শতরানের খুশির জোয়ারে গা ভাসাতে নারাজ কেএল রাহুল

Rain-interrupted Boxing Day Series, studied by Mr. Centurion

Sports Desk: ‘বক্সিং ডে’ টেস্টে ২৬ ডিসেম্বর দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে তিন টেস্ট ম্যাচ সিরিজের প্রথম টেস্ট সুপারস্পোর্টস পার্কে শতরান করে কেএল রাহুল ১২২ রানে নট আউট। দলের কঠিন সময়ে শতরান করেও খুশির জোয়ারে গা ভাসিয়ে না দিয়ে সেঞ্চুরিয়নে দ্বিতীয় দিনের ব্যাটল ফিল্ডে মনযোগ ধরে রেখেছে ভারতীয় এই ওপেনার।

“Indian Cricket Team” সোশাল মিডিয়াতে প্রথম দিনের শেষে গাড়িতে করে টিম হোটেলে ফেরার পথে কেএল রাহুল নিজের ইনিংস নিয়ে সংক্ষিপ্ত ভিডিও পোস্টে বলেন,”আমি কেএল রাহুল সেঞ্চুরিয়ন থেকে বলছি,এটা নতুন এবং আশা রাখি আপনারা এই ইনিংস উপভোগ করেছেন”। মনের গভীরে শতরানের আনন্দ এবং প্রথম দিনের শেষে প্রোটিয়ার্সদের বিরুদ্ধে নট আউট এমন পারফর্মের পরেও কেএল রাহুলের ফোকাস সড়ে যায়নি।বরংঞ্চ দ্বিতীয় দিনে ব্যাট হাতে ভারতের প্রথম ইনিংসকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়া ইস্যুতে ফোকাস রয়েছেন, তা রাহুলের মুখের হাল্কা ঝিলিক থেকেই রোদ ঝলমলে পরিবেশের মতোই পরিষ্কার।

ক্রিজে কেএল রাহুলের সঙ্গে জুটিতে রয়েছে অজিঙ্কা রাহানে ৪০ রানে অপরাজিত। ভারত ৩ উইকেটে ২৭২ রান তুলেছে প্রথম টেস্টের, প্রথম দিনে দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে।

ভারতের হয়ে মায়াঙ্ক অগ্রবাল ৬০,চেতেশ্বর পূজারা রানের খাতা না খুলেই প্যাভিলিয়নে ফিরে যায়, আর ভারত অধিনায়ক বিরাট কোহলি ৩৫ রানে আউট। প্রোটিয়ার্সদের বিরুদ্ধে প্রথম টেস্টে ভারত টসে জিতে ব্যাটিং’র সিদ্ধান্ত নেয়, যা ছিল সঠিক সিদ্ধান্ত ম্যাচ সিচুয়েশনে। কিন্তু প্রথমে ব্যাটিং নিয়েও মায়াঙ্ক এবং বিরাট দুজনেই সেট ব্যাটসম্যান হয়ে আউট হওয়া টিম ইন্ডিয়ার কাছে প্রথম ইনিংসের প্রেক্ষিতে বড়সর ব্রেকফেল।

লুঙ্গি এনগিডি ১৭ ওভার হাত ঘুরিয়ে ৪৫ রানে তিন উইকেট নিয়ে প্রথম দিনে ভারতের বিরুদ্ধে সেরা বোলিং পারফরম্যান্স রেখেছে প্রোটিয়ার্সদের হয়ে।

যেভাবে দক্ষিণ আফ্রিকার তরুণ ডানহাতি পেস বোলার লুঙ্গি এনগিদি ব্যাক টু ব্যাক মায়াঙ্ক অগ্রবাল এবং চেতেশ্বর পূজারার উইকেট তুলে নিয়ে ভারতের রান তোলার গতিতে রাশ টেনে ধরে এবং ৯৪ বল ফেস করে বিরাট ‘ফণা’ মেলে ধরার আগেই ক্যাপ্টেন কোহলিকে আউট করে প্যাভিলিয়নের রাস্তা দেখিয়ে দেন, তা টেস্ট ক্রিকেটে চার্মসকে বহুগুণ বাড়িয়ে তুলেছে।

প্রথম টেস্টেএ দ্বিতীয় দিনে কি হয় কি হয়? এমন ম্যাচ টেম্পারমেন্ট নিয়েই দুই দল বাইশ গজের ব্যাটলফিল্ডে নামতে চলেছে, যা ‘বক্সিং ডে’ টেস্টকে আরও মেলোড্রামাটিক করে তুলবে।

স্বাস্থ্য পরিষেবায় বাম শাসিত কেরল সেরা, সব শেষে উত্তরপ্রদেশ

Left-ruled Kerala is the best in healthcare, followed by Uttar Pradesh

News Desk: বিধানসভা নির্বাচনের আগে ফের ধাক্কা খেল উত্তরপ্রদেশের (uttarpradesh) বিজেপি সরকার। নীতি আয়োগের (niti ayog) স্বাস্থ্য সংক্রান্ত সূচকে দেখা গিয়েছে, বড় রাজ্যগুলির মধ্যে স্বাস্থ্য পরিষেবার ক্ষেত্রে শেষ স্থানটি দখল করেছে উত্তরপ্রদেশ। অন্যদিকে নীতি আয়োগের এই সমীক্ষায় সবচেয়ে ভাল ফল করেছে বাম শাসিত কেরল (kerala)।

