Bangladesh: ‘অবিশ্বাস্য!’, নিউজিল্যান্ডের মাটিতে ইতিহাস মুমিনুলদের

এখনও ঘোর কাটছে না বাংলাদেশ (Bangladesh) ক্রিকেট সমর্থকদের। একটা স্পেলের ব্যবধানে বদলে গিয়েছিল ম্যাচের ভাগ্য। ‘অবিশ্বাস্য!’, বলছেন অধিনায়ক মুমিনুল হক।

নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে জয় পেয়েছে বাংলাদেশ। তাও তাদেরই ঘরের মাঠে৷ ক্রিকেটের যে কোনো ফরম্যাটে এই প্রথম নিউজিল্যান্ডের মাঠে কিউয়ি বধ করল টাইগার ব্রিগেড। ওপার বাংলায় এখন সকলের নয়নের মণি ইবাদত হোসেনের।

মাউন্ট মঙ্গানুই-এ ড্র-এর দিকে এগোচ্ছিল ম্যাচ। সেটাই চতুর্থ দিন শেষে জমজমাট। ইতিহাস রচনা করার আশার আলো নিয়ে হোটেলের রুমে ফিরেছিলেন বাংলাদেশের ক্রিকেটাররা। দ্বিতীয় ইনিংসে ৬ উইকেট নিয়ে একাই নিউজিল্যান্ডের টপ অর্ডারকে ধসিয়ে দিয়েছিলেন ইবাদত হোসেন। মাত্র ৪০ রানের লক্ষ মাত্রা দিতে পেরেছিলেন রস টেলর, টমাস লাথামরা।

বুধবার সকালে অফিস ডেস্কে বসার আগে বে ওভালের মাঠে উড়েছে বাংলাদেশের বিজয় পতাকা। প্রথম ইনিংসে ব্যাট করে নিউজিল্যান্ডের স্কোর ছিল ৩২৮ রান। জবাবে বাংলাদেশের ৪৫৮ রান। দ্বিতীয় ইনিংসে নিউজিল্যান্ডের স্কোর মাত্র ১৬৯। জয়ের জন্য বাংলাদেশের দরকার ছিল মাত্র ৪০ রান।

জয় এল। তাও আবার নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে। এই নিউজিল্যান্ডই কিছুদিন আগে পেয়েছিল বিশ্ব টেস্ট টুর্নামেন্টে চ্যাম্পিয়নের শিরোপা।

এক অনলাইন সাংবাদিক সম্মেলনে মুমিনুল হক বলেছেন, “আমার অনুভূতিকে ভাষায় বর্ণনা করতে পারবো না। এক কথায় অবিশ্বাস্য! বললে হয়তো বিশ্বাস করবেন না, কালকে সারারাত হোটেলে দু’চোখের পাতা এক করতে পারিনি।”

Ban Cigarette : সিগারেট বিক্রি নিষিদ্ধ করতে চলেছে এই দেশ

ban cigarette

নিউজ ডেস্ক, ওয়েলিংটন: এবার সিগারেট (Cigarette) বিক্রি নিষিদ্ধ করার পরিকল্পনা নিয়েছে নিউজিল্যান্ড। দেশের তরুণ প্রজন্মকে ধূমপান থেকে বিরত রাখতেই এই পদক্ষেপ নেওয়া হবে বলে বৃহস্পতিবার জানা গিয়েছে। প্রস্তাবিত এই বিষয়টি আগামী বছরেই আইনে পরিণত হতে পারে।

ধীরে ধীরে ধূমপানের বয়স বাড়াবে নিউজিল্যান্ড। দেশটি ২০২৩ সাল থেকেই এই সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নের পথে এগিয়ে যাবে। যার ফলে ১৫ বছরের কম বয়সিরা সারাজীবন আর এখানে সিগারেট কিনতে পারবে না। এভাবে চললে, ২০৫০ সাল নাগাদ ৪২ বা তার বেশি বয়সিরা তামাকজাত এই দ্রব্য কিনতে পারবেন।

এদিন সংসদে নিউজিল্যান্ডের অ্যাসোসিয়েট হেলথ মিনিস্টার আয়েষা ভেরাল্ল  বলেন, ‘আমরা নিশ্চিত করতে চাই যে, তরুণরা যেন ধূমপান শুরু না করে। আগামীদিন তরুণ প্রজন্মকে এই জাতীয় তামাকের বিক্রি বা জোগান দেওয়াকে আমরা অপরাধ হিসেবে গণ্য করব। এই মুহূর্তে যাদের ১৪ বছর বয়স, আইন চলে এলে আগামীদিনে তারা আইনসম্মতভাবে কোনোভাবেই নিউজিল্যান্ডে তামাক কিনতে পারবে না।’ 

উল্লেখ্য, নিউজিল্যান্ডে ধূমপানের মাত্রা কমানোর জন্য বৃহস্পতিবার যেসব প্রস্তাবের কথা ঘোষণা করা হয়েছে, তার মধ্যে এটি অন্যতম। এর আগে ২০১১ সালে প্রথম এই লক্ষ্যমাত্রার কথা ঘোষণা করেছিল নিউজিল্যান্ড। তারপর থেকেই সেদেশে ধীরে ধীরে সিগারেটের দাম বাড়িয়ে দেওয়া হয়। নিউজিল্যান্ডের মুদ্রায় এক প্যাকেট সিগারেটের দাম ৩০ নিউজিল্যান্ড ডলার। এর আগে রয়েছে অস্ট্রেলিয়া। যদিও চিকিৎসক ভেরাল্ল বলছেন, ‘শুল্ক মূল্য বাড়ানোর পূর্ণাঙ্গ প্রভাব আমরা দেখে নিয়েছি। আরও বাড়ালে যে মানুষ সিগারেট খাওয়া ছেড়ে দেবে তা নয়। বরং যারা এই অভ্যাসটা বজায় রাখতে সমস্যায় পড়ছে, তাদের কাছে বিষয়টি আর একটু শাস্তিমূলক হবে।’ 

Ajaz Patel: বিস্ফোরক বয়ান নিউজিল্যান্ডের স্পিনার আজাজ প্যাটেলের

New Zealand spinner Ajaz Patel

Sports desk: মুম্বই’র ওয়াংখেড়ে স্টেডিয়ামের ভারতীয় বংশোদ্ভূত স্পিনার আজাজ প্যাটেল (Ajaz Patel) ইতিহাস গড়েছেন,কিন্তু তা ভারতের হয়ে নয়।

মুম্বই টেস্টের প্রথম দিনে ভারতের প্রথম ইনিংসে নিউজিল্যান্ডের বাঁহাতি অর্থোডক্স স্পিনার আজাজ প্যাটেল এক ইনিংসে ১০ উইকেট নিয়ে ইতিহাসের পাতায় নিজের নাম লিখে ফেলেছেন। আজাজ প্যাটেলের (Ajaz Patel) ১০ নম্বর উইকেটের শিকার মহম্মদ সিরাজ। নিউজিল্যান্ডের ক্রিকেট ইতিহাসে এক ইনিংসে প্রথমবার ১০ উইকেট নেওয়ার শিরোপা এখন আজাজ প্যাটেলের দখলে।

বিশ্ব ক্রিকেটে আজাজ প্যাটেলের এমন তাক লাগানো পারফরম্যান্সের শুরুটাও কিন্তু কম রোমাঞ্চনীয় নয়। একজন ফাস্ট বোলার হিসেবে ক্রিকেটে নিজের অভিযান শুরু করেছিলেন নিউজিল্যান্ডের বাহাতি স্পিনার আজাজ প্যাটেল। এক সাক্ষাৎকারে কিউই স্পিনার আজাজ প্যাটেল ওই রোমাঞ্চকর অভিঞ্জতা শেয়ার করতে গিয়ে হাসিমুখে বলেছেন,”হ্যাঁ, শুরুটা আমি করেছিলাম ফাস্ট বোলার হিসেবে, আমি ওয়াসিম আক্রম এবং ওয়াকার ইউনিসকে ফলো করতাম। ক্লাব ক্রিকেট খেলার সময় আমার কোচ আমাকে লক্ষ্য করেছিল,যদিও আমি ফাস্ট বোলার হিসেবেই খুশি ছিলাম।”

আজাজের কথায়,”ক্লাব ক্রিকেট আমার ফাস্ট বোলিং’র একশন (action) নিয়ে কোচ গভীরভাবে পর্যবেক্ষণ করেন। এরপর তারই পরামর্শে এবং সমর্থনে প্রিমিয়ার লিগে আমি স্পিনার হিসেবে খেলতে নামি,সেই শুরু যা আজও অব্যাহত।”

অনিল কুম্বলে এবং জিম লেকারের মতো কিংবদন্তী ক্রিকেটারদের নামের সঙ্গে এখন আজাজ প্যাটেলের নাম জুড়ে গিয়েছে, এক ইনিংসে ১০ উইকেট নেওয়ার সুবাদে। এই নিয়ে আজাজের প্রতিক্রিয়া, সবই ওপরওয়ালার (ঈশ্বর) কর্ম। আমি অবশ্যই এর জন্য কঠোর পরিশ্রম করেছি, তবে আমি যে ফলাফল পেয়েছি তা ওপরেরদের হাতে।” সঙ্গে এও বলেছেন, “এখনও বিশ্বাস করতে পারেন না যে তিনি এই কৃতিত্ব অর্জন করেছেন।”

৩৩ বছর বয়সী স্পিনার আজাজ প্যাটেল মাত্র ৮ বছর বয়সে মুম্বই থেকে অকল্যান্ডে পাড়ি দিয়েছিলেন। অকল্যান্ডে আজাজের কাকা ইউনুস প্যাটেল থাকতেন। তাই কাকার কাছে চলে গিয়েছিল ছোট্ট আজাজ।এরপর ওই কাকাই আজাজকে ক্রিকেট ক্লাবে ভর্তি করে দেয়।প্রাথমিক স্কুলে ভর্তি হয়ে ওই স্কুলের একজন শিক্ষক আজাজ প্যাটেলকে ক্রিকেট খেলতে উৎসাহিত করেছিল। আজাজের কথায়, ‘মুম্বই আমার কাছে সেকেন্ড হোম। এটা আমার কাছে একটা বিশেষ মুহুর্ত ক্রিকেটের দিক থেকে।”আর এই কারণেই ভারত নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে ১-০ সিরিজ জিতে নিলেও ভারতীয় ক্রিকেটারদের “দিল” জিতে নিয়েছে কিউই বাহাতি অর্থোডক্স স্পিনার আজাজ প্যাটেল।

