Virat Kohli issue: “বিরাট” পর্বে “অশ্লীল” ভাষায় মহারাজকে আক্রমণ

Sourav Ganguly in obscene language on Virat Kohli issue

Sports desk: রোহিত শর্মার সঙ্গে বিবাদের খবর উড়িয়ে দিয়ে বিরাট কোহলি (Virat Kohli) সাফাই গাইতে গিয়ে বলেন,”আমি সবসময় দলের সাথে এগিয়ে এসেছি এবং সবসময় তা করব। আমার কোনো কাজই দলকে নিচে নামানোর জন্য হবে না”।

বিরাট কোহলির এই বয়ান সামনে আসতেই নতুন করে বিতর্ক বেঁধেছে প্রাক্তন ভারত অধিনায়ক তথা বর্তমানে ভারতীয় ক্রিকেট কন্ট্রোল বোর্ডের(বিসিসিআই) প্রেসিডেন্ট সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়কে আক্রমণের নিশানা করে ছাপার অযোগ্য অশ্লীল ভাষায়।

Shyam Bhalerao Patil’র টুইট চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে ভারতীয় ক্রিকেট মহলে। টুইট পোস্টটি হল এরকম,”#viratkholi your always my captain champ ……and some words for jay Shah’s servent Fuck you #dada”, এই টুইট পোস্ট ঘিরে যত বিতর্ক এখন তুঙ্গে।

ইংল্যান্ডের মাটিতে ন্যাটওয়েস্ট ট্রফি জয়ের মাহেন্দ্রক্ষণে টিম ইন্ডিয়ার অধিনায়ক ছিলেনসৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়, ওই সূত্র ধরে Shyam Bhalerao Patil’র টুইটের রিপ্লাইং’এ Pankaj Chaudhary গুজরাতি ভাষাতে ঝাঁঝালো প্রতিবাদী পোস্ট, “শ্যাম পাতিল …. পাকিস্তান কাদানা হারাওয়ালা সালয়ানি , একি আইসিসি ইভেন্ট নাহি জিঙ্কালা , আউস আনি ইং মাধে টেস্ট সিরিজ জিঙ্কালি তে টেলে এন্ডারের মুলে …তুজা বিরাট লাহান মুলা সারাখা ওয়াগাতো ,ফালাতু উদযাপন করাতো…কাসলা ক্যাপ্টেন হোন .DADA লা কাহি মানায়ছ নাহি হা”। প্রতিবাদের ঝাঁঝালো গন্ধে Shyam Bhalerao Patil’র রিপ্লাইং পোস্ট, “একতাচ ভাঘা সরখা লধলা তি ম্যাচ বিরাট….আনি তু মালা এনকো সাঙ্গু,তু তুজ তুজ কাম(Fuck you) কর ভাব”।
Shyam Bhalerao Patil’র টুইটের প্রতিক্রিয়াতে Suraj Mishra🇮🇳 রিপ্লাইং পোস্টে নিশান, “আমি #দাদার সাথে আছি।
তিনি দল গড়েছেন।
ধোনি এটাকে নতুন উচ্চতায় নিয়ে গেলেন।
বিরাট কোহলি সব চেষ্টাই নষ্ট করে দিলেন”।
Carlsberg Champp’র রিপ্লাইং পোস্ট Shyam Bhalerao Patil’র টুইটের প্রতিক্রিয়াতে,
“ওয় বেহেঞ্চোদ সুন-

ভারতীয় ক্রিকেট ইতিহাসের সবচেয়ে বড় কৌতুক হল বিরাট কোহলির সাথে সৌরভ গাঙ্গুলিকে তুলনা করা।
মনে রাখবেন, কোহলি যে মঞ্চে তার পারফরম্যান্স দেখিয়েছেন তা গাঙ্গুলি তার ঘাম এবং রক্ত ​​দিয়ে তৈরি করেছিলেন।
#দাদা হবে #দাদাকিংবদন্তির সঙ্গে তার তুলনা নেই”! এই প্রতিবাদী রিপ্লাইং’র জবাব এরকম Shyam Bhalerao Patil’র,”ইয়ে লাভদে বাপ কো মাত শিখা(এসব নিজের বাপকে শেখাস না)”।

