Nitin Gadkari Faints: गर्मी के कारण महाराष्ट्र में रैली के दौरान बेहोश हुए नितिन गडकरी

Nitin-Gadkari-Faints

मुंबई: केंद्रीय मंत्री नितिन गडकरी मंगलवार दोपहर महाराष्ट्र के यवतमाल में एक चुनावी रैली में बोलते समय बेहोश हो गए (Nitin Gadkari Faints)। सौभाग्य से, भारतीय जनता पार्टी के वरिष्ठ नेता को तुरंत उपचार मिला और वह थोड़े समय के अंतराल के बाद मंच पर वापस आने और अपना भाषण जारी रखने में सक्षम हुए।
अपना भाषण पूरा करने के तुरंत बाद, श्री गडकरी ने एक्स (पूर्व में ट्विटर) पर पोस्ट किया।

 

“महाराष्ट्र के पुसाद में रैली में गर्मी के कारण मुझे असुविधा महसूस हुई। लेकिन अब मैं पूरी तरह से स्वस्थ हूं और अगली बैठक में शामिल होने के लिए वरुड जा रहा हूं। आपके प्यार और शुभकामनाओं के लिए धन्यवाद।”
घटना का एक परेशान करने वाला वीडियो – जिसे दुर्भाग्य से एक्स (पूर्व में ट्विटर) पर लाइव स्ट्रीम किया गया था, जिसमें उनका अपना अकाउंट भी शामिल था – जिसमें नितिन गडकरी को मंच पर मौजूद लोगों द्वारा ले जाते हुए दिखाया गया था, जिनमें से कई लोग उन्हें बचाने के लिए भाजपा नेता के चारों ओर ढाल बनाने के लिए दौड़ पड़े थे। उसे और उसका इलाज करने वालों को कुछ गोपनीयता।

आज महाराष्ट्र में 511 कौशल विकास केंद्रों का उद्घाटन करेंगे पीएम मोदी

प्रधानमंत्री नरेंद्र मोदी आज वीडियो कॉन्फ्रेंसिंग के जरिए महाराष्ट्र में दिवंगत भाजपा नेता प्रमोद महाजन के नाम पर 511 ग्रामीण कौशल विकास केंद्रों का उद्घाटन करेंगे। पीएमओ ने एक बयान में कहा कि ये केंद्र महाराष्ट्र के 34 ग्रामीण जिलों में स्थापित किए जा रहे हैं। इनसे ग्रामीण युवाओं को रोजगार के अवसर प्रदान करने के लिए विभिन्न क्षेत्रों में कौशल विकास प्रशिक्षण कार्यक्रम संचालित किए जाएंगे।

प्रधानमंत्री मोदी ने राज्य की पहल पर ध्यान दिया है और इस कार्यक्रम का उद्घाटन करने के अनुरोध को विनम्रतापूर्वक स्वीकार कर लिया है। गुरुवार शाम चार बजे पीएम मोदी ऑनलाइन माध्यम के जरिए प्रमोद महाजन को समर्पित इन कौशल विकास केंद्रों का उद्घाटन करेंगे।उन्होंने कहा, कौशल विकास मंत्रालय के अलावा इस पहल में राजस्व, उद्योग और महिला एवं बाल विकास विभागों की भागीदारी शामिल है।इनसे ग्रामीण युवाओं को रोजगार के अवसर प्रदान करने के लिए विभिन्न क्षेत्रों में कौशल विकास प्रशिक्षण कार्यक्रम संचालित किए जाएंगे।

Marriage Bill 2021: ৩১ জনের কমিটিতে মহিলা মাত্র ১! প্রকাশ্যে বিস্ময়কর তথ্য

সম্প্রতি দেশের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী ঘোষণা করেছিলেন যে মেয়েদের বিয়ের বয়স ১৮ থেকে বাড়িয়ে ২১ বছর করা হবে (Marriage Bill 2021)। এ নিয়ে ইতিমধ্যে নীতি আয়োগের একটি টাস্ক ফোর্স গঠন করা হয়। ডিসেম্বরে টাস্ক ফোর্স তাদের রিপোর্ট দেয়। তারা বয়স বাড়াবার পক্ষে মত দেয়। তারপরই মন্ত্রিসভার বৈঠকে এই সিদ্ধান্ত অনুমোদিত হয়েছে। এর পাশাপাশি এই নিয়ে একটি কমিটিও গঠন করা হয়েছে।

এই কমিটি নিয়ে মন্তব্য করলেন মহারাষ্ট্রের শিবসেনা সাংসদ প্রিয়াঙ্কা চতুর্বেদী। যা গেরুয়া শিবিরকে যথেষ্ট অস্বস্তিতে ফেলবে তা বলাই বাহুল্য। এই কমিটি গঠন নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন প্রিয়াঙ্কা। এই কমিটি মেয়েদের বিয়ের আইনগত বয়স ১৮ থেকে বাড়িয়ে ২১ করার জন্য একটি বিল খতিয়ে দেখছে। রাজ্যসভার চেয়ারম্যান বেঙ্কাইয়া নাইডুকে লেখা এক চিঠিতে সাংসদ লিখেছেন, মহিলাদের জন্য বিশাল তাৎপর্যপূর্ণ একটি বিল নিয়ে আলোচনা করা ৩১ জন সাংসদের কমিটিতে মাত্র একজন মহিলা সদস্য রয়েছেন, আর তিনি হলেন পশ্চিমবঙ্গের সাংসদ সুস্মিতা দেব।

priyanka

তিনি লেখেন, ‘আমি এই চিঠিটি সংশ্লিষ্ট সংসদের সদস্য হিসাবে আপনাকে লিখছি। সংসদের শীতকালীন অধিবেশনে একটি গুরুত্বপূর্ণ বিল উত্থাপন করা হয়, তা হল বাল্যবিবাহ নিষিদ্ধকরণ (সংশোধনী) বিল। এই বিলটি মহিলাদের জন্য বিবাহের আইনি বয়স ১৮ থেকে বাড়িয়ে ২১ করতে চায়। লোকসভায় প্রবর্তিত হওয়ার পর এটি শিক্ষা, মহিলা, শিশু, যুব ও ক্রীড়া সম্পর্কিত বিভাগ সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটিতে পাঠানো হয়। তবে কমিটির সদস্য হিসেবে মাত্র একজন মহিলা সংসদ সদস্য রয়েছেন। আমি আপনাকে অনুরোধ করছি যে ভারতে মহিলাদের সম্মুখীন হওয়া সমস্যাগুলি নিয়ে যে বিল টি রয়েছে তা ঘিরে আলোচনায় মহিলাদের আরও প্রতিনিধিত্ব এবং অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা উচিত।’

অন্যদিকে সুস্মিতা দেব বলেন, ‘আমি খুব অবাক হয়েছিলাম যে আমি সেই কমিটির একমাত্র মহিলা সদস্য যা মহিলা ও শিশু উন্নয়ন মন্ত্রণালয়ের সাথে সম্পর্কিত। বিলটির জন্য সকল স্টেকহোল্ডার, বিশেষ করে মহিলা নেতাদের মতামত প্রয়োজন। আমি চেয়ারম্যানের কাছে আবেদন করব যে সকল মহিলা সাংসদদের উক্ত বিল সম্পর্কে তাদের মতামত ও পরামর্শ দেওয়ার অনুমতি দেওয়া হোক।’

Covid 19 Updates: বর্ষবরণেই রাজ্যের ৩০ মন্ত্রী-বিধায়ক করোনায় আক্রান্ত

30 ministers and MLAs of Maharashtra are affected by Corona

নিউজ ডেস্ক: মহারাষ্ট্রে (Maharashtra) নতুন করে করোনার সংক্রমণ ক্রমশই বাড়ছে। মহারাষ্ট্রে করোনার (Covid 19) তৃতীয় ঢেউ (third wave) আছড়ে পড়েছে বলে অনেকেই মনে করছেন।

শনিবার নববর্ষের সকালে রাজ্যের উপমুখ্যমন্ত্রী অজিত পাওয়ার (ajit pawer) জানিয়েছেন, সে রাজ্যের ১০ জন মন্ত্রী এবং ২০ জন বিধায়ক করোনা আক্রান্ত হয়েছেন। ইতিমধ্যেই সংশ্লিষ্ট মন্ত্রী ও বিধায়করা (minister and mla) আইসোলেশনে চলে গিয়েছেন। পাশাপাশি গত কয়েকদিন ওই সমস্ত মন্ত্রী ও বিধায়কদের সংস্পর্শে কারা এসেছিলেন তাদের খোঁজ চলছে।

রাজ্যে করোনা এবং ওমিক্রনের সংক্রমণ যেভাবে বাড়ছে তাতে কি মহারাষ্ট্র ফের লকডাউনের পথে হাঁটবে?
এই প্রশ্নের উত্তরে উপ মুখ্যমন্ত্রী পাওয়ার বলেন, যদি দেখা যায় আক্রান্তের সংখ্যা অস্বাভাবিক হারে বেড়েই চলেছে তাহলে সরকার হয়তো নতুন করে আরও কিছু বিধিনিষেধ আরোপের কথা ভাববে। তবে এখনই নতুন কোনও বিধিনিষেধ বলবৎ করা হচ্ছে না। বর্তমানে যে সমস্ত বিধিনিষেধ আছে সেগুলি সকলকেই কঠোরভাবে মেনে চলতে হবে। রাজ্যবাসীকে বাধ্যতামূলকভাবে মাস্ক পড়তে এবং দূরত্ববিধি মেনে চলতে হবে।

উল্লেখ্য, যে সব রাজ্যে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা প্রতিদিনই বাড়ছে তার মধ্যে অন্যতম হল মহারাষ্ট্র। ওমিক্রন আক্রান্তের নিরিখেও শীর্ষে আছে এই রাজ্য। শেষ পাওয়া খবরে জানা গিয়েছে, মহারাষ্ট্রে এখনও পর্যন্ত মোট করোনা আক্রান্তের সংখ্যা ৭ লক্ষ ৮৫ হাজারেরও বেশি। আক্রান্তের সংখ্যা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে বাড়ছে অ্যাকটিভ কেসের সংখ্যাও। উল্লেখ্য, মানুষ যাতে বর্ষবরণের উৎসবে অবাধ মেলামেশা না করে তার জন্য আগেই একাধিক বিধিনিষেধ জারি করেছিল মহারাষ্ট্র সরকার।

Omicron: মহারাষ্ট্রের পর রাজস্থানে মৃত্যু, বছর শেষের ভয়

Omicron infection

News Desk: বছরের শেষ লগ্নে এসে ওমিক্রনের শিকার শুরু ভারতে। মহারাষ্ট্রের পর রাজস্থানে দ্বিতীয় শিকার করল করোনার এই ওমিক্রন ভ্যারিয়েন্ট।

শেষ ২৪ ঘন্টায় করোনা আক্রান্তের সংখ্যা বেড়েছে। পাল্লা দিয়ে বাড়ছে ওমিক্রনের সংক্রমণ। দেশে ওমিক্রন আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ১২৭০।

শেষ ২৪ ঘন্টায় দেশে করোনা আক্রান্ত হয়েছেন ১৬৭৬৪ জন। এক দিনে মৃত্যু হয়েছে ২২০ জনের। করোনাকে হারিয়ে সুস্থ হয়ে উঠেছেন ৭৫৮৫ জন। তবে শেষ ৮৮ দিন দেশে করোনা পজিটিভিটির হার দুই শতাংশের কম আছে।

স্বাস্থ্য মন্ত্রকের পরিসংখ্যান বলছে, দেশে অ্যাক্টিভ কেশ ক্রমশই বাড়ছে। আক্রান্তদের মধ্যে অনেকেরই শরীরে রয়েছে ওমিক্রনের সংক্রমণ। সাম্প্রতিককালে বিদেশ যাননি এমন অনেকেই ওমিক্রন আক্রান্ত হয়েছেন।

ওমিক্রন আক্রান্তের সংখ্যা যথারীতি মহারাষ্ট্রে সবচেয়ে বেশি। এই রাজ্যে ওমিক্রনের আক্রান্ত হয়েছেন ৪৫০ জন। দেশের প্রথম ওমিক্রন আক্রান্তের মৃত্যু হয়েছে মহারাষ্ট্রে। রাজস্থানের উদয়পুর থেকে ওমিক্রন আক্রান্ত এক ব্যক্তির মৃত্যুর খবর এসেছে। তাঁর বয়স হয়েছিল ৭৩ বছর। তবে তাঁর সর্বশেষ রিপোর্ট করোনা নেগেটিভ।

দিল্লি, রাজস্থান, মধ্যপ্রদেশেও সংক্রমণ বাড়ছে। সতর্কতামূলক ব্যবস্থা হিসেবে ইতিমধ্যেই বেশ কিছু দেশের সঙ্গে বিমান যোগাযোগ বন্ধ রাখা হয়েছে। আরও কয়েকটি দেশের সঙ্গে বিমান যোগাযোগ বন্ধের চিন্তাভাবনা চলছে।

দিল্লির লোক নারায়ন জয়প্রকাশ হসপাতালে এখনও পর্যন্ত ওমিক্রন আক্রান্ত ১১০ জনকে ভর্তি করা হয়েছে। যার মধ্যে ৮৯ জন সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরে গিয়েছেন। তবে ওমিক্রন আক্রান্তদের কারও শারীরিক জটিলতা নেই।
এরইমধ্যে জানা গিয়েছে রাঁচির বিজেপি সাংসদ সঞ্জয় শেঠ করোনা আক্রান্ত হয়েছেন। সাংসদের শরীরে মৃদু উপসর্গ আছে বলে জানা গিয়েছে।

স্বাস্থ্য মন্ত্রকের রিপোর্টে জানানো হয়েছে, শেষ ২৪ ঘন্টায় মধ্যপ্রদেশে ৭৭ জন করোনা আক্রান্ত হয়েছেন। যার মধ্যে ১০ জন ওমিক্রনের শিকার। সবচেয়ে বেশি ৪৩ জন ইন্দোর শহরে আক্রান্ত হয়েছেন। অন্যদিকে তেলেঙ্গানার একটি বেসরকারি কলেজের ৩৮ জন আক্রান্ত হয়েছেন। বিশ্বের ১২৫ টি দেশে করানোর নতুন ভেরিয়েন্ট ওমিক্রন ছড়িয়ে পড়েছে।

Omicron: ভারতে মৃত্যু শুরু, মহারাষ্ট্রে হাই এলার্ট

Covid 19-ekolkata24

News Desk: বছরের শেষেই মারণ হামলা। অবশেষে ওমিক্রন হানায় প্রথম মৃত্যু হলো দেশে। মহারাষ্ট্র স্বাস্থ্য বিভাগ জানাচ্ছে, নাইজেরিয়া থেকে ফিরে আসা ৫২ বছরের এক ব্যক্তি করোনাভাইরাসে সংক্রমিত হন। তাঁর দেহে করোনার নতুন ভ্যারিয়েন্ট ওমিক্রন শনাক্ত হয়েছিল। চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাঁর মৃত্যু হয়েছে। মৃত ব্যক্তি ডায়াবেটিস রোগী ছিলেন।

দেশে ওমিক্রন হামলার প্রথম শিকার তিনিই। এমনই জানাচ্ছে মহারাষ্ট্র সরকার। সংক্রমণের গতি দেখে দেশজুড়ে সতর্কতা জারি হয়েছে। স্বাস্থ্য মন্ত্রকের তরফে বিভিন্ন রাজ্যের স্বাস্থ্য দফতরের কাছে বিশেষ সতর্কতার বার্তা দেওয়া হয়।

বেশ কয়েকটি রাজ্যে করোনা সংক্রমণের হার অনেকটাই বেড়েছে। ওমিক্রন আক্রান্তের সংখ্যাও প্রতিদিনই বাড়ছে। সংক্রমণ ছড়ানোর কারণে স্বাস্থ্যমন্ত্রক ৮ রাজ্যকে অবিলম্বে বিশেষ পদক্ষেপ নেওয়ার পরামর্শ দিয়েছে। প্রতিটি রাজ্যের হাসপাতালগুলিকে যাবতীয় প্রস্তুতি সেরে রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। 

স্বাস্থ্য মন্ত্রকের পরিসংখ্যান থেকে জানা গিয়েছে, শেষ ২৪ ঘন্টায় দেশে করোনা আক্রান্তের হার ৪৩ শতাংশ বেড়েছে। স্বাভাবিকভাবেই বেড়েছে অ্যাক্টিভ কেসের সংখ্যা। চেন্নাই , গুরুগ্রাম, বেঙ্গালুরু , আমেদাবাদ, দিল্লি, মুম্বইয়ের মত শহরে আক্রান্তের সংখ্যা অনেকটাই বেড়েছে। এর মধ্যে এদিন সবথেকে উদ্বেগজনক খবরটি এসেছে দিল্লি থেকে। রাজধানী দিল্লিতে ও মহারাষ্ট্রের রাজধানী মুম্বইতে জারি হয়েছে সতর্কতা।

স্নাতক পাশ হলেই মিলবে ব্যাঙ্কে চাকরির সুবর্ণ সুযোগ

Once you graduate, you will get a golden opportunity to work in a bank

News Desk: ব্যাঙ্কে চাকরি করতে ইচ্ছুকদের জন্য দারুন সুযোগ। জুনিয়র অফিসার পদে কর্মী নিয়োগ করবে সারস্বত ব্যাঙ্ক। ব্যাঙ্কের তরফে ইতিমধ্যেই বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, জুনিয়র অফিসারের ৩০০ টি শূন্যপদে কর্মী নিয়োগ করা হবে। আবেদন করার শেষ তারিখ আগামী ৩১ ডিসেম্বর। আবেদন করতে হবে অনলাইনে। তবে পুণে‌ এবং মহারাষ্ট্রেই নিয়োগ করা হবে কর্মী।

আবেদনকারীর নূন্যতম যোগ্যতা হতে হবে স্নাতক পাশ। পাশাপাশি ব্যাঙ্ক, ডিএসএ, ক্রেডিট সোসাইটিতে কাজের অভিজ্ঞতা প্রয়োজন ১ বছরের।

ইন্টারভিউ-সহ আরও কয়েকটি পদ্ধতির মাধ্যমে প্রার্থী চূড়ান্ত করা হবে। আবেদনকারীদের বয়স ১/১২/২০২১ অনুযায়ী ৩০ অনূর্ধ্ব হতে হবে। এই চাকরির যাবতীয় বিবরণ সারস্বত ব্যাঙ্কের অফিসিয়াল ওয়েবসাইট পাওয়া যাবে।

Omicron : দেশে ওমিক্রন আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে ৪১

omicron-in-maharashtra

নিউজ ডেস্ক, নয়াদিল্লি : কোভিডের ওমিক্রন ভ্যারিয়েন্টে (omicron varient) আক্রান্তের সংখ্যা ভারতে ক্রমশ বাড়ছে। মহারাষ্ট্রে (Maharashtra) ২ জন ওমিক্রন আক্রান্তের হদিশ মিলেছে। গুজরাতের (Gujrat) সুরাতেও দক্ষিণ আফ্রিকা থেকে আসা ১ জন ওমিক্রন পজিটিভ। এই নিয়ে দেশে ওমিক্রন আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়াল ৪১।    

নীতি আয়োগের সদস্য (স্বাস্থ্য) ডক্টর ভি কে পল একটি সাংবাদিক সম্মেলনে বলেন, দেশে করোনার দ্বিতীয় ঢেউয়ের প্রাবল্য (Corona Second Wave) কমতে শুরু করেছে। কিন্তু যেভাবে মাস্ক পরার অনীহা দেখা দিচ্ছে তাতে ফের করোনার বিপদ সীমায় প্রবেশ করছে ভারত। এমনটাই আশঙ্কা। ইতিমধ্যেই, বিভিন্ন রাজ্য থেকে একের পর এক ওমিক্রন আক্রান্তের খোঁজ মিলছে। চণ্ডীগড়, অন্ধ্রপ্রদেশ, কর্ণাটক, মহারাষ্ট্র, কেরল রয়েছে সেই তালিকায়। 

যদিও বাংলায় ওমিক্রন নিয়ে স্বস্তির খবর এসেছে। ব্রিটেন ফেরত মহিলার শরীরে ওমিক্রন নয় বরং করোনার ডেল্টা প্লাস ভ্যারিয়েন্ট মিলেছে। সোমবার এ কথা জানিয়েছেন রাজ্যের স্বাস্থ্য অধিকর্তা অজয় চক্রবর্তী। অন্যদিকে, ওমিক্রন আশঙ্কায় বেলেঘাটা আইডিতে ভর্তি বাংলাদেশের ৭৪ বছরের ব্যক্তির নমুনা সংগ্রহ করে পাঠানো হয়েছে কল্যাণীতে। 

যদিও ওমিক্রন নিয়ে  বিজ্ঞানীদের একাংশের দাবি, এই ভ্যারিয়েন্টটি খুব সংক্রামক হলেও, ডেল্টার মতো ভয়ঙ্কর প্রাণঘাতী নয়। তবে করোনার নতুন এই ভ্যারিয়েন্ট কতটা মারাত্মক, প্রাণঘাতী হতে পারে তা একটি আন্তর্জাতিক সমীক্ষায় উঠে এসেছে। গবেষণা বলছে, ঠিকমতো সতর্কতা না নেওয়া হলে,  আগামী বছরের এপ্রিলের মধ্যে ব্রিটেনে ২৫ থেকে ৭৫ হাজার জনের মৃত্যু হতে পারে। সূত্রের খবর, এই পরিস্থিতিতে ওমিক্রনের আরও একটি প্রজাতির সন্ধান পেয়েছেন বিজ্ঞানীরা। যাকে এখনও শনাক্ত করা যায়নি। দক্ষিণ আফ্রিকা, অস্ট্রেলিয়া এবং কানাডায় এর হদিশ মিলেছে। 

Omicron: বুস্টার ডোজ নিয়েও শিকার হতে হচ্ছে ওমিক্রনের

Omicron

News Desk, New Delhi: দেশে করোনার নতুন ভেরিয়েন্ট ওমিক্রন (Omicron) আতঙ্ক ছড়ালেও স্বস্তির খবর এই যে, আক্রান্তরা সকলেই দ্রুত সুস্থ হয়ে উঠেছেন। মহারাষ্ট্রে (Maharashtra) যারা করোনা আক্রান্ত হয়েছিলেন তাঁরা আগেই সুস্থ হয়েছেন। এবার রাজস্থানে (Rajasthan) একই পরিবারের আক্রান্ত ৯ সদস্যও সুস্থ হয়ে উঠছেন বলে রাজ্যের স্বাস্থ্য দফতর জানিয়েছে।

রাজস্থানের স্বাস্থ্য দফতর আরও জানিয়েছে, ওমিক্রনের হাত থেকে আর রক্ষা পেতে হলে চলতি করোনা জনিত বিধি-নিষেধগুলি (restriction) অত্যন্ত ভালো ভাবে মেনে চলতে হবে। অন্যদিকে ওমিক্রন এর হাত থেকে বাঁচতে কর্নাটক সরকার আরও বেশকিছু নতুন নিষেধাজ্ঞা জারির কথা জানিয়েছে। রাজ্য স্বাস্থ্য দফতর জানিয়েছে, আগামী সপ্তাহ থেকেই এই নতুন নিষেধাজ্ঞা বলবৎ হবে। কর্নাটকেই প্রথম ওমিক্রন আক্রান্তের হদিশ মিলেছিল।

এরই মধ্যে কেউ কেউ বলছিলেন, বুস্টার ডোজ নেওয়া থাকলে ওমিক্রনের হাত থেকে রেহাই মিলবে। কিন্তু বাস্তব চিত্র সে কথা বলছে না। জানা গিয়েছে, বুস্টার ডোজ নেওয়ার পরেও সিঙ্গাপুরের দুই ব্যক্তি ওমিক্রন আক্রান্ত হয়েছেন। আমেরিকা থেকেও বুস্টার ডোজ নেওয়ার পর একজনের আক্রান্ত হওয়ার খবর মিলেছে। সিঙ্গাপুরের স্থাস্থ্য দফতর জানিয়েছে, আক্রান্ত দু’জনেই করোনার টিকার বুস্টার ডোজ নিয়েছিলেন। কিন্তু তারপরেও তাঁরা ওমিক্রনের সংক্রমণের হাত থেকে রেহাই পাননি।

যদিও মার্কিন সংস্থা ফাইজারের দাবি করেছে, তাদের তৈরি টিকার তিনটি ডোজ নিলে ওমিক্রন ভেরিয়েন্টের হাত থেকে রক্ষা পাওয়া যাবে। তবে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা ফাইজারের এই বক্তব্যে ভরসা রাখতে পারছে না। হু জানিয়েছে, উপযুক্ত প্রমাণ ছাড়া এখনই এ বিষয়ে নিশ্চিত করে কিছু বলা যায় না।

এরইমধ্যে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা আরও জানিয়েছে, সম্প্রতি দেখা যাচ্ছে বেশ কিছু দেশ ভ্যাকসিন মজুত করতে শুরু করেছে। ওই সব দেশ মনে করছে, করোনা রুখতে তৃতীয় ডোজ দিতে হবে। কিন্তু ওই সমস্ত দেশগুলির মনে রাখা উচিত যে, তৃতীয় ডোজ নিলেই ওমিক্রনের সংক্রমণ রোধ করা যাবে এমন কোনও প্রমাণ মেলেনি। হু তাই সংশ্লিষ্ট দেশগুলিকে অনুরোধ করেছে, এভাবে টিকা মজুত না করে যে সমস্ত দেশে ভ্যাকসিনের অভাব রয়েছে সেখানে যেন সরবরাহ করা হয়।

Omicron: ভারতের প্রথম ওমিক্রন আক্রান্ত ব্যক্তি এখন সুস্থ

Omicron virus has been found in India

নিউজ ডেস্ক, মুম্বই: দেশের প্রথম ওমিক্রন (omicron) আক্রান্তের খোঁজ মিলেছিল মহারাষ্ট্রে (maharastra)। সম্প্রতি সেই ৩৩ বছর বয়সী মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারের রিপোর্ট নেগেটিভ এসেছে। তাঁকে হাসপাতাল থেকেও ছেড়ে দেওয়া হলেও এই মুহূর্তে ৭ দিনের জন্য হোম কোয়ারেন্টিনে থাকতে হবে। 

এদিকে, এশিয়া-দক্ষিণ আফ্রিকার (South Africa) পর ইউরোপেও (Europe) প্রবল গতিতে করোনা বাড়ছে। মঙ্গলবার বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (World Health Organization) তরফে জানানো হয়েছে, ইউরোপের দেশগুলি থেকে আক্রান্তের সংখ্যা বৃদ্ধির নেপথ্যে রয়েছে শিশুদের সংক্রমণ বৃদ্ধি। হু (WHO) জানিয়েছে, ৫-১৪ বছর বয়সি শিশুরা বেশি আক্রান্ত হচ্ছে। এই বয়সের শিশুরাই সংক্রমণের সর্বোচ্চ হারের জন্য দায়ী।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার ইউরোপের রিজিওনাল ডিরেক্টর ডাঃ হান্স ক্লুজ জানিয়েছেন, এখনও পর্যন্ত ওমিক্রনে (Omicron) মৃত্যুর হার আগের থেকে অনেক কম। তবে মধ্য এশিয়া সহ ৫৩ টি অঞ্চলে গত দুই মাসে করোনা কেস এবং মৃত্যু দ্বিগুণেরও বেশি হয়েছে। ডেনমার্কের কোপেনহেগেনে হু ইউরোপের সদর দফতর থেকে তিনি বলেন, ‘ডেল্টা ইউরোপ এবং মধ্য এশিয়া জুড়ে প্রভাব বিস্তার করেছিল। তবে ভ্যাকসিন এই রোগ রুখে মৃত্যু কমাতে কার্যকর হয়েছে। এখনও দেখা বাকি আছে যে ওমিক্রন অনেক বেশি সংক্রমণ বাড়বে। আরও গুরুতর হতে পারে। ইউরোপে শিশুদের মধ্যে অনেকটাই আক্রান্ত বাড়ছে। কিছু জায়গায় গড় জনসংখ্যার তুলনায় অল্পবয়সী শিশুদের মধ্যে আক্রান্তের ঘটনা দুই থেকে তিনগুণ বেশি।

এদিকে, রেনবো চিল্ড্রেন্স হাসপাতালের চিকিৎসক, ডাঃ নীতিন ভর্মা বলেন, ‘শিশুরা দ্রুত সংক্রমিত হতে পারে। করোনার নতুন ভ্যারিয়েন্ট ওমিক্রন এসেছে। তা ছড়িয়েও যাচ্ছে দ্রুত। এই পরিস্থিতিতে শিশুরাই সবচেয়ে বেশি সংক্রামিত হতে পারে। তাই তাদের সাবধানে রাখা এবং শিশুদের দ্রুত ভ্যাকসিনেশনের ব্যবস্থা করতে হবে।’ 

Omicron : মহারাষ্ট্রে বিদেশ থেকে আসা শতাধিক ব্যক্তি বেপাত্তা

40,000 infected daily, the recovery rate is declining in the country

নিউজ ডেস্ক: আরও বাড়ল দেশে ওমিক্রন (Omicron) আক্রান্তর সংখ্যা। মুম্বইয়ে আরও ২ ওমিক্রন আক্রান্তর হদিশ মিলল। জোহানেসবার্গ ফেরত মহিলার শরীরে ও আমেরিকা ফেরত এক ব্যক্তির দেহেও ওমিক্রনের খোঁজ। সূত্রের খবর, আক্রান্ত উপসর্গহীন। ফাইজারের টিকা নিয়েছিলেন তিনি। শুধু মহারাষ্ট্রেই ওমিক্রন আক্রান্তর সংখ্যা বেড়ে ১০। দেশে ওমিক্রন আক্রান্তর সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২৩। 

ওমিক্রন (Omicron) আতঙ্কের মধ্যে মহারাষ্ট্রে বেপাত্তা বিদেশ থেকে আসা ১০০-র বেশি ব্যক্তি। কল্যাণ ডোম্বিভালি পৌর কর্পোরেশনের ( Kalyan Dombivali Municipal Corporation ) প্রধান বিজয় সূর্যবংশী (Vijay Suryavanshi ) জানান, ‘সম্প্রতি ২৯৫ জন বিদেশ থেকে ফিরেছেন, তার মধ্যে ১০৯ জনের কোনও হদিশ নেই। থানের  টাউনশিপ এলাকার এই বাসিন্দারা বিদেশ থেকে ফিরেই নিখোঁজ।

এর মধ্যে কয়েকজনের মোবাইল ফোনও বন্ধ রয়েছে এবং সর্বশেষ দেওয়া অনেক ঠিকানায় গিয়ে বাড়ি বন্ধ অবস্থায় পাওয়া গিয়েছে। সমস্ত ‘ঝুঁকিপূর্ণ’ দেশ থেকে কেডিএমসি (KDMC )-তে যারা ফিরেছেন তাঁদের ৭ দিন হোম কোয়ারেন্টাইনে থাকতে হবে। অষ্টম দিনে করোনা পরীক্ষা করতে হবে। কোভিড ফল নেগেটিভ  হলেও, তাঁদের আরও ৭ দিন হোম কোয়ারেন্টাইনে থাকতে হবে এবং নিয়ম লঙ্ঘন যাতে না হয়, তা নিশ্চিত করতে হাউজিং সোসাইটির সদস্যদের অনুরোধ করা হয়েছে। পাশাপাশি জমায়েতের উপরও নজর রাখা হয়েছে।’ 

সোমবার নেপাল (Nepal) সরকারের তরফে জানিয়ে দেওয়া হয় সেখানে ২ ব্যক্তি এই ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন। স্বাস্থ্য মন্ত্রক জানিয়েছে, নেপাল করোনাভাইরাসের (Coronavirus) ওমিক্রনের দুটি কেস চিহ্নিত করেছে। এঁদের মধ্যে ৬৬ বছর বয়সি এক বিদেশি। যিনি ১৯ নভেম্বর নেপালে এসেছিলেন। মনে করা হচ্ছে, তিনিই করোনার এই নয়া রূপের বাহক ছিলেন। ওই ব্যক্তির সঙ্গে যোগাযোগ রয়েছে এমন এক ৭১ বছরের ব্যক্তির দেহেও ওমিক্রন পাওয়া গিয়েছে। যদিও নেপাল সরকারের তরফে ওই ২ ব্যক্তি কোন দেশের নাগরিক তা জানানো হয়নি।

উল্লেখ্য, ব্রিটেনে আরও ৮৬ জনের শরীরে মিলল করোনার বিপজ্জনক ভ্যারিয়েন্ট ওমিক্রন। এই নিয়ে ওই দেশে ওমিক্রন আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল ২৪৬।

Goa Polls: তৃণমূলের নতুন বন্ধু মহারাষ্ট্রবাদী গোমন্তক পার্টি

Trinamool's new friend Maharashtrabadi Gomantak Party

নিউজ ডেস্ক, মুম্বই: আগামী বছর বিধানসভা নির্বাচনের (assembly election) আগেই গোয়ায় (Goa) এক বন্ধুকে পেয়ে গেল তৃণমূল কংগ্রেস। সোমবার সন্ধ্যায় ঘোষণা হল, গোয়া বিধানসভা নির্বাচনে তৃণমূল কংগ্রেস ও মহারাষ্ট্রবাদী গোমন্তক (Maharashtrawadi Gomantak Party) পার্টি জোট বেঁধে নির্বাচনে লড়বে। জোটের বিষয়টি চূড়ান্ত করতে গত কয়েকদিন ধরেই তলে তলে প্রস্তুতি চলছিল।

রবিবার রাজ্যের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী তথা তৃণমূলের রাজ্যসভার সাংসদ (rajyashava) লুইজিনহো ফেলেইরো গোয়ায় তৃণমূলের (trinamul congress) দায়িত্বে থাকা মহুয়া মৈত্র (mahua moitra) এবং এমজিপির নেতা দীপক ধাবালিকর এক বৈঠকে বসেন। সেই বৈঠকে জোটের বিষয়টি চূড়ান্ত হয়। তবে জোট গঠনের বিষয়টি সোমবার সরকারি ভাবে জানানো হয়নি।

সম্ভবত আগামী ১৩ ডিসেম্বর তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের গোয়া এসে জোটের বিষয়টি ঘোষণা করবেন। গোয়া বিধানসভা নির্বাচনের আগে এই জোট বিজেপির কাছে বড় ধাক্কা। কারণ মহারাষ্ট্রবাদী গোমন্তক পার্টি একসময় বিজেপির জোট সঙ্গী ছিল। ২০১৭ বিধানসভা নির্বাচনে এই দল তিনটি কেন্দ্র তে যোগ দিয়েছিলেন। পরবর্তী ক্ষেত্রে অবশ্য তাঁরা বিজেপি ছেড়ে তৃণমূলে যাচ্ছেন।

এর আগে গোয়া ফরওয়ার্ড পার্টির সঙ্গেও জোট করার পথে এগিয়ে ছিল তৃণমূল। গত মাসে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যখন গোয়া সফরে গিয়েছিলেন সে সময় গোয়া ফরওয়ার্ড পার্টির কার্যকরী সভাপতি কিরণ কান্ডোলকর নিজেই মমতার সঙ্গে দেখা করেছিলেন। কিন্তু জোট নিয়ে কথাবার্তা চলাকালীন হঠাৎই জিএফপির কার্যকরী সভাপতি কিরণ নিজেই তৃণমূলে যোগ দেন।

তবে কিরণ তৃণমূলে যোগ দেওয়ায় বেজায় চটেছেন জিএফপির সভাপতি বিজয় সরদেশাই। তিনি সাফ জানিয়েছেন, তৃণমূল পিছন থেকে ছুরি মেরেছে। এই দল অত্যন্ত নিম্নরুচির পরিচয় দিয়েছে। শুধু তাই নয়, এরপরই কংগ্রেসের সঙ্গে জোট করার কথা ঘোষণা করেছে জিএফপি। গোয়ার উত্তরাংশে এই দলের শক্তি যথেষ্টই বেশি বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল। গোয়ায় ২০১৭ সালের বিধানসভা নির্বাচনে গোমন্তক পার্টি ১১ শতাংশ ভোট পেয়েছিল।

তবে গোয়ায় তৃণমূলের সঙ্গে এমজিপির জোট নিয়ে কটাক্ষ করেছে কংগ্রেসের মুখপাত্র প্রণব ঝা। তিনি বলেছেন, গোয়ায় তৃণমূলের নিজের কিছুই নেই। ওরা ভাড়া করা কিছু লোকজন নিয়ে লড়াই করার চেষ্টা করছে। ওরা বিভিন্ন অংক কষে ছোট দলগুলির সঙ্গে জোট করে বিজেপির সুবিধা করে দিতে চাইছে। পাশাপাশি ভোটে লজ্জাজনক পরাজয়ের দায় ছোট দলগুলোর উপর চাপানোর জন্য এখন থেকেই রাস্তা তৈরি করে রাখতে চাইছে তৃণমূল।

Maharashtra: বাড়ির অমতে বিয়ের ‘অপরাধে’ মেয়ের কাটা মুণ্ডুর সঙ্গে সেলফি তুলল মা ও ভাই

Mother and brother took a selfie

Maharashtra: চলতি বছরের জুন মাসে পরিবারের অমতে বাড়ি থেকে পালিয়ে গিয়ে বিয়ে করেছিলেন ১৯ বছরের তরুণী কীর্তি থোরে (kirthi thore)। সুখেই স্বামীর সঙ্গে সংসার করছিলেন। হয়েছিলেন অন্তঃসত্ত্বা (pregnant)। বাড়ির সঙ্গে শেষ ছয় মাসে তেমন কোন যোগাযোগ ছিল না।

হঠাৎ করে গত সপ্তাহে ওই তরুণীর সঙ্গে যোগাযোগ করেন তাঁর মা। তাঁকে বাড়ি ফিরে আসার অনুরোধ জানায় মা। মায়ের অনুরোধ (mothers request ) ফেলতে না পেরে রবিবার ওই তরুণী তাঁর স্বামীকে সঙ্গে নিয়ে বোনের বাড়িতে এসেছিলেন। সেখানেই আসে তাঁর মা-ও নাবালক ভাই। এরপর ওই তরুণী যখন মায়ের জন্য রান্নাঘরে চা তৈরি করছিলেন সেই সময় তার নাবালক ভাই হঠাৎ পিছন থেকে দিদির উপর ঝাঁপিয়ে পড়ে।

ধারালো অস্ত্রের আঘাতে কেটে ফেলে দিদির মাথা। ঘটনার সময় ওই তরুণী যাতে কোনওরকম বাধা দিতে না পারে সেজন্য তার মা-মেয়ের দুটি পা আঁকড়ে ধরে ছিল। অনার কিলিংয়ের এই নৃশংস ঘটনাটি ঘটেছে মহারাষ্ট্রের ঔরঙ্গাবাদ (aurangabad)।

পুলিশি জেরায় ওই নাবালক ভাই ও তার মা স্বীকার করেছে, পরিবারের সম্মান বাঁচাতে তাঁরা মেয়েকে খুন করেছেন। তবে শুধু খুন নয়, দিদির মাথা কাটার পর সেই কাটা মুন্ডু বাড়ির বারান্দায় সাজিয়ে রেখেছিল ওই নাবালক। পুলিশি জেরায় মা ও ছেলে জানিয়েছে, মুন্ডু কেটে ফেলার পর তারা আনন্দের জন্য সেই কাটা মুন্ডুর সঙ্গে সেলফি তুলেছে। মেয়েকে খুন করার পর অবশ্য তার মা-ও নাবালক ভাই বীরগাঁও থানায় গিয়ে আত্মসমর্পণ করে। পুলিশ ওই দুইজনকে গ্রেফতার করে তদন্ত শুরু করেছে।

প্রতিবেশীরা জানিয়েছেন, তাঁরা চিৎকার চেঁচামেচি শুনে ওই বাড়িতে ছুটে এলে দেখতে পান নাবালক ভাই দিদির কাটা মুণ্ডু নিয়ে বারান্দায় দাঁড়িয়ে আছে। মেঝেতে টপটপ করে রক্ত পড়ছে। দিদিকে খুন করার পর ওই তরুণীর স্বামীর উপরেও ঝাঁপিয়ে পড়েছিল নাবালক ভাই। কিন্তু তরুণীর স্বামী কোনও রকমে পালিয়ে প্রাণে বেঁচেছেন। মৃত তরুণীর বাবাকেও জিজ্ঞাসাবাদ করছে পুলিশ। এই ঘটনায় তিনি জড়িত আছেন কিনা সেটাই পুলিশ জানতে চাইছে।

Omicron: কোনও ভ্যাকসিন না নিয়েই বিদেশ সফর করেছেন মহারাষ্ট্রের ওমিক্রন আক্রান্ত ব্যক্তি  

omicron-in-maharashtra

নিউজ ডেস্ক : শনিবার মহারাষ্ট্রের এক ব্যক্তির শরীরে ধরা পড়ে করোনার নয়া স্ট্রেন ওমিক্রন(Omicron)। সূত্রের খবর, আক্রান্ত ব্যক্তি মুম্বইয়ের খুব কাছেই থাকেন। এই ঘটনা সামনে আসার পরেই সে রাজ্যে আতঙ্ক ছড়িয়েছে। যদিও ওই ব্যক্তির দিনের পর দিন বিদেশে ঘোরার ইতিহাস রয়েছে।

গত মাসে দক্ষিণ আফ্রিকা থেকে দুবাই হয়ে দিল্লিতে ফিরে সেখান থেকে মুম্বইয়ে আসেন তিনি। এরপরেই জ্বর আসলে করোনা পরীক্ষা হলে রিপোর্ট পজিটিভ আসে। আর বিস্তারিত পরীক্ষার ফল সামনে আসার পরেই দেখা যায় ওই ব্যক্তি ওমিক্রনে আক্রান্ত। সঙ্গে সঙ্গে তাঁকে আইসোলেশনে পাঠানো হয়। পাশাপাশি ওই ব্যক্তি কোনও ভ্যাকসিনই নেননি।

এক সরকারি আধিকারিক জানিয়েছেন, ওই ব্যক্তি মেরিন ইঞ্জিনিয়ার হিসাবে কর্মরত। দিনের পর দিন সমুদ্রেই কাটাতে হয় তাঁকে। জানা যায়, গত ২৪ নভেম্বর ওই ব্যক্তির অল্প জ্বর আসে। মুম্বই বিমানবন্দরেই তাঁর চিকিত্‍সা করা হয়। নেওয়া হয় নমুনা। আর তাতেই জানা যায় তিনি করোনা পজিটিভ। এই ঘটনা সামনে আসতেই নড়েচড়ে বসেছে স্থানীয় প্রশাসন। কারা কারা ওঁর সংস্পর্শে এসেছে তাঁদের খোঁজ চলছে।

তবে এরমধ্যে যাদের খোঁজ পাওয়া গিয়েছে তাঁদের মধ্যে প্রত্যক্ষভাবে (high-risk contacts) সংস্পর্শে এসেছে এমন ১২ জনের এবং পরোক্ষ ভাবে ওই রোগীর কাছাকাছি এসেছেন এমন ২৩ জনের (low-risk contacts) করোনা পরীক্ষা করা হয়েছে। স্বস্তির খবর তাঁদের সবার করোনা রিপোর্ট নেগেটিভ এসেছে। শুধু তাই নয়, আরও ২৫ জনের করোনা পরীক্ষা করা হয়েছে। যারা ওই ব্যক্তির কো-প্যাসেঞ্জার হিসাবে দিল্লি থেকে মুম্বই এসেছেন। তাঁদেরও রিপোর্ট নেগেটিভ এসেছে। আরও বাকিদের খোঁজ চালানো হচ্ছে।

গত কয়েকদিনে মহারাষ্ট্রে বিদেশ থেকে বহু ব্যক্তি এসেছেন। তাঁদের প্রত্যেকের আরটিপিসিআর টেস্ট করা হচ্ছে। সম্প্রতি জিম্বাবয়ে থেকে আরও এক ব্যক্তি জ্বর নিয়ে আসে। তাঁর করোনার রিপোর্ট পজিটিভ। তবে মহারাষ্ট্র সরকারের তরফে জানানো হয়েছে, তাঁর শরীরে ওমিক্রন পাওয়া যায়নি। তবে সে রাজ্যে ওমিক্রন আক্রান্তের খবর সামনে আসতেই আরও সতর্ক হওয়ার নির্দেশ দিয়েছে সরকার।

পাওয়ার প্লে? প্যাঁচে পড়লেন মমতা! কংগ্রেসের সঙ্গে দূরত্বে নারাজ শিব সেনা

Shiv Sena slams Mamata’s no UPA remark

News Desk: দলীয় মুখপত্রে শিব সেনার হুঁশিয়ারি এমন, যদিও তিনি (মমতা) পশ্চিমবঙ্গ থেকে কংগ্রেস, বাম ও বিজেপিকে শেষ করেছেন, কিন্তু জাতীয় রাজনীতিতে কংগ্রেসের সঙ্গে দূরত্ব রাখলে ফ্যাসিস্ট শক্তিকে আরও বেশি শক্তিশালী করা হবে’। এই হুঁশিয়ারি আসলে ‘সামনা’ সংবাদপত্রের সম্পাদকীয়। সেটি প্রকাশ করা হলো, তৃণমূল কংগ্রেস নেত্রীর মহারাষ্ট্র সফরের পর।

রাজনৈতিক মহলের বিশ্লেষণ, মুম্বই থেকে খালি হাতেই ফিরতে হয়েছে মমতাকে। তিনি যে লক্ষ্য নিয়ে মম্বই গিয়েছিলেন তা সফল হলনা। কারণ ‘সামনা’ শিব সেনার মুখপত্র। তার সম্পাদকীয় মানে শিব সেনার অবস্থান।

তবে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিজেপি বিরোধী ভূমিকার উচ্ছ্বসিত প্রশংসা করা হয়েছে শিব সেনা মুখপত্রে। তৃণমূল কংগ্রেস নেত্রীকে বাঘিনীর সঙ্গেও তুলনা করা হয়েছে। এতে মমতার প্রশংসা করে লেখা হয়েছে, বিজেপির বিরুদ্ধে মমতা যেভাবে তৃণমূল কংগ্রেসের নেতৃত্ব দিয়েছেন তাকে শিবসেনা কুর্ণিশ জানায়।

তবে বিশ্লেষণে এও উঠে আসছে, কংগ্রেসের কূটচালে পরাজিত হয়েছেন তৃণমূল কংগ্রেস নেত্রী। মহারাষ্ট্র বিধানসভায় যে অবিজেপি জোট সরকার ক্ষমতাসীন। তার মুখ্যমন্ত্রী শিব সেনা প্রতিষ্ঠাতা বালা সাহেব ঠাকরের পুত্র উদ্ভব ঠাকরে। সরকার চলছে এনসিপি ও কংগ্রেস সমর্থনে। তারাই সরকারের অন্যতম দুই বড় শরিক। কোনওভাবেই দুই শরিককে চটিয়ে মমতার পক্ষ নিতে চাইছেন না উদ্ভব।

মনে করা হচ্ছে, মমতাকে বার্তা দেওয়ার পিছনে কাজ করেছে পাওয়ার প্লে। প্রবীণ এনসিপি নেতা শারদ পাওয়ারের কূটনৈতিক চালেই মহারাষ্ট্রে সরকার গড়েছে অবিজেপি জোট। সেই জোটের কংগ্রেস ও এনসিপি ঘনিষ্ঠ। মমতার নো ইউপিএ অবস্থান মেনে নিতে পারেননি পাওয়ার।

রাজনৈতিক চাপের মুখে মুখ্যমন্ত্রী উদ্ভব ঠাকরে অসুস্থতার কারণে মমতা সাক্ষাৎ এড়িয়ে গিয়েছেন। এর পিছনেও পাওয়ার প্লে কাজ করেছে বলেই মনে করা হচ্ছে।

শিব সেনার মুখপত্রের সম্পাদকীয় হুঁশিয়ারি তৃণমূল কংগ্রেসের কাছে ঘুরপথে কংগ্রেসের বার্তা। আর এই বার্তার পিছনে আছে সোনিয়া গান্ধী ঘনিষ্ঠ শারদ পাওয়ার।

Omicron: ঝুঁকিপূর্ণ দেশ থেকে আসা ৬ যাত্রী করোনা পজিটিভ, ফের আতঙ্ক মহারাষ্ট্রে

panic in Maharashtra

নিউজ ডেস্ক, নয়াদিল্লি: ভারত সরকারের ঝুঁকিপূর্ণ দেশ হিসেবে চিহ্নিত করা দেশ থেকে আগত ৬ পর্যটক করোনা পজিটিভ (corona positive)। তবে আক্রান্তরা ওমিক্রন ভেরিয়েন্টে (Omicron varient) আক্রান্ত হয়েছেন কিনা সেটা এখনও জানা যায়নি। ঝুঁকিপূর্ণ দেশ থেকে আসা ৬ যাত্রী করোনা আক্রান্ত হওয়ার খবরে নতুন করে মহারাষ্ট্রে (maharastra) উদ্বেগ ছড়িয়েছে।

মহারাষ্ট্রের স্বাস্থ্য দফতর জানিয়েছে, সম্প্রতি কেন্দ্র নির্দেশে দিয়েছে বিদেশ থেকে আগত যাত্রীদের বিমানবন্দরেই করোনা পরীক্ষা (corona test) করতে হবে। সেই পরীক্ষা করার পরেই ৬ যাত্রীর করোনা পজিটিভ রিপোর্ট এসেছে। ওই ছয়জনের মধ্যে দু’জনের শরীরে মৃদু উপসর্গ ছিল। বাকিরা অবশ্য উপসর্গহীন। স্বাস্থ্য দফতর আরও জানিয়েছে আক্রান্তদের সোয়াবের নমুনা ইতিমধ্যেই জিনোম সিকোয়েন্সিংয়ের জন্য পাঠানো হয়েছে। পাশাপাশি আক্রান্ত ব্যক্তিদের সংস্পর্শে কারা এসেছিলেন তা জানতে খোঁজ শুরু হয়েছে।

স্বাস্থ্য দফতর আরও জানিয়েছে, আক্রান্তদের মধ্যে তিনজন মুম্বইয়ের কল্যান-ডোম্বিভ্যালির বাসিন্দা। চতুর্থজনের বাড়ি পুণে। বাকি দু’জন নাইজেরিয়ার নাগরিক। ওমিক্রন ভেরিয়েন্ট ঠেকাতে বুধবার থেকেই দেশের সমস্ত বিমানবন্দরে ঝুঁকিপূর্ণ দেশ থেকে আগত যাত্রীদের করোনা পরীক্ষা শুরু হয়ে গিয়েছে। ঝুঁকিপূর্ণ দেশ থেকে আসা কোনও ব্যক্তি করোনা আক্রান্ত হলে তাঁকে সঙ্গে সঙ্গেই কোয়ারেন্টাইনে রাখার কথা বলেছে কেন্দ্র।

কেন্দ্রের পাশাপাশি করোনা রুখতে মহারাষ্ট্র সরকারও নতুন করে বেশ কিছু নির্দেশিকা জারি করেছে। মহারাষ্ট্র সরকার তার নির্দেশে জানিয়েছে, ঝুঁকিপূর্ণ দেশ থেকে কোনও যাত্রী এলে তাঁকে বাধ্যতামূলক ভাবে সাতদিন কোয়ারান্টাইনে থাকতে হবে। বিমানবন্দরে পরীক্ষার সাত দিন পর ফের ওই যাত্রীর করোনা পরীক্ষা করা হবে। রাজ্য সরকার তার নির্দেশে আরও জানিয়েছে, যারা বিদেশ থেকে আসবেন তাদের বিগত ১৫ দিনের ভ্রমণের বিস্তারিত বিবরণ বা ট্রাভেল হিস্ট্রি জানাতে হবে। অর্থাৎ তাঁরা ওই সময়ের মধ্যে অন্য কোনও দেশে গিয়েছে কিনা, গিয়ে থাকলে কতদিন সেখানে ছিলেন সে বিষয়ে জানাতে হবে বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষকে। যদি কোনও যাত্রী বিমান বন্দর কর্তৃপক্ষকে ভুল তথ্য দিয়ে থাকেন তবে তাঁর বিরুদ্ধে বিপর্যয় মোকাবিলা আইনে কড়া পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

Mamata Banerjee: আরব সাগর তীরে ডুবলেন মমতা ? ক্ষণিকের বন্ধু ‘বিশ্বাসঘাতক’

mamata banerjee in mumbai

News Desk: মহারাষ্ট্রে তেমন সাড়া মিলছে না। সিদ্ধিবিনায়ক আশীর্বাদ পেতে পুজো দিলেও ঈশ্বর কি মু়খ ফিরিয়েছেন তৃণমূল কংগ্রেস নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Mamata Banerjee) দিক থেকে এমনই আলোচনা মুম্বই থেকে জাতীয়স্তরে। গোদের উপর বিষফোঁড়া হয়ে ক্ষণিকের বন্ধু গোয়া ফরওয়ার্ড পার্টি টিএমসির ছায়া পরিত্যাগ করেছে। আপাতত তারা কংগ্রেসের দিকে।

পশ্চিমবঙ্গে তিনবার জয়ী হয়ে পশ্চিম ভারতের গোয়া বিধায়নসভা যুদ্ধে নেমেছেন তৃণমূল কংগ্রেস নেত্রী। তাঁর সঙ্গে এসেছেন গোয়ার প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী। তবে যাকে নিয়ে বিরাট আশা ছিল টিএমসির সেই গোয়া ফরওয়ার্ড পার্টির ঘোষণা, কংগ্রেসের সঙ্গেই তারা আছে। গোয়া ফরওয়ার্ড পার্টি প্রধান বিজয় সরদেশাই সম্প্রতি তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের তুমুল প্রশংসা করেন।

টিএমসির ভোটকুশলীরা গোয়ার সমীকরণে নিজেদের তুলে ধরতে গোয়া ফরওয়ার্ড পার্টির সঙ্গে বিস্তর যোগাযোগ করেন। তবে সব আশায় জল ঢেলে দিয়েছে দলটি। ফলে টিএমসির তরফে দলটিকে এখন বিশ্বাসঘাতক বলেই চিহ্নিত করা হচ্ছে।

এদিকে মুম্বইতেও ক্ষমতাসীন শিবসেনা জোট সরকারের মুখ্যমন্ত্রী উদ্ভব ঠাকরে অসুস্থ তাই তিনি দেখা করেননি মমতার সঙ্গে। মুম্বই রাজনৈতিক মহলে খবর, গোপনে আড়কাঠি চেলেছেন প্রবীণ এনসিপি নেতা শারদ পাওয়ার। তিনিই বিজেপি বিরোধী পাওয়ার প্নে জনক।

Omicrin: করোনার নয়া প্রজাতির জেরে মহারাষ্ট্রেও কড়াকড়ি

Omicrin

নিউজ ডেস্ক, মুম্বই: কোভিডের নতুন প্রজাতি ওমিক্রন (Omicrin) এখনও ভারতে প্রবেশ করেনি। কিন্তু পশ্চিমের দেশগুলিতে ইতিমধ্যেই ঘুম উড়িয়েছে এই ভ্যারিয়্যান্ট। একে ঝুঁকিপূর্ণ তকমাও দিয়ে ফেলেছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা। আর তার জেরে আন্তর্জাতিক বিমানযাত্রীদের জন্য নতুন নিয়ম-কানুন ঘোষণা করল মহারাষ্ট্র সরকার।  

এই নতুন বিধি অনুযায়ী রাজ্যের অভিবাসন দফতর মহারাষ্ট্রে আসা যে কোনও যাত্রীর বিগত ১৫ দিনের বিদেশযাত্রার খতিয়ান যাচাই করে দেখবে। এছাড়া যেসব দেশকে ইতিমধ্যে ওমিক্রনের জেরে ‘ঝুঁকিপূর্ণ’ তকমা দেওয়া হয়েছে সেখান থেকে যাঁরা আসছেন, তাঁদের ৭ দিনের কোয়ারেন্টাইনে থাকা বাধ্যতামূলক। শুধু তাই নয়, মহারাষ্ট্রে পা রেখে কোভিড পরীক্ষার পর যাঁদের রিপোর্ট নেগেটিভ আসবে, তাঁদেরকেও থাকতে হবে ৭ দিনের কোয়ারান্টাইনে।

অর্থাত্‍ যাঁরা ‘ঝুঁকিপূর্ণ’ দেশ থেকে আসছেন তাঁদের মোট ১৪ দিন কোয়ারান্টাইনে থাকতে হবে। বিদেশ থেকে আসা যাত্রীদের বিমানবন্দরেই বাকিদের থেকে আলাদা করে দেওয়া হবে। কোনও যাত্রীর দেহে যদি ভাইরাস সংক্রমণের হদিশ মেলে তবে তাঁকে হাসপাতালে পাঠানো হবে। প্রসঙ্গত, যেসব দেশ ‘ঝুঁকিপূর্ণ’ তকমা পেয়েছে সেগুলি হল, চিন, ব্রাজিল, বোতসোয়ানা, ব্রিটেন, দক্ষিণ আফ্রিকা, সিঙ্গাপুর, জিম্বাবোয়ে, ইজরায়েল, হংকং, নিউজিল্যান্ড।

আর্থিক তছরুপের কারণে জেলে যেতে হল মহারাষ্ট্রের প্রাক্তন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে

Anil Deshmukh

নিউজ ডেস্ক: আর্থিক তছরুপের কারণে মহারাষ্ট্রের প্রাক্তন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী তথা শীর্ষস্থানীয় এনসিপি নেতা অনিল দেশমুখকে (anil deshmukh) ১৪ দিনের জেল হেফাজতে পাঠাল আদালত। আর্থিক তছরুপের কারণে চলতি মাসের ১ তারিখে অনিলকে গ্রেফতার করেছিল এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট বা ইডি (ed)।

সোমবার অনিলকে আদালতে তোলা হলে আদালত অনিলকে ১৪ দিনের জেল হেফাজতের নির্দেশ দেয়। উল্লেখ্য , ৬ নভেম্বর ৭১ বছর বয়সি অনিলকে অবকাশকালীন আদালতে ইডি নিজেদের হেফাজতে নেওয়ার দাবি জানিয়েছিল। কিন্তু সেই আবেদন খারিজ করে দিয়ে অনিলকে সাত দিনের জেল হেফাজতে পাঠানো হয়েছিল। সোমবার তাঁকে ফের আদালতে (court) তোলা হয়।

উল্লেখ্য, মুম্বইয়ের প্রাক্তন পুলিশ কমিশনার পরমবীর সিং অভিযোগ করেছিলেন, রাজ্যের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অনিল অর্থ তছরুপ ও তোলাবাজির ঘটনায় জড়িত। বর্তমানে সাসপেন্ড হওয়া পুলিশকর্তা শচীন (sachin) ওয়াজেকে মুম্বইয়ের বিভিন্ন রেস্তোঁরা ও ব্যবসায়ীদের থেকে ১০০ কোটি টাকা সংগ্রহ করার নির্দেশ দিয়েছিলেন দেশমুখ।

Anil Deshmukh

ঘুষ নেওয়া ও আর্থিক প্রতারণার অভিযোগে চলতি বছরের শুরুতেই অনিলকে রাজ্যের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রীর পদ থেকে সরে দাঁড়াতে হয়েছিল। ইডির তদন্তের হাত থেকে রক্ষা পেতে অনিল বম্বে (bombay) হাইকোর্টে আবেদন করেছিলেন। কিন্তু হাইকোর্টে তাঁর সেই আর্জি খারিজ হয়ে যায়। যদিও অনিলের দাবি, তাঁর বিরুদ্ধে ওঠা সব অভিযোগই ভিত্তিহীন রাজনৈতিক প্রতিহিংসার চরিতার্থ করতেই তাঁকে হেনস্থা করা হচ্ছে।

<

p style=”text-align: justify;”>উল্লেখ্য, অনিলের বিরুদ্ধে অভিযোগ করার পরই নিখোঁজ হয়ে গিয়েছেন পরমবীর (parambeer)। তাঁর নামের জারি হয়েছে লুক আঙট নোটিস look-out । পরমবীরের বিরুদ্ধেও একাধিক তোলাবাজির অভিযোগ উঠেছে। এ প্রসঙ্গে দেশমুখ অবশ্য গত সপ্তাহে বলেছিলেন, যিনি আমার বিরুদ্ধে অভিযোগ করলেন এখন তাঁরই কোন পাত্তা পাওয়া যাচ্ছে না। বরং ওই অফিসারের বিরুদ্ধেই তাঁর দফতর থেকে একাধিক মামলা করা হয়েছে। ইতিমধ্যেই প্রাক্তন মহারাষ্ট্রের প্রাক্তন পুলিশ কমিশনারকে পলাতক ঘোষণার প্রস্তাব দিয়েছে রাজ্য স্বরাষ্ট্র দফতর। পরমবীর সিংকে পলাতক ঘোষণা করার আইনি প্রক্রিয়াও ইতিমধ্যেই শুরু হয়েছে। চলতি বছরের মে মাস থেকে পরমবীর নিখোঁজ। রাজ্য সরকার ইতিমধ্যেই পরমবীরকে সাসপেন্ড করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। পাশাপাশি মুকেশ আম্বানির বাড়ির সামনে বোমাতঙ্কের মামলায় যথাযথ তদন্ত না করার জন্য পরমবীরের বিরুদ্ধে বিভাগীয় তদন্ত শুরু করেছে স্বরাষ্ট্র দফতর। তবে গোটা বিষয়টি নিয়ে এনসিপির তরফে কোনও প্রতিক্রিয়া জানানো হয়নি।

Maharashtra: মাও নেতা কিষাণ দা গ্রেফতারের পরেই ২৬ ক্যাডারকে খতম

26 maoists killed in encounter in Maharashtra

News Desk: দেশের অন্যতম মাওবাদী নেতা কিষাণ দা (প্রশান্ত বসু) গ্রেফতার হয়েছেন ঝাড়খণ্ড থেকে। শুক্রবার এটি ছিল মাওবাদীদের কাছে বিরাট ধাক্কা। শনিবার আরও ভয়াবহ আঘাতে ছিন্নভিন্ন বারবার নাশকতা ঘটানোয় জড়িত সিপিআই (মাওবাদী)। সংগঠনটির শক্তিশালী ঘাঁটি মহারাষ্ট্রের (Maharashtra) গড়চিরৌলিতে পুলিশি অভিযানে খতম অন্তত ২৬ জন ক্যাডার। এমনই দাবি করেছে পুলিশ।

এই গড়চিরৌলিতে বারবার কোবরা ফোর্স ও পুলিশের সঙ্গে সরাসরি সংঘর্ষ যেমন হয়েছে মাওবাদীদের। তেমনই বারবার রক্তাক্ত হামলার শিকার হয়েছেন জওয়ানরা। কখনও মাওবাদীদের ডেরা ভেঙেছে কোবরা ফোর্স। শনিবার তেমনই অভিযান হয় গড়চিরৌলিতে।

এসপি অঙ্কিত গয়াল জানিয়েছেন, শনিবার সকালে কোরচির মারদিনতলা জঙ্গল এলাকায় অভিযান চালায় মহারাষ্ট্র পুলিশের সি-৬০ কম্যান্ডো। চলে গুলির লড়াই। খতম ২৬ জন মাওবাদী। প্রত্যেকের দেহ উদ্ধার হয়েছে।

মাওবাদীদের গুলিতে চার জন পুলিশ অফিসার গুরুতর জখম। তাদের চিকিৎসার জন্য হেলিকপ্টারের মাধ্যমে নাগপুর হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছে।

গড়চিরৌলিতে রবিবারও অভিযান চলবে। আশঙ্কা এর পরেই হামলার বদলা নিতে নাশকতা ঘটাতে পারে মাওবাদীরা।