INDvNZ: নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে সিরিজ জয়ে অভিনন্দন বার্তা সচিনের

sachin tendulkar

Sports desk: টি টোয়েন্টি বিশ্বকাপের সুপার ১২ স্টেজে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে ১০ এবং নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে ৮ উইকেটে হেরে টিম ইন্ডিয়া বিশ্বকাপকে থেকে ছিটকে গিয়েছিল। দগদগে এই ক্ষতের প্রলেপ মুম্বই’এ (INDvNZ) নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে বড় রানের ব্যবধানে সিরিজ জয়।

সোমবার ওয়াংখেড়ে স্টেডিয়ামে নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে দ্বিতীয় তথা শেষ টেস্ট ম্যাচে ভারত জিতলো ৩৭২ রানে। দেশের মাটিতে টানা ১৪ টি টেস্ট ম্যাচ জয়ের ধারা অক্ষুণ্ণ নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে দুই টেস্ট ম্যাচের সিরিজ জিতে। প্রথম টেস্ট কানপুরে ড্র হয়েছিল।

এই উপলক্ষ্যে কিংবদন্তী ক্রিকেটার সচিন তেন্ডুলকর নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে সিরিজ জয়ের অভিনন্দন বার্তায় সামাজিক মাধ্যমে পোস্ট করেছে,”#TeamIndia-এর জন্য কী জয়। অভিনন্দন! 👏🏻
একটি বিশেষ টেস্ট ম্যাচ যেখানে ৪টি ইনিংসেই উইকেট তুলে নিয়েছে ভারতীয়রা! 😉
#INDvNZ”।”
ভারতীয় স্পিনার অশ্বিন প্রথম ইনিংসে ৪, দ্বিতীয় ইনিংসে ৪, মোট ৮ উইকেট শিকার ধরেছে।সিরাজ ৩,অক্ষর ২,জয়ন্ত যাদব ১ উইকেট নিয়েছে নিউজিল্যান্ডের প্রথম ইনিংসে। কিউইদের দ্বিতীয় ইনিংসে জয়ন্ত যাদব ৪, অক্ষর ১ উইকেট নিয়েছে।

সিরিজ জয়ের পর ভারত অধিনায়ক বিরাট কোহলির প্রাথমিক প্রতিক্রিয়ায় বিসিসিআই নিজেদের অফিসিয়াল টুইটার হ্যাণ্ডেলে পোস্ট করেছে, “🗣️ 🗣️ মানসিকতা হল ভারতীয় ক্রিকেটকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়া এবং শীর্ষে থাকা: #TeamIndia Captain @imVkohli।”

প্রথম ইনিংসে ভারতীয় ওপেনার মায়াঙ্ক আগরওয়াল ৩১১ বলে ১৫০ রান করেন এবং দ্বিতীয় ইনিংসে ১০৮ বলে

৬২ রান করে।
সিরিজ জয়ের আনন্দে মায়াঙ্ক আগরওয়ালের প্রতিক্রিয়া সামাজিক মাধ্যমে,”সমস্ত ঘাম, বেদনা, প্রচেষ্টা এই মধুর, মধুর বিজয়ে পরিণত হয়। কি একটি দলীয় প্রচেষ্টা! ভারতের জন্য শ্বেতাঙ্গদের ডন করতে সবসময় গর্বিত। এখন, উদযাপনের সময় 🇮🇳!”

ঘরের মাটিতে সিরিজ জিতে টিম ইন্ডিয়া এবার দক্ষিণ আফ্রিকা সফরে উড়ে যাবে কোভিড-১৯ ভাইরাসের নতুন প্রজাতি ‘ওমিক্রনে’র বাড়বাড়ন্তের মাঝে।

প্রোটিয়ার্সদের বিরুদ্ধে পূর্ব নির্ধারিত ক্রীড়াসূচি অনুযায়ী ভারত দক্ষিণ আফ্রিকা সফরে গিয়ে চার টেস্ট,দুটি ওডিআই এবং চারটি টি টোয়েন্টি সিরিজের ম্যাচ খেলার কথা ছিল। কিন্তু করোনার নতুন প্রজাতি ‘ওমিক্রণের’ (Omicron) ভয়াল আতঙ্কে ভারতীয় ক্রিকেট কন্ট্রোল বোর্ড(বিসিসিআই) আসন্ন দক্ষিণ আফ্রিকাতে ভারতের ক্রীড়াসূচিতে কাটছাঁট ঘটিয়েছে।

শনিবার বিসিসিআই’র বার্ষিক সাধারণ সভায় এই ইস্যুতে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে প্রোটিয়ার্সদের বিরুদ্ধে টিম ইন্ডিয়া তিন টেস্ট, তিন ওডিআই, তবে চার ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজ পরবর্তী তারিখে অনুষ্ঠিত হবে, যা নিয়ে এখনও কোনও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি।

বিসিসিআই’র জন্য সবচেয়ে বড় ইতিবাচক দিক হল ভারতীয় ‘A’ দলের চলতি দক্ষিণ আফ্রিকা সফর রয়েছে, প্রোটিয়ার্সদের বিরুদ্ধে তিন ম্যাচের টেস্ট সিরিজে এখন তারা ব্যস্ত।
অসমর্থিত সূত্রে খবর, ম্যাচ ভেন্যুতে দর্শক প্রবেশের ওপরে নিষেদ্ধাঞ্জা আরোপিত হতে পারে, জমায়েত এড়িয়ে যাওয়ার প্রশ্নে। কেননা করোনার ‘ওমিক্রন’ প্রজাতির সংক্রমণ আতঙ্কে।

INDvzNZ: নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে মুম্বই’ টেস্টে ‘বিরাট’ জয় ভারতের

India wins Mumbai Test against New Zealand

Sports desk: মুম্বই’র ওয়াংখেড়ে স্টেডিয়ামে নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে দ্বিতীয় তথা শেষ টেস্ট ম্যাচে (INDvzNZ) ভারত জিতল ৩৭২ রানে। বড় ব্যবধানে টিম ইন্ডিয়া ব্ল্যাক ক্যাপসদের বিরুদ্ধে জয় ছিনিয়ে নিলেও কিউইদের হয়ে মুম্বইক’র স্পিনার আজাজ প্যাটেল ‘দিল’ জিতে নিলো ভারতের ক্রিকেট ভক্তদের।

নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে দ্বিতীয় ইনিংসে বল হাতে রবিচন্দ্রন অশ্বিন ৪,জয়ন্ত যাদব ৪,অক্ষর প্যাটেল এক উইকেট নিয়েছে।৫৬.৩ ওভারে ১০ উইকেট হারিয়ে ১৬৭ রানে গুটিয়ে যায় ব্ল্যাক ক্যাপসরা।

ভারতের বিরুদ্ধে স্পিনার আজাজ প্যাটেল প্রথম ইনিংসে ১০, দ্বিতীয় ইনিংসে ৪ উইকেট, মোট ১৪ উইকেট শিকার করেছে। অন্যদিকে ভারতীয় স্পিনার অশ্বিন প্রথম ইনিংসে ৪, দ্বিতীয় ইনিংসে ৪, মোট ৮ উইকেট শিকার ধরেছে।

দ্বিতীয় টেস্টে ভারতীয় ব্যাটিং লাইন আপ আজাজ প্যাটেলের ঘূর্ণির দাপটে চুরমার হতেই টিম ইন্ডিয়ার ব্যাটিং কোচ বিক্রম রাঠোরকে তুলোধোনা করতে শুরু করেছে ক্রিকেট ভক্তরা। আবার অধিনায়ক বিরাট কোহলির এলবিডব্লু আউট নিয়ে ভারতীয় আম্পায়ারদের যোগ্যতা এবং গোটা প্রক্রিয়ায় বিসিসিআই’কে নিশানা করেছে দেশের ক্রিকেট ভক্তরা।

কিউইদের বধের পর টিম ইন্ডিয়া এবার দক্ষিণ আফ্রিকা সফরে উড়ে যাবে, কোভিড-১৯ ভাইরাসের নতুন প্রজাতি ‘ওমিক্রনে’র দাপটের মাঝে।

“কুইক ফায়ার” অক্ষর প্যাটেলের, কিউইদের বিরুদ্ধে বড় রানের টার্গেট টিম বিরাটের

Akshar Patel

Sports desk: নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে দ্বিতীয় টেস্টের তৃতীয় দিনে ভারতের (India) দ্বিতীয় ইনিংসে অক্ষর প্যাটেলের হঠাৎ করে ‘জ্বলে’ ওঠা ২৬ বলে ৪১রানে নট আউট থেকে, নিউজিল্যান্ডের জন্য ৫৪০ রানের লক্ষ্যমাত্রা ছুঁড়ে দেওয়া ক্রিকেটের পরিভাষায় “কুইক ফায়ার” অক্ষর প্যাটেল।

কিউইদের বিরুদ্ধে মুম্বই’র ওয়াংখেড়ে স্টেডিয়ামে টসে জিতে ভারত ব্যাটিং’র সিদ্ধান্ত নেয়। প্রথম ইনিংসে অক্ষর প্যাটেলের অর্ধশতরান করা ১২৮ বল ফেস করে ৫২ রানের ধৈহ্যশীল ইনিংস কাবিলে তারিফ(প্রশংসনীয়)।

দ্বিতীয় ইনিংসে ভারত ৭ উইকেটে ২৭৬ রান তুলে ইনিংস ডিক্লেয়ার করে দেয়। তৃতীয় দিনে ব্ল্যাক ক্যাপসরা রানের পাহাড় তাড়া করতে নেমে নিজেদের দ্বিতীয় ইনিংসে ৪৯ রানে ২ উইকেট খুইয়ে বসেছে। রবিচন্দ্রন অশ্বিনের দুই উইকেট টম ল্যাথাম এলবিডব্লু (৬) এবং উইল ইয়ং (২০) রানে আউট।

রানের মাথায়। ক্রিজে রস টেলর ১ এবং ড্যারিল মিচেল ১৯ রানে লড়ে চলেছে, এই প্রতিবেদন লেখার সময়ে।
দ্বিতীয় ইনিংসে মায়াঙ্ক আগরওয়াল ৬২, পূজারা ৪৭,কোহলি ৩৬,শ্রেয়স ১৪,সাহা ১৩,জয়ন্ত যাদব ৬ রানে আউট। আজাজ প্যাটেলের ৪,রচিন রবীন্দ্র ৩ উইকেট শিকার করেছে।

দ্বিতীয় ইনিংসে ব্যাট করার সময় মায়াঙ্ক আগরওয়াল তার ডান বাহুতে আঘাত পেয়েছিলেন। তাকে সতর্কতামূলক ব্যবস্থা হিসেবে মাঠে না যাওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

অন্যদিকে গতকাল ফিল্ডিং করার সময় ডান আঙুলের মধ্যমাতে চোট লেগেছি শুভমান গিলের। তাই আজ গিল মাঠে নামবেন না।