Shyam Bhalerao Patil’র টুইটের জবাবে ABHISHEK SINGH’র অশিক্ষিত বলে রিপ্লাইং পোস্ট,”নৌকর(ভৃত্য) কা বানান তো সহি কর লো ভাই”।Shyam Bhalerao Patil’র রিপ্লাইং পোস্ট অশিক্ষিত কটাক্ষ দেখে,”তুজে সমঝ মে আই না”।ABHISHEK SINGH’র পাল্টা রিপ্লাইং পোস্ট Shyam Bhalerao Patil’কে উদ্দ্যেশ্য করে, দোস্ত সমোজ মে তো বহুত চিজ আতি কিন্তু ইসকা মতলব ইয়ে নাহি কি গলত “spell karo” বানান করো।এবার Shyam Bhalerao Patil’র রিপ্লাইং পোস্ট ABHISHEK SINGH’র টার্গেট করে,”সামজ মে আতা হ্যায় না তো আপনা কাম করনা ফির…দুসরন কে বিচ মেন কিয়ুন ঘুস রাহা হ্যায়…”রিপ্লাইং’এ ABHISHEK SINGH’র পোস্ট, ” দোস্ত টুইটার এক পাবলিক প্ল্যাটফর্ম হ্যায়, তুমনে ইসে ডালা ইসিলিয়ে হো তাকি লগ ঘুসে; আইসা না হোতা তুম আপনি ডাইরি মে লিখ কে কে চোদ দেতে।”

Shyam Bhalerao Patil’র টুইটের রিপ্লাইং’এ Sudi M’র পোস্ট, “ভাই.. কিসি কো গালি দে নে উসকা কুছ না জাতা.. বস তেরা আওকাত, তেরি ফ্যামিলি কা ইতিহাস, তেরা পরওয়ারিশ অর তেরা আন্দর কি সাদা হুয়া ইনসান দিখতা হ্যায়.. কভি #দাদা জেইসা বন কে দেখা দে!! তো মান জাউ.. আমি দাদার সাথে দাড়িয়ে আছি#dada।”

সব মিলিয়ে দেখতে গেলে Shyam Bhalerao Patil’র টুইটের প্রতিক্রিয়াতে রিপ্লাইং পোস্টে শুধুই #dada সমর্থনে প্রতিবাদ আছড়ে পড়েছে।

Madhya Pradesh: বিয়ে বাড়িতে ঢুকে ‘জয় শ্রীরাম’ ধ্বনি দিয়ে গুলি চালাল দুষ্কৃতীরা

Madhya Pradesh

নিউজ ডেস্ক: মধ্যপ্রদেশের  (Madhya Pradesh)মান্দসাউর (mandsaur) এলাকায় রবিবার চলছিল একটি বিয়েবাড়ি (weeding ceremony)। দুপুরে অতিথি অভ্যাগতরা সবে খেতে বসেছেন। এ সময় কয়েকজন ব্যক্তি জয় শ্রীরাম ধ্বনি দিতে দিতে বিয়ে বাড়িতে ঢুকে পড়ে।

এরপর আচমকাই ওই ব্যক্তিরা গুলি (shoot) চালাতে শুরু করে। এ ঘটনায় দেবীলাল মিনা (debilal meena) নামে এক ব্যক্তির মৃত্যু হয়েছে। জখম হয়েছেন কয়েকজন। গুলি চালানোর পরেই মুহূর্তের মধ্যেই এলাকা ছেড়ে পালিয়ে যায় দুষ্কৃতীরা। তবে শেষ পর্যন্ত এই ঘটনায় পুলিশ তিন জনকে গ্রেফতার করেছে।

পুলিশ অফিসার অমিত ভার্মা জানিয়েছেন, রবিবার দুপুর ২ টা নাগাদ ওই হামলা চালানো হয়। একদল দুষ্কৃতী জয় শ্রীরাম বলে চিৎকার করতে করতে ওই বিয়েবাড়িতে ঢুকে আচমকাই গুলি চালায়। দুষ্কৃতীদের ধারণা ছিল, ওই বিয়ের অনুষ্ঠানটি বেআইনি। কিন্তু তার জন্য তাদের গুলি চালানোর অনুমতি কে দিল তা এখনও জানা যায়নি।

