NRC: ১৬শো কোটির বেশি জলে যাচ্ছে! সাদা হাতিতে পরিণত নাগরিকপঞ্জীর কাজ

NRC aasam

News Desk: প্রায় ১৬০২.৬৬ কোটি টাকা খরচ করে কার্যত সাদা হাতিতে পরিনত হতে চলেছে জাতীয় নাগরিকপঞ্জী (এনআরসি ) নবায়ন প্রক্রিয়া। অতলে যাওয়ার পথে একাজ। এনআরসি নবায়ন কাজে ঢিলেমি আসায় বহু মানুষের মনে আশংকা যাদের নাম বাদ পড়েছে তাদের কী হবে।

অসমে এনআরসি তালিকায় নাম না আসা প্রায় ১৯ লক্ষ মানুষ এখনো নিজের নাগরিকত্ব প্রমান করতে পারেননি। কথা ছিল নাগরিকপঞ্জী ছুটরা ১২০ দিনের মধ্যে ট্রাইবুনালে নাগরিকত্ব প্রমানের সুবিধা পাবেন। কিন্তু বাস্তবে কিছুই হল না। তাদের বিষয়টি ঝুলেই রইলো।

সম্প্রতি আরটিআই আবেদনে উঠে এসেছে বিস্ফোরক তথ্য। যেখানে বলা হয়েছে এনআরসি চূড়ান্ত খসড়ায় প্রায় এক হাজারের অধিক সন্দেহভাজন লোকের নাম রয়েছে। এক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করতে জেলাশাসকের পত্র প্রেরণ করা হয়েছে। এনআরসির স্টেট কো-অর্ডিনেটর ওই আর টি আই -এর জবাব দিতে গিয়ে এমনটাই উল্লেখ করেছেন।

NRC aasam

অসমে ৩ কোটি ২৯ লক্ষ আবেদনকারীর মধ্যে ১৯ লক্ষ মানুষের নাম ২০১৯ সালের ৩১ আগস্ট প্রকাশিত চূড়ান্ত তালিকা থেকে বাদ দেওয়া হয়েছিল। এর জেরে প্রবল উত্তপ্ত হয়েছিল অসম। উল্লেখ্য ,বিজেপি শাসিত অসম সরকার সেই এনআরসি-কে চ্যালেঞ্জ জানিয়েছে। তারা এটাকে মানতে চাইছে না।

অসম সরকার বাংলাদেশ সীমান্ত এলাকায় কম পক্ষেও ৩০ শতাংশ ও রাজ্যের অন্যান্য প্রান্তে ১০ শতাংশ জনসংখ্যা অনুপাতে পুনরায় যাচাইয়ের দাবি করেছিল। এমনকি, এনআরসি-এর স্টেট কোঅর্ডিনেটর হিতেশ দেবশর্মা গত মে মাসে ওই তালিকা ফের যাচাই করার আবেদন জানিয়ে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিলেন।

এনআরসি ছুটদের ” প্রত্যাখ্যান স্লিপ’ জারি করতে ‘মিশন মোড’- এ সম্পূর্ণ করা হবে বলে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের অধীনে রেজিস্টার জেনারেল অফ ইন্ডিয়া (আরজিআই ) এবছরের ২৩ মার্চ অসম সরকারকে নির্দেশ দিয়েছে। জাতীয় একটি সংবাদ গোষ্ঠী দাখিল করা আর টি আইয়ের জবাবে এনারসির স্টেট কোর্ডিনেটর জানিয়েছেন ,নাগরিকত্ব বিধির অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য ডিভি /ডিএফ /পিএফটি /ডিভিডি/ডিএফডি /পিএফটিডি শ্রেণীর ১০৩২ টি মামলা সংশ্লিষ্ট জেলাশাসকের কাছে প্রেরণ করা হয়েছে।

<

p style=”text-align: justify;”>উল্লেখিত বিষয়টি সন্দেহভাজন ভোটারের ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়।অর্থাৎ ঘোষিত বিদেশি ,এফটি কোর্টে ডি ভোটারের বংশধর ,ঘোষিত বিদেশির বংশধর ,বিচারাধীন ঘোষিত বিদেশির বংশধর এই শ্রেণীতে পরে। তবে এন আর সি ছুটদের এখনো রিজেকশন স্লিপ জারি করা হয়নি বলেও আর টি আই- এ উল্লেখ করা হয়।

সীমানা বিবাদে অসম-মেঘালয়ের মুখ্যমন্ত্রীরা সদর্থক, মিজোরাম নিয়ে চিন্তা

asham-meghalaya

News Desk: প্রতিবেশী রাজ্যের সঙ্গে অসমের সীমা বিবাদ দীর্ঘদিন চলছে। তারই রক্তাক্ত মুহূর্ত সম্প্রতি দেখা গিয়েছে। অসম ও মিজোরামের পুলিশ পরস্পর গুলির লড়াই চালিয়েছিল। পুলিশের গুলিতে পুলিশের মৃত্যুর এমন রক্তাক্ত পরিস্থিতি দেশে নজিরবিহীন। সেই সমস্যা কাটেনি।

শুধু মিজোরাম নয়, অসমের সঙ্গে প্রতিবেশি রাজ্য মেঘালয়ের সীমানা বিতর্ক রয়েছে। এই সমস্যা সমাধান করতে অভিনব পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয় সরকারের তরফে। মঙ্গলবার অসম মেঘালয় সীমানার লাম্পি সফর করেন ওই দুই রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী।

অসমের কামরূপ জেলার বিবাদমান লাম্পিতে হাজির হন মুখ্যমন্ত্রী ডক্টর হিমন্ত বিশ্বশর্মা ও মেঘালয়ের মুখ্যমন্ত্রী কনরাড সাংমা। প্রথমবারের জন্য এগিয়ে এসেছে ওই দুই রাজ্যের সরকার। ওই এলাকার মানুষের সঙ্গে মতবিনিময় করেন তারা ।সেইসঙ্গে সীমানা পরিদর্শন করেন।

mizoram border clash assam and Meghalya

অসমের মুখ্যমন্ত্রী ডক্টর হিমন্ত বিশ্বশর্মা জানান,সীমা বিবাদ মিটাতে এধরনের পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। বর্তমান সরকার গত ছয় মাস ধরে প্রতিবেশী রাজ্যটি সঙ্গে  সীমা বিবাদের  সমস্যা সমাধানের পথ বের করতে ব্যস্ত ছিল। আর আজ সেই পথ পেরিয়ে গেছে।

অসমের মুখ্যমন্ত্রী বলেন, উত্তর-পূর্বাঞ্চলে বসবাস করা মানুষের মধ্যে ভাতৃত্বের  মানসিকতা, ঐক্য সম্প্রীতির মানসিকতা আমরা বের করতে হবে।  উভয়  রাজ্যের প্রশাসনিক কর্মকর্তাদের এর জন্য ধন্যবাদ জানান তিনি। শুধু তাই নয়,এই সফর সীমা বিবাদ সমস্যা সমাধানে নতুন মাত্রা প্রদান করবে বলেও মন্তব্য করতে গিয়ে মুখ্যমন্ত্রী বলেন,

অসম সরকারের এখানে ইতিবাচক চিন্তাভাবনাকে ঐতিহাসিক বলেই মনে করেন মেঘালয়ের মুখ্যমন্ত্রী কনরাড সাংমা। তিনি বলেন,সীমানা সমস্যা সমাধান নিয়ে আমাদের মধ্যে আগামী দিনে বন্ধুত্বপূর্ণ ও সদিচ্ছার বার্তা ছড়িয়ে পড়বে। দীর্ঘদিনের এই সমস্যা সমাধানে  আমরা গুরুত্ব দিচ্ছি।

উল্লেখ্য অসম ও মেঘালয়ের মধ্যে বিতর্কিত ১২ টি বিবাদমান অঞ্চল আছে। এরমধ্যে প্রারম্ভিক পর্যায়ে ৬টি জটিল এলাকাকে নিয়ে পর্যালোচনা করা হচ্ছে তিনটি কমিটি গঠন করা হয়েছে। আগামী ৩০ নভেম্বর কমিটিগুলো পর্যালোচনা করে মুখ্যমন্ত্রীদের হাতে প্রতিবেদন দাখিল করতে হবে। এ নিয়ে মুখ্যমন্ত্রী ডক্টর শর্মা আরো জানান,প্রতিবদেন আমাদের টেবিলে আসার পর ফের আলোচনায় বসব।

<

p style=”text-align: justify;”>আগামী ৩১ ডিসেম্বরের মধ্যে মেঘালয়ের সাথে সীমা বিবাদের সমস্যা মিটে যাবে বলে মনে করেন মুখ্যমন্ত্রী ডক্টর হিমন্ত বিশ্ব শর্মা। তবে ওই দুই রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীর আলোচনায় আগামী দিনে যে ইতিবাচক প্রভাব পড়বে, সেটা নিশ্চিত।

Assam : ছট পুজো সেরে ফেরার পথে দুর্ঘটনার মৃত পূণ্যার্থীরা

aasam-accident

News Desk: বৃহস্পতিবার ভোরে ছটপূজো সেরে পরিবারের সকলেই আনন্দের সঙ্গে বাড়ি ফিরছিলেন। কিন্তু সেই আনন্দ দীর্ঘস্থায়ী হল না। বরং আনন্দের মুহূর্ত নিমেষ বদলে গেল শোকের আবহে। নদী থেকে স্নান ও পুজো সেরে অটো করে ফিরছিলেন একটি পরিবারের বেশ কয়েকজন সদস্য।

