কন্যার সঙ্গে খুনসুটির মুহুর্ত শেয়ার করতেই ভক্তদের ঢলে ভাইরাল পোস্ট

Ivan Gonzales

মঙ্গলবার, ইস্টবেঙ্গল এফসির ডিফেন্ডার ইভান গঞ্জালেস (Ivan Gonzales) নিজের মেয়েকে কাঁধে চাপিয়ে একটি ছবি পোস্ট করেন নিজের টুইটার হ্যান্ডেলে।ওই ছবি পোস্ট হতেই লাল হলুদ সমর্থকদের আবেগ আছড়ে পরে।যা এই মুহুর্তে সোশাল মিডিয়াতে ভাইরাল।

প্রসঙ্গত, ঘরের মাঠে ওড়িশা এফসির বিরুদ্ধে অপ্রত্যাশিত হারের ধাক্কা এখনও কাটিয়ে উঠতে পারেনি ইস্টবেঙ্গল শিবির।প্রথমার্ধে ২-০ গোলে এগিয়ে থাকার পর,সেকেন্ড হাফের তিন মিনিটের মধ্যে দু’গোল লজ্জায় মাথা নত লাল হলুদ ভক্তদের।তবে টিম বাউন্সব্যাক করতে মুখিয়ে রয়েছে এবং আগামী রবিবার ইস্পাত নগরীতে জামশেদপুর এফসির বিরুদ্ধে তিন পয়েন্টের অর্জনের লক্ষ্যে রেড এন্ড গোল্ড বিগ্রেড ঝাঁপাবে,এটাই স্বাভাবিক।

ইন্ডিয়ান সুপার লিগে(ISL) ইস্পাত নগরীর দলটির অবস্থা মোটেও ভালো নয়।৬ ম্যাচ খেলে চারটেতেই হেরেছে এইডি বুথরয়েডের ছেলেরা,জিতেছে এক ম্যাচ ড্র এক ম্যাচে।তুল্যমূল্য বিচারে ইস্টবেঙ্গল এবং জামশেদপুর দু’দলই লিগে অস্তিত্ব সংকটে ভুগছে।লাল হলুদ শিবির ৭ ম্যাচ খেলে মাত্র দু’ম্যাচে জয় পেয়েছে আর চার ম্যাচ হেরে লিগ টেবলে ৮ নম্বরে,ইশান পণ্ডিতরা এক ধাপ নিচে টেবলে। স্টিফেন কনস্টাটাইনের ছেলেরা যেখানে সেশনের তৃতীয় জয়ের লক্ষ্যে ঝাঁপাবে তেমনিই ঋতিক দাস,জয় থমাস,ক্রিনো, জার্মেইন প্রীত সিংরা ঘরের মাঠে তিন পয়েন্টকে পাখির চোখ করে মাঠে নামবে।ফলে পিটার হার্টলি, লালদিনপুইয়াদের বিরুদ্ধে কঠিন লড়াই’র মুখে পড়তে চলেছে সুহের,জর্ডন, অঙ্কিত, মহেশরা।

সংবাদটি বিস্তারিত পড়তে ক্লিক করুন কন্যার সঙ্গে খুনসুটির মুহুর্ত শেয়ার করতেই ভক্তদের ঢলে ভাইরাল পোস্ট

Lionel Messi: মেসির শেষের শুরু? অপেক্ষার কয়েক ঘন্টা

Messi r maradona

‘শেষের শুরু’ এভাবেই দেখা যায় লিওনেল মেসির (Lionel Messi) ফুটবল বিশ্বকাপ অভিযানকে। সৌদি আরবের বিরুদ্ধে মাঠে নেমে তিনি নিজের শেষ বিশ্বকাপ (Qatar WC) খেলার শুরুটা করবেন। কাতারে মুখোমুখি (Argentina) আর্জেন্টিনা ও (Saudi Arabia) সৌদি আরব।

Goal.Com জানাচ্ছে, বিশ্বকাপের আসরে বারবার তুমুল আলোচিত হলেও এখনও কাপ জয় না করতে পারায় মেসি প্রবল চাপের মুখে। অভিযোগ, বিশ্ববন্দিত এই ফুটবলার ক্লাবের খেলায় সেরা, কিন্তু দেশের হয়ে তিনি অসফল। অথচ প্রয়াত আর্জেন্টিনীয় তথা বিশ্ব ফুটবলের কিংবদন্তি দিয়েগো মারাদোনার (Maradona) পাশাপাশি বারবার লিওনেল মেসির (Messi) নাম উঠে এসেছে। তবে মারাদোনা আর্জেন্টিনাকে (Argentina) বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন করেছিলেন। মেসি ক্লাবকে জগত শ্রেষ্ঠ করলেও দেশকে সেরা করতে পারেননি।

Sports World জানাচ্ছে, ১৯৮৬ সালে মারাদোনার ভুবনমোহিনী খেলায় দ্বিতীয়বার বিশ্বকাপ জয়ী হয়েছিল আর্জেন্টিনা। গত ৩৬ বছরে ৮ টি বিশ্বকাপ খেলেছে আর্জেন্টিনা। তবে মারাদোনাও হয়েছিলেন অসফল। তাঁকে ঘিরে মাদক বিতর্ক, নির্বাসন ও ফিরে আসা। রাজনৈতিকভাবে সরাসরি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বিপক্ষে গিয়ে কিউবা ও বামপন্থী শিবিরকে সমর্থন, সবশেষে অকাল প্রয়ান নিয়ে তিনি কিংবদন্তি চরিত্র। মারাদোনা পরবর্তী সময়ে আর্জেন্টিনা থেকে সর্বাধিক সফল ফুটবলার মেসি। তিনিও চারটি বিশ্বকাপ খেলেছেন। ক্লাব ফুটবলে ম্যাচের পর ম্যাচে ফুটবল জাদু দেখিয়েছেন। দেশের হয়ে খেলার সময় হতাশ পারফরম্যান্স তাঁর। আর মারাদোনা দেশ ও ক্নাবের খেলাতেও চূড়াম্ত সফল হয়েছিলেন।

Al Jazeera জানাচ্ছে, কাতার বিশ্বকাপে সৌদি আরবের বিপক্ষে খেলতে নামার আগেই মেসি নামের উন্মাদনা শুরু হয়ে গেছে। নিজের শেষ বিশ্বকাপে এসে কাতারের মরুভূমির বুকে ফুটবলের ফুল ফোটাতে পারবেন তো মেসি নাকি ফের অকৃতকার্য হয়ে বিশ্বফুটবল থেকে বিদায় নেবেন, পুরো বিশ্বে চলছে আলোড়ন। অপেক্ষার কয়েক ঘন্টা মেসির শেষের শুরু

সংবাদটি বিস্তারিত পড়তে ক্লিক করুন Lionel Messi: মেসির শেষের শুরু? অপেক্ষার কয়েক ঘন্টা

World Cup: কীসের নিরিখে বিশ্বকাপে দেওয়া হয় গোল্ডেন ব্যুট, গোল্ডেন গ্লাভস এবং গোল্ডেন বল

Golden Boot

FIFA বিশ্বকাপ (World Cup) চলছে। বিশ্বের তাবড় ফুটবল টিমগুলির লড়াইয়ে বিশ্বসেরা হবে একটি দেশ। কিন্তু বিশ্বকাপের ট্রফির পাশাপাশি আরও বেশ কয়েকটি পুরস্কার রয়েছে FIFA প্রদান করে। সেগুলি হল, গোল্ডেন বল, গোল্ডেন বুট ও গোল্ডেন গ্লাভস। এই পুরস্কারগুলি সব-ই ব্যক্তিগত৷ জেনে নেওয়া যাক, এই তিন পুরস্কার কারা পান, কী যোগ্যতা, কীভাবে দেওয়া হয়৷

গোল্ডেন গ্লভস:
বিশ্বকাপ টুর্নামেন্টে সেরা গোলকিপারকে দেওয়া হয় গোল্ডেন গ্লাভস পুরস্কার। সাবেক সোভিয়েত ইউনিয়নের বিখ্যাত গোলকিপার লেভ ইয়াসিনের সম্মানে ১৯৯৪ সালে গোল্ডেন গ্লভস পুরস্কারের সূচনা হয়৷ তখন ওই পুরস্কারকে লেব ইয়াসিন সম্মান বলা হত। ২০১০ সালে FIFA নাম বদলে করে গোল্ডেন গ্লাভস পুরস্কার। এই পুরস্কারের জন্য বিশ্বকাপের সেরা গোলকিপারকে নির্বাচন করে FIFA-র বিশেষ কমিটি।গোল্ডেন গ্লাভস জয়ীর তালিকা:
১৯৯৪: মিচেল প্রিউডহোম (বেলজিয়াম) ১৯৯৮: ফ্যাবিয়োঁ বার্থেজ (ফ্রান্স) ২০০২: অলিবার কান (জার্মানি) ২০০৬: বুফোঁ (ইটালি) ২০১০: ইকার কাসিলাস (স্পেন) ২০১৪: ম্যানুয়েল নুয়ের (জার্মানি) ২০১৮:থিবো কুর্তোয়া (বেলজিয়াম)