স্বাস্থ্য পরিষেবার দিক থেকে সেরা রাজ্য হিসেবে দ্বিতীয় ও তৃতীয় স্থান দখল করেছে যথাক্রমে তামিলনাড়ু ও তেলেঙ্গানা (tamilnadu and telengana)। অর্থাৎ স্বাস্থ্য পরিষেবার ক্ষেত্রে প্রথম স্থান দখলকারী তিনটি রাজ্যের কোথায় বিজেপির হাতে শাসন ক্ষমতা নেই। ২০১৯-২০ বর্ষের উপর ভিত্তি করে এই রিপোর্ট তৈরি করা হয়েছে। উল্লেখ্য, রিপোর্ট তৈরির এই সময়টিতে করোনা পর্ব চলেছে। বিশ্বব্যাংকের প্রযুক্তিগত সহায়তায় কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রক এবং নীতি আয়োগ যৌথভাবে এই রিপোর্ট তৈরি করেছে। ছোট রাজ্যগুলির মধ্যে স্বাস্থ্য পরিষেবায় সবার সেরা মিজোরাম। কেন্দ্রশাসিত রাজ্যগুলির মধ্যে স্বাস্থ্য পরিষেবার ক্ষেত্রে দিল্লির ঠাঁই হয়েছে যথেষ্ট নিচের দিকে। একই অবস্থা জম্মু-কাশ্মীরের।

আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনের আগে নীতি আয়োগের সূচক অনুযায়ী স্বাস্থ্য পরিষেবায় সবার শেষে স্থান পাওয়াটা নিঃসন্দেহে মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথকে সমস্যায় ফেলবে। কারণ বিরোধী শিবির এই রিপোর্টকে হাতিয়ার করেই যোগীর বিরুদ্ধে আক্রমণ শানাবে।

বিরোধীরা একাধিকবার অভিযোগ করেছে, স্বাস্থ্য, শিক্ষা, আইনশৃঙ্খলা সব ক্ষেত্রেই ব্যর্থ যোগী সরকার। যদিও মুখ্যমন্ত্রী বিরোধীদের সেই অভিযোগ উড়িয়ে দিয়েছেন। উত্তরপ্রদেশের বারানসী হল প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর নির্বাচনী কেন্দ্র। যোগী নিজেও যথেষ্টই মোদী ঘনিষ্ঠ। তার পরেও উত্তরপ্রদেশের এই খারাপ ফলাফল অবশ্যই উদ্বেগের। কারণ এই রিপোর্টটি তৈরি করেছে কেন্দ্রের অধীনস্থ নীতি আয়োগ। কোনওভাবেই যোগী এটাকে বিরোধীদের ষড়যন্ত্র বলে চালাতে পারবেন না।

স্টুডেন্টস আইডি কার্ড দেখিয়ে ভ্যাকসিনের জন্য নাম লেখাতে ১৫-১৮ বছর বয়সিরা

15-16 year olds to register for the vaccine by showing the student ID card

প্রতিবেদন, ২৫ ডিসেম্বর জাতির উদ্দেশ্যে দেওয়া ভাষণে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী (narendra modi) জানিয়েছেন, আগামী ৩ জানুয়ারি থেকে ১৫ থেকে ১৮ বছর বয়সীদের জন্য টিকা দেওয়া শুরু হবে। প্রধানমন্ত্রীর এই ঘোষণার পর বেশিরভাগ অভিভাবক চিন্তিত ছিলেন কিভাবে তাঁরা ছেলেমেয়েদের জন্য টিকা নেওয়ার আবেদন করবেন! সোমবার সেই কৌতূহলের নিরসন করেছে কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রক (health ministry)।
সোমবার (monday) মন্ত্রকের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ভ্যাকসিন নেওয়ার জন্য ১৫ থেকে ১৮ বছর বয়সিরা ১ জানুয়ারি থেকে নিজেদের নাম নথিভুক্ত (name registration) করতে পারবে। কো-উইন অ্যাপের মাধ্যমে ছাত্র-ছাত্রীদের নাম রেজিস্ট্রেশন করতে হবে।

কো-উইন অ্যাপের প্রধান আর এস শর্মা বলেছেন, এখনও পর্যন্ত ১৫ থেকে ১৮ বছর বয়সীদের অনেকেরই আধার কার্ড নেই। সেক্ষেত্রে নাম নথিভুক্ত করতে গেলে হয়তো তারা সমস্যায় পড়তে পারে। কিন্তু এতে চিন্তার কিছু নেই। যে সমস্ত ছাত্র-ছাত্রীদের আধার কার্ড নেই তারা স্কুল বা শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের দেওয়া আইডি কার্ডের সাহায্যে নিজেদের নাম নথিভুক্ত করতে পারবে। ১৫ থেকে ১৮ বছর বয়সিদের অনেকেরই যে আধার কার্ড নেই এটা জানার পরেই সরকার এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে। সে জন্য কো-উইন অ্যাপে বেশ কিছু পরিবর্তনও করা হয়েছে।

