KMC Election:ঘরে ঢুকে CPIM এজেন্টের মা কে খুনের হুমকি, অভিযুক্ত TMC

(KMC Election police

News Desk: বিধানসভা ভোটে যাদের ন্যুনতম রাজনৈতিক শক্তি নেই রাজ্যে। শূন্য হয়ে গেছে। তাদেরই প্রার্থীদের এত ভয়? প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। কলকাতা পুরনিগম ভোটে বাম প্রার্থীর এজেন্ট ও তাঁর মা কে খুনের হুমকি দেওয়ায় অভিযুক্ত টিএমসি।

ঘটনাস্থল মহানগরের কসবা বোসপুকুর এলাকা। এখানকার ৬৭ নম্বর ওয়ার্ডে সিপিএআইএম এজেন্টের বাড়ি গিয়ে প্রাণনাশের হুমকি দেওয়ার অভিযোগ উছেছে তৃণমূলের বিরুদ্ধে।

পরিস্থিতির বর্ণনা দিতে গিয়ে কান্নায় ভেঙে পড়লেন ওই বাম এজেন্টের মা। সংবাদমাধ্যমের সামনে তিনি বলেছেন, বাড়িতে ঢুকে কয়েকজন হুমকি দেয়। ছেলেকে বুথ থেকে নিয়ে আয়, তা না হলে চিহ্ন পাবি না।

এই শাশানির পরে ওই বাম এজেন্টের মা আতঙ্কে ফোন করেন দলীয় কর্মীদের। কর্মীরা আশ্বস্ত করেন তাঁর ছেলে নিরাপদ। আক্রান্ত মহিলার দাবি শাশানি দিয়েছে বহিরাগত টিএমসির সমর্থকরা।

আগরতলার ছবি কি কলকাতা পুরনিগমে উঠে এলো? বেলা গড়াতেই এই প্রশ্ন। সকাল থেকে কলকাতা পুরনিগমের ভোটে অশান্তি ও বোমাবাজির ঘটনা ঘটেছে। ওয়ার্ডে ওয়ার্ডে আক্রান্ত বিরোধীরা। শাসক তৃণমূল কংগ্রেসের দাবি সব অভিযোগ ভুয়ো।

ছোট লালবাড়ি অর্থাৎ কলকাতা পুরসভার নির্বাচন। শান্তিপূর্ণভাবে সেই প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার চ্যালেঞ্জ নিয়েছে প্রশাসন। সেই চ্যালেঞ্জ সকালেই মুখ থুবড়ে পড়েছে।

কলকাতা পুরসভার ১৪৪টি ওয়ার্ডে ভোট চলছে। বিভিন্ন ওয়ার্ড থেকে আসছে বিক্ষিপ্ত হামলা ও অশান্তির ঘটনার খবর।

KMC Election: আগরতলার বদলা! বোমাবাজি, বুথ দখলে অভিযুক্ত তৃণমূল

KMC election meena devi

ছবির ক্যাপশন: সিপিআইএম প্রার্থীর পরিবারের লোককে ভয় দেখিয়ে ভোট দেওয়ার অভিযোগ তৃণমূলের বিরুদ্ধে। পুলিশের সঙ্গে বচসা জড়ালেন সিপিআইএম প্রার্থীর।

News Desk: আগরতলার ছবি কি কলকাতা পুরনিগমে (KMC Election) উঠে এলো? বেলা গড়াতেই এই প্রশ্ন। সকাল থেকে কলকাতা পুরনিগমের ভোটে অশান্তি ও বোমাবাজির ঘটনা ঘটেছে। ওয়ার্ডে ওয়ার্ডে আক্রান্ত বিরোধীরা। শাসক তৃণমূল কংগ্রেসের দাবি সব অভিযোগ ভুয়ো।

ছোট লালবাড়ি অর্থাৎ কলকাতা পুরসভার নির্বাচন। শান্তিপূর্ণভাবে সেই প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার চ্যালেঞ্জ নিয়েছে প্রশাসন। সেই চ্যালেঞ্জ সকালেই মুখ থুবড়ে পড়েছে।

কলকাতা পুরসভার ১৪৪টি ওয়ার্ডে ভোট চলছে। বিভিন্ন ওয়ার্ড থেকে আসছে বিক্ষিপ্ত হামলা ও অশান্তির ঘটনার খবর। রাজ্য নির্বাচন কমিশনার সৌরভ দাসের দাবি, পর্যাপ্ত নিরাপত্তার ব্যবস্থা করা হয়েছে। মোতায়েন কলকাতা ও পশ্চিমবঙ্গ পুলিসের সাড়ে ২৩ হাজার অফিসার ও কর্মী।

একের পর এক ওয়ার্ডে হামলার ঘটনা প্রমাণ করছে প্রশাসন নিষ্ক্রিয়। পোস্তা এলাকায় বিজেপি প্রার্থী মীনাদেবী পুরোহিতকে হেনস্থা, পোশাক ছিঁড়ে দেওয়ার অভিযোগ এসেছে। তিনি প্রাক্তন ডেপুটি মেয়র। একাধিক ওয়ার্ডে বিজেপি সাংগঠনিক দূর্বলতায় কোনও এজেন্ট দিতে পারেনি। বিরোধী দলের ক্ষেত্রে এটি লজ্জাজনক বলে কটাক্ষ শাসক তৃণমূল কংগ্রেসের।

<

p style=”text-align: justify;”>বিভিন্ন ওয়ার্ডে বামফ্রন্টের এজেন্টরা আক্রান্ত। বামেদের পক্ষে প্রশাসনকে শাসকের পক্ষ নেওয়ার অভিযোগ করা হয়েছে।

KMC Election: দুর্নীতির হিমালয় প্রমাণ অভিযোগ নিয়েও TMC ‘নিশ্চিন্ত’, বিরোধীরা ওয়ার্ড খুঁজছে

Firhad Hakim

News Desk: বিরোধী দল বিজেপি কি জমি ছেড়ে দিচ্ছে ? দলীয় নেতাদের ভোটে গা ছাড়া মনোভাব নিয়ে তেমননই প্রশ্ন সমর্থকদের মধ্যে। ‘ধসাতঙ্কে’ ভূগছে বিজেপি। তবে বিরোধী দলনেতা হুঙ্কার ছেড়েছেন। কলকাতা পুরনিগম (KMC Election) ভোটে দল জয়ী হলে বিপুল কর ছাড় প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছে। তৃতীয় পক্ষ বামফ্রন্ট মিছিলে আছে। তবে ভোটে নেই তা বিগত নির্বাচনগুলিতেই স্পষ্ট।

শাসক তৃণমূল কংগ্রেস ‘নিশ্চিন্ত’। বিধানসভা নির্বাচন থেকে পরপর জয়। উপনির্বাচনে জয়ের ধারা অটুট। সর্বপোরি, বিরোধী দল বিজেপি থেকে ফের তৃণমূলে প্রত্যাবর্তনের ধারা বইছে। টিএমসির বিরুদ্ধে আছে হিমালয় প্রমাণ দুর্নীতির অভিযোগ। চাপে নেই মমতা শিবির। ছোট লালবাড়ির ‘ভোট করাতে’ ওয়ার্ডস্তরে দলনেত্রীর বিশেষ নির্দেশ পৌঁছে গেছে।

কলকাতা পুরনিগমের (KMC) আদুরে নাম. ‘ছোট লালবাড়ি’। পূর্বতন রাজ্য প্রশাসনিক কেন্দ্র মহাকরণের ডাক নাম ‘বড় লালবাড়ি’। এই নামের সঙ্গে তাল মিলিয়ে কে যে পুরনিগম (পুরসভা) ‘ছোট লালবাড়ি’ রেখেছিল তার খোঁজ পাওয়া জল জমা সমস্যা সমাধানের থেকেও কঠিন।

রবিবার ভোট। ‘একুশের ভোট’ নামে ২০২১ সালের বহু আলোচিত পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভা নির্বাচনের পর বছরটির সর্বশেষ ভোট যুদ্ধে নামছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। পুরনিগমের বিদায়ী মেয়র তথা প্রশাসক ফিরহাদ হাকিম ফের মেয়র?

বিধানসভায় শূন্য হয়ে গেলেও বামফ্রন্টোর কটাক্ষ, নারদা মামলার সেই বিতর্কিত ফুটেজে অভিযুক্ত টিএমসির ফিরহাদ হাকিম ছাড়া মমতার গতি নেই। ঠিক যেমন নারদা ঘুষ কাণ্ডের অভিযুক্ত তৎকালীন মমতা ছায়াসঙ্গী শুভেন্দু অধিকারী বিজেপি হয়ে গিয়ে রাজ্যের বিরোধী দলনেতা।

প্রদেশ কংগ্রেসের অভিযোগ। টিএমসি বিজেপি সেটিং স্পষ্ট। তবে ভোট লড়াই হবে। কংগ্রেস ভাঙানোর খেলায় মমতা নিজের বিপদ ডেকে আনছেন বলেও সতর্কতা দিতে শুরু করেছেন দলটির সর্বভারতীয় নেতারা।

মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে বিজেপি বিরোধী মুখ হওয়ার তীব্র প্রচারের জন্য গোয়া, মহারাষ্ট্রে দৌড়েছেন। ব্যর্থতা এসেছে। উত্তর প্রদেশেও যেতে মরিয়া চেষ্টা করছেন। ডাক পাচ্ছেন না। আবার মেঘালয়ে কংগ্রেস ভাঙিয়ে প্রধান বিরোধী দলের মর্যাদায় টিএমসিকে তুলেছেন। ত্রিপুরার পুর ভোটে শূন্য থেকে ১৬ শতাংশে পৌঁছে গেছেন।

সফলতা ব্যর্থতার মিশেলে টানা তিনবার রাজ্যে মুখ্যমন্ত্রী হয়েছেন। ছোট লালবাড়ি দখল না হলে বৃত্ত সম্পূর্ণ হবে না। মমতা খুব ভালো করে জানেন সেটা।

Purba Bardhaman: CBI জালে বর্ধমানের পৌরপ্রশাসক, TMC মহলে কানাকানি এবার কে?

