Gujarat: দরগা ভাঙার নোটিশ ঘিরে সংঘর্ষে জুনাগড়ে মৃত্যু, তীব্র উত্তেজনা

অবৈধ ভাবে তৈরি হওয়া একটি দরগা ভাঙার নোটিশকে ঘিরে উত্তপ্ত হয়ে উঠলো গুজরাটের জুনাগড়। মুহূর্তের মধ্যে প্রায় ৫০০, ৬০০ মানুষ উপস্থিত হয় দরগার সামনে। এরপরেই রণক্ষেত্রের রূপ ধারণ করে গোটা এলাকা। সংঘর্ষে ঘটনায় মৃত্যু হয়েছে একজনের, সঙ্গে আহত হয়েছে তিনজন পুলিশকর্মী। আহতদের মধ্যে রয়েছেন পুলিশের ডেপুটি সুপারিটেন্ডেন্ট। এই গোটা ঘটনার জেরে পুলিশ এখনো পর্যন্ত গ্রেফতার […]

The post Gujarat: দরগা ভাঙার নোটিশ ঘিরে সংঘর্ষে জুনাগড়ে মৃত্যু, তীব্র উত্তেজনা first appeared on Kolkata 24×7 | Bangla News | Latest Bengali News.

indian railways: ট্রেনে হারানো সম্পত্তির দায় নেবে না‌ রেল কর্তৃপক্ষ: সুপ্রিম কোর্ট

Indian Railways

ট্রেনে সফর করার সময় কোনও জিনিস খোয়া গেলে তার দায় রেলের (indian railways) নয়। এক মামলায় এমনই পর্যবেক্ষণ সুপ্রিম কোর্টের। বিচারপতি বিক্রম নাথ ও বিচারপতি আহসানুদ্দিন আমানুল্লার বেঞ্চ এমনটাই জানিয়েছে। শীর্ষ আদালতের পক্ষে জানানো হয়েছে, ট্রেনে যদি কিছু হারিয়ে ফেলেন যাত্রীরা তাহলে সেজন্য রেল কর্তৃপক্ষের থেকে কোনও ক্ষতিপূরণ চাইতে পারবেন না তারা। ২০১৫ সালের এক […]

The post indian railways: ট্রেনে হারানো সম্পত্তির দায় নেবে না‌ রেল কর্তৃপক্ষ: সুপ্রিম কোর্ট first appeared on Kolkata 24×7 | Bangla News | Latest Bengali News.

Covid 19: লকডাউনের পথে না হেটে কড়া বিধি দিল্লির

arvind kejriwal covid

সংক্রমণের জেরে বিধ্বস্ত গোটা দেশ। সংক্রমণ বাড়ছে দেশের রাজধানীতেও। দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়াল খোদ করোনা আক্রান্ত। তবুও লকডাউনের পথে হাঁটতে চাইছে না রাজ্য। যদিও বিধিনিষেধের দিক থেকে আরও কড়াকড়ি করছে সরকার।

এবার রেস্তোরাঁর ক্ষেত্রে জারি হল নিষেধাজ্ঞা। দিল্লি সরকার নির্দেশিকা জারি করে জানিয়েছে, এখন থেকে রেস্তোরাঁয় বসে খাওয়া যাবেনা। চালু থাকবে ফুড অ্যাপগুলি। সেখান থেকে অর্ডার করে বাড়িতে বড় বসে রেস্তোরাঁর খাবার খাওয়া যাবে। সরাসরি রেস্তোরাঁ থেকেও খাবার হোম ডেলিভারি করা যাবে।

করোনার নতুন ভ্যারিয়েন্ট ওমিক্রন আতঙ্কেও কাঁপছে দিল্লি। ওমিক্রন সংক্রমণের নিরিখে তৃতীয় স্থানে রয়েছে দিল্লি। রাজ্যে এখনও পর্যন্ত ওমিক্রন আক্রান্তের সংখ্যা ৫০০-র গণ্ডি পার করেছে। গত ২৪ ঘন্টায় রাজধানীতে নতুন করে করোনা আক্রান্ত হয়েছেন ২২, ৭৫১ জন।

Bangladesh: দিল্লিকে পিছনে ফেলে বায়ুদূষণ দৌড়ে ঢাকা প্রথম

বিশ্ব জুড়ে দূষিত বাতাসের শহরের তালিকা বের হয়েছে। এই তালিকায় প্রথম স্থান অধিকার করেছে বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকা। ঠিক পিছনেই নয়াদিল্লি।

বৃহস্পতিবার দুপুরে ঢাকার বায়ু মানের সূচক (একিউআই) ছিল ১৯৭ যা ‘অস্বাস্থ্যকর’ হিসেবে বিবেচনা করা হয়েছে। একই সময়ে ভারতের রাজধানী দিল্লি ও উত্তর ম্যাসিডোনিয়ার স্কোপজ শহর যথাক্রমে ১৮৯ ও ১৮৪ একিউআই সূচক নিয়ে তালিকার দ্বিতীয় ও তৃতীয় অবস্থানে রয়েছে।

একিউআই নির্ধারণ করা হয় দূষণের পাঁচটি ধরণ বস্তুকণা (পিএম১০ ও পিএম২.৫), এনও২, সিও, এসও২ এবং ওজোন (ও৩) কে ভিত্তি করে।

গবেষণায় এসেছে, একিউআই সূচক ১৫১ থেকে ২০০ এর মধ্যে হলে নগরবাসীর স্বাস্থ্যের ওপর প্রভাব পড়তে পারে, বিশেষ করে শিশু, বৃদ্ধ ও রোগীরা স্বাস্থ্য ঝুঁকিতে পড়তে পারেন। 

একিউআই সূচক ২০১ থেকে ৩০০ এর মধ্যে হলে স্বাস্থ্য সতর্কতাসহ তা জরুরি অবস্থা হিসেবে বিবেচিত হয়। একিউআই সূচক ৩০১ থেকে ৫০০ বা তারও বেশি হলে বাতাসের মান ঝুঁকিপূর্ণ মনে করা হয়। 

প্রতিদিনের বাতাসের মান নিয়ে তৈরি করা একিউআই সূচক একটি নির্দিষ্ট শহরের বাতাস কতটুকু নির্মল বা দূষিত সে সম্পর্কে মানুষকে তথ্য দেয় এবং তাদের জন্য কোনো ধরনের স্বাস্থ্য ঝুঁকি তৈরি হতে পারে তা জানায়।

এই হিসেবে ঢাকা ও নয়াদিল্লি একে অপরকে টপকে যেতে মরিয়া দৌড় শুরু করেছে। এই দৌড় যে মরণ দৌড় তা স্পষ্ট বলেই মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।

Chandni Chowk Fire: চাঁদনি চকে আগুন, ঘটনাস্থলে দমকলের  ১২ ইঞ্জিন

maharashtra-covid-hospital-fire

দিল্লির চাঁদনি চকের লাজপত রাই মার্কেটে ভয়াবহ আগুন। দমকলের  ১২টি ইঞ্জিন ঘটনাস্থলে পৌঁছেছে। তবে আগুন লাগার কারণ কী তা নিয়ে এখনও কিছু জানা যায়নি। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, শর্ট সার্কিট থেকে আগুন লেগে থাকতে পারে। অনেক দোকান পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। এখনও পর্যন্ত অগ্নিকাণ্ডে প্রাণহানির কোনও তথ্য পাওয়া যায়নি। তবে ক্ষতির পরিমাণ প্রচুর। 

১২ টি দমকলের ইঞ্জিন, বিপুল সংখ্যক স্থানীয় লোক সাহায্যের কাজে হাত বাড়িয়েছে। দমকল সূত্রে খবর, তারা প্রথম ভোর ৫টা ৪৫ মিনিটে আগুন লাগার খবর পান। প্রায় ৬০টি দোকান আগুনের কবলে। প্রসঙ্গত, চাঁদনি চক বাজার সারাদেশে বিখ্যাত। ইলেকট্রনিক সামগ্রী ছাড়াও এখানে রয়েছে প্রচুর কাপড়ের দোকান। প্রতিদিন লাখ লাখ মানুষ কেনাকাটা করতে আসেন এই হাটে। চাঁদনি চক তার পরাঠা গলি ও সরু রাস্তার জন্যও বিখ্যাত।

