Dilip Ghosh: শীঘ্রই বাকি পুরসভাগুলিতেও প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করা হবে: দিলীপ ঘোষ

নিউজ ডেস্ক: বৃহস্পতিবার সকালে ইকো পার্কে প্রাতঃভ্রমণে এসে দিলীপ ঘোষ সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে বিভিন্ন বিষয়ে রাজ্য সরকারকে সরাসরি আক্রমণ করেন। এদিন করোনা আবহে ভোট করার বিষয়ে তিনি বলেন, ‘রাজ্যে ভয়ের পরিবেশ রয়েছে। অন্য রাজ্য এই সময়ে সব উৎসব অনুষ্ঠান বাতিল করেছে কিন্তু পশ্চিমবঙ্গে ঢিলেঢালা মেজাজ রয়েছে। অন্য রাজ্যে করোনা রয়েছে বলে ভোট বাতিলের চেষ্টা চলছে। এই বিষয়ে রাজনীতিবিদরা সিদ্ধান্ত নেবেন না। সিদ্ধান্ত নেবেন বিশেষজ্ঞরা।’

তিনি আরও বলেন, ‘কুম্ভমেলা বিশ্বের বৃহত্তম মেলা। করোনা আবহে তাও বন্ধ করে দেওয়া হয়েছিল।’ তাঁর অভিযোগ, রাজ্য সরকার বিধিনিষেধ আরোপ করলেও কেউ তা মানে না। তাই রাজ্যের উচিত সব দিক বিবেচনা করে সিদ্ধান্ত নেওয়া। পাশাপাশি এদিন পুরসভা ভোটের প্রার্থী তালিকার বিষয়ে তিনি জানান, ‘সব পুরসভার ক্ষেত্রেই বিজেপির প্রার্থী তালিকা তৈরি হয়ে গেছে। শিলিগুড়িতে সমস্যা কম থাকায় তালিকা প্রকাশ করা হয়েছে। বাকি পুরসভাগুলিতেও খুব তাড়াতাড়ি তালিকা প্রকাশ করা হবে।

তবে পুরসভা নির্বাচনে তারকা প্রচারের বিষয়ে দল এখনও ভাবছে। কোনও সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি। চারটি পৌরসভার নির্বাচনই খুব গুরুত্বপূর্ণ। জেতার জন্যই ভোটে লড়াই করা হয়। তাই দল তারকা বা হেভিওয়েট প্রচারের ব্যাপারে অবশ্যই ভাববে।’    

EC: রিগিং বিহীন পুরভোটের দাবি, গরম আন্দোলনে ‘শূন্য’ বামেরা চাঙ্গা হচ্ছে

News Desk: কলকাতা পুরনিগম ভোটে রিগিংয়ের অভিযোগ নিয়ে রাজনৈতিক মহল তীব্র আলোড়িত। আর কলকাতায় ভোটের নিরিখে বিরোধী তকমা পেয়ে তেড়ে ফুঁড়ে নামল বামফ্রন্ট। আসন্ন পুরনিগম ও পুরসভাগুলির ভোট নির্বিঘ্নে করানোর দাবিতে রাজ্য নির্বাচন কমিশন অভিযানে শীতের বেলায় হাওয়া গরম।

বামফ্রন্ট চেয়ারম্যান বিমান বসুর দাবি, তিনশোর বেশি কর্মী সমর্থককে আটক করেছে পুলিশ। রাজ্য নির্বাচন কমিশন তৃণমূল কংগ্রেসের গোলাম বলে কটাক্ষ করেছেন বাম নেতারা।

দুপুর থেকে রাজ্য নির্বাচন কমিশনের দফতরের সামনে উত্তেজনা চরমে ছিল। ১৪৪ ধারা জারি থাকায়, পুলিস বিক্ষোভকারীদের বাধা দেয়। পুলিসের সঙ্গে ধস্তাধস্তি বেধে যায়। বাম নেতাদের আটক করে পুলিশ।

এর রেশ ধরে বেলা গড়াতেই জেলায় জেলায় শুরু হয়েছে বামেদের বিক্ষোভ। চলেছে মিছিল। বানফ্রন্টের অভিযোগ, কলকাতা পুরনিগমের মতো ভোট লুঠ করতে তৈরি শাসক তৃণমূল কংগ্রেস। তাদের সঙ্গে হাত মিলিয়েছে বিজেপি। নির্বাচন কমিশন কেন তার ভূমিকা নেবেনা বলে প্রশ্ন তুলেছেন বাম নেতারা।

২২ জানুয়ারি হাওড়া, শিলিগুড়ি, আসানসোল, বিধাননগর ও চন্দননগর পুরনিগমের ভোট। এর পর ২৭ তারিখ অন্যান্য পুরসভার ভোট। তবে এখনও নির্দিষ্ট হয়নি হাওড়া পুরনিগমের ভোট কবে হবে।

BJP: অবিশ্বাস ও অন্তর্ঘাতের জালে জড়িয়ে বিজেপি, পুরভোটের আগেই ‘কাঙাল’ পরিস্থিতি

BJP

News Desk: মহানগর হোক কিংবা জেলা-মফস্বল বিরোধী দল বিজেপির কাঙাল পরিস্থিতি দেখে চিন্তিত কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব। আসছেন জে পি নাড্ডা। জেলাস্তরের বিজেপি নেতাদের দাবি, সর্বভারতীয় সভাপতি এলেই কি না এলেই কি, রাজ্য নেতাদের আচরণেই স্পষ্ট দলে অন্তর্ঘাত চলেছে, অবিশ্বাসের হাওয়া বইছে। কেউ কাউকে মানছে না তা তো স্পষ্টই।

