Meghalaya: দেখা যাবে ভোটে কত খেলতে পারেন, মমতাকে খোলা চ্যালেঞ্জ

Mamata Banerjee Meghalaya

News Desk: কংগ্রেস ভাঙিয়ে রাজ্যে ঢুকেছে, ভোটের সময় দেখা যাবে খেলার কত ক্ষমতা। তৃণমূল কংগ্রেস নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দিকে এমনই চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে দিয়েছেন মেঘালয়ের (Meghalaya) মন্ত্রী জেমস সাংমা।

তাৎপর্যপূর্ণ, পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী তথা টিএমসি নেত্রী রবিবার গোয়ায় রাজনৈতিক কর্মসূচি পালনে যাওয়ার আগেই মেঘালয় থেকে এসেছে চ্যালেঞ্জ।

পশ্চিমবঙ্গের বাইরে একমাত্র মেঘালয়ে তৃণমূল কংগ্রেসের শক্ত অবস্থান। উত্তর পূর্বাঞ্চলের এই রাজ্যের বিরোধী দল টিএমসি। সম্প্রতি কংগ্রেসের সংখ্যাগরিষ্ঠ বিধায়করা দলত্যাগ করেন। তাঁরা প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মুকুল সাংমার নেতৃত্বে তৃণমূল কংগ্রেসে যোগ দেন। মেঘের রাজ্যে ‘কংগ্রেসের শেষের কবিতা’ লিখে দেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ৬০ সদস্যের মেঘালয় বিধানসভায় তৃণমূল কংগ্রেসের ১২ জন বিধায়ক আছেন।

মেঘালয়ে তৃণমূল কংগ্রেস বিরোধী দল হলেও তাদের তেমন পাত্তা দিতে নারাজ সরকারে থাকা দল এনপিপি। মুখ্যমন্ত্রী কনরাড সাংমার মন্ত্রিসভার অন্যতম সদস্য তথা বিদ্যুৎমন্ত্রী জেমস সাংমা জানিয়েছেন, আচমকা কংগ্রেস ভাঙিয়ে প্রচারে আসা এক বিষয়, কিন্তু ভোটে জেতা সম্পূর্ণ অন্য খেলা।

তৃণমূল কংগ্রেস কি সরকারের কাছে চ্যালেঞ্জ? শিলংয়ে সাংবাদিক বৈঠকে এই প্রশ্ন করা হয়। মন্ত্রী জেমস সাংমা সরাসরি এর উত্তর দেননি। তিনি বলেন, এনপিপি নিজের শক্তি বৃদ্ধিতে নজর রাখছে।

Griha Laxmi Card: গোয়ার সাড়ে তিন লক্ষ পরিবারকে মাসে ৫০০০ টাকা সাহায্যের ঘোষণা তৃণমূলের

Griha Laxmi Card

নিউজ ডেস্ক: ২০২১ সালে পশ্চিমবাংলায় শাসকদল তৃণমূল কংগ্রেসকে (trinamul congress) ভোট বৈতরণী পার হতে সাহায্য করেছিল তাদের লক্ষী ভান্ডার (Lakhsmi bhander) প্রকল্প। এই প্রকল্পে ৬০ বছর বয়সি মহিলাদের প্রতি মাসে ৫০০ টাকা করে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (mamata banerjee)। বাংলায় মাসে ৫০০ টাকা দেওয়া হলেও আগামী বছরের শুরুতেই গোয়ায় (goa) তৃণমূল কংগ্রেস ক্ষমতায় আসলে মহিলাদের মাসে ৫০০০ টাকা করে দেওয়া হবে বলে দলের পক্ষ থেকে ঘোষণা করা হল। গোয়ায় এই প্রকল্পটির নাম দেওয়া হয়েছে ‘গৃহলক্ষী প্রকল্প’ (Griha Laxmi Card)।

শনিবার একটি টুইটার ভিডিয়ো প্রকাশ করে তৃণমূল কংগ্রেসের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, আগামী বছর তারা ক্ষমতায় আসলে রাজ্যের সাড়ে সাড়ে তিন লক্ষ পরিবারকে এই প্রকল্পের আওতায় নিয়ে আসা হবে। এই প্রকল্পের মাধ্যমে পরিবারের মহিলাদের স্বাবলম্বী করার লক্ষ্যে প্রতিমাসে ৫০০০ টাকা করে দেওয়া হবে। মহিলাদের অ্যাকাউন্টে সরাসরি এই টাকা পৌঁছে যাবে। গোয়ায় এই নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি দিল তৃণমূল কংগ্রেস। এই প্রকল্পের জন্য চালু করা হবে ‘গৃহলক্ষী কার্ড’। প্রতিটি পরিবারের বার্ষিক আয় নিশ্চিত করতেই গৃহলক্ষী কার্ড চালু করা হবে।

নেত্রী নিজেও টুইট করে এই আর্থিক সহায়তা প্রকল্পের কথা ঘোষণা করেছেন। তিনি লিখেছেন, “গৃহলক্ষ্মী প্রকল্পের ঘোষণা করতে পেরে আমি খুব খুশি” প্রতিটি পরিবারের মহিলাদের আর্থিক সাবলম্বী করতে আমরা প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।” গোয়ায় তৃণমূলের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, এই প্রকল্প চালু করতে বছরে ১৫০০ থেকে ২০০০ কোটি টাকা খরচ হবে। যা এই ছোট্ট রাজ্যটির বার্ষিক বাজেটের ৬-৮ শতাংশ।

১৩ ডিসেম্বর অর্থাৎ সোমবার গোয়ায় যাচ্ছেন মমতা ও তাঁর ভাইপো অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। গোয়ায় গিয়ে তৃণমূল নেত্রী নিজে এই প্রকল্প সম্পর্কে আরও বিস্তারিত জানাবেন। তবে তার আগে দলের পক্ষ থেকে বিষয়টি জানিয়ে দেওয়া যথেষ্টই তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল।

ত্রিপুরার পাশাপাশি গোয়াতেও নিজেদের শক্তি বাড়াতে বেশ কিছুদিন ধরেই সচেষ্ট হয়েছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দল। ইতিমধ্যেই নেত্রী নিজে একদফা গোয়া ঘুরে এসেছেন। তাঁর হাত ধরে কংগ্রেস থেকে বেরিয়ে এসে একাধিক নেতা তৃণমূলে যোগ দিয়েছেন। তৃণমূল যে মহিলাদের ভোটকেই পাখির চোখ করেছে এই প্রকল্প ঘোষণায় সেটা স্পষ্ট।

তবে রাজনৈতিক মহল এই ঘোষণার পর পাল্টা প্রশ্ন তুলেছে, পশ্চিমবঙ্গে প্রতি মাসে যেখানে ৫০০ টাকা করে মহিলাদের দেওয়া হয় সেখানে গোয়াতে কিভাবে এত বিপুল পরিমাণ টাকা দেওয়া হবে? বাংলাতে ৫০০ টাকা করে দিতে গিয়েই তো হিমসিম খাচ্ছে দল। এই অবস্থায় ৫০০০ টাকা করে কোথা থেকে আসবে তা স্পষ্ট নয়। আসলে তৃণমূল নিশ্চিত যে, গোয়ায় তাদের ক্ষমতায় আসার তেমন কোনও সম্ভাবনা নেই। তাই মানুষকে এ ধরনের স্বপ্ন দেখিয়ে ভোট কেনার একটা মরিয়া চেষ্টা করছে মমতার তৃণমূল।

Mamata Banerjee Nepal visit: তৃণমূল নেত্রীর নেপাল সফর বাতিল করল মোদী সরকার

Mamata Banerjee

নিউজ ডেস্ক, কলকাতা: নরেন্দ্র মোদী সরকারের ছাড়পত্র না মেলায় একেবারে শেষ মুহূর্তে তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Mamata Banerjee) নেপাল সফর বাতিল হল। যদিও বিষয়টি নিয়ে এখনও পর্যন্ত সরকারিভাবে কিছু জানানো হয়নি। নেপালী কংগ্রেসের (nepali congress) ২৪ তম সম্মেলনে তৃণমূল নেত্রী তথা বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল।

ওই অনুষ্ঠানে যোগ দিতে ১১ ডিসেম্বর শনিবার (Saturday) কাঠমান্ডু (kathmandu) রওনা হওয়ার কথা ছিল মমতার। কিন্তু শুক্রবার দুপুর পর্যন্ত নরেন্দ্র মোদী সরকার মমতার সফরের কোনও অনুমতি দেয়নি। যদিও বিষয়টি নিয়ে কেন্দ্র-রাজ্য কারও পক্ষ থেকেই কিছু জানানো হয়নি। তবে সূত্রের খবর তৃণমূল নেত্রী নেপাল যাচ্ছেন না, এ বিষয়টি নিশ্চিত হয়ে গিয়েছে।