Delhi: Fire breaks out at Lajpat Rai Market in Chandni Chowk; 12 fire tenders rushed to the site for firefighting

— ANI (@ANI) January 6, 2022

Delhi: রোগীদের স্বস্তি দিয়ে কাজে ফিরলেন আবাসিক চিকিৎসকরা

Delhi: Resident doctors return to work with relief for patients, relief in all quarters

News Desk: শেষ পর্যন্ত রোগী ও তাঁদের পরিবারের সদস্যদের স্বস্তি দিয়ে ধর্মঘট প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত নিলেন দিল্লির আবাসিক চিকিৎসকরা। শুক্রবার দুপুরের পর থেকেই তাঁরা কাজে ফেরেন। অবিলম্বে নিট-পিজির কাউন্সেলিংয়ের দাবিতে বিক্ষোভ দেখাচ্ছিলেন দিল্লির এইমস-সহ বিভিন্ন হাসপাতালের আবাসিক চিকিৎসকরা।

অভিযোগ, সে সময় পুলিশ তাঁদের উপর লাঠি চালায়। এমনকী, মহিলা চিকিৎসকদের সঙ্গে অভব্য আচরণ করে। পুলিশি নিগ্রহের প্রতিবাদ জানাতেই আবাসিক চিকিৎসকরা ধর্মঘটের পথে গিয়েছিলেন। চিকিৎসকরা স্পষ্ট জানিয়েছিলেন, পুলিশ ক্ষমা না চাওয়া পর্যন্ত তাঁদের এই বিক্ষোভ কর্মসূচিও ধর্মঘট চলবে।

চিকিৎসকদের ধর্মঘটের কারণে চরম সমস্যায় পড়েন রোগী ও তাঁদের আত্মীয়-স্বজনরা। কারণ বহু রোগীরই চিকিৎসা মিলছিল না বলে অভিযোগ। শেষ পর্যন্ত দিল্লি পুলিশের যুগ্ম কমিশনার ও আবাসিক চিকিৎসকদের সংগঠনের প্রতিনিধিদের সঙ্গে আলোচনায় এই সমস্যার সমাধান হয়।

আবাসিক চিকিৎসক সংগঠনের সভাপতি চিকিৎসক মণীশ সংবাদ সংস্থা এএনআইকে জানিয়েছেন, দিল্লি পুলিশের যুগ্ম কমিশনারের সঙ্গে আমাদের আলোচনা হয়েছে। ওই আলোচনায় পুলিশ জানিয়েছে, চিকিৎসকদের বিরুদ্ধে জারি হওয়া এফআইআরগুলি বাতিল করা হবে। ইতিমধ্যে সেই প্রক্রিয়াও শুরু হয়েছে। সে কারণেই আমরা ধর্মঘটের সিদ্ধান্ত থেকে সরে আসছি। শুক্রবার দুপুরের পর থেকেই ধর্মঘটী চিকিৎসকরা কাজ শুরু করবেন। 

পুলিশের পক্ষ থেকেও বিষয়টির সমাধান হওয়ার কথা স্বীকার করে নেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি চিকিৎসক ও পুলিশের মধ্যে সৌহার্দ্যপূর্ণ সম্পর্ক গড়ে তোলার ওপর জোর দেওয়া হয়েছে।

উল্লেখ্য, ২০২০ সালের ডিসেম্বর মাসের নিট পরীক্ষা হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু করোনা সংক্রমণের কারণে সেই পরীক্ষা পিছিয়ে যায়। শেষ পর্যন্ত চলতি বছরের সেপ্টেম্বর মাসে পরীক্ষা হলেও এখনও কাউন্সেলিং শুরু হয়নি। বছর শেষ হতে চললেও কাউন্সেলিং এখনও শুরু না হওয়ায় প্রবল ক্ষুব্ধ ছিলেন আবাসিক চিকিৎসকরা। সরকারের এই তুঘলকি আচরণের প্রতিবাদে পথে নেমেছিলেন দিল্লির বিভিন্ন হাসপাতালের চিকিৎসকরা। সে সময়ে চিকিৎসকদের বিক্ষোভ দমন করতে পুলিশ আসরে অবতীর্ণ হয় এবং আন্দোলনকারীদের উপর লাঠি চালায় বলে অভিযোগ। তবে লাঠি চার্জ বা মহিলা চিকিৎসকদের সঙ্গে অভব্য আচরণের অভিযোগ উড়িয়ে দিয়েছে পুলিশ। তাদের পাল্টা দাবি, চিকিৎসকরা গুরুত্বপূর্ণ রাস্তাগুলি বন্ধ করে প্রতিবাদ করছিলেন। রাস্তা থেকে সরিয়ে দেওয়ার জন্যই কয়েকজনকে টানাহেঁচড়া করা হয়েছিল।

Omicron: কলকাতায় এক লাফে দ্বিগুণ বাড়ল করোনা

third wave may not come: Experts

নিউজ ডেস্ক: কলকাতা, মুম্বই, দিল্লিতে দৈনিক করোনা আক্রান্তের সংখ্যা ক্রমশ বাড়ছে। দিল্লি, মুম্বইতে প্রায় ৪০% বৃদ্ধি পেয়েছে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা। কলকাতায় ২৪ ঘণ্টায় দ্বিগুণ বেড়েছে কোভিড। ওমিক্রন দাপট বাড়তেই দেশের এই গুরুত্বপূর্ণ শহরে আক্রান্তের সংখ্যা বেড়েছে।

দিল্লির স্বাস্থ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন, করোনার নমুনায় ৫৪% ক্ষেত্রে ওমিক্রন বাড়ছে। মুম্বইয়ে ৩৬৭১ জন নতুন করে করোনা আক্রান্ত হয়েছে। অর্থাৎ দৈনিক প্রায় ৪৬% সংক্রমণ বৃদ্ধি পেয়েছে। দিল্লিতে নতুন করে আক্রান্ত ১৩১৩ জন, অর্থাৎ আক্রান্ত ৪২% বৃদ্ধি পেয়েছে। কলকাতায় গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে ১০৯০ জন নতুন করে আক্রান্ত হয়েছে। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ইতিমধ্যেই ফ্লাইটে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছেন। লোকাল ট্রেন এবং উড়ান পরিষেবার জেরে ফের বাড়ছে কোভিড, এমনটাই জানিয়েছেন তিনি। 

মুম্বইয়ের পরিসংখ্যান বলছে, এক সপ্তাহে প্রায় ৫ গুণ বৃদ্ধি পেয়েছে করোনা। গত শুক্রবার যেখানে আক্রান্তের সংখ্যা ছিল ৬৮৩। এ সপ্তাহে তা ৩৬৭১। যদিও মৃত্যুহার অনেকটাই কম। স্বাস্থ্যমন্ত্রক জানিয়েছে, শহরের পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণে জোর দেওয়া হচ্ছে। মহারাষ্ট্র, পশ্চিমবঙ্গ, তামিলনাড়ু, দিল্লি, কর্ণাটক, গুজরাটের পরিস্থিতি ক্রমশই চিন্তিত করে তুলছে।

এদিকে, কলকাতায় ফের ওমিক্রন আক্রান্তের হদিশ মিলল। বৃহস্পতিবার নতুন করে ৫ জনের নমুনায় নয়া ভ্যারিয়েন্টের উপস্থিতি লক্ষ্য করা গিয়েছে। স্বাস্থ্য দফতরের তরফ থেকে জানানো হয়েছে, বিদেশ থেকে আসা ৬ জন করোনা আক্রান্তের নমুনা জিনোম সিকোয়েন্সিং করা হয়েছিল। তার মধ্যে ৫ জনই ওমিক্রন আক্রান্ত। এদের মধ্যে একটি পাঁচ বছরের শিশুও রয়েছে।