পুলিশ জানিয়েছে, মৃতের নাম দেবীলাল মিনা। মৃত ব্যক্তি গ্রামের প্রাক্তন সরপঞ্চ বা গ্রামপ্রধান ছিলেন। গুলির আঘাতে তিনি গুরুতর জখম হয়ে ছিলেন। সেখান থেকে তাঁকে রাজস্থানের কোটায় এক হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। তবে চিকিৎসকরা দেবীলালকে মৃত বলে ঘোষণা করেন। ওই বিয়ের অনুষ্ঠানটি আয়োজন করেছিলেন স্বঘোষিত গডম্যান রামপাল। গুলি চালানোর ঘটনায় প্রবল ক্ষোভ ছড়ায় এলাকায়। সঙ্গে সঙ্গেই স্থানীয় বাসিন্দারা পথ অবরোধ করেন। গ্রামবাসীদের অভিযোগ, গুলি চালানোর ঘটনায় ডানপন্থী বা গেরুয়া পন্থী দলের সদস্যরা যুক্ত। তবে পুলিশ এ বিষয়ে নিশ্চিত করে কিছু জানায়নি। কারা এবং কেন এই হামলা চালিয়েছে তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ। এই হামলার ঘটনায় রাজনীতির কোনও যোগ আছে কিনা তাও খতিয়ে দেখছে।

দুষ্কৃতীদের হামলার এই ভিডিয়ো ইতিমধ্যেই সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়েছে। ওই ভিডিয়োয় দেখা গিয়েছে, গুলির শব্দ শোনার পরেই বিয়ে বাড়িতে আমন্ত্রিত লোকজন ভয়ে ছোটাছুটি করছেন। ভীত এবং সন্ত্রস্ত সকলেই নিজের প্রাণ বাঁচাতে ব্যস্ত। দুষ্কৃতীদের উদ্যত বন্দুকের সামনে বিয়েবাড়ির অনেকেই ভয়ে ঠকঠক করে কাঁপছেন। বিয়ে বাড়ির কয়েকজন শেষ পর্যন্ত ওই দুষ্কৃতীদের তাড়া করলে তারা পালিয়ে যায়। পরে অবশ্য তিনজন ধরা পড়েছে। গুলি চালানোর ঘটনায় ১১ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। প্রত্যেকের বিরুদ্ধেই খুনের মামলা দায়ের হয়েছে। পুলিশ তিনজনকে গ্রেফতার করেছে। বাকিদের সন্ধানে তল্লাশি চালাচ্ছে পুলিশ।

পুলওয়ামায় হামলা: বোমার রাসায়নিক কেনা হয়েছিল অ্যামাজন থেকে

Attack on Pulwama

News Desk: বিতর্ক যেন কোনওভাবেই পিছু ছাড়ছে না ই-কমার্স সংস্থা অ্যামাজনের (amazon)। সম্প্রতি অ্যামাজনের বিরুদ্ধে অনলাইনে অর্ডার নিয়ে গাঁজা বাড়িতে পৌঁছে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছিল। সেই অভিযোগের তদন্ত করছিল এনআইএ (nia)। সেই তদন্তেই উঠ এল আরও এক চাঞ্চল্যকর তথ্য।

এনআইএ-এর পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ২০১৯ সালে ১৪ ফেব্রুয়ারি পুলওয়ামায় বিস্ফোরণ (blast) ঘটানো হয়েছিল। সেই বিস্ফোরণের জন্য বোমা তৈরির বেশিরভাগ রাসায়নিক কেনা হয়েছিল অ্যামাজন থেকেই।

উল্লেখ্য, আড়াই বছরেরও বেশি আগে ভ্যালেন্টাইন্স ডের দিন পুলওয়ামায় সিআরপিএফের (crpf) কনভয়ে ভয়াবহ জঙ্গি হামলায় কেঁপে উঠেছিল গোটা দেশ। সম্প্রতি মাদক মামলায় অ্যামাজনের বিরুদ্ধে অভিযোগের তদন্ত শুরু করেছে এনআইএ। সেই তদন্তে গোয়েন্দা সংস্থার হাতে উঠে এসেছে আরও চাঞ্চল্যকর তথ্য।

Attack on Pulwama

গোয়েন্দারা জানতে পেরেছেন, পুলওয়ামা হামলায় ব্যবহৃত ইম্প্রোভাইজড এক্সপ্লোসিভ ডিভাইস বা আইইডি তৈরি করার জন্য যে সমস্ত রাসায়নিক পদার্থ লাগে সেগুলি অ্যামাজন থেকে কেনা হয়েছিল। বোম তৈরি রাসায়নিক বিক্রি করার অভিযোগ ওঠায় রীতিমতো চাপে পড়ে গিয়েছে এই ই-কমার্স সংস্থা। শনিবার এই সংস্থার বিরুদ্ধে মাদক আইনেও মামলা দায়ের হয়েছে। অন্ধপ্রদেশের চার ব্যক্তি অ্যামাজন সাইটের মাধ্যমেই রীতিমতো গাঁজা বিক্রি করত। ধৃতরা নিজেরাই আমাজনের মাধ্যমে মাদক বিক্রির কথা স্বীকার করে নিয়েছে।