মাঝপথে ওই অটোর সঙ্গে একটি লরির মুখোমুখি ধাক্কা লাগে। ওই দুর্ঘটনায় প্রাণ হারিয়েছেন ১০ জন। মৃতদের মধ্যে তিনটি শিশু। বৃহস্পতিবার সকালে এই মর্মান্তিক দুর্ঘটনা ঘটেছে অসমের (assam) করিমগঞ্জের (karimgang) পাথরখাণ্ডিতে (parharkhandi)।

পুলিশ জানিয়েছে, বৃহস্পতিবার সকালে নদীতে ছট পুজো করতে গিয়েছিলেন একটি পরিবারের বেশ কয়েকজন সদস্য। একটি অটো ভাড়া করে গিয়েছিলেন তাঁরা। নদীতে স্নান ও পূজার্চনা শেষ করার পর তাঁরা অটো করেই বাড়ি ফিরছিলেন ৮ নম্বর জাতীয় সড়ক দিয়ে। বাড়ি ফেরার পথে পাথরখান্ডির কাছে উল্টো দিক থেকে আসা একটি লরি সজোরে ধাক্কা মারে অটোটিকে। অটোটি রাস্তার মাঝখানেই উল্টে যায়।

কার্যত দুমড়েমুচড়ে দলা পাকিয়ে যায় অটোটি। এ ঘটনায় ১০ জনের মৃত্যু হয়েছে। ৯ জন ঘটনাস্থলেই প্রাণ হারান একজনকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলেও তাকে বাঁচানো যায়নি। মৃতদের মধ্যে তিনটি শিশু। মৃতেরা সকলে একই পরিবারের সদস্য। ঘটনার পরই লরিটি নিয়ে পালিয়ে গিয়েছে চালক।

খবর পেয়ে পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই ঘটনাস্থলে যায় পুলিশ। স্থানীয় মানুষ ও পুলিশ অটো থেকে একে একে দেহগুলি উদ্ধার করে। ওই ১০ টি দেহ হাসপাতালে ময়না তদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে। বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে অটোটিকে তবে লরিটিকে আটক করা সম্ভব হয়নি। চালক ট্রাক নিয়ে পালিয়ে গিয়েছে। রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্বশর্মা (himanta biswasharma) বলেছেন, এই মর্মান্তিক দুর্ঘটনায় আমি অত্যন্ত ব্যথিত। মৃতদের পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানাই। তাঁদের সব ধরনের সাহায্য করবে রাজ্য সরকার। একই সঙ্গে মুখ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন, দুর্ঘটনার পরই ট্রাক চালক পালিয়ে গিয়েছে। ট্রাক চালক এবং তার গাড়িটির খোঁজ চালাচ্ছে পুলিশ।

 

Assam: একক সংখ্যাগরিষ্ঠতার দিকে বিজেপি

Assam: BJP towards single majority

Political Correspondent: পশ্চিমবঙ্গে উপনির্বাচনে ভরাডুবি হলেও প্রতিবেশি অসমে (Assam) যেন নিরংকুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতার দিকে অগ্রসর হচ্ছে বিজেপি। এর জন্য দরকার ৬৪ জন বিধায়ক। ৬৪ -র পরিবর্তে ৬৫ পাওয়ার দিকেই অগ্রসর হচ্ছে গেরুয়া শিবির।

সম্প্রতি অনুষ্ঠিত হওয়া উপনির্বাচনে বিজেপি জোট ৫ টি আসনে জয়ী হওয়ার পরই এমনটাই নয়া রাজনৈতিক সমীকরণ শুরু হয়েছে অসমে। উপনির্বাচনে ৩ টি আসনে জয়ী হওয়ার পর বিজেপির আসন সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৬২টি।

মাজুলিসহ বর্তমানে খালি আরও ২ আসনে উপনির্বাচন হবে। এই আসনগুলো বিজেপির দখলে এলে তাদের মোট বিধায়কের সংখ্যা একক গরিষ্ঠতা পাবে।

অসম রাজ্য বিজেপি সভাপতি ভবেশ কলিতা জানান ,উপনির্বাচনে তিনটিতে জয়ী হওয়াটা আমাদের জন্য শুভ লক্ষণ। শুধু তাই নয় ,রাজ্যের ভবানীপুরের মতো সংখ্যালঘু বসতিপ্রধান এলাকায় বিজেপি জয়ী। এতে আগামীদিনে দলের লাভ হবে।

১২৬ টি বিধানসভা আসনের মধ্যে বিজেপির ছিল ৬০ টি। মাজুলি কেন্দ্রের বিধায়ক সর্বানন্দ সনোয়াল কেন্দ্রীয় মন্ত্রী হওয়ায় রাজ্যসভায় নির্বাচিত হয়ে যান। এবং বিধায়ক পদ থেকে ইস্তফা দেন। এই কেন্দ্রে ভোট হবে।

মাত্র ৬ মাস আগে অনুষ্ঠিত সাধারণ নির্বাচনে থাওরা ও মরিয়নিতে বিজেপি হারের মুখে পড়তে হয়েছিল বিজেপিকে। কিন্তু একই আসনে বিজেপি এবার বিপুল ভোট পাওয়াটা আশ্চর্যের বিষয়। এতেই বোঝা যায় যে উজান অসমে বিজেপি সাংগঠনিক ভীত অনেকটা মজবুত হয়েছে।

উল্লেখ্য ,উপনির্বাচনের পর কংগ্রেসের আসন সংখ্যা হচ্ছে ২৯ টি থেকে কমে ২৭ টি। ইউডিএফ ১৬ টি থেকে ১৫ টি। বিপিএফ ৪ টি থেকে ৩ টিতে নেমেছে। অন্যদিকে , বিজেপির ৫৯ টি থেকে ৬২ টি এবং ইউপিপিএলের ৫ টি থেকে ৭ টি বৃদ্ধি পেয়েছে। তাই বিজেপির এই নয়া সমীকরণ আগামীতে শরিকদল অসম গণ পরিষদ ও ইউ পি পি এল – কে ভাবিয়ে তুলতে পারে বলেও রাজনৈতিক মহল মনে করছেন।

Assam: জঙ্গি নেতা পরেশ বড়ুয়াকে আলোচনার টেবিলে আনতে দিল্লি দৌড়লেন মুখ্যমন্ত্রী

CM To Hold Talks With Ulfa (I) Chief

News Desk: মোস্ট ওয়ান্টেড জঙ্গি নেতা ও বিচ্ছিন্নতাবাদী সংগঠন আলফা (স্বাধীনতা) প্রধান পরেশ বড়ুয়ার সঙ্গে শান্তি আলোচনা চালাতে প্রধানমন্ত্রী মোদীর দ্বারস্থ হলেন অসমের মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্বশর্মা। দিল্লিতে তিনি কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ ও জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা অজিত দোভালের সঙ্গে বৈঠক করবেন।

তিনদিনের দিল্লি সফরে অসমের মুখ্যমন্ত্রীর অবস্থান গভীরভাবে পর্যবেক্ষণ করছে বিচ্ছিন্নতাবাদী সংগঠনটি। তবে তাদের তরফে সরাসরি মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠকের বিষয়টি নিয়ে রয়েছে ধোঁয়াশা। অসম স্বরাষ্ট্র দফতর সূত্রে খবর, রাজ্য সরকার আশা করছে আলোচনায় আলফা (স্বাধীনতা) গোষ্ঠীর সুপ্রিম কমান্ডার পরেশ বড়ুয়ার উপস্থিতি থাকবেন।

দীর্ঘদিন ধরেই আত্মগোপনে অসমের বিচ্ছিন্নতাবাদী নেতা পরেশ বড়ুয়া। তার বিরুদ্ধে একাধিক নাশকতা, গণহত্যার অভিযোগ রয়েছে। আলফা বিচ্ছিন্নতাবাদীদের হামলায় বারবার রক্তাক্ত হয়েছে অসম। বিভিন্ন সময়ে আলফার কয়েকজম শীর্ষ নেতা আত্মসমর্পণ করে আলোচনাপন্থী হয়েছেন। তারাও জানিয়েছেন, পরিস্থিতি অনুকূল তৈরি হলে পরেশ বড়ুয়া আলোচনায় আসতে পারেন সরাসরি।

স্বাধীনতা দিবসের দিন মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্বশর্মা সরাসরি পরেশ বড়ুয়াকে আলোচনার জন্য আহ্বান জানান। তিনি বলেন, অসমবাসীর তরফে আপনাকে আলোচনায় বসতে অনুরোধ করছি। তবে মুখ্যমন্ত্রীর আহ্বানে উত্তর পূর্ব ভারতের অন্যতম সশস্ত্র বিচ্ছিন্নতাবাদী সংগঠনটির নেতৃত্ব কী পথ নিয়েছে তা স্পষ্ট নয়।

দিল্লিতে গিয়ে বড়ুয়ার সঙ্গে আলোচনার বিষয়ে সবুজ সংকেত পেতে চাইছেন মুখ্যমন্ত্রী। তাঁর সফরে উত্তর পূর্বের অপর আগ্রাসী নাগা বিচ্ছিন্নতাবাদী সংগঠন এনএসসিএন এনএসসিএন (খাপলাং) এর সঙ্গে শান্তি আলোচনার সূত্র খুঁজবেন হিমন্ত বিশ্বশর্মা।

