ‘এমটিভি নিষেধ অ্যালোন টুগেদার’। লেখকের মস্তিষ্কপ্রসুত কাহিনী নয়, বাস্তবতাই তুলে ধরা হবে পর্দায়। এক নবদম্পতির কাহিনী। আচমকা লকডাউনের ফলে যাদের জীবনে নানা সমস্যার সৃষ্টি হয়। এভাবেই এগোবে গল্প।

ওয়েব সিরিজটিতে নবদম্পতির চরিত্রে অভিনয় করবেন সায়েদ রাজা আহমেদ ও প্রিয়াংকা চৌহান। যদিও সানিয়াকে কোন চরিত্রে দেখা যাবে তা এখনও বিস্তারিত জানা যায়নি। তবে সবকিছু ঠিক থাকলে চলতি বছরের নভেম্বরের শেষেই সোশ্যাল মিডিয়ায় দেখা যাবে সিরিজটি। একদিন আগেই কেরিয়ারের ৪৩তম ডব্লিউটিএ (WTA) ডাবলস খেতাব জিতেছেন সানিয়া। চিনা পার্টনার ঝাং শুয়াইয়ের সঙ্গে জুটি বেঁধে ওস্ট্রাভা ওপেন (Ostrava Open 2021) চ্যাম্পিয়ন হয়েছেন তিনি।

পুজোয় আসছে ‘গোলন্দাজ’, তার আগেই নগেন্দ্রপ্রসাদের নামে লিগ চালুর দাবি তুললেন মোহনবাগান কর্তা

স্পোর্টস ডেস্ক: মাত্র ১০ বছর বয়সে ময়দানে গোরা সৈন্যদের ফুটবল খেলা দেখে আকৃষ্ট হয়েছিলেন এক বাঙালি। সেই নগেন্দ্রপ্রসাদ সর্বাধিকারীর অদম্য জেদের কাহিনি পর্দায় ফুটিয়ে তুলছেন দেব। পুজোয় মুক্তি পেতে চলেছে তাঁর ছবি ‘গোলন্দাজ’। সদ্য সেই ছবির অ্যান্থেম লঞ্চ করেছেন অভিনেতা দেব ও পরিচালক ধ্রুব বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর পরেই নগেন্দ্রপ্রসাদের নামে ফুটবল লিগ চালু করার দাবি তুললেন মোহনবাগান কর্তা।

মোহনবাগান অর্থসচিব দেবাশিস দত্ত জানান, ‘‘যিনি ভারতীয় হিসেবে প্রথম ফুটবলে পা দিয়েছিলেন, তাঁর নামে ফেডারেশনের উচিত আই লিগ বা আইএসএল শুরু করা।’’ ছবির অ্যান্থেম লঞ্চ অনুষ্ঠানে সিনেমার কলাকুশলীরা ছাড়াও উপস্থিত ছিলেন মোহনবাগান, ইস্টবেঙ্গল, মহামেডান কর্তারাও। সেখানেই এই দাবি করেন মোহনবাগানের অর্থসচিব। ইস্টবেঙ্গল কর্তা সদানন্দ মুখোপাধ্যায়ও বলেন, ‘‘নগেন্দ্রপ্রসাদ দল গড়ার সময় কোনওদিন জাতপাতের বিচার করেননি। এরকম একজন মানুষের জীবনী আমরা গোলন্দাজে দেখতে পারব।’’

সিনেমায় নগেন্দ্রপ্রসাদ সর্বাধিকারীর ভূমিকায় রয়েছেন দেব। ছবিতে শোভাবাজারের রানি এবং নগেন্দ্রপ্রসাদের স্ত্রী কমলিনীর ভূমিকায় ঈশা সাহা। এছাড়াও চমক রয়েছে সিনেমার কাস্টিংয়েও। রাজবাড়ির রাজা আনন্দকৃষ্ণের ভূমিকায় চিত্রনাট্যকার পদ্মনাভ দাশগুপ্ত। সূর্য কুমার সর্বাধিকারী ওরফে দেবের বাবার ভূমিকায় শ্রীকান্ত আচার্য। প্রসন্ন কুমার সর্বাধিকারীর চরিত্রে থাকছেন পরিচালক-অভিনেতা জয়দীপ মুখোপাধ্যায়।

নগেন্দ্রপ্রসাদ সর্বাধিকারীর ভূমিকায় রয়েছেন দেব। ভারতীয় ফুটবলের জনক নগেন্দ্রপ্রসাদ সর্বাধিকারী।

আরও পড়ুন এবারে শীতে বড় পর্দায় আসতে চলেছে দেব-রুক্মিণীর ‘কিশমিশ’, প্রকাশ্যে ছবির অ্যানিমেটেড টিজার

‘গোলন্দাজ’ মুক্তি পাওয়ার কথা ছিল ২০২০-র স্বাধীনতা দিবসে। অতিমারীর কারণে তা আটকে যায়। এই বছর পুজোয় আগামী ১০ অক্টোবর মুক্তি পাবে এই ছবি। 

টি-টোয়েন্টির দশ হাজারের ক্লাবে ঢুকলেন কিং কোহলি

স্পোর্টস ডেস্ক: চলতি আইপিএল শেষ হলেই রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরুর অধিনায়কত্ব ছাড়বেন বিরাট কোহলি (Virat Kohli)। টি টোয়েন্টি বিশ্বকাপের পর দেশের অধিনায়কত্বও ছাড়বেন তিনি। দেশের অধিনায়কত্ব ছাড়লে তাঁর জায়গায় দলের নতুন নেতা হবেন রোহিত শর্মা। সেই রোহিতের দলের বিরুদ্ধেই আবার নিজের জাত চেনালেন তিনি।

আরও পড়ুন IPL: আরসিবি ছাড়তে পারেন বিরাট, স্টেইনের মন্তব্যে তুঙ্গে কোহলির দলবদলের জল্পনা


আরও পড়ুন অধিনায়কোচিত মনোভাবের অভাব, বিরাটের বিরুদ্ধে নালিশ গেল শাহের কাছে

মুম্বই ইন্ডিয়ান্সের বিপক্ষে ৪২ বলে তিনটি চার ও তিনটি ছক্কায় ৫১ রান করার পথে প্রথম ভারতীয় ক্রিকেটার হিসাবে টি টোয়ন্টি ফর্ম্যাটে ১০ হাজার রানের মালিক হয়ে যান কোহলি| দুবাই আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে আইপিএলের ১৪তম আসরের ৩৯তম ম্যাচ খেলতে নামার আগে টি-টোয়েন্টির সব ধরনের ৩১৩ ম্যাচে ৯ হাজার ৯৮৭ রানের অধিকারী ছিলেন বিরাট।

Virat Kohli first Indian and seventh player overall to reach 9000 T20 runs  - Sportstar

টি-টোয়েন্টিতে সর্বোচ্চ ১৪ হাজার ২৭৫ রান করেছেন ওয়েস্ট ইন্ডিজের তারকা ব্যাটসম্যান ক্রিস গেইল। ১১ হাজার ১৯৫ রান করে দ্বিতীয় স্থানে আছেন ক্যারিবীয়ান তারকা ব্যাটসম্যান কায়রন পোলার্ড। তৃতীয় স্থানে রয়েছেন ১০ হাজার ৮০৮ রানের মালিক পাকিস্তানের প্রাক্তন অধিনায়ক শোয়েব মালিক। 

স্টিভ-পন্টিংদের পেশাদার ক্রিকেটের পথপ্রদর্শক এই ক্রিকেটার

Ian chappell

বিশেষ প্রতিবেদন: সত্তরের দশকে ক্রিকেট বেশিরভাগটাই আটকে লাল বলের ক্রিকেটে (cricket)। পেশাদারিত্ব নিয়ে কীভাবে ক্রিকেটটা খেলতে হয় তা তখনও দেখেনি ক্রিকেট বিশ্ব। দেখালেন ইয়ান চ্যাপেল। অধিনায়কত্বেও আনলেন পেশাদারিত্বের ছোঁয়া। এভাবেই বিশ্ব ক্রিকেটে তিনি রাজ করেছেন ১৬টা বছর।

অন্যতম বড় প্রমাণ নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে সেই বিখ্যাত ম্যাচ। ভাই গ্রেগকে নিয়ে দুই ইনিংসেই সেঞ্চুরি করেন তিনি। এমন ইনিংস টেস্ট ক্রিকেট আর হয়নি। দুই ভাই দুই ইনিংসেই নাকি সেঞ্চুরি। বেসিন রিজার্ভের উইকেট এমনিতে পেসারদের জন্য স্বর্গ। তার উপর সেদিন চলছিল ঝড়ো বাতাস। ফলস্বরূপ ম্যাচের প্রথম ঘন্টাতেই দুই অজি ওপেনারের ড্রেসিংরুমে বিদায়।

Ian chappell

প্রথম উইকেট পড়তেই ব্যাট করতে নামেন ইয়ান পরে দ্বিতীয় উইকেট যেতেই নামেন গ্রেগ। বড় ভাই ইয়ান চ্যাপেল (Ian chappell) দ্রুত সেঞ্চুরিতে পৌঁছে যান। করেন ১৪৫ রান। সঙ্গে দুরন্ত গ্রেগ। ২৪৭ রানে অপরাজিত ছিলেন তিনি। দ্বিতীয় ইনিংসেও সেঞ্চুরি করেন দুজনে। বড় ভাই ইয়ান চ্যাপেল খেলেন ১২১ রানের ক্লাসিক ইনিংস। অন্যদিকে স্বভাবসুলভ আক্রমণাত্নক ছিলেন গ্রেগ। মাত্র দু’ঘন্টায় পৌঁছে যান থ্রি মার্ক ফিগারে। শেষপর্যন্ত আউট হন ১৩৩ রান করে। ম্যাচটি ড্র হলেও ওই ইনিংস আজও রেকর্ড।

