Tripura: এক ডজন বিধায়ক BJP সরকার ত্যাগ করতে গোপনে আলোচনা করলেন

News Desk: তীব্র রাজনৈতিক বিতর্ক রেখেই শেষ হয়েছে ত্রিপুরার পুর ও নগর পঞ্চায়েত ভোট পর্ব। ভোটপর্ব ঘিরে ব্যাপক রিগিং করার অভিযোগে জেরবার শাসকদল বিজেপি। তবে তাদের দাবি নির্বাচন হয়েছে শান্তিপূর্ণ ও সুষ্ঠুভাবে। বিরোধী দল সিপিআইএমের দাবি রিগিং কী পর্যায়ে হয়েছে তা সংবাদ মাধ্যমেই স্পষ্ট।

বিজেপি ও সিপিআইএমের ভোট যুদ্ধের মাঝে সরকারপক্ষের অন্তত ১৩ জন বিধায়ক দলত্যাগের জন্য গোপনে আলোচনা শেষ করেছেন। বিশেষ সূত্রে kolkata24x7.in জানতে পেরেছে এই বৈঠকের কথা। আগেই এক বিধায়ক আশিস দাস বিজেপি ত্যাগ করে তৃণমূল কংগ্রেসে যোগ দিয়েছেন।

সূত্রের খবর, সরকারপক্ষ ত্যাগ করতে চাওয়া বিধায়করা দিনভর আগরতলা পুর নিগম ও বাকি নগরপঞ্চায়েত ভোট পর্যবেক্ষণ করেন। বিরোধী দল সিপিআইএমের ভূমিকা খতিয়ে দেখেন। রিগিংয়ের অভিযোগ, বুথ লুঠের ছবি ও ভিডিওর ভিত্তিতে সুপ্রিম কোর্টের দেওয়া পুনরায় নিরাপত্তা আশ্বাসের পরও যখন পরিস্থিতি একই থাকে তখন তাঁরা সিদ্ধান্ত নেন।

ঘনিষ্ঠমহলে এদের বক্তব্য পুর নির্বাচনে সরকারের ভূমিকায় জনগণের মনে বিরূপ প্রতিক্রিয়া তৈরি করেছে। বিধানসভা ভোটে এর ধাক্কা সামলানো কঠিন হবে। এই বিজেপি বিধায়কদের বেশিরভাগ গত বিধানসভায় ভোটের আগে তৎকালীন বিরোধী দল কংগ্রেস ত্যাগ করে তৃণমূল কংগ্রেসে যোগ দিয়েছিলেন। পরে তাঁরা বিজেপিতে সামিল হন।

এক নজরে ত্রিপুরা বিধানসভার অঙ্ক

মোট আসন ৬০
সরকারপক্ষে মোট ৪২ জন
বিজেপি ৩৫
আইপিএফটি ৭

প্রধান বিরোধীপক্ষ সিপিআইএম ১৬

অন্যান্য

তৃণমূল কংগ্রেস ১

তিপ্রা মথা ১

সূত্র মারফত Kolkata24x7.in আরও জানতে পেরেছে বিজেপির বিধায়করা সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশের পর মুখ্যমন্ত্রী বিপ্লব দেবের ভূমিকা নিয়ে নিজেদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ উগরে দিয়েছেন। এদের মধ্যে রয়েছেন প্রাক্তন মন্ত্রী, বর্তমান মন্ত্রী ও হেভিওয়েটরা।

আরও তাৎপর্যপূর্ণ, পুর ও নগর পঞ্চায়েত নির্বাচনে এদের অনেককেই প্রচারে বিজেপির তরফে তেমন ভূমিকা নেননি। বৃহস্পতিবার ভোটের ছবি দেখে তাঁরা অবস্থান আরও মজবুত করেছেন।

Tripura: আরও দুই কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী পাঠানোর নির্দেশ

CPMF

Tripura Municipal election 
নিউজ ডেস্ক, নয়াদিল্লি: টানটান উত্তেজনার মধ্য দিয়েই বৃহস্পতিবার ত্রিপুরায় পুরভোটের (municipal election)৷ ভোটগ্রহণ শুরু হয়। এদিন ভোট শুরুর পর থেকেই বিভিন্ন জায়গা থেকে এসেছে একের পর এক হিংসা ও অশান্তির অভিযোগ। পরিস্থিতি এতটাই খারাপ হয়ে পড়ে যে ভোটচলাকাকীন হস্তক্ষেপ করতে বাধ্য হয় দেশের শীর্ষ আদালত।

এদিন শীর্ষ আদালত (Supreme court)ভোট চলাকালীন ত্রিপুরায় (tripura) আরও দুই কোম্পানি সশস্ত্র কেন্দ্রীয় বাহিনী (crpf) পাঠানোর জন্য নির্দেশ দেয়। ভোটচলাকালীন এভাবে নিরাপত্তা বাহিনী পাঠাতে বলার নির্দেশ এককথায় নজিরবিহীন বলা যেতে পারে। শীর্ষ আদালতের নির্দেশ একদিকে যেমন বিজেপির কাছে বড় ধাক্কা তেমনই এতদিন ধরে রাজ্যের অন্যতম বিরোধী দল তৃণমূল কংগ্রেস সন্ত্রাসের যে অভিযোগ করছিল তা যে একেবারেই সঠিক সেটা প্রমাণ হল।

ত্রিপুরার প্রধান বিরোধী দল তৃণমূল কংগ্রেস ও সিপিএম শীর্ষ আদালতের কাছে অভিযোগ করে যে, রাজ্যে ব্যাপক সন্ত্রাস চালাচ্ছে বিজেপি। সাধারণ মানুষকে বিজেপির পক্ষে ভোট দেওয়ার জন্য ভয় দেখানোর পাশাপাশি বিরোধী দলের নেতাকর্মীদের উপরেও আক্রমণ চালাচ্ছে। এধরনের হিংসা ও সন্ত্রাসের পরিবেশে কখনওই অবাধ, শান্তিপূর্ণ ও নিরপেক্ষ নির্বাচন সম্ভব নয়। বিরোধীদের এই অভিযোগ পাওয়ার পরেই সক্রিয় হয়ে ওঠে সুপ্রিম কোর্ট। বৃহস্পতিবার দেশের শীর্ষ আদালতের বিচারপতি ডি ওয়াই চন্দ্রচূড় কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রককে নির্দেশ দেন, অবাধ, শান্তিপূর্ণ ও নিরপেক্ষ ভোটের জন্য অবিলম্বে ত্রিপুরায় আরও দুই কোম্পানি আধাসামরিক বাহিনী পাঠাতে হবে। শুধু তাই নয়, পুরভোট যাতে শান্তিপূর্ণ ও অবাধ হতে পারে তার জন্য কেন্দ্র ও ত্রিপুরা সরকারকে সব ধরনের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে হবে।

ত্রিপুরার পরিস্থিতি নিয়ে বিচারপতি চন্দ্রচূড়ের এই পর্যবেক্ষণ ছিল যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ। বিচারপতি চন্দ্রচূড় বলেন, পুর নির্বাচনে প্রতিটি বুথে যাতে কেন্দ্রীয় বাহিনী থাকে তার জন্য রাজ্য নির্বাচন কমিশন ও ত্রিপুরা পুলিশ আধিকারিকদের যথাযথ ব্যবস্থা নিতে হবে। প্রতিটি বুথে সাংবাদিকদের প্রবেশ করার অনুমতি দিতে হবে। পাশাপাশি ব্যালট পেপারের নিরাপত্তা সুনিশ্চিত করতে হবে। ২৮ নভেম্বর ভোট গণনার দিন যাতে কোথাও কোনও অশান্তি ও ঝামেলা না হয় সে বিষয়টিও নিশ্চিত করতে হবে। বিচারপতি চন্দ্রচূড়ের এই নির্দেশ নিশ্চিতভাবেই বিজেপির কাছে একটি ধাক্কা। পাশাপাশি শীর্ষ আদালতের নির্দেশে উজ্জীবিত বিরোধী শিবির।

রাজ্যের অন্যতম বিরোধী দল তৃণমূল কংগ্রেস প্রথম থেকেই ত্রিপুরায় বিজেপির বিরুদ্ধে ব্যাপক সন্ত্রাসের অভিযোগ তুলে আসছে। গত কয়েক দিনে এখানে তৃণমূল নেতা কর্মীদের মারধর করা হয়েছে। এমনকী, তৃণমূল প্রার্থীদের বাড়ি লক্ষ্য করে গুলি ও বোমা ছোড়া হয়েছে। মুখ্যমন্ত্রী বিপ্লব দেব নিজেই বিজেপির হার্মাদ বাহিনীকে উস্কানি দিয়ে চলেছেন। ঘটনার জেরে সুপ্রিম কোর্ট নির্দেশ দেয়, আগরতলার প্রতি বুথে কমপক্ষে পাঁচজন সশস্ত্র বাহিনীর জওয়ানকে রাখতে হবে। এদিন ২০টি পুর অঞ্চলের ৩৩৪ টি ওয়ার্ডের মধ্যে ২২২টিতে আজ ভোটগ্রহণ চলছে। বিজেপি ইতিমধ্যেই ১১২ টি ওয়ার্ডে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় জয় পেয়েছে। এদিন যে সব বুথে ভোট নেওয়া হচ্ছে সেখানেই বিজেপি নতুন করে সন্ত্রাস চালিয়েছে বলে অভিযোগ।