Pranab Chatterjee

News Desk: শীত পড়েনি। হাল্কা হাল্কা গরম ভাব। তবে রাজনৈতিক হাওয়া যেন বৈশাখী লু। প্রবল উত্তপ্ত পূর্ব বর্ধমান জেলা রাজনৈতিক মহল। সেই উত্তাপ ছড়িয়েছে রাজ্য জুড়ে। শুক্রবার চিটফান্ড মামলায় সিবিআই অভিযানে গ্রেফতার হয়েছেন বর্ধমানের (Bardhaman) পুর প্রশাসক প্রণব চ্যাটার্জী। তাঁর গ্রেফতারির পর জেলা তৃণমূল কংগ্রেস মহলে কানাকানি এবার কার পালা ?

কলকাতা পুর নিগম ভোটের আগেই শাসকদলের কাছে চরম বিড়ম্বনা। জেলা হোক বা রাজ্য তৃণমূল কংগ্রেস নেতারা মুখ লুকোচ্ছেন। বিরোধী বিজেপি শিবিরে মুচকি হাসি। আর বামপক্ষের প্রশ্ন দীর্ঘ সাড়ে তিন দশকের জমানায় এমন কি বামেদের ঘরে সিবিআই ঢুকেছে ? সবমিলে রাজনৈতিক মহলে চাঞ্চল্য।

অভিযোগ চিটফান্ড সংস্থা ‘সন্মার্গ’-এ টাকা রেখে ২০১০-২০১৩ সালের মধ্যে বহুজন সর্বশ্রান্ত হয়েছেন। এই অর্থলগ্নি সংস্থা বর্ধমান শহরের তেলমারুই পাড়া এলাকার আইনজীবী বর্তমান বর্ধমান পুরস্কার বর্তমান চেয়ারপার্সন প্রণব চ্যাটার্জীর বাড়িতে অফিস ভাড়া নিয়েছিল। CBI প্রতিনিধি দল প্রণব বাবুর বাড়িতে আসে। প্রণব চ্যাটার্জীর স্ত্রী রেখা চ্যাটার্জী জানান,CBI টিম এসে বাড়িটি ঘুরে দেখে এবং কিছু জিজ্ঞাসাবাদ করে চলে যায়।

পরিস্থিতি মোড় নেয় প্রনববাবুকে পশ্চিম বর্ধমানের আসানসোলে নিয়ে যাওয়ায়। সিবিআই আদালত তাঁকে হেফাজতে রাখার নির্দেশ দেয়। এর পরেই রাজ্য জুড়ে শোরগোল।

পূর্ব বর্ধমান জেলা তৃণমূল কংগ্রেসের তরফে অভিযোগ, জনসমর্থন হারিয়ে বিজেপি সিবিআই গেম খেলছে। তবে বিজেপির তরফে এই অভিযোগ অস্বীকার করা হয়েছে।

Netai Mass Killing: নেতাই গণহত্যার CBI তদন্তের গতি নিয়েই প্রশ্ন হাইকোর্টে

Netai killing

News Desk: নেতাই (Netai mass killing) গুলি চালানো ঘটনায় CBI তদন্তের রিপোর্ট তলব করল হাই কোর্ট। আগামী ১৪,ফেব্রুয়ারির মধ্যেই রিপোর্ট জমা দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে প্রধান বিচারপতির ডিভিশন বেঞ্চ।

রাজ্যে বাম জমানায় মুখ্যমন্ত্রী বুদ্ধদেব ভট্টাচার্যের সময় পশ্চিম মেদিনীপুর জুড়ে আইন শৃঙ্খলা একেবারেই প্রশাসনের হাতের বাইরে চলে গিয়েছিল। জঙ্গলমহলে মাওবাদী হামলায় বহু বাম কর্মী সমর্থক ও সাধারণ মানুষের মৃত্যু যেমন হয়, তেমনই সিপিআইএমের বিরুদ্ধে উঠেছে নেতাই গণহত্যার মতো অভিযোগ।

২০১১ সালের ৭ জানুয়ারি পশ্চিম মেদিনীপুরের লালগড় ব্লকের নেতাই গ্রামে গুলিতে ৯ জনের মৃত্যু হয়। চাঞ্চল্যকর এই ঘটনায় জঙ্গলমহলের দাপুটে সিপিআইএম নেতা ও প্রাক্তন মন্ত্রী সুশান্ত ঘোষের নাম জড়ায়। তবে তিনি অভিযোগ অস্বীকার করেছেন প্রথম থেকেই।

নেতাই গ্রামে মাওবাদীদের আস্তানা গুঁড়িয়ে দিয়েছেন এলাকাবাসী এমনই পাল্টা দাবি উঠতে থাকে। সবমিলে নেতাই গণহত্যা তীব্র বিতর্কিত। রাজ্যে তৃণমূল কংগ্রেস সরকার তৈরি হলে নেতাই গণহত্যার বিচার হবে বলেছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সেই সরকারের আমলে নেতাই তদন্ত কতদূর তা নিয়েই প্রশ্ন তুলল আদালত।

গণহত্যার অভিযোগে হাইকোর্ট বার অ্যাসোসিয়েশনের তরফে সিবিআই তদন্ত ও মৃত এবং আহতদের পরিবারকে ক্ষতিপূরণের দাবিতে মামলা হয়। রাজ্য ক্ষতিপূরণ দেয়। হাইকোর্টের নজরদারিতে সেই মামলা এখনও চলছে। চার্জসিট জমা পড়লেও এখনও অভিযুক্তরা সাজা পায়নি। প্রধান বিচারপতির ডিভিশন বেঞ্চ সিবিআইকে তদন্ত ও বিচারের অগ্রগতি নিয়ে রিপোর্ট তলব করেন।

Bankura: মমতার হাত ধরলেই সে বিশ্বাসঘাতক, কার উদ্দেশ্যে বললেন BJP রাজ্য সভাপতি?

sukanta mazumdar

News Desk, Bankura: ‘মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও তৃণমূলের হাত যে ধরবে সেই বিশ্বাসঘাতকতার মুখে পড়বে’। এমনই নির্দেশ দিলেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার। দলের রাজ্য সভাপতির দায়িত্ব পাওয়ার পর প্রথম বাঁকুড়ায় দলীয় কর্মসূচিতে এসেছেন তিনি।

তিনি আরো বলেন, নরেন্দ্র মোদী ‘গোল্ড মেডেল পেয়ে গেছেন’। এখন দ্বিতীয় স্থানে তৃণমূল, কংগ্রেস, শিবসেনা না ইউ.পি.এ কে থাকবে তার লড়াই চলছে।

সুকান্ত মজুমদার বলেন, ‘সিপিআইএমকে তৃণমূল লোক যোগান দিচ্ছে। ঝাণ্ডা লাগানো থেকে মিটিং এ লোক পাঠানোর ব্যবস্থা করে ওই দলকে ‘তুলে আনা’র চেষ্টা হচ্ছে বলেও তিনি দাবি করেন।

বাঁকুড়া মাচানতলা আকাশ মুক্ত মঞ্চে পেট্রোল-ডিজেলের উপর রাজ্যের কর কমানোর দাবিতে দলীয় সভায় যোগ দেওয়ার আগে শহরে ‘প্রতিবাদ মিছিলে’ পথ হাঁটেন তিনি। মিছিল ও সভায় বিজেপি রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার ছাড়া উপস্থিত ছিলেন স্থানীয় সাংসদ ও কেন্দ্রীয় শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ডাঃ সুভাষ সরকার, বিজেপি বাঁকুড়া ও বিষ্ণুপুর সাংগঠনিক জেলা সভাপতি বিবেকানন্দ পাত্র, সুজিত অগস্থী সহ অন্যান্যরা।

KMC Election: বিধানসভায় শূন্য CPIM, ছোট লালবাড়ির যুদ্ধে ‘সেনাপতি’ ফৈয়াজ আহমেদ খান

Faiyaz Ahmed Khan

News Desk: তিরুঅনন্তপুর কর্পোরেশনের ক্ষমতায় থাকা সিপিআইএমের ‘কর্পোরেট লুক’ কাজকর্ম দেখে চমকে যায় দেশ। এমনকি ভিনদেশিরাও। একই দলের দখলে কলকাতা কর্পোরেশন (KMC election ) দীর্ঘ সময় থাকলেও কিন্তু অমনটা হয়নি। ঠিক যেন দুয়োরানি ! কেন? উত্তর নেই কোনও বাম নেতার কাছেই। মাঝে মধ্যে দু’একজন বঙ্গ বাম নেতার আক্ষেপ, আরে দলটাই তো শূন্য হয়ে গেল বিধানসভায়। আর এসব বলে কী হবে !