৭৬ টেস্টে ৪২.৪২ গড়ে ৫৩৪৫ রান করেছেন ইয়ান, সাথে ১৪টি শতরান। টেস্টে চতুর্থ ক্রিকেটার হিসেবে ১০০ ক্যাচ ধরার রেকর্ড তাঁরই দখলে। তিনি মোট ৩০টি টেস্টে অস্ট্রেলিয়ার অধিনায়কত্ব করেন, তার মধ্যে ১৫ টি ম্যাচ জেতেন। এটাও একসময় রেকর্ড ছিল। পড়ে স্টিভ , পন্টিং জমানায় তো অজিরা শাসন করেছিল বিশ্ব ক্রিকেটকে। চরম পেশাদারিত্ব, যা তাঁরা পেয়েছিলেন ইয়ান চ্যাপেলের সূত্রেই।

Ian chappell

পাশাপাশি একদিনের ম্যাচও খেলেছেন বড় চ্যাপেল। তখন সবই টেস্ট ম্যাচ। ওয়ানডে হাতে গুনে। ১০ বছরে মাত্র ১৬টি একদিনের আন্তর্জাতিক ম্যাচে খেলেছেন, কিন্তু করেছেন প্রায় ৪৯ গড়ে ৬০০ এর বেশি রান। ১৬টি ইনিংসের মধ্যে ৮টি অর্ধ শতরান করেন তিনি। প্রসঙ্গত, এই যে আজ ব্যাটসম্যানস গেম ক্রিকেটে এত ছয় ছক্কার বন্যা , শুরুটা হয়েছিল ইয়ান চ্যাপেলের হাত ধরে। একদিনের ক্রিকেটের ইতিহাসে প্রথম ছয়টি এসেছিল তাঁর ব্যাট থেকেই। অস্ট্রেলিয়া দলের প্রথম একদিনের ম্যাচের অধিনায়কও ছিলেন তিনিই। প্রথম শ্রেনীর ক্রিকেটে ১৯,০০০ এর বেশী রান করেছেন, রয়েছে ৫৯টি শতরান।

ক্রিকেট পরিবারে জন্ম ইয়ানের। তার দাদু ভিক রিচার্ডসন অস্ট্রেলিয়ার হয়ে খেলেছেন এবং ভাই গ্রেগ চ্যাপেলও জাতীয় দলে অধিনায়কের দায়িত্ব পালন করেছেন। এছাড়াও তার আরেক ভাই ট্রেভর চ্যাপেলও অস্ট্রেলিয়ার হয়ে টেস্ট ও একদিনের আন্তর্জাতিক ক্রিকেট খেলেছেন।

ক্রিকেটে অভিষেক ১৯৬৪ সালে ,মেলবোর্নে। সফরকারী পাকিস্তানের বিপক্ষে অনুষ্ঠিত একমাত্র টেস্টে খেলার জন্য তাকে অস্ট্রেলিয়া দলে নেওয়া হয়। ব্যাটে মাত্র ১১ রান করলেও চারটি ক্যাচ নিয়েছিলেন। প্রথমে সাত নম্বরে ব্যাটিং করলেও ও পরে উঠে আসেন তিন নম্বরে। এই পজিশনেই নিজের ছন্দ খুঁজে পান ইয়ান। তারপর থেকে আর ফিরে তাকাতে হয়নি। তিনি পেশাদারি ক্রিকেট দেখিয়ে গিয়েছেন, অস্ট্রেলিয়া ক্রিকেট তা রন্ধ্রে রন্ধ্রে রপ্ত করেছে।

জার্মানির মুকুটহীন সম্রাটকে বারবার ফিরতে হয়েছে বিশ্বজয়ের দোরগোড়া থেকে

Michael ballack

বিশেষ প্রতিবেদন: ১৯৯০ পরবর্তী সময়ে হারিয়ে যাচ্ছিল জার্মান ফুটবলের সেই শক্তি। ওই সময়ে নতুন স্বপ্নের দেখাতে শুরু করেন এক তরুণ। তিনি মাইকেল বালাক ‘দ্য কমান্ডার’। বালাককে বিশেষজ্ঞরা বলেন ‘ওয়ান অব দ্য মোস্ট কমপ্লিট এবং ভার্সেটাইল মিডফিল্ডার অব হিজ জেনারেশন।’ একজন মিডফিল্ডার যতগুলি পজিশনে খেলতে পারে সবকটিতেই খেলতে পারতেন তিনি। তবু মুকুটহীন সম্রাট তিনি।

বলা হত, ছোট কাইজার কিন্তু একটা বিশ্বকাপ জয় হয়তো তাঁর প্রাপ্য ছিল। ভাগ্যে না থাকলে যা হয়। ২০০২ সালের বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনাল এবং সেমি ফাইনালে ব্যাক টু ব্যাক গোল করে দলকে যখন ফাইনালে তুললেন, ঠিক তখনই সেমিতে একটা ট্যাকলে জার্মানদের হৃদয় ভেঙে যায়। পর পর দুই ম্যাচ হলুদ কার্ড দেখে তিনি আর ফাইনাল খেলতে পারেননি।ফাইনালে জার্মান দলে বালাকের শূন্যতা ছিল চোখে পড়ার মতো। ফাইনাল জার্মানরা জেতেওনি। ব্রাজিলের সামনে অসহায় হার শিকার করেছিলেন অলিভার কান, নেভেলরা।

ক্লাব ফুটবলেও একই রেকর্ড। ইউরোপিয়ান লিগগুলিতে এক মরসুমে প্রধান টুর্নামেন্ট হয় মূলত তিনটি- ঘরোয়া লিগ, ঘরোয়া কাপ আর চ্যাম্পিয়ন্স লিগ। কোনও দল যদি একই সিজনে তিনটি শিরোপাই জিততে পারে, তাহলে তাদেরকে ট্রেবল জয়ী বলা হয়। কাজটি নিঃসন্দেহে কঠিন। কঠিন বলেই ইউরোপের এতদিনের ইতিহাসে এটি ঘটেছে মাত্র ৮ বার, এর মাঝে একমাত্র ক্লাব হিসেবে বার্সেলোনা দু’বার এই রেকর্ড করায় ট্রেবল জয়ী ক্লাব হলো মোটে ৭টি।

ট্রেবল জয়ী দলের আনন্দের বিপরীতে দুঃখ লুকিয়ে থাকে ফাইনালে হেরে যাওয়া দলগুলোর। কেউই ব্যর্থদের সেভাবে মনে রাখে না। তার উপর কোনও দল যদি পরপর তিনটি মেজর টুর্নামেন্টের ফাইনালে হেরে যায়, তাহলে তাদের অনুভূতি কেমন হবে? ক্লাব হিসেবে এমনই এক অভিজ্ঞতা হয়েছে বেয়ার লেভারকুসেনের ২০০১-০২ মরসুমে।

সেই মরসুমে ঘরোয়া লিগে শেষ তিন ম্যাচের আগে পর্যন্ত ৫ পয়েন্ট এগিয়ে থেকেও তারা লিগ শেষ করে বুরুশিয়া ডর্টমুন্ডের চেয়ে ১ পয়েন্ট পিছনে থেকে। এরপর ঘরোয়া কাপে শালকের কাছে তারা হেরে যায় ৪-২ গোলে, পরবর্তীতে চ্যাম্পিয়ন্স লিগের ফাইনালে ২-১ গোলে হারে রিয়াল মাদ্রিদের কাছে। সেই বেয়ার লেভারকুসেনের সদস্য ছিলেন মাইকেল বালাক।

কখনও ছোট পাস, কখনো দুর্দান্ত লং পাস কিংবা কখনও বালাক নিজেই নিয়ে নিতেন আচমকা দূর পাল্লার জোরালো শট। কিন্তু কখন কি করবেন, এটা ছিল প্রতিপক্ষের কাছে ধাঁধার মতো। মূলত পজিশন সেন্ট্রাল মিডে হলেও অ্যাটাকিং মিড কিংবা ডিফেন্সিভ মিড পজিশনেও তিনি ছিলেন অনন্য। দলের প্রয়োজনে যে কোনও পজিশনে নিজেকে মানিয়ে নিতে পারতেন।

মিডফিল্ডার হিসেবো অসংখ্য উয়েফা এবং ফিফা বর্ষসেরা দলীয় অ্যাওয়ার্ডের পাশাপাশি যৌথভাবে তিন তিনবার জার্মান প্লেয়ার অব দ্যা ইয়ারে মনোনীত হয়েছেন। তাঁর আগে রয়েছেন চারবারের বর্ষসেরা বড় কাইজার ফ্রাঞ্জ বেকেনবাওয়ার। তবু তিনি মুকুটহীন…..

মেসিহীন বার্সার ফুটবল আকাশে নিষেধাজ্ঞার ভ্রুকুটি

Lionel Messi

স্পোর্টস ডেস্ক: সময়টা মোটেও ভাল যাচ্ছে না কাতালানদের। লিওনি মেসির বিদায়ের পর থেকেই ছন্নছাড়া বার্সা ব্রিগেড। ফুটবলারদের মধ্যেও মেসিকে না পাওয়ার শূণ্যতা বার্সেলোনার দৈন্যতাকে আরও বেশি করে প্রকট করে তুলেছে। ফুটবলারদের মন মেসিময়,কিন্তু শরীর আর মনের যুগলবন্দীতে তাল কেটে যাচ্ছে বারে বারে।এরই মধ্যে গোঁদের ওপর বিষ ফোঁড়া। বার্সেলোনার হেড কোচ রোনাল্ড কোম্যান দলের পরের দুই ম্যাচে ডাগ আউটে বসতে পারবেন না। কেননা নিষেদ্ধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে। ২৩ সেপ্টেম্বর কাদিসের মাঠে গোলশূন্য ড্র করার একদম শেষ মুহূর্তে ডাগ আউটে লাল কার্ড দেখেন কোম্যান।
ওই সময় বার্সার ডাচ কোচকে যথেষ্ট উত্তেজিত হতে দেখা গিয়েছিল। সেই ঘটনার শাস্তির খাঁড়া হিসেবে দুই ম্যাচের নিষেদ্ধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে তাঁর ওপর।
ফলে আগামী দুই ম্যাচ দলের সঙ্গে ডাগআউটে বসতে পারবেন না কোম্যান। এই নিষেধাজ্ঞাটি বাড়তি এক ম্যাচের জন্য। কেননা লাল কার্ড দেখায় এমনিতেই এক ম্যাচ বাইরে থাকতে হতো কোম্যানকে। এর সঙ্গে স্প্যানিশ ফুটবল ফেডারেশন যোগ করেছে আরও এক ম্যাচ। চতুর্থ রেফারির সঙ্গে অভব্য ব্যবহারের কারণে দেওয়া হয়েছে এই শাস্তি।
ম্যাচ শেষে এই নিষেদ্ধাজ্ঞার বিষয়ে নিজের ক্ষোভ উগড়ে দিয়ে বার্সেলোনা হেড কোচ রোনাল্ড কোম্যান বলেন, “এই দেশে (স্পেনে) তারা কিছু না করতেই আপনাকে (লাল কার্ড দেখিয়ে) বের করে দেয়। আমি জিজ্ঞেস করলাম কেনো? সে (রেফারি) বললো, “এটিচ্যুড! এটিচ্যুড!” যাই হোক আমরা এটি নিয়ে আর কথা বাড়াতে চাই না। “
এখন দুই ম্যাচ নিষিদ্ধ হওয়ায় দুটি গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে কোচকে পাবে না বার্সেলোনা। রবিবার রাতে ঘরের মাঠে লেভান্তে এবং আগামী রবিবার বর্তমান চ্যাম্পিয়ন অ্যাতলেটিকো মাদ্রিদের বিরুদ্ধে কঠিন ম্যাচ দর্শক আসনে বসে দেখতে হবে বার্সা কোচকে।