এই অবস্থায় আসন্ন পৌর নির্বাচনে বিজেপির হাল আরও করুণ হতে চলেছে বলেই অভিমত বর্ষীয়ান নেতা তথাগত রায়ের। তিনি জানিয়েছেন, দলটা চুরমার হয়ে যাচ্ছে। নিজের পায়ে কুড়ুল মেরেছে বঙ্গ বিজেপি। তথাগতবাবুর মন্তব্যের পর পরই দক্ষিণ বঙ্গ থেকে হুড়মুড়িয়ে বিজেপি ভাঙনের ইঙ্গিত এসে গেছে। উত্তর ২৪ পরগনা ও নদিয়া জেলায় ভাঙন স্পষ্ট।

বিজেপি সূত্রে খবর, পশ্চিমবঙ্গ নেতৃত্বের দিশাহারা পরিস্থিতি দেখে শীঘ্রই কলকাতায় আসছেন বিজেপির শীর্ষ নেতারা। জানুয়ারি মাসের শুরুতেই রাজ্যে আসছেন বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি জে পি নাড্ডা। তিনদিনের সফর করবেন তিনি। পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য কমিটির অন্দরমহলের ক্ষোভ তাতে মিটবে না বলেই জেলাভিত্তিক নেতাদের অভিমত।

নতুন রাজ্য কমিটি গঠনের পর এমনিতেই বিজেপির অন্দরে ক্ষোভ বাড়ছে। জেলা সংগঠনে ব্যাপক রদবদলে তীব্র হয়েছে ত্রোভ। রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার বলেছেন, ‘বিজেপি একটা পরিবার। সব ক্ষোভ নিজেদের মধ্যে মিটিয়ে নেব’। পৌর ভোটের আগে এ যে মেটার নয় তা বিলক্ষণ জানেন জেলা নেতারা।

বালি বিলের জটিলতার মধ্যেই সোমবার পুরভোটের নির্ঘণ্ট ঘোষণা!

The pre-poll schedule was announced on Monday amid the complexity of the sand bill!

News Desk: বহু প্রতীক্ষার পর পুরভোটের বাদ্যি বেজেছে। কিছুদিন আগেই কলকাতা পুরসভার ভোট শেষ হয়েছে। এরপর রাজ্যের বাকি পুরসভাগুলিতে কবে নির্বাচন করা যেতে পারে তা জানতে চেয়েছিল কলকাতা হাইকোর্ট। উত্তরে ২২ জানুয়ারি ও ২৭ ফেব্রুয়ারি ভোট করা যেতে পারে বলে জানায় নির্বাচন কমিশন। যদিও এখনও নির্ঘণ্ট ঘোষণা করা হয়নি। তবে সূত্রের খবর, আগামী সোমবার অর্থাৎ ২৭ ডিসেম্বর সরকারিভাবে ঘোষণা হতে পারে।

পুরভোটের নির্ঘণ্ট প্রকাশ করার মধ্যেই অব্যাহত বালি বিলের জটিলতা। তথ্য অনুযায়ী, পুরভোটের প্রথম দফায় রয়েছে হাওড়া এবং দ্বিতীয় দফায় রয়েছে বালি। এখানেই সৃষ্টি হচ্ছে জটিলতা। এখনও বালি বিলের রাজ্যপালের স্বাক্ষর না হওয়ার কারণে হাওড়া ও বালি আনুষ্ঠানিকভাবে আলাদা হয়নি। ফলে প্রশ্ন উঠছে, বালি বিলের জটিলতা জিইয়ে রেখেই কি দুই পুরসভার ভোট হবে।

এদিকে সোমবার বিকেল ৪ টেয় নির্বাচন কমিশন একটি সাংবাদিক বৈঠকের আয়োজন করেছে। আগামীকালের বৈঠকে হাওড়া ও বালি ঘিরে কোনো গুরুত্বপূর্ণ ঘোষণা হয় নাকি সেদিকেই তাকিয়ে রাজনৈতিক মহল। তবে রাজনৈতিক মহলের মতে, যেহেতু হাওড়া ও বালি এখনও দুটি আলাদা পুরসভা হয়ে উঠতে পারেনি তাই আসন্ন পুরভোট থেকে বাদ যেতে পারে হাওড়া ও বালি।

Paschim Bardhaman: কলকাতায় দ্বিতীয় হয়ে দুর্গাপুরে গা গরম করল CPIM

CPM

News Desk: মাত্র ২৪ ঘন্টার ব্যবধান। কলকাতা পুর নিগমের ভোটে দ্বিতীয় হয়ে এবার গরম শুরু করে দিল বামেরা। সামনেই দুর্গাপুর পুরনিগমের ভোট। আচমকা তেড়েফুঁড়ে নেমে উঠতে দেখা গেল সিপিআইএমকে। পশ্চিম বর্ধমান জেলায় হাওয়া গরম।

বুধবার দুর্গাপুর পুরনিগমে ১৮ দফা দাবি নিয়ে সিপিআইএমের ডেপুটেশন দেওয়ার পূর্ব ঘোষিত কর্মসূচি ছিল। মিছিল পুরসভার সামনে আসতেই পুলিশের সঙ্গে ধস্তাধস্তি শুরু হয়ে যায় বাম সমর্থকদের

সিপিআইএমের সমর্থকরা পুরসভায় ঢুকতে চাইলে বাধা দেয় পুলিশ। পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। ধস্তাধস্তির মধ্যে পড়ে ট্রাফিক পুলিশের এক আধিকারিক জখম হন। সিপিআইএমের ৬ জন জখম হয়েছেন বলে দাবি করেছেন দলের নেতা পঙ্কজ রায় সরকার।

সিপিআইএমের অভিযোগ, তৃণমূল কংগ্রেসের আমলে দুর্গাপুর শহরের নাগরিক পরিষেবা ভেঙে পড়েছে। মানুষ চরম সমস্যার মধ্যে রয়েছেন। সেজন্য তাঁরা দীর্ঘদিন ধরে আন্দোলন করছেন। এদিনও গণতান্ত্রিক পদ্ধতিতে তাঁরা আন্দোলন করছিলেন। অভিযোগ, পুলিশ তৃণমূলের ইন্ধনে কর্মসূচি বানচাল করার চেষ্টা করেছে।