তবে ছোট লালবাড়ি অর্থাৎ কলকাতা পুরভবন দখলের যুদ্ধে আছে বামফ্রন্ট। আছেন পুরনিগমের অত্যন্ত পরিচিত, আলোচিত সিপিআইএম নেতা ফৈয়াজ আহমেদ খান। বামফ্রন্ট যদিও ঘোষণা করেনি, তবে প্রাক্তন মেয়র পারিষদ ফৈয়াজ অঘোষিত ‘মেয়র মুখ’, বামেদের খাতায় পুরভোট যুদ্ধের ‘সেনাপতি’।

পড়ুন: KMC Election: মনে আছে বাজপেয়ীর কবিতা, মীনাদেবী পুরোহিত বিজেপির মেয়র মু়খ?

ফৈয়াজ আহমেদকে কব্জা করতে আদা জল খেয়ে নেমেছে তৃণমূল কংগ্রেস। দলত্যাগের অনেক সদুপদেশ পেয়েছেন ঘনিষ্ঠ মহল থেকে। পক্ষত্যাগ করেননি। দলের প্রতি আস্থা রেখেছেন। দলও ভরসা করেছে। তবে পক্ষত্যাগ করেছেন ফৈয়াজের ঘনিষ্ঠ বিলকিস বেগম। সিপিআইএম প্রার্থী না করায় বিলকিস তৃণমূলে ঢুকেই প্রার্থী হয়েছেন।

Faiyaz Ahmed Khan

বাম আমলেই টিএমসি-বিজেপি জোটের মেয়র সুব্রত মুখোপাধ্যায় নেতৃত্বে পুরবোর্ড হয়েছিল কলকাতা পুরনিগমে। ২০০৫ সালে পরাজিত হয় সেই জোট। ফের ছোট লালবাড়ি দখল করেছিল বামফ্রন্ট। সেবার মেয়র হন বিকাশরঞ্জন ভট্টাচার্য। আর মেয়র পারিষদ হিসেবে সামনে চলে এসেছিলেন ফৈয়াজ আহমেদ। কলকাতা বন্দর এলাকায় মমতাকে রুখতে ফৈয়াজ বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ বলে এখনও মেনে নেন বাম নেতারা।

বাম জমান শেষ হলেও বন্দর এলাকার রাজনীতির অনেকটা হাতছাড়া হয় ফৈয়াজের। তবে দলীয় পতাকা হাতে নিয়ে সরাসরি টিএমসির মুখোমুখি হন তিনি। থমকে যায় শাসক দল। সেই সুবাদে ওয়ার্ড ভিত্তিক সংগঠন এখনও ধরে রেখেছেন।

অভিযোগ, দেশের অন্যতম মহানগরের পুরনিগম দীর্ঘ বাম জমানায় যে পর্যায়ে ওঠার কথা ছিল তা হয়নি। আবার এও অভিযোগ, গত দশ বছরে পুরসভা ভিত্তিক দুর্নীতির চূড়ায় উঠতে চলেছে কলকাতা পুরনিগম। অভিযোগের তীরে বিদ্ধ হচ্ছে শাসক তৃণমূল কংগ্রেস।

<

p style=”text-align: justify;”>এই অভিযোগগুলি নিয়েই ৭৫ নম্বর ওয়ার্ড থেকে লড়ছেন ‘পরিষেবাদাতা’ হিসেবে পরিচিত ফৈয়াজ আহমেদ খান। তার মতো নেতাদের কাঁধে ভরসা রাখছে বামফ্রন্ট।

KMC Election: মনে আছে বাজপেয়ীর কবিতা, মীনাদেবী পুরোহিত বিজেপির মেয়র মুখ?

Meena Devi Purohit

News Desk: রাজনৈতিক জীবনে দাপুটে সিপিআইএমকে দেখেছেন, জ্যোতি বসুর কড়া শাসন দেখেছেন ও বুদ্ধবাবুর কবিতা শুনেছেন। আর প্রয়াত বাজপেয়ীর কিছু ‘কবিতায়েঁ’ মনে রেখেছেন। বিজেপির মীনাদেবী পুরোহিতের (Meena Devi Purohit) রাজনৈতিক জীবনে এমন সব আছে তা এখনকার বঙ্গ বিজেপি নেতারা চেষ্টা করেও ছুঁতে পারবেন না।

আসলে যখন এ রাজ্যে বিজেপির শক্তিই ছিল না। তখন গুটিকয়েক বিজেপি নেতা-নেত্রীর একজন মীনাদেবী পুরোহিত। এবারেও কর্পোরেশন ভোটে বিজেপির অঘোষিত মুখ তিনিই।

পড়ুন: KMC Election: বিধানসভায় শূন্য CPIM, ছোট লালবাড়ির যুদ্ধে ‘সেনাপতি’ ফৈয়াজ আহমেদ খান

বাজপেয়ী যখন কেন্দ্রীয় রাজনীতির হালে পানি খুঁজছিলেন, ধীরে ধীরে সংসদে বিজেপির শক্তি বাড়ছিল। বন্ধুর কাছে কলকাতায় এলে প্রবল আলোচিত সাংসদ অটলবিহারী বাজপেয়ীর সঙ্গে দেখা হতো, মুচকি হেসে বলতেন কেয়া ‘সির্ফ দো!’

পশ্চিমবঙ্গে তখন সিপিআইএমের দাপট। বঙ্গ রাজনীতিতে বিজেপির পাতা বরাদ্দ ছিল না। বাজপেয়ীর মজারু শব্দে ‘সির্ফ দো’ মানে দুটি কাউন্সিলর। তারই একজন মীনাদেবী পুরোহিত।

Meena Devi Purohit

হিন্দি উচ্চারণ ঘেঁষা বাংলায় বলেন, সিপিএমের জমানা দেখেছি তো ! টিএমসির আমলও দেখছি। ফারাক আছে। সেকাল একালের ব্যবহারের ফারাক আছে। তবে চরম রাজনৈতিক প্রতিপক্ষ কমিউনিস্টদের সমালোচনাতেও মুখর মীনাদেবী।

পশ্চিমবঙ্গের রাজনীতিতে বিজেপির পায়ের তলায় জমি দেওয়ার মালকিন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বামেরা এই দাবি করে বারবার। বিজেপির পক্ষেও এটি অস্বীকারের উপায় নেই। বাজপেয়ীর এনডিএ জমানায় মমতার আশীর্বাদে বিজেপি ‘সির্ফ দো’ তকমা ঝাড়তে শুরু করেছিল।

সেই স্বর্ণালী জোট আমলে বিজেপির মীনাদেবী পুরোহিত ছিলেন কলকাতার ডেপুটি মেয়র। আর মেয়র-বহু আলোচিত সদ্য প্রয়াত সুব্রত মুখোপাধ্যায়। মমতার ‘সুব্রত দা’। বাম জমানায় টিএমসি-বিজেপি জোট কলকাতা পুরনিগমে ২০০০-২০০৫ সাল পর্যন্ত ক্ষমতায় ছিল।

বঙ্গ রাজনীতির বিস্তর ‘উতার-চড়াও’ (উত্থান-পতন) দেখেছেন বিজেপির নেত্রী কলকাতা পুরনিগমের প্রাক্তন ডেপুটি মেয়র মীনাদেবী পুরোহিত। বাম গেছে। টিএমসি এসেছে। আবার বিজেপি হয়েছে প্রধান বিরোধী দল। বামেরা শূন্য হয়েছে।

১৯৯৫ সালে ভরা বাম জমানায় যখন বিজেপির রাজনীতিতে বিশেষভাবে আসেন মীনাদেবী, তখন থেকেই কর্পোরেশনের কাউন্সিলর। মূলত তিনি কলকাতার অবাঙালি প্রধান এলাকা বড়বাজার ভিত্তিক বিজেপির নেত্রী। কলকাতার বাইরে তেমন কোনও রাজনৈতিক ভূমিকা নেই। কর্পোরেশন রাজনীতিই জড়িয়ে গেছে মীনাদেবী পুরোহিতের সঙ্গে। বিধানসভায় ঠেক মেলেনি।

<

p style=”text-align: justify;”>কর্পোরেশনের ২৫ বছর টানা কাউন্সিলর থাকা বিজেপির মীনাদেবী পুরোহিত লড়ছেন ২২ নম্বর ওয়ার্ড থেকে। বিজেপির হেভিওয়েট মুখ নিজের জয়ের ব্যাপারে প্রবল আশাবাদী। বিধানসভা ভোটের পর দলত্যাগে বিধ্বস্থ বিজেপি যদি মিরাক্যাল দেখাতে পারে তাহলে মীনাদেবীর কপালে একবার হলেও মেয়র কুর্সি জুটবে। তবে লড়াই খুব কঠিন জানেন তিনি।