Assam: হাতি নিয়ে শুরু উচ্ছেদ, লামডিং বনাঞ্চলে মুখোমুখি পুলিশ ও বনবাসীরা

News Desk: পূর্ব নির্ধারিত সময় অনুযায়ী অসম সরকার শুরু করেছে লামডিং সংরক্ষিত বনাঞ্চলে ‘জবরদখলকারী’ উচ্ছেদ অভিযান। বিরাট হাতি বাহিনী নামিয়ে শুরু হয়েছে বনাঞ্চলে থাকা বাসিন্দাদের ঘর ভাঙার কাজ। সঙ্গে আছে পে লোডার। ১ হাজার পুলিশ দিয়ে ঘিরে রাখা হয়েছে প্রথম দফার উচ্ছেদ অভিযান এলাকা। মঙ্গলবারও চলবে এই অভিযান।

সম্প্রতি দরং (Darrang)জেলার গোরুখুঁটিতে ( Garukhuti) সংখ্যালঘু ধর্মাবলম্বী বাংলাভাষীদের উচ্ছেদে গুলি চালানো ও মৃত্যুর জেরে বিতর্কে জড়িয়েছে অসম ও কেন্দ্রের কেন্দ্রের বিজেপি (BJP) সরকার। এর মাঝেই হোজাই (Hojai) জেলার লামডিং (Lamding) সংরক্ষিত বনাঞ্চলে হবে উচ্ছেদ অভিযান।

অভিযোগ, অসমের বিজেপি সরকার ও মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্বশর্মা বারবার প্রান্তিক শ্রেণি ও সংখ্যালঘুদের উপর দমন নীতি চালাচ্ছেন । গোরুখুঁটির ঘটনার জেরে বিতর্কে বিজেপি। তবে সরকারের যুক্তি, হাইকোর্টের নির্দেশ মেনেই উচ্ছেদ চলছে।

এদিকে সকাল থেকে লামডিং সংরক্ষিত বনাঞ্চলে বিরাট পুলিশ বাহিনীর মুখোমুখি অবস্থান করছেন স্থানীয় বাসিন্দাদের একাংশ। কিছু বাসিন্দা এলাকা ত্যাগ করেছেন। উচ্ছেদের বিরোধিতায় বিক্ষোভে সামিল যারা, তাঁদের বক্তব্য মরতে হলে এখানেই মরব, বাঁচলে এখানেই বাঁচব। (অহমিয়া ভাষায় ‘মরিলে ইয়াতে মরিম, বাঁচিলে ইয়াতে বাঁচিব’)।

উপনির্বাচনে একতরফা জয় পাওয়ার পরেই ফের উচ্ছেদ অভিযানে কোমর কষে নামছেন অসমের (Assam) মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্বশর্মা (Himanta Biswa Sarma)। গোরুখুঁটির রক্তাক্ত ঘটনার পর যে কোনওরকমে বিক্ষোভ ঠেকিয়ে লামডিং বনাঞ্চলে উচ্ছেদ অভিযানে অনড় রাজ্যের বিজেপি সরকার। এর জন্য বিশাল সংখ্যায় পুলিশ মোতায়েন করেছে নির্দেশ দিয়েছে স্বরাষ্ট্র দফতর।

উচ্ছেদ অভিযানে ‘জবরদখলকারী’ হটিয়ে ১,৪১০ হেক্টর ভূমি উদ্ধার করা হবে বলে জানানো হয়েছে। প্রথম দফায় ৫০০ হেক্টর ভূমিকে দখলমুক্ত করার লক্ষ্য স্থির করেছে অসম সরকার।

হোজাই জেলা প্রশাসন জানিয়েছে, ৮ নভেম্বর লামডিং সংরক্ষিত বনাঞ্চলটির বেতনলা এবং লাংসিপাই গারো বস্তি এলাকায় এবং ৯ নভেম্বর কমারপানি অঞ্চলে উচ্ছেদ অভিযান চলবে। আগেই এলাকা পরিদর্শন করেছেন অসম পুলিশের উচ্চ পদস্থ আধিকারিক জি পি সিং, হোজাইয়ের জেলা শাসক অনুপম চৌধুরী, পুলিশ সুপার বরুন পুরকায়স্থ ,দক্ষিণ নগাঁও বন ডিভিশন হোজাইয়ের আধিকারিক গুনদীপ দাস।

উল্লেখ্য, হোজাই বিধানসভা কেন্দ্রের প্রাক্তন বিজেপি বিধায়ক শিলাদিত্য দেব (Shiladitya Dev) জনস্বার্থজনিত একটি আবেদন দাখিল করেছিলেন হাইকোর্টে। এই আবেদনের ভিত্তিতে আদালত লামডিং সংরক্ষিত বনাঞ্চলে উচ্ছেদের নির্দেশ দিয়েছে। বিজেপিতে থাকাকালীন বিতর্কিত মন্তব্য করে বারবার দেশজুড়ে সমালোচিত হয়েছেন শিলাদিত্য দেব। পরে তিনি বিজেপির বিরুদ্ধেই ক্ষোভ দেখান।

সম্প্রতি গোরুখুঁটির রক্তাক্ত উচ্ছেদের কথা মাথায় রেখে রাজ্য প্রশাসন সতর্ক। উল্লেখ্য ২০১১ সাল থেকে ২০১৬ সাল পর্যন্ত লামডিং সংরক্ষিত বনাঞ্চলের কমারপানি অঞ্চলে ৫ বার উচ্ছেদ হয়েছিল। যদিও এতে কোনও লাভ হয়নি।

Assam: ‘মরিলে ইয়াতে মরিম’ উচ্ছেদের আগে হুঁশিয়ারি লামডিং বনবাসীদের, চাপে BJP

assam lumding forest

News Desk: মরতে হলে এখানেই মরব, বাঁচলে এখানেই বাঁচব। (অহমিয়া ভাষায় ‘মরিলে ইয়াতে মরিম, বাঁচিলে ইয়াতে বাঁচিব’) এমনই হুঁশিয়রি দিলেন অসমের (Assam) হোজাই জেলার লামডিং (Lumding) সংরক্ষিত বনাঞ্চলের বাসিন্দারা। সোমবার থেকে টানা দুদিনের উচ্ছেদ অভিযান শুরু হচ্ছে। তার আগেই লামডিং বনাঞ্চলের বাসিন্দাদের হুঁশিয়ারিতে চাপে পড়েছে অসমের বিজেপি সরকার।

রাজ্য প্রশাসন লামডিং সংরক্ষিত বনাঞ্চলে ‘জবরদখলকারী’ উচ্ছেদ অভিযান শুরু করছে সোমবার থেকে। উচ্ছেদ চলবে টানা ৪৮ ঘণ্টা। রবিবার সরকারি সময় শেষ। সোমবার সকালে বিরাট পুলিশ বাহিনী নিয়ে উচ্ছেদ অভিযান শুরু হচ্ছে। মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্বশর্মা ফের বিতর্কের মুখে।তবে তিনি সিদ্ধান্তে অনড়।

অন্যদিকে লামডিং সংরক্ষিত বনাঞ্চলের বাসিন্দাদের (রাজ্য সরকার বলছে জবরদখলকারী) বড় অংশ এলাকা ত্যাগ করতে নারাজ। তবে বেশকিছুদন এলাকা ছেড়েছেন। যারা রয়েছেন তাদের এলাকা খালি করার কথা বোঝানোর জন্য আপ্রাণ চেষ্টা চালাচ্ছে বিজেপি সরকার। তার মধ্যে হুঁশিয়ারি আসতেই মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্বশর্মার উপরে চাপ বাড়ছে।

সম্প্রতি দরং (Darrang) জেলার গোরুখুঁটিতে ( Garukhuti) সংখ্যালঘু ধর্মাবলম্বী বাংলাভাষীদের উচ্ছেদে গুলি চালানো ও মৃত্যুর জেরে বিতর্কে জড়িয়েছে অসম ও কেন্দ্রের কেন্দ্রের বিজেপি (BJP) সরকার। এর মাঝেই হোজাই (Hojai) জেলার লামডিং (Lamding) সংরক্ষিত বনাঞ্চলে হবে উচ্ছেদ অভিযান।

উপনির্বাচনে একতরফা জয় পাওয়ার পরেই ফের উচ্ছেদ অভিযানে কোমর কষে নামছেন অসমের (Assam) মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্বশর্মা (Himanta Biswa Sarma)। গোরুখুঁটির রক্তাক্ত ঘটনার পর যে কোনওরকমে বিক্ষোভ ঠেকিয়ে লামডিং বনাঞ্চলে উচ্ছেদ অভিযানে অনড় রাজ্যের বিজেপি সরকার। এর জন্য বিশাল সংখ্যায় পুলিশ মোতায়েন করেছে নির্দেশ দিয়েছে স্বরাষ্ট্র দফতর।

লামডিং সংরক্ষিত বনাঞ্চলে সোমবার সকাল থেকেই শুরু হবে এই উচ্ছেদ। প্রশাসনের তরফে দু দফায় চলবে উচ্ছেদ অভিযান। এরজন্য ব্যাপক প্রস্তুতি চলছে। উচ্ছেদ অভিযানে ‘জবরদখলকারী’ হটিয়ে ১,৪১০ হেক্টর ভূমি উদ্ধার করা হবে বলে জানানো হয়েছে। প্রথম দফায় ৫০০ হেক্টর ভূমিকে দখলমুক্ত করার লক্ষ্য স্থির করেছে অসম সরকার।

