মা নাচছে ‘বাম চিকি চিকনি চিকি’, মামা জিৎ-এর পাশে চুপটি করে বসে মশগুল ছোট্ট ইউভান

subhashree with her son

দিনে দিনে ছোট্ট ইউভানের জনপ্রিয়তা যেন বেড়েই চলেছে। বাবা-মা টলিউডের তারকা হলেও ইউভানের জনপ্রিয়তাও কম নয়। সোশ্যাল মিডিয়ায় তাঁর ছবি কিংবা ভিডিও প্রায়ই ভাইরাল হয়। এবারে এমনই এক ভিডিও সামনে এলো। সম্প্রতি ইনস্টাগ্রামে একটি ভিডিও পোস্ট করেন জিৎ গঙ্গোপাধ্যায়। ইউভানের ইন্ডাস্ট্রির মামা জিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের সঙ্গে তাঁর সম্পর্ক খুবই গভীর। সময় পেলেই মামার সঙ্গে গান গুনতে দেখা যায় ইউভানকে। আবার কখনও মামার কাছ থেকে বাজনার তালিম নিতেও দেখা যায় তাঁকে।

এই ছোট্ট বয়েসেই মামা জিৎ-এর কাছে মিউজিকের হাতেখড়ি দিয়ে ফেলেছে ইউভান। মামা জিৎ-এরও খুবই আদরের ইউভান। সবসময় ভাগ্নেকে আদরে ভরিয়ে দেন জিৎ। এবারে ছোট ইউভানকে দেখা গেলো মামার পাশে বসে মা শুভশ্রীর নাচ দেখতে। মাকে নাচতে দেখে বড় বড় চোখে চুপ করে তাকিয়ে রয়েছে ইউভান। ২০১৪ সালে মুক্তি পাওয়া সিনেমা ‘গেম’-এর জনপ্রিয় গান ‘বাম চিকি চিকনি চিকি’-তে জিৎ এবং তাঁর মায়ের নাচ দেখছেন ইউভান। জিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের এই পোস্ট ঝড়ের বেগে ভাইরাল হয়েছে নেটদুনিয়ায়।

 
 
 
 
 
View this post on Instagram
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 

A post shared by Jeet Gannguli (@jeetganngulimusic)

ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে মামার হাঁটুতে একটি হাত রেখে খুবই মন দিয়ে মায়ের নাচ দেখছে ছোট ইউভান। পাশে মামা জিৎ গঙ্গোপাধ্যায় গানের তালে তাল দিচ্ছেন। মাঝেমধ্যে গানের কিছু লাইন গেয়েও উঠছেন জিৎ। তবে মামা কি করছে তাতে কোনও হুস নেই ইউভানের। সে চুপটি করে বসে এক দৃষ্টে তাঁর মায়ের নাচ দেখে চলেছে। মাথায় ঝাঁকড়া চুল নিয়ে একেবারে বড়দের মতো মন দিয়ে মাকে দেখছে ইউভান। ছোট্ট ইউভানের এই কাণ্ড দেখে বেশ মজা পেয়েছেন নেটিজেনরা।

হৃদয়ে শৈশবের বরিশাল-রংপুরে না যাওয়া আক্ষেপ, বুদ্ধদেব গুহর প্রয়াণে শোক শেখ হাসিনার

Buddhadeb Guha

প্রসেনজিৎ চৌধুরী: আর যাওয়াই হলো না জল-জঙ্গলের বরিশালে। কীর্তনখোলা নদীর তীরে, সেই ছোট বেলার অনেক দেখা মনে রেখে দেওয়া স্মৃতির দুনিয়ায়। সেই ছিমছাম বাগান ঘেরা রংপুরে। জীবনভর বহু পাওয়ার মাঝে একটা আক্ষেপ ছিলই। সেই আক্ষেপ নিয়েই বিদায় নিয়েছেন কিংবদন্তি সাহিত্যিক বুদ্ধদেব গুহ (Buddhadeb Guha)।

বুদ্ধদেব গুহর জন্ম ১৯৩৬ সালে কলকাতায়। তখনও অভিভক্ত ভারত। পারিবারিক সূত্রে তাঁর ছোটবেলা কেটেছিল বরিশাল ও রংপুরের। পরে ভারত ভাগ হয় প্রিয় দুটি স্থান পড়ে যায় পাকিস্তানে। তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তান বা পূর্ব বাংলা থেকে গিয়েছিল তাঁর হৃদয়ে।

ভয়েস অফ আমেরিকা জানাচ্ছে, এক বিশেষ সাক্ষাৎকারে বুদ্ধদেব গুহ তাঁর শৈশবের স্মৃতি মন খুলে বলেছিলেন। সেই স্মৃতিতে মিশেছিল বরিশাল ও রংপুর। ১৯৭১ সালের পরবর্তী এই দুই স্থান বাংলাদেশের অন্তর্গত।

সেই সাক্ষাৎকারে বুদ্ধদেব গুহ বলেছিলেন, “ছোট বেলায় বাবার চাকরির সূত্রে বরিশাল ও রংপুরে একটা বড় সময় কাটিয়েছিলাম। আহা বরিশালের সেই নদী, গাছপালা এখনো টানে। মনে হয় দৌড়ে ছুটে যাই এখনই। আ হা সেই সব দিন। রংপুরও ছিল অন্য রকম একটি শহর। ছুটে বেড়াতাম স্কুল থেকে খেলার মাঠে।”

বরিশাল ও রংপুর না যাওয়ার আক্ষেপ নিয়েই জীবন খাতার হিসেব শেষ করেছেন বুদ্ধদেব গুহ। তাঁর প্রয়াণ সংবাদে বাংলাদেশের সাহিত্য সংস্কৃতি মহল শোকাচ্ছন্ন।

বুদ্ধদেব গুহর প্রয়াণে শোকস্তব্ধ বাংলাদেশ সরকার। গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। সোমবার ঢাকায় প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকে জানানো হয়, প্রয়াত লেখকের আত্মার শান্তি কামনা করে শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানিয়েছেন শেখ হাসিনা।
বহুদর্শী জীবনের আক্ষেপ ছিল শৈশবকে না ধরতে পারা। সব ইচ্ছে সবসময় পূরণ হয় না।

সিঙ্গল মাদার নুসরত প্রসঙ্গে মুখ খুললেন ঋতুপর্ণা, কী বললেন অভিনেত্রী

nusrat

গত সপ্তাহের বৃহস্পতিবার দুপুরে পুত্র সন্তানের জন্ম দেন নুসরত জাহান। পুত্রের নাম রেখেছেন ঈশান। ইতিমধ্যেই নতুন মা নুসরতকে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন অনেকেই। টলিউডের তারকা অভিনেত্রী শ্রাবন্তী, মিমি, তনুশ্রী থেকে শুরু করে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বাদ যাননি কেউই। কেবল মাতৃ পরিচয়েই সন্তানকে পৃথিবীতে এনেছেন তারকা সাংসদ নুসরত। এই নিয়ে বিতর্কের অন্ত নেই।

নুসরতের সন্তানের বাবা কে? এই নিয়ে নেটিজেনদের কৌতূহলের শেষ নেই। অনেকেই এই নিয়ে নুসরতকে কটাক্ষ করতে পিছুপা হননি। তবে অনেকে আবার নুসরতের পাশেও দাঁড়িয়েছেন। অভিনেত্রীর কেবল মাতৃ পরিচয়ে সন্তানকে জন্ম দেওয়ার প্রসঙ্গে বক্তব্য রেখেছেন লেখিকা তসলিমা নাসরিন থেকে শুরু করে পরিচালক অনিন্দিতা সর্বাধিকারী। এবারে নুসরতের পাশে দাঁড়াতে দেখা গেলো অভিনেত্রী ঋতুপর্ণা সেনগুপ্তকে।

সম্প্রতি ঋতুপর্ণা তাঁর পরবর্তী ছবির শুটিং-এর জন্য হিমাচল প্রদেশে আছেন। সেখান থেকে সোশ্যাল মিডিয়ায় নাচের ভিডিও পোস্ট করতে দেখা গেছে অভিনেত্রীকে। এক প্রথম সারির সংবাদমাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে নুসরত সম্পর্কে ঋতুপর্ণা জানান, নুসরত এবং তাঁর সন্তানের প্রতি আমার শুভেচ্ছা রইল। দুজনেই যাতে সুস্থ এবং ভাল থাকে সেই কামনাই করছেন অভিনেত্রী। এর পাশাপাশি তারকা সাংসদের কেবল মাতৃ পরিচয়ে সন্তান জন্ম দেওয়ার বিষয়ে ঋতুপর্ণাকে প্রশ্ন করা হলে তিনি জানান, মায়ের পরিচয়ই সন্তানের কাছে সবথেকে বড় পরিচয়। মা এবং সন্তানের বাঁধন জন্ম-জন্মান্তরের। মায়ের নাড়ির টান সন্তানের কাছে বড় সম্পদ। স্বভাবতই ঋতুপর্ণায় কথায় স্পষ্ট হয়ে গেল নুসরতের পাশেই আছেন অভিনেত্রী।

এ সপ্তাহের গল্প :: ইশিতার শূন্যতা

জাহিদ সোহাগ

সে মাঠে দাঁড়িয়েছিল, সন্ধ্যায়, লাইটপোস্টে হেলান দিয়ে; ইশিতা আসবে, ইশিতা এলে তার ভালো লাগে।

অনেকেই আসে ভাব জমাতে, কেউ কেউ রাতে মেসেঞ্জারে টুইট টুইট করেও অজ্ঞাতে ছেড়ে দেয় পিঁপড়ে; সে লেখে তার মুখস্ত কথাটি, এখনকার মনের কথাও বোদলেয়ারের ভাষায়, আমি ভালোবাসি মেঘ, আশ্চর্য মেঘ, ওই উঁচুতে।

এর মানে, মানুষের মাথার উপর দিয়ে আরও আরও উঁচুতে সে চোখ রেখেছে, বা রাখে, এজন্য যে নারীতে পুরুষে এইসব খেলায় অনেক অপচয় হয়ে গেছে সময়। রহস্য যাকে ভেবেছিল তা পাকা ডালিমের মতো ফেটে দগ্ধ উঠোনে রক্তরঙে রাঙানো নদী হয়ে গেছে; চেনা, খুব চেনা নদী।

ইশিতাকে সে ফোন করে না, সে জানে যাবার বেলায় একবার ঢুঁ মেরে যাবে।

ইশিতারও সামনে আছে বহু বাড়িয়ে রাখা হাতের গুচ্ছ গুচ্ছ আঙুল। সে কখনও তা ছোঁয়, কখনও ছোঁয় না।

সে কি ইশিতাকে পেতে চায়? পেতে চাওয়া মানে কি জুনের তপ্ত রোদে পুড়ে পুড়ে তার শীতল ফেনায় শরীরে শরীর ঘষে সুখী হওয়া?