পুলওয়ামা হামলার তদন্তে সম্প্রতি দুই ব্যক্তিকে গ্রেফতার করে এনআইএ। ধৃতরা হল ওয়াজ-উল ইসলাম এবং মহম্মদ আব্বাস রাথার। ওয়াজ-উল শ্রীনগরের এবং রাথার পুলওয়ামার বাসিন্দা। দীর্ঘ জেরায় এনআইএ-র তদন্তকারীরা জানতে পেরেছেন, নিজের অনলাইন শপিং অ্যাকাউন্ট থেকে ওয়াজ-উল আইডি বিস্ফোরক তৈরির জন্য সমস্ত রাসায়নিক কিনেছিল অ্যামাজনের কাছ থেকে।

তারপর সেই সমস্ত ও রাসায়নিক সে পাক জঙ্গি সংগঠন জইশ-ই-মহম্মদের কাছে পাঠিয়ে দিয়েছিল। ২০১৮ সালের এপ্রিল মাসে কাশ্মীরে এসেছিল পাক আইডি বিস্ফোরক বিশেষজ্ঞ মহম্মদ উমর। এই বোম বিশেষজ্ঞ উমরকে নিজের বাড়িতে আশ্রয় দিয়েছিল রাথার। এমনকী, পুলওয়ামায় আত্মঘাতী হামলা চালানো জঙ্গি আদিল আহমেদ দারকেও বেশকিছু দিন নিজের বাড়িতে লুকিয়ে রেখেছিল রাথার। অ্যামাজনের বিরুদ্ধে মাদক মামলার তদন্ত করতে গিয়ে শেষ পর্যন্ত যা পরিস্থিতি তাতে বলা যায় কেঁচো খুঁড়তে গিয়ে কেউটে উঠে আসছে।

শুনানি চলাকালীন বিচারককে বন্দুক তাক করলেন দুই পুলিশকর্মী

policemen attack judge in Bihar court

নিউজ ডেস্ক: দিল্লির পর এবার বিহার। মাস কয়েক আগে দিল্লির রোহিণী আদালত কক্ষের ভিতর দুই দল দুষ্কৃতীর মধ্যে হয়েছিল গুলির লড়াই। কিন্তু বিহারের মধুবনী (madhubani) জেলায় শুনানি চলাকালীন বিচারকের দিকে বন্দুক তাক করলেন দুই পুলিশ কর্মী।

এই ঘটনার জেরে আদালত কক্ষ মধ্যে প্রবল চাঞ্চল্য ছড়ায়। এ ঘটনায় পাটনা হাইকোর্ট স্বতঃপ্রণোদিত হয়ে একটি মামলা দায়ের করেছে। একই সঙ্গে রাজ্য পুলিশের ডিরেক্টর জেনারেলকে (director-general) এ ব্যাপারে তদন্তের নির্দেশ দিয়েছে।

policemen attack judge in Bihar court

আদালত কক্ষে উপস্থিত থাকা কয়েকজন জানিয়েছেন, বৃহস্পতিবার মধুবনী জেলা আদালতে একটি মামলার শুনানি চলছিল। জেলা আদালতের (district court) বিচারক ও অবিনাশ কুমারের (abinash kumar) এজলাসে শুনানি হচ্ছিল। শুনানি চলাকালীন আচমকাই দুই পুলিশকর্মী বিচারকের দিকে বন্দুক নিশানা করেন। এ ঘটনায় শেষপর্যন্ত বিচারক (justice) সুরক্ষিত থাকলেও তিনি অবাক হয়ে যান। আতঙ্কিত হয়ে পড়া বিচারক কিছুক্ষণের জন্য কার্যত বাকরূদ্ধ হয়ে পড়েন। শুধু তাই নয়, এই ঘটনায় গোটা আদালত কক্ষে চরম চাঞ্চল্য ছড়ায়।

সওয়াল থামিয়ে রেখে আইনজীবীরাও (lawyear) আতঙ্কে সিঁটিয়ে ওঠেন। অনেকেই আদালত কক্ষ থেকে দ্রুত বেরিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেন। তবে কী কারণে ওই দুই পুলিশ কর্মী এই কাজ করলেন তা এখনও জানা যায়নি। ইতিমধ্যেই ওই দুই পুলিশ কর্মীকে ক্লোজ করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। কী কারণে দুই পুলিশকর্মী বিচারকের দিকে বন্দুক তাক করলেন তা জানতে তাঁদেরকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে।

