आईसीडीएस केंद्र के खिचड़ी में छिपकली, कोई बीमार

बांकुड़ा :आईसीडीएस केंद्र द्वारा उपलब्ध करायी गयी पकी हुई खिचड़ी में छिपकली निकली। घटना बांकुड़ा के इंदपुर ब्लॉक के पुआरा आईसीडीएस केंद्र में घटी। उस खिचड़ी को खाने के बाद तबीयत खराब होने पर बच्चों और गर्भवती महिलाओं सहित कुल 54 लोगों को स्थानीय इंदपुर ब्लॉक प्राथमिक स्वास्थ्य केंद्र ले जाया गया।

डॉक्टरों ने कहा है कि उन्हें अभी निगरानी में रखा गया है। हालांकि आईसीडीएस केंद्र पर भोजन में छिपकली मिलने के आरोप से आईसीडीएस कर्मियों ने इनकार किया है। बांकुड़ा के इंदपुर ब्लॉक के पुअरा गांव में आईसीडीएस केंद्र की हालत काफी समय से खराब है। बदहाल इस केंद्र पर अन्य दिनों की तरह गुरुवार को भी स्थानीय बच्चों और गर्भवती महिलाओं को पकाई हुई खिचड़ी दी गई। बच्चे और माताएं पकी हुई खिचड़ी लेकर घर ले गए। घर में खाना खाते समय एक माता-पिता ने भोजन में पड़ी एक छिपकली को देखा। घटना की खबर फैलते ही इलाके में दहशत मच गयी।

स्थानीय निवासियों ने पेट ऐंठन से पीड़ित बच्चों और गर्भवती महिलाओं को इंदपुर ब्लॉक प्राथमिक स्वास्थ्य केंद्र पहुंचाया। डॉक्टरों ने उन सभी को छह घंटे तक निगरानी में रखने का फैसला किया, भले ही कोई भी बच्चा या मां गंभीर रूप से बीमार नहीं थी। आईसीडीएस कार्यकर्ताओं ने दावा किया कि जब आईसीडीएस केंद्र का निरीक्षण किया गया तो वहां कोई छिपकलियां नहीं थीं। 

Bankura Tragedy: बांकुरा में दर्दनाक हादसा, दीवार गिरने से 3 बच्चों की मौत

Bankura Tragedy

पश्चिम बंगाल के बांकुरा (Bankura) जिले में एक दर्दनाक हादसा हो गया। यहां बिष्णुपुर में शनिवार को मिट्टी की दीवार गिरने से तीन बच्चों की मौत हो गई, जिसके चलके पूरे इलाके में मातम पसर गया। बांकुरा जिले के एक वरिष्ठ पुलिस अधिकारी ने बताया कि यह घटना शनिवार सुबह करीब 6.30 बजे हुई है, जिसके चलते तीन से सात साल की उम्र के बच्चे मिट्टी की दीवार के मलबे के नीचे दब गए। उन्होंने बताया कि बच्चों को जिला अस्पताल ले जाया गया, जहां डॉक्टरों ने उन्हें मृत घोषित कर दिया। वहीं इस घटना के बाद से परिवार में मातम पसर गया है। पुलिस मामले की जांच में जुटी है।

শীতের পিচে কালিম্পংকে তাড়া পুরুলিয়ার, পিছনেই বর্ধমান

bengal-winter

News Desk: উত্তুরে কনকনি শীত নাকি দক্ষিণের হু হু ঠাণ্ডা কোনটা বেশি কাঁপায়? যার শীত যেমন সেই বোঝে তেমন। তবে হাওয়া অফিসের হিসেবে উঠে এসেছে মধ্য ডিসেম্বরের শীত হিসেব। এতে শৈলশহর কালিম্পংকে তাড়া করছে জঙ্গলমহল ঘেরা পুরুলিয়া।

সোমবারের তাপমাত্রা পরিসংখ্যানে দেখা গেছে কালিম্পং ও পুরুলিয়ায় তাপমাত্রা ৭.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এ যেন শীতের পিচে একে অপরের রান তাড়া করার দৌড়। ঠিক এক রান পিছনে পূর্ব বর্ধমানের বর্ধমান। এখানে তাপমাত্রা ৮.৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এর গায়ে গায়ে দৌড়চ্ছে দার্জিলিং জেলার শিলিগুড়ি। তবে শীত রান রেটে সেরা দার্জিলিং শহর। এখানে তাপমাত্রা নেমেছে ৩.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসে।

আবহাওয়া দফতর সূত্রে খবর, সোমবার কলকাতায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১১.২ ডিগ্রি সেলসিয়াস। বাঁকুড়ায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ৮.৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস। মালদায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১১.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস। নদিয়ার কৃষ্ণনগরে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা দেখা গিয়েছে ১০ ডিগ্রি সেলসিয়াস। পূর্ব মেদিনীপুরের দীঘায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ৯.৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস। পশ্চিম নবর্ধমানের আসানসোলে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ৯.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস। হুগলির তাপমাত্রা ১০.২ ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড করা হয়েছে।

তাপমাত্রার নিম্নগামী স্রোতে হিমালয় সংলগ্ন দার্জিলিং, কালিম্পং, জলপাইগুড়ি, আলিপুরদুয়ারে কনকনিয়ে শীত পড়েছে। দক্ষিণের ছোটনাগপুর মালভূমির অন্তর্গত পুরুলিয়া, বাঁকুড়া, পশ্চিম মেদিনীপুর, ঝাড়গ্রামে হু হু করে তাপমাত্রা নামছে।

রাজ্যে শীত পড়ছে জাঁকিয়ে। বড় দিনের আগেই জবুথবু হবে বাঙালি জনজীবন।

Bankura: পড়ুয়া নেই স্কুলে ‘আপাতত বন্ধ’! শিক্ষা নিয়ে মমতা সরকারের ছেলেখেলার অভিযোগ

Bankura School

News Desk, Bankura: ‘ছাত্র ছাত্রীর অভাবে’ আপাতত ‘বন্ধ’ হয়ে গেল বাঁকুড়ার দু’টি স্কুল। সূত্রের খবর, বিষ্ণুপুর মহকুমা এলাকার ইন্দাসের বেলবান্দি জুনিয়র হাই স্কুল ও সারেঙ্গার নেতুরপুর গার্লস জুনিয়র হাই স্কুল এই তালিকায় রয়েছে।

এবিষয়ে জেলা বিদ্যালয় পরিদর্শক (মাধ্যমিক) পীযূষকান্তি বেরা জানান, জেলায় ‘স্কুল বন্ধের কোন নির্দেশিকা তাঁরা পাননি। তিনি বলেন, ছাত্র ছাত্রীর অভাবে বেলবান্দি ও নেতুরপুর এই দুই জুনিয়র হাই স্কুল আপাতত বন্ধ আছে। বেলবান্দি জুনিয়র হাই স্কুলের দু’জন স্থায়ী শিক্ষককে বিষ্ণুপুরের খড়িকাশুলী জুনিয়র হাই স্কুলে বদলি করা হয়েছে। নেতুরপুর গার্লস জুনিয়র হাই স্কুলের একজন শিক্ষক ছিলেন তাঁকে ‘শিক্ষক শূণ্য’ চুয়াগাড়া জনিয়র হাই স্কুলে বদলি করা হয়েছে। তবে কোন স্কুলের সরকারী অনুমোদন বাতিল হয়নি, আগামী দিনে ছাত্র ছাত্রী পাওয়া গেলে ‘অতিথি শিক্ষক’ দিয়ে স্কুল দু’টি চালানো হবে বলে তিনি জানান।