Covid 19: করোনা হামলায় ‘দিল্লি খতরে মে’, মুম্বইয়ে হাই এলার্ট

Covid 19: Corona attack threatens Delhi, high alert in Mumbai

News Desk: বেশ কয়েকটি রাজ্যে করোনা সংক্রমণের হার অনেকটাই বেড়েছে। ওমিক্রন আক্রান্তের সংখ্যাও প্রতিদিনই বাড়ছে। সংক্রমণ ছড়ানোর কারণে স্বাস্থ্যমন্ত্রক ৮ রাজ্যকে অবিলম্বে বিশেষ পদক্ষেপ নেওয়ার পরামর্শ দিল। প্রতিটি রাজ্যের হাসপাতালগুলিকে যাবতীয় প্রস্তুতি সেরে রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। 

স্বাস্থ্য মন্ত্রকের পরিসংখ্যান থেকে জানা গিয়েছে, শেষ ২৪ ঘন্টায় দেশে করোনা আক্রান্তের হার ৪৩ শতাংশ বেড়েছে। স্বাভাবিকভাবেই বেড়েছে অ্যাক্টিভ কেসের সংখ্যা। চেন্নাই , গুরুগ্রাম, বেঙ্গালুরু , আমেদাবাদ, দিল্লি, মুম্বইয়ের মত শহরে আক্রান্তের সংখ্যা অনেকটাই বেড়েছে। এর মধ্যে এদিন সবথেকে উদ্বেগজনক খবরটি এসেছে দিল্লি থেকে।

দিল্লির স্বাস্থ্যমন্ত্রী সত্যেন্দ্র জৈন বৃহস্পতিবার বিকেলে জানিয়েছেন, দিল্লিতে গোষ্ঠী সংক্রমণ শুরু হয়েছে। দিল্লিতে নতুন করে যারা করোনা আক্রান্ত হয়েছেন তাদের মধ্যে ৪৬ শতাংশ ওমিক্রন আক্রান্ত।

বুধবার দিল্লিতে ৯২৩ জন আক্রান্ত হয়েছেন। তবে মৃত্যুর কোনও খবর নেই। করোনা আক্রান্তদের চিকিৎসায় প্রতিটি সরকারি ও বেসরকারি হাসপাতালকে সতর্ক থাকার পরামর্শ দিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী।

বাণিজ্যনগরী মুম্বইতেও করোনা আক্রান্তের সংখ্যা উল্লেখযোগ্য হারে বেড়েছে। মুম্বাইয়ে করোনা পজিটিভিটির হার ৪ শতাংশ। সংক্রমণের কারণে ইতিমধ্যেই মুম্বইয়ে জারি করা হয়েছে ১৪৪ ধারা। ৭ জানুয়ারি পর্যন্ত ১৪৪ ধারা জারি থাকবে। নববর্ষ উদযাপনের সমস্ত অনুষ্ঠানই বাতিল করা হয়েছে। রেস্তোরাঁ, হোটেল, পাব, বার-সহ প্রতিটি জায়গাতেই জমায়েত নিষিদ্ধ বলে ঘোষণা করেছে পুলিশ।

স্বাস্থ্য মন্ত্রকের পরিসংখ্যান থেকে জানা গিয়েছে মহারাষ্ট্র, গুজরাট, রাজস্থান, তেলেঙ্গানা, তামিলনাড়ু, কর্নাটক, অন্ধপ্রদেশ, হরিয়ানা প্রভৃতি রাজ্যে ওমিক্রন আক্রান্তের সংখ্যা উদ্বেগজনকভাবে বাড়ছে।

Delhi: ওমিক্রন রুখতে জারি হলুদ সতর্কতা, অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ স্কুল-কলেজ

Delhi: Yellow warning issued to stop Omicron, school-college closed indefinitely

News Desk: যত দিন যাচ্ছে আরও তীব্র হচ্ছে ওমিক্রনের আতঙ্ক। দেশজুড়ে বাড়ছে সংক্রমিতের সংখ্যা। রাজধানী দিল্লিতে ইতিমধ্যেই ওমিক্রন সংক্রমিতের সংখ্যা ১০০-র গণ্ডি পেরিয়েছে। এই পরিস্থিতিতে বড় সিদ্ধান্ত নিল দিল্লি সরকার। রাজধানীজুড়ে জারি হল হলুদ সতর্কতা।

করোনার বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা করতে মঙ্গলবার একটি জরুরী বৈঠকের আয়োজন করা হয়। এই বৈঠকের পরই হলুদ সতর্কতা জারি করেছে কেজরিওয়ালের সরকার।

আগামী বুধবার থেকে বন্ধ রাখা হচ্ছে স্কুল-কলেজ সহ বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এবং সিনেমা হল। তবে ‘অড এবং ইভেন’ পদ্ধতিতে শপিং মল খোলা রাখার অনুমতি দেওয়া হয়েছে। দিল্লি সরকারের তরফে আরও জানানো হয়েছে, ৫০ শতাংশ কর্মচারী নিয়ে অফিস খোলা থাকবে।

পুনরায় কবে স্কুল খোলা হবে সেবিষয় পরবর্তীকালে আলোচনার মাধ্যমে জানাবে দিল্লি সরকার। উল্লেখ্য, দিল্লির স্কুলগুলিতে আগামী বছরের ১ জানুয়ারি থেকে ১৫ জানুয়ারি পর্যন্ত শীতকালীন ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে।

Delhi Night Curfew: আজ থেকে দিল্লিতে ফের নাইট কার্ফু

Covid 19: 6 thousand infected in one day in the country, 351 deaths in Corona

নিউজ ডেস্ক: বাড়ছে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা। দিল্লিতে আজ থেকে ফের নাইট কার্ফু (night curfew) জারির সিদ্ধান্ত নিল প্রশাসন। রাত ১১টা থেকে ভোর ৫টা পর্যন্ত জারি থাকবে নিয়ন্ত্রণ বিধি।

গত ২৪ ঘণ্টায় দিল্লিতে ২৯০ জন করোনায় সংক্রমিত হয়েছেন। ১০ জুনের পর রাজধানীতে এই সংখ্যা একদিনে সর্বাধিক। এই মুহূর্তে সেখানে সক্রিয় আক্রান্তের সংখ্যা ১১০৩। গত ২৪ ঘণ্টায় ১ জনের মৃত্যু হয়েছে। এনিয়ে দিল্লিতে মোট মৃতের সংখ্যা ২৫,১০৫।

এদিকে ওমিক্রন নিয়ে আশার কথা শুনিয়েছেন দিল্লির লোক নায়ক জয়প্রকাশ নারায়ণ হাসপাতালের এমডি তথা চিকিৎসক সুরেশ কুমার(Suresh Kumar)। তাঁর মতে, নতুন ভ্যারিয়েন্টে আক্রান্তদের অক্সিজেন সাপোর্ট, স্টেরয়েড, রেমডিসিভির বা ভেন্টিলেটরের প্রয়োজন পড়ছে না। এক সর্বভারতীয় সংবাদ সংস্থাকে তিনি বলেন, ‘আমাদের কাছে যে সব রোগী আসছেন, তাঁদের মধ্যে অধিকাংশই উপসর্গহীন বা অল্প উপসর্গযুক্ত। সব রোগীই সেরে উঠছেন। একজন রোগীরও অক্সিজেন সাপোর্ট, স্টেরয়েড, রেমডিসিভির বা ভেন্টিলেটরের প্রয়োজন পড়েনি।‘

