Purba Medinipur: কাঁথিতে আতঙ্ক, প্রকাশ্যে গৃহবধু খুন

ভরদুপুরে খুন। পথ চলতি সবাই আতঙ্কিত। তীব্র চাঞ্চল্য পূর্ব মেদিনীপুর (Purba Medinipur) জেলার কাঁথি শহরে।

প্রকাশ্য রাস্তায় ছুরি দিয়ে স্ত্রীকে কুপিয়ে খুন করলো স্বামী। রক্তাক্ত অবস্থায় ওই বধূকে উদ্ধার করে কাঁথি মহকুমা হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার পর চিকিৎসকরা মৃত বলে ঘোষণা করেন৷

নিহত মহিলার নাম বর্ণালী রায়। বছর ৩৭ এর বর্ণালী কাঁথির মনসাতলা এলাকাবাসী। খুনের অভিযোগে পুলিশ । মৃত বর্ণালীর স্বামী বাপ্পাদিত্য রায়কে আটক করেছে।

প্রাথমিক তদন্তে উঠে এসেছে, বর্ণালী ও বাপ্পাদিত্যর মধ্যে দীর্ঘ সময় সাংসারিক অশান্তি চলছিল। স্বামী ও স্ত্রীর মধ্যে বিবাহবহির্ভূত সম্পর্ক নিয়ে অশান্তি চলত৷ শুক্রবার সন্তানকে স্কুলে নিতে আসেন বর্ণালী। কাঁথি স্কুল বাজারে হিন্দু গার্লস স্কুলের সামনে আচমকা তেড়ে আসেন বাপ্পাদিত্য।

প্রত্যক্ষদর্শী কয়েকজন বলেছেন, ধারালো একটি অস্ত্র নিয়ে বাপ্পাদিত্য তার স্ত্রীর বুকে আঘাত করে। রক্তাক্ত অবস্থায় লুটিয়ে পড়ে বর্ণালী।

এদিকে স্ত্রীর দেহে পরপর ছুরি মেরে পালায় বাপ্পাদিত্য। রাস্তায় পড়ে থাকা বর্ণালীকে রক্তাক্ত অবস্থায় হাসপাতালে নিয়ে যান কয়েকজন। সেখানেই চিকিৎসকরা বর্ণালীকে মৃত বলে ঘোষণা করেন।

খবর পেয়ে হাজির হয় কাঁথি থানার পুলিশ। এরপর শুরু হয় তল্লাশি। কিছু পর কাঁথি শহর থেকেই অভিযুক্ত স্বামী বাপ্পাদিত্যকে আটক করে পুলিশ।

সংবাদটি বিস্তারিত পড়তে ক্লিক করুন Purba Medinipur: কাঁথিতে আতঙ্ক, প্রকাশ্যে গৃহবধু খুন

John Barla: কেন্দ্রীয় মন্ত্রী জন বার্লার নামে গ্রেফতারি পরোয়ানা

ফের বিব্রত (BJP) বিজেপি। এবার কেন্দ্রীয় সংখ্যালঘু উন্নয়ন প্রতিমন্ত্রী ও (Alipurduar) আলিপুরদুয়ারের সাংসদ (John Barla) জন বার্লার বিরুদ্ধে জারি হয়েছে গ্রেফতারি পরোয়ানা।

জন বার্লার বিরুদ্ধে বিনা অনুমতিতে একটি রাজনৈতিক সভার আয়োজনের অভিযোগে মামলা চলছে। সেই মামলায় হাজিরা না দেওয়ায় জারি হয়েছে গ্রেফতারি পরোয়ানা। (coochbehar) কোচবিহারের তুফানগঞ্জ আদালত বিচারবিভাগীয় ম্যাজিস্ট্রেট এই পরোয়ানা জারি করেছেন।

জানা যাচ্ছে কেন্দ্রীয় প্রতিমন্ত্রী জন বার্লা ২০১৯ সালের নির্বাচনী প্রচারে অনুমতি না নিয়েই বাইক ব়্যালি করেছিলেন। এরপর তাঁর বিরুদ্ধে বক্সিরহাট থানায় অভিযোগে দায়ের হয়। এই মামলায় ১৫ তারিখ আদালতে হাজির হওয়ার জন্য সমন পাঠানো হলেও তিনি আসেননি।

এর আগে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী নিশীথ প্রামানিকের নামে জারি হয়েছে গ্রেফতারি পরোয়ানা। আলিপুরদুয়ার ও বীরপাড়ায় দুটি সোনার দোকানের চুরির অভিযোগপত্রে আছে নিশীথের নাম। তিনি আদালতে হাজিরা না দেওয়ায় জারি হয় গ্রেফতারি পরোয়ানা।

২০১৯ সালের লোকসভা নির্বাচনের সময়  নির্বাচনী আচরণবিধি ভেঙে বিডিও অফিস চত্বরে বাইক ও গাড়ি নিয়ে র‍্যালি করেছিলেন তৎকালীন আলিপুরদুয়ার কেন্দ্রের বিজেপি প্রার্থী জন বার্লা। ওই কর্মসূচির কোনও অনুমতি ছিল না পুলিশ প্রশাসনের পক্ষ থেকে। অনুমতি না থাকা সত্ত্বেও তিনি মিছিল করায় কোচবিহারের বক্সিরহাট থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছিল নির্বাচন কমিশনের  পক্ষ থেকে।

অভিযোগপত্রে জন বার্লা সহ মোট চারজনের নাম ছিল। তিনজন আগেই মুক্তি পেয়েছেন। চতুর্থ জন অর্থাৎ বার্লাকে গত ১৫ নভেম্বর আদালতে হাজির হওয়ার সমন পাঠানো হয়। কিন্তু বার্লা বা তাঁর আইনজীবী আদালতে  উপস্থিত না হননি। ফলে তাঁর বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করল তুফানগঞ্জ মহকুমা দায়রা আদালত।

সংবাদটি বিস্তারিত পড়তে ক্লিক করুন John Barla: কেন্দ্রীয় মন্ত্রী জন বার্লার নামে গ্রেফতারি পরোয়ানা

ডজন ডজন বোমা উদ্ধার কেশপুরে, TMC-CPIM মিছিলে শক্তি দেখানোর পালা

এ যেন বোমা মজুতের টেক্কা দিতে মরিয়া চেষ্টা! বীরভূমের বহড়াপুরে রাশি রাশি বোমা উদ্ধার হচ্ছে। সমানতালে বোমা বাজেয়াপ্ত করা হচ্ছে (Paschim Medinipur) পশ্চিম মেদিনীপুরের কেশপুর (Keshpur) থেকে। তল্লাশিতে নেমেছে বম্ব স্কোয়াড। রাজনৈতিক সংঘর্ষের ২৪ ঘণ্টা পরেও কেশপুরের চরকা গ্রামে বোমা হামলার ঘটনায় অধরা অভিযুক্তরা।

কেশপুর বোমাপুর! এমনই পরিস্থিতি। পঞ্চায়েত ভোটের আগে কেশপুর ফের তেতে উঠেছে। বৃহস্পতিবার কেশপুরের চরকা এলাকায় তল্লাশি চালিয়ে কমপক্ষে ২৫টি তাজা বোমা উদ্ধার করেছে পুলিশ। কেশপুর জুড়ে আতঙ্ক।

পঞ্চায়েত ভোটের সময় কী পরিস্থিতি তৈরি হতে চলেছে তার আগাম আন্দাজ আসছে গত কয়েকদিন ধরে সাঁইথিয়া, কেশপুর, মিনাখাঁয় পরপর তৃণমূল কংগ্রেস গোষ্ঠিদ্বন্দ্বে বোমা হামলার ঘটনায়। আপাতত তেতে গেছে বীরভূমের সাঁইথিয়া, পশ্চিম মেদিনীপুরের কেশপুর ও উত্তর ২৪ পরগনার মিনাখাঁ। বু়ধবার সকালে কেশপুরে বোমা বিস্ফোরণে জখম হন তৃণমূল কংগ্রেস সমর্থক। রাতে মিনাখাঁয় বোমা ফেটে শিশুর মৃত্যু হয়েছে

বুধবার কেশপুরের চরকা গ্রামে তৃ়ণমূল কংগ্রেসের গোষ্ঠি সংঘর্ষ হয় বলে এলাকাবাসীর অভিযোগ। সংঘর্ষের সময় বোমাবাজির ঘটনায় এক তৃ়ণমূল সমর্থকের হাতের কিছু অংশ উড়ে যায়। গুরুতর জখম অবস্থায় সে মেদিনীপুরে চিকিৎসাধীন।

 

রাজনৈতিক সংঘর্ষ ও বোমাবাজির ঘটনার পর পশ্চিম মেদিনীপুর জেলা তৃণমূল কংগ্রেসের অভিযোগ ছিল, হামলায় জড়িত সিপিআইএম। সেই অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করে বাম শিবির।

কেশপুরের পরিস্থিতি নিয়ে তৃ়ণমূল নেত্রী ও কেশপুরের বিধায়ক শিউলি শাহা অভিযোগ করেন সিপিআইএম অশান্তি তৈরির চেষ্টা করছে। পশ্চিম মেদিনীপুর জেলা সিপিআইএম সম্পাদক ও প্রাক্তন মন্ত্রী সুশান্ত ঘোষের দাবি, বোমা মেরে মানুষকে দাবিয়ে রাখতে চাইছে তৃণমূল কংগ্রেস। তাদের পায়ের তলায় মাটি নেই।

