চাকরি থেকে বরখাস্ত হওয়ায় বাইডেনকে খুনের পরিকল্পনা, ধৃত যুবক

California man Kuachua Brillion Xiong

নিউজ ডেস্ক: মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনকে (Joe Biden) হত্যা করে তিনি প্রতিশোধ নিতে চেয়েছিলেন। কিন্তু গাড়ি চালিয়ে হোয়াইট হাউসে (white house) ঢোকার আগেই কুয়াচুয়া ব্রিলিয়ন (Brilion) জিওয়ং নামে এক যুবককে গ্রেফতার করল পুলিশ।

প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে ব্রিলিয়ন জানিয়েছে, কিছুদিন আগে বিনা কারণেই তাঁকে চাকরি থেকে বরখাস্ত (Sack) করা হয়। কাজ হারিয়ে তাঁর মাথার ঠিক ছিল না। সে কারণেই ব্রিলিয়ন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন-সহ সরকারের শীর্ষ কর্তাদের খুন করার পরিকল্পনা করেছিল। এজন্য প্রচুর পরিমাণ অস্ত্রশস্ত্রও জোগাড় করেছিল সে। যদিও শেষ পর্যন্ত তাঁর পরিকল্পনা সফল হয়নি। বিলিয়ন ক্যালিফোর্নিয়ার বাসিন্দা।

পুলিশ জানিয়েছে, ব্রিলিয়ন ক্যালিফোর্নিয়ার এক সুপার মলে চাকরি করতেন। কিন্তু সম্প্রতি তাঁকে চাকরি থেকে বরখাস্ত করা হয়। এরপর ২১ ডিসেম্বর ক্যালিফোর্নিয়া থেকে অত্যাধুনিক অস্ত্র ও গোলাবারুদ নিয়ে বেপরোয়াভাবে গাড়ি চালিয়ে হোয়াইট হাউসের দিকে এগোতে থাকেন তিনি। তাঁর গতিবিধি সন্দেহ হওয়ায় আইওয়ার কাস কাউন্টি থেকে পুলিশ তাঁকে আটক করে। আপাতত জেল হয়েছে ব্রিলিয়নের এর ঠিকানা। তবে জেলে গেলেও এই তরুণ হুমকি দিয়েছে, জেল থেকে বেরিয়ে এসে তিনি বাইডেনকে দেখে নেবেন।

মার্কিন পুলিশ জানিয়েছে চাকরি থেকে বরখাস্ত হওয়ার পর বিলিয়ন প্রথমেই একটি গাড়ি জোগাড় করেন। এরপর ওই তরুণ ‘এআর-১৫’-এর মত অত্যাধুনিক অস্ত্র ও গোলাবারুদ সংগ্রহ করেন। এরপর ওই সমস্ত অস্ত্র ও গোলাবারুদ গাড়ির মধ্যে মজুত করে তিনি ঝড়ের গতিতে আসতে থাকেন হোয়াইট হাউসের দিকে। সিসিটিভির ফুটেজ হাবভাব সন্দেহজনক হওয়ায় আইওয়ার কাস কাউন্টির কাছে তার গাড়ির পথ আটকায় পুলিশ।

পুলিশি জেরায় ওই যুবক স্বীকার করে নেয়, প্রেসিডেন্ট বাইডেন ও হোয়াইট হাউসের আরও কয়েকজন পদস্থ আধিকারিককে খুন করার উদ্দেশ্য নিয়েই হোয়াইট হাউজের দিকে যাচ্ছিল সে। মার্কিন পুলিশের শীর্ষ কর্তা জাস্টিন লাশন জানিয়েছেন, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে ব্রিলিয়ন জানিয়েছে, শুধু প্রেসিডেন্ট বাইডেন নয়, প্রাক্তন বিদেশ সচিব হিলারি ক্লিনটন বাইডেনের স্বাস্থ্যবিষয়ক উপদেষ্টা অ্যান্টনি ফাউচি-সহ আরও বেশ কয়েকজন আধিকারিককে খুন করার ছক কষেছিল সে। ধৃত যুবকের কাছ থেকে উদ্ধার হওয়া মোবাইল ফোনে হোয়াইট হাউসের ম্যাপ পাওয়া গিয়েছে বলে লাশন জানিয়েছেন।

Gujarat: রাওয়াতের বিরুদ্ধে অসম্মানজনক মন্তব্য করে পুলিশের জালে রাম

General Bipin Rawat

নিউজ ডেস্ক: হেলিকপ্টার দুর্ঘটনায় সদ্যপ্রয়াত সেনা সর্বাধিনায়ক (Chief of Defence Staff) বিপিন রাওয়াতের (Bipin Rawat) বিরুদ্ধে আপত্তিকর মন্তব্য করার কারণে এক ব্যক্তিকে গ্রেফতার করল গুজরাত পুলিশ (Gujarat police )। অভিযুক্ত ব্যক্তির নাম শিবভাই রাম (Shivabhai Ram)। ওই ব্যক্তি গুজরাতের আমরেলির বাসিন্দা। যদিও গুজরাত পুলিশের দাবি রাওয়াতের বিরুদ্ধে মন্তব্যের কারণে নয়, পূর্ববর্তী একাধিক আপত্তিকর পোস্টের জন্য শিবভাই নামে ওই ব্যক্তিকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

গুজরাত পুলিশ জানিয়েছে, শিবভাই নামে ওই ব্যক্তি হিন্দু দেবদেবীর উদ্দেশ্যে একাধিক কটু মন্তব্য করেছেন। একই সঙ্গে বিভিন্ন সময়ে তিনি জনপ্রতিনিধিদের বিরুদ্ধেও অশালীন মন্তব্য করেছেন। সোশ্যাল মিডিয়ায় এধরনের একের পর এক পোস্ট করার জন্য গ্রেফতার করা হয়েছে শিবকে।