আর এস শর্মা আরও বলেছেন অনেক অভিভাবকই তাঁদের ছেলেমেয়েদের আধার কার্ড না থাকায় উদ্বেগ প্রকাশ করেছিলেন। বিষয়টি জানার পর সরকার এই পরিবর্তনের সিদ্ধান্ত নেয়। তাই যেসমস্ত ছাত্রছাত্রীর আধার কার্ড তৈরি হয়নি তাদের মা-বাবার দুশ্চিন্তার কোনও কারণ নেই। কারণ তাঁরা স্টুডেন্টস আইডি কার্ড দেখিয়েই কো-উইন অ্যাপের মাধ্যমে আবেদন করতে পারবেন। যদি কোন ছাত্র-ছাত্রীর স্কুলের আইডি কার্ড না থাকে তাহলে স্কুল কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে লিখিত একটি প্রশংসাপত্র নিয়ে তার মাধ্যমেও নাম নথিভুক্ত করতে পারবে। ৩ জানুয়ারি থেকেই ছোটদের জন্য ভ্যাকসিন দেওয়ার কাজ গোটা দেশেই শুরু হয়ে যাবে বলে শর্মা জানান।

বৃষ্টি বিঘ্নিত বক্সিং ডে সিরিজ, চর্চিত মিস্টার সেঞ্চুরিয়ান

Rain on 'Boxing Day' Test day

Sports Desk: দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে ভারতের প্রথম টেস্ট সেঞ্চুরিয়নের দ্বিতীয় দিন বৃষ্টি বিঘ্নিত। এই প্রতিবেদন লেখার সময়ে একটিও বল ডেলিভারি হয়নি সুপারস্পোর্টস পার্কে। গোটা পিচ কভার দিয়ে ঢেকে রাখা হয়েছে। এমন সময়ে দাঁড়িয়ে কেএল রাহুলের সপ্তম টেস্ট সেঞ্চুরি নিয়ে ভারতের প্রাক্তন অলরাউন্ডার যুবরাজ সিং’র টুইট ভাইরাল হয়েছে।

যুবি’র টুইট পোস্ট,”সেখানে কিছু চরিত্র দেখিয়েছে ছেলেটি ‘কী একটি নক ✊ @klrahul11 ভাল খেলেছে @mayankcricket #IndiavsSA”। ভারতীয় ওপেনার হিসেবে বিদেশের মাটিতে সবথেকে বেশি টেস্ট ক্রিকেটে শতরানের মালিক কিংবদন্তী ব্যাটসম্যান সুনীল গাভাস্কারের মোট ১৫ টি। এরপরেই রয়েছে কেএল রাহুলের নাম ৫ টি শতরান, তিন নম্বরে বীরেন্দ্র সেহবাগের ৪ টি শতরান রয়েছে, বিদেশের মাটিতে।

বক্সিং ডে টেস্টে প্রোটিয়ার্সদের বিরুদ্ধে দুরন্ত পারফরম্যান্সের পর “মিস্টার সেঞ্চুরিয়ন” কেএল রাহুল গাড়িতে চেপে টিম হোটেলে ফেরার পথে বিসিসিআই’র টুইট ভিডিও নিজের প্রতিক্রিয়াতে বলেন,”এটা সত্যি খুবই স্পেশাল আমার কাছে, প্রতিটি শতরানের মতো। এটা খুবই আনন্দের মুহুর্ত,অনেক আবেগের চাঁদড়ে মোড়ানো পথে এই শতরান। টানা ৬-৭ ঘন্টা খেলে, লড়াই করে এই ইনিংস, একজন খেলোয়াড়ের কাছেও তৃপ্তিকর”।

“মিস্টার সেঞ্চুরিয়ন” এই নামেই ক্রিকেট মহল এখন কেএল রাহুলকে প্রশংসিত করছে সেঞ্চুরিয়নে দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে দলের কঠিন সময়ে হাল ধরে রেখে শতরান করার সুবাদে। কেএল রাহুলের এমন নজরকাড়া পারফরম্যান্সের প্রতিক্রিয়াতে সদ্য অবসর নেওয়া ভারতীয় ক্রিকেটার হরভজন সিং নিজের টুইটার হ্যাণ্ডেল ‘হরভজন টার্বোনেটর’এ পোস্ট,”ভালো খেলেছে @klrahul11 টপ ক্লাস 👌👌👏👏 @BCCI #INDvsSA “।