গোল্ডেন বুট:
FIFA বিশ্বকাপে গোল্ডেন বুট অ্যাওয়ার্ড দেওয়া শুরু হয় ১৯৮২ সালে। প্রথমে এর নাম ছিল গোল্ডেন শ্য, ২০১০ সালে তা বদলে হয় গোল্ডেন বুট৷ বিশ্বকাপে সবচেয়ে বেশি গোলদাতাকে গোল্ডেন বুট দেওয়া হয়৷ সর্বোচ্চ গোলদাতায় দ্বিতীয় স্থানে থাকা প্লেয়ারকে দেওয়া হয় সিলভার বুট। তৃতীয় স্থানে থাকা গোলদাতাকে দেওয়া হয় ব্রোঞ্জ বুট৷ কোনও দুই খেলোয়াড়ের সবচেয়ে বেশি গোল যদি হয়, তাহলে সেটা দেখা যাবে কোন প্লেয়ারের পেনাল্টির সাহায্যে কম গোল। যদি উভয়ের পেনাল্টি তৈরি করা গোলের সমান হয়, তাহলে যিনি গোল করতে সবচেয়ে বেশি সাহায্য করেছেন, তাঁকে দেওয়া হয়৷ যদি উভয়ের অ্যাসিস্ট পারফর্ম্যান্সও এক হয়, তা হলে সবচেয়ে কম সময় মাঠে থেকে বেশি গোল করেছেন, তাঁকে দেওয়া হয়৷

গোল্ডেন বুট জয়ীদের তালিকা:
১৯৮২- পাওলো রসি (ইতালি), ৬ গোল
১৯৮৬– গ্যারি লিনেকার (ইংল্যান্ড), ৬ গোল
১৯৯০– সালভাদোর সিলাচি (ইতালি), ৬ গোল
১৯৯৪– ওলেগ সালেনকো (রাশিয়া), হরিস্টো স্টোইচকোভ (বুলগেরিয়া), ৬ গোল যুগ্ম
১৯৯৮– ডাভর সুকের (ক্রোয়েশিয়া), ৬ গোল
২০০২– রোনাল্ডো (ব্রাজিল), ৮ গোল
২০০৬– ক্লোজে (জার্মানি), ৫ গোল
২০১০– থমাস মুলার (জার্মানি), ৬ গোল
২০১৪– জেমস রডরিগেজ (কলম্বিয়া), ৬ গোল
২০১৮– হ্যারি কেন (ইংল্যান্ড), ৬ গোল

গোল্ডেন বল:
FIFA বিশ্বকাপে সেরা প্লেয়ারকে দেওয়া হয় গোল্ডেন বল। ১৯৮২ সালে এই পুরস্কার প্রদান শুরু হয়। ফিফা-র বিশেষ কমিটি এই পুরস্কারের শর্টলিস্ট করেন। এরপর সংবাদমাধ্যমের প্রতিনিধিরা ভোট দিয়ে সেরা প্লেয়ার নির্বাচন করেন। তাঁকেই গোল্ডেন বল দেওয়া হয়। দ্বিতীয় ও তৃতীয় স্থানে থাকা সেরা ফুটবলার পান সিলভার ও ব্রোঞ্জ বুট।
গোল্ডেন বল জয়ীর তালিকা:
১৯৮২– পাওলো রসি (ইতালি)
১৯৮৬– দিয়েগো মারাদোনা (আর্জেন্টিনা)
১৯৯০– সালভাদোর চিলাকি (ইতালি)
১৯৯৪– রোমারিও (ব্রাজিল)
১৯৯৮– রোনাল্ডো (ব্রাজিল) ২০০২– অলিবার কান (জার্মানি)
২০০৬– জিনেদান জিদান (ফ্রান্স)
২০১০– দিয়েগো ফোরলান (উরুগুয়ে)
২০১৪– লিওনেল মেসি (আর্জেন্টিনা)
২০১৮– লুকা মড্রিচ (ক্রোয়েশিয়া)
২০ নভেম্বর অর্থাৎ রবিবার শুরু হয়েছে FIFA বিশ্বকাপ ২০২২। চলবে
১৮ ডিসেম্বর পর্যন্ত৷ ওই দিনই ফাইনাল।

সংবাদটি বিস্তারিত পড়তে ক্লিক করুন World Cup: কীসের নিরিখে বিশ্বকাপে দেওয়া হয় গোল্ডেন ব্যুট, গোল্ডেন গ্লাভস এবং গোল্ডেন বল

Qatar World Cup: কোন ফর্মেশনে সৌদি আরব কাঁটা উপড়াতে চাইছে মেসি নীল-সাদা বাহিনী

Argentina

৩৬ বছরের অপেক্ষার অবসান ঘটবে কি? মারাদোনার রাস্তায় হেঁটে মেসি কি পারবেন ১৯৮৬ ফিরিয়ে দিতে? ইতিবাচক উত্তর দেওয়ার জন্য আত্মবিশ্বাসী আর্জেন্তিনা শিবির। শুধু লিওনেল মেসিকে ঘিরে নয়, আর্জেন্তিনার কোচ লিওনেল স্কালোনি ১৯৮৬ সালের পরে দেশকে বিশ্বকাপ (World Cup) দেওয়ার জন্য দলগত ফুটবলের দিকেই ঝুঁকেছেন।

এ ক্ষেত্রে তাঁর প্রেরণা ‘জার্মান-মডেল’। স্কালোনি বলেছেন, ‘কোনও এক বা দু-জন ফুটবলারের উপর ভর করে জার্মানি কোনও দিন বিশ্বকাপ জেতেনি। তাদের বারবার বিশ্বকাপ জয়ে দেখা গিয়েছে টিমগেমেই তারা বাজিমাত করেছে। আমার টিমে মেসি নিশ্চয়ই আসল অস্ত্র। কিন্তু বাকিরাও তৈরি কাপ জেতার মতো জায়গায় পৌঁছানোর।’কোচের এই আত্মবিশ্বাসের কারণ তাঁর টিমের টানা ৩৬ ম্যাচে অপরাজেয় থাকা। টিমটা যে চাপে নেই সেটাও প্ৰমাণ সংযুক্ত আরব আমিরশাহিকে পাঁচ গোলে উড়িয়ে দেওয়ার হয়েছে বিশ্বকাপে খেলতে এসে আবু ধাবিতে প্র্যাক্টিস ম্যাচের ফলাফলে।

সৌদি আরবের বিরুদ্ধে বিশ্বকাপ অভিযান শুরুর আগে মেসিরাও টিম স্পিরিট বাড়াতে চাইছেন। রবিবার টিম হোটেলে ফুটবলারদের ত্রুকো খেলতে দেখা যায়। ইতালি ও দক্ষিণ আমেরিকায় দলগত তাস খেলা ‘ক্রকো’ খুব জনপ্রিয়। মেসির টিমে খেলেন দুই মিডফিল্ডার লিওনার্দো পারেদেস ও রদ্রিগো দে পল। বিশেষকজ্ঞরা মনে করেন, মঙ্গলবার ম্যাচে টিমের আক্রমণে এই ত্রয়ীরও কোনও কম্বিনেশন থাকবে।স্কালোনির টিমের এ বার সবচেয়ে বড় প্লাসপয়েন্ট টিমের প্রতি পজিশনই সমান ব্যালান্স। আক্রমণে মেসির সঙ্গে লাউতারো মার্তিনেস ও আঙ্খেল দি মারিয়া যেমন দুরন্ত, তেমনই মাঝমাঠে বৈচিত্র্যপূর্ণ মিডফিল্ডার পারেদেস, দে পল, অ্যালেক্সিসরা রয়েছেন। ডিফেন্সে আবার মোলিনা, ওতামেন্দি, রোমেরো, লিসান্দ্রোর বোঝাপড়া দারুণ। গোলে এমিলিয়ানো ভীষণই ভরসা রাখার মতো শেষ প্রহরী।

তবে যতই টিমগেমের লক্ষ্যে এগোন কোচ, আর্জেন্তিনার ফুটবলাররা মেসি-বন্দনাতেই মজে। ক্রিস্তিয়ান রোমেরো বলেছেন, ‘এ বার বিশ্বকাপটা আমরা জিতব মেসির জন্যই। মেসি কোনওদিনই নিজের মুখে বলেনি ও বিশ্বের সেরা ফুটবলার। এটাই ওকে বিশ্বের সর্বকালের সেরা বানাতে সাহায্য করবে। আর ওকে সর্বকালের সেরা হিসেবে তুলে ধরতে কাপটা আমরা ওর হাতে তুলে দিতে চাই।’সৌদি আরব টিম প্রাক বিশ্বকাপে ভালো ফল করলেও বিশ্বকাপ অভিযানে এসে বেশ কিছুটা চাপে। প্র্যাক্টিস ম্যাচে পানামার সঙ্গে ড্র আর ক্রোয়েশিয়ার কাছে হেরেছে।

টিমের ফরাসি কোচ হার্ভে রেনার্দ অবশ্য বলেছেন, ‘খুব ভালো হয়েছে বিশ্বকাপের প্রথম ম্যাচটাই সবচেয়ে কঠিন টিমের সঙ্গে পড়ায়। আমার ছেলেরা নিজেদের যোগ্যতা শুরু থেকেই বুঝিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করবে।’ রেনার্দ গত বিশ্বকাপে মরক্কোর দায়িত্বে ছিলেন। তাঁর টিম কিন্তু সে বার গ্রুপ পর্যায় থেকেই ছিটকে গিয়েছিল। এ বার সৌদির স্বপ্ন শেষ ষোলোতে পৌঁছানো। ১৯৯৪ সালে নক আউটে ওঠার পরে সৌদি কখনও গ্রুপের গণ্ডি টপকাতে পারেনি।

