aparajita adhya: কেমন হচ্ছে এবছর অপরাজিতা আঢ্যের লক্ষ্মী পুজো

aparajita adhya laxmi puja

কলকাতা:  লাল শাড়ি, নাকে নথ, গা ভর্তি গয়না-প্রতিবার লক্ষ্মী পুজোয় তাঁর পুজোর দিকেই তাঁকিয়ে থাকেন দর্শক। কোন থিমে মাকে সাজিয়েছেন তিনি। নিজের হাতে মায়ের জন্য কি কি ভোগ রান্না করলেন-সব মিলিয়ে জমজমাটি অপরাজিতা আঢ্যের (Aparajita Adhya) লক্ষ্মী পুজো।

যদিও দু’বছর ধরে মায়ের আরাধনা জাঁকজমক করে কিছুতেই করতে পারছেন না অভিনেত্রী। একটা না একটা বাধা লেগেই আছে। আগের বার অভিনেত্রী নিজে করোনায় আক্রান্ত ছিলেন। আর এবার কিছুদিন আগেই প্রয়াত হয়েছেন শ্বশুরমশাই। যদিও অপরাজিতা জানিয়েছেন,’ সব ঠিক থাকলেও আমি বড় করে লক্ষ্মী পুজো করতাম না। তার কারণ করোনা। আবার বাড়ছে সংক্রমণ’।

বেহালার বাড়িতে লক্ষ্মীদেবীর আরাধনা করেন অপরাজিতা আঢ্য। এই পুজোয় টলিউডে মধ্যমণি তিনি। যদিও গত দু’ববছর ধরে সময়টা ভাল যাচ্ছে না নায়িকার। আগেরবারের মতো এবারও নম নম করে পুজো সারবেন তিনি। অভিনেত্রীর কথায়, ‘এবার তো আমার শ্বশুরমশাই মারা গিয়েছেন। তাই খুবই ছোট করে পুজো করছি। ঠাকুরমশাই আসবেন না, ফলে সংকল্প হবে না।’

গতবার পুজোতেই করোনা আক্রান্ত হয়েছিলেন অপরাজিতা আঢ্য। অপরাজিতার সঙ্গে করোনা আক্রান্ত হয়েছিলেন তাঁর শাশুড়ি মা ও বাড়ির আরও দু’জন সদস্য। আইসোলেশনে থেকে কোনও মতে মায়ের পুজো করেছিলেন। সেই ভিডিয়ো অপরাজিতা শেয়ার করেছিলেন সোশ্যাল মিডিয়ায়।

প্রসঙ্গত, মন ভাল রাখতে, পুজোতে শাশুড়ি মাকে রাশিয়া পাঠিয়ে দিয়েছিলেন তাঁর বন্ধু-বান্ধবীদের সঙ্গে। সাতদিন কাটানোর পর তিনিও ফিরে এসেছেন। তিনি আসার পরই রাশিয়া লকডাউন।

 

বিতর্কে দেব, ভাইরাল কবীর সুমনের ভিডিও

কলকাতা: বিতর্ক পিছু ছাড়চ্ছে না ‘হবুচন্দ্র রাজা, গবুচন্দ্র মন্ত্রী-র। প্রথমে শোনা গিয়েছিল ছবির পরিচালক ও প্রযোজকের মধ্যে কিছু সমস্য়া হয়েছে। কিন্তু এখন জল্পনা নয়। সরাসরি আবার সোশ্যাল মিডিয়ায় এসে ছবির নির্মাতাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ এনেছেন হবুচন্দ্র রাজা, গবুচন্দ্র মন্ত্রী-র সঙ্গীত পরিচালক কবীর সুমন।

একটি ভিডিওর মাধ্যমে তিনি জানিয়েছেন,’ হবুচন্দ্র রাজা গবুচন্দ্র মন্ত্রীর একটি বড় গান প্রতীক চৌধুরী গেয়েছেন। ২০১৯ সালে হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু হয়েছিল গায়কের। তার দিন কয়েক আগেই তিনি হবুচন্দ্র রাজা, গবুচন্দ্র মন্ত্রী-র জন্য একটি গান রেকর্ড করেছিলেন। ছবির কাজ চলাকালীনই চলে যান প্রতীক চৌধুরী। অথচ ছবির টিজার, ট্রেলারে একবারও গায়কের নাম উল্লিখিত নয় বলে সোশ্যাল মিডিয়ায় দুঃখপ্রকাশ করেছেন কবীর সুমন।

তিনি আরও জানিয়েছেন, তাঁর পরিচালিত এই গান প্রতীক চৌধুরী ছাড়া আর কেউ এভাবে গাইতে পারতেন না। অথচ ছবির টিজারে কোথাও প্রতীক চৌধুরীর নাম পর্যন্ত উল্লেখ করা হল না।’ শিল্পী দুঃখপ্রকাশ করে বলেছেন, যে এটি প্রতীক চৌধুরীর করা শেষ কাজ ছিল। তাঁকে ফাইনাল গানটি শোনাতেও পারেননি তিনি। কিন্তু আশা করেছিলেন এই ছবি তাঁকে উৎসর্গ করা হবে। কিন্তু ছবির টিজার বা ট্রেলার কোথাওই শ্রদ্ধা জানানো হল না কেন তা নিয়ে দুঃখপ্রকাশ করেছেন ছবির সঙ্গীত পরিচালক।

উল্লেখ্য, গত ১০ অক্টোবর টেলিভিশনে মুক্তি পেয়েছে দেব প্রযোজিত ‘হবুচন্দ্র রাজা, গবুচন্দ্র মন্ত্রী’। ছবিটি মুক্তির আগের দিন প্রতীক চৌধুরীর সঙ্গে ছবি কবীর লিখেছিলেন, ‘অনিকেত চট্টোপাধ্যায়ের পরিচালনায় হবুচন্দ্র রাজা গবুচন্দ্র মন্ত্রীর মন্তব্যমূলক পাঁচটি ছোট গান আর একটি বড় গান প্রতীক যেভাবে গেয়ে দিয়েছিলেন আর কেউ পারতেন না। আগামীকাল এই ছবিটি টেলিভিশনে প্রকাশ পাবার কথা। প্রতীক নেই। দেব এন্টারটেনমেন্ট এন্টারপ্রাইজ, যাঁরা এই ছবির প্রযোজক, প্রতীকের নাম একটিবার উল্লেখ করারও প্রয়োজন মনে করেননি।”

একইসঙ্গে একটি পোস্টে প্রযোজক দেবকেই কটাক্ষ করে কবীর সুমন লিখেছিলেন, ‘মাননীয় প্রযোজক একটিবারও প্রতীকের নাম উল্লেখ করেননি এই ছবিটির নানান টিজার প্রকাশ করার সময়। অথচ এটাই প্রতীকের জীবনের শেষ ছবি। আমি প্রতীকের চেয়ে বয়সে যথেষ্ট বড়। আমি বেঁচে থাকলাম, প্রতীক মারা গেলেন। এই ছবির সঙ্গে যাঁরা যুক্ত ছিলেন সকলকে ধন্যবাদ ও নমস্কার জানাচ্ছি। প্রযোজকের শ্রীবৃদ্ধি হোক আরও টাকা হোক তাঁর আরও নাম হোক।’

জীবনে এগিয়ে চললে বন্ধুর সংখ্যা কমে আসে: নুসরত

Nusrat Jahan and Mimi Chakraborty

বায়োস্কোপ ডেস্ক: নুসরত জাহানকে নিয়ে টলি পাড়ায় চর্চার শেষ নেই। রোজ কিছু না কিছু নতুন বিতর্কে জড়িয়ে পড়ে তার নাম। সোশ্যাল মিডিয়ায় তার নতুন পোস্ট বা মন্তব্য দেখার জন্য মুখিয়ে থাকেন নেটিজেনরা।

সম্প্রতি দুর্গাপুজোয় সিঁদুর খেলা নিয়েও নেটিজেনদের রোষের মুখে পড়তে হয় অভিনেত্রীকে। ইনস্টাগ্রামে ছবি পোস্ট করা থেকে সোশ্যাল মিডিয়ায় কোনো মন্তব্য করা, তাকে নিয়ে বিতর্কেরও শেষ নেই। সোমবার ইনস্টাগ্রামে পোস্ট করা নায়িকার একটি মন্তব্যে আবারও বিতর্কের ঝড় ওঠে সোশ্যাল মিডিয়ায়।