তবে জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার জিতেন্দ্র যাদব জানিয়েছেন, ওই ব্যক্তি সম্প্রতি রাওয়াতকে নিয়ে একটি আপত্তিকর মন্তব্য করেন। ওই পোস্টের জন্যই শিব ভাইয়ের বিষয়টি প্রকাশ্যে আসে। তখনই জানা যায়, এই প্রথম নয় এর আগেও হিন্দু দেব-দেবীদের নিয়ে তিনি অনেক অসম্মানজনক পোস্ট করেছেন। এমনকী, জনপ্রতিনিধিদের বিরুদ্ধেও তাঁকে অশালীন মন্তব্য পোস্ট করতে দেখা গিয়েছে। সে কারণেই তাঁকে গ্রেফতার করা হয়েছে। বিষয়টি নিয়ে তদন্ত করা হচ্ছে।

কিন্তু শিবভাই নামের ওই ব্যক্তি হঠাৎ করে এই ধরনের পোস্ট করতে গেলেন কেন? পুলিশ জানিয়েছে, শিবভাই আগে ছিলেন গ্রামের উপপ্রধান। ২০১০ থেকে টানা চার বছর তিনি উপপ্রধান পদে ছিলেন। পরবর্তী নির্বাচনে তাঁর ইচ্ছে ছিল গ্রাম প্রধান হওয়ার। কিন্তু দল তাঁকে টিকিট দেয়নি। এরপরই প্রবল ক্ষুব্ধ হয়ে ওঠেন শিবভাই। তারপর থেকেই তিনি সকলের নজর কাড়তে এ ধরনের বিতর্কিত পোস্ট করতে শুরু করেন। তবে শেষ পর্যন্ত এই ধরনের পোস্ট করার কারণে শিবভাইকে শ্রীঘরে যেতে হল ।

Uttar Pradesh: মাদক খাইয়ে ১৭ ছাত্রীকে যৌন নিগ্রহ, অভিযুক্ত দুই স্কুলের ম্যানেজার

Uttar Pradesh

News Desk, Delhi: সিবিএসই প্রাকটিক্যাল পরীক্ষার (practical exam) জন্য প্রশিক্ষণের নাম করে ১৭ জন দশম শ্রেণীর ছাত্রীকে ডাকা হয়েছিল স্কুলে। সেখানেই ওই ছাত্রীদের মাদক খাইয়ে যৌন নিগ্রহ চালানোর (molestation) অভিযোগ উঠেছে। ১৫ দিন আগে অভিযোগ জানানোর পরেও অভিযুক্তদের গ্রেফতার (arrest) করা হয়নি। চাঞ্চল্যকর এই ঘটনাটি ঘটেছে বিজেপি শাসিত উত্তরপ্রদেশের (Uttar Pradesh) মুজফফরনগরে।

পুলিশ জানিয়েছে, প্রাকটিক্যাল পরীক্ষার প্রশিক্ষণের জন্য ১৭ নভেম্বর রাতে ছাত্রীদের ডেকে পাঠানো হয়। ১৭ জন ছাত্রী নির্দিষ্ট সময়মতোই স্কুলে আসে। এরপর তাদের খেতে দেওয়া হয়। ওই খাবারের মধ্যে মাদক মেশানো ছিল। মাদক মেশান খাবার খেয়ে তারা অচেতন হয়ে পড়লে তাদের উপর যৌন নিগ্রহ চালানো হয়। এই যৌন নিগ্রহের ঘটনায় দুই শিক্ষকের বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছে। যে স্কুল ওই ছাত্রীদের ডেকেছিল সেখানকার ম্যানেজার এবং যে স্কুলে নিয়ে গিয়ে তাদের উপর যৌন নিগ্রহ চালানো হয়েছিল সেখানকার ম্যানেজারের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের হয়েছে। ছাত্রীদের অভিভাবকরা তাঁদের দায়ের করা এফআইআর-এ জানিয়েছেন, গার্লস স্কুলের ম্যানেজার তাঁদের সঙ্গে যোগাযোগ করে জানিয়েছিলেন, প্রাকটিক্যাল পরীক্ষার জন্য মেয়েদের অন্য স্কুলে নিয়ে যেতে হবে। ছাত্রীদের প্রাকটিক্যাল পরীক্ষার জন্য নিয়ে যাওয়ার কথা বলা হলেও ছাত্রদেরকে সঙ্গে কোনওরকম যোগাযোগ করা হয়নি।

ওই ১৭ জন ছাত্রী ১৮ নভেম্বর সকালে বাড়ি ফিরে এসে মা-বাবাকে বিষয়টি জানায়। ওই ছাত্রীরা সকলেই খুব গরিব পরিবারের মেয়ে। সে কারণেই স্কুলে তাদের বিনা পয়সায় প্রশিক্ষণ দেওয়ার নাম করে ডেকে পাঠানো হয়েছিল।

নিগৃহীত দুই ছাত্রীর বাবা এলাকার বিজেপি বিধায়ক প্রমোদ উতওয়ালের কাছে বিষয়টি নিয়ে অভিযোগ জানান। ঘটনার জেরে স্থানীয় থানার দায়িত্বপ্রাপ্ত অফিসারকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে। অপসারিত অফিসারের বিরুদ্ধে তদন্তও শুরু হয়েছে। যদিও জেলা প্রশাসনের কর্তারা ওই ঘটনার কথা অস্বীকার করেছেন।

বিধায়ক প্রমোদ জানিয়েছেন, তিনি আশা করছেন শিগগিরই এই ঘটনায় অভিযুক্তরা ধরা পড়বে। তিনি নিজে জেলা পুলিশ সুপারকে এই বিষয়টি নিয়ে অবিলম্বে যথাযথ ব্যবস্থা নিতে অনুরোধ করেছেন। পুলিশের প্রাথমিক তদন্তে জানা গিয়েছে, ছাত্রীরা যৌন নিগ্রহের যে অভিযোগ করেছে তা ঠিক । বিধায়ক আরও জানান, অভিযুক্ত দুই শিক্ষক ছাত্রীদের পরিবারকে রীতিমতো হুমকি দিয়েছিল। এমনকী, স্থানীয় থানার দায়িত্বপ্রাপ্ত অফিসারও অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে কোনও রকম ব্যবস্থা নেওয়ার উদ্যোগ দেখাননি। আমরা চাই অভিযুক্ত শিক্ষকরা যেন দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি পায়।

