Covid 19: লকডাউনের পথে না হেটে কড়া বিধি দিল্লির

arvind kejriwal covid

সংক্রমণের জেরে বিধ্বস্ত গোটা দেশ। সংক্রমণ বাড়ছে দেশের রাজধানীতেও। দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়াল খোদ করোনা আক্রান্ত। তবুও লকডাউনের পথে হাঁটতে চাইছে না রাজ্য। যদিও বিধিনিষেধের দিক থেকে আরও কড়াকড়ি করছে সরকার।

এবার রেস্তোরাঁর ক্ষেত্রে জারি হল নিষেধাজ্ঞা। দিল্লি সরকার নির্দেশিকা জারি করে জানিয়েছে, এখন থেকে রেস্তোরাঁয় বসে খাওয়া যাবেনা। চালু থাকবে ফুড অ্যাপগুলি। সেখান থেকে অর্ডার করে বাড়িতে বড় বসে রেস্তোরাঁর খাবার খাওয়া যাবে। সরাসরি রেস্তোরাঁ থেকেও খাবার হোম ডেলিভারি করা যাবে।

করোনার নতুন ভ্যারিয়েন্ট ওমিক্রন আতঙ্কেও কাঁপছে দিল্লি। ওমিক্রন সংক্রমণের নিরিখে তৃতীয় স্থানে রয়েছে দিল্লি। রাজ্যে এখনও পর্যন্ত ওমিক্রন আক্রান্তের সংখ্যা ৫০০-র গণ্ডি পার করেছে। গত ২৪ ঘন্টায় রাজধানীতে নতুন করে করোনা আক্রান্ত হয়েছেন ২২, ৭৫১ জন।

Omicron: চিনে এবার ওমিক্রন গোষ্ঠী সংক্রমণ

Omicron

চিনে ফের গোষ্ঠী সংক্রমণ। তিয়ঞ্জিন প্রদেশে অনেকেই ওমিক্রনে (Omicron) আক্রান্ত হয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে। শক্ত হাতে পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার চেষ্টা করছে চিনা (China) সরকার।

প্রথম থেকে অতিমারি পরিস্থিতির বিরুদ্ধে কড়া মনোভাব শি জিন পিং- এর সরকার। প্রথম এবং দ্বিতীয় পর্যায়ের পরেও প্রশাসনের পক্ষ থেকে জারি করা হয়েছিল পরীক্ষা৷ সাধারণ মানুষের দেহে কর্ণ ভাইরাস প্রবেশ করেছে কি না, তা খোঁজ করতে চলেছে লাগাতার টেস্ট। ধারাবাহিক এই প্রক্রিয়ার মাধ্যমে সরকারের র‍্যাডারে ওমিক্রণ। আশঙ্কা করা হচ্ছে, চিনের শুরু হয়েছে ওমিক্রনিক গোষ্ঠী সংক্রমণ।

বন্দর শহর তিয়ঞ্জিনে খোঁজ মিলেছে ওমিক্রণ আক্রান্তের। এখনও পর্যন্ত দু’জনের শরীরে করোনার এই উপপ্রজাতি প্রবেশ করেছে বলে সে দেশের সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত।

প্রাথমিকভাবে মনে করা হচ্ছে, নির্দিষ্ট কোন জায়গা থেকেই সংক্রমনের সূত্রপাত। যদিও এ ব্যাপারে পোক্ত কোনো সিদ্ধান্ত এখনও উপনীত হতে পারেনি চিন সরকার। আপাতত ভাবনার কেন্দ্র বিন্দুতে তিয়ঞ্জিন শহর।

জনজীবন স্বাভাবিক রাখতে অতিমারির বিরুদ্ধে অনমনীয় চিন। সংক্রমণ লাগামছাড়া হলে ফের লকডাউনের সম্ভাবনা। ব্যহত হতে পারে ব্যবসা-বাণিজ্য। যা যে কোনো দেশের অর্থনৈতিক পরিস্থিতির পক্ষে নেতিবাচক৷ তিয়ঞ্জিন বন্দর শহর হওয়ায় আরও উদ্বিগ্ন চিন সরকার। ব্যবসার চাকা সচল রাখতে মরিয়া বেজিং।

Kolkata: করোনা রুখতে দোকানে একবারে একজন ক্রেতা নিয়ম

Kolkata: A one-time buyer rule at the store to stop corona

রাজ্যে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা বাড়ছে। জেলাগুলির মধ্যে কলকাতায় সর্বাধিক করোনা আক্রান্তের খোঁজ মিলছে। সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে শহরে মাইক্রো কনটেইনমেন্ট জোনের সংখ্যা ২৫ থেকে বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৪৫। এবার এক নয়া নিয়ম জারি করল প্রশাসন। এখন থেকে দোকান বাজারে বিক্রেতা পিছু একজন করে ক্রেতাকেই প্রবেশের অনুমতি দেওয়া হবে। অর্থাৎ, একসাথে একের বেশী লোক কেনাকাটা করতে পারবে না।

বৃহস্পতিবার কলকাতা পুরসভার মেয়র ফিরহাদ হাকিম ও রাজ্যের মুখ্যসচিব হরে কৃষ্ণ দ্বিবেদির একটি বৈঠকের পর এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

এদিনের বৈঠকে করোনা পরিস্থিতি সংক্রান্ত একটি বৈঠক হয়। বৈঠকে ফিরহাদ হাকিম, দ্বিবেদি ছাড়াও উপস্থিত ছিলেন কলকাতা পুলিশের উচ্চ আধিকারিক, স্বাস্থ্যদফতরের কর্তারা।

বৈঠকে ঠিক করা হয়, সংক্রমণ রুখতে বাজারে ভিড় কমাতে হবে। তাই এখন থেকে বিক্রেতা পিছু একজন ক্রেতা থাকবে। অর্থাৎ বাজারে যতসংখ্যক বিক্রেতা হয়েছেন, ঠিক তত সংখ্যক ক্রেতাই বাজারে ঢুকতে পারবেন। দ্রুতই সিদ্ধান্ত কার্যকর করা হবে এবং এই নিয়ম সঠিকভাবে পালন হচ্ছে কিনা তা দেখার দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে কলকাতা পুলিশকে।

বৃহস্পতিবার ভার্চুয়াল সাংবাদিক বৈঠকে রাজ্যের করোনা পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি আরও কড়াভাবে বিধিনিষেধ পালন করার কথা জানান। সংক্রমণ যাতে ছড়িয়ে না পড়ে তার জন্য সকলকে সচেতন হতে অনুরোধ জানিয়েছেন।

কিছুদিন আগেই মেয়র তথা রাজ্যের মন্ত্রী ফিরহাদ হাকিম ঘোষণা করেন কোনও এলাকায় ৪-৫ জন ব্যক্তি করোনা আক্রান্ত হলেই সেখানে মাইক্রো কনটেইনমেন্ট জোন তৈরি করা হবে। মাইক্রো কনটেইনমেন্ট জোনের এলাকাগুলিকে ব্যারিকেড করে দেওয়া হয়েছে। ছোট ছোট আবসনগুলিতে করোনার সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা বেশী, তাই আগামী দিনে এগুলিকেও মাইক্রো কনটেইনমেন্ট জোনে রূপান্তরিত করা হতে পারে বলে জানা গিয়েছে।

China: মাত্র তিন করোনা রোগী! ১১ লক্ষ জনবসতির চিনা শহরে লকডাউন

উপসর্গহীন মাত্র তিনজন করোনা রোগী চিহ্নিত। তাতেই ১১ লক্ষ জনবসতির শহরে লকডাউন করে দিল চিন (China)। এই নিয়ে চিনের দ্বিতীয় শহরে লকডাউন হয়েছে।