হোজাই জেলা প্রশাসন জানিয়েছে, ৮ নভেম্বর লামডিং সংরক্ষিত বনাঞ্চলটির বেতনলা এবং লাংসিপাই গারো বস্তি এলাকায় এবং ৯ নভেম্বর কমারপানি অঞ্চলে উচ্ছেদ অভিযান চলবে। এলাকা পরিদর্শন করেছেন অসম পুলিশের উচ্চ পদস্থ আধিকারিক জি পি সিং, হোজাইয়ের জেলা শাসক অনুপম চৌধুরী, পুলিশ সুপার বরুন পুরকায়স্থ ,দক্ষিণ নগাঁও বন ডিভিশন হোজাইয়ের আধিকারিক গুনদীপ দাস।

উল্লেখ্য, হোজাই বিধানসভা কেন্দ্রের প্রাক্তন বিজেপি বিধায়ক শিলাদিত্য দেব (Shiladitya Dev) জনস্বার্থজনিত একটি আবেদন দাখিল করেছিলেন হাইকোর্টে। এই আবেদনের ভিত্তিতে আদালত লামডিং সংরক্ষিত বনাঞ্চলে উচ্ছেদের নির্দেশ দিয়েছে। বিজেপিতে থাকাকালীন বিতর্কিত মন্তব্য করে বারবার দেশজুড়ে সমালোচিত হয়েছেন শিলাদিত্য দেব। পরে তিনি বিজেপির বিরুদ্ধেই ক্ষোভ দেখান।

সম্প্রতি গোরুখুঁটির রক্তাক্ত উচ্ছেদের কথা মাথায় রেখে রাজ্য প্রশাসন সতর্ক। এবার যাতে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি অবনতি না ঘটে তার জন্য পুলিশ ও ১১ টিসিআরপিএফ কোম্পানি মোতায়েন করা হয়েছে। প্রস্তুত রাখা হয়েছে হাতি ,ট্রাকটার, ঘোড়া ,গাড়ি ইত্যাদি।

উল্লেখ্য ২০১১ সাল থেকে ২০১৬ সাল পর্যন্ত লামডিং সংরক্ষিত বনাঞ্চলের কমারপানি অঞ্চলে ৫ বার উচ্ছেদ হয়েছিল। যদিও এতে কোনও লাভ হয়নি।

Assam: গোরুখুঁটির রক্তাক্ত ঘটনার পর হাতি নিয়ে ফের উচ্ছেদ অভিযানে BJP সরকার

aasam

News Desk: উপনির্বাচনে একতরফা জয় পাওয়ার পরেই ফের উচ্ছেদ অভিযানে কোমর কষে নামছেন অসমের (Assam) মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্বশর্মা (Himanta Biswa Sarma)। গোরুখুঁটির রক্তাক্ত ঘটনার পর সোমবার হতে চলেছে আরও একটি উচ্ছেদ অভিযান। এর জন্য বিশাল সংখ্যায় পুলিশ মোতায়েন করার নির্দেশ দিয়েছে স্বরাষ্ট্র দফতর।

দরং (Darrang)জেলার গোরুখুঁটিতে ( Garukhuti) সংখ্যালঘু ধর্মাবলম্বী বাঙালিদের উচ্ছেদে গুলি চালানো ও মৃত্যুর জেরে বিতর্কে জড়িয়েছে অসম ও কেন্দ্রের কেন্দ্রের বিজেপি (BJP) সরকার। এর মাঝেই হোজাই (Hojai) জেলার লামডিং (Lamding) সংরক্ষিত বনাঞ্চলে হবে উচ্ছেদ অভিযান।

রাজ্য প্রশাসন সূত্রে খবর, লামডিং সংরক্ষিত বনাঞ্চলে ৮ ও ৯ নভেম্বর হবে প্রথম পর্যায়ের উচ্ছেদ অভিযান। অর্থাৎ সোমবার সকাল থেকেই শুরু হবে এই উচ্ছেদ। প্রশাসনের তরফে দু দফায় চলবে উচ্ছেদ অভিযান। এরজন্য প্রশাসনের পক্ষে ব্যাপক প্রস্তুতি চলছে। উচ্ছেদ অভিযানে ‘জবরদখলকারী’ হটিয়ে ১,৪১০ হেক্টর ভূমি উদ্ধার করা হবে। প্রথম দফায় ৫০০ হেক্টর ভূমিকে দখলমুক্ত করার লক্ষ্য স্থির করেছে অসমের বিজেপি সরকার।

আগামী ৮ নভেম্বর লামডিং সংরক্ষিত বনাঞ্চলটির বেতনলা এবং লাংসিপাই গারো বস্তি এলাকায় এবং ৯ নভেম্বর কমারপানি অঞ্চলে উচ্ছেদ অভিযান চলবে।

উচ্ছেদ অভিযান ঘিরে পুলিশ ও বন বিভাগের কর্তাব্যক্তিদের ব্যস্ততা তুঙ্গে। এলাকা পরিদর্শন করেছেন অসম পুলিশের উচ্চ পদস্থ আধিকারিক জি পি সিং, হোজাইয়ের জেলা শাসক অনুপম চৌধুরী, পুলিশ সুপার বরুন পুরকায়স্থ ,দক্ষিণ নগাঁও বন ডিভিশন হোজাইয়ের আধিকারিক গুনদীপ দাস।

প্রশাসনের তরফে ওই এলাকা ছেড়ে দেওয়ার জন্য সেখানকার বাসিন্দাদের আহ্বান জানানো হয়। তবে তাদের আহ্বানের পূর্বেই সেখান থেকে সরে গিয়েছে বহু পরিবার।

উল্লেখ্য, হাইকোর্টে হোজাই বিধানসভা কেন্দ্রের প্রাক্তন বিজেপি বিধায়ক শিলাদিত্য দেব (Shiladitya Dev) জনস্বার্থজনিত একটি আবেদন দাখিল করেছিলেন। এই আবেদনের ভিত্তিতে আদালত লামডিং সংরক্ষিত বনাঞ্চলে উচ্ছেদের নির্দেশ দিয়েছে। বিজেপিতে থাকাকালীন বিতর্কিত মন্তব্য করে বারবার দেশজুড়ে সমালোচিত হয়েছেন শিলাদিত্য দেব। পরে তিনি বিজেপির বিরুদ্ধেই ক্ষোভ দেখান।

সম্প্রতি গোরুখুঁটির রক্তাক্ত উচ্ছেদের কথা মাথায় রেখে রাজ্য প্রশাসন সতর্ক। এবার যাতে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি অবনতি না ঘটে তার জন্য পুলিশ ও ১১ টিসিআরপিএফ কোম্পানি মোতায়েন করা হয়েছে। প্রস্তুত রাখা হয়েছে হাতি ,ট্রাকটার, ঘোড়া ,গাড়ি ইত্যাদি।

উল্লেখ্য ২০১১ সাল থেকে ২০১৬ সাল পর্যন্ত লামডিং সংরক্ষিত বনাঞ্চলের কমারপানি অঞ্চলে ৫ বার উচ্ছেদ হয়েছিল। যদিও এতে কোনও লাভ হয়নি।

Assam: আলো আসুক চোখে, সচিনের Diwali উপহারে আপ্লুত হাসপাতাল

Sachin Tendulkar donates retinal cameras

News Desk: ক্রিকেটের আলোয় আলোকিত হয়েছেন। জীবন্ত কিংবদন্তি সচিন তেন্ডুলকরের উপহারে এবার আলোকিত অসমের করিমগঞ্জের হাসপাতাল। তাঁর সাহায্যে ঢেলে সাজানো হচ্ছে করিমগঞ্জের মুকুন্দ খ্রিষ্টান লেপ্রসি অ্যান্ড জেনারেল হাসপাতালের চক্ষু বিভাগ।

সচিন তেন্ডুলকর ফাউন্ডেশনের এই উদ্যোগকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন মুকুন্দ হাসপাতালের চিকিৎসকরা। তারা বলেন, এই হাসপাতালের উপর শুধু করিমগঞ্জবাসী নির্ভর করেন তা নয়, প্রতিবেশি মিজোরাম, ত্রিপুরা থেকেও দীর্ঘ যাত্রা করে রোগীরা আসেন। সচিন ফাউন্ডেশনের দেওয়া অত্যাধুনিক চিকিৎসা সামগ্রীর সাহায্যে সদ্যেজাত ও বিভিন্ন বয়সের রোগীদের চোখ পরীক্ষা আরও নিখুঁত করা সম্ভব হবে।

করিমগঞ্জ অসমের বরাক উপত্যকার একটি জেলা। বাঙালি অধ্যুষিত এই জেলার মুকুন্দ হাসপাতালের চিকিৎসা পরিকাঠামোর উপর ভরসা বহু মানুষের। কিছু বিশেষ পরীক্ষার জন্য এখান থেকে রোগীদের ৩৬০ কিলোমিটার দূরে গুয়াহাটি যেতে হয়। সচিন তেন্ডুলকর ফাউন্ডেশনের দেওয়া চিকিৎসা সামগ্রী, ক্যামেরা সেই ঝক্কি থেকে রোগীদের মুক্তি দিল।

Assam: বিরোধীদের ৫-০ গোল দিয়ে উচ্ছসিত BJP, মুখ্যমন্ত্রী বললেন সব জিতব!