এমন তো সে প্রায়ই করে, প্রতিদিনই করে, বারবার করে, ঘুরেফিরে করে, নিজের সঙ্গে নিজে করে।

তবু সে নিজের কাছে জানতে চাইলো সে কী করবে? ইশিতাকে বলবে?

রাতে ছোট ছেলেটার ডায়পার বদলাতে গিয়ে তার ঘুম ছুটে গেছে। মোবাইল ফোনের স্ক্রিন জীবন্ত করে দেখে রাতের দ্বিতীয় ভাগ কেবল শুরু হয়েছে। বিছানায় ছটফট না করে সে স্ট্যাডিতে গিয়ে অনেকদিন ফেলে রাখা উপন্যাসের শেষ লাইনের উপর কার্সর রেখে ইশিতার কথা ভাবে।

ঝনঝন আয়না ভেঙে পড়ার শব্দে স্ট্যাডির দরোজায় এসে রূপা আর্তনাদ করে দাঁড়ায়, ‘বাবা কী হয়েছে তোমার? কী করে ভাঙলো?’ রূপার পেছনে বেলা চোখের পাতায় ইরেজারের মতো আঙুল ঘষতে ঘষতে হয়ত স্যাভলন আনতে ভেতরে গেছে।

‘না, খুকু কিচ্ছু না। হঠাৎ আয়নাটা ভেঙে পড়লো।’

সে আয়নার টুকরো-টাকরোর মধ্যে নিজের মুখ স্পষ্ট করে খুঁজলো, রূপাকেও খানিকটা দেখতে পেলো।

‘যাও শুয়ে পড়ো, আমি আসছি।’

রূপা তার মায়ের ডাক্তারীর দিকে তাকিয়ে থাকলো। সে সময় বেলার কোনো প্রশ্নের উত্তর না দিয়ে সে উপন্যাসের শেষ প্যারাটি শব্দ করে পড়লো, ‘দিলারা ভেবেছিল সিঁড়ি দিয়ে ওঠার সময় কোনোদিন হঠাৎ জানালার কাঁচ তার মাথায় ঢুকে গেলে ডাক্তার তাকে কোনো একটি স্যানাটোরিয়ামে এই ঋতুটা কাটানোর পরামর্শ দেবে। কিন্তু স্যানাটোরিয়াম তো ইউরোপের বিষয়। বাংলার এই জটাজটের ভেতরে…’

বেলা ও রূপা ঘুমাতে চলে যায়।

সে ঘুষি মেরে আয়ানা ভেঙে নিজেকে কী বোঝাতে চায়?

সে ইশিতাকে চায়?

ইশিতার অন্তরঙ্গ মুহূর্তের তরমুজগোলা অন্ধকারে ডুবে থাকতে চায়?

যখন সে স্বপ্ন আর জাগরণের দ্বিধায় থাকে, তাকে আয়না ভাঙতে হয়। নিজের রক্ত দিয়ে তার জেগে থাকার, সচেতন থাকার স্বাক্ষর এঁকে নেয়।

কোনো ভণিতা না করেই মাঠের মেলা ভেঙে গেলে ইশিতার ড্রইংরুমে বসে সে বলে, ‘আমি সম্ভবত আপনার প্রতি অনুরক্ত হয়েছি। এমনটা হওয়া আমার উচিত কিনা জানি না। বা আপনি অসম্মত হলে আমি আগের অবস্থায় ফিরেও যাবো। বা আমার মনে হয় এই জাতীয় সম্পর্ক বরং যাতনাই বাড়ায়।’

ইশিতা তার আঙুলের ভেতর আঙুল রেখে জানালায় ডাল কুত্তার মতো অস্থির পর্দাটার দিকে তাকিয়ে বলে, ‘আমাদের মনে হয় ভালোই হবে।’

কিন্তু সে যে বয়সে এবং ইশিতা আরও যতখানি বেশি তারও চেয়ে, তাতে এই প্রেম ওষুধের গন্ধের মতো উত্তেজনাহীন। কিন্তু তারা বিছানায় ডুবে যেতে চায়। পরস্পরের অন্ধকার বিছিয়ে শুয়ে থাকতে চায়।

এরই মধ্যে ইশিতা দু’দফা হাসপাতালে থেকে এসেছে। মাঝে মাঝে ফোন করে কেবল আর্তনাদ করে বলে, ‘আমার মাথাটা ছিঁড়ে ফেলতে ইচ্ছে করছে। আমি মনে হয় পাগল হয়ে যাচ্ছি।’

এই বয়সের যা যা অসুস্থতা তা তার আছে, উপরন্তু কোনো ছুতোয় রোদের মধ্যে রিকশায় ঘোরাঘুরি করে বাড়িয়ে তোলে মাইগ্রেনের ব্যথা।

সে নিজের উদ্বেগ চেপে রেখে বাইরে সহজ থাকে। ইশিতার জন্য তার কিছুই করার নেই। তার যে লড়াই, বা বলা যায় যে গহ্ববর, তাতে সে নেমে কোনো কূল পাবে না। তারচেয়ে তার ফোটা ফুলটুকু নিয়ে ঝরে পড়বার আগে স্তব করা বরং ভালো।

তাদের অবস্থানগত জটিলতায় তারা না কোনও বন্ধুর ডেরায় উঠতে পারে, না হোটেলে, উপরন্তু মারীর প্রকোপে তারা দুজনই ট্রমায়। তবু সে ভাবে, হয়ত ইশিতার আগ্রহের অভাবেই তারা মেলাতে পারছে না তাদের মর্ম।

সে জানতে চাইলে বলে, ‘আমি শূন্য। আমি শূন্য।’

স্পর্শে একটু সে কেঁপে উঠলেও তা নিতে না পারার অক্ষমতা বা হয়ত ভাবে শেষবেলায় এসে নতুন করে কিছুই আর শুরু করা যায় না। মানুষের ছায়া পড়লেও তা পাথরের মতো ঘন না হলে সে ছায়ায় দাঁড়ানো মানে রোদের চোখ ফেঁটে দুনিয়াকে দেখানো। আর তাতে ভেসে যাবে দুজনারই খড়কুটো, যা আছে মুঠোয় সামান্য।

*
ঝেঁপে বৃষ্টি নামায় রিকশা-গাড়ি নেকড়ের মতো লেজ গুটিয়ে পালাতে শুরু করলে তারা রাস্তা থেকে উঠে ফুটপাথের টং দোকানের ভেতরে এসে দাঁড়ায়।

মেঘের ভেতর লুকানো কামানগুলো কেবল মুহুর্মুহু ফাটছে।

রাস্তায় কেবল জলের ঢল ছাড়া কিছু নেই।

হয়ত ঘণ্টাখানেকের মধ্যেই কোমর পর্যন্ত জল জমে যাবে।

তারা এখনি হাঁটা শুরু করলে, বা নিদেনপক্ষে ইশিতার বাড়িতে পৌঁছুতে পারবে ভয়াবহ জলজটের আগেই। কিন্তু তারা অন্ধকারে বৃষ্টির দিকে তাকিয়ে থাকে। যেন বাইরে ভেজানোর জন্য তার মরুচারী উটের মতো হৃদয় দুখানা ভিজতে দিয়েছে। ভেজা শেষে হলে গুটিয়ে নেবে।

অরিত্র বলে, জানেন, এমন পরিস্থিতেই রবীন্দ্রনাথের একরাত্রি গল্পে অভিসার হয়। কীভাবে কী করেছে তাই ভাবছি।

‘রবীন্দ্রনাথ কী লিখেছে আমার ঠিক মনে নেই।’ বলে সে গুনগুন করে আজি ঝড়ের রাতে তোমার অভিসার, পরাণসখা বন্ধু হে আমার…

অরিত্র ইশিতার পেটে হাত বুলিয়ে বললো, কিন্তু আমরা যা লিখবো তা তো এখনই রচনা করতে পারি।

ইশিতা চমকে ওঠে, মাথা খারাপ?

যথেষ্ট খারাপই আছে। তাছাড়া প্রকৃতি এই-ই চায়।

ইশিতা আতঙ্কিত হয়, এর মধ্যে সম্ভব নাকি?

অরিত্র হেসে বলে, টেস্ট ম্যাচ আর টি টুয়ান্টির মধ্যে পার্থক্য ও উত্তেজনা আলাদা আলাদা থাকবে না!

অরিত্র হঠাৎ নিজের হাঁটুর উপর বসে ইশিতার শাড়ি তুলে তার আনন্দকুঞ্জে বৃষ্টি ও ঘামের গন্ধে ঠোঁট ছোঁয়ায় তীব্র চুমোয়।

ইশিতার জল ফুঁসে ওঠে, যেন তার নিঃশ্বাসের এলোমেলো হাওয়ায় উড়তে শুরু করবে এক লক্ষ নিউজপ্রিন্ট।

সে আর্তনাদ করে বলে, ‘না, উঠে আসো। উঠে আসো।’

সে বাধ্য ছেলের মতো উঠে এসে বলে, অন্তত হৃদয়ে হৃদয় মেশাও।

ইশিতা তাকে বুকে চেপে ধরতে গেলে সে বাধা দিয়ে বলে, ‘না এভাবে নয়, টাটকা বুকের সঙ্গে বুক মেলাতে চাই।’

ইশিতা একটানে ব্লাউজের বোতাম ছিঁড়ে অরিত্রর টিশার্ট গোটানো বুকে বুক রাখে।

সে তার কানে ঠোঁট রেখে বলে, তুমি চাও না কেনো?