বিবিসি জানাচ্ছে, হেনান প্রদেশের ইউঝৌ শহরটির গণপরিবহণ বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে এবং নিত্যপণ্য ছাড়া সব দোকানপাট রাতারাতি বন্ধ রাখতে বলা হয়েছে।

রাজধানী বেজিং থেকে প্রায় ৭০০ কিলোমিটার দূরে ইউঝৌ শহরের সব বাসিন্দাকে ঘরে থাকার নির্দেশ দিয়েছে কর্তৃপক্ষ। যারা স্বাস্থ্য পরিষেবা কাজে নিযুক্ত, তারা বাইরে বের হতে পারবেন।

করোনাভাইরাস প্রথম শনাক্ত হওয়ার দেশ চীনে এ পর্যন্ত ১ লক্ষ ১৫ হাজারের বেশি মানুষ করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন। মৃত ৪ হাজার ৮৪৯ জন। চিনের ৮৬. ৩৮ শতাংশ মানুষ পূর্ণডোজ টিকা পেয়েছেন।

ওমিক্রন কাঁটা, আংশিক লকডাউনে কী কী বন্ধ হবে জানুন

lockdown kolkata

News Desk: বাংলায় করোনা সংক্রমণ বেড়েছে অনেকগুণ। রাজ্যের দৈনিক করোনা আক্রান্তের সংখ্যা পৌঁছেছে তিন হাজারের ঘরে।

এই পরিস্থিতিতে করোনা সংক্রমণ রুখতে পশ্চিমবঙ্গ সরকার রাজ্যজুড়ে আংশিক লকডাউন ঘোষণা করতে পারে বল খবর। পরিস্থিতি খারাপ হতে থাকলে আগামী ৩ জানুয়ারি থেকেই জারি হতে পারে কড়া বিধিনিষেধ।

সুত্রের খবর, আংশিক লকডাউন জারি হলে বন্ধ থাকবে রাজ্যের সমস্ত বার, রেস্তোরাঁ, সিনেমাহল। স্কুল-কলেজ সহ সমস্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ করে থাকবে।

আগামী ৩ জানুয়ারি নেতাজি ইন্ডোর স্টেডিয়ামে স্টুডেন্টস উইকের অনুষ্ঠান‌ বাতিল করা হয়েছে। আপাতত স্থগিত থাকছে দুয়ারে সরকার কর্মসূচি। সকল মেলায় নিষেধাজ্ঞা জানাতে পারে সরকার।

উল্লেখ্য, ওমিক্রন যেভাবে রাজ্যে ছড়িয়ে পড়ছে তাতে আগামীদিনে যে কঠোর বিধিনিষেধ জারি হতে পারে সেই ইঙ্গিত আগেই দিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

Omicron: লকডাউন? বিপর্যয়ের মুখে স্তব্ধ হতে পারে বিশ্ব

Complete lockdown in Kerala today and tomorrow

News Desk: করোনা ভাইরাসের নতুন ধরন ওমিক্রনের সংক্রমণে ফের কি বিশ্ব স্তব্ধ হতে চলেছে? এমনই সম্ভাবনা তৈরি হচ্ছে দ্রুত। বিভিন্ন দেশে হু হু করে বাড়ছে ওমিক্রন সংক্রমণ।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (হু) সতর্কবার্তা দিয়েছে, ওমিক্রনে বিশ্ব স্বাস্থ্যব্যবস্থা বিপর্যস্ত হতে পারে।ইউরোপের ডব্লিউএইচও কোভিড ইনসিডেন্ট ম্যানেজার ক্যাথরিন স্মলউড সতর্ক করেছেন, ওমিক্রনের ব্যাপক সংক্রমণে বহু সংখ্যক মানুষকে হাসপাতালে ভর্তি করাতে হতে পারে। বিশেষ করে যারা করোনার টিকা নেননি। এতে বিশ্বব্যাপী স্বাস্থ্য ব্যবস্থা ভেঙ্গে পড়তে পারে।

পড়ুন: Omicron: বাড়ছে সংক্রমণ, শীঘ্রই কঠোর লকডাউনের পথে বাংলা!

আন্তর্জাতিক বিমান চলাচলে পড়েছে বড় প্রভাব।করোনার নতুন করে সংক্রমণ বেড়ে যাওয়ায় এরই মধ্যে সাত হাজারের বেশি ফ্লাইট বাতিল হয়েছে।

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রেও থেমে নেই করোনা সংক্রমণ। সোমবার যুক্তরাষ্ট্রে রেকর্ড ৪ লাখ ৪০ হাজারের বেশি রোগী করোনায় শনাক্ত হয়েছে। 

ইউরোপে হু হু করে ছড়িয়েছে করোনা।ফ্রান্সে নতুন করে ১ লাখ ৮০ হাজার করোনা রোগী শনাক্ত হয়েছে যা করোনা প্রাদুর্ভাব শুরু পর দেশটিতে সর্বোচ্চ আক্রান্তের রেকর্ড। এছাড়া ইটালি, গ্রিস, পর্তুগাল, এবং ইংল্যান্ডে ঊর্ধমুখী করোনার সংক্রমণ।

দক্ষিণ এশিয়াতে চিনে ফের করোনার প্রকোপ মারাত্মক। লাখ লাখ মানুষকে ঘরবন্দি থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। ভারতে রাজধানী দিল্লিতে জারি করা হয়েছে ইয়োলো অ্যালার্ট। বিভিন্ন রাজ্যে বেড়েই চলেছে করোনার সংক্রমণ।

Omicron: বাড়ছে সংক্রমণ, শীঘ্রই কঠোর লকডাউনের পথে বাংলা!

Omicron: Infection is on the rise, soon on the way to a severe lockdown!

News Desk: দিন যত এগোচ্ছে ততই বেড়ে চলেছে ওমিক্রন উদ্বেগ। এই পরিস্থিতিতে রাজ্যে জারি হতে পারে কড়া বিধিনিষেধ। বুধবার গঙ্গাসাগরের প্রশাসনিক বৈঠকে এমনই ইঙ্গিত দিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

রাজ্যে ইতিমধ্যেই ওমিক্রন সংক্রমিতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১১। এই পরিস্থিতিতে সিঁদুরে মেঘ দেখছে রাজ্য সরকার। ফলে আগামী দিনে ওমিক্রনের সংক্রমণ রুখতে রাজ্যে ফের লকডাউন হতে পারে। জারি হবে কড়া বিধিনিষেধ। এমনকি বন্ধ করা হবে স্কুল কলেজ ও লোকাল ট্রেন।

বাইরে থেকে যারা রাজ্যে ঢুকছে তাদের থেকে ওমিক্রন ছড়াতে পারে। তাই বিমানবন্দরের ক্ষেত্রেও কিছু নির্দেশিকা জারি করা হতে পারে। পাশাপাশি, যেসকল এলাকায় সংক্রমণ বেশী সেখানে কনটেনমেন্ট জোন ঘোষণা করার কথাও জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী।

Omicron: সংক্রমণ রুখতে রাজ্যে কঠোর বিধিনিষেধ! বৈঠকে ইঙ্গিত মুখ্যমন্ত্রীর

Omicron: Strict restrictions in the state to prevent infection! The Chief Minister hinted at the meeting