পুলিশ জানিয়েছে, জোর করে ব্যারিকেড ভাঙার চেষ্টা করেন মিছিলকারীরা। তাদের বাধা দেওয়া হয়। পুরসভার মেয়র পারিষদ (সড়ক) ও তৃণমূল কংগ্রেস নেতা অমিতাভ বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, ‘‘কেউ চায় না সিপিএমকে। অথচ ওরা নির্লজ্জের মতো আন্দোলন করতে আসে তৃণমূলের বিরুদ্ধে। পুলিশের গায়ে হাত তোলে ওরা। নিন্দার ভাষা নেই।’’

কলকাতা পুরনিগমের ভোটে আচমকা বাম উত্থান নিয়ে রাজ্য সরগরম। বিরোধী দল বিজেপি নেমেছে তিন নম্বরে। তাৎপর্যপূর্ণ, ভোটের নিরিখে বামফ্রন্ট উঠে এসেছে দু নম্বরে। ভোট বিশেষজ্ঞরা বলছেন, কলকাতার রাজনৈতিক ক্ষেত্রে বামফ্রন্ট এখন প্রধান বিরোধী দলের ভূমিকায়। বিজেপি প্রান্তিক দল হবে অচিরেই।

<

p style=”text-align: justify;”>কলকাতার পর বাকি পুরনগিমের ভোট আসছে। পশ্চিম বর্ধমান জেলার দুর্গাপুর ও আসানসোল দুটি পুরনিগমেই তৃণমূল কংগ্রেস শক্তিশালী। বিজেপি শক্তিহীন হওয়ায় তৃণমূল কংগ্রেসের সঙ্গে মূল লড়াই হতে চলেছে সিপিআইএমের।

BJP: ভোটে ধস দেখে বস রেগেছেন, ফোন ধরতেই আতঙ্ক

BJP

News Desk: বিধানসভার ভোটে যা হয়েছিল তাতে চিঁড়ে ভেজেনি। বস চেয়েছিলেন সরকার হোক, হয়েছে বিরোধী দল। বাংলার ভোট না চেনা কর্পোরেট বিজেপি বস রেগে কাঁই কলকাতা পুরভোটে তৃতীয় হওয়ায়। এমনই অবস্খা যে বঙ্গ বিজেপির নেতারা ফোন ধরতেই ‘ভয়’ পাচ্ছেন।

বিজেপি অন্দর মহলে প্রবল ভূমিকম্প। হুড়মুড়িয়ে আরও ধসের আতঙ্ক প্রবল। আলিপুরদুয়ার ও কোচবিহারে দলটাই থাকবে না এমনই গুঞ্জন। তৃণমূল কংগ্রেসে ফিরতে মরিয়া সবাই। এমনই বার্তা আসছে অহরহ।

কলকাতা পুর নিগমের ভোটে বিপর্যয় প্রবল। বিধানসভায় শূন্য হওয়া সিপিআইএমেরও নিচে নেমেছে প্রধান বিরোধী দল বিজেপি। রাজ্য সম্পাদক সুকান্ত মজুমদার যদিও পুর নির্বাচনের রিগিং তত্ত্বকে আঁকড়ে ধরেছেন। আর বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী সরকারের বিরুদ্ধে প্রবল আস্ফালন শুরু করেছেন। প্রাক্তন রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ প্রায় নীরব।

সূত্রের খবর, দক্ষিণবঙ্গে পূর্ব মেদিনীপুর, ঝাড়গ্রাম, বাঁকুড়ায় বড়সড় ভাঙন যে হচ্ছে তাতে নিশ্চিত বিজেপি নেতারা। জেলা ভিত্তিক সংগঠন হুড়মুড়িয়ে ভাঙছে। এই অবস্থায় আসন্ন পৌর ভোটে কী করে লড়াই চলবে তাই জানেন না নেতারা।

দলের করুণ অবস্থায় ফের ওষুধ দিতে আসছেন বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি জেপি নাড্ডা। তাঁর বঙ্গ সফরের আগে রাজ্য নেতৃত্বকে দিল্লিতে ডেকে পাঠানো হতে পারে বলেও খবর। পৌর নির্বাচনে ভরাডুবি হচ্ছে ধরেই চলছে রাজ্য বিজেপি।

KMC Election: কলকাতায় বিপুল কর ছাড় প্রতিশ্রুতি দিচ্ছে BJP

Kmc election tax free issue suvendhu adhikari

News Desk: কলকাতা পুর নিগমের (KMC election)  ভোটে রাজ্যের বিরোধী দল বিজেপির প্রতিশ্রুতি কর ছাড়। আয় অনুসারে একাধিক শ্রেণিতে মহানগরে বসবাসকারী বাড়ির মালিকদের প্রতি বিজেপির বার্তা দল পুর নিগমে ক্ষমতায় এলে কর ছাড়ের ক্ষেত্রে আসবে বিপুল পরিবর্তন।

বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী জানিয়েছেন, বিজেপি কলকাতা পুরসভা নির্বাচনে জিতে পুর বোর্ড গঠন করলে বাড়ির মালিকদের স্ক্যোয়ার ফিট অনুযায়ী কর দিতে হবে না।

শুভেন্দু অধিকারী বলছেন,শহরে যেসব মধ্যবিত্ত ও নিম্নমধ্যবিত্ত বাড়ির মালিক রয়েছেন তাদের উপর স্ক্যোয়ার ফিট অনুযায়ী বাড়ির কর চাপানো হবে না। কর বকেয়া থাকলেও কোন বাড়ি নিলাম করা হবে না।

তিনি বলেন, পুরনো বাড়ির মালিকদের উপর অত্যধিক করের বোঝার বিষয়টি নিষ্পত্তি করা হবে এবং কোনও বাড়তি করের বোঝা চাপানো হবে না।

বিরোধী দলের নেতা বলেন, যাদের বাড়িতে কোন ভাড়াটে নেই বা ব্যবসায়িক কাজে বাড়ি ব্যবহার হচ্ছে না সেইসব মালিকদের বর্তমানের তুলনায় অনেক কম কর দিতে হবে। একইসঙ্গে তিনি বস্তিবাসীদের জন্য কর ছাড়ের ঘোষণাও করেন।

Purba Bardhaman: CBI জালে বর্ধমানের পৌরপ্রশাসক, TMC মহলে কানাকানি এবার কে?