মণিপুরে সেনা কনভয়ে হামলায় দায় স্বীকার করল দু’টি জঙ্গি সংগঠন

attack on an army convoy in Manipur

News Desk: মণিপুরে সেনা কনভয়ের উপর একযোগে হামলা চালিয়েছে দুটি জঙ্গি সংগঠন। রবিবার সেই হামলার দায় স্বীকার করল জঙ্গি সংগঠন মণিপুর পিপলস লিবারেশন আর্মি (People’s Liberation Army of Manipur) ও মণিপুর নাগা পিপলস ফ্রন্ট। তবে সেনা কনভয়ে যে এক অফিসারের পরিবার থাকবে, সেটা তারা জানত না বলে দাবি ওই দুই জঙ্গি সংগঠনের।

জানা গিয়েছে, শুক্রবার মণিপুর-মায়ানমার লাগোয়া বেহাঙ্গ ফরোয়ার্ড পোস্টে গিয়েছিলেন কম্যান্ডিং অফিসার কর্নেল বিপ্লব ত্রিপাঠী (Commanding Officer Col Biplav Tripathi)। প্রথমে সেনা কনভয়ের গতিবিধি ট্র্যাক করে জঙ্গিরা। চূড়াচন্দ্রপুরের কাছে প্রথমে গাড়ির সামনে আইইডি বিস্ফোরণ ঘটানো হয়। এরপর কনভয়ের সামনের গাড়িতে আচমকা হামলা চালায় জঙ্গিরা। সেই গাড়িতে ছিলেন কিউআরটি (QRT) টিমের জওয়ানরা।

গাড়িতে থাকা জওয়ানরা ঘটনাস্থলেই প্রাণ হারান। জঙ্গিদের সঙ্গে জওয়ানদের লড়াই করতে দেখে গাড়ি থেকে নেমে আসেন কম্যান্ডিং অফিসার কর্নেল বিপ্লব ত্রিপাঠী (biplab tripathi)। তিনিও জঙ্গিদের লক্ষ্য করে গুলি চালাতে শুরু করেন। তবে শেষরক্ষা হয়নি। জঙ্গিদের গুলিতে ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয় কর্নেল ত্রিপাঠীর স্ত্রী এবং নাবালক ছেলের। তবে শেষ রক্তবিন্দু দিয়ে জঙ্গিদের খতম করার চেষ্টা করেন তিনি। কিন্তু আচমকাই জঙ্গিদের গুলিতে লুটিয়ে পড়েন কর্নেল।

Ne-militants-training-base

শনিবারের এই মর্মান্তিক ঘটনায় দুখপ্রকাশ করেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি-সহ (narendra modi) আরও অনেকে। কর্নেল ত্রিপাঠী-সহ আরও ৮ সেনার মৃত্যুতে তাঁদের পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা প্রকাশ করেছেন প্রধানমন্ত্রী। কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধীও (rahul Gandhi) মৃতদের পরিবারের শোক জ্ঞাপন করেছেন। কর্নেল বিপ্লব ত্রিপাঠীর আত্মত্যাগ বিফলে যাবে না বলে হুঁশিয়ারিও দিয়েছেন মোদি। ঘটনার নিন্দা করে শোক প্রকাশ করেছেন বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও।

<

p style=”text-align: justify;”>গতও কয়েক দশকের হিংসা এবং বিচ্ছিন্নতাবাদের আগুন নিভিয়ে অনেকটাই শান্ত হয়েছে মণিপুর। কিন্তু গতকালের ঘটনায় ফের একবার চাঞ্চল্যকর পরিস্থিতি তৈরি হল গোটা মণিপুরে (manipur)। শনিবারের ঘটনায় রাজ্যজুড়ে ছড়িয়েছে চাপা আতঙ্ক। পাশাপাশি জঙ্গিদের সন্ধানে চলছে জোরদার তল্লাশি।

Myanmar: বর্মী সেনার বিমান হামলা, বিদ্রোহী চিন প্রদেশে বিশ্বযুদ্ধের ভয়াল স্মৃতি

Myanmar military attack started on rebel force controlled chinland states

News Desk: আশঙ্কা মিলিয়েই মায়ানমারের সামরিক সরকারের নির্দেশে শুরু হয়েছে বর্মী সেনার হামলা। বিশেষ সূত্র থেকে www.ekolkata24.com সরাসরি মায়ানমার থেকে সেই ভয়াবহ হামলার ছবি সংগ্রহ করেছে।