News Desk: করোনার আতঙ্ক কাটিয়ে রাজ্যবাসী যখন ধীরে ধীরে স্বাভাবিক জীবনে ফিরছিল সেইসময় আরও বড় আতঙ্ক হয়ে এসেছে করোনার নতুন রূপ ওমিক্রন। পশ্চিমবঙ্গে বিধিনিষেধ চললেও অনেক ক্ষেত্রে যথেষ্ট ছাড় দিয়েছে রাজ্য সরকার। কিন্তু ওমিক্রন যেভাবে নিজের প্রভাব বিস্তার করছে তাতে অশনি সংকেত দেখছে সরকার। তাই ওমিক্রন রুখতে রাজ্যে ফের একবার কঠোর বিধিনিষেধ জারি হতে পারে বলে ইঙ্গিত দিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

সোমবার একটি বৈঠক মুখ্যমন্ত্রী ওমিক্রন নিয়ে সতর্ক থাকার বার্তা দেন। পাশাপাশি জানিয়ে দেন পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে প্রয়োজনে কড়া বিধিনিষেধ জারি কড়া হতে পারে।

গোটা দেশে এই মুহূর্তে আতঙ্ক তৈরি করেছে ওমিক্রন। কেন্দ্রীয় সরকার ইতিমধ্যেই রাজ্যগুলিকে নির্দেশিকা পাঠিয়েছে। জোর দেওয়া হয়েছে টিকাকরণে।

প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, প্রধানমন্ত্রীর ঘোষণা অনুযায়ী, আগামী বছরের জানুয়ারি থেকে ১৫-১৮ বছর বয়সীদের করোনা টিকাকরণ সম্পন্ন করা হবে।

New Delhi: লকডাউনে দেশের সব ক্ষেত্রেই বহু মানুষ কাজ হারিয়েছেন

jobs due to lockdown india

News Desk, New Delhi: শেষ তিন বছরে দেশে বিভিন্ন ক্ষেত্রে কত মানুষ কাজ হারিয়েছেন সে ব্যাপারে সরকারের কাছে কি কোনও তথ্য আছে? কি কারণে এত মানুষ কাজ হারিয়েছেন? টেক্সটাইল, ব্যাংকিং তথ্য ও প্রযুক্তি, সংগঠিত ক্ষেত্র-সহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে বহু মানুষ কাজ হারানোর ফলে কতটা ক্ষতি হয়েছে? বিভিন্ন ক্ষেত্রে মানুষের কাজ হারানো বন্ধ করতে বা কাজ হারানো মানুষকে সাহায্য করতে সরকারকে কি কোন পদক্ষেপ করেছে? সোমবার সংসদের অধিবেশনে কেন্দ্রীয় শ্রম মন্ত্রকের কাছে এই প্রশ্নগুলির উত্তর জানতে চান তৃণমূল কংগ্রেস সাংসদ প্রতিমা মন্ডল।

তৃণমূল কংগ্রেস সাংসদের ওই প্রশ্নের উত্তরে কেন্দ্রীয় শ্রম মন্ত্রী ভূপেন্দ্র যাদব একটি পরিসংখ্যান দিয়েছেন। ওই পরিসংখ্যান থেকে দেখা গিয়েছে। ২০২০ সালের মার্চ মাসে করোনা রুখতে গোটা দেশের লকডাউন জারি হয়েছিল। লকডাউনের সময় দেশের প্রায় প্রতিটি গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্রে বেশ কিছু মানুষ কাজ হারিয়েছেন। শ্রম মন্ত্রকের দেওয়া পরিসংখ্যান থেকে দেখা গিয়েছে, ২০২০- সালের ২৫ মার্চ ম্যানুফ্যাকচারিং বা উৎপাদন শিল্পের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন ৯৮.৭ লাখ পুরুষ। জুন মাস নাগাদ যা কমে হয় ৮৭.৯ লক্ষ। একইভাবে মহিলা শ্রমিকের সংখ্যা কমেছে প্রায় তিন লাখেরও বেশি।

নির্মাণশিল্পের ক্ষেত্রেও ২০২০ সালের ২৫ মার্চ থেকে ৩০ জুন পর্যন্ত সময়ে পুরুষ কর্মীর সংখ্যা ৫.৮ লাখ থেকে কমে ৫.১ লাখ হয়েছে। একইভাবে মহিলা কর্মীর সংখ্যা ১.৮ থেকে কমে ১.৫ লাখ হয়েছে। পরিবহণ শিল্পে ওই একই সময়ে পুরুষ কর্মী ছিলেন ১১.৩ লাখ। যা কমে হয় ১১.১ লাখ। ওই সময়ে পরিবহণ শিল্পে মহিলা কর্মীর সংখ্যা অবশ্য অপরিবর্তিত ছিল। একইভাবে শিক্ষা, বাণিজ্য, স্বাস্থ্য, তথ্যপ্রযুক্তি, আর্থিক ক্ষেত্র-সহ প্রতিটি ক্ষেত্রেই লকডাউনের সময় পুরুষ ও মহিলা উভয় কর্মীর সংখ্যাই কমেছে। কেন্দ্রের পরিসংখ্যান থেকে জানা গিয়েছে, দেশের গুরুত্বপূর্ণ শিল্পে ২০২০ সালের ২৫ জুন মোট পুরুষ কর্মীর সংখ্যা ছিল ২১৭.৮ লাখ, যা ওই বছরের জুন মাসে কমে হয় ২০১.৫ লাখ। ওই নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে বিভিন্ন ক্ষেত্রে মোট মহিলা কর্মী যুক্ত ছিলেন ৯০ লক্ষ। যা জুন মাসে কমে হয়েছে ৮৩.৩ লক্ষ।

মন্ত্রী আরও জানিয়েছেন, কাজ হারানোর ফলে বেশিরভাগ মানুষকেই বিভিন্ন সমস্যার মধ্যে পড়তে হয়েছে। তাই মানুষের সেই সমস্যা দূর করতে কেন্দ্রীয় সরকার একাধিক প্রকল্প চালু করেছে। ওই সমস্ত প্রকল্পের মধ্যে রয়েছে প্রধানমন্ত্রী মুদ্রা যোজনা, প্রাইম মিনিস্টার এমপ্লয়মেন্ট জেনারেশন প্রোগ্রাম, প্রধানমন্ত্রী গরিব কল্যাণ রোজকার অভিযান, আত্মনির্ভর ভারত রোজগার যোজনা, প্রধানমন্ত্রী স্ট্রিট ভেন্ডর্স আত্মনির্ভর নিধি প্রভৃতি।

Covid 19: লকডাউন বিরোধী তুমুল সংঘর্ষ, জ্বলছে নেদারল্যান্ডস, পুলিশের গুলি

netherlands

News Desk: একদিকে প্রবল করোনা সংক্রমণে অসহায় সরকার। পরিস্থিতি সামাল দিতে লকডাউন জারি করে আরও সমস্যায় জড়াল দেশটির সরকার। সাধারণ ডাচ নাগরিকরা লকডাউন বিরোধী সমাবেশ থেকে হিংসাত্মক পরিস্থিতি তৈরি করলেন। ভাঙচুর, হামলা রুখতে পুলিশের গুলি চলল। ঘটনার কেন্দ্র আন্তর্জাতিক শহর দ্য হেগ।

সরকারি নির্দেশে শনিবার থেকে তিন সপ্তাহের আংশিক লকডাউন শুরু হয়েছে নেদার‍ল্যান্ডসে। রাত ৮টায় পানশালা ও রেস্তোরাঁ বন্ধ রাখতে বলা হয়েছে। পুরোপুরি দর্শকশূন্য থাকবে সব ধরনের খেলাধুলার আয়োজন।