বৃহস্পতিবার তৃ়ণমূল কংগ্রেস ও সিপিআইএমের পক্ষ থেকে মিছিল হয় কেশপুরে। দুটি মিছিলেই ছিল ভিড়। তৃ়ণমূলের মিছিলে ছিলেন শিউলি সাহা। সিপিআইএমের মিছিলে ছিলেন কেশপুরের বাম নেতারা।

সংবাদটি বিস্তারিত পড়তে ক্লিক করুন ডজন ডজন বোমা উদ্ধার কেশপুরে, TMC-CPIM মিছিলে শক্তি দেখানোর পালা

Birbhum: পুকুর পাড়-ধান জমির আড়ালে বোমার তল্লাশি, সাঁইথিয়ায় আতঙ্ক

নিশ্চিত হতে পারছে না (Bomb Squad) বম্ব স্কোয়াড। বারবার তল্লাশি চলছে বহড়াপুর গ্রামে। পুকুরের পাড়, ঝোপঝাড়, ধান ক্ষেতের আলে মিলতে পারে বোমা এমনই আশঙ্কা প্রবল। সেই আশঙ্কা নিয়েই (Birbhum) বীরভূমের এই গ্রামে জারি আছে তল্লাশি অভিযান।

তৃণমূল গোষ্ঠি সংঘর্ষের পর থেকে বহড়াপুর প্রায় জনশূন্য। গ্রামবাসীদের অধিকাংশ আতঙ্কে পালিয়েছেন। এলাকায় চলেছে বীরভূম জেলা পুলিশের টহল। জানা যাচ্ছে, বহড়াপুরে আরও অনেক বোমা লুকোনো আছে। সেই সব বোমা ফেটে আরও ভয়াবহ পরিস্থিতি তৈরি হবার প্রবল আশঙ্কা।

পঞ্চায়েত ভোটের সময় কী পরিস্থিতি তৈরি হতে চলেছে তার আগাম আন্দাজ আসছে গত কয়েকদিন ধরে সাঁইথিয়া, কেশপুর, মিনাখাঁয় পরপর তৃণমূল কংগ্রেস গোষ্ঠিদ্বন্দ্বে বোমা হামলার ঘটনায়।

আপাতত তেতে গেছে বীরভূমের সাঁইথিয়া। পশ্চিম মেদিনীপুরের কেশপুর। উত্তর ২৪ পরগনার মিনাখাঁ। বু়ধবার সকালে কেশপুরে বোমা বিস্ফোরণে জখম হন তৃণমূল কংগ্রেস সমর্থক। রাতে মিনাখাঁয় বোমা ফেটে শিশুর মৃত্যু হয়েছে। আর গত দুদিন ধরে তৃ়ণমূল গোষ্ঠি সংঘর্ষে সাঁইথিয়ার বহড়াপুরে বোমা হামলার আতঙ্ক রয়েছে।

বহড়াপুরের সর্বত্র মুড়ি মুড়কির মতো বোমা পড়েছিল। সংঘর্ষের পর ১৪ জন তৃণমূল সমর্থক ধৃত। কমপক্ষে ৪০টি বোমা উদ্ধার করা হয়েছে। এলাকা দখলের লড়াই ঘিরে বোমাবাজিতে গুরুতর জখম হন ২ জন। রামপুরহাটের বগটুই গ্রামে তৃ়ণমূলের গোষ্ঠি সংঘর্ষে গণহত্যা দেশ জুড়ে আলোড়ন ফেলেছে আগেই।

সংবাদটি বিস্তারিত পড়তে ক্লিক করুন Birbhum: পুকুর পাড়-ধান জমির আড়ালে বোমার তল্লাশি, সাঁইথিয়ায় আতঙ্ক

Hemant Soren: কয়লায় কালো টাকা! হেমন্তর আবেগঘন পোস্ট, নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তায় রাঁচি

যে কোনও মুহূর্তে পরিস্থিতি বিগড়ে যেতে পারে (Ranchi) রাঁচির। মুখ্যমন্ত্রী হেমন্ত সোরেনকে (Hemant Soren) বেআইনি কয়লা খাদানের বিপুল কালো টাকা লেনদেনের তদন্তে জেরা ঘিরে গরম হয়ে গেছে ঝাড়খন্ডের (Jharkhand)  রাজধানী শহর। জারি হয়েছে ১৪৪ ধারা। উত্তেজিত ঝাড়খন্ড মুক্তিমোর্চা সমর্থকরা (JMM) নিয়ম ভেঙে জমায়েত করছেন।

সতর্কতা জারি হয়েছে টাটানগর-জামশেদপুর, ধানবাদ, বোকারো, রামগড়, গিরিডি সহ রাজ্যের সর্বত্র। মুখ্যমন্ত্রী হেমন্ত সোরেনকে ফাঁসানোর চেষ্টা ও সরকার ফেলে দেওয়ার অভিযোগ করছেন জামুমো (JMM) সমর্থকরা।

রাজধানী রাঁচির সর্বত্র জারি হয়েছে ১৪৪ ধারা। প্রায় ১৫০০ সুরক্ষাকর্মী মোতায়েন করা হয়েছে। মুখ্যমন্ত্রী হেমন্ত সোরেনের কয়েকটি আবেগঘন ছবির পোস্ট করা হয়েছে JMM অফিসিয়াল ফেসবুক পেজে। সেই ছবি দেখে আরও উত্তেজিত সমর্থকরা।

বেআইনি কয়লা খনির লেনদেনে কালো টাকার সূত্র খুঁজতে  ঝাড়খন্ডের মুখ্যমন্ত্রী হেমন্ত সোরেনকে  জেরা করছে ইডি। এদিকে প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী রঘুবর দাসের বিস্ফোরক দাবি, মুখ্যমন্ত্রীর পদে নিজের স্ত্রীকে বসাতে গোপনে বৈঠক করে নিয়েছেন সোরেন।

সূত্রের খবর, ঝাড়খন্ড ও পশ্চিমবঙ্গের বেআইন কয়লা খাদানের বিপুল আর্থিক দুর্নীতির তদন্তে ইডি খতিয়ে দেখছে বিভিন্ন তথ্য। ঝাড়খণ্ড মুক্তি মোর্চা ও তৃ়ণমূল কংগ্রেস দুই রাজ্যের সরকারে আছে। ক্ষমতাসীন দুটি দলেরই শীর্ষ নেতারা কয়লার কালো টাকা লেনদেন তদন্তে ইডি নজরে।

ঝাড়খন্ডের মুখ্যমন্ত্রী হেমন্ত সোরেনের দল জেএমএম, কংগ্রেসের জোট সরকার চলছে। সম্প্রতি অবিজেপি শাসিত এই রাজ্যের সরকার ফেলার জন্য বিধায়ক কেনার চাঞ্চল্যকর দাবি তোলে কংগ্রেস। দলীয় বিধায়করা পশ্চিমবঙ্গে বিপুল টাকা সহ ধরা পড়েন। তাদের সাসপেন্ড করা হয়। কংগ্রেসের দাবি, বিজেপি শাসিত অসমের  মুখ্যমন্ত্রী সরাসরি যুক্ত ঝাড়খণ্ডের সরকার ফেলতে।

এই ঘটনার পরপরই বেআইনি কয়লা খাদানের আর্থিক  দুর্নীতির তদন্তে ইডি জেরার মুখোমুখি মুখ্যমন্ত্রী হেমন্ত সোরেন। তবে হেমন্ত নিজে দাবি করেছেন তাঁর বিরুদ্ধে করা যাবতীয় অভিযোগ মিথ্যা।

মামলায় হেমন্ত সোরেনের সহযোগী পঙ্কজ মিশ্র সহ তিনজনকে আগেই গ্রেফকার করেছে ইডি। আর ইডি চার্জশিটে বলা হয়েছে কমপক্ষে হাজার কোটি টাকার কেলেঙ্কারি হয়েছে। পঙ্কজ মিশ্রের বাড়ি থেকে উদ্ধার হয়েছে হেমন্ত সোরেনের স্বাক্ষরিত এবং স্বাক্ষরবিহীন বহু চেক।

সংবাদটি বিস্তারিত পড়তে ক্লিক করুন Hemant Soren: কয়লায় কালো টাকা! হেমন্তর আবেগঘন পোস্ট, নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তায় রাঁচি

Nisith Pramanik: আইনজীবীরা বলছেন চুরির মামলায় মন্ত্রী নিশীথকে আত্মসমর্পণ করতেই হবে

আত্মসমর্পণ (surrender) ছাড়া কোনও পথ নেই। যদি আরও বিতর্কে না জড়াতে চান কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী (Nisith Pramanik) নিশীথ প্রামানিক, তবে তাঁকে আদালতে উপস্থিত হতেই হবে। চুরির মামলায় জড়িয়েছেন উত্তরবঙ্গের হেভিওয়েট BJP সাংসদ।

২০০৯ সালে তৃ়ণমূল কংগ্রেসে (TMC) থাকাকালীন নিশীথ প্রামানিকের বিরুদ্ধে(Alipurduar) আলিপুরদুয়ার ও বীরপাড়ায় (Birpara)  দুটি সোনার দোকানে চুরির মামলায় অভিযুক্ত হিসেবে নথিভুক্ত আছে। সেই মামলায় আদালতে হাজিরার সময় না থাকায় কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর নামে জারি হয়েছে গ্রেফতারি পরোয়ানা।