Pranab Chatterjee

News Desk: শীত পড়েনি। হাল্কা হাল্কা গরম ভাব। তবে রাজনৈতিক হাওয়া যেন বৈশাখী লু। প্রবল উত্তপ্ত পূর্ব বর্ধমান জেলা রাজনৈতিক মহল। সেই উত্তাপ ছড়িয়েছে রাজ্য জুড়ে। শুক্রবার চিটফান্ড মামলায় সিবিআই অভিযানে গ্রেফতার হয়েছেন বর্ধমানের (Bardhaman) পুর প্রশাসক প্রণব চ্যাটার্জী। তাঁর গ্রেফতারির পর জেলা তৃণমূল কংগ্রেস মহলে কানাকানি এবার কার পালা ?

কলকাতা পুর নিগম ভোটের আগেই শাসকদলের কাছে চরম বিড়ম্বনা। জেলা হোক বা রাজ্য তৃণমূল কংগ্রেস নেতারা মুখ লুকোচ্ছেন। বিরোধী বিজেপি শিবিরে মুচকি হাসি। আর বামপক্ষের প্রশ্ন দীর্ঘ সাড়ে তিন দশকের জমানায় এমন কি বামেদের ঘরে সিবিআই ঢুকেছে ? সবমিলে রাজনৈতিক মহলে চাঞ্চল্য।

অভিযোগ চিটফান্ড সংস্থা ‘সন্মার্গ’-এ টাকা রেখে ২০১০-২০১৩ সালের মধ্যে বহুজন সর্বশ্রান্ত হয়েছেন। এই অর্থলগ্নি সংস্থা বর্ধমান শহরের তেলমারুই পাড়া এলাকার আইনজীবী বর্তমান বর্ধমান পুরস্কার বর্তমান চেয়ারপার্সন প্রণব চ্যাটার্জীর বাড়িতে অফিস ভাড়া নিয়েছিল। CBI প্রতিনিধি দল প্রণব বাবুর বাড়িতে আসে। প্রণব চ্যাটার্জীর স্ত্রী রেখা চ্যাটার্জী জানান,CBI টিম এসে বাড়িটি ঘুরে দেখে এবং কিছু জিজ্ঞাসাবাদ করে চলে যায়।

পরিস্থিতি মোড় নেয় প্রনববাবুকে পশ্চিম বর্ধমানের আসানসোলে নিয়ে যাওয়ায়। সিবিআই আদালত তাঁকে হেফাজতে রাখার নির্দেশ দেয়। এর পরেই রাজ্য জুড়ে শোরগোল।

পূর্ব বর্ধমান জেলা তৃণমূল কংগ্রেসের তরফে অভিযোগ, জনসমর্থন হারিয়ে বিজেপি সিবিআই গেম খেলছে। তবে বিজেপির তরফে এই অভিযোগ অস্বীকার করা হয়েছে।

Tripura: ভয়াবহ, ফল প্রকাশের আগেই ত্রিপুরায় পুলিশ অফিসার খুন, মৃত ৫

Tripura Police

নিউজ ডেস্ক, আগরতলা: ত্রিপুরায় (Tripura) পুরভোটের ফল বের হওয়ার আগেই ভয়াবহ হামলায় খুন পুলিশ অফিসার সহ ৫ জন। ঘটনার জেরে শিহরিত ত্রিপুরাবাসী। 

ঘটনাস্থল খোয়াই। এখানকার লালটিলার নৃশংস ঘটনা।। খুন হয়েছে পাঁচজন। খোয়াই থানার সেকেন্ড অফিসার সত্যজিৎ মল্লিক মৃত। নিহতরা হলেন মন্দিরা দেব রায়, অদিতি দেবরায়, কৃষ্ণ দাস, সত্যজিত মল্লিক, অমলেশ দেবরায়। শাবল দিয়ে থেঁতলে খুন করা হয়েছে৷ মৃত দুই শিশুকন্যা।

রাজ্যে পুর ও নগর পরিষদ ভোট ঘিরে তীব্র রাজনৈতিক পরিবেশ। সরকার বিরোধী বাম ও অন্যান্য দলগুলির সমর্থকরা আক্রান্ত। ভোট সন্ত্রাস চরমে। এর মাঝে হল এই নৃশংস ঘটনা। প্রশাসন নিয়েই বাড়ছে ক্ষোভ।

Tripura: পুর নির্বাচনে ‘সন্ত্রাস’, প্রাক্তন বাম বিধায়ক আক্রান্ত, জখম TMC প্রার্থী

tripura

News Desk: পুর ও নগর পঞ্চায়েত নির্বাচন ঘিরে রাজনৈতিক হামলা, অবরোধ সবমিলে ত্রিপুরা প্রবল সরগরম। বিরোধী সিপিআইএম, টিএমসি ও কংগ্রেসের প্রার্থীরা পরপর হামলার অভিযোগ তুলছেন। শাসক বিজেপির তরফে সব অভিযোগ উড়িয়ে দেওয়া হয়। বিজেপি দাবি করেছে তাদেরও কিছু কার্যালয়ে ভাঙচুর হয়েছে।

বৃহস্পতিবার আক্রান্ত হন রাজ্যের প্রধান বিরোধী দল সিপিআইএমের প্রাক্তন বিধায়ক সমীরণ মালাকার। তিনি নির্বাচনী প্রচারে কুমারঘাটে ছিলেন। তাঁর উপর হামলায় অভিযুক্ত বিজেপি। প্রাক্তন বিধায়কের মাথায় আঘাত আছে বলে জানান চিকিৎসকরা।

