চিন-কিমের মাখো মাখো বন্ধুত্বের কাঁটা জাপানের সামরিক কৌশলে চমক

চিন-উত্তর কোরিয়াকে চাপে ফেলতে নয়া কৌশল জাপানের। বলতে গেলে হাত মেলাল জাপান ও আমেরিকা। চিন ও উত্তর কোরিয়ার সঙ্গে উত্তেজনার মাঝেই মার্কিন বাহিনীকে আরও সমর্থনের ঘোষণা করেছে জাপান। মার্কিন বিদেশমন্ত্রী অ্যান্টনি ব্লিঙ্কেন ঘোষণা করেছেন যে জাপানের মাটি প্রায় ৫০,০০০ মার্কিন সৈন্য মোতায়েনের মেয়াদ বৃদ্ধির ব্যাপারে দুই দেশের মধ্যে একটি চুক্তি হয়েছে। ব্লিঙ্কন ভার্চুয়ালি এক বৈঠকে বলেন, এই নতুন চুক্তি “আমাদের সামরিক প্রস্তুতি এবং আন্তঃক্রিয়াশীলতা আরও গভীর করার জন্য বৃহত্তর সম্পদ বিনিয়োগ করবে” তিনি আরও বলেন, “আমাদের মিত্রদের কেবল আমাদের কাছে থাকা সরঞ্জামগুলিকে শক্তিশালী করাই নয়, নতুন সরঞ্জামগুলিকেও আরও বিকাশ করতে হবে।”

বিগত কয়েকবছর ধরে টোকিও দেশে মার্কিন বাহিনীর পাশাপাশি মার্কিনিদের অন্যান্য ইউটিলিটিগুলির জন্যেও খরচ বহন করে। প্রসঙ্গত, পূর্ববর্তী চুক্তিটি ২০২১ সালের মার্চ শেষ হওয়ার কথা ছিল, কিন্তু ওয়াশিংটনে প্রশাসনিক রদবদলের জন্য এই মেয়াদ এক বছরের জন্য বাড়ানো হয়েছিল।

মার্কিন প্রতিরক্ষা সচিব লয়েড অস্টিন বলেন, “মিত্র দেশগুলি আঞ্চলিক শান্তি ও স্থিতিশীলতায় জাপানের ক্রমবর্ধমান অবদানের ক্ষমতা প্রতিফলিত করার জন্য আমাদের ভূমিকা এবং মিশনগুলি বিকশিত করছে”। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর জাপান যুদ্ধ করার অধিকার ত্যাগ করে এবং তারপর থেকে ওয়াশিংটনের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ জোট গড়ে তোলে, যা বিশ্বের তৃতীয় বৃহত্তম অর্থনীতি রক্ষার জন্য চুক্তিবদ্ধ। বিদেশ মন্ত্রকের তরফ থেকে জানানো হয়েছে, নতুন পাঁচ বছরের প্যাকেজের পরিমাণ হবে ২১১ বিলিয়ন ইয়েন (১.৮ বিলিয়ন ডলার), যা প্রায় ৫% বৃদ্ধি পাবে। এহেন খবরের জেরে চিনের যথেষ্ট অস্বস্তি বাড়বে তা বলাই বাহুল্য। ব্লিঙ্কেন বলেন, “বেজিংয়ের উস্কানিমূলক কর্মকাণ্ড তাইওয়ান এবং পূর্ব ও দক্ষিণ চীন সাগর জুড়ে উত্তেজনা বাড়িয়ে তুলেছে।”

Omicron: আমেরিকায় এই প্রথম ওমিক্রন আক্রান্তের মৃত্যু

Omicron-infected person

নিউজ ডেস্ক: ‘ওমিক্রন’ (Omicron) আতঙ্কে এমনিতেই ত্রস্ত গোটা আমেরিকা। এবার করোনার নয়া ভ্যারিয়েন্ট এই প্রথম প্রাণ কাড়ল এক আক্রান্তের। সংবাদ সংস্থা সূত্রে খবর, টেক্সাসের স্বাস্থ্য আধিকারিকের তরফে সোমবার এ খবর জানানো হয়েছে।

জানা গেছে, ওমিক্রনে আক্রান্ত মৃতের বয়স পঞ্চাশের ঘরে। তাঁর ভ্যাকসিন নেওয়া ছিল না। পাশাপাশি তাঁর শরীরে একাধিক রোগও ছিল। ফলে আরও জাঁকিয়ে বসে নয়া ভ্যারিয়েন্ট। যদিও আমেরিকার সেন্টার ফর ডিজিজ কন্ট্রোল অ্যান্ড প্রিভেনশনের (CDC) তরফে এ নিয়ে কোনও মন্তব্য করা হয়নি। তবে স্বাস্থ্য দফতর একটি বিজ্ঞপ্তি দিয়ে নিশ্চিত করেছে যে করোনা সংক্রমিত ওই ব্যক্তির শরীরে একাধিক উপসর্গ ছিল। এরপরই সরকারের তরফে দেশবাসীকে সতর্ক করে একটি বিবৃতি দেওয়া হয়। টিকা নেওয়ার পাশাপাশি বুস্টার ডোজ নেওয়ার পরামর্শও দেওয়া হচ্ছে।

১৮ ডিসেম্বর পর্যন্ত সামনে আসা তথ্য অনুযায়ী করোনা সংক্রমণের ৭৩ শতাংশের শরীরেই ওমিক্রন ভ্যারিয়েন্ট পাওয়া গিয়েছে। ফলে সে দেশে করোনাবিধির উপর আরও জোর দেওয়া হয়েছে। একের পর এক টুইট করে প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন (Joe Biden) দেশবাসীকে সতর্ক করেছেন। তিনি লেখেন, ‘বন্ধুগণ, আমেরিকায় ওমিক্রন আক্রান্তের সংখ্যা বাড়ছে। আমাদের বর্তমান পরিস্থিতি ঠিক কীরকম, তা আপনাদের জানাতে চাই। প্রথমে ফ্রন্টলাইন যোদ্ধাদের ধন্যবাদ জানাই। টেস্টিং, হাসপাতালের বেডের সংখ্যা বাড়ানোর চেষ্টা চলছে।’ পাশাপাশি টিকা নেওয়ার এবং বুস্টার ডোজ (Booster Dose) নিয়ে প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ানোর পরামর্শও দেন তিনি। বড়দিনের উত্‍সবেও বিস্তর কাটছাঁট করা হয়েছে। যে কোনওরকম জমায়েতে জারি নিষেধাজ্ঞা।

https://twitter.com/POTUS/status/1473107458801426433?s=20

<

p style=”text-align: justify;”>প্রসঙ্গত, চলতি মাসেই বিশ্বে প্রথম ওমিক্রন আক্রান্তের মৃত্যুর খবর উঠে আসে। ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন (Boris Johnson) জানিয়েছিলেন, ‘ইংল্যান্ডই প্রথম ওমিক্রনে মৃত্যুর সাক্ষী হয়।’

Bangladesh: নাগাল্যান্ড ইস্যু টেনে মানবাধিকার লঙ্ঘন প্রশ্নে কূটনৈতিক চাপ মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রকে

RAB_bangladesh

News Desk: বাংলাদেশে (Bangladesh) মানবাধিকার লঙ্ঘন ইস্যুতে এবার এসে পড়ল ভারতে সাম্প্রতিক ঘটে যাওয়া নাগাল্যান্ডে গুলিতে মৃত খনি শ্রমিকদের ঘটনা। জঙ্গি সন্দেহে অসম রাইফেলসের গুলিতে ১৫ জনের মৃত্যু হয়।

নাগাল্যান্ডের প্রসঙ্গ টেনে বাংলাদেশের প্রতিরক্ষা বিশেষজ্ঞরা বলছেন, মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র সরকার নিষেধাজ্ঞা জারি করার আগে ভারতের পরিস্থিতি খতিয়ে দেখতে পারে। প্রতিবেশি দেশের নাগাল্যান্ড রাজ্যে কী ঘটেছে ও কেন ঘটেছে তার সদুত্তর সে দেশ থেকে চাক মার্কিন বিদেশ দফতর।

শুরু হয়ে গিয়েছে শেখ হাসিনা ও জো বাইডেন সরকারের মধ্যে ঠান্ডা লড়াই। ঢাকা-ওয়াশিংটন কূটনৈতিক সংঘাতে গরম আন্তর্জাতিক মানবাধিকার ইস্যু।