ইনস্টাগ্রাম স্টোরিতে একটি পোষ্টের মাধ্যমে বন্ধুত্ব নিয়ে আক্ষেপ প্রকাশ করেছেন নায়িকা। তিনি বলেছেন, জীবনে এগিয়ে চলতে শিখলে বন্ধুত্বের সংখ্যা ধীরে ধীরে কমে আসে। তার সোশ্যাল মিডিয়ায় এমন পোস্টের পর অনেকেই সন্দেহ করছেন যে নুসরত হয়ত তার অভিনেত্রী বন্ধু মিমি চক্রবর্তীর সাথে তার সম্পর্কের কথাই বলতে চেয়েছেন।

ইনস্টাগ্রাম স্টোরিতে একটি পোস্টে নুসরাত লিখেছেন, “জীবনে যখনই তুমি একটি নির্দিষ্ট লক্ষ্যের দিকে এগিয়ে যাবে, তখনই দেখবে ধীরে ধীরে তুমি আশপাশের বন্ধুদের হারিয়ে ফেলেছ। ঠিক এই কারণেই বাসের ১০ টা সিট হলেও বুগতির সিট মাত্র দুটো।” অভিনেত্রীর এই পোস্টের পর এই জড় জল্পনা শুরু হয়েছে যে তিনি নিশ্চয়ই এমন মন্তব্য করে তার এবং মিমির সম্পর্কের অবনতির কথা বোঝাতে চেয়েছেন।

অনেকের মতে, জীবনের এই পর্যায়ে নুসরাতের জীবনে গুরুত্ব কমেছে বান্ধবী মিমি চক্রবর্তীর। এখন তার সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বেক্তি তার স্বামী যশ দাশগুপ্ত আর সন্তান। সম্প্রতি পুজোয় স্বামী যশ দাশগুপ্তের সাথে দেখা গেলেও বান্ধবী মিমির সাথে তাকে দেখা যায়নি।

কদিন আগেই যশকে স্বামী হিসেবে স্বীকৃতি দিয়ে একটি পোস্ট করেছিলেন নুসরত। তারপর থেকেই নুসরাত ও যশ দাশগুপ্তের প্রেম আর বিয়ের গুজব জোরালো হয়ে উঠেছে। স্বামী ছেলেকে নিয়ে জীবনের নতুন অধ্যায়ে যে এগিয়ে চলতে চান নায়িকা, তা বোঝা গেলো নুসরাতের এদিনের ইনস্টাগ্রাম স্টোরিতে।

Dev-Rukmini: খুশির জোয়ার দেব-রুক্মিনীর জীবনে

Dev-Rukmini

কলকাতা: এবার পুজোয় এক্কেবারে জমজমাটি। এক কথায় সময়টা বেশ ভাল কাটছে-রুক্মিনীর (Dev-Rukmini)। বাংলায় ‘গোলন্দাজ’ আর মুম্বইতে ‘সনক’ দিয়ে ছক্কা হাঁকাচ্ছেন লাভ-বার্ডস।

করোনা আবহে এবার পুজোয় মানুষ কতটা হলমুখী হবে তা নিয়ে প্রথম থেকেই একটা জল্পনা চলছিল। তাছাড়া পুজোর সিনেমার লিস্টেও ছিল অনেকগুলি নাম। তবে সবাইকে পিছনে ফেলে এগিয়ে খোকাবাবু।

অনেকগুলো দিন পর ফের হলমুখী দর্শক। ‘গোলন্দাজ’ মুক্তি পাওয়ার পর থেকেই কয়েকটি প্রেক্ষাগৃহে প্রতি শো-হাউজফুল। যদিও ৫০ শতাংশ দর্শক নিয়ে সিনেমা হল খোলা হয়েছে। আর এই ব্যবস্থায় এখনও পর্যন্ত ধ্রুব বন্দ্যোপাধ্যায় পরিচালিত এই ছবি ২ কোটি টাকার বেশি ব্যবসা করেছে।
এ বার পুজোয় ইতিহাসের পাতা থেকে উঠে এসেছেন নগেন্দ্রপ্রসাদ অধিকারী। যে চরিত্রে অভিনয় করেছেন দেব। বাঙালির ফুটবল প্রেমের সূচনায় তাঁর অশেষ অবদান রয়েছে।

অন্যদিকে,মুম্বইতে কাজ করলেন রুক্মিণী। ওটিটিতে নায়িকার ‘সনক’ খুব জনপ্রিয় হয়েছে। বিদ্যুৎ জামওয়ালের সঙ্গে জুটি বেঁধেছেন টলিউড অভিনেত্রী রুক্মিণী মৈত্র।

নিজের ‘গোলন্দাজ’ আর বান্ধবীর ‘সনক’ নিয়ে খুব খুশি দেব। সম্প্রতি তিনি এক সাক্ষাৎকারে বলেন, ‘আমাদের দু’জনের কাজের ক্ষেত্রে খুব ভাল সময় যাচ্ছে। রুক্মিণীর কাছে ‘সনক’ আছে, আমার কাছে ‘গোলন্দাজ’। একটা বাঙালি মেয়ে মুম্বইতে এত ভাল কাজ করেছে- খুব গর্ব হচ্ছে আমার। দেব এন্টারটেনমেন্ট ওকে প্রথম অভিনয়ে নিয়ে আসে। ওর সাফল্য দেখে ভাল লাগছে।’

 

Yash-Nusrat: সমস্ত জল্পনার অবসান ঘটিয়ে বিয়ে সারলেন যশ-নুসরত?

Yash-Nusrat

বায়োস্কাপ ডেস্ক: টলিপাড়ায় যশ দাশগুপ্ত আর নুসরতের সম্পর্ক নিয়ে গুঞ্জন কম নয়। এরই মধ্যে তাদের প্রেম নিয়ে গুজবের আগুনে ঘি ঢেলে দিলেন নায়িকা স্বয়ং। যশ দাশগুপ্তকে প্রকাশ্যে স্বামী বলে স্বীকার করে নিলেন নুসরত জাহান। এর পরেই সোশ্যাল মিডিয়ায় তোলপাড় শুরু হয়ে যায়। জল্পনা শুরু হয় তাদের বিয়ে আর গোপন সম্পর্ক নিয়ে।

রবিবার ছিল যশ দাশগুপ্তের জন্মদিন। সেদিন রাতে অভিনেতা ও অভিনেত্রী একটি রোমান্টিক ডিনারে যান একসাথে। ইনস্টাগ্রামে সেই ঘনিষ্ঠ মুহূর্তের ছবি শেয়ার করেছেন নায়িকা। যশ দাশগুপ্তের জন্য জন্মদিনের কেকের একটি ঝলক শেয়ার করেছেন নুসরাত জাহান। সেই কেকের ওপর অভিনেতাকে স্বামী এবং বাবা হিসাবে উল্লেখ করা ছিল। কেকে শুভ জন্মদিন এর পাশাপাশি লেখা ছিল ‘স্বামী’ ও ‘পিতা’ এই দুই শব্দ। নুসরাত জাহানের ইনস্টাগ্রাম আপডেটগুলি ইন্টারনেটে উত্তেজনা ছড়ায় কারণ এই প্রথম তিনি যশ দাশগুপ্তকে তার “স্বামী” হিসাবে উল্লেখ করেছিলেন। এটির মাধ্যমেই প্রথম দম্পতির বিবাহিত হওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত হতে দেখা গেছে। নুসরতের ইনস্টাগ্রাম আপডেটগুলিও শিশুর বাবা সম্পর্কে জল্পনা – কল্পনার সমাধান করতে হাজির হয়েছিল।