বিশ্বকাপের বাছাই পর্বে নেইমারদের দল ঘোষণা

Neymar's team

স্পোর্টস ডেস্ক: বিশ্বকাপ বাছাই পর্বে লাতিন আমেরিকার মাঠে বল গড়াতে চলেছে। অক্টোবর মাসে ভেনেজুয়েলা, কলম্বিয়া এবং উরুগুয়ের বিরুদ্ধে বিশ্বকাপ বাছাইয়ের লড়াইয়ে মুখোমুখি হবে ব্রাজিল। এরই লক্ষ্যে ২৫ সদস্যের দল ঘোষণা করে দিল সেলেকাওরা।

চলতি মাসে বিশ্বকাপ বাছাইপর্বে ব্রাজিল কোচ তিতে ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগে খেলা বেশ কিছু খেলোয়াড়কে দলে ডেকেও পাননি। তবে ঘোষিত দলে সেই ফুটবলরাদের আবারও দলে ডেকেছেন কোচ তিতে। ডাক দিয়েও না পাওয়া খেলোয়াড়রা হলেন অ্যালিসন, ফ্যাবিনিও, গ্যাব্রিয়েল জেসুস, এদেরসন, এমারসন রয়্যাল, থিয়াগো সিলভা, ফ্রেদ, ও রাফিনিয়া।

এর আগে কোভিড-১৯ অতিমারির জেরে তাদের ক্লাব চায়নি খেলোয়াড়েরা করোনার লাল তালিকভুক্ত দেশে যাতায়াত করুক। কেননা তা হলেই করোনা প্রটোকল মেনে বায়ো বাবোল পদ্ধতির সঙ্গে ১০ দিনের কোয়ারেন্টাইন! এই অবস্থার এখনো পরিবর্তন হয়নি। তবু এই ৮ জনকে নিয়েই দল ঘোষণা করল ব্রাজিল।

দলের কো অর্ডিনেটর পাওলিস্তা আশা প্রকাশ করে বলেন, পরিস্থিতিতে পরিবর্তন আসবে দ্রুত। এরই সঙ্গে তিনি বলেন, ‘ফিফা, ইপিএল আর ইংল্যাণ্ড সরকারের সঙ্গে আমাদের আলোচনা হয়েছে। আশা করছি আগামী সপ্তাহে একটা সমাধান সূত্র বের হবে। এও জানানো হয়েছে, ‘আলোচনা এখনও বাকি রয়েছে। নিজেদের দেশের স্বাস্থ্য প্রশাসনের সঙ্গে। চলতি মাসে আর্জেন্টিনার বিরুদ্ধে ব্রাজিলের ম্যাচটা বাতিল হয়ে গিয়েছিল তাদের ব্রাজিলের স্বাস্থ্য প্রশাসনের হস্তক্ষেপে। তাই এমন কিছু এবারও এড়াতে চাইলে আলোচনায় বসতেই হতে পারে দুই পক্ষকেই।

আগামী ৭ অক্টোবর ভেনেজুয়েলায় ম্যাচ ব্রাজিলের। এর তিন দিন পর আবারও তাদের এক ‘অ্যাওয়ে’ ম্যাচ। সেদিন তারা খেলবে কলম্বিয়ার মাঠে। অবশেষে ১৪ অক্টোবর ঘরের মাঠে ব্রাজিল খেলবে উরুগুয়ের বিরুদ্ধে। বাছাইপর্বে ৮ ম্যাচ খেলে ২৪ পয়েন্ট অর্জন করেছে ব্রাজিল। আর্জেন্টিনা আছে তাদের চেয়ে ৬ পয়েন্ট পিছনে।
ব্রাজিল দল:
গোলকিপার: আলিসন (লিভারপুল), এদেরসন (ম্যান সিটি), ওয়েভারতন (পালমেইরাস)
ডিফেন্ডার: ডানিলো (জুভেন্টাস), এমারসন রয়াল (টটেনহাম), আলেক্স সান্দ্রো (জুভেন্টাস), গিয়ের্মে আরানা (আতলেতিকো মিনেইরো), থিয়াগো সিলভা (চেলসি), মারকিনিওস (পিএসজি), এদের মিলিতাও (রিয়াল মাদ্রিদ), লুকাস ভেরিসিমো (বেনফিকা)।
মিডফিল্ডার: কাসেমিরো (রিয়াল মাদ্রিদ), ফাবিনিও (লিভারপুল), ফ্রেদ (ম্যান ইউনাইটেড), এডেনিলসন (ইন্তারনাসিওনাল), গেরসন (অলিম্পিক মার্শেই), লুকাস পাকেতা (অলিম্পিক লিওঁ), এভারতন রিবেইরো (ফ্লামেঙ্গো)।
ফরোয়ার্ড: নেইমার (পিএসজি), আন্তনি (আয়াক্স), রাফিনিয়া (লিডস ইউনাইটেড), ভিনিসিয়ুস জুনিয়র (রিয়াল মাদ্রিদ), গাব্রিয়েল জেসুস (ম্যান সিটি), গাব্রিয়েল বারবোসা (ফ্লামেঙ্গো), মাতেউস কুনিয়া (আতলেতিকো মাদ্রিদ)।

Sports Special: প্রত্যাঘাতের অপর নাম মহিন্দর

Mohinder amarnath

বিশেষ প্রতিবেদন: বাবার ‘অত‍্যাচার’, বোলারদের মার সমস্ত কিছুকে সহ্য করে নিজেকে ভারতের অন্যতম সেরা ক্রিকেটার বানিয়েছিলেন মহিন্দর অমরনাথ।
একেই বাবা পছন্দ করতেন না হেমলেটের ব্যবহার। কিন্তু তা বলে ক্রিকেট শেখাতে মিলিটারি ট্রেনিং! হ্যাঁ, এটাই করেছিলেন লালা। পাশাপাশি, নিজের বাগানের চারিদিকে টব ফাঁকা ফাঁকা করে সাজিয়ে তার মাঝখান দিয়ে শট খেলে প্লেসমেন্ট করতে শেখান তিনি। সোজা কথায় কীভাবে ফিল্ডারদের মাঝখান দিয়ে বল গলাতে হবে তার শিক্ষা পেয়েছিলেন তিন ভাই। বেশি কাজে লাগিয়েছিলেন মহিন্দর।  শর্ট বল, যাতে পুল এবং হুক করার জন্য আলাদা ব্যবস্থা ছিল। বাবার শাসন মেনেই বিশ্বজয়ী হয়েছিলেন মহিন্দর অমরনাথ।

মাত্র ১৬ বছর বয়সে প্রথম শ্রেণীর ক্রিকেটে অভিষেক হয়। সঙ্গী ছিলেন ব্রিজেশ প‍্যাটেল, কারসন ঘাউড়ি, সৈয়দ কিরমানীর মতো ভবিষ্যতের ক্রিকেটাররা। ১৯৬৯, বিল লরির অস্ট্রেলিয়া ভারতে টেস্ট সিরিজ খেলতে। মিলল প্র্যাকটিস ম্যাচ খেলার সুযোগ। তিনি হাফ সেঞ্চুরি সহ দুটি উইকেট নেন। দরজা খুলে যায় ভারতীয় ক্রিকেট দলে। অভিষেক ১৯ বছর বয়সে। তেমন কিছুই করতে পারলেন না। বাদ গেলেন, ফিরলেন ৭ বছর পরে। এও এক আঘাত , যা সামলে উঠেছিলেন মহিন্দর। ফিরে আসেন অলরাউন্ডার হয়ে।

৮০ দশকের শুরু থেকে আন্তর্জাতিকে নিজের জাত চেনাতে শুরু করলেন মহিন্দর। ভয়ঙ্কর চোট পেলেন একাধিকবার। ইমরান খানের বাউন্সারে পাকিস্তানে অজ্ঞানই হয়ে গিয়েছিলেন, ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে মেরুদণ্ডে চোট পেলেন। সে দেশে কাউন্টি খেলতে গিয়ে রিচার্ড হ‍্যাডলির বলে হুক করতে গিয়ে মাথার পিছনে চোট পান। বহু দিন মাঠের বাইরে। ফিরে এলেন লড়াই করে।

Mohinder amarnath kapil dev 1982 World Cup

১৯ বছরের টেস্ট ক‍্যারিয়ারে টেস্ট খেলেছেন ৬৯ টি, ১১ টি সেঞ্চুরি করেছেন। রয়েছে ৪২ গড়ে ৪৩৭৮ রান। ১৯৮২-৮৩ মরসুম তাঁর কেরিয়ারের সেরা। পাকিস্তান ও ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিরুদ্ধে দুটি সিরিজের ১১ টি ম‍্যাচে ১২০০ এর কাছাকাছি রান করেন । ৬ টেস্টের সিরিজ ভারত হারলেও তিনি প্রায় ৬০০ রান করেন। অন‍্যদিকে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিরুদ্ধে ৫ টেস্টের সিরিজে ফের ৬০০ এর কাছাকাছি রান করেন।