তিনি জানান, এখনও ‘পর্যন্ত এলএনজিপি হাসপাতালে এসেছেন ৫১ জন ওমিক্রন আক্রান্ত। যার মধ্যে ৪০ জনই সুস্থ হয়ে গেছেন। তাঁদের ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। এখন ১১ জনের চিকিৎসা চলছে। আজ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর হয়ে ওমিক্রনে আক্রান্ত সন্দেহে আরও ১০ জন এসেছেন। আমরা তাঁদের নমুনা জিনোমিক সিক্যুয়েন্সিংয়ের জন্য পাঠিয়েছি। এদিকে কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রকের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, এখনও পর্যন্ত দেশে ৪২২ জন ওমিক্রন ভ্যারিয়েন্টে আক্রান্ত হয়েছেন। 

তবে এবার মধ্যপ্রদেশ ও হিমাচলপ্রদেশেও ওমিক্রন আক্রান্তের হদিশ মিলল। এই নিয়ে দেশের ১৯টি রাজ্যে ওমিক্রন সংক্রমণ ছড়াল।

Delhi: নৃশংসভাবে মাথা থেঁতলে খুন, জখম আরও এক

delhi-police

News Desk: এক নারকীয় ঘটনার সাক্ষী হল রাজধানী দিল্লি। রাস্তার উপর পিটিয়ে মারা হল বছর কুড়ির এক তরুণকে। গণপ্রহার গুরুতর জখম অবস্থায় হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আরও একজন।

সোমবার রাতে দিল্লির সঙ্গম বিহারে (sangam bihar) এই চাঞ্চল্যকর ঘটনা ঘটে। ওই মারধরের ঘটনাটি স্থানীয় সিসিটিভি ফুটেজে ধরা পড়েছে। সিসিটিভি ফুটেজ ভাইরাল হতেই বিষয়টি নিয়ে তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। ইতিমধ্যেই রমজান আলি নামে একজনকে এই ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে গ্রেফতার করা হয়েছে।

দিল্লি পুলিশ জানিয়েছে, সোমবার রাতে পঙ্কজ ও যতীন নামে দুই বন্ধু তাদের এক বন্ধুর জন্মদিনের পার্টি থেকে বাড়ি ফিরছিল। যতীন এবং পঙ্কজ দুজনেরই বয়স ২০-২১ এর মধ্যে। সঙ্গম বিহার এলাকায় তাদের কয়েকজন ঘিরে ধরে। এরপর তাদের ওপর চলে কিল-ঘুসি। পঙ্কজ ও যতীন রাস্তার উপর পড়ে গেলে তাদের মাথা পাথর দিয়ে থেঁতলে দেওয়া হয়।

গুরুতর জখম দুই যুবককে রাস্তার পাশে নর্দমায় ফেলে দিয়ে অভিযুক্তরা সকলেই চম্পট দেয়। ওই দুই তরুণের পকেটে থাকা হাজার তিনেক টাকাও ছিনিয়ে নেয় অভিযুক্তরা।

সোমবার রাতে এই ঘটনা ঘটলেও পুলিশ খবর পায়ে মঙ্গলবার বিকেলের দিকে। দুষ্কৃতীদের মারে গুরুতর জখম পঙ্কজ থানায় গিয়ে অভিযোগ দায়ের করেন। যতীনকে হাসপাতালে ভর্তি করা হলেও তাকে বাঁচানো যায়নি। গুরুতর জখম পঙ্কজ এইমসের ট্রমা কেয়ার সেন্টারে ভর্তি।

যতীনের মৃত্যুতে পুলিশ এই ঘটনায় একটি খুনের মামলা দায়ের করেছে। সঙ্গম বিহারের এই গণপিটুনির কথা স্বীকার করে নিয়েছেন দিল্লির অতিরিক্ত ডেপুটি পুলিশ কমিশনার হর্ষবর্ধন মন্ডব্য। তিনি বলেছেন, সিসিটিভির ফুটেজ দেখে অভিযুক্তদের শনাক্ত করার চেষ্টা চলছে। ওই ঘটনায় ৮ জন জড়িত রয়েছে বলে দেখা গিয়েছে। ওই ওই ঘটনায় জড়িতদের খুঁজে বের করতে তল্লাশি চলছে।

ইতিমধ্যেই রমজান আলি নামে একজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করে বাকিদের খোঁজার চেষ্টা চলছে। আশা করছি খুব শীঘ্রই এই ঘটনায় জড়িত সকলেই গ্রেফতার হবে। সঙ্গম বিহারের এই ঘটনা আরও একবার দিল্লির আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি বেআব্রু করে দিল বলে অভিযোগ।

Omicron: দিল্লিতে বড়দিনের বিধিনিষেধ, জমাটি ভিড়ে দিল দরিয়া কলকাতা

Omicron: Christmas restrictions in Delhi, Darya Kolkata crowded the deposit

News Desk: করোনার নতুন ভ্যারিয়েন্ট ওমিক্রন নিয়ে বাড়ছে উদ্বেগ। দিল্লিতে লাফিয়ে বাড়ছে ওমিক্রন আক্রান্তের সংখ্যা। বুধবার পর্যন্ত রাজধানীতে মোট ৫৭ জনের শরীরে এই ভ্যারিয়েন্টের হদিশ মিলেছে। এই পরিস্থিতিতে ওমিক্রন ঠেকাতে নতুন নির্দেশিকা জারি করল দিল্লির বিপর্যয় মোকাবিলা পর্ষদ। ফলে বড়দিনের উৎসবে কিছু বিধিনিষেধ আরোপ হচ্ছে।

দিল্লি বিপর্যয় মোকাবিলা পর্ষদ নির্দেশিকার মাধ্যমে বড়দিন এবং নতুন বছরের উদযাপনে অধিক জমায়েতের ক্ষেত্রে নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে। নিষিদ্ধ করা হয়েছে যেকোনো ধরনের অনুষ্ঠানও। নির্দেশিকা জারি হওয়ার পরই প্রশাসনের আধিকারিক এবং দিল্লি পুলিশকে এই নির্দেশিকা পালন করার নির্দেশ দেওয়ার পাশাপাশি প্রতিদিন রিপোর্ট জমা দিতে হবে। দিল্লির সাধারণ মানুষেরা যাতে করোনা বিধি মেনে মাস্ক ও স্যানিটাইজার ব্যবহার করে সেদিকেও লক্ষ্য রাখতে হবে।

উল্লেখ্য, ওমিক্রন সংক্রমণ রুখতে আগামীদিনে কী কী ব্যবস্থা নেওয়া যেতে পারে সে বিষয়ে পর্যালোচনা করতে বৃহস্পতিবার বৈঠক করবেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। বৈঠকে উপস্থিত থাকবেন কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রী, স্বাস্থ্যসচিব এবং বিভিন্ন রাজ্যের স্বাস্থ্য অধিকর্তারা।

দিল্লিতে বিধিনিষেধ হলেও কলকাতা কিন্তু দিল দরিয়া। আসছে বড়দিন। রাজপথে ভিড় বাড়বে। জমাটি ভিড়ে মত্ত হচ্ছে কলকাতা।

Delhi Corona Cases: দিল্লিতে ফের রেকর্ড হারে বাড়ল করোনা আক্রান্তের সংখ্যা

Covid 19: 6 thousand infected in one day in the country, 351 deaths in Corona

নিউজ ডেস্ক, নয়াদিল্লি: গত ২ দিনে দিল্লিতে রেকর্ড সংখ্যক মানুষ করোনায় (Corona) আক্রান্ত হলেন। পরিসংখ্যান অনুযায়ী, রবিবার সেখানে ১০৭ জন করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন। ২৭ জুনের পর যা সর্বোচ্চ। ১ জনের মৃত্যুও হয়েছে। রাজধানীর স্বাস্থ্য বিভাগের তরফে বলা হয়েছে, কোভিড-১৯ এ পজিটিভিটির হার ০.১৭% হয়েছে। ২৭ জুনের পর প্রথমবার এত রোগী একসঙ্গে কোভিডে আক্রান্ত হল। 