বিজয়ীর মেডেল হিসাবে সোনা নয়, মানুষের মাথা দিত এই আদিবাসী গোষ্ঠী

Maori

অনলাইন ডেস্ক: কোনও প্রতিযোগীতায় জিতলে দেওয়া হয় সোনার মেডেল, বা সুদৃশ্য ট্রফি। শুরুর দিকে অলিম্পিকে বিজয়ীদেরও দেওয়া হতো জলপাই গাছের পাতার মুকুট। কিন্তু মানুষের মাথা ? ঠিক এমন রীতিই প্রচলিত ছিল বিশ্বের এক আদিম জনগোষ্ঠীর মধ্যে।

আদিম জনগোষ্ঠীগুলোর মধ্যে নানা ধরনের রীতি রেওয়াজ যে প্রচলিত ছিল। পৃথিবীর নানা প্রান্তে এখনো অনেক আদিম জনগোষ্ঠী থেকে গিয়েছে। এদের মধ্যে অনেকেই সভ্য সমাজ থেকে আজ‌ও নিজেদের আলাদা করে রেখেছে। অনেকেই আবার সভ্য সমাজের সঙ্গে শান্তিপূর্ণ সহাবস্থানে অভ্যস্ত হয়ে উঠেছে।

পৃথিবীর সর্বাপেক্ষা উন্নত দেশগুলোর অন্যতম নিউজিল্যান্ড। এখানকারই অন্যতম জনগোষ্ঠী হল মাওরি। দেশটির উন্নয়নের ছোঁয়া এসে পড়েছে আদিম জনগোষ্ঠীর ওপরেও। মূলস্রোতের মানুষের সঙ্গে মিশে গিয়েছে নিউজিল্যান্ডের এই আদিবাসীরা। এমনকি নিউজিল্যান্ডের উপ প্রধানমন্ত্রী ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন মাওরি গোষ্ঠীভুক্ত উইনস্টন পিটারস।

অন্যান্য জনগোষ্ঠীর থেকে স্বভাব-চরিত্রে অনেকটাই আলাদা মাওরিরা। মাওরিদের কাঠ খোদাই শিল্প পৃথিবী বিখ্যাত। আসবাবপত্র, নৌকা, হস্তশিল্প প্রভৃতিতে এই আদিবাসী গোষ্ঠীর মানুষরা যে অসামান্য নকশা ফুটিয়ে তোলে তার কদর গোটা বিশ্ব জুড়েই আছে। অন্যান্য জনগোষ্ঠীর থেকে সে সময় শিল্পে বেশি পারদর্শী ছিল এই আদিবাসী সম্প্রদায়।

The Disturbing Story Of The Mokomokai Heads Of The Maori Tribesmen | Vintage News Daily

যদিও এই জনগোষ্ঠীরই একটি অদ্ভুদ রীতি ছিল। কোনো বিশিষ্ট ব্যক্তি মারা গেলে শেষকৃত্যের সময় দেহ থেকে মাথা আলাদা করে নিত এরা। এরপর মাথার যাবতীয় পচনশীল অংশ অর্থাৎ চোখ, মস্তিষ্ক ইত্যাদি বের করে মাথাটাকে সংরক্ষণের উদ্দেশ্যে রোদের মধ্যে শুকনো করা হত। যাতে চামড়া নষ্ট না হয়ে যায় সেই উদ্দেশ্যে হাঙরের পাকস্থলী থেকে তৈরি এক রকমের তেল এই মাথা গুলিতে মাখিয়ে দেওয়া হতো। এর ফলে বছরের পর বছর মাথা গুলি অবিকৃত অবস্থায় থাকতো। মাওরি ভাষায় সংরক্ষিত মাথাকে বলা হয় “মোকোমোকাই”।

যুদ্ধে পরাজিত সেনা নায়েকের মাথা এভাবেই সংরক্ষিত করে জয়ী সেনা নায়ককে উপহার দেওয়া হতো। এমনকি অন্য আদিবাসী জাতির সঙ্গে লড়াইয়ে জয় লাভ করার পর মাওরিরা পরাজিত রাজার মাথা কেটে একই উপায়ে সংরক্ষন করে তাদের দলপতিকে উপহার দিত। বর্তমানে আমেরিকার নিউইয়র্কের ন্যাচারাল হিস্ট্রি মিউজিয়ামে এই মোকোমোকাই দেখতে পাওয়া যায়।

India-New Zealand Test: রচিন রবীন্দ্র’র লড়াইয়ের মুখে পড়ে কানপুর টেস্ট ড্র

India-New Zealand Kanpur Test match

India-New Zealand Test
Sports desk: মাত্র ১০৩ রানে, ৬ উইকেট। এমন সময়ে ঘাড়ের চোট নিয়ে বুক চিতিয়ে লড়াই ভারতীয় উইকেটরক্ষক ব্যাটসম্যান ঋদ্ধিমান সাহার। ১২৬ বলে অপরাজিত ৬১ রান। শ্রেয়স আইয়ারের দ্বিতীয় ইনিংসে ৬৫ রান, ভেস্তে গেল।

দ্বিতীয় ইনিংসে ভারত ২৩৪ রান ৭ উইকেটে ইনিংস ডিক্লেয়ার করে,২৮০ রানের লিড ধরে রেখে। চতুর্থ দিনের শেষের দিকে নিউজিল্যান্ড উইল ইয়ং’র উইকেট হারায়,দলগত ৪ রানের স্কোরে।

পঞ্চম দিনে ভারতের ৯ উইকেট শিকারের টার্গেট ছিল,তাহলেই কেল্লা ফতেহ! হল না! দ্বিতীয় ইনিংসে নিউজিল্যান্ড টম ল্যাথাম ৫২,সামারভিল ৩৬, আর রচিন রবীন্দ্রর ১৮ রান ৯১ বলে প্রথম টেস্টে ড্র’র পথকে মসৃণ করে তুললী ভারতীয় বোলিং লাইন আপের ব্যর্থতার জন্য। নব নিযুত হেড কোচ রাহুল দ্রাবিড়ের টেস্ট ক্রিকেটে অভিযান শুরু হল ম্যাচ ড্র’র মধ্যে দিয়ে

অন্যদিকে কিংবদন্তী ক্রিকেটার সুনীল গাভাস্কারের হাত থেকে ক্যাপস নিয়ে টেস্টে অভিষেক শ্রেয়স আইয়ারের। অভিষেক টেস্টই ধামাল! প্রথম ইনিংসে শতরান শ্রেয়সের নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে কানপুরের গ্রীনপার্কে। এই সেঞ্চুরির সঙ্গেই শ্রেয়স আইয়ারের নাম জুড়ে গেল লালা অমরনাথ, দীপক শোধন, কৃপাল সিং,আব্বাস আলী বৈগ, হনুমন্ত সিং,গুন্ডাপ্পা বিশ্বনাথ, সুরিন্দর অমরনাথ,মহম্মদ আজহারউদ্দিন, প্রবীণ আমরে, সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়,বীরেন্দ্র শেহবাগ, সুরেশ রায়না,রোহিত শর্মা শিখর ধাওয়ান,পৃথ্বী শাহদের সঙ্গে ১৬ তম ভারতীয় ব্যাটসম্যান শ্রেয়স আইয়ার টেস্ট ফর্ম্যাটের অভিষেক ম্যাচে শতরানকারি হয়ে।

কানপুর টেস্ট চতুর্থ দিনের দ্বিতীয় ইনিংসে শ্রেয়স আইয়ার প্রথমে রবিচন্দ্রন অশ্বিনের সঙ্গে ৫০ রানের জুটি এবং অশ্বিন আউট হলে ঋদ্ধিমান সাহার সঙ্গে ৫০ রানের পার্টনারশিপ গড়ে তোলে। শ্রেয়স আইয়ার ৬৫ রানে আউট। ঋদ্ধিমান সাহা ৬১ রানে নট আউট।

টেস্টের পঞ্চম দিনে মাটি কামড়ে পড়ে থাকে কিউই শিবির। পেন্ডুলামের মতো ম্যাচের টেনশন ওঠা নামা করতে থাকে। টানটান উত্তেজনা, কিউই ব্যাটসম্যানদের পালা করে প্যাভিলিয়ন ফেরা। অন্যদিকে চোঁচ হয়ে ঢুকে ফালা ফালা করে দেওয়া শেষ মুহুর্তে ভারতের বিরুদ্ধে অভিষেক হওয়া ২২ বছরের ভারতীয় বংশোদ্ভূত রচিন রবীন্দ্র’র। আজিজ প্যাটেল যোগ্য সঙ্গ দেয় রচিনের। তাতেই কিস্তিমাত! কানপুরে সিরিজের প্রথম টেস্ট ম্যাচ ড্র।

কাজেই এলো না ঘাড়ে চোট নিয়ে খেলা ঋদ্ধিমান সাহার ঐতিহাসিক ইনিংস আর শ্রেয়স আইয়ারের অভিষেক টেস্টে শতরান সঙ্গে ফাইটিং স্পিরিট। রবীন্দ জাডেজা ৪ উইকেট, রবিচন্দ্রন অশ্বিন ৩ উইকেট।, এখানেও আবার রেকর্ড। অশ্বিন টম ল্যাথামকে বোল্ড আউট করে হরভজন সিং’কে টপকে ভারতীয়দের মধ্যে তৃতীয় সর্বোচ্চ উইকেট শিকারি, ৪১৮ উইকেট। এখন চতুর্থ হরভজন সিং ৪১৭ উইকেট।এই তালিকায় অনিল কুম্বলে(৬১৯), কপিল দেবের ৪৩৪ উইকেট, ভারতীয় বোলারদের মধ্যে শীর্ষে “পাজি”।

India-New Zealand Test: অভিষেক টেস্টে শতরান শ্রেয়সের, সাউদির ৫ উইকেট

Shreyasi scored hundreds in his debut Test

India-New Zealand Test
স্পোর্টস ডেস্ক: প্রথম টেস্টে কানপুরের গ্রীন পার্ক স্টেডিয়ামে ভারত প্রথম ইনিংসে ১০ উইকেটে ৩৪৫ রান নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে। কিউইদের হয়ে টম ল্যাথাম ৬, উইল ইয়ং ৭ রানে ক্রিজে। ৩৩১ রানে পিছিয়ে নিউজিল্যান্ড টেস্টের দ্বিতীয় দিনে নিজেদের প্রথম ইনিংসে ১৭ রান উইকেট না হারিয়ে। এই প্রতিবেদন লেখার সময়ে।

১৭১ বলে ১০৫ রানের দুরন্ত ইনিংস নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে অভিষেক হওয়া টেস্ট ম্যাচে শ্রেয়স আইয়ারের। ১৬ তম ভারতীয় ব্যাটসম্যান শ্রেয়স আইয়ার, যিনি অভিষেক টেস্টে শতরান করে রেকর্ড গড়লেন। এই তালিকায় প্রথম টেস্টে সেঞ্চুরি করার অনন্য নজিরে নাম রয়েছে লালা অমরনাথ, দীপক শোধন, কৃপাল সিং, আব্বাস আলি বেজ, হনুমন্ত সিং, গুন্ডাপ্পা বিশ্বনাথ, সুরেন্দ্র অমরনাথ, মহম্মদ আজহারউদ্দিন, প্রবীণ আমরে, সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়, বীরেন্দ্র শেহওয়াগ, সুরেশ রায়না, শিখর ধাওয়ান, রোহিত শর্মা ও পৃথ্বী শাহের।

Shreyasi scored hundreds in his debut Test

রবীন্দ্র জাডেজা ৫০ রানে আউট। উইকেটরক্ষক ব্যাটসম্যান ঋদ্ধিমান সাহা ১ রান করে প্যাভিলিয়ন ফিরে আসে। রবিচন্দ্রন অশ্বিন ৩৮ এবং উমেশ যাদব ১০ রানে নট আউট থাকে।

প্রথম ইনিংসে ভারত শুরুতে মায়াঙ্ক অগ্রবালের উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে যায়। সেই জায়গায় দাঁড়িয়ে শুভমান গিল কার্যকরী ৫২ রানের ইনিংস খেলে দেয়। পূজারা ২৬ এবং অধিনায়ক অজিঙ্কা রাহানে ৩৫ রানে আউট হয়।

শ্রেয়স আইয়ারের সঙ্গে রবীন্দ্র জাডেজার ১১৩ রানের পার্টনারশিপ ভারতকে শক্ত ভিতে দাঁড় করিয়ে দেয়। নিউজিল্যান্ডের হয়ে অধিনায়ক টিম সাউদি ২৭.৪ ওভারে, ৬ ওভার মেডেন দিয়ে, ৬৯ রান দিয়ে পূজারা, আইয়ার, জাডেজা, সাহা,অক্ষর প্যাটেলের মোট ৫ উইকেট শিকার করেছে প্রথম টেস্টে ভারতের প্রথম ইনিংসে। টসে জিতে ভারত ব্যাটিং’র সিদ্ধান্ত নেয়, যা এখনও পর্যন্ত টিমের অনুকূলে রয়েছে।

India-New Zealand Test match: শ্রেয়স-জাডেজার জোড়া ফালায় কিউইদের বিরুদ্ধে চালকের আসনে ভারত

Shreyas-Jadeja

India-New Zealand Test match
Sports desk: নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে কানপুরের গ্রীন পার্কের প্রথম টেস্টের প্রথম দিনে শ্রেয়স আইয়াই ১৩৬ বলে ৭৫ এবং রবীন্দ্র জাডেজার ১০০ বলে ৫০ রান দুজনেই নট আউট, দুই যুগলবন্দীতে ভর করে ভারত কিউইদের বিরুদ্ধে কানপুর টেস্টে চালকের আসনে। আর চোট মুক্ত হয়ে টেস্টে অভিষেক ঘটলো শ্রেয়স আইয়ারের এবং সুযোগ কাজে লাগিয়ে প্রথম টেস্টেই নিজের জাত চিনিয়ে দিলেন।

প্রথমে দিনের শেষে ভারত ৮৪ ওভারে চার উইকেটে ২৫৮ রান। টসে জিতে ভারত ব্যাটিং’র সিদ্ধান্ত নেয় গ্রীন পার্কের ব্যাটিং সহায়ক পিচে। কিন্তু শুরুর ৭.৫ ওভারে ভারত মায়াঙ্ক অগ্রবালের উইকেট হারিয়ে বসে, ভারত ২১ রানে ১ উইকেট। কাইল জেমিসনের বলে কিপার টম ব্লান্ডেলের হাতে ১৩ রান করে মায়াঙ্ক প্যাভিলিয়ন ফিরে আসে।

প্রাথমিক ধাক্কা সামলে নিয়ে কানপুরের ব্যাটিং সহায়ক পিচকে কাজে লাগিয়ে শুভমান গিল ৯৩ বলে ৫২ রান করে কাইল জেমিসনের ডেলিভারিতে বোল্ড আউট হন। চেতেশ্বর পূজারা ২৬ এবং অধিনায়ক অজিঙ্কা রাহানে ৩৫ রানে আউট হয়ে ফিরে আসে।

নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে প্রথম ইনিংসে এরপর শ্রেয়স আইয়ার এবং রবীন্দ্র জাডেজা জুটি হাল ধরে। ঠাণ্ডা মাথায় ইনিংস গোছানোর কাজ শুরু করে দুই জুটি। শেষমেশ ক্লিক করে যায় কিউইদের বিরুদ্ধে এই যুগলবন্দীতে ১০০ রানের পার্টনারশিপ গড়ে ওঠে জেমিসন,সাউদিদের বিরুদ্ধে। প্রথম টেস্টের প্রথম ইনিংসের শেষে আইয়ার -জাডেজা জুটিতে স্বস্তিতে হেড কোচ রাহুল দ্রাবিড়ের ভারত। আগামীকাল দ্বিতীয় দিনে ভারতের লক্ষ্য থাকবে, বলা ভাল আইয়ার এবং জাডেজার টার্গেট হবে দ্রুত ভারতের হয়ে বড় স্কোর তুলে কিউইদের চাপে ফেলে দেওয়া, যাতে নিউজিল্যান্ড কানপুর টেস্ট ম্যাচে মুক্ত আকাশে শ্বাস নিতে না পারে।

প্রসঙ্গত, ২০২১ এর মার্চে ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে একদিনের সিরিজে চোট পেয়েছিলেন শ্রেয়স আইয়ার। ছিটকে যেতে হয় টি ইন্ডিয়ার স্কোয়াড থেকে। অনেকটা সময় রিহ্যাবিলিটেশন কাটাতে হয়েছিল তাঁকে। ক্রিকেট থেকে চোটের জন্য সাময়িক বিচ্ছেদ ঘটলেও ফিরে আসার লড়াইটা চ্যালেঞ্জিং ছিল তরুণ প্রতিভাবান ক্রিকেটার শ্রেয়স আইয়ারের সামনে। কোভিড কালে আইপিএলের প্রথম ভাগে খেলতে পারেননি। রিহ্যাব প্রক্রিয়ার মধ্যে দিয়ে নিজেকে ফিরিয়ে আনেন টি টোয়েন্টি ক্রিকেট ফর্ম্যাটের হাত ধরে।

এরপর নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে কানপুর টেস্টে কিংবদন্তী ক্রিকেটার সুনীল গাভাস্কারের হাত থেকে ক্যাপস নেওয়া টেস্ট ক্রিকেটের অভিষেক মুহুর্তে শ্রেয়স আইয়ারের। রুপকথা এখানেই শেষ নয়…আরও আছে!

প্রথম ফার্স্ট ক্লাস অর্ধশতক করেছিলেন কানপুরে। ২৫ নভেম্বর, আজ সেই একই মাঠে (কানপুরের গ্রীন পার্ক স্টেডিয়াম) করলেন নিজের প্রথম টেস্ট অর্ধশতরান। ‘ক্রিকইনফো’ দেখতে গিয়ে দেখা গিয়ে উঠে এলো চমকে দেওয়া এক তথ্য। বর্তমানে ফার্স্ট ক্লাস ক্রিকেটে ৫০ এর বেশি গড় এবং ৮০ স্ট্রাইক রেটে ৪০০০ রান করা একমাত্র ক্রিকেটার হলেন শ্রেয়স আইয়ার। নিউজিল্যান্ডের হয়ে কাইল জেমিসন ৩, টিম সাউদি ১ উইকেট নিয়েছে।

Shreyas Iyer: নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে অভিষেক টেস্টে শ্রেয়াস আইয়ারের অর্ধশতরান

Shreyas Iyer

Shreyas Iyer  half-century
Sports desk: কানপুরে নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে প্রথম টেস্টে অভিষেক শ্রেয়াস আইয়ারের। আর সুযোগ পেতেই নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে অর্ধশতরান করে বাজিমাত শ্রেয়াসের, এখন ব্যাটিং করছেন ৬৬ রানে। ভারত ৪ উইকেটে ২২১ রান স্কোরবোর্ডে তুলেছে।

কিংবদন্তী ভারতীয় ব্যাটসম্যান সুনীল গাভাস্কারের কাছ থেকে অভিষেক টেস্ট ম্যাচে ক্যাপ পেয়েছেন শ্রেয়াস আইয়ার। ভারত নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে টস জিতে প্রথমে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

ভারত ৭.৫ ওভারে মায়াঙ্ক অগ্রবালের উইকেট হারিয়ে ফেলে দিনের শুরুতেই। মায়াঙ্ক ১৩ রানে জেমিসনের বলে উইকেট কিপার টম ব্লান্ডেলের হাতে ক্যাচ দিয়ে প্যাভিলিয়ন ফিরে আসে। ভারত মায়াঙ্কের উইকেট হারিয়ে ২১ রান তুলেছিল। শুভমান গিল ৫২ রানে আউট হন। চেতেশ্বর পূজারা ২৬, অধিনায়ক অজিঙ্কা রাহানে ৩৫ রানে আউট হয়।

নিউজিল্যান্ডের ডানহাতি পেসার কাইল জেমিসন ৩৮ রান দিয়ে ৩ উইকেট শিকার করেছে মায়াঙ্ক অগ্রবাল, শুভমান গিল এবং অজিঙ্কা রাহানের। টিম সাউদি চেতেশ্বর পূজারার উইকেট নিয়েছে।

শ্রেয়াস আইয়ারের সঙ্গে রবীন্দ্র জাডেজা প্রথম ইনিংসের তৃতীয় সেশনে ব্যাট করছে ৩৭ রানে। ৭৫.৪ ওভারে ভারত ৪ উইকেটে ২৩৫ রান তুলেছে, খেলা চলছে।

অক্ষর প্যাটেলের ঘূর্ণির জাদুতে নিউজিল্যান্ড হোয়াইট ওয়াশ টি টোয়েন্টি সিরিজে

team-india

Sports desk: দু বছর পর ক্রিকেটের নন্দনকাননের বাইশ গজে আন্তজার্তিক ক্রিকেটে বল গড়াল। ভারত ইতিমধ্যেই নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে তিন ম্যাচের টি টোয়েন্টি সিরিজ জিতে নিয়েছে। রবিবার টি টোয়েন্টি ম্যাচের তৃতীয় তথা শেষ নিয়মরক্ষার ম্যাচের ফলাফল ভারত নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে জিতল ৭৩ রানে।