নুসরাত ও যশের প্রেম ও গোপন সম্পর্ক নিয়ে টলিউডে গুঞ্জন দীর্ঘদিনের। শোনা যায়, তাদের সম্পর্কের কারণেই বিয়ের ছয় মাসের মধ্যেই বিয়ে ভেঙে যায় অভিনেত্রীর। নুসরতের মা হওয়ার খবর প্রকাশ্যে আসতেই তাদের সম্পর্কের জল্পনা আরো গুরুতর হয়। নুসরাতের প্রাক্তন স্বামী এই নিয়ে একাধিকবার মুখ খুললেও অভিনেতা ও অভিনেত্রীকে এ বিষয়ে বিশেষ মন্তব্য করতে আগে কখনো শোনা যায়নি। এই বিষয়ে অবশ্য অভিনেত্রী একবার বলেছিলেন যে তার ও তার প্রাক্তন স্বামীর আদতেও বিয়ে হয়নি কখনোই। এর পরে এইদিন যশ দাশগুপ্তকে স্বামী হিসেবে সম্বোধন করতেই সোশ্যাল মিডিয়ায় কমেন্টের বন্যা বয়ে যায়। জল্পনা শুরু হয়ে যায় তাদের কবে এবং কিভাবে বিয়ে হয়েছে, বা আদৌও বিয়ে হয়েছে কিনা। প্রসঙ্গত, SOS কলকাতা নামে একটি ছবিতে শেষবার তাদের একসাথে অভিনয় করতে দেখা যায়

বিয়ের পিড়িতে বসতে চলেছেন মিমি: টলি-গুঞ্জন

Mimi Chakraborty

বায়োস্কোপ ডেস্ক: অভিনয় জগতে পা রাখার অল্প কিছুদিনের মধ্যেই লোকসভার সাংসদ হয়ে যান মিমি চক্রবর্তী (Mimi Chakraborty)। ভোট শিবিরের প্রসঙ্গে হোক বা নতুন ছবি, মিমি খবরের শিরোনামে থেকেছেন বরাবরই। ভক্তরা তার রোজনামচা জানার জন্য মুখিয়ে থাকেন। বেশ কিছুদিন ধরেই টলিপাড়ায় গুজব শোনা যাচ্ছে মিমির প্রেম কাহিনী ও বিয়ের সম্ভবনা নিয়ে। এ প্রসঙ্গে সমস্ত গুজব এক প্রকার পুরোপুরি উড়িয়ে দিলেন অভিনেত্রী ও সাংসদ মিমি চক্রবর্তী। 

সোশ্যাল মিডিয়ায় ভীষণভাবে সক্রিয় অভিনেত্রী মিমি চক্রবর্তী। এর আগেও একাধিক বার সাক্ষাৎকারের সময় বিয়ের পরিকল্পনা নিয়ে তাকে প্রশ্নের মুখোমুখি হতে হয়েছে। অনুরাগীদের মধ্যেও তার বিয়ের পরিকল্পনা নিয়ে বেশ উচ্ছাস। সম্প্রতি ইনস্টাগ্রামে অভিনেত্রীর একটি পোস্টকে ঘিরে মিমির বিয়ের জল্পনা আরো জোরালো হয়ে ওঠে। সোশ্যাল মিডিয়ায় তিনি লিখেছেন, “একটা খুশির খবর আসতে চলেছে।” এর পরেই একের পর এক প্রশ্ন উঠতে থাকে তবে কি শেষমেশ বিয়ের পিড়িতে বসছেনই মিমি?

তবে এইসব গুজব নিমেষেই উড়িয়ে দিলেন অভিনেত্রী। সমস্ত ধোঁয়াশা মুছে ফেলে তিনি জানালেন বিয়ের কোনো পরিকল্পনা এখনই করছেন না তিনি। তবে ‘খুশির খবর’ বলতে তার নতুন ছবি ‘বাজি’র কথা উল্লেখ করলেন অভিনেত্রী মিমি চক্রবর্তী। নতুন ছবির খবর পেয়ে বেশ আগ্রহী তাঁর অনুরাগীরা। অনেকে সোশ্যাল মিডিয়ায় তাকে শুভেচ্ছাবার্তা ও জানালেন।

সূত্রের খবর বাজি ছাড়াও আরও বেশ কিছু নতুন সিনেমার কাজে ব্যস্ত মিমি। এইসব নতুন ছবির মধ্যে রয়েছে মৈনাক ভৌমিকের ‘মিনি’ থেকে অরিন্দম শীলের ‘খেলা যখন’। ভিন্ন ভিন্ন চরিত্রে নিজেকে মানিয়ে নেওয়ার জন্য বেশ পরিশ্রম করে চলেছেন অভিনেত্রী মিমি। প্রসঙ্গত, SOS কলকাতা নামের একটি ছবিতে শেষবার অভিনয় করতে দেখা গেছে মিমি চক্রবর্তীকে। বক্সঅফিসে ছবিটি বিশেষভাবে সাফল্য না পেলেও, ছবিতে অভিনেত্রীর অভিনয় বেশ প্রশংসিত হয়েছে।

Bangladesh: মাদক মামলায় CID চার্জশিটে অভিযুক্ত পরীমণি

Porimoni

নিউজ ডেস্ক: জামিন পেয়ে জেল থেকে বেরিয়ে যে সস্তি পেরেছিলেন বাংলাদেশ ও পশ্চিমবঙ্গে জনপ্রিয় চিত্রনায়িকা শামসুন্নাহার স্মৃতি ওরফে পরীমণি (Pori Moni) তাতে লাগল সিআইডি দৃষ্টি। মাদক মামলায় নায়িকার বিরুদ্ধে নির্দিষ্ট অভিযোগ এনে চার্জশিট দাখিল করেছে বাংলাদেশ সিআইডি (CID)।

মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে দা‌য়ের করা এই মামলায়  পরীমনি ছাড়া আরও দুজনকে অভিযুক্ত করা হয়েছে। তারা হলেন আশরাফুল ইসলাম দীপু ও কবির চৌধুরী। সোমবার ঢাকা (Dhaka) মহানগর হাকিম আদালতে এই চার্জশিট দাখিল করেন মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা সিআইডির পরিদর্শক কাজী মোস্তফা কামাল।

এর আগে গত ২৮ সেপ্টেম্বর চিত্রনায়িকা পরীমনিকে তাঁর হ্যারিয়ার গাড়ি, আইফোন, ল্যাপটপসহ ১৬টি ব্যক্তিগত সম্পত্তি ফেরত দেওয়ার নির্দেশ দেয় আদালত। এরপর পরীমণি বলেছিলেন তিনি খেলতে চান। লক্ষ লক্ষ ভক্তের মাঝে উল্লাস ছড়িয়েছিল সেই বার্তা।

গত ৪ আগস্ট ঢাকার বনানী এলাকার ফ্ল্যাটে অভিযান চালানোর পর পরীমনিকে আটক করে র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‌্যাব)। তাঁর ফ্ল্যাট থেকে ইয়াবা(YaBa) সহ বিভিন্ন মাদক, অশ্লীল ছবি তৈরির যোগাযোগ নম্বর মিলেছিল। তদন্তে উঠে আসে পরীমণি মাদক কারবার বাংলাদেশ ও বিভিন্ন দেশে ছড়িয়ে। পশ্চিমবঙ্গের টালিগঞ্জ (Tollywood) স্টুডিও পাড়ায় কয়েকজন এতে জড়িত। তবে তাদের নাম তদন্তের স্বার্থে বাংলাদেশ পুলিশ জানায়নি।

মাদক মামলা গ্রেফতারির আগে পরীমণি আচমকা সাংবাদিক সম্মেলন ডেকে অভিযোগ করেন, তাকে ঢাকা বোট ক্লাবে ধর্ষণ ও খুনের চেষ্টা করা হয়। এতে জড়িত বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের বিরোধী দল জাতীয় পার্টির কেন্দ্রীয় নেতা নাসিরউদ্দিন। অভিযোগের ভিত্তিতে নাসিরউদ্দিনকে গ্রেফতার করে পুলিশ। তিনি জামিন পেয়ে মানহানির মামলা করবেন বলে হুঁশিয়ারি দেন। এর পরেই মাদক কারবারে পরীমণি জড়িত সেই তদন্তে আলোড়ন ছড়ায় বাংলাদেশ ও পশ্চিমবঙ্গের চলচ্চিত্র মহলে।

তদন্তের পর পুলিশ জানায়, পরীমণির মাদক কারবার ও ব্ল্যাক মেলিং ব্যবসায় জড়িত বহু প্রভাবশালী। তারা বাংলাদেশ ও বিভিন্ন দেশে থাকেন। এমনকি মাদক কারবারে টলিউডের কয়েকজন নায়ক নায়িকার সঙ্গে সংযোগ রয়েছে। এই মামলায় জেল হয় পরীমণির। গত ১ সেপ্টেম্বর জামিনে মুক্ত হন তিনি।