এর আগে শনিবার, দিল্লিতে ৮৬ টি নতুন কোভিড কেস ধরা পড়েছিল, তার একদিন আগে ৬৯টি নতুন কেস রিপোর্ট করা হয়েছিল। এক সর্বভারতীয় সংবাদসংস্থা জানিয়েছে, ডিসেম্বরে এখনও পর্যন্ত, দিল্লিতে কোভিড-১৯ এর কারণে ৩টি মৃত্যু হয়েছে। নভেম্বরের শুরুতে ৭টি মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে, যেখানে অক্টোবরে ৪টি এবং সেপ্টেম্বরে ৫টি।

শুক্রবার ওমিক্রন ভ্যারিয়েন্টে সংক্রমিত রোগীর মোট সংখ্যা ১২ থেকে লাফিয়ে ২২-এ পৌঁছেছে। শনিবার দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়াল বলেন, ‘আমার সরকার ওমিক্রন সংক্রমণ মোকাবিলা করতে প্রস্তুত। মহামারী থেকে শিক্ষা নিয়েছে আমার সরকার। আমরা সবার কাছ থেকে সাহায্য নিয়েছি এবং একসাথে আমরা এটি নিয়ন্ত্রণে এনেছি।’ 

উল্লেখ্য, ইতিমধ্যে প্রায় ৯০টি দেশে ছড়িয়ে পড়েছে ওমিক্রন। এই পরিস্থিতিতে চলতি বছরে ডেল্টা ভ্যারিয়েন্টের জেরে যেভাবে করোনার দ্বিতীয় ঢেউ ছড়িয়ে পড়েছিল, তার থেকেও দ্রুত গতিতে ছড়িয়ে পড়তে পারে নতুন ভ্যারিয়েন্ট। কারণ এর সংক্রমণ হার উচ্চমাত্রার। ভারতের স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের একটা বড়ো অংশ এমনই আশঙ্কা করছেন। তাঁদের মতে, পরের বছর ফেব্রুয়ারিতে করোনার তৃতীয় ঢেউয়ের সম্ভাবনা রয়েছে। বিভিন্ন প্রমাণে দেখে গেছে, ওমিক্রন ভ্যারিয়েন্ট বহু গুণ দ্রুত ছড়িয়ে পড়তে পারে। যার জেরে সংক্রমণের হারও বাড়বে তাড়াতাড়ি। তাছাড়া ডেল্টার থেকেও এই ভ্যারিয়েন্ট রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমিয়ে দিতে বেশি সক্ষম। তবে, অধিকাংশই বাড়িতে সুস্থ হয়ে উঠছেন। 

Swarnim Vijay Parv: মৃত্যুর আগে শেষ ভিডিও বার্তায় কী বলেছিলেন সেনা সর্বাধিনায়ক বিপিন রাওয়াত?

নিউজ ডেস্ক: চলতি মাসের ৮ তারিখে তামিলনাড়ুর কন্নুরে (Kunnur) কপ্টার ভেঙে প্রাণ হারিয়েছেন সেনা সর্বাধিনায়ক (Chief of Defence Staff) বিপিন রাওয়াত। ওই দুর্ঘটনার ঠিক আগের দিন অর্থাৎ মঙ্গলবার এক বিশেষ অনুষ্ঠানের জন্য রাওয়াতের (Bipin Rawat) একটি বক্তব্য রেকর্ড করা হয়েছিল। রেকর্ড করা সেই বক্তব্যটি রবিবার শোনান হল সেনাবাহিনীর ওই অনুষ্ঠানে। এখন দেখা যাক ওই অনুষ্ঠানে (Swarnim Vijay Parv) রাওয়াত কী বার্তা রেখেছিলেন।

১৯৭১-এর মুক্তিযুদ্ধে পাকিস্তানকে হারানোর ৫০ বছর পূর্তি উপলক্ষে রবিবার ‘স্বর্ণিম বিজয় পর্বের’ (Swarnim Vijay Parbo) উদ্বোধনী অনুষ্ঠান হল। সেই অনুষ্ঠানেই শোনা গেল বিপিন রাওয়াতের গলা। সশরীরে না থাকলেও এদিনের অনুষ্ঠানে প্রতিটি পরোতে পরোতে জড়িয়েছিল রাওয়াতের উপস্থিতি। দুর্ঘটনার ঠিক আগের দিনই রাওয়াতের এই বক্তব্য রেকর্ড করা হয়েছিল। হায়রে নিয়তি! তখনও রাওয়াত নিজে বা অন্যরা কেউই জানতেন না যে, ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই রাওয়াত অতীতে পরিণত হবেন।

রবিবার ইন্ডিয়া গেটে ‘স্বর্ণিম বিজয় পর্ব’ অনুষ্ঠানে রাওয়াতের সেই বক্তব্য শোনানো হয়। সেখানেই রাওয়াত দেশের সেনাবাহিনীর উচ্ছ্বসিত প্রশংসা করেছেন। তিনি বলেছেন, “আমরা আমাদের বীর সেনানীদের জন্য গর্বিত। আসুন সবাই মিলে আমরা আজ বিজয় পর্ব পালন করি। স্বর্ণিম বিজয় পর্ব উপলক্ষে দেশের সাহসী যোদ্ধাদের আমার আন্তরিক অভিনন্দন। ১৯৭১ সালে ভারতীয় সেনাবাহিনীর জয়ের ৫০ বছর পূর্তি উদযাপন করতে আমরা বিজয় পর্ব পালন করছি। সেই যুদ্ধে যে সব অসীম সাহসী বীর সেনা আত্মবলিদান দিয়েছিলেন আমরা তাঁদের শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করি। সেই যুদ্ধে যারা অংশ নিয়েছিলেন আমরা তাঁদের প্রত্যেককে শ্রদ্ধা জানাই।”

একইসঙ্গে রাওয়াত তাঁর সেদিনের রেকর্ডিং-এ জানিয়েছিলেন, ইন্ডিয়া গেটে ১২ থেকে ১৪ ডিসেম্বর বিজয় উৎসব পালিত হবে। দেশের সমস্ত মানুষকে এই অনুষ্ঠানে অংশ নেওয়ার আমন্ত্রণ জানাই। কিন্তু একেই বোধহয় বলে নিয়তির পরিহাস। যিনি আমন্ত্রণ জানালেন অর্থাৎ যিনি জ্ঞগ্যের হোতা তিনি আজ নেই। তাই আজকের এই স্বর্ণিম বিজয় পর্ব দেখে মনে হল অনেকটা যেন শিবহীন জ্ঞগ্য চলছে। তবে সশরীরে না থেকেও কিন্তু রয়ে গিয়েছেন রাওয়াত। বিজয় পর্বের সূচনাতেই শোনা গেল তাঁর কণ্ঠস্বর। রাওয়াতের এই কণ্ঠস্বর পুরো অনুষ্ঠানের পরিবেশটাই পাল্টে দিয়ে গেল নিমিষে। স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন উঠল রাওয়াত কি বুঝতে পেরেছিলেন যে, ১২ ডিসেম্বর তিনি আর ইহলোকে থাকবেন না। তাই তিনি নিজের বক্তব্য রেকর্ড করে রেখেছিলেন।

রাওয়াত যে শুধু একজন কঠিন হৃদয়ের সেনানায়ক ছিলেন তা নয়। তাঁর এই কাঠিন্যের পিছনে লুকিয়ে ছিল একটি নরম মন। রাওয়াত ও তাঁর স্ত্রী মধুলিকার সেই উত্তরাধিকার বহন করছেন তার দুই কন্যা কৃতিকা ও তারিণী। বুধবার দুর্ঘটনায় রাওয়াতের সঙ্গেই প্রাণ হারিয়েছিলেন লেফটেন্যান্ট কর্নেল হরজিন্দর সিং। সনাক্ত না হওয়ায় এতদিন হরজিন্দরের দেহ পায়নি তাঁর পরিবার। সনাক্তকরণের পর রবিবার হরজিন্দরের দেহ তুলে দেওয়া হয় তাঁর পরিবারের হাতে। রবিবার দিল্লির ব্রার শ্মশানে শেষকৃত্য সম্পন্ন হয় হরজিন্দরের।