সরকারের ঘোষণার পরেই বিক্ষোভ ছড়িয়ে পড়েছে। দ্য হেগ শহরের সড়কে সার সার সাইকেলে আগুন ধকিয়ে দেন বিক্ষুব্ধরা। পুলিশকে লক্ষ্য করে শুরু হয় হামলা। রটারডাম শহরে বিক্ষোভ প্রবল রূপ নিলে পুলিশ গুলি চালায়। বিবিসি জানাচ্ছে এই খবর।

netherlands

পরিস্থিতি তীব্র উত্তেজনাপূর্ণ আন্তর্জাতিক আদালতের সদর কার্যালয়ের শহর দ্য হেগ। এই শহরের হিংসাত্মক পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে জরুরি অবস্থা জারি করা হয়েছে।

নেদারল্যান্ডসের বিক্ষোভের রেশ ছড়াতে শুরু করেছে ইউরোপের অন্যান্যদের দেশে। করোনা সংক্রমণ বাড়ার ফলে নতুন করে লকডাউনসহ কড়াকড়ির বিরুদ্ধে বিক্ষোভ হয়েছে অস্ট্রিয়া, ক্রোয়েশিয়া ও ইটালিতে। স্বাভাবিক জীবনযাপনে বাধার প্রতিবাদ করছেন সেসব দেশের জনগন।

এদিকে পরিসংখ্যানে উঠে আসছে, শিল্পন্নোত পশ্চিম ইউরোপের দেশগুলিতে চরম অবৈজ্ঞানিক মনোভাবের কারণে টিকা নেওয়ার হার খুবই কম। এর ফলে করোনা সংক্রমণ ছড়াতে শুরু করেছে দ্রুত। ইউরোপের অনেক দেশে নতুন করে করোনা বেড়ে যাওয়ায় সেসব দেশের সরকার নতুন করে কড়াকড়ি আরোপ করছে। কয়েকটি দেশে এক দিনে রেকর্ড সংখ্যক সংক্রমণের তথ্য পাওয়া গেছে।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (হু) জানাচ্ছে, ইউরোপে করোনা পরিস্থিতি খুবই উদ্বেগজনক। হু আঞ্চলিক কর্মকর্তা ড. হ্যান্স ক্লুগ আশঙ্কা করেন, ইউরোপে কড়াকড়ি না করা হলে আগামী বসন্তের আগে পর্যন্ত আরও পাঁচ লাখ মানুষের মৃত্যু দেখতে হবে। কোভিড সংক্রমণে এই অঞ্চলে সবচেয়ে বেশি মৃত্যুর ঘটনা ঘটছে।

সোমবার থেকে ২০ দিনের লকডাউনে যাচ্ছে অস্ট্রিয়া। এর প্রতিবাদে রাজধানী ভিয়েনায় হাজার হাজার মানুষ রাস্তায় নেমে বিক্ষোভ করেছেন। আগামী ফেব্রুয়ারি থেকে করোনার টিকা বাধ্যতামূলক করার কথা ভাবছে অস্ট্রিয়া সরকার। ইউরোপের প্রথম দেশ হিসেবে টিকা বাধ্যতামূলক করতে যাচ্ছে এই দেশ। বিবিসি জানাচ্ছে ক্রোয়েশিয়ায় সরকারি চাকরিজীবীদের টিকা বাধ্যতামূলক করার প্রতিবাদে রাজধানী জাগরেব শহরে বিক্ষোভ হয়েছে।

হুড়মুড়িয়ে বাড়ছে করোনা, তরতরিয়ে কমছে তেলের দাম

petrol prices

News Desk: যেভাবে ইউরোপে করোনা সংক্রমণ বাড়তে শুরু করেছে তাতে আসন্ন বড়দিনের আগেই না গোটা মহাদেশটাই লকডাউনে চলে যায় এমনই আশঙ্কা প্রবল। বিশেষত শিল্পন্নোত পশ্চিম ইউরোপের দেশগুলির টিকা দানের হার সর্বনিম্ন হওয়া চরম অবৈজ্ঞানিক চিন্তাধারার কড়া বাস্তবে অট্টহাসি হাসছে কোভিড ঘাতক।

ইউরোপ জুড়ে করোনার সংক্রমণ বাড়তে থাকায় লকডাউন শুরু করছে বেশকিছু দেশ। এর ফলে আন্তর্জাতিক অর্থনীতির ঘুরে দাঁড়ানোর গতি কিছুটা কমে যাওয়ার আশঙ্কা। এমন পরিস্থিতিতে তেলের দাম স্থিতিশীল করতে বিনিয়োগকারীরা চাইছেন অপরিশোধিত তেলের বড় মজুদকারী দেশগুলো যেন নিজেদের কাছে থাকা তেল ছেড়ে দেয়।

petrol prices

রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বিভিন্ন দেশের মজুত তেল ছাড়ার সংবাদে বিশ্ববাজারে তেলের দাম কমতে শুরু করছে। বিশ্ববাজারে তেলের দাম প্রায় তিন শতাংশ কমে শুক্রবার ব্যারেল প্রতি ৮০ মার্কিন ডলারের নিচে নেমে এসেছে। টানা চার সপ্তাহ পরিশোধিত এবং কিছুটা পরিশোধিত তে দুই ধরনের তেলেরই দর পতনের ঘটনা ঘটেছে। ২০২০ সালের মার্চের পর এমন ঘটনা এই প্রথম বলে জানাচ্ছে বিবিসি।

ভয়াবহ সংক্রমণ অবস্থা জার্মানি ও অস্ট্রিয়ায়। এদের লাগোয়া দেশগুলিতে সংক্রমণের গতি হাওয়ার বেগে ফের ছড়াতে পারে। পরিস্থিতি বুঝে লকডাউনের পথে অস্ট্রিয়া। জার্মানিতেও জনজীবন বিপর্যস্ত হতে চলেছে।

বিবিসি জানাচ্ছে, শিল্পোন্নত পশ্চিম ইউরোপের দেশগুলোর মধ্যে অস্ট্রিয়া এই প্রথম পূর্ণ লকডাউন লকডাউন জারি করতে যাচ্ছে। সরকারি তথ্য অনুযায়ী, প্রায় ৯১ লাখ মানুষের দেশ অস্ট্রিয়ায় টিকার দুই ডোজ সম্পূর্ণ করেছেন মোট প্রাপ্তবয়স্ক জনসংখ্যার তিন ভাগের দুই অংশ। পশ্চিম ইউরোপে যে কয়েকটি দেশ বর্তমানে টিকাদান কর্মসূচিতে পিছিয়ে আছে, সেসবের মধ্যে অস্ট্রিয়া অন্যতম।

প্রতিবেশি দেশ জার্মানিতে করোনাভাইরাস শনাক্তের রেকর্ড সৃষ্টি হলো। একদিনে ৬৫ হাজার ৩৭১ জনের শরীরে করোনাভাইরাস শনাক্ত হয়েছে। এর ফলে দেশটিতে করোনা পরিস্থিতি ক্রমেই আরও অবনতি হলো।

Covid 19: শিল্পোন্নত পশ্চিম ইউরোপে টিকাদান সর্বনিম্ন, অট্টহাসি করোনার

covid19

News Desk: শীতে কি করোনা অট্টহাসি করে? নভেম্বরেই ইউরোপ কাঁপছে করোনায়। জার্মানিতে একদিনে ৬৫ হাজার সংক্রমণ রেকর্ড হলো। প্রতিবেশি দেশ অস্ট্রিয়া লকডাউনের পথে। ইউরোপের দেশগুলির মধ্যে করোনা সংক্রমণের বিরাট ছায়া ভারতের দিকে আসার আশঙ্কা প্রবল।