ছাত্রীদের উপর যৌন নিগ্রহের তদন্ত করছেন মুজফফরনগরের পুলিশ সুপার অর্পিত বিজয়বর্গীয় এবং অতিরিক্ত পুলিশ সুপার কে কে বিষ্ণোই। সংশ্লিষ্ট থানার নতুন দায়িত্বপ্রাপ্ত অফিসার বলেছেন, ছাত্রীদের উপর যারা যৌন নিগ্রহ করেছে তারা কেউই পার পাবে না। অপরাধীরা গর্তে লুকিয়ে থাকলেও আমরা সেখান থেকে তাদের বের করে আনব। ইতিমধ্যে অভিযুক্ত দুই শিক্ষকের বিরুদ্ধে পকসো আইনে মামলা দায়ের হয়েছে।

Bankura: দিলীপ ঘোষের মিছিলে উত্তেজনা, দুই বিধায়ক সহ ১৮ জন আটক

Dilip Ghosh

News Desk, Bankura: বিজেপির সর্বভারতীয় সহ সভাপতি দিলীপ ঘোষের (Dilip Ghosh) মিছিল আটকে দিল পুলিশ। বুধবার বিকেলে বাঁকুড়ার সোনামুখী সিনেমাতলাতে এই মিছিলের পথ আটকায় পুলিশ।

ঘটনার জেরে পুলিশের সঙ্গে বিজেপি কর্মীদের ধ্বস্তাধ্বস্তি শুরু হয়। ব্যরিকেড ভেঙ্গে দলের কর্মীরা এগিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেন। বিজেপি নেতা রাজু ব্যানার্জী, বিধায়ক দিবাকর ঘরামী, জেলা সভাপতি সুজিত অগস্থী সহ ১৮ জনকে আটক করেছে পুলিশ।

দিলীপ ঘোষ সোনামুখীতে পৌঁছানোর আগেই প্রায় পুরো শহর পুলিশ ঘিরে ফেলে। অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (গ্রামীণ) গণেশ বিশ্বাস ও বিষ্ণুপুরের এস.ডি.পি.ও কুতুবউদ্দিন শেখ সহ অন্যান্য শীর্ষ পুলিশ আধিকারিকরা উপস্থিত হন।

দিলীপ ঘোষ এদিন বলেন, ‘ত্রিপুরায় গিয়ে যারা গণতন্ত্র খুঁজছেন তারা আমাদের গণতান্ত্রিক অধিকার হরণ করছেন। পেট্রল-ডিজেলের দাম কমানোর দাবিতে শান্তিপূর্ণ মিছিল করতে এসেছিলাম। এতো ভয় আমাদের! এই ঘটনায় পুলিশ তাঁদের ‘কয়েকশো কর্মীকে আটক করেছে’ বলেও তিনি দাবি করেন।

Manipur attack: মণিপুর হামলায় জড়িত দুই জঙ্গি গ্রেফতার

militants involved in Manipur attack arrested

নিউজ ডেস্ক, ইম্ফল: মণিপুরে অসম রাইফেলসের কনভয়ে হামলা চালানোর ঘটনায় জড়িত দুই জঙ্গি (terrorist) ধরা পড়েছে। বুধবার রাতভর অভিযান চালিয়ে এই দুইজনকে গ্রেফতার করেছে সেনা ও পুলিশের যৌথ বাহিনী। তাদের জেরা করে উঠে এসেছে চাঞ্চল্যকর তথ্য।

ধৃত দুই জঙ্গি জানিয়েছে, সেনা কনভয় আসার খবর পেয়েই মাইন পোঁতা হয়েছিল। শুধু তাই নয়, সেনারা যাতে প্রাণ নিয়ে ফিরে যেতে না পারে সে কারণেই বিস্ফোরণের (blast) পাশাপাশি চালানো হয়েছিল এলোপাথাড়ি গুলি।

গোপন সূত্রে খবর পেয়ে বুধবার রাতে মণিপুর পুলিশ ও অসম রাইফেলসের একটি দল তল্লাশি অভিযানে নামে। এই তল্লাশি অভিযানে বিষ্ণুপুর (bishnupur) জেলা থেকে পিপলস লিবারেশন আর্মির (pla) এক সক্রিয় সদস্যকে গ্রেফতার করা হয়। ধৃতকে জেরা করেই পূর্ব ইম্ফল (imphal) জেলা থেকে আর এক জঙ্গির সন্ধান মেলে। ইম্ফল থেকে ধৃত জঙ্গি কেসিপি (kcp) জঙ্গি সংগঠনের সদস্য। এর আগে চলতি মাসের ১৪ তারিখে কেসিপি গোষ্ঠীর দুই সদস্য গ্রেফতার হয়েছিল।

Mochina and mayanmar based militant

উল্লেখ্য, ১৩ নভেম্বর মণিপুরের চুড়াচাঁদপুরে অসম রাইফেলসের কনভয়ে ভয়াবহ হামলা চালায় জঙ্গিরা। ওই হামলায় অসম রাইফেলসের এক কম্যান্ডিং অফিসারের পরিবার-সহ সাতজনের মৃত্যু হয়েছিল।

রাজ্য পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, বুধবার রাতে ধৃত দুই জঙ্গিকে জেরা চলছে। ইতিমধ্যেই ধৃত দুই জঙ্গি জানিয়েছে, রীতিমতো পরিকল্পনা করেই সেনা কনভয়ে হামলা হয়েছিল। তাদের কাছে নির্দিষ্টভাবে খবর ছিল যে, ১৩ নভেম্বর ওই পথ দিয়ে অসম রাইফেলসের একটি কনভয় যাবে। তাই কনভয় যাওয়ার আগেই তারা মাটিতে একাধিক মাইন পুঁতেছিল। শুধু মাইন নয়, সেনাবাহিনীর সদস্যরা যাতে প্রাণ নিয়ে ফিরতে না পারে তার জন্য গুলি চালিয়েছিল জঙ্গিরা। ব্যাপারটা এতটাই আচমকা ঘটেছিল যে, জওয়ানরা কিছু বুঝে ওঠার আগেই প্রাণ হারায়।

<

p style=”text-align: justify;”>উল্লেখ্য, মণিপুর এবং সংলগ্ন এলাকায় আঞ্চলিক জঙ্গিগোষ্ঠীর সক্রিয়তা নতুন নয়। নাগাল্যান্ড, (nagaland) মণিপুরের (manipur) বেশ কিছু জঙ্গি সংগঠন বর্তমানে মায়ানমার সীমান্তের অভ্যন্তরে রীতিমতো জঙ্গি প্রশিক্ষণ পাচ্ছে বলে গোয়েন্দাদের (intelligence report) দাবি। মায়ানমারের অভ্যন্তরে এই জঙ্গি গোষ্ঠীগুলোকে সবধরনের মদত যোগাচ্ছে চিন। প্রশিক্ষণ দেওয়া ছাড়াও তাদের হাতে অত্যাধুনিক অস্ত্রও দেওয়া হচ্ছে বলে গোয়েন্দা রিপোর্টে জানানো হয়েছে।

জামশেদপুরে সস্ত্রীক গ্রেফতার হলেন শীর্ষ মাওনেতা কিষাণদা

Prashanth Bose

নিউজ ডেস্ক: শেষ পর্যন্ত ঝাড়খণ্ড পুলিশের হাতে গ্রেফতার হলেন সিপিআই মাওবাদী সংগঠনের শীর্ষ স্থানীয় নেতা প্রশান্ত বসু (Prashanth Bose) ওরফে কিষানদা (kishan da)। এই শীর্ষ মাও নেতার সঙ্গেই গ্রেফতার করা হয়েছে তাঁর স্ত্রী শীলা মারান্ডিকেও (shila marandi)। জানা গিয়েছে, চিকিৎসার জন্য এই মাওবাদী নেতা শুক্রবার জামশেদপুরে (jamshedpur) এসেছিলেন। সেখানেই একটি বাড়ি থেকে তাঁকে গ্রেফতার করা হয়।

আদতে কলকাতার যাদবপুরের (yadavpur) বাসিন্দা কিষানদা। যদিও পরে তিনি অন্ধ্রপ্রদেশের হায়দরাবাদে (hyderabad) থাকতে শুরু করেন। মাওবাদী ও সিপিআইএম-এর সংযুক্তিকরণের সময় তিনি ছিলেন সংগঠনের মিলিটারি কমিশনের প্রধান। একইসঙ্গে পূর্বাঞ্চলীয় আঞ্চলিক কমিটির সম্পাদক ছিলেন তিনি। কিষানদা সম্পর্কে কোনও খবর দিতে পারলে বা তাঁকে ধরিয়ে দিতে পারলে দু’কোটি টাকা পর্যন্ত পুরস্কার ঘোষণা করা হয়েছিল। পাশাপাশি ঝাড়খণ্ড (jharkhand goverment) সরকারের পক্ষ থেকেও কিষানদা সম্পর্কিত কোনও খবর বা তথ্য দিতে পারলে এক কোটি টাকা পুরস্কার দেওয়ার কথা ঘোষণা করা হয়েছিল।

একাধিক ভাষায় কথা বলার অসাধারণ ক্ষমতা ছিল তাঁর। খুব সহজেই তিনি যুবসমাজের মন জয় করে ফেলতেন। তাই কিষানদার বিশেষ দায়িত্ব ছিল নতুন যুবকদের সংগঠনের কাজে নিয়ে আসা। একসময় লালগড়ে (lalgarh) মাওবাদী নেতা কিষানজির সঙ্গেও তিনি একাধিকবার বৈঠক করেছেন।

শুক্রবার জামশেদপুরের চন্ডেলের কাছে একটি বাড়ি থেকে সস্ত্রীক এই শীর্ষ মাও নেতাকে গ্রেফতার করেছে ঝাড়খণ্ড পুলিশ। কিষানদাকে ধরার ব্যাপারে ঝাড়খণ্ড পুলিশকে সবধরনের সহযোগিতা করেছে অন্ধপ্রদেশের স্পেশাল ইন্টেলিজেন্স ব্যুরো।

প্রশান্ত বসুর গ্রেফতারে পশ্চিমবঙ্গ, বিহার, ঝাড়খণ্ড, ওড়িশা, অন্ধপ্রদেশের মতো বিভিন্ন রাজ্যে মাওবাদী সংগঠনের ক্ষেত্রে বড় ধাক্কা বলেই মনে করা হচ্ছে।

কিষানদার স্ত্রী শীলা ছিলেন সিপিআই মাওবাদী সংগঠনের কেন্দ্রীয় কমিটির একমাত্র মহিলা সদস্য। শেষ পাঁচ বছর ধরে তিনি সংগঠনের মহিলা শাখার দায়িত্ব সামলাতেন। এর আগে ২০০৬ সালে একবার রৌরকেল্লা থেকে শীলাকে গ্রেফতার করা হয়েছিল। যদিও তিনি পরে জামিনে মুক্তি পান। শীলাও সংগঠনের কর্মীদের কাছে একাধিক নামে পরিচিত ছিলেন। অনেকেই শীলাকে বুধানি (budhani), কেউ বা হেমা (hema) নামে চিনতেন। তবে বারবার নাম বদলেও শেষ পর্যন্ত তাঁরা কিছুই করতে পারলেন না।

৭৫ বছর বয়সি কিষানদার আসল নাম প্রশান্ত বসু (prasanta basu) হলেও তিনি একাধিক নামে পরিচিত ছিলেন। অনেকেই কিষানদাকে কাজল (kajal), মহেশ (mahesh), নির্ভয় (nirbhay) মুখোপাধ্যায় নামেও চিনতেন। গোটা উত্তর-পূর্ব ভারতের মাওবাদী সংগঠনের কার্যকলাপ পর্যবেক্ষণের দায়িত্বে ছিলেন তিনি। বয়সজনিত কারণে সম্প্রতি বিভিন্ন রোগে ভুগছিলেন এই মাও নেতা। যে কারণে সম্প্রতি তিনি সংগঠনের সক্রিয় কার্যকলাপের সঙ্গে যুক্ত না থাকলেও ঝাড়খণ্ডের সারান্ডা (saranda) জঙ্গল থেকে সংগঠনের যাবতীয় কাজ পরিচালনা করতেন। শারীরিক সমস্যা বেড়ে চলায় সম্প্রতি তিনি গেরিলা জোন ছেড়ে বেরিয়ে এসেছিলেন লোকালয়ে। চিকিৎসা করানোর জন্যই তিনি জামশেদপুরে এসেছিলেন বলে পুলিশ জানিয়েছে।

গোরক্ষপুরের হোটেলে ব্যবসায়ীকে পিটিয়ে খুনের ঘটনায় গ্রেফতার ৬ পুলিশ কর্মী

policemen have been arrested for beating a businessman to death in a hotel in Gorakhpur

নিউজ ডেস্ক: গতমাসে গোরক্ষপুরের এক হোটেলে মণীশ গুপ্তা নামে এক ব্যবসায়ীর অস্বাভাবিক মৃত্যু হয়েছিল। মৃতের পরিবারের অভিযোগ, পুলিশ অকারণে মণীশকে পিটিয়ে খুন করেছে। যথারীতি পুলিশ ওই অভিযোগ অস্বীকার করে। তবে শেষ পর্যন্ত ওই ব্যবসায়ী খুনের ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে ৬ পুলিশকর্মীকে গ্রেফতার করল রাজ্য পুলিশ।

মণীশ গুপ্তা হত্যার ঘটনায় রাজ্য জুড়ে তীব্র চাঞ্চল্য দেখা দিয়েছিল। বিরোধীরা অভিযোগ করেছিল, যোগীর আমলে উত্তরপ্রদেশে জঙ্গল রাজ কায়েম হয়েছে। এর জন্য মুখ্যমন্ত্রীই দায়ী। কারণ তিনি এই খুনের ঘটনায় দোষী পুলিশ অফিসারদের রীতিমতো আড়াল করছেন।

এরই মধ্যে আম আদমি পার্টির রাজ্যসভার সাংসদ সঞ্জয় সিং একটি ভিডিয়ো টুইট করেন। ওই ভিডিয়ো সামনে আসার পর এই খুনের ঘটনা নতুন মোড় নেয়। ওই ভিডিয়োতে দেখা গিয়েছে, রাজ্য পুলিশের এক পদস্থ কর্তা মৃত ব্যবসায়ী মণীশ গুপ্তার পরিবারকে অভিযোগ দায়ের না করার পরামর্শ দিচ্ছেন।

ভিডিয়োতে দেখা যায়, গোরক্ষপুরের জেলাশাসক বিজয়কিরণ আনন্দ মৃত ব্যবসায়ীর স্ত্রীকে বলছেন, তাঁরা যেন আদালতে মামলা দায়ের না করেন। কারণ এ ধরনের মামলাগুলি বছরের পর বছর চলতেই থাকে। একই সঙ্গে পুলিশ আধিকারিক বিপিন টাডাকে বলতে শোনা যায়, আপনার স্বামীর সঙ্গে তো পুলিশের কোনও শত্রুতা ছিল না। তাহলে পুলিশ কেন তাঁকে মারবে। তবে আপনি বলেছিলেন বলেই আমি অভিযুক্ত পুলিশ কর্মীদের সাসপেন্ড করেছি। তারা যতক্ষণ না নির্দোষ প্রমাণ হয় ততক্ষণ তাদের কোনওভাবেই কাজে ফেরানো হবে না। তাই আপনাকে অনুরোধ আপনি এটা নিয়ে বেশি হইচই করবেন না।

এই ভিডিয়ো এই রাজ্য রাজনীতিতে তীব্র চাঞ্চল্য ছড়ায়। রাজ্য বিধানসভা নির্বাচনের কয়েক মাস আগে বিজেপি তথা যোগী সরকারকে আক্রমণের এক নতুন হাতিয়ার পেয়ে যায় বিরোধীরা। রাজনৈতিক মহল মনে করছে, বিরোধীদের সেই অস্ত্রকে ভোঁতা করে দিতেই যোগী সরকার ওই ছয় অভিযুক্ত পুলিশ কর্মীকে গ্রেফতার করল। সামনে নির্বাচন না থাকলে পুলিশকর্মীরা একজন নিরীহ মানুষকে খুন করার পরেও নিশ্চিতভাবেই বহাল তবিয়তেই ঘুরে বেড়াতেন।

বিরোধীরা বারেবারেই অভিযোগ করছে যে, যোগীর আমলে উত্তরপ্রদেশের জঙ্গলরাজ কায়েম হয়েছে। এ ঘটনার যেন আরও একবার সেটাই প্রমাণ করল। সম্প্রতি উত্তরপ্রদেশে দুষ্কৃতীদের রমরমা বেড়েছে। প্রায় প্রতিটি জেলাতেই ঘটেছে একের পর এক চাঞ্চল্যকর খুন ও ধর্ষণের ঘটনা। কিন্তু কোন ক্ষেত্রেই দোষীরা সাজা পায়নি। হাথরসের ঘটনায় দোষীদের বিচার আজও হয়নি। এসব ঘটনায় যথেষ্টই ব্যাকফুটে বিজেপি। বিধানসভা নির্বাচনের আগে এসব ঘটনা দলের বিপক্ষে যেতে পারে বুঝেই যোগী সরকার তড়িঘড়ি করে ব্যবসায়ীকে পিটিয়ে খুনের ঘটনায় পুলিশ কর্মীদের গ্রেফতার করল।

New Delhi: বড়সড় নাশকতার ছক ভেস্তে দিল পুলিশ, গ্রেফতার দুই পাক জঙ্গি

suspected terrorists being taken to the Anti-Terror Cell

নিউজ ডেস্ক, নয়াদিল্লি: গোয়েন্দারা আগেই সতর্ক বার্তা দিয়েছিলেন যে, উৎসবের সময় দিল্লিতে জঙ্গি হামলা হতে পারে। গোয়েন্দাদের সতর্কবার্তায় সতর্ক ছিল দিল্লি পুলিশ। গোপন সূত্রে খবর পেয়ে সোমবার রাতে দিল্লি পুলিশের বিশেষ সেল রাজধানীজুড়ে তল্লাশি অভিযান শুরু করে। এই তল্লাশি অভিযানে সোমবার রাতে দিল্লির রমেশ পার্ক ও লক্ষ্মীনগর এলাকা থেকে দুই সন্দেহভাজন পাক জঙ্গিকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। ধৃতদের কাছ থেকে বিপুল পরিমাণ অস্ত্রশস্ত্র উদ্ধার হয়েছে।

পুলিশ জানিয়েছে রমেশ পার্ক এলাকা থেকে ধৃত মহম্মদ আশরাফের জন্ম পাকিস্তানে। ভুয়ো পরিচয় পত্র নিয়ে সে দিল্লিতে বাস করছিল। লক্ষ্মীনগর এলাকা থেকে ওমরউদ্দিন নামে আরও একজনকে ধরা হয়েছে। ওমরের কাছ থেকেও পাকিস্তানের পরিচয় পত্র মিলেছে। ধৃতদের কাছ থেকে একে-৪৭ অ্যাসল্ট রাইফেল, হ্যান্ড গ্রেনেড, পিস্তল ও ৬০ রাউন্ড গুলি মিলেছে।

পুলিশ জানিয়েছে, মহম্মদ আশরাফ আদতে পাকিস্তানের পাঞ্জাব প্রদেশের বাসিন্দা। সে কবে ভারতে ঢুকেছিল তা জানার চেষ্টা চলছে। আশরফ আইএসআইয়ের মত পাক গুপ্তচর সংস্থার কাছে অস্ত্র প্রশিক্ষণ নিয়েছে। জানা গিয়েছে, শুধু তাই নয় আশরফের বিস্ফোরক তৈরির প্রশিক্ষণও আছে। পুলিশের অনুমান, রাজধানী ও সংলগ্ন এলাকায় বিস্ফোরণ ঘটানোর জন্য আশরফকে ভারতে পাঠানো হয়েছিল। ধৃত দুই জঙ্গি কোথা থেকে এই বিপুল পরিমাণ অস্ত্রশস্ত্র সংগ্রহ করল তা জানার চেষ্টা চলছে।

সম্প্রতি আফগানিস্তান তালিবানের দখলে যাওয়ার পর ভারতে জঙ্গি হামলার প্রবণতা বেশ কিছুটা বেড়েছে। বিশেষত কাশ্মীরে। এরই মধ্যে পাক মদতপুষ্ট জঙ্গিরা ভারতের যেকোনও জায়গাতেই নাশকতা চালাতে পারে বলে গোয়েন্দা রিপোর্টে জানানো হয়েছিল। কার্যত গোয়েন্দাদের সেই সতর্কবার্তাই মিলে গেল সোমবার রাতের ঘটনায়। গোয়েন্দা সতর্কবার্তার কারণে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক নিরাপত্তাবাহিনীকে গোটা দেশজুড়ে আরও সতর্ক থাকার পরামর্শ দিয়েছে।

আয় বহির্ভুত সম্পত্তি থাকার অভিযোগে গ্রেফতার রাজ্য পুলিশের বহিস্কৃত ডিআইজি

DIG Rounak Ali Hazarika

নিউজ ডেস্ক, গুয়াহাটি: আয়ের সঙ্গে সঙ্গতিহীন সম্পত্তি, ‘বিভিন্ন উপায়ে’ রোজগারের অভিযোগে গ্রেফতার করা হলো অসম পুলিশের ডিআইজি রৌনক আলি হাজারিকাকে। তাঁর সরকারি আবাসনে তল্লাশি চালায় মুখ্যমন্ত্রীর বিশেষ ভিজিল্যান্স দল। তাঁকে আগেই সাসপেন্ড করা হয়েছে অন্য একটি অভিযোগে।

ধৃত পুলিশ কর্তা রৌনক আলি হাজারিকার বিরুদ্ধে আরও অভিযোগ, তিনি বিভাগীয় অনুমতি না নিয়েই বিভিন্ন সময়ে বিদেশ গিয়েছেন। এই ব্যয়বহুল যাত্রা তিনি কী করে করলেন তারও তদন্ত চলছে।

তদন্তে উঠে এসেছে, রৌনক আলি যখন ডিআইজি (বর্ডার) পদে ছিলেন, তখনই তিনি বারবার বিদেশ গিয়েছেন অনুমতি না নিয়ে।

সাসপেন্ড হওয়া পুলিশ কর্তা রৌনক আলি হাজারিকার রোজগারেও বিস্তর অসঙ্গতি ধরা পডেছে বলে তদন্তে উঠে এসেছে। গুয়াহাটির হেংরাবাড়ি এলাকা ওই পুলিশ কর্তার বাড়িতে তাল্লাশি অভিযান চালায় মুখ্যমন্ত্রীর ভিজিল্যান্স দল। এর নেতৃত্বে ছিলেন এস পি আর কলিতা। যদিও ভিজিল্যান্স দলের তরফে বাজেয়াপ্ত করা সম্পত্তির পূর্ণ বিবরণ দেওয়া হয়নি।

এদিকে রৌনক আলি হাজারিকার গ্রেফতারির ঘটনায় লাগছে রাজনৈতিক রং। কারণ তিনি রাজ্যে কংগ্রেস সরকারের আমলে পদন্নোতি পেয়েছিলেন। অসমে এখন বিজেপি জোট সরকার।

🅱🅸🅶 🅽🅴🆆🆂: মুম্বই-ইউপি-দিল্লিতে নাশকতার ছক বানচাল, গ্রেফতার পাকিস্তানে প্রশিক্ষিত জঙ্গি

Pakistan terror

নিউজ ডেস্ক: দিল্লি পুলিশের স্পেশাল সেল (Delhi Police Special Cel) পাকিস্তান পরিচালিত জঙ্গি মডিউলকে চক্রান্ত তছনছ করে দিল৷ দিল্লি পুলিশ ৬ জন সন্দেহভাজন সন্ত্রাসবাদীকে গ্রেফতার করেছে৷ তারমধ্যে দু’জন পাকিস্তানি জঙ্গি রয়েছে। পুলিশ জানাচ্ছে, এই দুই জঙ্গি পাকিস্তান থেকে প্রশিক্ষণ নিয়ে এসেছিল। এই সন্দেহভাজনদের উত্তরপ্রদেশ, মহারাষ্ট্র এবং দিল্লির বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাদের হেফাজত থেকে অস্ত্র ও গোলাবারুদও উদ্ধার করা হয়েছে।

স্পেশাল সেলের অভিযানে কর্তৃক গ্রেফতার হওয়া দুই জঙ্গির নাম ওসামা এবং জিশান বাই। তথ্য অনুযায়ী, ধৃত জঙ্গিদের আন্ডারওয়ার্ল্ডের সঙ্গেও যোগাযোগ রয়েছে। সূত্রের খবর, উত্তরপ্রদেশ এটিএসের সহযোগিতায় প্রয়াগরাজে অভিযান চালানো হয়। স্পেশাল সেলের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, প্রয়াগরাজের কারেলি থেকে তিনজনকে আটক করা হয়েছে। ধৃতদের হেফাজত থেকে অস্ত্র ও গোলাবারুদ উদ্ধারের খবর রয়েছে।

পুলিশ জানাচ্ছে, ধৃত জঙ্গিদের মডিউলটি আইএসআইয়ের পৃষ্ঠপোষকতায় দেশের বড় বড় শহরে বিস্ফোরণ এবং জঙ্গি হামলার ষড়যন্ত্র করছিল। এই ষড়যন্ত্র চালানোর জন্য অস্ত্র ও বিস্ফোরক সংগ্রহ করা হয়েছিল। গ্রেফতার হওয়া দুই জঙ্গির ‘ ডি কোম্পানি’র সঙ্গে সম্পর্ক রয়েছে।

আরও বলা হচ্ছে, এই মডিউল সম্পর্কে তথ্য পাওয়া গিয়েছে গোয়েন্দা সংস্থার কাছ থেকে। অনুসন্ধানে জানা গিয়েছে, তাদের নেটওয়ার্ক ভারতের অনেক রাজ্যে ছড়িয়ে আছে। এই অভিযানের পরে মহারাষ্ট্রে বসবাসকারী একজন জঙ্গিকে কোটা থেকে গ্রেফতার করা হয়। এছাড়া দিল্লি থেকে দু’জন এবং উত্তরপ্রদেশ এটিএসের সহায়তায় তিনজন ধরা পড়ে।

পুলিশ-গোয়েন্দারা তদন্তে জানতে পেরেছে, জঙ্গিরা ২ টি দল গঠন করেছিল। আনিস ইব্রাহিম একটি দলের নেতৃত্ব দিচ্ছিলেন এবং তাদের তহবিল যোগর করার কাজ ছিল। ধৃত লালা আন্ডার ওয়ার্ল্ডের সঙ্গে যুক্ত৷ দ্বিতীয় দলের কাজ ছিল ভারতে উৎসব উপলক্ষে সারা দেশে বিস্ফোরণের জন্য শহরগুলি চিহ্নিত করা। তাদের পরিকল্পনা ছিল দিল্লি, উত্তর প্রদেশ এবং মহারাষ্ট্রে বোমা বিস্ফোরণ ঘটানো। রামলীলা এবং নবরাত্রির অনুষ্ঠানগুলি তাদের টার্গেট ছিল।

স্পেশাল সেলের স্পেশাল সিপি নীরজ ঠাকুর সংবাদমাধ্যমকে বলেন, আমরা ৬ জন সন্ত্রাসবাদীকে গ্রেফতার করেছি৷ তার মধ্যে ২ জন প্রশিক্ষণ শেষে পাকিস্তান থেকে ফিরে এসেছে। এর মধ্যে ২ জন প্রথমে মাস্কাটে যান, তারপর তাদের নৌকায় করে পাকিস্তানে নিয়ে যাওয়া হয়। তিনি আরও জানান, সেখানে থাকা ১৪ জন বাংলায় কথা বলতে পারে৷ পাকিস্তানে তাদের একটি খামার বাড়িতে ১৫ দিনের অস্ত্র প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছিল।

পুলিশের নির্দেশ অমান্য করায় গ্রেফতার বিজেপি সংসদ সদস্য

Rajasthan BJP MP Kirodi Lal Meena arrested in after hoisting flag at amagarh fort

নিউজ ডেস্ক: ভারতীয় জনতা পার্টির সাংসদ কিরোদি লাল মীনাকে রাজস্থানে পুলিশ গ্রেফতার করেছে। পুলিশের আপত্তি সত্ত্বেও ডা: কিরোদি লাল মীনা এবং তাঁর সমর্থকদের বিরুদ্ধে ঐতিহাসিক আমাগড় দুর্গে পতাকা উত্তোলনের অভিযোগ রয়েছে। তিনি নিজেই টুইট করে এই বিষয়ে তথ্য দিয়েছেন।

পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, অভিযুক্ত সংসদ সদস্যকে পুলিশ হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। প্রসঙ্গত, কংগ্রেস গেরুয়া পতাকা উত্তোলনের জেরে উত্তেজনার শঙ্কা প্রকাশ করেছিল৷ তার পরে পুলিশও প্রস্তুত ছিল।

প্রকৃতপক্ষে, এমপি ডা: কিরোদি লাল মীনা আমাগড় দুর্গে মীনা সমাজের পতাকা উত্তোলনের পর টুইট করে ভিডিও শেয়ার করেছেন। টুইটের মাধ্যমে তিনি তাঁর গ্রেপ্তারের কথাও জানিয়েছেন৷ তিনি লিখেছেন- ‘আমাগড় দুর্গে আমাকে গ্রেফতার করা হয়েছে।’ গ্রেফতারের পর বিজেপি সংসদ সদস্যকে বিদ্যাধর নগর থানায় নিয়ে যাওয়া হয়েছে।

সোশ্যাল মিডিয়ায় যে ভিডিওগুলি প্রকাশিত হয়েছে, তাতে এমপিসহ তাঁর বহু সমর্থককেও দেখা যাচ্ছে। আজ, রবিবার সকালে তিনি জঙ্গলের মধ্য দিয়ে পাহাড়ে উঠে দুর্গে মীনা সমাজের পতাকা উত্তোলন করেন। খবর পেয়ে পুলিশ তাঁকে আবার গ্রেফতার করে।

তার সমর্থকদের দ্বারা রেকর্ড করা একটি ভিডিওতে তাঁকে বলতে শোনা যায়, “আমি এবং আমার সমর্থকরা মীনা সম্প্রদায়ের পতাকা উত্তোলন করেছি।” মীনা এবং তাঁর সমর্থকরা ঘটনার অনেক ভিডিও এবং ছবি ক্যামেরায় ধারণ করেন৷ পরে মীনার টুইটার হ্যান্ডেল থেকে টুইট এবং রিটুইট করা হয়। আমাগড় দুর্গটি জয়পুরে অবস্থিত।

তবে সাংসদ মীনাকে গ্রেপ্তারের বিষয়ে রাজস্থানের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী এবং বিজেপি নেত্রী বসুন্ধরা রাজের প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন৷ বসুন্ধরা রাজে হুমকি দিয়ে অশোক গেহলট সরকারকে ঘেরাও করে সংসদ সদস্যের মুক্তি দাবি করেছেন। তিনি টুইট করেছেন, ‘আমাগড় দুর্গের ক্ষেত্রে ধর্মের নামে রাজনীতি করে কংগ্রেসকে উপযুক্ত জবাব দেওয়া হবে৷ ডা: কিরোদি লাল মীনা জি’র গ্রেপ্তার নিন্দনীয়। তাঁকে অবিলম্বে মুক্তি দেওয়া উচিত’।

শহর কলকাতায় ভুয়ো পুলিশ গ্রেফতার করল লালবাজারের গোয়েন্দারা

fraud police

নিউজ ডেস্ক: লালবাজার গোয়েন্দাদের ফাঁদে ভুয়া পুলিশ ।পুলিশ সেজে প্রতারণার অভিযোগ ধৃত সুমন ভৌমিকের বিরুদ্ধে। সাব ইন্সপেক্টর পরিচয় দিয়ে হরিদেবপুরের রাজদেও সিং নামের এক ব্যক্তির থেকে 48 লক্ষ টাকা প্রতারণা করার অভিযোগ রয়েছে এই অভিযুক্ত বিরুদ্ধে । এই অভিযুক্ত প্রাক্তন সিভিক ভলেন্টিয়ার ছিল বলে জানা যাচ্ছে। এর আগে একটি প্রতারণার মামলায় তার নাম জড়ায় এবং তার সেই চাকরি চলে যায় বলে জানা যাচ্ছে। তারপরে সে ভুয়ো সাব-ইন্সপেক্টর পরিচয় দিয়ে আবারও প্রতারণা জাল বিস্তার করে।

প্রতারণার শিকার হওয়া হরিদেব পুরের রাজ দেও সিং নামের ব্যক্তি দ্বারস্থ হয় লালবাজারে। চারু মার্কেট থানাতেও একটি অভিযোগ দায়ের করেন। লাল বাজার তদন্তে নেমে সুমন ভৌমিক নামের ভুয়ো পুলিশ পরিচয় ব্যক্তি কে গ্রেফতার করে।

পর্নোগ্রাফি নির্মাণের অভিযোগে পুলিশ জালে শিল্পা-স্বামী রাজ কুন্দ্রা

Mumbai police arrest Raj Kundra in a pornography case

নিউজ ডেস্ক: ধৃত শিল্পা শেঠির স্বামী ব্যবসায়ী রাজ কুন্দ্রা।পর্নোগ্রাফি ছবি বানিয়ে তা বিভিন্ন অ্যাপে প্রকাশিত করার অভিযোগে গ্রেফতার করা হয়েছে রাজকে।সোমবার রাতে মুম্বই পুলিশের ক্রাইম ব্রাঞ্চ তাকে গ্রেফতার করে।

এই মামলায় ইতিমধ্যে পুলিশ ন’জনকে গ্রেফতার করেছে।গত ফেব্রুয়ারি মাসে পুলিশ অভিযোগ দায়ের করে তদন্ত শুরু করে।এই ঘটনায় রাজ মুল ষডযন্ত্রকারী বলে অনুমান পুলিশের।

মুম্বই পুলিশ বিবৃতিতে দিয়ে বলেছে, ‘পর্নোগ্রাফি সিনেমা তৈরি এবং বিভিন্ন অ্যাপের মাধ্যমে তা প্রকাশ করা নিয়ে গত ফেব্রুয়ারিতে একটি মামলা দায়ের করেছিল ক্রাইম ব্রাঞ্চ। তদন্তের পর আমরা রাজ কুন্দ্রাকে গ্রেফতার করেছি। যিনি এই মামলায় মূল ষড়যন্ত্রকারী বলে মনে করা হচ্ছে। সেই মামলায় আমাদের কাছে পর্যাপ্ত তথ্য আছে।’