এদিন শেষকৃত্যানুষ্ঠানে হরজিন্দরের স্ত্রী মেনজেস অ্যাগনেসের পাশে আগাগোড়া ছিলেন রাওয়াতের দুই মেয়ে। নিজেদের শোক ও দুঃখ বুকে চেপে রেখে এদিন আগাগোড়াই হরজিন্দরের স্ত্রীর হাত ধরে ছিলেন কৃতিকা ও তারিণী। হরজিন্দরের ১২ বছরের ছোট্ট মেয়ে প্রীতিকে বুকে জড়িয়ে ধরলেন এই দুই বোন। মুছে দিলেন চোখের জল। ভরসা জোগালেন, তাঁরাও পাশে আছেন। বোঝালেন অ্যাগনেস ও প্রীতি কিছুই হারাননি, বরং তাঁদের সামনে অনেক কিছু পাওয়ার আছে। সেই লক্ষ্যেই তাঁদের উঠে দাঁড়াতে হবে। হরজিন্দরের চিতার আগুন যখন দাউদাউ করে জ্বলছে তখন সব শোক ও দুঃখ যেন মিলেমিশে একাকার হয়ে গেল যমুনায়। কৃতিকা ও তারিণী তাঁদের এই কৃতকর্মের মধ্য দিয়ে বুঝিয়ে দিলেন, মা-বাবার প্রকৃত উত্তরাধিকার বহন করছে তাঁদের দুই মেয়ে।

বেসরকারিকরণের পথে দিল্লির ঐতিহ্যশালী অশোক হোটেল

Delhi's traditional Ashoka Hotel

নিউজ ডেস্ক, নয়াদিল্লি: হোটেল চালিয়ে আর আগের মতো লাভের মুখ দেখা যাচ্ছে না। বরং দৈনন্দিন খরচ চালাতে গিয়ে নাজেহাল হতে হচ্ছে সরকারকে। দিন দিন বাড়ছে লোকসানের বোঝা। সেকারণে ৬৫ বছরের পুরনো দিল্লির অশোক হোটেলকেও (hotel ashok) এবার বেসরকারিকরণ করতে চলেছে নরেন্দ্র মোদি সরকার (modi goverment)। দেশের ঐতিহ্যশালী প্রতিষ্ঠানগুলির মধ্যে অশোক হোটেল অন্যতম।

৬৫ বছরের পুরনো (65 years old) এই হোটেলটির অনেক আসবাবপত্রই এখন বদলের সময় হয়ে গিয়েছে। নতুন আসবাবপত্র কেনা থেকে হোটেলের রক্ষণাবেক্ষণ ও নতুন করে সাজিয়ে তুলতে কম করে ৪০০ থেকে ৫০০ কোটি টাকা খরচ হবে বলে বিশেষজ্ঞরা (expert) জানিয়েছেন। কিন্তু নরেন্দ্র মোদি সরকার আর সেই খরচের বোঝা বহন করতে পারছে না। সে কারণেই অশোক হোটেলও বেসরকারিকরণের (privatization) কথা ভাবছে সরকার।

উল্লেখ্য, দিল্লির এই হোটেলে বহু সরকারি অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। আয়োজন করা হয় বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সেমিনারের। সরকারি অতিথিদের থাকার জন্যও এই ঐতিহ্যশালী হোটেলটিতে ব্যবস্থা করা হয়। কিন্তু খরচ চালাতে না পেরে শেষ পর্যন্ত এই ঐতিহ্যশালী হোটেলটিও বেসরকারিকরণের চিন্তাভাবনা। সূত্রের খবর এই হোটেল বেসরকারিকরণের পরিকল্পনা প্রায় তৈরি হয়ে গিয়েছে। প্রাথমিক পর্যায়ে সরকার এই হোটেলটি ৬০ বছরের জন্য কোন বেসরকারি সংস্থাকে ইজারা বা লিজ দিতে চায়।

লিজ দিয়ে এককালীন একটা মোটা অংকের অর্থ ঘরে তোলার পাশাপাশি প্রতি বছর সংস্থার বার্ষিক লাভের একটি অংশও দাবি করতে পারে কেন্দ্র। নতুন করে যে সংস্থার হাতে এই হোটেলের দায়িত্ব বর্তাবে তাকেই অশোক হোটেলের রক্ষণাবেক্ষণ ও অন্দরসজ্জার কাজ করে নিতে হবে। প্রয়োজনে সংশ্লিষ্ট সংস্থা হোটেলের ভিতরের নির্মাণও ভেঙেচুরে নতুন করে গড়ে নিতে পারে। তবে যেহেতু এটি ঐতিহ্যবাহী প্রতিষ্ঠান তাই বাইরের আকারে কোনও বদল করা যাবে না। যে কোনও ধরনের বদলের ক্ষেত্রেই হোটেলের ঐতিহ্য ধরে রাখতে হবে।

জানা গিয়েছে, চলতি আর্থিক বছরের মধ্যেই এই হোটেলটির বেসরকারিকরণ প্রক্রিয়া চূড়ান্ত করতে চাই কেন্দ্র। সেই লক্ষ্যে দ্রুত কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভা অশোক হোটেলের বেসরকারিকরণের প্রস্তাবে ছাড়পত্র দিতে পারে। তবে মন্ত্রিসভার অনুমোদন মিললেও শীঘ্রই বেসরকারিকরণ করা যাবে কিনা তা নিয়ে বিশেষজ্ঞরা প্রশ্ন তুলেছেন। উল্লেখ্য, চলতি অর্থবছরের বাজেট প্রস্তাবে অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারমন বিভিন্ন রাষ্ট্রায়ত্ত সংস্থার বেসরকারীকরণের মাধ্যমে যে বিপুল টাকা আনার প্রস্তাব রেখেছিলেন তার ধারেকাছেও পৌঁছানো সম্ভব হয়নি। সে কারণেই তড়িঘড়ি অশোক হোটেলকেও বেসরকারিকরণের চেষ্টা শুরু হয়েছে।

পরীক্ষা দিয়ে বের হতেই ছুরির গায়ে ফালাফালা হল দিল্লির চার ছাত্র

Stabbed Outside Delhi School After Exam

নিউজ ডেস্ক, নয়াদিল্লি: শনিবার পূর্ব দিল্লির ময়ূরবিহার (mayurbihar) এলাকায় সর্বোদয় বাল বিদ্যালয় নামে একটি স্কুলে পরীক্ষা (exanination) দিতে গিয়েছিল চার ছাত্র। নির্বিঘ্নেই পরীক্ষা শেষ হয়েছিল তাদের। পরীক্ষা শেষে পরীক্ষাকেন্দ্র (examination centre) থেকে বের হতেই তাদের উপর ছুরি নিয়ে ঝাঁপিয়ে পড়ে আরও কয়েকজন ছাত্র। প্রাণ বাঁচাতে ওই ছাত্ররা স্কুল লাগোয়া একটি পার্কের দিকে ছুটে পালানোর চেষ্টা করে। কিন্ত তাদের ধাওয়া করে ধরে ফেলে হামলাকারীরা। এরপর ওই পার্কের মধ্যেই ছুরি দিয়ে চার ছাত্রকে এলোপাথাড়ি কোপানো (srabbing) হয়।

এ ঘটনায় জখম হওয়া ওই চার ছাত্রকে সঙ্গে সঙ্গেই স্থানীয় লাল বাহাদুর শাস্ত্রী হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসার পর তিন জনকে ছেড়ে দেওয়া হলেও একজনের অবস্থা সঙ্কটজনক। বর্তমানে ওই ছাত্র ট্রমা বিভাগে চিকিৎসাধীন আছে। স্থানীয় বাসিন্দারাই পাণ্ডবনগর থানায় ফোন করে পুলিশকে ওই সংঘর্ষের কথা জানান। কিছুক্ষণের মধ্যেই ঘটনাস্থলে আসে পুলিশ যদিও ততক্ষণে হামলাকারীরা ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায়।

পুলিশ জানিয়েছে, আক্রান্ত চার ছাত্র হল ফৈজান, আয়ুষ, রেহান ও গৌতম। আহত চার ছাত্রই ত্রিলোকপুরী গভর্নমেন্ট বয়েজ সিনিয়র সেকেন্ডারি স্কুলের ছাত্র। আক্রান্তদের সকলের বয়স ১৫ থেকে ১৬-র মধ্যে। কেন এই ঘটনা ঘটল সে বিষয়ে পুলিশ কিছু জানাতে পারেনি। তবে এই ঘটনার পিছনে কোনও পুরনো শত্রুতা আছে কিনা তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ। ইতিমধ্যেই পলাতক ছাত্রদের চিহ্নিত করতে এলাকার সিসিটিভির ফুটেজ খতিয়ে দেখছে পুলিশ। হামলাকারীরা সকলেই সর্বোদয় বাল বিদ্যালয়ের ছাত্র বলে পুলিশের অনুমান। রবিবার দুপুরে সন্দেহভাজন দুই ছাত্রকে আটক করেছে পুলিশ। তাদেরকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। পুলিশের অনুমান ধৃতদের জেরা করে হামলাকারী বাকি ছাত্রদের সন্ধান মিলবে।

Bipin Rawat: যেভাবে হবে প্রয়াত জেনারেলের শেষ শ্রদ্ধা

bipin rawat

News Desk: প্রয়াত ‘চিফ অফ্ ডিফেন্স স্টাফ’ জেনারেল বিপিন রাওয়াত (Bipin Rawat) এবং তাঁর স্ত্রী মধুলিকা রাওয়াত-এর শেষকৃত্য শুক্রবার দিল্লি ক্যান্টনমেন্টে সম্পন্ন হবে। পিআইবি জানাচ্ছে জেনারেল রাওয়াতকে শেষ শ্রদ্ধা জানানোর জন্য প্রস্তুতি চলছে দিল্লিতে। বৃহস্পতিবার বিকেলে তামিলনাড়ুর সুলুর বিমানঘাঁটি থেকে বায়ুসেনার বিশেষ বিমানে তাঁদের দেহ দিল্লিতে আনা হবে।

শুক্রবার তামিলনাড়ুর ওয়েলিংটনে, প্রয়াত CDS-কে শ্রদ্ধা জানাবেন, সেনাপ্রধান জেনারেল নারাভনে, বায়ু সেনাপ্রধান এয়ার চিফ মার্শাল ভি আর. চৌধুরী, নৌসেনা প্রধান আর. হরিকুমার।

শুক্রবার বেলা ১১টা থেকে দুপুর ২টো পর্যন্ত সাধারণ মানুষ ও গুণমুগ্ধরা ভারতের প্রথম CDS রাওয়াতকে শেষ শ্রদ্ধা জানাতে পারবেন। এরপর দিল্লি ক্যান্টনমেন্টের ব্রারস্কোয়ার অন্তেষ্টিস্থলে পূর্ণ সামরিক মর্যাদায় হবে শেষকৃত্য।

বুধবার দুপুরে তামিলনাড়ু নীলগিরি জেলার কুন্নুরের কাছে সস্ত্রীক বিপিন রাওয়াত সহ ১৪ জন আরোহীকে নিয়ে রুশ MI17 V-5 হেলিকপ্টার ভেঙে পড়ে। এতে বিপিন রাওয়াত ও তাঁর স্ত্রী মধুলিকা ছাড়াও সাতজন সেনা আধিকারিক ছিলেন। দুর্ঘটনায় একমাত্র জীবিত গ্রুপ ক্যাপ্টেন বরুণ সিং গুরুতর অগ্নিদগ্ধ অবস্থায় হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।

Parliament With Liquor: সংসদে মদের বোতল হাতে নিয়ে হাজির বিজেপি সাংসদ

parliament-with-liquor

নিউজ ডেস্ক, নয়াদিল্লি : সোমবার সংসদে বিজেপি (BJP) সাংসদ পারভেশ সাহিব সিং ভার্মা (Parvesh Sahib Singh Verma) মদের বোতল হাতে নিয়ে হাজির হলেন। তাঁর অভিযোগ মদ্যপানে উৎসাহ দিচ্ছে দিল্লি সরকার।

পারভেশ সাহিব সিং ভার্মা বলেন, ‘করোনার (COVID-19)র সময় যখন ২৫,০০০ মানুষ মারা গিয়েছিল, দিল্লি (Delhi) সরকার এই কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে মদের ব্যবহার বৃদ্ধির লক্ষ্যে একটি নতুন আবগারি নীতি তৈরি করতে ব্যস্ত ছিল। আজ, ৮২৪ টি নতুন মদের দোকান খোলা হয়েছে। আবাসিক এলাকা, কলোনি, গ্রাম, নন-কনফর্মিং অঞ্চলেও মদের দোকান খুলছেন মানুষ।

রাত ৩টে পর্যন্ত মদের দোকান খোলা থাকবে, মহিলারা বারে রাত ৩টে পর্যন্ত পান করলে ছাড় দেওয়া হবে। অ্যালকোহল সেবনের বয়সসীমা ২৫ থেকে ২১-এ নামিয়ে আনা হয়েছে।’ তাঁর মতে, ‘এর পিছনে উদ্দেশ্য হল মুখ্যমন্ত্রী সর্বাধিক রাজস্ব উপার্জন করতে চান। যাতে তিনি নিজের প্রচার অভিযানকে প্রসারিত করতে পারেন। তিনি ২০২২ সালের বিধানসভা নির্বাচনের প্রচারের জন্য পাঞ্জাবে গিয়েছিলেন এবং বলেছিলেন যে তিনি অ্যালকোহল সংস্কৃতির অবসান ঘটাবেন। কিন্তু তা না করে তিনি দিল্লিতে মদ্যপান বাড়াচ্ছেন।

দিল্লি সরকারের নতুন আবগারি নীতি অনুসারে ১ অক্টোবর থেকে দিল্লিতে ব্যক্তিগত মদের দোকানগুলি বন্ধ করে দেওয়া হয়েছিল। তবে এখন দোকানগুলি আবার খুলেছে।’

India Russia Summit: আগামী দিনে ভারত রাশিয়া সম্পর্ক আরও উন্নত হবে, দাবি পুতিন-মোদীর

PM Modi meets Putin

নিউজ ডেস্ক, নয়াদিল্লি: নির্দিষ্ট সময়সূচি মেনেই সোমবার রাজধানী দিল্লির হায়দরাবাদ হাউসে (hyderabad house) রাশিয়ার (Russia) প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির (Vladimir Putin) পুতিনের সঙ্গে বৈঠক করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী (narendra modi)। এদিন বৈঠকে দুই রাষ্ট্রনেতা সন্ত্রাস দমন-সহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে কাজ করার বিষয়ে একমত হলেন।

এদিনের বৈঠকের শুরুতেই প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী বলেন, করোনার (corona) কারণে গত দু’বছর ভারত-রাশিয়ার বার্ষিক সম্মেলন হয়নি। কিন্তু তাতে দু’দেশের সম্পর্কে কোনও রকম প্রভাব পড়েনি। প্রধানমন্ত্রী আরও জানান, গত দু’বছরে দুই দেশকেই একাধিক চ্যালেঞ্জের মোকাবিলা করতে হয়েছে। সেই চ্যালেঞ্জ আমরা একসঙ্গে ঐক্যবদ্ধভাবে মোকাবিলা করেছি। গত কয়েক দশকে গোটা বিশ্বের রাজনীতিতে অনেক বদল হয়েছে। কিন্তু ভারত ও রাশিয়ার মধ্যে সম্পর্কে কোথাও কোন বদল হয়নি। বদল একটাই হয়েছে সেটা হল, দু’দেশের সম্পর্ক আরও মজবুত হয়েছে। চলতি পরিস্থিতিতে পুতিনের এই সফর সেটাই প্রমাণ করল।