আলিপুরদুয়ার আদালতের বিচারকের নির্দেশ আগামী ৭ ডিসেন্বরের মধ্যে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী নিশীথ প্রামানিককে গ্রেফতার করে হাজিরায় পেশ করার। যদি এই সময়ের মধ্যে পুলিশ গ্রেফতার করতে না পারে তার জবাবদিহি করতে হবে তাদেরকেই।

নিশীথ প্রামানিক কি চুরির অভিযোগে গ্রেফতার হবেন, এই প্রশ্নে বিব্রত (BJP) বিজেপি। নিশীথ কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহর (Amit Shah) সহকারী।

গ্রেফতারি নির্দেশের পর মন্ত্রী নিশীথের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ করা যায়নি বলে বারবার প্রশ্ন উঠছে, তিনি  কোথায়?  উত্তরবঙ্গ আলোড়িত। কোচবিহারের সাংসদের বিরুদ্ধে দুটি সোনার দোকানে চুরির মামলায় আলিপুরদুয়ার আদালত জারি করেছে গ্রেফতারি পরোয়ানা। সাংসদের বাড়ি দিনহাটার ভেটাগুড়িতে চাপা উত্তেজনা। প্রতিবেশি জেলা আলিপুরদুয়ারেও চাঞ্চল্য।

আলিপুরদুয়ার আদালতের সরকারি আইনজীবী প্রশান্ত নারায়ণ মজুমদার বলেন, নিশীথ প্রামানিককে আদালতে হাজিরা দিতে বারবার যোগাযোগ করা হয়েছিল। তাঁকে পাওয়া যায়নি। সেই জন্যই থার্ড কোর্টের বিচারক কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী নিশীথ প্রামাণিকের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেছেন।

কেন্দ্রীয়  স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর আইনজীবী দুলাল ঘোষ জানান, ১১ নভেম্বর ফার্স্ট কোর্টে আমি বিকেল চারটে পর্যন্ত উপস্থিত ছিলাম। কোনও শুনানি হয়নি। পরে সাতটা নাগাদ থার্ড কোর্টের বিচারক এই নির্দেশ দিয়েছেন বলে শুনেছি। আমার অজ্ঞাতে এই নির্দেশ হয়েছে। আমরা ভবিষ্যতে কী করব তা পরে জানাব।

মামলার তারিখ অনুসারে দেখা যাচ্ছে তৃ়ণমূল কংগ্রেসে থাকাকালীন নিশীথ প্রামানিকের বিরুদ্ধে দুটি চুরির ঘটনায় অভিযোগ দায়ের হয়েছিল।

  • ২০১৯ সালে তৃণমূল কংগ্রেস ছেড়ে নিশীথ যোগ দেন বিজেপিতে
  • লোকসভা নির্বাচনে কোচবিহার থেকে জয়ী হন
    নিশীথ প্রামানিককে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের রাষ্ট্রমন্ত্রী করা হয়।
  • সর্বাধিক গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রকগুলির একটির রাষ্ট্রমন্ত্রী হন নিশীথ

কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী নিশীথ প্রামানিকের বিরুদ্ধে গ্রেফতারির পরোয়ানা জারি হতেই তীব্র প্রতিক্রিয়া দেন উত্তরবঙ্গ উন্নয়নমন্ত্রী উদয়ন গুহ। দিনহাটার তৃণমূল কংগ্রেস বিধায়ক উদয়ন বলেন, আইন সবার ক্ষেত্রেই সমানভাবে প্রযোজ্য। আদালতে হাজিরা না দিলে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি হয়। এটা সবাই জানেন। কেউ যদি মনে করেন আমি এমএলএ, এমপি বা মন্ত্রী আমার ক্ষেত্রে আলাদা আইন হবে। সেটা তো হয় না।

কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী বনাম উত্তরবঙ্গ উন্নয়নমন্ত্রীর তীব্র রাজনৈতিক বাদানুবাদে বারবার গরম হয়েছে রাজনৈতিক মহল। সম্প্রতি নিশীথের কনভয়ে হামলার পর সেই উত্তপ্ত বাক্য বিনিময় আরও বেড়েছিল।

কোচবিহার জেলা বিজেপি সভাপতি সুকুমার রায় বলেন, আইনিভাবে যেটা হওয়ার সেটা হবে। অনেক নেতার নামেই অনেক সময় গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি হয়। আদালতকে অস্বীকার করা যাবে না। 

নিশীথ প্রামানিকের বিরুদ্ধে অভিযোগে বলা হয়েছে, ২০০৯ সালে আলিপুরদুয়ার শহরের বাদল নগরে জয়গুরু জুয়েলার্সে চুরির ঘটনা ঘটেছিল। সেই বছর ২ মে আলিপুরদুয়ার থানায় অভিযোগ জানিয়েছিলেন  দোকানের মালিক রতন ঘোষ।  কয়েকদিন পর বীরপাড়ার পাল জুয়েলার্সে চুরির ঘটনা ঘটেছিল। ১৩ মে সেই চুরির  ঘটনায় আলিপুরদুয়ার থানায় অভিযোগ দায়ের হয়। দুটি সোনার দোকানে চুরির ঘটনায় অভিযুক্ত  নিশীথ প্রামানিক।

Nisith-pramanik

আলিপুরদুয়ারে সোনার দোকানে  চুরির মামলায় গত ১২ জুলাই  বিধাননগরে এমপি, এমএলএ কোর্টে আত্মসমর্পণ করেন নিশীথ প্রামাণিক। আদালত পাঁচ হাজার টাকার ব্যক্তিগত বন্ডে তাঁর জামিন মঞ্জুর করে। এবার আলিপুরদুয়ার আদালত থেকে নিশীথ প্রামানিকের বিরুদ্ধেই জারি হয়েছে গ্রেফতারি পরোয়ানা।

সম্প্রতি উত্তরবঙ্গ ভেঙে আলাদা কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল গঠনের জন্য যে বিতর্ক উঠেছে তাতে নিশীথ প্রামানিক বলেন একমাস অপেক্ষা করুন। শিলিগুড়িতে তিনি ও গ্রেটার কোচবিহার নেতা অনন্ত মহারাজ দীর্ঘ বৈঠক করেন। এরপর অনন্ত দাবি করেন রাজ্য ভাগ হচ্ছেই। আর কোচবিহারে নিশীথের কনভয়ে হামলায় অভিযুক্ত হয় তৃণমূল কংগ্রেস। দিনহাটার বিধায়ক ও উত্তরবঙ্গ উন্নয়নমন্ত্রী উদয়ন গুহর সঙ্গে তীব্র উত্তেজক রাজনৈতিক বাদানুবাদে চলে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী নিশীথ প্রামানিকের।

সংবাদটি বিস্তারিত পড়তে ক্লিক করুন Nisith Pramanik: আইনজীবীরা বলছেন চুরির মামলায় মন্ত্রী নিশীথকে আত্মসমর্পণ করতেই হবে

TMC: সাঁইথিয়ার পর কেশপুরে প্রবল বিস্ফোরণ, জখম তৃণমূল সমর্থক

পঞ্চায়েত ভোটের (Panchayat Election)আগে থেকেই বিস্ফোরণে কাঁপতে শুরু করেছে গ্রামবাংলা। বীরভূমের সাঁইথিয়ায় বোমা হামলার পর এবার বিস্ফোরণে গরম পশ্চিম মেদিনীপুরের (Keshpur) কেশপুর। বিস্ফোরণে অগ্নিগর্ভ কেশপুর।

পশ্চিম মেদিনীপুর ও বীরভূম দুটি জেলা রাজনৈতিক কারণে দশকের পর দশক ধরে রক্তাক্ত হয়ে আসছে। বুধবার কেশপুরে বোমা বিস্ফোরণে জখম হলেন এক তৃণমূল সমর্থক।

  • পঞ্চায়েত ভোটের আগে কাঁপছে গ্রাম বাংলা
  • বীরভূম ও পশ্চিম মেদিনীপুরে শুরু হয়েছে বোমাবাজি
  • ভোটের আসলে গরম হচ্ছে মুর্শিদাবাদ ও কোচবিহার 

কেশপুরের চরকা গ্রামে প্রবল আতঙ্ক। সংঘর্ষে বোমা ছোড়া হয় বলে অভিযোগ। বিস্ফোরণে হাত উড়ে গেছে এক তৃণমূল কংগ্রেস সমর্থকের। গুরুতর জখম ওই তৃ়ণমূল সমর্থক রফিকুল আলমের চিকিৎসা চলছে মেদিনীপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে।

কেশপুরে সংঘর্ষের পিছনে সিপিআইএমের উস্কানি আছে বলে দাবি জেলা তৃণমূল কংগ্রেস নেতাদের। আরও অভিযোগ, বিজেপিও উস্কানি দিচ্ছে। তবে দুটি দলই অভিযোগ উড়িয়ে দাবি করে তৃণমূলের গোষ্ঠিদ্বন্দ্বের কারণেই গ্রাম বাংলা বারুদের স্তূপের উপর দাঁড়িয়ে আছে।

অন্যদিকে বীরভূমের সাঁইথিয়ার বহড়াপুর গ্রামে বোমাবাজির ঘটনায় তৃণমূলের গোষ্ঠিদ্বন্দ্ব প্রকাশ্যে। বহড়াপুরে প্রবল আতঙ্ক। সেখান বম্ব স্কোয়াড উদ্ধার করেছে কমপক্ষে ৪০টি বোমা। ১৪ জন তৃণমূল সমর্থক ধৃত। একাধিক জখম চিকিৎসাধীন। সাঁইথিয়ায় আতঙ্ক ছড়িয়েছে।