Tripura: ‘কল্পিত’ অভিযোগ টিকল না, BJP সরকারকে ধাক্কা দিয়ে মানিকের জামিন

Manik Sarkar

News Desk: সকালে রাজপথ দিয়ে হাঁটছেন প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মানিক সরকার সহ ত্রিপুরা (Tripura) সিপিআইএমের শীর্ষ নেতারা। আদালতের দিকে তাঁদের যাওয়ার ভিডিও সোশ্যাল সাইটে ছড়িয়ে পড়ে ঝড়ের গতিতে। কেন প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী আদালতে? উঠতে শুরু করে প্রশ্ন।

তাৎক্ষণিকভাবে সিপিআইএম ফেনী পেজে জানানো হয়, জনগণের দাবি নিয়ে নিয়ে আন্দেলনের কারণে মামলা দায়ের করা হয়েছিল রাজ্য সরকারের তরফে। সেই মামলায় হাজিরা ও জামিন নিতে আদালতে যাচ্ছেন প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী।

এদিকে আদালত চত্বর ছিল সরগরম। মানিকবাবু সহ রাজ্য সিপিআইএমের তাবড় নেতারা ছিলেন অভিযুক্ত। তাঁদের সঙ্গে নিয়েই বিরোধী দলনেতা ও প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীর আদালতে হেঁটে উপস্থিতি নিয়ে শোরগোল ছড়ায়।

পরে আদালত প্রাঙ্গনের বাইরে এসে মানিক সরকার জানান, অভিযোগের ভিত্তিতে সব দিক বিবেচনা করে সম্মানীয় বিচারক জামিন দিয়েছেন। পুরো অভিযোগ ছিল কল্পিত।

সদ্য পুর ও নগর নির্বাচনে বিজেপি বিপুল জয় পেয়েছে ত্রিপুরার। ব্যাপক রিগিংয়ের অভিযোগে বারবার বিদ্ধ হয়েছে বিজেপি জোট সরকার। তবে নির্বাচনে খড়কুটোর মত উড়ে গিয়েছে বিরোধী দল সিপিআইএম। তবে তারাই রাজ্যে ভোটের নিরিখে বিরোধী দল বলে দাবি করেছে সরকারপক্ষ।

ফল ঘোষণার পরে মঙ্গলবার মানিকবাবু কড়া সমালোচনা করেন রাজ্য সরকারের। এর পর বুধবার সকালে তাঁর আদালতে হাজিরা আরও শোরগোল ফেলে দেয়।

মানিকবাবু জানিয়েছেন, ২০২০ সালের ২৬ আগস্ট আগরতলায় ১৬ দফা দাবি নিয়ে বিরোধী দল সিপিআইএম সমাবেশ আন্দোলন করেছিল। কোভিড পরিস্থিতিতে সরকারের হাত গুটিয়ে নেওয়ার বিরুদ্ধে জনগণ জড়ো হন। সিপিআইএমের তরফে সরকারের কাছে চিকিৎসা, আর্থিক সাহায্যের দাবি করা হয়। কোভিড পরিস্থিতিতে সেই সমাবেশ নিষিদ্ধ করেছিল সরকার। কিন্তু সরকারের গা ছাড়া মনোভাবের বিরুদ্ধে ছিল আন্দোলন।

মানিকবাবু জানান, সেই আন্দেলন থেকে সিপিআইএম নেতা কর্মীদের গ্রেফতার করেই ছেড়ে দেয় পুলিশ। ঘটনার প্রেক্ষিতে পুলিশের উপর হামলার অভিযোগ আনা হয়। এই অভিযোগ পুরো কল্পিত। আদালত সব অভিযোগপত্র খতিয়ে দেখেছে। সম্মানিত বিচারক সব দিক বুঝে জামিন দিয়েছেন।

মানিকবাবু বলেছেন, সরকার জনবিচ্ছিন্ন। জিরো পারফরম্যান্স। তাই এমন পদক্ষেপ নিয়েছিল। আদালতেই এর মোকাবিলা হবে।

Tripura: চোখ খুবলে নেওয়ার চেষ্টা, খুনের হুমকি বাম সমর্থককে, অভিযুক্ত BJP

tripura post poll violence

News Desk: ত্রিপুরা (Tripura) পুর নির্বাচনের সন্ত্রাস চলছেই। ফল গণনার পর বিজেপির বিপুল জয়ের পর বিরোধী সিপিআইএম, টিএমসি ও কংগ্রেস সমর্থকদের উপর হামলা আরও বেড়েছে।

দক্ষিণ ত্রিপুরার অমরপুর পৌর এলাকার চেলাগাং ভোট পরবর্তী হামলায় সন্ত্রস্ত। এখানেই পুর নির্বাচনে শাসক বিজেপি ও বিরোধী বামেদের ভোট লড়াইয়ে পুরসভাটি বিজেপি দখল করেছে। ফল ঘোষণার পর হামলা শুরু হয়।

চেলাগাংয়ে সিপিআইএম কর্মী চন্দ্রধন সরকারের উপর প্রাণঘাতী হামলা হয়। তার চোখ খুবলে নেওয়ার চেষ্টা করে হামলাকারীরা। অভিযোগ, শাসকদলের মদতপুষ্ট দুষ্কৃতিদের হামলা চালায়। জখম বাম সমর্থক হাসপাতাল ভর্তি। আরও কিছু বাম সমর্থকদের বাড়িতে হামলা হয়েছে। জমির ফসল নষ্ট করা হয়েছে।

আক্রান্ত হয়েছেন তৃণমূল কংগ্রেস সমর্থকরাও। ফলে রাজনৈতিক পরিস্থিতি সরগরম। তবে হামলার অভিযোগ উড়িয়ে দিয়েছে শাসক বিজেপি।

পুর নির্বাচনের ফলাফলে উঠে এসেছে, অমরপুর নগর পঞ্চায়েতে বিজেপি পায় ৬৯.১১ শতাংশ ভোট। বিরোধী সিপিআইএম পেয়েছে ২২.৫৭ শতাংশ। তৃণমূল কংগ্রেস পেয়েছে ৫.৩৩ শতাংশ ভোট।

পুর নির্বাচনের ফলাফল ঘোষণার পর তৃণমূল কংগ্রেস দাবি করে তারা রাজ্যে বিরোধী দল হিসেবে উঠে এসেছে। টিএমসির দাবি উড়িয়ে দিয়েছে বিজেপি। নির্বাচন কমিশনের পরিসংখ্যান ধরে শাসকদল জানিয়েছে টিএমসি নয়, বিরোধী হিসেবে আছে সিপিআইএম। পশ্চিমবঙ্গের শাসক দলের দাবি ভুল।

Tripura: মোদীর টুইটে ‘সুশাসন’ বেছে নেওয়ার ধন্যবাদ, হামলায় সন্ত্রস্ত ত্রিপুরা

Tripura post poll violence

News Desk: পুর ও নগর পরিষদ-পঞ্চায়েক নির্বাচনে বিপুল জয় পেয়েছে ত্রিপুরার (Tripura) শাসকদল বিজেপি। প্রবল ভোট সন্ত্রাস ও রিগিং অভিযোগে নির্বাচন নিয়ে অসন্তুষ্ট সুপ্রিম কোর্ট বারবার রাজ্যের বিজেপি সরকারকে নির্বিঘ্নে ভোট ব্যবস্থা পরিচালনার নির্দেশ দিয়েছিল।

অভিযোগ, সেই নির্দেশ গিয়েছে ধুলোয় লুটিয়ে। ভোটে সন্ত্রাসের ভয়াবহ হামলা অব্যাহত ফল বের হওয়ার পরেও। রবিবার রাতভর চলেছে হামলা, বাড়ি ঘর ভাঙচুর। সর্বক্ষেত্রে হামলায় অভিযুক্ত বিজেপি।

পুর নির্বাচনে বিপুল ভোটে জয়ের পর প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী টুইট করেন। তিনি লিখেছেন, ত্রিপুরাবাসীকে ধন্যবাদ। তাঁরা সুশাসন বেছে নিয়েছেন।

Tripura post poll violence

সুশাসনের ভয়াবহ ছবি সোমবার সকাল হতেই স্পষ্ট হতে শুরু করেছে। শুধু আগরতলা নয়, জেলায় জেলায়, এলাকাভিত্তিক হামলা চলছে। গাড়ি ভাঙচুর, বিরোধী দল সিপিআইএমের সমর্থকদের উপর হামলা অব্যাহত। তেমনই আক্রান্ত হচ্ছেন তৃ়ণমূল কংগ্রেস সমর্থক ও প্রার্থীরা। আক্রান্ত কংগ্রেসও।

ভোটের ফল ঘোষণার পর ত্রিপুরার মু়খ্যমন্ত্রী বিপ্লব দেব জানান, এই জয় জনগণের জয়। ত্রিপুরার শাসকদল বিজেপির দাবি গণতন্ত্রের জয়। প্রধান বিরোধীদল সিপিআইএমের দাবি, গণতন্ত্র লুঠ হয়েছে। টিএমসি ভোটে ব্যাপক সন্ত্রাসের অভিযোগ করেছে। বিধানসভায় খেলা হবে বলে জানিয়েছে। কংগ্রেসের তরফে ভোটের ফল প্রত্যাখান করা হয়েছে। তিপ্রা মথা ভোট সন্ত্রাস নিয়ে সরব।