করোনার দৈনিক সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে আবারও পূর্ণ লকডাউন ঘোষণা করা হয়েছে অস্ট্রিয়ায়। আগামী সোমবার থেকে এই লকডাউন কার্যকর হবে। এর আগে, ২০২০ সালে ইউরোপে প্রথম করোনাভাইরাস সংক্রমণ শুরু হওয়ার সময় লকডাউন জারি করেছিল অস্ট্রিয়ার সরকার। কিন্তু দৈনিক সংক্রমণ বাড়তে থাকায় ফের লকডাউন জারি করতে হচ্ছে বলে শুক্রবার সংবাদ সম্মেলনে জানিয়েছেন অস্ট্রিয়ার চ্যান্সেলর আলেক্সান্ডার শ্যালেনবার্গ।

covid-19-who-alert-on-europe-and-asia

বিবিসি জানাচ্ছে, শিল্পোন্নত পশ্চিম ইউরোপের দেশগুলোর মধ্যে অস্ট্রিয়া এই প্রথম পূর্ণ লকডাউন লকডাউন জারি করতে যাচ্ছে। সরকারি তথ্য অনুযায়ী, প্রায় ৯১ লাখ মানুষের দেশ অস্ট্রিয়ায় টিকার দুই ডোজ সম্পূর্ণ করেছেন মোট প্রাপ্তবয়স্ক জনসংখ্যার তিন ভাগের দুই অংশ। পশ্চিম ইউরোপে যে কয়েকটি দেশ বর্তমানে টিকাদান কর্মসূচিতে পিছিয়ে আছে, সেসবের মধ্যে অস্ট্রিয়া অন্যতম।

প্রতিবেশি দেশ জার্মানিতে করোনাভাইরাস শনাক্তের রেকর্ড সৃষ্টি হলো। একদিনে ৬৫ হাজার ৩৭১ জনের শরীরে করোনাভাইরাস শনাক্ত হয়েছে। এর ফলে দেশটিতে করোনা পরিস্থিতি ক্রমেই আরও অবনতি হলো।

পশ্চিম ইউরোপের দেশগুলোর মধ্যে জার্মানিতে টিকা দেওয়ার হার সবচেয়ে কম। দেশটির মোট জনসংখ্যার মাত্র ৬৭ শতাংশ মানুষ সম্পূর্ণরূপে টিকা গ্রহণ করেছেন৷ এছাড়া ৩৩ শতাংশ নাগরিক ভাইরাস প্রতিরোধে কোনো সুরক্ষাই গ্রহণ করেনি।

Delhi: শীর্ষ আদালতের পরামর্শ মেনে লকডাউনে সায় কেজরি সরকারের

poliution Delhi

নিউজ ডেস্ক, নয়াদিল্লি: দিল্লির বাতাস ভয়ঙ্করভাবে দূষিত। গোটা বিশ্বের সবচেয়ে দূষিত শহর দিল্লি। দুদিন আগে রাজধানীর দূষণ নিয়ন্ত্রণে কেন্দ্র ও দিল্লি (delhi) সরকারকে বিভিন্ন পরামর্শ দিয়েছিল শীর্ষ আদালত।

সেই পরামর্শের প্রেক্ষিতে সোমবার কেজরিওয়াল সরকার সুপ্রিম কোর্টে (supreme court) জানাল, দূষণ নিয়ন্ত্রণে তারা লকডাউনের মতো কঠোরতম সিদ্ধান্ত নিতেও প্রস্তুত। কেজরি সরকার এক হলফনামায় জানিয়েছে, শুধুমাত্র দিল্লিতে লকডাউন করলে দূষণ (pollution) সেভাবে নিয়ন্ত্রণে আসবে না। তাই আশপাশের বা এনসিআর অঞ্চলেও লকডাউন জারি করার প্রয়োজন রয়েছে।

শনিবার দূষণ সংক্রান্ত এই মামলায় দিল্লি ও কেন্দ্রীয় সরকারের বক্তব্য জানতে চেয়েছিল শীর্ষ আদালত। ওইদিনের শুনানিতে সুপ্রিম কোর্ট রাজধানীর দূষণ নিয়ন্ত্রণে প্রয়োজনে লকডাউন জারির পরামর্শ দিয়েছিল দিল্লি সরকারকে। রাজধানীর দূষণ রুখতে কী করা যেতে পারে এদিন সে বিষয়ে কেজরিওয়াল সরকার শীর্ষ আদালতে একটি হলফনামা জমা দেয়। সেই হলফনামাতেই স্পষ্ট বলা হয়েছে, দূষণ নিয়ন্ত্রণে সরকার সম্পূর্ণ লকডাউন করতে প্রস্তুত।

poliution Delhi

তবে শুধু দিল্লিতে লকডাউন (lockdown) করলেই হবে না, আশপাশ বা এনসিআর ভুক্ত এলাকাগুলিতেও লকডাউন জারি করা দরকার। তবেই দিল্লির বাতাসের গুণমান নিয়ন্ত্রণে আনা যাবে। দিল্লি সংলগ্ন এনসিআর ভুক্ত অঞ্চলগুলিতে লকডাউন করতে কেন্দ্র এবং শীর্ষ আদালতের অনুমতি দরকার বলেও কেজরি সরকার জানায়।

এদিনের শুনানিতে কেজরিওয়াল সরকারকে সুপ্রিম কোর্টের কড়া ভর্ৎসনার মুখে পড়তে হয়। শীর্ষ আদালতের তিন সদস্যের বেঞ্চ জানায়, দিল্লিতে দূষণ নিয়ন্ত্রণে রাজ্য সরকার কিছু বোকা বোকা অজুহাত দিচ্ছে। রাজ্য সরকার যদি এই ধরনের ভূমিকা পালন করে তবে সুপ্রিম কোর্টকেই রাজ্য সরকারের রাজস্ব আদায় ও সেই টাকা দিয়ে কিভাবে দূষণ নিয়ন্ত্রণ করা যায় তা ভেবে দেখতে হবে। দেশের প্রধান বিচারপতি এনভি রামান্না (nv ramanna) বলেন, আমরা চাই অবিলম্বে দূষণের মাত্রা কমুক। কিন্তু সরকারকে প্রতিটা পদক্ষেপে পরামর্শ দেওয়ার মতো সময় শীর্ষ আদালতের নেই। কিভাবে দূষণ নিয়ন্ত্রণে আনা যাবে সেটা তো সরকারকেই ঠিক করতে হবে। দিল্লি সরকারের হলফনামা হাতে পাওয়ার পর প্রধান বিচারপতি বলেন হলফনামার কথা ভুলে যান। এখন আদালতকে স্পষ্ট করে বলুন দূষণ নিয়ন্ত্রণে সরকার কী কী পদক্ষেপ করেছে। ওই প্রশ্নের উত্তরে দিল্লি সরকারের আইনজীবী বলেন, দূষণ নিয়ন্ত্রণে পুরসভাগুলিকেও উদ্যোগী হতে হবে।

