पंजाब के फतेहगढ़ साहिब में दो मालगाड़ियों की टक्कर, इंजन पलटी, दो लोको पायलट घायल

चण्डीगढ़ : पंजाब के फतेहगढ़ साहिब में रविवार सुबह करीब 4 बजे दो मालगाड़ियों की टक्कर हो गई। टक्कर लगने से एक गाड़ी का इंजन पलट गया और साथ वाले ट्रैक से गुजर रही पैसेंजर ट्रेन से टकराया। हादसे में मालगाड़ी के 2 लोको पायलट घायल हुए हैं, जिन्हें पटियाला के राजिंद्रा अस्पताल रेफर किया गया। टक्कर इतनी जबरदस्त थी कि गाड़ी को बोगियां एक-दूसरे के ऊपर चढ़ गई।

हादसा मालगाड़ियों के लिए बने डीएफसीसी ट्रैक के न्यू सरहिंद स्टेशन के पास हुआ। यहां कोयले से लोड 2 गाड़ियां खड़ी थीं। इन्हें पंजाब में रोपड़ की ओर जाना था। एक मालगाड़ी का इंजन खुलकर दूसरी से टकराया। इसके बाद इंजन पलट कर अंबाला से जम्मू तवी की तरफ जा रही पैसेंजर गाड़ी समर स्पेशल (04681) में फंस गया।

हादसे में समर स्पेशल ट्रेन को भी थोड़ा नुकसान पहुंचा है और रेलवे ट्रैक क्षतिग्रस्त हो गया है। हादसे के बाद यात्री गाड़ी को दूसरा इंजन लगाकर राजपुरा भेज दिया गया है। साथ ही ट्रैक सुधारने का काम शुरू किया गया है। सरहिंद के जीआरपी थाना प्रभारी रतनलाल ने बताया कि पैसेंजर गाड़ी अंबाला की तरफ आ रही थी। जब वह सरहिंद स्टेशन पर खड़ी थी, तभी यह हादसा हो गया। हादसा कैसे हुआ, यह जांच का विषय है।

हादसे के बाद अंबाला से लुधियाना अप लाइन ठप हो गई है। अंबाला डिवीजन के डीआरएम समेत रेलवे के आला अधिकारियों ने मौके पर पहुंचकर घटना का जायजा लिया।

Punjab Girl: केक के अंदर मिला सिंथेटिक स्वीटनर पंजाब की लड़की की मौत

10 years girl death in punjab

अधिकारियों ने सोमवार को कहा कि पंजाब की 10 वर्षीय लड़की (Punjab girl) की मौत से जुड़ा केक कृत्रिम मिठास की उच्च मात्रा के साथ पकाया गया था। 24 मार्च को लड़की के जन्मदिन के लिए पटियाला की एक बेकरी से ऑनलाइन ऑर्डर किया गया चॉकलेट केक खाने के बाद उसका पूरा परिवार बीमार पड़ गया।
जिला स्वास्थ्य अधिकारी, डीएचओ डॉ. विजय जिंदल ने एनडीटीवी को बताया कि केक का एक नमूना परीक्षण के लिए एकत्र किया गया था और रिपोर्ट से पता चला है कि इसे पकाने के लिए उच्च मात्रा में सैकरीन, एक मीठा स्वाद वाला सिंथेटिक यौगिक, का इस्तेमाल किया गया था। जबकि भोजन और पेय पदार्थों में थोड़ी मात्रा में सैकरीन का उपयोग किया जाता है, इसका उच्च स्तर आपके रक्त शर्करा के स्तर को तेजी से बढ़ा सकता है।

अधिकारियों ने कहा कि बेकरी के खिलाफ जल्द ही कार्रवाई की जाएगी और जुर्माना लगाया जा सकता है. बेकरी के मालिक के खिलाफ पहले ही एफआईआर दर्ज की जा चुकी है। सोशल मीडिया पर व्यापक रूप से साझा किए गए वीडियो में, मानवी को अपनी मौत से कुछ घंटे पहले केक काटते और अपने परिवार के साथ जश्न मनाते देखा जा सकता है।
केक काटने के कुछ घंटों बाद, उनकी छोटी बहन सहित उनका पूरा परिवार बीमार पड़ गया। उसके दादा ने कहा, लड़कियों को उल्टियां होने लगीं और मानवी ने मुंह सूखने और प्यास लगने की शिकायत की।

PM Narendra Modi : মোদীর বিরুদ্ধেই ‘ষড়যন্ত্র’ ছড়ানোর অভিযোগ উঠছে

Modi

পাঞ্জাবে কনভয় ঘোরানোর ঘটনার রেশ এখনও রয়েছে। জারি রয়েছে রাজনৈতিক তরজা। এরই মধ্যে উঠে এল সম্ভাব্য ষড়যন্ত্রের কথা। যার মাস্টারমাইন্ড খোদ প্রধানমন্ত্রী (PM Narendra Modi)!

নরেন্দ্র মোদী কেন গাড়ি ঘুরিয়ে চলে গিয়েছিলেন, তার সদুত্তর মেলেনি এখনও। কেন্দ্র এবং রাজ্য সরকার পৃথকভাবে শুরু করেছে তদন্ত। সুপ্রিম কোর্টের পক্ষ থেকেও তদন্তের দিকে নজর দেওয়া হয়েছে। রাষ্ট্রপতি ভবনে গিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। ঘটনার সম্পর্কে বলতে গিয়ে বিস্ময় প্রকাশ করেছেন রামনাথ কোবিন্দ। অন্য গন্ধ পাচ্ছেন পাঞ্জাবের (Punjab) মুখ্যমন্ত্রী চরণজিৎ চন্নি।

‘পাঞ্জাব এবং পাঞ্জাবের সংস্কৃতিকে কালিমালিপ্ত করার জন্য এক গভীর ষড়যন্ত্র রচনা করা হচ্ছে। রাজ্যের পরিস্থিতি অশান্ত করার একটা প্রয়াস এর আভাস পাচ্ছি। এই সুযোগে রাষ্ট্রপতি শাসন লাগু করার কথা হয়তো ভাবছেন কেউ কেউ’, এক সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যমে তিনি বলেছেন।

‘পাঞ্জাব এবং পাঞ্জাবিদের খুনি হিসেবে প্রমাণ করতে চেষ্টা চালানো হচ্ছে। আমরা আমাদের দেশকে ভালোবাসি। ভারতের জন্য লড়েছি বহু যুদ্ধ। সীমান্তে প্রতিপক্ষের গুলিতে প্রাণ হারিয়েছেন বহু পাঞ্জাবি। আমি আবারও বলছি, প্রধানমন্ত্রীকে রক্ষা করার জন্য আমার বুকে যদি বুলেট এসে লাগে তো লাগুক। আর কী করতে পারি? নিজের হাতের কব্জি কেটে নেবো?’

চন্নির মতে, মান রক্ষা করতে ফিরে গিয়েছিলেন মোদী। যাত্রা পথেই জানতে পেরেছিলেন, ফ্লপ হতে চলেছে কর্মসূচী। প্রায় ৭০ হাজার আসনে সেদিন ৭০০ জন হয়তো ছিলেন মেরেকেটে। তাই মাঝপথে রদ পরিকল্পনা। আগেও দাবি করেছে কংগ্রেস। ‘সাধারণ মানুষ ওনাকে জিতিয়ে এনেছেন। আর উনি এধরণের মন্তব্য করে নিজের পিঠ বাঁচাতে চাইছেন?’, প্রশ্ন করেছেন পাঞ্জাবের মুখ্যমন্ত্রী।

Punjab: কৃষকরাও অবাক, ভেবেছিলেন ‘পুলিশের কোনও চাল’

পাঞ্জাবে (Punjab) প্রধানমন্ত্রীর কনভয় ঘুরিয়ে চলে যাওয়ার ঘটনায় নয়া দাবি। যে কৃষকরা বুধবার প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর কনভয় যাওয়ার পথে রাস্তা অবরোধ করেছিলেন, তাঁরা এখন বলছেন, তিনি যে এই পথ দিয়ে যাবেন সে সম্পর্কে তাঁদের কোনও ধারণা ছিল না।

আন্দোলনকারীদের একাংশের দাবি, পথ অবরোধ শুরু করার পর পুলিশ তাঁদের সঙ্গে কথা বলেছিলেন। তবে কৃষকরা নাকি পুলিশের কথা বিশ্বাস করেননি সেদিন। তাঁদের বক্তব্য, ‘প্রধানমন্ত্রী মোদীর উচিত ছিল কাউকে পাঠিয়ে আমাদের সরে যেতে বলা। আমরা ভেবেছিলাম পুলিশ আমাদের রাস্তা থেকে সরানোর চেষ্টা করছে। যেখানে প্রধানমন্ত্রীর জন্য একটি হেলিপ্যাড তৈরি করা হয়েছে তাহলে তিনি কেন রাস্তায় আসবেন?’ মোগা-ফিরোজপুরের রাস্তায় দাঁড়িয়ে এক বিক্ষোভকারী বলেন, ‘পুলিশ আমাদের বোকা বানানোর চেষ্টা করছিল।’

প্রসঙ্গত, বুধবার ভোটের প্রচার ও বেশ কিছু প্রকল্পের উদ্বোধন করার কথা ছিল প্রধানমন্ত্রীর। সেই অনুযায়ী পাঞ্জাবের ফিরোজপুরে এক সভায় যাচ্ছিলেন মোদী। কিন্তু সেদিন এই সভায় যাওয়ার সময়ে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীকে উদ্দেশ্য করে অবরোধের অভিযোগ ওঠে। একটি উড়ালপুলে ১৫-২০ মিনিট আটকে থাকে তাঁর কনভয়। শেষমেশ তিনি ফিরে যান ভাতিন্দা এয়ারপোর্টে। সর্বভারতীয় সংবাদসংস্থার দাবি, সেখানে তিনি মুখ্যমন্ত্রীকে কটাক্ষ করে বলেন ‘বেঁচে আছি, এই অনেক। আমার আজ প্রাণহানি হতে পারত। এয়ারপোর্টে পৌঁছে গেছি, সে জন্য মুখ্যমন্ত্রীকে ধন্যবাদ।’ এদিকে খোদ প্রধানমন্ত্রীর কনভয় আটকানোর ঘটনাকে ঘিরে উত্তাল হয়ে রয়েছে দেশীয় রাজনীতি। প্রশ্ন উঠছে প্রধানমন্ত্রীর নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে। ইতিমধ্যে এই ঘটনার আঁচ সুপ্রিম দ্বারে অবধি গিয়ে পৌঁছেছে।

ভারতীয় কিষাণ ইউনিয়নের একটি দলের কৃষকরা বলছেন যে তারা প্রাথমিকভাবে ফিরোজপুর জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে বিক্ষোভ করতে যাচ্ছিলেন। তবে প্রধানমন্ত্রীর সমাবেশের কারণে পুলিশ তাদের বাধা দেয়। এক বিকেইউ নেতা জানান, ‘এটা সেই ধরনের পরিবেশ নয়। পাঞ্জাব একটা শান্তিপূর্ণ জায়গা। অন্য কোনও রাজ্যের মতো নয়। প্রধানমন্ত্রী এই জায়গা পর্যন্ত ১২০-১৩০ কিলোমিটার গাড়ি চালিয়েছিলেন।’

Punjab: প্রধানমন্ত্রীর নিরাপত্তায় গাফিলতি, মামলা সুপ্রিমকোর্টে, কংগ্রেসের কটাক্ষ

পাঞ্জাবের ভাতিন্ডায় বুধবারের ঘটনার পর অনেকেই অভিযোগ করেছেন, “ফ্লপ” জনসভা এড়াতেই ব্রিজে দাঁড়িয়ে থাকার নাটক। তারপর তাঁকে “খুনের চক্রান্তের” অভিযোগ করেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। তীব্র রাজনৈতিক বিতর্কের মাঝে প্রধানমন্ত্রীর নিরাপত্তায় গাফিলতিজনিত মামলা দায়ের হল সুপ্রিম কোর্টে। রাষ্ট্রপতি রামনাথ কোবিন্দও গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন।

শুক্রবার প্রধান বিচারপতি এনভি রামান্নার বেঞ্চে হবে এই মামলার শুনানি হবে। আইনজীবী মনিন্দর সিং আদালতে মামলটি দায়ের  করেছেন। আবেদনে মনিন্দর বলেছেন, প্রধানমন্ত্রীর নিরাপত্তায় কেন এত বড় মাপের গাফিলতি হল সে বিষয়ে পাঞ্জাব সরকারের বক্তব্য জানতে চাওয়া হোক।যাদের উপর প্রধানমন্ত্রীর নিরাপত্তার দায়িত্ব ছিল সেই সমস্ত আধিকারিকদের বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নেওয়া হোক। এ ধরনের ঘটনার পুনরাবৃত্তি যাতে না হয় সে বিষয়টিও যেন নিশ্চিত করা হয়।

বুধবারের ঘটনায় পাঞ্জাব সরকারের পক্ষ থেকেও তিন সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। নির্দেশ দেওয়া হয়েছে তিন দিনের মধ্যে রিপোর্ট পেশ করার। বিচারপতি মেহতাব গিল এবং স্বরাষ্ট্র বিভাগের প্রধান সচিব অনুরাগ ভার্মা রয়েছেন এই কমিটিতে।

প্রধানমন্ত্রীকে নিরাপত্তা দিতে ব্যর্থ হওয়ার জন্য পাঞ্জাব সরকারের সমালোচনা করে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক জানিয়েছে, “ব্লু -বুক অনুসারে প্রধানমন্ত্রীর সফরের সময় পাঞ্জাবের মত স্পর্শকাতর জায়গায় বিকল্প রাস্তা তৈরি রাখা উচিত ছিল।”

প্রধানমন্ত্রীর এই সফরে, সব ধরনের প্রোটোকল মানা হয়েছে কিনা জানতে চেয়ে কংগ্রেসও পাল্টা কটাক্ষ করেছে। পাঞ্জাবে কংগ্রেস ক্ষমতায়।

পাঞ্জাবের মুখ্যমন্ত্রী চরণজিৎ সিং চান্নি সাংবাদিক সম্মেলন বলেছেন, “প্রধানমন্ত্রীর নিরাপত্তায় কোনওরকম গাফিলতি ছিল না। একজন পাঞ্জাবি হিসেবে, আমি আগে আপনাকে (প্রধানমন্ত্রী) রক্ষা করে তারপর মরব। কিন্তু আপনার জীবনের কোনও বিপদ হতে দেব না। মোদীর খুনের চক্রান্ত নিতান্তই বাহানা। মোদীর সড়ক পথে আসার কোনও পূর্ব পরিকল্পনাই ছিল না। ওনার যদি ফিরোজপুর যাওয়ার প্রকৃতই ইচ্ছে থাকত তাহলে উনি অন্য পথেও যেতে পারতেন। উনি যেখানে যাচ্ছিলেন সেখানে মাত্র ৭০০ জন লোক এসেছিল।”

বিরোধী শিবিরের মতে, প্রধানমন্ত্রীর জনসভায় ৭০ হাজার চেয়ার ছিল। কিন্তু লোক হয়েছিল মাত্র ৭০০ জন। তাই অস্বস্তি এড়াতেই তাঁর এই “উল্টোযাত্রা”।

বিজেপি বিরোধী শিবিরের কটাক্ষ, যেখানে রাস্তায় থেকে এক বছরে ৭০০জন কৃষক প্রাণ হারিয়েছেন সেখানে মাত্র ১৫ মিনিট রাস্তায় আটকে থাকায় নিজের “প্রাণনাশের” আশঙ্কা করছেন প্রধানমন্ত্রী। তাঁর এই আশঙ্কা যদি সত্যি হয় তবে, তো বলতে হয় মোদি সরকারের আমলে দেশে আইনশৃঙ্খলা বলে কোনও বস্তুই নেই।

INC: ‘নাটক… কৃষকরা মোদীকে ওনার আওকাত বুঝিয়ে দিয়েছেন’

প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর গাড়ি ঘুরিয়ে নেওয়ার ঘটনায় শুরু হয়েছে রাজনৈতিক তরজা। বিজেপির পক্ষ থেকে বলা হচ্ছে, প্রধানমন্ত্রী ক্ষতি করার চেষ্টা করেছিল পাঞ্জাব সরকার। যদিও কংগ্রেসের (INC) পক্ষ থেকে দাবি, নিরাপত্তায় কোনও ত্রুটি ছিল না। বরং ঘটনাটি স্রেফ একটা ‘নাটক’।

মহারাষ্ট্র কংগ্রেসের সভাপতি নানা পাটোলে বলেছেন, ‘নরেন্দ্র মোদী নিরাপত্তায় কোন খামতি ছিল না। গাড়ি ঘুরিয়ে চলে যাওয়ার মধ্যে দিয়ে উনি যে কাণ্ডটি করেছেন, সেটা নাটক ছাড়া আর কিছুই না।’

আরও পড়ুন: Modi: ‘বেঁচে ফিরে’ প্রধানমন্ত্রী চুপ কেন? উঠছে প্রশ্ন

পাঞ্জাবে নির্বাচন আসন্ন। তার আগে সেখানে নিজেদের পায়ের তলার জমি শক্ত করতে চাইছে রাজনৈতিক দলগুলো। ভারতীয় জনতা পার্টিও তার ব্যতিক্রম নয়। গতকাল এক কর্মসূচিতে অংশগ্রহণ করার কথা ছিল নরেন্দ্র মোদীর। কিন্তু সভাস্থলের পৌঁছয়নি তাঁর গাড়ি। নিরাপত্তা রবি সিমের কথা উঠলেও রাজনৈতিক মহলের একাংশ খুঁজে পাচ্ছেন অন্য অঙ্ক।

সম্প্রতি প্রকাশিত হয়েছিল চণ্ডীগড় পুরভোটের ফলাফল। গতবার এই আসনে দারুণ ফলাফল করেছিল বিজেপি। এবার তার ছায়ামাত্র নেই। ব্যাপক জনসমর্থন নিয়ে উঠে এসেছে অরবিন্দ কেজরিওয়ালের আম আদমি পার্টি। কেউ কেউ মনে করছেন পাঞ্জাবে আসন্ন নির্বাচনে ফ্যাক্টর হতে পারে কৃষক আন্দোলন।

<

p style=”text-align: justify;”>কৃষকদের লাগাতার চাপের মুখে শেষ পর্যন্ত নতজানু হয়েছিল কেন্দ্রীয় সরকার। ফিরিয়ে নিতে বাধ্য হয়েছিল বিতর্কিত কৃষিবিল। বিদ্রোহী কৃষকদের সমর্থন দিয়ে গিয়েছিলেন অরবিন্দ। তারই সুফলকে তিনি পেয়েছেন চণ্ডীগড়ে? উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না সম্ভাবনা। কৃষক আন্দোলনের বিপরীতে কেন্দ্রের ভাবমূর্তি কতটা অক্ষুন্ন রয়েছে সে ব্যাপারেও রয়েছে সংশয়। ফের কি একবার নিজের প্রখর রাজনৈতিক বুদ্ধির পরিচয় দিয়েছেন মোদী? নানা পাটোলের মতে, ‘মোদীকে ওনার আওকাত বুঝিয়ে দিয়েছেন কৃষকরা।’

Modi: ‘বেঁচে ফিরে’ প্রধানমন্ত্রী চুপ কেন? উঠছে প্রশ্ন

‘বেঁচে ফিরতে পেরেছি’, ভাতিন্দা বিমানবন্দরে পৌঁছে নাকি এমনটাই বলেছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী৷ সর্বভারতীয় সংবাদসংস্থার পক্ষ থেকে এই খবর প্রকাশ হওয়া মাত্রই তা জনপ্রিয়তা লাভ করেছিল। যদিও এই খবরের সত্যতা নিয়ে সন্দেহ দানা বেঁধেছে। কিছু প্রশ্ন তোলা হয়েছে কংগ্রেসের পক্ষ থেকে।

কংগ্রেসের পক্ষ থেকে প্রশ্ন তোলা হয়েছে, প্রধানমন্ত্রী যদি সত্যিই এমন কথা বলে থাকেন তাহলে তার প্রমাণ কোথায়। মোদী নিজে কিংবা প্রধানমন্ত্রীর অফিস, বিজেপির পক্ষ থেকে এ প্রসঙ্গ কিছু বলা হচ্ছে না কেন?

পাঞ্জাবের ফিরোজপুরে এক কর্মসূচীতে যাওয়ার কথা ছিল প্রধানমন্ত্রীর। আকাশ পথে যাওয়ার পরিকল্পনা ছিল প্রথমে। খারাপ আবহাওয়ার কারণে পরে বদলানো হয় পরিকল্পনা। সড়ক পথেই কনভয় নিয়ে এগিয়ে যান তিনি। যাওয়ার পথে ভাতিন্দার কাছে এক ফ্লাইওভারে প্রায় ২০ মিনিট দাঁড়িয়ে থাকে তাঁর কনভয়। শেষ পর্যন্ত গাড়ি ঘুরিয়ে নেন প্রধানমন্ত্রী। অভিযোগ, কংগ্রেস পরিচালিত পাঞ্জাব সরকার সুনিশ্চিত করেনি নরেন্দ্র মোদীর নিরাপত্তা। স্মৃতি ইরানির মতে, প্রধানমন্ত্রীর ক্ষতি করতে চেয়েছিল পাঞ্জাব সরকার। এই নিয়ে এখন চলছে রাজনৈতিক তরজা।

সর্বভারতীয় এক সংবাদসংস্থার খবর অনুযায়ী, বিমানবন্দরে ফিরে প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, ‘আপনাদের মুখ্যমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানিয়ে বলবেন, ভাতিন্দা বিমানবন্দরে আমি বেঁচে ফিরেছি’।

কংগ্রেস মুখপাত্ত রণদীপ সুরজেওয়ালার প্রশ্ন, ‘পিএমও, বিজেপি কিংবা প্রধানমন্ত্রী নিজে কিছু বলছেন না কেন? প্রধানমন্ত্রীর কনভয়ে কি হামলা চালানো হয়েছিল? নক্সাল কিংবা সন্ত্রাসবাদী হামলা?’

পাঞ্জাবের মুখ্যমন্ত্রী চরণজিৎ চন্নির কথায়, ‘প্রধানমন্ত্রীকে রক্ষা করার জন্য আমি আমার জীবনকেও বাজি রাখতে প্রস্তুত। কিন্তু উনি বিপদের মধ্যে পড়েননি। নিরাপত্তায় কোনও ত্রুটি ছিল না। দেশের প্রধানমন্ত্রীকে নিরাপত্তা দেওয়ার ব্যাপারে রাজ্যের তরফে কোনও রকম গাফিলতি হয়নি। তিনি আরও বলেন, কনভয় আটকে পড়লে প্রধানমন্ত্রীকে অন্য রাস্তা দিয়ে হুসেনওয়ালা যেতে বলা হলে তিনি রাজি হননি।’

Narendra Modi: মোদীর জনসভা ফাঁকা, তাই কি ‘বেঁচে ফিরেছি’ রাজনীতি!

গাড়ি ঘুরিয়ে চলে গিয়েছেন নরেন্দ্র মোদী (Narendra Modi)। অভিযোগ, ‘প্রধানমন্ত্রীর ক্ষতি করতে চেয়েছিল পাঞ্জাব সরকার’। কিন্তু আসল কারণ অন্য, মনে করছেন কিছু রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞ।

মোদীর গাড়ি ঘুরিয়ে চলে যাওয়ার পর প্রকাশ্যে এসেছে একটি ছবি। যে জায়গায় প্রধানমন্ত্রীর কর্মসূচি শুরু হওয়ার কথা ছিল সেখানের একটু দৃশ্য সামনে এসেছে বলে মনে করা হচ্ছে। কী দেখা যাচ্ছে ছবিতে? সামনের সারিতে বসে রয়েছেন হাতে গোনা কয়েকজন। পিছনের আসনগুলো ফাঁকা। দূরে কিছু মানুষের জমায়েত৷ এই ছবির প্রেক্ষিতে প্রশ্ন উঠতেই পারে দেশের প্রধানমন্ত্রীর কর্মসূচীতে গড়ের মাঠের দশা কেন?

বিধানসভা নির্বাচনের আগে পশ্চিমবঙ্গে কার্যত ‘ডেইলি প্যাসেঞ্জারি’ করেছিলেন ভারতীয় জনতা পার্টির শীর্ষ স্থানীয় নেতারা। জেলার দিক থেকে তখন এমন কিছু ছবি মিলেছিল যা গেরুয়া শিবিরের কাছে হৃদয়বিদারক। খালি পড়ে রয়েছে চেয়ার৷ গুটিকতক লোকের জমায়েত। এমনও হয়েছে সেই মূল বক্তা শেষ পর্যন্ত আর আসেননি সে তল্লাটে। কিংবা রদবদল করেছিলেন কর্মসূচীতে। যদিও রদবদলের সঠিক কারণ হলফ করা বলা মুশকিল।

পাঞ্জাবে নির্বাচন আসন্ন। ঠিক তার আগে প্রধানমন্ত্রীর ফিরে যাওয়ার ঘটনা তুলছে বহু প্রশ্ন। পাঞ্জাব সরকারের বিরুদ্ধে উঠছে আঙুল। তেমনই আলোচকদের ভাবনায় গেঁথে রয়েছে নরেন্দ্র দামোদর দাস মোদীর তুখর রাজনৈতিক মগজের কথা। পাঞ্জাবে ফাঁকা চেয়ার এবং গাড়ি ঘোড়ানোর ঘটনাকে অনেকেই অবশ্য দুইয়ে দুইয়ে চার করতে চাইছেন না। কারণ ক্ষমতায় না থাকা কংগ্রেসকে কেনই-বা এতোটা গুরুত্ব দিতে যাবেন ‘৫৬ ইঞ্চি’? তাঁর জনপ্রিয়তা গগণচুম্বি। তিনি বিশ্ববরেণ্য। সাংবাদিক সম্মেলন করেনটা বটে। কিন্তু ওই যে কথায় আছে না ‘অ্যাকশন স্পিকস লাউডার দ্যন ওয়ার্ডস’।

পাঞ্জাবে নির্বাচন যেহেতু আসন্ন তাই কিছু পরিসংখ্যানে চোখ বুলিয়ে নেওয়া যাক। ১) কৃষক বিদ্রোহের অন্যতম পিঠস্থান এই রাজ্য৷ চাষিদের চাপের মুখে পিছু হটতে বাধ্য হয়েছে কেন্দ্র। ফিরিয়ে নেওয়া হয়েছে বিতর্কিত আইন। ২) গতবার চণ্ডীগড় পুরসভা ভোটে সাফল্য পেয়েছিল বিজেপি। এবার পঞ্জাব বিধানসভা নির্বাচনের এই পুরভোটে গেরুয়া শিবির পর্যুদস্ত। সফল আম আদমি পার্টি। ৩) অন্যান্য রাজ্যেও মোদীর জনপ্রিয়তায় ভাটা পড়েছে এমন আভাস মিলেছে বহুবার। ৪) নিজেদের চেনা জায়গাতেও সম্প্রতি হেরেছে বিজেপি।

কংগ্রেসের দাবি, মুখ্যমন্ত্রীকে উদ্দেশ্য করে বলা ‘বেঁচে ফেরা’ মন্তব্যও কী ভোটব্যাঙ্কের দিকে তাকিয়ে করলেন মোদী? মূল প্রশ্নটা তোলা হয়েছে কংগ্রেস শিবিরের পক্ষ থেকে। হাত শিবির মনে করছে, সভায় লোক হবে না এটা ধরে নিয়েই নানা অজুহাত তুলেছেন প্রধানমন্ত্রী। 

Punjab: বিক্ষোভে আটকে মোদী বললেন ‘বেঁচে ফিরেছি’

জাতীয় রাজনীতিতে শুরু হয়েছে আলোচনা। নিরাপত্তার অভাবে ফিরে গিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। ঘটনাটি বুধবারের পঞ্জাবে (Punjab)। বেশ কিছুক্ষণ ভাতিন্দার কাছে আটকে ছিল প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর কনভয়। এরপর পরিকল্পনা বাতিল করে ফিরে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেন তিনি।

কেন্দ্রীয় মন্ত্রী তথা বিজেপি নেত্রী স্মৃতি ইরানি কংগ্রেসের বিরুদ্ধে করেছেন অভিযোগ। তিনি বলেছেন, প্রধানমন্ত্রীর নিরাপত্তা নিয়ে কোনও রাজ্য উদাসীন এমন উদাহরণ ইতিহাসে বিরল। রাজ্য সরকার প্রধানমন্ত্রীর ক্ষতি করার চেষ্টা করেছে।

ঘটনাটি ঠিক কী ঘটেছিল? বুধবার পঞ্জাবের ফিরোজপুরে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর এক জনসভায় অংশগ্রহণ করার কথা ছিল। কিন্তু অবরোধের কারণে তার কনভয় ১৫-২০ মিনিট ধরে একটি ফ্লাইওভারে আটকে পড়ে। এদিকে এই ঘটনায় ফলে প্রধানমন্ত্রীর কর্মসূচিটি বাতিল করা হয়। এদিকে এহেন ঘটনার পর প্রধানমন্ত্রীর নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে বিভিন্ন মহল। এক কেন্দ্রীয় মন্ত্রী এই ঘটনাকে চরম গাফিলতির আখ্যা দিয়েছেন।

শুধু তাই নয়, বিজেপির তরফ থেকে অভিযোগ করা হয়, ‘রাস্তায় পঞ্জাব সরকার নিরাপত্তা না দেওয়ায়, এগোতে পারেনি কনভয়।’ এই বিষয়ে পঞ্জাব সরকারের কাছে রিপোর্ট চাইল স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক। অন্যদিকে প্রধানমন্ত্রী মুখ্যমন্ত্রী চরণজিৎ সিং চান্নিকে এক হাত নিয়ে বলেন, ‘ভাতিন্দা বিমানবন্দর পর্যন্ত বেঁচে ফিরতে পেরেছি, ধন্যবাদ।’ বিশিষ্ট মহলের দাবি, নির্বাচনী আবহে এহেন ঘটনার জল অনেক দূর গড়াতে পারে।

Punjab: পুরভোটে ধাক্কা বিজেপির, সরকার গড়ার স্বপ্ন কেজরির

Arvind Kejriwal urges PM Modi to ban flights from affected countries

News Desk: পাঞ্জাব বিধানসভার ভোট দরজায় কড়া নাড়ছে। বিধানসভা ভোটের আগে চণ্ডীগড় পুরসভার নির্বাচন হয়ে গেল। এই নির্বাচনে বড় ধাক্কা খেল বিজেপি। কংগ্রেসের অবস্থাও তথৈবচ। কংগ্রেস ও বিজেপির দ্বৈরথের মাঝে উল্কার গতিতে এগিয়ে এল আম আদমি পার্টি ।

পাঞ্জাবের পুরভোটে প্রথমবার লড়াই করেই একক বৃহত্তম দলের স্বীকৃতি আদায় করে নিল কেজরিওয়ালের আপ। আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনের আগে এই ফলাফল অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল।

দু’দিন আগে চণ্ডীগড় পুরসভার ৩৫টি ওয়ার্ডে ভোট গ্রহণ হয়। সোমবার সকালে শুরু হয় ভোট গণনা। শেষ পাওয়া খবর অনুযায়ী আপ দখল করেছে ১৪ টি ওয়ার্ড। কংগ্রেসের দখলে গিয়েছে মাত্র ৮টি। তুলনায় বিজেপি জয়ী হয়েছে ১২টি ওয়ার্ডে। শিরোমনি অকালি দল পেয়েছে একটি ওয়ার্ডে জয়ী হয়েছে।

এই পুর নির্বাচনী ফলাফল সামনে আসতেই কংগ্রেসের কপালে চিন্তার ভাঁজ পড়েছে। কারণ কৃষি আইনকে কেন্দ্র করে বিজেপি পাঞ্জাবে যথেষ্ট ব্যাকফুটে। এই অবস্থায় রাজ্যে ক্ষমতায় পুনর্দখলের স্বপ্ন দেখছিল কংগ্রেস। কিন্তু রাহুল গান্ধীর দল অন্তর্কলহে জরাজীর্ণ।

কয়েক মাস আগেই রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী অমরিন্দর সিংকে পদ থেকে সরিয়ে দিয়েছিলেন রাহুল গান্ধী। এরপরে এই প্রবীণ কংগ্রেস নেতা নিজে একটি রাজনৈতিক দল গঠন করে বিজেপির সঙ্গে জোট করে নির্বাচনে লড়ার কথা বলেছেন।

রাজনৈতিক মহল মনে করছে, আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনে বিজেপি আদৌ ভালো ফল করতে পারবে না। তাই আম আদমি পার্টি যে ভোট কাটবে সেটা পুরোটাই কংগ্রেসের। আপ যদি ভাল রকম ভোট কেটে নেয় সে ক্ষেত্রে কংগ্রেসের জয়ের আশা ধুলিস্যাৎ হয়ে যাবে।

তবে রাজনৈতিক মহলের কেউই আপ ও কংগ্রেসের এই লড়াইয়ে বিজেপিকে এগিয়ে রাখতে চাইছেন না।তাঁরা বলছেন, আগামী বিধানসভা নির্বাচনে পাঞ্জাবের ক্ষমতা দখলের সম্ভাবনা সবচেয়ে বেশি আম আদমি পার্টির। অন্যথায় ত্রিশঙ্কু ফলাফল হতে পারে। সে ক্ষেত্রে আপ, কংগ্রেস বা বিজেপি কোনও দলই সরকার গড়ার ম্যাজিক ফিগারে পৌঁছতে পারবে না। অমরিন্দর এবং বিজেপির জোট করলেও বিধানসভা ভোটে এই জোট খুব একটা কার্যকরী হবে না। অন্যদিকে শিরোমনি অকালি দলের ভবিষ্যৎ আদৌ ভাল নয়।

পুর নির্বাচনের ফলাফল সামনে আসতেই আপ নেতা রাঘব চাড্ডা বলেছেন, এই জয় প্রমাণ করল পাঞ্জাবের মানুষ আম আদমি পার্টিকে সমর্থন করছে। আমাদের নেতা কেজরিওয়াল মানুষের জন্য যে সমস্ত পদক্ষেপ করেছেন সেগুলির প্রতি পাঞ্জাবের মানুষের আস্থা ও বিশ্বাস আছে। সে কারণে প্রথমবার লড়তে নামে একটি দলকে তাঁরা একক বৃহত্তম দলের মর্যাদা দিয়েছেন। এজন্য আপের পক্ষ থেকে পাঞ্জাববাসীদের আমি অভিনন্দন জানাই। উল্লেখ্য, আপের তরফে পাঞ্জাবের এই পুরভোটের দায়িত্বে ছিলেন আপ নেতা চাড্ডা।

Punjab : পঞ্চনদের দেশে পঞ্চমুখী ভোট যুদ্ধ

News Desk: কয়েকদিন আগে দীর্ঘ একবছর পর শেষ হয়েছে কৃষক আন্দোলন। তিনটি কৃষি আইন রাষ্ট্রপতি বাতিল করার আদেশনামায় সই করার পর আন্দোলনে ইতি টেনেছেন কৃষকরা। এবার পাঞ্জাব বিধানসভা নির্বাচনের আগে বড় সিদ্ধান্ত কৃষক নেতাদের। ২২টি কৃষক সংগঠন এক ছাতার তলায় এসে নয়া রাজনৈতিক দল তৈরি করল।

আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনে ১১৭টি আসনেই লড়বে এই দল। বলবীর সিং রাজেওয়াল হবেন এই দলের মুখ্যমন্ত্রী মুখ।  সাংবাদিক সম্মেলনে রাজেওয়াল এবং অন্য কৃষক নেতা যেমন হরমিত সিং কাদিয়ান এবং কুলবন্ত সিং সান্ধু জানিয়েছেন, কৃষক আন্দোলনে তাঁরা জয় পেয়েছে। এবার রাজনৈতিক ময়দানেও লড়বেন তাঁরা। যদিও আম আদমি পার্টির সঙ্গে তাঁরা জোট বাঁধবেন কি না তা এখনও স্পষ্ট করেননি কৃষক নেতারা।

কৃষক সংগঠনগুলি রাজনৈতিক দল তৈরি করার ফলে পাঞ্জাবে এখন ভোটের ময়দানে পঞ্চমুখী লড়াই। 

যদিও সংযুক্ত কিষাণ মোর্চাকে সম্পূর্ণ রাজনীতি থেকে আলাদা রাখছেন তাঁরা। একটি বিবৃতিতে কৃষক নেতারা জানিয়েছেন, কিষাণ মোর্চার ৯ সদস্যের কমিটি জানিয়েছে, মোর্চার ৩২টি সহযোগী সংগঠন নির্বাচনে লড়াই করার সিদ্ধান্তে সহমত নয়। দেশজুড়ে ৪০০টি কৃষক সংগঠন এই মোর্চায় রয়েছে। কমিটি জানিয়েছে, মোর্চা না ভোট বয়কটের ডাক দেবে না নির্বাচনে প্রত্যক্ষভাবে লড়বে। আগামী বছর ১৫ জানুয়ারি ফের বৈঠকে বসে পরবর্তী পদক্ষেপ ঠিক করবে মোর্চা।