বিয়ে ভাঙল নাগার্জুনের ছেলে নাগা চৈতন্যের

Samantha Akkineni Naga Chaitanya

বায়োস্কোপ ডেস্ক: ফ্যামিলি ম্যান ওয়েব সিরিজ খ্যাত অভিনেত্রী সামান্থা আক্কিনেনি ও নাগার্জুনের ছেলে নাগা চৈতন্য অবশেষে প্রকাশ্যে আনলেন তাদের বিবাহ বিচ্ছেদের খবর। ইনস্টাগ্রামে একটি পোস্টের মাধ্যমে নিজেদের বিচ্ছেদের কথা জানান তারা।

অনুরাগী ও সংবাদ মাধ্যমের থেকে প্রয়োজনীয় সহযোগিতার দাবি করেছেন তারা। জানিয়েছেন বিচ্ছেদের পরেও বন্ধু হয়েই থাকতে চান। বিচ্ছেদের জল্পনা চলছিল বেশ কিছু সপ্তাহ জুড়েই। দুজনে এপ্রসঙ্গে দীর্ঘদিন মুখে কুলুপ এঁটে থাকলেও অবশেষে মুখ খুললেন। তবে এবার সমস্ত জল্পনার অবসান ঘটিয়ে সরাসরি জানিয়ে দিলেন বিচ্ছেদের কথা।

দক্ষিণী এই দুই তারকার মধ্যে দাম্পত্য কলহের খবর পাওয়া যাচ্ছিলো বেশ কিছুদিন ধরেই। তারা এপ্রসঙ্গে একে অপরের প্রতি সহানুভূতিশীল থাকার চেষ্টা করলেও, শেষ পর্যন্ত বিচ্ছেদের আশঙ্কাই সত্যি হলো। তবে বিচ্ছেদের পরেও তাদের সম্পর্কে তিক্ততার কোন লেশমাত্র নেই বলেই জানিয়েছেন দুই তারকা। ইনস্টাগ্রামে একটি পোস্টের মাধ্যমে তারা দাবি করেছেন, “আমরা নিজেদের মতো করে জীবনের লক্ষ্যে হাঁটবো। এখন থেকে আমরা আর স্বামী স্ত্রী নই। আমাদের রাস্তা ভিন্ন।”

তারা আরো জানিয়েছেন যে গত এক দশকের ও বেশি সময় জুড়ে একে অপরকে বন্ধু হিসেবে পেয়ে তারা কৃতজ্ঞ। শুভাকাঙ্খী, বন্ধুবান্ধব, অনুরাগী ও সংবাদ মাধ্যমের সহযোগিতা কামনা করেছেন তারা যাতে তাদের জীবনের পথে এগিয়ে যাওয়া আরো সহজ হয়ে উঠে। উল্লেখ্য, সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করে তাদের বিবাহ বিচ্ছেদের খবর চৈতন্যই প্রথম প্রকাশ্যে নিয়ে আসেন।

২০১৭ সালে সাতপাকে বাধা পড়েছিলেন দক্ষিণী অভিনেত্রী সামান্থা আক্কিনেনি ও নাগা চৈতন্য। ৭ বছরের দীর্ঘ রূপকথার মতো রঙিন প্রেম পর্বের পর বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হয়েছিলেন তারা। হিন্দু ও খ্রিস্টান মতে দুটি ভিন্ন অনুষ্ঠানের মাধ্যমে বিয়ে সেরেছিলেন তারা। অনুরাগীরা তাদের ‘চে-সম’ বলেই আখ্যায়িত করতেন নেট দুনিয়ায়। এ বছরের মাঝামাঝি সময় থেকেই তাদের রূপকথার গল্পের মতো দাম্পত্য জীবনে ভাটা নেমে আসে বলে গুঞ্জন শোনা যায়। শনিবার নেট মাধ্যমে পোস্ট করে প্রায় চার বছরের দাম্পত্য জীবনের অবশেষে ইতি টানলেন দক্ষিণী তারকা দম্পতি।

ক্যানসারকে হারিয়ে নতুন জীবনের পথে ঐন্দ্রিলা

aindrila sharma

বায়োস্কোপ ডেস্ক: দেওয়ালে পিঠ থেকে যাওয়ার পরেও জীবন বারবারই শিখিয়ে দেয় কিভাবে ফিরে আসতে হয়। সমস্ত প্রতিকূলতার মাঝেও হার না মানা হারের নাম ‘ঐন্দ্রিলা’। জিয়ন কাঠি ধারাবাহিক থেকে জনপ্রিয়তা অর্জনের পর ক্যান্সার হয়ে উঠেছিল তার আর এক পরিচয়।

মারণ রোগকে বুড়ো আঙুল দেখিয়ে ফের জীবনের স্রোতে ফিরছে ঐন্দ্রিলা। প্রথম কেমোথেরাপির পরেও দিব্যি অভিনয় ফিরছেন বাংলা ধারাবাহিকের এই লড়াকু অভিনেত্রী। মারণ রোগের বিরুদ্ধে তাঁর এই লড়াইয়ে সব সময় পাশে পেয়েছেন জীবনসঙ্গী ‘বামাক্ষ্যাপা’ খ্যাত সব্যসাচীকে।

ঐন্দ্রিলার সুস্থতা বা অসুস্থতা সম্পর্কে সব সময় দর্শকদের অবগত রেখে গেছেন সব্যসাচী। অভিনেত্রীর পাশে থেকে গেছেন ছায়াসঙ্গীর মতো করে। সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করতে থাকেন ঐন্দ্রিলার সাথে কাটানো বিভিন্ন মুহূর্তের ছবি। ক্যানসারের সঙ্গে ঐন্দ্রিলার লড়াইয়ের ঘটনা প্রথম প্রকাশ্যে নিয়ে আসেন তিনিই।

ফেসবুকে সব্যসাচী লিখলেন, ‘প্রতি মাসের শেষে ঐন্দ্রিলাকে নিয়ে লেখাটা আমার প্রায় রীতি হয়ে দাঁড়িয়েছে। আসলে সারা মাস ধরে বহু সাধারণ মানুষ থেকে শুরু করে নানান পত্রপত্রিকা এবং সংবাদমাধ্যম আমায় নিয়মিত প্রশ্ন করেন ওর বিষয়ে। আমি কাউকেই বিশেষ কিছু বলি না, আসলে ‘ভালো আছে’ বলতে আমার ভয় লাগে। সত্যি বলতে, চোখের সামনে আমি যা দেখেছি এবং নিয়মিত দেখছি, সেটাকে ভালো থাকা বলে না, সেটাকে অস্তিত্বের লড়াই বলে। অবশ্য এইসব খটমট কথা কেবলমাত্র আমিই বলি, ওকে যদি কেউ জিজ্ঞাসা করে তাহলে এক গাল হেসে উত্তর দেবে “খুব ভালো আছি, আমার রাশিফল ভালো যাচ্ছে।”

তার কেমো নেওয়ার সময় অভিনেত্রীর যন্ত্রণার কথাও সোশ্যাল মিডিয়ায় প্রকাশ করেছিলেন সব্যসাচী। প্রসঙ্গত অভিলা ক্যান্সারের প্রথম আক্রান্ত হয়েছিলেন ২০১৫ সালে। সেই সময়ে তিনি সাময়িকভাবে সুস্থ হয়ে গেলেও ফের গত বছর ফুসফুসের ক্যান্সারে আক্রান্ত হন। অস্ত্রোপচারে বাদ গেছে তার ফুসফুসের অর্ধেক অংশ।

নিন্দুকদের কড়া সমালোচনা করলেন ‍’Didi No-1′ রচনা বন্দ্যোপাধ্যায়

Rachana Banerjee

বায়োস্কোপ ডেস্ক: সঞ্চালনা ও অভিনয়ের পাশাপাশি সম্প্রতি অনলাইন মাধ্যমের সাহায্যে শাড়ির ব্যবসা শুরু করেছিলেন অভিনেত্রী রচনা বন্দ্যোপাধ্যায় (Rachana Banerjee)। সেই নিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় পড়ে গেছে হইচই রব। 