এরপর ইংল্যান্ডে শুরু হয় তৃতীয় একদিনের বিশ্বকাপ। আগের দুবারে অসম্ভব খারাপ পারফরম্যান্স করা ভারতকে গুরুত্ব দেয়নি কোনও দলই, এমনকি প্রথম বার বিশ্বকাপ খেলতে আসা জিম্বাবোয়েও। ব্যাটে বলে বিশ্বকে চমকে দিন অমরনাথ।

অসাধারণ লড়াই করে যখন ভারত সেমিফাইনালে ইংল্যান্ডের মুখোমুখি হলো তখন ইংল্যান্ডের পত্র পত্রিকায় ইংল্যান্ডকে প্রায় চাম্পিয়ন ঘোষণা করে দেওয়া হয়েছে। আর ভারতের মতো একটি যে কোনো সুযোগই পাবেনা সেমিতে তাও ফলাও করে লেখা হলো। কিন্তু, পুরো ভারতীয় দলের সাথে এই অলরাউন্ডারও অন‍্য কথা ভেবেছিলেন।

প্রথমে ২১৩ রানে ইংল্যান্ডকে আটকে রাখতে ১২ ওভারে মাত্র ২৭ রান দিয়ে ডেভিড গাওয়ার ও মাইক গ‍্যাটিংয়ের মতো গুরুত্বপূর্ণ দুটি উইকেট এবং পরে ব‍্যাট করতে নেমে দায়িত্বশীল ৪৬ রানের ইনিংস ভারতের স্বপ্ন ছোঁয়ার শেষ ধাপে এনে দাঁড় করিয়ে থিয়েছিল। ম‍্যাচের সেরা তাঁকে ছাড়া আর কাউকে ভাবার ছিল না, ভাবাও হয়নি।

কিন্তু, স্বপ্ন দেখা আর তাঁর বাস্তবায়নের মধ্যে জমিন-আশমান পার্থক্য থাকে। ফাইনালে সেই ক্লাইভ লয়েডের প্রায় অপরাজেয়,ভয়ঙ্কর ওয়েস্ট ইন্ডিজ। তাঁদের তৃতীয়বার বিশ্বজয় আটকাতে হলে অস্বাভাবিক কিছু করতে হবে। যদিও ভরসা বলতে গ্রুপ পর্বের ম‍্যাচে ওই দলের বিরুদ্ধেই জয় ছিল। টসে জিতে কিংবদন্তি লয়েড যখন ভারতকে প্রথমে ব‍্যাট করবার আমন্ত্রণ জানালো তখন বিশ্ব অস্বাভাবিকতা কিছুই দেখলো না বা আভাসও পেলো না।কয়েকটি ছোট ছোট ইনিংসে ভিত্তি করে ৫৫ ওভারের আগেই যখন ১৮৩ রানে আটকে গেলো ভারত, তখন বহু সমর্থকই আশা ছেড়ে দিয়েছেন। ওয়েস্ট ইন্ডিজ দলের উপর বুলডোজার চালালেন ওই অলরাউন্ডার। ভিভ রিচার্ডের অসাধারণ কিছু শট ছাড়া এমন মহান ব‍্যাটিং লাইন আপের কেউ দাঁড়াতেই পারলেন না। মাত্র ১৪০ রানে গুটিয়ে দিয়ে ভারত বিশ্বজয় করলো, যা পরবর্তীতে ভারতীয় ক্রিকেটের রূপরেখায় পাল্টে দিয়েছে।

আর সেই মহান অলরাউন্ডার প্রথম ক্রিকেটার হিসেবে বিশ্বকাপের সেমিফাইনাল ও ফাইনালে ম‍্যাচের সেরা হওয়ার কৃতিত্ব অর্জন করেন। লর্ডসের ব‍্যালকনিতে অধিনায়ক কপিলের সঙ্গে তাঁর বিশ্বকাপ হাতে ছবি ভারতীয় ক্রিকেট ফ্যানদের মনের মনিকোঠায় থেকে গিয়েছে।

ভারতের প্রথম টি-২০ বিশ্বকাপ জয়কে কুর্নিশ জানালো BCCI

স্পোর্টস ডেস্ক: ভারতীয় ক্রিকেট অনুরাগীদের জন্য ২৪ সেপ্টেম্বর দিনটিই বিশেষভাবে স্মরণীয়। আজকের তারিখে ভারত চির প্রতিদ্বন্দ্বী পাকিস্তানকে হারিয়ে প্রথম টি-২০ বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন হয়েছিল। পাক ক্রিকেটার মিসবা উল হকের একটা ভুল শট পুরো ভারতকে উৎসবে মেতে ওঠার সুযোগ করে দিয়েছিল, এম এস ধোনির অধিনায়কত্বতে ভারত প্রথম টি-২০ বিশ্বকাপের চ্যাম্পিয়ন হয়ে যায়,পাকিস্তানকে ৫ রানে হারিয়ে। এই দিনটিকে স্মরণ করে ভারতীয় ক্রিকেট কন্ট্রোল বোর্ড এক ট্যুইট করে ভিডিও পোস্ট করেছে।ট্যুইটে বিসিসিআই লিখেছে, “আজকের দিনে ২০০৭ সালে এম এস ধোনির নেতৃত্বতে টিম ইন্ডিয়া আইসিসি টি-২০ বিশ্বকাপ জিতে ইতিহাস রচনা করে।”

২০০৭ সালের ২৪ সেপ্টেম্বর দক্ষিণ আফ্রিকার জোহানসবার্গে প্রথম টি-২০ বিশ্বকাপের ফাইনাল ম্যাচ আয়োজিত হয়েছিল।টসে জিতে মহেন্দ্র সিংহ ধোনি প্রথমে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নেয়।ওপেনার গৌতম গম্ভীর প্রেস্টিজিয়ার্স এই ফাইনালে দুরন্ত ব্যাটিং করেছিলেন। ৫৪ বলে ৭৫ রানের ঝড়ো ব্যাটিং ভারতকে শক্ত ভিতের ওপরে শুধু দাঁড় করিয়ে দেয় শুধু তাইই নয়, পাকিস্তানের বিরুদ্ধে ভারতকে বড় স্কোর করার লক্ষ্যেও এগিয়ে দেয়।ভারতীয় ইনিংসের শেষের দিকে রোহিত শর্মা ব্যাট হাতে বাইশ গজে ঝলসে ওঠে। রোহিতের ১৬ বলে ৩০ রান, ভারতকে ২০ ওভারে ১৫৭ রানের বড় স্কোর তুলে দিয়ে পাকিস্তানকে কড়া চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে দেয়।

জবাবে ব্যাট করতে নেমে পাকিস্তান ইরফান পাঠানের ঘাতক বোলিং’র সামনে পড়ে ভ্যাবাচেকা খেয়ে যায়। ১৬ রানে ৩ উইকেট তুলে নিয়ে ইরফান পাঠান পাক ব্যাটিং লাইন আপের মেরুদণ্ড ভেঙে ফেলেন। পাকিস্তানের স্কোর তখন ৬ উইকেটে ৭৭ রান। কিন্তু একা কুম্ভ হয়ে দূর্গ রক্ষা করতে নেমে পড়েন মিসবা উল হক। মিসবা একা নিজের কাঁধে ভর করে পাকিস্তানের ইনিংস গোছানোর কাজে মন দেন,সঙ্গে ম্যাচকে শেষ পর্যন্ত এগিয়ে নিয়ে যান,ফলে প্রথম টি-২০ বিশ্বকাপ ফাইনাল রোমাঞ্চকর হয়ে ওঠে।

শেষ ওভারে পাকিস্তানকে জেতার জন্য ১৩ রানের দরকার ছিল।ক্যাপ্টেন ধোনি সেই সময়ে সকলকে চমকে দিয়ে জোগিন্দর শর্মার হাতে বল তুলে দেন,শেষ ওভার করার জন্য।পাকিস্তান এবং ভারতের জয়ের মাঝে শুধু মিসবা ছিল,কেননা পাকিস্তান ৯ উইকেট হারিয়ে ফেলেছিল।নন স্ট্রাইকার হিসেবে ছিলেন মহম্মদ আসিফ। জোগিন্দর শর্মা প্রথম ডেলিভারি ওয়াইড হয়েছিল। আর পরের বলে মিসবা উল হক লম্বা ছক্কা হেঁকে পুরো ভারতের শ্বাস আটকে দিয়েছিল।

পাকিস্তানকে জেতার জন্য ৪ বলে ৬ রানের দরকার ছিল।কিন্তু এই জায়গাতেই মিসবা উল হক ভুল শট খেলে ফেলেছিলেন,যে কারণে ভারত প্রথম টি-২০ বিশ্বকাপ চ্যাম্পিয়ন হয়ে যায়। জোগিন্দর শর্মার বলে মিসবা স্ক্রুপ শট খেলে বসেন।বল হাওয়ায় ভাসতে থাকে এবং শ্রীসন্থ বল লক্ষ্য করে বলের নীচে দাঁড়িয়ে সহজ ক্যাচ তালুবন্দী করে ফেলতেই ভারত প্রথম আইসিসি টি-২০ বিশ্বকাপ চ্যাম্পিয়ন হয়ে যায়।মিসবা উল হক এই ম্যাচে ৩৮ বলে ৪৩ রান করেন,এর মধ্যে ওভার বাউন্ডারি ছিল চারটে।

মুম্বইয়ের বিরুদ্ধে জিতেও স্বস্তিতে নেই কেকেআর, গুণতে হবে জরিমানা

স্পোর্টস ডেস্ক: করোনা আবহে আইপিএলের দ্বিতীয় পর্বে বৃ্হস্পতিবার মুম্বই ইন্ডিয়ান্স হেরেছে কলকাতা নাইট রাইডার্সের কাছে। দুরন্ত এমন জয়ের দিনেও হতাশ হওয়ার খবর এসেছে নাইট শিবিরের কাছে।স্লো ওভার রেটের কারণে মোটা অঙ্কের জরিমানা গুণতে হচ্ছে কেকেআর অধিনায়ক ইয়ন মর্গ্যানকে।