এই জবাবে প্রধান বিচারপতি আরও ক্ষুব্ধ হন। তিনি কেজরি সরকারের আইনজীবীর যার কাছে জানতে চান, তাহলে দূষণের দায়ে কি আপনারা পুরসভাগুলির ঘাড়ে ঠেলতে চাইছেন? বেঞ্চের অপর বিচারপতি সূর্যকান্ত বলেন, আপনারা যদি এই ধরনের কথা বলেন তবে আমরা সরকারের রাজস্ব অডিটের নির্দেশ দেব। আসলে আপনারা শুধু সরকারে প্রচারের জন্যই টাকা খরচ করছেন।

এখানেই শেষ নয় শীর্ষ আদালত এদিন স্পষ্ট জানিয়েছে, কিভাবে দূষণ নিয়ন্ত্রণে আনা যাবে তা নিয়ে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে পাঞ্জাব, দিল্লি, উত্তরপ্রদেশ সরকারকে বৈঠকে বসতে হবে। পাশাপাশি কেন্দ্র ও যে সংস্থা বায়ুর গুণমান পরীক্ষার তাদের মঙ্গলবার বৈঠকে বসার নির্দেশ দিয়েছে। এই বৈঠকে পাঞ্জাব, দিল্লি, হরিয়ানা ও উত্তরপ্রদেশের মুখ্যসচিবদের উপস্থিত থাকার নির্দেশ দিয়েছে শীর্ষ আদালত। বুধবার এই মামলার পরবর্তী শুনানি হবে। দূষণের হাত থেকে মানুষকে রক্ষা করতে শীর্ষ আদালতে এদিন কেন্দ্র ও কেজরি সরকারকে ‘ওয়ার্ক ফ্রম হোম’ নীতি অনুসরণ করার নির্দেশ দিয়েছে।

এদিন শীর্ষ আদালত কেজরি সরকারকে আরও এক নির্দেশে জানিয়েছে, দূষণ নিয়ন্ত্রণের লক্ষ্যে কোন কোন প্রতিষ্ঠান বন্ধ করা সম্ভব, কী ধরনের গাড়ি চলাচল বন্ধ রাখা যেতে পারে এবং কোন কোন বিদ্যুৎ উৎপাদনকারী প্লান্টগুলি বন্ধ করা যায় সে সম্পর্কে হলফনামা দিয়ে জানাতে হবে।

<

p style=”text-align: justify;”>মঙ্গলবারের মধ্যেই এই হলফনামা দিতে বলা হয়েছে। শনিবারের শুনানিতে দূষণ কিভাবে নিয়ন্ত্রণ করা যায় তা জানতে চেয়েছিল সুপ্রিম কোর্ট। এদিন সেই জবাব দিয়েছে কেজরি সরকার। কিন্তু শীর্ষ আদালত জানায়, এই পরিকল্পনা হল দীর্ঘমেয়াদি। কিন্তু দূষণ নিয়ন্ত্রণের জন্য অবিলম্বে কিছু ব্যবস্থা নেওয়া প্রয়োজন।

China: ফের করোনা হানা, ৪০ লক্ষ জনবসতির শহরে লকডাউন করল চিন

China Puts City Of 4 Million Under Lockdown Due To Spike In Covid Cases

News Desk: ফের এসেছে করোনা। সংক্রমণ বেড়ে গেল হু হু করে। চিনে নতুন করে সংক্রমণের কারণে ঘোষিত হলো লকডাউন। বিবিসি জানাচ্ছে লানঝউ শহরে কড়া লকডাউন ঘোষণা করা হয়েছে।

চিনের সংবাদপত্র গ্লোবাল টাইমস জানাচ্ছে, সংক্রমণ রুখতে কড়া ভূমিকা নিয়েছে প্রশাসন। লানঝাউ শহরে প্রায় ৪০ লক্ষ মানুষের বসবাস। এখানে শুধু যাতায়াতে নিষেধাজ্ঞা নয়, বরং ওই শহরের বাসিন্দাদের ঘর থেকে বের হওয়াতে জারি নিষেধাজ্ঞা। একপ্রকার গৃহবন্দি তারা।

বিবিসি জানাচ্ছে, ২০১৯ সালের ডিসেম্বরে চিনের উহান শহর থেকেই প্রথম করোনা সংক্রমণ ছড়াতে শুরু করেছিল। কয়েক সপ্তাহের মধ্যেই সেই জীবাণু সারা বিশ্বে ছড়িয়ে পড়ে। করোনার হামলায় গোটা দুনিয়া থমকে গিয়েছিল। আপাতত সংক্রমণের হার কমের দিকে বিভিন্ন দেশে। এর মাঝে চিন থেকেই এসেছে ভয়াল খবর।

মঙ্গলবার থেকে চিনের উত্তর পশ্চিম শহর লানঝউয়ে লকডাউন জারি করা হয়েছে। এই শহরে করোনার একটি স্থানীয় ভ্যারিয়েন্ট নিয়ে উদ্বিগ্ন প্রশাসন। সম্প্রতি চিনে করোনায় আক্রান্ত হয়ে ২৯ জনের মৃত্যু হয়।

চিন সরকার করোনা সংক্রমণের কথা জানাতেই বিশ্বজুড়ে পড়েছে শোরগোল। তবে কড়া লকডাউন নিয়ম দ্রুত চালু হওয়ায় পরিস্থিতি মোকাবিলা করা যাচ্ছে। এমনই জানাচ্ছে বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংবাদসংস্থা।

নতুন করে করোনা সংক্রমণ বিভিন্ন দেশে হচ্ছে। সেই সঙ্গে চলছে টিকাদান কর্মসূচি। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা জানিয়েছে, করোনা টিকা নেওয়ার পরেই সংক্রমণের বিষয়ে উদাসীন ব্যক্তির সংখ্যা বেশি। তারা মনে করছেন আর কিছু হবে না। এরাই অজান্তে করোনা ছড়াচ্ছেন। তবে টিকা নিলে করোনায় মৃত্যুর হার দ্রুত গতিতে নিম্নগামী হচ্ছে।

Covid 19: লকডাউনের সম্ভাবনা উড়িয়ে দিলেন মুখ্যমন্ত্রী

assam corona vaccine

News Desk: কোনও অবস্থায় আর লকডাউন হবে না। তবে সবাইকে সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে। নিতে হবে টিকা। জানালেন অসমের মুখ্যমন্ত্রী ডক্টর হিমন্ত বিশ্বশর্মা। সম্প্রতি বিভিন্ন মহল থেকে প্রচারিত হয় অসমে লকডাউন চালু হচ্ছে। সেসব উড়িয়ে দিলেন মুখ্যমন্ত্রী। তিনি বলেন,’রাজ্যে ফের লকডাউন হবে না। অসমে আর লকডাউন চাইনা’।

সোমবার মরিয়নি বিধানসভার উপনির্বাচনে প্রচারে গিয়ে অসমের মুখ্যমন্ত্রী বলেন, যে কোনও ভাবেই ভ্যাকসিনের দুটি ডোজ নিতে হবে। মুখ্যমন্ত্রী বলেন ,প্রথম ডোজ নেওয়া ব্যক্তিরা দ্বিতীয় ডোজ নিতে ভুলবেন না। কেননা আমরা সকলেই করোনা মহামারী থেকে বাঁচতে হবে। তাই করোনা থেকে রক্ষা পেতে ভ্যাকসিন নেওয়াটা খুবই জরুরি। সেইসঙ্গে সবাইকে সতর্ক থাকতে বলেন তিনি।

হিমন্ত বিশ্বশর্মা বলেন ,গতবছর নভেম্বর থেকে ফেব্রুয়ারি অব্দি করোনা ছিল না। যদিও আচমকা এপ্রিলে আবার করোনা এসে গিয়েছে। তাই এবছর যেন কোনও কারণেই কোভিড আসতে না পারে তারজন্য সবাইকে ভ্যাকসিন নিতে হবে। করোনা নিয়ে এর নতুন বিধি আসছে বলে মন্তব্য করেন তিনি।