ইতিমধ্যেই, কেএল রাহুল দক্ষিণ আফ্রিকার মাটিতে দাঁড়িয়ে প্রোটিয়ার্সদের বিরুদ্ধে ভারতীয় ওপেনারদের মধ্যে ওয়াসিম জাফরের সর্বোচ্চ ১১৬ রানের রেকর্ড ভেঙে দিয়েছেন, যা জাফর
২০০৭ কেপটাউন টেস্টে প্রোটিয়ার্সদের বিরুদ্ধে করেছিল। রবিবার সেঞ্চুরিয়নে বক্সিং ডে টেস্টের প্রথম দিনে কেএল রাহুল ১২২ রানে অপরাজিত। ওয়াল্ড টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের দৌড়ে তিন টেস্ট ম্যাচের সিরিজের প্রথম টেস্টে ভারতের প্রথম ইনিংসে ভারতীয় ওপেনার ব্যাটসম্যান কেএল রাহুলের দুরন্ত পারফরম্যান্স নিয়ে তোলাপাড় গোটা বিশ্বের ক্রিকেট মহল।

প্রসঙ্গত, গোটা বিশ্ব ক্রিকেট মহলের গত রবিবার কেএল রাহুলের এমন পারফরম্যান্স নিয়ে আলোচনার কারণ উইজডেন ইন্ডিয়ার টুইট পোস্ট লক্ষ্যণীয়। ওই টুইট পোস্ট হল,”টেস্ট দলে ফেরার পর থেকে কেএল রাহুলের স্কোর (দুই বছরের ব্যবধানের পর):

84, 26, 129, 5, 0, 8, 17, 46, 122*

#SAvIND”। দু,বছর পর শতরান দক্ষিণ আফ্রিকার মাটিতে প্রোটিয়ার্সদের বিরুদ্ধে, আর এই কারণেই কেএল রাহুলের শতরান নিয়ে এত চর্চ্চা ক্রিকেট এরিনায়।

মোদীর ছোটদের ভ্যাকসিন দেওয়ার সিদ্ধান্তকে অবৈজ্ঞানিক বললেন এইমসের মহামারী বিশেষজ্ঞ

AIMS epidemiologist calls Modi's decision to vaccinate children unscientific

প্রতিবেদন, ২৫ ডিসেম্বর জাতির উদ্দেশ্যে দেওয়া ভাষণে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী (narendra modi) ঢাক-ঢোল পিটিয়ে ঘোষণা করেছিলেন, ৩ জানুয়ারী থেকে ১৫ থেকে ১৮ বছর বয়সিদের টিকাকরণ (vaccination) শুরু হবে। কিন্তু প্রধানমন্ত্রীর এই সিদ্ধান্তকে অবৈজ্ঞানিক বলে মন্তব্য করলেন এইমসের মহামারী বিশেষজ্ঞ সঞ্জয় কে রাই (sanjay k rai)। এই বিশেষজ্ঞ স্পষ্ট জানালেন, শিশুদের টিকা দিয়ে আদৌ কোনো লাভ হবে না।

বড়দিনে জাতির উদ্দেশে দেওয়া ভাষণে (speech to the nation) প্রধানমন্ত্রী বলেন, এখন বেশিরভাগ রাজ্যেই স্কুল-কলেজ খুলে গিয়েছে। তাই ছোটদের টিকা দেওয়া দরকার। কারণ টিকা দেওয়া হলে সংক্রমণের ঝুঁকি অনেকটাই কমবে। একই সঙ্গে দেশের যে সমস্ত প্রবীণ মানুষ কোমর্বিডিটির সমস্যায় ভুগছেন তাঁদের বুস্টার ডোজ দেওয়ার কথা বলেছেন প্রধানমন্ত্রী।

কিন্তু শিশুদের টিকা দেওয়ার এই সিদ্ধান্তকে সরাসরি অবৈজ্ঞানিক বলে জানিয়ে দিলেন এইমসের এই বিশিষ্ট চিকিৎসক। রবিবার মহামারী বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক রাই বলেন, ছোটদের টিকা দেওয়ার কথা ঘোষণা করার আগে সরকারের উচিত ছিল অন্য দেশগুলির দিকে দেখা। এই মুহূর্তে বেশ কিছু দেশে ১৮ বছরের কম বয়সীদের টিকা দেওয়া চলছে। ওই সব দেশের পরিস্থিতি কী তা আগে পর্যালোচনা করা উচিত ছিল। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী বিভিন্ন বিষয়ে যথা সময়ে ঠিক সিদ্ধান্তই নিয়ে থাকেন। কিন্তু ছোটদের ভ্যাকসিন দেওয়ার এই সিদ্ধান্তটি একেবারেই বিজ্ঞানসম্মত নয়। প্রধানমন্ত্রীর এই সিদ্ধান্তে আমি যথেষ্ট ব্যথিত। ট্যুইট করে একথা জানিয়েছেন চিকিৎসক রাই। নিজের ট্যুইটে পিএমওকে ট্যাগ করেছেন তিনি।