আরও পড়ুন IPL: আরসিবি ছাড়তে পারেন বিরাট, স্টেইনের মন্তব্যে তুঙ্গে কোহলির দলবদলের জল্পনা

আবুধাবিতে অনুষ্ঠিত হওয়া এই ম্যাচে মন্থর ওভার রেটের কারণে ২৪ লাখ টাকা জরিমানা করা হয় কেকেআর অধিনায়ক মর্গ্যানকে। মরশুমের দ্বিতীয় ওভার রেট শাস্তির কারণে তার জরিমানার অঙ্ক এত বড়। তাছাড়া দলের অন্য ক্রিকেটারদের ম্যাচ ফির ২৫ শতাংশ কিংবা ৬ লাখ টাকার মধ্যে অঙ্কে যেটা কম আসে, তা জরিমানা করা হয়েছে।

KKR vs MI Preview, IPL 2021: KKR vs MI head to head stats, pitch report,  playing 11 news | Cricket News - Times of India

রোহিত শর্মার দলকে কলকাতা হারিয়েছে ৭ উইকেটে। মুম্বাইয়ের ছুঁড়ে দেওয়া ১৫৫ রানের লক্ষ্য সহজেই ছুঁয়ে ফেলে কেকেআর। ১৫.১ ওভারে, তিন উইকেট হারিয়ে ১৫৯ রান তুলে নেয় নাইটরা। ২৯ বল বাকি থাকতেই ম্যাচ মুম্বই’র হাত থেকে ছিনিয়ে নেয় কেকেআর।

মুম্বই ইন্ডিয়ান্সের হয়ে অধিনায়ক রোহিত শর্মা ৩৩, কুইন্টন ডি’কক ৫৫ রান করেন। আর নাইট বাহিনীর হয়ে ভেঙ্কটেশ আইয়ার ৫৩, রাহুল ত্রিপাঠী অপরাজিত ৭৪ রান করেন।টসে জিতে কেকেআর ফিল্ডিংয়ের সিদ্ধান্ত নেয়। টানা দুই ম্যাচে জয়ের পর আইপিএলের পয়েন্ট টেবিলে কলকাতা এখন চারে। ৯ ম্যাচে তাদের সংগ্রহ ৮ পয়েন্ট।

আশা জাগিয়েও কলকাতা লিগে নেই ATK Mohun Bagan?

স্পোর্টস ডেস্ক: এএফসি কাপের গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হয়ে ইন্টারজোনাল সেমিফাইনাল খেলতে নেমেছিল এটিকে মোহনবাগান (ATK Mohun Bagan)। ‘এফসি নাসাফ উজবেকিস্তান’কে হারাতে পারলে ভারতীয় ক্লাব হিসেবে ইতিহাস গড়ার হাতছানি ছিল সবুজ-মেরুনের সামনে। ইতিহাস গড়া তো দূরের কথা, উলটে গোলের মালা পরে এএফসি কাপের অভিযান শেষ করেছে গঙ্গাপাড়ের ক্লাব। তারপরেই নাকি খেলোয়াড়দের ছুটি দিয়ে দিয়েছেন কোচ হাবাস। অর্থাৎ, এএফসি কাপে হারের পর এবার মোহনবাগানের কলকাতা লিগে অংশ নেওয়ার সম্ভাবনাও বিশ বাঁও জলে।

আরও পড়ুন কলকাতা লিগে নেই ইস্ট-মোহন, বাংলার ফুটবল বাঁচাতে এবার মুখ্যমন্ত্রীর দ্বারস্থ আইএফএ কর্তারা

প্রথমে ক্লাবের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছিল যে এএফসি কাপ এবং পরবর্তী আইএসএলের প্রস্তুতির জন্য কলকাতা লিগে অংশ নিতে পারবে না মোহনবাগান। যদিও পরে মোহনবাগান কর্তারা জানিয়েছিলেন যে হয়তো এএফসি কাপ খেলে এসে কলকাতা লিগের ম্যাচে নামবে দল। সবুজ-মেরুন কর্তারা আইএফএ-র মতোই চেয়েছিলেন ঐতিহ্যবাহী লিগে অংশ নিতে। নাসাফের কাছে হেরে সে সম্ভাবনা আরও উজ্জ্বল হয়। যদিও, এবার জানা যাচ্ছে দলের একাধিক খেলোয়াড়কে ছুটি দিয়ে দিয়েছেন কোচ আন্তোনীয় লোপেজ হাবাস। এবং তাঁর সেই সিদ্ধান্তের বিষয়ে একেবারেই জানতেন না মোহনবাগান কর্তারা। অন্যদিকে মালদ্বীপে সাফ কাপে ১ অক্টোবর থেকে খেলার জন্য ন্যাশনাল ক্যাম্পে যোগ দেবেন প্রীতম-সহ বেশ কয়েকজন ফুটবলার। ফলে তাঁদেরও পাওয়া যাবে না। এই খবর জানার পরই কলকাতা লিগ খেলার বিষয়ে ক্লাবের অবস্থান স্পষ্ট করতে বলেছেন আইএফএ কর্তারা। 

অতিমারীর কারণে গত বছর কলকাতা লিগ অনুষ্ঠিত হয়নি। এবারও দর্শকশূন্য মাঠেই কলকাতা লিগ আয়োজিত হচ্ছে। এসসি ইস্টবেঙ্গল আগেই জানিয়েছিল, তারা কলকাতা লিগে অংশ নেবে না। ফলে অন্তত মোহনবাগান মাঠে নামুক, সেই চেষ্টাই চালাচ্ছিলেন আইএফএ কর্তারা। 

২০১১ সালের এএফসি কাপ চ্যাম্পিয়ন নাসাফ এফসির বিরুদ্ধে মাঠে ভালো ফল করার বিষয়ে আশাবাদী ছিলেন কোচ হাবাস। ম্যাচের আগে বলেছিলেন, “বিশ্বে কোনও কোচই জয়ের নিশ্চয়তা দিতে পারে না। তবে দুবাইয়ে আমাদের প্রস্তুতি বেশ ভাল হয়েছে। নাসাফ যে যথেষ্ট শক্তিশালী, তা আমাদের মাথায় আছে। ওদের হারানোর মতো ক্ষমতা আমাদের আছে।” যদিও ম্যাচের নব্বই মিনিটে দেখা গিয়েছে ঠিক উলটো ছবি। লজ্জার হার মাথায় নিয়ে মাঠ ছেড়েছে দল। দলের খেলোয়াড়দের চাঙ্গা করতেই নাকি তাদের ছুটি দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন কোচ। 

Durand Cup: গোকুলাম বধ করে শেষ চারে মহমেডান

স্পোর্টস ডেস্ক: একদিন আগেই উজবেকিস্তানের নাসাফ এফসির কাছে নাস্তানাবুদ হয়েছে এটিকে মোহনবাগান। এএফসি কাপের ইন্টারজোনাল সেমিফাইনালে ছ’গোল খেয়ে টুর্নামেন্ট অভিযান শেষ করেছে তারা। কিন্তু তার পরদিনই অন্য ফর্মে শহরের আরেক প্রধান। বিবেকানন্দ যুবভারতী ক্রীড়াঙ্গনে মহমেডান স্পোর্টিং ক্লাব ডুরান্ড কাপের (Durand Cup) গতবারের চ্যাম্পিয়ন গোকুলাম কেরালা এফসিকে ১-০ গোলে হারিয়ে সেমিফাইনালে উঠেছে। মার্কাস জোসেফ 88 মিনিটের মাথায় ম্যাচের একমাত্র গোলটি করেন।

আরও পড়ুন: এএফসির টিকিটে শুধুই Mohun Bagan, ATK উধাও হওয়ায় উচ্ছ্বসিত সবুজ-মেরুন সমর্থকরা


আরও পড়ুন: নাসাফে নাজেহাল ATK Mohun Bagan, হাফডজন গোল খেয়ে শেষ AFC Cup অভিযান

পিছন থেকে খেলে, সাদা কালো শিবিরের কোচ আন্দ্রে চের্নিশভের উচু বলে পাস বাড়ানোর টার্গেট বারে বারে ধাক্কা খাচ্ছিল। কারণ, গোকুলাম ডিফেন্সে থাকা বউবা আমিনো, ক্যারিবিয়ান ফরোয়ার্ডকে লক্ষ্য করে লম্বা বল এবং ক্রস খুঁজতে একটু অসুবিধা হয়েছিল।

Mohammedan SC in the semis of Durand Cup

চলতি ডুরান্ডে তিন ম্যাচে হারের যন্ত্রণা নিয়ে ব্ল্যাক প্যান্থার্সেরা টগবগ করে ফুটছিল জয়ের মুখ দেখার জন্যে। ৪০ মিনিটের মাথায় গোকুলামের গোল অফসাইডের কারণে বাতিল হয়। এরপর বল পেয়ে প্রতি আক্রমণে উঠে আসে মহমেডান। এই প্রতি আক্রমণে উঠে আসায় গোকুলামের ডিফেন্স লাইন কেঁপে ওঠে। প্রতি আক্রমণের ঢেউ সামলাতে পারেনি গতবারের ডুরান্ড চ্যাম্পিয়নরা। এই সুযোগে দুরন্ত গোল করেন মার্কাস জোসেফ। মহামেডান স্পোর্টিং ক্লাব ১-০ গোলে এগিয়ে যায়।

আরও পড়ুন: মোহনবাগানের শিল্ড জেতা ছাড়াও ১৯১১ সালে আরও দু’টি ঘটনা ঘটেছিল


আরও পড়ুন: ATK-নাম মোছার দাবিতে এবার বিক্ষোভের পথে সবুজ-মেরুন জনতা

এরপর গোকুলাম এফসিও গোলের সমতায় ফিরে আসার চেষ্টা করে। কিন্তু গোলের লকগেট খুলতে পারেনি। মহামেডানের জমাট ডিফেন্স ভেদ করতে বারে বারে ব্যর্থ হতে হয়। রেফারি শেষ বাঁশি বাজতেই কোয়ার্টার ফাইনালে দারুণ জয় ছিনিয়ে নেয় মহমেডান স্পোর্টিং ক্লাব। ডুরান্ডের সেমিফাইনালে পৌছে যায় সাদা কালো শিবির।