Punjab: কংগ্রেসের ঘরে ‘উড়তা’ ভাজ্জি, সিধুর সঙ্গে ঘনিষ্ঠতা

Harbhajan Singh says goodbye to international cricket

News Desk: একজন ছিলেন ভারতীয় ক্রিকেট দলের নিয়মিত ওপেনার। অন্যজন ছিলেন ভারতীয় বোলিং বিভাগের অন্যতম স্তম্ভ। এই দুই বিখ্যাত ব্যক্তি এবার জোট বেঁধে নামতে পারেন রাজনীতির ময়দানে। এই দুইজন হলেন পাঞ্জাব প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি নভজ্যোত সিং সিধু এবং অন্যজন হলেন সদ্য ক্রিকেটকে বিদায় জানানো স্পিনার ভজন সিং।

অবসর নিয়ে তিনি কি রাজনীতিতে যোগ দিচ্ছেন? এই প্রশ্নের উত্তরে হরভজন বলেছেন, আমি পাঞ্জাবের মানুষের সেবা করতে চাই। রাজনীতির মাধ্যমে হোক বা অন্য কোনওভাবে, আমি শুধু মানুষের সেবা করতে চাই। আমি এ রাজ্যের সব রাজনৈতিক দলের নেতাদের চিনি। তাই আমি যদি কোন রাজনৈতিক দলে যোগ দিই তাহলে সেটা জানিয়ে দেব। এখনই রাজনীতিতে যোগ দেওয়ার ব্যাপারে আমি কোনও সিদ্ধান্ত নিইনি।
সম্প্রতি হরভজনকে সিধুর সঙ্গে বেশি ঘনিষ্ঠভাবে দেখা গিয়েছে সোশ্যাল মিডিয়ায় তাঁদের একটি ছবিও ভাইরাল হয়েছে। হরভজনের কংগ্রেসে যোগ দেওয়ার ব্যাপারে জানতে চাওয়া হলে সিধু সরাসরি কোনও উত্তর দেননি। তিনি হেসে বলেন, এই ছবিটাই তো সবকিছু বলে দিচ্ছে।

রাজনৈতিক মহল মনে করছে, সিধু চাইছেন পাঞ্জাব বিধানসভা নির্বাচনের আগে হরভজন যেন কংগ্রেসে যোগ দেন। কারণ হরভজন কংগ্রেসে যোগ দিলে দোয়াবা অঞ্চলে কংগ্রেসের শক্তি নিশ্চিতভাবেই বাড়বে। তাঁর বিজেপিতে যোগদানের খবরকে ভিত্তিহীন ও গুজব বলে উল্লেখ করেছেন হরভজন।

এর আগে মহম্মদ আজহারউদ্দিন, কীর্তি আজাদের মত প্রাক্তন ক্রিকেটাররা যোগ দিয়েছেন রাজনীতিতে। সিধু প্রথমে বিজেপিতে পরে কংগ্রেসে যোগ দেন। আগামী বছরের শুরুতেই পাঞ্জাব বিধানসভা নির্বাচন। কিন্তু নির্বাচনের আগে রাজ্যের শাসক দল কংগ্রেস অভ্যন্তরীণ কোন্দলে জর্জরিত।

কৃষি আইনকে কেন্দ্র করে পাঞ্জাবে বিজেপি ব্যাকফুটে চলে গেলেও দলীয় কোন্দলের কারণে কংগ্রেস পাঞ্জাবে ক্ষমতা ধরে রাখতে পারবে কিনা তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি হিসেবে সিধু কংগ্রেসকে রাজ্যে ক্ষমতায় ফেরতে চাইছেন। সে কারণেই তিনি তড়িঘড়ি হরভজনের সঙ্গে যোগাযোগ করেছেন। কারণ পাঞ্জাবে হরভজনের বিশেষ জনপ্রিয়তা আছে।

কিছুদিন আগে শোনা যাচ্ছিল হরভজন বিজেপিতে যোগ দিতে পারেন। তিনি বলেছেন, বিজেপিতে যোগ দেওয়ার বিষয়টি নিছকই কল্পনা এবং গুজব।

সদ্য অবসর নেওয়া হরভজন সিং দীর্ঘ ১৮ বছর ভারতীয় দলের হয়ে ক্রিকেট খেলেছেন। ২০০১ সালে ইডেনে অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে সিরিজের দ্বিতীয় টেস্টে তাঁর হ্যাটট্রিক ক্রিকেট ইতিহাসে স্বর্ণাক্ষরে লেখা থাকবে। ২০০৭ সালে প্রথম টি-২০ টোয়েন্টি বিশ্বকাপ এবং ২০১১ সালে ওয়ানডে বিশ্বকাপ জয়ী ভারতীয় দলের সদস্য ছিলেন হরভজন। শুক্রবার তিনি সব ধরনের ক্রিকেট থেকে অবসর নিয়েছেন।

Punjab: লুধিয়ানা বিস্ফোরণে জড়িত বরখাস্ত পুলিশকর্মী, আত্মঘাতী হামলা?

Explosion at Ludhiana District Court in Punjab, 2 dead, 6 injured

News Desk: লুধিয়ানা আদালতে বিস্ফোরণ মামলার তদন্তে চাঞ্চল্যকর মোড়। এক বরখাস্ত পুলিশকর্মী বিস্ফোরণ ঘটায়। পাঞ্জাব পুলিশের কর্মী গগনদীপ সিং হাবিলদার পদে ছিলেন। বিস্ফোরণে তারও মৃত্যু হয়েছে। এটি আত্মঘাতী হামলা কিনা তা খতিয়ে দেখছে গোয়েন্দা বিভাগ। বিস্ফোরণে দু কেজি আরডিএক্স ব্যবহার করা হয়েছিল।

বিস্ফোরক ব্যবহারকারী মৃত গগনদীপ সিং পাঞ্জাব পুলিশের হাবিলদার পদে ছিলেন। একটি মাদক মামলায় তাকে বরখাস্ত করা হয়েছিল।

তদন্তে উঠে এসেছে, গগনদীপ সিং বড়সড় নাশকতার পরিকল্পনা করেছিল। সেই হিসেবে আদালত চলাকালীন বিস্ফোরণ ঘটায়। নাশকতায় নিহতের সংখ্যা দুই। তবে তার পরিকল্পনা থেকে জঙ্গি সংগঠনের কার্যকলাপের মিল পাচ্ছে গোয়েন্দা বিভাগ।

প্রশ্ন উঠছে, পাঞ্জাবে এখনও সক্রিয় থাকা পাকিস্তান মদতপুষ্ট বিচ্ছিন্নতাবাদী সংগগঠন খালিস্তানি গোষ্ঠীর সঙ্গে গগনদীপের সংযোগ ছিল কি?

গত ২৩ ডিসেম্বর লুধিয়ানা আদালত বিস্ফোরণে কেঁপে ওঠে। ভয়াবহ সেই ঘটনায় আদালতের ভিতরের পরিস্থিতি লণ্ডভন্ড হয়ে যায়। প্রাথমিকভাবে খালিস্তানপন্থী উগ্র শিখ সংগঠনকে সন্দেহ করা হয়। তদন্তে নেমে গোয়েন্দাদের হাতে এসেছে বিস্ফোরণে মৃত গগনদীপ সিংয়ের কিছু তথ্য। সেসব যাচাই করা হচ্ছে। তদন্তের স্বার্থে নিহত গগনদীপের ভাই আপাতত পুলিশের হেফাজতে আটক। তাকে জেরা করা হচ্ছে।

শুধু আদালতেই নয়, লুধিয়নার আরও কয়েকটি এলাকা সহ পাঞ্জাবের বেশকিছু গুরুত্বপূর্ণ স্থানে বিস্ফোরণের ছক করা ছিল। গোয়েন্দারা এমনই আ়ঁচ করছেন। নিহত গগনদীপের ল্যাপটপ, মোবাইল বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে।

Punjab: লুধিয়ানা জেলা আদালতে বিস্ফোরণ, মৃত ২, জখম ৬

Explosion at Ludhiana District Court in Punjab, 2 dead, 6 injured

News Desk: হাতে গোনা আর কয়েকদিন পরেই পাঞ্জাব (punjab) বিধানসভা নির্বাচন। নির্বাচনের আগেই রক্তাক্ত হয়ে উঠল পাঞ্জাবের লুধিয়ানা জেলা (ludhina district court) আদালত। বৃহস্পতিবার ওই আদালতের আইনজীবীরা (lawyers) ধর্মঘট ডেকেছিলেন। তবুও তারই মধ্যে কিছু মামলার শুনানির চলছিল। সে সময় আচমকাই বিস্ফোরণের (huge blast) শব্দে কেঁপে উঠল আদালত ভবন। শেষ পাওয়া খবরে জানা গিয়েছে, এই বিস্ফোরণে দুই জনের মৃত্যু হয়েছে। আহত হয়েছেন কমপক্ষে ৬ জন। আদালতের তিন তলায় একটি শৌচালয়ের মধ্যে বিস্ফোরণ ঘটে বলে খবর।

রাজ্য পুলিশ জানিয়েছে, এদিন দুপুর ১২টা ২২ মিনিট নাগাদ এই বিস্ফোরণ হয়। বিস্ফোরণের বড় মাপের বিস্ফোরক ব্যবহার করা হয়েছে। পুলিশের অনুমান রিমোট কন্ট্রোলের মাধ্যমে আইইডি বিস্ফোরক দিয়ে বিস্ফোরণ ঘটানো হয়েছে। বিস্ফোরণের পরে আদালত কক্ষ থেকে দাউ দাউ করে আগুনের শিখা বের হতে দেখে স্থানীয় মানুষই প্রথমে আগুন নেভানোর কাজে এগিয়ে আসেন। পরে দমকলবাহিনী ঘটনাস্থলে পৌঁছয়। পুলিশ গোটা এলাকা ঘিরে রেখেছে।