সংবাদটি বিস্তারিত পড়তে ক্লিক করুন TMC: সাঁইথিয়ার পর কেশপুরে প্রবল বিস্ফোরণ, জখম তৃণমূল সমর্থক

Nisith Pramanik: চুরির মামলায় গ্রেফতারি নির্দেশের পর মন্ত্রী নিশীথ কোথায় ? দিল্লি সরগরম

নিশীথ প্রামানিক (Nisith Pramanik) কি চুরির অভিযোগে গ্রেফতার হবেন, এই প্রশ্নে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকেও শোরগোল। নিশীথ কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহর (Amit Shah) সহকারী। ফলে বিজেপি (BJP) আরও বিব্রত।

কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর মতো অতি গুরুত্বপূর্ণ পদে থেকেও নিশীথ প্রামানিকের মোবাইল অফ! তিনি কোথায়? এ বিষয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক নীরব। তেমনই নীরব বিজেপি। কোচবিহারের সাংসদের বিরুদ্ধে দুটি সোনার দোকানে চুরির মামলায় আলিপুরদুয়ার আদালত জারি করেছে গ্রেফতারি পরোয়ানা।

Nisith-pramanik

আগামী ৭ ডিসেম্বরের মধ্যে নিশীথ প্রামানিককে গ্রেফতারের নির্দেশ দিয়েছেন বিচারপতি। ওই তারিখের মধ্যে নিশীথকে গ্রেফতার করতে না পারলে পুলিশকে জবাবদিহি করতে হবে, এমনও নির্দেশ দিয়েছেন বিচারপতি।

আলিপুরদুয়ার আদালতের সরকারি আইনজীবী প্রশান্ত নারায়ণ মজুমদার বলেন, নিশীথ প্রামানিককে আদালতে হাজিরা দিতে বারবার যোগাযোগ করা হয়েছিল। তাঁকে পাওয়া যায়নি। সেই জন্যই থার্ড কোর্টের বিচারক কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী নিশীথ প্রামাণিকের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেছেন।

কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর আইনজীবী দুলাল ঘোষ জানান, ১১ নভেম্বর ফার্স্ট কোর্টে আমি বিকেল চারটে পর্যন্ত উপস্থিত ছিলাম। কোনও শুনানি হয়নি। পরে সাতটা নাগাদ থার্ড কোর্টের বিচারক এই নির্দেশ দিয়েছেন বলে শুনেছি। আমার অজ্ঞাতে এই নির্দেশ হয়েছে। আমরা ভবিষ্যতে কী করব তা পরে জানাব।

মামলার তারিখ অনুসারে দেখা যাচ্ছে ২০০৯ সালে তৃ়ণমূল কংগ্রেসে থাকাকালীন নিশীথ প্রামানিকের বিরুদ্ধে দুটি চুরির ঘটনায় অভিযোগ দায়ের হয়েছিল।

  • ২০১৯ সালে তৃণমূল কংগ্রেস ছেড়ে নিশীথ যোগ দেন বিজেপিতে
  • লোকসভা নির্বাচনে কোচবিহার থেকে জয়ী হন
  • নিশীথ প্রামানিককে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের রাষ্ট্রমন্ত্রী করা হয়

মঙ্গলবার নিশীথের নামে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারির পর থেতে উত্তরবঙ্গ আলোড়িত। কোচবিহারের সাংসদের বাড়ি (Dinhata) দিনহাটার ভেটাগুড়িতে। সেখানেও চাপা উত্তেজনা। আর প্রতিবেশি জেলা (Alipurduar) আলিপুরদুয়ারেও চাঞ্চল্য। আলিপুরদুয়ার ও বীরপাড়ায় দুটি সোনার দোকানে চুরির মামলায় নিশীথ প্রামানিকের নাম আছে।

কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী নিশীথ প্রামানিকের বিরুদ্ধে গ্রেফতারির পরোয়ানা জারি হতেই তীব্র প্রতিক্রিয়া দেন উত্তরবঙ্গ উন্নয়নমন্ত্রী (Udayan Guha) উদয়ন গুহ। দিনহাটার তৃণমূল কংগ্রেস (TMC) বিধায়ক উদয়ন বলেন, আইন সবার ক্ষেত্রেই সমানভাবে প্রযোজ্য। আদালতে হাজিরা না দিলে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি হয়। এটা সবাই জানেন। কেউ যদি মনে করেন আমি এমএলএ, এমপি বা মন্ত্রী আমার ক্ষেত্রে আলাদা আইন হবে। সেটা তো হয় না।

কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী বনাম উত্তরবঙ্গ উন্নয়নমন্ত্রীর তীব্র রাজনৈতিক বাদানুবাদে বারবার গরম হয়েছে রাজনৈতিক মহল। সম্প্রতি নিশীথের কনভয়ে হামলার পর সেই উত্তপ্ত বাক্য বিনিময় আরও বেড়েছিল।

নিশীথের নামে গ্রেফতারি পরোয়াানা জারির পর কোচবিহার জেলা বিজেপি সভাপতি সুকুমার রায় বলেন, আইনিভাবে যেটা হওয়ার সেটা হবে। অনেক নেতার নামেই অনেক সময় গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি হয়। আদালতকে অস্বীকার করা যাবে না। 

Nisith-pramanik

নিশীথ প্রামানিকের বিরুদ্ধে অভিযোগে বলা হয়েছে, ২০০৯ সালে আলিপুরদুয়ার শহরের বাদল নগরে জয়গুরু জুয়েলার্সে চুরির ঘটনা ঘটেছিল। সেই বছর ২ মে আলিপুরদুয়ার থানায় অভিযোগ জানিয়েছিলেন  দোকানের মালিক রতন ঘোষ।  কয়েকদিন পর বীরপাড়ার পাল জুয়েলার্সে চুরির ঘটনা ঘটেছিল। ১৩ মে সেই চুরির  ঘটনায় আলিপুরদুয়ার থানায় অভিযোগ দায়ের হয়। দুটি সোনার দোকানে চুরির ঘটনায় অভিযুক্ত  নিশীথ প্রামানিক।

আলিপুরদুয়ারে সোনার দোকানে  চুরির মামলায় গত ১২ জুলাই বিধাননগরে এমপি, এমএলএ কোর্টে আত্মসমর্পণ করেন নিশীথ প্রামাণিক। আদালত পাঁচ হাজার টাকার ব্যক্তিগত বন্ডে তাঁর জামিন মঞ্জুর করে। এবার আলিপুরদুয়ার আদালত থেকে নিশীথ প্রামানিকের বিরুদ্ধেই জারি হয়েছে গ্রেফতারি পরোয়ানা।

সম্প্রতি উত্তরবঙ্গ ভেঙে আলাদা কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল গঠনের জন্য যে বিতর্ক উঠেছে তাতে নিশীথ প্রামানিক বলেন একমাস অপেক্ষা করুন। শিলিগুড়িতে তিনি ও গ্রেটার কোচবিহার নেতা অনন্ত মহারাজ দীর্ঘ বৈঠক করেন। এরপর অনন্ত দাবি করেন রাজ্য ভাগ হচ্ছেই। আর কোচবিহারে নিশীথের কনভয়ে হামলায় অভিযুক্ত হয় তৃণমূল কংগ্রেস। দিনহাটার বিধায়ক ও উত্তরবঙ্গ উন্নয়নমন্ত্রী উদয়ন গুহর সঙ্গে তীব্র উত্তেজক রাজনৈতিক বাদানুবাদে চলে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী নিশীথ প্রামানিকের।

সংবাদটি বিস্তারিত পড়তে ক্লিক করুন Nisith Pramanik: চুরির মামলায় গ্রেফতারি নির্দেশের পর মন্ত্রী নিশীথ কোথায় ? দিল্লি সরগরম

Nisith Pramanik: অমিত শাহর ডেপুটি নিশীথকে চুরির মামলায় গ্রেফতার না করলে পুলিশের জবাবদিহি

কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী নিশীথ প্রামানিককের (Nisith Pramanik) বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারির পর দিল্লি সরগরম। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকে (Home Ministry)  পড়েছে শোরগোল। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহর (Amit Shah) ডেপুটি নিশীথ। তিনি কোচবিহারের (Cochbehar)  বিজেপি সাংসদ।

আলিপুরদুয়ার (Alipurduar) আদালত থেকে জারি হয়েছে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী নিশীথ প্রামানিকের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা। এর পর প্রবল অস্বস্তিতে রাজ্য বিজেপি। জানা যাচ্ছে গ্রেফতারি এড়াতে আইনজীবীদের সঙ্গে গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা করছেন নিশীথ।

মামলার তারিখ অনুসারে দেখা যাচ্ছে তৃ়ণমূল কংগ্রেসে থাকাকালীন নিশীথ প্রামানিকের বিরুদ্ধে দুটি চুরির ঘটনায় অভিযোগ দায়ের হয়েছিল।

  • ২০১৯ সালে তৃণমূল কংগ্রেস ছেড়ে নিশীথ যোগ দেন বিজেপিতে
  • লোকসভা নির্বাচনে কোচবিহার থেকে জয়ী হন
  • নিশীথ প্রামানিককে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের রাষ্ট্রমন্ত্রী করা হয়
  • সর্বাধিক গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রকগুলির একটির রাষ্ট্রমন্ত্রী হন নিশীথ