Tripura: ‘স্বামীর গলা ধরে রাস্তায় ফেলে দিল, বলল মাসিমা ভোট দেবেন না’

Tripura Senior Citizen voter

Tripura poll violence
News Desk: পুর ও নগর পঞ্চায়েত ভোটে বিরোধী দলের ভুরি ভুরি অভিযোগ নিয়ে সরগরম পরিস্থিতি। সুপ্রিম কোর্টের তরফে ভোটারদের নিরাপত্তার ব্যবস্থার নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল। বেলা শেষে ত্রিপুরায় ভোট সন্ত্রাসের ছবি আরও স্পষ্ট হতে শুরু করেছে বলেই জানাচ্ছেন ভোটাররা।

আগরতলা পুর নিগম ভোটের সন্ত্রাসের ঘটনা বলতে গিয়ে সংবাদ মাধ্যমের সামনে কেঁদে ফেললেন এক প্রৌঢ়া ভোটার। তিনি বর্ণনা দিয়েছেন, কেমন করে রিগিং হয়েছে।

ওই প্রৌঢ়া জানান, সকালে ভোট দিতে আসছি। এমন সময় কয়েকজন যুবক ঘিরে নিয়ে বলল, আপনার ভোট দিতে যাবেন না। ওদের কথা না শুনে বললাম কেন ভোট দেব না। ওদের পেরিয়ে যেই

আরেকটু এগিয়ে এসেছি এমন সময় দু’জন যুবক এসে আমার স্বামীর গলা টিপে ধরে রাস্তায় ফেলে দিল। আমাকে আটকে রাখল। বলল ভোট দিতে যাবেন না। এর পরেই প্রৌঢ়া কান্নায় ভেঙে পড়েন। তিনি পরে জানিয়েছেন, এই পরিস্থিতি আগের সরকারের আমলে ছিল না।

ত্রিপুরার মুখ্যমন্ত্রী বিপ্লব দেবের স্ত্রী নীতি দেব সাংবাদিকদের জানান, রাজ্যবাসী সুষ্ঠু উন্নয়নের জন্য ভোট দিয়েছেন। সরকার জনগণের উন্নয়নকেই প্রাধান্য দেয়।

ত্রিপুরায় গত বিধানসভা নির্বাচনের পর এই রাজ্যে টানা ২৫ বছরের বামফ্রন্ট সরকারের পতন হয়। সরকার গড়ে বিজেপি আইপিএফটি জোট। বিধানসভা ভোট সুষ্ঠুভাবেই হয়েছিল সেকথা সব রাজনৈতিক মহল স্বীকার করেছে। ভোটের ফল ঘোষণার দিন থেকে ত্রিপুরায় রাজনৈতিক হামলা শুরু হয়।

বিধানসভায় ভোটের পর থেকে রাজ্যে যতগুলি ভোট হয়েছে তাতে রিগিং পুরোমাত্রায় বলে অভিযোগ বিরোধী দল সিপিআইএমের। পুর ও নগর পঞ্চায়েত ভোটে ব্যাপক সন্ত্রাস নিয়ে সরব বিরোধী বামেরা। যদিও শাসক বিজেপির দাবি ভোটে কোনও রিগিং হয়নি।

Tripura: বুথে ‘মার খেয়ে’ বিরোধী CPIM এর বিশাল মিছিল! সমর্থকরা দুষছেন নেতাদের

Tripura poll violence

Tripura poll violence
News Desk: নেতারা রাস্তায়। বিরাট মিছিল নিয়ে থানা ঘেরাও করে রেখেছেন বাম সমর্থকরা। আগরতলায় পুর ভোটে ধুন্ধুমার পরিস্থিতি। বিরোধী দল সিপিআইএমের মিছিল দেখে কে বলবে বুথে বুথে হাল ছেড়ে দিয়েছেন কর্মীরা ! রাজপথ কাঁপিয়ে সিপিআইএমের মিছিল দেখে শাসক বিজেপির কটাক্ষ, এত লোক ওদের মিছিলে! কটা ভোট পাবে!

আর বাম সমর্থকদের প্রশ্ন দলেরই কাছে। তারা বলছেন, এত মিছিলেন শক্তি নিয়ে আন্দোলনের ছিঁটেফোঁটাও যদি বুথে দেখাতে পারত দল তাহলেই ছবিটা পাল্টে যেত। ভোট সন্ত্রাস রুখে দিতে পারতাম। নেতারা মিছিল করতে যত পটু ততটা বুথে নন।

Tripura poll violence

ত্রিপুরা পুর ও নগর পঞ্চায়েত ভোটে ব্যাপক সন্ত্রাসে অভিযুক্ত শাসক বিজেপি। পরিস্থিতি এমন যে সুপ্রিম কোর্ট ফের বুথে বুথে নিরাপত্তার নির্দেশ দিয়েছে। সকাল থেকে একের পর এক ছবিতে স্পষ্ট পুর ভোট লুঠ হয়েছে। বিরোধী দল সিপিআইএমের রাজ্য সম্পাদক জীতেন্দ্র চৌধুরী যে সন্ত্রাসের ভিডিও দেখিয়ে আশঙ্কা করেছিলেন, ভোটারদের বুথ থেকে তাড়িয়ে দেওয়া সেটাই প্রমাণ করেছে।

বিরোধী তৃণমূল কংগ্রেস, কংগ্রেসের তরফেও ভোট সন্ত্রাসের অভিযোগ এনে থানা ঘেরাও ও ধর্না কর্মসূচি চলে।
এদিকে শাসক দল বিজেপির রাজ্য সভাপতি মানিক সাহা জানান, রাজ্যবাসী ভোট উৎসকে অংশ নিয়েছেন। কোথাও রিগিং হয়নি। আরও একধাপ এগিয়ে রাজ্যের তথ্য ও সংস্কৃতি মন্ত্রী সুশান্ত চৌধুরী দাবি করেছেন, ঐতিহাসিক ভোট হয়েছে রাজ্যে। একটিও খুনের খবর আসেনি। অথচ আগে সব ভোটে এমন ঘটনা ঘটত।

Tripura: বিরোধী বামেদের থানা ঘেরাও, তৃণমূলের আর্তনাদ, শাসক বিজেপি বলছে ‘নো রিগিং’

Tripura poll violence

Tripura Municipal Election
News Desk: সুপ্রিম কোর্ট স্তম্ভিত। সব সংবাদ মাধ্যমকে বুথে বুথে প্রবেশের নির্দেশ। ত্রিপুরায় পুর ও নগর পঞ্চায়েত ভোটে ব্যাপক সন্ত্রাসের অভিযোগ নিয়ে জাতীয় রাজনৈতিক মহলে প্রবল শোরগোল। সকাল থেকেই নির্বাচনে সন্ত্রাস মাত্রাছাড়া বলে অভিযোগ।

শাসকদল বিজেপির বিরুদ্ধে লাগাতার সন্ত্রাস ছড়ানোর অভিযোগ ঘিরে সরগরম পরিস্থিতি। সশস্ত্র অবস্থায় হামলা চলছেই।

আগরতলা পুর নিগম সহ সবকটি নগর পঞ্চায়েতের ভোটে সন্ত্রাসের যে ছবি আসছে তা প্রত্যাশিত ছিল বলেই জানাচ্ছে স্থানীয় সংবাদ মাধ্যম।

ব্যাপক রিগিং ঘিরে উত্তপ্ত আগরতলা। ভোট রিগিংয়ের অভিযোগে বিরোধী দল সিপিআইএমের বিশাল মিছিল হয়। ঘেরাও করা হয় পশ্চিম আগরতলা থানা। পুলিশ অসহায় বলে জানিয়েছে পুলিশ মহলের একাংশ। সিপিআইএমের রাজ্য সম্পাদক জীতেন্দ্র চৌধুরী ভোট সন্ত্রাসের ভয়াবহ ভিডিও সংবাদ মাধ্যমের সামনে তুলে ধরেছেন। তাঁর দাবি, সরকার জনসমর্থন হারিয়ে সন্ত্রাস করে জিততে মরিয়া।

অন্যদিকে হামলার মুখে তৃণমূল কংগ্রেস কার্যত আর্তনাদ শুরু করেছে। একাধিক প্রার্থী আক্রান্ত। দলের নেতা সুবল ভৌমিক আক্রান্ত প্রার্থীকে নিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় সরকারকে তীব্র আক্রমণ করেন। অপর বিরোধী দল কংগ্রেস কার্যত হাল ছেড়ে দিয়েছে।

যাবতীয় অভিযোগ অস্বীকার করেছেন শাসক দল বিজেপির রাজ্য সভাপতি মানিক সাহা। তিনি বলেছেন, মানুষ শান্তিতে গণতান্ত্রিক রায় দিচ্ছেন। ভোট রিগিং নেই ভোট উৎসব চলছে। তাঁর মন্তব্য নিয়েই ত্রিপুরার রাজনৈতিক মহল সরগরম।

আক্রান্ত ভোচদাতাদের দাবি, বিজেপি সমর্থকদেরও ছাড় দিচ্ছেনা বিজেপি আশ্রিত দুষ্কৃতিরা। তাঁদের অভিযোগ, এ যেন পশ্চিমবঙ্গের বিগত পঞ্চায়েত ভোটের হুবহু ছবি ত্রিপুরা পুর ও নগর পঞ্চায়েত ভোটে। নির্বাচনের আগে থেকে যে ভোট সন্ত্রাস চলছিল তার পরিপূর্ণ রূপ দেখাল বিজেপি আশ্রিত দুষ্কৃতিরা।