টসে জিতে ভারত অধিনায়ক রোহিত শর্মা ব্যাটিং’র সিদ্ধান্ত নেয়। ২০ ওভারে ৭ উইকেটে ১৮৪ রান তোলে। রোহিত শর্মা অর্ধশতরান সহ ৫৬ রান করেন। ৬.৬ ওভারে ভারত ৭১ রানে দুই উইকেট হারিয়ে ফেলে, ইশান কিষাণ ২৯ এবং সূর্যকুমার যাদব রানের খাতা না খুলেই প্যাভিলিয়নের রাস্তা ধরে।

ক্রিজে এসে উইকেটরক্ষক ব্যাটসম্যান ঋষভ পহ্ন ৪ রানে স্যান্টনারের বলে নিসহ্যামের হাতে ক্যাচ দিয়ে বসেন, রোহিত শর্মা তখনও ক্রিজে। রোহিত শ্রেয়স আইয়ার জুটি বেশিক্ষণ ক্রিজে ছিল না। ১১.২ ওভারে রোহিত শর্মা আউট হয় বোলার ঈস সোধির ডেলিভারিতে সোজা ক্যাচ দিয়ে। ভারতের ৪ উইকেটে ১০৩ রান স্কোরবোর্ডে হিটম্যানের বিদায়ে।

শ্রেয়স আইয়ার ২০ বলে ২৫, ভেঙ্কটেশ আইয়ার ১৫ বলে ২০ রানের কার্যকরী ইনিংস খেলে আউট হয়। ভারত ১৬.১ ওভারে ১৪০ রান ৪ উইকেটের বিনিময়। হর্ষল প্যাটেল ১১ বলে ১৮ রানের দুরন্ত ব্যাটিং করে কিউইদের বিরুদ্ধে।

দীপক চাহর ৮ বলে ২১ রানের ঝড়ো ইনিংস খেলে নট আউট থাকে, সঙ্গে অক্ষর প্যাটেল ২ রানে অপরাজিত থাকে। ভারত ১৮৫ রানের টার্গেট ছুঁড়ে দেয় মিচেল স্যান্টনারের নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে।

নিউজিল্যান্ডের হয়ে অধিনায়ক মিচেল স্যান্টনার ৩, বোল্ট,মিলনে,ফার্গুসন এবং সোধি একটি করে উইকেট পায়।

জবাবে ব্যাট করতে নেমে ৪.৪ ওভারে ৩০ রানের ভিতরে ৩ উইকেট হারিয়ে বসে নিউজিল্যান্ড বাঁহাতি অর্থোডক্স বোলার অক্ষর প্যাটেলের ঘূর্ণিতে। কিউইদের শিরদাঁড়া দুমড়ে মুচড়ে ইডেন গার্ডেনের বাইশ গজে পিষে দেয় অক্ষর।

অক্ষর প্যাটেলের শিকার ম্যাচের গোড়ায় তিন কিইউ ব্যাটসম্যান ড্যারিল মিচেল ৫ রানে এবং মার্ক চ্যাপম্যান ও গ্লেন ফ্লিলিপ্স দুজনকেই রানের খাতা না খুলতে দিয়ে প্যাভিলিয়নে ফেরৎ পাঠিয়ে দেওয়া। ব্যাকফ্রুটে চলে আসে নিউজিল্যান্ড।

মার্টিন গুপ্টিল ৫১ রানে যুজবেন্দ্র চাহলের বলে ক্যাচ দিয়ে বসে সূর্যকুমার যাদবের হাতে। টিম সেফার্ট রান আউট ইশান কিষানের থ্রোতে কিপার পন্থের হাতে। নিউজিল্যান্ড ১১.৪ ওভারে ৭৬ রান ৫ উইকেট হারিয়ে।

নিসহ্যাম ৩, মিলনে ৭, সোধি ৯ রানে আউট হয়। নিউজিল্যান্ড ১৬.১ ওভারে ৯৫ রান ৯ উইকেটে। ২১ বলে ৮৪ রান দরকার নিউজিল্যান্ডের ভারতের বিরুদ্ধে তিন ম্যাচের টি টোয়েন্টি সিরিজের তৃতীয় তথা শেষ ম্যাচ জেতার জন্য। লকি ফার্গুসন এবং বোল্ট ক্রিজে। ফার্গুসন চাহালের বলে ১৪ রানে আউট হতেই টি টোয়েন্টির তিন ম্যাচের সিরিজে হোয়াইট ওয়াশ নিউজিল্যান্ড।

দ্রাবিড়-রোহিত ব্র‍্যান্ড কিউইদের বিরুদ্ধে প্রথম জয় পেল

india-won

Sports desk: নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে প্রথম টি টোয়েন্টি ম্যাচে ভারত ৫ উইকেটে জয় পেল, জয়পুরে। টিম ইন্ডিয়ার ওপেনার জুটি অধিনায়ক রোহিত শর্মা এবং সহ-অধিনায়ক কেএল রাহুল নিউজিল্যান্ডের বাঁহাতি পেসার ট্রেন্ট বোল্টের নিশানা করে। সম্পূর্ণ আনন্দদায়ক শটমেকিং, দুরন্ত ফুটওয়ার্ক রোহিত শর্মার।

টিম ইন্ডিয়ার কুইকফায়ার ৫০ রান স্ট্যান্ড স্কোরবোর্ডে। কিন্তু ঘটে গেল অঘটন, কেএল রাহুল আউট ১৫ রানে।১৩.২ ওভারে ভারত রোহিত শর্মার উইকেট হারিয়ে ফেললো। রোহিত ৪৮ রানে প্যাভিলিয়নে। ভারত দুই উইকেটে ১০৯ রান।

india-won

ভারতের জয়ের জন্য ২৪ বলে ২৩ রান দরকার। ক্রিজে সূর্যকুমার যাদব এবং ঋষভ পহ্ন জুটি। একটি ক্র্যাকিং নক অর্ধশতরান সূর্যকুমার যাদবের। দুটি দুরন্ত শটে সূর্যকুমার টি টোয়েন্টি ফর্ম্যাটে কিউইদের বিরুদ্ধে নিজের তৃতীয় অর্ধশতরান করে নিল। সূর্যকুমার ৬২, পহ্ন ১১ রানে ক্রিজে। ২০ বলে ২১ রান জয়ের জন্য ভারতের দরকার।

১৬.৪ ওভার ভারত সূর্যকুমার যাদবের উইকেট হারিয়ে বসলো। ৩ উইকেটে ১৪৪ রান ভারতের। সূর্যকুমার (SKY) ৬২ রানে ট্রেন্ট বোল্টের ডেলিভারিতে আউট।

১৭ বলে ২১ রান ভারতের জয়ের জন্য। ক্রিজে পহ্ন ও শ্রেয়স আইয়ার। পহ্ন ১২ রানে ক্রিজে। ১০ বলে ১৪ রান জয়ের জন্য ভারতের। পহ্ন ১৩, আইয়ার ৫ রানে ক্রিজে। ৫ রানে শ্রেয়স আইয়ার আউট। ৬ বলে ১০ রান জয়ের জন্য ভারতকে তুলতে হবে।

ক্রিজে এলেন ভেঙ্কটেশ আইয়ার, সাথে ঋষভ পহ্ন ১৩ রানে ক্রিজে। ভারতকে ৬ বলে ৯ রান তুলতে হবে জয়ের জন্য।১৯ ওভার শেষ ১৫৬ রান ভারতের, ৪ উইকেটে। ভেঙ্কটেশ আইয়ার আউট ৪ রানে। ক্রিজে পহ্ন ১৩, অক্ষর প্যাটেল ক্রিজে। ৪ বলে ৫ রান জয়ের জন্য ভারতকে তুলতে হবে।

<

p style=”text-align: justify;”>ভারত জিতল ৫ উইকেটে নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে হোম সিরিজের প্রথম টি টোয়েন্টি ম্যাচ জয়পুরে। ঋষভ পহ্ন ১৭ নট আউট এবং অক্ষর প্যাটেল ১ রানে অপরাজিত থাকে। নিউজিল্যান্ডের হয়ে ট্রেন্ট বোল্ট ২,সাউদি, স্যান্টনার এবং মিচেল একটি করে উইকেট নিয়েছে। তিন ম্যাচের টি টোয়েন্টি সিরিজে ভারত ১-০ এগিয়ে গেল। দ্বিতীয় টি টোয়েন্টি ম্যাচ রাঁচিতে ১৯ নভেম্বর।

T20 World Cup: নিউজিল্যান্ডকে ৮ উইকেটে হারিয়ে বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন অস্ট্রেলিয়া

Winners as Australia

Sports desk: রবিবার টি টোয়েন্টি বিশ্বকাপ ফাইনালে দুবাই ইন্টারন্যাশনাল স্টেডিয়ামে অল ট্রান্স-তাসমান লড়াইয়ে অস্ট্রেলিয়ার মুখোমুখি হয় নিউজিল্যান্ড। অস্ট্রেলিয়া টসে জিতে বোলিং’র সিদ্ধান্ত নেয়।

অস্ট্রেলিয়া জিতলো ৮ উইকেটে নিউজিল্যান্ডকে হারিয়ে টি টোয়েন্টি বিশ্বকাপ চ্যাম্পিয়ন অস্ট্রেলিয়া। মিচেল মার্স ৭৭ এবং গ্লেন ম্যাক্সওয়েল ২৮ রানে দুজনেই অপরাজিত থেকে অস্ট্রেলিয়াকে বিশ্বকাপ চ্যাম্পিয়ন করেছে।
বিশ্বকাপ ফাইনাল ম্যাচে অস্ট্রেলিয়া নিজেদের উইনিং (সেমিফাইনাল জয়ের টিম) কম্বিনেশন অপরিবর্তিত রাখে। অন্যদিকে চোট পাওয়া কনওয়ের জায়গায় উইকেটরক্ষক টিম সেফার্ট কিউইদের প্রথম একাদশে জায়গা করে নেয়।

নিউজিল্যান্ড ২০ ওভারে ৪ উইকেটে অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে রান তুলেছে স্কোরবোর্ডে ১৭২ রান। জেমস নিসহ্যাম ১৩ এবং টিম সেফার্ট ৮ রানে অপরাজিত থাকে।

নিউজিল্যান্ডের কোণঠাসা অবস্থা থেকে কিউই অধিনায়ক কেন উইলিয়াসন নিজের অর্ধশতরান করে ফেলেন। ম্যাক্সওয়েলের বলে টানা দুই বলে দুটি ছক্কা মেরে স্টাইলে ৫০ রান নিউজিল্যান্ড অধিনায়ক কেন উইলিয়ামসনের।