আক্রান্ত সমীরণ মালাকার উনকোটি জেলার পাবিছাড়া বিধানসভার প্রাক্তন বিধায়ক। তাঁর উপর হামলার খবর ছড়াতেই সিপিআইএম সমর্থকরা থানা ঘেরাও করেন। বিক্ষোভ থামাতে গিয়ে অসহায় অবস্থা হয় পুলিশের। তবে বিরোধী দলের অভিযোগ, সর্বক্ষেত্রে পুলিশ নীরব ভূমিকা পালন করছে।

tripura

আরও অভিযোগ, পুলিশ এক প্রকার নিষ্ক্রিয় রাজ্যে। চরম আইন শৃঙ্খলার অবনতি হয়েছে। রাজনৈতিক হামলার সঙ্গে বেড়েছে লুঠপাট ও চুরি, খুন। পরপর খুন হলেও কোনও ক্ষেত্রে পুলিশি তদন্ত আশনরুপ নয়।

এদিকে পুর ও নগর পঞ্চায়েত নির্বাচনের রাজনৈতিক সন্ত্রাসের অভিযোগ তুলেছে তৃণমূল কংগ্রেস। তাদের একাধিক নেতা ও সমর্থক আক্রান্ত। আগরতলা পুর নিগমের ভোটে ১৫ নম্বর ওয়ার্ডে টিএমসি প্রার্থী বিকাশ সরকার আক্রান্ত হন। তাকে জখম অবস্থায় হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

<

p style=”text-align: justify;”>বিজেপি ত্যাগ করে টিএমসিতে আসা প্রাক্তন বিধায়ক আশিস দাসের অভিযোগ, এই হামলায় জড়িত শাসক দল। কংগ্রেসের তরফেও নির্বাচনী সন্ত্রাসের অভিযোগ তোলা হয়েছে।

তৃষ্ণার্ত বাঙালি পুর নির্বাচনের আগেই সস্তার দিশি-বিলিতি মদে মজবে

New Liquor price hits municipal election politics in west bengal

News Desk: শুকিয়ে আসা জিভের ডগায় সড়াত করে শব্দ তোলা কঠিন। তবে লোভনীয় বিষয়ে জল এমনিই চলে আসে। রাজ্যে কমেছে মদের দাম। আপাত দৃষ্টিতে মদপ্রেমীদের জন্য বড্ড সুখবর। তবে এর পিছনেও রাজনৈতিক ‘উদ্দেশ্য’ দেখছেন অনেকেই। কলকাতা ও হওড়া পুর নিগম ভোটের আগেই কমিয়ে কিছুটা ‘সহানুভূতিশীল’ হওয়ার চেষ্টা সরকারের বলে মনে করছেন মদাশক্ত অনেকেই।

আপাতত রাজ্যে কমছে ভারতে তৈরি বিলিতি মদের দাম। কম দামে বিক্রি হচ্ছে হুইস্কি, বিয়ার এবং রাম। মদের দাম কমেছে এটাই বিরাট সুখবর সুরাপ্রেমীদের কাছে। মঙ্গলবার রাত থেকেই কমল মদের মূল্য।

বোতল বোতল মদ উড়ে যাওয়ার পালা শুরু হচ্ছে বুধবার থেকেই। দোকানে দোকানে ভিড় জমবে। আবগারি বিভাগ সূত্রে খবর, আগামী কয়েকদিন কোনও ডিলারকেই নতুন করে বিলিতি মদ সরবরাহ করা হবে না। পুরনো স্টক মদের বোতলে নতুন দাম ফেলা হবে।

New Liquor price hits municipal election politics in west bengal

তবে বিলিতি মদের সঙ্গে টেক্কা দিতে রাজ্যে আসছে বিশেষ পরিচিত দিশি মদের কূলীন শিরোপা পাওয়া মহুয়ার মদ ‘মহুল’। ৩০০ মিলিলিটার বোতলের দাম মাত্র ২৮ টাকা।

মহুয়ার মদের সুনাম আছে বাজারে। জঙ্গলমহল, আদিবাসী জনজীবনের এই মদ বাজারজাত করে বিশেষ লাভের মুখ দেখতে চলেছে তৃণমূল সরকার এমনই কটাক্ষ বিরোধীদের। অভিযোগ, বেকারত্ব ভোলাতে মদেই জোর মমতা সরকারের। তবে রাজ্য সরকারের যুক্তি, চোলাই মদের বেআইনি বিক্রি বন্ধ করার জন্য এই পদক্ষেপ।

এর মাঝে পরপর চলে আসবে পুর নির্বাচনের একেকটি পর্ব। মহানগর ছাড়িয়ে মফস্বলের পুরসভাগুলিতেও ভোটের বাজনা বাজবে। বিশ্লেষণে উঠে আসছে, একাধিক সরকারি প্রকল্পে অর্থ বরাদ্দ করতে হিমশিম অবস্থায় অর্থ দফতর। মদেই মিলবে মুক্তি। কোষাগার ভরবে অচিরেই। নির্বাচনের সময় এটি বড় স্বস্তি সরকারের কাছে। অভিযোগ শিল্পে কর্মসংস্থান না হতে পারে, তবে মদে কমতি করবে না সরকার।

(প্রতিকি ফাইল ছবি)

Tripura: TMC নেতাদের হোটেলে ঘর দিও না, ফের হুমকিতে অভিযুক্ত BJP

TMC-Tripura

News Desk: পুরভোট যতই এগিয়ে আসছে ততই ত্রিপুরার (Tripura) রাজনৈতিক পরিস্থিতি জটিল থেকে জটিলতর হচ্ছে। পশ্চিমবঙ্গের শাসক দল টিএমসির একাধিক বিধায়ক ও নেতা ত্রিপুরায় ঘাঁটি গেড়েছেন। অভিযোগ, তৃণমূল নেতারা যাতে ত্রিপুরায় থাকতে না পারেন তার জন্য এবার বেছে বেছে হোটেল মালিকদের হুমকি দিতে শুরু করেছে বিজেপি।