প্রশ্ন হল কী কারণে এই মহামারী বিশেষজ্ঞ ছোটদের টিকা দেওয়ার সিদ্ধান্তকে অবৈজ্ঞানিক বলছেন। এ বিষয়ে রাই ব্যাখ্যাও দিয়েছেন। তিনি বলেছেন, বাস্তব অভিজ্ঞতা বলছে, টিকা নেওয়ার পরেও সংক্রমণ আটকানো যাচ্ছে না। টিকা নিয়েছেন এমন বহু মানুষ নতুন করে আক্রান্ত হচ্ছেন। ব্রিটেনে রোজ ৫০ হাজারের বেশি মানুষ নতুন করে করোনায় আক্রান্ত হচ্ছেন। অর্থাৎ অভিজ্ঞতা বলছে, ভ্যাকসিন নিলে সংক্রমণ ঠেকানো যায় না, তবে মৃত্যু প্রতিরোধ করা যায় অনেকটাই। তাই বাচ্চাদের টিকা দেওয়ার ক্ষেত্রে এত তাড়াহুড়োর কিছু ছিল না। বরং উচিত ছিল আগে বড়দের প্রত্যেকের টিকাকরণ সম্পূর্ণ করা। প্রয়োজনে বুস্টার ডোজ দেওয়া। তাতে মৃত্যুর হার অনেকটাি কমবে। বাচ্চারা করোনা আক্রান্ত হচ্ছে না তা নয়। কিন্তু বাচ্চাদের এই রোগ বিশেষ কাবু করতে পারছে না। তাই কেন্দ্রের উচিত ছিল, আগে দেশের প্রতিটি মানুষকে টিকা দেওয়া। প্রয়োজনে প্রবীণদের বুস্টার ডোজ দেওয়া। তাই আমি প্রধানমন্ত্রীর এই সিদ্ধান্তে খুশি হতে পারছি না।

Covid 19: দেশে একদিনে সংক্রমিত সাড়ে ৬ হাজার, করোনায় মৃত্যু ৩৫১

covid indian air hostess

News Desk: কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রকের করোনা বুলেটিন অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় ভারতে করোনা আক্রান্ত হয়েছেন ৬ হাজার ৫৩১ জন। গত ২৪ ঘন্টায় করোনায় মৃতের সংখ্যা ৩১৫। যার ফলে করোনায় মোট মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৪ লক্ষ ৭৯ হাজার ৯৯৭।

গত ২৪ ঘন্টায় দেশে করোনা থেকে সুস্থ হয়ে উঠেছেন ৭ হাজার ১৪১ জন। এখনও পর্যন্ত দেশে করোনা থেকে মোট সুস্থ হয়েছেন ৩ কোটি ৪২ লক্ষ ৩৭ হাজার ৪৯৫। এই মুহূর্তে দেশে সুস্থতার হার ৯৮.৪০ শতাংশ। দেশে করোনা আক্রান্ত সক্রিয় রোগীর সংখ্যা ৭৫ হাজার ৮৪১।

সোমবারের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, গত ২৪ ঘন্টায় দেশে করোনা টিকাকরণের সংখ্যা ২৯ লক্ষ ৯৩ হাজার ২৮৩। এখনও পর্যন্ত দেশে মোট টিকাকরণের সংখ্যা ১৪১ কোটি ৭০ লক্ষ ২৫ হাজার ৬৫৪।

সাধ্যের মধ্যেই অল্প বাজেটে ‘শর্ট ট্রিপ’ মন্দারমণি

Mandarmani is a 'short trip' on a low budget within reach

News Desk: কম বাজেটে এক কিংবা দুদিনের জন্য ঘুরে আসতে চাইলে চলে যেতে পারেন মন্দারমণি। রাজ্যের ভিতরে অবস্থিত এই সমুদ্র সৈকত পর্যটকদের অন্যতম পছন্দের জায়গা।

পূর্ব মেদিনীপুর জেলায় অবস্থিত মন্দারমণি। কলকাতা ও হাওড়ার সঙ্গে জাতীয় সড়কের মাধ্যমে যুক্ত হয়েছে। এই স্থানের প্রধান আকর্ষণ হল লাল কাঁকড়া।

এই জায়গার অপরূপ এবং মনোরম পরিবেশ ভ্রমণপিপাসুদের জন্য উপযুক্ত। বালিয়াড়ি, মাছ ধরার দৃশ্য, লাল কাঁকড়া দেখা ছাড়াও বেশ কয়েকটি ঘোরার জায়গাও রয়েছে মন্দারমণিতে।

মন্দারমণি ঘুরতে এলে পাওয়া যাবে বাঙালি খাবারের আইটেম। পাশাপাশি রয়েছে চাইনিজ ও বিভিন্ন ধরণের মাছের আইটেম।

বালি বিলের জটিলতার মধ্যেই সোমবার পুরভোটের নির্ঘণ্ট ঘোষণা!

The pre-poll schedule was announced on Monday amid the complexity of the sand bill!