১৭ ওভার শেষে নিউজিল্যান্ড ২ উইকেটে ১৪৪ রান। ক্রিজে কেন উইলিয়মসন ৪৫ বলে ৮১ এবং গ্লেন ফিল্পিস ১৫ বলে ১৮ রান করে নট আউট। কিন্তু এতকিছুর মাঝে ফের অজিদের ব্রেক থ্রু দেয় জোস হ্যাজলউড। গ্লেন ফিল্পিস ম্যাক্সওয়েলের হাতে ক্যাচ দিয়ে প্যাভিলিয়নে ফিরে আসে, ব্যক্তিগত ১৮ রান করে। নিউজিল্যান্ড ৩ উইকেটে ১৭.২ ওভারে ১৪৪ রান।

১৭.৫ ওভারে নিউজিল্যান্ডের কাছে বড় ধাক্কা। জোস হ্যাজলউডের বলে স্টিভ স্মিথের হাতে ক্যাচ দিয়ে বসেন কিউই ক্যাপ্টেন কেন উইলিয়মসন ৮৫ রানের মাথায়। ১৪৮ রানে ৪ উইকেট নিউজিল্যান্ডের।

১৮ তম ওভারে জোস হ্যাজলউডের জোড়া ধাক্কা কিইউ শিবিরে, দ্বিতীয় বলে গ্লেন ফিল্পিস এবং পঞ্চম ডেলিভারিতে কেন উইলিয়মসনের উইকেট তুলে নিয়ে। তবে টি টোয়েন্টি বিশ্বকাপ ফাইনালে অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে নিউজিল্যান্ড ক্যাপ্টেন কেন উইলিয়মসনের ৪৮ বলে ৮৫ রানের দুরন্ত অধিনায়কোচিত ইনিংস মনে রাখার মতো।

জবাবে ব্যাট করতে নেমে অস্ট্রেলিয়া ২.৩ ওভারে ট্রেন্ট বোল্টের বলে অধিনায়ক অ্যারন ফিঞ্চের (৫) উইকেট দ্রুত হারিয়ে বসে, ১৫ রানে, এক উইকেট। টি টোয়েন্টি বিশ্বকাপের ফাইনাল ম্যাচে কিউই পেসার ট্রেন্ট বোল্টের বলে ড্যারিল মিচেলের দুর্দান্ত ক্যাচ। অজি অধিনায়ক অ্যারন ফিঞ্চের উইকেট নিউজিল্যান্ডের কাছে বড় প্রাপ্তি।
ক্রিজে ডেভিড ওয়ার্নার এবং মিচেল মার্স। অস্ট্রেলিয়া ১০.৫ ওভারে ১ উইকেট হারিয়ে ৯৬ রান। ওয়ার্নারের অর্ধশতরান ৩৫ বলে ৫২ এবং মার্সের ২৩ বলে ৩৭ রানে দুজনেই নট আউট।

১২.২ ওভারে ট্রেন্ট বোল্টের বলে অজি ওপেনার ডেভিড ওয়ার্নার আউট ৩৮ বলে ৫৩ রান করে। স্কিড থ্রু এবং ডেভিড ওয়ার্নার তার শট পুরোপুরি মিস করেন। বোল্ট তার গতিতে ওয়ার্নারকে অবাক করে দেয়। অস্ট্রেলিয়া ১০৭ রানে দুই উইকেট। ৪১ বলে ৫৭ রান দরকার অস্ট্রেলিয়ার জেতার জন্য।

মিচেল মার্স অর্ধশতরান করে ৫৯ রানে ক্রিজে আর গ্লেন ম্যাক্সওয়েল ১ রানে ক্রিজে। ৩৮ বলে ৫০ রান অস্ট্রেলিয়ার জয়ের জন্য। অস্ট্রেলিয়া ১৩.৪ ওভারে ২ উইকেটে ১২৩ রান। নিউজিল্যান্ডের পেসার ট্রেন্ট বোল্টে তিন ওভারে ৮ রান দিয়ে এখনও পর্যন্ত ২ উইকেট নিয়েছে।

নিউজিল্যান্ড উইকেটের খোঁজে টিম সাউদি বল হাতে। ক্রিজে ব্যাট করছে মিচেল মার্স এবং ম্যাক্সওয়েল। ২৮ বলে ২৬ রান দরকার অস্ট্রেলিয়ার জেতার জন্য।

১৬ ওভার শেষে অস্ট্রেলিয়া ২ উইকেটে ১৪৯ রান। ২৪ বলে ২৪ রান জয়ের লক্ষ্যমাত্রা অস্ট্রেলিয়ার সামনে। ক্রিজে মিচেল মার্স ৬৭ এবং ম্যাক্সওয়েল ২১ রানে ব্যাট করছে।

১৮ বলে ১৪ রান দরকার অস্ট্রেলিয়ার নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে জেতার জন্য। ক্রিজে মার্স ৪৪ বলে ৬৯ এবং ম্যাক্সওয়েল ১৩ বলে ২২ রানে ব্যাট করছে। কিউই অধিনায়ক কেন উইলিয়মসন ব্রেক থ্রু পাওয়ার আশায় ট্রেন্ট বোল্ট, টিম সাউদিকে দিয়ে বল করিয়েও অজিদের উইকেট তুলতে এখনও ব্যর্থ।

১৩ বলে ১২ রান দরকার অজিদের জেতার জন্য। বল হাতে মিলনে। মার্স ৭০ ম্যাক্সওয়েল ২৩ রানে ক্রিজে। ১২ বলে ১১ রান দরকার অস্ট্রেলিয়ার জেতার জন্য। টিম সাউদির হাতে বল। ক্রিজে মিচেল মার্স ও গ্লেন ম্যাক্সওয়েল।

১০ বলে ৬ রান অজিদের জেতার জন্য। অস্ট্রেলিয়া জিতলো ৮ উইকেটে বিশ্বকাপ চ্যাম্পিয়ন অস্ট্রেলিয়া, নিউজিল্যান্ডকে হারিয়ে।

T20 World Cup: অস্ট্রেলিয়াকে ১৭৩ রান টার্গেট দিল নিউজিল্যান্ড

kane

Sports desk: রবিবার টি টোয়েন্টি বিশ্বকাপ ফাইনালে দুবাই ইন্টারন্যাশনাল স্টেডিয়ামে অল ট্রান্স-তাসমান লড়াইয়ে অস্ট্রেলিয়ার মুখোমুখি হয় নিউজিল্যান্ড। অস্ট্রেলিয়া টসে জিতে বোলিং’র সিদ্ধান্ত নেয়।

বিশ্বকাপ ফাইনাল ম্যাচে অস্ট্রেলিয়া নিজেদের উইনিং (সেমিফাইনাল জয়ের টিম) কম্বিনেশন অপরিবর্তিত রেখেছে। অন্যদিকে চোট পাওয়া কনওয়ের জায়গায় উইকেটরক্ষক টিম সেফার্ট কিউইদের প্রথম একাদশে জায়গা পেয়েছে। আউট ড্যারিল মিচেল ১১ রানে। জোস হ্যাজেলউডের বলে, অস্ট্রেলিয়ার বড় উইকেট।

হ্যাজেলউডের স্লোয়ার ডেলিভারি মিচেলের ব্যাটে ছুঁয়ে (এজড) অজি কিপার ম্যাথু ওয়েডের গ্লাভসে জমা পড়ে।নিউজিল্যান্ডের ২৮ রানে ১ উইকেট ম্যাচের ৩.৫ ওভারে।

t20-world-cup Final

ক্রিজে মার্টিন গুপ্টিল (২৭) এবং কিউইদের অধিনায়ক কেন উইলিয়মসন(১৮) মাটি কামড়ে লড়ে চলেছেন। ১০ ওভারে ৫৭ রান নিউজিল্যান্ডের, এক উইকেটের বিনিময়।

৩.৫ ওভারে নিউজিল্যান্ডের ২৮ রানে ১ উইকেট হারিয়ে ফাইনাল ম্যাচে চাপে পড়ে গিয়েছিল। কিন্তু গুপ্টিল এবং উইলিয়মস জুটি দুরন্ত ব্যাটিং’র জোরে এবং অজি বোলারদের ওপড় ডমিনেট করে ইনিংস গোছানোর কাজে মন দেয়।

কিউইদের প্ল্যান যখন ঠিকঠাক ভাবে এগিয়ে যাচ্ছিল তখনই হঠাৎ করেই ছন্দপতন। অস্ট্রেলিয়াকে ব্রেক থ্রু দেয় জাম্পা মার্টিন গুপ্টিলের উইকেট নিয়ে, যিনি ২৮ রানে ব্যাট করছিলেন। অ্যাডাম জাম্পার বলে মার্কাস স্টয়নিসকে হাতে ক্যাচ দিয়ে ফিরে আসেন গুপ্টিল। নিউজিল্যান্ড ১১.১ ওভারে ৭৬ রানে ২ উইকেট।

ইতিমধ্যে কিউই অধিনায়ক কেন উইলিয়াসন নিজের অর্ধশতরান করে ফেলেন। ম্যাক্সওয়েলের বলে টানা দুই বলে দুটি ছক্কা মেরে স্টাইলে ৫০ রান নিউজিল্যান্ড অধিনায়ক কেন উইলিয়ামসনের।

উইলিয়মসন ৫৪ এবং গ্লেন ফিল্পিস ৪ রানে ক্রিজে। নিউজিল্যান্ড ১৪ ওভারে দুই উইকেটে ১০২ রান স্কোরবোর্ডে তুলেছে। কিউই অধিনায়ক এবং গ্লেন ফিল্পিস দুজনেই জুটি বেঁধে অস্ট্রেলিয়ার বোলারদের নাভিশ্বাস তুলে দিয়েছে।

১৭ ওভার শেষে নিউজিল্যান্ড ২ উইকেটে ১৪৪ রান। ক্রিজে কেন উইলিয়মসন ৪৫ বলে ৮১ এবং গ্লেন ফিল্পিস ১৫ বলে ১৮ রান করে নট আউট। ফের অজিদের ব্রেক থ্রু দিল হ্যাজলউড। গ্লেন ফিল্পিস ম্যাক্সওয়েলের হাতে ক্যাচ দিয়ে প্যাভিলিয়নে ফিরে আসে, ব্যক্তিগত ১৮ রান করে। নিউজিল্যান্ড ৩ উইকেটে ১৭.২ ওভারে ১৪৪ রান।

১৭.৫ ওভারে নিউজিল্যান্ডের কাছে বড় ধাক্কা। জোস হ্যাজলউডের বলে স্টিভ স্মিথের হাতে ক্যাচ দিয়ে বসেন কিউই ক্যাপ্টেন কেন উইলিয়মসন ৮৫ রানের মাথায়। ১৪৮ রানে ৪ উইকেট নিউজিল্যান্ডের।