শনিবার রাতে রাজ্যের তেলিয়ামুড়ায় বর্ধমান দক্ষিণ কেন্দ্রের বিধায়ক খোকন দাস ও লাভপুর কেন্দ্রের বিধায়ক অভিজিৎ সিংহকে হোটেলে থাকতে দিলে খুনের হুঁশিয়ারি দিয়েছে বলে অভিযোগ। এর জেরে রাতেই দুই বিধায়ক মিছিল করেন ত্রিপুরার টিএমসি সমর্থকদের নিয়ে।

পড়ুন : Tripura: হোটেলে বাংলার TMC বিধায়করা কেন? হুমকিতে অভিযুক্ত BJP

রবিবার সকাল থেকে বিভিন্ন হোটেলে হুমকি বার্তা আসছে বলেই অভিযোগ।নিন্দায় সরব হয়েছে তৃণমূল কংগ্রেস। দলের সাধারণ সম্পাদক কুণাল ঘোষ (kunal ghosh) বলেছেন, বিজেপি বুঝে গিয়েছে পুরনির্বাচনে (municipal election) তাদের আর কোনও আশা নেই। সে কারণেই গেরুয়া দল তৃণমূল কর্মীদের ওপর হামলা চালাচ্ছে। তাতেও তৃণমূলকে আটকাতে না পেরে হোটেল মালিকদের হুমকি দিচ্ছে।

tmc mla's threthend by bjp supporters at teliamura tripura

ত্রিপুরায় টিএমসির স্টিয়ারিং কমিটির সদস্য আশিসলাল সিং (ashishlal sing) বলেছেন, দলের পক্ষ থেকে তাঁরা পুলিশ সুপার, এসডিপিও-সহ প্রশাসনের পদস্থ কর্তাদের পুরো বিষয়টি জানিয়েছেন। প্রশাসনকে সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশের কথাও স্মরণ করিয়ে দিয়েছেন। কিন্তু তাতেও কোনও কাজ হচ্ছেনা। বিজেপি গায়ের জোরে সবকিছু দখল করতে চাইছে। তবে এত কিছু করেও তারা ত্রিপুরায় তৃণমূলকে আটকাতে পারবে না।

<

p style=”text-align: justify;”>কুণাল ঘোষ বিজেপিকে কটাক্ষ করে আরও বলেছেন, পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভা নির্বাচনে ভিন রাজ্যের একাধিক বিজেপি নেতা তো প্রতিদিনই বাংলায় ডেলি প্যাসেঞ্জারি করতেন। এখানে তাঁরা হোটেলে ওঠতেন। তাঁদের তো কখনও কোনও রকম বাধার মুখে পড়তে হয়নি। আসলে বিজেপি বুঝে গিয়েছে যে, ত্রিপুরা ধরে রাখা আর তাদের পক্ষে সম্ভব নয়। সে কারণেই তারা যেনতেন প্রকারেন তৃণমূলকে আটকানোর চেষ্টা করছে।

Tripura: সুপ্রিম ‘নিরাপত্তা নির্দেশ’ উড়িয়ে হামলা, আক্রান্ত সরকারি কর্মী,অভিযুক্ত BJP

Tripura CPIM police station

News Desk: পুর নির্বাচনের আগেই ‘ভয়াবহ রাজনৈতিক সন্ত্রাস’ চলছে এমনই অভিযোগের ভিত্তিতে সুপ্রিম কোর্ট নির্দেশ দিয়েছে, পুর নির্বাচনে নিরাপত্তার ব্যবস্থা করতে হবে ত্রিপুরা (Tripura) রাজ্য সরকারকে। সেই নির্দেশের পরেও আগরতলা পুর নিগমের ভোটে লাগামছাড়া সন্ত্রাস চালানোর অভিযোগ উঠছে শাসক বিজেপির বিরুদ্ধে। আরও অভিযোগ, খোদ মু়খ্যমন্ত্রী বিপ্লব দেব চোখ বন্ধ করে বসে আছেন।

আগরতলা পুর নিগম, ১৩টি পৌর পরিষদ ও ৬টি নগর পঞ্চায়েতের ভোট হবে আগামী ২৫ নভেম্বর। নির্বাচনে রাজনৈতিক হামলার অভিযোগ করছে প্রধান বিরোধী সিপিআইএম। এছাড়াও টিএমসি ও কংগ্রেসের লাগাতার অভিযোগ চলছেই। নির্বাচনে শতাধিক আসনে বিরোধীদের কোনও প্রার্থী নেই।

tripura

এবার রাজনৈতিক হামলার শিকার হলেন এক রাজ্য সরকারি কর্মী। হামলায় তাঁর চোখ ক্ষতিগ্রস্থ। আক্রান্ত ওই সরকারি কর্মীর অভিযোগ, তাঁকে মারধর করেছে বিজেপি আশ্রিত দুষ্কৃতিরা। তিনি কোনও দলের কর্মী নন বলেই জানান।

আসন্ন পুর নির্বাচনের মুখে রাজধানী আগরতলা পুরনিগমের ভোট ঘিরে শহরের বিভিন্ন ওয়ার্ডে হামলা চলছে শাসক দলের আশ্রিত দুষ্কৃতিদের। বিরোধী দল সিপিআইএমের তরফে পশ্চিম ত্রিপুরা থানা ঘেরাও করা হয়। থানায় ঢুকে বাম নেতারা পুলিশ অফিসারদের বিরুদ্ধে নিষ্ক্রিয়তার অভিযোগ এনে তীব্র ক্ষোভ দেখান।

পশ্চিম ত্রিপুরা থানায় সিপিআইএম নেতৃত্ব ও অফিসারদের কথা কাটাকাটির মাঝে বাম নেতা বলেন “এ পর্যন্ত ক’জন সমাজদ্রোহীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে ?” তাঁর প্রশ্নের উত্তর দিতে পারেননি পুলিশ অফিসার।

tripura

বিরোধী দলনেতা তথা প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মানিক সরকার জানিয়েছেন, বিজেপি সরকার জনসমর্থন হারিয়ে রাজনৈতিক হামলার পথ নিয়েছে। জনতার জবাব পাবে।