রচনা বন্দ্যোপাধ্যায়কে সোশ্যাল মিডিয়ায় সম্মুখীন হতে হয়েছে একরাশ ট্রোল ও কুকথার। বেশ কড়া ভাষায় সেসব ট্রোল ও কুকথার জবাব দিলেন অভিনেত্রী। রচনা বন্দ্যোপাধ্যায় ফেসবুক লাইভে সমালোচকদের প্রশ্নের পাল্টা জবাব দিয়ে বলেছেন, “শাড়ির ব্যবসা করা কি খারাপ?” তার এই সাহসী পদক্ষেপের প্রশংসায় মেতেছেন নেটিজেনরা।

অভিনয় জগতে সম্প্রতি বিশেষ সক্রিয় না থাকলেও রচনা ব্যানার্জি বেশ কিছুদিন ধরেই যুক্ত রয়েছেন একটি বেসরকারি চ্যানেলে সঞ্চালনার কাজে। কিছুদিন আগেই তিনি সোশ্যাল মিডিয়ায় ভক্তদের উদ্দেশ্য করে জানিয়েছিলেন যে এবার সম্পূর্ণ নতুন অবতারে ধরা দিতে চলেছেন। তার কিছুদিন পরেই তিনি তার নিজস্ব বুটিক ‘রচনা’স ক্রিয়েশন’-এর উদ্বোধনের কথা প্রকাশ করেন।

Rachana Banerjee

তাতে ভক্তেরা অজস্র শুভেচ্ছা বার্তা জানালেও, একদল সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহারকারীর সমালোচনার সম্মুখীন হতে হয় টলিউড অভিনেত্রীকে। অনেকে সমালোচনা করেছেন যে তিনি তার তারকা হওয়ার ভাবমূর্তিকে ব্যবহার করে অতিরিক্ত দামে শাড়ি বিক্রি করছেন। আবার অনেকের মতে, রচনা ব্যানার্জীর বুটিকের শাড়ি গুলি সম্ভবত অন্য দোকান থেকে নিয়ে আসা। বেশকিছু দরুন আবার এও আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন যে, তারকারা এভাবে অনলাইনে ব্যবসা শুরু করলে বেশকিছু ছোট ব্যবসায়ীরা বিপদে পড়বেন। এ প্রসঙ্গে সরাসরি সুদীপা মুখোপাধ্যায় বন্দ্যোপাধ্যায়ের সাথেও তুলনা টানা হয়েছে রচনা বন্দ্যোপাধ্যায়ের।

ফেসবুক লাইভে এসে অভিনেত্রী নেটিজেনদের সমস্ত সমালোচনার কড়া ভাষায় জবাব দেন। এ প্রসঙ্গে তিনি স্বনির্ভরতা ও নারী ক্ষমতায়নের প্রসঙ্গ টেনে আনেন। তিনি জানিয়েছেন, “আমি শাড়ি বিক্রি করি বা না করি তাতে কারও সুবিধা বাঅসুবিধা হওয়ার কথা নয়।” তিনি এও বলেছেন যে তার এই পদক্ষেপে অনুপ্রাণিত হবেন হাজার হাজার মহিলা। রচনা ব্যানার্জি জানান যে সাধারণ মানুষের আরও কাছাকাছি থাকার একটি পন্থা হিসেবেই তিনি বুটিকটি গড়ে তুলেছেন।

মুক্তি পেল কোয়েল মল্লিক ও পরমব্রত চট্টোপাধ্যায়ের নতুন ছবির ট্রেলার

Koel Mallick and Parambrata Chatterjee

বায়োস্কোপ ডেস্ক: সম্প্রতি মুক্তি পেল কোয়েল মল্লিক (Koel Mallick) এবং পরমব্রত চট্টোপাধ্যায় ( Parambrata Chatterjee) অভিনীত নতুন ছবি “বনি”-র ট্রেলার। ছবিটি মুক্তি পাচ্ছে পুজোর সময় ‘আড্ডা টাইমস্’ ও.টি.টি. প্লাটফর্মে।

ছবিটি মুক্তি পাওয়ার সম্ভাবনা আছে আগামী ১০ই অক্টোবর। প্রসঙ্গত, এর আগে কোয়েল ও পরমব্রতকে শেষবার জুটি বাঁধতে দেখা গেছে সৃজিত মুখোপাধ্যায় পরিচালিত হেমলক সোসাইটি ছবিতে। কোয়েল মল্লিক জানিয়েছেন, যদিও তারা দীর্ঘদিনের বন্ধু এবং একসাথে আগেও কাজ করেছেন, এই প্রথম পরমব্রত অভিনয়ের পাশাপশি পরিচালনাও করছেন এই ছবিতে।

Koel Mallick and Parambrata Chatterjee

ছবির ট্রেলারের শুরুতে পরমব্রত ও কোয়েলের (যারা ছবির মূল চরিত্র) বিয়ের আনন্দময় দাম্পত্য জীবনের প্রতিফলন এবং বাড়িতে এক নতুন অতিথির আগমনে। অনুপম রায়ের মনমুগ্ধকর গানের সুরের মাঝেই গল্পটি অপ্রত্যাশিতভাবে বিষন্ন ও গুরুতর পরিস্থিতির মোড় নেয়। একটি দুর্ঘটনা আর নবজাতকের স্বাস্থ্য নিয়ে উদ্বিগ্নতা দেখা দেয় ছবির ঝলকে।

আবার অপরদিকে, অঞ্জন দত্তকে, যিনি একজন প্রবাসী বাঙালির চরিত্রে অভিনয় করছেন, দেখা যায় সন্ত্রাস যোগের কারণে দেশ থেকে পালিয়ে যেতে দেখা যায়। ছবির ট্রেলারে কল্পবিজ্ঞানের ছোঁয়াও রয়েছে যা ছবির মূল গল্প সম্পর্কে ধোঁয়াশার সৃষ্টি করে।

Koel Mallick and Parambrata Chatterjee

ছবির ট্রেলার মুক্তির পর থেকেই সারা ফেলেছে দর্শকের মনে। আড্ডা টাইমস্ প্ল্যাটফর্মের পাশাপাশি পুজোয় ছবিটি মুক্তি পেতে চলেছে বড়ো পর্দাতেও। অনুরাগীদের পাশাপাশি চলচ্চিত্র বিশেষজ্ঞরাও ছবিটি নিয়ে বেশ উৎফুল্লতা প্রকাশ করেছেন সোশ্যাল মিডিয়ায়। উল্লেখ্য, ছবিটি প্রযোজনা করেছন কোয়েল মল্লিকের স্বামী নিশপাল সিংহ রানে।

শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়ের একটি গল্প অবলম্বনে তৈরি করা হয়েছে ছবির চিত্রনাট্য। অনিরুদ্ধ দাশ গুপ্ত এবং পরমব্রত চট্টোপাধ্যায় একত্রিত ভাবে ছবিটির চিত্রনাট্য ও গল্প নির্মাণ করেছেন। ছবিতে পরমব্রত চট্টোপাধ্যায় ও কোয়েল মল্লিক ছাড়াও কাঞ্চন মল্লিক, অঞ্জন দত্ত ও জাচারি কফিনের মত অভিনেতাদের অভিনয় করতে দেখা গেছে।

খেলা হবে: মাদক মামলার তদন্তে পরীমনির মুখে টলিপাড়ার গন্ধ পেল পুলিশ

Bangladeshi actress porimoni

ঢাকা: মাদক মামলায় জেল খেটে জামিনে মুক্ত বাংলাদেশ ও টলিউডের আলোচিত চিত্রনায়িকা পরীমনি। বুধবার মাদক মামলায় হাজিরা দিতে গিয়ে আদালত চত্বরে বিস্ফোরক মন্তব্য করলেন শামসুন্নাহার স্মৃতি ওরফে পরীমণি। তিনি বলেন,”যারা আমার জীবন নিয়ে খেলতে চায় বা ঘাটতে আসে, তাদের সবাইকে আমি ওয়েলকাম করছি। আসো। ওয়েলকাম। আমি প্রস্তুত তোমাদের সঙ্গে এই খেলায় অংশ নিতে প্রস্তুত।”