Bjp celebrated Masive win in assam by election

News Desk: পশ্চিমবঙ্গে গোহারা হেরেছে বিজেপি। আর অসমে বিরাট জয়। উপনির্বাচনে দুই প্রতিবেশি রাজ্যে এই ভিন্ন ছবি। এই রাজ্যে ৫-০ ব্যবধানে এনডিএ শিবির জয়ী হওয়ার পর উচ্ছসিত মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্বশর্মা।

উপনির্বাচনের ফল প্রকাশের গেরুয়া শিবিরে আনন্দের জোয়ার উঠেছে। মঙ্গলবার দুপুরে চূড়ান্ত ফলাফল আসার পরই গুয়াহাটি হেংড়াবাড়িতে রাজ্য রাজ্য বিজেপির কার্যালয়ে দলীয় কর্মকর্তাদের মধ্যে আগাম দীপাবলি লেগেছে।

জয়ের আনন্দে সামিল হলেন মুখ্যমন্ত্রী ডক্টর হিমন্তবিশ্ব শর্মা, রাজ্য বিজেপি সভাপতি ভবেশ কলিতা ও অন্যান্য নেতারা। উপনির্বাচনে বিজেপিকে ফের জয়ী করায় জনগণকে কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করেন মুখ্যমন্ত্রী।

অসমের মুখ্যমন্ত্রী বলেন , এখন আমাদের আর বসে থাকার সময় নেই। বিশ্রাম নিলেই মানুষ আমাদের ভুলে যাবে। দুরন্ত গতিতে কাজ করতে হবে। ৫ টি বিধানসভা কেন্দ্রের মানুষকে আমি প্রণাম করছি। ভোটার আগে জনগণকে দেওয়া প্রতিটি প্রতিশ্রুতি সফল রূপায়ণ করব।

হিমন্ত বিশ্বশর্মা বলেন, কেউ আমাদের ভোট দিয়েছে কিনা সেটা বড় কথা নয়। আমরা সবার উন্নয়নের জন্য কাজ করব। এবার বহু সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের মানুষ ভোট দিয়েছেন বিজেপিকে।

রাজ্যে বিতর্কিত উচ্ছেদ অভিযান প্রসঙ্গে মুখ্যমন্ত্রী বলেন ,চরাঞ্চলে জমির সার্ভে হওয়াটা খুবই জরুরি। বহু সরকারি ভূমিতে জবদখল চলছে। লামডিং বনাঞ্চলে মহাজনি ব্যবস্থা বন্ধ করতে হবে। এতে বহু সংখ্যালঘু মানুষ ভূমি পাবেন।

উল্লেখ্য, মিজোরাম ,নাগাল্যান্ড ,মেঘালয় ও অসমে বিজেপি জোটের বিজয় হয়। মুখ্যমন্ত্রী বলেন, এই জয় ফের প্রমাণ করল যে আমাদের প্রতি মানুষের সমর্থন রয়েছে। মুখ্যমন্ত্রী আরও বলেন ,গত বিধানসভা নির্বাচনে সুশান্ত বরগোহাঁই এবং ফণীধর তালুকদার তিন হাজার ভোট জয়ী হয়েছিলেন। কিন্তু এবার বৃহৎ ব্যবধান রয়েছে তাঁদের জয়ে।রাজ্যের মরিয়নি কেন্দ্রে রেকর্ড ভোট জয়ী বিজেপি প্রার্থী।

প্রতিটি বিধানসভা কেন্দ্রে উপনির্বাচনের ফলাফল বিশ্লেষণ করেন মুখ্যমন্ত্রী। তিনি বলেন, আগামী সাড়ে চার বছর জনগণকে বিশ্বাসে নিয়েই সরকার কাজ করবে। সভ্যতা ও বিকাশকে সামনে রেখেই আগামীতে অসমকে দেশের ৫ টি শ্রেষ্ঠ রাজ্য হিসেবে গড়ে তোলার ক্ষেত্রে যাবতীয় পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

তিনি বলেন,১২৬ টি বিধানসভা কেন্দ্রে বিজেপি জয়ী করাটাই আমার লক্ষ্য। জীবনে এমনটা দিন আসবে বলে আমি আশাবাদী। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর প্রতি অসম তথা সমগ্র উত্তর পূর্বাঞ্চলের মানুষের আদর রয়েছে। মানুষ উন্নয়ন ও বিকাশকে বিশ্বাস করেন।

Assam: বিস্ফোরণের রেশ ধরে ফের গরম অসম-মিজো সীমানা, স্থানীয় বাঙালিরা আতঙ্কিত

aasam

News Desk: ফের উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে হাইলাকান্দি জেলার কচুরথল লাগোয়া অসম-মিজোরাম (Assam- Mizoram) আন্ত:রাজ্য সীমানা। শুক্রবার গভীর রাতে এই এলাকায় থাকা ভাইসেরা বিওপির সামনে দুষ্কৃতীরা আচমকা বিস্ফোরণ ঘটায়।

এই বিস্ফোরণে জিলেটিন স্টিক ব্যবহার করেছে বলে পুলিশ সন্দেহ করছে। এতে জড়িত থাকার অভিযোগে মিজো আই আর ব্যাটেলিয়ানের এক জওয়ান। ধৃতের নাম হচ্ছে বার্ডেন থাঙমা।

ঘটনার জেরে শনিবার সকাল থেকেই হাইলাকান্দি জেলার অসম-মিজোরাম সীমানায় এলাকায় মোতায়েন করা হয়েছে বিরাট পুলিশ বাহিনী। ফলে সেখানে কর্মরত মিজোরামের নির্মাণ শ্রমিকরা আতংকিত হয়ে পালায়।

উল্লেখ্য, গত জুলাইয়ে একইস্থানে একটি সেতু নির্মাণ করেছিল মিজোরা। ঘটনায় এলাকাজুড়ে অশান্তির বাতাবরণ সৃষ্টি হয়। দুই রাজ্য পুলিশের মধ্যে গুলি চলে ৬ অসম পুলিশ কর্মী মারা যান। আরও কয়েকজন জখম হন।

আন্ত:রাজ্য পুলিশ সংঘর্ষের এই রক্তাক্ত ঘটনায় চরম অস্বস্তিতে পড়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক। অসমের বিজেপি সরকার ও মিজোরাম সরকার এনডিএ শরিক। কেন্দ্র সরকারের দুই শরিকদল দুই রাজ্যের সরকারে। দুই রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীরা পরস্পরকে ক্রমাগত দোষারোপ করতে থাকেন। রক্তাক্ত ঘটনার পরে আম্ত:রাজ্য সীমানায় মোতায়েন করা হয় আধা সেনা।

NRC: ‘ডি’ ভোটারে অসম বিজেপি জেরবার, প্রচারে বাঙালিদের মন পেতে মরিয়া হিমন্ত

himanta biswa sharma

News Desk: ‘ডি’ ভোটার সমস্যার বিতর্কে জর্জরিত অসম সরকার। রাজ্যে উপনির্বাচনে এই ইস্যু ভোটে প্রভাব পড়ছে বলে মনে করছে রাজ্যে শাসক দল বিজেপি। অসমের বাঙলিরা যে জর্জরিত সেটা মুখ্যমন্ত্রী হিমন্তবিশ্ব শর্মা স্বীকার করলেন।

বুধবার উপনির্বাচনের প্রচারে বাংলাভাষী অধ্যুষিত ভবানীপুর, গোসাইগাঁও ও তামুলপুরে বিধানসভা কেন্দ্রে গিয়ে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, ডি ভোটার ও নোটিশ সংক্রান্ত সমস্যা দ্রুত সমাধান হবে।

অসমের মুখ্যমন্ত্রী বলেন,এনআরসি’র জন্য বায়োমেট্রিক করতে গিয়ে আধার আটকে পড়ে বহু মানুষকে সমস্যায় পড়তে হচ্ছে। এহেন সমস্যার সমাধান খুব শীঘ্রই করা হবে বলে আশ্বাস দিলেন মুখ্যমন্ত্রী। বাংলায় ভাষণ দেন তিনি।

মুখ্যমন্ত্রী বলেন, আধার সমস্যা সমাধানের জন্য সরকার যাবতীয় ব্যবস্থা করছে। এনিয়ে কেউ যেন চিন্তা না করেন।

আরও পড়ুনNRC: ভারতীয় ঘোষণার পরেও ‘ডি নোটিশ’ অসমে, বাঙালি ভারতীর ‘দেশহীন’ আতঙ্ক

রাজ্যের বিরোধী দল কংগ্রেসের বিরুদ্ধে বেশ আক্রমণাত্মক ছিলেন তিনি। হিমন্ত বিশ্বশর্মা বলেন, রাজ্যে কংগ্রেস আমলেই অসমে ঘুষ নেওয়ার সংস্কৃতি শুরু হয়েছিল। টাকার বান্ডিল না দিলে কাজ হতো না। সে সময়ে ঘুষ দিতে দিতে মানুষ পাগল হয়ে গিয়েছিল। শিক্ষক,আশাকর্মী অঙ্গনওয়াড়িতে চাকরিতে পাওয়ার জন্য দিতে হতো ঘুষ। মুখ্যমন্ত্রীর দাবি, এমন সংস্কৃতি মাত্র চারমাসে পরিবর্তন ঘটানো হয়েছে। প্রশাসনিক অব্যবস্থা বিজেপি সরকার বন্ধ করেছে। আগামী সাড়ে চার বছর সব কলঙ্ক মুছেই ছাড়ব বলে দাবি করেন তিনি।

