Brazil: জানেন ব্রাজিলের সর্বকালের সেরা একাদশ কোনটি?

brazil-best

ব্রাজিল (Brazil), দক্ষিণ আমেরিকা মহাদেশের একটি দেশ। দেশটিতে রয়েছে আর্থসামাজিক ব্যাপক সংকট। তবে কোন কালেই ফুটবল খেলোয়াড়দের সংকটে ভোগেনি পাঁচ বার বিশ্বকাপ জয়ী দেশটি। ফুটবলের এই পুন্যভূমির সর্বকালের সেরা একাদশ সাজানোটা কষ্টসাধ্য এবং তা তর্কের গোড়াপত্তন করার গুণ রাখে। এসব সম্ভাবনাকে একটু আড়ালে রেখে একটা সর্বকালের সেরা একাদশ সাজানো কিন্তু যেতেই পারে।৪-৪-২ ফরমেশনে ব্রাজিলিয়ান সর্বকালের সেরা একাদশে জায়গা পাচ্ছেন না হালের ব্রাজিলিয়ান সেনসেশন নেইমার কিংবা রিভালদো, কাকা, রবিনহোরা। কারণ পারফর্মেন্স ও অর্জনের এই একাদশে খানিকটা ফিঁকে তাঁরা।

  • গোলরক্ষক: ক্লদিও তাফারেল

ব্রাজিলিয়ান ফুটবল ইতিহাসে দু’জন সেরা গোলরক্ষক অ্যালিসন বেকার ও এডারসন একই সময়ে একাদশে জায়গা করে নেবার মতো প্রতিযোগিতা বেশ বিরল। তবে সেরাদের সেরা গোলরক্ষক কে? – এমন প্রশ্নের জবাবে নাম আসবে ক্লদিও তাফারেলের।ব্রাজিলিয়াল ফুটবলের পেনাল্টি শ্যুট আউটের বেশ ক’বারের হিরো এই ক্লদিও তাফারেল। ১৯৮৫ সালে শুরু করা ফুটবল ক্যারিয়ারের ইতি টানেন ২০০৩ সালে। দীর্ঘ আঠারো বছরের ক্যারিয়ারে ব্রাজিলের হয়ে জিতেছেন ১৯৯৪ এর বিশ্বকাপ। এছাড়াও ১৯৮৯ ও ১৯৯৭ কোপা আমেরিকা জয়ের পেছোনোও গুরুত্বপূর্ন ভুমিকা রেখেছেন গোলবারের অতন্দ্র প্রহরী ক্লদিও তাফারেল।

  • রক্ষণভাগ: কাফু- ডাহলমা সান্তোস- লুসিও- রবার্তো কার্লোস

নি:সন্দেহে ব্রাজিলিয়ান রক্ষণ ইতিহাসে সেরা দুই ফুলব্যাক কাফু এবং কার্লোস। ব্রাজিল জাতীয় দলের অবিচ্ছেদ্য এই দুই ফুলব্যাক খেলেছেন একই সময়ে। দু’জনে মিলে জাতীয় দলের হয়ে জিতেছেন দুইটি বিশ্বকাপ, দুইটি কোপা আমেরিকা ও একটি কনফেডারেশন কাপ।কার্লোস আর কাফুর ওভারল্যাপিং শৈলী ফুটবলে এনে দিয়েছিল নতুন মাত্রা। কার্লোস ছিলেন আক্রমনাত্মক অন্যদিকে কাফুর চেষ্টা ছিলো খেলাতে ভারসাম্য রক্ষা করা। রক্ষণ ও আক্রামণে সমান তালে নিজের অবদান রেখে জেতেন কাফু। তাঁদের পিনপয়েন্ট ক্রসগুলো ছিল প্রতিপক্ষের জন্য বিষ মিশ্রিত এক একটি তীর। আর কার্লোসের ‘বানানা’ ফ্রি-কিক গুলো ছিল দৃষ্টি নন্দন, অকল্পনীয় ও অভাবনীয়!ডাহলমা সান্তোস মূলত ছিলেন রাইটব্যাক। কিন্তু তাঁর সেন্টারব্যাকে খেলতে পারার দক্ষতাও প্রশংশনীয়। তিনি তাঁর ক্যারিয়ারে চার বিশ্বকাপে অংশ নিয়ে জিতেছেন ১৯৫৮ ও ১৯৬২ এর বিশ্বকাপ। তাঁর শারীরিক গঢ়ন তাঁর পারফর্মেন্স বৃদ্ধিতে সহয়তা করেছে বহুগুণে।সবচেয়ে মজাদার বিষয় তিনি তিনবার বিশ্বকাপ অলস্টার দলে জায়গা করে নিয়েছিলেন। এমন কৃতিত্বের ভাগিদার শুধু জার্মানির ফিলিপ লাম ও ফার্ঞ্চ বেকেনবাওয়ার।২০০২ বিশ্বকাপ জয়ী দলের অন্যতম সদস্য ছিলেন লুসিও। তিনি রক্ষণ আগলে রেখেছেন চৌকস সিপাহির মতো। তাঁর ১০১ ম্যাচের জাতীয় দল ক্যারিয়ারে এক বিশ্বকাপের পাশাপাশি লুসিওর ঝুলিতে আছে দু’টি কনফেডারেশন কাপ ট্রফি।

  • মধ্যমাঠ: রোনালদিনহো-কার্লোস দুঙ্গা-জিকো-গ্যারিঞ্চা

৪-৪-২ ডাইনামিক ফরমেশনে ডিফেন্সিভ মিডফিল্ডার হিসেবে দুঙ্গা ‘অটোচয়েজ’ এই দলে। তিনি তাঁর সাবলীল পার্ফরমেন্সে ও নেতৃত্বে ১৯৯৪ বিশ্বকাপ শিরোপা জিতিয়েছিলেন ব্রাজিল জাতীয় দলকে।এছাড়াও ১৯৯৭ এর কোপা আমেরিকা জয়ে ব্রাজিলের অধিনায়কও ছিলেন দুঙ্গা। তাঁর নেতৃত্ব দেবার গুণ সর্বকালের সেরা একাদশের দলনেতা বানাবে নির্দ্বিধায়, সেটা তাঁর নেতিবাচক ফুটবল খেলার ধরণটা মাথায় রেখেই।অ্যাটাকিং মিডফিল্ডে জিকোর জুড়ি মেলা ভার। তাছাড়া প্লে মেকিং এর গুরু দায়িত্ব তাঁর উপরেই বর্তায়। তিনি তাঁর ক্যারিয়ারে সর্বদা ছিলেন নি:স্বার্থ। বল বানিয়ে ফরোয়ার্ডদেরকে গোল করাতে তাঁর তুলনা মেলা ভার। খেলোয়াড়ি জীবনে এই পজিশনেই খেলেছেন জিকো।গোল করানোর পাশাপাশি ব্রাজিলের হয়ে ৭১ ম্যাচে গোল করেছেন ৪৮ টি এবং দখল করে আছেন জাতীয় দলের হয়ে সেরা গোলদাতার পঞ্চম স্থান।রাট উইং কিংবা, রাইট মিডফিল্ডে অর্থাৎ মধ্যমাঠের ডান দিকটায় থাকবেন গ্যারিঞ্চা। অধিকাংশ ফুটবল বোদ্ধাদের মতে তিনি ছিলেন ইতিহাসের অন্যতম সেরা ড্রিবলার। তাঁর সূক্ষ্ণ দৃষ্টি প্রতিপক্ষ দূর্গে ছেঁদ করতে সক্ষম। তিনি ছিলেন ব্রাজিলের ১৯৫৮ ও ১৯৬২ বিশ্ব শিরোপা জয়ের অন্যতম কারিগর।গারিঞ্চার যোগ্য সঙ্গী হতে পারেন রোনালদিনহো। কম্প্যাক্ট খেলোয়াড় রোনালদিনহো। তিনি তাঁর ফুটবল শৈলীতের মুগ্ধ করেছেন পুরো ফুটবল বিশ্বকে। তিনি তাঁর ক্যারিয়ারে ছুঁয়ে দেখেছেন সবগুলো মেজর ট্রফি। মাঠের বাম দিকটা থেকে আক্রমণ সংগঠনের কাজটা তাঁর কাঁধে অর্পণ করাই শ্রেয়।

  • আক্রমণভাগ: পেলে-রোনালদো

ব্রাজিল ফুটবল ইতিহাসে সেরা দুইজন স্ট্রাইকার পেলে এবং রোনালদো। কোন রকমের তর্ক ছাড়াই যে কেউ তাদেরকে বেছে নেবেন নিজেদের করা সেরা একাদশে। রোনালদো তাঁর খেলোয়াড়ি জীবনে ব্রাজিলের হয়ে করেছেন ৬২ গোল আর জিতেছেন বিশ্বকাপ। ব্যক্তিগত অর্জন হিসবে তাঁর ঝুলিতে রয়েছে গোল্ডেন বুট এবং গোল্ডেন বল। তাঁর মতো ধূর্ত ও পরিশ্রমী একজন স্ট্রাইকার যেকোন দলের প্রথম চাহিদা।পেলে ছিলেন পুরো বিশ্ব প্রথম স্পোর্টস আইকন। তিনি তাঁর ক্যারিয়ারে জিতিছেন তিন তিনটি বিশ্বকাপে। তাঁরমধ্যে ১৯৫৮ এর এর বিশ্বকাপে তাঁর পার্ফরমেন্স অবিস্মরণীয় হয়ে রইবে চিরকাল।এই দল নিয়ে অনেক তর্ক-বিতর্ক হতে পারে, ভিন্নমতও থাকতে পারে। তবে এদেরকে বাদ দিয়ে সেরাদের সেরা একাদশ সাজানো যাবে না কিংবা সাজানো গেলেও তা সকলের মনঃপূত হবে না।

সংবাদটি বিস্তারিত পড়তে ক্লিক করুন Brazil: জানেন ব্রাজিলের সর্বকালের সেরা একাদশ কোনটি?