অন্যদিকে প্রেসিডেন্ট পুতিন বলেন, ভারতকে বিশ্বের অন্যতম শক্তিশালী দেশ বলে মনে করে রাশিয়া। নয়াদিল্লি আমাদের দীর্ঘদিনের বন্ধু, সেটা একাধিকবার প্রমাণ হয়েছে। ভবিষ্যতে দু’দেশের সম্পর্ক আরও উজ্জ্বল হবে। পুতিন আরও বলেন দুই দেশ প্রতিরক্ষা, তথ্যপ্রযুক্তি, সন্ত্রাস দমনের মতো একাধিক বিষয়ে একসঙ্গে কাজ করছে। উল্লেখ্য, এদিনই উত্তরপ্রদেশের আমেঠিতে একে-২০৩ স্বয়ংক্রিয় রাইফেল তৈরি একটি চুক্তিতে রাশিয়ার সঙ্গে স্বাক্ষর করেছেন প্রতিরক্ষা মন্ত্রী রাজনাথ সিং।

চুক্তি অনুযায়ী আগামী ১০ বছর আমেঠির এই অস্ত্র কারখানায় রুশ প্রযুক্তিতে ৬ লক্ষের বেশি কালাশনিকভ সিরিজের অত্যাধুনিক সংস্করণ একে-২০৩ অ্যাসল্ট রাইফেল তৈরি হবে। আজকের বৈঠকে রাজনাথ এবং রাশিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রী সের্গেই শুয়েগোর সঙ্গে ড্রোন প্রতিরোধকারী অত্যাধুনিক মিসাইল কেনার ব্যাপারে কথা বলেন। পুতিনের সঙ্গে এদিনের আলোচনায় মোদী দেশের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার উপর বিশেষ জোর দেন। পাশাপাশি কথা বলেছেন আফগানিস্তান পরিস্থিতির নিয়েও।

অন্যদিকে রাশিয়ার বিদেশমন্ত্রী এদিন আমেরিকাকে কটাক্ষ করে বলেছেন, ভারত কার থেকে কি ধরনের অস্ত্র কিনবে সে ব্যাপারে তারা নিজেরাই সিদ্ধান্ত নেবে। অন্য কোনও দেশ এ ব্যাপারে নাক গলাবে, সেটা নয়াদিল্লি কখনওই সহ্য করবে না। উল্লেখ্য, ভারত রাশিয়ার কাছ থেকে ড্রোন প্রতিরোধকারী মিসাইল কেনার সিদ্ধান্ত নেওয়ায় প্রবল ক্ষোভ প্রকাশ করেছে মার্কিন প্রশাসন। এমনকী, অন্য দেশ থেকে অস্ত্র কেনার এই সিদ্ধান্তের জন্য তারা ভারতের উপর আর্থিক নিষেধাজ্ঞা জারির হুমকিও দিয়েছে। তবে ভারত আমেরিকার এই হুমকিকে যে পাত্তাই দিচ্ছে না সেটা প্রমাণ হয়ে গেল রাশিয়ার সঙ্গে অস্ত্র কেনার চুক্তি চূড়ান্ত করায়।

Navjot Singh Sidhu: কেজরিওয়ালের পাঁচ বছরের শাসনের দিল্লিতে বেকার বেড়েছে পাঁচগুণ

Navjot singh sidhu

News Desk, New Delhi: আগামী বছরের শুরুতেই পাঞ্জাব বিধানসভা নির্বাচন (Punjab Assembly Election)। ওই রাজ্যে শাসক দল কংগ্রেসের (Congress) বিরুদ্ধে জোরদার প্রচার চালাচ্ছে কেজরিওয়ালের আম আদমি পার্টি (Aam Admi Party)। তারই পাল্টা জবাব দিতে এবার দিল্লিতে কেজরিওয়ালের বিরুদ্ধে দিল্লির অতিথি শিক্ষকদের বিক্ষোভ মিছিলে সামিল হলেন পাঞ্জাব প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি নভজ্যোত সিং সিধু (Navjot Singh Sidhu) ।

সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়া বিক্ষোভের ছবিতে দেখা গিয়েছে মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়ালের বাড়ির সামনে আন্দোলনরত শিক্ষকদের পাশে বসে সিধু স্লোগান দিচ্ছেন।

২৪ ঘন্টা আগে অর্থাৎ শনিবার সন্ধ্যায় আম আদমি পার্টির নেতা রাঘব চাড্ডা পাঞ্জাবের মুখ্যমন্ত্রী চরঞ্জিৎ সিং চান্নির নির্বাচনী কেন্দ্র চামকাউর সাহিবে গিয়ে একাধিক অভিযোগ করেন। রাঘব সরাসরি মুখ্যমন্ত্রীকে আক্রমণ করে বলেন, চান্নি বালি মাফিয়াদের সঙ্গে যুক্ত। কেন তাঁর সঙ্গে বালি মাফিয়াদের এত ঘনিষ্ঠতা তা নিয়ে মুখ্যমন্ত্রীকে জবাব দিতে হবে। অন্যদিকে দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী কেজরিওয়াল পাঞ্জাবের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি, কৃষকদের সমস্যার মত বিষয়গুলি নিয়ে চান্নি তথা কংগ্রেসের কড়া সমালোচনা করেন

রবিবার দিল্লিতে আপ সরকারকে তারই পাল্টা জবাব দিয়েছেন সিধু। এদিন বিক্ষোভরত দিল্লির অতিথি শিক্ষকদের ওই সমাবেশে যোগ দিয়ে সিধু কেজরি সরকারের কড়া সমালোচনা করেন। তিনি বলেন, দিল্লির এডুকেশন মডেল হল ‘কন্টাক্ট মডেল’ অর্থাৎ চুক্তির ভিত্তিতে চলে। দিল্লির বেশিরভাগ স্কুলে শিক্ষা কর্মীদের চুক্তির ভিত্তিতে নিয়োগ করা হয়।

কেজরি সরকারের শাসনে দিল্লিতে গত পাঁচ বছরে বেকারের সংখ্যা পাঁচগুণ বেড়েছে। রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী কেজরিওয়াল ও তাঁর সহযোগীরা পাঞ্জাব এ গিয়ে একাধিক প্রতিশ্রুতি দিচ্ছেন। এগুলো যে ভুয়ো তা বলার অপেক্ষা রাখে না। ওই সমস্ত প্রতিশ্রুতি যদি সত্য হত তাহলে তো কেজরিওয়াল আগে দিল্লিতেই সেই কাজগুলি করে দেখাতেন। যে সমস্ত প্রতিশ্রুতি দিয়ে কেজরিওয়াল দিল্লিতে ক্ষমতা দখল করেছেন তার কোনওটাই পূরণ করেননি। তার প্রমাণ এই অতিথি শিক্ষকরা।

কেজরিওয়ালের প্রতিশ্রুতির উপর ভরসা করে তাঁরা সাত বছর অপেক্ষা করেছেন। কিন্তু তাতেও কাজের কাজ কিছুই হয়নি। সে কারণেই প্রবল ঠান্ডার মধ্যেও শিক্ষকরা আন্দোলনে নেমেছেন। কংগ্রেস এই শিক্ষকদের পাশেই থাকবে। কারণ তাঁদের দাবি-দাওয়াগুলি যথার্থ। কেজরি দিল্লিতে যে কাজ করতে পারেন না পাঞ্জাবে তার থেকে অনেক বেশি কাজ করার প্রতিশ্রুতি দিচ্ছেন, এটা কি আদৌ বিশ্বাসযোগ্য!