উল্লেখ্য, কয়েক মাস আগেই ইতালি যেতে পারেননি মমতা। সেবার বিশ্ব শান্তি সংস্থার এক অনুষ্ঠানে রোমে আমন্ত্রিত ছিলেন নেত্রী। কিন্তু সেবারও বাংলার মুখ্যমন্ত্রীকে রোম সফরের অনুমতি দেয়নি মোদী সরকার। যদিও সে সময় অবশ্য কেন্দ্রের অনুমতির থেকেও বড় হয়ে দাঁড়িয়েছিল করোনার টিকা কোভ্যাকসিন। কারণ যে সময় মমতার ইতালি যাওয়ার কথা ছিল সে সময় কোভ্যাকসিনকে অনুমোদন দেয়নি বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা। মমতা কোভ্যাকসিন নেওয়ায় ইতালি যাওয়ার অনুমতি পাননি। যদিও তার কিছুদিন পরেই কোভ্যাকসিন নিয়ে মোদী আমেরিকা সফরে গিয়েছিলেন। মোদীর ক্ষেত্রে কোভ্যাকসিন কোনও বাধা হয়ে দাঁড়ায়নি যা নিয়ে বিভিন্ন মহলে নানা প্রশ্ন উঠেছিল।

এখন প্রশ্ন হল, এই মুহূর্তে কেন মমতাকে নেপাল যাওয়ার অনুমতি দিল না কেন্দ্র। কূটনৈতিক বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, সম্প্রতি ভারত, নেপাল ও চিনের মধ্যে সম্পর্কের এক নতুন রসায়ন তৈরি হয়েছে। বেশ কিছুদিন ধরেই চিনের সঙ্গে নেপালের ঘনিষ্ঠতা বেড়েছে। একাধিক ক্ষেত্রে নেপাল ভারত বিরোধী ভূমিকা নিয়েছে। নর্থ ব্লকের ধারণা, নেপালের এই ভারত বিরোধিতার পিছনে আছে বেজিং। জিনপিং সরকারের মদতেই নেপাল ভারত বিরোধী কার্যকলাপ চালাচ্ছে। সে কারণেই শেষ পর্যন্ত তৃণমূল নেত্রীকে নেপাল যাওয়ার অনুমতি দেওয়া হল না।

অন্য একটি মহল থেকে বলা হচ্ছে, বিদেশমন্ত্রক নেপালী কংগ্রেসের ওই অনুষ্ঠানে মমতাকে আমন্ত্রণ জানানো নিয়ে আগেই প্রশ্ন তুলেছিল। কেন্দ্রীয় বিদেশ মন্ত্রক জানতে চেয়েছিল, কী করে বিদেশের একটি রাজনৈতিক দল ভারতের একটি রাজনৈতিক দলের নেত্রীকে আমন্ত্রণ জানায়? যদিও কেন্দ্রের ওই প্রশ্নের উত্তরে নবান্নের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছিল, মমতাকে তৃণমূল নেত্রী হিসেবে নয়, তাঁকে বাংলার মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। নবান্নের উত্তরের পর বিদেশ মন্ত্রক অবশ্য আর কোন কথা বলেনি। কিন্তু শেষ মুহূর্তে কেন্দ্র মমতাকে অনুমতি না দেওয়ায় এবারও মমতার নেপাল সফর বাতিল হচ্ছে।

এ ঘটনায় সরাসরি না বললেও ইতিমধ্যেই তৃণমূল কংগ্রেসের একাধিক নেতা মোদী সরকারের বিরুদ্ধে প্রতিহিংসার রাজনীতির অভিযোগ করেছেন। তৃণমূল নেতৃত্ব মনে করছে, যেহেতু গোটা দেশের মধ্যে একমাত্র মমতাই বিজেপিকে রুখতে সব ধরনের চেষ্টা চালাচ্ছে সে কারণেই তাঁর বিরুদ্ধে প্রতিহিংসা চরিতার্থ করতে থাকে বাংলার মুখ্যমন্ত্রীকে নেপাল যেতে দিল না মোদী সরকার।

Mamata Banerjee: এ মাসেই অসম-মেঘালয়ে মমতা ও অভিষেক

mamata banerjee abhishek banerjee

নিউজ ডেস্ক : চলতি মাসে অসম, মেঘালয় ও গোয়া সফরে যাচ্ছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee)। তাঁর সঙ্গে যাবেন দলের সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ও।

সূত্রের খবর, আগামী ২০ ডিসেম্বর মুখ্যমন্ত্রী অসমে (Assam) যাবেন। তবে ওই রাজ্যে এখনও তাঁর কোন দলীয় কর্মসূচি নেই। ওইদিন গুয়াহাটিতে কামাখ্যা মন্দিরে (Kamakhya temple) পুজো দিয়ে তারপর দিন অর্থাৎ ২১ ডিসেম্বর সেখান থেকে সড়ক পথে শিলং (Shilong) যাবেন। সেখানে সংগঠনের কাজ খতিয়ে দেখার পর সাংবাদিক সম্মেলন করতে পারেন তৃণমূল (TMC) সুপ্রিমো।

এদিকে আগামী ১৩ ডিসেম্বর আবার গোয়া (Goa) যাচ্ছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। এর আগে দুজনেই গোয়ায় রাজনৈতিক সফর করেছেন। আগামী সপ্তাহে গোয়ায় ফের তাঁদের ঠাসা কর্মসূচি রয়েছে। গত ২৫ নভেম্বর সদলবলে তৃণমূলে (TMC) যোগ দিয়েছেন মেঘালয়ের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মুকুল সাংমা (Mukul Sangma)-সহ ১২ জন বিধায়ক। এ রাজ্যের মন্ত্রী মানস ভুঁইঞার উপস্থিতিতে ঘাসফুল শিবিরের পতাকা হাতে তুলে নেন তাঁরা। আর তাঁরা কংগ্রেস ছেড়ে তৃণমূলে যোগ দিতেই মেঘালয়ের প্রধান বিরোধী দলের তকমা পেয়েছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দল।

অন্যদিকে, মেঘালয়ে সম্প্রতি যথেষ্ট শক্তি বাড়িয়েছে তৃণমূল। কংগ্রেসের ১২ জন কাউন্সিলরকে নিয়ে প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মুকুল সাংমা তৃণমূলে যোগ দিয়েছেন। মমতা এই প্রথম মেঘালয়ে গিয়ে সেখানকার তৃণমূলের নেতাকর্মীদের সঙ্গে সাংগঠনিক বৈঠক করবেন। দলীয় সূত্রে খবর একটি জনসভা করার পরিকল্পনা নেওয়া হচ্ছে। সবমিলিয়ে, তৃণমূল নেত্রীর শিলং সফর বেশ তাৎপর্যপূর্ণ হতে চলেছে, তা বলাই বাহুল্য।

TMC: পরপর দুঃসংবাদ আসছে মমতার কাছে, তৃণমূল নেত্রী থেকে ভারত নেত্রী হওয়া ‘স্বপ্ন’!

Mamata Banerjee

News Desk: তৃণমূল কংগ্রেস (TMC) নেত্রী থেকে ভারত নেত্রী হওয়ার যে চেষ্টা চালাচ্ছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee), তাতে লাগছে ধাক্কার পর ধাক্কা। রাজধানীর রাজনীতিতে আলোচনা, কংগ্রেসের কূটনীতিতে কুপোকাত হতে চলেছেন তৃণমূল কংগ্রেস নেত্রী। বিজেপিকে রুখতে গোয়া, উত্তর প্রদেশে তাঁর কংগ্রেস বিরোধী জোট নীতির পক্ষে কেউই তেমন সায় দিচ্ছে না।

রাজনৈতিক মহলের ধারণা,মুম্বই গিয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় চেয়েছিলেন তাঁর অবিজেপি জোটে কংগ্রেসকে দুয়োরানি করতে। কিন্তু মহারাষ্ট্রের জোট সরকারের রাজনীতির চাপে মমতার সেই আশা পূরণ হয়নি। উল্টে এনসিপি নেতা তথা কংগ্রেস নেত্রী সোনিয়া গান্ধীর ঘনিষ্ঠ শারদ পাওয়ারের চালে মমতার চাল ফিকে পড়েছে। শিবসেনা কোনওভাবেই মমতার সঙ্গে পৃথক জোটে রাজি নয়।

গোয়ার বিধানসভা ভোটে তৃণমূল কংগ্রেস লড়াই করছে। সূত্রের খবর, প্রাথমিকভাবে জোটে রাজি হলেও মহারাষ্ট্র গোমন্তক পার্টি ফের বেঁকে বসেছে। গোয়ায় কংগ্রেস, শিবসেনার জোট সম্ভাবনা নিয়ে প্রবল আলোড়ন। এই জোটে মহারাষ্ট্র গোমন্তক পার্টি আসতে পারে এমনই আহ্বান চলে গিয়েছে কংগ্রেসের তরফে।

ত্রিপুরায় পৌর ভোটে ০.৩ শতাংশ ভোট থেকে ১৬ শতাংশ পেলেও এই রাজ্যে তৃণমূলের রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড নেই। তবে ত্রিপুরা প্রদেশ টিএমসি নেতাদের দাবি, পশ্চিমবঙ্গের বাইরে একমাত্র এই রাজ্যেই দলের ক্ষমতা রাজনৈতিকভাবে বাড়ছে। এর কারণ, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বাঙালি। ত্রিপুরা বাংলাভাষী প্রধান রাজ্য।

মেঘালয়ে টিএমসি বিরোধী দল। কংগ্রেসকে ভাঙালেও ফের এই রাজ্যে কংগ্রেসের খেলা দেখা যাবে এমনই ইঙ্গিত দিতে শুরু করেছেন দলটির কেন্দ্রীয় নেতারা।

Maldah: TMC মালদা জেলা নেত্রীর দাবি, আগ্নেয়াস্ত্র নয় লাইটার!

Mrinalini Mandal Maity

News Desk: বিতর্কিত ছবির পর সাফাই! মালদা (Maldah) জেলা তৃণমূল কংগ্রেস নেত্রী মৃণালিনী মণ্ডল মাইতির বন্দুক হাতে সেলফি তোলার কারণ জানালেন। সংবাদমাধ্যমের কাছে তাঁর দাবি, হাতে কোনও আগ্নেয়াস্ত্র নয় ওটা আসলে একটা লাইটার। 

টিএমসি জেলা নেত্রীর অভিযোগ, তাঁকে অপদস্থ করতেই এই ছবি ছড়ানো হয়েছে সোশ্যাল মিডিয়ায়। এতে তাঁর ভাবমূর্তি নষ্ট হচ্ছে। তিনি জানান, পরিচিত একজন এই লাইটার দিয়ে ছবি তুলেছিলেন। এটি এক বছরের পুরনো।

এদিকে আগ্নেয়াস্ত্র নিয়ে সেলফি তুলে তৃণমূল কংগ্রেস নেত্রী মৃণালিনী মণ্ডল মাইতি চরম বিতর্কে জড়িয়েছেন। ছবি দেখে চমকে যাচ্ছেন নেটিজেনরা। মালদা জেলা টিএমসি নেত্রী বিতর্কে এমন সময় জড়ালেন যখন খোদ দলনেত্রী তথা মুৃখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় উত্তরবঙ্গ সফর শুরু করেছেন।

তৃণমূল কংগ্রেসের তরফে বারবার বার্তা দেওয়া হয়েছে, আসন্ন পৌর নির্বাচনে কোনওরকম গায়ের জোর বা হুমকি দেওয়া বরদাস্ত করা হবে না। দলের তরফে বার্তার পরেও মালদা জেলা টিএমসি নেত্রীর আগ্নেয়াস্ত্র নিয়ে সেলফি তুলে বিতর্ক উস্কে দিয়েছেন।

পুরাতন মালদা পঞ্চায়েত সমিতির দফতরের মধ্যেই সভাপতি তথা মালদা জেলা মহিলা তৃণমূল কংগ্রেসের সভানেত্রী মৃণালিনী মন্ডল মাইতি এই ছবি তুলেছেন। তিনি আগেও জড়িয়েছেন বিতর্কে। তাঁর বিরুদ্ধে বিডিও অফিসের মধ্যে সরকারি কর্মীকে মারধরের অভিযোগ রয়েছে। রাজ্য তৃণমূল কংগ্রেসের সাধারণ সম্পাদক কৃষ্ণেন্দু নারায়ণ চৌধুরী বলেন, আগ্নেয়াস্ত্রটি খেলনা নাকি আসল তা পুলিশ অনুসন্ধান করে বলবে। তবে ছবিতে দেখে এটি আসল আগ্নেয়াস্ত্র বলেই মনে হয়েছে

Maldah: TMC মালদা জেলা নেত্রীর আগ্নেয়াস্ত্র নিয়ে সেলফি!

Mrinalini Mandal Maity

News Desk: আগ্নেয়াস্ত্র নিয়ে সেলফি তৃণমূল কংগ্রেস নেত্রীর। দেখে চমকে যাচ্ছেন নেটিজেনরা। মালদা (Maldah) জেলা টিএমসি নেত্রী মৃণালিনীর মণ্ডল মাইতি আগ্মেয়াস্ত্র নিয়ে সেলফি পোস্ট দিয়ে প্রবল বিতর্কে জড়ালেন। তাও এমন সময় যখন খোদ দলনেত্রী তথা মুৃখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় উত্তরবঙ্গ সফর শুরু করেছেন।

এদিকে তৃণমূল কংগ্রেসের তরফে বারবার বার্তা দেওয়া হয়েছে, আসন্ন পৌর নির্বাচনে কোনওরকম গায়ের জোর বা হুমকি দেওয়া বরদাস্ত করা হবে না। দলের তরফে বার্তার পরেও মালদা জেলা টিএমসি নেত্রীর আগ্নেয়াস্ত্র নিয়ে সেলফি তুলে বিতর্ক উস্কে দিলেন।

অভিযোগ পুরাতন মালদা পঞ্চায়েত সমিতির দফতরের মধ্যেই সভাপতি তথা মালদা জেলা মহিলা তৃণমূল কংগ্রেসের সভানেত্রী মৃণালিনী মন্ডল মাইতির অত্যাধুনিক আগ্নেয়াস্ত্র হাতে ছবি তুলেছেন। জেলা নেত্রীর আগ্নেয়াস্ত্র হাতে ছবি দেখে অস্বস্তিতে তৃণমূল কংগ্রেস নেতৃত্ব। তবে এই ছবির সত্যতা যাচাই করেনি kolkata24x7.in

পুরাতন মালদা পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি তথা মালদা জেলা মহিলা তৃণমূল কংগ্রেসের সভানেত্রী মৃণালিনী মন্ডল মাইতি আগেও জড়িয়েছেন বিতর্কে। তাঁর বিরুদ্ধে বিডিও অফিসের মধ্যে সরকারি কর্মীকে মারধরের অভিযোগ রয়েছে।

রাজ্য তৃণমূল কংগ্রেসের সাধারণ সম্পাদক কৃষ্ণেন্দু নারায়ণ চৌধুরী বলেন, আগ্নেয়াস্ত্রটি খেলনা নাকি আসল তা পুলিশ অনুসন্ধান করে বলবে। তবে ছবিতে দেখে এটি আসল আগ্নেয়াস্ত্র বলেই মনে হয়েছে

Mamata Banerjee: আজ রায়গঞ্জে প্রশাসনিক বৈঠকে মমতা

mamata banerjee

নিউজ ডেস্ক: আজ দক্ষিণ দিনাজপুর (South Dinajpur) জেলা ও উত্তর দিনাজপুরে (north Dinajpur) সফর করবেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী (West Bengal CM) মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (CM Mamata Banerjee)। মূলত জেলার প্রশাসনিক বৈঠকে (Administrative Meeting) যোগ দিয়ে গোটা জেলার খোঁজখবর নেবেন তিনি।

এদিকে খারাপ আবহাওয়ার কারণে হেলিকপ্টারের পরিবর্তে ট্রেনে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় উত্তরবঙ্গ সফরে যান। তিনদিনে ৫টি জেলার প্রশাসনিক বৈঠক করবেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর সঙ্গে এই সফরে রয়েছেন মুখ্যসচিব, স্বরাষ্ট্রসচিব ও বিভিন্ন দফতরের প্রধান সচিবরা।

জেলা প্রশাসনের কাছে সেই খবর আসতেই দক্ষিণ দিনাজপুর জেলার গঙ্গারামপুর মহকুমার বুনিয়াদপুর সুকান্ত ভবন পরিদর্শন করেন জেলাশাসক আয়েশা রানি ও জেলা পুলিশ সুপার রাহুল দে। এছাড়াও পরিদর্শনে হাজির ছিলেন জেলার অন্যান্য পুলিশ ও প্রশাসনিক আধিকারিকরা।

সামনেই দক্ষিণ দিনাজপুর জেলার বালুরঘাট ও গঙ্গারামপুর পৌরসভার নির্বাচন রয়েছে। তার আগে মুখ্যমন্ত্রীর জেলা সফর যথেষ্ট তাত্‍পর্যপূর্ণ বলেই রাজনৈতিক মহলের মত।

দক্ষিণ দিনাজপুর জেলার জেলাশাসক আয়েশা রানি জানিয়েছেন, ‘মঙ্গলবার দক্ষিণ দিনাজপুর জেলার বুনিয়াদপুরে প্রশাসনিক বৈঠক করতে আসবেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তাই বৈঠকের প্রস্তুতিতে সুকান্ত ভবন পরিদর্শন করেন জেলাশাসক। এরই সঙ্গে বুনিয়াদপুর ফুটবল মাঠ পরিদর্শন করেন।’

সূত্রের খবর ২ দিনাজপুরের পাশাপাশি, পাশাপাশি নদিয়ার কৃষ্ণনগরেও প্রশাসনিক বৈঠক করার কথা রয়েছে তাঁর। গঙ্গারামপুরে বৈঠক করার পরে রায়গঞ্জে প্রশাসনিক বৈঠক করবেন মুখ্যমন্ত্রী। ৮ তারিখ তিনি মালদহ এবং মুর্শিদাবাদে প্রশাসনিক বৈঠক করবেন। এই বৈঠকে জেলাশাসক, বিডিও ও জনপ্রতিনিধিদের সঙ্গে কথা বলবেন। ৯ তারিখ মুখ্যমন্ত্রী নদিয়ার কৃষ্ণনগরে প্রশাসনিক বৈঠক করবেন।

উল্লেখ্য, এর আগে অক্টোবর মাসে উত্তরবঙ্গ সফরে গিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। জলপাইগুড়ি (Jalpaiguri) ও আলিপুরদুয়ারের (Alipurduar) প্রশাসনিক কর্তাদের সঙ্গে প্রশাসনিক বৈঠক করে তিনি কার্শিয়াংয়ে যান। সেখানে কালিম্পং-দার্জিলিংয়ের প্রশাসনিক কর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করেন। পাহাড়ের বর্তমান পরিস্থিতি ও বিভিন্ন প্রকল্প নিয়ে সেখানে আলোচনা হয়।

TMC in Goa: এবার গোয়াতেও দিদির দূত

TMC in Goa

নিউজ ডেস্ক : বাংলার ছকেই এবার গোয়ায় জনসংযোগে নামতে চলেছে তৃণমূল (TMC)। জানা গেছে, তৃণমূল নেতারা পশ্চিম ভারতের এই রাজ্যের বিভিন্ন জায়গায় প্রচারে যাবেন। থাকবেন তৃণমূল স্তরের নেতা-কর্মীদের এলাকায়। মত্‍স্যজীবী, কৃষক, সাফাই কর্মী সকলের কাছেই পৌঁছে যেতে চাইছেন তৃণমূলের নেতা-কর্মীরা। তাই বাংলার শাসক দলের (TMC in Goa) এই বিশেষ প্রচার কৌশল।

তৃণমূলের এক শীর্ষ নেতা জানিয়েছেন, ‘বিজেপি শাসিত রাজ্যে সর্বত্র স্বৈরতন্ত্র চালাচ্ছে সরকার। অন্য কোনও দলকে মাঠে নামতে দেওয়া হচ্ছে না। আমাদের কাছে মানুষকে পৌঁছতে দিচ্ছে না। আমরা মানুষের কাছে পৌঁছব। বিজেপিকে স্পষ্ট করে বলতে চাই, আমরা তৃণমূল কংগ্রেস। কাউকে ভয় পাই না।’

গোয়ায় প্রচারের জন্য একাধিক দল গঠন করা হয়েছে। রাজ্যজুড়ে মমতার বার্তা ছড়িয়ে দেবেন তৃণমূলের কর্মী-সমর্থকরা। পাশাপাশি প্রশাসনের বিরুদ্ধেও প্রতিবাদ জানানো হবে। গোয়ার এই কর্মসূচিতেও বিজেপি বাধা দিতে পারে বলে আশঙ্কা করছে নেতৃত্ব। ‘গোয়েঞ্চি নভি সকাল’ ক্যাম্পেনের সূচনা করে তৃণমূল আগেই জানিয়েছে, ‘আমরা বিজেপির ঘৃণা ও হিংসার রাজনীতিকে ভয় পাই না। গোয়ায় প্রকৃত গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠিত করতে আমরা দায়বদ্ধ।’

গোয়ায় কর্মসূচির জন্য ইতিমধ্যেই বেশ কয়েকটি প্রচার-গাড়ি রাস্তায় নামিয়েছে ঘাসফুল শিবির। নীল-সাদা গাড়িগুলির গায়ে লেখা ‘গোয়েঞ্চি নভি সকাল’ (Goenchi Navi Sakal)। এই গাড়িতে চড়েই গোয়ার প্রতিটি প্রান্তে পৌঁছাতে চায় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দল।

প্রসঙ্গত, লোকসভা ভোটে তৃণমূলের খারাপ ফলের পর মানুষের সঙ্গে জনসংযোগে প্রশান্ত কিশোরের টোটকায় শুরু হয়েছিল ‘দিদিকে বলো’ (Didike Bolo) কর্মসূচি। নির্দিষ্ট নম্বরে ফোন করে অভাব-অভিযোগ জানানোর পাশাপাশি তৃণমূল নেতারা জেলায় জেলায় ঘুরেছেন। সেই কৌশলেই এবার গোয়ায় নামছে মমতার দল (TMC in Goa)।

আগামী সপ্তাহেই মমতা-অভিষেক গোয়া যেতে পারেন। বিধানসভা ভোটের আগে একাধিকবার গোয়া ছুটে যাওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের। এরমধ্যে বিজেপি শাসিত এই রাজ্যে পায়ের তলার মাটি শক্ত করতে নতুন করে কোমর বাঁধছে জোড়াফুল শিবির। তৃণমূলের শীর্ষ নেতারা ঠিক করেছেন, ভোট ঘোষণা হওয়া পর্যন্ত গোয়া জুড়ে দলের একটানা কর্মসূচি চলবে।

Nagaland: ক্ষোভে পুড়ছে নাগাভূমি, TMC প্রতিনিধিদের সফর ‘চটজলদি রাজনীতি’

Nagaland

News Desk: নাগাল্যান্ডের (Nagaland) ১৫ জন কয়লা খাদান শ্রমিককে জঙ্গি সন্দেহে গুলি করে মারার ঘটনায় দেশ আলোড়িত। দফায় দফায় গুলি চালিয়ে শ্রমিকদের ঠাণ্ডা মাথায় খুন করা হয়েছে বলেই অভিযোগ। ঘটনার জেরে নাগাল্যান্ড সহ উত্তর পূর্বাঞ্চলের সব রাজ্যে ছড়িয়েছে ক্ষোভ।

সোমবার নাগা সংগঠনগুলির ডাকা বনধ ঘিরে আরও অশান্তির আশঙ্কা। এই অবস্থায় পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নির্দেশে তৃণমূল কংগ্রেস ৫ সদস্যদের প্রতিনিধি ঘটনাস্থল যাওয়া নিয়ে বিতর্ক চরমে। কারণ, তাঁদের নিরাপত্তা বিঘ্নিত হতে পারে। জঙ্গি উপদ্রুত নাগাল্যান্ডের পরিস্থিতি যে কোনও সময় ফের রক্তাক্ত হতে পারে এমনই আশঙ্কা। এই অবস্থায় তৃণমূল কংগ্রেস প্রতিনিধিরা কী করে ঘটনাস্থলে যাবেন সেই নিয়ে প্রশ্ন।

শনিবার ও রবিবার জুড়ে অশান্ত নাগাল্যান্ডের মন জেলা। এই জেলার তুরি-ওটিং গ্রামের বাসিন্দাদের উপর গুলি চালায় অসম রাইফেলস। গুলিতে ১৫ জন গ্রামবাসী শ্রমিক মৃত। ক্ষোভের হামলায় এক জওয়ান মৃত। মোট ১৬ জনের মৃত্যু হয়েছে।

সোমবারও সেই অশান্তির ধোঁয়া দেখা যাচ্ছে। মন জেলায় পালিত হচ্ছে বনধ। এই বনধের প্রভাব পড়েছে নাগা জাতি অধ্যুষিত উত্তর পূর্বের বিভিন্ন রাজ্যে। রবিবার রাতভর নাগাল্যান্ড, মিজোরাম, মনিপুরে হয়েছে প্রতিবাদ।

মুখ্যমন্ত্রী নেইফিউ রিও জানিয়েছেন, অসম রাইফেলস গুলি চালায় হয় ভুল করে। তবে তাঁর বিবৃতির পরেই ক্ষোভের আগুন আরও ছড়ায়। এদিকে সোমবার কী করে টিএমসি প্রতিনিধিরা মন জেলায় যাবেন তাই নিয়ে প্রশ্ন রাজনৈতিক মহলে।

বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের কটাক্ষ, বনধ ও উগ্র পরিস্থিতির মাঝে প্রতিনিধিদের পাঠিয়ে পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ‘চটজলদি’ রাজনৈতিক প্রচারে আসতে চাইছেন।

Bhupesh Baghel: টাকার বিনিময়ে মোদি-শাহ’র হয়ে কাজ করছেন প্রশান্ত কিশোর

Chhattisgarh Chief Minister Bhupesh Baghel

News Desk: কয়েকদিন আগে রাহুল গান্ধীর (Rahul Gandhi) কড়া সমালোচনা করেছিলেন ভোট কুশলী প্রশান্ত কিশোর (Prashant Kishor)। পাশাপাশি তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও (Mamata Banerjee) কংগ্রেসকে বাদ দিয়ে বিরোধী জোট গঠনের জন্য ময়দানে নেমেছেন। এদিন এই দু’টি ঘটনাকে এক জায়গায় নিয়ে এসে প্রশান্ত ও মমতাকে অত্যন্ত চাঁচাছোলা ভাষায় আক্রমণ করেন সোনিয়া গান্ধীর (Sonia Gandhi) অন্যতম বিশ্বস্ত সৈনিক তথা ছত্রিশগড়ের মুখ্যমন্ত্রী ভূপেশ বাঘেল (Bhupesh Baghel )।

ভূপেশ স্পষ্ট বলেন, আগামী নির্বাচনে বিজেপি যাতে ক্ষমতায় ফিরতে পারে সেজন্য নরেন্দ্র মোদি-অমিত শাহর নির্দেশমতো কাজ শুরু করে দিয়েছেন প্রশান্ত কিশোর। আসলে উনি তো কোন রাজনৈতিক দলের লোক নন। উনি একজন পেশাদার মানুষ। টাকা নিয়ে কাজ করেন। কয়েক বছর আগে মোদি -অমিত শাহ কংগ্রেস মুক্ত ভারত গড়ার ডাক দিয়েছিলেন। কিন্তু চেষ্টা করেও তাঁরা সেটা করতে পারেননি। সেই কাজ যাতে করতে পারেন তার জন্যই এবার দায়িত্ব দিয়েছেন প্রশান্তকে। তিনি কাজ শুরু করে দিয়েছেন। প্রশান্ত এবং মমতা দু’জনেরই লক্ষ্য হল কংগ্রেসকে ক্ষমতা থেকে দূরে সরিয়ে রাখা। বিজেপিকে সাহায্য করতেই তাঁরা মাঠে নেমেছেন।

মমতাকে আক্রমণ করে ভূপেশ বলেছেন, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে আগে তাঁর অবস্থান স্পষ্ট করতে হবে। তিনি বিজেপির সঙ্গে লড়তে চান নাকি, বিরোধী দলগুলির সঙ্গে সেটা স্পষ্ট করে জানাচ্ছেন না কেন? দেখে শুনে তো মনে হচ্ছে, রাজ্যে রাজ্যে বিরোধী ভোট ভাগ করে দিয়ে উনি বিজেপিকে ক্ষমতায় ফেরার পথ মসৃণ করে দিতে চাইছেন। দু’দিন আগে দিল্লি গিয়ে মোদির সঙ্গে বৈঠক করলেন। তার পরেই তিনি আক্রমণ করলেন কংগ্রেসকে। মোদির সঙ্গে কী আলোচনা হয়েছে কেন সেটা প্রকাশ করছেন না।

মমতাকে এটা বুঝতে হবে যে, কংগ্রেসকে ছাড়া কখনও কোনও বিরোধী জোট গড়ে তোলা সম্ভব নয়। তাঁর মনে রাখা উচিত, জাতীয় পর্যায়ে কংগ্রেসকে বাদ দিয়ে কখনওই কোনও জোট হতে পারে না। কেন না এখনও গোটা দেশে বিজেপির মূল প্রতিদ্বন্দ্বী হল কংগ্রেস।

ছত্তিশগড়ের মুখ্যমন্ত্রী এদিন এটাও স্পষ্ট করে দিয়েছেন, ২০২৪-এর নির্বাচনে প্রধানমন্ত্রী মোদির বিরুদ্ধে বিরোধী জোটের মুখে কে হবেন সেটা ইউপিএ’র বৈঠকে সর্বসম্মতিক্রমে সোনিয়া গান্ধীই ঠিক করবেন। মমতাকে ঠিক করতে হবে তিনি বিরোধীদের সঙ্গে লড়তে চান নাকি, বিজেপিকে ক্ষমতা থেকে হঠাতে চান। মমতার কাজকর্ম দেখে শুনে তো মনে হচ্ছে, উনি বিজেপিকে সর্বতোভাবে সাহায্য করতে চান। আর তাঁর এই কাজের সহযোগী হয়েছেন প্রশান্ত কিশোর।

তৃণমূল কংগ্রেসের এটা বোঝা উচিত, গোয়ায় তাদের কিছু করার ক্ষমতাই নেই। এতদিন তো ত্রিপুরা নিয়ে অনেক কথা বলছিলেন। কিন্তু ত্রিপুরার নির্বাচনী ফলাফল দেখিয়ে দিয়েছে, তৃণমূল মুখে যতই বড় বড় কথা বলুক না কেন আসলে তাদের শক্তি কতটা। আগামী নির্বাচনে গোয়াতেও একই অবস্থা হবে তৃণমূল কংগ্রেসের। মাঝখান থেকে তারা কংগ্রেসের ভোট কেটে বিজেপিকে ক্ষমতায় ফেরার পথে কুসুম বিছানো করে দেবেন। গোয়ায় কোনও শক্তিই নেই, তবুও তারা হই হট্টগোল করছেন। এর পিছনে কী কারণ আছে সেটা কারও বুঝতে বাকি নেই। মোদি-শাহর থেকে টাকা নিয়ে বিরোধী ভোট কিভাবে ভাগ করে দেওয়া যায় সেই পথ বাতলে দিচ্ছেন প্রশান্ত কিশোর। প্রশান্তর বলে দেওয়া পথেই এগিয়ে চলেছেন মমতা।

সবকিছু দেখেশুনে এটা স্পষ্ট হয়ে গিয়েছে যে, ২০২৪-এর লোকসভা নির্বাচনে মোদিকে ক্ষমতায় ফেরাতে মোদি ইতিমধ্যেই ময়দানে নামিয়ে দিয়েছেন প্রশান্ত এবং মমতাকে। তাঁরা হাত ধরাধরি করে বিজেপিকে ক্ষমতায় ফিরিয়ে আনবেন।

ঝটিকা সফরে কাঠমান্ডু যেতে পারেন মমতা

Tmc trying to reach sikkim's assembly as opposition party

নিউজ ডেস্ক : এবার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে (Mamata Banerjee) আমন্ত্রণ জানাল নেপাল (Nepal)। ১০ থেকে ১২ ডিসেম্বর কাঠমাণ্ডুতে একটি কনভেশন যোগ দেওয়ার আমন্ত্রণ এসেছে নেপালি কংগ্রেসের তরফে। সূত্রের খবর, সেই আমন্ত্রণ গ্রহণ করেছেন মমতা। ১১ ডিসেম্বর একদিনের সফরে নেপালে যেতে পারেন তিনি।

এর আগে রোম (Rome) সফরে যাওয়ার আমন্ত্রণ পেয়েও যেতে পারেননি মুখ্যমন্ত্রী। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে রোমে যাওয়ার ক্ষেত্রে অনুমোদন দেয়নি কেন্দ্রীয় সরকার। রোমের ওই অনুষ্ঠানে একজন মুখ্যমন্ত্রীর যাওয়া সঙ্গতিপূর্ণ নয় বলেই সাফাই ছিল কেন্দ্রের। যদিও বিদেশমন্ত্রকের তাঁর সফরে অনুমোদন না দেওয়ার পিছনে রাজনৈতিক ষড়যন্ত্রের অভিযোগ তুলেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী। উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে তাঁকে বাধা দেওয়া হয়েছে বলেও অভিযোগ ছিল মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের। ওই সম্মেলনে আমন্ত্রিতদের তালিকায় ছিলেন  পোপ ফ্রান্সিস, জার্মান চ্যান্সেলর অ্যাঞ্জেলা মার্কেলার ও মিশরের ইমাম আহমেদ আল তায়িবও।

জানা গিয়েছে, ইতিমধ্যেই কেন্দ্রীয় সরকারের কাছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিদেশ সফরে যাওয়ার অনুমতি চাওয়া হয়েছে। তবে দিল্লির তরফে এখনও কিছু জানানো হয়নি। যদি অনুমতি পাওয়া যায়, সেক্ষেত্রে ১১ ডিসেম্বর একদিনের সফরে নেপালে যেতে পারেন মুখ্যমন্ত্রী। 

প্রসঙ্গত, সদ্য মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ৩ দিনের মুম্বই সফর সেরে ফিরেছেন। ডিসেম্বরেই ফের জেলা সফরে যাচ্ছেন। উত্তরবঙ্গের দুই দিনাজপুর ও মালদহই শুধু নয়, দক্ষিণবঙ্গের মুর্শিদাবাদ ও নদিয়াতেও তাঁর প্রশাসনিক বৈঠক করার কথা রয়েছে। আবার কলকাতা পুরসভা ভোটের প্রচারেও নামছেন তিনি। তৃণমূল সূত্রের খবর, আগামী ১৬ ডিসেম্বর বাঘাযতীন যুব সংঘের মাঠ ও বেহালা চৌরাস্তায় জনসভা করবেন।

 

Corona vaccine: করোনার টিকা বণ্টনে বাংলা বঞ্চিত হওয়ার অভিযোগ খারিজ কেন্দ্রের

Corona vaccine bengal

নিউজ ডেস্ক, নয়াদিল্লি: তৃণমূল কংগ্রেস নেত্রী তথা পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee) একাধিকবার অভিযোগ করেছেন, টিকা বণ্টনের (Corona vaccine distribution) ক্ষেত্রে বৈষম্য করছে নরেন্দ্র মোদি সরকার (modi government)। বেছে বেছে বিজেপি শাসিত (bjp ruled state) রাজ্যগুলিতে পর্যাপ্ত ভ্যাকসিন পাঠানো হচ্ছে। বাংলাকে সেভাবে ভ্যাকসিন দেওয়া হচ্ছে না। কিন্তু মুখ্যমন্ত্রীর করা অভিযোগ যে একেবারেই ভিত্তিহীন শুক্রবার সেটা রাজ্যসভায় জানিয়ে দিল কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রক।

এদিন তৃণমূল কংগ্রেস সাংসদ সুস্মিতা দেবের এক প্রশ্নের উত্তরে কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রী মনসুখ মান্ডব্য জানান, প্রাপ্ত টিকার নিরিখে তৃতীয় স্থানে রয়েছে বাংলা। বাংলার আগে প্রথম ও দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে যথাক্রমে উত্তরপ্রদেশ এবং মহারাষ্ট্র। মহারাষ্ট্র ক্ষমতায় আছে বিজেপি বিরোধী জোট। অর্থাৎ টিকা প্রাপ্তির নিরিখে দেখতে গেলে দেশের প্রথম তিনটি রাজ্যের মধ্যে দুটিই অবিজেপি শাসিত।

কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রী এদিন যে পরিসংখ্যান দিয়েছেন তাতে দেখা যাচ্ছে, চলতি বছরের ২৬ নভেম্বর পর্যন্ত উত্তরপ্রদেশকে ১৮ কোটি ১২ লক্ষ ৬৯ হাজার ৬৬৫ ডোজ ভ্যাকসিন পাঠানো হয়েছে। মহারাষ্ট্রকে দেওয়া হয়েছে ১১ কোটি ৩১ লক্ষ ৫ হাজার ১৩০ ডোজ। তৃতীয় স্থানে থাকা পশ্চিমবঙ্গ পেয়েছে ৯ কোটি ৮১ লাখ ৫ হাজার ১৩০ ডোজ। বাংলার পর চতুর্থ স্থানে রয়েছে বিহার। পঞ্চম, ষষ্ঠ ও সপ্তম স্থানে রয়েছে যথাক্রমে মধ্যপ্রদেশ, গুজরাট এবং রাজস্থান।

কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রকের পরিসংখ্যান বলছে, পশ্চিমবঙ্গে এখনও পর্যন্ত ৮৬.৬ শতাংশ মানুষ করোনার একটি ডোজ পেয়েছেন। দুটি ডোজ পেয়েছেন ৩৯.৪ শতাংশ মানুষ।

অন্যদিকে গোয়া এবং হিমাচল প্রদেশের ১০০ শতাংশ মানুষের প্রথম ডোজ হয়ে গিয়েছে। হিমাচল প্রদেশ দ্বিতীয় ডোজ পেয়েছেন ৯১.৯ শতাংশ মানুষ। অন্যদিকে গোয়ায় দ্বিতীয় ডোজ পেয়েছেন ৮৭.৯ শতাংশ মানুষ। অন্যদিকে নরেন্দ্র মোদির রাজ্য গুজরাতে প্রথম এবং দ্বিতীয় ডোজ পেয়েছেন যথাক্রমে ৯৩.৫ ও ৭০.৩ শতাংশ মানুষ। কেন্দ্রের এদিনের পেশ করা পরিসংখ্যান থেকে এটা স্পষ্ট হয়ে গিয়েছে যে, টিকা বণ্টন নিয়ে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যে অভিযোগ করছেন তা আদৌ ঠিক নয়।

Mamata Banerjee: অভিষেকের সঙ্গে ফের গোয়া সফরে যেতে পারেন মমতা

mamata banerjee abhishek banerjee

নিউজ ডেস্ক : ত্রিপুরার পর এবার গোয়া বিধানসভা নির্বাচনকে পাখির চোখ করেছে তৃণমূল (TMC)। আর সে কারণেই ফের গোয়া (Goa) সফরে যাচ্ছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee)। এই সফরে তাঁর সঙ্গী হতে পারেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় (Abhishek Banerjee)।

সূত্রের খবর, আগামী ১৩ ডিসেম্বর তাঁরা গোয়া যেতে পারেন। ২ দিনের এই সফরে ঠাসা কর্মসূচি রয়েছে। তার আগে অবশ্য মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের জেলা সফরে যাওয়ার কথা। সম্ভবত ৭ ডিসেম্বর উত্তর ও দক্ষিণ দিনাজপুর যাবেন মুখ্যমন্ত্রী। ওইদিনই প্রথমে গঙ্গারামপুরে প্রশাসনিক বৈঠক করবেন মমতা। এরপর যাবেন রায়গঞ্জে। সেখানেও প্রশাসনিক বৈঠক করার কথা রয়েছে।

৮ তারিখ মালদহ এবং মুর্শিদাবাদে প্রশাসনিক বৈঠক করবেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee)। সেখানকার সমস্ত কাজের খতিয়ান নেবেন। কথা বলবেন জেলাশাসক, বিডিও ও জনপ্রতিনিধিদের সঙ্গে। ৯ তারিখ মুখ্যমন্ত্রী প্রশাসনিক বৈঠক করবেন নদিয়ার কৃষ্ণনগরে। তারপরেই তিনি যাবেন গোয়ায়। মূলত সংগঠন বিস্তারের কাজই করবেন।

ইতিমধ্যে তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় গোয়ায় ঘুরে এসেছেন। তাঁর হাত ধরে সেখানে ঘাসফুল শিবিরে যোগ দিয়েছেন খ্যাতনামা টেনিস তারকা লিয়েন্ডার পেজ, অভিনেত্রী নাফিসা আলি, গায়ক রেমো ফার্নান্ডেজ। পরে অবশ্য তিনি গোয়ায় সংগঠন তৈরির ভার সঁপে দিয়েছেন দলের অন্যতম ভরসাযোগ্য সাংসদ মহুয়া মৈত্রর (Mohua Moitra) হাতে। তাঁর হাত ধরেও তৃণমূল শিবিরে নাম লেখাচ্ছেন আরও অনেকে। শোনা যাচ্ছে, গোয়ার একমাত্র এনসিপি বিধায়ক চার্চিল আলেমাও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে সাক্ষাতের আগ্রহ প্রকাশ করেছেন। এরই মাঝে অবশ্য রাহুল গান্ধী (Rahul Gandhi) গোয়ায় গিয়ে ফরোয়ার্ড পার্টির নেতাদের সঙ্গে বৈঠক করেছেন। জোটের কথা ঘোষণাও করে দিয়েছেন তিনি।

উল্লেখ্য, এই মুহূর্তে জাতীয় স্তরে জমি শক্ত করার মরিয়া চেষ্টায় তৃণমূল। ত্রিপুরা, গোয়া, মেঘালয়ে চলছে সংগঠনকে শক্তিশালী করার কাজ।

Mamata Banerjee: ‘মমতা বিজেপির অক্সিজেন সাপ্লায়ার’, বিস্ফোরক অধীর

নিউজ ডেস্ক: বুধবার পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee) এনসিপি(NCP) সুপ্রিমো শরদ পাওয়ারের সঙ্গে দেখা করেন। বৈঠকের পর বেরিয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে মমতা বলেন, ‘UPA আবার কী? UPA বলে কিছু নেই।’ তৃণমূলনেত্রীর এই মন্তব্যের প্রতিবাদে সরব হন কংগ্রেস নেতা অধীর চৌধুরী(Adhir Ranjan Chowdhury)।

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও শরদ পাওয়ারের বৈঠক ‘পূর্ব-পরিকল্পিত ষড়যন্ত্র’। কংগ্রেসকে দুর্বল করার জন্য এটা করা হয়েছে। তাছাড়া তৃণমূলনেত্রীকে ‘বিজেপির(BJP) অক্সিজেন সাপ্লায়ার’ বলেও তোপ দাগেন অধীর। তবে তিনি পাওয়ারের প্রশংসা করেছেন। এক সর্বভারতীয় সংবাদ সংস্থাকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, ‘যখন গোটা দেশে বিজেপি কঠিন পরিস্থিতির মধ্যে রয়েছে ও প্রতিটা দিন ওদের পরিস্থিতির অবনতি হচ্ছে, তখন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ওদের অক্সিজেন জোগাতে চাইছেন। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বিজেপির অক্সিজেন সাপ্লায়ার হয়ে উঠেছেন। তাই বিজেপি ওঁর ওপর সন্তুষ্ট।’

এখানেই শেষ নয়। সুর চড়িয়ে তিনি আরও বলেন, ‘মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কি জানেন না UPA কি ? আমার মনে হয়, উনি পাগলামি করছেন। উনি ভাবছেন গোটা ভারত বোধ হয় মমতা-মমতা স্লোগান তুলছে। কিন্তু ভারত মানে শুধু পশ্চিমবঙ্গ নয়। রাজ্যে শেষ নির্বাচনে উনি যে কৌশল নিয়েছিলেন তা ধীরে ধীরে উন্মোচন হচ্ছে। আজ মমতার শক্তি বৃদ্ধি পেয়েছে, কারণ মোদিজি ওঁর পাশে দাঁড়িয়েছেন। তাই উনি কংগ্রেসকে দুর্বল করার সব চেষ্টাই করছেন। শরদ পাওয়ার কংগ্রেসের বিরুদ্ধে কিছু বলেননি। উনি একজন বর্ষীয়ান নেতা। ওঁকে আমরা শ্রদ্ধা করি। এটা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের শরদ পাওয়ার ও অন্য দলের লোকেদের ফাঁদে ফেলার পূর্ব পরিকল্পিত চেষ্টা। উনি বিজেপির বিকল্প দেখাতে চাইছেন। আর এটাই বিজেপিকে বেশি ফায়দা দিচ্ছে।’

প্রসঙ্গত, বুধবার শরদ পাওয়ারের সঙ্গে দেখা করে বেরিয়ে মমতা বলেন, ‘যে ফ্যাসিবাদ চলছে তার বিরুদ্ধে কেউই লড়াই করছে না। কিন্তু, শক্তিশালী বিকল্পের প্রয়োজন রয়েছে। শরদজি অন্যতম বর্ষীয়ান নেতা। আমি এনিয়ে আলোচনা করতে এসেছিলাম। শরদজি যা বলেছেন তাতে আমি সহমত।’

Mamata Banerjee-Sharad Power Meeting: কংগ্রেসের অস্তিত্বই অস্বীকার করলেন মমতা

Mamata Banerjee-Sharad Power

News Desk: কংগ্রেস নিয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee) ও এনসিপি নেতা শারদ পাওয়ারের (Sharad Power) মতভেদ আরও একবার প্রকাশ্যে এল। বুধবার (Wednesday) বিকেলে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এনসিপি নেতা শরদ পাওয়ারের বাড়িতে যান।

এই দুই নেতা মধ্যে এক ঘণ্টার বেশি সময় ধরে আলোচনা হয়। আলোচনা শেষে পাওয়ারের কাছে জানতে চাওয়া হয়, তাঁরা কি কংগ্রেসকে (congress) নিয়েই বিজেপির বিরুদ্ধে লড়তে চান? ওই প্রশ্নের উত্তরে শারদ পাওয়ার বলেন, তিনি তো কাউকেই বাদ দিয়ে চলার কথা বলছেন না। তিনি বলছেন, যারা বিজেপির বিরুদ্ধে লড়তে চায় তারা যেন সকলেই এক ছাতার তলায় আসে।

পাওয়ারের ওই মন্তব্যের প্রেক্ষিতে মমতাকে প্রশ্ন করা হয়, আপনারা কি ইউপিএর চেয়ারম্যান হিসেবে পাওয়ারকেই দেখতে চাইছেন? এই প্রশ্নের উত্তরে ঝাঁঝাঁলো স্বরে মমতা বলেন, কিসের ইউপিএ? ইউপিএ বলে কিছু আছে নাকি? মমতার এই জবাবে সংবাদমাধ্যম জানতে চায়, কংগ্রেসকে বাদ দিয়ে কি কোনও বিরোধী জোট গড়ে তোলা সম্ভব?

এরপরই মমতা ফের গলা উঁচিয়ে বলেন, যারা বিজেপির বিরুদ্ধে লড়তে চায় তারা সকলেই এক জায়গায় আসবে। কিন্তু যারা বিজেপির বিরুদ্ধে লড়াই না করে ঘরে বসে থাকবে তাদের দিয়ে কি হবে? এদিন পাওয়ার ও মমতার বক্তব্যে স্পষ্ট হয়ে গিয়েছে তাঁরা কংগ্রেস সম্পর্কে কী মনোভাব নিয়ে চলছেন। এদিন মমতা ও পাওয়ার যখন যৌথ সাংবাদিক সম্মেলন করছেন তখন সেখানে উপস্থিত ছিলেন এনসিপি নেতা তথা রাজ্যের মন্ত্রী নবাব মালিক।

নবাব অবশ্য এদিন স্পষ্টভাবেই জানিয়েছেন, শারদ পাওয়ার কখনও কংগ্রেসকে বাদ দিয়ে চলার পক্ষপাতী নন। তবে এটা ঠিক যে, কংগ্রেস যদি দাদাগিরি করতে চায়, ছড়ি ঘোরাতেই চায় তবে পাওয়ার সেটা কখনওই মানবেন না। এদিন কংগ্রেস সম্পর্কে পাওয়ার ও মমতার মূল্যায়ন অনেকটাই বিপরীত ধর্মী ছিল।

পাওয়ার কংগ্রেস সম্পর্কে অত্যন্ত নম্রভাবে কথা বলেন। অন্যদিকে মমতা কংগ্রেসের বিরুদ্ধে ততটাই ক্ষিপ্তভাবে মন্তব্য করেন। পাওয়ার তাঁর কথা বলার ঢংয়ে বুঝিয়ে দিয়েছেন যে, তিনি কংগ্রেসকে নিয়েই পথ চলতে চান। কংগ্রেসকে বাদ দিয়ে ইউপিএ বা বিরোধী জোট হতে পারে না। অন্যদিকে মমতা বুঝিয়ে দিলেন যে, কংগ্রেসকে বাদ দিয়ে আগামী দিনে তৃণমূল কংগ্রেসই বিজেপির প্রধান প্রতিপক্ষ হয়ে উঠতে চাইছে।

দেশের উন্নয়নে যেমন কিষানদের চাই, তেমনই চাই আম্বানি-আদানিদের: Mamata Banerjee

mamata banerje

News Desk: দেশের উন্নয়নের জন্য যেমন কিষানদের (Farmer) চাই, তেমনই চাই আম্বানি-আদানিদের (Ambani-Adani) মত শিল্পপতিদের। দেশের উন্নয়ন (Development) ও অগ্রগতির জন্য যেমন হিন্দুদের প্রয়োজন, তেমনই প্রয়োজন মুসলিম, বৌদ্ধ, শিখ, খ্রীস্টান পারসিক ও জৈনদের। বুধবার মুম্বই সফররত মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee) এই মন্তব্য করেন। বিশিষ্ট সমাজকর্মী মেধা পাটকরের এক প্রশ্নের উত্তরে এই মন্তব্য করেছেন বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা।

মেধা এদিন মমতাকে বলেন উদার অর্থনীতি, বেসরকারিকরণ, বাণিজ্যিকীকরণ গোটা দেশে আমূল পরিবর্তন ঘটিয়েছে। কৃষিক্ষেত্রে কর্পোরেট পুঁজির অনুপ্রবেশ কৃষকদের চরম সঙ্কটের মুখে ঠেলে দিয়েছে। এই অবস্থা থেকে বেরিয়ে আসতে আপনার ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা কি?

মেধার এই প্রশ্নের উত্তরেই মমতা বলেন, দেশ চালাতে গেলে সকলকেই দরকার আছে। দেশের উন্নয়ন ও অগ্রগতির জন্য যেমন কৃষকদের প্রয়োজন আছে তেমনই আম্বানি-আদানিদের মত শিল্পপতিদেরও প্রয়োজন আছে। প্রয়োজন আছে আরও বেশি শিল্পায়ন ও কর্মসংস্থানের। একইসঙ্গে মুখ্যমন্ত্রী এদিন বলেন, গরীব ও দুঃস্থ মানুষের খারাপ হয় এমন কোনও কাজ তিনি করেন না এবং করতে দেবেন না। দেশের প্রতিটি প্রান্তিক মানুষের যাতে ভাল হয় সেটা সেটা নিশ্চিত করাই তাঁর একমাত্র লক্ষ্য।

আগামী দিনে দেশ ও রাজ্যের উন্নয়নে তাঁর পরিকল্পনা কী? এই প্রশ্নের উত্তরে মমতা বলেন, সবার আগে দেশ থেকে বিজেপিকে হঠানো দরকার। বিজেপি ক্ষমতা থেকে সরে গেলে অনেক সমস্যাই মিটে যাবে। আম্বানি-আদানিদের মত শিল্পপতিদের বিষয়ে মমতার বক্তব্যকে তীব্র কটাক্ষ করেছেন সিপিএমের পলিটব্যুরোর সদস্য বৃন্দ কারাট।

বৃন্দা বলেন, মমতার রাজনীতি দ্বিচারিতায় ভরা। উনি সবসময় মুখোশ নিয়ে রাজনীতি করেন। মাঝে মধ্যে সেটা খসে গিয়ে মমতার আসল চেহারা বেরিয়ে পড়ে। মমতা আম্বানি- আদানিদের বিরুদ্ধে কথা বলবেন কীভাবে! ওঁর দলের সিন্দুকের চাবি কাঠি তো ওই সমস্ত শিল্পপতিদের হাতে।

Mamata Banerjee: আরব সাগর তীরে ডুবলেন মমতা ? ক্ষণিকের বন্ধু ‘বিশ্বাসঘাতক’

mamata banerjee in mumbai

News Desk: মহারাষ্ট্রে তেমন সাড়া মিলছে না। সিদ্ধিবিনায়ক আশীর্বাদ পেতে পুজো দিলেও ঈশ্বর কি মু়খ ফিরিয়েছেন তৃণমূল কংগ্রেস নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Mamata Banerjee) দিক থেকে এমনই আলোচনা মুম্বই থেকে জাতীয়স্তরে। গোদের উপর বিষফোঁড়া হয়ে ক্ষণিকের বন্ধু গোয়া ফরওয়ার্ড পার্টি টিএমসির ছায়া পরিত্যাগ করেছে। আপাতত তারা কংগ্রেসের দিকে।

পশ্চিমবঙ্গে তিনবার জয়ী হয়ে পশ্চিম ভারতের গোয়া বিধায়নসভা যুদ্ধে নেমেছেন তৃণমূল কংগ্রেস নেত্রী। তাঁর সঙ্গে এসেছেন গোয়ার প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী। তবে যাকে নিয়ে বিরাট আশা ছিল টিএমসির সেই গোয়া ফরওয়ার্ড পার্টির ঘোষণা, কংগ্রেসের সঙ্গেই তারা আছে। গোয়া ফরওয়ার্ড পার্টি প্রধান বিজয় সরদেশাই সম্প্রতি তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের তুমুল প্রশংসা করেন।

টিএমসির ভোটকুশলীরা গোয়ার সমীকরণে নিজেদের তুলে ধরতে গোয়া ফরওয়ার্ড পার্টির সঙ্গে বিস্তর যোগাযোগ করেন। তবে সব আশায় জল ঢেলে দিয়েছে দলটি। ফলে টিএমসির তরফে দলটিকে এখন বিশ্বাসঘাতক বলেই চিহ্নিত করা হচ্ছে।

এদিকে মুম্বইতেও ক্ষমতাসীন শিবসেনা জোট সরকারের মুখ্যমন্ত্রী উদ্ভব ঠাকরে অসুস্থ তাই তিনি দেখা করেননি মমতার সঙ্গে। মুম্বই রাজনৈতিক মহলে খবর, গোপনে আড়কাঠি চেলেছেন প্রবীণ এনসিপি নেতা শারদ পাওয়ার। তিনিই বিজেপি বিরোধী পাওয়ার প্নে জনক।