সংবাদটি বিস্তারিত পড়তে ক্লিক করুন Qatar World Cup: কোন ফর্মেশনে সৌদি আরব কাঁটা উপড়াতে চাইছে মেসি নীল-সাদা বাহিনী

ISL: ভুলের রিপিট টেলিকাস্ট করতে নারাজ কোচ হুয়ান ফেরান্দো

Juan Ferrando

ফতোরদায় এফসি গোয়ার বিরুদ্ধে তিন পয়েন্ট হাতছাড়া হওয়ার কারণে ইন্ডিয়ান সুপার লিগের (ISL) পয়েন্ট টেবলে আটে নেমে গিয়েছে ATKমোহনবাগান। লিগ টপার হওয়ার সুযোগ আরব সাগরের ঢুবে গিয়েছে।এবার মেরিনার্সদের সামনে বাউন্সব্যাক করা ছাড়া অন্য কোনও বিকল্প পথ খোলা নেই।

ইতিমধ্যে সবুজ মেরুন শিবিরের ৬ ম্যাচ খেলা হয়ে গিয়েছে।লিগে এখনও ১৪ টা ম্যাচ খেলতে হবে প্রতীম কোটালদের।এই মুহুর্তে লিগ টেবলের যা অবস্থা তাতে করে মেরিনার্সদের কাছে আসন্ন সবকটা ম্যাচ ‘ডু অর ডাই’ ম্যাচ সিচুয়েশন।জিতলে ওপরের দিকে ওঠার সুযোগ,ড্র কিংবা হেরে গেলে ওপরে ওঠার পথ ততটাই কঠিন,যতটা শীর্ষে পৌঁছানো।

আগামী শনিবার, হায়দরাবাদ এফসি যারা চলতি ISL টুর্নামেন্টে প্রথম হারের মুখ দেখছে কেরালা ব্লাস্টার্স এফসির বিরুদ্ধে, তাদের বিরুদ্ধে খেলতে নামবে ATK মোহনবাগান। কেরালার বিরুদ্ধে হেরে গেলেও নিজামর্সরা কিন্তু এখনও লিগ টপার।তাই যুবভারতী ক্রীড়াঙ্গনে দু’দলই উইনিং ট্র‍্যাকে ফিরে আসতে চাইবে।ঘুরে দাঁড়ানোর এই লড়াইতে সবুজ মেরুন ভক্তদের পাশে পেতে ATKমোহনবাগান হেডকোচ হুয়ান ফেরান্দো বলেন,”এখন, আমি মনে করি পরবর্তী দিনের জন্য প্রস্তুত থাকার জন্য খনিটি(নিজের টিম) পরিষ্কার করা প্রয়োজন। এখন এটা অতীত। অবশ্যই এখান থেকে কিছু শিখতে হবে, তবে অবিলম্বে ভুলে যেতে হবে (এই ফলাফল) কারণ চ্যাম্পিয়নশিপ চলছে।”

আসলে এফসি গোয়ার বিরুদ্ধে খেলায় মেরিনার্সরা যে ভুল গুলো করেছিল তার থেকে শিক্ষা নিয়ে ফিরে আসতে চাইছে শুভাশিস বোসরা।ভুলের সুযোগ নিয়ে গোয়ার দল মাথায় চড়ে বসে এবং জয় ছিনিয়ে নেয় এটা আগেই স্বীকার করেছেন স্প্যানিশ কোচ ফেরান্দো। তাই হায়দরাবাদ এফসির বিরুদ্ধে ভুলের ‘রিপিট টেলিকাস্ট’ করতে নারাজ ATK মোহনবাগান হেডকোচ হুয়ান ফেরান্দো।

সংবাদটি বিস্তারিত পড়তে ক্লিক করুন ISL: ভুলের রিপিট টেলিকাস্ট করতে নারাজ কোচ হুয়ান ফেরান্দো

ATK মোহনবাগান-হায়দরাবাদ এফসির বিরুদ্ধে ম্যাচ টিকিট নিয়ে আপডেট

ATK Mohun Bagan

মোহনবাগান (ATK Mohun Bagan) শনিবার কলকাতায় আরেকটি কঠিন চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হতে চলেছে। কেরালা ব্লাস্টার্স এফসির বিরুদ্ধে ইন্ডিয়ান সুপার লিগে (ISL) হায়দরাবাদ এফসি তাদের প্রথম পরাজয়ের মুখোমুখি হলেও টেবলের শীর্ষে রয়েছে।

আগামী শনিবার হায়দরাবাদের বিরুদ্ধে ম্যাচের অফলাইন টিকিট ইতিমধ্যেই দেওয়া শুরু হয়ে গিয়েছে।সবুজ মেরুন ভক্তরা প্রিয় দলের খেলা দেখার জন্য এই টিকিট পেতে পারে মোহনবাগান ক্লাব তাঁবু এবং ম্যাচ ভেন্যু যুবভারতী ক্রীড়াঙ্গনের ৪ নম্বর গেট থেকে।২২ থেকে ২৫ নভেম্বর এই ম্যাচের টিকিট পাওয়া যাবে বেলা ১১ টা থেকে বিকেল ৫ টা পর্যন্ত।

প্রসঙ্গত,ফতোরদায় এফসি গোয়াকে হারিয়ে লিগ টপার হওয়াই লক্ষ্য ছিল মেরিনার্সদের।কিন্তু সেগুড়ে বালি!জওহরলাল নেহেরু স্টেডিয়ামে গোয়ার কাছে তিন পয়েন্ট হাতছাড়া হওয়াতে ATKমোহনবাগান এখন লিগ টেবলে আটে নেমে এসেছে।এবার ফের নতুন করে শুরু করতে হবে কোচ হুয়ান ফেরান্দোর ছেলেদের।কাজটা কঠিন হলেও অসম্ভব নয়।

সংবাদটি বিস্তারিত পড়তে ক্লিক করুন ATK মোহনবাগান-হায়দরাবাদ এফসির বিরুদ্ধে ম্যাচ টিকিট নিয়ে আপডেট

World Cup: বিশ্বকাপ জিতবে ব্রাজিলই, ভবিষ্যতবাণী অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের

Brazil will win the World Cup

কাতারের মাটিতে শুরু হয়ে গিয়েছে ফুটবলের মহারণ। কার হাতে উঠবে বিশ্বকাপ (World Cup), সেই লড়াইয়ে নেমেছে ৩২টি দেশ। এক মাস ধরে হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ের পর একটি মাত্র দলের হাতেই উঠবে গর্বের সোনালি ট্রফি। বিশেষজ্ঞ থেকে ক্রীড়াপ্রেমী-সকলেই নিজের মতো করে একটি দলকে চ্যাম্পিয়ন হিসাবে দেখতে চাইছেন। এহেন পরিস্থিতিতে রীতিমতো অঙ্ক কষে অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয় জানিয়ে দিয়েছে, কার হাতে উঠবে সেরার শিরোপা। বিশ্বকাপে কোন দল কতদূর যেতে পারবে, সেই হিসাবও করে ফেলেছেন অক্সফোর্ডের গণিত বিশারদ জোশুয়া বুল। তাঁর হিসাব বলছে, এবার বিশ্বকাপ উঠবে লাতিন আমেরিকার কোনও দেশের হাতেই।

অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের ইউটিউব চ্যানেলে এই গোটা হিসাব প্রক্রিয়ার ভিডিও প্রকাশ করা হয়েছে। সেখানে বলা হয়েছে, “২০১০ সালের ফুটবল বিশ্বকাপের প্রতিটি ম্যাচের সঠিক ভবিষ্যদ্বাণী করে চমকে দিয়েছিল অক্টোপাস পল। কিন্তু আধুনিক যুগে অনুমানের ভিত্তিতে নয়, বরং যুক্তি ও হিসাবের মাধ্যমেই সঠিক অনুমান করা যায়। কার হাতে উঠতে পারে বিশ্বকাপ।”

গ্রুপ পর্ব থেকে শুরু করে ফাইনাল-প্রত্যেকটি ম্যাচের কী ফলাফল হতে পারে, বিশদে জানানো হয়েছে এই ভিডিওতে।ঠিক কী হতে চলেছে বিশ্বকাপে? রোনাল্ডো ভক্তদের জন্য অবশ্য সুখবর দেননি জোশুয়া। তাঁর গণনা অনুযায়ী, কোয়ার্টার ফাইনাল থেকেই বিদায় নেবে পর্তুগাল। বেলজিয়ামের কাছে হেরে টুর্নামেন্ট থেকে ছিটকে যাবেন রোনাল্ডোরা। প্রাক্তন বিশ্বচ্যাম্পিয়ন জার্মানিও দ্বিতীয় রাউন্ডের বেশি এগোতে পারবে না। নিজের দেশ ইংল্যান্ডকে নিয়েও একেবারেই আশাবাদী নন জোশুয়া। কোয়ার্টার ফাইনাল থেকে ছিটকে যাবেন হ্যারি কেনরা।