১৮ তম ওভারে জোস হ্যাজলউডের জোড়া ধাক্কা কিইউ শিবিরে, দ্বিতীয় বলে গ্লেন ফিল্পিস এবং পঞ্চম ডেলিভারিতে কেন উইলিয়মসনের উইকেট তুলে নিয়ে। তবে টি টোয়েন্টি বিশ্বকাপ ফাইনালে অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে নিউজিল্যান্ড ক্যাপ্টেন কেন উইলিয়মসনের ৪৮ বলে ৮৫ রানের দুরন্ত অধিনায়কোচিত ইনিংস মনে রাখার মতো।

<

p style=”text-align: justify;”>শেষ পর্যন্ত নিউজিল্যান্ড ২০ ওভারে ৪ উইকেটে অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে রান তুলেছে স্কোরবোর্ডে ১৭২ রান। জেমস নিসহ্যাম ১৩ এবং সেফার্ট ৮ রানে অপরাজিত থাকে।

T20 World Cup: রবিবাসরীয় মেগা ফাইনালে অজিদের বিরুদ্ধে তুরুপের তাস ট্রেন্ট বোল্ট

Sports desk: দুবাইয়ে দুর্দান্ত রেকর্ড রয়েছে নিউজিল্যান্ডের পেসার ট্রেন্ট বোল্টের। ২০২০ সাল থেকে নয়টি টি-টোয়েন্টি ম্যাচে ১৮ উইকেট নিয়েছেন। রবিবারের ফাইনালে বোল্ট নিউজিল্যান্ডের হয়ে অস্ট্রেলিয়াকে হারাতে সাহায্য করার লক্ষ্যে থাকবেন। অস্ট্রেলিয়া বিরুদ্ধে ৮ টি-টোয়েন্টিতে ১০ উইকেট নিয়েছেন। চলতি টি টোয়েন্টি বিশ্বকাপে ট্রেন্ট বোল্ট নিয়েছেন ১১ উইকেট।

নিউজিল্যান্ড এবং অস্ট্রেলিয়া উভয়ই টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে ফেভারিটদের মধ্যে ছিল না, কিন্তু ফাইনালে তাদের জায়গা বুক করার জন্য সমস্ত প্রতিকূলতা কাটিয়ে উঠেছে। ট্রান্স-তাসমান প্রতিদ্বন্দ্বীরা এখন প্রথম টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের শিরোপা জেতার জন্য মুখোমুখি হবে, দুই টিমই আগে কখনও এই টাইটেল জিতেনি।

অস্ট্রেলিয়ার ব্যাটিং ডেভিড ওয়ার্নারকে ঘিরে দাঁড়িয়ে কিন্তু অজি ব্যাটিং শিবিরে কিছু দুর্বলতা রয়েছে যা সেমিফাইনালে পাকিস্তানি বোলারদের বিরুদ্ধে ব্যাট করার সময়ে সামনে এসেছিল এবং নিউজিল্যান্ডও এটি করতে চাইবে।

ইশ সোধি এবং মিচেল স্যান্টনারের স্পিন হুমকি ছাড়াও, নিউজিল্যান্ডের গো-টু অস্ত্র বাঁহাতি পেসার ট্রেন্ট বোল্ট অজিদের কাছে মস্ত বড় চ্যালেঞ্জ।

দুবাইয়ে বোল্টের একটি উজ্জ্বল রেকর্ড রয়েছে। ২০২০ সাল থেকে নয়টি টি-টোয়েন্টি ম্যাচে ১৩.৫০ গড়ে ১৮ উইকেট নিয়েছেন এবং ১১.৩০ এর স্ট্রাইক রেট রয়েছে, যার মধ্যে দুটি মেডেন ওভারও রয়েছে।

অ্যারন ফিঞ্চ এবং তার দলের জন্য বিষয়টি আরও খারাপ কেননা বাঁ-হাতি পেসার ট্রেন্ট বোল্ট অজিদের বিপক্ষে বোলিং পছন্দ করে। অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে ৮ টি-টোয়েন্টিতে বোল্ট ১০ টি উইকেট নিয়েছেন, যা টি-টোয়েন্টিতে যেকোনো দলের বিপক্ষে তার জন্য সবচেয়ে বেশি উইকেট।

T20 World Cup: ড্যারিল মিচেলের অপরাজিত ইনিংসে ভর করে ব্ল্যাক ক্যাপসরা ফাইনালে

T20 World Cup: New Zealand won the 5 wickets

Sports desk: চলতি টি টোয়েন্টি বিশ্বকাপের প্রথম সেমিফাইনালে নিউজিল্যান্ডের দুরন্ত জয়,৫ উইকেটে জিতলো কিউইরা ইংল্যান্ডকে উড়িয়ে দিয়ে। নিউজিল্যান্ড চলে গেল টি টোয়েন্টি বিশ্বকাপের ফাইনালে। সঙ্গে নিলো মধুর প্রতিশোধ, ২০১৯ বিশ্বকাপে।

আবুধাবি স্টেডিয়ামে নিউজিল্যান্ড টসে জিতে বোলিং’র সিদ্ধান্ত নেয়। ইংল্যান্ডের হয়ে দাউদ মালান ৪১ রান করেন। মঈন আলি ৫১ এবং ইংল্যান্ড অধিনায়ক ইয়ন মর্গ্যান ৪ রান, দুজনেই নট আউট থাকে। জোস বাটলার ২৯,জনি ব্যারিস্টো ১৩,লিঁওম লিভিংস্টোন ১৭ রানে আউট হয়। ইংল্যান্ড ২০ ওভারে ৪ উইকেট হারিয়ে ১৬৬ রান তোলে। কিউইদের হয়ে সাউদি, অ্যাডাম মিলনে,সোধি এবং নিসহ্যাম একটি করে উইকেট শিকার করেছে।

জবাবে ব্যাট করতে নেমে নিউজিল্যান্ড মার্টিন গুপ্টিল এবং অধিনায়ক কেন উইলিয়মসনের উইকেট দ্রুত হারিয়ে চাপে পড়ে যায়। ইংল্যান্ডের পেসার ক্রিস ওয়ক্স ম্যাচের শুরুতেই ব্ল্যাক ক্যাপসদের জোড়া ধাক্কা দিয়ে বসে।২.৪ ওভারে ১৩ রানে দুই উইকেট হারিয়ে বেসামাল হয়ে পড়ে কিউই শিবির।

ড্যারিল মিচেল এবং ডিভন কনওয়ে ক্রিজে নেমে নিউজিল্যান্ডের ইনিংস মেরামত করতে শুরু করে। দুজনের জুটি থ্রি লায়ন্সদের বিব্রত করছিল। ক্রমে এই দুই জুটি কিউই শিবিরে খোলা বাতাস বয়ে আনছিল। ম্যাচে কোণঠাসা অবস্থা থেকে কিছুটা হলেও স্বস্তিতে এসেছিল নিউজিল্যান্ড।

কিন্তু হঠাৎ করেই নিউজিল্যান্ডের ছন্দপতন, ডিভন কনওয়ে যিনি ৩৮ বলে ৪৬ রানে ব্যাটিং করছিলেন আউট হয়ে যান লিভিংস্টোনের বলে।নিউজিল্যান্ড ১৩.৪ ওভারে ৩ উইকেটে ৯৫ রান তোলে স্কোরশিটে।

থ্রি লায়ন্সদের গর্জনে আবুধাবি স্টেডিয়াম কেঁপে উঠছে, ঠিক সেই সময়ে ড্যারিল মিচেল নিউজিল্যান্ডের একদিকের উইকেটের হাল ধরে মাটি কামড়ে পড়ে আছেন। ক্রিজে নেমে গ্লেন ফিল্পিস বিশেষ কিছু সুবিধা করে উঠতে পারেনি, ২ রান করে আউট হয় লিভিংস্টোনের বলে বিলিংসের হাতে ক্যাচ দিয়ে।

এরপর ড্যারিল মিচেল জুটি বাধেন জেমস নিসহ্যামের সঙ্গে। নিসহ্যাম ঝড়ো ইনিংস খেলে ১১ বলে ২৭ রান করে আদিল রশিদের বলে ইংল্যান্ড অধিনায়ক ইয়ন মর্গ্যানের হাতে ক্যাচ দিয়ে ফিরে আসেন। ওই সময় ১৭.৬ ওভারে নিউজিল্যান্ড ৫ উইকেটে ১৪৭ রান তুলেছে। এরই মধ্যে ড্যারিল মিচেল ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে টি টোয়েন্টি বিশ্বকাপের প্রথিম সেমিফাইনালে নিজের অর্ধশতরান করে ফেলে।

শেষ পর্যন্ত ড্যারিল মিচেল ৭২ রানে অপরাজিত থাকে সঙ্গে মিচেল স্যান্টনার ১ রানে নট আউট। নিউজিল্যান্ড ১৯ ওভারে ৫ উইকেট হারিয়ে ১৬৭ রান তুলে ম্যাচ জিতে যায়, প্রথম সেমিফাইনালে।

ইংল্যান্ডের হয়ে ক্রিস ওয়ক্স এবং লিভিংস্টোন ২, আদিল রশিদ একটি উইকেট নিয়েছে। চলতি বিশ্বকাপের দ্বিতীয় সেমিফাইনাল আগামী বৃ্হস্পতিবার পাকিস্তান বনাম অস্ট্রেলিয়ার। ১৪ নভেম্বর টি টোয়েন্টি বিশ্বকাপের ফাইনাল ম্যাচ আয়োজিত হবে।

ইডেন গার্ডেন পরিদর্শনে এলেন নিউজিল্যান্ডের ক্রিকেট প্রতিনিধি দল

New Zealand cricket delegation visits Eden Gardens

Sports desk: আগামী ২১ নভেম্বর কলকাতার (Kolkata) ইডেন গার্ডেনে আয়োজিত হবে ভারত (India) বনাম নিউজিল্যান্ডের (New Zealand) মধ্যে তৃতীয় তথা শেষ টি টোয়েন্টি ম্যাচ। তাই করোনা বিধি মেনে ইডেন গার্ডেনে মাঠ এবং পরিকাঠামো পরিদর্শন করতে শুক্রবার এলেন নিউজিল্যান্ড (New Zealand) ক্রিকেট বোর্ডের প্রতিনিধি দল।

সিএবি’র তরফ থেকে ইডেন গার্ডেনে নিউজিল্যান্ডের (New Zealand) প্রতিনিধি দলের সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন সভাপতি অভিষেক ডালমিয়া, সহ সভাপতি নরেশ প্রভুলাল ওঝা, সচিব স্নেহাশিষ গঙ্গোপাধ্যায়, কোষাধ্যক্ষ দেবাশিষ গাঙ্গুলী, যুগ্ম সচিব দেবব্রত দাস, ট্যুর-ফিক্সার এবং টেকনিক্যাল কমিটির চেয়ারম্যান শুভঙ্কর ঘোষ দস্তিদার, ইডেন গার্ডেনের পিচ কিউরেটর সুজন মুখার্জ্জী, এবং শান্তনু মিত্র, রঞ্জন সাহা, অধিরাজ দত্ত সহ অন্যান্য কর্তারা।