সম্প্রতি মার্কিন বিদেশ ও রাজস্ব দফতরের তরফে দাবি করা হয়, বাংলাদেশে মানবাধিকার লঙ্ঘিত করেছেন দেশটির অন্যতম নিরাপত্তা বাহিনী ব়্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটেলিয়নের (RAB) একাধিক প্রাক্তন কর্মকর্তা। নাম প্রকাশ করে বাতিল করা হয়েছে বর্তমান পুলিশ প্রধান সহ ব়্যাব বাহিনীর মোট ৭ শীর্ষ প্রাক্তন কর্তার ভিসা। তারা এখন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে কোনওভাবেই প্রবেশ করতে পারবেন না বলেই জানানো হয়।

বাংলাদেশে তদন্তের নামে গুমখুন, অপহরণ করার ইস্যু নিয়ে দীর্ঘ সময় ধরে মানবাধিকার সংগঠনগুলি শেখ হাসিনার সরকারকে অভিযুক্ত করে আসছে। তবে সরকারের দাবি দেশে মানবাধিকার রক্ষা করা হয়।

মানবাধিকার লঙ্ঘন ইস্যুতে এবার মার্কিন নিষেধাজ্ঞা এসেছে বাংলাদেশের স্বাধীনতা অর্জনের সুবর্ণ জয়ন্তী অনুষ্ঠানের আগেই। আগামী ১৬ ডিসেম্বর হবে এই অনুষ্ঠান। আসছেন ভারতের রাষ্ট্রপতি, ভুটানের রাষ্ট্রপ্রধান। এছাড়াও বিভিন্ন দেশের প্রতিনিধিরা আসছেন। এর মাঝে মার্কিনি নিষেধাজ্ঞার ধাক্কায় বিড়ম্বিত শেখ হাসিনার সরকার।

তীব্র প্রতিক্রিয়া দিয়েছে ঢাকা। বাংলাদেশের বিদেশমন্ত্রী ড.এ কে আব্দুল মোমেন বলেছেন, র‌্যাব এবং এর কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে মার্কিন নিষেধাজ্ঞা দুঃখজনক। যে কোনো অভিযোগ তথ্যভিত্তিক হওয়া উচিত। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র থেকেও প্রতিবছর ৬ লাখ লোক নিখোঁজ হন।

শুধু প্রতিক্রিয়া নয়, বাংলাদেশ সরকারের তরফে ডেকে পাঠানো হয়েছে ঢাকায় নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত আর্ল মিলারকে। তার কাছে বাংলাদেশের অবস্থান স্পষ্ট করা হবে বলে জানানো হয়েছে। ঢাকার প্রতিক্রিয়া ওয়াশিংটনে পাঠানো হবে বলেই জানিয়েছেন রাষ্ট্রদূত।

ব়্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটেলিয়ন (র‍্যাব) বাহিনীর ভূমিকা বাংলাদেশ সহ বিভিন্ন দেশে আলোচিত। অপরাধ ও জঙ্গি দমনের পাশাপাশি নিরাপত্তায় মোতায়েন করা হয় এই সশস্ত্র বাহিনীকে। বিশেষ ক্ষেত্রে তদন্তে অংশ নেয় এই বাহিনী। বাংলাদেশের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল জানিয়েছেন, যাঁদের নামে নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়েছে, আমি তো মনে করি তাঁদের নামে নিষেধাজ্ঞা দেওয়াটা বস্তুনিষ্ঠ নয়। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র সরকার বোধ হয় অতিরঞ্জিত কোনো খবর পেয়ে, সেটার ওপর ভিত্তি করে এটা করেছে।

মার্কিন নিষেধাজ্ঞায় যাদের নাম:
১. র‍্যাবের প্রাক্তন মহাপরিচালক বেনজীর আহমেদ। তিনি বর্তমানে বাংলাদেশ পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি)।
২. ব়্যাবের বর্তমান মহাপরিচালক (ডিজি) চৌধুরী আবদুল্লাহ আল মামুন
৩. ব়্যাবের অতিরিক্ত মহাপরিচালক (অপারেশন্স) খান মহম্মদ আজাদ
৪. ব়্যাবের প্রাক্তনঅতিরিক্ত মহাপরিচালক (অপারেশন্স) তোফায়েল মোস্তাফা সরোয়ার
৫. ব়্যাবের প্রাক্তন অতিরিক্ত মহাপরিচালক (অপারেশন্স) মহ. জাহাঙ্গীর আলম
৬. ব়্যাবের প্রাক্রন অতিরিক্ত মহাপরিচালক (অপারেশন্স) মহ. আনোয়ার লতিফ খান।

US: টর্নেডো ছোবলে তছনছ মার্কিন মুলুকের কেন্টাকি, বহু মৃত্যু

Kentucky as tornadoe

News Desk: টর্নেডো হামনায় তছনছ মার্কিন মুলুকের ৫টি প্রদেশ। ভীষণরকম ক্ষতিগ্রস্থ কেন্টাকি প্রদেশ। প্রাথমিকভাবে ৫০ জনের মৃত্যুর খবর দিচ্ছে ফক্স নিউজ। তবে নিহতের সংখ্যা আরও বাড়বে বলেই আশঙ্কা।

কেন্টাকি প্রদেশের গভর্নর বলেছেন, এমন ভয়াবহ টর্নেডো আগে এই প্রদেশে হয়নি। ফক্স নিউজ জানাচ্ছে, টর্নেডো হামলায় আরকানসাস, ইলিনয় প্রদেশেও বড়সড় ক্ষতি হয়েছে।

বিবিসি জানাচ্ছে, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মধ্য ও দক্ষিণাঞ্চলের অন্তত পাঁচটি অঙ্গরাজ্যে বেশ কয়েকটি টর্নেডো আঘাত হানে। কেন্টাকির টর্নেডো ছিল সবথেকে ভয়াবহ। শক্তিশালী এ টর্নেডোর আঘাতে লন্ডভন্ড বিভিন্ন প্রদেশ। কেন্টারিতে হয়েছে শত শত বাড়ি, ঘর ভেঙেছে।অন্তত ৫৬ হাজার মানুষ বিদ্যুৎবিচ্ছিন্ন। ঘোষণা করা হয়েছে জরুরি অবস্থা।

কেন্টাকির গভর্নর অ্যান্ডি বেশিয়ার বলেন,এটি সম্ভবত আমাদের প্রদেশের ইতিহাসে সবচেয়ে মারাত্মক টর্নেডো হতে পারে। আমাদের বিশ্বাস, কেন্টাকিতে মৃত্যুর সংখ্যা ৫০ ছাড়িয়ে যাবে এবং সম্ভবত তা ৭০ থেকে ১০০ হবে।’ উদ্ধারের জন্য ন্যাশনাল গার্ড মোতায়েন করা হয়েছে।

Bangladesh: ‘মানবাধিকার লঙ্ঘন’, পুলিশ প্রধান সহ বাহিনী কর্তাদের মার্কিনি নিষেধাজ্ঞা, বিব্রত হাসিনা

RAB Bangladesh Police

News Desk: মার্কিনি চাপে বিড়ন্বিত শেখ হাসিনা। স্বাধীনতা অর্জনের সুবর্ণ জয়ন্তী অনুষ্ঠানের আগেই বাংলাদেশে (Bangladesh) মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগে চাঞ্চল্য। পুলিশ প্রধান ও জঙ্গি দমনে বারবার আলোচিত ব়্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটেলিয়নের ৬ শীর্ষ বর্তমান ও প্রাক্তন কর্মকর্তার ভিসা বাতিল করেছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র সরকার। অভিযোগ, এরা সবাই মানবাধিকার লঙ্ঘনে জড়িত।

নিষেধাজ্ঞায় নাম রয়েছে যাদের তারা কোনওভাবেই ভিসা নিয়ে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে ঢুকতে পারবেন না বলে জানানো হয়। এর জেরে বাংলাদেশ প্রশাসনিক মহলে তীব্র চাঞ্চল্য। শুক্রবার আন্তর্জাতিক মানবাধিকার দিবসে পৃথকভাবে এই নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে মার্কিন রাজস্ব এবং বিদেশ বিভাগ।

মার্কিন নিষেধাজ্ঞায় যাদের নাম:
১. র‍্যাবের প্রাক্তন মহাপরিচালক বেনজীর আহমেদ। তিনি বর্তমানে বাংলাদেশ পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি)।
২. ব়্যাবের বর্তমান মহাপরিচালক (ডিজি) চৌধুরী আবদুল্লাহ আল মামুন
৩. ব়্যাবের অতিরিক্ত মহাপরিচালক (অপারেশন্স) খান মহম্মদ আজাদ
৪. ব়্যাবের প্রাক্তনঅতিরিক্ত মহাপরিচালক (অপারেশন্স) তোফায়েল মোস্তাফা সরোয়ার
৫. ব়্যাবের প্রাক্তন অতিরিক্ত মহাপরিচালক (অপারেশন্স) মহ. জাহাঙ্গীর আলম
৬. ব়্যাবের প্রাক্রন অতিরিক্ত মহাপরিচালক (অপারেশন্স) মহ. আনোয়ার লতিফ খান।