রবিবার পুর ও নগর পঞ্চায়েত-পরিষদ ভোটের ফলাফলে বিজেপি কার্যত একতরফা জয়ী। ফলাফল বিশ্লেষণে উঠে এসেছে ত্রিপুরায় পুর নির্বাচনে ৯৯ শতাংশ জয়ী শাসকদল বিজেপি।

মোট ২০টি পৌর এলাকার ৩৩৪টি আসন। বিজেপি জয়ী ৩২৯টি। ৯৯ শতাংশ আসনে জয়!
তাৎপর্যপূর্ণ, ৭টি পুর ও নগর পঞ্চায়েতে নির্বাচন হয়নি। এই এলাকাগুলিতে বিরোধীদের উপর হামলার বিস্তর অভিযোগ উঠেছিল। ফলে বিনা প্রতিদ্বন্দ্ব্বিতায় জয়ী হয় বিজেপি।

আগরতলা পুরনিগম সহ যে ১৩টি নগর পঞ্চায়েক ও পরিষদের ভোট হয়েছিল তার ২২২টি আসনের মধ্যে বিজেপি পেয়েছে ২১৭টি। বিরোধী সিপিআইএম পেয়েছে ৩টি। টিএমসি একটি। তিপ্রা মথা ১টি।

Tripura: আগরতলায় দ্বিতীয়,অন্যত্র ‘টিমটিম’ হয়েই বিরোধী তকমার দাবি TMC নেতাদের

opposition face in tripura

News Desk: ব্যাপক রিগিং ও বুথ লুঠের অভিযোগে সুপ্রিম কোর্টের অসন্তোষের পর যে ত্রিপুরা (Tripura) পুরনিগম ও নগর নির্বাচন হয়েছে তার ভোট প্রাপ্তির পরিসংখ্যান বলছে, পশ্চিমবঙ্গের শাসক দল তিন নম্বরেই।

নির্বাচন কমিশন জানাচ্ছে, বিজেপি সারা রাজ্যে পেয়েছে ৫৯.০১% ভোট। ১৯.৬৫% সারা রাজ্যে ভোট পেয়েছে বামফ্রন্ট। তৃণমূল কংগ্রেস ১৬.৩৯% ভোট পেয়েছে।আর কংগ্রেস ২.০৭% ভোট পেয়েছে।

আগরতলা পুরনিগম সহ রাজ্যের ১৩টি পুরসভা ও ৬টি নগর পঞ্চায়েত দখল করেছে শাসকদল বিজেপি। রাজ্যে ভোটের নিরিখে দ্বিতীয় স্থানে বামেরা।

তবে আগরতলা পুর নিগমের ভোটে চমক তৈরি করে টিএমসি দ্বিতীয় স্থানে উঠে এসেছে। এখানে তৃতীয় বামেরা। আগরতলা পুর নিগমের ৫১ টি আসনের মধ্যে সবেতেই জয়ী শাসকদল।  আগরতলা পুর নিগমের ভোট প্রাপ্তির হার:

বিজেপি পেয়েছে ৫৭.৬৭ শতাংশ।
তৃণমূল কংগ্রেস পেয়েছে ২০.২২ শতাংশ।
বামফ্রন্ট পেয়েছে ১৮.১৪ শতাংশ।
কংগ্রেস পেয়েছে ১.৭৬ শতাংশ।

আগরতলা পুর নিগমের ফল বের হওয়ার পর, টিএমসি নেতারা দাবি করতে শুরু করেন, তারা রাজ্যে বিরোধী দলের ভূমিকা নিয়েছেন। তাঁদের আরও দাবি, বিধানসভায় বিরোধী আসনে থাকলেও বামেরা ত্রিপুরায় অস্তিত্বহীন।

Tripura municipal election

একনজরে ত্রিপুরা পুর ও নগর নির্বাচন ফল
বিজেপি ৩২৯
সিপিআইএম ৩
টি়এমসি ১
তিপ্রা মথা ১

এই ফল আসা মাত্র তৃণমূল কংগ্রেস নেতা রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায়, ও ত্রিপুরার দলীয় নেতা সুবল ভৌমিক আগরতলায় যৌ়থ সাংবাদিক সম্মেলন করেন। দুই নেতা দাবি করেন, ভারতের রাজনৈতিক ইতিহাসে এই প্রথম মাত্র তিনমাসে কোনও ভিনরাজ্যে গিয়ে একটি দল ভোটে লড়ে দ্বিতীয় স্থানে উঠে আসল। এটি একটি নজির। আগামী ২০২৩ বিধানসভা ভোটে ত্রিপুরায় টিএমসি সরকার গড়বে।

তবে পুর ও নগর নির্বাচনের ফলাফল নিয়ে বিশ্লেষণের কোনও জায়গাই নেই এমনই দাবি রাজ্যের প্রধান বিরোধী দল সিপিআইএমের। যুক্তি হিসেবে বামেরা তুলে ধরছে ব্যাপক ছাপ্পা ও রিগিং অভিযোগ। বামেদের দাবি, যেখানে প্রায় একশ শতাংশ আসনেই ভোট হয়েছে রিগিং করে সেখানে কে কত ভোট পেল তা গ্রহণযোগ্য নয়। রাজবাসী যদি সঠিকভাবে ভোট দিতে পারতেন তাহলে পুর নির্বাচনেই বিজেপির পতন দেখা যেত। বিধানসভার লড়াই হবে অন্য মাত্রায়। ভোটের ফলকে পুরোপুরি প্রত্যাখান করেছে বিরোধী দল সিপিআইএম।

Tripura: ‘ব্যাপক রিগিং’ অভিযোগের ভোটে জয়ী BJP, প্রাপ্ত গুণতে কালঘাম ছুটছে

Tripura municipal election

News Desk, Agartala: কত এসেছে? নিচু তলা থেকে দলীয় ভোট পরিসংখ্যান বিশেষজ্ঞরা গুণতে গিয়ে বারবার হোঁচট খাচ্ছেন। শুধু ত্রিপুরার (Tripura) রাজধানী আগরতলা পুরনিগম নয়, পুর পরিষদ ও নগর পঞ্চায়েত ভোটের যে সব হিসেব আসছে তাতে ভোট প্রাপ্তির শতাংশ দেখে চমকে যাচ্ছেন কারিয়াকর্তারা। হিসেব মেলাতে গিয়ে কালঘাম ছুটতে শুরু করেছে।

প্রবল ভোট সন্ত্রাসের কারণে আগরতলা পুরনিগমের ৫১টি ওয়ার্ডকেই স্পর্শকাতর বলে ঘোষণা করেছিল ত্রিপুরা রাজ্য নির্বাচন কমিশন। ভোটের আগে থেকে ও ভোট চলাকালীন ব্যাপক ছাপ্পা চলতে শুরু করে। সর্বক্ষেত্রে অভিযুক্ত হয় বিজেপি। বিরোধী দল সিপিআইএম ভোট লুঠের প্রতিবাদে থানা ঘেরাও করে। তৃণমূল কংগ্রেসের তরফে অবস্থান হয়েছিল। খোদ রাজধানীর ভোট পরিস্থিতি ছিল ভয়াবহ।

আগরতলা পুর নিগমের বুথ লুঠ, ভোটারদের উপর হামলা এমনকি বিজেপি সমর্থকদের উপরেও হামলার অভিযোগ উঠেছে। প্রবীণ ভোটারদের মারধর, বুথের সামনে পুলিশের উপস্থিতিতে ছিনতাইয়ের অভিযোগ উঠেছে। ফলে ভোট পড়ার শতাংশ সঠিক নয় বলেই মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।

এক নজরে আগরতলা পুরনিগমের ফলাফল।
৫১ টি আসনের মধ্যে সবতেই জয়ী বিজেপি।
বিজেপি ৫৭.৬৭ শতাংশ, তৃণমূল কংগ্রেস ২০.২২ শতাংশ, বামফ্রন্ট ১৮.১৪ শতাংশ, কংগ্রেস ১.৭৬ শতাংশ ভোট পেয়েছে। তাৎপর্যপূর্ণ, রাজ্যে প্রধান বিরোধী দল সিপিআইএম নেমেছে তিন নম্বরে।

ভোটে তুমুল রিগিং অভিযোগে সুপ্রিম কোর্টকে বারবার হস্তক্ষেপ করতে হয়েছিল। রাজ্য সরকারের কাছে ভোটে নিরাপত্তা দানের নির্দেশ দিয়েছিল শীর্ষ আদালত। ফলাফল বের হওয়ার পর জয় মসৃণ হলেও ভোট প্রাপ্তির সঠিক হিসেব নেই বিজেপির কাছে।