ইশিতা তাকে ধাক্কা দিয়ে বলে, না, আমি শূন্য, আমি শূন্য।

সে একা অনেকক্ষণ দাঁড়িয়ে থাকে সিগারেটের নিকোটিনের ভেতর। তার রক্তের ভেতর পিতলের ঘণ্টায় ধনিত হয়, আমি শূন্য, আমি শূন্য।

বরাক উপত্যকায় কয়েকদিন

অরুণাভ রাহারায়

২০১৮ সালে আমি সাহিত্য আকাদেমির পক্ষ থেকে ট্রাভেল গ্র্যান্ট পেয়েছিলাম। সে বছর জুলাই মাসে একটি কবিতাপাঠের পাঠের অনুষ্ঠানে গিয়েছিলাম কলকাতার সাহিত্য আকাদেমি ভবনে। সেদিনই আমি জানতে পারি ট্রাভেল গ্র্যান্ট পেতে চলেছি। জানা মাত্রই অত্যন্ত আনন্দ হয়েছিল আমার। সেদিন আমার সঙ্গে কয়েকজন বন্ধুও ছিল। আমরা সবাই মিলে এর আনন্দ উদযাপন করেছিলাম।

এই গ্র্যান্ট পেলে সাহিত্য সম্পর্কিত বিষয়ে দেশের অন্য একটি রাজ্যে যেতে হয়। আমি আমাদের প্রতিবেশী রাজ্য অসমকে নির্বাচন করেছিলাম। আমার পৈত্রিক বাড়ি আলিপুরদুয়ারে। আর অসমে ঢোকার রাস্তাই হল এই শহর। ছোটবেলা থেকে নানা ভাবে এই রাজ্য সম্পর্কে জেনে এসেছি। পড়েছি অসমীয়া ভাষার কবিতাও। একবার একটি অনুষ্ঠানে যোগ দিতে আলিপুরদুয়ারে এসেছিলেন অসমের বিখ্যাত কবি নীলমণি ফুকন। অনুষ্ঠানের উদ্যোক্তাদের মধ্যে ছিলেন আমার বাবাও। সেবার নীলমণি ফুকনকে খুব কাছ থেকে দেখা সুযোগ পেয়েছিলাম ওই ছোটবেলায়।

ট্রাভেল গ্র্যান্ট পেয়ে আমি গিয়েছিলাম অসমের বরাক উপত্যকায়, শিলচরে। এই শহরের প্রতি আমার ভালবাসার টান। আগেও নানা অনুষ্ঠানে গিয়েছি। তবে ট্রাভেল গ্রান্ট পেয়ে শিলচরে যাওয়ার আনন্দটাই আলাদা। বেশ কয়েকদিন ছিলাম। দেখা হয়েছিল কিছু গুণী মানুষের সঙ্গে। মনে পড়ছে ঐতিহ্যবাহী কাছার ক্লাবের কথা। প্রায় প্রতিদিনই সন্ধ্যাবেলায় সেখানে যেতাম। এখানে এক সময় পোলো খেলা হত। পাশেই ছিল অজন্তা হোটেল। যেখানে আমি উঠেছিলাম।

শিলচরে পৌঁছনোর পরদিন বিশিষ্ট প্রাবন্ধিক ও অসম বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তন উপাচার্য তপোধীর ভট্টাচার্যের সঙ্গে দেখা করতে যাই। তার সান্নিধ্য পাওয়া এক বিরল ব্যাপার। দ্বাদশ শ্রেণীতে পড়ার সময় তাঁর লেখা ‘কবিতার রূপান্তর’ বইটি বহুবার পড়েছি আর মুগ্ধ হয়েছি। অনেকজন কবির কবিতাকে চিনতে পারি এই বইটি পড়ে। তাঁর সঙ্গে আগেই যোগাযোগ করেছিলাম ফোনে। তিনি আমাকে সময় দিয়েছেন। তাঁর মুখোমুখি বসে সাহিত্যের নানা বিষয়ে আলোচনা করি। আমাদের আলোচনার ঘুরে ফিরে আসে রবীন্দ্রনাথের প্রসঙ্গ। তিনি রবীন্দ্রনাথের একটি প্রবন্ধের বিশ্লেষণ করেন আমার সামনে।

এ কথা বলতেই হয়ে, তপোধীর বাবুর সঙ্গ পেয়ে আমি সেদিন ঋদ্ধ হয়েছি। তাঁর সারা বড়ি জুড়ে বই আর বই। দেওয়ালে নানা ছবি টাঙানো। একটি ছবিতে দেখলাম তিনি প্রাক্তন ক্রিকেট অধিনায়ক সৌরভ গাঙ্গুলির হাতে ডিলিট তুলে দিচ্ছে। ছবিটি প্রসঙ্গে তিনি বললেন, আমার প্রিয় খেলোয়াড়। আমি যখন অসম বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ছিলাম সেই সময় তাকে ডিলিট দিই। তপোধীর ভট্টাচার্য একাধিক গ্রন্থের রচয়িতা। অনেকে তাকে শুধু প্রাবন্ধিক হিসেবেই চেনেন। কিন্তু তিনি একজন কবি। তাঁর একাধিক কবিতার বই প্রকাশিত হয়েছে। তাঁর কবিরা আমার খুব ভাল লাগে। কোচবিহার থেকে প্রকাশিত ‘তমসুক’ পত্রিকা তপোধীর ভট্টাচার্যকে নিয়ে একটি সংখ্যা প্রকাশ করেছে। তাকে জানার জন্য এটি একটি ভাল বই।

এরপর শিলচর শহরে আমি কবিতার অনুষ্ঠানে অংশ নিই। সেখানে আরও কয়েকজন স্থানীয় কবির সঙ্গে আমার দেখা হয়। অনুষ্ঠানটি হয়েছিল অধ্যাপক অর্জুন চৌধুরীর উদ্যোগে। সেখানে এসেছিলেন বাংলা ভাষার বিশিষ্ট কবি অমিতাভ দেব চৌধুরী। তিনিও সেদিন অনেক কবিতা শুনিয়েছিলেন তাঁর বই থেকে। দেখা হয়েছিল তরুণ কবি শতদল আচার্যের সঙ্গে। তিনি কর্মসূত্রে শিলচরে অবস্থিত অসম বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে যুক্ত।

এরপর দিন আমার কবিতা পাঠ ছিল অসম বিশ্ববিদ্যালয়ের তুলনামূলক সাহিত্য বিভাগে। এই বিভাগটি প্রতিষ্ঠা করেছিলেন কবি অলোকরঞ্জন দাশগুপ্ত। সেখানে আমার কবিতা শুনতে এসেছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ছত্রছাত্রীরা। আমি সেদিন আমার নতুন কবিতার বইয়ের পাণ্ডুলিপি থেকে একাধিক কবিতা পাঠ করেছিলাম। পড়ুয়াদের মুখোমুখি বসে কবিতা পড়ার আনন্দ আজও ভুলতে পারি না। ২০১৮ সালে আমি যখন অসমে গিয়েছিলাম তখন NRC-র কারণে উত্তাল সারা রাজ্য। শিলচর থেকে আমার যাওয়ার কথা ছিল গুয়াহাটিতে। কিন্তু সেখানে তখন ধর্মঘট চলছিল। তাই আমি প্ল্যান পালটে ফিরে আসি কলকাতায়।

চায়ে পে চর্চা: দু’টি পাতা একটি কুঁড়ির হাজার গুণাগুন

Different Kinds Of Tea And Their Health Benefits

পিয়ালি মণ্ডল: কমবেশি সবাই চায়ের সবচেয়ে সাধারণ দুটি প্রকারের সঙ্গেই পরিচিত৷ এক কালো চা এবং দুধ চা। কিন্তু আপনি কি জানেন, আটেরও বেশি চা আছে? আর প্রতিটি চায়ের সুবাস-স্বাদ এবং আপনার স্বাস্থ্যর উপকারে এক এবং অনন্য! কিছু সাধারণ সুগন্ধি চা কীভাবে আপনার স্বাস্থ্যের উন্নতি করতে পারে, সেই সম্পর্কে বিস্তারিত জানুন

সবুজ চা (Green Tea): এই চা পাতাগুলি সর্বনিম্ন অক্সিডাইজড যুক্ত৷ সেজন্য এগুলি থেকে তৈরি চা হালকা রঙের হয়। বিভিন্ন চায়ের মধ্যে এতে অ্যান্টি-অক্সিডেন্টের সর্বোচ্চ মাত্রা এবং সর্বোচ্চ ঘনত্ব রয়েছে৷ এগুলি শরীরের কিছু অংশে ক্যান্সারের সূত্রপাত রোধ করতে সহায়তা করে৷ সেই অঙ্গগুলি হল মূত্রাশয়, স্তন, শ্বাসযন্ত্র, পেট, রেকটাল এবং অগ্ন্যাশয়৷ আপনি কি দীর্ঘ এবং সুস্থ জীবনযাপন করতে চান? গবেষণায় দেখা গিয়েছে, নিয়মিত গ্রিন-টি পান করলে আপনি দীর্ঘায়ু হতে পারেন৷