উপনির্বাচনের প্রচারে মুখ্যমন্ত্রীর আরও দাবি, আগামীদিনে প্রায় ১ লক্ষ যুবক যুবতীকে স্বচ্ছতা বজায় রেখে চাকরি দেওয়া হবে। এক পয়সাও ঘুষ দিতে হবে না। তিনি বলেন, কংগ্রেস শুধু ধর্মের ভিত্তিতে ভোট নিতে জানে।

NRC: ভারতীয় ঘোষণার পরেও ‘ডি নোটিশ’ অসমে, বাঙালি ভারতীর ‘দেশহীন’ আতঙ্ক

controversial ad notice issued against bengalis in assam

News Desk: ‘ডি নোটিশ’ শব্দটাই আতঙ্কের। ‘ডাউটফুল’ বা সন্দেহজনক তালিকায় যার নাম ওঠে সেই ব্যক্তিকে তাড়া করে দেশহীন হওয়ার আতঙ্ক। যেতে হয় ডিটেনশন ক্যাম্পে।বিশেষত অসমের বাংলাভাষীদের ক্ষেত্রে আতঙ্কের নাম ‘ডি নোটিশ’।

ফরেনার্স ট্রাইবুনাল বা বিদেশি চিহ্নিতকরণ তালিকায় যে ব্যক্তিতে একবার । ভারতীয় করা হয়েছে তাকেও ফের সন্দেহভাজন নাগরিকে তকমা সেঁটে দেওয়া হয়েছে অসমে।

ফের এমন ঘটনাটি ঘটেছে নাম্নী অসমের বঙ্গাইগাঁও জেলার মানিকপুর থানার ২ নম্বর জামদহা গ্রামে। এই গ্রামের প্রয়াত অবিনাশ সরকার ওরফে প্রেম দাস সরকারের কন্যা ভারতী। তিনি গোপালচন্দ্র সরকারের স্ত্রী। কৃষক পরিবারের গৃহবধু ভারতী।

১৩৭১/২০০২ সালের বিদেশি সংক্রান্ত মামলায় একই জেলার এক নম্বর বিদেশি শনাক্তকরণ ট্রাইবুনাল আদালত ২০১৯ সালে ভারতী সরকারকে ভারতীয় হিসেবে ঘোষণা করে। আদালতে পেশ করা ১০ টি তথ্যের উপর ভিত্তি করে উল্লেখিত নির্দেশ দেওয়া হয়। ১৯৪৬ ফরেনার্স এক্টের ৯ ধারা অনুযায়ী আদালত ভারতী সরকারকে ভারতীয় ঘোষণা করেছে।

আশ্চর্যের বিষয়ট, বিএনজিএন/এফটি ১২০১/২০১০ এর ভিত্তিতে আরেকটি মামলায় ভারতীকে একই ট্রাইবুনালের পক্ষ থেকে ফের ‘ডি’ভোটারের নোটিস জারি করা হয়। খুবই দরিদ্র পরিবার ভারতী এই নোটিশ পেয়ে চিন্তিত হয়ে পড়েছেন। মামলা চালাতে টাকা জোগাড় করতে হিমশিম খাচ্ছেন তিনি। নিজের জমি বিক্রি করে মামলার টাকা জোগাড় করেছেন।

নোটিশে বলা হয়েছে যে, ১৯৭১ সালের ২৪ মার্চের পর অবৈধভাবে প্রবেশ করেছে কিনা, সেটা প্রমান করতে সেটার তথ্য সাবুদ নিয়ে ১৬ নভেম্বরের মধ্যে আদালতে হাজির হতে হবে। কয়েকদিন আগেই এই নোটিশ জারি করা হয়েছে।

এদিকে ,জামদহা এলাকাটি বন্যা কবলিত। কৃষক এবং খুবই দুঃস্থ পরিবারের ভারতী।একটি দরিদ্র কৃষক পরিবারের সদস্য হিসেবে ফের নোটিশ পাওয়ায় ভেঙে পড়েন ভারতী সরকার।

ঘটনার নিন্দা জানিয়েছেন সারা অসম বাঙালি মঞ্চের সাধারণ সম্পাদক অমৃতলাল দাস। তিনি বলেন, কয়েকদিন যাবত নিম্ন অসমের বিভিন্ন এলাকায় হিন্দু বাঙালিদের ডি নোটিশ দেওয়া চলছে। ইচ্ছাকৃত ও আক্রোশমূকলভাবে একাজ করা হচ্ছে। শীঘ্রই এসব বন্ধ রাখার দাবি জানিয়েছেন তিনি।

অমৃতলাল দাসের অভিযোগ, সরকারি উদাসীনতার শিকার হচ্ছেন অসমের বাঙালিরা। বিদেশি শনাক্তের নামে প্রকৃত ভারতীয়কে হয়রানি মেনে নেওয়া যায় না। স্বরাষ্ট্র দফতর দায়িত্বে থাকা মুখ্যমন্ত্রী ডক্টর হিমন্তবিশ্ব শর্মাকে এক্ষেত্রে সঠিক পদক্ষেপ নেওয়ার জন্য আর্জি জানিয়েছেন অমৃত বাবু।

Covid 19: লকডাউনের সম্ভাবনা উড়িয়ে দিলেন মুখ্যমন্ত্রী

assam corona vaccine

News Desk: কোনও অবস্থায় আর লকডাউন হবে না। তবে সবাইকে সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে। নিতে হবে টিকা। জানালেন অসমের মুখ্যমন্ত্রী ডক্টর হিমন্ত বিশ্বশর্মা। সম্প্রতি বিভিন্ন মহল থেকে প্রচারিত হয় অসমে লকডাউন চালু হচ্ছে। সেসব উড়িয়ে দিলেন মুখ্যমন্ত্রী। তিনি বলেন,’রাজ্যে ফের লকডাউন হবে না। অসমে আর লকডাউন চাইনা’।

সোমবার মরিয়নি বিধানসভার উপনির্বাচনে প্রচারে গিয়ে অসমের মুখ্যমন্ত্রী বলেন, যে কোনও ভাবেই ভ্যাকসিনের দুটি ডোজ নিতে হবে। মুখ্যমন্ত্রী বলেন ,প্রথম ডোজ নেওয়া ব্যক্তিরা দ্বিতীয় ডোজ নিতে ভুলবেন না। কেননা আমরা সকলেই করোনা মহামারী থেকে বাঁচতে হবে। তাই করোনা থেকে রক্ষা পেতে ভ্যাকসিন নেওয়াটা খুবই জরুরি। সেইসঙ্গে সবাইকে সতর্ক থাকতে বলেন তিনি।

হিমন্ত বিশ্বশর্মা বলেন ,গতবছর নভেম্বর থেকে ফেব্রুয়ারি অব্দি করোনা ছিল না। যদিও আচমকা এপ্রিলে আবার করোনা এসে গিয়েছে। তাই এবছর যেন কোনও কারণেই কোভিড আসতে না পারে তারজন্য সবাইকে ভ্যাকসিন নিতে হবে। করোনা নিয়ে এর নতুন বিধি আসছে বলে মন্তব্য করেন তিনি।

মুখ্যমন্ত্রী বলেন, এই বিধি অনুযায়ী ১৭ থেকে ১৮ বছরের ছেলেমেয়েকে প্রদান করা হবে ভ্যাকসিন। এ দিল্লি থেকে ইতিমধ্যে নির্দেশ এসেছে। তাই এবয়সের ছেলে মেয়েদের এখন থেকেই ভ্যাকসিন নেওয়ার জন্য আহ্বান জানান মুখ্যমন্ত্রী। তিনি বলেন,ভোট আসে ভোট যায়। কিন্তু সবাই বেঁচে থাকতে হবেই। নিজের দৈনন্দিন জীবন চালিয়ে যেতে হবে।

কোভিড ভ্যাকসিন যারা নেয়নি ,তাদের প্রতি বার্তা ছুড়ে দিয়ে এদিন অসমের স্বাস্থ্যমন্ত্রী কেশব মহন্ত বলেন ,ভ্যাকসিনের দুই ডোজ না নেওয়া সুবিধাপ্রাপকরা পাবেন না কোনও সরকারি প্রকল্পের সুবিধা। রাজ্য সরকারের তরফে এমনটাই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্বশর্মা বলেন ,সরকারি প্রকল্প পাওয়ার জন্য ভ্যাকসিনের দুই ডোজ নেওয়াটা বাধ্যতামূলক।ভ্যাকসিনের সার্টিফিকেট দেখলেই প্রকল্পের সুবিধা মিলবে। এমনকি রেশন দোকান ,পেনশনারের এক্ষেত্রেও এই বিধি মেনে চলতে হবে।আগামী নভেম্বর থেকেই রাজ্যে এই নয়া বিধি লাগু হবে।

NRC: অসমে ফরেনার্স ট্রাইব্যুনাল থেকে চাকরি ছাড়লেন কর্মীরা

assam foreigners tribunal quit from post

নিউজ ডেস্ক: কোটি কোটি টাকা খরচ করে সরকার গড়েছে বিদেশি চিহ্নিতকরণ ট্রাইব্যুনাল। এতে বিদেশি চিহ্নিত হলেই যেতে হবে চরম দুর্ভোগের ডিটেশন ক্যাম্পে। সেই ফরেনার্স ট্রাইব্যুনালের কর্মীদের এখন চাকরি ছাড়ার হিড়িক।