এবার সফর বাতিল করতে পারে ওয়েস্ট ইন্ডিজ, চাপ বাড়ছে পিসিবির

স্পোর্টস ডেস্ক: পাকিস্তানের ক্রিকেট আকাশে নিম্নচাপ অক্ষরেখা ক্রমেই গভীর নিম্নচাপের রুপ ধারণ করেই চলেছে। নিউজিল্যান্ড, ইংল্যান্ড নিরাপত্তার কারণ দেখিয়ে পাকিস্তান সফর বাতিল করেছে। আগামী বছর অর্থাৎ ২০২২ সালের ফেব্রুয়ারি -মার্চ মাসে অস্ট্রেলিয়ার পূর্ণাঙ্গ পাকিস্তান সফরসূচী রয়েছে। এখন এই সফরসূচী ঘিরেও টালবাহানা দেখা দিয়েছে। ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়া জানিয়েছে,আমরা পরিস্থিতির ওপর নজর রাখছি। আবার ওয়েস্ট ইণ্ডিজের পাকিস্তান সফর রয়েছে ডিসেম্বরে।

ওয়েস্ট ইণ্ডিজ পাকিস্তানের বিরুদ্ধে ৯ থেকে ডিসেম্বর সফর শুরু করবে। সফর তিন ওডিআই এবং সমসংখ্যক টি-২০ ম্যাচ খেলবে, সফরসূচী এইভাবেই নির্দিষ্ট রয়েছে। কিন্তু সাম্প্রতিক সময়ে যেভাবে পাক মাটিতে নিউজিল্যান্ড, ইংল্যাণ্ড সিরিজ খেলা নিয়ে মুখ ফিরিয়ে নিয়েছে তাতে করে অস্বস্তির মধ্যে রয়েছে পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড (পিসিবি)। এখন ক্রিকেট ওয়েস্ট ইণ্ডিজ বোর্ডের মুখ্য কার্যকারী আধিকারিক জনি গ্রেব খোলসা করতে গিয়ে জানিয়েছেন, নির্দিষ্ট সময়ে পাকিস্তান সফর নিয়ে তারা পিসিবি’র সঙ্গে যোগাযোগে রয়েছে।

অন্যদিকে পিসিবি সূত্রে খবর,তারা আশাবাদী ক্যারিবিয়ান সফর হবে নির্দিষ্ট সময়ে।নিউজিল্যান্ড এবং ইংল্যাণ্ড পাকিস্তান সফর বাতিল করায় পাক ক্রিকেট বোর্ডকে বড়সড় আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়তে হয়েছে।

জনি গ্রেব বলেন,পাক ক্রিকেট বোর্ডের সিইও ওয়াসিম খানের সঙ্গে কথাবার্তা চলছে।সঙ্গে গ্রেব জুড়ে দিয়েছেন,ক্যারিবিয়ান পুরুষ এবং মহিলা দলের সফরের আগে পাকিস্তানের মাটিতে টিমের নিরাপত্তা বিষয়ে খুঁটিনাটি সবকিছুর খোঁজখবর নেওয়া হবে। জনি গ্রেব এও বলেন,”মঙ্গলবার ওয়াসিম খানের সঙ্গে আমার টেলিফোনে কথা হয়েছে।গত সপ্তাহে যা কিছু হয়েছে,তা নিয়ে খোঁজখবর নিচ্ছিলাম। এই সপ্তাহের মধ্যে আমাদের সিদ্ধান্ত নিতে হবে।আমরা পুরুষ এবং মহিলা দলের নির্দিষ্ট সফরসূচী নিয়ে চিন্তাভাবনা করবো।”

জনি গ্রেব আরও জানিয়েছেন, “এন্টিগাটে ক্যাম্প করা হবে,এখানে টি-২০ বিশ্বকাপ এবং টেস্ট দলের সদস্যরা ক্যাম্পে যোগ দেবে।এরপর শ্রীলঙ্কা সফরে যাওয়া হবে। ওয়েস্ট ইণ্ডিজের পুরুষ ক্রিকেট দল ৯ ডিসেম্বর থেকে সফর শুরু করবে পাকিস্তানে, তাই হাতে এখনও সময় আছে চিন্তা করার। আমরা সফর কালে কোভিড-১৯ বিধিনিষেধ এবং কোয়ারিন্টিন নিয়ে বিশেষভাবে নজর দিচ্ছি।আইসিসি’র নিয়ম মেনে প্রত্যেক টিমের জন্য বিশেষ আলাদা ধরনের নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে কথাবার্তা চলছে।”

পিসিবি আশাবাদী নির্দিষ্ট সময়ে ক্যারিবিয়ান সফর পাক মাটিতে হলে অস্ট্রেলিয়াও পাক সফরে আসতে মন থেকে রাজি হবে।ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়া ইতিমধ্যেই জানিয়ে দিয়েছে, তারা পাকিস্তান সফরে টিম পাঠাতে চায়, কিন্তু পরিস্থিতির কারণে অনিশ্চয়তার কালো মেঘ ঘনীভূত হয়ে রয়েছে পাক ক্রিকেটের আকাশে। 

IPL: ফর্মে ফিরতে মরিয়া ক্যাপ্টেন কোহলি

স্পোর্টস ডেস্ক: চলতি আইপিএলের (IPL) দ্বিতীয় পর্বে ক্যাপ্টেন বিরাট কোহলীর নেতৃত্বে রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরুর সময়টা মোটেও ভাল যাচ্ছে না। কলকাতা নাইট রাইডার্সের বিরুদ্ধে একতরফা হারের মুখ দেখতে হয়েছিল আরসিবি’কে। মাত্র ৯২ রানেই আরসিবি’র ব্যাটিং লাইন আপ গুটিয়ে যায়। যা আইপিএলের ইতিহাসে আরসিবি’র ষষ্ঠতম সবচেয়ে কম স্কোর। একইভাবে ক্যাপ্টেন কোহলীর ব্যাটও মুখ বন্ধ। মাত্র ৫ রান করেছেন ওই ম্যাচে। আগামী ২৪ সেপ্টেম্বর আরসিবি’র ম্যাচ রয়েছে চেন্নাই সুপার কিংসের বিরুদ্ধে। এই ম্যাচের আগে নিজের ফর্মে ফিরে আসতে মরিয়া বিরাট।

আরও পড়ুন অধিনায়কোচিত মনোভাবের অভাব, বিরাটের বিরুদ্ধে নালিশ গেল শাহের কাছে

সিএসকে’র বিরুদ্ধে ফর্মে ফেরার তাগিদে বিরাট নেট সেশনের পরেও দীর্ঘক্ষণ নেটে ঘাম ঝড়িয়েছেন। ক্রিজে ব্যাট করার সময়ে ডেলিভারির সঙ্গে পায়ের মুভমেন্টের ওপর বেশি করে নজর দিয়েছেন। বিরাটের ফর্মে ফেরার এই তাগিদ এবং একাগ্রতা আরসিবি কোচ মাইক হেসেনকে বিশেষভাবে অনুপ্রাণিত করেছে।

আরসিবি কোচের কথায়, বিরাট লম্বা সময় নেট সেশনে নিজের ব্যাটিং’র প্রতি মন দিয়েছেন। আমার মনে হচ্ছে সিএসকে’র বিরুদ্ধে বিরাট ছন্দ ফিরে পাবে এবং বিরাট নিজেও রান করতে মরিয়া।

আরসিবি কোচ আরও বলেন, “বিরাট অনেকবার লম্বা নেট সেশন নিয়েছেন। আমাদের কিছু ব্যাটসম্যান অতিরিক্ত সুযোগের অপেক্ষায় থাকে। বিরাট ভাল ব্যাটিং পারফর্ম করার জন্য উদগ্রীব এবং উনি এই ধরনের সেশন পচ্ছন্দ করেন, যাতে নিজের ছন্দে ফিরে আসতে পারেন। আমি এটাই বলতে চাই যে আমার মনে হচ্ছে উনি নিজের ছন্দ ফিরে পাবেন।”

ইতিমধ্যেই রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরুর অধিনায়ক জানিয়েছেন চলতি মরশুম পর্যন্ত তিনি রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরুর অধিনায়ক থাকবেন, পরের আইপিএল মরশুমে তিনি আরসিবি’র অধিনায়ক থাকবেন না। এরই সঙ্গে বিরাটের বক্তব্য এসেছে আইপিএল কেরিয়ারে তিনি রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরুর হয়ে খেলা চালিয়ে যাবেন কিনা সেই প্রসঙ্গেও। নিজের শেষ আইপিএল ম্যাচ আরসিবি’র হয়েই খেলতে চান বলে জানিয়েছেন তিনি।

Football: মেসিকে পেছনে ফেললেন রোনাল্ডো

স্পোর্টস ডেস্ক: ফুটবল (Football) বিশ্বের চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী দুই তারকা লিওনেল মেসি ও ক্রিশ্চিয়ানো রোনাল্ডো। ফুটবল মাঠে ব্যালন ডি’অর-সহ নানা অন্যান্য রেকর্ডেও দারুণ প্রতিদ্বন্দ্বিতা দেখা যায় দুজনের মধ্যে। এবার সেই দ্বন্দ্বেই মেসিকে ছাঁপিয়ে গেলেন রোনাল্ডো। যদিও তা মাঠের বাইরের লড়াইয়ে।

এক যুগ পর ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডে ফিরে প্রথম তিন ম্যাচে চার গোল করেছেন সিআর সেভেন। অন্যদিকে বার্সেলোনা ছেড়ে পিএসজিতে যোগ দিয়ে নিজেকে এখনো মেলে ধরতে পারেননি মেসি। এবার লিও মেসিকে পিছনে ফেলে বিশ্বের সর্বাধিক আয় করা ফুটবলারের শিরোপাও অর্জন করলেন পর্তুগিজ তারকা। ফোর্বস ম্যাগাজিনের তালিকায় একনম্বরে আছেন রোনাল্ডো। ২০২০ সালে এই স্থানে ছিলেন মেসি। এবার রোনাল্ডো এগিয়ে গেলেন সেই তালিকায়।