Myanmar military attack started on rebel force controlled chinland statesবিমান হামলা শুরু করেছে বর্মী সেনা। জ্বলছে চিন প্রদেশের বহু এলাকা। চার্চ, মন্দিরের উপরে বৃষ্টির মতো বোমা ফেলা হয়েছে। বহু এলাকায় বোমা মেরেছে বর্মী সেনা। সঠিক সংখ্যা জানা না গেলেও হতাহত অনেকে বলেই খবর আসছে।

Myanmar military attack started on rebel force controlled chinland states

রাষ্ট্রসংঘ আগেই আশঙ্কা করেছিল মায়ানমারে সেনা প্রধান তথা সামরিক সরকারের সুপ্রিমো মিন অং হ্লাইং রক্তাক্ত পরিবেশ তৈরি করবেন। সেই লক্ষ্যেই সেনা শাসন বিরোধী বিদ্রোহী গোষ্ঠীদের দখলে থাকা দুটি রাজ্য চিন ও কাচিনে হামলা শুরু হয়েছে শুক্রবার বিকেলের পর থেকে।

Myanmar military attack started on rebel force controlled chinland states

মায়ানমারের জাতীয় নির্বাচনে বিপুল জয় পেয়ে ফের সরকার ধরে রাখে নোবেল জয়ী নেত্রী আউং সান সু কি নেতৃত্বে চলা এনএলডি। সেনা সমর্থিত দল তেমন কিছু করতে পারেনি। সরকার গড়ার আগেই জেনারেল হ্লাইং অভ্যুত্থানের পরিকল্পনা করেন। গত ফেব্রুয়ারি মাসে রক্তপাতহীন সামরিক অভ্যুত্থানে বন্দি হন ততকালীন দেশটির সর্বময় নেত্রী সু কি সহ সরকারের মন্ত্রীরা।

Myanmar military attack started on rebel force controlled chinland states
মায়ানমারে বর্তমান সামরিক সরকারের প্রধান জেনারেল মিন অন হ্লাইং, বন্দি সু কি বিচারের মুহূর্তে আদালতে

অভ্যুত্থানের পর থেকেই গণতন্ত্র ফেরানোর দাবিতে আন্দোলন শুরু হয় মায়ানমারে। আন্দোলন রুখতে বর্মী সেনা গুলি চালায়। হাজারের বেশি মৃত। হাজার হাজার গণতন্ত্রীপন্থীরা বন্দি হয়েছেন। মায়ানমারের সামরিক সরকারের অধীনতা মানতে নারাজ বরাবরের বিদ্রোহী দুটি প্রদেশ চিন ও কাচিন। দুই প্রাদেশিক সরকার তাদের মিলিশিয়া বাহিনী নিয়ে সেনা শাসনের বিরোধিতা শুরু করেছে। অভিযোগ, বর্মী সেনা গণহত্যা শুরু করেছে।

রাষ্ট্রসংঘ সম্প্রতি জানায়, মায়ানমারে গৃহযুদ্ধ শুরু হতে চলেছে। ভারত সীমাল্ত লাগোয়া মিজেরাম, মনিপুর ও নাগাল্যান্ডের লাগোয়া চিন ও কাচিন প্রদেশে সেনা বনাম বিদ্রোহী চিনল্যান্ড ডিফেন্স ফোর্স ও কাচিন আর্মির সংঘর্ষ চলছে।

Punjab: ভারত হারতেই ‘তুম লোগ পাকিস্তানি’ বলেই কাশ্মীরি পড়ুয়াদের মারধর শুরু

kashmir Student

নিউজ ডেস্ক: আইসিসি টি টোয়েন্টি বিশ্বকাপের সবথেকে উত্তেজনার ম্যাচে পাকিস্তানের কাছে পরাজিত ভারত। খেলা শেষ হতেই পাঞ্জাবের বিভিন্ন কলেজে পড়তে আসা কাশ্মীরি পড়ুয়ারা আক্রান্ত। অভিযোগ, ওই পড়ুয়াদের সরাসরি পাকিস্তানি বলে মারধর শুরু হয়েছে রাত থেকে।

সোমবার সকালেও বিক্ষিপ্ত হামলা চলছে বিভিন্ন কলেজে। কাশ্মীরের পড়ুয়ারা মূল লক্ষ্য। উত্তেজিত ‘ক্রিকেটপ্রেমীরা’ বিশ্বকাপে পাকিস্তানের কাছে পরাজয় মানতে পারছেন না। বিশ্বকাপে প্রথমবার পাকিস্তান হারিয়েছে ভারতকে।