ওলং চা (Oolong Tea): আপনার উচ্চ রক্তচাপ? ওলং চা আপনাকে সাহায্য করতে পারে উচ্চ রক্তচাপ কমাতে৷ ওলং চা হল গ্রিন-টিকে কালো চায়ে পরিণত করার প্রক্রিয়ার মধ্যম পর্যায়। এটি প্রধানত কোলেস্টেরলের মাত্রা (এলডিএল) কমানোর ক্ষমতার জন্য বিখ্যাত। এটি ভালো কোলেস্টেরল (এইচডিএল) উৎপাদন বৃদ্ধি করতে পারে৷ যা আপনার হৃদয়কে সুস্থ রাখতে সাহায্য করবে।

সাদা চা (White Tea): সাদা চা একই গাছ থেকে আসে৷ যেখান থেকে আপনি সবুজ চা, ওলং বা কালো চা পান। এই পাতাগুলি খোলার আগেই কেটে ফেলা হয় এবং এগুলি সূক্ষ্ম সাদা লোম দ্বারা আবৃত থাকে৷ আপনার কি ওজন বেশি? আপনি যদি ওজন কমাতে চান, তাহলে হোয়াইট টি আপনার প্রতিদিনের সঙ্গী হওয়া উচিত। এটি আপনার ডায়াবেটিস হওয়ার ঝুঁকিকে কমাতে পারে। হোয়াইট টি’তে রয়েছে ক্যাটেচিন নামক যৌগ৷ যা আপনার হাড়কে শক্তিশালী করে এবং অস্টিওপরোসিস প্রতিরোধ করে।

পু-এরহ চা (Pu-erh-Tea): এটি চায়ের অল্প পরিচিত রূপগুলির মধ্যে একটি৷ যা চা-গাছ থেকে আসে। এটি একটি খুব শক্তিশালী চা এবং এর সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ সুবিধা হল. এটি আপনার মস্তিষ্ককে তীক্ষ্ণ, মনোযোগী এবং সুস্থ রাখতে সাহায্য করে। পু-এরহ চায়ের আর একটি সুবিধা হল, এটি শরীরে রক্ত সঞ্চালন বৃদ্ধিতে খুবই কার্যকর।

Different Kinds Of Tea And Their Health Benefits

ভেষজ চা (Herbal tea): সব চা ক্যামেলিয়া সিনেনসিস থেকে আসে না। ঔষুধি এবং মিষ্টি-গন্ধযুক্ত ভেষজের নির্যাস থেকে তৈরি ব্রুগুলিকে চাও বলা হয়। এখানে কিছু জনপ্রিয় ভেষজ চা এবং তাদের সুবিধা রয়েছে।

ক্যামোমাইল চা ( Chamomile tea): এই চা শুকনো ক্যামোমাইল ফুল থেকে তৈরি হয়৷ এর অনেক উপকারিতা রয়েছে৷ তার মধ্যে হল এটি আপনার অনিদ্রা দূর করে, আপনার স্ট্রেসের বিরুদ্ধে লড়াই করে এবং সাধারণ কাশি ও সর্দি প্রতিরোধ করে।

মেন্থল চা (Peppermint tea): পেপারমিন্ট পাতা সিদ্ধ করে ছেঁকে এই চা তৈরি করা হয়৷ যা খুবই উপকার আপনার জন্য৷ কেন আপনার এই চা খাওয়া উচিত? এই চায়ের সুবিধার জন্য৷ এটি আপনার বিপাক গতি বাড়ায়৷ এটি আপনার হজমে সাহায্য করে৷
পেটের ব্যাথা দূর করে।

আদা চা (Ginger tea): সকাল শুরু করার সেরা উপায় কি? অবশ্যই আদা চা পান করা৷ এটি অ্যান্টি-অক্সিডেন্টে পূর্ণ৷ যা আপনার দেহের প্রদাহ কমাতে এবং আপনার হৃদয়কে সুস্থ রাখতে সাহায্য করে। এর অন্যান্য সুবিধা হল প্রাকৃতিকভাবে ব্যাথা কমায়, বমি বমি ভাব দূর করে এবং কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করে।

হিবিস্কাস চা (Hibiscus tea ): এই চা-পাতা জবা ফুলের নির্যাস থেকে তৈরি হয়৷ এখানে এই চা এর কিছু সুবিধা রয়েছে৷ এই চা ফ্লু প্রতিরোধ করে, উচ্চ রক্তচাপ কমাতে সাহায্য করে এবং আপনার শরীর থেকে খারাপ কোলেস্টেরল দূর করে।

লেবু চা ( Lemoan tea): লেবু চা আপনার কেন খওয়া দরকার? কারণ, এটি আপনার রক্তনালী থেকে প্লাক দূর করে, আপনার হার্ট-সুস্থ রাখে, আপনার মেজাজ ফুরফুরে করে।

তোমাকে ছেড়ে যাচ্ছি, সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট সৌরভের, কাকে ছেড়ে যাওয়ার কথা বলছেন

sourav

বেশ কিছুদিন আগেই সোশ্যাল মিডিয়া থেকে নিজেকে গুটিয়ে নিয়েছিলেন অভিনেতা সৌরভ দাস। তাঁর বোনের সঙ্গে তাঁর সম্পর্ক নিয়ে তোলপাড় হয়েছিলো নেটদুনিয়া। সেই সময় একটি ভিডিও সামনে আসে। সৌরভকে নিজের বোনের সঙ্গে খারাপ আচরণ করার জন্য দায়ী করা হয়। একাধিক নেটাগরিকদের কাছ থেকে ট্রোলের শিকার হতে হয় অভিনেতাকে। এমনকি তাঁর মা-বাবাকে নিয়েও কুরুচিকর মন্তব্য করা হয়। এরপরই সৌরভ সিদ্ধান্ত নেন সোশ্যাল মিডিয়া থেকে বিরতি নেবেন। তবে বেশি দিন সোশ্যাল মিডিয়া থেকে নিজেকে দূরে রাখতে পারেননি সৌরভ। বর্তমানে আবারও স্বমহিমায় ফিরেছেন সোশ্যাল মিডিয়ায়।

সম্প্রতি অভিনেতাকে ইনস্টাগ্রামে একটি ছবি পোস্ট করতে দেখা যায়। ছবিতে দেখা যাচ্ছে জানলায় বসে রয়েছেন তিনি। জানলা দিয়ে সমুদ্র দেখা যাচ্ছে। মুম্বইয়ের জুহুর একটি হোটেল থেকে এই ছবি তোলা হয়েছে। ছবিটি পোস্ট করে তিনি জানান, তোমাকে ছেড়ে যাচ্ছি। খুব তাড়াতাড়ি আবার ফিরব বলে। প্রথমে অনেকেই বোঝার চেষ্টা করছিলেন কার সম্বন্ধে সৌরভ এই কথা বলছেন! পরে এই বিষয়টি পরিষ্কার হয়ে যায়।

গত কয়েকদিন ধরেই মুম্বইতে ছিলেন সৌরভ। বিটাউনের শহর থেকে একাধিক ছবি সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করতে দেখা যায় সৌরভকে। তাঁর পোস্টে পরিষ্কার হয়ে যায় কোনও প্রজেক্টের শুটিং করতেই মুম্বই পাড়ি দিয়েছেন অভিনেতা। মিরর সেলফি দিয়ে তিনি ক্যাপশন দিয়েছিলেন স্বপ্নের শহরে প্রথম দিনের শুটিং। স্বভাবতই সম্প্রতি তাঁর পোস্টের লেখাতে বোঝা যাচ্ছে, আসলে মুম্বই শহর ছেড়ে আসার কথা বলেছেন সৌরভ। ইতিমধ্যেই টলিউডে নিজের অভিনয় দিয়ে সকলের মনেই জায়গা করে নিয়েছেন তিনি। সৌরভের এই পোস্টের পর তাঁর অনুরাগীরা অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছেন কবে বলিউডের রুপোলী পর্দায় সৌরভের দেখা পাওয়া যাবে।

রাহুলের সঙ্গে নিজের সম্পর্ক নিয়ে মুখ খুললেন ধারাবাহিকের সারদা মা, অকপট সন্দীপ্তা

tollywood

বর্তমানে বাংলা টেলিভিশনে অন্যতম জনপ্রিয় মুখ সন্দীপ্তা সেন। সম্প্রতি জনপ্রিয় ধারাবাহিক ‘রানী রাসমণি’-তে সারদার চরিত্রে কামব্যাক করেছেন অভিনেত্রী। ছোট পর্দায় অভিনয়ের মাধ্যমে নিজের কেরিয়ার শুরু করেন সন্দীপ্তা। এরপর বেশ কিছু ওয়েবসিরিজে তাঁকে অভিনয় করতে দেখা যায়। সম্প্রতি পরিচালক অঞ্জন দত্তের ওয়েবসিরিজ ‘মার্ডার ইন দ্যা হিলস’-এ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকায় অভিনয় করতে দেখা গেছে তাঁকে।

সব মিলিয়ে নিজের পেশাদার জীবনে বেশ ব্যস্ত সন্দীপ্তা। তবে এরই মাঝে রাহুল বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে তাঁর বিশেষ বন্ধুত্ব নিয়ে মুখ খুললেন সন্দীপ্তা। বেশ কিছুদিন ধরেই টলি-পাড়ায় গুঞ্জন ছিল রাহুল এবং সন্দীপ্তার মধ্যে বিশেষ সম্পর্ক রয়েছে। পুরুলিয়া হোক কিংবা বেনারস একসঙ্গে ছুটি কাটাতে দেখা গেছে সন্দীপ্তা এবং রাহুলকে। সেই সময় থেকেই নেটাগরিকদের মনে প্রশ্ন জাগে তবে কী প্রিয়াঙ্কার সঙ্গে রাহুলের সম্পর্কের অবনতির কারণ সন্দীপ্তা? এই নিয়ে একাধিকবার প্রশ্নের মুখে পড়েন অভিনেত্রী। তবে কোনও সময়ই এই বিষয়ে খোলামেলা কথা বলতে চাননি অভিনেত্রী। তবে এবারে রাহুলের সঙ্গে তাঁর সম্পর্ক নিয়ে অকপটে সবকিছু জানানলেন সন্দীপ্তা।