তবে জেলা বিদ্যালয় পরিদর্শকের বক্তব্য মানতে রাজি নন সংশ্লিষ্ট এলাকার ছাত্র ছাত্রী থেকে অভিভাবক সকলেই। ইন্দাসের বেলবান্দি এলাকার দশম শ্রেণীর ছাত্র আরিফুল শেখ বলেন, আগে আমরা বেলবান্দি জুনিয়র হাই স্কুলে পড়তাম। কিন্তু গত কয়েক বছর ধরে কোন শিক্ষক ছিলেন না। তাই গ্রামের সব ছাত্র ছাত্রী প্রায় তিন কিলোমিটার দূরের আউশনাড়া হাই স্কুলে ভর্তি হতে বাধ্য হয়েছেন বলে তিনি জানান।

অভিভাবক আনারুল ইসলামের দাবি, দু’জন অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষককে দিয়ে স্কুলের পঠন পাঠন শুরু হয়েছিল। পরে একজন শিক্ষিকা এখানে কাজে যোগ দেন। পর্যাপ্ত শিক্ষকের অভাবে বাধ্য হয়েই তাঁরা তিন কিলোমিটার দূরের এক স্কুলে ছেলেমেয়েদের ভর্তি করতে বাধ্য হয়েছেন বলে তিনি জানান।

বাম সমর্থিত শিক্ষক সংগঠন নিখিলবঙ্গ শিক্ষক সমিতির (ABTA) রাজ্য সম্পাদক সুকুমার পাইনেরও দাবি, ছাত্র ছাত্রী নয়, শিক্ষকের অভাবেই ‘নিউ সেট আপ’ স্কুল গুলি বন্ধ হচ্ছে। তিনি আরো বলেন, বিগত বাম আমলে তিনটি প্রাইমারি স্কুল পিছু একটি জুনিয়র হাই স্কুল তৈরীর উদ্যোগ নেওয়া হয়। কিন্তু ২০১১-র পরবর্ত্তী সময় থেকে এস.এস.সি-র মাধ্যমে শিক্ষক নিয়োগ সেভাবে না হওয়ায় স্কুল গুলি ধুঁকছিল। জাতীয় শিক্ষানীতিকে অমান্য করে এই স্কুল বন্ধের পিছনে ‘শিক্ষার বেসরকারীকরণ, বানিজ্যিকীকরণ ও সাম্প্রদায়িকরণ ও কেন্দ্রীকরণে’র চলছে। এই মুহূর্তের জেলার জঙ্গল মহলের রানীবাঁধের বেশ কয়েকটি স্কুলেও কোন শিক্ষক নেই বলে তিনি দাবি করেন।

তৃণমূল কংগ্রেস সমর্থিত শিক্ষক সেলের বাঁকুড়া জেলা নেতা গৌতম দাশের দাবি, বিগত বাম আমলে কিছু মানুষকে ‘অনৈতিক সুবিধা দিতে যেখানে সেখানে স্কুল তৈরী করেছিল’। ফলে ছাত্র সংখ্যার অভাবে ঐ স্কুল গুলি বন্ধ হয়ে যাচ্ছে। সাধারণভাবে নিয়ম তিন কিলোমিটারের মধ্যে স্কুল থাকার কথা, কিন্তু এক কিলোমিটারের মধ্যে স্কুল হলে ছাত্র ছাত্রীর সংখ্যা ‘শূণ্য’ হবেই। তাদের ‘মানবিক সরকার’ স্কুলের শিক্ষকদের অন্যত্র বদলি করেছেন বলে তিনি জানান।

Sayantika Banerjee: পথ দুর্ঘটনার আহত তৃণমূল নেত্রী সায়ন্তিকা বন্দ্যোপাধ্যায়

Sayantika Banerjee

নিউজ ডেস্ক : বৃহস্পতিবার ভোরে পথ দুর্ঘটনার কবলে পড়লেন রাজ্য তৃণমূল সম্পাদক সায়ন্তিকা বন্দ্যোপাধ্যায় (Sayantika Banerjee)। এদিন বাঁকুড়া জেলা ছেড়ে বেরোনোর পর পশ্চিম বর্ধমানের রাজ বাঁধ এলাকায় দুর্ঘটনাটি ঘটে। সায়ন্তিকার গাড়িতে ১২ চাকার একটি লরি ধাক্কা মারে। হাতে গুরুতর আঘাত পেয়েছেন নেত্রী, গাড়িরও ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। 

জানা গেছে, গত প্রায় এক সপ্তাহ ধরেই তিনি বাঁকুড়ায় ছিলেন। সেখানে জনসংযোগ করেন। এলাকা ঘুরে দেখেন। সাধারাণ মানুষের অভাব-অভিযোগ শোনেন। বৃহস্পতিবার কলকাতা ফেরার কথা ছিল তাঁর। সেই মতো এদিন ভোরে বাঁকুড়া থেকে কলকাতা ফেরার সময় রাজবাঁধ এলাকায় আচমকা পিছন দিক থেকে লরিটি এসে তাঁর গাড়িতে ধাক্কা দেয়। গাড়িটির একাংশ দুমড়ে যায়। দুর্ঘটনায় তৃণমূল নেত্রী তথা অভিনেত্রীর হাতে গুরুতর চোট লাগে। গাড়িতে থাকা আরও কয়েকজন চোট পেয়েছেন। এদিকে দুর্ঘটনার পরই কলকাতা ফেরার সিদ্ধান্ত বদল করেছেন সায়ন্তিকা।

তিনি জানিয়েছেন, আপাতত বাঁকুড়া ফিরে যাচ্ছেন তিনি। সেখান থেকে কবে কলকাতা ফিরবেন তা এখনও জানা যায়নি। খবর পেয়েই লরিচালককে আটক করেছে পুলিশ। গাড়িটির গতি কত ছিল, যান্ত্রিক কোনও ত্রুটি ছিল কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। পাশাপাশি সায়ন্তিকার গাড়িটিকেও থানায় নিয়ে গেছে কাঁকসা থানার পুলিশ।

Bankura: অসমে ডি-ক্যাম্পের ভয়াবহ বন্দিদশা কাটিয়ে ফের ভোটার গঙ্গাধর

released-from-d-camp

তিমিরকান্তি পতি, বাঁকুড়াঃ অবশেষে ভোটার সচিত্র পরিচয় হাতে পেলেন চার বছর অসমের ডিটেনশন ক্যাম্পে কাটানো, বিষ্ণুপুরের (Bankura) রাধানগর গ্রামের যুবক গঙ্গাধর প্রামানিক। মঙ্গলবার স্থানীয় মহকুমাশাসক অনুপ কুমার দত্ত গঙ্গাধরের বাড়িতে গিয়ে তাঁর হাতে সচিত্র ভোটার পরিচয়পত্র তুলে দেন।

মাত্র ১৬ বছর বয়সে বাড়ি থেকে কাজের খোঁজে বেরিয়ে অসমে পৌঁছে গেছিলেন রাধানগর গ্রামের যুবক গঙ্গাধর প্রামানিক। সেখানে কিছুদিন হোটেলে কাজ করেন তিনি। সঙ্গে সচিত্র ভোটার পরিচিতি পত্র সহ অন্যান্য প্রয়োজনীয় কাগজপত্র না থাকা ২০১৭ সালে অসম পুলিশ তাকে বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারী সন্দেহে গ্রেফতার করে।

ওই বছরেরই ১২ ডিসেম্বর থেকে ‘গোয়ালপাড়া ডিটেনশান ক্যাম্পে’ জায়গা হয় বাঁকুড়ার বাসিন্দা গঙ্গাধরের। অসমের ‘সিটিজেন ফর জাস্টিস অ্যাণ্ড পিস’ নামে একটি স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের সৌজন্যে বন্দিদশা থেকে মুক্তি পেয়ে চলতি বছরের সেপ্টেম্বর মাসে রাধানগরের বাড়িতে ফেরেন গঙ্গাধর প্রামানিক।

বিষ্ণুপুর মহকুমা শাসকের সৌজন্যে সচিত্র ভোটার পরিচিতিপত্র হাতে পেয়ে খুশি এক সময় ‘নিজ দেশে পরবাসী জীবন কাটানো গঙ্গাধর প্রামানিক।

মহকুমাশাসক অনুপ কুমার দত্ত বলেন, ভোটার পরিচিতি পত্র না থাকায় অসমে কাজ করতে গিয়ে সমস্যায় পড়েছিল রাধানগরের গঙ্গাধর প্রামানিক। সেখান থেকে ফেরার পর সচিত্র ভোটার পরিচিতিপত্রের জন্য সে আবেদন করেছিল। সমস্ত তথ্য, প্রমাণ যাচাই করে তার হাতে এই পরিচিতি পত্র তুলে দেওয়া হলো।

Bankura: মমতার হাত ধরলেই সে বিশ্বাসঘাতক, কার উদ্দেশ্যে বললেন BJP রাজ্য সভাপতি?

sukanta mazumdar

News Desk, Bankura: ‘মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও তৃণমূলের হাত যে ধরবে সেই বিশ্বাসঘাতকতার মুখে পড়বে’। এমনই নির্দেশ দিলেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার। দলের রাজ্য সভাপতির দায়িত্ব পাওয়ার পর প্রথম বাঁকুড়ায় দলীয় কর্মসূচিতে এসেছেন তিনি।

তিনি আরো বলেন, নরেন্দ্র মোদী ‘গোল্ড মেডেল পেয়ে গেছেন’। এখন দ্বিতীয় স্থানে তৃণমূল, কংগ্রেস, শিবসেনা না ইউ.পি.এ কে থাকবে তার লড়াই চলছে।

সুকান্ত মজুমদার বলেন, ‘সিপিআইএমকে তৃণমূল লোক যোগান দিচ্ছে। ঝাণ্ডা লাগানো থেকে মিটিং এ লোক পাঠানোর ব্যবস্থা করে ওই দলকে ‘তুলে আনা’র চেষ্টা হচ্ছে বলেও তিনি দাবি করেন।

বাঁকুড়া মাচানতলা আকাশ মুক্ত মঞ্চে পেট্রোল-ডিজেলের উপর রাজ্যের কর কমানোর দাবিতে দলীয় সভায় যোগ দেওয়ার আগে শহরে ‘প্রতিবাদ মিছিলে’ পথ হাঁটেন তিনি। মিছিল ও সভায় বিজেপি রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার ছাড়া উপস্থিত ছিলেন স্থানীয় সাংসদ ও কেন্দ্রীয় শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ডাঃ সুভাষ সরকার, বিজেপি বাঁকুড়া ও বিষ্ণুপুর সাংগঠনিক জেলা সভাপতি বিবেকানন্দ পাত্র, সুজিত অগস্থী সহ অন্যান্যরা।

অনলাইন নয়, অন সাইকেলে ক্লাস তিলাবনীর কমলাকান্ত স্যারের

kamala kanta Hembram

তিমিরকান্তি পতি বাঁকুড়া: সাইকেল নিয়েই ক্লাস করাচ্ছেন স্যার। এমন ধরা অন সাইকেল ক্লাস চলছে বাঁকুড়ার (Bankura) তিলবনীতে (Tilaboni forest)।কেমন সেই ক্লাস?

চলতি করোনা আবহে দীর্ঘদিন বন্ধ সমস্ত ধরণের শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। বিভিন্ন নামী শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের তরফে ‘অনলাইন ক্লাসে’র মাধ্যমে পড়াশনার কাজ চালিয়ে যাওয়া হলেও গ্রামীণ খেটে খাওয়া পরিবার গুলির ছেলে মেয়েরা সেই সুযোগ থেকে বঞ্চিত। এই অবস্থায় নিজের সীমিত ক্ষমতার মধ্যে বিশেষ উদ্যোগ নিয়েছেন বাঁকুড়ার হীড়বাঁধের তিলাবনী হাই স্কুলের শারিরিক শিক্ষা বিভাগের শিক্ষক কমলাকান্ত হেমব্রম।

kamala kanta Hembram

গরীব ছাত্র ছাত্রীদের কথা ভেবে বাড়িতে বসে ‘ছুটি’ কাটাতে মন চায় চায়নি এই শিক্ষকের। খাতড়ার কদমবেড়া গ্রাম থেকে সাইকেল চালিয়ে প্রায় প্রতিদিন তিনি পৌঁছে যাচ্ছেন হীড়বাঁধের বেলকানালী, কাজলভোবা, বাউরীডিহা, তিরশুলিয়া, চিতরুঘুটু সহ বেশ কিছু গ্রামে। মূলতঃ এই গ্রাম গুলির ছাত্র ছাত্রীরাই তিলাবনী হাই স্কুলে পড়াশুনা করে। গ্রামের পৌঁছেই একজায়গায় সব ছাত্র ছাত্রীকে বাড়ি থেকে ডেকে তুলে দিচ্ছেন প্রশ্নপত্র। সঙ্গে নিজের পকেটের টাকা খরচ করে কাগজ, কলম সহ অন্যান্য শিক্ষাসামগ্রী। পরের সপ্তাহে সেই উত্তর পত্র সংগ্রহ করে ভুল ভ্রান্তি ধরিয়ে দেওয়ার পাশাপাশি নতুন প্রশ্নপত্র তুলে দিচ্ছেন তাদের হাতে। এইভাবে বিশেষ ‘টাস্কে’র মাধ্যমে পড়াশুনার মধ্যে ছাত্র ছাত্রীদের রাখার চেষ্টা করে যাচ্ছেন এই শিক্ষক।

kamala kanta Hembram

হীড়বাঁধের তিলাবনী হাই স্কুলে ৪৫০ জন ছাত্র ছাত্রী। যার একটা বড় অংশ খেটে খাওয়া পরিবার থেকে উঠে আসা প্রথম প্রজন্মের সন্তান যারা হাই স্কুলমুখী হয়েছে। কমলাকান্ত হেমব্রম ইন্দাসের শাসপুর হাই স্কুল থেকে বদলি নিয়ে ২০০৭ সালে এখানে আসেন। তখন থেকেই গ্রামের এই ছাত্র ছাত্রীরাই তাঁর কাছে সব। তাদের পড়াশুনার সার্বিক উন্নয়নে সদা সচেষ্ট থেকেছেন।

কমল স্যারের এই উদ্যোগে খুশি গ্রামের ছাত্র ছাত্রী থেকে অভিভাবক সকলেই। এবিষয়ে শিক্ষক কমলাকান্ত হেমব্রম বলেন, অনলাইন ক্লাস করানোর সুযোগ নেই। স্কুল বন্ধ, তাই ছাত্র ছাত্রীদের পড়াশুনাও লাটে উঠতে বসেছিল। তাই আর বাড়িতে বসে থাকতে পারিনি। বারবার ছুটে আছে এদের কাছে।

Bankura: পেট্রোল পাম্পে আগ্নেয়াস্ত্র নিয়ে হামলা, ধৃত বিজেপি যুব মোর্চা নেতা

Bankura BJP-yuba

Bankura: পেট্রোল পাম্পের কর্মীদের আগ্নেয়াস্ত্র দেখিয়ে ভয় দেখানোর অভিযোগ উঠলো বিজেপি যুব মোর্চার এক কর্মীর বিরুদ্ধে। অভিযুক্তের নাম সাহেব রায়।

শুক্রবার বিকেলে শালতোড়ার পাবড়া মোড়ের এক পেট্রোল পাম্পের এই ঘটনার জেরে পুলিশ অভিযুক্তকে গ্রেফতার করে।

স্থানীয় সূত্রে খবর, পাবড়া মোড়ের পেট্রোল পাম্পে তেল নিতে এসে অভিযুক্ত সাহেব রায়ের সাথে কর্মীদের সাথে বচসা বাধে। বচসার মাঝেই ওই বিজেপি যুব মোর্চা কর্মী কোমরের পিছন থেকে একটি আগ্নেয়াস্ত্র বের করে পেট্রোল পাম্প কর্মীদের ভয় দেখায় বলে অভিযোগ।

bjp

এই ঘটনায় পেট্রোল পাম্প জুড়ে তীব্র চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ে। এই ফাঁকেই সুযোগ বুঝে এলাকা ছেড়ে চম্পট দেয় অভিযুক্ত। খবর দেওয়া হয় শালতোড়া থানায়। পরে পুলিশ মেজিয়ার জেমুয়া এলাকা থেকে অভিযুক্ত সাহেব রায়কে গ্রেফতার করে।

অবৈধভাবে নিজের কাছে আগ্নেয়াস্ত্র রাখা, আগ্নেয়াস্ত্র দেখিয়ে ভয় দেখানোর অপরাধে পুলিশ অস্ত্র আইনে জামিন অযোগ্য ধারায় মামলা শুরু করেছে।

এবিষয়ে বাঁকুড়া জেলা তৃণমূল কংগ্রেস চেয়ারম্যান শ্যামল সাঁতরা বলেন, ‘বিজেপির এই ধরণের চ্যাংড়া নেতারা দিনের বেলায় মানুষ খুনের পরিকল্পনা করেছে’। পুলিশ অভিযুক্তকে গ্রেফতার করেছে। তারা দলীয়ভাবে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি করছেন।

বিজেপির রাঢ় বঙ্গ জোন কমিটির কনভেনর পার্থ কুণ্ডু বলেন, আপনাদের কাছ থেকেই বিষয়টি জানলাম। কী ঘটেছে জানিনা। তবে সাহেব রায় কোন পদাধিকারী নয়, যুব মোর্চার একজন সাধারণ কর্মী। তবে সত্যিই সে দোষী হলে প্রশাসন আইনানুগ ব্যবস্থা নেবে বলে তিনি জানান।

Kishan Morcha: কৃষক সংগঠনগুলির মধ্যে বাড়ছে মতবিরোধ

farmar protest

নিউজ ডেস্ক, নয়াদিল্লি: গত এক বছর ধরে সংযুক্ত কিষান মোর্চার (Kishan Morcha) নেতৃত্বে ঐক্যবদ্ধ আন্দোলন করেছে ছোট-বড় একাধিক কৃষক সংগঠন। গত সপ্তাহে তিন কৃষি আইন প্রত্যাহার করার কথা ঘোষণা করেছে নরেন্দ্র মোদি সরকার।

এরই মধ্যে পাঞ্জাব, উত্তরপ্রদেশ সহ পাঁচ রাজ্যের বিধানসভা নির্বাচন ঘাড়ের উপর নিঃশ্বাস ফেলছে। সম্প্রতি দেখা গিয়েছে, বেশ কয়েকজন কৃষক নেতা এবার বিধানসভা নির্বাচনকে দিকে তাকিয়ে রাজনীতিতে পা বাড়াচ্ছেন। সংযুক্ত কিষান মোর্চার শীর্ষ নেতারা আদৌ বিষয়টিকে ভালভাবে দেখছেন না। বরং তাঁরা কৃষক নেতাদের এ ধরনের সীদ্ধান্তে যথেষ্ট অসন্তুষ্ট বলে জানা গিয়েছে। পাশাপাশি এটাও শোনা যাচ্ছে যে, ভিন্ন রাজনৈতিক মতাদর্শের কারণে কৃষক সংগঠনগুলির মধ্যেও একটা দূরত্ব তৈরি হয়েছে।

২৬ নভেম্বর কৃষক আন্দোলনের বর্ষপূর্তি। এদিন বর্ষপূর্তি উপলক্ষে কৃষক সংগঠনগুলি গোটা দেশজুড়ে বিভিন্ন অনুষ্ঠানের আয়োজন করে। ২০২০ সালে চল্লিশটি কৃষক সংগঠনকে একজোট করে তৈরি হয়েছিল সংযুক্ত কিষান মোর্চা। কৃষি আইন বাতিলের কথা ঘোষণার পাশাপাশি বিভিন্ন রাজ্যের বিধানসভা ভোট যত এগিয়ে আসছে ততই কৃষক সংগঠনগুলির ঐক্যে ফাটল ধরেছে।

একাধিক কৃষক সংগঠন ও সেই সংগঠনের নেতারা পাঞ্জাব, উত্তরপ্রদেশ বিধানসভা নির্বাচনে লড়ার জন্য ইতিমধ্যেই প্রস্তুতি শুরু করে দিয়েছেন। যে বিষয়টি ভালভাবে নিচ্ছে না সংযুক্ত কিষান মোর্চা। সংগঠনের শীর্ষ নেতাদের বক্তব্য, আন্দোলন পুরোপুরি শেষ না হওয়া পর্যন্ত কৃষক সংগঠনগুলির উচিত একসঙ্গে থাকা। যে কারণে সংযুক্ত কিষান মোর্চা তাদের আন্দোলনে কোন রাজনৈতিক দলকে প্রচারে আসতে দিতে নারাজ।

তবে সংযুক্ত কিষান মোর্চার এই সমস্ত বক্তব্যকে খুব একটা গুরুত্ব দিচ্ছে না বেশ কয়েকটি কৃষক সংগঠন। ইতিমধ্যেই বেশ কিছু কৃষক সংগঠন একাধিক দলের নির্বাচনী প্রচারে সরাসরি অংশ নিয়েছে। কয়েকটি সংগঠন আবার রাজনীতি থেকে দূরে সরে থাকার কথাও জানিয়েছে। কিছুদিন আগেই সংযুক্ত কিষান মোর্চার অন্যতম নেতা গুরনাম সিং চাদুনি বলেছিলেন, সংযুক্ত কিষান মোর্চার উচিত ২০২২ সালের বিধানসভা নির্বাচনে অংশ নেওয়া। যদিও ওই বক্তব্যের পরই চাঁদুনিকে বরখাস্ত করা হয়েছে। অন্যদিকে ভারতীয় কিষান ইউনিয়নের হরিয়ানা শাখার সভাপতি ‘পাঞ্জাব মিশন ২০২২’ নামে প্রচার শুরু করে দিয়েছেন। ইতিমধ্যেই রাজনৈতিক দলের প্রচারেও তাঁকে যোগ দিতে দেখা গিয়েছে। ঘটনার জেরে সংযুক্ত কিষান মোর্চা চাঁদুনির সঙ্গে তাদের সম্পর্ক ছিন্ন করার কথা জানিয়েছে।

তবে শুধু চাঁদুনি একা নন, একাধিক কৃষক নেতা ইতিমধ্যেই বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের সঙ্গে নির্বাচনের বিষয়ে কথাবার্তা চালাচ্ছেন বলে খবর। কৃষক নেতাদের জনপ্রিয়তার বিষয়টি মাথায় রেখে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলও তাঁদের নিজেদের অনুকূলে টানতে উঠে পড়ে লেগেছে। তবে কৃষক আন্দোলন সম্পূর্ণ শেষ না হওয়া পর্যন্ত অনেকেই সরাসরি এ বিষয়টি নিয়ে মুখ খুলতে চাইছে না।

অন্যদিকে ক্রান্তিকারী কৃষক ইউনিয়নের সভাপতি দর্শন পাল বলেছেন, যদি কৃষক নেতারা রাজনীতিতে যোগ দেওয়ার কথা ভাবেন তবে তাঁদের উচিত আর কিছুদিন অপেক্ষা করা। তবে তাঁরা যদি আমাদের না জানিয়ে কিছু করেন সেক্ষেত্রে সংগঠনের অবশ্য কিছু করার নেই। আমরা মনে করি কৃষক আন্দোলন সম্পূর্ণ শেষ না হওয়া পর্যন্ত কোনও রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত নেওয়া উচিত নয়।

Kisan Protest in bankura: কৃষক নেতাদের দাবি, আন্দোলনের অংশীদার নয় তৃ়ণমূল

Kisan project in bankura

Kisan Protest in bankura
News Desk: ‘কর্পোরেটপন্থী কালা কৃষি আইন সংসদের মাধ্যমে সম্পূর্ণ প্রত্যাহার, বিদ্যুৎ বিল-২০২১ বাতিল, কৃষিপণ্যের ন্যুনতম সহায়ক মূল্যের আইন পাশ, রেল, প্রতিরক্ষা, ব্যাঙ্ক-বিমা, কয়লা, বিদ্যুৎ, শিক্ষা-স্বাস্থ্য ক্ষেত্রের বেসরকারিকরণ রোধ সহ ১০ দফা বিক্ষোভ সমাবেশ ও জেলাশাসককে ডেপুটেশন দিল অল ইণ্ডিয়া কিষাণ ক্ষেতমজুর সংগঠন।

শুক্রবার বাঁকুড়া হিন্দু স্কুল মাঠ থেকে মিছিল করে সংগঠনের সদস্যরা জেলাশাসকের দপ্তরে পৌঁছান। সেখানে পৌঁছে এক বিক্ষোভ সভায় বক্তব্য রাখেন অল ইণ্ডিয়া কিষাণ ক্ষেতমজুর সংগঠনের নেতৃত্ব। এদিন যেকোন ধরণের অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে জেলাশাসকের দপ্তরের সামনে বিশাল পুলিশ বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছিল।

অল ইণ্ডিয়া কিষাণ ক্ষেতমজুর সংগঠনের তরফে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর কৃষি আইন বাতিলের ঘোষণাকে ‘ঐতিহাসিক জয়’ দাবি করে আন্দোলনকারী কৃষক ও সমর্থণকারী সাধারণ মানুষকে ‘অভিনন্দন’ জানানো হয়েছে।

এদিন অল ইণ্ডিয়া কিষাণ ক্ষেতমজুর সংগঠনের বাঁকুড়া জেলা সম্পাদক দিলীপ কুণ্ডু বলেন, ২৬ নভেম্বর কৃষক আন্দোলনের বর্ষপূর্তি। আন্দোলন থেকে বিদ্যুৎ আইন-২০০৩ ও বিদ্যুৎ বিল সংশোধনী-২০২১ ও কৃষিপণ্যের সহায়ক মূল্যবিষয়ক আইন তৈরীর দাবি জানানো হয়েছিল। ইতিমধ্যে চাপের মুখে পড়ে কৃষি আইন বাতিলের কথা ঘোষণা করা হলেও কৃষক আন্দোলনের অন্যতম আরো দুই দাবি নিয়ে এখনো কোন সদূত্তর মেলেনি। সব দাবি পূরণ না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চলবে।

এদিন তিনি এরাজ্যের শাসক দলকেও একহাত নেন। তিনি বলেন, এই আন্দোলনের সঙ্গে তৃণমূল কখনোই ছিলনা, বরঞ্চ আন্দোলনকারীরা ভারত বন্ধ ডাকলে তাঁরা বিরোধিতা করেছেন। এই পরিস্থিতিতে কৃষক আন্দোলনের সাফল্যের অংশীদার তৃণমূল নয় বলেই তিনি দাবি করেন।

Bankura: পদ্ম ফুলের সঙ্গে ত্রিপুরা আছে: দিলীপ ঘোষ

dilip ghosh

নিউজ ডেস্ক, বাঁকুড়া: ‘তৃণমূল এখন বৃদ্ধাবাসে পরিনত হয়েছে।’ বিভিন্ন দল থেকে ‘রিজেক্টেড ও রিটায়ার্ড’ ব্যক্তিরাই ওই দলে যোগ দিচ্ছেন। কোন ‘সৎ লোক, কাজের লোক’ ওখানে যাবেন না। সাম্প্রতিক সময়ে বিভিন্ন রাজনৈতিক দল থেকে ‘হেভিওয়েট’ নেতারা তৃণমূলে নাম লেখানো প্রসঙ্গে এই মন্তব্য করেন বিজেপির সর্বভারতীয় সহ সভাপতি দিলীপ ঘোষ।

বুধবার দলীয় কর্মসূচীতে যোগ দিতে বাঁকুড়ার সোনামুখীতে এসে সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে তিনি এই কথা বলেন।

এস.এস.সি, গ্রুপ-ডি মামলা ও তার জেরে হাইকোর্টের সি.বি.আই তদন্তের নির্দেশ ও পরে এদিন ডিভিশন বেঞ্চের বেঞ্চের স্থগিতিদেশ প্রসঙ্গে প্রশ্ন করা হলে দিলীপ ঘোষ বলেন, আদালতের নির্দেশ মানতে হবে। কিন্তু এই সরকারের উপর মানুষের বিশ্বাস নেই, তাদের তদন্তের উপর বিশ্বাস নেই, সরকারের তৈরি কমিশনের রিপোর্টে প্রকাশ্যে আসেনা, সেই জন্য হতাশ হয়ে মানুষ আদালতে যাচ্ছে।

বিজেপি শাসিত ত্রিপুরায় পৌরভোট প্রসঙ্গে প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, ‘নাইদার রাইট, নো লেফ্ট গো স্টেট বিজেপি। ‘পদ্ম ফুলের সঙ্গে ত্রিপুরা আছে ও থাকবে’ বলেও তিনি দাবি করেন।

Bankura: BJP বিধায়ক ‘নিখোঁজে’ TMC যোগের অভিযোগ

dibakar gharami

News Desk: বিধানসভা নির্বাচনের ফলাফল প্রকাশের পর থেকে সোনামুখীর ‘বিধায়ক দিবাকর ঘরামী নিখোঁজ’। শনিবার সকালে এমন পোস্টারে সরগরম জেলার রাজনৈতিক মহল।

‘পাত্রসায়র ব্লকের সাধারণ মানুষে’র নামে দেওয়া এই পোষ্টারে তীব্র চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। রাতের অন্ধকারে পাত্রসায়র বাসস্ট্যাণ্ড এলাকার বিভিন্ন দেওয়ালে এই পোষ্টার কে বা কারা এই পোস্টার দিল তা স্পষ্ট নয় কারোর কাছেই। শাসক টিএমসি ও বিরোধী বিজেপির রাজনৈতিক তর্জা শুরু।