পাঞ্জাবের পরিস্থিতি ক্রমে বড় আকার নিতে পারে এমনই আশঙ্কা। হামলাকারীরা সোশ্যাল সাইটে হামলার লাইভ দেখিয়ে কাশ্মীরি পড়ুয়াদের মারধর শুরু করে। হামলাকারীদের বেশিরভাগই উত্তর প্রদেশ ও বিহার থেকে আসা ছাত্র বলেই জানা গিয়েছে।

আক্রান্ত কাশ্মীরি ছাত্রদের বক্তব্য, হামলার সময় স্থানীয় পাঞ্জাবিরা রক্ষা করতে আসেন। তাদের প্রতিরোধে কিছুটা রক্ষা পেয়েছেন কয়েকজন।

কাপুরথালা, আম্বালা, গুরদাসপুর, চন্ডীগড়, সহ রাজ্যের বিভিন্ন এলাকায় বিক্ষিপ্ত সংঘর্ষ ছড়ায় রাতে। পাঞ্জাব পুলিশ জানিয়েছে, পরিস্থিতি স্বাভাবিক করার চেষ্টা চলেছে।

P Chidambaram: মোদি-সরকার তোলাবাজি করছে, কড়া ভাষায় কেন্দ্রকে আক্রমণ চিদম্বরমের

Former Finance Minister P Chidambaram’s attack on Modi

নিউজ ডেস্ক, নয়াদিল্লি: সরাসরি কেন্দ্রের নরেন্দ্র মোদি সরকারকে তোলাবাজ বলে উল্লেখ করলেন দেশের প্রাক্তন অর্থমন্ত্রী তথা কংগ্রেস নেতা পি চিদম্বরম (P Chidambaram)। এই প্রবীণ কংগ্রেস নেতা শনিবার বলেন, সাধারণ মানুষকে চরম দুর্বিপাকে ফেলে কেন্দ্রীয় সরকার প্রতিদিন পেট্রোল-ডিজেলের দাম বাড়িয়ে যাচ্ছে। এমনকী, মাসের শুরুতেই বাড়াচ্ছে রান্নার গ্যাসের দাম। আন্তর্জাতিক বাজারে পেট্রোপণ্যের দাম এখনও যথেষ্ট কম। তবুও মোদি সরকার পেট্রোল, ডিজেল, গ্যাসের উপর নিজেদের ইচ্ছামত কর চাপিয়ে কার্যত তোলাবাজি চালাচ্ছে।

নিজের দাবির সপক্ষে চিদাম্বরম পরিসংখ্যানও পেশ করেন। দেশের প্রাক্তন অর্থমন্ত্রী বলেন, এক লিটার পেট্রোলের দাম যদি ১০২ টাকা হয় তাহলে রাষ্ট্রায়ত্ত্ব সংস্থাগুলি প্রায় ৪২ টাকা। কিন্তু মোদি সরকার এক লিটার পেট্রোল থেকে নিজেদের কোষাগারের নিয়ে যাচ্ছে ৩৩ টাকা। পিছিয়ে নেই রাজ্যগুলিও। তারা প্রতি লিটার পেট্রোল থেকে ২৪ টাকা আয় করে। অর্থাৎ পেট্রোলের দামের উপরে ৩৩ শতাংশই রয়েছে কেন্দ্রের কর। এটা তোলাবাজি ছাড়া আর কি হতে পারে! মোদি সরকার এটা জানে না যে, পেট্রোপণ্যের উপর এভাবে কর চাপিয়ে দিয়ে আয় বাড়ানোর পশ্চাদমুখী পদক্ষেপ। তাদের এই পদক্ষেপের কারণে সবচেয়ে বেশি সমস্যায় পড়তে হয় গরিব মানুষকে কারণ দেশে গরিব ও বড়লোক সকলকেই সম পরিমাণ করে দিতে হয়।