সম্প্রতি এক সংবাদমাধ্যমকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে সন্দীপ্তা জানান, কোনও দিনই রাহুলের সঙ্গে তাঁর প্রেমের সম্পর্ক ছিল না। তাঁরা দু’জনে ভালো বন্ধ। বর্তমানে অনস্ক্রিন রাজা-মাম্পির প্রেম জমজমাট, ব্যক্তিগত জীবনেও নাকি এই প্রেম প্রভাব ফেলেছে। সন্দীপ্তা জানান, ‘তুমি আসবে বলে’ ধারাবাহিকের সময়ও তাঁকে এবং রাহুলকে নিয়ে অনেক লেখালিখি হয়। এইসব নিয়ে মাথা ঘামাতে নারাজ সন্দীপ্তা। অভিনেত্রী আরও জানান, প্রিয়াঙ্কার সঙ্গে তাঁর খুব ভালো বন্ধুত্ব নেই, তবে কিছুদিন আগে একটি গানের ভিডিও শুটে একসঙ্গে কাজ করেছেন তাঁরা। প্রিয়াঙ্কার সঙ্গে দেখা হলে হাসি মুখে কথা না বলার মতো কোনও কারণ খুঁজে পাননি সন্দীপ্তা।

নাসিরের সঙ্গে বিয়েটা অনেকটা লটারি কাটার মতো ছিল, অকপট মন্তব্য অভিনেত্রী রত্না পাঠক শাহের

bollywood

দেখতে দেখতে প্রায় ৩৯ টা বছর একসঙ্গে কাটিয়ে ফেলেছেন নাসিরুদ্দিন শাহ এবং রত্না পাঠক শাহ। বলিউডের গ্ল্যামার, জনপ্রিয়তা, ব্যস্ততা সব কিছু কাটিয়ে এতো বছর ধরে কাধে কাধ মিলিয়ে সংসার করছেন এই অভিনেতা দম্পত্তি। স্বভাবতই ভক্তদের মনে প্রশ্ন উঠছে কীভাবে হাসি মুখে এতগুলো বছর একসঙ্গে কাটিয়ে দিলেন দু’জনে? অভিনেত্রী রত্না পাঠক নিজেই এই প্রশ্নের উত্তর দিলেন।

এক সংবাদমাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে অভিনেত্রী জানান, নাসিরের সঙ্গে তাঁর মিয়ে হওয়াটা অনেকটা লটারি কাটার মতো ছিল। নাসিরের সঙ্গে প্রথম দেখা হওয়া থেকে শুরু করে বিয়ে, সেই সব রঙিন দিনের স্মৃতিচারণ করলেন রত্না। অভিনেত্রী জানান, ১৯৭৫ সালে নাসিরের সঙ্গে তাঁর প্রথম দেখা হয়। একসঙ্গে থিয়েটারে অভিনয় করতেন তাঁরা। তাঁদের অভিনীত প্রথম থিয়েটার ছিল ‘সম্ভোগ সে সন্ন্যাস তক’। একসঙ্গে মহড়া দিতে দিতেই প্রেমের সম্পর্কে জড়িয়ে পড়েন দু’জনে। এরপর টানা ৭ বছর চুটিয়ে প্রেম করে অবশেষে ১৯৮২ সালে বিয়ের বন্ধনে আবদ্ধ হন নাসিরুদ্দিন শাহ এবং রত্না পাঠক শাহ।

অভিনেত্রী আরও জানান, নাসিরের সঙ্গে তাঁর বিয়ে হওয়াটা অনেকটা লটারি কাটার মতো। যা খুশি হতে পারত। বেশ ঝুঁকিও ছিল। তবে পরে রত্না দেখলেন তাঁদের দু’জনেরই ভাগ্য খুব ভালো ছিল। অভিনেত্রীর মতে নাসিরের সঙ্গে তাঁর বিয়ে বেশ সাদামাটা ছিল। বিয়ের গোটা বিষয়টা জুড়ে ছিল হাসি, মজা, আনন্দ, খুনসুটি। নিজের বাড়ি ছেড়ে নাসিরের বাড়ি যাওয়ার সময় কান্নাকাটি ছিল না। হাসতে হাসতে বললেন রত্না। বর্তমানে তাঁদের দুটি ছেলে রয়েছে। তাঁদের বিয়ে দিতেই এখন ব্যস্ত এই অভিনেতা দম্পতি।

কেবল রাজনীতির স্বাধীনতাই কি প্রকৃত স্বাধীনতা, কোন ইঙ্গিত কোয়েলের পোস্টে

koel

দেশের ৭৫ তম স্বাধীনতা দিবস পালন করা হল সর্বত্র। এই বিশেষ দিনে টলি থেকে বলি প্রায় সব তারকারাই নিজেদের মতামত প্রকাশ করেছেন। স্বাধীনতা নিয়ে নানান ভাবনা সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করেছেন অনেকেই। তাঁদের মধ্যে বাদ যাননি কোয়েল মল্লিকও। স্বাধীনতা দিবসের দিন ইনস্টাগ্রামে একটি ভিডিও পোস্ট করেন অভিনেত্রী।

ভিডিওতে কোয়েলকে স্বাধীনতা নিয়ে নিজের চিন্তা ভাবনার কথা দর্শকদের সঙ্গে শেয়ার করতে দেখা যায়। ভিডিওতে তিনি জানান, ধর্ম, জাতপাতের ভেদেভেদ না করা মানেই তাঁর কাছে স্বাধীনতা। ভয় না পেয়ে নিজের মতামত সকলের সামনে প্রকাশ করাই, তাঁর কাছে স্বাধীনতা। তাঁর মতে স্বাধীনতা কখনই উৎশৃঙ্খলতা হতে পারে না, স্বাধীনতা মানে নিজের উপর নিয়ন্ত্রণ রেখে চলা। মানুষের নির্ভীক হাসিতেই আমি স্বাধীনতা দেখতে পাই বলে জানান অভিনেত্রী। কোয়েল বরাবরই প্রকাশ্যে নিজের মতামত প্রকাশ করতে দ্বিধাবোধ করেন না।

 
 
 
 
 
View this post on Instagram
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 

A post shared by Koel Mallick (@yourkoel)

কোয়েল আরও জানান, স্বাধীনতা শব্দটির ব্যাপ্তি অনেক। স্বাধীনতা মানে শুধু রাজনৈতিক স্বাধীনতা নয়, নারী পুরুষ নির্বিশেষে তাঁদের যোগ্যতা অনুযায়ী উপযুক্ত কাজ করতে পারা। কোনও অনুমতির অপেক্ষা না করে অসহায় মানুষকে দেখে সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দেওয়াই কোয়েলের স্বাধীনতা। কোয়েলের এই ভিডিওতে বেশ আনন্দিত হয়েছেন তাঁর ভক্তরা। এর আগেও বহুবার সোশ্যাল মিডিয়ায় অভিনেত্রীকে বেশকিছু গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে মন খুলে কথা বলতে দেখা গেছে। তবে অভিনেত্রীর স্বাধীনতা দিবসের পোস্টের তারিফ করতে ভুলচ্ছেন না কেউই।

বড় পর্দায় এবার শাহ-কন্যা, করণ জোহর নন, তবে কার হাত ধরে বলিউডে সুহানা

suhana

নিজের ছেলেমেয়েদের কেরিয়ার নিয়ে বরাবরই খোলা মনে কথা বলেছেন শাহরুখ খান। এর আগেই কিং খান জানান, তাঁর ছেলে অভিনেতা হতে চান না। অভিনেতা হওয়ার কোনও ইচ্ছেও আরিয়ানের নেই। তবে তাঁর কন্যা সুহানা অভিনেত্রী হতে চান। ইতিমধ্যেই কিছু শর্ট ফিল্মে অভিনয় করতে দেখা গেছে সুহানাকে। তবে এবারে বড় পর্দায় ডেবিউ করতে চলেছেন শাহরুখ কন্যা।

শাহরুখ এবং করণ জোহরের বন্ধুত্ব নতুন নয়। অনেক বছরের বন্ধুত্ব দুজনের মধ্যে। যাকে বলে একেবারে গলায় গলায়। বলতে গেলে দু’জনে একই সঙ্গে নিজেদের কেরিয়ার শুরু করেছিলেন। স্বভাবতই সবাই ভেবেছিলেন অন্য স্টার কিডদের লঞ্চ করার মতো শাহরুখ কন্যাকেও লঞ্চ করবেন পরিচালক করণ জোহর। তবে এক্ষেত্রে ধরা পড়লো অন্য ছবি। স্টার কিডদের লঞ্চ করানকে কেন্দ্র করে নেপটিজমের আঙুল উঠে করণের উপর। একটা সময় বিতর্কের ঝড় বয়ে যায় পরিচালকের জীবনে। ব্যপক ট্রোলের শিকার হতে হয় তাঁকে। আলিয়া ভাট্ট থেকে শুরু করে অনন্যা পাণ্ডে সকলকেই লঞ্চ করেছেন তিনি। তাই এবারে প্রিয় বন্ধুর কন্যার বেলা পিছিয়ে এলেন করণ। তাঁর বদলে দায়িত্ব নিলেন ফারহান আখতারের বোন পরিচালক জোয়া আখতার।

সূত্রের খবর অনুযায়ী ইতিমধ্যেই প্রস্তুতি শুরু হয়ে গেছে। একটি আন্তর্জাতিক কমিক গল্পকে পর্দায় রূপ দিতে চলেছেন পরিচালক জোয়া। ওটিটি প্ল্যাটফর্মে মুক্তি পেতে পারে এই ছবি। ছবিতে মুখ্য ভূমিকায় অভিনয় করতে দেখা যাবে শাহরুখ কন্যা সুহানাকে। সুহানা ছারাও এই ছবির জন্য অনেক কিশোর-কিশোরীর প্রয়োজন। তাই অনুমান করা যাচ্ছে শুধু সুহানা নয় তাঁর পাশাপাশি আরও অনেক নতুন মুখ দেখা যাবে এই ছবিতে।