স্থানীয় সূত্রে খবর, শনিবার সকালে সাদা কাগজের উপর কালো কালিতে ছাপার হরফে ‘বিধায়ক দিবাকর ঘরামী নিখোঁজ’ বিষয়ক বেশ কিছু পোষ্টার চোখে পড়ে এলাকাবাসীর। সাতসকালে পাত্রসায়র বাসস্ট্যাণ্ডে আসা মানুষজনের নজরে বিষয়টি প্রথম আসে।

dibakar  gharami

যাঁর দোকানে পোষ্টার দেওয়া হয়েছে সেই গৌতম রুইদাস, আজশুর আলি শেখরা বলেন, সন্ধ্যা সাড়ে ছ’টায় দোকান বন্ধ করে বাড়ি চলে গেছি। সকালে এসে এই পোষ্টার দেখলাম। কারা এই সব পোষ্টার লাগিয়েছে তারা জানেননা।

বিষয়টি ‘শাসক দলের চক্রান্ত’। দাবি ‘নিখোঁজ’ বিজেপি বিধায়ক দিবাকর ঘরামীর। তাঁর অভিযোগ, তৃণমূলে যোগ না দেওয়াতে পেরেই তৃণমূল এই সব কাণ্ড করছে। আর এই কাজে তারা সফল হবেনা বলেও তিনি জানান।
তৃণমূল কংগ্রেস নেতা সুব্রত দত্তের দাবি, এই পোষ্টার লাগানোর বিষয়টি তিনি জানেননা। তবে ২ মে ভোটের ফল প্রকাশের পর বিজেপি বিধায়ককে এলাকায় দেখতে পাওয়া যায়নি। রাজ্য সরকারের সৌজন্যে এলাকায় উন্নয়ন বহাল আছে। বিধায়ককে এলাকায় দেখা পাওয়া যায়নি। তাই এলাকার মানুষ ক্ষুব্ধ হয়ে পোষ্টার দিয়েছেন বলে তিনি জানান।

Purba Bardhaman : রাত নামতেই ভয়, ধান জমিতে দাঁতালের দল, প্রশাসন সতর্ক

purba-bardhman-dalma-range-elephant

News desk: সকাল গড়িয়ে রাত নামল। এর পরেই আরও আতঙ্কিত পূর্ব বর্ধমান জেলার গলসি, আউসগ্রাম, ভাতার এলাকাবাসী। যদি ফের ২০১৬ সালের মতো হামলা হয়। সোশ্যাল মিডিয়ায় হাতি নিয়ে গুজব না ছড়াতে অনেকেই বলছেন। জেলা প্রশাসন সতর্কতা বার্তায় বলেছে, কেউ যেন অযথা ঝুঁকি না নেন। সকাল হলে হাতিদের গতিবিধি বুঝে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

purba-bardhman-dalma-range-elephant

ছোটনাগপুরের দলমা রেঞ্জের দাঁতাল হাতি আগেও এসেছে। দামোদর পার হয়ে বহুবার পানাগড়, গলসি, আউসগ্রামের জঙ্গলে ঢুকেছে। কিন্তু একসঙ্গে এতো হাতি গ্রামবাসীরা দেখেননি বলে জানান। অন্তত ৪৬টি দাঁতাল হাতি ও ছানা আছে এই দলে।

বৃহস্পতিবার সকালে বাঁকুড়ার শালতোড়া বনাঞ্চল থেকে পাল পাল হাতি পশ্চিম বর্ধমান হয়ে দামোদর পার করে পূর্ব বর্ধমানের দিকে ঢুকে পড়ে। সকাল থেকেই জেলার গলসি, পারাজ, আউসগ্রাম, ভাতার এলাকায় চাঞ্চল্য ছড়ায়।গলসির একের পর এক ধানজমি মাড়িয়ে, ধান খেয়ে পালপাল হাতি দাপাতে থাকে। এলাকায় ছড়ায় আতঙ্ক।

purba-bardhman-dalma-range-elephant

প্রায় ৪৬টি হাতির বিরাট এই দলের দাপাদাপিতে গলসির শিড়রাই গ্রামের জমিতে প্রচুর ধান নষ্ট হয়েছে। সিংপুর, গলিগ্রাম, উচ্চগ্রাম, কুদরুকি হয়ে হাতির দল খড়ি নদী পার হয়ে আউসগ্রামের জঙ্গল অভিমুখে চলে যায়। রাত্র পর্যন্ত হাতির দল রয়েছে আউসগ্রাম ১ নম্বর ব্লকের নয়দা গ্রামে।

purba-bardhman-dalma-range-elephant

পূর্ব বর্ধমান জেলা প্রশাসন জানায়, বিরক্ত না করলে গ্রামের দিকে ঢুকবে না হাতিরা। মাইকিং করে সতর্ক থাকার বার্তা দেওয়া হয়। জেলা বন দফতর সূত্রে খবর, দামোদর পার করে গলসি ১ নম্বর ব্লকের শিল্ল্যা ঘাট এলাকায় ঢুকেছে হাতির দল।

<

p style=”text-align: justify;”>এত বড় হাতির দলকে নিরাপদে জঙ্গলে ফেরত পাঠানোর ব্যবস্থা করছে জেলা প্রশাসন। হুলা পার্টি ও কুনকি হাতির সাহায্য নেওয়া হতে পারে বলে বর্ধমান বনদফতর সূত্রে খবর।

Bankura: কয়লা মাফিয়া লালার আগাম জামিনের আবেদন ফের প্রত্যাহার

নিউজ ডেস্ক: ফের বাঁকুড়া জেলা আদালতে আগাম জামিনের আবেদন জানিয়েও তা প্রত্যাহার করে নিলেন কয়লা পাচার কাণ্ডের অন্যতম অভিযুক্ত অনুপ মাজি ওরফে লালার আইনজীবী।

প্রসঙ্গত, বাঁকুড়ার মেজিয়া থানায় ২০১৭ সালের ১৫ জুলাই কালিকাপুর এলাকায় বেআইনিভাবে কয়লা উত্তোলন ও পাচার সংক্রান্ত এক পিটিশন দেন স্থানীয় বাসিন্দা কালীদাস ব্যানার্জী। মামলা দায়ের করার পাশাপাশি পুলিশ অভিযোগের তদন্তে নেমে অনুপ মাজি ওরফে লালার নাম পায়। সেই মামলায় চার্জশিট দেয় পুলিশ।

এরপরই আইনজীবী মারফত অনুপ মাজি ওরফে লালা বাঁকুড়া জেলা আদালতে আগাম জামিনের আবেদন জানালে গত ১০ সেপ্টেম্বর বিচারক তা খারিজ করে দেন। ফের একই মামলার প্রেক্ষিতে আগাম জামিনের আবেদন জানিয়েছিলেন অনুপ মাজি। যার শুনানি এদিন হওয়ার কথা ছিল।

অভিযুক্ত অনুপ মাজি ওরফে লালার আইনজীবী অনির্বাণ ব্যানার্জী বলেন, আমরা আগাম জামিনের জন্য আবেদন করেছিলাম। আজ শুনানির কথা ছিল, তবে তাঁরা আদালতে সেই আবেদন প্রত্যাহারের আবেদন করেছেন।

সরকারী আইনজীবী অরুণ কুমার চ্যাটার্জী বলেন, ওনারা আগাম জামিনের আবেদন করেছিলেন। এদিন আদালত নির্দ্ধারিত শুনানির দিনই সেই আবেদন প্রত্যাহার করেছেন।

Durga Puja 2021: উৎসবের আনন্দ পাইয়ে দিতে ৪০০ দুঃস্থকে নতুন পোশাক সংখ্যালঘু যুবাদের

তিমিরকান্তি পতি, বাঁকুড়া: ‘ধর্ম যার যার উৎসব সবার’ এতেই বিশ্বাস রাখেন তালডাংরার ‘লদ্দা মুসলিম যুব সম্প্রদায়ে’র সদস্যরা। তাই করোনা আবহে চলতি শারদোৎসবে অসহায় দুঃস্থ মানুষদের মুখে হাসি ফোটাতে এগিয়ে এলেন তাঁরা।

রবিবার বিকেলে সংখ্যালঘু প্রধান এই গ্রামের যুবকদের উদ্যোগে শারদোৎসব উপলক্ষ্যে প্রায় ৪০০ জন অসহায়, দুঃস্থ মানুষের হাতে নতুন পোশাক তুলে দেওয়া হয়। এই তালিকায় শিশু থেকে বৃদ্ধ এমনকি মহিলারাও বাদ ছিলেননা কেউই।

‘লদ্দা মুসলিম যুব সম্প্রদায়ে’র তরফে জানানো হয়েছে, শারদোৎসবে শুধু বস্ত্র দানই নয়, করোনা আবহে দীর্ঘদিন ধরে কমিউনিটি কিচেনের মাধ্যমে জাতি-ধর্ম নির্বিশেষে অসংখ্য মানুষকে একবেলা খাবারের ব্যবস্থা তাঁরা করেছিলেন।

এই কর্মসূচীতে উপস্থিত ছিলেন বিশিষ্ট সমাজসেবী, শিক্ষক মনসারাম লায়েক, প্রাক্তন শিক্ষক সুদীন কুমার ভুঁই, ধর্মেন্দ্র ঘোষ সহ অন্যান্যরা। সমাজসেবী- শিক্ষক মনসা রাম লায়েক লদ্দা মুসলিম যুব সম্প্রদায়ের এই অভিনব উদ্যোগের ভূয়সী প্রশংসা করে বলেন, বর্তমান অস্থির সময়ে লদ্দা মুসলিম যুব সমাজ যে উদারতার পরিচয় দিলেন তা দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবে। এদের এই কাজে তিনি সবসময় থাকবেন বলে জানান।

পুরো বিষয়টি যার মস্তিস্কপ্রসূত, লদ্দা মুসলিম যুব সম্প্রদায়ের অন্যতম কর্ণধার শেখ বাপি বলেন  চলতি করোনা আবহে অনেকের কাজ নেই। পুজোয় নতুন পোশাক থেকে তারা যাতে বঞ্চিত না হয় তাই তাদের এই উদ্যোগ বলে তিনি জানান।

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর থেকে কাজী নজরুল ইসলাম প্রত্যেকেই যুব সম্প্রদায়কে ধর্মান্ধতার উর্দ্ধে উঠে এক হয়ে মানুষের জন্য কাজ করার কথা বলেছেন। আর সেই লক্ষ্যেই অবিচল লদ্দা মুসলিম যুব সম্প্রদায়ের শেখ বাপিরা। বর্তমান সময়ে ধর্ম নিয়ে রাজনীতি আর হানাহানির যুগে তাঁদের উদ্যোগকে সাধুবাদ জানিয়েছেন প্রত্যেকেই।

West Bengal: কোটি টাকা তছরুপ করে ধৃত রাজ্য সরকারি কর্মী

bankura police

নিউজ ডেস্ক, বাঁকুড়া: বিশাল অঙ্কের অর্থ তছরুপের অভিযোগে বাঁকুড়া ফাস্ট ট্র্যাক কোর্টের পেশকার প্রীতম ভকত ও তার বন্ধু অভীক মিত্রকে গ্রেফতার করল পুলিশ। দুই অভিযুক্তকে বুধবার আদালতে তোলা হলে বিচারক তাদের পাঁচ দিনের পুলিশি হেফাজতের নির্দেশ দেন।

গত ২০১৯ সালের ২ এপ্রিল থেকে ২৩ অক্টোবর এবং ২০২০ সালের মধ্যে ২ কোটি ৩৩ লক্ষ ১৯ হাজার ৮৬২ টাকা তছরুপের অভিযোগ ওঠে বাঁকুড়া সিজেএম কোর্টের তদানীন্তন হিসাবরক্ষক প্রীতম ভকতের বিরুদ্ধে। বর্তমানে তিনি বাঁকুড়া আদালতের ফাস্ট ট্র্যাক কোর্টের পেশকার পদে কর্মরত আছেন।

বর্তমান সিজেএম ময়ুখ মুখার্জী এই বিষয়ে বাঁকুড়া সদর থানায় অভিযোগ দায়ের করলে অভিযুক্ত প্রীতম ভকত ও অভীক মিত্রকে গ্রেফতার করে। অভিযুক্ত প্রীতম ভকতের আইনজীবী সায়ন্তন চৌধুরী বলেন, ২ কোটি টাকারও বেশি সরকারী অর্থ তছরুপের দায়ে তাঁর মক্কেল গ্রেফতার হয়েছেন। ঘটনার তদন্ত পুলিশ করছে।

Bankura: মমতার জয়ে টিএমসি উল্লাসে অকাল হোলি

Mamata's victory Bankura

নিউজ ডেস্ক, বাঁকুড়া: দলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের জয়ের খবরে উল্লসিত বাঁকুড়ার তৃণমূল কর্মী সমর্থকরা। বাঁকুড়া শহর থেকে বিষ্ণুপুর এমনকি জঙ্গলমহলের সিমলাপালেও উল্লসিত তৃণমূল কর্মীরা অকাল হোলিতে অংশ নিলেন। সবুজের আবীরে একে অপরকে রাঙিয়ে দেওয়ার পাশাপাশি চললো দেদার লাড্ডু বিলি।

বাঁকুড়া শহরের রাসতলা মোড়ে জেলা তৃণমূল মুখপাত্র দিলীপ আগরওয়ালের নেতৃত্বে বাজি পোড়ানো হয়। সঙ্গে পথ চলতি মানুষকে মিষ্টি খাওয়ান তারা।

বিষ্ণুপুরের আকাশে এদিন সবুজ আবিরের ছড়াছড়ি। স্থানীয় তৃণমূল নেতৃত্ব আবির খেলার মধ্য দিয়েই দলনেত্রীর জল ‘সেলিব্রেট’ করলেন।

একই ছবি জঙ্গল মহলের সিমলাপালেও। স্কুল মোড়ে এম.এল.এ অফিসের সামনে আবির খেলা আর লাড্ডু বিলির মাধ্যমেই ভবানীপুর উপনির্বাচনে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের জয়ে উচ্ছাস প্রকাশ তৃণমূল নেতা কর্মী থেকে সমর্থকদের। 

Bankura: ভয়াবহ গন্ধেশ্বরী ভেঙে দিল ‘পরিকল্পনাহীন’ ১৫ লাখের সেতু

Bankura Gandheswari river

অনলাইন নিউজ: বাঁকুড়া: জলের তোড়ে ভাসিয়ে নিয়ে গেল বাঁকুড়া (Bankura) শহর সংলগ্ন গন্ধেশ্বরী নদীর উপর নির্ম্মীয়মাণ কাঠের সেতু। এই অবস্থায় সেতু তৈরীর জন্য বরাদ্দ ১৫ লক্ষ টাকা জলে গেল পাশাপাশি সঠিক পরিকল্পনার অভাবেই এই ঘটনা ঘটছে বলে স্থানীয়দের অভিযোগ।

বিগত বাম আমলে বাঁকুড়া শহর সংলগ্ন গন্ধেশ্বরী নদীর উপর সতীঘাটে একটি ফুট ব্রীজ তৈরি হলেও কয়েক বছর আগে তা জলের তোড়ে ভাসিয়ে নিয়ে চলে যায়। পরে রাজ্য পূর্ত দপ্তর একই জায়গায় নতুন করে ১৭ কোটি ৯২ লক্ষ টাকা মঞ্জুর করে ১৫৪.০৩ মিটার লম্বা ও ১৫.৫৫ মিটার চওড়া একটি সেতুর তৈরির কাজ শুরু করে। কিন্তু কাজ শুরু হলেও সেভাবে কাজ আর এগোয়নি। ফলে চরম সমস্যায় নদীর ওপারের কেশিয়াকোল, বিকনা সহ একটা একটা বড় অংশের কয়েক হাজার মানুষ।

এই অবস্থায় বাঁকুড়া পৌরসভা নদী পথে যাতায়াতের জন্য ফি বছর নতুন করে অস্থায়ী সেতু বানায়। আর তা প্রতিবছর বর্ষার সময় তা ভাসিয়ে নিয়ে চলে যায়। এবার একই জায়গায় ১৫ লক্ষ টাকা ব্যায়ে কাঠের সেতু নির্মাণে উদ্যোগ নিয়েছিল পৌরসভা। আগামী মহালয়ার দিন তা উদ্বোধনের কথা ছিল। কিন্তু তার আগেই গত দু’দিনের বৃষ্টিতে বন্যার তোড়ে নির্ম্মীয়মান সেতু ভেসে যাওয়ায় পৌরসভার পরিকল্পনাহীনতাকেই দায়ী করছেন স্থানীয় মানুষ। সরকারী অর্থের অপচয় ছাড়া কোন কাজ হয়নি বলে তাদের দাবি।

আর এর পিছনে সেই ‘কাটমানি’ তত্বকে হাজির করেছে বিজেপি। তাদের দাবি কাঠের সেতু তৈরি করা হচ্ছিল বিনা টেণ্ডারে। অথচ গত তিন বছরেও স্থায়ী সেতু তৈরীর কাজ শেষ হলোনা। তৃণমূলের ছোটো বড় সব নেতাই কাটমানিতে যুক্ত বলে তাদের দাবি।

বিষয়ে বাঁকুড়া পৌরসভার প্রশাসক অলকা সেন মজুমদার বলেন, আমরা ভেবেছিলাম বাঁকুড়ার মানুষকে পুজোর আগে সেতু উপহার দেবো। তা আর হলোনা! এর আগে এতো বড় প্রাকৃতিক বিপর্যয় বাঁকুড়ায় হয়নি বলে তিনি দাবি করেন।

১০০ বছরের বৃষ্টির রেকর্ড ভাঙল লাল মাটির দেশে, ভাসছে শিল্প শহর

Rain Bengl

বিশেষ প্রতিবেদন: বৃহস্পতিবার বাঁকুড়া ও পুরুলিয়া , আসানসোল অর্থাৎ রাজ্যের পশ্চিম দিকে আজ বেশি বৃষ্টি হতে পারে বলেই জানিয়েছিল আবহাওয়াবিদরা। তা বলে তা এই পর্যায়ে পৌঁছাবে, ভাবনাতীত ছিল। বাঁকুড়ার বৃষ্টি ভেঙে দিয়েছে ১০০ বছরের রেকর্ড। আসানসোল ভেঙেছে গত চার বছরের রেকর্ড। 

আবহাওয়া দফতরের তথ্য বলছে, গত ২৪ ঘন্টায় ৪৩৪.৫ মিলিমিটার বৃষ্টি হয়েছে। বাঁকুড়ায় বৃষ্টি হয়েছে ৩৫৪.৩ মিলিমিটার বৃষ্টি। বাঁকুড়ায় এত বৃষ্টি হয়েছিল ১৯২২ সালের ২২জুন। বৃষ্টির পরিমাণ ছিল ২৯২.৪মিলিমিটার। আসানসোলে ২০১৮ সালের ২৭ জুলাই বৃষ্টি হয়েছিল ১৯২ মিলিমিটার। সেই রেকর্ড ভেঙে চুরমার হয়ে গিয়েছে।

এদিন পশ্চিম বর্ধমান, বাঁকুড়া ও পুরুলিয়ায় ৩০-৪০ কিলোমিটার বেগে হাওয়াও বয়। সৌজন্যে পুরুলিয়া জেলার পশ্চিম দিকে সরে যাওয়া ওই নিম্নচাপ। আজ বৃহস্পতিবার পুরুলিয়া, বাঁকুড়া, ঝাড়গ্রাম ও দুই মেদিনীপুরের কিছু অংশে ৭০ থেকে ১১০ মিলিমিটার বৃষ্টি হয়। কোথাও কোথাও তারও বেশি বৃষ্টি হয়েছে। এছাড়া দুই বর্ধমান ও দক্ষিণ ২৪ পরগনার কিছু অংশেও হয়েছে হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টি। আর বাকি জায়গায় বৃষ্টির পরিমাণ ছিল হালকা থেকে মাঝারি।

এদিকে জুন সেপ্টেম্বর মাসের বৃষ্টিতে গাঙ্গেয় বঙ্গের অবস্থা করুন। আবহাওয়া অফিসের তথ্য বলছে উবুচুবু অবস্থা বাংলার দক্ষিণ অংশের বেশিরভাগ রাজ্যের। এরপরে আবার বৃষ্টি হলে যে কোনও মুহূর্তে বড় বিপর্যয় ঘটতে পারে।

উত্তরবঙ্গে এবারে তেমন বৃষ্টি হয়নি, উলটে ঘাটতি রয়েছে।আবার অন্যদিকে দেখা যাচ্ছে যে দক্ষিণবঙ্গ বানভাসি পরিস্থিতি। তথ্য বলছে, সারা বাংলায় এবারে ১৫ শতাংশ অতিরিক্ত বৃষ্টি হয়েছে। ৩১ শতাংশ বেশি বৃষ্টি হয়েছে গাঙ্গেয় পশ্চিমবঙ্গে। শুধুমাত্র সেপ্টেম্বর মাসের চিত্র দেখলে তা রীতিমত ভয় ধরাবে। সারা বাংলায় চলতি মাসে ৩৯ শতাংশ বেশি বৃষ্টি হয়েছে। গাঙ্গেয় পশ্চিমবঙ্গে ৮০ শতাংশ বেশি বৃষ্টি হয়েছে। কলকাতায় ৯৬ শতাংশ অতিরিক্ত বৃষ্টি হয়েছে। সেখানে উত্তরবঙ্গে এই মাসে ৪০ শতাংশ বৃষ্টির ঘাটতি রয়েছে।

এখনও পর্যন্ত হলদিয়ায় ২২০, মোহনপুরে ১৯০, মেদিনীপুর-খড়গপুর- কলাইকুন্ডায় ১৭০, ডায়মন্ডহারবার-সাগরদ্বীপে ১৫০, কাঁথিতে ১০০, আলিপুর-উলুবেড়িয়া-হাওড়ায় ৯০, ঝাড়গ্রাম-কাকদ্বীপে ৭০ এবং দমদম-সল্টলেকে ৫০ মিলিমিটার বৃষ্টি হয়েছে।