মুখ্যমন্ত্রী বলেন, এই বিধি অনুযায়ী ১৭ থেকে ১৮ বছরের ছেলেমেয়েকে প্রদান করা হবে ভ্যাকসিন। এ দিল্লি থেকে ইতিমধ্যে নির্দেশ এসেছে। তাই এবয়সের ছেলে মেয়েদের এখন থেকেই ভ্যাকসিন নেওয়ার জন্য আহ্বান জানান মুখ্যমন্ত্রী। তিনি বলেন,ভোট আসে ভোট যায়। কিন্তু সবাই বেঁচে থাকতে হবেই। নিজের দৈনন্দিন জীবন চালিয়ে যেতে হবে।

কোভিড ভ্যাকসিন যারা নেয়নি ,তাদের প্রতি বার্তা ছুড়ে দিয়ে এদিন অসমের স্বাস্থ্যমন্ত্রী কেশব মহন্ত বলেন ,ভ্যাকসিনের দুই ডোজ না নেওয়া সুবিধাপ্রাপকরা পাবেন না কোনও সরকারি প্রকল্পের সুবিধা। রাজ্য সরকারের তরফে এমনটাই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্বশর্মা বলেন ,সরকারি প্রকল্প পাওয়ার জন্য ভ্যাকসিনের দুই ডোজ নেওয়াটা বাধ্যতামূলক।ভ্যাকসিনের সার্টিফিকেট দেখলেই প্রকল্পের সুবিধা মিলবে। এমনকি রেশন দোকান ,পেনশনারের এক্ষেত্রেও এই বিধি মেনে চলতে হবে।আগামী নভেম্বর থেকেই রাজ্যে এই নয়া বিধি লাগু হবে।

Stop child marriage: বিদ্যালয় খুলতেই ভয়াবহ পরিসংখ্যান, শয়ে শয়ে ছাত্রীর বাল্যবিবাহ

Stop child marriage

নিউজ ডেস্ক: আশঙ্কা ছিল যা তাই হচ্ছে। লকডাউনে বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠান টানা দেড় বছর বন্ধের পর খুলতেই আসছে ভয়াবহ পরিসংখ্যান। বাংলাদেশে বাল্যবিবাহের সংখ্যা হু হু করে বেড়েছে। শুধুমাত্র রাজশাহীতেই ৫০০টি বাল্যবিবাহ হয়েছে লকডাউনে।

ঢাকার সব সংবাদপত্রের রিপোর্টে উঠে আসছে, লকডাউনের ধাক্কায় বহু পড়ুয়া হয় দিনমজুর বা বাল্যবিবাহের শিকার। চরম আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়েছে সাধারণ পরিবারগুলি। রোজগার তলানিতে ছিল। পড়াশুনো বন্ধ হওয়ায় পড়ুয়া শিশুকন্যাদের বিয়ে দিয়েছেন অভিভাবকরা। নিদারুণ এই ছবি। বিশেষ করে বাংলাদেশের গ্রামাঞ্চলে ছাত্রীরা বাল্যবিয়ের শিকার হয়েছে।

ঢাকার সংবাদপত্র ‘যুগান্তর’ এর রিপোর্ট বলা হচ্ছে, এক বিদ্যালয়েই শতাধিক ছাত্রীর বাল্যবিয়ে হয়েছে এমন তথ্যও আছে। আবার একই গ্রামে একাধিক বাল্য বিয়ের ঘটনাও আছে। উপকূলীয় ও হাওড়াঞ্চলে অনেক ছাত্রীর মাথায় সংসারের বোঝা চেপেছে। অভাব-অনটনের কারণে বাবা-মা অনেকটা গোপনেই অল্প বয়সে বিয়ে দিয়েছেন সন্তানদের। এই ছাত্রীদের আর ক্লাসে ফেরার সম্ভাবনা নেই।

Stop child marriage

রাজশাহী বাল্যবিবাহের কেন্দ্র:
করোনা মহামারী পরিস্থিতিতে রাজশাহীতে যেন বাল্যবিবাহের হিড়িক লেগেছে। পাঁচ শতাধিক ছাত্রী এর শিকার। রিপোর্টে বলা হয়েছে, পড়াশোনার চাপ না থাকায় অধিকাংশ পড়ুয়া অলস সময় কাটিয়েছে। ফেসবুকে কিশোর-কিশোরীরা প্রেমের সম্পর্কে জড়িয়েছে। এছাড়া সামাজিক নিরাপত্তা এবং ভবিষতের কথা ভেবে অল্পশিক্ষিত অভিভাবকরাও বাল্যবিয়ে দিয়েছেন।

সরকার চিন্তিত। কারণ এই পড়ুয়াদের আর বিদ্যালয়ে ফেরার পথ প্রায় বন্ধ। তবে উল্টো ছবিও আছে। চলতি মাসেই বিদ্যালয় খুলতে দেখা যায় পড়ুয়াদের ভিড়। চমকে দেওয়ার মতো ঘটনা ঘটে টাঙ্গাইলে। এক ক্ষুদে ছাত্রী বন্যার জল ঠেলে নৌকা চালিয়ে আরও দুই বন্ধুকে নিয়ে বিদ্যালয়ে আসে। এই ঘটনা রীতিমতো সাড়া ফেলেছে বিশ্বে।

Online Class: খোলা ল্যাপটপের সামনে বসানো ‘প্রক্সি’, পাশে অঘোরে ঘুমাচ্ছে ছাত্রী

নিউজ ডেস্ক: করোনাভাইরাসের দাপটে দুনিয়াজুড়ে লকডাউন। সাধারণ মানুষ ঘরবন্দি শিক্ষাঙ্গনে ঝাঁপ পড়েছে অনেক আগেই। ফলে বাড়ি থেকেই চলছে পঠনপাঠন। মোবাইল কিংবা ল্যাপটপেই উঠে আসছে গোটা ক্লাস। কিন্তু বিশেষজ্ঞরা বলছেন, স্কুল শিক্ষায় ই-স্কুলের কার্যকারিতা নিয়ে খুব বেশি স্বপ্ন না দেখাই মঙ্গল। সে কথাই বুঝিয়ে দিল ছোট্ট একটি ছবি।

আরও পড়ুন অনলাইন নয়, অন সাইকেলে ক্লাস তিলাবনীর কমলাকান্ত স্যারের

সামনে খোলা ল্যাপটপে ক্লাস চলছে, কিন্তু ল্যাপটপের সামনে নেই পড়ুয়া। পাশেই খাটে শুয়ে আছে সে, শিক্ষকের হাত থেকে বাঁচতে ল্যাপটপের সামনে রেখে দিয়েছে প্রক্সি। প্রক্সি হিসেবে রাখা একটি পুতুলের মাথা। পুতুলের মুখে মাস্ক, চোখে সানগ্লাস। অনেকেই বলছেন, এভাবে শিক্ষককে বোকা বানানো সম্ভব? শিক্ষকই বা কেমন যে তিনি বুঝলেনই না ছাত্রী ল্যাপটপের সামনে নেই? অন্যদিকে অনেকে আবার বলছেন ল্যাপটপের ছোটো স্ক্রিনে বোঝা সম্ভব নয় যে কে ঠিক কী করছে।