আদালত চত্বরে থাকা কয়েকটি দোকানের মালিক জানিয়েছেন, বৃহস্পতিবার জেলা আদালতে ধর্মঘটের ডাক দিয়েছিলেন আইনজীবীরা। তাই অন্য দিনের তুলনায় এদিন ভিড় ছিল অনেকটাই কম। যদি এদিন স্বাভাবিক কাজকর্ম হত তবে হতাহতের সংখ্যা নিশ্চিতভাবেই আরো বাড়ত। এদিনের বিস্ফোরণে মৃতদের মধ্যে আছেন এক মহিলা। আহতদের উদ্ধার করে স্থানীয় হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। মৃতদের পরিচয় এখনও জানা যায়নি। বিস্ফোরণের তীব্রতা এতটাই বেশি ছিল যে, শৌচাগারের দেওয়াল হুড়মুড়িয়ে ভেঙে পড়ে। নিচে অনেক গাড়ি পার্ক করা ছিল। দেওয়াল ভেঙে গাড়ির উপর পড়ায় গাড়িগুলির ক্ষতি হয়েছে। বিস্ফোরণের জেরে শৌচালয়ের লোহার দরজাও দুমড়ে মুচড়ে গিয়েছে।

বিস্ফোরণের তদন্তে ইতিমধ্যেই ফরেনসিক টিমকে ডাকা হয়েছে। পাশাপাশি ঘটনাস্থলে গিয়েছে বোম ডিসপোজাল স্কোয়াড। বিস্ফোরণের খবর জানার পর লুধিয়ানা গিয়েছেন পাঞ্জাবের মুখ্যমন্ত্রী চরণজিৎ সিং চান্নি। মুখ্যমন্ত্রী এদিন বলেন, নির্বাচনের আগে বড়সড় নাশকতার ষড়যন্ত্র হয়েছে। এই ঘটনায় কে বা কারা জড়িত আছে তা জানতে তদন্ত করছে পুলিশ। তদন্তে যারা দোষী সাব্যস্ত হবে তারা কেউ পার পাবে না। মুখ্যমন্ত্রী এদিন আদালত চত্বর ঘুরে দেখেন। রাজ্যের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী অমরিন্দর সিং বলেছেন, আদালত চত্বরে বিস্ফোরণের ঘটনা অত্যন্ত দুঃখজনক। বিস্ফোরণের ঘটনায় নিহতদের পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানাই। যারা আহত হয়েছেন তাঁদের দ্রুত আরোগ্য কামনা করি।

রাশিয়া থেকে আসা এস-৪০০ মিসাইল ডিফেন্স সিস্টেম মোতায়েন হল পাঞ্জাব সীমান্তে

S-400 missile defense system

নিউজ ডেস্ক, নয়াদিল্লি: কিছুদিন আগেই দেশের বায়ুসেনার হাতে এসেছে এস -৪০০ মিসাইল ডিফেন্স সিস্টেম। এই অত্যাধুনিক মিসাইল ডিফেন্স সিস্টেম মোতায়েন করা হল পাঞ্জাব সীমান্তে। এই অত্যাধুনিক মিসাইল ডিফেন্স সিস্টেম প্রতিপক্ষের যে কোনও ধরনের মিসাইল এবং যুদ্ধবিমানকে আকাশেই ধ্বংস করে দিতে পারে।

সম্প্রতি সীমান্তে চিনের আগ্রাসন বেড়েছে। চিনের (chin) দোসর হয়েছে পাকিস্তান। পাক সীমান্তে জঙ্গিদের (terrorist) অনুপ্রবেশও বেড়েছে। এই অবস্থায় দেশের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাকে আরও মজবুত করতে উদ্যোগী হয়েছে প্রতিরক্ষা মন্ত্রক। সেই লক্ষ্যেই ভারত-পাকিস্তান (pakistan) সীমান্ত সংলগ্ন এলাকায় মোতায়েন করা হল এস-৪০০ মিসাইল ডিফেন্স সিস্টেম (missile defence system)।

মঙ্গলবার এক শীর্ষ সেনা আধিকারিক জানিয়েছেন, এস-৪০০ মিসাইল ডিফেন্স সিস্টেমের প্রথম স্কোয়াড্রনটি পাঞ্জাব (punjab sector) সেক্টরে মোতায়েন করা হচ্ছে। পাকিস্তান ও চিনের দিক থেকে সম্ভাব্য বিপদের মোকাবিলা করতে পাঞ্জাব সীমান্তে এই মিসাইল ডিফেন্স সিস্টেম মোতায়েন করার সিদ্ধান্ত। আগামী কয়েক দিনের মধ্যেই এই মিসাইল ডিফেন্স সিস্টেম কাজ শুরু করবে।

উল্লেখ্য, ভারত এই অত্যাধুনিক মিসাইল ডিফেন্স সিস্টেম কেনার জন্য রাশিয়ার সঙ্গে চুক্তি করেছিল। সেই চুক্তিমতো চলতি মাসের শুরুর দিকে এই মিসাইল ভারতের হাতে আসতে শুরু করেছে। রাশিয়া থেকে বিমান ও সমুদ্র উভয় পথেই মিসাইলের বিভিন্ন যন্ত্রাংশ আসতে শুরু করেছে। ভারতে সেগুলিকে একসঙ্গে করে এই অত্যাধুনিক ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরোধকারী অস্ত্রটি গড়ে তোলা হচ্ছে। আশা করা যায়, আগামী বছরের প্রথম দিকের মধ্যেই চুক্তিমতো বেশিরভাগ এস-৪০০ মিসাইল ডিফেন্স সিস্টেম ভারতের হাতে চলে আসবে।

এর আগে রাশিয়া ভূমি থেকে আকাশ ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা মিসাইল সিস্টেম এস-৪০০ ট্রায়াম্প ভারতে পাঠিয়েছে। সামরিক বিশেষজ্ঞদের দাবি, এই মিসাইল ডিফেন্স সিস্টেম ভারতীয় বায়ুসেনার হাতে আসার ফলে তাদের শক্তি এক ধাক্কায় অনেকটাই বেড়েছে। কারণ যে কোনও যুদ্ধবিমান ও দূরপাল্লার ক্রুজ মিসাইলের মোকাবিলা করতে এস-৪০০ মিসাইলের কোনও বিকল্প নেই। সম্প্রতি অরুণাচল ও লাদাখ সীমান্তে চিন আগ্রাসন বাড়িয়েছে। এহেন পরিস্থিতিতে ভারতের হাতে এই অত্যাধুনিক মিসাইল ডিফেন্স সিস্টেম এসে পৌঁছনকে বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। সামরিক বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, চিন ও পাকিস্তান দুই দেশকে চাপে রাখতেই পাঞ্জাব সীমান্তে বায়ুসেনা এই ডিফেন্স মিসাইল সিস্টেম মোতায়েন করছে।

ভারতের এই অত্যাধুনিক মিসাইল কেনা নিয়ে অবশ্য তৈরি হয়েছে বিতর্ক। কারণ রাশিয়ার কাছ থেকে এ ধরনের আধুনিক যুদ্ধাস্ত্র কেনার বিষয়টি আমেরিকা একেবারেই পছন্দ করছে না। যে কারণে ভারতের উপর আর্থিক নিষেধাজ্ঞা চাপানোর হুমকিও দিয়েছে ওয়াশিংটন। তবে আমেরিকার এই হুমকিকে সেভাবে পাত্তা দিচ্ছে না দেশের প্রতিরক্ষা মন্ত্রক।

Punjab: কেজরিকে প্রকাশ্যেই মিথ্যাবাদী ও রাজনৈতিক পর্যটক বললেন সিধু

sidhu and kejriwal

নিউজ ডেস্ক, চণ্ডিগড়: আগামী বছরের শুরুতেই পাঞ্জাব (Punjab)বিধানসভা নির্বাচন। ইতিমধ্যেই নির্বাচনের ঢাকে কাঠি পড়ে গিয়েছে। সব রাজনৈতিক দলই রণকৌশল প্রস্তুত করতে ব্যস্ত। রাজনৈতিক প্রস্তুতির পাশাপাশি পরস্পরের প্রতি আক্রমণ-পাল্টা আক্রমণ চলছে।

এই চাপান উতোরের মধ্যে দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়ালকে তীব্র কটাক্ষ করলেন পাঞ্জাব প্রদেশ কংগ্রেসের সভাপতি নভজ্যোত সিং সিধু (n.s sidhu)। শনিবার আপ প্রধান অরবিন্দ কেজরীবালকে (aravinbd kejriwal) ‘রাজনৈতিক পর্যটক’ ও মিথ্যাবাদী বলে কটাক্ষ করেন সিধু। অভিযোগ করেন, কেজরিওয়াল ‘মিথ্যা প্রতিশ্রুতি’ (false assurance) দিচ্ছেন।

রবিবার এক জনসভায় সরাসরি কেজরিওয়ালকে তাঁর সঙ্গে বিতর্কে বসার চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দেন সিধু। প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি সিধুর অভিযোগ, কেজরিওয়াল দিল্লিতে ৮ লক্ষ কর্মসংস্থান তৈরি করেছেন বলে যে দাবি করেন সেটা ঠিক নয়। আসলে তিনি চাকরি দিয়েছেন মাত্র কয়েক হাজারকে মানুষকে। সিধু এদিন কেজরিকে লক্ষ্য করে বলেন, “পাঞ্জাবের যেকোনও জায়গায় আমার মুখোমুখি বসুন। দরকার হলে আমাকে দিল্লিতেও ডেকে পাঠাতে পারেন। আমি আপনার বাড়িতেই আলেচনায় বসব। ওই আলোচনায় সংবাদ মাধ্যমের প্রতিনিধিরাও থাকবেন। সেখানে যদি যুক্তিতে আমি পরাজিত হই তবে রাজনীতি ছেড়ে দেব।