News Desk: বহু প্রতীক্ষার পর পুরভোটের বাদ্যি বেজেছে। কিছুদিন আগেই কলকাতা পুরসভার ভোট শেষ হয়েছে। এরপর রাজ্যের বাকি পুরসভাগুলিতে কবে নির্বাচন করা যেতে পারে তা জানতে চেয়েছিল কলকাতা হাইকোর্ট। উত্তরে ২২ জানুয়ারি ও ২৭ ফেব্রুয়ারি ভোট করা যেতে পারে বলে জানায় নির্বাচন কমিশন। যদিও এখনও নির্ঘণ্ট ঘোষণা করা হয়নি। তবে সূত্রের খবর, আগামী সোমবার অর্থাৎ ২৭ ডিসেম্বর সরকারিভাবে ঘোষণা হতে পারে।

পুরভোটের নির্ঘণ্ট প্রকাশ করার মধ্যেই অব্যাহত বালি বিলের জটিলতা। তথ্য অনুযায়ী, পুরভোটের প্রথম দফায় রয়েছে হাওড়া এবং দ্বিতীয় দফায় রয়েছে বালি। এখানেই সৃষ্টি হচ্ছে জটিলতা। এখনও বালি বিলের রাজ্যপালের স্বাক্ষর না হওয়ার কারণে হাওড়া ও বালি আনুষ্ঠানিকভাবে আলাদা হয়নি। ফলে প্রশ্ন উঠছে, বালি বিলের জটিলতা জিইয়ে রেখেই কি দুই পুরসভার ভোট হবে।

এদিকে সোমবার বিকেল ৪ টেয় নির্বাচন কমিশন একটি সাংবাদিক বৈঠকের আয়োজন করেছে। আগামীকালের বৈঠকে হাওড়া ও বালি ঘিরে কোনো গুরুত্বপূর্ণ ঘোষণা হয় নাকি সেদিকেই তাকিয়ে রাজনৈতিক মহল। তবে রাজনৈতিক মহলের মতে, যেহেতু হাওড়া ও বালি এখনও দুটি আলাদা পুরসভা হয়ে উঠতে পারেনি তাই আসন্ন পুরভোট থেকে বাদ যেতে পারে হাওড়া ও বালি।

রাজ্যের বিভিন্ন জেলায় সমবায় দফতরে চলছে গ্রুপ সি কর্মী নিয়োগ

Recruitment of staff is going on in the central company of Kolkata

News Desk: পশ্চিমবঙ্গে যে সকল ব্যক্তিরা চাকরির সন্ধান করছেন তাদের জন্য সুখবর। সমবায় দফতরের গ্রুপ সি পদে কর্মী নিয়োগ চলছে। ‘ওয়েস্ট বেঙ্গল কো-অপারেটিভ সার্ভিস কমিশন’-এর তরফে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়েছে। বিজ্ঞপ্তির নোটিশ নম্বর ০৫/২০২১। রাজ্যের বিভিন্ন জেলায় কর্মী নিয়োগ করা হবে।

ফিল্ড সুপারভাইজারঃ শূন্যপদ রয়েছে ২ টি। আবেদনকারীদের নূন্যতম যোগ্যতা হতে হবে স্নাতক পাশ। পাশাপাশি, বেসিক কম্পিউটার নলেজ থাকতে হবে। বর্ধমান কো-অপারেটিভ এগ্রিকালচার অ্যান্ড রুরাল ডেভলপমেন্ট ব্যাঙ্ক লিমিটেডে প্রার্থী নিয়োগ করা হবে। প্রতি মাসের বেতন ২০,০০০ টাকা।

অফিস অ্যাসিস্টেন্টঃ নিয়োগের স্থান দ্য ওয়েস্ট বেঙ্গল স্টেট হ্যান্ডলুম ওয়েভার্স কো-অপারেটিভ সোস্যাইটি লিমিটেড (তন্তুজা)। নূন্যতম শিক্ষাগত যোগ্যতা স্নাতক পাশ। থাকতে হবে বেসিক কম্পিউটার নলেজ। এই মুহূর্তে শূন্যপদ রয়েছে ৩ টি। প্রার্থীদের প্রতিমাসে বেতন হবে ২৬,৬০৫ টাকা। এই কোম্পানিতেই টেকনিক্যাল অ্যাসিস্টেন্টের জন্য শূন্যপদ রয়েছে ২ টি। শিক্ষাগত যোগ্যতা প্রয়োজন স্নাতক পাশ এবং বেসিক কম্পিউটার নলেজ। প্রার্থীদের প্রতিমাসের বেতন হবে ২৬,৬০৫ টাকা।

আবেদনকারীরা অনলাইনে চাকরির আবেদন করতে পারবেন।

চারদিনের ছুটিতে কোচ রাজার দেশে

On a four-day vacation to Koch Raja's country

News Desk: শীতের এক লম্বা ছুটি পেলে অনেকেই চলে যান দার্জিলিং কিংবা গ্যাংটক। কিন্তু এমন অনেকেই আছে যারা বেশিদিনের ছুটি পায়না। তাঁরা হয়তো ভাবেন উত্তরবঙ্গ ঘোরা হলোনা। কিন্তু ব্যাপারটা এমন নয়। খুব বেশিদিনের না হলেও হাতে তিনচার দিনের ছুটি থাকলেই ঘুরে আসা যাবে উত্তরবঙ্গের কোচবিহার।