জোশুয়ার হিসাব বলছে, টুর্নামেন্টের শেষ চারে উঠবে ফ্রান্স, বেলজিয়াম, ব্রাজিল ও আর্জেন্টিনা। লাতিন আমেরিকার দুই মহাশক্তিধর দেশ সেমিফাইনালেই মুখোমুখি হবে। হাড্ডাহাড্ডি লড়াই হবে মেসি ও নেইমারের মধ্যে। তবে শেষ হাসি হাসবে সেলেকাওরাই। অন্য সেমিফাইনালে ডিফেন্ডিং চ্যাম্পিয়ন ফ্রান্সকে হারিয়ে দেবে বেলজিয়াম। প্রথমবার বিশ্বকাপের ফাইনালে উঠবে এই ইউরোপীয় দেশটি। তবে ফাইনালে দাপট দেখিয়ে জিতবে ব্রাজিল।প্রসঙ্গত, ২০২০ সালের ইউরো কাপ চলাকালীন কার্যত নিখুঁত ভবিষ্যদ্বাণী করেছিলেন জোশুয়া। ৮০ লক্ষ ফুটবলপ্রেমীর মধ্যে সেরা হয়েছিলেন তিনি। জোশুয়ার ভবিষ্যদ্বাণী অক্ষরে অক্ষরে মিলে যাক, এমনটাই আশা করবেন ব্রাজিলের সমর্থকরা। কার হাতে কাপ উঠবে, জোশুয়ার ভবিষ্যদ্বাণী আদৌ সঠিক হল কিনা, সমস্ত উত্তর পাওয়া যাবে ১৮ ডিসেম্বরেই।

সংবাদটি বিস্তারিত পড়তে ক্লিক করুন World Cup: বিশ্বকাপ জিতবে ব্রাজিলই, ভবিষ্যতবাণী অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের

Qatar World Cup: দুই ফাইনালিস্ট হিসেবে ব্রাজিল আর পর্তুগালকেই দেখছেন ব্যারেটো

Brazil and Portugal

প্রতীক্ষা শেষ। বিশ্বকাপ (World Cup) শুরু। গোটা ব্রাজিল জুড়ে এই সময় কীরকম উন্মাদনা, তা চোখ বন্ধ করলেই অনুভব করতে পারি। বিশ্বকাপ এলেই মনে পড়ে যায় ছোটবেলার কথা। গোটা বিশ্বকাপ জুড়েই উৎসবের আমেজে আমরা মেতে থাকতাম।সময়ের সঙ্গে এখন অনেক কিছু বদলে গিয়েছে। টেকনলজির দিক থেকে আমরা আরও আধুনিক হয়েছি।

কিন্তু বিশ্বকাপ ঘিরে সেই উন্মাদনা আরও বেড়েছে বই কমেনি সেটা কাতার বিশ্বকাপের দিকে চোখ রাখলেই পরিষ্কার হয়ে যাবে। একজন ব্রাজিলীয় (Brazil) হিসেবে আমি অবশ্যই চাই কাতারে বিশ্বকাপ হাতে উঠুক নেমারদের। ধারেভারে শক্তিতে সেলেকাওরা এবারের বিশ্বকাপে অন্যতম ফেভারিট। কিন্তু একমাত্র নয়। ব্রাজিল ছাড়াও আর্জেন্টিনা, স্পেন এমনকি পর্তুগালেরও বিশ্বচ্যাম্পিয়ন হওয়ার ক্ষমতা রয়েছে।

রাশিয়া বিশ্বকাপের চেয়েও কাতারের বিশ্বকাপের আকর্ষণ অনেক বেশি। কারণ, সবকিছু ঠিক থাকলে এটাই হয়তো শেষ বিশ্বকাপ হতে চলেছে মেসি, রোনাল্ডোর। খুব ভুল না করলে নেমারেরও। তাই বিশ্বফুটবলের এই তিন সেরা নক্ষত্রই চাইবে বিশ্বকাপটা নিজেদের ট্রফি ক্যাবিনেটে সাজিয়ে রাখতে। একজন ফুটবল অনুরাগী হিসেবে বিশ্বকাপে মেসি, নেমার, রোনাল্ডোদের খেলা চাক্ষুষ করতে পারছি, এরজন্য নিজেকে ভাগ্যবান বলে মনে হয়। শেষ বিশ্বকাপে তাদের কাছ থেকে বাড়তি কিছু স্পেশাল মুহূর্ত দেখতে পাব, সেই আশা নিয়েই খেলা দেখব।অনেকেই সম্ভাব্য চ্যাম্পিয়ন হিসেবে ব্রাজিলকেই দেখছে। নেইমার একা নয়, ব্রাজিলের এই দলটায় তারকার ছড়াছড়ি। কিন্তু খেলাটার নাম যে ফুটবল, অনিশ্চয়তায় ভরা। অনেক হিসাব উলটে যেতে পারে। একান্তই যদি ব্রাজিল না পারে।

তখন কী হবে? সেক্ষেত্রে চাইব, বিশ্বকাপ উঠুক মেসির হাতে। শুনে চমকাতে পারেন, কিন্তু আমার মতে এই মুহূর্তে লাতিন আমেরিকার সেরা দল আর্জেন্টিনা। কেন? কারণ কোপা আমেরিকা জয়ী হিসেবে ওরা বিশ্বকাপে খেলতে নামবে। ধারাবাহিকতাও আর্জেন্টিনার স্বপক্ষে কথা বলছে। আর অবশ্যই ফ্যাক্টর মেসি। দীর্ঘ কেরিয়ারে অনেক সাফল্য মেসি অর্জন করেছে, শুধু বিশ্বকাপটা বাদে। আমার বিশ্বাস, নিজের শেষ বিশ্বকাপে ও নিজেকে উজাড় করে দেবে। আর মেসির জন্য বিশ্বকাপ জিততে চাইবে ওর সতীর্থরা।

শেষ বিশ্বকাপটা স্মরণীয় করে রাখতে চাইবে রোনাল্ডোও। বাকি দু’জনের তুলনায় অনেক চাপমুক্ত অবস্থায় বিশ্বকাপ খেলতে নামবে সিআর সেভেন। কারণ এই পর্তুগাল মোটেই রোনাল্ডো নির্ভর নয়। এটা ওর জন্য যতটা অ্যাডভান্টেজ, বিপক্ষের জন্য ততটাই আতঙ্কের। চারবছর আগের পর্তুগালের সঙ্গে এই পর্তুগালের আকাশপাতাল তফাত। এই পর্তুগালে রোনাল্ডোর সহযোগী যোদ্ধা হিসেবে ব্রুনো ফার্নান্ডেজ, বার্নার্ডো সিলভা, জোয়াও ক্যানসেলোর মতো মুখ রয়েছে, যারা একক দক্ষতায় ম্যাচের রং বদলে দেওয়ার ক্ষমতা রাখে। তাই এই পর্তুগালকে হিসেবের বাইরে রাখলে ঠকতে হবে। আর অবশ্যই বলব ফ্রান্সের কথা। চোট আঘাত সমস্যায় গতবারের চ্যাম্পিয়নদের শক্তিক্ষয় হয়েছে ঠিকই। কিন্তু ভুলে যাবেন না, ফ্রান্স টিমে একটা কিলিয়ান এমবাপে আছেন। ওর জন্যই ফ্রান্সকে কাপ-জয়ের দৌড়ে বাইরে রাখতে পারছি না।

সংবাদটি বিস্তারিত পড়তে ক্লিক করুন Qatar World Cup: দুই ফাইনালিস্ট হিসেবে ব্রাজিল আর পর্তুগালকেই দেখছেন ব্যারেটো

Qatar World Cup: কাতার বিশ্বকাপের অভিনব মুহূর্ত

ছোট্ট দেশটির রক্ষীরা ঘোড়া ও উটে চড়ে নিরাপত্তা দিচ্ছেন। তবে মূল নিরাপত্তার দায়িত্বে এসেছে পাকিস্তানের সেনা। বিশ্বকাপ দেখতে কাতারে কাতারে মানুষ কাতার দেশে যাচ্ছেন। 

সংবাদটি বিস্তারিত পড়তে ক্লিক করুন Qatar World Cup: কাতার বিশ্বকাপের অভিনব মুহূর্ত

World Cup: মানেহীন সেনেগালকে জোড়া গোল দিয়ে বিশ্বকাপ অভিযান শুরু করল ডাচরা

Dutch World Cup Senegal

কাতার বিশ্বকাপে (World Cup) অঘটন ঘটানোর স্বপ্ন দেখেছিলেন সেনেগাল কোচ অ্যালিউ সিজে। স্বপ্ন দেখেছিলেন নেদারল্যান্ডকে হারিয়ে বিশ্বকাপ আভিযানের। কিন্তু স্বপ্ন আর বাস্তবের মাঝে তফাৎটা যে অনেকাই, সেটা উপলব্ধি করতে পারেননি।

যদিও বিশ্বকাপে অঘটন ঘটানোর অভ্যাস আছে সেনেগালের। ২০০২ বিশ্বকাপের আবির্ভাবেই ফ্রান্সকে হারিয়ে চমক দিয়েছিল। ২০১৮ বিশ্বকাপে নিজেদের প্রথম ম্যাচে পোল্যান্ডকে হারিয়েছিল সেনেগাল। কিন্তু ডাচদের বিরুদ্ধে ইতিহাসের পুনরাবৃত্তি হল না। নেদারল্যান্ডের কাছে ২-০ ব্যবধানে হারতে হল আফ্রিকান নেশনস কাপের চ্যাম্পিয়ন দলকে। নেদারল্যান্ডের মতো দলকে হারাতে গেলে দরকার ছিল সাদিও মানের মতো ফুটবলারকে। যিনি ভার্জিল ফান ডাইকের মতো ডিফেন্ডারকে চাপে রাখতে পারতেন। সাদিও মানে না থাকায় চাপমুক্ত নেদারল্যান্ড ডিফেন্স।