অন্যদিকে লাগাতার হামলার অভিযোগ করে তৃণমূল কংগ্রেস সাংসদ সুস্মিতা দেব সুপ্রিম কোর্টের দরজায় গিয়েছিলেন। তাঁর আবেদনের ভিত্তিতে সুপ্রিম কোর্ট ত্রিপুরার বিজেপি জোট সরকারকে নির্দেশ দেয় পুর নির্বাচন নির্বিঘ্নে করাতে হবে। তবে সেই নির্দেশ উড়িয়েই বিজেপি আশ্রিত দুষ্কৃতিরা হামলা অব্যাহত রেখেছে বলে অভিযোগ তৃণমূল কংগ্রেসের।

<

p style=”text-align: justify;”>রাজ্যের অপর বিরোধী দল কংগ্রেসও নির্বাচন শান্তিপূর্ণ করার দাবিতে ঘেরাও অবস্থান করেছে। কংগ্রেস নেতৃত্ব বারবার সরকারের বিরুদ্ধে রাজনৈতিক সন্ত্রাস ছড়ানোর অভিযোগ করেছেন।

CPIM: নিধিরাম সর্দার হয়ে পুরভোটে জোটের ‘বগল বাজাচ্ছে’ বামেরা, একলা চলো দাবি

CPIM new generation

Political correspondent: বামফ্রন্ট শরিক দল ফরওয়ার্ড ব্লকের সিংহ গর্জন শুনতে পাচ্ছেন সিপিআইএম (CPIM)নেতারা। আসন্ন পুর নির্বাচনে ফের কংগ্রেসের সঙ্গে জোট নাকি একলা বামফ্রন্ট এই নিয়ে শূন্য ভাঁড়ার পূর্বতন শাসক গোষ্ঠীর মধ্যে বিবাদ বাড়ছেই।

আরও পড়ুন : ‘হাল ছেড়ে দেওয়া’ গৃহবন্দি বুদ্ধবাবু শুনলেন নব্যরা ফাইট করেছে

সূত্রের খবর, পুর ভোটকে সামনে রেখে বামফ্রন্টের বৈঠকে ফ.ব নেতারা সিপিআইএমকে একদম ধুনে দিতে তৈরি। এর জন্য ফরওয়ার্ড ব্লকের বাংলা কমিটি (রাজ্য কমিটি) বাছা বাছা বাক্য সংগ্রহ করে রেখেছেন। সেসব প্রয়োগ করা হবে বৈঠকে।

ফ.ব ইঙ্গিত দিয়েছে যদি জোট হয় তবে বামফ্রন্ট নাম ব্যবহার করা যাবে না। প্রয়াত জ্যোতি বসুর সূত্র মেনে শরিকদলগুলির মিলিত শক্তিকেই বামফ্রন্ট মানতে রাজি ফরওয়ার্ড ব্লক।

এদিকে বামমহলে শুরু হয়েছে ভোট বেড়ে যাওয়ার আনন্দে ‘বগল বাজানো’। সম্প্রতি চার বিধানসভার উপনির্বাচনে একলা লড়াই করে বামফ্রন্ট তার ভোট ও ভোট শতাংশ দুটোই বাড়িয়ে নেয়। যদিও ঝুলি এখনও খালি। গত লোকসভা ভোট থেকে যে শূন্য কোঠা বামেদের জন্য বরাদ্দ করেছেন রাজ্যবাসী তাতে প্রলেপ দিয়েছেন জনতা।

আরও পড়ুন: হেরেও ‘সুশান্ত এফেক্ট’ পশ্চিম মেদিনীপুরে, বনধের রোষ বাম কর্মীদের

মহানগর থেকে মফস্বল সর্বত্র চর্চায় এসেছে একলা চলো রে নীতিতে বামেদের ভোট বেড়ে যাওয়ার বিষয়টি। নিচু তলার নেতা কর্মীদের দাবি, এবার অন্তত কংগ্রেস বা কোনও জগাখিচুড়ি জোটের বগল বাজানো বন্ধ করুন উঁচু তলার নেতারা। তা না হলে স্বল্প পুঁজি যা এসেছে তাও যাবে ভেসে।

এদিকে পশ্চিম মেদিনীপুরের তাবড় নেতা ও প্রাক্তন মন্ত্রী সুশান্ত ঘোষের দাবি, লেজুড়বৃত্তি না করে চোখে চোখ রেখে কথা বললেই বাম ফের পুরনো ছন্দে ফিরবে। গুঞ্জন আসন্ন সিপিআইএম রাজ্য সম্মেলনে তিনি দলীয় অচলাবস্থার নীতিতে ‘বোমা মারা’র যাবতীয় প্রস্তুতি নিতে শুরু করেছেন। ‘সুশান্ত বচন’ যে কত কঠিন তা হাড়ে হাড়ে বোঝেন বাম নেতারা। একই পথে হাঁটতে চলেছেন উত্তরবঙ্গের তথা রাজ্যের অন্যতম হেভিওয়েট নেতা অশোক ভট্টাচার্য ও সুন্দরবনের কিংবদন্তি নেতা কান্তি গাঙ্গুলী। তালিকায় নাম ক্রমে বাড়ছে।

<

p style=”text-align: justify;”>আর জেলায় জেলায় সমর্থকদের দাবি, দল আছে, ভোট পড়ছে, মিছিল হচ্ছে, তবে নেতাদের ভাবা দরকার একলা চলার নীতি। কোথায় আটকাচ্ছে তাঁদের। ‘জোটের বগল বাজানো বন্ধ করুক দল’।