INTERESTING ZOOM CLASS | ZIP103FM

যদিও সমস্যাটা অন্য জায়গায়। প্রথমত, ভারতের মতো বহু দেশেই অসংখ্য নিম্নবিত্ত পড়ুয়ার বিদ্যালয়মুখী হওয়ার একটা মূল কারণ দুপুরের খাবার বা ‘মিড ডে মিল’। ঠিক এই পরিস্থিতিতে দেশজোড়া অনলাইন ক্লাসের গল্প আদতে পরিহাস। দ্বিতীয়ত, যারা এই সুবিধা পাচ্ছেও, তারা তা কাজে লাগাতে পারছে না। মনোবিদরা বলছেন, হঠাৎ করেই গোটা ক্লাসরুম ভার্চুয়ালি ল্যাপটপ কিংবা মোবাইলের স্ক্রিনে উঠে আসায় সমস্যায় পড়েছে ছাত্র-ছাত্রীরা।

আরও পড়ুন অনলাইন ক্লাস করছে আপনার সন্তান, এই বিষয়গুলো নজরে রাখা জরুরি

এক তো কোভিড পরিস্থিতিতে ঘরবন্দী হয়ে ক্লাস করা তাদের মনের ওপর প্রভাব ফেলছে। এছাড়াও শিক্ষাদানে অনলাইনে শিক্ষাদান, ভিডিও লেকচার, টিভি বা রেডিওতে সম্প্রচার ইত্যাদির ব্যবহার এই সময় অত্যন্ত কম। এমনকি উচ্চশিক্ষার একেবারে বিশেষ বিশেষ ক্ষেত্রেও উন্নত দেশগুলিতে এই ব্যবস্থা সেভাবে লাগু হয়নি। ফলে করোনা সংক্রমণের ফলে অনলাইনে শিক্ষাদান একমাত্র রাস্তা হলেও তার কার্যকারিতা নিয়ে আবার প্রশ্ন উঠে গেল।

করোনা কাঁপুনিতে লাগাম টানতে বামরাজ্যে সপ্তাহান্তে লকডাউন

Complete lockdown in Kerala today and tomorrow

তিরুঅনন্তপুরম: করোনা কাঁপুনি ধরাচ্ছে কেরলে।দক্ষিণের এই রাজ্যের পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বিগ্ন কেন্দ্রীয় সরকারও।কেরলের সংক্রমণ পরিস্থিতি খতিয়ে দেখতে প্রতিনিধি দল পাঠানো হচ্ছে কেন্দ্রের তরফে। সংক্রমণ মোকাবিলায় সপ্তাহ শেষে শনি ও রবিবার কেরল জুড়ে সম্পূর্ণ লকডাউনের সিদ্ধান্ত পিনারাই বিজয়ন সরকারের।

করোনা বিপদজনক আকার নিয়েছে কেরলে। সংক্রমণের বিদ্যুৎ গতি থামাতে দিশেহারা কেরল সরকার ।গত ২৪ ঘন্টায় কেরলে ২২ হাজারের বেশি মানুষ নতুন করে করোনায় সংক্রমিত হয়েছেন। কেরলের সাম্প্রতিক সংক্রমণ পরিস্থিতি নিয়ে ঘোর উদ্বিগ্ন কেন্দ্রীয় সরকার ।দক্ষিণের এই রাজ্যের সংক্রমণ পরিস্থিতি খতিয়ে দেখতে ছয় সদস্যের প্রতিনিধি দল পাঠানোর কথা জানিয়েছেন কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রী ।বৃহস্পতিবার সকালে টুইটে এই তথ্য দিয়েছেন তিনি। করোনা মোকাবিলায় পিনারাই বিজয়নের সরকার ঠিক কী কী ব্যবস্থা নিচ্ছে তা খতিয়ে দেখে এসে কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রীকে রিপোর্ট দেবেন ওই প্রতিনিধি দলের সদস্যরা।

দেশের মধ্যে কেরলের সংক্রমণ পরিস্থিতি এখন সবচেয়ে বেশি দুশ্চিন্তার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে কেন্দ্রের কাছে । এদিকে, দেশের করোনা-গ্রাফ প্রতিদিন ওঠানামা করছে। গত ২৪ ঘণ্টায় সারা দেশে করোনা আক্রান্ত হলেন ৪৩ হাজার ৫০৯ জন। একই সময়ে মৃত্যু হয়েছে ৬৪০ জনের।

কেন্দ্র চায় অতিমারিকালে স্কুল চালু নিয়ে সিদ্ধান্ত নিক রাজ্যগুলি

Schools reopen after lockdown

নিউজ ডেস্ক, নয়াদিল্লি: করোনাকালে বন্ধ রয়েছে স্কুল-কলেজ-সহ অন্যান্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। মাসের পর মাস স্কুল বন্ধের জেরে শিকেয় পঠন-পাঠন। অনলাইনে পড়াশোনায় দুর্বিপাকে পড়ুয়াদের একটি বড় অংশ। এই পরিস্থিতিতে ফের কবে খুলবে স্কুল? এ ব্যাপারে রাজ্যগুলির কোর্টেই বল ঠেলেছে কেন্দ্র।

করোনার সেকেন্ড ওয়েভ আছড়ে পড়তেই ফের তালা ঝুলে যায় স্কুল, কলেজগুলিতে। শিশুদের মধ্যে সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা করেই শিক্ষা প্রতিষ্ঠান গুলি বন্ধ করে দেওয়া হয়। মাসের পর মাস স্কুল বন্ধের বিপাকে শৈশব। স্কুলে না যেতে পেরে কচিকাচাদের মন খারাপ।

দীর্ঘদিন ধরে স্কুল বন্ধ থাকায় একটা বড় অংশের পড়ুয়াদের ক্ষেত্রে দারুন সংকট নেমে এসেছে। সেই কারণেই স্বাস্থ্যবিধি মেনে দ্রুত ,স্কুল গুলি খুলে দেওয়ার পক্ষে সওয়াল করে চলেছেন বিশেষজ্ঞরা। তবে স্কুল খোলা নিয়ে তাড়াহুড়ো করে কোনও সিদ্ধান্ত নিতে চায় না কেন্দ্রীয় সরকার। শিশুদের টিকাকরণ সম্পূর্ণ না হলে স্কুল খোলা রীতিমতো ঝুঁকির হতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

গত মঙ্গলবারই কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রীকে জানিয়েছিলেন সব কিছু ঠিকঠাক চললে আগস্ট মাস থেকেই শুরু হয়ে যেতে পারে শিশুদের টিকাকরণ। তারও আগে সেপ্টেম্বর থেকে শিশুদের টিকাকরণ শুরু হতে পারে বলে জানিয়েছিলেন AIIMS প্রধান ডক্টর রণদীপ গুলেরিয়া।

তবে কেন্দ্রীয় সরকার নিজে থেকে স্কুল চালুর ব্যাপারে কোনও সিদ্ধান্ত নিতে চায় না। সংক্রমণ পরিস্থিতি দেখে স্কুল খোলার ব্যাপারে রাজ্য সরকারগুলির উপরেই সিদ্ধান্ত নেওয়ার ভার ছেড়েছে কেন্দ্রীয় সরকার।

এদিকে, দেশের করোনা-গ্রাফ প্রতিদিন ওঠানামা করছে। গত ২৪ ঘণ্টায় সারা দেশে করোনা আক্রান্ত হলেন ৪৩ হাজার ৫০৯ জন। একই সময়ে মৃত্যু হয়েছে ৬৪০ জনের। ২৪ ঘণ্টায় সুস্থ হয়েছেন ৩৮ হাজার ৪৬৫ জন।