যোগীকে ঠেকাতে মমতায় ভরসা উত্তর প্রদেশ

নিউজ ডেস্ক: রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞরা বলছেন, জাতীয় রাজনীতিতে ক্রমশ উত্থান হচ্ছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের। অবশ্য সে উত্থান তৃণমূল নেত্রী বা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় হিসেবে নয়, কারণ বহুদিন আগেই জাতীয় রাজনীতিতে নিজের গুরুত্ব বাড়িয়েছেন তিনি। এবার তাঁর উত্থান হচ্ছে নরেন্দ্র মোদী বা বিজেপির শিবিরের বদলি হিসেবে।

আরও পড়ুন বিজেপির বিরুদ্ধে একাই লড়াই করছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়: ব্রাত্য বসু

কয়েকমাস আগেই পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভায় বিপুল ভোটে জিতে তৃতীয়বারের মতো মুখ্যমন্ত্রী পদে শপথ নিয়েছেন তৃণমূল সুপ্রিমো। তারপরেই দেশের একাধিক রাজ্যে নিজেদের সংগঠন মজবুত করতে উঠেপড়ে লেগেছে তৃণমূল কংগ্রেস। সদ্য ত্রিপুরা থেকে ফিরেছে তাদের যুব নেতৃত্ব। সেখানে তাদের ওপর হামলা হওয়ায় প্রায় সঙ্গে সঙ্গেই পড়শি রাজ্যে গিয়েছিলেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। অন্যদিকে দিল্লি গিয়ে বিরোধী শিবিরের নেতা-নেত্রীদের সঙ্গে বৈঠক সেড়ে এসেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও। এবার আসন্ন উত্তরপ্রদেশ বিধানসভা নির্বাচনেও বিজেপিকে টক্কর দিতে তৈরি হচ্ছে তৃণমূল নেতৃত্ব।

আগামী বছর উত্তরপ্রদেশ ভোটের দিকে তাকিয়ে বিরোধী শিবির। তারমধ্যেই যোগী আদিত্যনাথের নেতৃত্বাধীন পদ্মশিবিরকে চাপে ফেলতে বাংলার মুখ্যমন্ত্রী তথা তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নাম তুলে আনলেন রাজ্যের বিরোধী শিবিরের অন্যতম মুখ এবং রাষ্ট্রীয় লোকদলের নেতা জয়ন্ত চৌধরি। তিনি জানিয়েছেন, “বিজেপির বিরুদ্ধে লড়াইয়ে বিরোধী শিবিরকে এককাট্টা হতে হবে। একইসঙ্গে বিজেপির উপর চাপ বাড়াতে সকলে মিলে আমন্ত্রণ জানাক বাংলার মুখ্যমন্ত্রীকে।” কিন্তু সেই রাজ্যের অখিলেশ-মায়াবতীকে বাদ দিয়ে কেন মমতা?

আরও পড়ুন বাংলার ইতিহাস বলছে তাঁরা চিরকাল বিপ্লবে নেতৃত্ব দিয়ে এসেছে, মমতার সঙ্গে সাক্ষাতের পর বললেন জাভেদ আখতার

আগ্রায় এক সমাবেশে আরএলডি কর্মীদের উদ্দেশ্যে বক্তব্য রাখতে গিয়ে তাঁর ব্যাখ্যা, “নরেন্দ্র মোদীর বিরোধিতায় চোখে চোখ রেখে লড়ছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বাংলায় যে ভাবে তিনি ক্ষমতাশালী হয়ে উঠেছেন, তা বিজেপির রাতের ঘুম কেড়ে নিয়েছে। আর সে কারণেই ২০২২-এর বিধানসভা ভোটের দিকে তাকিয়ে বিরোধী-জোটের উচিত মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে আমন্ত্রণ জানানো।”

বেশ কয়েক বছর আগে উত্তরপ্রদেশে তৃণমূলকে শক্তিশালী করতে সক্রিয় হয়েছিলেন তৃণমূল সুপ্রিমো। পরবর্তীকালে অবশ্য তার বাস্তবায়ন সম্ভব হয়নি। কিন্তু বাংলায় বিধানসভা ভোটের আগে থেকে তাঁর সক্রিয় বিজেপি-বিরোধিতা এবং নরেন্দ্র মোদী-অমিত শাহদের বাংলা দখলের সব চেষ্টায় জল ঢেলে রাজ্যে বিপুল সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে ফিরে আসা অন্য বিরোধী দলগুলির নজর কেড়েছে।

আরও পড়ুন মুখ্যমন্ত্রী মমতাকে রাক্ষসী বলে কটাক্ষ বিজেপি বিধায়কের

বাংলায় বিধানসভা ভোটের ফল প্রকাশের পর থেকে মমতা অন্য বিরোধী দলগুলিকে পাশে নিয়ে নিরন্তর বিজেপি-বিরোধী লড়াইয়ের ডাক দিচ্ছেন। এই অবস্থায় রাজনৈতিক শিবিরের অনেকে বলছেন, বাস্তব পরিস্থিতির কথা মাথায় রেখেই উত্তরপ্রদেশে ভোটের আগে সব বিরোধী দলকে একজোট করা প্রয়োজন। সেই লড়াইয়ে মমতার বিজেপি-বিরোধী ভাবমূর্তিকে কাজে লাগালে বিজেপির উপরে চাপ অনেকটাই বাড়বে বলে মত তাঁদের।

শরীরের মাপ ৩৬-২৬-৩৬ রাখতে বিশেষ নজর ঋতাভরীর

Ritabhari Chakraborty

বায়োস্কোপ ডেস্ক: টলিউডের অন্যতম সাহসী অভিনেত্রীদের মধ্যে বেশ উপরের দিকেন আছেন ঋতাভরী চক্রবর্তী। অভিনয়ের পাশাপাশি মডেল হিসেবেও ব্যপক জনপ্রিয়তা অর্জন করেছেন তিনি। বরাবরই সত্যি কথা ভয় না পেয়ে সবার সামনে বলতে দ্বিধাবোধ করেন না তিনি। সোশ্যাল মিডিয়াতেও বেশ একটিভ ঋতাভরী। জীবনের বিভিন্ন মুহূর্তের ছবি এবং ভিডিও ভক্তদের সঙ্গে শেয়ার করতে ভালোবাসেন এই অভিনেত্রী। তবে এবারে সোশ্যাল মিডিয়ায় নিজের অবসাদের কথা শেয়ার করলেন ঋতাভরী।

Ritabhari-Chakraborty

সম্প্রতি ইনস্টাগ্রামে নিজের জিম সেশনের পর আয়নার সামনে দাঁড়িয়ে একটি ছবি পোস্ট করেন ঋতাভরী। ছবির ক্যাপশনে তিনি জানান, একটা সময় তিনি ডায়েট মেনে চলতেন। শরীরে একটুও মেদ জমেছে কী না তা দেখার জন্য আয়নার সামনে দাঁড়িয়ে রোজ ছবি তুলতেন তিনি। তবে ৮ মাস আগেই তাঁর শরীরে পর পর ২ টি অস্ত্রোপচার হয়। এর পর থেকেই তাঁর জীবন অনেকখানি পালটে যায়। অস্ত্রোপচার ঠিকভাবে হলেও ধীরে ধীরে অবসাদ নেমে আসে তাঁর জীবনে। বর্তমানে শারীরিক সমস্যা না থাকলেও মানসিক সমস্যায় ভুগছেন তিনি।
ঋতাভরী আরও জানান, ২০১৩ সাল থেকেই তিনি অনেক ওয়ার্কআউট এবং ডায়েট মেনটেন করে চলেন।

শরীরের মাপ যাতে ৩৬-২৬-৩৬ থাকে সেই দিকে বিশেষ নজর দিতেন অভিনেত্রী। তবে ৮ মাস আগের সার্জারি সব বদলে দেয়। অভিনেত্রীর কথায়, ওই সময় তিনি নড়াচড়াও করতে পারতেন না। বেশিরভাগ সময়ই কাটাতেন বিছানায়। শুধু ভাবতেন কখন এই যন্ত্রণার অবসান ঘটবে। তবে এখনও নিজের অবসাদ নিয়ে মুখোমুখি কথা বলতে চাননি অভিনেত্রী। খুব শীঘ্রই বড় পর্দায় বড় ভাবেই ফিরতে চলেছেন তিনি। এমনটাই আভাস দেন ঋতাভরী।

সপ্তাহের মাঝেই রাজের হাউস পার্টিতে উপস্থিত একাধিক টলি তারকা

Multiple tolly stars present at Raj's house party in the middle of the week

বায়োস্কোপ ডেস্ক: টলিউড হোক কিংবা বলিউড উইকেন্ড পার্টির অনন্দে মজে থাকতে ভালোবাসেন প্রায় সব তারকারাই। কিন্তু এবারে উইকেন্ড পার্টি নয় সপ্তাহের মাঝখানেই হাউজ পার্টির আয়োজন করলেন পরিচালক তথা বিধায়ক রাজ চক্রবর্তী এবং অভিনেত্রী শুভশ্রী গাঙ্গুলি। গত বুধবারের এই হাউজ পার্টিতে একাধিক তারকাদের দেখা মেলে। এই পার্টিতে উপস্থিত ছিলেন অঙ্কুশ হাজরা, ঐন্দ্রিলা সেন, সংগীত পরিচালক জিত গাঙ্গুলি ও তাঁর স্ত্রী চন্দ্রানী গাঙ্গুলি, পরিচালক বাবা যাদব।