পাঞ্জাবে প্রচারে গিয়ে কেজরিওয়াল প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন, আপ ভোটে জিতলে পাঞ্জাবের প্রত্যেক মহিলাকে মাসে ১০০০ টাকা ভাতা দেওয়া হবে। দিল্লিতেও মহিলাদের এই ভাতা দেওয়া হয়। কেজরি আরও বলেছিলেন, পাঞ্জাবে বেআইনি বালি খাদান থেকে আইন বিরুদ্ধভাবে ২০ হাজার কোটি টাকার বালি উত্তোলন করা হয়। আম আদমি পার্টি সরকারে এলে, এই পরিস্থিতি বদল করা হবে। এই প্রতিশ্রুতি নিয়েও কেজরিকে কটাক্ষ করেছিলেন সিধু। পাঞ্জাব প্রদেশ সভাপতি পাল্টা বলেছেন, “কেজরিওয়াল বলছেন, বালি খাদান থেকে ২০ হাজার কোটি টাকা আসে। পূর্ববর্তী অকালি দল ও বিজেপির সরকার বালি খাদান থেকে প্রতি বছর ৪০ কোটি আয় করেছে। বর্তমান কংগ্রেস সরকার সেই আয়কে ৩০০ কোটি টাকায় নিয়ে গিয়েছে। কেজরি ২০ হাজার কোটি টাকা কোথায় পেলেন আমি বুঝতে পারছি না। আমাকে এমন কোনও একটি রাজ্য দেখান যেখানে বালি খাদান থেকে বছরে ৩০০০ কোটি টাকার বেশি আয় হয়।”

সিধু আরও বলেন, “কেজরিওয়াল পাঞ্জাবের ব্যপারে কিছুই জানেন না। আপনি রাজনৈতিক পর্যটক এবং একজন মিথ্যেবাদী। সাড়ে চার বছর পর পর একবার আসেন এবং ভুয়ো প্রতিশ্রুতি দিয়ে চলে যান। আপনি উত্তর দিন সাড়ে চার বছরে কেন একবারও পাঞ্জাবে আসেননি?” দিল্লিতে মদের দোকানের দেদার অনুমতি দেওয়া নিয়েও কেজরিকে কটাক্ষ করতে ছাড়েননি সিধু। তিনি বলেন, রাজ্যের আয় বাড়াতেই মদের দোকানের ঢালাও লাইসেন্স দেওয়া হয়েছে। এভাবেই দিল্লির যুব সমাজকে অন্ধকারে ঠেলে দিচ্ছেন কেজরি। অন্যদিকে পাঞ্জাবে কংগ্রেস সরকার মদের রমরমা কমানোর কাজ চালাচ্ছে। এখন মানুষকেই বেছে নিতে হবে তাঁরা কেজরির কথায় বিশ্বিস করবেন নাকি, কংগ্রেসকে।

Punjab: আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনে পাঞ্জাবে কার সঙ্গে হাত মেলাল বিজেপি

BJP join hands with in the upcoming assembly elections in Punjab

নিউজ ডেস্ক, চণ্ডিগড়: আগামী বছরের শুরুতেই পাঞ্জাব বিধানসভার নির্বাচন (Punjab assembly election)। কৃষক আন্দোলনকে(farmers agitation) কেন্দ্র করে এই রাজ্যে যথেষ্টই কোণঠাসা বিজেপি (BJP)। এরইমধ্যে রাজ্যে ক্ষমতা দখলের লক্ষ্যে আনকোরা এক নতুন দলের সঙ্গে জোট করার কথা ঘোষণা করল গেরুয়া দল।

মাত্র মাস দু’য়েক আগে কংগ্রেস ছেড়ে নিজের নতুন দল গড়ার কথা ঘোষণা করেছিলেন রাজ্যের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী অমরিন্দর সিং(amrinder sing)। তৈরি করেছিলেন তাঁর নতুন দল পাঞ্জাব লোক কংগ্রেস(punjab lok congress)। অমরিন্দরের এই নতুন দলের সঙ্গেই জোট গড়ে আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনে পাঞ্জাবে লড়াই করবে বিজেপি।

অমরিন্দর কংগ্রেস ছাড়ার পর জল্পনা চলছিল যে, হয় তিনি নতুন দল গঠন করবেন, নতুবা বিজেপিতে যোগ দেবেন। শেষ পর্যন্ত অমরিন্দর নতুন দল করেছেন। সেই দলই বিজেপির সঙ্গে জোট গড়ল।

শুক্রবার দিল্লিতে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী গজেন্দ্র সিং শেখাওয়াতের সঙ্গে বৈঠক করেন অমরিন্দর। ওই বৈঠকের পরই আনুষ্ঠানিকভাবে জোটের কথা ঘোষণা করেন তিনি। এদিন দিল্লিতে শেখাওয়াতের সঙ্গে বৈঠকের ছবিও টুইট করেছেন অমরিন্দর।

এদিন সাংবাদিক বৈঠকে অমরিন্দর জানান, তাঁর দল পাঞ্জাব লোক কংগ্রেস এবং বিজেপির মধ্যে জোট চূড়ান্ত হয়েছে। এখন শুধু আসন বণ্টনের পালা। তাঁরা দেখতে চাইছেন, কোন দল কাকে কোথায় প্রার্থী করছে। সেই মতই তাঁরা নিজেদের প্রার্থী বাছাই করবেন। একই সঙ্গে অমরিন্দর বলেন, তাঁদের একমাত্র লক্ষ্য হল জয়।তাঁদের জোটই নির্বাচনে ক্ষমতায় আসছে বলেও দাবি করেন প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী।

যদিও আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনে এই জোটের সফল হওয়ার সম্ভাবনা কতটা সে বিষয়ে ইতিমধ্যেই সন্দেহ প্রকাশ করেছে রাজনৈতিক মহল। তার কারণ কৃষি আন্দোলনে মূলত পাঞ্জাবের কৃষকরাই সক্রিয় ভূমিকা নিয়েছিলেন। তাঁদের বিজেপি বিরোধী ভূমিকা যদি ভোটের বাক্সে প্রতিফলন ঘটলে বিজেপি ও পাঞ্জাব লোক কংগ্রেসের জোট বিধানসভা নির্বাচনে কিছুই করতে পারবে না বলেই বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন।

AFSPA in West Bengal: বাংলা-পাঞ্জাবে আফস্পা চালু সম্পর্কে ‘বিস্ফোরক’ কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক

AFSPA in West Bengal

নিউজ ডেস্ক: সম্প্রতি নরেন্দ্র মোদী সরকার আইন সংশোধন করে পশ্চিমবঙ্গ পাঞ্জাব-সহ কয়েকটি রাজ্যে সীমান্তরক্ষী বাহিনী (bsf) বা বিএসএফের আওতাধীন এলাকা অনেকটাই বাড়িয়েছে। ইতিমধ্যেই কেন্দ্রের এই একতরফা সিদ্ধান্তের তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছে পশ্চিমবঙ্গ সরকার (west bengal goverment)। তারই প্রেক্ষিতে বুধবার কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের (home ministry) কাছে একাধিক প্রশ্ন রাখেন তৃণমূল কংগ্রেস সাংসদ জহর সরকার (jahawar sircar)।

তৃণমূল কংগ্রেস সাংসদ জানতে চান এভাবে বিএসএফ-এর আওতাধীন এলাকা বাড়িয়ে কেন্দ্র কি সশস্ত্র বাহিনীর মাধ্যমে তার ক্ষমতা জাহির করতে চাইছে? বর্তমানে পশ্চিমবঙ্গের ৩২৪০০ স্কোয়্যার কিলোমিটার এলাকা বিএসএফের নিয়ন্ত্রণাধীন। কিন্তু আইন সংশোধনের ফলে সেটা প্রায় তিনগুণ বেড়ে ৮৮ হাজার ৭৫২ স্কয়্যার কিলোমিটার হচ্ছে। একইসঙ্গে জহর সরকার জানতে চান, এভাবে বিএসএফ-এর আওতাধীন এলাকার সীমা বাড়িয়ে কেন্দ্র কি সরাসরি রাজ্যের আইনশৃঙ্খলার উপর হস্তক্ষেপ করছে না? এভাবেই কি কেন্দ্র যুক্তরাষ্ট্রীয় কাঠামোয় আঘাত করতে চাইছে? আগামী দিনে পশ্চিমবঙ্গ এবং পাঞ্জাবেও কি সেনাবাহিনীর বিশেষ ক্ষমতা আইন আফস্পা চালু হতে পারে? আগামী দিনে বিএসএফ কি কোনও রকম ওয়ারেন্ট ছাড়াই বিভিন্ন এলাকায় তল্লাশি অভিযান চালাতে ও বাজেয়াপ্ত করতে পারবে?