Tripura: কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহর আশ্বাস ‘সোনার পাথরবাটি’, ভোট প্রায় ‘লুঠ’

Masive poll rigging in tripura

News Desk: এ যেন পশ্চিমবঙ্গের বিগত পঞ্চায়েত ভোটের হুবহু ছবি ত্রিপুরা (Tripura) পুর ও নগর পঞ্চায়েত ভোটে। নির্বাচনের আগে থেকে যে ভোট সন্ত্রাস চলছিল তার পরিপূর্ণ রূপ দেখাল বিজেপি আশ্রিত দুষ্কৃতিরা, এমনই অভিযোগ। মূল বিরোধী সিপিআইএমের দাবি, ভোট হচ্ছেই না। ভোট হলেই পরাজয় বুঝে গণতান্ত্রিক রায় লুঠ করেছে শাসক বিজেপি।

নির্বাচনে ভয়াবহ সন্ত্রাসের অভিযোগ তুলে সুপ্রিম কোর্টে আবেদন ও কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রীর কাছে তদ্বির করেছিল রাজ্যে নতুন করে রাজনীতি শুরু করা তৃণমূল কংগ্রেস। টিএমসি সাংসদ সুস্মিতা দেবের করা আবেদনের প্রেক্ষিতে সুপ্রিম কোর্ট ত্রিপুরা রাজ্য সরকারকে নির্বিঘ্নে ভোটের নির্দেশ দেয়। লাগাতার সন্ত্রাসের অভিযোগ তুলে টিএমসি সাংসদরা কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহর সঙ্গে দেখা করেন। বৈঠকে শাহ আশ্বাস দেন ত্রিপুরা সরকারের সঙ্গে কথা বলে ভোট সন্ত্রাস বন্ধ করা হবে।

tripura-election

বিরোধী সিপিআইএমের অভিযোগ, অমিত শাহর আশ্বাস ‘সোনার পাথরবাটি’ সেটা ভোট শুরু হতেই স্পষ্ট হয়ে গিয়েছে। আগরতলা পুর নিগমের কোনও ওয়ার্ড বাকি নেই যেখানে বিজেপি রিগিং করতে বাকি রেখেছে। নির্বাচনী সন্ত্রাসের অভিযোগ তুলে বুধবার রাতে সিপিআইএম রাজ্য সম্পাদক জীতেন্দ্র চৌধুরী সুপ্রিম কোর্টে আবেদন করেন বলে জানান। তিনি ভোট সন্ত্রাসের ভয়াবহ ছবি দেখান সাংবাদিকদের।

অভিযোগ, মু়খ্যমন্ত্রী বিপ্লব দেবের নির্দেশে এমন করছে রাজ্য বিজেপি। বিরোধী নেতা মানিক সরকার জানিয়েছেন, সন্ত্রাস থেকেই স্পষ্ট সরকার জনসমর্থন হারিয়েছে। বিজেপির হেভিওয়েট নেতা ও প্রাক্তন স্বাস্থ্যমন্ত্রী সুদীপ রায়বর্মণের দাবি, যেভাবে সন্ত্রাস চলছে তাতে দলের ভাবমূর্তি প্রবল কালিমালিপ্ত। ভবিষ্যতের দিন ভয়াবহ। রাজ্যে বিজেপি চরম বিপর্যয়ের মুখে পড়তে চলেছে। তৃণমূল কংগ্রেস নেত্রী সুস্মিতা দেবের অভিযোগ, ভয়াবহ ভোট সন্ত্রাসের আশঙ্কা ছিলই। তাই হয়েছে।

অভিযোগের জবাবে বিজেপি জোট সরকার নীরব। আরও অভিযোগ, রাজ্য নির্বাচন কমিশন রিগিং চালাতে দিচ্ছে নির্বিঘ্নে। নিরাপত্তা শিকেয় উঠেছে।

Tripura: রাত থেকে হামলা, সকালে ভোট শুরুতেই রক্তাক্ত ছবি, অভিযুক্ত BJP

tripura-election

News Desk: সকাল বলে দিল দিন কেমন যাবে। আগরতলা (Tripura) পুর নিগম ও রাজ্যের নগর পঞ্চায়েত ভোটে ভয়াবহ ভোট সন্ত্রাস শুরু হয়েছে। আশঙ্কা মিলিয়েই বুথ দখল ও ছাপ্পা চলছে। সর্বক্ষেত্রে বিজেপি আশ্রিত বাইক বাহিনীর হামলার অভিযোগ আসতে শুরু করেছে। পরিস্থিতি এমন যে বিজেপি সমর্থিত ভোটারদের হুমকি খোদ শাসকদলেরই বুথ দখলকারীদের।

ত্রিপুরা পুর ও নগর পঞ্চায়েত ভোটের ছবি পশ্চিমবঙ্গের গত গ্রামপঞ্চায়েত নির্বাচনে শাসক তৃণমূল কংগ্রেসের বিরুদ্ধে ওঠা হামলার অভিযোগের ঠিক উল্টো চিত্র। পার্থক্য বাংলাভাষী প্রধান ত্রিপুরায় তৃণমূল কংগ্রেস ভোট সন্ত্রাসের অভিযোগ করছে। তবে এ রাজ্যে বিরোধী দল সিপিআইএম। তাদের তরফে হামলা ও হুমকির ছবি দিয়ে বুধবার রাতেই সুপ্রিম কোর্টে জরুরি আবেদন করা হয়। বিরোধী দলের রাজ্য সম্পাদক জীতেন্দ্র চৌধুরী জানান, ভোট নির্বিঘ্নে করতে সুপ্রিম কোর্টের হস্তক্ষেপ দাবি করা হয়েছে।

বহু চর্চিত আগরতলা পুর নিগম ভোট ও নগর পঞ্চায়েত ভোট। বিশেষত পশ্চিমবঙ্গের শাসক দল টিএমসি সরাসরি ত্রিপুরায় ফের রাজনৈতিক ময়দানে। টিএমসির তরফে অভিযোগ নিয়ে সরগরম হয়েছে দিল্লির রাজনীতি। এমনকি কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ জানান, বিজেপি শাসিত ত্রিপুরায় যাতে ভোট সন্ত্রাস না হয় তার জন্য মুখ্যমন্ত্রী বিপ্লব দেবকে বলা হবে। টিএমসির আবেদনের ভিত্তিতে সুপ্রিম কোর্ট ত্রিপুরা সরকারকে ভোট সন্ত্রাস রুখতে নির্দেশ দেয়।

ভোটের সকালে তারই উল্টো ছবি। রাজ্যের একাধিক মন্ত্রীর হুমকি মিলিয়েই পুর ও নগর পঞ্চায়েত ভোটে রক্তাক্ত পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে।

Tripura: পিস্তল নিয়ে ভোটারদের হুমকি বিজেপির, চাঞ্চল্যকর অভিযোগ সিপিআইএমের

Tripura violence

News Desk: ত্রিপুরার (Tripura) পুর ও নগর পঞ্চায়েত ভোট শুরুর আগে বাড়ি বাড়ি ঢুকে ভোটারদের হুমকি ও ভোট না দেওয়ার চাঞ্চল্যকর ভিডিও তুলে ধরল রাজ্যের বিরোধীদল সিপিআইএম।

রাজ্য সম্পাদক জীতেন্দ্র চৌধুরীর অভিযোগ, কীভাবে নির্বাচন বানচাল করতে চাইছে শাসক বিজেপির মদতপুষ্ট হামলাকারীরা এই ভিডিও তারই প্রমাণ। ভিডিওটি বিলোনিয়ার বলে দাবি করে়ছে সিপিআইএম। শাসক বিজেপি এই বিষয়ে নীরব।

বৃহস্পতিবার আগরতলা পুর নিগমের ভোট। একইসাথে অন্যান্য নগর পঞ্চায়েতেও নির্বাচন। রাজধানী শহর আগরতলার সবকটি বুথ স্পর্শকাতর বলে চিহ্নিত করেছে রাজ্য নির্বাচন কমিশন।

বিরোধী দল সিপিআইএমের অভিযোগ রাতেই বিভিন্ন বুথ দখল করার ছক করেছে শাসক দল। এই মর্মে নির্বাচন কমিশনে অভিযোগ দায়ের করা হয়। একইসঙ্গে নির্বাচন শান্তিপূর্ণ করতে রাতেই জরুরি ভিত্তিতে সুপ্রিম কোর্টে আবেদন করা হয়েছে।

রাত বাড়ছে একের পর এক এলাকা থেকে ভোট সন্ত্রাসের সংবাদ আসছে। ভোটকর্মীরাও নিরাপত্তাহীনতায় ভূগতে শুরু করেছেন। বিজেপির বিদ্রোহী বিধায়ক তথা প্রাক্তন স্বাস্থ্যমন্ত্রী সুদীপ রায় বর্মণের অভিযোগ, নির্বাচনে নিয়ে প্রহসন চালাচ্ছেন সরকারের একাংশ। এতে বিজেপির ভাবমূর্তি কালিমালিপ্ত হচ্ছে। তবে বিরোধী সিপিআইএমের সোশ্যাল সাইটে সুদীপবাবুর কিছু পুরনো ছবি দেখিয়ে তুলে ধরা হয় যারা হামলাকারী তারা প্রাক্তন মন্ত্রীরই ঘনিষ্ঠ।