প্রসঙ্গত, চলতি টি টোয়েন্টি বিশ্বকাপে ভারতীয় সিনিয়র ক্রিকেট দলের হেড কোচ হিসেবে রবি শাস্ত্রীর কাজের মেয়াদ পূর্ণ হচ্ছে। ইতিমধ্যেই ভারতীয় ক্রিকেট কন্ট্রোল বোর্ড (বিসিসি আই) টিম ইন্ডিয়ার পরবর্তী হেড কোচ হিসেবে কিংবদন্তী ক্রিকেটার রাহুল দ্রাবিড়ের নাম আনুষ্ঠানিক ভাবে ঘোষণা করে দিয়েছে।

আগামী নভেম্বর মাসে নিউজিল্যান্ড (New Zealand) ভারত (India) সফরে আসবে, ভারতের (India) সঙ্গে তিনটে টি টোয়েন্টি ম্যাচ এবং দুটি টেস্ট ম্যাচের সিরিজ খেলতে।

প্রথম টি টোয়েন্টি ম্যাচ ১৭ নভেম্বর জয়পুরে(Jaipur) হবে, দ্বিতীয় ম্যাচ ১৯ নভেম্বর রাঁচি (Ranchi) এবং সিরিজের তৃতীয় তথা শেষ টি টোয়েন্টি ম্যাচ হবে ২১ নভেম্বর কলকাতার(Kolkata) ইডেন গার্ডেনে। এই সিরিজে দুটি টেস্ট ম্যাচ ভেন্যুর প্রথম টেস্ট শুরু হবে ২৫ নভেম্বর কানপুরে(Kanpur) এবং দ্বিতীয় টেস্ট ম্যাচ মুম্বই’তে(Mumbai), ৩ ডিসেম্বর আয়োজিত হবে।

করোনাকালে ক্রিকেটের নন্দনকানন ইডেন গার্ডেনে দর্শকভর্তি স্টেডিয়ামে আন্তজার্তিক ক্রিকেট ম্যাচ ফিরতে চলেছে। ফলে স্বভাবতই খুশি ক্রিকেট ভক্তের দল।

Sachin Tendulkar: নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে ভারতের হারের এক্সক্লুসিভ ময়নাতদন্ত সচিনের

Sachin Tendulkar

Sports Desk, Kolkata24x7: চলতি টি-২০ বিশ্বকাপের সুপার ১২ নক আউটে ভারতের বিরুদ্ধে নিউজিল্যান্ড ৮ উইকেটে জিতেছে। ভারতীয় টপ অর্ডার ব্যাটসম্যান কেএল রাহুল,রোহিত শর্মা, অধিনায়ক বিরাট কোহলি, ঋষভ পহ্ন কিউইদের বিরুদ্ধে বিগ ওয়ান (বড় শট) খেলতে গিয়ে ক্যাচ দিয়ে প্যাভিলিয়নের পথে ফিরে এসেছে। যা নিয়ে দেশজোড়া সমালোচনার ঝড় বয়ে চলেছে।

এই নিয়ে ভারতের প্রাক্তন কিংবদন্তী ক্রিকেটার সচিন তেন্ডুলকর (Sachin Tendulkar) নিজের অভিমত মঙ্গলবার সোশাল মিডিয়াতে তুলে ধরে বলেন, “নিউজিল্যান্ড ডিসিপ্লিন বোলিং করেছে সঙ্গে ফ্লিড সেটিং ভীষণ ভাল ছিল। ফলে সহজে স্ট্রাইক রোটেশন করা যাচ্ছিল না এবং বাউন্ডারি আসছিল না। সেই কারণে আমাদের ব্যাটসম্যানরা বিগ ওয়ান (বড় শট) খেলতে শুরু করে।”

নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে ভারত প্রথম একাদশে দুই পরিবর্তন করে, দলে ইশান কিশান এবং শার্দূল ঠাকুরকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়। দেশের ক্রিকেট মহল দ্বিধা বিভক্ত এই দুই পরিবর্তন নিয়ে। কেউ বলছেন এটা পরীক্ষামূলক পরিবর্তন ছিল, আবার কারুর মতে এটা ফোর্স চেঞ্জ ছিল। মাস্টার ব্লাস্টারের মতে, নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে প্রথম একাদশে দুই পরিবর্তন ‘ফোর্স চেঞ্জ’ ছিল। নিজের মতের স্বপক্ষে কারণ ব্যাখায় বলেন,”সূর্যর ব্যাক প্রবলেম ছিল। ফলে রিপ্লেসমেন্ট হিসেবে ইশান দলে আসে।ইশান ওপেনার হিসেবে ভাল। কেননা, দুটো আইপিএলের ম্যাচে এবং বিশ্বকাপের প্রস্তুতি ম্যাচে ইশান কিশান ‘এক্সক্লুসিভ স্ট্যাট’ দিয়েছিল। আমার কাছে এই পরিবর্তন প্রত্যাশিত ছিল।

ক্রিকেটের ভগবান বলেন,” কেউ আনফিট হলে ইশান আসবে এটাই স্বাভাবিক, তাই আমি মোটেও সারপ্রাইজ হইনি, প্রথম একাদশে ইশান কিশানের নাম দেখে।”

যেভাবে বিগ ওয়ান(বড় শট) নিতে গিয়ে কিউইদের বিপক্ষে কেএল রাহুল,রোহিত শর্মা,বিরাট কোহলি, ঋষভ পহ্ন আউট হয়েছে ওই আউট হওয়ার পরিবেশ এবং পরিস্থিতির মূল্যায়ন করতে গিয়ে সচিন তেন্ডুলকর বলেন,
নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে ইশান কিশানের ব্যাটিং ছাড়াও কেএল রাহুল,রোহিত শর্মা,বিরাট কোহলি এমনকি ঋষভ পহ্নের ব্যাটিং’র দিকে নজর রাখলে দেখা যাবে কেএল রাহুল ডিপ স্কোয়ার লেগে ক্যাচ আউট, রোহিত এনং বিরাট লঙ অনে ক্যাচ আউট হয়েছিল। মুচকি হেসে সচিন এই প্রসঙ্গে বলেন,” প্রতিবার ওপর দিয়ে মারতে গেলে নির্ভুল হতে হয়, না হলে মূল্য চোকাতে হয়।”

সচিন বিষয়টাকে আরও সহজভাবে বোঝাতে গিয়ে বলেন,”এই আউটের কারণ হিসেবে আমি (সচিন) বলবো সিঙ্গলস সহজে আসছিল না।নিউজিল্যান্ড ডিসিপ্লিন বোলিং করার পাশাপাশি ফ্লিড সেটিং ভীষণ ভাল করেছিল। ফলে সহজে যেভাবে স্ট্রাইক রোটেট করা হয়ে থাকে তা হচ্ছিল না, বাউন্ডারি পাওয়া যাচ্ছিল না। সেই কারণে আমাদের ব্যাটসম্যানরা বারে বারে বড় শট নেওয়ার ঝুঁকি নিতে শুরু করে। আর বড় শট যখন ক্লিক না করে তখন, উইকেট হারিয়ে যায়।”

নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে ভারতের হারের ময়নাতদন্ত করতে গিয়ে সচিন তেন্ডুলকর যেভাবে নিখুঁত ভাবে ম্যাচ বিশ্লেষণ করেছেন মঙ্গলবার, তা এককথায় বাইশ গজে ডানহাতে ব্যাট ছাড়াও শুধু দুরন্ত তাই’ই নয়, এক্সক্লুসিভ।

নিউজিল্যান্ডের কাছে ভারতের হার নিয়ে বিস্ফোরক দাবি সচীন তেন্ডুলকরের

Sachin Tendulkar

Sports Desk: গত রবিবার ৩১ অক্টোবর, নিউজিল্যান্ড ভারতের বিরুদ্ধে ৮ উইকেটে জিতেছে। ভারত প্রথমে ব্যাট করে টসে হেরে এবং ২০ ওভারে ১১০ রান তোলে, ৭ উইকেট হারিয়ে। জবাবে নিউজিল্যান্ড ১৪.৩ ওভারে দুই উইকেট হারিয়ে জয়ের লক্ষ্যমাত্রা ১১১ রান তুলে ম্যাচ জিতে যায়, টিম বিরাট লজ্জার দ্বিতীয় হার স্বীকার করে নেয় চলমান টি-২০ বিশ্বকাপে।

এই ম্যাচে নিউজিল্যান্ড অধিনায়ক কেন উইলিয়মসন টসে জিতে বোলিং’র সিদ্ধান্ত নেয়। ফলে দ্বিতীয় ইনিংসে ভারতকে বল হাতে মাঠে নামতে হয়। আর দুবাইতে চলতি টি-২০ বিশ্বকাপের সেকেন্ড ইনিংসে ডিউ (শিশির) ফ্যাক্টর বিশেষ ভাবে পারফরম্যান্সে ছাপ ফেলছে, বিশেষত, যারা দ্বিতীয় ইনিংসে টিমের বোলারেরা( স্পিনার এবং সিমার) বল করতে আসছে।

এই ডিউ (শিশির) ফ্যাক্টর নিয়ে সচীন তেন্ডুলকরের বিস্ফোরক দাবি, “হ্যাঁ, এটা ক্রিকেটের একটা উপাদান। ডিউ (শিশির) ফ্যাক্টর নিয়ে আমি আগেও অনেকবার বলেছি, আমি আইসিসি’কেও আগে বলেছি এটা (ডিউ ফ্যাক্টর) বিগ ডিস advantage, যারা প্রথমে ব্যাট করবে।”

ক্রিকেটের ঈশ্বর বলেন, “এরফলে প্রতিযোগিতার তুল্যমূল্য বিচার করা যায় না। কারণ বল পরবর্তী সময়ে ভিজে যায়, স্পিনারেরা বল গ্রিপ করতে পারেনা তারা যেভাবে বল গ্রিপ করতে চাইছে। সিমারদেও কিছুটা ডিস Advantage হয়ে থাকে। “

সচীনকে এও বলতে শোনা গিয়েছে,”এই ব্যালেন্সড করতে হবে এবং আইসিসি’কে এর সমাধান খুঁজে বের করতে হবে। আমি আগেও বলেছি, কিন্তু আমি জানি না কি হবে? আমি আশায় আছি এই বিষয়টা(আইসিসি)ঠিক করা হবে।”