তৃণমূল কংগ্রেস সাংসদের একাধিক প্রশ্নের উত্তরে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের প্রতিমন্ত্রী নিত্যানন্দ রাই জানান, রাজ্যগুলির এক্তিয়ারে হস্তক্ষেপ করার লক্ষ্য নিয়ে কখনওই বিএসএফ-এর আওতাধীন এলাকা বাড়ানো হয়নি। চলতি পরিস্থিতির কথা মাথায় রেখে বিভিন্ন দেশের সঙ্গে যে সমস্ত রাজ্যের সীমান্ত রয়েছে সেই সব রাজ্যের সীমান্তে নিরাপত্তা আরও মজবুত ও শক্তিশালী করার লক্ষ্যে বিএসএফের সীমানা বাড়ানো হয়েছে। সীমান্তরক্ষী বাহিনী যাতে আরও দক্ষতার সঙ্গে প্রযুক্তির ব্যবহার করে নজরদারি চালাতে পারে সে কারণেই তাদের আওতাধীন এলাকার সীমা বাড়ানো হয়েছে। শুধু সন্ত্রাসবাদীদের গতি রোধ করাই নয়, মাদক, অস্ত্র ও জাল নোট পাচার ঠেকানোর জন্যই বিএসএফ-এর আওতাধীন এলাকা বাড়ানোর সিদ্ধান্ত। বিএসএফ-এর আওতাধীন এলাকা বাড়ার ফলে সীমান্তে পশু পাচারও অনেকটাই কমবে।

মন্ত্রী আরও জানান, কেন্দ্র কখনওই রাজ্যগুলির আইনি ক্ষমতার উপর হস্তক্ষেপ করতে চায় না। বরং কেন্দ্র চায় রাজ্যগুলির সহযোগিতা নিয়েই সীমান্তের নিরাপত্তা ব্যবস্থাকে আরও শক্তিশালী করে তুলতে। সীমান্ত এলাকায় নিয়মিতই বিভিন্ন ধরনের অপরাধ ঘটে থাকে। একই সঙ্গে জালনোট, গরু ও মাদক পাচার হয়ে থাকে। এই সমস্ত বেআইনি কাজ প্রতিরোধ করার উদ্দেশ্যেই সরকার বিএসএফের এলাকা বাড়িয়েছে। তবে এই কাজে রাজ্য সরকারকেও সব ধরনের সহযোগিতা করতে হবে। রাই আরও বলেন, নির্দিষ্ট আইন মেনেই বিএসএফ কোনও এলাকায় তল্লাশি চালাতে বা কোনও কিছু বাজেয়াপ্ত করতে পারবে। তল্লাশি চালানো বা কোনও কিছু বাজেয়াপ্ত করা কখনওই আইন বহির্ভূতভাবে করতে পারবেনা বিএসএফ। কেন্দ্রীয় মন্ত্রী আরও জানিয়েছেন পশ্চিমবঙ্গ এবং পাঞ্জাবে কখনওই সেনাবাহিনীর বিশেষ ক্ষমতা আফস্পা প্রয়োগ করা হবে না।

General A S Vaidya: গুলি খেয়ে লুটিয়ে পড়েছিলেন অবসরপ্রাপ্ত সেনাপ্রধান, ‘অপরাশেন ব্লুস্টার’ নায়ক

General A S Vaidya

News Desk: সদম্ভে খালিস্তানি জঙ্গি সংগঠন ঘোষণা করেছিল, অপারেশন ব্লু স্টারের বিরুদ্ধে আরও একটা বদলা নেওয়া হয়েছে। ১৯৮৬ সালের ১০ অগস্ট সকাল এগারোটার কিছু পরে হামলা চালিয়েছিল খালিস্তানিরা। প্রকাশ্যে পরপর গুলি করা হয়। লুটিয়ে পড়েছিলেন অবসরপ্রাপ্ত সেনাপ্রধান জেনারেল অরুণকুমার শ্রীধর বৈদ্য (General A S Vaidya)। কয়েকদিন পরেই স্বাধীনতা দিবসের অনুষ্ঠান। তার আগেই পুনে শহরে এভাবে তাঁর খুনের ঘটনায় দেশজুড়ে নেমেছিল আশঙ্কা।

‘অপারেশন ব্লু স্টার’ অভিযানের কারণে ধর্মীয় আবেগতাড়িত শিখ দেহরক্ষীদের গুলিতে জীবন খোয়াতে হয় প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধীকে। তৎকালীন সেনপ্রধান অরুণকুমার শ্রীধর বৈদ্য ছিলেন স্বর্ণমন্দির অভিযানের মূল দায়িত্বে। তাঁকেও খুন করে উগ্র শিখ ধর্মীয় খালিস্তানি জঙ্গিরা।

পাকিস্তানের গুপ্তচর সংস্থা ইন্টার সার্ভিসেস ইন্টেলিজেন্স (আইএসআই) পরিচালিত সশস্ত্র খালিস্তান আন্দোলনের চক্রীরা শিখ ধর্মের প্রধান কেন্দ্র অমৃতসরের স্বর্ণমন্দিরের দখল নিয়েছিল। ১৯৮৪ সালে সেই জঙ্গিদের বিরুদ্ধে সেনা অভিযানের নির্দেশ দেন তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধী। অপারেশন ব্লু স্টার অভিযানে খালিস্তানি জঙ্গিদের নিকেশ করা হয়।

General A S Vaidya

খালিস্তানিরা ইন্দিরা গান্ধীকে হত্যার পরে দেশের রাজনীতিই গুরুত্বপূর্ণ মোড় নিয়েছিল। প্রধানমন্ত্রী হয়েছিলেন রাজীব গান্ধী। সেনাপ্রধান হিসেবে দায়িত্বে ছিলেন এ এস বৈদ্য। তিনি আশঙ্কা করতেন হামলার। বলেছিলেন হয়ত একটা বুলেটে আমার নাম লেখা আছে!

মেয়াদ অন্তে অবসর নিয়ে পুনে শহরে থাকতে শুরু করেন অবসরপ্রাপ্ত সেনাপ্রধান। তাঁর গতিবিধি খুব নিখুঁতভাবে খতিয়ে দেখে হামলার নীল নকশা তৈরি করে খালিস্তানি জঙ্গিরা। ঘাতক দলকে নির্দেশ দেওয়া হয় গুলি করার।

<

p style=”text-align: justify;”>পুনে শহরে ভিড়ের রাস্তায় প্রাক্তন সেনা প্রধানের গাড়ির খুব কাছে আসে তিন বাইক আরোহী। পরপর গুলি করা হয়। গুলি লেগে গাড়ির মধ্যেই লুটিয়ে পড়েন প্রাক্তন সেনাপ্রধান এ এস বৈদ্য। তাঁর স্ত্রী ও দেহরক্ষী গুরুতর জখম হন। রক্তাক্ত সেনাপ্রধানকে মিলিটারি কমান্ড হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে চিকিৎসকরা বলেন, সব শেষ।

Punjab: কৃষকদের ঘেরাওয়ে ভীত কঙ্গনা, প্রাণঘাতী হামলার অভিযোগ করেছেন

Kangana Ranaut

News Desk: হিমাচল প্রদেশ থেকে পাঞ্জাবে (Punjab) আসছিলেন কৃষি আইন বাতিল আন্দোলনের প্রবল বিরোধী অভিনেত্রী কঙ্গনা রানাউত। পাঞ্জাবে প্রবেশের পর তাঁর গাড়ি আটকে বিক্ষোভ শুরু করেন কৃষকরা।দাবি, কৃষকদের নিয়ে যে সমস্ত মন্তব্য করেছেন তার জন্য ক্ষমা চাইতে হবে।

ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে একটি সাদা গাড়ির ভেতরে রয়েছেন কঙ্গনা‌ রানাউত। গাড়িকে ঘিরে বিক্ষোভ দেখাচ্ছেন বহু মানুষ। বহু মহিলাও রয়েছেন এঁদের মধ্যে। প্রত‍্যেকের হাতে কৃষক সংগঠনের পতাকা ‌রয়েছে। পুলিশ কর্মীদের ভিড় নিয়ন্ত্রণ করতে দেখা যাচ্ছে।

এদিকে কঙ্গনা ঘটনাস্থল থেকেই সোশ্যাল মিডিয়া লাইভ শুরু করেন। তিনি অভিযোগ, করেন, ঘেরাও থেকে অশ্লীল গালি দেওয়া হচ্ছে। আমার উপর হামলার আশঙ্কা করছি। যদি নিরাপত্তারক্ষী না থাকত তাহলে কী হত ভাবতে পারছি না। অভিনেত্রী কঙ্গনা জানান, তার ফ্লাইট ক্যান্সেল হওয়ায় হিমাচল থেকে পাঞ্জাব হয়ে সড়কপথে ফিরছিলেন। পাঞ্জাবের সংবাদ মাধ্যমের খবর, কিরতপুর সহিবে কঙ্গনা রানাউতের গাড়ি ঘিরে বিক্ষোভ দেখান কৃষকরা।

বিজেপি ঘনিষ্ঠ কঙ্গনা বারবার কৃষক আন্দোলনের বিরুদ্ধে গিয়ে কৃষকদের বিরুদ্ধে একাধিক মন্তব্য করেছেন। তিনি দাবি করেন, আন্দোলনকারীদের মধ্যে জিহাদি, খালিস্তানিরা আছে। প্রবল কৃষক আন্দোলনের চাপে কেন্দ্র সরকার তিনটি কৃষি আইন সংসদে বাতিল করেছে। আইন বাতিলের কথা প্রধানমন্ত্রী ঘোষণা করতেই আন্দোলনকারীদের উপর ক্ষোভ উগরে দেন কঙ্গনা। তিনি বলেছিলেন, এবার থেকে রাস্তায় বসে থাকারা ঠিক করবে আইন। তাঁর মন্তব্য নিয়ে আলোড়ন পড়েছিল।