গত ৪ আগস্ট ঢাকার অভিজাত এলারা বনানীর ফ্ল্যাট থেকে পরীমনিকে আটক করে র‌্যাব। এ সময় পরীমনির ফ্ল্যাটে বিভিন্ন ধরনের মাদক পাওয়া গেছে বলে জানানো হয়। মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে পরীমনি ও তার সহযোগীর বিরুদ্ধে বনানী থানায় মামলা করা হয়। সেই মামলায় জেলে যান পরীমণি। পরে জামিনে মুক্তি পান। এখন মামলাটির হাজিরা দিচ্ছেন।

এই মাদক মামলার সঙ্গেই পরীমণির বিরুদ্ধে বিকৃত যৌন কারবার ও ব্ল্যাকমেলিংয়ের অভিযোগ আনা হয়েছে। নিষিদ্ধ মাদক ইয়াবা কারবারে তিনি জড়িত বলে মামলায় দেখানো হয়েছে।

মাদক মামলায় জড়ানোর আগে আচমকা পরীমণি সাংবাদিক সম্মেলনে অভিযোগ করেন, তাঁকে ঢাকা বোট ক্লাবে ধর্ষণ ও খুনের চেষ্টা করা হয়েছিল। সেই অভিযোগের ভিত্তিতে বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের বিরোধী দল জাতীয় পার্টির প্রেসিডিয়াম সদস্য তথা শীর্ষ নেতা নাসিরউদ্দিনকে আটক করে পুলিশ। পরে তিনি জামিনে মুক্তি পান। তিনিও পরীমণির বিরুদ্ধে মানহানির মামলার হুঁশিয়ারি দেন।

তাৎপর্যপূর্ণ, এর পরেই পরীমণি মাদক মামলায় জড়ান। ঢাকা মহানগর পুলিশের তদন্তে উঠে এসেছে পরীমণির মাদক কারবারের জাল কলকাতায় টলিউডে ছড়িয়ে আছে।

🅱🅸🅶 🅽🅴🆆🆂: নিখিলের জীবনেও নতুন মানুষের আগমন: আপ্লুত নুসরত প্রাক্তন

Nikhil Jain

বায়োস্কোপ ডেস্ক: দীর্ঘ বেশ কয়েকটি মাস ধরে নুসরত এবং নিখিলের সম্পর্ক নিয়ে উত্তাল সোশ্যাল মিডিয়া। নুসরতের কথায়, নিখিল কোনদিন তাঁর স্বামী ছিল না৷ ছিল লিভিং পার্টনার৷ কারণ কোনদিন তাদের রেজিস্ট্রি করে বিয়েই হয়নি। পাল্টা স্টেটমেন্ট জারি করেছিলেন নিখিল, নুসরতকে বারং বার বলা সত্ত্বেও তিনি নিজেই আইনি বিয়ে করতে চাননি।

সংবাদমাধ্যম থেকে সোশ্যাল মিডিয়া সেই সময়ে প্রত্যেকেই নিখিলকেই সমর্থন করেছিলেন। সময়ের স্রোতে ঠিকই হয়েছে সে সব কথা। নুসরতের জীবনে এসেছে ফুটফুটে ঈশান। ঈশানের পিতৃত্বের পরিচয় বরং এখন থাক। নুসরতের সন্তান নিয়ে নিখিলকে প্রশ্ন করা হলে, তিনি সংবাদমাধ্যমকে জানিয়েছিলেন মা ও সন্তান দুজনেই যেন ভালো থাকে৷ যেহেতু এখন আর তাদের মধ্যে কোন যোগাযোগ নেই, তাই এর থেকে বেশি তিনি কোনও মন্তব্য করেননি।

Nikhil Jain

তবে এইবার নতুন এক যাত্রার পথে পাড়ি দিলেন নিখিল৷ ইতিমধ্যেই মুম্বইতে পৌঁছে গিয়েছেন তিনি। ব্যবসার কাজেই মুম্বইতে পৌঁছে যাওয়া। আর তারই মধ্যে নিখিলের ইনস্টাগ্রাম স্টোরিতে ফুটে উঠল অন্য আরেকজনের কথা। তিনি রেহেনুমা জাহান। রেহেনুমা ব্যবসায়ী নিখিল জৈন ট্যাগ করে এবং ছবি দিয়ে ওপরে লিখলেন, ‘তিনি অভিনেতা নন, তিনি ব্যবসায়ী৷ কিন্তু তিনি আমার হৃদয় হরণ করেছেন।’ রেহেনুমার স্ট্যাটাস নিজের স্টোরিতে তুলে ধরে ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেছেন নিখিল। তবে কে এই মহিলা, তা এখনও অজ্ঞাত।

বিয়ে করতে চলেছেন জনপ্রিয় এই অভিনেত্রী

Roshni Bhattacharya

বায়োস্কোপ ডেস্ক: দীর্ঘ দুই বছর প্রেমের পর ছাদনাতলায় বসতে চলেছেন টলিউডের এই জনপ্রিয় অভিনেত্রী। বাগদান অর্থাৎ এনগেজমেন্ট সারলেন যেখানে প্রথমদিন প্রেমিকের সঙ্গে দেখা হয়েছিল তার। স্হান হার্ড রক ক্যাফে।

Roshni Bhattacharya is getting married

সোশ্যাল মিডিয়ায় তাঁর পোস্ট থেকেই জানা গেল সে কথা। কমেন্ট বক্সে উপচে পড়ছে শুভেচ্ছা বার্তা। সৈরিতী ব্যানার্জি, রূপাঞ্জনা মিত্র, ঐন্দ্রিলা শর্মা, রফিয়াত রশিদ মিথিলা, সন্দীপ্তা সেন, রোশনির সহ-অভিনেতা গৌরব চট্টোপাধ্যায়, রাজদীপ গুপ্ত শুভেচ্ছা জানিয়েছেন তাকে। তাকে যাকে নিয়ে এত কথা তিনি কে জানেন।

Roshni Bhattacharya is getting married

তিনি অভিনেত্রী রোশনি ভট্টাচার্য (Roshni Bhattacharya)। অর্থাৎ জি বাংলায় সম্প্রচারিত করুণাময়ী রাণী রাসমণি’-র ‘জগদম্বা’।বাঁ হাতের অনামিকায় নতুন আংটি পরে ছবি দিলেন তিনি। প্রেমিকের নাম তূর্জ সেন৷ তিনি ইন্ডাস্ট্রির মানুষ নয়। পারিবারিক ব্যবসার হাল ধরেছেন। আনুষ্ঠানিক ভাবে বিয়ের প্রস্তাব দিল সে। আঙুলে আংটি পড়ে নিজের দুই ছবির সঙ্গে অভিনেত্রী পোস্ট করলেন প্রেমিকের সঙ্গে তিনটে ছবি।

Roshni Bhattacharya is getting married

একই বন্ধুর গ্রুপ থেকে পরিচয় এই দুজনের। অবশ্য তখন তিনি অন্যত্র প্রেমে বাঁধা পড়েছিলেন। কিন্তু তারপর সেই সম্পর্কের ইতি ঘটে।সেই কঠিন মুহূর্তে তূর্জর সঙ্গে তার বন্ধুত্বটা আরও গভীর হয়। তার পর ধীরে ধীরে প্রেম। সিরিয়ালের পাশাপাশি সৃজিত মুখোপাধ্যায়ের আগামী ছবি ‘অতি উত্তম’-এর নায়িকাও তিনি।

ইন্দ্রানীর পরে দুর্গা হিসেবে টলিউডের সবথেকে পছন্দের কি কোয়েল?