Mamata Banerjee: আজ মুম্বইতে মমতার একাধিক কর্মসূচি

Mamata Banerjee in mumbai

নিউজ ডেস্ক, মুম্বই: মঙ্গলবার সন্ধ্যায় পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee) মুম্বই গিয়ে সিদ্ধিবিনায়ক মন্দিরে (Siddhivinayak Mumbai) পুজো দিয়ে মহারাষ্ট্রের শাসকদলের শীর্ষ নেতৃত্বের সঙ্গে সাক্ষাত্‍ করেছেন।

বুধবার সফরের দ্বিতীয় দিনে শিল্পমহল, নাগরিক সমাজের প্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠকের পাশাপাশি শরদ পওয়ারের সঙ্গে বৈঠক রয়েছে তাঁর। তৃণমূল সূত্রের খবর, আজ মুম্বইয়ে মমতার দ্বিতীয় দিনের কর্মসূচি। দুপুর ১টা ১৫ মিনিট নাগাদ নরিম্যান পয়েন্টের ওয়াইবি চহ্বন সেন্টারে মমতার নাগরিক সমাজের প্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠক করার কথা।

জানা গিয়েছে, জাভেদ আখতার এবং সুধীন্দ্র কুলকার্নি এই বৈঠকের আয়োজন করেছেন। দিন কয়েক আগে দিল্লিতে মমতার সঙ্গে দেখা করেছিলেন সুধীন্দ্র এবং জাভেদ। নাগরিক সমাজের প্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠকের পর মমতা যাবেন এনসিপি নেতা শরদ পওয়ারের (sharad pawar) বাড়ি। সেখানে তাঁর পওয়ারের সঙ্গে বৈঠক রয়েছে। বুধবার বিকেল ৫টায় ফোর সেশনস হোটেলে রাজ্যে শিল্প বিস্তারের লক্ষ্যে মুম্বইয়ের শিল্প মহলের সঙ্গেও দেখা করবেন মুখ্যমন্ত্রী।  

প্রসঙ্গত, মহারাষ্ট্রের মুখ্যমন্ত্রী উদ্ধব ঠাকরের সঙ্গেও মঙ্গলবার দেখা করার কথা ছিল মমতার। কিন্তু শারীরিক অসুস্থতার জন্য হাসপাতালে তিনি ভর্তি হয়েছেন। তাই উদ্ধবের ছেলে আদিত্য ঠাকরে ও শিবসেনার রাজ্যসভার দলনেতা সঞ্জয় রাউত এসেছিলেন মমতার সঙ্গে দেখা করতে।

এই সাক্ষাত্‍ নিয়ে আদিত্য ঠাকরে বলেন, ‘জাতীয় রাজনীতির অনেক বিষয়েই আমাদের কথা হয়েছে। আমাদের পুরনো বন্ধুত্বের সম্পর্ক। আগেও উনি যখন এসেছেন, আমাদের বৈঠক হয়েছে।’ যদিও রাজনৈতিক মহলের একাংশের বক্তব্য, শরদ পওয়ারের সঙ্গে বৈঠকের পর বিজেপি বিরোধী লড়াই নিয়ে মমতা কী বার্তা দেন, সেদিকেই আজ সকলের নজর থাকবে।

 

Sikkim: জ্যোতিবাবুর রেকর্ড ভাঙা চামলিংকে দিয়ে কূটচাল মমতার ? BJP চিন্তিত

Tmc trying to reach sikkim's assembly as opposition party

News Desk: পশ্চিমবঙ্গ প্রতিবেশি সিকিমের (Sikkim) রাজনীতিতে কোনওদিনই বঙ্গ প্রভাব পড়েনি। অথচ সিকিমের যোগসূত্র শিলিগুড়ির সঙ্গেই বেশি। দীর্ঘ বাম আমলে রাজ্যের লাগোয়া সিকিমের একটাও গ্রাম পঞ্চায়েতে সিপিআইএম ছিল না।

বঙ্গ বামেদের দাপটের সেই চৌত্রিশ বছরের জ্যোতিবাবু-বুদ্ধবাবু মু়খ্যমন্ত্রী। আর সিকিমে ছিলেন নরবাহাদুর ভাণ্ডারি ও পবন কুমার চামলিং। সিকিম সংগ্রাম পরিষদের নরবাহাদুর থেকে ক্ষমতা কেন্দ্রীভূত হয়েছিল সিকিম ডেমোক্রেটিক ফ্রন্টের চামলিংয়ের হাতে।

উত্তর পূর্বাঞ্চলের সিকিমের রাজধানী গ্যাংটক তো বটেই, রাজ্যটির যে কোনও পাহাড়ি শহরে বাঙালিদের দেখা পাওয়া কোনও ব্যাপারই না। বাংলা শোনা যায় কান পাতলেই। তেমনই রাজ্যে এবার নজর তৃণমূল কংগ্রেস নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের।

পড়ুন: Manipur: বিরোধী আসন দখলে মমতার অভিযান, কংগ্রেস কাঁপছে মনিপুরে

সূত্রের খবর, সিকিমে জোড়াফুলের পতাকা তুলতে ক্ষমতা হারানো চামলিংকে বেছে নিয়েছেন মমতা। অচিরেই দুজনের মধ্যে রাজনৈতিক সমঝোতা হতে চলেছে। সেক্ষেত্রে টিএমসি চাইছে ‘ঘটিহারা’ চামলিংকে তাদের দলে টেনে আনতে।

সিকিমের সর্বশেষ বিধানসভা ভোটে নীরবে পরিবর্তন হয়। ১৯৯৪ সাল থেকে টানা সাড়ে ২৪ বছর (২৪.৪ বছর) একটানা ক্ষমতায় থাকা চামলিং সরকারের পতন হয় ২০১৯ সালে। ক্ষমতা হারানোর ঠিক আগে চামলিং একটি নজির গড়েন। তিনি দেশের সর্বাধিক সময়ে কুর্সিতে থাকা মুখ্যমন্ত্রী। এক্ষেত্রে ২৩ বছর টানা কুর্সিতে থেকে দ্বিতীয় স্থানে প্রয়াত জ্যোতি বসু।

জ্যোতিবাবু যখন পশ্চিমবঙ্গের শাসনে তখনই সিকিমের মধ্যগগনে চামলিং। দুই রাজ্যের দুই শক্তিশালী মু়খ্যমন্ত্রী পারস্পরিক সৌহার্দ্য ছিল। তেমনই সৌহার্দ্য চামলিং ও মমতার মধ্যে। সেই সুযোগ কাজে লাগাতে চাইছেন তৃণমূল কংগ্রেস নেত্রী।

আরও পড়ুন: Meghalaya: মেঘের দেশে ‘কংগ্রেসের শেষের কবিতা’ লিখলেন তৃণমূল নেত্রী মমতা

গত বিধানসভা ভোটে সিকিমে হুড়মুড় করে ভেঙে পড়েছিল এসডিএফ তথা চামলিং সরকার। নতুন দল হিসেবে ক্ষমতায় আসে সিকিম ক্রান্তিকারি মোর্চা। মুখ্যমন্ত্রী হয়েছেন প্রেমসিং তামাং।

সিকিমের এই ক্রান্তিলগ্নে বিজেপি ছিল না ভোট যুদ্ধে। বিধানসভার ভোটে না থেকেও আচমকা চামলিং শিবিরে ‘অপারেশন লোটাস’ ধাক্কায় কোণঠাসা হয়ে যান চামলিং। ভোট না লড়েও বিজেপি ঢোকে বিধানসভায়! আপাতত চামলিং একমাত্র এসডিএফ নেতা। তাঁর পুরো দলকেই ভাঙিয়ে নিয়েছে বিজেপি।

সূত্রের খবর, যেভাবে বিনা ভোটযুদ্ধে সিকিমের রাজনীতিতে ঢুকেছে বিজেপি, একই কায়দায় টিএমসি চেষ্টা শুরু করেছে। বিশেষ সূত্রে kolkata24x7.in জানতে পেরেছে, প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী চামলিংকে দিয়েই বিজেপিতে চলে যাওয়া বিধায়কদের টেনে আনতে পরিকল্পনা শুরু করেছে টিএমসির ভোটকুশলীরা।

এক নজরে সিকিম বিধানসভার অংক
মোট আসন ৩২
সরকারপক্ষে আছে ৩১ জন
সিকিম ক্রান্তিকারি মোর্চা ১৯
বিজেপি ১২

বিরোধী পক্ষ
সিকিম ডেমোক্রেটিক পার্টি ১

তবে হামরো সিকিম নেতা প্রাক্তন টিএমসি ও ভারতীয় ফুটবল অধিনায়ক বাইচুং ভুটিয়ার ভূমিকা নিয়েও বিশেষ ভাবনা রয়েছে মমতার। বাইচুংকে ঘোড়া করেও ২০১৪ সালের দার্জিলিং লোকসভা ও ২০১৬ সালে শিলিগুড়ির বিধানসভাতে সফলতা পাননি মমতা। টিএমসি ছেড়ে সিকিম গিয়ে নতুন দল গড়েছেন বাইচুং।

২০২১ বিধানসভা ভোটে বাইচুং সরাসরি সিপিআইএমের অশোক ভট্টাচার্যের হয়ে সমর্থনে মিছিল করেন। শিলিগুড়িতে সিপিআইএম হেরে যায়। বাইচুং কি মমতার জন্য অনুকূল, ভাবছে টিএমসির ভোটকুশলীরা। সেক্ষেত্রে চামলিং পাচ্ছেন বেশি গুরুত্ব।