রাজ্যের বাকি ৬টি নগর পঞ্চায়েত ও ৩টি পুর পরিষদেও বিজেপির একছত্র জয়। কোথাও কোথাও বিরোধী সিপিআইএম ও টিএমসির কেউ কে়ু়উ জয়ী হয়েছেন। নির্বাচনের আগেই শতাধিক আসনে বিনা প্রতিদ্বন্দ্ব্বিতায় শাসকদল জয়ী হয়ে যায়।

এই বিপুল জয়ের হিসেবেও কাঁটা হয়ে খচখচ করছে ভোট প্রাপ্তির সঠিক পরিসংখ্যান। কোথাও কোনও হিসেবই সঠিক আসছে না। বিরোধী দল সিপিআইএমের দাবি, যেভাবে রিগিং হয়েছে তাতে শাসক দল বিজেপি জানেই না তাদের ভোট কত শতাংশ। হিসেব সেই ২০১৮ সালের বিধানসভায় নির্বাচনের ফলাফলে আটকে রয়েছে। রাজ্যে ক্ষমতায় আসার পর বিজেপি জোট সরকারের আমলে পঞ্চায়েত ভোট, লোকসভা নির্বাচনে কত সমর্থন বিপ্লব দেব সরকারের, তার সঠিক হিসেবই নেই।

পুর পরিষদ ও নগর পঞ্চায়েত নির্বাচনে ভোট প্রাপ্তির সঠিক তথ্য না থাকায় আগামী বিধানসভা ভোটে সরকারপক্ষ সমস্যায় পড়তে চলেছে বলেই মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। কারণ বিধানসভা ভোট হবে কেন্দ্রীয় বাহিনী দিয়ে। থাকবে কড়াকড়ি।

Tripura: বামেদের ঘাড়ে ‘হামলা’ মমতার, হাসি চওড়া মোদীর

modi-mamata

News Desk: ত্রিপুরা (Tripura) পুর ও নগর পঞ্চায়েত, পরিষদের ভোটের ফলে ‘ব্যাপক রিগিং’ ছাপ লাগলেও শাসক বিজেপির বিপুল জয় সর্বত্র। আর বিরোধী দল সিপিআইএমের করুণ অবস্থা। ত্রিপুরায় আরও একটি সমীকরণ তৈরি হলো। পশ্চিমবঙ্গের শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেসের উঠে আসা। বিরোধী দল না হয়েও কার্যত বিরোধীদলের ভূমিকা নিতে চলেছে মমতা শিবির।

পুর নির্বাচনের ফলাফলে দিশেহারা বাম শিবির। দুই দফায় রাজ্যে মোট ৩৫ বছর (১০+২৫) মধ্যে সর্বশেষ টানা ২৫ বছর সিপিআইএম ছিল সরকারে। গত বিধানসভা ভোটের পর বিরোধী আসনে তারা। দলটির দখলে আছে ১৬ জন বিধায়ক। এই শক্তি নিয়েও ফলাফলে তেমন কিছুই করতে পারেনি বিরোধীরা। ত্রিপুরায় ব্যাপক ভোট রিগিং হয়েছে বলে অভিযোগ সিপিআইএমের।

তৃণমূল কংগ্রেসের তরফেও ভোট সন্ত্রাস অভিযোগ তুলে সুপ্রিম কোর্টে আবেদন করা হয়েছিল। সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশের পরেও সন্ত্রাস চলেছে ভোটে এমনই অভিযোগ। এরই মাঝে নিজেদের ভোট বাড়িয়ে নিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। আগরতলা পুরনিগমে ব্যাপক ভোট সন্ত্রাসের অভিযোগ এলেও এখানেই টিএমসি বিভিন্ন ওয়ার্ডে বামেদের তিননম্বরে পাঠিয়েছে। কোনও কোনও ওয়ার্ডে তারা সিপিআইএমের ঘাড়ে নিশ্বাস ফেলেছে।

রাজ্যের অন্যান্য নগর পঞ্চায়েত ও পুর পরিষদের ভোটেও বিজেপির বিপুল জয়ের মাঝে টিএমসি যেমন আছে টিমটিম করে, তেমনই আছে সিপিআইএম। একাধিক আসনে বামেদের থেকে এগিয়ে তৃণমূল কংগ্রেস। তবে সর্বত্র বিজেপি জয়ী। জয়ের এই খবরে প্রধানমন্ত্রী মোদীর হাসি চওড়া। কারণ তাঁরই ঝড়ে গত বিধানসভা ভোটে ত্রিপুরায় ভেঙে পড়েছিল বিরাট বাম দুর্গ।

পশ্চিমবঙ্গে বিধানসভা ভোটে প্রচারে এসে ত্রিপুরার প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী ও বিরোধী নেতা মানিক সরকার বলেছিলেন, তাঁর রাজ্যে বিজেপি সরকারের আমলে জনগণের নিদারুণ অভিজ্ঞতার কথা। ঠিক সেই সময়ে ত্রিপুরা ছিল দেশের বেকারত্ব তালিকায় শীর্ষে। পূর্ব বর্ধমানের সদর বর্ধমান শহরে সিপিআইএমের জনসভায় মানিকবাবুর ভাষণের পর রাজ্য জুড়ে প্রবল শোরগোল পড়েছিল।

বিধানসভা নির্বাচনী প্রচারে টিএমসি নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বারবার মানিকবাবুর সেই ভাষণকে হাতিয়ার করেছেন। প্রচারে এসেছিলেন ত্রিপুরার মুখ্যমন্ত্রী বিপ্লব দেব। তবে তিনি সাড়া পাননি।

ভোটে এ রাজ্যে সিপিআইএম শূন্য হয় বিধানসভায়।বিজেপির দাবি ত্রিপুরায় ডবল ইঞ্জিনের উন্নয়ন হয়েছে। এর পরেও বিজেপি পশ্চিমবঙ্গে সরকার গড়তে পারেনি। তৃণমূল কংগ্রেস টানা তিনবার সরকারে।

বঙ্গে বিজেপিকে রুখে দিয়ে ত্রিপুরায় ঝাঁপ দিয়েছেন তৃণমূল নেত্রী মমতা। সেই লক্ষ্যে তিনি সেমিফাইনাল ম্যাচে অস্তিত্ব জানিয়ে দিলেন। বিরাট ভোট ধাক্কা নিয়ে মানিক সরকার ও সিপিআইএম আসন্ন বিধানসভার ভোটে ঘুরে দাঁড়ানোর সূত্র খুঁজতে মরিয়া। 

Tripura: শাসক বিজেপির ‘গণতন্ত্রের জয়’ বনাম বিরোধী CPIM এর কার্টুন কটাক্ষ

tripura election

News Desk: ত্রিপুরা (Tripura) বিধানসভা ভোটের আগে যে সেমিফাইনাল হয়ে গেল তার ফলাফলে শাসক বিজেপির বিপুল জয় এসেছে। তেমনই নিশ্চিহ্ন হয়ে গিয়েছে প্রধান বিরোধী দল সিপিআইএম। আগরতলা পুর নিগম বিজেপির দখলে। রাজ্যের ৬টি নগর পঞ্চায়েত ও ৩টি পুর পরিষদে কোথাও টিমটিম করে জ্বলছে বিরোধী দলের দুটি একটি প্রার্থীর নাম। তাৎপর্যপূর্ণ, আগরতলা পুরনিগমে তৃণমূল কংগ্রেস কোনও আসন না পেলেও বিরোধীপক্ষ হিসেবে উঠে এসেছে। একাধিক ওয়ার্ডে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দল সিপিআইএমের থেকে এগিয়ে।

রবিবার গণনার ফলে ছবিটা স্পষ্ট হতেই শাসক বিজেপির তরফে প্রধানমন্ত্রী মোদী, মুখ্যমন্ত্রী বিপ্লব দেব সহ কেন্দ্রীয় নেতাদের নিয়ে পোস্টারে ছয়লাপ সোশ্যাল মিডিয়া। বিজেপির দাবি ‘গণতন্ত্রের জয়’।

আর নির্বাচনে সন্ত্রাস, রিগিং ও ভোট লুঠের যে অভিযোগে ত্রিপুরা সহ দেশজুড়ে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছিল তাকে হাতিয়ার করে কার্টুন প্রকাশ করেছে সিপিআইএম। রাজ্যের প্রধান বিরোধী দলের ফেসবুক পেজে সেই কার্টুন প্রকাশ করা হয়েছে। এই কার্টুন প্রবল আলোড়ন ফেলে দিল।

ত্রিপুরার পুর ও নগর পঞ্চায়েত নির্বাচনে ব্যাপক ভোট লুঠের অভিযোগে রাজ্য সরকারকে সুপ্রিম কোর্ট বারবার নির্দেশ দিয়েছিল নির্বিঘ্ন ভোট পরিবেশ তৈরির। বিরোধী দল সিপিআইএমের অভিযোগ, সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশকে পাত্তা না দিয়েই চলেছিল বুথ দখল। ভোট পরবর্তী হামলায় বারবার উত্তপ্ত হয়েছে রাজ্য।

এই পরিস্থিতিতে পুর ও নগর পঞ্চায়েত ভোটের ফল বের হওয়ার ঠিক আগেই রাজ্য প্রশাসনকে কটাক্ষ করে বিরোধী দল সিপিআইএমের কার্টুন বিতর্কের জন্ম দিয়েছে। সোশ্যাল মিডিয়া প্রবল সরগরম।