Indrani Haldar Koel Mallick

বায়োস্কোপ ডেস্ক: তিনি আসছেন। প্রলয় নিয়ে আসছেন।আর সঙ্গে মর্ত্যবাসীকে তিনি অভয় দিচ্ছেন ভীত না হওয়ার।কারন তিনি শক্তিদায়িনী,বলপ্রদায়িনী।মা দুর্গার তো মর্ত্যধামে আসার সময় হয়ে গেল।

তবে দুর্গার (Durga) আগমন হওয়ার আগেই বাঙালীর ড্রয়িং রুমের টিভি সেটে আসছে দেবীরুপী কোয়েল মল্লিক। মহালয়াতে দেবী দুর্গা রূপে আমরা বহু বড় পর্দার অভিনেত্রীকেই পেয়েছি। একটি দীর্ঘ সময় ধরে দূরদর্শনে দুর্গার চরিত্রে অভিনয় করতে দেখেছি ইন্দ্রানী হালদারকে (Indrani Haldar)। তারপর শুভশ্রী গঙ্গোপাধ্যায়, শ্রাবন্তী চ্যাটার্জী, মিমি চক্রবর্তীকেও পেয়েছি। ইন্দ্রানী হালদারের পরেই দুর্গা চরিত্রের সবথেকে লং রানের অভিনেত্রী কোয়েল মল্লিক (Koel Mallick)।

সুরিন্দর ফিল্মসের প্রযোজনায় কালারস বাংলাতে মহালয়ায় আসছে নবরূপে মহাদুর্গা। এই চরিত্রের জন্য কোয়েলের অসাধারণ নৃত্য দক্ষতাও আরো একবার দেখতে পাবেন দর্শক। তার জন্য সাজো সাজো রব উঠেছে টলিপাড়ায়। কয়েক মাস আগেই পরিচালক অভিমুন্য মুখোপাধ্যায় এর পরিচালনায় বাঙালি দর্শককে ‘ফ্লাইওভার’ এ চড়িয়ে ছিলেন তিনি। ট্রাফিক ভায়োলেশন যে কি মারাত্মক আমরা পথে পথে খুঁজে ফিরি সেই ছবি দিয়ে। তারপর কয়েক মাসের বিরতি।

কিন্তু এবার ফুল ফর্মে কাজে ব্যাক। ব্যাক টু শুটিং ফ্লোর। আর চরিত্রের জন্য নিজেকে ভেঙ্গে গড়ে নিতে অভিনেত্রী কোয়েল মল্লিক কে কতটা পারদর্শী তা ভালোভাবেই জানেন বাংলা চলচ্চিত্র প্রেমীরা। যেহেতু দুর্গার চরিত্রে তাও আবার মহালয় তাই নাচ একটা বড় জায়গা জুড়ে থাকবে সম্পূর্ণ চিত্রনাট্যের। জোর কদমে চলছে নাচের প্র্যাকটিস।

 

 
 
 
 
 
View this post on Instagram
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 

 

A post shared by Koel Mallick (@yourkoel)

অবশ্য দেবীরূপে প্রথমবারই কোয়েল মল্লিককে যে আমরা আবিষ্কার করতে চলেছে এমন নয়। ২০১৫-য় জি বাংলার ‘মহিষাসুরমর্দিনী’ পাঁচ বছর আগে স্টার জলসার ‘দুর্গা দুর্গতিনাশিনী’তে আবার ২০১৮ এবং ২০১৯ তেও আমরা কোয়েলকে পেয়েছি দুর্গা রূপে।এই নিয়ে মোট ছয়বার ‘দুর্গা’ হচ্ছেন তিনি। গেরুয়া সালোয়ার-কামিজে নাচে মগ্ন তিনি। দিনরাত এক করে চলছে রিহার্সাল এবং শুটিং।

কী আবদার! অদৃতের পাশে তাঁর রিয়েল লাইফ প্রেমিকা কেন?

adrit roy

#Adrit Roy বায়োস্কোপ ডেস্ক: ঘটনায় কাউকে দায়ী করা মহা মহা ঝামেলার। বড়ই আবেগ তাড়িত সমস্যা এটা। আসলে পর্দার অভিনেতারা একটা সময় আমাদের জীবনের অঙ্গ হয়ে ওঠে। যে চরিত্রটা তারা পর্দায় বাজে সেটা কি আমরা ভালোবেসে ফেলি বা তার ওপর রাগ করি। তার ব্যক্তিগত জীবন টাকে আমরা জানতে চাই ঠিকই৷

কিন্তু নিত্যনৈমিত্তিক যে চরিত্রটির বা জুটির রসায়নের জন্য ড্রইং রুমের টিভির সামনে বসে থাকা তাকেই যেন সবসময় দেখতে চাই আমরা। এ রকমই এক সমস্যা দেখা দিয়েছে ‘উচ্ছে বাবু’র সোশ্যাল সাইটে। মিঠাই আর উচ্ছে বাবুর প্রেম এখন টিআরপির চূড়ায়। সপ্তাহের পর সপ্তাহ জুড়ে টিআরপি লিস্টে জয়ধ্বনি বাজিয়ে জয়ের পতাকা উড়িয়ে যাচ্ছেন মিঠাই আর সিদ্ধার্থ। খুনসুটিতে ভরা তাদের মান অভিমান থেকে কাছে আসা দূরে সরে যাওয়া তাড়িয়ে তাড়িয়ে উপভোগ করছে দর্শক।

adrit roy

তবে গোল বাঁধল পর্দার সিদ্ধার্থ মানে বাস্তবের অদৃতের পাশে তার বান্ধবীকে দেখে।অর্থাৎ তার দীর্ঘ বছরের প্রেম সুপ্রিয়াকে দেখে। সম্প্রতি অদৃতের ফ্যান পেজে একটি ছবি পোস্ট করা হয় যেখানে দেখা যাচ্ছে,অদৃতের মা বাবার সঙ্গে অদৃতের পাশে দাঁড়িয়ে রয়েছে সুপ্রিয়া। তা দেখেই বেজায় চটেছে সিদ্ধার্থ মিঠাই জুটির ভক্ত। তার মতে অদৃতের পাশে মিঠাই মানে সৌমিতৃষাই বেস্ট। এই মিছে অভিমানের মানে কোন মানে হয়না।তবে অভিনেতা-অভিনেত্রীদের সাফল্য হয়তো ঠিক এই জায়গাটায় যখন তারা তাদের অভিনীতো চরিত্রের সঙ্গে একাত্ম করে ফেলতে পারেন তাদের দর্শকদের।এখানেই হয়তো মিঠাই ধারাবাহিকের সাফল্য।

জনপ্রিয় এই গায়কের জন্মদিনে চুটিয়ে মজা করল বাবিন

chayan chakraborty

বায়োস্কেপ ডেস্ক: গতকাল ছিমছাম ভাবে আপনাদের সবার প্রিয় বাবিন সেলিব্রেট করলেন তার বন্ধুর জন্মদিন। ইন্ডাস্ট্রির বন্ধু হলেও অভিনেতা নন তিনি। তিনি গায়ক চয়ণ চক্রবর্তী। অন্যদিকে গুনগুন মানে তৃনা এই দিন ব্যস্ত ছিলেন একটি স্পেশাল ফটোশুটে। নীল তৃনার স্পেশাল ফটোশুট খুব শীঘ্রই সামনে আসবে।

তবে এবার আসি, বাবিনের বন্ধুর জন্মদিনে কারা কারা ছিল সেই কথায়। পর্দার সৌজন্য অর্থাৎ বাস্তবের কৌশিক রায়ের সঙ্গে চয়নের জন্মদিনে উপস্থিত ছিলেন অভিনেতা প্রান্তিক ব্যানার্জি, অভিনেত্রী অঙ্কিতা চক্রবর্তী ছাড়াও খুব কাছের কিছু বন্ধু বান্ধব। নিজের ঘরকে এই দিন যেন জোনাকির আলোয় মুড়ে ফেলেছিলেন চয়ন। চা ও কফির আড্ডা দিয়ে শুরু করে ঠিক রাত্রি বেলা বারোটায় কেক কেটে হলো বন্ধুর জন্মদিন উদযাপন।

 

 
 
 
 
 
View this post on Instagram
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 

 

A post shared by Ankitaa Chakraborty (@chakraborty.ankita8)

শেখ হাসিনার কাছে নিরাপত্তা চাইলেন মাদক মামলায় জেল খাটা পরীমণি

bngladeshi actress porimoni

নিউজ ডেস্ক: জীবন বিপন্ন হতে পারে, তাই ভীত। অনেকটা এমনই বার্তা দিয়ে বাংলাদেশের ও টলিউডের অতি আলোচিত নায়িকা পরীমণি (সামসুন্নাহার স্মৃতি) নিরাপত্তা চাইলেন শেখ হাসিনার কাছে। সম্প্রতি মাদক মামলায় তিনি জেল খেটে জামিনে বাড়ি ফিরেছেন। পরীমণির (Parimoni) মাদক ব্যবসার জাল টলিউডে ছড়িয়ে আছে। তদন্তে এমন ইঙ্গিত দিয়েছে ঢাকা মহানগর পুলিশ।