সম্প্রতি সোশ্যাল মিডিয়ায় একটি ছবি পোস্ট করেন ঐন্দ্রিলা সেন। পাশাপাশি শুভশ্রীও ওই হাউজ পার্টির বেশকিছু ছবি সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করেন। তার মধ্যে একটি ছবিতে দেখা যায় রাজ এবং ছোট্ট ইউভান একসঙ্গে কাউচে বসে আছে। এই ছবির ক্যাপশনে অভিনেত্রী শুভশ্রী বুঝিয়ে দেন রাজ এবং তাঁর ছেলে ইউভানই এখন তাঁর দুনিয়া। ছবিটি ইতিমধ্যেই নেটদুনিয়ায় বেশ ভাইরাল হয়েছে। ছোট্ট ইউভান-এর জন্য একাধিক কমেন্টে ভরে যায় পোস্টটি।

অন্যদিকে ঐন্দ্রিলাও নিজের ইনস্টাগ্রামে ওই হাউজ পার্টির একটি ছবি পোস্ট করেন। ছবি পোস্ট করে অভিনেত্রী ক্যাপশনে লিখেছেন, ‘ব্যস্ত দিনের পর একটা সুন্দর সন্ধ্যা কাটলো’। সম্প্রতি বাবা যাদবের পরিচালনায় একটি থ্রিলার ছবিতে একসঙ্গে অভিনয় করছেন অঙ্কুশ এবং শুভশ্রী। যদিও এই ছবির শুট শুরু হয়েছিলো প্রায় ২ বছর আগে। তবে করোনা পরিস্থিতি এবং অভিনেত্রীর মা হওয়ার কারণে এতদিন শুট বন্ধ ছিল। এখন সব স্বাভাবিক হওয়াতে আবারও নতুন করে শুট চালু হল। নেটিজেনদের মতে একসঙ্গে কাজ করার সুবাদেই হাউজ পার্টিতে ওই তারকাদের আমন্ত্রন জানিয়ে ছিলেন রাজ এবং শুভশ্রী।

ক্যামেরার সামনে নিজের পোশাক নিজেই খুলে ছুঁড়ে ফেললেন মিমি, ভাইরাল ভিডিও

mimi

মিমি চক্রবর্তী, টলিউডে যাঁর দাপট এক কথায় বলতে গেলে সেরার সেরা। সেলেব দুনিয়ায় ঝড় তোলা এই হট টলি ডিভা নিজের রূপে ও অভিনয় গুণে কাবু করে রেখেছেন আট থেকে আশিকে। লোকসভার সদস্য হওয়ার পাশাপাশি নিজের এলাকার সকলের পাশে বিপদে দাঁড়ানো, আবার পাল্লা দিয়ে লাইট-ক্যামেরা অ্যাকশন শব্দের সঙ্গে তাঁর সম্পর্ক, সব মিলিয়ে যাকে বলে তাঁর জনপ্রিয়তা তুঙ্গে। 

এরই সুবাদে নেট দুনিয়ায় নিত্য লক্ষ্য লক্ষ্য ভক্তের ভিড় জমে। মিমি একটি ভিডিও হোক বা ছবি, শেয়ার করা মাত্রই হয়ে ওঠে পলকে ভাইরাল। তবে এবার এ কি কাণ্ড ঘটালেন মিমি চক্রবর্তী! সোজা ক্যামেরার সামনেই বদলে ফেললেন পোশাক, মুহূর্তে এই ভিডিও ছড়িয়ে পড়ে, না তেমন কিছু নয়, বরং টিকটক ট্রেন্ড বা রিল ফলো করেই এই ভিডিও তৈরি। 

 
 
 
 
 
View this post on Instagram
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 

A post shared by Mimi (@mimichakraborty)

বেশ কয়েকদিন ধরেই মিমি চক্রবর্তী কালো পোশাকে ছবি শেয়ার করে ভক্তদের মনে ঝড় তুলেছেন। সেই পোশাকেই এবার এক মজার ভিডিও শেয়ার করে নিলেন। যেখানে প্রথমে তাঁকে দেখা যায় একটি সাদা পোশাক পরে থাকতে, পরবর্তীতে তিনি তা পলকে পাল্টে কালো পোশাকে চেনা লুকে ধরা দিলেন, আর এতেই এখন দিব্যি মজে রয়েছে নেট দুনিয়া। 

অভিনয় ছাড়াও শ্রুতির একটি বিশেষ গুণ আছে, জানেন কী সেই গুণ

shruti

বর্তমানে বাংলা টেলিভিশন ইন্ডাস্ট্রিতে জনপ্রিয় মুখ শ্রুতি দাস। তবে ইন্ডাস্ট্রিতে এসেছেন বেশি দিন হয়নি। কিন্তু ইতিমধ্যেই ধারাবাহিকে অভিনয় করে দর্শকদের মনে জায়গা করে নিয়েছেন এই অভিনেত্রী। নিজের প্রথম ধারাবাহিকেই নিজের অভিনয় গুনে দর্শকদের মাত করে দিয়েছিলেন তিনি। বর্তমানে ‘দেশের মাটি’ ধারাবাহিকে তাঁর অভিনয় দেখছেন দর্শকরা। অভিনয়ের পাশাপাশি শ্রুতির আরও একটি বিশেষ গুণ রয়েছে। এবারে সেই গুণের বহিঃপ্রকাশ ঘটলো সোশ্যাল মিডিয়ায়।

অভিনয়ের পাশাপাশি সোশ্যাল মিডিয়াতেও তিনি বেশ একটিভ। হামেশাই নিজের বিভিন্ন মুহূর্তের ছবি সোশ্যাল মিডিয়ায় ভক্তদের সঙ্গে শেয়ার করতে দেখা যায় তাঁকে। এবারে সেই সোশ্যাল মিডিয়াতেই নিজের বিশেষ গুণের পরিচয় দিলেন শ্রুতি। অভিনয়ের পাশাপাশি শ্রুতি খুব ভালো গানও গাইতে পারেন। সম্প্রতি নিজের ইনস্টাগ্রামে একটি ভিডিও পোস্ট করেছেন অভিনেত্রী। ভিডিও দেখে নেটাগরিকদের অনুমান কোথাও বেড়াতে গিয়েছেন অভিনেত্রী। সেখানেই বন্ধুদের সঙ্গে বসে গান গাইছেন শ্রুতি।

 
 
 
 
 
View this post on Instagram
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 

A post shared by Shruti Das (@shrutidas_real)

 নিজের টেলিভিশন কেরিয়ারে বেশি দিন হয়নি। তবে এর মধ্যেই বেশ জনপ্রিয় হয়ে উঠেছেন শ্রুতি। এর আগে নিজের গায়ের রং-এর জন্য নেটিজেনদের কাছ থেকে কটাক্ষ গুনতে হয়েছিলো তাঁকে। বহুবার ট্রোলেরও শিকার হন অভিনেত্রী। তবে ট্রোলারদের কড়া শব্দে জবাব দিতেও পিছপা হননি শ্রুতি। এরই মধ্যে তাঁর অনুগামীদের সংখ্যাও অগুনতি। এর পাশাপাশি ইন্ডাস্ট্রিতে এখন কান পাতলেই শোনা যাচ্ছে শ্রুতি এবং পরিচালক স্বর্ণেন্দু সমাদ্দার-এর প্রেমের সম্পর্কের গুঞ্জন।

দেবের সিনেমায় অতিথি যীশু, তবে কি সৃজিতের বন্ধুত্ব ভুলে এবারে দেবে মজলেন

dev

বায়োস্কোপ ডেস্ক: এবারে দেবের ছবিতে অতিথি অভিনেতা হিসেবে দেখা মিলবে যীশু সেনগুপ্তের। টলিউড ইন্ডাস্ট্রিতে গুঞ্জন আছে দেব এবং যীশু পরস্পরকে এড়িয়ে চলতেই পছন্দ করেন। এর আগে কখনই একসঙ্গে দেখা যায়নি তাঁদের। নিজেদের মধ্যে দূরত্ব বজায় রাখতেই পছন্দ করেন এই দুই তারকা। তবে এবারে দর্শকদের জন্য বড় চমক অপেক্ষা করছে। দেবের ছবির শুটিং ফ্লোরে দেখা মিলল যীশুর। তবে কি ইন্ডাস্ট্রিতে নতুন বন্ধুত্বের সূত্রপাত ঘটল? নেটিজেনদের মনে এখন এই প্রশ্নই ঘুরপাক খাচ্ছে।

একের পর এক চমক দিয়ে চলেছেন তারকা সাংসদ দেব। সম্প্রতি ‘কিশমিশ’ ছবির অ্যানিমেটেড টিজার সামনে আনেন দেব। টিজার দেখে দর্শকদের মনে বেশ উৎসাহ জাগে। সিনেমায় মুখ্য ভূমিকায় অভিনয় করছেন দেব এবং রুক্মিণী। এবারে সেই ছবিতেই অতিথি অভিনেতা হিসেবে দেখা মিলবে যীশুর। এখানেই প্রশ্ন উঠছে তবে কী দূরত্ব ভুলে এবারে দেবের বন্ধুতে মাতলেন যীশু। এই বিষয়ে সংবাদমাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে যীশু জানান, দেব তাঁকে নিজে ফোন করে ছবিটির বিষয়ে জানান। ছবিতে যীশুর চরিত্র নিয়ে কিছু জানাননি দেব। শুধু বলেছিলেন ছোট চরিত্র, যীশু চাইলে নাও করতে পারেন।

যীশুর কথায়, দেব নিজে ফোন করাতে তিনি রাজি হয়ে যান। যীশুর পাশাপাশি ছবিতে অতিথি অভিনেতা হিসেবে দেখা যাবে পরাণ বন্দ্যোপাধ্যায়, ঋতুপর্ণা সেনগুপ্ত, অঙ্কুশ হাজরা এবং শ্রাবন্তিকে। দেবকে এই বিষয়ে প্রশ্ন কড়া হলে তিনি জানান, তাঁর একটা ফোনে যীশু রাজি হয়ে গেচ্ছে। তাতেই তিনি আপ্লুত। অন্যদিকে সৃজিতের বিষয়ে প্রশ্ন করা হলে যীশু হঠাৎ চটে যান। এখানেই নেটিজেনদের মনে প্রশ্ন জাগছে তবে কী সৃজিতের সঙ্গে বন্ধুত্বে দাড়ি টানলেন যীশু?