সাদিও মানে না থাকলে সেনেগাল কিন্তু পিছিয়ে ছিল না ৷ বরং গোটা ম্যাচে দারুণ লড়াই করেন ইসমালিয়া সার, ক্রেপিন দিয়াত্তা, ইদ্রিসা গুয়েয়ারা। প্রথমার্ধে নেদারল্যান্ডের দাপট সামান্য বেশি থাকলেও দ্বিতীয়ার্ধে দুর্দান্ত লড়াই করে সেনেগাল। ইসমালিয়া সার গোল করার মতো গোটা চারেক সুযোগ পেয়েছিল। নেদারল্যান্ডের তিন কাঠির নিচে আন্দিয়েস নোপার্ট অপ্রতিরোধ্য না হয়ে উঠলে ৩ পয়েন্ট নিয়ে ঘরে ফেরা হত না নেদারল্যান্ডের। বলতে গেলে ডাচদের তুলনায় সেনেগালই বেশি সুযোগ তৈরি করেছিল।

সাদিও মানে থাকলে নিশ্চিতভাবেই পল অন্যরকম হত।সারাক্ষণ লড়াই করলেও সেনেগাল ম্যাচের ৮৪ মিনিটে আর আটকে রাখতে পারেনি ডাচদের। মাঝমাঠ থেকে বল পেয়ে সেনেগালের বক্সে ভাসিয়েছিলেন ফ্রাঙ্ক ডি জং। দুরন্ত হেডে বল জালে পাঠান কোডি গাপকো। বিশ্বকাপের অভিষেক ম্যাচেই গোল করেন। ম্যাচের ইনজুরি সময়ে নেদারল্যান্ডের ৩ পয়েন্ট নিশ্চিত করেন ডাভি ক্লাসেন। পরিবর্ত হিসেবে মাঠে নামা মেমফিস ডিপের শট ঝাঁপিয়ে বাঁচান সেনেগাল গোলকিপার মেন্ডি। ফিরতি বল জালে পাঠান ক্লাসেন।

বিশ্বকাপে নেদারল্যান্ড মানেই কমলা ঝড়। ডাচদের আক্রমণাত্মক খেলা দেখতে অভ্যস্ত ফুটবলপ্রেমীরা। কিন্তু সেই সুদিন আর নেই ডাচদের। যদিও নিজেদের গ্রুপে সেরা হয়েই বিশ্বকাপে খেলতে এসেছে নেদারল্যান্ড। সমর্থকদের প্রত্যাশাও অনেকটাই বেশি ছিল। কিন্তু সেই প্রত্যাশা পূরণ করতে ব্যর্থ লুই ভ্যান গালের দল। বিপক্ষের যেমন সাদিও মানে ছিল না। তেমনই নেদারল্যান্ডের মেমফিস ডিপের না থাকাটাও ফ্যাক্টর হয়ে দাঁড়াল। ডাচ দলের বৈশিষ্ট্য হল অন্য দলের মতো কোনও তারকা নেই। বলার মতো ফুটবলার ফ্র্যাঙ্ক ডি জং, ডালে ব্লাইন্ড, ভার্জিল ভ্যান ডাইক, মেমফিস ডিপেরা। চোটের জন্য মেমফিস ডিফে চোটের জন্য না থাকায় ভিনসেন্ট জানসেনকে সামনে রেখে দল সাজিয়েছিলেন লুই ভ্যান গল।

সংবাদটি বিস্তারিত পড়তে ক্লিক করুন World Cup: মানেহীন সেনেগালকে জোড়া গোল দিয়ে বিশ্বকাপ অভিযান শুরু করল ডাচরা

আবেগঘন টুইট পোস্ট ইস্টবেঙ্গল এফসির

Emotional Tweet Post by East Bengal FC

ওডিশা এফসির বিরুদ্ধে এমন অপ্রত্যাশিত হারের পরে ঘুরে দাঁড়াতে মরিয়া টিম ইস্টবেঙ্গল (East Bengal FC)। সোমবার সন্ধ্যেতে লাল হলুদ শিবির অনুশীলনে নামে।

এদিন প্র‍্যাকট্রিস সেশনের মাঝে ইস্টবেঙ্গল মিডিয়া টিম দলের প্র‍্যাকট্রিসের বেশ কয়েকটি মুহুর্ত ফ্রেমবন্দী করে টুইট পোস্ট করেছে।ওই টুইট পোস্টের ক্যাপসন বেশ তাৎপর্যপূর্ণ।ক্যাপসনে লেখা,”
“অন্ধকার কিছু মনে করবেন না, আমরা এখনও একটি উপায় খুঁজে পেতে পারি,
‘কারণ কিছুই’ চিরকাল স্থায়ী হয় না, এমনকি নভেম্বরের ঠান্ডা বৃষ্টিও।”
#জয়ইস্টবেঙ্গল #আমাগোমশাল “

ঘরের মাঠ যুবভারতী ক্রীড়াঙ্গনে ওড়িশা এফসির বিরুদ্ধে দুগোলের লিড থাকার পর,দ্বিতীয়ার্ধের তিন মিনিটের মধ্যে দুগোল হজম কিছুতেই মেনে নিতে পারছে না লাল হলুদ ভক্তরা।তাই সমর্থকদের আশ্বস্ত করতে এবং পাশে থাকার বার্তা দিতেই এমন আবেগঘন টুইট পোস্ট ইস্টবেঙ্গল এফসির।

সংবাদটি বিস্তারিত পড়তে ক্লিক করুন আবেগঘন টুইট পোস্ট ইস্টবেঙ্গল এফসির

কলকাতায় আসার আগে তাভোরার বার্তা মেরিনার্স ক্যাম্পকে

Sahil Tavora

আগামী শনিবার, কেরালা ব্লাস্টার্স এফসির বিরুদ্ধে ইন্ডিয়ান সুপার লিগে (ISL) হায়দরাবাদ এফসি তাদের প্রথম পরাজয়ের মুখোমুখি হয়েছিল কিন্তু টেবলের শীর্ষে রয়েছে। তাদের পরবর্তী ম্যাচে ATK মোহনবাগানের বিরুদ্ধে শনিবার কলকাতায় তারা আরেকটি কঠিন চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হবে।

অন্যদিকে, মেরিনার্সরা ফতোরদায় এফসি গোয়ার বিরুদ্ধে তিন পয়েন্ট হাতছাড়া করায় লিগে টপার হওয়ার সুযোগ হারিয়ে ফেলেছে। ফলে সবুজ মেরুন শিবির ঘরের মাঠ যুবভারতী ক্রীড়াঙ্গনে উইনিং ট্র‍্যাকে ফিরে আসতে চাইবে। ফলে শনিবার যুবভারতীতে দুদলের মধ্যে হাড্ডাহাডি লড়াই হতে চলেছে।
হায়দরাবাদ এফসি দলে অনেক ভালো খেলোয়াড় রয়েছে। শক্তি এবং সামর্থ্যে তারা সবুজ মেরুন খেলোয়াড়দের থেকে কোনও অংশেই কম নয়।এদের মধ্যে অন্যতম সাহিল তাভোরা ভারতীয় ফুটবলের এক উজ্জ্বল নাম। হায়দরাবাদ এফসির প্রথম এগারোতে সাহিল নিজের জায়গা পাকাপোক্ত করে রেখেছেন দুরন্ত পারফরম্যান্সের জেরে।গত বছরের ফাইনালে কেরালা ব্লাস্টার্স এফসিকে পেনাল্টিতে পরাজিত করার কারণে এই মিডফিল্ডার ডিফেন্ডিং চ্যাম্পিয়নদের জন্য ‘তুরুপের তাস’।

হায়দরাবাদ চলতি ইন্ডিয়ান সুপার লিগে শিরোপা রক্ষা করতে চাইছে। তাভোরা টিমের হেডকোচ মানোলো মার্কেজের প্রশংসা করতে গিয়ে বলেছেন, দলের খেলোয়াড়দের মধ্যে একটি ঘনিষ্ঠ বন্ধন তৈরি করতে তার জুড়িমেলা ভার।নিজের দলের পরিবেশ নিয়ে তাভোরা আরও জানান,” হায়দরাবাদ অন্যান্য দলের থেকে আলাদা কারণ এখানে পারিবারিক অনুভূতি রয়েছে। আমরা সবাই বন্ধু, আমরা মজা করি এবং একসাথে খাই। আমরা এটা তৈরি করেছি এবং আমি বিশ্বাস করি এটা আমাদের যা অর্জন করেছে তা অর্জন করতে সহায়তা করেছে।”

সাহিল তাভোরা এই সাক্ষাৎকার থেকে পরিষ্কার লিগে কেরালা ব্লাস্টার্স এফসির বিরুদ্ধে শেষ ম্যাচে হেরে গেলেও মোটেও হতাশ নয়,বরং চ্যাম্পিয়ন শিরোপা ধরে রাখতে মরিয়া গোটা শিবির। তাই কলকাতার মাটিতে পা রাখার আগেই ATK মোহনবাগানের বিরুদ্ধে তিন পয়েন্ট ‘পাখির চোখ’ এটা ঠারেঠোরে বুঝিয়ে দিচ্ছে যা খেলার মাইন্ড গেমেরই অংশ।

সংবাদটি বিস্তারিত পড়তে ক্লিক করুন কলকাতায় আসার আগে তাভোরার বার্তা মেরিনার্স ক্যাম্পকে

Qatar WC: হিজাব বিরোধী ইরানি ফুটবলারদের মৃত্যুদণ্ড? বিশ্বজোড়া প্রশ্ন

Qatar WC, FIFA WC, Iran, England, Tehran, Top news, Hijab Protest

ইরানি মজলিসে (সংসদ) হিজাব বিদ্রোহীদের (Hijab Protest) মৃত্যুদণ্ড শাস্তির পক্ষে সংখ্যাগরিষ্ঠ ভোট। ২৯০ জন সদস্যের মধ্যে ২২৭ জন প্রস্তাবের পক্ষে ভোট দেন। কী হবে বিশ্বকাপ (Qatar WC) খেলা হিজাব বিদ্রোহী ইরানি (Iran) ফুটবলারদের ভবিষ্যৎ?