ব়্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটেলিয়ন (ব়্যাব) বাহিনীর ভূমিকা বাংলাদেশ সহ বিভিন্ন দেশে আলোচিত। অপরাধ ও জঙ্গি দমনের পাশাপাশি নিরাপত্তায় মোতায়েন করা হয় এই সশস্ত্র বাহিনীকে। বিশেষ ক্ষেত্রে তদন্তে অংশ নেয় এই বাহিনী। তবে এই বাহিনী বারবার অভিযুক্ত হয়েছে মানবাধিকার লঙ্ঘনে।

বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংগঠন বারবার বাংলাদেশ সরকারের বিরুদ্ধে তদন্তের নামে মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগ তুলেছে। প্রতিবারই শেখ হাসিনার সরকার জবাবে জানিয়েছে বাংলাদেশে মানবাধিকার রক্ষা করা হয়। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র সরকারের অবস্থানের প্রেক্ষিতেও একই অবস্থান শেখ হাসিনার সরকারের।

বাংলাদেশের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল জানিয়েছেন, যাঁদের নামে নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়েছে, আমি তো মনে করি তাঁদের নামে নিষেধাজ্ঞা দেওয়াটা বস্তুনিষ্ঠ নয়। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র সরকার বোধ হয় অতিরঞ্জিত কোনো খবর পেয়ে, সেটার ওপর ভিত্তি করে এটা করেছে।

ব়্যাবের অতিরিক্ত মহাপরিচালক খান মহম্মদ বলেন, আমরা কখনো মানবাধিকার লঙ্ঘন করি না। সব সময় মানবাধিকার রক্ষা করি।  তিনি বলেন, যারা সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড পরিচালনা করে, খুন করে ধর্ষণ করে মাদক ব্যবসা চালায়, দেশ এবং জনগণের স্বার্থেই আমরা তাদের আইনের আওতায় আনি। অপরাধীকে আইনের আওতায় আনা যদি মানবাধিকার লঙ্ঘন হয়ে থাকে, তাহলে দেশের স্বার্থে এই মানবাধিকার লঙ্ঘন করতে আমাদের আপত্তি নেই।

Mexico: ভয়াবহ দুর্ঘটনায় বহু মৃত্যু প্রমাণ দিল মধ্য আমেরিকার করুণ অর্থনীতি

Mexico Road Accident

News Desk: মেক্সিকোর (Mexico) ভয়াবহ সড়ক দুর্ঘটনায় মৃত কমপক্ষে ৫৩ জন। আরও পঞ্চাশ জনের বেশি গুরুতর জখম। বিবিসি জানাচ্ছে জখম অনেকেই আশঙ্কাজনক। মৃতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে।

দুর্ঘটনার কবলে পড়া যাত্রীরা বেশিরভাগই হন্ডুরাস থেকে আসছিলেন। তাদের গন্তব্য ছিল মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। বেআইনিভাবে মার্কিন মুলুকে ঢোকার জন্য মেক্সিকোর সড়কপথ ব্যবহার করছিল ভিড়ে ঠাসা একটি ট্রাক। বিপজ্জনক বাঁক পার হতে গিয়ে ট্রাকটি দুর্ঘটনার কবলে পড়ে। যাত্রীদের মৃত্যু হয়। মেক্সিকো সরকার মৃত ও আহত যাত্রীদের পরিচয় খতিয়ে দেখে সংশ্লিষ্ট দেশগুলির দূতাবাসের সঙ্গে যোগাযোগ করছে।

এই দুর্ঘটনার পর প্রশ্ন, এতজন যাত্রী কী কারণে যাচ্ছিলেন। মেক্সিকো সরকারের প্রাথমিক তদন্তে জানা গিয়েছে, হন্ডুরাস ও কিছু মধ্য আমেরিকান দেশের অর্থনীতি ভীষণভাবে দূর্বল। করোনা সংক্রমণ ও লকডাউন পরবর্তী সময়ে সেই পরিস্থিতি আরও করুণ। ফলে দালাল মারফত অন্যদেশে যাওয়ার চেষ্টা করছেন মধ্য আমেরিকার বিভিন্ন দেশবাসী।

আল জাজিরা জানাচ্ছে, মধ্য আমেরিকার দারিদ্র্য ও সহিংসতা থেকে পালিয়ে বাঁচতে প্রতি বছর লক্ষাধিক অভিবাসনপ্রত্যাশী মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে পৌঁছানোর জন্য মেক্সিকো পাড়ি দেওয়ার চেষ্টা করে। অনেকেই পাচারকারীদের অর্থ দিয়ে দীর্ঘ পথে গাদাগাদি করে এবং বিপজ্জনকভাবে ট্রাকে করে যাত্রা করে। সেকমই যাত্রীদের নিয়ে দুর্ঘটনার কবলে পড়েছে একটি ট্রাক।

ভারতের সঙ্গে সীমান্ত যুদ্ধ শুরু করে দিয়েছে চিন, বিস্ফোরক দাবি মার্কিন সেনেটরের

China has started a border war with India

News Desk: চিনের (Chania) সঙ্গে যে সমস্ত দেশের সীমান্ত রয়েছে তারা যথেষ্টই বিপদের মধ্যে রয়েছে। ভারতের (India) সঙ্গে ইতিমধ্যেই সীমান্ত যুদ্ধ শুরু করে দিয়েছে বেজিং। সম্প্রতি এমনই চাঞ্চল্যকর দাবি করলেন আমেরিকার রিপাবলিকান সেনেটর (American senator) জন কারনাইন (join Karnain)। শুধু তাই নয় তিনি আরও বলেন, পড়শি দেশগুলির জন্য বিপদ হয়ে দেখা দিয়েছে এই কমিউনিস্ট দেশটি।

সম্প্রতি মার্কিন সেনেটর জন কারনাইনের নেতৃত্বে একটি মার্কিন প্রতিনিধি দল ভারতে এসেছিল। এই প্রতিনিধি দলটি দিল্লিতে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (Marendra Modi) বিদেশ মন্ত্রী এস জয়শঙ্কর (S Jaishankar) ও জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা অজিত ডোভালের (Ajit Doval) সঙ্গে আলাদাভাবে কথা বলেন। সীমান্ত সমস্যা ছাড়াও দক্ষিণ চিন সাগরে চিনের আধিপত্য, আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের মতো একাধিক বিষয়ে নিয়ে আলোচনা হয় তাদের।

John Cornyn
আমেরিকার রিপাবলিকান সেনেটর (American senator) জন কারনাইন

সূত্রের খবর সেই আলোচনাতে উঠে আসে লাদাখে চিনা আগ্রাসনের বিষয়টি। সেখানেই মার্কিন প্রতিনিধিরা জানান, প্রতিবেশি দেশগুলির কাছে চিন ক্রমশই বিপদ হয়ে উঠছে। বিশেষ করে যে সমস্ত দেশের সঙ্গে চিনের সীমান্ত রয়েছে তাদের কাছে চিন বড় মাপের বিপদ। এছাড়া চিন যেভাবে তিব্বত, তাইওয়ানকে চোখ রাঙিয়ে চলেছে সে বিষয়টি নিয়েও বৈঠকে আলোচনা হয়।

ভারতের পাশাপাশি এশিয়ার বেশ কয়েকটি দেশে সফর করেন মার্কিন প্রতিনিধি দলটি। সফর শেষ করে দেশ ফিরে দক্ষিণ এশিয়ার চলতি আঞ্চলিক পরিস্থিতি সম্পর্কে সেনেটে বক্তব্য রাখছিলেন কারনাইন। সেখানেই তিনি চিন সম্পর্কে ওই মন্তব্য করেন। আমেরিকার সঙ্গেও চিনের সম্পর্কটা খুব মধুর নয়। দক্ষিণ চিন সাগর ও দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য নিয়ে বেজিংয়ের সঙ্গে ওয়াশিটনের রীতিমত ঠান্ডা লড়াই চলছে। পূর্বতন প্রেসিডন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সময় এই বিরোধ তুঙ্গে পৌঁছেছিল। করোনার সংক্রমণ ছড়ানোর জন্য ট্রাম্প সরাসরি চিনকে দায়ী করেছিলেন।