বামন প্রেমে পায়েল: মুকুটমণিপুরে পায়েলের সঙ্গে প্রেমের সাগরে ভাসবেন প্রত্যয়

payel

বায়োস্কোপ ডেস্ক: এবারে বামনের সঙ্গে প্রেম করতে দেখা যাবে পায়েল সরকারকে। কথায় আছে বামন হয়ে চাঁদে হাত দেওয়ার স্বপ্ন দেখতে নেই। প্রচলিত এই প্রবাদকে সামনে রেখে এবারে টলিউডে ছবি বানাতে চলেছেন পরিচালক বর্ষালী চট্টোপাধ্যায়। ছবির প্রযোজনার দায়িত্ব সামলাবেন বিদ্যুৎ দাস। এর পাশাপাশি ছবিতে গান গেয়েছেন কুমার শানু। ইতিমধ্যেই গানের রেকর্ডিংও হয়ে গিয়েছে।

এক বামনকে কেন্দ্র করে এই ছবির গল্প ফেঁদেছেন পরিচালক। বামনের ভূমিকায় এই ছবিতে অভিনয় করবেন প্রত্যয়। একেবারেই নবাগত প্রত্যয় নিজে একজন বামন। তাঁর বয়স মাত্র ২০ বছর। পায়েলের পাশাপাশি এই ছবিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকায় অভিনয় করতে দেখা যাবে, সাবিত্রী চট্টোপাধ্যায়, বিশ্বনাথ বসু, চুমকি চৌধুরী এবং রজতাভ দত্তকে। আগামী ১৬ অগাস্ট থেকে মুকুটমণিপুরে এই ছবির শুটিং শুরু হতে চলেছে।

সূত্রের খবর অনুযায়ী, এক ভিন্ন প্রেমের গল্প বলবে এই ছবি। বামনের সঙ্গে পায়েলের প্রেম নিয়েই ছবির চিত্রনাট্য সাজিয়েছেন পরিচালক বর্ষালী চট্টোপাধ্যায়। প্রকৃত প্রেমের ক্ষেত্রে যে শারীরিক গঠন কোনও বাঁধা হয়ে দাঁড়াতে পারে না, তার বড় উদাহরন হতে চলেছে এই ছবি। ছবিতে পায়েলের একটি ক্রিকেট খেলার দৃশ্য রয়েছে। যার জন্য এখন থেকেই ক্রিকেট খেলার অনুশীলনে মন দিয়েছেন অভিনেত্রী। এর আগেও বামনদের নিয়ে টলিউডে ছবি তরি করেছিলেন পরিচালক কৌশিক গঙ্গোপাধ্যায়। নাম দিয়েছিলেন ‘ছোটদের ছবি’। ছবিটি জাতীয় পুরষ্কার পায়। তবে এবারে একজন বামনের প্রেমের সম্পর্ক নিয়ে ছবি বানাতে চলেছেন বর্ষালী চট্টোপাধ্যায়।

বর্ষায় অস্বস্তিকর পরিবেশ, ঘরের দুর্গন্ধ দূর করার টিপস এবার হাতের মুঠোয়

home

ঘর সকলের কাছেই একটা শান্তির জায়গা।ঘরে দুর্গন্ধ হওয়ার পিছনে অনেক কারণ থাকে। সাধারণত বদ্ধ ঘরে একধরনের বাজে গন্ধ হয়। এর জন্য যতটা সম্ভব ঘরের জানালা-দরজা খুলে রাখা খুব জরুরি। ঘরের ভিতর আলো বাতাস খেললে গন্ধ অনেকটাই কমে যায়। সূর্যের রশ্মি ঘরের জীবাণু ধ্বংস করতে সাহায্য করে। এছাড়াও প্রতি সপ্তাহে নিয়মিত বিছানার চাদর, বালিশের কভার ইত্যাদি বদলে ফেলতে হবে। ঘরের ভিতর বা বাথরুমের ভেতর ভেজা তোয়ালে, গামছা বা কাপড়চোপড়ও রাখা যাবে না। তাতে দুর্গন্ধ বেশি হয়। চেষ্টা করুন বাথরুম যতটা সম্ভব শুকনো রাখার।
অনেকেই ভেবে পান না এই দুর্গন্ধ দূর করার সমাধান কী? ঘরের এমন সব দুর্গন্ধ দূর করতে প্রথমেই দেখতে হবে দুর্গন্ধের উৎস কোথায়। বেশ কিছু ঘরোয়া উপায়ে দুর্গন্ধের এ সমস্যা থেকে মুক্ত থাকা সম্ভব।

আসুন জেনে নেই ঘরের উৎকট দুর্গন্ধ দূর করার ঘরোয়া কয়েকটি উপায় –

১. ঘরের ভ্যাপসা গন্ধ দূর করতে হলে ভিনিগার খুবই উপকারী। ঘরের মাঝখানে একটা পাত্রে ভিনেগার রাখুন সমস্ত বাজে গন্ধ চলে যাবে।

২. বৃষ্টি না হলে ঘরের দরজা জানালা খুলে রাখুন, ঘরে আলো বাতাস প্রবেশ করতে থাকলে দেখবেন ঘরের গুমোট ভাবটা কেটে গেছে।

৩. কাপড়ে দুর্গন্ধ হওয়ার প্রধান কারণই হলো আদ্রতা বা বলা ভালো আর্দ্রতার কারণেই কাপড়ে দুর্গন্ধ হয়। তাই আলমারির ভেতরে কিছু চক ঝুলিয়ে দিন। চকগুলো আলমারির ভেতরের আর্দ্রতা শোষণ করে নেবে।

৪. ঘরে সিগারেটের গন্ধ দূর করতে হলে, একটা তোয়ালে ভিনিগারে ভিজিয়ে নিয়ে ভালো করে চিপে নিন। তারপর হাত ঘোরাতে ঘোরাতে মশা তাড়ানোর মতো করে সারা ঘর ঘিরে আসুন। সব গন্ধ চলে যাবে ।

৫. ফ্রিজের মধ্যে ও একটা বাজে গন্ধ তৈরি হয়। এর থেকে মুক্তি পেতে অর্ধেক লেবু কেটে রাখুন, সবজির গন্ধ চলে যাবে। এছাড়াও পুদিনা পাতাও রাখতে পারেন, একই রকমের কাজ করবে।

৬. বাথরুমের অপ্রীতিকর গন্ধ দূর করতে একটি মোমবাতি জ্বালিয়ে রাখুন। কিছুক্ষণ রেখে নিভিয়ে দিন। কমোডের গন্ধ দূর করতে কিছুটা ভিনিগার ঢেলে দিন। পাঁচ মিনিট রাখুন, কিছুক্ষন পর ফ্ল্যাশ দিন।

প্রেমের সম্পর্ককে সুদৃঢ় করতে, এই ৫ টি বিষয় মাথায় রাখুন

relationship

কোথায় আছে বিন্দু বিন্দুতেই সিন্ধু তৈরি হয়। তাই আপনার ছোট ছোট ভুলও সম্পর্কের ওপর বড় প্রভাব ফেলে। আপাতদৃষ্টিতে ভুল মনে নাও হতে পারে, কিন্তু সেগুলোই পরবর্তী কালে সম্পর্ক ভাঙার কারণ হয়ে দাড়ায়। অনিছাকৃত কিছু ভুলের জন্য সম্পর্ক টেকে না। তাই সম্পর্ককে সুদৃঢ় রাখতে প্রথম থেকেই খুব ছোট ছোট বিষয়ে নজর দেওয়া প্রয়োজন। সম্পর্কে এই ৫ টি ভুল কখনোই করবেন না।

১) সম্পর্ক নিয়ে কখনোই তাড়াহুড়ো করবেন না। পরিচয় হওয়ার পরের দিনই প্রস্তাব, তার পরের দিনই ঘনিষ্ঠ হওয়ার চেষ্টা – এমন ভুল করবেন না। এতে একে অপরকে ঠিক মতো চেনাই হয়ে ওঠে না। যার ফলে অনেক ভুল বোঝাবুঝি দেখা দেয়। তাই সম্পর্কে যাওয়ার আগে, একে অপরকে ভালো করে চিনুন।

২) সবসময় নিজের সিধান্ত সঙ্গির ওপর চাপিয়ে দেবেন না। ভালবাসায় একে অপরের কথা মেনে চলা সাধারণ বিষয়। তাই বলে সব সময় নিজের মতামত সঙ্গির ওপর চাপিয়ে দেওয়া ঠিক নয়। সঙ্গির ইচ্ছাগুলোকেও সম্মান করতে শিখুন।

৩) সম্পর্কে আছেন মানে এই নয় যে আপনি তার সব বিষয়ে নাক গলাবেন। তার ফোন চেক করবেন, জোর করে তার বেক্তিগত পরিধিতে ঢুকে পরবেন। এটা কোন ভাবেই সমর্থন করা যায় না। একে অপরকে বিশ্বাস করতে শিখুন।

৪) আমার ভালোবাসার মানুষটি, আমাকে খুবই ভালবাসে, আমি যাই করিনা কেন সে কখনোই আমাকে ছেড়ে যাবে না। এই মনভাব পোষণ করলে তা এখুনি পালটে ফেলুন। এই মনোভাব থাকলে সম্পর্কের প্রতি একটা দায়সারা ভাব চলে আসে। যা সম্পর্কের ক্ষতি করে। তাই প্রিয়জনকে সময় দেওয়ার চেষ্টা করুন।

৫) মিথ্যে কথা বলা একেবারেই চলবে না। মাথায় রাখবেন একটি মিথ্যেকে ঢাকতে গিয়ে অনেক মিথ্যে কথা বলতে হয়। একটি সম্পর্কের ভিত হোল বিশ্বাস। মিথ্যে কথা সেই ভিতকে আলগা করে দেয়। যার ফলে সম্পর্ক ভেঙ্গে পড়ে।