Goal.Com জানাচ্ছে কাতারের মাঠে খেলার শেষ বাঁশি বাজার পর পরাজিত ইরানি ফুটবলারদের নিয়েই দুনিয়া জুড়ে আলোড়ন। খেলায় ইংল্যান্ডের কাছে ৬-২ গোলে ইরান হেরেছে। তবে ম্যাচ শুরুর আগে ইরানের ফুটবলার তাদের দেশের জাতীয় সঙ্গীতের সময় নীরব ছিলেন। হিজাব বিরোধী প্রতিবাদের পক্ষে দেশের নারীদের পাশে তারা দা়ঁড়ালেন। চূড়ান্ত গতিসম্পন্ন এই ম্যাচে গোলের বন্যা বয়ে গেছে। এক ম্যাচে ৮টি গোল!

গোলের ঝলকের মাঝে তীব্র আলোচনা, হিজাব বিরোধী অবস্থানে দেশের সরকারের বিরুদ্ধে বিশ্বকাপের আসর থেকে বার্তা দিয়ে সরকারের রোষে পড়তে চলেছেন ইরানি ফুটবলাররা।

Al Jazeera জানাচ্ছে, নভেম্বর মাসের শুরুতে ইরানের পার্লামেন্ট (মজলিস) সদস্যদের সংখ্যাগরিষ্ঠ ভোট পড়েছে হিজাব বিদ্রোহীদের মৃত্যুদণ্ড শাস্তির প্রস্তাবে। এই প্রস্তাবে বলা হয়েছে, বিক্ষোভকারীদের বিচার করে মৃত্যুদণ্ড শাস্তির কথা।

BBC জানাচ্ছে, হিজাব বিরোধী প্রতিবাদে সোমবারও প্রবল উত্তপ্ত ইরান। কাতারের মাঠে যখন ইরান বনাম ইংল্যান্ডের খেলা চলছিল তখন বিক্ষোভের আগুনে জ্বলছে রাজপথ। মাঠে জাতীয় সঙ্গীত গাওয়ার সময় ফুটবলারদের নীরব দেখে হাজার হাজার বিক্ষোভকারী সাবাসি জানান। পুলিশ ও সেনার সঙ্গে সংঘর্ষ চলছে।

ইরানের নীতি পুলিশের হেফাজতে কুর্দিস তরুণী মাসা আমিনির মৃত্যুকে ঘিরে হিজাব বিরোধী বিক্ষোভে উত্তাল হয়ে আছে ইরান। গুলিতে নিহত শতাধিক। বিক্ষোভ দমাতে কঠোর অবস্থান নিয়েছে ইরান সরকার। বিক্ষোভকারীদের মৃত্যুদণ্ড শাস্তি দেওয়া হবে বলেই জানা যাচ্ছে।
কাতারের মাঠে হিজাব বিরোধী বিক্ষোভের সমর্থন করা ইরানি ফুটবলারদের কী হবে? তারাও নিজ দেশের সরকারের নজরে পডেছেন।

সংবাদটি বিস্তারিত পড়তে ক্লিক করুন Qatar WC: হিজাব বিরোধী ইরানি ফুটবলারদের মৃত্যুদণ্ড? বিশ্বজোড়া প্রশ্ন

জানুয়ারির দলবদলে ইস্টবেঙ্গল এফসিতেই ফিরে আসতে পারেন হীরা

hira mondal

ঘরের মাঠ যুবভারতী ক্রীড়াঙ্গনে ওড়িশা এফসির বিরুদ্ধে বিরাট হারের ধাক্কা এখনও সামলে উঠতে পারে নি ইস্টবেঙ্গল এফসি (East Bengal FC )। ইন্ডিয়ান সুপার লিগে (ISL) ওড়িশা এফসির বিরুদ্ধে প্রথমার্ধে ২-০ গোলে এগিয়ে থাকার পর, খেলার দ্বিতীয়ার্ধের তিন মিনিটের মধ্যে জোড়া গোল হজম এবং শেষে ২-৪ গোলে পরাজয় ইস্টবেঙ্গলের।

এমন আবহে জানুয়ারি মাসের ফিফা উইন্ডো কাজে লাগিয়ে লাল হলুদ বিগ্রেডে রদবদল হতে চলেছে এমন বার্তা ওড়িশার বিরুদ্ধে খেলার শেষে জানিয়েছিলেন লাল হলুদ শিবিরের শীর্ষকর্তা দেবব্রত সরকার।সোমবার, বেঙ্গালুরু এফসি ভারতীয় ডিফেন্ডার হীরা মণ্ডলকে রিলিজ দিয়ে দিয়েছে।তাই শীতকালীন ফিফা উইন্ডো দিয়ে ইস্টবেঙ্গল এফসি দলে যোগদানের প্রবল সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে ফুটবলার হীরা মণ্ডলের।

জানুয়ারির ফিফা উইন্ডোতে লাল হলুদ বিগ্রেড দুই থেকে তিনজন ভারতীয় ফুটবলারকে নিতে পারে এমন খবর সূত্র মারফৎ আগেই পাওয়া গিয়েছিল।এদিন বিএফসি থেকে হীরাকে রিলিজ করে দেওয়াতে লাল হলুদ শিবিরে ভারতীয় এই ডিফেন্ডারের জয়েনের ইস্যুতে আগুনে ঘি পড়লো।

প্রসঙ্গত, অফিসিয়ালি কিছু না জানা গেলেও কান পাতলে শোনা যাচ্ছে, জানুয়ারির দলবদলে ইস্টবেঙ্গল এফসি’তেই ফিরে আসতে পারেন হীরা। কারণ, গত আইএসএল সেশনে লাল হলুদ শিবিরের হয়ে তিনি খুবই ভাল খেলেন। ১৬টা ম্যাচের মধ্যে ১৫টিতেই প্রথম এগারোয় ছিলেন হীরা মণ্ডল। ২০২০-২১ মরসুমে আই লিগ টুর্নামেন্ট মঞ্চে উত্থান ঘটে হীরার। সে বার মহমেডান স্পোর্টিং’র হয়ে ধারাবাহিক ভাবে ভাল খেলায় সেরা দলে জায়গা পায় এই ভারতীয় ডিফেন্ডার। এমন ঝকঝকে পারফরম্যান্স দেখেই ২০২১-এ এসসি ইস্টবেঙ্গল তাঁকে সই করায়। ২০১৫’তে পোর্ট ট্রাস্টের হয়ে কলকাতা লিগে খেলা শুরু করার পরে রেনবো এফসি, টালিগঞ্জ অগ্রগামী, পিয়ারলেসের হয়েও খেলেন তিনি।

লাল-হলুদ জার্সি গায়ে গত আইএসএলে ১৬ টা ম্যাচ খেললেও চলতি আইএসএলে তাঁকে একটিও ম্যাচ খেলার সুযোগ দেননি বেঙ্গালুরু এফসি দলের কোচ সাইমন গ্রেসন। ফলে হতাশ হয়েই বিএফসির ছাড়ার সিদ্ধান্ত ডিফেন্ডার হীরা মণ্ডলের।

সংবাদটি বিস্তারিত পড়তে ক্লিক করুন জানুয়ারির দলবদলে ইস্টবেঙ্গল এফসিতেই ফিরে আসতে পারেন হীরা

চ্যারিস কিরিয়াকুকে নিয়ে ইস্টবেঙ্গল এফসির চাঞ্চল্যকর টুইট পোস্ট

Charalambos Kyriakou

ওড়িশা এফসির বিরুদ্ধে অপ্রত্যাশিত হারের পরে সাংবাদিক বৈঠকে এসে ইস্টবেঙ্গল এফসি কোচ স্টিফেন কনস্টাটাইন চ্যারিস কিরিয়াকুর (Charalambos Kyriakou) ইনজুরি ইস্যুতে জানিয়েছিলেন, ” আপাতত কিরিয়াকু হাসপাতালে রয়েছে। ভ্রু’র ওপর সেলাই করতে হয়েছে।”তবে সোমবার সন্ধ্যেতে সকলকে চমকে দিয়ে চ্যারিস কিরিয়াকু টিমের প্র‍্যাকট্রিস গ্রাউন্ডে এসে উপস্থিত হন।

শুধু প্র‍্যাকট্রিস গ্রাউন্ডে এসে উপস্থিতই হননি, কিরিয়াকু পুরো দমে অনুশীলনেও নেমে পড়েন।আর কিরিয়াকুর প্র‍্যাকট্রিসের ওই মুহুর্ত ইস্টবেঙ্গল এফসি নিজেদের অফিসিয়াল টুইটার হ্যান্ডেলে পোস্ট করতেই তা ভাইরাল হয়ে যায়।ওই টুইটের ক্যাপসনে লেখা হয়েছে,” ডেডিকেশন = #AmagoGladiator
#জয়ইস্টবেঙ্গল #আমাগোমশাল “

প্রসঙ্গত, ওড়িশা এফসির বিরুদ্ধে হারের পর ইস্টবেঙ্গল শীর্ষকর্তা দেবব্রত সরকার লাল হলুদ খেলোয়াড়দের টিমের প্রতি দায়বদ্ধতা নিয়ে প্রশ্ন তুলে বলেন,”একটা দল প্রথমার্ধে দু’গোলের লিড নেওয়ার পর,দ্বিতীয়ার্ধে তিন মিনিটের মধ্যে দু’গোল খায়,আমার তো খেলোয়াড়দের ফিটনেস এবং মানসিকতা নিয়ে সন্দেহ জাগছে।” দেবব্রত সরকারের এই বার্তা অনেকটা ‘ভোকাল টনিকে’র মতো কাজ করেছে এমনটা মনে করছে ফুটবল মহল।

সঙ্গে দেবব্রত সরকার ওড়িশা এফসির বিরুদ্ধে টিমের খেলোয়াড়দের পারফরম্যান্সের ইস্যুতে এও বলেছিলেন, “প্লেয়াররা প্রফেশনাল, তারা টাকা নিচ্ছেন,তাদের খেলতে হবে এটাই স্বাভাবিক।” সরাসরি ইস্টবেঙ্গল ফুটবলারদের পেশাদারিত্ব নিয়ে কটাক্ষ ছুড়ে দেওয়ায় লাল হলুদ ফুটবলারেরাও যথেষ্ট ব্যাকফুটে। আগামী রবিবার ইস্টবেঙ্গল এফসির ম্যাচ জামশেদপুর এফসির বিরুদ্ধে। জামশেদপুরের মাটিতে রেড এন্ড গোল্ড বিগ্রেড ‘বাউন্সব্যাক’ করতে পারবে কিনা তা নিয়ে এখন জোর চর্চ্চাতে মশগুল ভক্তরা।

সংবাদটি বিস্তারিত পড়তে ক্লিক করুন চ্যারিস কিরিয়াকুকে নিয়ে ইস্টবেঙ্গল এফসির চাঞ্চল্যকর টুইট পোস্ট

শুরু হচ্ছে তৃণমূল সাংসদ অভিষেকের MP Cup প্রতিযোগিতা

TMC MP Abhishek Banerjee will conduct the MP Cup competition again

তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক তথা সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Abhishek Banerjee) উদ্যোগে ফের হবে এমপি কাপ (MP Cup) প্রতিযোগিতা। ১০ ডিসেম্বর থেকে শুরু হয়ে এই প্রতিযোগিতা।এই প্রতিযোগিতায় নাম নথিভুক্তিকরণের তারিখ ১৫ নভেম্বর থেকে ৩০ নভেম্বর ধার্য করা হয়েছে।

ডায়মন্ড হারবার লোকসভা কেন্দ্রের অন্তর্গত সাতটি বিধানসভা কেন্দ্র থেকে মোট ১২৮টি দল অংশ নেবে প্রতিযোগিতায়। ৭টি বিধানসভা কেন্দ্রের বিভিন্ন গ্রাম পঞ্চায়েত পৌরসভা থেকে দলগুলি প্রতিনিধিত্ব করবে। লীগ কাপ নকআউট ফরম্যাটেই হবে খেলা। শেষে কোয়ার্টার ফাইনাল, সেমিফাইনাল ও ফাইনাল। জমকালো উদ্বোধনী ও সমাপ্তি অনুষ্ঠানের পরিকল্পনা রয়েছে উদ্যোক্তাদের। সঙ্গে আলোচনা করে টুর্নামেন্টের রূপরেখা তৈরি করবেন টুর্নামেন্টের আয়োজক কমিটির সদস্যরা।

সর্ব স্তরের কর্মীদের এককাট্টা করে ফুটবলের ময়দানে নামিয়ে সাংগঠনিক শক্তি মজবুত করতে ডায়মন্ড হারবারে এমপি কাপ চালু করেন অভিষেক। কোনও পেশাদার খেলোয়াড় নয়, ঘরবাড়ি তৃনমূলের কর্মী-সমর্থকরা এই ফুটবল টুর্নামেন্টে অংশগ্রহণ করেন। পরে অন্যান্য জেলাতেও জনপ্রিয় হয়। অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের সারাবাংলা তথা দেশে সাড়া ফেলে দেওয়া এমপি কাপ ফুটবল প্রতিযোগিতা শুরু হচ্ছে ১০ই ডিসেম্বর থেকে। অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় এর লোকসভা কেন্দ্রে ফের খেলা হবে। প্রথম বছর থেকেই তা বাংলা তথা দেশ জুড়ে দারুণ সাড়া ফেলেছে।গতবছর এই প্রতিযোগিতায় চ্যাম্পিয়ন হয়েছিল বজবজ।

সংবাদটি বিস্তারিত পড়তে ক্লিক করুন শুরু হচ্ছে তৃণমূল সাংসদ অভিষেকের MP Cup প্রতিযোগিতা

ইরানকে ৬-২ গোলে চূর্ণ করে নিজেদের বিশ্বকাপ অভিযান শুরু করল ইংল্যান্ড

England started their World Cup

বিশ্বকাপ (World Cup) অভিযান শুরুর আগেই মাঠের বাইরের কারণে খবরের শিরোনামে থাকা একটি দেশ। তার সামনে পড়েছে বিশ্বর‍্যাঙ্কিংয়ে পঞ্চম স্থানে থাকা ফুটবল টিম। ফলে যা হওয়ার তাই হল। ইংল্যান্ডের সামনে টিকতেই পারল না ইরান। মধ্য প্রাচ্যের দেশটির ডিফেন্স নিয়ে ছেলেখেলা করলেন সাকা-স্টার্লিংরা। প্রথমার্ধেই তিন গোলে এগিয়ে গিয়েছিল থ্রি লায়নস। সেই ধাক্কা সামলে আর ম্যাচে ফিরে আসতে পারেনি ইরান। শেষ পর্যন্ত ৬-২ গোলে ম্যাচ শেষ হল।

ম্যাচের বাঁশি বাজার আগেই তীব্র প্রতিবাদে শামিল হন ইরানের ফুটবলাররা। প্রথামাফিক জাতীয় সংগীত গাইতে অস্বীকার করেন মেহদি তারেমিরা। গত দু’মাসের বেশি সময় ধরে হিজাব পরার বিরোধিতা করে প্রবল বিক্ষোভ চলছে ইরানে। নানা ভাবে প্রতিবাদীদের সমর্থন জানিয়েছেন ইরানের জাতীয় দলের ফুটবলাররা। দল থেকে বাদ পড়ে যাবেন, দেশে ফিরে মারাত্মক বিপদের মধ্যে পড়বেন জেনেও জাতীয় সংগীত গাইলেন না তাঁরা। মাঠের মধ্যে যাই হোক। মাঠের বাইরে নিঃসন্দেহে তাঁরাই চ্যাম্পিয়ন।

ম্যাচ শুরু হতেই চোট পেয়ে বেরিয়ে যান ইরানের গোলকিপার আলিরেজা বেইরানভান্ড। তারপরেই ইরানের বক্সে ঢুকে আক্রমণ শানাতে থাকেন হ্যারি কেনরা। ৩৫ মিনিটে ইংল্যান্ডের হয়ে প্রথম গোল করেন জুড বেলিংহ্যাম। বাঁক খাওয়ানো অসাধারণ শটে বলটি সোজা জালে জড়িয়ে যায়। এই ধাক্কা সামলে ওঠার আগেই ফের গোল। ম্যাগুয়েরের বাড়ানো পাস ধরে বেশ দূর থেকেই শট নিয়েছিলেন সাকা। গোলকিপারকে বোকা বানিয়ে গোল করেন তিনি। দু’মিনিটের মাথায় কেনের ক্রস ধরে গোল করেন রহিম স্টার্লিং।

প্রথমার্ধে তিন গোল খেয়েই ম্যাচ থেকে একেবারে হারিয়ে যায় ইরান।এগিয়ে থেকেও একেবারেই আত্মতুষ্টিতে ভোগেনি সাউথগেটের শিষ্যরা। বিরতির পরেও একইরকম ঝাঁজালো আক্রমণ করতে থাকে ইংল্যান্ড। ৬২মিনিটে ফের গোল করেন সাকা। তবে ৬৫ মিনিটে ব্যবধান কমান ইরানের তারেমি। ৭০ মিনিটে একসঙ্গে তিনটি পরিবর্তন করেন সাউথগেট। নামার এক মিনিটের মধ্যেই গোল করেন র‍্যাশফোর্ড। ৮৯ মিনিটে কার্যত ফাঁকা মাঠে গোল করেন গ্রিলিশ। ম্যাচের একেবারে শেষ মুহূর্তে পেনাল্টি পেয়ে গোল করেন তারেমি। ইরানের বিরুদ্ধে এত বড় ব্যবধানে জয় পেয়ে স্বস্তিতেই থাকবে ইংল্যান্ড।

সংবাদটি বিস্তারিত পড়তে ক্লিক করুন ইরানকে ৬-২ গোলে চূর্ণ করে নিজেদের বিশ্বকাপ অভিযান শুরু করল ইংল্যান্ড

বেঙ্গালুরু এফসি থেকে রিলিজ পেলেন ফুটবলার হীরা মন্ডল

Hira Mandal

বেঙ্গালুরু এফসির সঙ্গে চুক্তি ভেঙে বেরিয়ে এলেন বাংলার সাইড ব্যাক হীরা মন্ডল (Hira Mandal)। সোমবার সরকারি ভাবে এই খবর ঘোষণা করেছে বেঙ্গালুরু এফসি।

বেঙ্গালুরুর ক্লাব দলটি এদিন সোশাল মিডিয়াতে ফুটবলার হীরা মণ্ডলকে রিলিজ দেওয়ার ইস্যুতে জানিয়েছে, “পারস্পরিক সম্মতিতে বেঙ্গালুরু এফসির সাথে হীরা মন্ডলের চুক্তি বাতিল করা হয়েছে। ক্লাব হীরার ভবিষ্যতের জন্য শুভকামনা জানায়।”বেশ কয়েকদিন ধরেই তাঁর জল্পনা চলছিল সম্ভাব্য এই সিদ্ধান্ত নিয়ে।কিন্তু এ দিন সুনীল ছেত্রীর ক্লাব তাদের টুইটার হ্যান্ডলে এই খবর দেওয়ার পরেই বোঝা গেল, তা জল্পনা নয়, সত্যিই।

গত ইন্ডিয়ান সুপার লিগ সেশনে হীরা মন্ডলের দল ইস্টবেঙ্গল এসসি আশানুরূপ পারফরম্যান্স না দেখাতে পারলেও হীরা কিন্তু প্রায় প্রতি ম্যাচেই পারফর্ম করেছিলেন। তাঁর এই ধারাবাহিক পারফরম্যান্সের জন্য বেঙ্গালুরু এফসি গত বছর জুলাইয়ে নিজেদের শিবিরে ডেকে নেয়।

গত মরশুমে লাল-হলুদ জার্সি গায়ে ১৬টি ম্যাচ খেললেও এ বার চলতি হিরো আইএসএলে তাঁকে একটিও ম্যাচ খেলার সুযোগ দেননি দলের কোচ সাইমন গ্রেসন। ওডিশা এফসি-র বিরুদ্ধে রিজার্ভ বেঞ্চে থাকলেও বাকি পাঁচটি ম্যাচে তিনি স্কোয়াডেই ছিলেন না। মরশুমের শুরুতে ডুরান্ড কাপে অবশ্য চারটি ম্যাচ খেলেছিলেন তিনি। কিন্তু প্রথম ম্যাচেই জামশেদপুর এফসি-র বিরুদ্ধে দু’বার হলুদ কার্ড দেখে পরের ম্যাচে নির্বাসিত ছিলেন। এফসি গোয়ার বিরুদ্ধে পুরো ৯০ মিনিট এবং মহমেডান স্পোর্টিংয়ের বিরুদ্ধে ৭৮ মিনিট মাঠে ছিলেন তিনি। কিন্তু গ্রুপের শেষ ম্যাচে ও সেমিফাইনালে রিজার্ভ বেঞ্চেই বসে থাকতে হয় তাঁকে। ফাইনালে মাত্র দশ মিনিটের জন্য নামেন তিনি।

সংবাদটি বিস্তারিত পড়তে ক্লিক করুন বেঙ্গালুরু এফসি থেকে রিলিজ পেলেন ফুটবলার হীরা মন্ডল

Qatar WC: বিদ্রোহী ইরানি দলের নজির, হিজাব বিরোধী নারীদের সমর্থনে গাইল না জাতীয় সঙ্গীত 

বিশ্বকাপের আসরে এমন ঘটনা আগে কখনও হয়নি। জাতীয় সঙ্গীত গাইলেন না ইরান দলের ফুটবলাররা। এই মূহূর্ত কাতারের খলিফা ইন্টারন্যাশনাল স্টেডিয়াম থেকে বিশ্ব জুড়ে ঝড় তুলে দিল। আর ইরান জুড়ে বিদ্রোহী জনতার উল্লাস। দেশের সরকারের কড়া হিজাব নীতির বিরুদ্ধে চরম প্রতিবাদ জানালেন ইরানের জাতীয় দলের খেলোয়াড়রা।

বহু রাজনৈতিক-সামাজিক বিতর্কের সাক্ষী বিশ্বকাপ ফুটবলের সবকটি অাসর। এবারও (Qatar WC) ব্যাতিক্রম নেই। কাতার সরকারের ধর্মীয় রক্ষণশীল নীতির কারণে বিতর্ক আরও প্রবল। এই আবহে গনগনে উনুনের মতো ফুটছে England-Iran ম্যাচ।  

ইংল্যান্ড দলের সমকামিতা সমর্খন ও ইরানি দলের হিজাব বিদ্রোহ সমর্থন আবহে এই ম্যাচ যেন গনগনে উনুন।

 BBC জানাচ্ছে, প্রতিপক্ষ দল ইরান নামছে নিজ দেশের রক্তাক্ত হিজাব বিদ্রোহের প্রতি সমর্থনের বার্তা নিয়ে। ইরানের জাতীয় দলটি দেশের সরকারের বাধ্যতামূলক মহিলাদের হিজাব পরানোর নীতির তুমুল প্রতিবাদ করেছে। 

হিজাব ঠিক মতো না পরার জন্য ইরানি-কুর্দিস মাশা আমিনির গ্রেফতার ও পুলিশের হেফাজতে তার মৃত্যুর পর থেকে ইরান গণবিক্ষোভ উত্তাল। শতাধিক বিক্ষোভকারী নিহত। মহিলারা হিজাব খুলে চুল কেটে প্রতিবাদে সামিল হয়েছেন। বিক্ষোভ চলছে়ই। 

Qatar Tribune জানাচ্ছে, ফিফার নিয়ম মেনে মাশা আমিনির হত্যার প্রতিবাদ জানাতে পারবেন ইরানের জাতীয় দলের খেলোয়াড়ররা।

Goal.Com জানাচ্ছে, বিশ্বকাপ ইংল্যান্ড বনাম ইরানের ম্যাচটি ইউরোপ বনাম এশিয়ার লড়াই। দুই মহাদেশের দুটি দেশ প্রথমবার মুখোমুখি হচ্ছে। এশিয়ার সেরা দল ইরান। আর ইংল্যান্ডের হলো ইউরোপের অন্যতম সেরা দল। দুটি দলই জিততে মরিয়া।

Al Jazeera জানাচ্ছে, ইরান ও ইংল্যান্ডের ম্যাচে বিতর্কের অন্যতম কারণ, কাতার সরকারের সমকামিতা নীতির বিরোধিতা। ইংল্যান্ডের অধিনায়ক সমকামিতার পক্ষে সরব থাকেন। তিনি সমকামীদের তিনরঙা পতাকার বাহুবন্ধনী পরে মাঠে নামবেন বলে জানি়য়েছেন। এদিকে কাতার সরকারের নিয়ম ভেঙে তিনি যদি সমকামীদের পক্ষে বার্তা দিতে মাঠে নামেন তাহলে ফিফা দেবে শাস্তি। সেক্ষেত্রে হলুদ কার্ড দেখবেন ইংলিশ অধিনায়ক হ্যারি কেইন।

সংবাদটি বিস্তারিত পড়তে ক্লিক করুন Qatar WC: বিদ্রোহী ইরানি দলের নজির, হিজাব বিরোধী নারীদের সমর্থনে গাইল না জাতীয় সঙ্গীত 

Wilmar Jordan: ভারতীয় ফুটবল কাঁপাতে মাঠে নামতে চলেছে কলম্বিয়ান স্ট্রাইকার

Wilmar Jordan

সোমবার নর্থইস্ট ইউনাইটেড এফসি ঘোষণা করেছে কলম্বিয়ান স্ট্রাইকার উইলমার জর্ডনকে (Wilmar Jordan) তারা সই করিয়েছে৷ এই সাইনিং তাদের আক্রমণকে শক্তিশালী করেছে।

ইন্ডিয়ান সুপার লিগ (ISL) ২০২২-২৩ মরসুমে হাইল্যান্ডাররা তাদের ছটি ম্যাচের সবকটিতেই হেরেছে।৩২ বছর বয়সী এই কলম্বিয়ান স্ট্রাইকারের কাছে চ্যালেঞ্জ হল টিমকে উইনিং ট্র‍্যাকে ফিরিয়ে আনা।উল্লেখ্য যে,মার্কো বালবুলের দল চলতি মরসুমে এখনও পর্যন্ত মাত্র দুটো গোল করেছে এবং তাদের নতুন এই রিক্রুট টিমের আপফ্রন্টে উন্নতি করতে সাহায্য করবে।

নর্থইস্টের হয়ে সাইনিং করার পরে জর্ডন নিজের প্রতিক্রিয়াতে জানান,”আমি এখানে এসে খুব খুশি। আমাকে স্বাগত জানানোর জন্য ভক্তদের ধন্যবাদ জানাতে চাই এবং আমি তাদের পরের ম্যাচের সময় দেখতে পাব বলে আশা করি।”নর্থইস্ট ইউনাইটেড এফসির ম্যাচ রয়েছে মুম্বই সিটি এফসির বিরুদ্ধে, আগামী শুক্রবার গুয়াহাটিতে।ভক্তরা আশা করছে দলে নতুন এই রিক্রুট সেশনে তাদের পয়েন্ট ঘরে তুলতে সাহায্য করবে।প্রসঙ্গত,জর্ডন একজন অত্যন্ত অভিজ্ঞ ফুটবলার এবং ভেনেজুয়েলা, বুলগেরিয়া, দক্ষিণ কোরিয়া এবং সংযুক্ত আরব আমিরাতে খেলেছেন।

সংবাদটি বিস্তারিত পড়তে ক্লিক করুন Wilmar Jordan: ভারতীয় ফুটবল কাঁপাতে মাঠে নামতে চলেছে কলম্বিয়ান স্ট্রাইকার