উল্লেখ্য, ২০২০ সালের ১৫ জুন লাদাখের (ladakh) গালওয়ানে নিয়ন্ত্রণ রেখা পেরিয়ে ভারতীয় সীমান্তের ভিতরে ঢুকে পড়েছিল চিনের সেনাবাহিনী। ভারতীয় জাওয়ানরা বাধা দিলে গালওয়ানে দুই দেশের সেনাবাহিনীর মধ্যে সংঘর্ষ বাধে। সেই সংঘর্ষে ২০ জন ভারতীয় জওয়ান শহিদ হয়েছিলেন। চিনের চার সেনাও মারা যায় বলে খবর। যদিও লালফৌজের আরও অনেকেই প্রাণ হারিয়েছিলেন বলে খবর। এরপর নয়াদিল্লি ও বেজিংয়ের মধ্যে একাধিকবার আলোচনায় পরিস্থিতি কিছুটা স্বাভাবিক হয়। তবে সীমান্তে উত্তেজনা এখনও পুরোপুরি প্রশমিত হয়নি।

China: ড্রাগনের গলায় সোনার লকেট! সবথেকে ‘ধনী দেশ’ চিন

reachest china overtakes us

News Desk: মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রকে টপকে চিন এখন বিশ্বের সবচেয়ে ধনী দেশ। গবেষণা প্রতিবেদনে এই তথ্য উঠে এসেছে। সোমবার ম্যাককিনেসি অ্যান্ড কোম্পানির ওয়েবসাইটে প্রকাশিত হয়েছে এই রিপোর্ট।

এই গবেষণায় বলা হয়েছে, আন্তর্জাতিক আয়ের মোট ৬০ শতাংশের বেশি যে ১০টি দেশের দখলে, সেই দেশগুলির আয় ব্যয়ের হিসেব বিশ্লেষণ করে বিশ্বের সবচেয়ে ধনী দেশের তালিকা তৈরি করা হয়েছে। এই তালিকায় প্রথম চিন। তারা টপকে গিয়েছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রকে।

reachest china overtakes us

গবেষণা প্রতিবেদন বলা হয়েছ, গত দু দশকে বিশ্বের সম্পদ বেড়ে তিন গুণ হয়েছে। বিশ্বে যে পরিমাণ সম্পদ বেড়েছে, তার প্রায় তিন ভাগের এক ভাগই চিনের।

রিপোর্ট উঠে এসেছে,২০০০ সালে বিশ্বের চূডান্ত বা নিট সম্পদের মূল্য ছিল ১৫৬ ট্রিলিয়ন মার্কিন ডলার। ২০২০ সালে তা বেড়ে হয় ৫১৪ ট্রিলিয়ন মার্কিন ডলার। অর্থাৎ সময়ে বিশ্বের সম্পদ বেড়েছে প্রায় তিন গুণ।

reachest china overtakes us

২০০০ সালে চিনের সম্পদ ছিল সাত ট্রিলিয়ন মার্কিন ডলার। ২০২০ সালে এই সম্পদের পরিমাণ বেড়ে দাঁড়ায় ১২০ ট্রিলিয়ন মার্কিন ডলার।

আর গত দু দশকে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নিট সম্পদের মূল্য দ্বিগুণের বেশি বেড়ে ৯০ ট্রিলিয়ন মার্কিন ডলার দাঁড়িয়েছে।

<

p style=”text-align: justify;”>পরিসংখ্যান অনুসারে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নিট সম্পদের তুলনায় ৩০ ট্রিলিয়ন ডলার মূল্যের বেশি সম্পদের অধিকারী চিন। স্বাভাবিকভাবেই তারাই এখন বিশ্বের সবথেকে ধনী দেশ।

Space War: রুশ মিসাইল ধংস করল পুরনো গুপ্তচর স্যাটেলাইট, উদ্বেগে ওয়াশিংটন

Russia's anti satellite missile test created controversy

News Desk: নিজেরই অকেজো স্পাই স্যাটেলাইট মিসাইল ছুঁড়ে ধংস করেছে রাশিয়া। সেই স্যাটেলাইট ধ্বংসাবশেষ মহাকাশে ছড়িয়ে পড়ায় প্রবল উদ্বেগে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। বিবৃতিতে ওয়াশিংটন জানায়, রাশিয়ার অ্যান্টি স্যাটেলাইট মিসাইল নিক্ষেপ আন্তর্জাতিক মহাকাশ কেন্দ্রে অবস্থানরত ক্রুদের জীবন বিপন্ন করে তুলেছে।

বিবিসি জানাচ্ছে, রাশিয়ার এই অ্যান্টি স্যাটেলাইট মিসাইলের পরীক্ষাকে বিপজ্জনক এবং দায়িত্বজ্ঞানহীন’বলে মন্তব্য করেছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র।

মিসাইলের ছুঁড়ে রাশিয়া নিজস্ব একটি স্যাটেলাইটকে উড়িয়ে দেওয়ায় সেখান থেকে তৈরি বর্জ্যের কারণে আন্তর্জাতিক মহাকাশ কেন্দ্রের ক্রুরা স্টেশনের ভেতরে ক্যাপসুলে অবস্থান নিয়েছেন।

Russia's anti satellite missile test created controversy

তবে ক্রেমলিন থেকে কোনও প্রতিক্রিয়া আসেনি। রুশ সংবাদ সংস্থা তাস জানাচ্ছে,ধংস করা অকেজো স্যাটেলাইটের নাম কসমস – ১৪০৮।

বিবিসি জানাচ্ছে, এই রুশ স্যাটেলাইট আসলে মহাকাশে গুপ্তচর হিসেবে কাজ করছিল।১৯৮২ সালে উৎক্ষেপণ করা হয়েছিল। ওজন এক টনের মতো।অনেক আগেই এই স্যাটেলাইট অকেজো হয়ে যায়।

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র জানিয়েছে,রাশিয়ার এই অ্যান্টিগুয়া মিসাইলের আঘাতের ভেঙে যাওয়া স্যাটেলাইট কমপক্ষে ১৫০০ টুকরো বর্জ্য তৈরি করেছে।এছাড়া আরো হাজার হাজার ক্ষুদ্র বর্জ্য তৈরি করেছে যার কারণে মহাকাশে সব দেশের স্বার্থকে ঝুঁকির মুখে ফেলেছে।

তবে রাশিয়ার মহাকাশ গবেষণা কেন্দ্র রাসকোসমস্ এই ঘটনাকে গুরুত্ব দিচ্ছে না। তারা জানায়,রাশিয়ার স্যাটেলাইট ধ্বংস হবার পর যেসব টুকরো বর্জ্য তৈরি হয়েছে সেগুলো দ্বারা অন্য কিছুর ক্ষতি হয়নি।

<

p style=”text-align: justify;”>বিবিসি জানাচ্ছে, ভূ পৃষ্ঠ থেকে স্যাটেলাইট ধ্বংস করার ক্ষমতা বেশ কিছু দেশের রয়েছে। এর মধ্যে আমেরিকা, রাশিয়া, চিন এবং ভারত অন্যতম। এই ধরণের মিসাইল ছোঁড়া করা খুবই বিরল। এতে মহাকাশে মারাত্মক দূষণ হয়। ২০০৭ সালে চিন যখন তাদের একটি অকেজো আবহাওয়া স্যাটেলাইট ধ্বংস করেছিল তখন দু হাজারের বেশি টুকরো ভেসে এসেছিল।

COP26 : নজিরবিহীন জলবায়ু সম্মেলন! দরিদ্র দেশগুলির চাপে সময় পেরিয়েও আলোচনা

COP26

News Desk: ধনী দেশগুলির কার্বন নির্গমণ বিশ্বকে চরম ক্ষতির মুখে ফেলে দিচ্ছে। গড় তাপমাত্রা মাত্র ১.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসের একটু বেশি হলেই দুনিয়া রসাতলে যাবে। এই যুক্তি মেনে নিয়েও তুমুল বাকবিতন্ডা চলছে জলবায়ু সম্মেলনে।

সম্মেলনে অংশ নেওয়া দরিদ্র ও উন্নয়নশীল দেশগুলির অভিযোগ ধনী দেশের সরকাররা কোনওভাবেই জলবায়ু নিয়ন্ত্রণে টাকা বরাদ্দ বৃদ্ধিতে রাজি নয়। এই অবস্থান স্কটল্যান্ডের রাজধানী গ্লাসগো শহরে রাষ্ট্রসংঘের জলবায়ু সম্মেলনে (Cop 26) নজিরবিহীন পরিস্থিতি। সময়সীমা পেরিয়েও চলছে আলোচনা।

যদিও জলবায়ু সম্মেলনে চিন ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র সহমত জানিয়েছে একযোগে চারদশক কাজ করার।  দুটি দেশই বিশ্বে সর্বাধিক কার্বন নি:স্বরণ করে। ব্রাজিল সহ বিশ্বের শতাধিক দেশের নেতারা ২০৩০ সালের মধ্যে বনভূমি ধংস বন্ধের প্রতিশ্রুতি দিয়েছে।

COP26

তবে টুভালুর মতো ছোট ও দরিদ্র প্রাকৃতিক সম্পদের দেশগুলির অভিযোগ, জলবায়ু সম্মেলন আসলে একটি লোক দেখানো মঞ্চে পরিণত হয়েছে। বিপদ বুঝেও ধনী দেশগুলি গাছাড়া মনোভাব দেখাচ্ছে।

গবেষণায় উঠে এসেছে, গড় তাপমাত্রা ১.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস বাড়লেই উষ্ণতার প্রভাবে সামুদ্রিক জলস্ফিতি হবে। এর জেরে বহু দ্বীপরাষ্ট্র তলিয়ে যেতে পারে। বিভিন্ন সমুদ্র উপকূলীয় দেশ বিরাট ক্ষতির মুখে পড়বে।

ক্ষুদ্র দ্বীপ দেশগুলো শুক্রবার জানায়, সমুদ্রের জলস্তর বৃদ্ধির ফলে দ্রুততার সঙ্গে তাদের ভূমি হারিয়ে যাচ্ছে। ২০০৯ সালে মালদ্বীপ সরকার ভারত মহাসাগরের তলায় মন্ত্রিসভার বৈঠক করে বিশ্বকে জলস্ফিতির সতর্কতা দিয়েছিল। এবার জলবায়ু সম্মেলনে প্রশান্ত মহাসাগরের দ্বীপরাষ্ট্র টুভালুর বিদেশমন্ত্রী সাগরে দাঁড়িয়ে সতর্কতাবাণী দেন। তিনি বলেন ‘আমাদের দেশ সত্যি সত্যি ডুবে যাচ্ছে। এটা আমাদের অনেকের জীবন মরণের প্রশ্ন। গ্লাসগো সম্মেলনকে অবশ্যই কার্যকর পদক্ষেপের ঘোষণা করতে হবে। আমরা যেন ব্যর্থ না হই।’

আরও পড়ুন: COP26 : ঘাড়ের কাছে বিপদ, মহাসাগর থেকে টুভালুর সতর্কতায় বিশ্ব কাঁপল

<

p style=”text-align: justify;”>এই প্রেক্ষিতে শনিবার দুপুরে জলবায়ু সম্মেলনের চূড়ান্ত আলোচনার সময় ক্রমাগত পিছিয়ে যাচ্ছে। এবারের সম্মেলনের সভাপতি ব্রিটেনের মন্ত্রী অলোক শর্মা জানান বিশ্ব উষ্ণায়ণ রুখতে এটাই শেষ সুযোগ। বিজ্ঞানীদের মতে, বিশ্বের গড় তাপমাত্রা বৃদ্ধি ১.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে ধরে রাখার বিষয়টি তুলনা করলে শিল্পপূর্ববর্তী যুগে ফিরে যাওয়ার সমান। সেটা কী করে করা সম্ভব তাই জটিল বিষয়।

আফগানিস্তানে অশান্তির জন্য পাকিস্তানকে দায়ী করল আমেরিকা

Some Afghans blame neighboring Pakistan for Taliban gains

নিউজ ডেস্ক: আফগানিস্তানে চলতি অশান্ত পরিবেশের জন্য পাকিস্তানই দায়ী। ইসলামাবাদের বিরুদ্ধে সরাসরি এই অভিযোগ করল আমেরিকা। মার্কিন কংগ্রেসের সদ্য প্রকাশিত এক রিপোর্টে বলা হয়েছে, আফগানিস্তানে অশান্তি ও হিংসার যে পরিবেশ তৈরি হয়েছে তার পিছনে বড় ভূমিকা রয়েছে পাকিস্তানের।

যুদ্ধবিধ্বস্ত আফগানিস্তানের চলতি পরিস্থিতির জন্য পাকিস্তানকে দায়ী করা যেতেই পারে। প্রকাশিত রিপোর্টে আশঙ্কা প্রকাশ করা হয়েছে, চিন(chin), রাশিয়ার (rusia)মতো একের পর এক বড় শক্তি যেভাবে তালিবানের (taliban) পাশে এসে দাঁড়াচ্ছে তা আমেরিকার পক্ষে বিপজ্জনক হতে পারে। এই পরিস্থিতিতে মার্কিন প্রশাসন যদি আফগানিস্তানের বিরুদ্ধে শাস্তি মূলক কোনও ব্যবস্থা নেয় সেক্ষেত্রে কাবুলে মানবাধিকার চরম সঙ্কটের মুখে পড়বে।

উল্লেখ্য কয়েকদিন আগে মার্কিন বিদেশ সচিব অ্যান্টনি ব্লিনকেন বলেছিলেন, তালিবান, হাক্কানী, আইএসের মত জঙ্গি গোষ্ঠীকে পাকিস্তান মদত দিয়ে চলেছে। শুধু তাই নয়, এই সমস্ত জঙ্গিগোষ্ঠী পাকিস্তানের মাটি ব্যবহার করেই অন্য দেশে নাশকতা চালাচ্ছে। এবার মার্কিন কংগ্রেসের রিপোর্টেও পাকিস্তান সম্পর্কে একই কথা বলা হল।

মার্কিন বিদেশসচিব ব্লিনকেন (blinken) আফগানিস্তান প্রসঙ্গে ভারতের কথাও টেনে আনেন। তিনি বলেন, আফগানিস্তানের পুনর্গঠনে বড় ভূমিকা নিয়েছিল ভারত। রাজধানী কাবুল-সহ আফগানিস্তানের বিভিন্ন এলাকায় পরিকাঠামোর উন্নয়নে বিপুল বিনিয়োগ রয়েছে ভারতের। কিন্তু ভারতের সেই ভূমিকার বিরোধিতা করতে গিয়ে পাকিস্তান আদতে আফগানিস্তানের (afganistan) ক্ষতি করেছে।

পাকিস্তান (pakistan) যেভাবে জঙ্গিদের মদত জোগাচ্ছে কোনোভাবেই সেটা মেনে নেওয়া যায় না। পাকিস্তানের উচিত, নিজেদের দেশের আর্থিক পরিস্থিতির ব্যাপারে চিন্তাভাবনা করা। সে দেশের সাধারণ মানুষ চরম দুর্দিনের মধ্যে দিন কাটাচ্ছেন। তাঁদের পরিস্থিতির উন্নতির দিকে নজর দেওয়া উচিত। কিন্তু সেটা না করে পাক সরকার জঙ্গিদের মদত জুগিয়ে চলেছে। এমনকী জঙ্গিদের পিছনে টাকাও ঢালছে।

এ প্রসঙ্গে আমেরিকার সাংসদ বিল কিটিংও (bill kiting) পাকিস্তানকে কড়া ভাষায় আক্রমণ করেছেন। তিনি বলেছেন, পাক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান (imran khan) নিজেই জঙ্গিদের পিছনে রয়েছেন। সে কারণেই আশরফ ঘানি ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার পর ইমরান বলেছিলেন, আফগানিস্তান দাসত্বের শৃঙ্খল থেকে মুক্ত হল। উল্লেখ্য, আফগানিস্তানের প্রাক্তন ভাইস প্রেসিডেন্ট আমারুল্লা (amarullah saleh) সালেও একাধিকবার দাবি করেছেন, পাক গুপ্তচর সংস্থা আইএসআইয়ের নির্দেশমতো কাজ করে চলেছে তালিবান। আমারুল্লার সেই বক্তব্যেই কার্যত সিলমোহর দিল আমেরিকা।

Religious Freedom: ভারত-রাশিয়াকে লাল তালিকাভুক্ত করার সুপারিশ মার্কিন মানবাধিকার সংগঠনের

religious freedom in india

News Desk: প্রতি বছর ডিসেম্বর মাসে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের ধর্মীয় স্বাধীনতার অধিকার (Religious Freedom) সংক্রান্ত একটি তালিকা প্রকাশ হয়। সেই তালিকায় ভারতকে (India) ‘লাল তালিকা’ ভুক্ত করার সুপারিশ করল মার্কিন মানবাধিকার সংগঠন ইউএসসিআইআরএফ।

তবে শুধু ভারত নয়, আরও চারটি দেশকে লাল তালিকায় পাঠানোর কথা বলা হয়েছে। যথারীতি ভারত সরকার ওই মার্কিন মানবাধিকার সংগঠনের প্রস্তাবের তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছে। নয়াদিল্লির (Delhi) পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, ভারতের সংবিধান ও অভ্যন্তরীণ পরিস্থিতি সম্পর্কে মার্কিন সংস্থাটি ইউএসসিআইআরএফ-এর আদৌ কোনও ধারণা নেই।

মার্কিন মানবাধিকার সংগঠনটি সেদেশের বিদেশমন্ত্রকের কাছে সুপারিশ করে, ভারত, রাশিয়া-সহ পাঁচটি দেশকে ধর্মীয় স্বাধীনতার অধিকার রক্ষার সংক্রান্ত বিষয়ে লাল তালিকাভুক্ত করা উচিত। কারণ এই সমস্ত দেশের সরকার ধর্মীয় ক্ষেত্রে যথেষ্ট অসহিষ্ণু। ওই পাঁচ দেশে ধর্মীয় স্বাধীনতা যথেষ্টই বিপন্ন। তাই তাদের লাল তালিকাভুক্ত করা হোক।

মার্কিন মানবাধিকার সংগঠনের এই সুপারিশের কথা জানতে পেরে তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছে নয়াদিল্লি। ইতিমধ্যেই দেশের বিদেশমন্ত্রক আমেরিকান কমিশন অফ ইন্টারন্যাশনাল রিলিজিয়াস ফ্রিডমের কাছে তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছে। বিদেশমন্ত্রক পাল্টা বলেছে, মার্কিন মানবাধিকার সংগঠনটির ভারতের সংবিধান ও দেশের ধর্মীয় স্বাধীনতার বিষয়ে কোনও ধারণা নেই। ভারতে সব ধর্মের মানুষই অবাধে তাঁদের মতামত প্রকাশ করতে পারেন। ভারতে বহু ধর্মের মানুষের বাস। যেটা বিশ্বে আর কোথাও নেই।

ভারতীয় বিদেশমন্ত্রকের এই বক্তব্যের কোনও প্রতিক্রিয়া জানায়নি মার্কিন মানবাধিকার সংগঠন ইউএসসিআইআরএফ। উল্লেখ্য, ২০২০ সালেও ইউএসসিআইআরএফ ধর্মীয় স্বাধীনতার নিরিখে ভারতকে লাল তালিকাভুক্ত করার প্রস্তাব দিয়েছিল। যদিও সেই প্রস্তাব খারিজ করে দিয়েছিলেন তৎকালীন মার্কিন বিদেশসচিব মাইক পম্পেও (pompeo)। কূটনৈতিক মহলের ধারণা, এই মুহূর্তে দিল্লির মোদি সরকারের সঙ্গে জো বাইডেন (joe biden) সরকারের সম্পর্কের রসায়ন এতটাই ঘনিষ্ঠ যে কোনওভাবেই মানবাধিকার সংগঠনের ওই প্রস্তাব মানা হবে না। পাশাপাশি ভারতের রাজনৈতিক পরিস্থিতি এখনও এতটা অসংবেদনশীল হয়নি যে ভারতকে লাল তালিকাভুক্ত করতে হবে।

Secret File : টার্গেট ১০০০ পরমাণু বোমা, চিনা ধমাকায় বিশ্বে উদ্বেগ

china- weapons-target-of-1000-nuclear-bombs

News Desk: টার্গেট ১০০০টি পরমাণু বোমা তৈরি করা। আগামী ৯ বছরের মধ্যে এই বিপুল পরমাণু অস্ত্রভাণ্ডার তৈরি করে নেবে চিন। এমনই রিপোর্ট দিয়েছে মার্কিন প্রতিরক্ষা বিভাগ। পেন্টাগনের রিপোর্টে বলা হয়েছে ২০৩০ সালকে ডেডলাইন ধরে নিয়েই দিনরাত এক করে দিয়েছেন চিনের পরমাণু বিশেষজ্ঞরা।

মার্কিন প্রতিরক্ষা বিভাগের ধারণা, কমবেশি ৪০০টি পারমাণিক অস্ত্র সম্পূর্ণ তৈরির পথে চিন সরকার। তবে বাকি অস্ত্র তৈরিতে ২০৩০ সাল পর্যন্ত লাগবে।

ওয়াশিংটনের রিপোর্ট বলছে, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের পরমাণু অস্ত্র ভাণ্ডারের সমতুল্য হতে মরিয়া পদক্ষেপ নিয়েছে চিন। নির্দেশ অনুসারে কাজ চলছে। রিপোর্টে বলা হয়েছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মজুত বর্তমান পরমাণু অস্ত্রের সংখ্যা ৩৭০০টি। তাকে টপকে যেতেই মরিয়া হয়ে উঠেছে চিন।

চিনের এই পরমাণু কর্মসূচির কথা সামনে আসতেই আন্তর্জাতিক মহলে শোরগোল পড়েছে। তবে চিন যথারীতি পেন্টাগনের রিপোর্টের কোনও প্রতিক্রিয়া দেয়নি। চিনের তরফেও বারবার দাবি করা হয় বিপুল পরমাণু অস্ত্র তৈরি করেছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র।

তবে সাম্প্রতিক কিছু তথ্য প্রকাশ করে ওয়াশিংটন তাকে দাবি করা হয়, প্রাক্তন প্রেসিডেন্সি ট্রাম্পের নির্দেশে যে পরমাণু কর্মসূচি চলছিল তাতে আলগা দেওয়া হয়েছে। কমানো হচ্ছে পরমাণু বোমার সংখ্যা। রিপোর্ট মানতে চায়নি বহু দেশ।

ইজরায়েলি সংস্থা এনএসওকে কালো তালিকাভুক্ত করল আমেরিকা

US blacklisted the Israeli company NSO

News Desk: শেষ পর্যন্ত ইজরায়েলি স্পাইওয়্যার নির্মাণকারী সংস্থা এনএসও গ্রুপকে কালো তালিকাভুক্ত করল আমেরিকা। জো বাইডেন প্রশাসনের এই সিদ্ধান্তে আমেরিকার নিষিদ্ধ সংস্থার তালিকায় থাকবে ইজরায়েলের এই সংস্থার নাম। ইজরায়েলি সংস্থা এনএসও আমেরিকার বৈদেশিক নীতি এবং জাতীয় নিরাপত্তার পরিপন্থী কাজ করছে বলেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

উল্লেখ্য ইজরায়েলের এই সংস্থা এমন একটি স্পাইওয়্যার তৈরি করেছে যার মাধ্যমে যে কোনও মানুষের ফোনে আড়িপাতা যায়। এমনকী, যার ফোনে আড়িপাতা হবে তিনি বিষয়টি টেরও পাবেন না। ইতিমধ্যেই ভারতেও পেগাসাস স্পাইওয়্যার নিয়ে যথেষ্ট বিতর্ক তৈরি হয়েছে। অভিযোগ উঠেছে, নরেন্দ্র মোদি সরকার বিরোধী রাজনৈতিক দলের নেতানেত্রী থেকে শুরু করে বিচার বিভাগের শীর্ষকর্তা, এমনকী, শিল্পপতিদের ফোনেও আড়ি পেতেছে। মোদি সরকার এই অভিযোগ স্বীকার করেনি। তবে, দেশের নিরাপত্তাকে অগ্রাধিকার দিয়ে সুপ্রিমকোর্ট বিষয়টি তদন্ত করে দেখার জন্য তিন সদস্যের একটি কমিটি গঠন করেছে। ওই কমিটি এই অভিযোগের তদন্ত শুরু করেছে।

আমেরিকার প্রতিরক্ষা দফতর এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, বিভিন্ন দেশের সরকারকে স্পাইওয়্যার বিক্রি করে থাকে ইজরায়েলের সংস্থা এনএসও গোষ্ঠী। এই স্পাইওয়্যারকে কাজে লাগিয়ে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের গতিবিধির ওপর নজরদারি চালানো হয়। এটা আমেরিকার নিরাপত্তার পক্ষে অত্যন্ত উদ্বেগজনক। এই ধরনের পদক্ষেপ অবশ্যই একজন মানুষের ব্যক্তি স্বাধীনতার অধিকারের পরিপন্থী। দেশের গণতান্ত্রিক পরিকাঠামোর উপর কুঠারাঘাত। তাই দেশের নাগরিকদের ডিজিটাল নিরাপত্তা সুরক্ষিত করতে, সাইবার হানার মোকাবিলা করার লক্ষ্যে এবং মানুষের উপর নজরদারি চালান বন্ধ করার জন্যই এনএসও গোষ্ঠিকে নিষিদ্ধের তালিকায় আনা হচ্ছে।

বাইডেন প্রশাসনের এই সিদ্ধান্তে এনএসও সংস্থা কোনও মার্কিন সংস্থার কাছ থেকে যন্ত্রাংশ বা অন্য কোনও উপাদান কিনতে পারবে না। পাশাপাশি আমেরিকার এই সিদ্ধান্তের ফলে গোটা বিশ্বের বাজারে তাদের স্পাইওয়্যার বিক্রির ক্ষেত্রেও চরম সমস্যায় পড়বে। এনএসও-র বিরুদ্ধে অভিযোগ ওঠার পরই আমেরিকার প্রতিরক্ষা দফতর অন্তর্দেশীয় তদন্ত শুরু করে। সেখানেই দেখা গিয়েছে, এই ইজরায়েলি সংস্থা বিভিন্ন দেশের সরকারকে তাদের স্পাইওয়্যার বিক্রি করেছে। ওই সমস্ত দেশের সরকার সেই স্পাইওয়্যার কাজে লাগিয়ে সরকারি আধিকারিক থেকে শুরু করে শিল্পপতি, সমাজকর্মী, মানবাধিকারকর্মী ও বিরোধী রাজনৈতিক দলের নেতা-নেত্রীদের উপর নজরদারি চালিয়েছে।

তবে ইজরায়েলি সংস্থার দাবি, তারা সরকার ছাড়া কোনও বেসরকারি সংস্থাকে স্পাইওয়্যার বিক্রি করে না। অপরাধমূলক কাজকর্ম বন্ধ করতেই তারা এই স্পাইওয়্যার তৈরি করেছে। আমেরিকা অবশ্যই এনএসও-র ওই বক্তব্য খারিজ করে দিয়েছে।

Covid 19: জীবাণু বোমা নয় করোনা, চাঞ্চল্যকর দাবি মার্কিন গোয়েন্দাদের

Director of National Intelligence Avril Haines

News Desk: করোনা ভাইরাস ছড়িয়ে পড়ার পিছনে কোনও জীবাণু বোমার প্রয়োগ নয়, এটির সংক্রমণ পরিবেশগত কারণেই। এমনই জানিয়ে দিল ইউএস ডিরেক্টর অফ ন্যাশনাল ইন্টেলিজেন্স (ওডিএনআই)।

মার্কিন গোয়েন্দাদের আরও দাবি, করোনার উৎপত্তি সম্ভবত কখনোই জানা যাবে না। তবে ভাইরাসটি জীবাণু অস্ত্র হিসেবে তৈরি করা হয়নি।

বিবিসি জানাচ্ছে, মার্কিন গোয়েন্দা সংখ্যাগুলির রিপোর্টে লেখা আছে, করোনা ছড়ানোর ক্ষেত্রে একটি প্রাণী থেকে মানুষে সংক্রমণ এবং ল্যাব লিক দুটোই যুক্তিযুক্ত অনুমান। কিন্তু একটি নির্দিষ্ট সিদ্ধান্তে পৌঁছানোর জন্য পর্যাপ্ত তথ্য নেই।

প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, ২০১৯ সালের শেষের দিকে চিনের হুবেই প্রদেশের উহান শহরে কোভিড-১৯ প্রাথমিক প্রাদুর্ভাবের আগে ভাইরাসটির অস্তিত্ব সম্পর্কে জানা ছিল না চিনা কর্মকর্তাদের।

বিবিসি আরও জানাচ্ছে, ইউএস ডিরেক্টর অফ ন্যাশনাল ইন্টেলিজেন্সের রিপোর্টে বলা হয়, গোয়েন্দা সংস্থাগুলো ভাইরাসটির সম্ভাব্য উৎস নিয়ে বিভক্ত। চারটি গোয়েন্দা সংস্থার দাবি একটি সংক্রমিত প্রাণি বা অন্য কোনও ভাইরাস থেকে উদ্ভূত হয়েছিল করোনাভাইরাস বা কোভিড-১৯ এর।।

চিন থেকেই এই ভাইরাস বিশ্বজুড়ে ছড়িয়ে পড়ে। করোনার হামলায় বিশ্ব বিপর্যস্ত হয়েছে। মৃত্যু মিছিল চলেছে। আপাতত টিকা প্রয়োগ চলছে। এতে মৃত্যুর হার কমানো গিয়েছে।

তবে করোনা সংক্রমণের প্রথমদিকে এই ভাইরাস ছড়ানোর জন্য মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র সরকার তৎকালীন প্রেসিডেন্সি ডোনাল্ড ট্রাম্প ক্রমাগত চিনকে দোষারোপ করেছিলেন। কড়া প্রতিক্রিয়া দিয়েছিল চিন। করোনা নিয়ে চিন-মার্কিন দ্বন্দ্বে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (হু) পড়ে যায় মাঝখানে। ট্রাম্প সরকারের পতনের পর দুই দেশের সম্পর্কের টানাপোড়েন কিছুটা কম। জীবাণু হামলার দু বছরের মাথায় এসেছে মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থাগুলির রিপোর্ট। এতে চিনকে দায়ভার থেকে মুক্তি দেওয়া হয়েছে।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা বলেছে, কোভিড-১৯ মোকাবিলার জন্য আগামী এক বছরে ২ হাজার ৩৪০ কোটি মার্কিন ডলার প্রয়োজন। এর জন্য সংস্থাটি জি-২০ গোষ্ঠীকে অর্থ প্রদানের আহবান জানিয়েছে।

‘হু’ প্রধান জানান, করোনা মহামারিতে দীর্ঘ সময় ধরে গরিব দেশগুলিকে সুরক্ষা থেকে বঞ্চিত রাখতে পারবে না ধনী দেশগুলি। এর জন্য জি-২০ নেতারা এগিয়ে আসুন।

Haiti: বন্দুকের নল সামনে, হিম চোখে খুনের ইঙ্গিতে কাঁপছেন হাইতির অপহৃত মিশনারিরা

US missionaries and family kidnapped in Haiti

নিউজ ডেস্ক: দ্বীপরাষ্ট্র হাইতি কি আবারও গণহত্যার সাক্ষী থাকবে? অন্তত তেমনই আশঙ্কা বাড়ছে। ১৭ জন মার্কিন নাগরিককে বন্দি করা হয়েছে। অপহরণ করে তাদের বন্দুকের সামনে রেখে হিমশীতল চোখে তাকিয়ে আছে বন্দুকধারীরা। এএফপি, বিবিসি জানাচ্ছে, অপহৃত ১৭ জনই খ্রিস্টান মিশনারি। তাঁরা সেবামূলক কাজে হাইতি এসেছিলেন। তাঁদের বন্দি করা হয়েছে।

সংবাদ সংস্থা এপি জানাচ্ছে, হাইতির রাজধানী পোর্ট অউ প্রিন্স শহরে এই অপহরণ ও পণবন্দির ঘটনা ঘটায় কয়েকজন বন্দুকধারী। অপহৃত মার্কিন মিশনারিদের মধ্যে মহিলা ও শিশুরা আছে।

বিবিসি জানাচ্ছে, হাইতি বিমানবন্দরে যাওয়ার পথে মিশনারিদের একটি বাস ঘিরে নেয় অপহরণকারীরা। এর পরেই শুরু হয় তাদের ঘিরে বন্দুক উঁচিয়ে পাহারা।

অপহরণের সংবাদে আমেরিকা তোলপাড়। তবে হাইতির মার্কিন দূতাবাস বিষ়যটি নিয়ে সরাসরি কিছু জানাতে নারাজ। মনে করা হচ্ছে, অপহৃতদের সঙ্গে আলোচনা করে কী দাবি সেটা জানা প্রাথমিক লক্ষ্য।

বারবার ভূমিকম্প ও প্রাকৃতিক বিপর্যয়ে ক্যারিবিয়ান সাগরের দ্বীপরাষ্ট্র হাইতি বিধ্বস্থ। বহু মানুষের মৃত্যু হয়েছে। হাইতিতে সেবামূলক কাজের জন্য এসেছিলেন এই মিশনারিরা।

উনিশ শতক থেকে গত শতকের আশির দশক পর্যন্ত গণহত্যার পরপর নজির দেখা গিয়েছে হাইতিতে। তবে সবই অন্তর্নিহিত রাজনৈতিক ঘটনাক্রম মিশনারিদের অপহরণ করে তেমন কিছু হলে এও এক নজির হয়ে যাবে। পরিস্থিতি তীব্র আতঙ্কের। ১৭ জন মার্কিন মিশনারির জীবন সংশয়।

Afghanistan: তালিবান জঙ্গিদের সঙ্গে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বৈঠক, স্বীকৃতির ইঙ্গিত?