Tripura: সন্ধের আগেই হামলা শুরু, সকালে ভোট সন্ত্রাসের আশঙ্কা

tripura-cpm

News Desk: আগরতলা পুর নির্বাচন সহ রাজ্যের বাকি নগর পঞ্চায়েত ভোটের ঠিক আগের মুহূর্তে ফের শুরু হয়েছে সন্ত্রাস। বিরোধী সিপিআইএম প্রার্থীদের বাড়ি বাড়ি হামলা চলছে। বেশকিছু দোকান ভাঙচুর। অভিযোগ সর্বক্ষেত্রে বিজেপির বাইক বাহিনী হামলা করছে। যদিও বিজেপি এই দাবি অস্বীকার করেছে।

বৃহস্পতিবার ত্রিপুরায় বহু চর্চিত আগরতলা পুর নিগমের ভোট ঘিরে বু়ধবার বিকেল থেকেই হিংসাক্মক পরিস্থিতি তৈরি হলো ফের। সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশকে বুড়ো আঙুল দেখিয়ে হামলা চলছে বলে অভিযোগ বিরোধী দল সিপিআইএমের। একই অভিযোগ করছে তৃ়ণমূল কংগ্রেস ও কংগ্রেস।

প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী তথা বিরোধী দলনেতা মানিক সরকারের স্ত্রী তথা সিপিআইএম নেত্রী পাঞ্চালি সরকারের অভিযোগ, শাসক বিজেপি যে প্রতিশ্রুতি দিয়ে ২০১৮ সালে ক্ষমতায় এসেছিল তার একটিও পূর্ণ হয়নি। এর ফলে সন্ত্রাস পরিবেশ তৈরি করেছে।

পাঞ্চালি সরকারের উপস্থিতিতে বিজেপি আশ্রিত হামলাকারীদের নামের তালিকা সাংবাদিকদের হাতে তুলে দেওয়া হয়। পঞ্চালি সরকার জানান, পরিস্থিতি এমন যে বিজেপি সমর্থকদের বাড়িতে গিয়েও হুমকি দেওয়া হচ্ছে। হামলাকারী ৯ জনের নামের তালিকা রাজ্য নির্বাচন কমিশনের কাছে জমা দেওয়া হয়েছে।

এদিকে আগরতলার বিভিন্ন ওয়েব সংবাদ মাধ্যমে প্রকাশিত হয়েছে হামলাকারীদের ছবি। অভিযোগ, সব জেনেও নির্বাচন কমিশন নীরব। ভোটের দিন সকাল থেকে তীব্র আতঙ্কের পরিবেশ তৈরি হবে বলেই আশঙ্কা। পরিস্থিতি দেখে পুর নিগমের ৫১টি ওয়ার্ডের সব বুথকে স্পর্শকাতর বলে চিহ্নিত করেছে নির্বাচন কমিশন।

(ছবি সৌজন্য আগরতলার সংবাদ মাধ্যম)

Tripura: পুর নির্বাচনের পরেই BJP তে বড় ধসের ইঙ্গিত, সুদীপ সমীকরণে চাঞ্চল্য

Sudip Roy Barman

News Desk: সাংবাদিক বৈঠকে যেভাবে দল ও মুখ্যমন্ত্রীকে নিশানা করে বিস্ফোরক মন্তব্য করেছেন প্রাক্তন স্বাস্থ্যমন্ত্রী সুদীপ রায় বর্মণ, তাতে ত্রিপুরা বিজেপি ক্ষুব্ধ। শাসক দলের তরফে জানানো হয়েছে ভোট মিটলেই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। এর পরেই প্রশ্ন সুদীপবাবু কি ফের তৃণমূল কংগ্রেসে যোগ দিতে চলেছেন?

ত্রিপুরায় টিএমসির দায়িত্বপ্রাপ্ত নেত্রী সাংসদ সুস্মিতা দেব জানিয়েছেন, সুদীপ দা গুরুত্বপূর্ণ নেতা। তাঁর মন্তব্যে শোরগোল পড়েছে। যদিও আগরতলা থেকে কলকাতা ফিরে তিনি এই বিষয়ে নীরব। তবে জানিয়েছেন, পুর নির্বাচনের দিন সন্ত্রাসের আশঙ্কা প্রবল।

এদিকে প্রাক্তন স্বাস্থ্যমন্ত্রী ও বর্তমান হেভিওয়েট বিজেপি নেতা সুদীপ রায় বর্মণের দাবি, তিনি দলের ভাবমূর্তি কালিমালিপ্ত করার ষড়যন্ত্র রুখতে চান। নাম না করে মুখ্যমন্ত্রী বিপ্লব দেবকে কটাক্ষ করে বলেন, রাজ্যে পুর ও নগর পঞ্চায়েত ভোটে যে হুলিগান তাণ্ডব চলছে তাতে সরকারের কী বক্তব্য? কোথায় রাজ্যের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ? তাৎপর্যপূর্ণ মুখ্যমন্ত্রীর হাতেই রাজ্যের স্বরাষ্ট্র দফতর ও পুলিশ বিভাগ।

পুর ভোটের দিন রাস্তায় নেমে তাণ্ডবলীলা রুখবেন বলে জানিয়েছেন সুদীপবাবু। আর রাজ্য বিজেপির তরফে জানানো হয়, ভোটের দিন দলীয় কর্মীরা রাস্তায় থাকবেন। সুদীপবাবু যখন নিজেকে বিজেপির কার্যকর্তা বলে দাবি করেছেন তিনিও থাকবেন। তবে তাঁর মন্তব্য নিয়ে ভোটের পরেই সিদ্ধান্ত নেবে দল।

সুদীপবাবু কি টিএমসিতে আসছেন ? আগরতলা থেকে কলকাতা পর্যন্ত এই প্রশ্ন। সূত্রের খবর, বিপ্লব দেব বিরোধী বিধায়কদের নিয়েই দলত্যাগের জন্য প্রস্তুতি নিতে শুরু করেছেন সুদীপ রায় বর্মণ। তবে তিনি পুর ভোট পর্যবেক্ষণ করেই সিদ্ধান্তে নেবেন।

পুর নির্বাচনে সন্ত্রাস উপেক্ষা করে আগরতলাবাসীকে ভালো কিছুর জন্য ভোট দিতে আহ্বান জানান সুদীপবাবু। এই মন্তব্য ঘিরেই রাজনৈতিক জল্পনা তুঙ্গে। তিনি বলেন, আগে উৎসবের মেজাজে রাজ্যে ভোট হত। তিনি আরও বলেন, রাজ্যে আগামী দিনে বিজেপির ভয়ঙ্কর অবস্থা হতে চলেছে।

সুদীপবাবুর এই উৎসবের মেজাজে ভোটের কথা বিরোধী দল সিপিআইএম লুফে নিয়েছে। বাম মহলের দাবি, ত্রিপুরায় টানা ২৫ বছর বামফ্রন্ট সরকারের আমলে নির্বিঘ্নে ভোট হতো তা স্বীকার করেছেন সুদীপবাবু।

ত্রিপুরার প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী সমীর রঞ্জন বর্মণের পুত্র সুদীপ রায়বর্মণ। তিনি দীর্ঘ সময় কংগ্রেসের বিধায়ক। টানা বাম আমলে দাপুটে কংগ্রেস নেতা। তবে গত বিধানসভা ভোটের আগে সুদীপবাবু সহ ততকালীন বিরোধী দল কংগ্রেসের বিধায়করা টিএমসিতে যোগ দেন। রাজ্যে টিএমসি হয়েছিল ক্ষনিকের জন্য বিরোধী দল। এরপর বিধানসভা ভোটের আগে সুদীপবাবু সহ সেই বিধায়করা বিজেপিতে চলে যান। বিরোধী দল থেকে পরিবর্তনের ভোটে ত্রিপুরায় সরকার গড়ে বিজেপি। আর সিপিআইএম হয় প্রধান বিরোধী দল।

রাজ্যে বিজেপি আইপিএফটি জোট সরকারের আমলে স্বাস্থ্যমন্ত্রী হন সুদীপবাবু। তবে মুখ্যমন্ত্রী বিপ্লব দেবের বিভিন্ন পদক্ষেপ নিয়ে বিধানসভা ও বাইরে সরব ছিলেন তিনি। তাঁকে মন্ত্রিসভা থেকে সরিয়ে দেন মুখ্যমন্ত্রী।

Tripura: ‘মানসিক বিকারগ্রস্ত’ নেতা বিজেপির কবর খুঁড়ছে: সুদীপ বর্মণ

Sudip Roy Barman

News Desk: পুর নির্বাচনে লাগাতার সন্ত্রাসের প্রতিবাদে ভালো কিছুর জন্য ভোট দিতে আবেদন করলেন ত্রিপুরার (Tripura) প্রাক্তন স্বাস্থ্যমন্ত্রী সুদীপ রায়বর্মণ। তাঁর আবেদন, বিজেপির তকমাধারী হামলাকারীদের প্রতিহত করে ভোট দিন। তিনি বলেন, আগে রাজ্যে উৎসবের আবহে ভোট হতো।