Football: জানেন টোটাল ফুটবল কী! এই ফুটবলের জনক কে?

total-football

আধুনিক ফুটবলের যাত্রা শুরু হয় ১৮৭০ সালের দিকে। শুরু দিকের দিনগুলোতে ফুটবলের (Football) মাঠের ট্যাক্টিস কিংবা ফরমেশন ছিলো খুবই অদ্ভুদ ধরণের!ছোটবেলায় আমরা পাড়ায় ফুটবল খেলতে নামলে যেমন সবাই একসাথে স্ট্রাইকার হয়ে যেতাম, প্রতিপক্ষের কাছে বল গেলেই যেভাবে সবাই মিলে একসাথে বল কেড়ে নেওয়ার চেস্টা করতাম, তখনকার দিকের ট্যাক্সিসও ছিলো অনেকটা এমন!ছিলো ১-২-৭, ২-২-৬ কিংবা ২-৩-৫ এর মত অদ্ভুত সব ফরমেশন!

এরপর কালের বিবর্তনে মাস্টারমাইন্ড কোচরা আনতে থাকের একের পর এর বিখ্যাত ট্যাক্টিস! অইসব ট্যাক্টিসের আবার কাউন্টার ট্যাক্টিস নিয়ে আসেন অন্য আরেকজন মাস্টারমাইন্ড! এভাবে দিনকেদিন ফুটবল হয়ে উঠে আরো বেশি প্রতিযোগিতামূলক, আকর্ষণীয় এবং উপভোগ্য!তবে ফুটবলের সবচেয়ে প্রোডিজিয়াস এবং সারপ্রাইজিং ট্যাক্সিস বলা হয় ‘টোটাল ফুটবল’ কে! ১৯০০ সালের দিকে যার ভিত গড়ে দিয়ে গিয়েছিলেন আয়াক্সের কোচ ‘জ্যাক রেনল্ডস’, পরবর্তীতে ৭০’ এর দশকে এর পরিপূর্নতা দেন আয়াক্সের আরেক কোচ ‘রাইনাস মাইকেলস’ এবং তারই শিষ্য ‘ইয়োহান ক্রুইফ’। 

‘রাইনাস মাইকেলসের’ আগে আরো অনেক কোচই তাদের টিমকে টোটাল ফুটবলের আদতে খেলিয়েছেন। এর মধ্যে, ৪০’ এর দশকে আর্জেন্টিনার ক্লাব রিভার প্লেট, ৫০’ এর দশকে পুস্কারের হাঙ্গেরি কিংবা ইংল্যান্ডের বার্নলি, ৬০’ এর দশকে ব্রাজিলের সান্তোস উল্লেখযোগ্য।তবে টোটাল ফুটবলের সবচেয়ে ইফেক্টিভ প্রয়োগ এবং টোটাল ফুটবলকে সবচেয়ে জনপ্রিয় করে তোলেন ‘রাইনাস মাইকেলস’ এবং ‘ইয়োহান ক্রুইফ’।৭০’ এর দশকে ‘টোটাল ফুটবল’ এর আগে ফুটবলে ছিলো ইতালীর ‘কাতানেচ্চিও’ ফুটবলের জয়জয়কার। ‘কাতানেচ্চিও’ ছিলো খুবই ডিফেন্সিভ ধরনের ফুটবল ট্যাক্টিস। “ফুটবলে ১ গোল বেশি না দিয়ে, ১ গোল কম কন্সিড করেও ম্যাচ জিতা যায়” এই লাইনটাই ছিলো ‘কাতানেচ্চিও’ ট্যাক্টিসের মূল ভিত্তি। এই ট্যাক্সিসের ফরমেশন ছিলো ৫-৩-২। যেখানে ৫ ডিফেন্ডারের মধ্যে ৪ জন প্রতিপক্ষের এট্যাকারদের ‘ম্যান টু ম্যান’ মার্কিং করে রাখতেন। বাকি ১ জন ছিলো সুইপার ডিফেন্ডার। এই ট্যাক্টিস প্রয়োগ করে ৬০’ এর দশকে ইন্টার মিলানের কোচ ‘হেরেরা’ প্রচুর সফলতা পান। কিন্তু “টোটাল ফুটবলের” জাগরণের পর “কাতানেচ্চিও” ট্যাক্টিস ব্যার্থতার মুখ দেখা শুরু করে।

“টোটাল ফুটবল” হলো এমন একধনের ট্যাক্টিস যেখানে একমাত্র ‘গোলকিপার’ ছাড়া অন্য কোনো প্লেয়ারেরই নির্দিষ্ট কোনো পজিশন থাকে না। প্লেয়াররা নিজেরদের মধ্যে অনবরত সাবলীল ভাবে পজিশন সোয়্যাপ করতে থাকে!’রাইট মিড’ উপরে উঠে গেলে ‘রাইট উইংগার’ নিচে নেমে এসে অই জায়গা কভার দেয়, ‘লেফট ব্যাক’ উপরে উঠে গেলে ‘লেফট মিড’ অই জায়গায় চলে যায়।এভাবে অনবরত একের পর এক পজিশন সোয়্যাপ করার ফলে ‘ম্যান মার্কিং’ সিস্টেম পুরো মাঠে মারা যায়!প্রতিপক্ষের ডিফেন্ডাররা কনফিউজড হয়ে যেতেন যে তারা কি পিছিয়ে যাওয়া ফরওয়ার্ডকে মার্ক করবে নাকি সামনে এগিয়ে আসা ডিফেন্ডারকে মার্ক করবে!এই কনফিউশানের সুযোগ নিয়ে আচমকাই দেখা যেতো প্রতিপক্ষের ডিবক্সের ভিতরে কোনো প্লেয়ার স্পেস পেয়ে গেছেন! ফলাফল যা হওয়ার তাই হতো, গোওওওওল! এভাবে ‘টোটাল ফুটবল’ ‘ম্যান মার্কিং ফুটবলের’ ভিতটাই নাড়িয়ে দেয়!

‘টোটাল ফুটবল’ যেমন নান্দনিক, ঠিক তেমনি অন্তত হার্ড একটা ট্যাক্টিস! এই ট্যাক্টিসে দলের সব প্লেয়ারকেই হতে হয় ভার্সেটাইল, মাঠের সব জায়গায় সমান নজর রাখতে হয়, সর্বদা স্পেস ক্রিয়েশনের চিন্তা করতে হয়! এইজন্য যেকোনো টিমই এই ট্যাক্টিস ফলো করতে পারে না!তবে টোটাল ফুটবলেরও উইক জোন আছে! ‘৭৪ এর ফাইনালে জার্মানি “ভিজিল্যান্ট ম্যান মার্কিং” করে টোটাল ফুটবলকে আটকে দিতে পেরেছিলো! বর্তমানে ‘জোনাল মার্কিং’ হলো ‘টোটাল ফুটবলের’ অন্যতম বড় শত্রু!কিন্তু “টোটাল ফুটবল” যেভাবে ‘ম্যান মার্কিং’ এর ভিত নাড়িয়ে দিয়ে বিশ্বকে সারপ্রাইজ দিয়েছিলো তা অন্য কোনো ফুটবল ফিলোসোফিই করতে পারে নি! এইজন্য টোটাল ফুটবলকে বলা হয় “দ্যি মোস্ট সারপ্রাইজিং ট্যাক্টিস অফ ফুটবল”!

সংবাদটি বিস্তারিত পড়তে ক্লিক করুন Football: জানেন টোটাল ফুটবল কী! এই ফুটবলের জনক কে?

আমাদের সুযোগ নিতে হবে: ইভান গঞ্জালেস

East Bengal tweets about Ivan Gonzalez

শুক্রবার যুবভারতী ক্রীড়াঙ্গনে ইস্টবেঙ্গল এফসির (East Bengal FC) ম্যাচ রয়েছে ওড়িশা এফসির বিরুদ্ধে। এই খেলার আগে বৃ্হস্পতিবার ইস্টবেঙ্গল এফসির ফুটবলার প্রি ম্যাচ প্রেস কনফারেন্সে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হন।

টানা চার ম্যাচ হারের পর গত শুক্রবার বেঙ্গালুরু এফসির বিরুদ্ধে ইন্ডিয়ান সুপার লিগে(ISL) ২০২২-২৩ ফুটবল সেশনে দ্বিতীয় জয় পেয়েছে ইস্টবেঙ্গল। এই জয়ের ফলে বাড়তি আত্মবিশ্বাস পেয়েছে লাল হলুদ শিবির। ঘরের মাঠ যুবভারতীতে এখনও জয় অধরা লাল হলুদ ব্রিগেডের।এই সূত্রেই এদিন ইভান গঞ্জালেস সাংবাদিককের সঙ্গে কথা বলতে গিয়ে ভক্তদের আশ্বস্ত করার উদ্দ্যেশে বলেন,”কে কতগুলো গোল করেছে তা ভেবে আমরা দলের মুখোমুখি হই না। আমরা যা করি সেটাই গুরুত্বপূর্ণ। আমরা উচু চাপ দেওয়ার চেষ্টা করি এবং খুব বেশি ভুল করি না। আমাদের সুযোগ নিতে হবে।”

সুনীল ছেত্রীদের বিরুদ্ধে জয়ের রাস্তায় ফিরে আসার আগের মুহুর্তেও ইস্টবেঙ্গল সমর্থকরা দলের পারফরম্যান্সের পাশাপাশি কোচ স্টিফেন কনস্টাটাইনের ফুটবল স্ট্র‍্যাটেজি নিয়ে অনেক প্রশ্ন তুলেছে।তাই ওড়িশা এফসির বিরুদ্ধে ম্যাচে তিন পয়েন্ট পাখির চোখ ইস্টবেঙ্গল স্কোয়াডের এমন বার্তা সমর্থকদের সামনে রাখতেই ইভানের প্রি ম্যাচ প্রেস মিটে এমন মন্তব্য।

সংবাদটি বিস্তারিত পড়তে ক্লিক করুন আমাদের সুযোগ নিতে হবে: ইভান গঞ্জালেস

কাঠগড়ায় স্টিফেন: রক্ষণাত্মক কোচের তকমা মানতে নারাজ কনস্টাটাইন

Stephen Constantine

শুক্রবার ইস্টবেঙ্গল এফসি খেলতে নামছে ওড়িশা এফসির বিরুদ্ধে যুবভারতী ক্রীড়াঙ্গনে।চলতি ইন্ডিয়ান সুপার লিগে(ISL) এখনও পর্যন্ত ৬ ম্যাচের মধ্যে চারটে খেলাতেই হেরেছে লাল হলুদ শিবির এবং দু’ম্যাচ জিতেছে। স্বভাবত, লাল হলুদ ভক্তরা কোচ স্টিফেন কনস্টাটাইনের (Stephen Constantine) ফুটবল বোধ নিয়ে, তার রক্ষণাত্মক কোচিং স্টাইলকে কাঠগড়ায় তুলেছে।

ওড়িশা ম্যাচের আগে অকপট ইস্টবেঙ্গল এফসি হেডকোচ স্টিফেন কনস্টাটাইন। ইস্টবেঙ্গল দলে তার রক্ষণাত্মক কোচিং স্টাইলকে কাঠগড়ায় তোলা প্রসঙ্গে অত্যন্ত চাঁছাছোলা ভাষাতে ভক্তদের সামনে নিজের বক্তব্য রেখে বলেন,”আমি কোন দলের কোচ, সেটা আগে দেখতে হবে। কী ধরনের দল তারা? “এর ব্যাখা প্রসঙ্গে কনস্টাটাইন বলেন,”এর আগে যে ক্লাব দলের কোচ আমি ছিলাম, সেই পাফোস এফসি-র (সাইপ্রাস) কোচের দায়িত্ব যখন নিই, তখন সেই ক্লাব অবনমনের দোরগোড়ায় দাঁড়িয়ে। আমি তার কয়েক মাস আগে থেকে স্পোর্টিং ডিরেক্টর হিসেবে ওদের সঙ্গে কাজ করছিলাম, তাই ওদের দলটা সম্পর্কে জানতাম। আমি দায়িত্ব নেওয়ার পরে আমরা ক্লাবের ইতিহাসে সবচেয়ে বেশি গোল করি সে বার। ১৮টির মধ্যে ১২টি ম্যাচে জিতি। অবনমন এড়িয়ে শেষ পর্যন্ত দ্বিতীয় গ্রুপের এক নম্বর দল হিসেবে শেষ করি। ওদের সবার আগে বলি, আর যাই করো গোল খাওয়া চলবে না।”

লাল হলুদের বৃটিশ কোচ কনস্টাটাইন নিজের সম্পর্কে ওঠা রক্ষণাত্মক কোচিং স্টাইলের অভিযোগকে নস্যাৎ করে দিয়ে বলেন,” রক্ষণ সে রকমই আঁটোসাঁটো রাখতে হবে। তার পরে জেতার জন্য ঝাঁপাও। হায়দরাবাদ এফসি-কে দেখুন। ওরা শেষ চারটি ম্যাচ জিতেছে ১-০-য়। যে কোনও ভাল দলই এটা করে থাকে। আগে ঘর সামলে তার পরে আক্রমণে ওঠার নীতি অনুসরণ করে থাকে। ভারতীয় দলের কথাই ধরুন। আমরা ইরান, জাপান, জর্ডন, চিনের বিরুদ্ধে খেলেছি। ওরা আমাদের চেয়ে ভাল দল ছিল। তাই নিজেদের রক্ষণ গুছিয়ে খেলতে হয়েছে। কিন্তু এর মানে এই নয়, আমি রক্ষণাত্মক মনোভাবাপন্ন।”

এখানে থেমে না থেকে অনেকটা সাফাই গাওয়ার ঢঙে লাল হলুদের বৃটিশ কোচ বলেন,”আমার কোচিংয়ে পাফোস এফসি যথেষ্ট আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলেছিল এবং প্রচুর গোলও করেছিল। এটা আসলে পরিস্থিতির ওপর নির্ভর করে। ভারতে আমি কখনওই ফুটবলারদের বলিনি তোমরা বল পেলেই তা আকাশে উড়িয়ে দাও। বরং বলেছি, যখন তোমরা চাপে পড়বে, অথচ কিছু করার নেই, তখন আগে চাপ কাটানোর ব্যবস্থা করো। বেশি চালাকি করতে গিয়ে গোল খাওয়ার চেয়ে সেটা অনেক ভাল।”

বেঙ্গালুরু এফসির বিরুদ্ধে জয়ের আগে চার ম্যাচ লাগাতার হেরেছিল ইস্টবেঙ্গল এফসি।ওই চার ম্যাচে হারের মূল্যায়ন প্রসঙ্গ উঠে আসে কোচ স্টিফেন কনস্টাটাইনের কথাতে। তিনি বলেন,”ইস্টবেঙ্গলে আমরা অনেক ভাল পারফরম্যান্স দেখিয়েছি। এটিকে মোহনবাগানের বিরুদ্ধে প্রথমার্ধে আমরাই খেলেছি। সুযোগগুলো কাজে লাগাতে পারলে ম্যাচটা অন্যরকম হত। চেন্নাইনের বিরুদ্ধে দু-তিনটে গোলের সুযোগ হাতছাড়া হয়েছে। এ সবই আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলেছি বলেই।”

রেড এন্ড গোল্ড ব্রিগেডের হাল ধরার মুহুর্ত থেকেই কনস্টাটাইন বলে আসছেন,”দলটা নতুন,নতুন সেটআপ,উন্নতির জন্য ধৈহ্য ধরতে হবে।” চলতি ISL টুর্নামেন্টে ৬ ম্যাচের মধ্যে চারটে ম্যাচ হেরেছে এবং ২ টো গেম জিতেছে।এমন অবস্থাতে ISL পয়েন্ট টেবলে শেষ ছয়ের লড়াইতে থাকতে চাওয়ার ভিশন ঘুরিয়ে ফিরিয়ে সেই ‘রক্ষণাত্মক কোচের তকমা’ স্বীকার করে নেওয়া ইস্টবেঙ্গল এফসি হেডকোচ স্টিফেন কনস্টাটাইনের।

সংবাদটি বিস্তারিত পড়তে ক্লিক করুন কাঠগড়ায় স্টিফেন: রক্ষণাত্মক কোচের তকমা মানতে নারাজ কনস্টাটাইন

ওড়িশা এফসি ম্যাচের আগে বিস্ফোরক কোচ স্টিফেন কনস্টাটাইন

East Bengal FC coach Stephen Constantine

শুক্রবার যুবভারতী ক্রীড়াঙ্গনে ইস্টবেঙ্গল এফসির (East Bengal FC) খেলা রয়েছে। প্রতিপক্ষ ওড়িশা এফসির বিরুদ্ধে মাঠে নামার আগে বৃ্হস্পতিবার ইস্টবেঙ্গল এফসি হেডকোচ স্টিফেন কনস্টাটাইন প্রি ম্যাচ প্রেস কনফারেন্সে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হন।

টানা চার ম্যাচ হারের পর চলতি ইন্ডিয়ান সুপার লিগ (ISL) দ্বিতীয় জয় পেয়েছে ইস্টবেঙ্গল। বেঙ্গালুরু এফসির বিরুদ্ধে এই জয়ের আগের মুহুর্তেও প্রিয় দলের হারের জেরে কোচ কনস্টাটাইনের ফুটবল দর্শন নিয়ে ভক্তরা একের পর এক প্রশ্নবাণে বিদ্ধ করেছিল লাল হলুদের বৃটিশ কোচকে। সামনে আবার একটা ম্যাচ।কনস্টাটাইন ভালো মতই জানেন খেলার রেজাল্ট লাল হলুদ ভক্তদের মনের মতো না হলে আবার সমালোচনা শুরু হয়ে যাবে।  প্রসঙ্গে কনস্টাটাইনের প্রতিক্রিয়া, “আমি এখানে জনপ্রিয়তার প্রতিযোগিতা জিততে আসিনি। দলের ছেলেদের ফুটবল ম্যাচে সফল হতে সাহায্য করতে এসেছি।”

টুর্নামেন্টে ঘরের মাঠে রেন্ড এন্ড গোল্ড ব্রিগেড এখনও জয়ের মুখ দেখেনি।দুটো ম্যাচ জিতেছে হোম টিমের বিরুদ্ধে তাদের ঘরের মাঠে।কিন্তু নিজেদের ঘরের মাঠ যুবভারতীতে জয়ের ভাঁড়ার শূণ্য। তাই ভক্তদের প্রত্যাশা স্বাভাবিক ঘরের মাঠে উইনিং ট্র‍্যাকে ফিরুক লেসলি ক্লডিয়াস সরণির ক্লাব।

সংবাদটি বিস্তারিত পড়তে ক্লিক করুন ওড়িশা এফসি ম্যাচের আগে বিস্ফোরক কোচ স্টিফেন কনস্টাটাইন

তিন পয়েন্টকে পাখির চোখ করে পঞ্চকুলায় উড়ে গেল টিম মহামেডান

Mohammedan SC

আইলিগে নিজেদের প্রথম ম্যাচ গোকুলাম কেরালা এফসির কাছে ১-০ গোলে হেরে গিয়েছে মহামেডান স্পোটিং ক্লাব (Mohammedan SC)। সাদা কালো শিবির লিগের দ্বিতীয় ম্যাচ খেলতে বৃ্হস্পতিবার উড়ে গেল পঞ্চকুলাতে।

আইলিগে মহামেডান স্পোটিংর দ্বিতীয় ম্যাচ রাউন্ড গ্লাস পাঞ্জাবের বিরুদ্ধে, আগামী রবিবার,খেলা শুরু হবে বিকেল ৪.৩০ মিনিটে। অন্যদিকে,সাদা কালো শিবিরের কাছে স্বস্তির খবর যে মার্কাস জোসেফ ম্যাচ ফিট।বাজি রাউট কাপে চোট পাওয়াতে আইলিগের প্রথম ম্যাচে সেখ ফৈয়াজ সাদা কালো শিবিরের অধিনায়কের দায়িত্ব পালন করে।

দেশ স্বাধীন হওয়ার পর ব্যাক টু ব্যাক দুবার কলকাতা লিগ চ্যাম্পিয়ন মহামেডান এসসি।লিগে মহামেডান দুরন্ত পারফরম্যান্স করলেও আইলিগ ২০২২-২৩ সেশনে এখনও জয় অধরা আন্দ্রে চেরনশিভের স্কোয়াডে। সাদা কালো শিবিরের সমর্থকরা চাইছে দ্বিতীয় ম্যাচে প্রিয় দল উইনিং ট্র‍্যাকে ফিরে আসুক। আর উইনিং ট্র‍্যাকে ফিরে আসতে হলে নিজেদের স্বাভাবিক খেলাটা খেলতে হবে ব্ল্যাক প্যাহ্নর্সদের।

সংবাদটি বিস্তারিত পড়তে ক্লিক করুন তিন পয়েন্টকে পাখির চোখ করে পঞ্চকুলায় উড়ে গেল টিম মহামেডান

T20 World Cup: ভারতের ব্যর্থতার কয়েকটি দিক তুলে ধরলেন ভারতের প্রাক্তন এই খেলোয়াড়

Anil Kumble

টি-২০ বিশ্বকপের (T20 World Cup) সেমিফাইনাল থেকে বিদায় নিতে হয়েছে ভারতীয় দলকে। ইংল্যান্ডের কাছে ১০ উইকেটে হেরেছিল রোহিত শর্মা, বিরাট কোহলিরা। এরপর থেকে দলের পারফরম্যান্স নিয়ে চলছে কাঁটাছেড়া। বিভিন্ন ধরনের মন্তব্য দিচ্ছেন প্রাক্তন ক্রিকেটাররা। আর এবার ভারতীয় দল নিয়ে মুখ খুললেন অনিল কুম্বলে (Anil Kumble)। এক সাক্ষাৎকারে কুম্বলে বলেন, টি-২০-র জন্য ছোট ফর্ম্যাটে বিশেষজ্ঞ ক্রিকেটারদের খেলাতে হবে।

এদিন এক সাক্ষাৎকারে ভারতের প্রাক্তন কোচ বলেন, ” দলকে দুটো ভাগে ভাগ করে দিতে হবে। টি-২০ জন্য ছোট ফর্ম্যাটে বিশেষজ্ঞ ক্রিকেটারদের খেলাতে হবে। তা হলে ক্রিকেটাররাও নিজেদের ভূমিকা সম্পর্কে নিশ্চিত হবে।”এখানেই না থেমে কুম্বলে বলেন,” ইংল্যান্ড এবং অস্ট্রেলিয়াকে দেখে ভারতের শেখা উচিত। ওরা যে ভাবে টি-২০ অলরাউন্ডারদের উপর জোর দিয়েছে সেটা ভারতেরও করা উচিত। ইংল্যান্ডের হয়ে লিয়াম লিভিংস্টোন সাত নম্বরে ব্যাট করতে নামছে। অত নীচে ওর মানের ব্যাটার অন্য কোনও দলে নেই। মার্কাস স্টোইনিসও অস্ট্রেলিয়ার হয়ে ছ’নম্বরে নামে। এরকম দল ভারতকেও তৈরি করতে হবে। অলরাউন্ডারের দিকে নজর দিতে হবে। আমার মনে হয় ভবিষ্যতে সব দলকেই এটা করতেই হবে। আলাদা আলাদা ফরম্যাটের জন্য আলাদা আলাদা বিশেষজ্ঞ ক্রিকেটারদের খেলাতে হবে। ইংল্যান্ড ইতিমধ্যেই সেই কাজ অনেকটা করে ফেলেছে। তার ফল তারা পাচ্ছে। বাকি দলগুলিকেও ওদের দেখে শিখতে হবে।”

তবে দল ভাগ করার উপদেশ দিলেও, অধিনায়ক বা কোচ বদলের কথায় পক্ষপাতী নন কুম্বলে। এই নিয়ে তিনি বলেন,”আমি জানি না অধিনায়ক বা কোচ বদলের কোনও দরকার রয়েছে কি না। এটা নির্ভর করছে দলে কোন ক্রিকেটাররা রয়েছে তার উপর। সেই ক্রিকেটারদের দেখে ঠিক করতে হবে, নেতৃত্বের দায়িত্ব কাকে দিতে হবে।” বিশ্বকাপের ফাইনালে পাকিস্তানকে ৫ উকেটে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন হয়েছে ইংল্যান্ড।

সংবাদটি বিস্তারিত পড়তে ক্লিক করুন T20 World Cup: ভারতের ব্যর্থতার কয়েকটি দিক তুলে ধরলেন ভারতের প্রাক্তন এই খেলোয়াড়

মদ্যপান ও নকল দর্শকদের বাড়াবাড়ি, বিশ্বকাপ শুরুর আগে বিতর্কে মোড়া কাতার

Controversy over alcoholism and fake spectators ahead of World Cup in Qatar

ফুটবল বিশ্বকাপ (World Cup) শুরু হতে এক সপ্তাহও বাকি নেই। মেগা টুর্নামেন্ট এগিয়ে আসার সঙ্গে সঙ্গেই একের পর এক সমস্যা দেখা দিচ্ছে কাতারে। সেদেশের রক্ষণশীল সমাজ ব্যবস্থার ফলে ফুটবলপ্রেমীদের উপরে নানা বিধিনিষেধ চাপানো হচ্ছে। এমনকি কিভাবে চলাফেরা করতে হবে, তা নিয়েও একাধিক নির্দেশিকা জারি করেছে কাতারের প্রশাসন।

অন্যদিকে, নকল সমর্থক ভাড়া করার অভিযোগ উঠেছে কাতারের বিরুদ্ধে।নকল সমর্থকদের বিষয়টি ঠিক কী? নানা দেশ থেকে জীবিকার সন্ধানে প্রচুর মানুষ কাতারে যান। বিশ্বকাপের সময়ে বাড়তি উপার্জনের জন্য এক অভিনব উপায় বের করেছেন তাঁরা। টাকার বিনিময়ে সমর্থক সেজে বিভিন্ন দেশের ফুটবল দলের হয়ে গলা ফাটাচ্ছেন। নানা রঙের জার্সি পরে, গালে পতাকা এঁকে অবিকল ফুটবল প্রেমী হয়ে সেজে উঠছেন কাতারের মানুষ। যে কোনও দলই হোক না কেন, টাকা পেলে সকলের হয়ে সমর্থকের কাজ করছেন তাঁরা।

আয়োজকদের সঙ্গে চুক্তি করেই এহেন ব্যবস্থা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। নকল সমর্থকদের কয়েকজন জানিয়েছেন, বিশ্বকাপের আয়োজকরাই তাঁদের সঙ্গে যোগাযোগ করেছেন। বিদেশ থেকে কাতারে আসা ফুটবল সমর্থকরা যেন কাতারের মানুষের সঙ্গে মিশে যেতে পারেন, সেই জন্যই নাকি এমন পদক্ষেপ করেছেন বিশ্বকাপের আয়োজকরা। এই নকল সমর্থকদের একটা বড় অংশ ভারতীয়, এমনটাই জানা যাচ্ছে। কাতারে গিয়ে শ্রমিকের কাজ করেন প্রচুর ভারতীয়।

তাই নানা দেশের সমর্থক সেজে বাড়তি উপার্জন করছেন তাঁরা। কাতারে মদ্যপান নিষিদ্ধ। তবে বিশ্বকাপের কথা মাথায় রেখে এই নিয়মে সামান্য কিছু পরিবর্তন করা হয়েছে। অত্যধিক দাম দিয়ে একটি নির্দিষ্ট সংস্থার বিয়ারই কিনতে হবে সমর্থকদের। ভারতীয় মুদ্রায় প্রায় হাজার টাকা দিয়ে ৫০০ এমএল বিয়ার কিনতে হবে। শুধুমাত্র স্টেডিয়াম ও বিদেশি সমর্থকদের হোটেলেই বিয়ার কিনতে পাওয়া যাবে। ২১ বছর বয়সের প্রমাণ দিতে না পারলে বিয়ার কেনা যাবে না। একসঙ্গে চার বোতলের বেশি বিয়ার কিনতে পারবেন না বিদেশি সমর্থকরা।

শুধু বিয়ার নয়, জল কিনতে গেলেও প্রচুর টাকা খরচ করতে হবে। মাত্র ৫০০ এমএল জলের দাম প্রায় দু’শো টাকা। তাছাড়া, প্রকাশ্যে মহিলাদের জড়িয়ে ধরতে পারবেন না কোনও ব্যক্তি। শুধুমাত্র হাত ধরে হাঁটার অনুমতি দেওয়া হয়েছে। প্রিয় দলের জয় উদযাপন করতে জামা খুলতে পারবেন না সমর্থকরা। কোনও ব্যানার নিয়ে স্টেডিয়ামে ঢুকতে গেলে আগে থেকে অনুমতি নিতে হবে। সব মিলিয়ে, বিশ্বকাপ দেখতে যাওয়ার আগেই একগুচ্ছ নিষেধাজ্ঞা মাথায় রাখতে হবে ফুটবলপ্রেমীদের।

সংবাদটি বিস্তারিত পড়তে ক্লিক করুন মদ্যপান ও নকল দর্শকদের বাড়াবাড়ি, বিশ্বকাপ শুরুর আগে বিতর্কে মোড়া কাতার

ইস্টবেঙ্গলের বিরুদ্ধে তিন পয়েন্ট পাখির চোখ ওড়িশা এফসির

Odisha FC

‘ইস্টার্ন ড্রাগনর্স’রা ইস্টবেঙ্গল এফসিকে (East Bengal) মোকাবিলা করতে কলকাতায় রওনা দিয়েছে কারণ তারা তিন পয়েন্ট নিয়েই ঘরে ফিরে আসতে চাইছে। ইস্টবেঙ্গল এফসির বিরুদ্ধে খেলার জন্য বিকেলে কলকাতায় উড়ে এসেছে ওড়িশা এফসি টিম। জোসেপ গোম্বাউ এবং কার্লোস ডেলগাডো সল্টলেক স্টেডিয়ামে আগামীকাল বিকেলে প্রি ম্যাচ প্রেস কনফারেন্সে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হতে চলেছেন।

বুধবার, ওড়িশা এফসি নিজেদের অফিসিয়াল টুইটার হ্যান্ডেলে একটি টুইট পোস্ট করে ক্যাপসনে লিখেছে,” পরবর্তী @IndSuperLeague ম্যাচের আগে, @OdishaFC খেলোয়াড়রা তাদের হোম গ্রাউন্ডে @eastbengalfc-এর সাথে কঠিন লড়াই করার জন্য অনুশীলনে ঘাম ঝরিয়েছে।
#AmaTeamAmaGame #HeroISL ” এর আগেও ওড়িশা নিজেদের অফিসিয়াল টুইটার হ্যান্ডেলে ইস্টবেঙ্গল এফসির বিরুদ্ধে ম্যাচ নিয়ে টুইট পোস্টে জানিয়েছিল,তারা ১০০% তৈরি ইস্টবেঙ্গলের বিরুদ্ধে খেলার জন্য।

ইন্ডিয়ান সুপার লিগে ওড়িশা এফসি নিজেদের শেষ ম্যাচ হায়দরাবাদ এফসির কাছে ১-০ গোলে হেরে গিয়েছে।ফলে লাল হলুদ ব্রিগেডের বিরুদ্ধে ম্যাচে তিন পয়েন্ট যে তাদের পাখির চোখ এটা বলার অপেক্ষা রাখেনা।

উল্লেখ্য যে,এই মাসের শুরুতে হায়দরাবাদ এফসির বিরুদ্ধে পরাজয়ের পরে জুগারনটসেরা ম্যাচে ফিরে আসার চেষ্টা করে। হারের পরও, নিজেদের আসন্ন খেলায় জোসেপ গোম্বাউ’র ছেলেরা বাউন্স ব্যাক করে ৩ পয়েন্ট নিয়ে ঘরের মাটিতে পা রাখতে চাইবে।
ইস্টবেঙ্গল এফসি তাদের শেষ আউটে বেঙ্গালুরু এফসির বিরুদ্ধে একটি নিশ্চিত জয় পেয়েছে। ৬৯ মিনিটে ক্লিটন সিলভা গোল করে রেড অ্যান্ড গোল্ড ব্রিগেডের তিন পয়েন্ট নিশ্চিত করেছে।

সংবাদটি বিস্তারিত পড়তে ক্লিক করুন ইস্টবেঙ্গলের বিরুদ্ধে তিন পয়েন্ট পাখির চোখ ওড়িশা এফসির

প্রয়াত প্রাক্তন ভারতীয় ফুটবলারের স্মরণে ইস্টবেঙ্গল

Priya Lal Majumder

গত মঙ্গলবার, সকাল ৮.১৫ মিনিটে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন ১৯৭০-৭১ সালে ইরানের তেহরানে অনুষ্ঠিত এশিয়ান কাপে ভারতীয় দলের প্রতিনিধিত্ব করা প্রাক্তন জাতীয় দলের ফুটবলার প্রিয় লাল মজুমদার (Priya Lal Majumder)। গতকালই প্রয়াত প্রাক্তন এই ফুটবলারের শেষকৃত্য সম্পন্ন হয়েছে।বুধবার, ইস্টবেঙ্গল এফসি নিজেদের অফিসিয়াল টুইটার হ্যান্ডেলে দেশের প্রাক্তন ফুটবলার প্রিয় লাল মজুমদারের স্মরণে একটি আবেগঘন টুইট পোস্ট করেছে।

ওই টুইট পোস্টের ক্যাপসনে লেখা,”আমরা, ইস্ট বেঙ্গল এফসি-তে, আমাদের প্রাক্তন মিডফিল্ডার প্রিয়লাল মজুমদারের মৃত্যুতে শোকাহত, যিনি গতকাল 79 বছর বয়সে মারা গেছেন।
আমাদের চিন্তা তার পরিবার এবং বন্ধুদের সঙ্গে.
#জয়ইস্টবেঙ্গল “ছয়’র দশকের গোড়ায় বিএনআর টিমের হয়ে খেলেন। চার বছর পর ১৯৬৮’তে তাঁর গায়ে ওঠে লাল হলুদ জার্সি। এক বছর ইস্টবেঙ্গল ক্লাবে খেলার পর ১৯৬৯- ১৯৭৩ তিনি ছিলেন মোহনবাগান দলে।

প্রসঙ্গত,জাতীয় দলের প্রয়াত ফুটবলার প্রিয় লাল মজুমদার গত পাঁচ বছর ধরে আলঝাইমার্স জনিত অসুস্থতায় ভুগছিলেন।শেষ নয় মাস একেবারে শয্যাশায়ী ছিলেন তিনি।চলতি মাসের শুরু থেকে গুরুতর অসুস্থ অবস্থায় পিজি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন। ৭৯ বছরে মঙ্গলবার সব লড়াই শেষ হয়ে গেল ভারতীয় দলের প্রাক্তন ফুটবলার প্রিয় লাল মজুমদারের।তাঁর মৃত্যুতে ভারতীয় ফুটবল সার্কিটে এক বিশাল শূণ্যতা তৈরি হয়েছে,যা কখনও পূরণ করা যাবে না।

সংবাদটি বিস্তারিত পড়তে ক্লিক করুন প্রয়াত প্রাক্তন ভারতীয় ফুটবলারের স্মরণে ইস্টবেঙ্গল

ওড়িশা এফসি ম্যাচের আগে ইভান গঞ্জালেসের ‘বিস্ফোরক’ ভিডিও বার্তা

Ivan Gonzales

আগামী শুক্রবার, ঘরের যুবভারতী ক্রীড়াঙ্গনে খেলতে নামছে ইস্টবেঙ্গল এফসি,প্রতিপক্ষ ওড়িশা এফসি। ইতিমধ্যে এই ম্যাচের অনলাইন এবং অফলাইন টিকিট দেওয়া শুরু হয়ে গিয়েছে।

এই ম্যাচ দেখতে লাল হলুদ ভক্তরা যাতে দলবেঁধে বেশি বেশি করে মাঠে আসে এই কারণে ইস্টবেঙ্গল এফসি টিম নিজেদের অফিসিয়াল টুইটার হ্যান্ডেলে একটি সংক্ষিপ্ত সময়ের টুইট ভিডিও আপলোড করেছে।ওই টুইট ভিডিওতে ফুটবলার ইভান গঞ্জালেসকে সমর্থকদের উদ্দ্যেশে বলতে শোনা গিয়েছে,”হে বন্ধুরা…আমরা শুক্রবার ওড়িশা এফসির বিরুদ্ধে খেলতে নামবো,অনলাইন এবং অফলাইন টিকিট কেটে স্টেডিয়ামে চলে আসো।”

প্রসঙ্গত, শুক্রবার ইস্টবেঙ্গল বনাম ওড়িশা এফসির মধ্যে যে খেলা রয়েছে ওই ম্যাচের টিকিট ইতিমধ্যেই শহরের নির্দিষ্ট কয়েকটা জায়গা থেকে দেওয়া হচ্ছে।

খেলার অফলাইন টিকিট পাওয়া যাচ্ছে ফ্রাঙ্ক রস সেন্টারের গড়িয়াহাট, রাজডাঙা নবপল্লী (কসবা),ইটলগাছা (দমদম),সিআইটি রোড, দমদম মেট্রোর বিপরীতে,স্টারমার্ক (মনিস্কোয়ার মল),ইস্টবেঙ্গল ক্লাব তাঁবু থেকে।১৫ থেকে ১৭ নভেম্বর এই টিকিট পাওয়া যাবে বেলা ১২ টা থেকে সন্ধ্যে ৭ টা পর্যন্ত। এরই সঙ্গে যুবভারতী ক্রীড়াঙ্গন থেকে ১৫-১৭ নভেম্বর খেলার টিকিট পাওয়ার সুযোগ রয়েছে বেলা ১২ টা থেকে সন্ধ্যে ৭ টা পর্যন্ত। এরই সঙ্গে, অনলাইন টিকিটও পাওয়া যাবে ১৫-১৭ নভেম্বর।

সংবাদটি বিস্তারিত পড়তে ক্লিক করুন ওড়িশা এফসি ম্যাচের আগে ইভান গঞ্জালেসের ‘বিস্ফোরক’ ভিডিও বার্তা

ওড়িশা এফসি ম্যাচের আগে ইভান গঞ্জালেসের ‘বিস্ফোরক’ ভিডিও বার্তা

Ivan Gonzales

আগামী শুক্রবার, ঘরের যুবভারতী ক্রীড়াঙ্গনে খেলতে নামছে ইস্টবেঙ্গল এফসি,প্রতিপক্ষ ওড়িশা এফসি। ইতিমধ্যে এই ম্যাচের অনলাইন এবং অফলাইন টিকিট দেওয়া শুরু হয়ে গিয়েছে।

এই ম্যাচ দেখতে লাল হলুদ ভক্তরা যাতে দলবেঁধে বেশি বেশি করে মাঠে আসে এই কারণে ইস্টবেঙ্গল এফসি টিম নিজেদের অফিসিয়াল টুইটার হ্যান্ডেলে একটি সংক্ষিপ্ত সময়ের টুইট ভিডিও আপলোড করেছে।ওই টুইট ভিডিওতে ফুটবলার ইভান গঞ্জালেসকে সমর্থকদের উদ্দ্যেশে বলতে শোনা গিয়েছে,”হে বন্ধুরা…আমরা শুক্রবার ওড়িশা এফসির বিরুদ্ধে খেলতে নামবো,অনলাইন এবং অফলাইন টিকিট কেটে স্টেডিয়ামে চলে আসো।”

প্রসঙ্গত, শুক্রবার ইস্টবেঙ্গল বনাম ওড়িশা এফসির মধ্যে যে খেলা রয়েছে ওই ম্যাচের টিকিট ইতিমধ্যেই শহরের নির্দিষ্ট কয়েকটা জায়গা থেকে দেওয়া হচ্ছে।

খেলার অফলাইন টিকিট পাওয়া যাচ্ছে ফ্রাঙ্ক রস সেন্টারের গড়িয়াহাট, রাজডাঙা নবপল্লী (কসবা),ইটলগাছা (দমদম),সিআইটি রোড, দমদম মেট্রোর বিপরীতে,স্টারমার্ক (মনিস্কোয়ার মল),ইস্টবেঙ্গল ক্লাব তাঁবু থেকে।১৫ থেকে ১৭ নভেম্বর এই টিকিট পাওয়া যাবে বেলা ১২ টা থেকে সন্ধ্যে ৭ টা পর্যন্ত। এরই সঙ্গে যুবভারতী ক্রীড়াঙ্গন থেকে ১৫-১৭ নভেম্বর খেলার টিকিট পাওয়ার সুযোগ রয়েছে বেলা ১২ টা থেকে সন্ধ্যে ৭ টা পর্যন্ত। এরই সঙ্গে, অনলাইন টিকিটও পাওয়া যাবে ১৫-১৭ নভেম্বর।

সংবাদটি বিস্তারিত পড়তে ক্লিক করুন ওড়িশা এফসি ম্যাচের আগে ইভান গঞ্জালেসের ‘বিস্ফোরক’ ভিডিও বার্তা

‘ইস্টার্ন ড্রাগনর্সে’র বিরুদ্ধে জয়ের ট্র্যাকে থাকতে মরিয়া ইস্টবেঙ্গল

Joy East Bengal

আগামী শুক্রবার, ঘরের মাঠ যুবভারতী ক্রীড়াঙ্গনে ইস্টবেঙ্গল এফসির (East Bengal FC) ম্যাচ ওড়িশা এফসির বিরুদ্ধে। ঘরের মাঠে চলতি ইন্ডিয়ান সুপার লিগের (ISL)২০২২-২৩ সেশনে এখনও জয়ের মুখ দেখেনি লাল হলুদ স্কোয়াড।

ওড়িশার বিরুদ্ধে উইনিং ট্র‍্যাকে ফিরে আসার লড়াই’রপ্রস্তুতি হিসেবে বুধবার অনুশীলনের মাঝে লাল হলুদ ফুটবলার ভিপি সুহের এবং হিমাংশু ঝাংড়া ভক্তদের আশ্বস্ত করতে, টিমের প্রতি বিশ্বাস রাখার বার্তা দেওয়ার লক্ষ্যে ডান হাতের দুই আঙুল দিয়ে ‘ভিক্ট্রি সাইন’ দেখায়।

চার ম্যাচে হারের পর বেঙ্গালুরু এফসির বিরুদ্ধে ম্যাচে মরসুমের দ্বিতীয় জয় পেয়েছে ইস্টবেঙ্গল এফসি।কিন্তু সুনীল ছেত্রীদের বিরুদ্ধে জয় আসার আগের মুহুর্তে লাল হলুদ ভক্তরা দেদার কাটাছেড়া করেছে হেডকোচ স্টিফেন কনস্টাটাইনের ফুটবল বোধ নিয়ে।এই কাটাছেড়া করার প্রভাব দলের অন্দরমহলে পৌছেছিল তা বলাই চলে। তবে প্রত্যাশার এই চাপ সামলে লাল হলুদ ব্রিগেড গত শুক্রবার রয় কৃষ্ণদের বিরুদ্ধে তিন পয়েন্ট ছিনিয়ে এনেছে।

তাই ভক্তরা যাতে কোনও উৎকন্ঠার মধ্যে না থাকে এবং ঘরের মাঠ যুবভারতীতে প্রিয় দলের পাশে থেকে টিমকে মোটিভেট করে খেলা চলাকালীন এই উদ্দেশ্যে ইস্টবেঙ্গল এফসির টুইট অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ।

সংবাদটি বিস্তারিত পড়তে ক্লিক করুন ‘ইস্টার্ন ড্রাগনর্সে’র বিরুদ্ধে জয়ের ট্র্যাকে থাকতে মরিয়া ইস্টবেঙ্গল

‘ইস্টার্ন ড্রাগনর্সে’র বিরুদ্ধে জয়ের ট্র্যাকে থাকতে মরিয়া ইস্টবেঙ্গল

Joy East Bengal

আগামী শুক্রবার, ঘরের মাঠ যুবভারতী ক্রীড়াঙ্গনে ইস্টবেঙ্গল এফসির (East Bengal FC) ম্যাচ ওড়িশা এফসির বিরুদ্ধে। ঘরের মাঠে চলতি ইন্ডিয়ান সুপার লিগের (ISL)২০২২-২৩ সেশনে এখনও জয়ের মুখ দেখেনি লাল হলুদ স্কোয়াড।

ওড়িশার বিরুদ্ধে উইনিং ট্র‍্যাকে ফিরে আসার লড়াই’রপ্রস্তুতি হিসেবে বুধবার অনুশীলনের মাঝে লাল হলুদ ফুটবলার ভিপি সুহের এবং হিমাংশু ঝাংড়া ভক্তদের আশ্বস্ত করতে, টিমের প্রতি বিশ্বাস রাখার বার্তা দেওয়ার লক্ষ্যে ডান হাতের দুই আঙুল দিয়ে ‘ভিক্ট্রি সাইন’ দেখায়।

চার ম্যাচে হারের পর বেঙ্গালুরু এফসির বিরুদ্ধে ম্যাচে মরসুমের দ্বিতীয় জয় পেয়েছে ইস্টবেঙ্গল এফসি।কিন্তু সুনীল ছেত্রীদের বিরুদ্ধে জয় আসার আগের মুহুর্তে লাল হলুদ ভক্তরা দেদার কাটাছেড়া করেছে হেডকোচ স্টিফেন কনস্টাটাইনের ফুটবল বোধ নিয়ে।এই কাটাছেড়া করার প্রভাব দলের অন্দরমহলে পৌছেছিল তা বলাই চলে। তবে প্রত্যাশার এই চাপ সামলে লাল হলুদ ব্রিগেড গত শুক্রবার রয় কৃষ্ণদের বিরুদ্ধে তিন পয়েন্ট ছিনিয়ে এনেছে।

তাই ভক্তরা যাতে কোনও উৎকন্ঠার মধ্যে না থাকে এবং ঘরের মাঠ যুবভারতীতে প্রিয় দলের পাশে থেকে টিমকে মোটিভেট করে খেলা চলাকালীন এই উদ্দেশ্যে ইস্টবেঙ্গল এফসির টুইট অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ।

সংবাদটি বিস্তারিত পড়তে ক্লিক করুন ‘ইস্টার্ন ড্রাগনর্সে’র বিরুদ্ধে জয়ের ট্র্যাকে থাকতে মরিয়া ইস্টবেঙ্গল

Madan Mitra: এম এমের গানে বাড়তি শক্তি পাচ্ছে বাংলার ফুটবল প্রেমীরা 

নেট দুনিয়ায় যদি কেউ সত্যিকারের মনোরঞ্জন করে থাকতে পারে, তাহলে সে আর কেউ নয় বাঙালি সাধারণ মানুষদের কাছে অত্যন্ত জনপ্রিয় ব্যক্তি তৃণমূল বিধায়ক মদন মিত্র(Madan Mitra)। বিধায়ক প্রায় সেই তার নানা মন্তব্যের মধ্য দিয়ে বাংলার আমজনতাকে মনোরঞ্জিত করে থাকে। এই নিয়ে বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেছিলেন, ” মদন একটু কালারফুল ছেলে, মাঝে মাঝে একটু বেশিই কালারফুল হয়ে যায়”। বর্তমানে দেখতে পাওয়া যাচ্ছে আচমকাই বিনা বিজ্ঞপ্তি ব্যয়ে হঠাৎই এক মিউজিক ভিডিও এনে হাজির করলেন স্বয়ং মদন মিত্র, গান ‘দে গোল দেব গোল’। মদন মিত্র এই যে প্রথম গান বাধলেন তা নয় এর আগেও উনি দুটি গান বেঁধেছেন নিজের কন্ঠে। এই গানগুলিও যথেষ্ট জনপ্রিয়তা লাভ করেছিল বাংলার বুকে। সামনেই আছে এক বিশ্বজোড়া মহা উৎসবের মরসুম, ফুটবল বিশ্বকাপ যা অনুষ্ঠিত হবে সুদূর কাতারে। বিশ্বকাপ নিয়ে ভারতসহ পৃথিবীর বিভিন্ন দেশ রয়েছেন যথেষ্ট আগ্রহী। চলতি বছরের নভেম্বর মাসের কুড়ি তারিখে শুরু হবে বিশ্বকাপ ফুটবল।

https://youtu.be/2RZNr_nj7oc

আর আনন্দের এই প্রাক্কালে মিত্রবাবু নিজের মনোবাঞ্ছা পূরণ করে বিশ্বকাপ ফুটবলের ওপর একটি গান বেধে ফেললেন নিজের কন্ঠে। ” আমাদের নেই চাপ আমরা পাবো কাপ” গানের এই কলির মাধ্যমে এম এম বলতে চাইছেন যে এ বিশ্বকাপ ফুটবলের বিজেতা হবে নয় আর্জেন্টিনা আর নয়তো ব্রাজিল। ভারতবর্ষের বেশিরভাগ ফুটবলপ্রেমীরাই প্রধানত এই দুটো দলকেই সমর্থন করে আসছেন বলে এম এম বলতে চেয়েছেন এই দুই দলের মধ্যে কোন না কোন দল ঠিক জিতবেই জিতবে। খেলার মরসুমে এই গান যেনো এক অন্য উত্তেজনা সৃষ্টি করেছে ফুটবল প্রেমীদের মধ্যে। সবেমাত্র কিছুক্ষণ হয়েছে সোশ্যাল মিডিয়ার মাধ্যমে এই গান মুক্তি পেয়েছে। এর মধ্যেই ধীরে ধীরে বাঙালি শ্রোতারা এই গানকে পছন্দ করতে শুরু করে দিয়েছে।