নিশীথ প্রামানিকের বিরুদ্ধে সোনার দোকানে চুরির মামলায় চাঞ্চল্যকর মোড় নিয়েছে। কোচবিহার, আলিপুরদুয়ার সহ উত্তরবঙ্গ (North Bengal)  জুড়েই প্রবল আলোড়ন।

মঙ্গলবার গ্রেফতারি পরোয়ানা জারির পর আলিপুরদুয়ার আদালতের সরকারি আইনজীবী জহর মজুমদার জানান, ২০০৯ সালের দুটি মামলার বিচারের নিশীথ প্রামাণিকের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেছেন আলিপুরদুয়ারের জুডিশিয়াল মেজিস্ট্রেট থার্ড কোর্টের বিচারক। আগামী ৭ ডিসেম্বরের মধ্যে নিশীথ প্রামানিককে গ্রেফতার করে আদালতে হাজির করতে হবে পুলিশকে। তা না হলে কেন গ্রেফতার করতে পারল না পুলিশ সেই কারণটি  জানাতে হবে।

কেন্দ্রীভূত স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী নিশীথ প্রামানিকের আইনজীবী দুলাল ঘোষ জানান, ১১ নভেম্বর ফার্স্ট কোর্টে আমি বিকেল চারটে পর্যন্ত উপস্থিত ছিলাম। কোনও শুনানি হয়নি। পরে সাতটা নাগাদ থার্ড কোর্টের বিচারক এই নির্দেশ দিয়েছেন বলে শুনেছি। আমার অজ্ঞাতে এই নির্দেশ হয়েছে। আমরা ভবিষ্যতে কী করব তা পরে জানাব।

নিশীথ প্রামানিকের বিরুদ্ধে অভিযোগে বলা হয়েছে, ২০০৯ সালে আলিপুরদুয়ার শহরের বাদল নগরে জয়গুরু জুয়েলার্সে চুরির ঘটনা ঘটেছিল। সেই বছর ২ মে আলিপুরদুয়ার থানায় অভিযোগ জানিয়েছিলেন  দোকানের মালিক রতন ঘোষ। কয়েকদিন পর বীরপাড়ার পাল জুয়েলার্সে চুরির ঘটনা ঘটে। ২০০৯ সালের ১৩ মে সেই চুরির  ঘটনায় আলিপুরদুয়ার থানায় অভিযোগ দায়ের হয়। দুটি সোনার দোকানে চুরির ঘটনায় অভিযুক্ত  নিশীথ প্রামানিক।

এদিকে  চুরির মামলায় চলতি বছর ১২ জুলাই  বিধাননগরে এমপি, এমএলএ কোর্টে আত্মসমর্পণ করেন কোচবিহারের বিজেপি সাংসদ তথা কেন্দ্রীয় মন্ত্রী নিশীথ প্রামাণিক। আদালত পাঁচ হাজার টাকার ব্যক্তিগত বন্ডে তাঁর জামিন মঞ্জুর করে। এবার আলিপুরদুয়ার আদালত থেকে নিশীথ প্রামানিকের বিরুদ্ধেই জারি হয়েছে গ্রেফতারি পরোয়ানা।

সম্প্রতি উত্তরবঙ্গ ভেঙে আলাদা কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল গঠনের জন্য যে বিতর্ক উঠেছে তাতে নিশীথ প্রামানিক বলেন একমাস অপেক্ষা করুন। শিলিগুড়িতে তিনি ও গ্রেটার কোচবিহার নেতা অনন্ত মহারাজ দীর্ঘ বৈঠক করেন। এরপর অনন্ত দাবি করেন রাজ্য ভাগ হচ্ছেই।

সম্প্রতি কোচবিহারে নিশীথের কনভয়ে হামলায় অভিযুক্ত হয় তৃণমূল কংগ্রেস। দিনহাটার বিধায়ক ও উত্তরবঙ্গ উন্নয়নমন্ত্রী উদয়ন গুহর সঙ্গে তীব্র উত্তেজক রাজনৈতিক বাদানুবাদে চলে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী নিশীথ প্রামানিকের।

সংবাদটি বিস্তারিত পড়তে ক্লিক করুন Nisith Pramanik: অমিত শাহর ডেপুটি নিশীথকে চুরির মামলায় গ্রেফতার না করলে পুলিশের জবাবদিহি

Birbhum: রাত নামতেই ফের বোমা মারার হুমকি, সাঁইথিয়ার গ্রামে ছড়িয়ে রক্তের দাগ

বোমাতঙ্কের রাত নেমেছে ফের। বীরভূমের (Birbhum) বহড়াপুরে সন্ধে নামতেই ঘিরে ধরছে আতঙ্ক। ফের বোমা মারার হুমকি আসছে। তৃ়ণমূল কংগ্রেস (TMC) গোষ্ঠিবাজির জেরে সোমবার বোমা বৃষ্টি হয়েছে সাঁইথিয়ার বহড়াপুরে। মঙ্গলবার পরিস্থিতি আরও আতঙ্কের।

ঘটনাস্থলে ছড়িয়ে রয়েছে রক্তের দাগ। প্রাণের দায়ে গ্রাম ছেড়েছেন অনেকে। দিনভর বম্ব স্কোয়াড ঘটনাস্থলে গিয়ে উদ্ধার করে একাধিক বোমা। কমপক্ষে ৪০টি বোমা মিলেছে। নিরাপদ দূরত্বে বোমা নিষ্ক্রিয় করা হয়।

  • পঞ্চায়েত ভোটের আগে বীরভূমে তৃ়ণমূল কংগ্রেসের গোষ্ঠিদ্বন্দ্ব প্রবল
  • গোরু পাচার তদন্তে তৃণমূল জেলা সভাপতি অনুব্রত মণ্ডল জেলে বন্দি
  • জেলার বিভিন্ন ব্লকে তৃণমূলে ভাঙন ও সিপিআইএমে যোগদান চলছে

সোমবার তৃনমূলের গোষ্ঠি সংঘর্ষের পর জানা যাচ্ছে যারা বহড়াপুর থেকে প্রানভয়ে পালিয়েছেন তাদের কাছে এসেছে হুমকি-আরও মারব বোমা! এতেই আরও আতঙ্ক। পুরো বহড়াপুর নিঝুম।

তৃণমূলের গোষ্ঠী-বিবাদের জেরে সোমবারের বোমাবাজির পর, মঙ্গলবারও থমথমে সাঁইথিয়ার বহড়াপুর গ্রাম। এখনও পর্যন্ত ১২ জন তৃণমূল কর্মীকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। গ্রামে পুলিশি টহল চলছে।

রামপুরহাটের বগটুই গ্রামে তৃ়ণমূল গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব ও বেআনি পাথর চালানের বখরা নিয়ে উপপ্রধান খুনের পর হয়েছিল গণহত্যা। এর পর ফের গরম বীরভূম। এবার সাঁইথিয়া। এখানকার বহড়াপুর গ্রামে ভয়াবহ পরিস্থিতি। গ্রামে পুলিশের টহলদারি চলছে।

বোমা বিস্ফোরণে এলারার তৃণমূল কর্মী শেখ সাদ্দামের ডান পা উড়ে গেছে। এক কিশোরের গোটা দেহে বোমার আঘাতে রক্তাক্ত। উদ্ধার হয়েছে ৩৫টি তাজা বোমা। তদন্তে উঠে এসেছে সাঁইথিয়ার তৃণমূল ব্লক সভাপতি সাবের আলি ও সাঁইথিয়া তৃণমূলের কার্যকরী সভাপতি তুষারকান্তি মণ্ডলের সমর্থকরা সংঘর্ষে জড়ায়। তুষার গোষ্ঠীর দাবি তাদের একজনকে অপহরণ করেছিল সাবেরের অনুগামীরা। তাকে ছাড়াতে গেলে সংঘর্ষ হয়।পরে পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।

সংবাদটি বিস্তারিত পড়তে ক্লিক করুন Birbhum: রাত নামতেই ফের বোমা মারার হুমকি, সাঁইথিয়ার গ্রামে ছড়িয়ে রক্তের দাগ

Nisith Pramanik: চুরির মামলায় গ্রেফতার হবেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী?

কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী নিশীথ প্রামানিকের বিরুদ্ধে জারি গ্রেফতারি পরোয়ানা। গ্রেফতার হবেন অমিত শাহর ডেপুটি? সোনা চুরির মামলায় নিশীথ প্রামানিক (Nisith Pramanik) জড়িয়ে আছেন বলে অভিযোগ। 

জানা যাচ্ছে বিজেপি সাংসদ ও কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী নিশীথ প্রামানিকের বিরুদ্ধে ২০০৯ সালের মে মাসে আলিপুরদুয়ার থানা এলাকায় দুজন সোনা ব্যবসায়ীর দোকান ভাঙচুর এবং লুঠপাট করার অভিযোগ আছে।

এই মামলায় এর আগে বেশ কয়েকবার আদালত থেকে তাঁকে হাজিরার নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল।চুরির মামলায় গত ১২ জুলাই  বিধাননগরে এমপি, এমএলএ কোর্টে আত্মসমর্পণ করেন কোচবিহারের বিজেপি সাংসদ তথা কেন্দ্রীয় মন্ত্রী নিশীথ প্রামাণিক। আদালত পাঁচ হাজার টাকার ব্যক্তিগত বন্ডে তাঁর জামিন মঞ্জুর করে। এবার আলিপুরদুয়ার আদালত থেকে নিশীথ প্রামানিকের বিরুদ্ধেই জারি হয়েছে গ্রেফতারি পরোয়ানা।

সম্প্রতি উত্তরবঙ্গ ভেঙে আলাদা কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল গঠনের জন্য যে বিতর্ক উঠেছে তাতে নিশীথ প্রামানিক বলেন একমাস অপেক্ষা করুন। শিলিগুড়িতে তিনি ও গ্রেটার কোচবিহার নেতা অনন্ত মহারাজ দীর্ঘ বৈঠক করেন। এরপর অনন্ত দাবি করেন রাজ্য ভাগ হচ্ছেই।

আর কোচবিহারে নিশীথের কনভয়ে হামলায় অভিযুক্ত হয় তৃণমূল কংগ্রেস। দিনহাটার বিধায়ক ও উত্তরবঙ্গ উন্নয়নমন্ত্রী উদয়ন গুহর সঙ্গে তীব্র উত্তেজক রাজনৈতিক বাদানুবাদে চলে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী নিশীথ প্রামানিকের।

সংবাদটি বিস্তারিত পড়তে ক্লিক করুন Nisith Pramanik: চুরির মামলায় গ্রেফতার হবেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী?