কোচবিহারের মূল আকর্ষণ রাজবাড়ি। এখন কোনো রাজা নেই তবে নিজের গরিমা বজায় রেখেছে ১৮৮৭ সালে নির্মিত এই প্রাসাদ। মহারাজা নৃপেন্দ্রনারায়ণের আমলে‌ এই রাজবাড়ি তৈরি হয়েছিল।‌

এখানে রয়েছে রাজা নৃপেন্দ্রনারায়ণের আমলেই তৈরি মদনমোহন মন্দির। এই মন্দিরের থেকেও পুরনো এক মন্দির রয়েছে বানেশ্বর মন্দির। রসিকবল নামের ছোটো চিড়িয়াখানা যা শীত আসলে পরিযায়ী পাখিদের ঠিকানা হয়ে ওঠে। এককথায়, অল্প কয়েকদিনের ছুটি পেলেই আপনার শীত জমজমাট।

রাজ্যের বি.কম পাশদের জন্য রয়েছে ব্যাঙ্কে চাকরি করার সুযোগ

Once you graduate, you will get a golden opportunity to work in a bank

পশ্চিমবঙ্গের মধ্যে যারা চাকরির জন্য মরিয়া হয়ে উঠেছেন তাঁদের জন্য সুখবর। এ রাজ্যের সমবায় ব্যাঙ্কগুলিতে কর্মী নিয়োগ করা হবে। ওয়েস্ট বেঙ্গল কোঅপারেটিভ সার্ভিস কমিশনের তরফে জারি করা হয়েছে বিজ্ঞপ্তি।

নয়া বিজ্ঞপ্তির নম্বর ০৫/২০২১। বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, পশ্চিমবঙ্গের যেকোনো জেলা থেকেই ইচ্ছুকরা আবেদন করতে পারবেন। আবেদনকারীদের হতে হবে ভারতীয়।

লোয়ার ডিভিশন অ্যাসিস্টেন্টের জন্য শূন্যপদ রয়েছে ১১ টি। কলকাতা পুলিশ কোপারেটিভ ব্যাঙ্ক লিমিটেডে এই পদে কর্মী নিয়োগ করা হবে। আবেদনকারীদের ৫০ শতাংশ নম্বর নিয়ে বি.কম পাশ বাধ্যতামূলক। কম্পিউটারে কাজ করার অভিজ্ঞতা থাকতে হবে। প্রার্থীদের বেতন হবে প্রতিমাসে ২৬,৬০৫ টাকা।

বর্ষবরণের আগেই হাজির ওমিক্রনের দোসর ‘ডেলমিক্রন’

Omicron's partner 'Delmicron' appeared before the New Year

News Desk: করোনার তীব্র প্রকোপ থেকে যখন ধীরে ধীরে স্বাভাবিক হয়ে উঠছিল গোটা বিশ্ব‌ সেইসময়ই আতঙ্ক ছড়াল ওমিক্রন। বিশ্বের একাধিক দেশে ওমিক্রন সংক্রমণ বহু মাত্রায় বেড়ে গেছে। ২০২১ কাটিয়ে বিশ্ব পা রাখতে চলেছে ২০২২-এ। এইসময় কেবল ওমিক্রন নয়, করোনার এই নতুন প্রজাতির দোসর হয়ে দেখা দিয়েছে ‘ডেলমিক্রন’।

ইউরোপ ও আমেরিকায় ইতিমধ্যেই প্রভাব দেখাতে শুরু করে দিয়েছে ‘ডেলমিক্রন’। করোনার পুরনো প্রজাতি ‘ডেল্টা’ এবং নতুন প্রজাতি ‘ওমিক্রন’-এর মিলিত শক্তি নিয়ে তৈরি হয়েছে ‘ডেলমিক্রন’।

ভ্যাকসিনের দুটি ডোজ নেওয়ার পর বুস্টার ডোজ নিতে হবে কিনা তা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে। তবে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার তরফে জানানো হয়েছে, এখনই বুস্টার ডোজের প্রয়োজন নেই। এই মুহূর্তে সকলকে দুটি ডোজ দিয়ে টিকাকরণ সম্পূর্ণ করতে হবে। তবে আগামী দিনে বুস্টার ডোজ নিয়ে ভাবা যেতে পারে বলেও জানানো হয়েছে।

Dev: অভিনেতা থেকে সাংসদ, জন্মদিনে নজরে সুপারস্টারের ১৫ বছর

Dev: From actor to MP, 15 years of the superstar looking back on his birthday

News Desk: আজ ২৫ ডিসেম্বর। টলিউডের ‘সুপারস্টার’ দেবের জন্মদিন। রাত্রি ১২ টা বাজতেই সোশ্যাল মিডিয়া জুড়ে উপচে পড়ছে অনুরাগীদের ভালোবাসা ও শুভেচ্ছা। তবে ‘সুপারস্টার দেব’ হয়ে ওঠার রাস্তাটা সহজ ছিলনা। নানা সমালোচনা, ট্রোল উপেক্ষা করেই আজ বাংলা চলচ্চিত্রের সাফল্যের অন্যতম কারণ হয়ে উঠেছেন দেব।