সংবাদটি বিস্তারিত পড়তে ক্লিক করুন Madan Mitra: এম এমের গানে বাড়তি শক্তি পাচ্ছে বাংলার ফুটবল প্রেমীরা 

মেয়ের অসুস্থতাকে বাহানা হিসেবে ধরেছিলেন ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড কর্তারা! বিস্ফোরক দাবি রোনাল্ডোর

Ronaldo

বিশ্বকাপের দোরগোড়ায় ম্যাঞ্চেস্টার ইউনাইটেড (Manchester United) নিয়ে বিতর্কের আগুন জ্বেলেছেন ক্রিশ্চিয়ানো রোনাল্ডো। ব্রিটেনের জনপ্রিয় টক শো-তে এসে ব্রিটিশ সঞ্চালক পিয়ার্স মর্গ্যানকে ‘বিস্ফোরক’ সাক্ষাৎকার দিয়েছেন সিআর সেভেন। রাখঢাক না রেখেই স্পষ্ট জানিয়েছেন, ম্যান ইউয়ে তিনি বিশ্বাসঘাতকতার শিকার।রোনাল্ডো ‘বোমা’ ফাটানোর ২৪ ঘণ্টা পরেও অবশ্য বিতর্ক থামার কোনও ইঙ্গিত নেই। পরিস্থিতি যা, তাতে ওল্ড ট্র্যাফোর্ডে পর্তুগিজ তারকার ফেরার পথ বন্ধ। আর সেটা আগাম আঁচ করতে পেরেই হয়তো নতুন ক্লাবের খোঁজে নেমে পড়েছেন রোনাল্ডোর এজেন্ট জর্জে মেন্ডেস।

ব্রিটিশ মিডিয়ার দাবি অনুযায়ী, গত সপ্তাহে বায়ার্ন মিউনিখের সঙ্গে একপ্রস্ত কথাও হয়েছে রোনাল্ডোর এজেন্টের। তবে গন্তব্য আর যাই হোক, ম্যান ইউ জার্সিতে আর যে তাঁকে খেলতে দেখার সম্ভাবনা নেই, সেটা দিনের আলোর মতো পরিষ্কার রেড ডেভিলসের ম্যানেজার এরিক টেন হাগের মনোভাবে।

রোনাল্ডোর বিস্ফোরক সাক্ষাৎকার প্রকাশিত হতেই সোমবার তড়িঘড়ি ক্লাবের অন্যতম চেয়ারম্যান জোয়েল গ্লেজার, চিফ এগজিকিউটিভ রিচার্ড আর্নল্ড ও ফুটবল ডিরেক্টর জন মুর্টাগের সঙ্গে জরুরি বৈঠকে বসেছিলেন ম্যান ইউ কোচ। সেখানে তিনি স্পষ্ট জানিয়েছেন, ম্যান ইউয়ের হয়ে আর ক্রিশ্চিয়ানো রোনাল্ডোকে খেলতে দেওয়া উচিত নয়। খুশি নয় ম্যান ইউ কর্তারাও।

রোনাল্ডোর সঙ্গে চুক্তিভঙ্গের জন্য আইনি পরামর্শ নিচ্ছে রেড ডেভিলস কর্তৃপক্ষ। প্রসঙ্গত, সঞ্চালক মর্গ্যানকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে রোনাল্ডো সরাসরি ক্ষোভ উগড়ে দিয়েছেন দলের ম্যানেজার টেন হাগ সহ ক্লাব কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে। বিঁধতে ছাড়েননি ম্যান ইউয়ের দুই প্রাক্তনী গ্যারি নেভিল ও ওয়েন রুনিকে। পাশাপাশি বিতর্কিত সাক্ষাৎকারের নতুন ‘টিজারে’ দেখা যাচ্ছে, নিজের সন্তানের অসুস্থতা নিয়ে ইউনাইটেডের গ্লেজার পরিবারের অসংবেদনশীল আচরণকেও কাঠগড়ায় তুলেছেন পর্তুগিজ তারকা।

রোনাল্ডো জানিয়েছেন, তাঁদের কন্যা সন্তান বেলা, যার জন্মের সময় অপর যমজ পুত্রসন্তানটি মারা যায়, তার অসুস্থতার জন্যই ম্যান ইউয়ের প্রাক্ মরশুম প্রস্তুতিতে যোগ দিতে পারেননি তিনি। অথচ সেই খবর ক্লাবের ডিরেক্টর ও সভাপতিকে জানালেও তা বিশ্বাস করতে চাননি তারা। এমন আচরণে তিনি যে মর্মাহত হয়েছিলেন, জানাতে ভোলেননি রোনাল্ডো। বলেছেন, ‘‘আমার যমজ সন্তানের একজন মারা যাওয়ার তিন মাসের মাথায় ব্রঙ্কাইটিসে আক্রান্ত হয় আরেকজন, আমার মেয়ে বেলা। এক সপ্তাহ ওকে হাসপাতালে রাখতে হয়েছিল। ওই সময় ওর পাশে থাকা খুব জরুরি ছিল। প্রি-সিজনও তাই মিস করেছিলাম। ব্যাপারটা আমি ম্যান ইউ ডিরেক্টর, প্রেসিডেন্টকেও জানিয়েছিলাম। বিষয়টা যে গুরুতর, তা ওরা মানতেই চায়নি। আমার দুশ্চিন্তার কোনও মূল্য ওদের কাছে ছিল না। কিন্তু আমি প্রি-সিজনে যোগ না দিয়ে ভুল করিনি। ওই সময় প্রি-সিজনের চেয়েও পরিবারের পাশে থাকা বেশি দরকার ছিল।’’

সংবাদটি বিস্তারিত পড়তে ক্লিক করুন মেয়ের অসুস্থতাকে বাহানা হিসেবে ধরেছিলেন ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড কর্তারা! বিস্ফোরক দাবি রোনাল্ডোর

World Cup: সমর্থকদের আবেগে না ভেসে বিশ্বকাপ জয়ের লক্ষ্যে স্থির থাকতে চান মেসি

Messi

এই জন্যই তিনি অন্য ফুটবলারদের থেকে আলাদা। ২০১৯ থেকে টানা ৩৫টি ম্যাচে অপরাজিত লিওনেল মেসির (Messi) আর্জেন্টিনা। স্বাভাবিকভাবেই অনেকে মনে করছেন, ৩৬ বছর পর ফের হয়তো বিশ্বকাপ পেতে পারে আর্জেন্টিনা। সেক্ষেত্রে মেসির হাতেও কাপ দেখার স্বপ্নপূরণ হবে। আর এই কারণেই কাতার বিশ্বকাপ শুরুর আগেই অনেকে আর্জেন্টিনাকে সম্ভাব্য চ্যাম্পিয়ন বলতে শুরু করে দিয়েছে। আর সেখানেই আপত্তি আর্জেন্টাইন অধিনায়ক লিওনেল মেসির।

সরাসরি বলে দিয়েছেন, যাঁরা ভাবছেন ভাবুন। কিন্তু তিনি এই মুহূর্তে আর্জেন্টিনার বিশ্বকাপ চ্যাম্পিয়ন হওয়া নিয়ে কিছু ভাবতেই রাজি নন। তাঁর এখন শুধুই চিন্তা, ২২ নভেম্বর বিশ্বকাপের প্রথম ম্যাচ সৌদি আরবের বিরুদ্ধে খেলা নিয়ে।শুধুই টানা ৩৫টি ম্যাচে অপরাজিত থাকা নয়। একটিও ম্যাচ না হেরে ২৮ বছর পর কোপা আমেরিকা জিতেছে স্কালোনির দল। আর সিনিয়র পর্যায়ে দেশের হয়ে প্রথম বড় সাফল্য মেসির। কোপায় যে ফর্মে পুরো দল খেলেছে, তাতে বিশ্বকাপ শুরুর আগে স্কালোনির দলের উপর মানুষের ভরসা আরও বেড়ে গিয়েছে। কিন্তু মেসি এসব তত্ত্বকে গুরুত্বই দিতে চাইছেন না। মাথায় শুধু ভাবনা বিশ্বকাপের প্রথম ম্যাচ নিয়ে।

বিশ্বকাপের প্রস্তুতির জন্য এই মুহূর্তে আবুধাবিতে রয়েছে আর্জেন্টিনা। সোমবার থেকে আবুধাবির আল নাহিয়ান স্টেডিয়ামে প্র্যাকটিসও শুরু করে দিয়েছেন মেসিরা। আর্জেন্টিনার প্রথম দিনের প্র্যাকটিস দেখার জন্য স্টেডিয়ামে ভিড় জমিয়েছিলেন প্রচুর মানুষ। সংযুক্ত আরব আমিরশাহির বিরুদ্ধে বুধবার একটি প্র্যাকটিস ম্যাচও খেলবে স্কালোনির দল। তার আগে ৮৬’র বিশ্বকাপ ফাইনালে আর্জেন্টিনার হয়ে গোল করা ভালদানোর টিভি শো-‘ইউনিভার্সো ভালদানো’-তে মেসি বলেছেন, “কোনও প্রতিপক্ষই দুর্বল নয়। যে কোনও প্রতিপক্ষকেই হারানো কঠিন। এটা তো ঠিক, আমরা ইউরোপের দলগুলির বিরুদ্ধে খুব বেশি ম্যাচ খেলিনি।