Tripura: বিপুল জয় বিজেপির, ভোট সংখ্যা দ্বিতীয় স্থান দখলে বামকে ধাক্কা মমতার

Bjp masive win in tripura municipal election

News Desk: আগরতলা পুরনিগম সহ ত্রিপুরার (Tripura) সবকটি পুর ও নগরপঞ্চায়েত ভোটে পশ্চিমবঙ্গের শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেসের ভোট প্রাপ্তিতে চমক। পুরনিগমের বিভিন্ন ওয়ার্ডে প্রধান বিরোধী দল সিপিআইএমের থেকে বেশি ভোট পেয়েছে তৃণমূল কংগ্রেস। আবার কোথাও বামেদের ঘাড়ে নিশ্বাস ফেলেছে তারা। গণনার ফলে নিশ্চিত শাসক বিজেপির দখলে আগরতলা পুরনগিম।

বিরোধী শূন্য পুরনিগম। তেমনই রাজ্যের অন্যান্য পুর ও নগর পঞ্চায়েত ভোটেও বিজেপির রমরমা। সর্বত্র শাসক দলের জয় অব্যাহত। বিরোধী দল সিপিআইএমের পরাজয় চলছেই। তাৎপর্যপূর্ণ, বিভিন্ন নগর পঞ্চায়েত ও পুরসভাতেও সিপিআইএমের ঘাড়ে হামলে পড়েছে তৃণমূল কংগ্রেস।

যদিও ত্রিপুরার পুর ও নগর পঞ্চায়েত ভোটে ব্যাপক সন্ত্রাস ও রিগিং অভিযোগে বিদ্ধ শাসক বিজেপি। ভোটে সংঘর্ষ হামলার জেরে সুপ্রিম কোর্ট বারবার রাজ্য সরকারকে নিরাপত্তার নির্দেশ দিতে বলেছিল। ভোট পরবর্তী হামলাতেও সন্ত্রস্ত রাজ্য। অভিযোগ, পশ্চিমবঙ্গে যেমন পঞ্চায়েত ভোটে টিএমসি ভোট সন্ত্রাস করেছিল সেই একই পথ নিয়েছে ত্রিপুরায় বিজেপি। বাংলাভাষী প্রধান দুই রাজ্যে দুই দল ক্ষমতায়।

আগরতলায় তৃ়ণমূলের ভোট যুদ্ধে চমক পশ্চিমবঙ্গেও। দলনেত্রীর হাসি চওড়া। তেমনই বুক শুকিয়েছে বামেদের। কারণ, পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভান শূন্য হলেও ত্রিপুরায় তারা বিরোধী দল।

Kolkata Municipal Election: CPIM ছেড়ে জবরদস্ত বিলকিস এবার মমতার ‘সাথী’

bilkish begum

News Desk, Kolkata: সেই সোনালি দিন অতীত। যখন লাল দলের দাপটে বাকিরা হেঁচকি তুলত। ছবিটা উল্টো। তবে মহানগরীর এক কোনায় যে লাল মরুদ্যান ছিল সেখানকার মালকিন বিলকিস হয়ে গেলেন মমতার সাথী। জবরদস্ত সিপিআইএমের নেত্রী দলত্যাগ করে তৃণমূল কংগ্রেসে এসেছেন।

পুরনিগমের ৭৫ নম্বর ওয়ার্ড সিপিআইএমের দাপট। গত দশ বছরে রাজ্যের বামেরা বিলীন হয়েছে। যে কয়েকটি পকেটে সিপিআইএমের পতাকা ওড়ে তারই একটি কলকাতা বন্দর এলাকার ৭৫ নম্বর ওয়ার্ড। তৃণমূল কংগ্রেস এখানে হারত বিলকিস বেগমের কাছে।

সেই বিলকিসকে প্রার্থী করেছি বামফ্রন্ট। এই ওয়ার্ড থেকেই লড়বেন সিপিআইএমের অপর জবরদস্ত নেতা ফৈয়াজ আহমেদ খান। তিনিও বামেদের শক্তিশালী মুখ। তাঁর বিরুদ্ধে বিলকিশকে প্রার্থী করবেন মমতা।

বিলকিস বেগম তৃণমূল কংগ্রেসে যোগ দিয়ে বলেছেন, সিপিআইএম যে পথে চলছে তার চেয়ে বিজেপিকে ঠেকানোর প্রশ্নে দিদি অনেক এগিয়ে। 

বিলকিস যে বিরাট পাওনা তা স্পষ্ট স্বীকার করে নিয়েছেন বর্তমান মেয়র ফিরহাদ হাকিম। তিনি বলেন, ওকে টিকিট না দিয়ে বামেরা আরেকটা ঐতিহাসিক ভুল করল।

কলকাতা পুরনিগমের লড়াইতে বামেদের প্রার্থী তালিকায় নতুন মুখের ছড়াছড়ি। তেমনই মুখ বদল করেছে শাসক টিএমসি। বিরোধী দল বিজেপির প্রার্থী করা চলছে প্রশ্ন।

Kolkata Municipal Election: টুম্পা নেচে শূন্য বামেদের ভরসা এবার কাদম্বিনী!

cpm-tumpa

News Desk, Kolkata: কাদম্বিনী আছেন ইতিহাস থেকে সমকালীন ডিজিটাল পোস্টারে। তিনি আছেন কলকাতা পুরনিগম ভোটে বামপন্থীদের প্রতিশ্রুতির প্রতীক হয়ে !

পুরনিগমের ভোটে বাম ইস্তেহার, নির্বাচনী প্রতুশ্রুতি প্রচার নিয়ে যথারীতি আলোচনার শীর্ষে সিপিআইএম। উত্তরবঙ্গে দার্জিলিং জেলার শিলিগুড়ি থেকে দক্ষিণবঙ্গের পশ্চিম বর্ধমান জেলার আসানসোল পুরনিগমেও চলেছে চর্চা। সেইসঙ্গে বাম-অবাম দুই রাজনৈতিক মহলেই উঠে আসছে টুম্পা নেচে বিধানসভার ভোটে গোল্লা পেয়েছে সিপিআইএম। এবার টুম্পা উড়ে গেল! চলে এলেন কাদম্বিনী! এমন বুদ্ধিজীবী প্রচার কি পাব্লিক নিতে পারবে?

CPIM new generation

শুক্রবার কলকাতা পুরনিগমের ভোটে চমক তৈরি করেছে কলকাতা জেলা বামফ্রন্ট। রাজ্যে শাসক টিএমসি ও প্রধান বিরোধীদল বিজেপির আগে বাম শিবির প্রার্থী ঘোষণা করে। এর পরেই সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়ে বামেদের নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি ও নাগরিক পরিষেবার চমকদার সব ঘোষণা। এই ঘোষণাগুলি কলকাতা ছাড়িয়ে দেশের অন্যান্য জায়গায় থাকা প্রবাসী বাঙালি বা বিদেশে থাকা প্রবাসীদের মধ্যেও সাড়া ফেলেছে। পুর পরিষেবার মধ্যে সবথেকে নজরকাড়া পোস্টারটি হল ‘কাদম্বিনীর কলকাতা’।

কলকাতা নিবাসী মহিলাদের বিভিন্ন সামাজিক বিষয় , নিরাপত্তা নিয়ে তৈরি হয়েছে কাদম্বিনীর কলকাতা নামে পরিষেবার ডিজিটাল পোস্টার।

কে এই কাদম্বিনী?
বিধানসভায় টুম্পা নেচে শূন্য হওয়া বাম বুদ্ধিজীবীদের ধারণা, পোস্টারে যদিও স্পষ্ট করা হয়নি। তবে এই নামে জড়িয়ে আছেন ভারতের দুই প্রথম মহিলা চিকিৎসকের একজন কাদম্বিনী গাঙ্গুলী। তিনি ঐতিহাসিক ব্যক্তিত্ব। রক্ষণশীল সমাজের বিরুদ্ধে মহিলাদের লড়াইয়ের সদা উজ্জ্বল। কলকাতাতেই তিনি চিকিৎসা করতেন।

unique manifestos published by left front

টুম্পা ছেড়ে কিংবদন্তি চিকিৎসক কাদম্বিনী গাঙ্গুলী?
প্রশ্নের মুখে পড়ছে বাম মহল। নাগরিক পরিষেবা দিতে গিয়ে কেন এত আঁতেলমার্কা পোস্টার এমনও কটাক্ষ উড়ে আসছে।

তবে কলকাতা পুরনিগমের ভোটে বামফ্রন্টের আরও একটি পোস্টার প্রতিশ্রুতি নিয়ে তীব্র আগ্রহ জনতার মনে। ‘সবুজ সিটি’ ও ‘গ্রীন অ্যাডমিন’ নামে দুটি পোস্টার সহ প্রতিশ্রুতি চূড়ান্ত পেশাদারি ছাপ রেখেছে বামেরা। এতে বলা হয়েছে, ‘পরিবেশ বাঁচাতে চাই গণ উদ্যোগ। চালু হবে মোবাইল অ্যাপ। এই অ্যাপে আপনি নিজেকে অ্যাডমিন হিসেবে রেজিস্টার করুন। কোথাও গাছ কাটা, পুকুর ভরাট বা পরিবেশের জন্য ক্ষতিকারক কিছু দেখলে ওই অ্যাপে তার ছবি তুলে আপলোড করুন। ছবি ও লোকেশন সাথে সাথে চলে যাবে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে। নেওয়া হবে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা।’