চিদম্বরম পেট্রোল-ডিজেলের মূল্যবৃদ্ধির কথা বলতে গিয়ে টেনে আনেন প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী মনমোহন সিংয়ের জমানার কথা।প্রাক্তন অর্থমন্ত্রী বলেন, মনমোহন সিংয়ের আমলে আন্তর্জাতিক বাজারে পেট্রোলের দাম ১০০ ডলার ছাড়িয়ে গিয়েছিল। কিন্তু সে সময়েও পেট্রোল-ডিজেলের দাম দেশের বাজারে ৮০ টাকা ছাড়ায়নি। আন্তর্জাতিক বাজার থেকে অনেক চড়া দামে পেট্রোল কিনে মনমোহন সরকার দেশের মানুষের কাছে সস্তায় পৌঁছে দিত। কিন্তু সে সময়ও বিজেপি তেলের দাম কমানোর জন্য প্রচুর আন্দোলন করেছে। সেই বিজেপি এখন কোথায় গেল? এখন তো আন্তর্জাতিক বাজারে এক ব্যারেল তেলের দাম ৭০ ডলার। তাহলে কিভাবে দেশের বাজারে ১০০ টাকা ছাড়িয়ে যায় পেট্রোলের দাম। পেট্রোলের দাম এভাবে কেন বাড়ছে মোদি সরকার তার ব্যাখ্যা দিতে হবে। সরকারের উচিত সাধারণ মানুষকে সবকিছু জানানো।

মোদি সরকার এখন বলছে, আন্তর্জাতিক বাজারে দাম বাড়ার ফলে দেশের বাজারেও পেট্রোপণ্যের দাম বাড়ছে। এক্ষেত্রে তাদের কিছু করার নেই। কিন্তু গত বছর যখন পেট্রোল-ডিজেলের দাম মাইনাসে চলে গিয়েছিল সে সময়ও কেন দেশে একটি টাকাও দাম কমেনি পেট্রোল-ডিজেলের। মোদি সরকার আগে তার উত্তর দিক। আসলে মোদি সরকার অত্যন্ত লোভী।

এই সরকারের আমলে দেশের আর্থিক কর্মকাণ্ড থেমে গিয়েছে। তাই সরকারের আয়ের কোনও জায়গা নেই। আয় বাড়াতেই সরকার পেট্রোল ডিজেলের উপর কর চাপিয়ে চলেছে। এই একটিমাত্র উৎসের উপর এভাবে কর না চাপিয়ে সরকারের উচিত কিভাবে আয় বাড়ানো যায় সেদিকে দৃষ্টি দেওয়া। কিন্তু মোদি ও তাঁর অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারমন অর্থনীতির এই প্রাথমিক সূত্রগুলো বোধহয় জানেন না।

অন্যদিকে আন্তর্জাতিক মহল মনে করছে, করোনা বিধি শিথিল হওয়ায় প্রায় প্রতিটি দেশেই যানবাহনের চলাচল বেড়েছে। স্বাভাবিকভাবেই বেড়েছে জ্বালানির চাহিদা। তাই আগামী কয়েক মাসে চাহিদার তুলনায় জোগান না বাড়লে পেট্রোল-ডিজেলের দাম আরও বাড়তে পারে।

Nigeria: বাজারে ঢুকে ভয়াবহ হামলা, গুলিবিদ্ধ ২০ জন নাইজেরীয় মৃত

Gunmen attacked nigerian village

নিউজ ডেস্ক: নাইজেরিয়ার (Nigeria) সোকোটো রাজ্যের একটি বাজারে বন্দুকধারীদের হামলা ও গাড়ি জ্বালিয়ে দেওয়ার ঘটনায় অন্তত ২০ জনের হয়েছে।

রয়টার্স জানাচ্ছে, মোটরসাইকেলে এসে বিক্ষিপ্তভাবে গুলি করে হামলাকারীরা। এতে বেশ কয়েকজন নিহত হন। কোনও জঙ্গি সংগঠন নাকি ডাকাত দলের হামলা সেটা নিয়েই প্রশ্ন।

নাইজেরিয়া প্রায়ই বোকো হারাম জঙ্গিদের হামলায় রক্তাক্ত হয়। বিভিন্ন বিদ্যালয় বা গ্রাম থেকে কিশোরীদের অপহরণ করা হয়।

শনিবার সোকোটো প্রদেশের হামলার পিছনে ডাকাত দল জড়িত বলে প্রাথমিক সন্দেহ। সোকোটো প্রদেশের পুলিশ বিষয়ক মন্ত্রীর বিশেষ উপদেষ্টা ইদ্রিস গোবির জানান, এই হামলা ডাকাত দলের। রয়টার্সকে তিনি বলেন, ডাকাতদের বড় একটি দল অন্তত ২০ জনকে খুন করেছে।  তারা নয়টি গাড়ি জ্বালিয়ে দিয়েছে।

নাইজেরা জঙ্গি হামলায় বারবার রক্তাক্ত হয়েছে। কিন্ত এত বড় ডাকাত দলের হামলা সাম্প্রতিক সময়ে হয়নি। ফলে সরকারি দাবি নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে।