SMC Election: অশোকের শিলিগুড়ি ফর্মুলা ‘ফেল’, প্রতিপক্ষ ‘শিষ্য’ শংকর-ই ভরসা বিজেপির

sankar ghosh and ashok bhattacharya

News Desk: বিধানসভার ভোটে রাজনৈতিক গুরুকে পরাজিত করেছেন। তবে সৌজন্য কমেনি। আশীর্বাদ নিয়েই বিধানসভায় গিয়েছেন শংকর ঘোষ। বাম থেকে রাম হওয়া শিলিগুড়ির (SMC Election) বিজেপি বিধায়ক শংকর ঘোষের দাবি, এই শহরের পুরভোট বলে দেবে অশোকবাবুর ফর্মুলা ফেল করেছে।

বিজেপির দাবি, পুরনিগমের লড়াইয়ে পরিষেবা প্রাধান্য পায়, রাজনৈতিক তত্ত্ব নয়। বামপন্থী ও কংগ্রেস জোটের গত কর্পোরেশন বোর্ড পরিষেবা দিতে খামতি রেখেছিল। তার ফল মিলবে পুরভোটে। বিধায়ক শংকর ঘোষের দাবি, সিপিআইএম কোনও ফ্যাক্টরই নয় ভোটে।

শিলিগুড়ি কার? বিধানসভার ভোটে বিজেপির। আর পুরনিগম ভোটে? চতুর্মুখী লড়াইয়ে ভোটকাটাকাটির ফায়দা যে তুলতে পারবে তার দিকেই। এমনই মনে করছেন বিশ্লেষকরা।

কলকাতা পুরনিগমের মতো শিলিগুড়িতেও বামফ্রন্টের সঙ্গে কংগ্রেস জোট হচ্ছে না। কংগ্রেসও প্রার্থী ঘোষণা করেছে। তবে কিছু ওয়ার্ডে সমঝোতার চেষ্টা চলছে বলে দুই শিবিরের নেতারা জানাচ্ছেন। সেক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিচ্ছেন মাটিগাড়া-নকশালবাড়ির প্রাক্তন বিধায়ক ও প্রদেশ কংগ্রেস শীর্ষ নেতা শংকর মালাকার। কংগ্রেসের অভিযোগ, বামফ্রন্ট যেভাবে জোটের কথা বলেও একতরফা প্রার্থী দিয়েছে তাতে সমঝোতার রাস্তা বন্ধ।

২০১১ সালে বাম জমামার পতনের সময় শিলিগুড়ি গিয়েছিল তৃণমূল কংগ্রেস দখলে। এর পরেই কংগ্রেস ও সিপিআইএমের জোট সূত্রে বাজিমাত করেছিলেন প্রাক্তন পুরমন্ত্রী অশোক ভট্টাচার্য। পুরনিগমের দখল নেন, বিধানসভায় জয়ী হন। ‘শিলিগুড়ি মডেল’ রাজনৈতিক মহলে তীব্র আলোচিত হয়। তবে শিলিগুড়ি বাদ দিলে এই ‘মডেল’ অন্যত্র কার্যকরী হয়নি। সর্বশেষ বিধানসভা ভোটে সংযুক্ত মোর্চা তত্ত্ব নিয়ে বামফ্রন্ট , কংগ্রেস ও আইএসএফ জোটের ভরাডুবি হয়। শিলিগুড়িতে পরাজিত হন অশোক ভট্টাচার্য।

শিলিগুড়িতে বামফ্রন্ট ও তৃণমূল কংগ্রেসের মাঝখান থেকে বাম ত্যাগী বিজেপি হওয়া শংকর ঘোষ নির্বাচিত হয়েছেন। তাঁর কাধেই শিলিগুড়ি পুরনিগমের ভোট যুদ্ধের ভার দিয়েছে রাজ্য বিজেপি। শংকর ঘোষ নিজেও প্রার্থী হয়েছেন। তিনি বলছেন, পুরনো ধারণা থেকে বের হয়ে আসতে চাইছেন এখানকার বাসিন্দারা। পুরনিগমের ফলাফল সেটাই বলে দেবে।

AMC Election: শিলিগুড়িতে ‘ঠ্যালা বুঝে’ আসানসোলে একলা চলো নীতি বামেদের

biman-basu

News Desk: জোট নয় একলাই লড়বে বামেরা। আসন্ন পুরনিগম ভোটের আসানসোল পুরনিগমে সেই ছবি দেখা গেল। ১০৬টি ওয়ার্ডের সবকটিতে বামফ্রন্ট লড়াই করছে। পশ্চিম বর্ধমান জেলা বামফ্রন্টের তরফে সিপিআইএমের প্রার্থী তালিকা প্রকাশ হলো। বাকি বাম শরিকদের জন্য নাম পরে জানানো হবে।

উত্তরবঙ্গে শিলিগুড়ি পুরনিগমের জোট জট চলছে। সেখানে বামেদের তরফে কংগ্রেসের সঙ্গে আসন সমঝোতা বলা হলেও কার্যত একতরফা প্রার্থী দিয়েছে বাম শিবির। এর পরেই কংগ্রেস বেঁকে বসেছে। এর প্রেক্ষিতে বাম-কংগ্রেস জোট নিয়ে সমর্থকদের প্রশ্নের ঠ্যালায় নেতারা  নিরাপদ পথ খুঁজছেন।

শিলিগুড়ির ঠ্যালার চোটে আসানসোলে জোট বা আসন সমঝোতার পথে গেলই না বাম শিবির। আসানসোল পুরনিগমের ভোটে বামফ্রন্ট, তৃণমূল কংগ্রেস, বিজেপি ও কংগ্রেসের চতুর্মুুুখী লড়াই হচ্ছে।

কলকাতা পুরনিগমের ভোটে তৃণমূল কংগ্রেস জয়ী হয়। তাৎপর্যপূর্ণ, বিরোধী দল বিজেপিকে টপকে বামফ্রন্ট বিরোধী হিসেবে ভোট নিরিখে উঠে এসেছে। কলকাতায় বামফ্রন্ট ও কংগ্রেসের কোনও জোট হয়নি। 

EC: রিগিং বিহীন পুরভোটের দাবি, গরম আন্দোলনে ‘শূন্য’ বামেরা চাঙ্গা হচ্ছে

News Desk: কলকাতা পুরনিগম ভোটে রিগিংয়ের অভিযোগ নিয়ে রাজনৈতিক মহল তীব্র আলোড়িত। আর কলকাতায় ভোটের নিরিখে বিরোধী তকমা পেয়ে তেড়ে ফুঁড়ে নামল বামফ্রন্ট। আসন্ন পুরনিগম ও পুরসভাগুলির ভোট নির্বিঘ্নে করানোর দাবিতে রাজ্য নির্বাচন কমিশন অভিযানে শীতের বেলায় হাওয়া গরম।

বামফ্রন্ট চেয়ারম্যান বিমান বসুর দাবি, তিনশোর বেশি কর্মী সমর্থককে আটক করেছে পুলিশ। রাজ্য নির্বাচন কমিশন তৃণমূল কংগ্রেসের গোলাম বলে কটাক্ষ করেছেন বাম নেতারা।

দুপুর থেকে রাজ্য নির্বাচন কমিশনের দফতরের সামনে উত্তেজনা চরমে ছিল। ১৪৪ ধারা জারি থাকায়, পুলিস বিক্ষোভকারীদের বাধা দেয়। পুলিসের সঙ্গে ধস্তাধস্তি বেধে যায়। বাম নেতাদের আটক করে পুলিশ।

এর রেশ ধরে বেলা গড়াতেই জেলায় জেলায় শুরু হয়েছে বামেদের বিক্ষোভ। চলেছে মিছিল। বানফ্রন্টের অভিযোগ, কলকাতা পুরনিগমের মতো ভোট লুঠ করতে তৈরি শাসক তৃণমূল কংগ্রেস। তাদের সঙ্গে হাত মিলিয়েছে বিজেপি। নির্বাচন কমিশন কেন তার ভূমিকা নেবেনা বলে প্রশ্ন তুলেছেন বাম নেতারা।

২২ জানুয়ারি হাওড়া, শিলিগুড়ি, আসানসোল, বিধাননগর ও চন্দননগর পুরনিগমের ভোট। এর পর ২৭ তারিখ অন্যান্য পুরসভার ভোট। তবে এখনও নির্দিষ্ট হয়নি হাওড়া পুরনিগমের ভোট কবে হবে।

SMC Election: কলকাতার মতো ভোট করাতে শিলিগুড়িতে দেব না, অশোকের হুঙ্কার

News Desk: কলকাতায় যেভাবে ভোট করানো হয়েছে সেটা হবে না শিলিগুড়িতে। এমনই হুঙ্কার দিলেন শিলিগুড়ি পুরনিগমের প্রাক্তন মেয়র তথা বামফ্রন্টের মেয়র পদপ্রার্থী অশোক ভট্টাচার্য। একটি সংবাদ মাধ্যমে সাক্ষাৎকার দিতে গিয়ে তিনি বলেছেন, কোনও অবস্থায় কলকাতা পুরনিগমে ভোটের দিনের পরিস্থিতি আনতে দেব না।

পড়ুন: SMC Election: কংগ্রেসের সঙ্গেই জোট, শিলিগুড়িতে একলা লড়ার মুরোদ হারাল CPIM

কলকাতা পুরনিগমের ভোটে ব্যাপক ছাপ্পার অভিযোগ এসেছে। মামলা হয়েছে। অশোকবাবুর দাবি, শিলিগুড়িতে এমনটা করতে দেওয়া হবে না।সাক্ষাৎকারে প্রাক্তন পুরমন্ত্রী ও বিধায়ক অশোক ভট্টাচার্যের এই মন্তব্য রাজনৈতিক মহলে তীব্র আলোড়ন ফেলে দিয়েছে। বর্ষীয়ান সিপিআইএম নেতা ও গত পুরবোর্ডের মেয়র অশোকবাবুর দাবি, শিলিগুড়ির মানুষ ভোট লুঠ রুখে দিতে প্রস্তুত।

অশোকবাবু বলেছেন, আমি নিজে তো জিতবই, বামফ্রন্ট জিতবে। শিলিগুড়িতে আগেও তৃণমূল কংগ্রেসের বিরুদ্ধে লড়াই করে জিতেছি আমরা।

তিনি এই প্রসঙ্গে টেনে আনেন ২০১১ সালে বামফ্রন্ট সরকারের পতনের পরের রাজনৈতিক পরিস্থিতি। সাক্ষাতকারে অশোক ভট্টাচার্য বলেছেন, বাম সরকার পতনের বছরে হেরেছিলাম। তার পরেও শিলিগুড়ি থেকে বিধায়ক নির্বাচিত হয়েছিলাম। শিলিগুড়ি পুরনিগম দখল করেছি। সরকারের প্রবল অসহযোগিতার মধ্যেও শিলিগুড়ি পুরনিগম রাজ্যের অন্যান্য পুরনিগমগুলির থেকে বেশি কাজ করেছে।

পুরনিগমগুলির কাজের নিরিখে অশোক ভট্টাচার্যের দাবি রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মেনে নিচ্ছেন। তাঁদের যুক্তি, তুলমূল্য বিচারে কলকাতার পর শিলিগুড়ির অবস্থান। দার্জিলিং জেলার এই শহর উত্তরবঙ্গের রাজধানী তো বটেই, এর আন্তর্জাতিক পরিচিতি রয়েছে। শিলিগুড়ি পুরনিগমের কাজে বিভিন্ন অভিযোগ থাকলেও সার্বিক বিচারে অশোকবাবু মেয়র হিসেবে উল্লেখযোগ্য ভূমিকা নিয়েছেন।

বিশ্লেষণে উঠে আসছে, বামফ্রন্ট সরকারের আমলে মুখ্যমন্ত্রী বুদ্ধদেব ভট্টাচার্যের মন্ত্রিসভায় পুরমন্ত্রী অশোক ভট্টাচার্য ছিলেন ‘উত্তরবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী’। তাঁর রাজনৈতিক প্রভাবে ২০১৫ সালে পুরনিগমে বামফ্রন্ট ও কংগ্রেস জোটের বোর্ড হয়েছিল। এরপর অশোক ভট্টাচার্য ২০১৬ সালের বিধানসভা ভোটে তৃণমূল কংগ্রেসকে পরাজিত করেন। ২০২১ এর ভোটে বামফ্রন্ট শূন্য হয়ে যায়। শিলিগুড়িতে প্রবল উদ্দীপনা জাগিয়েও পরাজিত হন অশোক ভট্টাচার্য। রাজ্যে বিপুল জয় পেলেও শিলিগুড়ি অধরা থেকে গেছে তৃণমূল কংগ্রেসত নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের। এই কেন্দ্রে জয়ী হন সিপিআইএম ত্যাগী বিজেপির শংকর ঘোষ।

বিধানসভায় শূন্য হয়ে গেলেও সদ্য সমাপ্ত কলকাতা পুরনিগমের ভোটে চমকে দিয়েছে বামফ্রন্ট। ভোট প্রাপ্তির নিরিখে কলকাতায় বামপক্ষ বিরোধী তকমা পেয়েছে। বিজেপি নেমেছে তিন নম্বরে।

<

p style=”text-align: justify;”>কলকাতায় বামেদের উত্থানের পর শিলিগুড়ি পুরনিগমের ভোট নিয়ে প্রবল চর্চা। বামপক্ষ এখানে শক্তিশালী। লড়াই হতে চলেছে ত্রিমুখী।

SMC Election: কংগ্রেসের সঙ্গেই জোট, শিলিগুড়িতে একলা লড়ার মুরোদ হারাল CPIM

CPIM

News Desk: কলকাতা পুরনিগমে একলা বামফ্রন্ট লড়ে ভোটের নিরিখে মূল বিরোধী ভূমিকায় চলে এসেছে। কলকাতায় যা সম্ভব তা হলো না বামেদের শক্তিশালী এলাকা শিলিগুড়িতে। আসন্ন শিলিগুড়ি পুরনিগম ভোটে জোট করেই ভোটে নামছে বামেরা। গতবারের মেয়র তথা প্রাক্তন পুরমন্ত্রী অশোক ভট্টাচার্য দিচ্ছেন নেতৃত্ব।

প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী বুদ্ধদেব ভট্টাচার্যের ফোন পেয়েই ভোটে লড়াই করার সিদ্ধান্ত নেন অশোক ভট্টাচার্য। দার্জিলিং জেলা বামফ্রন্টের তরফে প্রকাশিত শিলিগুড়ি পুরনিগমের প্রার্থী তালিকায় ৬ নম্বর ওয়ার্ড থেকে লড়াই করছেন তিনি।

শিলিগুড়ি পুরনিগমের মোট ৪৭টি ওয়ার্ড। পুর ভোটে বামফ্রন্ট প্রার্থী তালিকায় ৩৫ জনের নাম ঘোষণা করা হয়েছে। দার্জিলিং জেলা বামফ্রন্ট আহ্বায়ক জীবেশ সরকার বলেছেন, গত পুরভোটে যে ৪টি আসনে কংগ্রেস জয়ী হয়েছিল সেখানে কোনও বাম প্রার্থী থাকবে না। তাঁর এই ঘোষণার পরেই স্পষ্ট হয়ে যায় কলকাতার মতো ‘একলা চলো’ সূত্র শিলিগুড়িতে প্রয়োগ করল না বামপক্ষ।

শিলিগুড়ি পুরনিগমে ৪৭টি ওয়ার্ডের মধ্যে চূড়ান্তভাবে কটি ওয়ার্ড কংগ্রেসকে ছাড়তে পারে বামফ্রন্ট, এই বিষয়ে দুই শিবিরে আলোচনা হবে। দার্জিলিং জেলা কংগ্রেস সভাপতি প্রাক্তন বিধায়ক শংকর মালাকার জানিয়েছেন, জোটের আসন নিয়ে বৈঠকেই সব ঠিক হবে।

<

p style=”text-align: justify;”>রাজ্যে বাম জমানার পতনের পরেও শিলিগুড়িতে সিপিআইএমের ক্ষমতা বারবার দেখা গিয়েছে। উত্তর বঙ্গের রাজধানীতে প্রাক্তন পুরমন্ত্রী অশোক ভট্টাচার্য ফের জয়ী হন। বিধায়ক ছিলেন। সর্বশেষ বিধানসভার ভোটে পরাজিত হন। তিনি পুরনিগমের মেয়র ছিলেন। বিধানসভায় পরাজিত হয়েই পুর প্রশাসকের পদ থেকে সরে গিয়েছেন।

Bangladesh: অরণ্য সুন্দরী সাতছড়ি যেন জঙ্গিদের অস্ত্র খনি, পা ফেললেই ভারত সীমান্ত

প্রসেনজিৎ চৌধুরী: বারবার আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার। প্রতিবারই বিপুল পরিমান। অস্ত্র ভাণ্ডার দেখলেই স্পষ্ট হয় সরাসরি সেনাবাহিনীর সঙ্গে সংঘর্ষের জন্য এসব ব্যবহার করা হতো।বাংলাদেশের সাতছড়ি জাতীয় অরণ্য যেমন প্রকৃতির বিপুল বিস্ময় তেমনই এই এলাকা যেন অস্ত্র খনি!

সোমবার এই অরণ্য থেকে ১৫টি মর্টার শেল, ২৫টি বুস্টার ও ৫১০ রাউন্ড অটো মেশিনগানের গুলি উদ্ধার করা হয়েছে। ২০১৪ সাল থেকে বারে বারে এমন আগ্নেয়াস্ত্র ভাণ্ডার উদ্ধার হচ্ছে। প্রতিবারই অস্ত্র সম্ভার দেখে চমকে যাচ্ছে বাংলাদেশ সরকার।

সাতছড়ি অরণ্যের অন্দরে
গভীর এই সাতছড়ি সীমান্ত জঙ্গলের এমনও অনেক এলাকা আছে যেখানে আন্তর্জাতিক সীমারেখা অদৃশ্য। কোনদিকে ভারত কোনদিকে বাংলাদেশ তা নির্নয় করা কঠিন। ভারতের দিকে ত্রিপুরা আর বাংলাদেশের দিকে পড়েছে সিলেট। সাতছড়ি অরণ্যের মূলনিবাসী উপজাতি জনগোষ্ঠী ত্রিপুরা জাতির অন্তর্ভুক্ত। স্থানীয় ত্রিপুরা পল্লীর নামকরণ থেকেই স্পষ্ট।

বিরলতম প্রাণী ও উদ্ভিদ গবেষকদের কাছে আকর্ষণের কেন্দ্র সিলেটের হবিগঞ্জ জেলার চুনারুঘাটের সাতছড়ি অরণ্যাঞ্চল। পর্যটকরা আসেন অনবরত। তবে নির্দিষ্ট কিছু এলাকার বাইরে বৃহত্তর বনাঞ্চলে যাতায়াতে দুর্গমতার কারণে এখানেই সীমান্ত পারাপার হয় অতি সহজে। টিলা-জঙ্গল, নদী ঘেরা অদ্ভুত নীরবতা আর আলো আঁধারিময় সাতছড়িতে ছড়িয়ে আছে ভারত বিরোধী বিচ্ছিন্নতাবাদীদের তৈরি করা বহু বাংকার। মাটির তলায় পোঁতা আছে আগ্নেয়াস্ত্র।

চুপ যা টাইগার আসতাসে, বাঘের থাবা খাবা!

টাইগার?

এই নামটি পরিচিত সমগ্র পার্বত্য ত্রিপুরা ও বাংলাদেশের সাতছড়ি অরণ্যাঞ্চলে। বেশি কিছু কেউ বলবে না এখনও। ‘বাঘের থাবা’ খেতে কেউ চায় না।

সেই টাইগার কে?

অল ত্রিপুরা টাইগার ফোর্স (ATTF) একটি বিচ্ছিন্নতাবাদী সংগঠন। মূলত ত্রিপুরার হিন্দু আদিবাসী উপজাতি জনগোষ্ঠীর মধ্যে তাদের সংগঠন ছড়িয়ে ছিল। দলনেতা রণজিত দেববর্মা পরে আত্মসমর্পণ করে। ত্রিপুরায় বিগত বামফ্রন্ট সরকারের আমলে তৎকালীন মু়খ্যমন্ত্রী মানিক সরকারের শাসনে টাইগার হয়ে যায় ঘুমন্ত বাঘ। তবে আতঙ্কটা রয়ে গিয়েছে- চুপ যা টাইগার আসতাসে, বাঘের থাবা খাবা!

টাইগারের প্রতিদ্বন্দ্বী ন্যাশনাল লিবারেশন!

পার্বত্য ত্রিপুরার উপজাতি খ্রিষ্টান ধর্মাবলম্বীদের মধ্যে প্রভাবশালী বিচ্ছিন্নতাবাদী গোষ্ঠী ন্যাশনাল লিবারেশন ফ্রন্ট অফ ত্রিপুরা (NLFT)। সংগঠনটি ফের সক্রিয়। সম্প্রতি তাদের সাংগঠনিক কাঠামোর বড়সড় রদবদল করা হয়। একশ শতাংশ খ্রিষ্টানধর্মাবলম্বী নিয়ে পরিচালিত এনএলএফটি বাংলাদেশের জমিতে ফের ঘাঁটিগুলি পরিচালিত করছে। পুরনো নেতা বিশ্বমোহন দেববর্মার নীতি থেকে সরেছে এই সংগঠন।

তাৎপর্যপূর্ণ, সরকারের বিরুদ্ধে বিদ্রোহ আবার পারস্পরিক সংঘর্ষ এই নিয়েই ত্রিপুরার পার্বত্য এলাকা ও বাংলাদেশ সংলগ্ন অঞ্চলে এলাকা ভিত্তিক সমান্তরাল সরকার কায়েম করেছিল দুটি বিচ্ছিন্নতাবাদী সংগঠন। এটিটিএফ ও এনএলএফটি এই দুই সংগঠনের নিরাপদ ঘাঁটি বাংলাদেশের জমিতে।

প্রতিবেশি দেশে জামাত ইসলামি ও বিএনপি জোট সরকারের আমলে ভারত বিরোধী তৎপরতা বেড়েছিল। খালেদা জিয়া প্রধানমন্ত্রী থাকাকালীন বাংলাদেশ থেকে বৃহত্তর বেআইনি অস্ত্র চালান ষড়যন্ত্র (দশ ট্রাক অস্ত্র মামলা) বানচাল হয়। অসমের বিচ্ছিন্নতাবাদী সংগঠন আলফা (এখন আলফা-স্বাধীনতা) প্রধান পরেশ বড়ুয়ার জন্য যাচ্ছিল সেই আগ্নেয়াস্ত্র। চাঞ্চল্যকর সেই ঘটনার পর থেকে সতর্কতা অবলম্বন করে বিচ্ছিন্নতাবাদী সংগঠনগুলো।

বস্তুতপক্ষে ৮০-৯০ দশক থেকে ২০০০ সাল শুরুর কিছু পর পর্যন্ত ত্রিপুরা ছিল উপজাতি বিচ্ছিন্নতাবাদীদের বিচরণভূমি। ঠিক সেই সময়েই সীমান্তের ওপারে বাংলাদেশে ছিল নিরাপদ ঘাঁটি। ত্রিপুরায় সন্ত্রাসবাদ বা উপজাতি বিচ্ছিন্নতাবাদ ঘুমিয়ে পড়েছিল গত বিগত বামফ্রন্ট সরকারের আমলে। কড়া বাস্তব, বাম সরকার পতনের পর বিজেপি জোট সরকারের আমলে বিচ্ছিন্নতাবাদীরা সক্রিয়।

বাংলাদেশের মাটিতে যে বিচ্ছিন্নতাবাদীরা সক্রিয় তার দাবি করেছিলেন ত্রিপুরার প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মানিক সরকার। তিনি এখন বিরোধী নেতা। সম্প্রতি তিনি এনএলএফটির হামলায় দুই বিএসএফ জওয়ানের মৃতুর পর একই দাবি করেন। ত্রিপুরার বিজেপি সরকারও বিষয়টি নিয়ে উদ্বেগ জানায়।

ত্রিপুরায় আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনের আগে সক্রিয় হতে থাকা বিচ্ছিন্নতাবাদীরা কি ফের পুরনো অবস্থান ফিরছে? এই প্রশ্ন বারবার উঠছে। রাজ্যটির তিনদিকে একেবারে গা ঘেঁষে থাকা বাংলাদেশ। সিলেটের সাতছড়ি অরণ্যে বারবার অস্ত্র উদ্ধার প্রমাণ করছে মানিকবাবুর দাবি কতটা গুরুত্বপূর্ণ। মুখ্যমন্ত্রী থাকাকালীন তাঁর এমন দাবিতে ঢাকা ও নয়াদিল্লি নড়ে চড়ে বসেছিল।

<

p style=”text-align: justify;”>বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার অবস্থান সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স। সেই নীতি নিয়েই সাতছড়ির মতো সীমান্তবর্তী গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় বারবার অভিযান চলছে।

CPIM: পৌর ভোটের আগে হঠাৎ ‘সক্রিয়’ বুদ্ধবাবু, আহ্লাদে আটখানা বাম মহল

Buddhadeb Bhattacharya

News Desk: রাজনৈতিক সন্ন্যাস নেওয়া ধ্যানমগ্ন বুদ্ধদেব ভট্টাচার্যের আচমকা সক্রিয়তায় ‘আত্মহারা’ বাম মহল। রাজ্য জুড়ে শোরগোল পড়েছে তাঁর একটি ফোনকল নিয়ে। বাম মহল তথা সিপিআইএমের মধ্যেই প্রশ্ন প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী পরাজয় মানতে না পেরে গৃহবন্দি জীবন বেছে নিয়েছেন, অসুস্থ হয়ে আরও নিষ্ক্রিয় তিনি হঠাৎ কোন জাদুমন্ত্রে রাজনৈতিক বিষয়ে ফের নাক গলাতে শুরু করলেন।

যাবতীয় ঘটনার কেন্দ্রে বুদ্ধদেব ভট্টাচার্যের সঙ্গে আরও এক বর্ষীয়ান সিপিআইএম নেতা তথা প্রাক্তন পুরমন্ত্রী অশোক ভট্টাচার্যের ফোনালাপ। শিলিগুড়ি পুর নিগমের ভোটে অশোকবাবুকে নেতৃত্ব দিতে অনুরোধ করেছেন বুদ্ধদেব ভট্টাচার্য। সেকথা ‘পাব্লিকলি’ জানাতেই রাজ্য জুড়ে শোরগোল। আহ্লাদে আটখানা সিপিআইএম।

লোকসভা ও বিধানসভার ভোটে ঐতিহাসিক শূন্য প্রাপ্তির পর কলকাতা পুর নিগমের ভোটে ততোধিক নজরকাড়া পরিসংখ্যান নিয়ে ফের হাজির বামেরা। একধাক্কায় বিরোধী দল বিজেপির থেকে ভোটের নিরিখে উপরে বামফ্রন্ট। কার্যত কলকাতায় বামেরা এখন বিরোধী দল হিসেবে চিহ্নিত। তবে তাদের সংগ্রহে দুটি ওয়ার্ড!

এই ফলাফলেই কি রাজনৈতিক ঘুম ভাঙল বুদ্ধদেববাবুর? প্রশ্ন এখানেই। বামপন্থী নেতা, কর্মী ও সমর্থকদের বড় অংশ মনে করছেন, শিলিগুড়িতে সিপিআইএমের পক্ষে পুরবোর্ড গড়ার বড় সম্ভাবনা। তৃণমূল জমানাতেও বামেরা কংগ্রেসের সঙ্গে জোট করে বোর্ড চালিয়েছে। আসন্ন পুর নিগমের ভোটে তাই শিলিগুড়ি দখল করতে অশোক ভট্টাচার্যের উপরেই দায়িত্ব দিলেন প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী।

বিধানসভার ভোটে শিলিগুড়িতে প্রবল উদ্দিপনা জাগিয়েও আসনটি ধরে রাখতে পারেননি প্রাক্তন পুরমন্ত্রী অশোক ভট্টাচার্য। পরাজিত হয়েই পুর নিগমের পুর প্রশাসকের দায়িত্ব ছেড়ে দেন। চটজলদি সেই পদে গৌতম দেবকে বসিয়ে দেন মু়খ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

বিধানসভা ভোটের হিসেবে না বাম না তৃণমূল কংগ্রেস বরং শিলিগুড়ি চলে গিয়েছে বিজেপির দখলে। অশোকবাবুর রাজনৈতিক শিষ্য শংকর ঘোষ বিধায়ক হয়েছেন। তিনিই পুর নির্বাচনে বিজেপির নেতৃত্বে নাকি তৃ়নমূল কংগ্রেসে যোগ দেবেন তাই নিয়ে প্রবল চর্চা।

ভোট বিশ্লেষকদের মতে আসন্ন পৌর ভোট ও পুরনিগমগুলির নির্বাচনে বিরোধী দল বিজেপির ছন্নছাড়া পরিস্থিতির মাঝে নতুন করে বামেদের ঘুরে দাঁড়ানোর সুযোগ আছে। সেই সুযোগ নিতে বামেরা কতটা তৈরি তা স্পষ্ট নয়। তবে প্রাক্তন মু়খ্যমন্ত্রী বুদ্ধদেব ভট্টাচার্যের ফোন ইঙ্গিত দিচ্ছে, তিনি এখনও আলোড়ন ফেলতে পারেন ।

শেষ শীতে পৌর যুদ্ধে মমতা, বছরের প্রথম ভোট পরীক্ষায় TMC

Mamata Banerjee

News Desk: একুশের ভোটযুদ্ধে তরতরিয়ে জিতেছেন। বিধানসভায় তিনবার সরকার কায়েম হয়েছে। কলকাতা পুরনিগমের ক্ষমতায় এসেছেন। তবে পুরনিগমের ভোটে লেগেছে ছাপ্পার ছাপ। এসব নিয়েই বাইশের ভোট যুদ্ধে নামতে চলেছেন মুখ্যমন্ত্রী তথা তৃণমূল কংগ্রেস নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

উত্তরে হিমালয় পাদদেশে থেকে দক্ষিণে দামোদর তীরবর্তী এলাকা ভোটে গরম হতে চলেছে।

আগামী ২২ ফেব্রুয়ারি ৫টি পুর নিগমের ভোট: শিলিগুড়ি (দার্জিলিং), আসানসোল (পশ্চিম বর্ধমান), চন্দননগর (হুগলি), হাওড়া (হাওড়া) ও বিধাননগর (কলকাতা জেলা)।

কলকাতার পুরনিগম ভোটের পর এটাই সর্ববৃহৎ নগর কেন্দ্রিক ভোট যুদ্ধ। কলকাতায় শাসক তৃণমূল কংগ্রেস বনাম বিরোধী দল বিজেপির রাজনৈতিক যুদ্ধে বামফ্রন্টের পুরনায় শক্তি অর্জনে লেগেছে চমক। যদিও বিরোধীদের দাবি, কলকাতায় ব্যাপক রিগিং করে জয়ী হয়েছে শাসকদল। এবার বাকি পুরনিগমগুলির লড়াই ঘিরে রাজনৈতিক প্রতিযোগিতা তুঙ্গে উঠতে শুরু করল।

পুরনিগম ছাড়াও ১০৯টি পুরসভার ভোট হতে চলেছে ফেব্রুয়ারি মাসেই। আগামী ২৭ ফেব্রুয়ারি হবে এই ভোট পর্ব।

আলিপুরদুয়ার থেকে দক্ষিণ ২৪ পরগনা জুড়ে ছড়ানো সবকটি পুরসভা। ফলে শাসক দলকে রাজ্য জুড়েই ভোট পরীক্ষা দিতে হবে। পরীক্ষায় বসবে বিজেপি, সিপিআইএম, কংগ্রেস।

কলকাতা পুরনিগমের ভোটে বিরোধী দল বিজেপি মহানগরে তৃতীয় দলের তকমা পেয়েছে। ভোট প্রাপ্তির হারে মূল বিরোধী হয়েছে বামফ্রন্ট। বিধানসভায় শূন্য হয়ে যাওয়া বামপক্ষ ও কংগ্রেসের কাছে নিজেদের শক্তি দেখানোর ময়দান পুর যুদ্ধ। তেমনই বিধানসভায় বিরোধী দলের তকমা পাওয়া বিজেপির লড়াই অস্তিত্ব প্রমাণেও।

Paschim Bardhaman: কলকাতায় দ্বিতীয় হয়ে দুর্গাপুরে গা গরম করল CPIM

CPM

News Desk: মাত্র ২৪ ঘন্টার ব্যবধান। কলকাতা পুর নিগমের ভোটে দ্বিতীয় হয়ে এবার গরম শুরু করে দিল বামেরা। সামনেই দুর্গাপুর পুরনিগমের ভোট। আচমকা তেড়েফুঁড়ে নেমে উঠতে দেখা গেল সিপিআইএমকে। পশ্চিম বর্ধমান জেলায় হাওয়া গরম।

বুধবার দুর্গাপুর পুরনিগমে ১৮ দফা দাবি নিয়ে সিপিআইএমের ডেপুটেশন দেওয়ার পূর্ব ঘোষিত কর্মসূচি ছিল। মিছিল পুরসভার সামনে আসতেই পুলিশের সঙ্গে ধস্তাধস্তি শুরু হয়ে যায় বাম সমর্থকদের

সিপিআইএমের সমর্থকরা পুরসভায় ঢুকতে চাইলে বাধা দেয় পুলিশ। পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। ধস্তাধস্তির মধ্যে পড়ে ট্রাফিক পুলিশের এক আধিকারিক জখম হন। সিপিআইএমের ৬ জন জখম হয়েছেন বলে দাবি করেছেন দলের নেতা পঙ্কজ রায় সরকার।

সিপিআইএমের অভিযোগ, তৃণমূল কংগ্রেসের আমলে দুর্গাপুর শহরের নাগরিক পরিষেবা ভেঙে পড়েছে। মানুষ চরম সমস্যার মধ্যে রয়েছেন। সেজন্য তাঁরা দীর্ঘদিন ধরে আন্দোলন করছেন। এদিনও গণতান্ত্রিক পদ্ধতিতে তাঁরা আন্দোলন করছিলেন। অভিযোগ, পুলিশ তৃণমূলের ইন্ধনে কর্মসূচি বানচাল করার চেষ্টা করেছে।

পুলিশ জানিয়েছে, জোর করে ব্যারিকেড ভাঙার চেষ্টা করেন মিছিলকারীরা। তাদের বাধা দেওয়া হয়। পুরসভার মেয়র পারিষদ (সড়ক) ও তৃণমূল কংগ্রেস নেতা অমিতাভ বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, ‘‘কেউ চায় না সিপিএমকে। অথচ ওরা নির্লজ্জের মতো আন্দোলন করতে আসে তৃণমূলের বিরুদ্ধে। পুলিশের গায়ে হাত তোলে ওরা। নিন্দার ভাষা নেই।’’

কলকাতা পুরনিগমের ভোটে আচমকা বাম উত্থান নিয়ে রাজ্য সরগরম। বিরোধী দল বিজেপি নেমেছে তিন নম্বরে। তাৎপর্যপূর্ণ, ভোটের নিরিখে বামফ্রন্ট উঠে এসেছে দু নম্বরে। ভোট বিশেষজ্ঞরা বলছেন, কলকাতার রাজনৈতিক ক্ষেত্রে বামফ্রন্ট এখন প্রধান বিরোধী দলের ভূমিকায়। বিজেপি প্রান্তিক দল হবে অচিরেই।

<

p style=”text-align: justify;”>কলকাতার পর বাকি পুরনগিমের ভোট আসছে। পশ্চিম বর্ধমান জেলার দুর্গাপুর ও আসানসোল দুটি পুরনিগমেই তৃণমূল কংগ্রেস শক্তিশালী। বিজেপি শক্তিহীন হওয়ায় তৃণমূল কংগ্রেসের সঙ্গে মূল লড়াই হতে চলেছে সিপিআইএমের।

KMC Election: পুরভোটে সন্ত্রাসের অভিযোগ, আদালতে বামপক্ষ

CPIM

নিউজ ডেস্ক: কলকাতা পুরসভা নির্বাচনে সন্ত্রাসের অভিযোগ তুলছে বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলি। মঙ্গলবার কলকাতা পৌরসভা ভোটের নির্বাচনের ফল অনুযায়ী ‘ছোট লাল বাড়ি’তে এখন একছত্র অধিকার তৃণমূল কংগ্রেসের। তবে ভোটের দিন সরগরম হয়েছিল কলকাতার একাধিক নির্বাচনী বুথ সংলগ্ন এলাকা। নির্বাচনের ফল প্রকাশের ঠিক পরেই নির্বাচনে সন্ত্রাসের অভিযোগ নিয়ে কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছে সিপিআইএম এবং সিপিআই। আগামিকালই দুইদলের জোড়া মামলার শুনানির সম্ভাবনা।

সিপিআইএম এবং সিপিআই শাসকদলের বিরুদ্ধে নির্বাচনে সন্ত্রাসের অভিযোগ এনেছে। দুইদলের তরফ থেকেই তৃনমূল কংগ্রেসের বিরুদ্ধে মামলা করা হয়েছে। দুইদলের জোড়া মামলায় একাধিক অভিযোগ উঠে আসছে শাসকদলের বিরুদ্ধে। এমনকি পুনর্নির্বাচনের দাবিও উঠছে। সিপিআইএম প্রার্থী ফৈয়াজ আহমেদ শাসকদলের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেছেন।

মামলায় সিপিআইএম ও সিপিআই অভিযোগ জানিয়েছে,

১) ১৯ ডিসেম্বর কলকাতা ভোট লুট হয়েছে, তার সঠিক তদন্তের জন্য বিশেষ তদন্তকারী দল অর্থাৎ সিট (special investigation team) বা কোনো নিরপেক্ষ তদন্তকারী দল দ্বারা স্বচ্ছভাবে তদন্ত করা হোক।

২) যে সমস্ত বুথে অস্বাভাবিক ভোট পড়েছে সেই সমস্ত বুথের ভোট বাতিল করা হোক।

৩) কোনো বুথ থেকে বিরোধী এজেন্টকে বের করে দেওয়ার অভিযোগ উঠলে সেই বুথের ভোট বাতিল করা হোক।

৪) রাজ্যের ১১ টি‌ নির্বাচনে ৭ দিন আগে থেকেই কেন্দ্রীয় বাহিনী নামাতে হবে।

৫) প্রতিটি বুথে সিসিটিভি সচল রয়েছে কিনা এবং সেগুলি ঠিকঠাক ভাবে কাজ করছে কিনা তা যথাযথভাবে খতিয়ে দেখতে হবে।

দুই বিরোধীদলের জোড়া মামলায় এখনও পর্যন্ত কোন প্রতিক্রিয়া মেলেনি তৃণমূল কংগ্রেসের তরফ থেকে। জোড়া মামলায় কি প্রতিক্রিয়া হবে শাসক‌দলের? আগামিকালই কি এই মামলার শুনানি হবে কলকাতা হাইকোর্টে? একাধিক প্রশ্ন ঘুরপাক খেলেও সময়ের সঙ্গে সঙ্গেই একে একে সব প্রশ্নের উত্তর মিলবে।

BJP: দলের ভরাডুবিতে ‘গর্দভসুলভ সৌজন্য’ খুঁজে পেলেন তথাগত রায়

dilip ghosh attacks Tathagata roy

News Desk: কলকাতা পুরনিগম ভোটে বিজেপি তিন নম্বরে নেমে যাওয়ার পর প্রবীণ নেতা তথাগত রায় টুইটে লিখেছিলেন যা বলার বুধবার বলব। অপেক্ষার অবসান। তিনি দলের পরাজয়ের বিশ্লেষণে লিখেছেন “গর্দভসুলভ ‘সৌজন্য’।”

কেন এমন লিখলেন তথাগতবাবু ? তাঁর ফেসবুক পোস্ট নিয়ে চর্চা শুরু হয়েছে। প্রাক্তন রাজ্যপাল লিখেছেন:
“একটা দল ভেঙে পড়েও আবার উঠে দাঁড়াতে পারে যদি তার ইচ্ছা থাকে। তার জন্য হারের বিশ্লেষণ করতে হয়, course correction করতে হয়। সিপিএম ঠিক এইভাবেই ২০০১ সালে জ্যোতিবাবুকে খারিজ করে সাফল্য পেয়েছিল। এই পুরসভা নির্বাচনে তৃণমূল প্রচুর কারচুপি করেছে, কিন্তু শুধু তা দেখলেই হবে না। তৃণমূল দলটার চরম অসাধুতার প্রকাশ এইখানে, যে তারা জানত তারা ভালভাবেই জিতবে, কিন্তু তা সত্ত্বেও তারা গুন্ডামি, বদমায়েশি, ছাপ্পা করেছে, পুলিশকে দিয়ে দলদাসের মতো আচরণ করিয়েছে। কিন্তু এটা বিজেপির পক্ষে আত্মবিশ্লেষণ না করার কোনো কারণ হতে পারে না।

বস্তুত বিজেপির শতাংশের হিসেবে তৃতীয় স্থানে নেমে যাওয়া কোনো নতুন ঘটনা নয়। বিধানসভা নির্বাচনে যে বিপর্যয় হয়েছিল এটা তারই প্রসারণ। যদি দল তার পরে আত্মানুসন্ধান করত এবং যে অসৎ-লম্পট চক্র এর জন্য দায়ী তাকে নির্মমভাবে অপসারণ করত তাহলে কর্মীরা উজ্জীবিত হত, পুরসভার ফল এর চেয়ে অনেক ভাল হতে পারত। কিন্তু তার বদলে হয়েছে ‘তিন থেকে সাতাত্তর’, তৃণমূলের শয়তানির উপর সব দোষ চাপানো, এবং সবশেষে এক গর্দভসুলভ ‘সৌজন্য’।

ভগবান শ্রীকৃষ্ণ বলেছিলেন, “নাসতো বিদ্যতে ভাবঃ নাভাবো বিদ্যতে সতঃ” (ভগবদ্গীতা ২:১৬)। তৃণমূলের মত কাটমানি-সিন্ডিকেট-দুর্নীতিতে নিমজ্জিত অসৎ দল কখনো টিকতে পারে না। শুধু তার জায়গা নেবার কেউ নেই বলেই এখনো তারা দাপিয়ে যাচ্ছে। হিন্দু বাঙালির কি যে হবে !”

BJP: ভোটে ধস দেখে বস রেগেছেন, ফোন ধরতেই আতঙ্ক

BJP

News Desk: বিধানসভার ভোটে যা হয়েছিল তাতে চিঁড়ে ভেজেনি। বস চেয়েছিলেন সরকার হোক, হয়েছে বিরোধী দল। বাংলার ভোট না চেনা কর্পোরেট বিজেপি বস রেগে কাঁই কলকাতা পুরভোটে তৃতীয় হওয়ায়। এমনই অবস্খা যে বঙ্গ বিজেপির নেতারা ফোন ধরতেই ‘ভয়’ পাচ্ছেন।

বিজেপি অন্দর মহলে প্রবল ভূমিকম্প। হুড়মুড়িয়ে আরও ধসের আতঙ্ক প্রবল। আলিপুরদুয়ার ও কোচবিহারে দলটাই থাকবে না এমনই গুঞ্জন। তৃণমূল কংগ্রেসে ফিরতে মরিয়া সবাই। এমনই বার্তা আসছে অহরহ।

কলকাতা পুর নিগমের ভোটে বিপর্যয় প্রবল। বিধানসভায় শূন্য হওয়া সিপিআইএমেরও নিচে নেমেছে প্রধান বিরোধী দল বিজেপি। রাজ্য সম্পাদক সুকান্ত মজুমদার যদিও পুর নির্বাচনের রিগিং তত্ত্বকে আঁকড়ে ধরেছেন। আর বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী সরকারের বিরুদ্ধে প্রবল আস্ফালন শুরু করেছেন। প্রাক্তন রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ প্রায় নীরব।

সূত্রের খবর, দক্ষিণবঙ্গে পূর্ব মেদিনীপুর, ঝাড়গ্রাম, বাঁকুড়ায় বড়সড় ভাঙন যে হচ্ছে তাতে নিশ্চিত বিজেপি নেতারা। জেলা ভিত্তিক সংগঠন হুড়মুড়িয়ে ভাঙছে। এই অবস্থায় আসন্ন পৌর ভোটে কী করে লড়াই চলবে তাই জানেন না নেতারা।

দলের করুণ অবস্থায় ফের ওষুধ দিতে আসছেন বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি জেপি নাড্ডা। তাঁর বঙ্গ সফরের আগে রাজ্য নেতৃত্বকে দিল্লিতে ডেকে পাঠানো হতে পারে বলেও খবর। পৌর নির্বাচনে ভরাডুবি হচ্ছে ধরেই চলছে রাজ্য বিজেপি।

BJP: টুইটে কী লিখবেন তথাগত রহস্য জিইয়ে রাখলেন, নিশানায় কে ?

tathagata roy

News Desk: দিনভর ফলাফল দেখে সন্ধ্যায় এক বাক্যের টুইট। তাতেই বিজেপি (BJP) শিবিরে হই, রাজনৈতিক মহলে আলোচনা-কী লিখবেন তথাগত রায়। তিনি কী লিখতে চলেছেন তার রহস্যজনক ইঙ্গিত দিয়েছেন।

টুইট করে বিজেপি নেতা প্রাক্তন রাজ্যপাল (ত্রিপুরা ও মেঘালয়) তথাগত রায় লিখলেন “কি হবে জানাই ছিল, কিন্তু দুঃখ তো চেপে রাখা যায় না ! কালকে টুইট হবে।”

কাল অর্থাৎ বুধবার তথাগত বিস্ফোরণ হতে চলেছে ফের। নিজেকে পশ্চিমবঙ্গ বিজেপি থেকে সরিয়ে নিয়েছেন বলে দাবি করেছেন আগেই। বিধানসভা উপনির্বাচনে বিরোধী দল বিজেপির ভরাডুবি, জামানত হারানো নিয়ে দলেরই রাজ্য ও কেন্দ্রীয় নেতা, পরিদর্শকদের বারবার আক্রমণ করেছেন।

এর আগে তথাগতবাবুর টুইটে একাংশ নেতাদের মহিলা দেখলে লালা ঝরে এমন কথায় তীব্র রাজনৈতিক শোরগোল পড়েছে। কখনও প্রাক্তন রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ তো কখনও কৈলাস বিজয়বর্গীয় কাউকেই টুইট হামলা থেকে রেহাই দেননি বর্ষীয়ান বিজেপি নেতা।

কলকাতা পুরভোটের ফলাফল বের হওয়ার পর তথাগত রায়ের টুইটে ইঙ্গিত, তিনি দলের বিপর্যয়ের দিকটি তুলে ধরতে চেয়েছেন। একইসঙ্গে উঠে আসছে তৃণমূল কংগ্রেসের বিপুল জয়ের প্রসঙ্গ। কলকাতা পুর নির্বাচনে ব্যাপক ছাপ্পা-রিগিং হয়েছে বলেই অভিযোগ।

ভোট প্রাপ্তির নিরিখে কলকাতা পুরভোটের ফলাফলে চমকপ্রদভাবে বামফ্রন্টের উত্থান হয়েছে। বিজেপি নেমেছে বামেদের নিচে। এই নিয়ে বিজেপি মহল বিমর্ষ। রাজ্যে বিরোধী দল হয়েও কলকাতা পুরনিগমের ভোটো তাদের তিন নম্বরে নেমে যাওয়ায় রাজনৈতিক মহলে ব্যাপক চর্চা।

KMC: তৃতীয় হয়েছি, জয় শ্রী রাম! BJP নেতাদের কটাক্ষ করে আক্ষেপ সংঘ প্রচারকের

BJP Party Office

News Desk: কলকাতা পুরনিগমের (KMC) ভোট কি দলের ললাট লিখন? কী বলবেন? রাজ্য নেতাদের বেশিরভাগই ‘অপদার্থ’, ভেবেছিল টাকা দিয়ে উতরে যাবে, বাংলার ভোট যে হিন্দি এলাকার নয় তা কে বোঝাবে। তিন নম্বরে নামিয়েছে এবার শেষ করে দেবে। বলেই থামলেন মফস্বল ভিত্তিক আরএসএস নেতা। তিনি নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক। বরাবর সংঘের সাংগঠনিক দিক থেকে শাখা দলকে সতর্ক করেছেন।

এ তো রক্তক্ষরণ শুরু হয়ে গেল। দেখুন কত ভাঙবে এবার। দিলীপবাবু যে শক্তি নিয়ে নেমেছিলেন, তার বিচার না করে চটজলদি টাকা ছড়িয়ে ভোটের ফায়দা তুলেছেন তবে ওতে কিছু হবে না। কলকাতা পুর নির্বাচনের ফলাফল তো দেখলেন, সিপিএমেরও নিচে নেমেছি আমরা!

সংঘ প্রচারকের সাফ জবাব, যে কমিউনিস্টদের হটাতে কালঘাম ছুটেছে তাদের প্রভাব কি এতই কম হবে হুড়হুড়িয়ে, এটা সম্ভব না। বিধানসভা ভোটের পরেই বলেছিলাম খেসারত দিতে হবে। কলকাতা থেকে দিতে শুরু করল বিজেপি। আমরা কি আর বিরোধী দল হিসেবে কিছু বলতে পারব। পাব্লিক কি এতই মাথামোটা? সরাসরি প্রশ্ন সংঘ নেতার।

আরএসএসের তরফে দক্ষিণ বঙ্গের ছটি জেলায় শাখা শক্তিশালী করার কাজ করছেন। গত বাম জমানায় দীর্ঘ সময় শুধু লেগেছে নিজেদের পরিচিত করতে। তাঁর সাফ দাবি, মমতা রাজ্যের ক্ষমতায় আসার পর সুযোগ বেড়েছে বৈকি। তবে সংঘের রাজনৈতিক শাখা বিজেপির নেতারা সবই চান তড়িঘড়ি। তার কুফল আসছে।

বিজেপি কী করবে?
সংঘী প্রচারকের দাবি, বিজেপিই জানে। আমরা সংঘ করি আমরা নিজেদের কাজ করব। আগেও করেছি। তবে আমাদের মূল প্রতিপক্ষ কমিউনিস্ট পার্টি।

বামেরা তো বিধানসভায় নেই আর। পুর নিগমের ফলাফল থেকে কী আঁচ করলেন। সংঘী নেতার জবাব, নেই তো কী করে কলকাতায় দ্বিতীয় হয়ে আমাদের তিন নম্বরে ঠেলে দিল। ভবিষ্যতের ছবিটা বিজেপির জন্য ভালো না।

Kolkata: শীতের দুপুরে হাই তুলতে গিয়ে হেঁচকি খেলেন বাম নেতারা, বলি হচ্ছে কী!

CPIM

News Desk, Kolkata: ভাবা যাচ্ছে না, বুঝলেন! এটা কি স্বপ্ন নাকি! পূর্ব বর্ধমান থেকে বাঁঁকুড়়া, বীরভূমের রাঙা মাটি ছুঁয়ে মোবাইল তরঙ্গে সুদূর দার্জিলিং, আলিপুরদুয়ার জেলায় বাম নেতাদের যাদের সঙ্গেই যোগাযোগ করা হলো, প্রায় সবাই চমকে গেছেন। ততক্ষণে বিশ্লেষণে আরও স্পষ্ট রাজধানীতে বিরোধী হয়েছে ভোটের ভাঁড়ে এতদিন মা ভবানী থাকা সিপিআইএম। রক্তক্ষরণ কিছুটা কম। 

কলকাতা পুরনিগমের ভোট ফলাফলে রাজ্যের বিরোধী দল হিসেবে লজ্জা পেল বিজেপি। ভোট প্রাপ্তি ও শতাংশের হারে তারা নেমেছে তিন নম্বরে। চমকে দেওয়া ফলাফল বামফ্রন্ট ও কংগ্রেস দুই শিবিরের। পুরনিগমের সবকটি বরো-তে বিজেপি বিরাট ধাক্কা খেল। ১৪টি বরোতে বামফ্রন্ট দ্বিতীয়। শাসক তৃণমূল কংগ্রেস প্রথম।

লোকসভা,বিধানসভা, ও বিধানসভা উপনির্বাচনে শূন্য হয়ে যে ভয়াবহ বিপর্যয়ে পড়েছিল রাজ্যের একদা সাড়ে তিন দশকের শাসক দল সিপিআইএম, পুর নিগমের ভোটে তাদের উত্থান।

বেলা গড়াতেই ভোট পরিসংখ্যানে বামেদের উত্থান ধরা পড়তে থাকে। হিসেব বলছে কলকাতা পুর নিগমে সিপিআইএমের ভোট বেড়েছে প্রায় ৯ শতাংশ। প্রধান বিজেপির ভোট কমেছে ২৩ শতাংশের মতো। শুধু তাই নয়, বরোগুলিতে বামেরা দ্বিতীয়। (বেলা ১.৪৫ পর্যন্ত)

পরিস্থিতি এমন দেখে সিপিআইএমের রাজ্য দফতরে যেন ঝটকা লেগেছে। ২০১১ সালের পর থেকে শীতঘুমে চলে যাওয়া বাম নেতৃত্বের অভ্যাস মতো দুপুরের হাই তোলা বন্ধ। আধখানা হাই তুলেই যেন হেঁচকি উঠে আসছে। বলি হচ্ছে টা কী?এও কি সম্ভব নাকি। আড়মোড়া ভাঙা বাম নেতারা যেন খোলস ত্যাগ করতে চাইছেন।

এর পর কী হবে?
চটকা ভাঙা সিপিআইএম নেতাদের বেশিরভাগই বললেন শিলিগুড়িতে মমতা না ধাক্কা খান।

TMC: একুশের শেষ ভোটে মমতার কলকাতা দখল, নজরে আগরতলা

mamata banerjee

News Desk: শীতের তাপমাত্রার নামছে যত, ততই তৃণমূল কংগ্রেসের (TMC) আসন জয়ের সংখ্যা আসছে। ভোট পরবর্তী পরিসংখ্যান মিলিয়ে কলকাতা পুরনিগম দখলের সরকারি ঘোষণাটুকুই বাকি। একুশের শেষ ভোটে মমতার কলকাতা দখল সম্পূর্ণ।

কী হবে পরের পরিস্থিতি ?
খোদ মুখ্যমন্ত্রীর ঘোষনা রাজ্যের কোষাগার খালি। লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের মতো প্রকল্পের টাকার যোগান দিতে গিয়ে হিমশিম অবস্থা সরকারের। একই প্রকল্প নিয়ে আসন্ন গোয়া ও ত্রিপুরা বিধানসভার ভোটে ঝাঁপ দিতে চলেছে তৃণমূল কংগ্রেস।

সূত্রের খবর, চলতি মাসের শেষে তৃণমূল কংগ্রেস সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় ফের গোয়া ও ত্রিপুরা যাচ্ছেন। তিনি ফেরার পরেই মমতা শুরু করবেন আগরতলা অভিযান।

ত্রিপুরা কইত্যাসে মমতা দি আইত্যাসে…
মঙ্গলরবার টিএমসির কলকাতা পুরনিগম দখলের সংবাদে ফের ত্রিপুরার রাজনীতিতে শুরু সেই গান, ত্রিপুরা কইত্যাসে মমতা দি আইত্যাসে…। ত্রিপুরায় সম্প্রতি পুর নির্বাচনে একটি ওয়ার্ড পেয়েছে মমতার দল। তবে ভোট শতাংশ শূন্য থেকে ১৬ শতাংশে নিয়ে গেছেন মমতা।

টিএমসি প্রদেশ নেতাদের হুঁশিয়ারি শাসক বিজেপি ও বিরোধীদল সিপিআইএমকে, আইত্যাসে মমতা দি…! এই রাজ্যের দুই যুযুধান রাজনৈতিক মুখ মুখ্যমন্ত্রী বিপ্লব দেব ও প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মানিক সরকার। তাঁদের মাঝে ফের মমতার আগমন হওয়া সময়ের অপেক্ষা।

মেঘালয়ের মুকুল?
টিএমসির দুই মুকুল। বাংলাভাষী মুকুল রায় কী রাজনীতি থেকে সন্ন্যাস নিলেন? এই প্রশ্ন যেমন, তেমনই মেঘালয়কে ভিত্তি করে সে রাজ্যের বিরোধী দলনেতা ও প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মুকুল সাংমা সাজাচ্ছেন ঘুঁটি। মেঘালয়ের মুকুলে ভর করে উত্তর পূ্র্বে বড়সড় রাজনৈতিক দল হবার মরিয়া চেষ্টা মমতার। দীর্ঘ সময় কংগ্রেসের হেভিওয়েট নেতা ও মুখ্যমন্ত্রী থাকায় মেঘালয়, মনিপুর, মিজোরাম, অরুণাচল প্রদেশ, সিকিম, নাগাল্যান্ড রাজ্যে মুকুল সাংমা বিশেষ পরিচিত।

কলকাতার রক্তাক্ত ছাপ্পা ভোটে তরতরিয়ে জয়ের পর মমতার দৌড় বাইশে হবে উত্তর পূর্ব দিকেই।

KMC Election: ‘ছাপ্পা’-বোমায় রক্তাক্ত পুরভোটের গণনায় মমতা নিশ্চিন্ত

KMC Election: Kolkata pre-poll count on Sunday

নিউজ ডেস্ক, কলকাতা: শান্তি-অশান্তি। এই দুইয়ের চাপানউতরে রবিবার শেষ হয়েছে কলকাতা পুরসভা নির্বাচন (KMC Election)। ইভিএম বন্দি হয়েছে ৯৫০ জন প্রার্থীর ভাগ্য। শাসকদলের বিরুদ্ধে সন্ত্রাসের অভিযোগ তুলে বিরোধীদের পুনর্নির্বাচনের দাবি নস্যাৎ করে কমিশন জানিয়েছে নির্ধারিত সময়ই হবে গণনা। এখন ছোট লালবাড়ি দখলের লড়াইয়ে শেষ পর্যন্ত কার মুখের হাসি চওড়া হয়, তা জানতে ভোটগণনার দিকে তাকিয়ে রাজ্য-রাজনীতি। ভোটের ফল ঘোষণার দিকে তাকিয়ে আমজনতা।

সমীক্ষা বলছে, একুশেও কলকাতা পুরসভা নির্বাচনে কিস্তিমাত করবে তৃণমূল। এবার ১৪৪টি ওয়ার্ডেই প্রার্থী দিয়েছিল মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দল। বিজেপিও প্রতিটি আসনের প্রার্থী দিলেও পরে দুটি ওয়ার্ডের প্রার্থী নিজেদের মনোনয়ন প্রত্যাহার করে নেন। কলকাতার পুরভোটে বিজেপি লড়ছে ১৪২ টি ওয়ার্ডে। বাম-কংগ্রেস বিধানসভার মতো সরাসরি জোটে না গিয়ে উভয়পক্ষই কিছু আসন ছেড়ে ভোটে লড়েছে। পুরভোটে নির্দল প্রার্থী ৩৭৮ জন। কলকাতা পুর নির্বাচনে ভোট-যুদ্ধ চতুর্মুখী হলেও হাড্ডাহাড্ডির লড়াই যে তৃণমূল-বিজেপির মধ্যেই, তা বললে অত্যুক্তি করা হবে না।

সমীক্ষানুযায়ী, একুশের পুরসভা ভোটে ১৩৭ থেকে ১৪১টি আসন পেতে পারে তৃণমূল। ভোট শতাংশে ঘাসফুল শিবির অর্জিত ভোট হতে পারে ৬৯ শতাংশ ভোট। অপরদিকে, শতাংশের বিচারে পদ্মশিবির পেতে পারে ১৫শতাংশ ভোট। অর্থাত্ সারা কলকাতায় বিজেপি সর্বোচ্চ ৩টি আসন পেতে পারে বলে বলছে সমীক্ষা। বামেদের ঝুলিতেও পড়তে পারে ১৫ শতাংশ ভোট। কলকাতা পুরসভা দখলের লড়াইয়ে সর্বোচ্চ ৩টি আসন পেতে পারে বামশিবির। কংগ্রেস পেতে পারে ১টি আসন। ভোট শতাংশ ৫। শহরের বিভিন্ন গণনাকেন্দ্রে সোমবার দিনভর চলেছে শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতি। রবীন্দ্রভারতী বিশ্ববিদ্যালয়, নেতাজি ইন্ডোর স্টেডিয়াম, ক্ষুদিরাম অনুশীলন কেন্দ্র, হেস্টিংস হাউস, গীতাঞ্জলি স্টেডিয়াম, বরিশা বিবেকানন্দ কলেজ সহ ১১টি কেন্দ্রে মঙ্গলবার ভোটগণনা।

হাইকোর্টের নির্দেশ মেনে সব গণনাকেন্দ্রের ভিতরে ও বাইরে পর্যাপ্ত সিসিটিভির নজরদারি ব্যবস্থা রেখেছে রাজ্য নির্বাচন কমিশন। রয়েছে কড়া পুলিশি নিরাপত্তা ব্যবস্থা। কমিশন সূত্রের খবর, ১৩ থেকে ১৬ রাউন্ড পর্যন্ত ভোট গণনা হবে। ফলে মঙ্গলবার দুপুরের মধ্যেই ১৪৪ টি ওয়ার্ডের ফলাফল ঘোষণা হয়ে যাবে বলে মনে করা হচ্ছ। কমিশন সূত্রের খবর, বিভিন্ন গণনাকেন্দ্রে প্রতিটি হলে জাল লাগানো আলাদা কাউন্টার করা হয়েছে। কাউন্টিং রুমে দুজন করে আধিকারিক থাকবেন। জালের অপরদিকে প্রার্থীর কাউন্টিং এজেন্টের বসার জায়গা করা হয়েছে। কাউন্টিং হলের সামনে একজন করে সুপারভাইজার থাকবেন। গণনা কেন্দ্রগুলিতে গণনাকর্মী ও রাজনৈতিক কর্মীদের কোভিডবিধি কঠোরভাবে মেনে চলতে হবে বলে কমিশনের নির্দেশ।

গণনাকেন্দ্রে থাকবে মাস্ক, স্যানিটাইজার এবং থার্মাল গান দিয়ে শারীরিক পরীক্ষার ব্যবস্থা। করোনার তৃতীয় ঢেউয়ের কথা মাথায় রেখেই মঙ্গলবারও দলীয় কর্মী সমর্থকদের বিজয় মিছিল করতে নিষেধ করেছে তৃণমূল। রবিবারের পর ফলাফল ঘোষণার দিনও অশান্তি রুখতে কড়া নির্দেশ দেওয়া হয়েছে তৃণমূলের তরফে। বিজয় উল্লাসের নামে কোনও বাড়াবাড়ি সহ্য করা হবে না বলেও স্থানীয় নেতা-কর্মীদের সতর্ক করেছে জোড়াফুল শিবিরের শীর্ষ নেতৃত্ব। রাজ্য নির্বাচন কমিশনের একাধিক বিধিনিষেধ-আশ্বাস আর কড়া পুলিশি নিরাপত্তা থাকা সত্ত্বেও কলকাতা পুরভোটে অশান্তি ঠেকানো যায়নি। শহরের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে এসেছে বিক্ষিপ্ত অশান্তির খবর। দু জায়গায় বোমাবাজি। ঝরেছে রক্ত।

শাসকদলের বিরোধিতায় বড়তলা থানার সামনে একসঙ্গে অবস্থানে বসেছে বাম-কংগ্রেস-বিজেপি। পুরভোটে সন্ত্রাসের অভিযোগ তুলে সোমবার প্রতিবাদে মিছিল করে পদ্ম শিবির। সেই মিছিলকে কেন্দ্র করে কার্যত ধুন্ধুমার পরিস্থিতি তৈরি হয় মুরলীধর সেন লেনে। দলীয় কার্যালয় থেকে মিছিল বের করতেই রণক্ষেত্রের চেহারা নেয় এলাকা। এখন ভোটের ফল ঘোষণার দিন কলকাতার ছোট লালবাড়ি কার দখলে যায়, সেদিকে নজর রাখার পাশাপাশি শহরে কোনও অশান্তির বাতাবরণ তৈরি হয় কি না, সেদিকেও নজর থাকবে রাজনৈতিক মহলের।

KMC: পুরভোটে লড়ছেন ‘কমরেডরা’, ক্ষীণ দৃষ্টি, শ্বাসকষ্ট নিয়ে শুনলেন ‘হাল ছাড়া’ বুদ্ধবাবু

Buddhadeb Bhattacharya

News Desk: পারেননি ময়দান আগলে রাখতে। ২০১১ সালের পর সেই যে পরাজয়ের গ্লানি নিয়ে ঘরে চলে গিয়েছেন আর ময়দানে নেই। সিপিআইএম শূন্য হয়েছে। জমানত বাঁচাতে পারেনা এমন অবস্থা। নোটা ভোটের বিরুদ্ধে লড়াই করতে হচ্ছে। এসবই শুনে নীরব থেকে নীরবতর প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী বুদ্ধদেব ভট্টাচার্য।

বি়ধানসভার পর পুরভোটেও তিনি ভোট দিতে পারলেন না বুদ্ধদেববাবু। তাঁর এখন চোখের অবস্থাও একেবারেই ভালো নয়। দৃষ্টিশক্তি অত্যন্ত ক্ষীণ হয়ে গেছে,শয্যাশায়ী। এমনই জানিয়েছেন স্ত্রী মীরা ভট্টাচার্য।

বুদ্ধবাবু ক্রমে দৃষ্টিশক্তি হারাচ্ছেন। তিনি শয্যাশায়ী। এই দুটি তথ্য পুরভোটের ব্যাপক হাঙ্গামার মাঝে রাজনৈতিক মহলকে নাড়িয়ে দিয়ে গেল।

সকাল থেকে বুথ দখল, ছাপ্পা ও সংঘর্ষ বোমাবাজির মাঝে নজর ছিল প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীর পরিবারের দিকে। পরে মীরা দেবী জানান, চিকিৎসকদের নির্দেশ মেনেই বুদ্ধদেব ভট্টাচার্যের পক্ষে বের হওয়া সম্ভব না আর।

২০১১ সালে বুদ্ধবাবুর নেতৃত্বে বামফ্রন্ট সরকার বিধানসভায় লড়ে হেরে যায়। তিনি নিজেও পরাজিত হন। এরপর রাজনৈতিক মঞ্চে অল্প অল্প করে উপস্থিতি কমাতে থাকেন বুদ্ধবাবু। গত কয়েকবছর একদমই সংশ্রব ত্যাগ করেছেন। অসুস্থতার কারণে গৃহবন্দি। কে বলবে, তাঁর আমলেই সিপিআইএম সর্বোচ্চ পর্যায়ে ছিল।

বাম মহলেই অভিযোগ আছে, পরাজয় মানতে না পারার যন্ত্রণা বুদ্ধবাবুকে একলা করে দিচ্ছিল। তিনি আসলে শক্ত ধাঁচের নেতা নন তাই সরে গিয়েছেন। তুলনায় উঠে আসে ত্রিপুরার প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মানিক সরকারের কথা। সেখানেও টানা ২৫ বছর বামফ্রন্ট সরকারের পতন হয়। তবে মানিকবাবু রাস্তায় আছেন।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের যুক্তি, বুদ্ধবাবু পরাজয় মেনে নিয়ে ফের হাল ধরলে তাঁর দল রাজ্যে শূন্য হত না, বরং সরকারের ঘাড়ে নিশ্বাস ফেলত।

রাজ্যের বাম নেতাদের অনেকের অভিযোগ, পরাজয়ের পর হাল ছেড়ে দেওয়া মানসিকতা বুদ্ধবাবুর এতটাই প্রকট যে দলের উপর ধাক্কা ভয়াবহ। তবে নতুন প্রজন্মের ‘কমরেড’রা লড়ছেন। সেই খবর পান বুদ্ধবাবু।

KMC Election: পুরভোট লুঠ রুখতে শূন্য বামেদের বিক্ষোভেই ভরসা বিরোধী দল বিজেপির

Kmc election main opposition bjp facing masive organizational

News Desk: পুরভোটেই কি হাল ছাড়ল বিরোধী দল? রাজনৈতিক মহলে বড় হয়েছে এই প্রশ্ন। নির্বাচনের (KMC Election) সকাল থেকে স্পষ্ট ১৪১টি ওয়ার্ডের বহু বুথে এজেন্টই দিতে পারেনি বিজেপি। তারাই রাজ্য প্রধান বিরোধী দল। সত্তরের বেশি বিধায়ক। দলের মধ্যেই গুঞ্জন সংগঠন ভেঙ্গে পড়ছে তা স্পষ্ট।

বিজেপির অন্দরমহলের হিসেব দরকার ছিল কমপক্ষে ৯ হাজার কর্মী। মেলেনি কিছুই। পুরনিগমের ১৪৪টি ওয়ার্ডে মোট বুথের সংখ্যা ৪ হাজার ৯৫৯টি। ১ জন এজেন্ট ও রিলিভার মিলিয়ে মোট ৯ হাজার ৯১৮ জন বুথ কর্মী প্রয়োজন বিজেপির। তার অর্ধেক বুথ এজেন্ট জোগাড় করতে পারেনি বিরোধী দল।

অপর দিকে বিধানসভায় শূন্য হওয়া সিপিআইএমের এজেন্ট দেয় বেশিরভাগ বুথে। কংগ্রেসেরও এজেন্ট বিজেপির তুলনায় ভালো।

তাৎপর্যপূর্ণ, পুরনিগম ভোটে আক্রান্ত হওয়ার পর বিজেপি বিক্ষোভ দেখাতে গিয়েও নিজের শক্তি পাচ্ছে না বলে দলেরই মধ্যে প্রশ্ন। এমনকি দেখা যাচ্ছে বামফ্রন্ট ও কংগ্রেসের বিক্ষোভে জমি খুঁজে নিতে।

বিজেপির তরফে বারবার ভোট লুঠ, প্রার্থীর উপর হামলার অভিযোগ করা হয়েছে। কিন্তু নেতৃত্বের দেখা নেই বলে কর্মীদের অভিযোগ। সূত্রের খবর, পুরভোটের পর আরও ধসের কবলে পড়ছে বিজেপি।

বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর গরম ভাষণ ছিল ফাঁকা বুলি, এমনই অ়ভিযোগ করছেন দলীয় কর্মীরা। তবে বিজেপির দাবি, নেতৃত্ব বিক্ষোভে আছেন।

KMC Election: বোমাবাজি, হামলায় কল্লোলিত কলকাতা! অভিযুক্ত TMC

CCTV kolkata municipal election

News Desk: পুরভোটে বোমা হামলা। বেলা গড়াতেই শাসক টিএমসির বিরুদ্ধে একের পর এক ওয়ার্ড থেকে বুথ দখলের অভিযোগ ঘিরে সরগরম পরিস্থিতি। বোমাবাজি, হামলায় কলকাতা কল্লোলিত!

শিয়ালদায় টাকি স্কুলের সামনে বোমাবাজির ঘটনা তীব্র আকার নেয়। অভিযুক্ত টিএমসি। বাঘাযতীনে পথ অবরোধ বামেদের। খান্নায় হাইস্কুলে বোমাবাজি। রাস্তা অবরোধ বামেদের। শিয়ালদহে ভোটার আক্রান্ত।
বোমা হামলায় জখম ব্যক্তি।

বেব্রোর্ন রোডে আক্রান্ত কংগ্রেস এজেন্ট। মারধর। বিভিন্ন ওয়ার্ডে কংগ্রেস ও তৃণমূলের মধ্যে বিক্ষিপ্ত সংঘর্ষ।

KMC election meena devi
সিপিআইএম প্রার্থীর পরিবারের লোককে ভয় দেখিয়ে ভোট দেওয়ার অভিযোগ তৃণমূলের বিরুদ্ধে। পুলিশের সঙ্গে বচসা জড়ালেন সিপিআইএম প্রার্থীর।

প্রধান বিরোধী দলের সাংগঠনিক দূর্বলতা:
ভোট শুরু হতেই দেখা যায় একাধিক ওয়ার্ডে বিজেপি এজেন্ট দিতে পারেনি। প্রবল সাংগঠনিক দূর্বলতার প্রকাশ বিরোধী দলের। তবে বিজেপির দাবি, টিএমসি হুমকি দিচ্ছে। আক্রান্ত হন প্রাক্তন ডেপুটি কমিশনার ও বিজেপি নেত্রী মীনাদেবী পুরোহিত।

(KMC Election police

সিপিআইএমের প্রতিবাদ:
পুরনিগম ভোটে বাম প্রার্থীর এজেন্ট ও তাঁর মা কে খুনের হুমকি দেওয়ায় অভিযুক্ত টিএমসি। ঘটনাস্থল মহানগরের কসবা বোসপুকুর এলাকা। এখানকার ৬৭ নম্বর ওয়ার্ডে সিপিএআইএম এজেন্টের বাড়ি গিয়ে প্রাণনাশের হুমকি দেওয়ার অভিযোগ উছেছে তৃণমূলের বিরুদ্ধে। পরিস্থিতির বর্ণনা দিতে গিয়ে কান্নায় ভেঙে পড়লেন ওই বাম এজেন্টের মা। সংবাদমাধ্যমের সামনে তিনি বলেছেন, বাড়িতে ঢুকে কয়েকজন হুমকি দেয়। ছেলেকে বুথ থেকে নিয়ে আয়, তা না হলে চিহ্ন পাবি না। এই শাশানির পরে ওই বাম এজেন্টের মা আতঙ্কে ফোন করেন দলীয় কর্মীদের। কর্মীরা আশ্বস্ত করেন তাঁর ছেলে নিরাপদ। আক্রান্ত মহিলার দাবি শাশানি দিয়েছে বহিরাগত টিএমসির সমর্থকরা।

আগরতলার বদলা?
কলকাতা পুরনিগমের বিক্ষিপ্ত হামলায় অভিযুক্ত শাসক টিএমসি। সদ্য হয়ে যাওয়া ত্রিপুরার পুর নির্বাচনের সে রাজ্যে অভিযুক্ত বিজেপির সঙ্গে এর মিল পাচ্ছেন বিশ্লেষকরা।

<

p style=”text-align: justify;”>ছোট লালবাড়ি অর্থাৎ কলকাতা পুরসভার নির্বাচন। শান্তিপূর্ণভাবে সেই প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার চ্যালেঞ্জ নিয়েছে প্রশাসন। সেই চ্যালেঞ্জ সকালেই মুখ থুবড়ে পড়েছে। কলকাতা পুরসভার ১৪৪টি ওয়ার্ডে ভোট চলছে। বিভিন্ন ওয়ার্ড থেকে আসছে বিক্ষিপ্ত হামলা ও অশান্তির ঘটনার খবর।