সোমবার নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে এক স্ট্যাটাসে বাংলাদেশের প্রধানত শেখ হাসিনাকে দেশমাতা উল্লেখ করে পরীমণি লিখেছেন, ‘দেশমাতা, আমাকে কি একটু নিরাপত্তা দিতে পারেন! রাস্তায় মানুষগুলোও এত অনিরাপদ না। একবার একটু দেখেন না আমার দিকে, কী করে বেঁচে আছি।’

গত ৪ আগস্ট পরীমণিকে তার ঢাকার অভজাত এলাকা বনানীর ফ্ল্যাট থেকে নাটকীয় অভিযানের পর গ্রেফতার করে ঢাকা মহানগর পুলিশ ও র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‌্যাব)। অভিযানের পর অভিনেত্রীর ফ্ল্যাট থেকে ইয়াবা মাদক, এলএসডি, মদ ও আইস মাদক বাজেয়াপ্ত করা হয়।

bngladeshi actress porimoni

তল্লাশিতে পরীমণির ফ্ল্যাট থেকে বিকৃত যৌন রুচির সরঞ্জাম ও প্রচুর অশ্লীল ছবি সহ প্রভাবশালীদের নামের তালিকা মিলেছে বলে জানিয়ে দিয়েছে পুলিশ। অভিযোগ, পরীমণি তার প্রভাব খাটিয়ে মাদক ব্যবসা চালাচ্ছে। তদন্তে ঢাকার কয়েকজন উঠতি নায়িকা ও মডেল ধরা পড়ে। এর পরেই আদালতের নির্দেশে পরীমণিকে জেলে পাঠানো হয়। টানা ২৭ দিন ঢাকার জেলে ছিলেন জনপ্রিয় অভিনেত্রী।

মাদক মামলায় জেলে যাওয়ার আগে পরীমণি তাঁর ফ্ল্যাটে চাঞ্চল্যকর সাংবাদিক সম্মেলন করেন। তিনি কাঁদতে কাঁদতে অভিযোগ করেছিলেন, ঢাকার অভিজাত উত্তরা বোট ক্লাবে তাঁকে ধর্ষণ ও খুনের চেষ্টা করা হয়েছিল। পরীমণির অভিযোগ বোট ক্লাবের ভিতরে প্রভাবশালী ব্যবসায়ী ও রাজনীতিক নাসিরউদ্দিনের নির্দেশে হামলা হয়।

অভিযুক্ত নাসিরউদ্দিন বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের বিরোধী দল জাতীয় পার্টির কেন্দ্রীয় নেতা। তিনি গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি। পরীমণির অভিযোগের ভিত্তিতে নাসিরুদ্দিনকে গ্রেফতার করে ঢাকা মহানগর পুলিশ। তিনি জামিনে জেল থেকে বেরিয়ে পরীমণির বিরুদ্ধে মানহানির মামলা করবেন বলে হুমকি দেন। এর পরেই পরীমণির ফ্ল্যাটে অভিযান চালায় ব়্যাব বাহিনী। উদ্ধার হয় বিপুল পরিমাণ মাদক।

মধুরা আর প্রণয়ের বিয়েতে ধুন্ধুমার কাণ্ড দুই পরিবারের মধ্যে

GANGULY WED GUHAS on KLIKK

বায়োস্কোপ ডেস্ক: মধুরা আর প্রনয়ের বিয়ে। ঠিক সেটাকে ঘিরেই বিরাট ধুন্ধুমার কান্ড দুই পরিবারের মধ্যে। কথায় বলে, বিপরীত নাকি একে অন্যকে আকর্ষণ করে। পিস মেনে নেওয়ার প্রসঙ্গে এ কথা উল্লেখযোগ্য। তবে যদি দুই সম্পূর্ণ বিপরীত মেরুর পরিবার যদি দুজন দুজনের দিকে মনন, ভাবনায়, শিল্পে সবেতেই আলাদা হয়েও কাছাকাছি চলে আসে তবে তার পরিণতি কী হতে পারে!

নানা ঘটনা ক্রমে এক পরিবারের সদস্য আরেক পরিবারকে প্রশ্ন করতেই পারে, ‘এই নিয়মের মানে কী’ কিংবা কথায় কথায় উঠতেই পারে,’ আমাদের বাড়িতে আবার এসব হয় না’, এই পরিবারের কাছে যা সেঁকেলে তা হতেই পারে আরেক পরিবারের কাছে বংশমর্যাদা ও ঐতিহ্যের বহনকারী এক প্রথা। আবার অন্য পরিবারের কাছে যা দারুন মডার্ন তাই আরেক পরিবারের কাছে, ঘোর কলিযুগের ফল৷

ঘটনার ঘণ্টাধ্বনি বাজিয়ে এমনই দুই পরিবার একই সূত্রে নিজেদের বাঁধতে চলেছে। তাই ঘটনার মূল এই কান্ড কারখানা জমে উঠবে জমজমাট বিয়েবাড়ির আসর দিয়ে সাজানো ৭ টি পর্বের ওয়েব সিরিজ ‘গাঙ্গুলিস ওয়েড গুহস’-এ,শুধুমাত্র Klikk OTT প্ল্যাটফর্মে।

বালিগঞ্জের গুহ পরিবার শিল্পচর্চার পৃষ্ঠপোষক। সকলেই কিছু না কিছু বিষয়ে পারদর্শী যা শিল্পকলার সঙ্গে যুক্ত। কেউ রবীন্দ্র সঙ্গীত বিশারদ, তো কেউ জানে কত্থক। তারা সান্ধ্য আসর জমায় টলি ক্লাবে, সুরার সমুদ্রে আর চিজের পাহাড়ে।  অন্যদিকে নীলমনি মিত্র লেনের একান্নবর্তী গাঙ্গুলি পরিবার উত্তর কলকাতার বনেদি পরিবার। যারা এখনো পুরনো ঐতিহ্য ও সংস্কৃতিকে আঁকড়ে ধরে বাঁচতে চায়। এই পরিবারের শিল্প কম বরং পড়াশোনা মানে যাকে বলে অ্যাকাডেমিক ক্ষেত্রেই তাদের অবাধ বিচরণ।

কেউ নামকরা উকিল, ডাক্তার বা ইঞ্জিনিয়ার। তারা এখনও পুরনো আসবাব আর কোচবিহার রাজ পরিবারের সাথে এক সম্পর্ক নিয়ে গর্ব বোধ করেন। কারণে, কারণ তাদের বাড়ির দুই ছেলে-মেয়ে বেশ কিছুদিনের ফুরফুরে কলেজ প্রেমকে ‘বিবাহের রূপ দিতে চেয়েছে। কিন্তু এই বিশাল বৈচিত্র্যময় দুই পরিবারের মধ্যে ঐক্য স্থাপন করল তাদের পরিবারের কনিষ্ঠতম দুই সদস্য। এই দুই কনিষ্ঠতম সদস্যের কলেজের প্রেম পরিণতি পেতে চলেছে বিয়েতে।
যাকে বলে মহা বিবাহ পর্ব। আর এই মহাবিবাহ পর্বে আপনাদের আমন্ত্রণ জানাচ্ছে, এই দুই পরিবারকে এক করার সিদ্ধান্ত মূলত যার হাতে ছিল অর্থাৎ পরিচালক সমদর্শী দত্ত।

এবার জেনে নেওয়া যাক এই দুই পরিবারের বিশাল সমুদ্রে থাকছে কারা? অমৃতা চট্টোপাধ্যায়,সমদর্শী দত্ত,সুদীপা বসু,সৌম্য সেনগুপ্ত,বিপ্লব বন্দ্যোপাধ্যায়, কৌশিকী গুহ, সৌম্য ব্যানার্জী,ঈপ্সিতা দেবনাথ,শ্রেয়া ভট্টাচার্য্য,রানা বসু ঠাকুর ,অদ্রিজা মজুমদার,উদয় শঙ্কর পাল,রোমি চৌধুরী, জয়তী চক্রবর্তী,দেবরাজ ভট্টাচার্য,সায়ন ভট্টাচার্য,অনিরুদ্ধ গুপ্ত,অরিজিতা মুখোপাধ্যায়,কৌশিক শীল।