প্রতিশ্রুতির পোস্টারগুলি তীব্র আলোড়ন ফেলেছে। কোনওটার নাম ‘রামধনুর অধিকার’- এটি তৃতীয় লিঙ্গের জন্য। এছাড়া আছে শ্রমিকের অধিকার, ফিট সিটি, কাজের কলকাতা, উঠোন পাঠশালা সহ আরও।

কলকাতা পুরনিগমের সর্বশেষ বামপন্থী মেয়র ছিলেন বিকাশরঞ্জন ভট্টাচার্য। তিনি এখন রাজ্যসভার সাংসদ। তবে বাম জমানাতেই মহানগরের পুরনিগম কার্যালয় অর্থাৎ ‘ছোট লালবাড়ি’ ( বড় লালবাড়ি মানে মহাকরণ) চলে গিয়েছিল তৃণমূল কংগ্রেসের দখলে। সে ছিল এক যুযুধান পরিস্থিতি।

বাম জমানা শেষে রাজ্যে ভোট বাজারে বিধায়ক, সাংসদ সংখ্যার নিরিখে ডোডো পাখির ন্যায় অবলুপ্ত হয়েছে বামেরা। পরিস্থিতি এমন যে নামমাত্র কয়েকটি ওয়ার্ডে জয়ের ক্ষীণ আসা আর কিছু ওয়ার্ডে ‘ফাইট’ করা ছাড়া আর কোনও বড় আশা দেখছেন না বাম সমর্থক, কর্মী ও নেতারা।

Tripura: ‘রাম ভক্ত’দের ভোট পরবর্তী হামলায় শিবমন্দির ভাঙার অভিযোগ

Tripura Siv mandir

News Desk: মুখ্যমন্ত্রী বিপ্লব দেবের সরকারের বিরুদ্ধেই পুরভোটের আগের দিন বিস্ফোরক অভিযোগ করেছিলেন বিজেপির হেভিওয়েট নেতা বিধায়ক সুদীপ রায়বর্মণ। তাঁর অভিযোগ, যেভাবে সন্ত্রাস চলছে, তাতে দলকে কালিমালিপ্ত করার চেষ্টা। পুর নির্বাচনে ভোট সন্ত্রাসের পরেও ত্রিপুরা (Tripura) অশান্ত। চলছে বিরোধী সিপিআইএম সহ অন্যান্য দলের প্রার্থী সমর্থকদের বাড়িতে হামলা।

বিজেপিকে ভোট না দেওয়ার কারণে ভয়াবহ হামলা চলছে ত্রিপুরায়। অভিযোগ, বিজেপি আশ্রিত দুষ্কৃতিরা অ বিজেপি সমর্থকের ঘরে ঢুকে শিব মন্দির ভেঙেছে। ঘটনা আগরতলার। আক্রান্ত পরিবারটি বামসমর্থক। এই পরিবারের এক সদস্য পুর নির্বাচনে বামপ্রার্থী। তার নাম দেবাশিস বর্মণ হরিজন। তিনি আগরতলা পুরনিগমের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের প্রার্থী  

আরও পড়ুন: Tripura: ‘মহিলারা এসে সোনার হার ছিনতাই করল বুথের সামনে’

ভোট পরবর্তী হামলার ঘটনায় আরও একটি মর্মান্তিক ছবি প্রকাশ হয়েছে। বোমা হামলায় এক বাম সমর্থকের বাড়ি তছনছ। তাঁর পোষা গবাদি পশুগুলির দেহ চারিদিকে ছড়িয়ে রয়েছে। এই ছবি সোশ্যাল মিডিয়ায় তীব্র আলোড়ন ফেলে দেয়। অভিযোগ, বিরোধী দল সিপিআইএমের উপর হামলায় জড়িত শাসক বিজেপি আশ্রিত দুষ্কৃতিরা।

পড়ুন: Tripura: ‘স্বামীর গলা ধরে রাস্তায় ফেলে দিল, বলল মাসিমা ভোট দেবেন না’

 হামলার ঘটনা রাজ্যের সিপাহীজলা জেলার সোনামুড়া এলাকার। স্থানীয় সিপিআইএম সমর্থক ইন্দ্রজিত সাহার বাড়িতে হামলা হয়। ঘর ভাঙচুর যেমন করা হয়েছে, হামলাকারীরা মেরেছে গবাদি পশুগুলিকে। উঠোনে ছজ়িয়ে আছে সেই দেহগুলি।

ভোটের আগে থেকেই হামলায় সন্ত্রস্ত ত্রিপুরা। নির্বাচন পরবর্তী পরিস্থিতি আরও চিন্তাজনক। তবে মুখ্যমন্ত্রী বিপ্লব দেব জন্মদিনের অনুষ্ঠান করার পর বলেন, রাজ্যবাসী সরকারের উপর পূর্ণ আস্থা রেখেছেন। বিরোধী দল সিপিআইএমের রাজ্য সম্পাদক জীতেন্দ্র চৌধুরীর অভিযোগ, ভোটে রিগিংয়ের মাস্টার মাইন্ড বিপ্লব দেব। রিগিংয়ের মাস্টার শিক্ষামন্ত্রী রতনলাল নাথ।

Kolkata Corporation election : জামানত হারানো বামেদের ছোট লালবাড়ি দখলে পেশাদারি ঝলক

unique manifestos published by left front

Kolkata Corporation election
News Desk: রাজ্যে গত দশবছরে শাসন নেই। প্রধান বিরোধী দলের মর্যাদাটুকু চলে গেছে গত ভোটে। শুধু তাই নয় একেবারে বিধানসভায় বাম শূন্য। দলীয় প্রার্থীদের জামানত বাজেয়াপ্ত হয়। আর নোটা ভোটের সঙ্গে লড়াই করেন। এই অবস্থায় কলকাতা পুর নিগমের ভোটে প্রার্থী ঘোষণা করে চমক দিল বামফ্রন্ট।

ছোট লালবাড়ি অর্থাৎ কলকাতা পুর নিগমের ভোটে বামেদের প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করা হয়েছে। এক্ষেত্রে শাসক তৃণমূল কংগ্রেস ও বিরোধী বিজেপির থেকে এগিয়ে ও অভিনব প্রতিশ্রুতির ঝলক বামফ্রন্টের।

বাম প্রতিশ্রুতির ঝলক দেখে চমকে যাচ্ছে শাসক টিএমসি। বিরোধী বিজেপিরও একই অবস্থা। শাসক-বিরোধীদের বহু নেতার বক্তব্য, মারাত্মক রকমকের পেশাদারি চিন্তাভাবনা।

কলকাতা পুর নিগম ভোটে বামফ্রন্ট ইস্তাহার দেখলে যে কোনও ব্যক্তি চমকে যাবেন। এতে অত্যাধুনিক গ্রাফিক্স ও ডিজাইনের ঝলক রয়েছে।

পুর নির্বাচনে ‘সবুজ সিটি’ ও ‘গ্রীন অ্যাডমিন’ নামে দুটি পোস্টার সহ প্রতিশ্রুতি চূড়ান্ত পেশাদারি ছাপ রেখেছে। বলা হয়েছে, ‘পরিবেশ বাঁচাতে চাই গণ উদ্যোগ। চালু হবে মোবাইল অ্যাপ। এই অ্যাপে আপনি নিজেকে অ্যাডমিন হিসেবে রেজিস্টার করুন। কোথাও গাছ কাটা, পুকুর ভরাট বা পরিবেশের জন্য ক্ষতিকারক কিছু দেখলে ওই অ্যাপে তার ছবি তুলে আপলোড করুন। ছবি ও লোকেশন সাথে সাথে চলে যাবে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে। নেওয়া হবে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা।’

শূন্য বামেদের নির্বাচনী প্রতিশ্রুতির পোস্টারগুলি তীব্র আলোড়ন ফেলেছে। কোনটার নাম ‘কাদম্বিনীর কলকাতা’- এটি মহিলাদের জন্য, কোনটার নাম ‘রামধনুর অধিকার’- এটি তৃতীয় লিঙ্গের জন্য। এছাড়া আছে শ্রমিকের অধিকার, ফিট সিটি, কাজের কলকাতা, উঠোন পাঠশালা সহ আরও।

বামফ্রন্টের দাবি, সবই সময় উপযোগী। আধুনিক চিন্তা মাথায় রেখে তৈরি। এরই মধ্যে আলোড়িত রাজনৈতিক মহল। সোশ্যাল মিডিয়ার কারণে পোস্টারগুলি মহানগরের জনজীবনে আলোচনার কেন্দ্রে।পুরভোটে অতি আলোচিত রেড ভলান্টিয়ার্সদের প্রার্থী করেছে বামফ্রন্ট শিবির।