২০২১-২২ মরশুমে সবচেয়ে বেশি আয় করা ফুটবলারদের তালিকা প্রকাশ করেছে ফোর্বস। ২০২১-২২ মরসুমে তাঁর আয় প্রায় ১২৫ মিলিয়ন ডলার। ক্লাব ফুটবল এবং জাতীয় দল মিলিয়ে রোনাল্ডোর আয় ৭০ মিলিয়ন ডলার। বাকি ৫৫ মিলিয়ন ডলার বিজ্ঞাপনে। মেসির মোট আয় ১১০ মিলিয়ন ডলার। তারমধ্যে ৭৫ মিলিয়ন ডলার রোজগার ফুটবল থেকে। বাকি ৩৫ মিলিয়ন ডলার বিজ্ঞাপন থেকে আসবে। যদিও এ মুহূর্তে ফুটবলবিশ্বে সর্বোচ্চ বেতন পান মেসি। কমার্শিয়াল থেকে করা রোজগারেই মেসিকে ছাড়িয়ে গিয়েছেন সিআর সেভেন।

আরও পড়ুন রোনাল্ডোকে ছাপিয়ে নতুন রেকর্ড মেসি’র

যদিও বিজ্ঞাপন থেকে করা রোজগারের তালিকায় রোনাল্ডোর আগে রয়েছেন আরও তিনজন ক্রীড়াবিদ। সুইস টেনিস তারকা রজার ফেডেরার (৯০ মিলিয়ন ডলার), মার্কিন বাস্কেটবল তারকা লেব্রন জেমস (৬৫ মিলিয়ন ডলার) ও মার্কিন গলফার টাইগার উডস (৬০ মিলিয়ন ডলার)।

মোট আয়ের তালিকায় তৃতীয় স্থানে আছেন নেইমার। রোনাল্ডো, মেসি, নেইমার ছাড়াও ফোর্বসের তালিকায় আরও অনেক ফুটবলার রয়েছে। টপ টেনে রয়েছেন এমবাপে (৪৩ মিলিয়ন ডলার), লেওয়নডোস্কি (৩৫ মিলিয়ন ডলার), ইনিয়েস্তা (৩৫ মিলিয়ন ডলার), পল পোগবা (৩৪ মিলিয়ন ডলার), গ্যারেথ বেল (৩২ মিলিয়ন ডলার) ও এডেন হ্যাজার্ড (২৯ মিলিয়ন ডলার)।

দারিদ্রতাকে ডজ করেই বিশ্বসেরা হয়েছেন এই রোনাল্ডো

Ronaldo Luis Nazario

বিশেষ প্রতিবেদন: দারিদ্রতাকে হার মানিয়ে তিনি পাঠিয়েছেন বিপক্ষের জালে। তিনি রোনাল্ডো লুইস নাজারিও। সর্বকালের সেরা নাম্বার নাইন।

১৯৭৬ সালের ২২ সেপ্টেম্বর রিও ডি জেনেইরোর হতদরিদ্র ঘরে জন্ম হয় রোনাল্ডোর। বাবা নেলিও নাজারিও দি লিমা ও মা সোনিয়া দোস সান্তোস বারাতার। জন্মের পর ছেলের নাম রেজিস্ট্রেশন করার টাকাও নেই। সেটা করতে অনেক সময় লেগেছিল। রোনাল্ডোর বয়স তখন ১১। তার বাবা মায়ের বিচ্ছেদ হয়ে যায়। পড়াশোনা তো অনেক দূরের কথা, দু-মুঠো খাবার জোগাড় হওয়া দায়। হাত পাতেননি কারও কাছে।

ব্রাজিলে যার কিছু না থাকে তার কাছে ফুটবল থাকে। সেটাই ছিল রোনাল্ডোর কাছে। সেটাকে সম্বল করেই শুরু হয় দারিদ্রতাকে হার মানানোর লড়াই। খেলতে শুরু করেন স্ট্রিট ফুটবল। আর কে না জানে সাম্বার দেশের রোনাল্ডো মানে ‘বল দখল তো গোল দখল’। সেটাই করতে শুরু করেন ব্রাজিলের স্ট্রিট ফুটবল প্রতিযোগিতাগুলিতে। ধীরে রাস্তা থেকে সুযোগ মেলে স্থানীয় ক্লাবে। শুরু হয় খেপ খেলা।

Ronaldo Luis Nazario

স্থানীয় ক্লাব সাও ক্রিস্তোভাও-এ খেলার সময় ব্রাজিলের ঘরোয়া লিগের বিখ্যাত ক্রুইজেরো ক্লাবের নজরে আসেন। জীবনের গতিপথ পালটে যায় এখানেই। ২৫শে মে, ১৯৯৩ সালে মাত্র ১৬ বছর ‘মিনাস গেরিয়াস চ্যাম্পিয়ন্সশিপে’ ক্যালডেন্সের হয়ে পেশাদার ফুটবলে রোনাল্ডোর অভিষেক হয়। প্রথম নজরে আসেন ৭ নভেম্বর ১৯৯৩ সালে ব্রাজিলিয়ান ক্লাব বাহিয়ার বিপক্ষে এক ম্যাচে একাই ৫ গোল করে।

বদলে যায় জীবন। ক্রুইজে থেকে ডাচ ক্লাব পিএসভি হয়ে ১৭ মিলিয়ন ডলারে পিএসভি থেকে বার্সেলোনায়। প্রথম সিজনেই করেন ৪৯ ম্যাচে ৪৭ গোল। বার্সার হয়ে জেতেন উয়েফা কাপ,কোপা ডেল রে,সুপার কোপা ডি ইস্পানা। পরে খেলেছেন ইন্টার মিলান , রিয়েল মাদ্রিদের , এসি মিলনের মতো বড় ক্লাবে।

কিন্তু যে কিশোরের দল তাঁর ফুটবল দেখে ভক্ত হয়েছেন সেটা কিন্তু এই ক্লাব ফুটবল নয়। ব্রাজিলের জার্সিতে তাঁর করা একের পর এক গোল দেখে। ডি বক্সে তাঁর পায়ে বল মানে গোল।

Ronaldo Luis Nazario

আন্তর্জাতিক ফুটবলে খুব কম ফুটবলারই রোনাল্ডোর মত এতটা সফল হয়েছেন। ফুটবল বিশ্বকাপের ইতিহাসে মাত্র তিনজন ফুটবলার দুইটি ভিন্ন টুর্নামেন্টে সর্বোচ্চ গোলদাতা ও সেরা খেলোয়াড়ের পুরস্কার জিতেছেন, রোনাল্ডো তাদের একজন। ফুটবলে মাত্র একজন খেলোয়াড়ই বিশ্বকাপের দুটি ভিন্ন টুর্নামেন্টে সর্বোচ্চ গোলদাতা এবং সেরা খেলোয়াড় হয়েছেন।

১৯৯৪ সালের মাত্র ১৭ বছর বয়সেই চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী আর্জেন্টিনার সাথে আন্তর্জাতিক প্রীতি ম্যাচে ব্রাজিলের আন্তর্জাতিক ফুটবল দলের হয়ে রোনাল্ডোর অভিষেক হয়। ১৯৯৪ সালে আইসলেন্ডের সাথে তিনি ব্রাজিলের হয়ে প্রথম গোল করেন। এখনও পর্যন্ত ব্রাজিলের হয়ে পেলের পর সর্বোচ্চ গোলদাতা তিনি। করেছেন ৯৮ ম্যাচে ৬২টি গোল।

১৯৯৭ কোপা আমেরিকার সেরা খেলোয়াড় ছিলেন। ৯৯-এর কোপায় হয়েছিলেন সর্বোচ্চ গোলদাতা। ব্রাজিলের তিনটি ইন্টারন্যাশনাল শিরোপা জয়ে জয়ে দুবারই টুর্নামেন্টের সেরা খেলোয়াড়, দুবার সর্বোচ্চ গোলদাতা, একবার রানার্স আপ, এবং যে তিনটি ফাইনাল খেলেছেন তাঁর প্রত্যেকটিতেই গোল করেছেন। ১৯৯৪ বিশ্বকাপের জয়ী দলের সদস্য তিনি। ১৯৯৮ ফাইনাল এবং ২০০২ এ ব্রাজিলের বিশ্ব জয়ের অন্যতম কারিগর ছিলেন তিনি। আর ফাইনালের সেই দুই গোল। অলিভার কান, যিনি অপ্রতিরোধ্য এক দেওয়াল হয়ে উঠেছিলেন প্রত্যেক স্ট্রাইকারের বিরুদ্ধে , সেই তিনি দু’দুবার হার মানেন রোনাল্ডোর কাছে। চারটে বিশ্বকাপ খেলে তিনবার ফাইনাল, দুবার বিশ্বকাপ জয়। নিজে করেছেন ১৫টা গোল। কার আছে এমন রেকর্ড?