বিজেপি বিধায়ক সুদীপ রায়বর্মণ সরাসরি তাঁর দলের উর্ধ্বতন কিছু নেতার কড়া সমালোচনা করেছেন। ইঙ্গিতে তিনি বলেন, এমন এক নেতা আছেন যাঁর ত্রিপুরা সম্পর্কে কোনও অভিজ্ঞতা নেই। শিশুসুলভ আচরণ করছেন তিনি। সুদীপবাবু নাম না করে মুখ্যমন্ত্রী বিপ্লব দেবের কড়া সমালোচনা করেছেন বলেই মনে করা হচ্ছে। কারণ মুখ্যমন্ত্রী হওয়ার আগে দীর্ঘসময় ত্রিপুরা থেকে দূরেই ছিলেন বিপ্লব দেব।

আগরতলা পুরনিগম ভোট ও নগর পঞ্চায়েত ভোটে লাগামছাড়া সন্ত্রাসের পরপর ঘটনায় সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ কোনও কাজেই আসেনি। অভিযোগ, শাসক বিজেপি আশ্রিত হামলাকারীরা বিরোধী সিপিআইএম, টিএমসি ও কংগ্রেস প্রার্থী, সমর্থকদের রুখতে মরিয়া। বিরোধীরা সরব নির্বাচনী সন্ত্রাস নিয়ে।

tripura

ভোট সন্ত্রাস নিয়ে সুদীপ রায় বর্মণ সরব। তিনি বলেন, রাজ্যে এমন এক নেতা আছেন যিনি বিজেপির কবর খুঁড়ছেন নিজেই। উড়ে এসে জুড়ে বসা এই নেতা বাম আমলের ‘হুলিগান’দের ব্যবহার করে ভোটে জিততে মরিয়া। এতে ক্ষতি হচ্ছে প্রধানমন্ত্রীর ভাবমূর্তি ও বিজেপিরই। আগামী দিন দলের পক্ষে ভয়ঙ্কর এই রাজ্যে।

সাংবাদিক বৈঠকে সুদীপবাবুর অভিযোগ, পুলিশ প্রশাসন ইচ্ছাকৃত নীরব ভূমিকা নিচ্ছে। তারা চাইছে এই রাজ্যে আবার বাম শাসন। যে টানা ২৫ বছর সিপিআইএমের শাসন চলেছিল, তাকে সরিয়েই বিজেপি সরকার গড়েছে উন্নত পরিষেবা দিতে। তবে কিছু নেতার ভূমিকা বামেদের পথ প্রসস্ত করছে।

আগরতলা পুর নিগম নির্বাচনের আগেই সুদীপ রায় বর্মণের কড়া আক্রমণে ত্রিপুরা রাজ্য বিজেপিতে প্রবল শোরগোল। মনে করা হচ্ছে ফের তৃণমূল কংগ্রেসে ফিরতে চলেছেন সুদীপবাবু।

সুদীপবাবুর সাংবাদিক বৈঠকের পরেই টিএমসি সাংসদ ও ত্রিপুরার দায়িত্বে থাকা সুস্মিতা দেব বলেন, সুদীপ দা একজন দায়িত্বপূর্ণ, গুরুত্বপূর্ণ নেতা। একধাপ এগিয়ে পশ্চিমবঙ্গের মন্ত্রী ব্রাত্য বসু বলেন, সাহস থাকলে সুদীপবাবুকে বহিষ্কার করুক বিজেপি।

ত্রিপুরার প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী সমীর রঞ্জন বর্মণের পুত্র সুদীপ রায়বর্মণ। তিনি দীর্ঘ সময় কংগ্রেসের বিধায়ক। টানা বাম আমলে দাপুটে কংগ্রেস নেতা। তবে গত বিধানসভা ভোটের আগে সুদীপবাবু সহ ততকালীন বিরোধী দল কংগ্রেসের বিধায়করা টিএমসিতে যোগ দেন। রাজ্যে টিএমসি হয়েছিল ক্ষনিকের জন্য বিরোধী দল। এরপর বিধানসভা ভোটের আগে সুদীপবাবু সহ সেই বিধায়করা বিজেপিতে চলে যান। বিরোধী দল থেকে পরিবর্তনের ভোটে ত্রিপুরায় সরকার গড়ে বিজেপি। আর সিপিআইএম হয় প্রধান বিরোধী দল।

রাজ্যে বিজেপি আইপিএফটি জোট সরকারের আমলে স্বাস্থ্যমন্ত্রী হন সুদীপবাবু। তবে মুখ্যমন্ত্রী বিপ্লব দেবের বিভিন্ন পদক্ষেপ নিয়ে বিধানসভা ও বাইরে সরব ছিলেন তিনি। তাঁকে মন্ত্রিসভা থেকে সরিয়ে দেন মুখ্যমন্ত্রী।

Tripura: TMC প্রার্থীর বাড়ি লক্ষ্য করে গুলি, অভিযোগ অস্বীকার করল BJP

tripura-tmc

News Desk: সর্বোচ্চ আদালতের নির্দেশ ও কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহর আশ্বাসের পরেও পরিস্থিতি গরম। পুরভোটের সময় যত এগিয়ে আসছে ততই রাজনৈতিক হামলা হচ্ছে।

সোমবার রাতে আগরতলা পুরনিগমের ১ নম্বর ওয়ার্ডের তৃণমূল কংগ্রেস (TMC) প্রার্থী গৌরী মজুমদারের বাড়ি লক্ষ্য করে গুলি চালায় দুষ্কৃতীরা। অভিযোগ তারা বিজেপির সমর্থক। তবে অভিযোগ অস্বীকার করছে শাসক দল বিজেপি।

পড়ুন: Tripura: শিক্ষামন্ত্রীর শরীর BJP-র সঙ্গে, মন উড়ুউড়ু, বিস্ফোরক ইঙ্গিত CPIM রাজ্য সম্পাদকের

তৃণমূল কংগ্রেস প্রার্থী অভিযোগ জানালে পুলিশ তদন্ত শুরু করে। ঘটনাস্থল থেকে উদ্ধার হয়েছে গুলির খোল। প্রার্থী গৌরী মজুমদারের অভিযোগ, স্থানীয় বিজেপি নেতা রঞ্জিত মজুমদারের নেতৃত্বে হামলা হয়েছে। সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ সত্ত্বেও বিরোধীদের কোনওরকম নিরাপত্তা দিচ্ছে না রাজ্যের বিপ্লব দেব সরকার। আরও অভিযোগ, শুধু গুলি চালানোই নয়, বিজেপি আশ্রিত দুষ্কৃতীরা রীতিমতো হুমকিও দিয়েছে।

অন্যদিকে বিজেপি নেতা তাঁর বিরুদ্ধে ওঠা সব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। রঞ্জিতের পাল্টা অভিযোগ, পরাজয় নিশ্চিত বুঝেই তৃণমূল প্রার্থী নাটক করছেন। মিথ্যা অভিযোগ করছেন।

tripura-tmc

উল্লেখ্য, সোমবার ত্রিপুরা ছাড়ার আগে টিএমসি সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় স্পষ্ট বলেছেন, ত্রিপুরায় জঙ্গল রাজ চলছে। এখানে পুলিশ, সাংবাদিক, আইনজীবী, বিরোধীদলের নেতা কেউই বিপ্লব দেবের হাত থেকে রেহাই পাচ্ছে না।

ত্রিপুরার রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে সুপ্রিম কোর্টে আবেদন করেছিল তৃণমূল কংগ্রেস। মঙ্গলবার সেই মামলার শুনানিতে ত্রিপুরার বিপ্লব দেব সরকারকে কড়া ভর্ৎসনা করে শীর্ষ আদালত। শীর্ষ আদালতের বিচারপতি ডি ওয়াই চন্দ্রচূড় জানতে চান, রাজ্যের পুরভোট অবাধ, নিরপেক্ষ ও শান্তিপূর্ণ করতে সরকার কী ব্যবস্থা নিয়েছে।

শীর্ষ আদালতে তৃণমূল তার আবেদনে বলেছে, ত্রিপুরার আইনশৃঙ্খলা ব্যবস্থা সম্পূর্ণ ভেঙে পড়েছে। সেখানে নির্বাচন হওয়ার মতো পরিস্থিতি নেই। তাই অবিলম্বে পুরভোট স্থগিত রাখা হোক। অন্যদিকে ত্রিপুরা সরকারের আইনজীবী শীর্ষ আদালতে বলেন, রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত হয়ে এই মামলা দায়ের করা হয়েছে। প্রচারে শেষ দিনে হঠাৎই কয়েকটি হিংসাত্মক ঘটনার কথা উল্লেখ করে তৃণমূল মামলা করেছে। অথচ তাদের প্রতিটি অভিযোগের তদন্ত করছে পুলিশ।

ত্রিপুরা সরকারের ওই বক্তব্যের প্রেক্ষিতে বিচারপতি চন্দ্রচূড়ের নেতৃত্বাধীন বেঞ্চ তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করে।
আদালত জানতে চায়, ত্রিপুরার নিরাপত্তা ব্যবস্থা কার হাতে? রাজ্যের পুর নির্বাচন স্বচ্ছ, অবাধ ও নিরপেক্ষ করতে সরকার কী কী ব্যবস্থা নিয়েছে। ভোট অবাধ, সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ হবে এই ব্যাপারে ত্রিপুরা সরকার কি কোনও নিশ্চয়তা দিতে পারবে? ভোট গ্রহণ বা ভোট গণনার দিন রাজ্যে কোথাও কোনও অশান্তি হবে না সে ব্যাপারে কি কোনও নিশ্চয়তা দিতে পারবে সরকার? আদালতের এ ধরনের একের পর এক কড়া কড়া প্রশ্নের উত্তরে ত্রিপুরা সরকার জানায়, তারা নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ করতে সব ধরনের ব্যবস্থা নিয়েছে।

Tripura: শিক্ষামন্ত্রীর শরীর BJP-র সঙ্গে, মন উড়ুউড়ু, বিস্ফোরক ইঙ্গিত CPIM রাজ্য সম্পাদকের

Ratanlal Nath

News Desk: পুর ও নগর পঞ্চায়েত ভোটের ৪৮ ঘণ্টা আগে শাসক দল বিজেপির অন্যতম নেতা ও ত্রিপুরার শিক্ষামন্ত্রী রতনলাল নাথের দলত্যাগ ইঙ্গিত বিরোধী দল সিপিআইএমের রাজ্য সম্পাদক জীতেন্দ্র চৌধুরীর।

প্রধান বিরোধী দলের রাজ্য সম্পাদকের দাবি, রতনলাল নাথের কথা শুনে রাজ্যের ঘোড়াগুলো হাসবে। রতনবাবুর শরীর এখন বিজেপির সঙ্গেআছে কিন্তু মন এখন কোনখানে আছে কেউ জানে না। সিপিআইএম রাজ্য সম্পাদকের ইঙ্গিতে ত্রিপুরা জুড়ে শোরগোল পড়েছে।

ত্রিপুরার শিক্ষামন্ত্রী রতনলাল নাথ বকলমে বিপ্লব দেব মন্ত্রিসভার দ্বিতীয় গুরুত্বপূর্ণ মুখ। সরকারের হয়ে যাবতীয় বিষয়ে সাংবাদিক সম্মেলন তিনিই করেন। পূর্বতন কংগ্রেস নেতা তিনি। গত বিধানসভা ভোটের আগে বিজেপিতে যোগ দেন রতনবাবু।

শিক্ষামন্ত্রীর দলত্যাগ স্বভাবকে খোঁচা দিয়েছেন বিরোধী দলের রাজ্য সম্পাদক। সোশ্যাল সাইটে জীতেন্দ্র চৌধুরীর বক্তব্যের জেরে শাসক দল বিজেপির অভ্যন্তরে শোরগোল যেমন তেমনই তৃণমূল কংগ্রেসের মধ্যেও চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে।

Tripura CPI(M) Leader Jitendra Choudhury
সিপিআইএমের রাজ্য সম্পাদক জীতেন্দ্র চৌধুরী

ত্রিপুরায় দলীয় প্রচারে এসে তৃণমূল কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় আগেই দাবি করেছিলেন, মুখ্যমন্ত্রীর আশেপাশে যারা ঘোরেন তাদের সবাই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে আসতে তৈরি। ইচ্ছে করলে সরকার ফেলে দিতে পারি। কিন্তু নির্বাচিত সরকার পূর্ণ মেয়াদ থাকুক এটাই চাই।

ত্রিপুরার শিক্ষামন্ত্রী রতনলাল নাথের বিরুদ্ধে রাজ্যের কর্মচ্যুত ১০৩২৩ জন শিক্ষক শিক্ষিকার যৌথ আন্দোলন মঞ্চ ক্ষুব্ধ। তাঁদের অভিযোগ, শিক্ষামন্ত্রী বারবার ধাপ্পা দিয়ে চলেছেন। কোনও চাকরির ব্যবস্থা হয়নি। মুখ্যমন্ত্রী বিপ্লব দেবও কিছুই করতে পারেননা বলেই অভিযোগ। ইতিমধ্যেই রাজ্যে কর্মচ্যুত শতাধিক শিক্ষক শিক্ষিকা মারা গিয়েছেন।

ত্রিপুরায় হিংসা বন্ধ হবে, অমিত শাহর মন্তব্যে অস্বস্তিতে বিপ্লব দেব

amit-mamata

News Desk: দলের যুবনেত্রী সায়নী ঘোষকে গ্রেফতার পরে জামিন দেওয়া ও রাজনৈতিক হামলার প্রতিবাদে সোমবার সকাল থেকেই আগরতলা ও দিল্লি সরগরম। টিএমসি সাংসদদের লাগাতার চাপের মুখে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ বলেছেন, ত্রিপুরায় হিংসা বন্ধ হবে।

পুরো বিষয়টিকে রাজনৈতিক চাপের মুখে অমিত শাহর মাথা ঝুঁকিয়ে নেওয়া বলেই ধরে নিচ্ছে তৃণমূল কংগ্রেস। আর কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর মন্তব্যের পর অস্বস্তিতে ত্রিপুরার মুখ্যমন্ত্রী বিপ্লব দেব। পরপর রাজনৈতিক হামলায় সন্ত্রস্ত ত্রিপুরা। বিরোধী দল সিপিআইএমের কটাক্ষ, তৃণমূল ও বিজেপি কাউকেই বিশ্বাস নেই।

ত্রিপুরায় হিংসা বন্ধের জন্য অমিত শাহ সে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী বিপ্লব দেবের সঙ্গে কথা বলবেন বলে জানান। সোমবার সন্ধ্যায় অমিত শাহর বাসভবন থেকে বেরিয়ে এসে এই কথা জানিয়েছেন তৃণমূল কংগ্রেস সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়।

রবিবার ত্রিপুরায় গ্রেফতার হয়েছিলেন তৃণমূলের যুবনেত্রী সায়নী ঘোষ। রবিবার থেকেই শাহর সঙ্গে দেখা করার চেষ্টা চালাচ্ছিলেন তৃণমূল কংগ্রেস নেতৃত্ব। কিন্তু শাহ তৃণমূল সাংসদের সঙ্গে দেখা করতে রাজি হননি। সোমবার সকাল থেকেই নর্থ ব্লকে ধরনায় বসেন তৃণমূল সাংসদরা। তাঁদের দাবি ছিল, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে তাঁদের সঙ্গে দেখা করতে হবে। প্রথম দিকে শাহ কোনওভাবেই তৃণমূল নেতৃত্বকে সময় দিতে চাননি। কিন্তু একটানা ধরনা চলার পর চাপের মুখে তিনি দেখা করেন।

আধ ঘণ্টার বৈঠক শেষে শাহর বাসভবন থেকে বেরিয়ে এসে সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, ত্রিপুরায় অবিলম্বে হিংসা ও অশান্তি বন্ধের আশ্বাস দিয়েছেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। তিনি বলেছেন, ত্রিপুরার মুখ্যমন্ত্রী বিপ্লব দেবের সঙ্গে আগেও কথা বলেছেন প্রয়োজনে আবারও তিনি বিষয়টি নিয়ে কথা বলবেন। তবে এই আশ্বাস কতটা বাস্তবায়িত হল সেটা সময়ই জানিয়ে দেবে।

কল্যাণের সুরে সুর মিলিয়ে একই কথা বলেছেন দলের প্রবীণ সাংসদ সৌগত রায়। তিনি বলেছেন, ত্রিপুরায় অবিলম্বে হিংসা বন্ধের আশ্বাস দিয়েছেন শাহ। তবে শাহর এই আশ্বাস কতটা বাস্তবায়িত হল সেদিকে তাঁরা কড়া নজর রাখবেন।

Tripura: ‘পশ্চিমবঙ্গে TMC সন্ত্রাসের ছবি ত্রিপুরায় দেখাচ্ছে BJP’

tripura

News Desk: পশ্চিমবঙ্গে যেমন তৃণমূল কংগ্রেস সন্ত্রাস চালাচ্ছে, তেমনই ত্রিপুরায় বিজেপি একই পথ নিয়েছে। ত্রিপুরায় পুর ও নগর পঞ্চায়েত ভোটের আবহে রবিবার দিনভর রাজনৈতিক হামলার প্রেক্ষিতে এমনই অভিযোগ করলেন সিপিআইএম নেতা ও প্রাক্তন বিধায়ক সুজন চক্রবর্তী।

সুজনবাবুর আরও অভিযোগ দুই রাজ্যের দুই শাসক দলের বিরুদ্ধেই। তিনি বলেন, ত্রিপুরায় সিপিআইএম প্রধান বিরোধী দল। কেন তাদের উপর হামলার সংবাদ চেপে যাচ্ছে কলকাতার সংবাদ মাধ্যম।

tripura

ত্রিপুরায় আইন শৃঙ্খলা শিকেয় উঠেছে এমনই অভিযোগ করে বিবৃতি দিল বিরোধী দল সিপিআইএম। এই বিবৃতিতে তৃণমূল যুবনেত্রী সায়নী ঘোষকে খুনের চেষ্টার অভিযোগে থানায় জেরা করার সময় হামলার কড়া নিন্দা জানানো হয়েছে।

বিবৃতি দিয়ে পুলিশের নিষ্ক্রিয়তার নিন্দা করেছে সিপিআইএম ত্রিপুরা রাজ্য কমিটি। বিরোধী দলনেতা ও প্রাক্তন মু়খ্যমন্ত্রী মানিক সরকার নির্বাচনী জনসভায় বিজেপি সরকারের কড়া সমালোচনা করেন। তিনি বলেছেন সরকার জনসমর্থন হারিয়ে হিংসার পথ নিয়েছে। আগামী বিধানসভা ভোটে পরাজয় নিশ্চিত।

দিনভর পূর্ব আগরতলা থানায় দফায় দফায় হামলা চালানো হয়। টিএমসি নেতারা থানাতেই আক্রান্ত হন। সাংবাদিকরা আক্রান্ত হন। অভিযোগ পুলিশের সামনেই হামলা চালায় বিজেপি আশ্রিত দুষ্কৃতিরা। তবে পুলিশ বলছে ‘কিছু জানি না’। এমনকি রাজ্য পুলিশের কর্তারা পর্যন্ত নীরব।

ত্রিপুরা প্রদেশ কংগ্রেসের তরফেও শাসক বিজেপি কড়া নিন্দা করা হয়েছে। দলীয় প্রার্থীরা আক্রান্ত হচ্ছেন বলেই অভিযোগ।

খুনের চেষ্টার অভিযোগে তৃণমূল যুব কংগ্রেস নেত্রী সায়নী ঘোষকে গ্রেফতার করার পর থেকে ত্রিপুরার ভোট উত্তাপ পশ্চিমবঙ্গে ছড়াতে শুরু করে। পরপর অভিযোগে বিদ্ধ হয়েও শাসক বিজেপি নীরব। তবে প্রতিক্রিয়া দিয়েছেন বিজেপি পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার। তিনি বলেন, সায়নী ঘোষ ত্রিপুরায় হাওয়া গরম করতে গেছেন।

WB politics : বাম জমানায় হতেন ‘গোঁজ প্রার্থী’, তথাগতর ‘গোঁজামিল টুইটে’ BJP ত্যাগ গুঞ্জন

Tathagata Roy

News Desk: তখন বিজেপির অস্তিত্ব ছিল টিম টিম করে, বিধানসভায় শূন্য। ঠিক এখন যেমন বামেদের হাল। তবে দীর্ঘ বাম জমানায় রাজ্য বিজেপির যে কয়েকজন প্রার্থী হয়ে জামানত খোয়াতেন তাদের মধ্যে তারকা নাম অবশ্যই তথাগত রায়

অভিযোগ ছিল, তিনি ‘গোঁজ প্রার্থী’ হতেই ভোটে নামতেন। এহেন তথাগতবাবুর একটি বিস্ফোরক টুইটে বিজেপি বিড়ম্বিত। তবে বঙ্গ বিজেপিতে ইতিমধ্যেই গুঞ্জন গোঁজ প্রার্থী হওয়ার অভ্যাসে গোঁজামিল দেওয়া টুইট বার্তা দিয়েছেন তথাগত রায়।

শনিবার তথাগতবাবু টু়ইটে ঘোষণা করেন ‘আপাতত বিদায় পশ্চিমবঙ্গ বিজেপি’। দল ও রাজনৈতিক মহলে গুঞ্জন ছড়ায় দলত্যাগ করতে চলেছেন প্রবীণ বিজেপি নেতা। তবে তথাগতবাবু লিখেছেন, ‘আপাতত’। এই শব্দ নিয়েই দলেরই অভ্যন্তরে গুঞ্জন তিনি পথ খোলা রেখেছেন।

Tathagata Roy

তথাগতবাবুর টুইট এক অর্থে ‘গোঁজামিল’, এতে রহস্য আছে বলেই কিছু নেতার ধারণা। গত উপনির্বাচনগুলিতে পরপর বিজেপির জামানত বাজেয়াপ্ত হওয়ার জেরে তথাগত রায়ের টুইট হামলায় বঙ্গ ও কেন্দ্র বিজেপি নাজেহাল হচ্ছিল। একপ্রকার যুদ্ধ ঘোষণা করেছিলেন প্রাক্তন রাজ্যপাল ও বিজেপি নেতা।

বিতর্কিত সেই প্রসঙ্গগুলি টেনে এনে টুইটে তথাগত রায় লিখেছেন, ‘কারুর কাছ থেকে বাহবা পাবার জন্য আমি টুইটগুলো করছিলাম না। দলের কিছু নেতৃস্থানীয় লোক যেভাবে কামিনী-কাঞ্চনে গা ভাসিয়েছিলেন সেটা সম্বন্ধে দলকে সজাগ করার জন্য করছিলাম। এবার ফলেন পরিচীয়তে। পুরভোটের ফলের জন্য প্রতীক্ষায় থাকব। আপাতত বিদায়, পশ্চিমবঙ্গ বিজেপি !”

বিধানসভা উপনির্বাচনে বিরোধী দল বিজেপির বিরাট পরাজয়ের পর টুইট করে নেতাদের কড়া ভাষায় আক্রমণ করেছিলেন তথাগত রায়। তিনি লিখেছিলেন, “৩ থেকে ৭৭ (এখন ৭০) গোছের আবোলতাবোল বুলিতে পার্টি পিছোবে, এগোবে না। অর্থ এবং নারীর চক্র থেকে দলকে টেনে বার করা অত্যাবশ্যক।” তাঁর টুইটের প্রতিবাদ জানিয়েছিল বিজেপি।

মোদীর ভাষণ নয়, সংসদে কৃষি আইন প্রত্যাহারের অপেক্ষায়: সংযুক্ত কিষাণ মোর্চা

Rakesh Tikait

News Desk: কৃষি আইন প্রত্যাহার ঘোষণা করেছেন প্রধানমন্ত্রী। তবে এর পরই প্রশ্ন তুলছে বিভিন্ন সর্বভারতীয় কৃষক সংগঠন। কৃষক আন্দোলনের যৌথ মঞ্চ সংযুক্ত কিষাণ মোর্চা প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানাল, প্রধানমন্ত্রীর অবস্থানকে স্বাগত। তবে মুখের ঘোষণা নয়, আইন বাস্তবে প্রত্যাহার করে দেখাক সরকার।

কৃষক আন্দোলনের অন্যতম নেতা ভারতীয় কিষাণ ইউনিয়নের নেতা রাকেশ টিকায়েত ও সারা ভারত কৃষকসভার সাধারণ সম্পাদক হান্নান মোল্লা সরকারের অবস্থানকে স্বাগত জানান।

উলুবেড়িয়ার প্রাক্তন সিপিআইএম সাংসদ হান্নান মোল্লা আগেই দাবি করেছেন, আসন্ন সংসদ অধিবেশনের সময় দিল্লি ঘিরে শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভ হবে। সরকারকে বিতর্কিত কৃষি আইন প্রত্যাহারে বাধ্য করা হবে। তাঁর ঘোষণার পরেই আন্দোলনকারী কৃষকদের মধ্যে নতুন করে জোশ ছড়ায়।

Farmers to hold rail roko on Oct 18

শুক্রবার গুরুপূর্ণিমা উপলক্ষ্যে প্রধানমন্ত্রী তাঁর ভাষণে শিখ ধর্মাবলম্বীদের শুভেচ্ছা জানান। তিনি এই ভাষণেই বলেন, দেশবাসীর কাছে ক্ষমা চাইছি। কৃষি আইন প্রত্যাহার করা হবে।

মোদীর ভাষণে তুমুল আলোড়ন ছড়ায় হরিয়ানা, দিল্লি, উত্তর প্রদেশ, রাজস্থান, পাঞ্জাব, হিমাচল প্রদেশে। মূলত দেশের এই উত্তর পশ্চিমাঞ্চলের কৃষকদের নিয়েই কৃষি আইন বাতিলের দাবিতে আন্দোলন চলেছে। সংযুক্ত কিষাণ মোর্চার অভিযোগ, নতুন তিনটি কৃষি আইনের মাধ্যমে সরকার দেশের কৃষি ব্যবস্থাকেই বেসরকারি হাতে তুলে দিতে চাইছে।

প্রবল আন্দোলন, দিল্লি অভিযান, লালকেল্লায় বিশৃঙ্খল পরিস্থিতি ঘিরে বিতর্কিত পরিস্থিতি হয়েছে বারবার। কৃষকদের আন্দোলনকে খালিস্তানি জঙ্গিদের মদত দেওয়ার অভিযোগ তুলেছে বিজেপির বহু নেতা, সংঘ পরিবার সংশ্লিষ্ট হিন্দুত্ববাদী সংগঠনগুলির অনেকেই। কৃষক নেতারা বলেছেন, সরকারকেই আইন প্রত্যাহার করতে হবে।

অবশেষে আইন প্রত্যাহারের কথা জানালেন মোদী। তবে সংসদে আইন প্রত্যাহার না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চলবে বলেই জানাচ্ছে কিষাণ মোর্চা।

Farm Laws Withdrawn: ঝুঁকলেন মোদী, ভোট বুঝে ক্ষমা চেয়ে ‘কৃষি আইন প্রত্যাহার’

modi farm laws withdrawal announcement
  1. News Desk: প্রবল কৃষক আন্দোলনের চাপে বিতর্কিত তিনটি কৃষি আইন প্রত্যাহারের কথা ঘোষণা করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। সংসদে বিপুল শক্তি নিয়ে আইন বাতিল হবে না বলে যে দাবি করেছিল বিজেপি তার থেকে ১৮০ ডিগ্রি ঘুরে গিয়ে প্রধানমন্ত্রীর ঘোষণা শুধু দেশ না বিদেশে আলোড়ন ফেলেছে।

farmers

<

p style=”text-align: justify;”>তিনি বলেন, ‘আমি দেশবাসীর কাছে ক্ষমা চাইছি। আমি বলতে চাই যে হয়ত আমাদের তপস্যাতেই খামতি ছিল। তাই কৃষি আইন প্রত্যাহার করা হচ্ছে। এই মাসে শুরু হতে চলা সংসদ অধিবেশনে এই কৃষি আইন প্রত্যাহার করব। আমি সবাইকে অনুরোধ করব, আন্দোলন ছেড়ে একটি নয়া সূচনা করি। শীঘ্রই আইন প্রত্যাহারের সাংবিধানিক প্রক্রিয়া পূর্ণ করে দেব। এবার আপনারা সকলে খেতে ফিরে যান, পরিবারের মধ্যে ফিরে যান।’

আসন্ন পাঞ্জাব ও উত্তর প্রদেশ নির্বাচনের আগে মোদী এই ঘোষণা করলেন। পাঞ্জাবে প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী ক্যাপ্টেন অমরিন্দর সিংয়ের সঙ্গে বিজেপির নির্বাচনী জোট গড়ার ক্ষেত্রে এই পদক্ষেপ বড় হতে চলেছে বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল।

উত্তর প্রদেশেও ভোটে কৃষক বিক্ষোভ বিরাট প্রভাব ফেলছে বলেই জনমত সমীক্ষা বলছে। তবে এই রাজ্যে ভোট কাটাকুটির লড়াইতে বিজেপির ক্ষমতায় আসার ইঙ্গিত এসেছে জনমত সমীক্ষায়।

প্রধানমন্ত্রী দেশের কৃষকদের জন্য তাঁর সরকারের ভূমিকা বলেন। তিনি বলেন, ‘দেশের ১০০ জনের মধ্যে ৮০ জন ছোট কৃষক। তাদের জমির পরিমাণ ২ হেক্টরের কম। তাদের জীবনের আধার এই ছোট জমি। প্রায় ১০ কোটি এমন ছোট কৃষক আছে। এই ছোট জমিতেই তারা নিজেদের পরিবারের মুখে খাবার তুলে দেওয়ার জন্য কাজ করছে। তাই বীজ, বীমা, বাজার আর সেভিংসের ক্ষেত্রে কাজ করেছি। আমরা ফসল বীমা যোজনাকে আরও কার্যকরী করেছি। আরও বেশি সংখ্য কৃষককে এর অধীনে নিয়ে এসেছি। বৈজ্ঞানিক পদ্ধতিতে কিষাণ সয়েল হেলথ কার্ড দিয়েছি। এতে ফলন বেড়েছে। ছোট কৃষকদের ১ লক্ষ ৬২ হাজার কোটি টাকা দিয়েছি। কৃষকদের কষ্ট যাতে সঠিক দাম পায়, সেই কাজ করেছে সরকার। গ্রামীণ বাজারকে শক্তিশালী করেছি। আমরা এমএসপি বাড়িয়েছি। পাশাপাশি সরকার রেকর্ড পরিবার ফসল কিনেছে।’

Tripura: পুর নির্বাচনে ‘সন্ত্রাস’, প্রাক্তন বাম বিধায়ক আক্রান্ত, জখম TMC প্রার্থী

tripura

News Desk: পুর ও নগর পঞ্চায়েত নির্বাচন ঘিরে রাজনৈতিক হামলা, অবরোধ সবমিলে ত্রিপুরা প্রবল সরগরম। বিরোধী সিপিআইএম, টিএমসি ও কংগ্রেসের প্রার্থীরা পরপর হামলার অভিযোগ তুলছেন। শাসক বিজেপির তরফে সব অভিযোগ উড়িয়ে দেওয়া হয়। বিজেপি দাবি করেছে তাদেরও কিছু কার্যালয়ে ভাঙচুর হয়েছে।

বৃহস্পতিবার আক্রান্ত হন রাজ্যের প্রধান বিরোধী দল সিপিআইএমের প্রাক্তন বিধায়ক সমীরণ মালাকার। তিনি নির্বাচনী প্রচারে কুমারঘাটে ছিলেন। তাঁর উপর হামলায় অভিযুক্ত বিজেপি। প্রাক্তন বিধায়কের মাথায় আঘাত আছে বলে জানান চিকিৎসকরা।

আক্রান্ত সমীরণ মালাকার উনকোটি জেলার পাবিছাড়া বিধানসভার প্রাক্তন বিধায়ক। তাঁর উপর হামলার খবর ছড়াতেই সিপিআইএম সমর্থকরা থানা ঘেরাও করেন। বিক্ষোভ থামাতে গিয়ে অসহায় অবস্থা হয় পুলিশের। তবে বিরোধী দলের অভিযোগ, সর্বক্ষেত্রে পুলিশ নীরব ভূমিকা পালন করছে।

tripura

আরও অভিযোগ, পুলিশ এক প্রকার নিষ্ক্রিয় রাজ্যে। চরম আইন শৃঙ্খলার অবনতি হয়েছে। রাজনৈতিক হামলার সঙ্গে বেড়েছে লুঠপাট ও চুরি, খুন। পরপর খুন হলেও কোনও ক্ষেত্রে পুলিশি তদন্ত আশনরুপ নয়।

এদিকে পুর ও নগর পঞ্চায়েত নির্বাচনের রাজনৈতিক সন্ত্রাসের অভিযোগ তুলেছে তৃণমূল কংগ্রেস। তাদের একাধিক নেতা ও সমর্থক আক্রান্ত। আগরতলা পুর নিগমের ভোটে ১৫ নম্বর ওয়ার্ডে টিএমসি প্রার্থী বিকাশ সরকার আক্রান্ত হন। তাকে জখম অবস্থায় হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

<

p style=”text-align: justify;”>বিজেপি ত্যাগ করে টিএমসিতে আসা প্রাক্তন বিধায়ক আশিস দাসের অভিযোগ, এই হামলায় জড়িত শাসক দল। কংগ্রেসের তরফেও নির্বাচনী সন্ত্রাসের অভিযোগ তোলা হয়েছে।

CPIM এর ‘অনিলায়ন’ ছাপিয়ে ছক্কা মমতার, TMC প্রতিষ্ঠার দিনেই পড়ুয়া দিবস

mamata banerjee

News Desk: এ যেন টেক্কা দেওয়ার খেলা। বিরাট এক ছক্কা হাঁকালেন মুখ্যমন্ত্রী। তিনি জানালেন প্রতি বছর ১ জানুয়ারি রাজ্যে পড়ুয়া দিবস পালন করা হবে। তাৎপর্যপূর্ণ, এই দিনটি শাসক দলের প্রতিষ্ঠা দিবস। কংগ্রেস ছেড়ে বেরিয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ১৯৯৮ সালের ১ জানুয়ারি তৈরি করেন তৃণমূল কংগ্রেস।

টিএমসির প্রতিষ্ঠা দিবসেই কেন পড়ুয়া দিবস পালিত হবে এই নিয়ে বিতর্ক শুরু হয়েছে।

মমতা যখন টিএমসি তৈরি করেন তারও আগে থেকে পশ্চিমবঙ্গে শাসক সিপিআইএম নেতৃত্বাধীন বামফ্রন্ট সরকার। বাম জমানায় রাজ্যে শিক্ষা ব্যবস্থার উপর ছড়ি ঘোরানোর অভিযোগ উঠেছিল সিপিআইএমের ততকালীন রাজ্য সম্পাদক অনিল বিশ্বাসের বিরুদ্ধে। ‘অনিলায়ন’ হিসেবেই কটাক্ষ করা হয়েছিল।

বামেদের শূন্য করে দিয়ে টানা তিনবারের মেয়াদে সরকার গড়া মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধেও শিক্ষা ব্যবস্থায় সরাসরি রাজনীতির অভিযোগ উঠেছে আগেই। এবার তিনি ছক্কা হাঁকালেন।

 

mamata banerjee

বুধবার উত্তর ২৪ পরগনায় প্রশাসনিক পর্যালোচনা বৈঠকে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জানান, এবার থেকে প্রতি ১ জানুয়ারি হবে রাজ্যে পড়ুয়া দিবস। বিতর্কে উঠে এসেছে, এই দিনটিতে শাসক দলের প্রতিষ্ঠা দিবস পালনের প্রসঙ্গ।

তৃণমূল কংগ্রেস দুটি বিশেষ দিন রাজনৈতিক দৃষ্টিতে পালন করে। একটি হলো দলটির প্রতিষ্ঠা দিবস ১ জানুয়ারি। অন্যটি ২১ জুলাই ‘শহিদ দিবস’। ১৯৯৩ সালের ২১ জুলাই তৎকালীন যুব কংগ্রেস নেত্রী মমতার নেতৃত্বে মহাকরণ অভিযানে বিশৃঙ্খল পরিস্থিতি তৈরি হয়েছিল। তার জেরে পুলিশ গুলি চালায়। ১৩ জনের মৃত্যু হয়। রাজ্যে তখন বাম সরকার

তাৎপর্যপূর্ণভাবে এবার থেকে ১ জানুয়ারি একসঙ্গে তৃণমূল কংগ্রেসের প্রতিষ্ঠা দিবস ও পড়ুয়া দিবস হয়ে গেল।

মুখ্যমন্ত্রী বলেন, ‘বাংলায় একটি স্টুডেন্টস ডে হওয়া উচিত। যুব দিবস যেমন করা হয়, কন্যাশ্রী দিবস করা হয়। ১৪ আগস্ট পালিত হয় খেলা দিবস। তেমনভাবে ১ জানুয়ারি রাজ্যে স্টুডেন্টস ডে পালন করা হবে’।

<

p style=”text-align: justify;”>তিনি বলেন, আগামী ২০ ডিসেম্বরের মতো সেদিনও ১০,০০০ পড়ুয়াকে স্টুডেন্ট ক্রেডিট কার্ড দেওয়ার জন্য পরিকল্পনা আছে।