আবার এটাও ঠিক, ওরাও লাতিন আমেরিকার দলগুলির বিরুদ্ধে বেশি ম্যাচ খেলতেও পছন্দ করে না। ইউরোপের দলগুলি জানে, লাতিন আমেরিকার দলগুলিকে হারানো কঠিন। নিজেদের দলের ক্ষেত্রে এটুকু বলতে পারি, ভাল ফর্মে থেকেই এবার আমরা কাতার যাচ্ছি। তবে কিছুতেই সম্ভাব্য চ্যাম্পিয়নের তকমা নিয়ে বিশ্বকাপে খেলতে যাচ্ছি না। শুধু আবেগে ভেসে লাভ নেই। বিশ্বকাপের মতো কঠিন প্রতিযোগিতায় খেলতে নামার আগে চূড়ান্ত বাস্তববাদী হতে হবে। ম্যাচ ধরে ধরে বিশ্লেষণ করে এগোতে হবে। আর তাই আমাদের মাথায় এই মুহূর্তে চিন্তা শুধু প্রথম ম্যাচের প্রতিপক্ষ সৌদি আরব নিয়ে।’

আর্জেন্টিনার বাইরে ফুটবল সমর্থকরা মনে করছেন, ব্রাজিল কিংবা ফ্রান্সের হাতেও উঠতে পারে বিশ্বকাপ। মেসিও নিজেদের আলোচনার বাইরে রেখে চ্যাম্পিয়নশিপের প্রশ্নে ব্রাজিল আর ফ্রান্সের কথা বলছেন। ‘বেশ কয়েকজন ফুটবলার চোটের জন্য এবার কাতার যেতে না পারলেও, ফ্রান্স দারুণ দল। বিশ্বকাপ জেতানোর মতো বেশ কিছু ফুটবলার রয়েছে ওদের দলে। তাছাড়া অনেকদিন ধরেই একজন কোচই ফ্রান্স দলটাকে নিয়ে কোচিং করাচ্ছেন। যার মধ্যে আবার একবার দলটাকে চ্যাম্পিয়নও করেছেন। তাই ফ্রান্স এবারও খুবই শক্তিশালী।’ব্রাজিল সম্পর্কে মেসির বক্তব্য হল, ‘নেমারের মতো ফুটবলার রয়েছে। তার উপর ওদের আক্রমণভাগ ভীষণই ভাল। আমরাও অবশ্যই চ্যাম্পিয়ন হওয়ার জন্য লড়ব। কিন্তু এই মুহূর্তে ফাইনাল না দেখে শুধুই প্রথম ম্যাচটা দেখছি আমরা।’

সংবাদটি বিস্তারিত পড়তে ক্লিক করুন World Cup: সমর্থকদের আবেগে না ভেসে বিশ্বকাপ জয়ের লক্ষ্যে স্থির থাকতে চান মেসি

পোগবাকে সম্ভবত বিদায় জানাচ্ছে মোহনবাগান

Florentin Pogba

অনেক ঢাক ঢোল পিটিয়ে কলকাতায় পা রেখেছিলেন ফ্লোরেন্টিন পোগবা (Florentin Pogba), যিনি আবার দুনিয়া কাঁপানো ফুটবলার পল পোগবার দাদা।সবুজ মেরুন ভক্তরা ভালো পারফরম্যান্সের আশা রেখেছিল ফ্লোরেন্টিন পোগবার থেকে।

কিন্তু দেখা যাচ্ছে ইন্ডিয়ান সুপার লিগ(ISL) ২০২২-২৩ সেশনে বল যত গড়াচ্ছে তত বেশি করে ফ্লোরেন্টিন পোগবাকে ঘিরে ভক্তদের প্রত্যাশার ফানুস চুপসে যাচ্ছে। ৩২ বছরের ফ্লোরেন্টিন পোগবার বায়নাক্কা সামলাতে গিয়ে নাজেহাল অবস্থা টিম ম্যানেজমেন্টের এমন খবর গোড়া থেকেই ভেসে আসছিল।

এর পোগবার ওপর পড়তি পারফরম্যান্স গ্রাফ টিমে অনেকটা বোঝার মতো হয়ে দাঁড়িয়েছে টিম ম্যানেজমেন্টের কাছে।তাই সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে যে,জানুয়ারি মাসের ফিফা উইন্ডোকে কাজে লাগিয়ে ATKমোহনবাগান টিম ম্যানেজমেন্ট ফ্লোরেন্টিন পোগবাকে রিলিজ দিতে পারে।সেক্ষেত্রে পোগবাকে রিলিজ দেওয়া হলে মেরিনার্সদের বিকল্প হিসেবে তিরি ক্রমশ সুস্থতার পথে।তাই প্রথমত, হামিল তিরি যুগলবন্দী, দ্বিতীয়ত,হুগো দিমিত্রি কম্বিনেশন সামনে আসতে পারে।

এখনই হুঠ করে এই ইস্যুতে ATKমোহনবাগান থিঙ্ক ট্যাঙ্ক কোনও সিদ্ধান্ত নিতে চাইছে না।সূত্রে খবর, আরও একটু নজর রেখে ফ্লোরেন্টিন পোগবার রিলিজ ইস্যুতে এগোতে চাইছে টিম ম্যানেজমেন্ট।

সংবাদটি বিস্তারিত পড়তে ক্লিক করুন পোগবাকে সম্ভবত বিদায় জানাচ্ছে মোহনবাগান

সোশ্যাল মিডিয়ায় চাঞ্চল্যকর পোস্ট সবুজ-মেরুন ফুটবলার তিরি’র

Atk Mohun Bagan

ATKমোহনবাগান (Mohun bagan) ফুটবলার তিরি বুধবার সোশাল মিডিয়াতে নিজের স্ট্যাটাস পোস্ট করেন। যা এই মুহুর্তে ভাইরাল। ওই পোস্টে লেখা,”৬ মাস পিচে পা না রেখে, আজ আমার যে অনুভূতি ছিল তা ছিল একেবারে খাটি সুখ, আমি শুধু হাসলাম… যেমন আমার বন্ধু @ইসমায়েল আমাকে বলেছিল, এত কাজ করার পরে আবার একজন ফুটবলারের মতো অনুভব করা দরকার ছিল। এখন যা বাকি আছে তা হল চালিয়ে যাওয়া এবং কাউন্টডাউন সেট করা!”

তিরির এই পোস্ট ঘিরে সবুজ মেরুন ভক্তদের মধ্যে কৌতুহল ছড়িয়েছে।এই পোস্ট দেখে এক সবুজ মেরুন ভক্তের কথায়,”ভাল কাজগুলো করতে থাকো!
যত তাড়াতাড়ি সম্ভব আসুন।
পোগবা এখানে নেই এবং আপনি এই জায়গাটি নিতে পারেন, যদিও এটি আপনার জায়গা ছিল। আমি কারও সাথে তুলনা করতে পারি না তবে আমি এখনও বিশ্বাস করি যে আপনি সমস্ত আইএসএল মরসুমে সেরা ডিফেন্ডার।
কিন্তু আমি তোমার সাথে ডান পা ঠিকমতো খেলতে চাই।
প্রেম নিবে বস। “

এই পোস্টের প্রতিক্রিয়াতে আবার আর এক মোহনবাগান সমর্থক মনে করছেন,”২০২২ সালের শেষ নাগাদ কলকাতায় আবার দেখা হবে বলে আশা

সংবাদটি বিস্তারিত পড়তে ক্লিক করুন সোশ্যাল মিডিয়ায় চাঞ্চল্যকর পোস্ট সবুজ-মেরুন ফুটবলার তিরি’র

এফসি গোয়া ম্যাচের আগে স্বস্তি ফিরল ATK মোহনবাগানে

ATK Mohun Bagan tactics again city AFC Cup

ইন্ডিয়ান সুপার লিগে (ISL) ATK মোহনবাগানের (Mohun Bagan) পরের ম্যাচ এফসি গোয়ার বিরুদ্ধে। এই ম্যাচের আগে সবুজ মেরুন শিবিরে স্বস্তির হাওয়া বয়ে এলো।

লিগে মুম্বই সিটি এফসি ম্যাচে লেনি রড্রিগেজ দূটো হলুদ কার্ড দেখার কারণে ফুটবলের নিয়ম অনুসারে তা লাল কার্ড হিসেবে গণ্য হওয়ায় মাঠের বাইরে চলে যেতে হয়।এর জেরে এক ম্যাচ সাসপেন্ড হতে হয় রড্রিগেজকে।

এদিকে রিপোর্ট পাওয়া যায়নি কটা ম্যাচের জন্য এই সাসপেনন্স। তাই রিপোর্ট যেহেতু পাওয় যায়নি তাই এফসি গোয়ার বিরুদ্ধে ম্যাচে লেনি রড্রিগেজকে মেরিনার্সরা পাবে এটা এখনও অব্দি পরিস্কার।প্রসঙ্গত,মুম্বই ম্যাচে গ্রেগ স্টুয়ার্টের সঙ্গে লেনি রড্রিগেজ বল যুদ্ধে জড়িয়ে পড়ায় সাসপেন্ড হতে হয়।এফসি গোয়া ম্যাচের আগে লেনির ফিরে আসা স্কোয়াডে নিঃসন্দেহে স্বস্তির খবর সবুজ মেরুন স্কোয়াডের জন্য।

সংবাদটি বিস্তারিত পড়তে ক্লিক করুন এফসি গোয়া ম্যাচের আগে স্বস্তি ফিরল ATK মোহনবাগানে