CPIM: পুর ভোটে বাম-কংগ্রেস জোট ? কী বললেন বিমান

biman-basu

News Desk: উপনির্বাচনে জোট করেনি বামফ্রন্ট ও কংগ্রেস। তাতে বামেদের ভোট বেড়েছে। গত লোকসভা নির্বাচন থেকে যে বাম ভোট রাম পক্ষে চলে গিয়েছে সাম্প্রতিক উপনির্বাচনে তার উল্টো স্রোত। তবে এর পরেও আসন্ন পুর নির্বাচনে জোট নিয়ে জল্পনা জিইয়ে রাখলেন বামফ্রন্ট চেয়ারম্যান বিমান বসু। তিনি বলেছেন, এই বিষয়ে আগামী সপ্তাহে আলোচনা হবে।

বাম কংগ্রেস জোট গত নির্বাচনগুলিতে তেমন কোনও সফলতা পায়নি। সর্বশেষ বিধানসভা ভোটে বাম কংগ্রেস ও আইএসএফের সঙ্গে মিলে যে সংযুক্ত মোর্চা তৈরি হয়েছিল তার মাত্র একজন বিধায়ক। ভোট শেষ জোট শেষ বলে দিয়েছেন সিপিআইএমের সর্বভারতীয় সাধারণত সম্পাদক সীতারাম ইয়েচুরি।

এর পরেও বঙ্গ বাম শীর্ষ নেতা বিমান বসুর মন্তব্যে পুর নির্বাচনে জোট নিয়ে ইঙ্গিতবহুল বার্তা এসেছে বলেই মনে করা হচ্ছে। তবে পুর নির্বাচনে মূল লড়াই শাসক তৃণমূল কংগ্রেস ও বিরোধী বিজেপির মধ্যে হবে। তৃতীয়পক্ষ হিসেবে জোট থাকতে পারে। আর জোট না হলে চতুর্থ পক্ষ হবে কংগ্রেস।

উপনির্বাচনে জোটের বাইরে গিয়ে একলা বামফ্রন্ট লড়াই করে ভোট বাড়িয়ে নেওয়ায় সিপিআইএমের অভ্যন্তরে ও সমর্থকদের মধ্যে জোট বিরোধী অবস্থান আরও জোরালো হচ্ছে। পুর ভোটে জোট নিয়ে বাম অন্দরমহলে আগুন ছুটবে বলেই মনে করা হচ্ছে। জেলায় জেলায় জোট বিরোধী হাওয়া বুঝেই সিদ্ধান্ত নেবেন বিমান বসু।

কংগ্রেসের তরফে ইঙ্গিত এসেছে জোটের। তবে স্থানীয় ইস্যুতে জোট নিয়ে ধন্দে প্রদেশ নেতৃত্ব।

Tripura: নির্বাচন কমিশনের ‘চোখ বন্ধ’, পরপর হামলায় বিরোধী বাম প্রার্থীরা জখম

tripura

News Desk: ত্রিপুরায় (Tripura) আসন্ন পুর ও নগর পরিষদ নির্বাচনে বিনা প্রতিদ্বন্দ্ব্বিতায় প্রায় ৩০ শতাংশ আসনে জয়ী শাসক বিজেপি। অভিযোগ, প্রধান বিরোধী দল সিপিআইএম সহ বাকিদেরকে মনোনয়ন জমা দিতেই দেয়নি শাসক দল। এই অবস্থায় আগরতলা পুর নিগমের ভোট ঘিরে রাজনৈতিক হামলায় জখম একাধিক বাম প্রার্থী। আরও অভিযোগ, গত লোকসভা, পঞ্চায়েত ভোটের মতো চোখ বন্ধ করে রেখেছে নির্বাচন কমিশন।

যদিও বিজেপির দাবি, যে সব বিচ্ছিন্ন ঘটনা ঘটেছে তাতে দল জড়িত নয়। বিরোধী দলের এলাকাগত গোষ্ঠীদ্বন্দ্বের ফল। সূত্রের খবর, রাজ্য বিজেপির বিধায়কদের একটি অংশের আশঙ্কা দলের ভোটব্যাংকে বিরাট ধস নামছে।

আগামী ২৫ নভেম্বর আরতলা পুরনিগমের ভোট। রাজধানী শহরের পুর নিগম দখল করতে মরিয়া শাসক বিজেপি। আর গত পুর বোর্ড চালানো সিপিআইএম নেমেছে তেড়েফুঁড়ে। ভোটে আছে তৃণমূল কংগ্রেস ও কংগ্রেস।

আরও পড়ুন: Tripura: আসন্ন পুর নির্বাচনে ‘প্রবল সন্ত্রাসে’ অভিযুক্ত BJP, বিনা ভোটেই বিপুল জয়

এদিকে নির্বাচন যত এগিয়ে আসছে ততই রাজনৈতিক হামলার মুখে পড়ছেন বিরোধী প্রার্থীরা। আক্রান্তের পরিসংখ্যানে বেশি আছেন সিপিআইএমের প্রার্থীরা। কিছুক্ষেত্রে তৃণমূল কংগ্রেসের উপর হামলা হয়েছে।

শনিবার বিকেল থেকে নতুন করে রাজনৈতিক হামলায় আগরতলা পুর নিগমের বিভিন্ন ওয়ার্ডে ভয়ের পরিবেশ তৈরি হয়েছে। একাধিক বাম প্রার্থীর ঘর ভাঙচুরে অভিযুক্ত বিজেপির বাইক বাহিনী, এমনই অভিযোগ।

সাম্প্রতিক আগরতলায় বিজেপির সমর্থকদের তাণ্ডবের কারণে দেশজুড়ে তোলপাড় হয়েছিল। আক্রান্ত হয় বিরোধী সিপিআইএম দলের রাজ্য কার্যালয়। তার আগে ধনপুরে বিরোধী নেতা মানিক সরকারের কনভয়ে হামলার জেরে সেখানকার বাম সমর্থকরা বিজেপি সমর্থকদের বেধড়ক মারধর করে বলে অভিযোগ। সেই ঘটনার রেশ ধরেই আগরতলায় বিজেপির প্রতিবাদ মিছিল থেকে ‘আগুন জ্বলেছিল’। পরপর আক্রান্ত হয়েছিল সংবাদপত্র দফতর।