টাকা পেতে এবার কি প্রধানমন্ত্রীর পায়ে ধরতে হবে: মমতা

জঙ্গলমহল সফরে গিয়ে মুখ্যমন্ত্রী (Mamata Banerjee) কেন্দ্র সরকারের তরফে বরাদ্দ করা অর্থ না পাওয়ার অভিযোগে সরব হলেন। বেলপাহাড়িতে আদিবাসী নেতা বীরসা মুন্ডার প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে তিনি কেন্দ্র সরকারের প্রতি ক্ষোভ উগরে দেন। পঞ্চায়েত ভোটের আগে ঝাড়গ্রাম (Jhargram) থেকেই শুরু হলো মমতার জঙ্গলমহলে রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক সফর।

মুখ্যমন্ত্রী বলেন বিধবা ভাতা, লক্ষ্মীর ভাণ্ডার দুই মিলবে।কেন্দ্র ১০০ দিনের টাকা দিচ্ছে না। রাজ্য থেকে টাকা তুলছে, কিন্তু রাজ্যকে দিচ্ছে না। একশ দিনের কাজে সমস্যা হচ্ছে। এই টাকা কারও দয়ার টাকা নয়, এটা রজ্যের প্রাপ্য। টাকা পেতে প্রধানমন্ত্রীর সাথে দেখা করে এসেছি। এবার কি পায়ে ধরতে হবে?

পঞ্চায়েত ভোটের আগে তৃণমূল কংগ্রেস সরকার পরপর বিতর্কে জড়াচ্ছে। একাধিক দুর্নীতির তদন্তে জর্জরিত সরকার। আবার রাষ্ট্রপতিকে নিয়ে মন্ত্রী অখিল গিরির মন্তব্যের পর আদিবাসী সমাজে ক্ষোভ ছড়িয়েছে। চাপের মুখে মুখ্যমন্ত্রী নিজে ক্ষমা চান।

বিতর্কের মাঝে মুখ্যমন্ত্রীর জঙ্গলমহল সফর চলছে। আদিবাসী বিদ্রোহী নেতা বীরসা মুন্ডার জন্মদিবস উপলক্ষে ঝাড়গ্রাম জেলা সফরে গিয়ে বীরসা মূর্তি উন্মোচন করেন তিনি। শুধু জঙ্গলমহল নয়, উত্তরবঙ্গের আদিবাসী সমাজের প্রতিও তিনি উন্নয়ন বার্তা দেন।

মুখ্যমন্ত্রী বলেন, ১৮ লক্ষ জাতি শংসাপত্র পেয়েছেন। আগে শংসাপত্র পেত না। ৩২ কোটি ৫৩লক্ষ টাকার প্রকল্পের শিলন্যাস হয়েছে। ৫০ হাজার আদিবাসীকে পাট্টা দেওয়া হয়েছে। সরকার সবসময় আপনাদের পাশে থাকবে।সাঁওতালি ভাষাকে স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছে।

সংবাদটি বিস্তারিত পড়তে ক্লিক করুন টাকা পেতে এবার কি প্রধানমন্ত্রীর পায়ে ধরতে হবে: মমতা

Birbhum: তৃণমূল গোষ্ঠীদ্বন্দ্বে সাঁইথিয়ার গহরাপুর যেন বোমার গড়, নেমেছে বম্ব স্কোয়াড

রামপুরহাটের বগটুই গ্রামে তৃ়ণমূল গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব ও বেআইনি পাথর চালানের বখরা নিয়ে উপপ্রধান খুনের পর হয়েছিল গণহত্যা। এর পর ফের গরম (Birbhum) বীরভূম। এবার সাঁইথিয়া। এখানকার গহরাপুর গ্রামে ভয়াবহ পরিস্থিতি। সোমবার রাতে বোমা হামলায় অনেকে জখম। আর মঙ্গলবার থেকে পালাচ্ছেন গ্রামবাসীরা।

  • বোমা হামলায় ভয়াবহ পরিস্থিতি সাঁইথিয়ার গহরাপুরে
  • গহরাপুর এলাকা ছেড়ে পালাচ্ছেন গ্রামবাসীরা

তৃণমূল কংগ্রেসের দুই গোষ্ঠির সংঘর্ষের পর মোট ১২ জন ধৃত। সবাই তৃণমূল কর্মী। গ্রামে পুলিশের টহলদারি চলছে। সূত্রের খবর গহরাপুরের সর্বত্র বোমা পড়ে আছে। এমন বোমা যেগুলো ফাটেনি। যে কোনও সময় ফাটতে পারে। ফলে বোমা নিষ্ক্রিয় করতে নেমেছে বম্ব স্কোয়াড।

জানা যাচ্ছে গোটা গ্রাম পুরুষ শূন্য। আশঙ্কায় শিশুদের নিয়ে গ্রাম ছাড়ছেন মহিলারা। ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন জেলা পুলিশ আধিকারিকরা।

বোমা বিস্ফোরণে এলারার তৃণমূল কর্মী শেখ সাদ্দামের ডান পা উড়ে গেছে। এক কিশোরের গোটা দেহে বোমার আঘাতে রক্তাক্ত। উদ্ধার হয়েছে ৩৫টি তাজা বোমা।

তদন্তে উঠে এসেছে সাঁইথিয়ার তৃণমূল ব্লক সভাপতি সাবের আলি ও সাঁইথিয়া তৃণমূলের কার্যকরী সভাপতি তুষারকান্তি মণ্ডলের সমর্থকরা সংঘর্ষে জড়ায়। তুষার গোষ্ঠীর দাবি তাদের একজনকে অপহরণ করেছিল সাবেরের অনুগামীরা। তাকে ছাড়াতে গেলে সংঘর্ষ হয়।পরে পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।

সংবাদটি বিস্তারিত পড়তে ক্লিক করুন Birbhum: তৃণমূল গোষ্ঠীদ্বন্দ্বে সাঁইথিয়ার গহরাপুর যেন বোমার গড়, নেমেছে বম্ব স্কোয়াড

Bankura Police: লক্ষ লক্ষ টাকার সোনার গয়না উদ্ধার করল পুলিশ

লক্ষ লক্ষ টাকার সোনা-রুপোর গয়না উদ্ধারে চাঞ্চল্য বাঁকুড়ায়।  অভিযান শেষে বাঁকুড়া জেলা পুলিশ জানাল এই তথ্য।

গয়না উদ্ধারের পর সোনামুখী জুড়ে প্রবল চাঞ্চল্য। কারণ, কালীপুজার ঠিক পর পর সোনামুখীতে একই রাতে তিনটি কালীমূর্তি থেকে গয়নাগুলি চুরি হয়েছিল। এর পর সোনামুখী জুড়ে প্রবল চাঞ্চল্য ছড়ায়। চাপের মুখে পড়ে বাঁকুড়া জেলা পুলিশ

একই রাতে পরপর কালীমূর্তির গয়না লোপাট

  • কালীপুজোর ঠিক পর সোনামুখী শহরের তিনটি কালী মন্দিরে দুঃসাহসিক চুরি হয়েছিল।
  • সোনামুখী পুরসভার ১৫ নম্বর ওয়ার্ডের চামুণ্ডা কালীতলা এলাকায় চ্যাটার্জি পরিবারের চামুন্ডা কালী মন্দিরে আনুমনিক ১২ লক্ষ টাকার গয়না চুরি হয়।
  • শহরের ১৪ নম্বর ওয়ার্ডের চৌধুরীপাড়ায় চৌধুরী পরিবারের পাঁচশ বছরের কালী মন্দির থেকে আনুমানিক দেড় লক্ষ টাকার গয়না খোওয়া যায়।

তদন্তে নামে বাঁকুড়া জেলা পুলিশ। জেলা পুলিশের তরফে জানানো হয়েছে, কালীপুজোর পরের দিন রাতে সোনামুখী শহরের বুকে অবস্থিত তিনটি কালী মন্দির থেকে একই রাতে কালী প্রতিমার গায়ে থাকা সোনা ও রূপার গহনাগুলি চুরি হয়ে যায়। দায়ের করা হয় তিনটি পৃথক মামলা।

জেলা পুলিশ জানিয়েছে  তদন্তে অগ্রগতির জন্য কোন কিছু বাদ রাখা হয়নি। গঠন করা হয় একটি বিশেষ তদন্তকারী দল।

জেলা পুলিশ জানিয়েছে অবশেষে গ্রেফতার করা হয়েছে মোট চার জনকে। উদ্ধার করা হয়েছে কালী মূর্তির চুরি হয়ে যাওয়া গয়নাগুলি। উদ্ধার করা গয়নার বাজারমূল্য কমপক্ষে ১২ লক্ষ টাকা হবে বলে জানানো হয়েছে।

সংবাদটি বিস্তারিত পড়তে ক্লিক করুন Bankura Police: লক্ষ লক্ষ টাকার সোনার গয়না উদ্ধার করল পুলিশ

ঝগড়া করলে ব্রেনের সেল নষ্ট হয়: মমতা

শাসক বিরোরী রাজনৈতিক তরজায় মুখ্যমন্ত্রীর (Mamata Banerjee) নতুন উক্তি ঝগড়া করলে ব্রেনের সেল (Brain Cells) নষ্ট হয়। তাঁর মন্তব্যের পর রাজনৈতিক মহলের আলোচনা দলীয় নেতাদের বার্তা দিয়ে ঠান্ডা হতে বললেন মমতা।

রাজ্যজুড়ে একাধিক দুর্নীতি মামলায় নাম জড়িয়েছে শাসক দল তৃ়ণমূল কংগ্রেসের। হেভিওয়েট নেতারা জেল হেফাজতে। রাষ্ট্রপতিকে নিয়ে মন্ত্রী অখিল গিরির মন্তব্যের কারণে তৃণমূলকে তুলোধনা করছে বিরোধীরা। এরই মধ্যে সোমবার নেতাজী ইন্ডোরের এক অনুষ্ঠান থেকে নতুন প্রজন্মের উদ্দেশ্যে বিশেষ বার্তা দিতে গিয়ে ঝগড়া না করার পরামর্শ দিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

তিনি বলেন, এক শ্রেণীর লোক শুধু সমালোচনা করে বেড়াচ্ছে। সারাক্ষণ নেতিবাচক কথা বলে চলেছে। ছাত্রছাত্রীদের উদ্দেশ্যে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, আমাদের ব্রেন তথা মস্তিষ্কে অনেক কোষ রয়েছে। আমরা যখন রাগারাগি করি, যখন ঝগড়া করি, যখন খারাপ কথা ভাবি, তখন আমাদের ব্রেনের সেল নষ্ট হয়ে যায়।

মমতা বলেন, ব্রেনে কত সেল রয়েছে তা কেউ জানে না। তাই আমরা সবাই ভাল মনে থাকব, কখনও আঁকব, কখনও আকাশ দেখব, কখনও প্রকৃতি দেখব, কখনও পাহাড় দেখব। মনটাকে খোলা হাওয়ায় দেব। কাজ করতে গেলে লোকে ভুল করে। সব সময় শুধরে নেওয়া দরকার। রাস্তায় হাঁটতে গেলে আমরা হোঁচট খাই না? হোঁচট খেলে পায়ে একটু লাগে। পরে সেটাকে ঠিক করে নিতে হয়। দেখে হাঁটতে হয়। যদি কোনও ভুল ভ্রান্তি কেউ করে তা শুধরে নেওয়া হবে। তার জন্য আইন আইনের পথে চলবে।

এরপরেই মমতাকে বলতে শোনা যায়, ছাত্রছাত্রীদের সামনে আমার বলতে খারাপ লাগছে। আমি দুঃখিত। কিন্তু কিছু লোক যারা বাংলাকে ভালোবাসে না। সারাক্ষণ কুৎসা ও অপপ্রচার চালানো হচ্ছে। সব সময় চেষ্টা করবেন পজিটিভ করার জন্য।

মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তুলে ধরেন রামকৃষ্ণ দেবের উক্তি। সংকটে মাথা নিচু করে নয়, মাথা উঁচু করে বাঁচার পরামর্শ দিলেন তিনি। রাজনৈতিক মহলের ব্যাখা, দলের একাধিক নেতাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছে বারবার। সেই অভিযোগ চাপা দিতেই এই ধরনের মন্তব্য করছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

সংবাদটি বিস্তারিত পড়তে ক্লিক করুন ঝগড়া করলে ব্রেনের সেল নষ্ট হয়: মমতা

Badsha Moitra: বিতর্কিত মন্তব্য করে বিপাকে অভিনেতা বাদশা মৈত্র

বিধানসভা নির্বাচনে বিজেপির (BJP) টিকিটে জয়লাভের পর তৃণমূলে যোগদান করেছিলেন (Mukul Roy) মুকুল রায়। এরপর খাতায় কলমে তাঁকে বিজেপির বিধায়ক ঘোষণা করে পিএসির চেয়ারম্যান (PAC Chairman) পদের জন্য নির্বাচিত করা হয়েছিল। তা নিয়ে স্পিকার এবং তৃণমূলের বিধায়কদের বিরুদ্ধে মন্তব্য করেন (CPIM) সিপিআইএম ঘনিষ্ঠ টলি়উড অভিনেতা ও নাট্যকার (Badsha Moitra) বাদশা মৈত্র এবং কংগ্রেসের আইনজীবী নেতা কৌস্তুভ বাগচি।

সংবাদমাধ্যমে বিধানসভার স্পিকার বিমান বন্দ্যোপাধ্যায় ও বিধায়কদের বিরুদ্ধে বিরূপ মন্তব্য করায় বিপাকে অভিনেতা ও বাম বুদ্ধিজীবী বাদশা মৈত্র। সূত্রের খবর, বিধানসভার শীতকালীন অধিবেশন শুরু হলেই তলব করা হতে পারে তাঁকে। বাদশার বিরুদ্ধে স্বাধিকার ভঙ্গের নোটিশ দেওয়া হয়েছে বলেই জানা যাচ্ছে।

বিধানসভার স্বাধিকারভঙ্গ কমিটির তলবে হাজিরা দিতে হতে পারে অভিনেতা বাদশা মৈত্রকে। একই অভিযোগে তলব করা হতে পারে কংগ্রেস নেতা কৌস্তুভ বাগচিকে।

জানা যাচ্ছে, আগামী ১৮ তারিখ থেকে শুরু হচ্ছে বিধানসভার শীতকালীন অধিবেশন। চলবে ৩০ নভেম্বর অবধি। সেখানেই এই দুই জনকে তলব করা হতে পারে। কারণ, এর আগে ওই দুই জন ও সংশ্লিষ্ট টিভি চ্যানেলের সঞ্চালকের বিরুদ্ধে স্বাধিকারভঙ্গের অভিযোগ এনেছিলেন সরকারি মুখ্য সচেতক নির্মল ঘোষ।

বাদশা মৈত্র জানিয়েছেন, চিঠি লিখেই বিস্তারিত জানিয়েছেন। এরপর যদি ডাকা হয়, তা হলে যাব। চিঠিতে যে জবাব তিনি দিয়েছেন, সেই কথাই বিধানসভায় সশরীরে উপস্থিত হয়ে জানাবেন।

সংবাদটি বিস্তারিত পড়তে ক্লিক করুন Badsha Moitra: বিতর্কিত মন্তব্য করে বিপাকে অভিনেতা বাদশা মৈত্র

Badsha Moitra: বিতর্কিত মন্তব্য করে বিপাকে অভিনেতা বাদশা মৈত্র

বিধানসভা নির্বাচনে বিজেপির (BJP) টিকিটে জয়লাভের পর তৃণমূলে যোগদান করেছিলেন (Mukul Roy) মুকুল রায়। এরপর খাতায় কলমে তাঁকে বিজেপির বিধায়ক ঘোষণা করে পিএসির চেয়ারম্যান (PAC Chairman) পদের জন্য নির্বাচিত করা হয়েছিল। তা নিয়ে স্পিকার এবং তৃণমূলের বিধায়কদের বিরুদ্ধে মন্তব্য করেন (CPIM) সিপিআইএম ঘনিষ্ঠ টলি়উড অভিনেতা ও নাট্যকার (Badsha Moitra) বাদশা মৈত্র এবং কংগ্রেসের আইনজীবী নেতা কৌস্তুভ বাগচি।

সংবাদমাধ্যমে বিধানসভার স্পিকার বিমান বন্দ্যোপাধ্যায় ও বিধায়কদের বিরুদ্ধে বিরূপ মন্তব্য করায় বিপাকে অভিনেতা ও বাম বুদ্ধিজীবী বাদশা মৈত্র। সূত্রের খবর, বিধানসভার শীতকালীন অধিবেশন শুরু হলেই তলব করা হতে পারে তাঁকে। বাদশার বিরুদ্ধে স্বাধিকার ভঙ্গের নোটিশ দেওয়া হয়েছে বলেই জানা যাচ্ছে।

বিধানসভার স্বাধিকারভঙ্গ কমিটির তলবে হাজিরা দিতে হতে পারে অভিনেতা বাদশা মৈত্রকে। একই অভিযোগে তলব করা হতে পারে কংগ্রেস নেতা কৌস্তুভ বাগচিকে।

জানা যাচ্ছে, আগামী ১৮ তারিখ থেকে শুরু হচ্ছে বিধানসভার শীতকালীন অধিবেশন। চলবে ৩০ নভেম্বর অবধি। সেখানেই এই দুই জনকে তলব করা হতে পারে। কারণ, এর আগে ওই দুই জন ও সংশ্লিষ্ট টিভি চ্যানেলের সঞ্চালকের বিরুদ্ধে স্বাধিকারভঙ্গের অভিযোগ এনেছিলেন সরকারি মুখ্য সচেতক নির্মল ঘোষ।

বাদশা মৈত্র জানিয়েছেন, চিঠি লিখেই বিস্তারিত জানিয়েছেন। এরপর যদি ডাকা হয়, তা হলে যাব। চিঠিতে যে জবাব তিনি দিয়েছেন, সেই কথাই বিধানসভায় সশরীরে উপস্থিত হয়ে জানাবেন।

সংবাদটি বিস্তারিত পড়তে ক্লিক করুন Badsha Moitra: বিতর্কিত মন্তব্য করে বিপাকে অভিনেতা বাদশা মৈত্র

SSC Scam: সিবিআই সিজার লিস্টে দিলীপ ঘোষের নামে দলিল কেন? প্রবল বিব্রত বিজেপি

নিয়োগ দুর্নীতির (SSC Scam) তদন্তে সিবিআই (CBI) সিজার লিস্টে বিজেপি (BJP) সর্বভারতীয় সহ সভাপতি দিলীপ ঘোষের নাম (Dilip Ghosh) নিয়েই প্রবল শোরগোল। চরম অস্বস্তিতে বিজেপি। কেন লেখা হয়েছে এমন?

সিবিআই সিজার লিস্ট অনুসারে দিলীপ ঘোষের বাড়ির দলিল মিলেছে এসএসসি দুর্নীতির টাকা লেনদেনের দালাল প্রসন্ন রায়ের ঘরে। 

আদালতে এই সিজার লিস্ট জমা দিয়েছে সিবিআই। তদন্তে নেমে প্রসন্নর নিউটাউন আবাসন থেকে পাওয়া সবকিছুর তালিকা জমা দিয়েছে সিবিআই। সেই তালিকারই ৮ নম্বরে লেখা আছে প্রসন্নর বাড়ি থেকে মিলেছে দিলীপ কুমার ঘোষের নামের দলিল।

ওই দলিল অনুসারে একটি জমি কেনা হয় দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলায়। শৌভিক মজুমদারে কাছ থেকে দিলীপ ঘোষ সেই জমি কিনেছেন। আর জমি কেনার দলিলের ডিড মিলেছে এসএসসি দুর্নীতির দানাল প্রসন্নর বাড়িতে।

বিজেপির সর্ব ভারতীয় সহ সভাপতি দিলীপ ঘোষ ও এসএসসি দুর্নীতির দালাল প্রসন্নর মধ্যে কী সম্পর্ক?

দিলীপ ঘোষ বলেছেন, এক সময়ে ওই আবাসনে তিনি থাকতেন। প্রসন্ন কী কাজ করেন জানা ছিল না। বিদ্যুতের সংযোগ সংক্রান্ত বিষয়ের জন্য দলিলটি তিনি দিয়েছিলেন প্রসন্নকে।

কী কাজ করেন সেটা না জেনেই একজনকে দলিল দেওয়া সম্ভব? দিলীপ ঘোষের দিকে ঘুরে আসছে এমন প্রশ্ন।

সম্প্রতি এসএসসির উপদেষ্টা কমিটির প্রাক্তন চেয়ারম্যান শান্তিপ্রসাদ সিনহা আদালতে চিৎকার করে বলেছিলেন, সিবিআই সিজার লিস্ট কেন আদালতে জমা দিচ্ছে না। এবার সিবিআই সিজার লিস্টে লেখা হলো কোটি কোটি টাকা লেনদেনের দালাল প্রসন্নর বাড়িতে দিলীপ ঘোষের নামে দলিল মিলেছে!

সংবাদটি বিস্তারিত পড়তে ক্লিক করুন SSC Scam: সিবিআই সিজার লিস্টে দিলীপ ঘোষের নামে দলিল কেন? প্রবল বিব্রত বিজেপি

Siliguri: শিলিগুড়িতে গ্রেনেড মিলল, নাশকতার ছক?

উত্তরবঙ্গ (North Bengal) ভাঙার ছক করার জন্য রাজ্যে অস্ত্র ঢুকছে। এমনই আশঙ্কা করেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee)। নদীয়ায় প্রশাসনিক বৈঠক থেকে তিনি সব জেলা প্রশাসনকে সতর্ক থাকতে বলেছেন। মু়খ্যমন্ত্রী যখন রানাঘাট থেকে সতর্কতা দিচ্ছেন ততক্ষণে শিলিগুড়ি (Siliguri) সরগরম গ্রেনেড (grenade) উদ্ধারের ঘটনায়।

শিলিগুড়ির মোহরগাঁও চা বাগানে হ্যান্ড গ্রেনেড মিলেছে বলেই জানা যাচ্ছে।  চা বাগানের কাছে সার বানানোর এক জায়গায় ওই গ্রেনেড জাতীয় বস্তুটি পড়েছিল।  বাগানের এক শ্রমিক সেটির বিপদ আন্দাজ না করতে পেরে হাতে তুলে নেয়। এক জায়গায় সেটি রেখে দেয়। এরপরই চাঞ্চল্য ছড়ায়।

খবর পায় প্রধাননগর থানার পুলিশ। এলাকায় যায় সিআইডি বম্ব স্কোয়াড। তবে গ্রেনেড জাতীয় বস্তুটিকে নিষ্ক্রিয় করা যায়নি। শুক্রবার নিষ্ক্রিয় করবে বম্ব স্কোয়াড।

উত্তরবঙ্গ কেটে আলাদা কেন্দ্রশাসিত এলাকা গঠনের দাবি করছে বিরোধী দল বিজেপি। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী, গ্রেটার কোচবিহার নেতারা ইঙ্গিত দিচ্ছেন রাজ্য ভাগের। আলাদা কামতাপুর দাবিতে কেএলও জঙ্গি নেতা জীবন সিংহ দিয়েছে হুমকি। এসবের মাঝে শিলিগুড়িতে গ্রেনেড উদ্ধারে সরগরম পরিস্থিতি।

মুখ্যমন্ত্রীর দাবি, বিহার থেকে অস্ত্র ঢুকছে রাজ্যে।  বঙ্গভঙ্গের অশান্তি পাকানোর চেষ্টা চলছে। তার জন্য বিহার থেকে অস্ত্র আসছে রাজ্যে। পুলিশ প্রশাসনকে কড়া নজর রাখার নির্দেশ দিয়েছেন তিনি। বিশেষ করে সীমান্তের এলাকাগুলিতে নাকাচেকিং বাড়িয়ে দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন তিনি।

সংবাদটি বিস্তারিত পড়তে ক্লিক করুন Siliguri: শিলিগুড়িতে গ্রেনেড মিলল, নাশকতার ছক?

Nadia: ডিসেম্বর থেকে সাম্প্রদায়িক যুদ্ধ করার ষড়যন্ত্র হচ্ছে: মমতা

ফের প্রশাসনকে সতর্ক করলেন মুখ্যমন্ত্রী। নদীয়া (Nadia) সফরে রানাঘাট (Ranaghat) থেকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Mamata Banerjee) বার্তা, ডিসেম্বর থেকে কেউ কেই কমিউনাল (সাম্প্রদায়িক) যুদ্ধ লাগাবার তাল করেছে। (communal tension) এর আগে তিনি মন্ত্রিসভার বৈঠকে ডিসেম্বর মাস নিয়ে সতর্ক থাকার জন্য নির্দেশ দেন।

রানাঘাট থেকে মুখ্যমন্ত্রীর বার্তার পর রাজনৈতিক মহল সরগরম। কারণ বিরোঘী দল বিজেপির নেতারা ও বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী বারবার দাবি করেছেন ডিসেম্বরে সরকার পড়ে যাবে।

বিজেপি রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদারও কয়েকবার বলেছেন ডিসেম্বরে রাজ্যে সরকার পড়ে যাবে। তৃ়ণমূল কংগ্রেসের সরকার আর বেশিদিন স্থায়ী হবেনা।

রানাঘাটের সভা থেকে নাম না করে মুখ্যমন্ত্রী বিজেপিকেই নিশানা করেছেন। তিনি বলেন, কেউ কেউ ডিসেম্বর থেকে ধামাকা করার প্ল্যান করছে। পুলিশ প্রশাসনকে সতর্ক থাকতে হবে।

মুখ্যমন্ত্রীর সাথে অনুষ্ঠানে ছিলেন সাংসদ মহুয়া মৈত্র। তিি দেবী কালী নিয়ে একটি মন্তব্য করেছিলেন। এর পর বিজেপি ও বিভিন্ন হিন্দুত্ববাদী সংগঠনের তরফে বিক্ষোভ হয়। তবে মহুয়া বলেন, যা বলেছি তার থেকে একটুও সরব না। সবই শাস্ত্রসম্মত ব্যাখ্যা দিয়েছি।

বিতর্কে জড়ানো মহুয়াকেও দলীয় গোষ্ছিবাজি রাজনীতি থেকে দূরে থাকার বার্তা আগেই দিয়েছেন মমতা। তৃণমূল নেতীর এই বার্তার সময় মঞ্চে ছিলেন মহুয়া মৈত্র।

অন্যদিকে নদীয় জেলার বিজেপি বিধায়করা ও তাদের অনুগামীরা মুখ্যমন্ত্রীর এই সফর ও অনুষ্ঠানে কেন আমন্ত্রণ পাননি এই অভিযোহ এলে বিক্ষোভে সামিল হচ্ছেন।

 

সংবাদটি বিস্তারিত পড়তে ক্লিক করুন Nadia: ডিসেম্বর থেকে সাম্প্রদায়িক যুদ্ধ করার ষড়যন্ত্র হচ্ছে: মমতা