us and taliban militant government discussion

নিউজ ডেস্ক: আফগানিস্তান থেকে অগাস্ট মাসে সেনা প্রত্যাহারের পর মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এই প্রথমবারের মত তালিবানের সাথে মুখোমুখি বৈঠক করেছে। বিবিসি জানাচ্ছে এই খবর। কাতারের রাজধানী দোহায় এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বৈঠকে অংশ নেন তালিবান সরকারের বিদেশমন্ত্রী আমির খান মুত্তাক। তিনি জামান, দু’পক্ষই ফেব্রুয়ারি ২০২০-এর চুক্তি বহাল রাখতে সম্মত হয়েছে।চুক্তিতে তালিবান প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল, তারা আল কায়েদাকে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও তার মিত্রদের নিরাপত্তা ক্ষুণ্ণ করার মত কোনও কর্মসূচি চালাতে দেবে না। তবে তালিবান সরকারের হুঁশিয়ারি, এক দেশ অন্য দেশের অভ্যন্তরীণ নীতিতে নাক না গলায়।

বৈঠকের আগে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র বলে, তালিবানের সঙ্গে আলোচনায় বসার অর্থ এই নয় যে তারা আফগানিস্তানে তালিবান শাসনকে স্বীকৃতি দিচ্ছে। কাবুলের পতনের পর ওয়াশিংটন ও তালিবানের মধ্যে এই প্রথম মুখোমুখি বৈঠক হয়।

বৈঠকে অন্যান্য বিষয়ের সঙ্গে আফগানিস্তান থেকে মার্কিন নাগরিক ও আফগানদের নিরাপদে সরিয়ে আনার বিষয়ে আলোচনা হয়। বৈঠকে আফগানিস্তানের কেন্দ্রীয় ব্যাংকের রিজার্ভের ওপর থেকে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞা তুলে নিতে বলে তালিবান সরকার

China Sea: ‘ডুবো পাহাড়ে’ ধাক্কা মার্কিন পরমাণু অস্ত্র বোঝাই সাবমেরিনের, তীব্র আতঙ্ক

US submarine hits unknown object while underwater

নিউজ ডেস্ক: দক্ষিণ চিন সাগরের (South China Sea) আন্তর্জাতিক জলসীমায় ‘অজ্ঞাত বস্তুর’ সঙ্গে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের একটি পরমাণু অস্ত্র বোঝাই সাবমেরিনের (US submarine) ধাক্কা লেগেছিল। অজ্ঞাত বস্তুটি সম্ভবত ডুবো পাহাড় বলে মনে করা হচ্ছে। কারণ, এই সাগর ডুবো পাহাড়ের কারণে বিপজ্জনক। দুর্ঘটনার পর তীব্র আতঙ্কিত চিন সাগর সংলগ্ন দেশগুলিতে। কারণ,সাবমেরিনে পারমানবিক অস্ত্র ছিল।

US submarine

মার্কিন প্রতিরক্ষা মন্ত্রকের দাবি, ২ অক্টোবর ইউএসএস কানেটিকেট নামের সাবমেরিনটি দুর্ঘটনার কবলে পড়ে। সাবমেরিনের কেমন ক্ষতি হয়েছে তা মূল্যায়ন করে দেখা হচ্ছে। সাবমেরিনটি এখন গুয়ামের উদ্দেশে রওনা হয়েছে। নিরাপত্তার খাতিরে বৃহস্পতিবারের আগে সাবমেরিনটির দুর্ঘটনার কবলে পড়ার খবর জানানো হয়নি। 

যে বস্তুর সঙ্গে সাবমেরিনের ধাক্কা লেগেছে তা ডুবে যাওয়া কোনো জাহাজ বা কন্টেনার হতে পারে। অথবা ডুবো পাহাড় হতে পারে। সাবমেরিনে থাকা দুজন মাঝারি ধরনের এবং ৯ জন আঘাত পেয়েছেন।

এমন এক সময়ে যুক্তরাষ্ট্রের সাবমেরিনটি ‘অজ্ঞাত বস্তুর’ সঙ্গে ধাক্কা খেল যখন চিন-তাইওয়ানের মধ্যে উত্তেজনা তুঙ্গে। তাইওয়ানকে সমর্থন করছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র।

Nuclear Bomb: মিলছে না হিসেব! আমেরিকার পরমাণু বোমার সংখ্যা দেখে রেগে আগুন কিম

North Korean leader Kim Jong Un

নিউজ ডেস্ক: অবিশ্বাস্য! এ যেন কল্পনারও অতীত। যে পরিমাণ পরমাণু বোমার (nuclear bomb) তথ্য প্রকাশ করেছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র সরকার তাতে বিশ্ব জুড়ে হইহই। মস্কোতে পুতিন, তেহরানে আয়াতুল্লাহ আলি খামেনেই, বেজিংয়ে জিনপিং কেউই বিশ্বাস করতে পারছেন না। সব থেকে বড় ব্যাপার পিয়ংইয়ংয়ে কিম জং উন রেগে আগুন।

মার্কিন বিদেশ মন্ত্রকের তথ্য নিয়ে সংবাদ সংস্থা এপি জানাচ্ছে, ওয়াশিংটনের হাতে আছে মাত্র ৭৫০টি পরমাণু বোমা। এত কম! এই তথ্য অবিশ্বাস্য লাগছে ওয়াশিংটনের প্রতিদ্বন্দ্বী রাশিয়া, চিন, ইরান ও উত্তর কোরিয়ার শাসকের কাছে।

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বিদেশ মন্ত্রকের ওয়েবসাইটে দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, ২০০৩ সালে পরমাণু বোমার সংখ্যা ছিল ১০ হাজারের বেশি। প্রশ্ন এখানেই। কোথায় গেল বাকি সব পরমাণু বোমা ? এই বিশাল অস্ত্রভাণ্ডার যে ওয়াশিংটন নিষ্ক্রিয় করেছে তা মানতে নারাজ প্রতিদ্বন্দ্বী দেশগুলি।

এপি জানাচ্ছে, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রর সংগ্রহে সবচেয়ে বেশি পারমানবিক বোমা ছিল১৯৬৭ সালে তৎকালীন সোভিয়েত ইউনিয়নের সঙ্গে শীতল যুদ্ধের সময়। ওই বছর মোট পরমাণু বোমার সংখ্যা ছিল ৩১ হাজার ২৫৫টি। ১৯৮৯ সালে ২২ হাজার ২১৭টি পরমাণু অস্ত্র ছিল বলে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র জানায়।

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র পরমাণু বোমার সংখ্যা কমিয়ে আনছে বলে বার্তা দেওয়া হয়েছে। তাতে অবস্য চিঁড়ে ভেজেনি এতটুকু। ওয়াশিংটন দাবি করছে স্বচ্ছ তথ্য। প্রতিদ্বন্দ্বীরা বলছে মানা কঠিন।

Covid 19: খেলেই মরবে করোনা, আসছে এমন ওষুধ

covid 19

নিউজ ডেস্ক: করোনায় আক্রান্তদের জন্য তৈরি খাওয়ার ওষুধ। অপেক্ষা বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (WHO) ছাড়পত্র। এই ওষুধ খেলে মরবে করোনা। দাবি গবেষকদের। পরীক্ষায় এসেছে সাফল্য।

বিবিসি জানাচ্ছে, মোলনুপিরাভির নামের এই ওষুধ এক ধরণের ট্যাবলেট। অন্তবর্তীকালীন ক্লিনিক্যাল পরীক্ষায় দেখা গেছে, এটি ব্যবহারে করোনায় আক্রান্তদের হাসপাতালে ভর্তি ও মৃত্যুঝুঁকি অর্ধেকে নেমে আসছে।

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ওষুধ প্রস্তুতকারক প্রতিষ্ঠান মার্ক তৈরি করেছে এই ট্যাবলেট। তবে শুরুর দিকে মোলনুপিরাভিরের ট্রায়াল বন্ধ করতে বলা হয়েছিল।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের চিকিৎসা বিষয়ক উপদেষ্টা ড. অ্যান্থনি ফসি বলেছেন, ফলাফলের ব্যাপারটি খুবই ভালো খবর। বিবিসি জানাচ্ছে, মোলনপিরাভির ছাড়পত্র পেলেই এটি হবে কোভিড-১৯ ভাইরাসের বিরুদ্ধে খাওয়ার প্রথম ওষুধ।

২০২১ সালের শেষ নাগাদ এক কোটি রোগীর জন্য মোলনুপিরাভির উৎপাদন করতে পারবে বলে আশা প্রকাশ করেছে ওষুধ প্রস্তুতকারী সংস্থাটি। অনুমোদন পেলেই মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র সরকার ১২০ কোটি মার্কিন ডলার মূল্যের মোলনুপিরাভির কিনবে বলে রাজি হয়েছে।