বিদেশি শনাক্তকরণ ট্রাইবুনালে নবনিযুক্ত  ১৩ জন সদস্য এবার চাকরি ছাড়লেন। অভিযোগ, ফরেনার্স ট্রাইব্যুনালের কর্মীদের জন্য  পর্যাপ্ত পরিকাঠামোর অভাব। এই কারণে ১৩ জন চাকরি ছাড়ার সিদ্ধান্ত নিতে বাধ্য হলেন। বিদেশি শনাক্তকরণের নামে অসম সরকার কোটি কোটি টাকা খরচ করার সময় ১৩ জন সদস্যের এভাবে সরে আসাটা তাৎপর্য্যের বিষয়।

জাতীয় নাগরিকপঞ্জী থেকে নাম ছিটকে পড়া ১৯ লক্ষ মানুষের নাগরিকত্ব প্রমান করতে নতুন করে খোলা হয়েছিল ফরেনার্স ট্রা়ইব্যুনাল। এখানে নিয়োগ করা হয় ২০০ জন সদস্যকে। যদিও আজ অব্দি শুরু করা হয়নি অতিরিক্ত ২০০ ট্রাইবুনালের কাজ ।

অধিকাংশ ট্রাইব্যুনালে পরিকাঠামোর সমস্যা ছিল। এমনকি বসার চেয়ার ,টেবিল পর্যন্ত নেই বলেই অভিযোগ। একটি টেবিলেই ৫-৬ জন সদস্য বসেন । সমস্যা সমাধান করতে গত সপ্তাহে রাজ্যের মুখ্য সচিবের সঙ্গে বৈঠক হয়। কিন্তু তারপরও সমাধান সূত্র বেরিয়ে আসেনি।

জাতীয় নাগরিকপঞ্জী ঘিরে বিতর্কিত পরিস্থিতি অসমে। লক্ষ লক্ষ অসমবাসীর নাম বাতিল হয়েছে। বাদ যাওয়াদের তালিকায় বেশিরভাগই হিন্দু সম্প্রদায়ের। এতে আরও বিপাকে পড়েছে বিজেপি।

Assam: বাঙালি বিদ্বেষী মনোভাব বাড়ছে অসমে, আলফা জঙ্গি প্রধানের ঠান্ডা হুমকি

Why an assault on former ULFA militants has fuelled fresh anti-Bengali rhetoric in Assam

নিউজ ডেস্ক: অহমিয়া-বাঙালি জাতি বিদ্বেষ দ্রুত ছড়াচ্ছে অসমে (Assam)। বাঙালি অধ্যুষিত বরাক উপত্যকাকে অসম থেকে বিচ্ছিন্ন করার প্রস্তাব দিয়েছেন বিশিষ্ট সাহিত্যিক তথা প্রাক্তন সাংসদ নগেন শইকিয়া। তাঁর মন্তব্য ধরেই তীব্র প্রতিক্রিয়া দিল সশস্ত্র বিচ্ছিন্নতাবাদী সংগঠন আলফা (স্বাধীনতা) (ULFA-I)

আলফা (স্বাধীনতা) সুপ্রিমো পরেশ বড়ুয়া সংবাদমাধ্যম পাঠানো বিবৃতিতে জানান ,ডক্টর ডক্টর শইকিয়ার মতো একজন বিশিষ্ট ব্যক্তি বরাক উপত্যকা নিয়ে সস্তা মন্তব্য করা ঠিক হয়নি। তাঁর কাছে এমনটা আশা করতে পারিনি। এ ধরণের অদ্ভুত মন্তব্য তুলে নেওয়ার আহ্বান জানাচ্ছি।

মোস্ট ওয়ান্টেড বিচ্ছিন্নতাবাদী নেতা পরেশ বড়ুয়া বলেন, বরাক উপত্যকা অহমিয়া চলবেই। সেখানে বাংলা সহযোগী ভাষা৷ কাছাড়কে আমরা বাংলাভাষীর হতে তুলে দিতে পারিনা। সেখানে মণিপুরীরা রাজত্ব করবেন।

আলফা (স্বাধীনতা) প্রধান জানান, ডক্টর শইকিয়া বলেছেন, মায়ের মাথা ব্যাথা যদি হয় ,তাহলে সুযোগ্য সন্তান হিসেবে গলা কেটে দেওয়া উচিৎ। যেটা আমরা কোনও ভাবেই মেনে নিতে পারিনা। একজন বিদ্যান ব্যক্তি হিসেবে এ ধরণের কথা বলাটা যে ঠিক হয়নি, সেটা একজন অশিক্ষিত মানুষও বলবে। তাঁর এই মতামতের আমরা ধিক্কার জানাচ্ছি।

আলফা প্রধানের ঠান্ডা হুমকির পরেই অসমের রাজনৈতিক মহলে চাঞ্চল্য ছড়ায়। তবে ডক্টর শইকিয়া জানান, আমার বক্তব্যকে বিকৃত আকারে তুলে ধরা হয়েছে। নিজের অবস্থানে তিনি অটল বলে ফের জানিয়েছেন। তিনি বলেন, অসমের ভাষা সংস্কৃতিকে বরাকের একাংশ মানুষ অপমান করার ঘটনা আর নতুন হয়ে থাকেনি। দীর্ঘকাল ধরেই চলে আসছে। এমনকি অসম বিশ্ববিদ্যালয়ে অসমের কোনও সাহিত্যিক ,শিল্পীর ছবি নেই।

ডক্টর শইকিয়ার মন্তব্য নিয়ে ব্রহ্মপুত্র উপত্যকায় রাজনৈতিক হাওয়া গরম হয়েছে। সারা অসম ছাত্র সংস্থা (AASU) প্রতিবাদে সামরিক। আসুর উপদেষ্টা ডক্টর সমুজ্জল কুমার ভট্টাচার্য জানিয়েছেন, অসমের অখণ্ডতা যেকোনো ভাবেই রক্ষা থাকুক। এর বিভক্ত হোক সেটা আমার চাই না। যে কোনও পরিবেশে অসমের বিভাজনের পক্ষে আমরা নেই বলে সাফ জানিয়েছেন তিনি।

অসম জাতীয়তাবাদী যুব ছাত্র পরিষদের নেতা পলাশ সাংমা বলেন, রাজ্যে অখণ্ডতা বজায় থাকাটাই আমাদের কাম্য। অসমের জাতি গঠন প্রক্রিয়ায় বঙ্গভাষী অসমীয়াদের অংশীদার হওয়ার জন্য আহ্বান জানাচ্ছি। অসম থেকে আরও একটি পৃথক রাজ্য সৃষ্টি হওয়াটা আমরা চাই না।

বিশিষ্ট ব্যক্তিত্ব ডক্টর নগেন শইকিয়া ক্ষোভ ও আবেগের বশবর্তী হয়েই বির্তকিত মন্তব্য করছেন বলে জানান অসম সাহিত্য সভার সভাপতি কুলধর শইকিয়া। তিনি বলেন ,অসমের ভাষা ও সাহিত্য এগিয়ে নেওয়ার ক্ষেত্রে রাজ্যের প্রতিজন মানুষের অবদান রয়েছে।

সোনাইয়ের বিধায়ক করিমুদ্দিন বড়ভূঁঞা নিজের প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করতে গিয়ে বলেন ,বরাকের মানুষ কোনওদিনই অসম থেকে বিচ্ছিন্ন হতে চায় না।

Assam: ভাষা শহিদ শিলচর স্টেশনের সরকারি পোস্টারে বাংলা নেই ! বিতর্ক বাড়ছে

bengalis of assam

নিউজ ডেস্ক: অসমের (Assam) সরকারি ভাষার একটি বাংলা। আর বাংলা ভাষার অধিকার অর্জনের জন্য রক্তাক্ত হওয়া শিলচর স্টেশনেই পড়েছে অহমিয়া ভাষায় সরকারি পোস্টার। যদিও এ রাজ্যে অপর সরকারি ভাষা বাংলা। ঘটনার জেরে শিলচর সরগরম। 

অহমিয়া ভাষায় লিখিত এই সরকারি প্রকল্পের পোস্টার লাগানো নিয়ে সোচ্চার বরাক ডেমোক্রেটিক যুব ফ্রন্ট এবং সারা বাঙালি ছাত্র যুব সংস্থার সদস্যরা। সরকারি পোস্টারটি কালো কালি দিয়ে মুছে দেন।

যুব ফ্রন্টের মুখ্য আহ্বায়ক কল্পার্ণব গুপ্ত বলেন, যে একাদশ শহিদের রক্তের বিনিময়ে ১৯৬১ সালে যে ত্রিভাষা সূত্র সরকারি ভাবে গৃহীত হয় যে তাতে স্পষ্টতই সরকারি কাজকর্মে ও প্রচার ইত্যদিতে অসমের বরাকে বাংলাভাষা ব্যাবহৃত হবে এমন সিদ্ধান্ত হয়েছিল। বর্তমান সরকারের সেটা অজানা থাকার কথা নয়। কিন্তু তারপরও সরকারি তরফে এখানে অসমিয়া ভাষায় পোস্টারের পিছনে কোনও উদ্দেশ্য রয়েছে।

অভিযোগ,বিজেপি অসমে ক্ষমতায় আসার পর থেকে ক্রমাগত বাঙালি বিদ্বেষ মনোভাব নিয়ে চলছে। নাম্নী অসম বা বরাক উপত্যকায় বিষয়টি নিয়ে রাজনৈতিক চাপান উতোর শুরু হয়েছে। কল্পার্ণব বলেন যে সরকার নির্বিশেষে দিশপুরের কর্তাদের তরফে এইভাবে জোর করে অসমিয়াকরণের চেষ্টা চলছেই।