আর এই কারণেই তিনি ফুটবলের ইতিহাসের সর্বকালের সেরা নাম্বার নাইন। সর্বকালের সেরা স্ট্রাইকার বললেও ভুল হবে না। ১৭ বছর ধরে বিপক্ষের রক্ষণভাগকে বোকা বানিয়ে যিনি এত গোল করেছেন তাঁকে সেরা স্ট্রাইকার কেন বলা হবে না? দু’টি বিশ্বকাপ, দু’টি কোপা আমেরিকা, দু’বার ব্যালন ডি’অরের সঙ্গে পেয়েছেন তিন বার ফিফা বর্ষসেরা ফুটবলারের পুরস্কার। ২০১১ সালের ৭ জুন, ব্রাজিলের সাও পাওলোতে রোমানিয়ার বিরুদ্ধে এক আন্তর্জাতিক প্রীতি ম্যাচ খেলে আন্তর্জাতিক ফুটবলে নিজের বর্ণাঢ্য কেরিয়ারের সমাপ্তি টানেন তিনি।

Durand Cup: খরা কাটাতে আত্মবিশ্বাসী মহামেডান স্পোর্টিং

Mohammedan Sporting Club

স্পোর্টস ডেস্ক: আগামীকাল, বৃ্হস্পতিবার যুবভারতী ক্রীড়াঙ্গনে খেলতে নামছে মহামেডান স্পোর্টিং ক্লাব৷ বিপক্ষে গোকুলাম কেরালা এফসি। কেরালার এই ক্লাব গত বছরেও ডুরান্ড কাপ চ্যাম্পিয়ন হয়েছিল।

সাদা-কালো শিবির ডুরান্ড কাপ চ্যাম্পিয়ন হয়েছিল ১৯৪০ সালে প্রথমবার। ভারত তখন পরাধীন, ইংরেজ উপনিবেশ কায়েম।ব্রিটিশ রেজিমেন্ট দল রয়্যাল ওয়ার্কশিয়র রেজিমেন্টকে ২-১ গোলে হারিয়ে প্রথম বার ডুরান্ড ট্রফি নিজেদের ক্লাব তাঁবুতে তুলে আনে। মহামেডান স্পোর্টিং ক্লাব মোট তিন বার ডুরান্ডের ফাইনালে পৌছলেও মাত্র ২ বারই ট্রফি জিতেছে। ২০১৩ সালে তারা সর্বশেষ চ্যাম্পিয়ন হয়৷

১৩৩ বছরের প্রাচীন এই ফুটবল টুর্নামেন্ট বিশ্বের তৃতীয় পুরনো ফুটবল টুর্নামেন্টের মধ্যে অন্যতম। ইংলিশ এফ এ কাপ এবং স্কটিশ এফ এ কাপ বিশ্বের প্রাচীন ফুটবল টুর্নামেন্টের মধ্যে পড়ে।

Mohammedan Sporting Club

মহামেডান কোচ আন্দ্রে চের্নিসভ ডুরান্ড কাপ শুরু হওয়ার আগে থেকেই বেশ আত্মবিশ্বাসী ছিলেন। স্থানীয় দল হিসেবে মহামেডান স্পোর্টিং ক্লাব একমাত্র ডুরান্ড কাপে অংশ নিচ্ছে,তাই প্রত্যাশাও আকাশ ছোঁয়া। এই নিয়ে ব্ল্যাক প্যান্থার্সের রাশিয়ান কোচ জানিয়েছেন,”প্রতিটি খেলা এবং প্রতিটি টুর্নামেন্টে চাপ থাকে। ভক্ত এবং ক্লাবের ব্যবস্থাপনা আমাদের কাছ থেকে জয় আশা করে। আমরা এই বিষয়ে খেলোয়াড়দের সাথে অনেক কথা বলি এবং তারা এর জন্য প্রস্তুত।”

প্রস্তুতিতে কোনও খামতি ছিল না এবং ফুটবলারেরা গোটা টুর্নামেন্টে নিজেদের সেরাটা নিঙড়ে দিয়ে কোয়াটার ফাইনাল স্টেজে উঠে এসেছে তা সাদা কালো শিবিরের কোচ আন্দ্রে চের্নিসভের বক্তব্যকেই তুলে ধরে। মহামেডান কোচের সাফ কথা গোটা মরশুম নিয়ে তিনি এখনই কোনও চিন্তা ভাবনা করছেন না। এখন ফোকাস শুধুই ডুরান্ড কাপ।

Mohammedan Sporting Club

কলকাতার যুবভারতী ক্রীড়াঙ্গন,মোহনবাগান ক্লাব মাঠ এবং কল্যাণী স্টেডিয়াম এই তিন ভেন্যুতে চলতি ডুরান্ড কাপ আয়োজিত হচ্ছে। ১৮৮৮ সালে হিমাচল প্রদেশের সিমলায় ডুরান্ড কাপ প্রথম আয়োজিত হয়। প্রথম বার ডুরান্ড কাপ চ্যাম্পিয়ন হয়েছিল রয়্যাল স্কটশ ফুসিলারস।২-১ গোলে তারা হারিয়েছিল হাইল্যান্ড লাইট ইনফ্রেন্টিকে। প্রথম ও দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ, দেশবিভাগের সময়ে এবং ভারত -চীন যুদ্ধের সময়ে ডুরান্ড কাপ সাময়িক ভাবে স্থগিত করা হয়েছিল।

ব্রিটিশ শাসনে বিদেশ সচিব মরটিমার ডুরান্ডের নামে ডুরান্ড ফুটবল টুর্নামেন্ট সোসাইটি এই ফুটবল টুর্নামেন্ট শুরু করে। ভারত স্বাধীন হওয়ার পর ভারতীয় সেনাবাহিনী এই টুর্নামেন্টের দায়িত্বতে। ১৯৪০ সালে ডুরান্ডের ভেন্যুতে বদল আসে এবং তা দিল্লীতে আয়োজিত হতে শুরু করে।

ইস্টবেঙ্গল এবং মোহনবাগান দুই চির প্রতিদ্বন্দ্বী ডুরান্ড কাপ চ্যাম্পিয়ন হয়েছে বিগত সময়ে।দুই আর্চ রাইভাল ১৬ বার করে ডুরান্ড ট্রফি নিজেদের ক্লাব তাঁবুতে তুলে এনেছে। সবথেকে বেশি ২৮ বার ডুরান্ড কাপ ফাইনাল খেলেছে সবুজ মেরুন শিবির। ডুরান্ডে সবথেকে বড় ব্যবধানে জয় এসেছে ১৮৮৯ সালে,হাইল্যান্ড লাইট ইনফ্রেন্টি ৮-১ গোলে হারিয়েছিল সিমলা রাইফেলসকে(দ্বিতীয় পাঞ্জাব ভলেন্টিয়ার্স রাইফেল কুপর্স)। আগামীকাল দুপুর ২ টোর সময়ে মহামেডান স্পোর্টিং ক্লাব যুবভারতী ক্রীড়াঙ্গনে খেলতে নামবে গোকুলাম কেরালা এফ সি’র বিরুদ্ধে।

নাসাফে নাজেহাল ATK Mohun Bagan, হাফডজন গোল খেয়ে শেষ AFC Cup অভিযান

afc cup

অনুভব খাসনবীশ: এএফসি কাপের গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হয়ে ইন্টারজোনাল সেমিফাইনাল খেলতে নেমেছিল এটিকে মোহনবাগান (ATK Mohun Bagan)। ‘এফসি নাসাফ উজবেকিস্তান’কে হারাতে পারলে ভারতীয় ক্লাব হিসেবে ইতিহাস গড়ার হাতছানি ছিল সবুজ-মেরুনের সামনে। ইতিহাস গড়া তো দূরের কথা, উলটে গোলের মালা পরে এএফসি কাপের অভিযান শেষ করল গঙ্গাপাড়ের ক্লাব।

Image

আরও পড়ুন ATK-নাম মোছার দাবিতে এবার বিক্ষোভের পথে সবুজ-মেরুন জনতা

১৯৮৬ সালে প্রতিষ্ঠিত এফসি এফসি নাসাফ উজবেকিস্তান সুপার লিগে কারশি শহরের প্রতিনিধিত্ব করে। উজবেকিস্তানের অন্যতম সফল ক্লাব তাদের সমর্থকদের কাছে “ড্রাগন” নামে বেশি জনপ্রিয়। গত মরশুমে উজবেক লিগে দ্বিতীয় স্থানে শেষ করে তারা। এর আগে দু’বার এএফসি কাপে অংশগ্রহন করেছে তারা। ২০১১ সালে এএফসি কাপ চ্যাম্পিয়নও হয়েছে। ফলে তাদের বিরুদ্ধে ম্যাচ যথেষ্ট কঠিন ছিল।

আরও পড়ুন এএফসির টিকিটে শুধুই Mohun Bagan, ATK উধাও হওয়ায় উচ্ছ্বসিত সবুজ-মেরুন সমর্থকরা

যদিও মাঠে ভালো ফল করার বিষয়ে আশাবাদী ছিলেন কোচ হাবাস। ম্যাচের আগে বলেছিলেন, “বিশ্বে কোনও কোচই জয়ের নিশ্চয়তা দিতে পারে না। তবে দুবাইয়ে আমাদের প্রস্তুতি বেশ ভাল হয়েছে। নাসাফ যে যথেষ্ট শক্তিশালী, তা আমাদের মাথায় আছে। ওদের হারানোর মতো ক্ষমতা আমাদের আছে।” যদিও ম্যাচের নব্বই মিনিটে দেখা গেল ঠিক উলটো ছবি।

গোটা ম্যাচেই এটিকে মোহনবাগানকে কার্যত নাচিয়েছে এফসি নাসাফ। প্রথমার্ধেই পাঁচ গোলে পিছিয়ে পড়ে সবুজ-মেরুন। ম্যাচের তিন মিনিটে ম্যাখিউ-প্রীতমের ভুল বোঝাবুঝিতে আত্মঘাতী গোল খাওয়ার পর হ্যাটট্রিক করে যান নাসাফের স্ট্রাইকার হুসেন নরকায়েভ। পেনাল্টি মিস না করলে প্রথমার্ধেই একডজন গোল হজম করতে হতো গঙ্গাপাড়ের ক্লাবকে। দ্বিতীয়ার্ধে আক্রমণে খানিক রাশ টানে উজবেকিস্তানের ক্লাব। ফলে ম্যাচের ৭১ মিনিটে ডোনিয়েরের গোল ছাড়া আর গোল হজম করতে হয়নি মোহনবাগানকে।

ম্যাচের পরেই প্রশ্ন উঠে গেল আন্তোনীয় লোপেজ হাবাসের স্ট্র্যাটেজি নিয়ে। প্রথম এগারোয় শেখ সাহিল, আশুতোষ মেহতাকে দেখে অবাক হয়েছিলেন অনেক ফুটবল বিশেষজ্ঞই। গোটা ম্যাচে আশুতোষ মেহতার নড়বড়ে পারফর্ম্যান্সের পরেও মাঠেই নামালেন না প্রবীর দাস, সুমিত রাঠিকে।