তিনি বলেন অসমের বরাকের জনগণ বাধ্য হয়ে ভাষার প্রশ্নে স্পর্শকাতর হয়ে উঠেছেন। অসমের বরাকে এইভাবে পেছন থেকে অসমিয়া ভাষা চাপিয়ে দিতে গেলে তার ফল মোটেই ভালো হবেনা। এইসব‌ কিছুতেই মানা হবেনা এবং এসবের প্রতিরোধে সর্বাত্মক আন্দোলনে নামবে বিডিএফ যুবফ্রন্ট। এইসব বন্ধ না হলে আবার ৬১ এর আন্দোলনের পুনরাবৃত্তি হবে।

অসমেও বড়সড় হামলা চালাতে পারে আইএসআই, জারি হল সতর্কবার্তা

ISI terror attacks in Assam

নিউজ ডেস্ক, নয়াদিল্লি: কাশ্মীরে জঙ্গিদের সক্রিয়তা গত এক মাসে অনেকটাই বেড়েছে। গোয়েন্দা বাহিনী তাদের রিপোর্টে জানাল, শুধু কাশ্মীর নয়, অসমেও বড়সড় হামলা চালানোর পরিকল্পনা করছে পাক গুপ্তচর সংস্থা আইএসআই। গোটা দেশেই বড় ধরনের নাশকতা চালানোর ষড়যন্ত্র করছে আইএসআই। গোয়েন্দা বাহিনীর এই সতর্কবার্তা পাওয়ার পরই অসমে জারি হয়েছে সতর্কতা।

সোমবার অসম পুলিশের প্রধান এই সতর্কবার্তা জারি করেন। রাজ্য পুলিশের ডিজি বলেছেন, সেনাবাহিনী এবং রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সংঘের কর্মীরাই হামলাকারীদের মূল নিশানা। একসঙ্গে বহু মানুষের প্রাণ নিতে কোনও ধর্মীয় স্থান বা বড় জনসমাবেশে হামলা চালাতে পারে আইএসআই। অসমের সেনাঘাঁটিগুলিও রয়েছে আইএসআইয়ের নিশানায়। জনবহুল জায়গায় তারা আত্মঘাতী বিস্ফোরণ ঘটানোর পরিকল্পনা করছে। শুধু গোয়েন্দাদের সতর্কবার্তাই নয়, এ বিষয়ে আল-কায়দার একটি ভিডিয়ো বার্তার কথাও উল্লেখ করেছেন ডিজি।

আল-কায়দার সেই ভিডিও বার্তায় কাশ্মীরের মত অসমেও জেহাদের ডাক দেওয়া হয়েছে। ঘটনার জেরে যে কোনও ধরনের হামলা রুখতে সব ধরনের ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য নির্দেশ দেওয়া হয়েছে রাজ্যের প্রতিটি থানাকে। প্রতিটি জেলার পুলিশ সুপারকেও সতর্ক করে দিয়েছেন ডিজি।

গোয়েন্দা বাহিনী জানিয়েছে, সম্প্রতি পাক অধিকৃত কাশ্মীরের মুজাফফরাবাদে লস্কর-ই-তৈবার সদস্যরা একটি বৈঠকে বসেছিল। ২১ সেপ্টেম্বর জঙ্গি সংগঠনের ওই বৈঠকে হাজির ছিল পাক গুপ্তচর সংস্থা আইএসআইয়ের একাধিক পদস্থকর্তা। ওই গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকেই ভারতে কিভাবে নাশকতা চালানো যেতে পারে তার নীল নকশা তৈরি হয়। ওই বৈঠকেই কাশ্মীর-সহ সীমান্তবর্তী অসম, অরুণাচল প্রদেশে বড় ধরনের সন্ত্রাসবাদী হামলা চালানোর সিদ্ধান্ত হয়েছে। জঙ্গিদের নিশানায় রয়েছে রাজধানী দিল্লি ও বাণিজ্যিক রাজধানী মুম্বই।

সাম্প্রতিককালে কাশ্মীরের নিরাপত্তাব্যবস্থা বহুগুণ বৃদ্ধি করা হয়েছে। সেখানে জঙ্গি সংগঠনগুলি তেমন একটা সুবিধা করতে পারছে না। সে কারণেই তারা কাশ্মীর ছাড়া অন্য রাজ্যগুলিকেও নিশানা করতে চাইছে।

Assam: ভুটান সীমান্তে বিপুল গোলা বারুদ উদ্ধার, UlFA জঙ্গিদের অস্ত্রভাণ্ডার?

ammunition seized near India Assam Bhutan border

নিউজ ডেস্ক: আন্তর্জাতিক সীমান্তের কাছে বড়সড় অস্ত্রভাণ্ডারের সন্ধান পেয়ে চমকে গেছে অসম (Assam) পুলিশ। প্রতিবেশি ভুটানের সীমান্ত সংলগ্ন বাক্সা জেলার দরাঙ্গমেলা এলাকায় অভিযান চালিয়ে গোলাবারুদ উদ্ধার করা হয়। মনে করা হচ্ছে এই অস্ত্রভাণ্ডার অসমের দুই বিচ্ছিন্নতাবাদী সশস্ত্র সংগন আলফা (স্বাধীনতা) অথবা এনডিএফবি গোষ্ঠীর।

২০০৩-২০০৪ সালে ভারত বিরোধী ৬টি বিচ্ছিন্নতাবাদী সংগঠনের বিরুদ্ধে ভুটান সরকার টানা সামরিক অভিযান চালায়। সেই অপরাশেন অল ক্লিয়ারের সময় সশস্ত্র গোষ্ঠীর শিবির গুঁড়িয়ে দেয় ভুটান সরকার। বাজেয়াপ্ত করা অস্ত্রভাণ্ডার সেই সময়ের বলে মনে করা হচ্ছে।

বাক্সা জেলার পুলিশ জানায় সোমবার ভুটানের সংলগ্ন টামুলপুর থানার দরাঙ্গমেলা থেকে মিলেছে, ২০০ কেজি বিস্ফোরক। এছাড়া আছে, ১৫১টি টিপিটি সেল। ৮৪ মিলিমিটার বুলেটের ৫টি সেল। সন্দেহজনক দুই ব্যক্তিকে আটক করা হয়েছে।

অসম পুলিশ জানিয়েছে, সম্প্রতি এই ভুটান সীমান্ত এলাকায় বিস্ফোরণে এক নাবালক জখম হয়। সেই ঘটনার তদন্তে জানা যায়, সীমান্ত এলাকার গ্রাম থেকে বেআইনি আগ্নেয়াস্ত্র বিক্রি করা হচ্ছে। বেশ কয়েকজন এই লেনদেনে জড়িত। এর পরেই তল্লাসি অভিযান চালায় পুলিশ।

ভুটানের জমি থেকে উৎখাত হওয়ার পর আলফা (স্বাধীনতা), বোড়ো, কেএলও সহ বিভিন্ন বিচ্ছিন্নতাবাদী সংগঠনগুলির নেতারা গোপনে বাংলাদেশ ঢুকে পার্বত্য চট্টগ্রামে শিবির পরিচালনা করছে। বিভিন্ন সময় ধরা পড়া কেএলও জঙ্গিদের বয়ান থেকে এই তথ্য বারবার পেয়েছে গোয়েন্দা বিভাগ। আরও সন্দেহ, ভুটানের মাটিতে ফের তাদের উপস্থিতি শুরু হয়েছে।

King Cobra: তেড়ে এলো শঙ্খচূড়, অবলীলায় গলায় ঝোলালেন, তারপর…!

old man died after being bitten by the King Cobra

নি়উজ ডেস্ক: একেবারে পোষা বেড়ালের মতো আদর করছিলেন। ভয়াল শঙ্খচূড়ের (King Cobra) মুখটা কিন্তু হাতে চাপা ছিল। আর বিরাট সাপটা গলা থেকে পুরো পেঁচিয়ে নিয়েছিল। শঙ্খচূড়ের মারাত্মক দেহের চাপ সামলেই দিব্বি খেলা দেখাচ্ছিলেন অসমের (Assam) কাছাড় জেলার বাসিন্দা রঘুনন্দন ভূমজি।

সে মারাত্মক খেলা। কাছাড় (Chachar)জেলার বিষ্ণুপুর গ্রামবাসীরা দেখেছেন নিজের চেখে। শঙ্খচূড় ও রঘুনন্দনের প্যাঁচ। তাদেরই মোবাইলে বন্দি হয়েছে বিরাট এই শঙ্খচূড় ধরার দৃশ্য। তবে একটু ভুলের জন্য আর বাঁচলেন না রঘুনন্দন ভূমজি। তাঁকে ছোবল মারল ওই সাপ।

এলাকাবাসী জানাচ্ছেন, শিলচর (Silchar) মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসকরা রঘুনন্দন ভূমজিকে মৃত বলে ঘোষণা করেন। বিরাট শঙ্খচূড় সাপটির আতঙ্ক ছাড়ায় এই এলাকায়। খবর পেয়ে আসে বনবিভাগ কর্মীরা। তারা ওই সাপটি ধরেছেন। জানা গিয়েছে বিষ গেলে নিয়ে সাপটিকে দূরবর্তী জঙ্গলে ছেড়ে দেওয়া হবে।

যেভাবে রঘুনন্দন ভূমজি ওই শঙ্খচূড় ধরেছিলেন তা দেখেই শিহরিত হন এলাকাবাসী। কিন্তু সাপ ধরার নেশায় মত্ত রঘুননন্দনের একটু অসতর্কতা ডেকে আনল মৃত্যু।