মুম্বইতেই কেটেছে দেবের জীবনের বেশিরভাগ সময়টা। অভিনয় জীবনের শুরু থেকেই বাংলা কথা সঠিক ভাবে না বলতে পারার জন্য নানা সমালোচনার মুখোমুখি হতে হয়েছে তাঁকে। এমন অনেক সুখ্যাত পরিচালক আছেন যারা বলে দিয়েছিলেন টলিউডে জায়গা করতে পারবেনা দেব। তবে কোনো কিছুতেই থেমে থাকেননি তিনি। নিজের দক্ষতায় একের পর এক সুপারহিট ছবি উপহার দিয়েছেন দর্শকদের। আজ তিনি বহু মানুষের ‘ফেভারিট টলিউড অ্যাক্টর’। আজ দেবের ৩৯ তম জন্মদিনে ফিরে দেখা যাক টলিউডে দেবের কাটানো ১৫ বছর।

২০০৬ সালে মুক্তি পায় দেব অভিনীত প্রথম ছবি ‘অগ্নিশপথ’। কিন্তু তেমন প্রভাব ফেলতে পারেনি। ২০০৭ সালে রবি কিনাগি পরিচালিত ‘আই লাভ ইউ’ ছবির মাধ্যমে দর্শকদের নজরে আসেন দেব। ২০০৮ সালে মুক্তি পায় ‘প্রেমের কাহিনী’, দেব-কোয়েল জুটির প্রথম ছবি। প্রথম ছবিতেই জনপ্রিয় হয়ে ওঠে এই জুটি। ২০০৯ সালে শুভশ্রীর সাথে প্রথমবার জুটি বেঁধে ‘চ্যালেঞ্জ’ নেন দেব। রাজ চক্রবর্তী পরিচালিত এই ছবি তুমুল প্রশংসা কুড়োয়। ওই সালেই মুক্তি পায় রাজ চক্রবর্তী পরিচালিত দেব-শুভশ্রী অভিনীত ‘পরাণ যায় জ্বলিয়ারে’। ২০০৯-এ দেব-শ্রাবন্তী জুটির প্রথম ছবি ‘দুজনে’। ২০১০-এ মুক্তি পায় ‘বলো না তুমি আমার’, ‘সেদিন দেখা হয়েছিল’ ‘লে ছক্কা’। ২০১০ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত ‘দুই পৃথিবী’ ছবিতে প্রথম বার একাসাথে দেখা যায় দেব ও জিৎ কে। ২০১১ সালে রোমিও ও পাগ্লু মুক্তি পায়। দেব-কোয়েল অভিনীত ‘পাগ্লু’ টলিউডকে উন্নতির শিখরে নিয়ে গিয়েছিল। ২০১২ সালে ‘পাগ্লু ২’, ‘চ্যালেঞ্জ ২’, ২০১৩-তে ‘খোকা ৪২০’, ‘রংবাজ’, ‘চাঁদের পাহাড়’। ২০১৪ সালে ‘বিন্দাস’, ‘বুনো হাঁস’, ‘যোদ্ধা’, ২০১৫-তে ‘হিরোগিরি’, ‘শুধু তোমারি জন্য’, ‘আরশিনগর’, ২০১৬ সালে ‘কেলোর কীর্তি’, ‘লাভ এক্সপ্রেস’ ‘জুলফিকার’। ২০১৭-তে দেবের প্রযোজনা সংস্থার প্রথম ছবি ‘চ্যাম্প’ মুক্তি পায়। ওই বছরেই মুক্তি পায় দেব প্রযোজিত দ্বিতীয় ছবি ‘ককপিট’, এছাড়া মুক্তি পায় ‘অ্যামাজন অভিযান’। ২০১৮ সালে মুক্তি পায় ‘কবির’ ও ‘হইচই আনলিমিটেড’। ২০১৯-এ ‘কিডন্যাপ’, ‘পাসওয়ার্ড’, ‘সাঁঝবাতি’। ২০২১-এ মুক্তি পায় ‘গোলন্দাজ’ এবং সদ্য মুক্তি পেয়েছে ‘টনিক’। দেবের পরবর্তী কয়েকটি ছবি হল ‘কিশমিশ’, ‘খেলাঘর’, ‘কাছের মানুষ’, ‘রঘু ডাকাত’।

অভিনয়ের পাশাপাশি পরিচয় বানিয়েছেন রাজনীতিতেও। ২০১৪ সালে তৃণমূল প্রার্থী হিসেবে লোকসভা নির্বাচনে দাঁড়িয়ে জয়ী হয়ে ঘাটাল লোকসভা কেন্দ্রের সাংসদ হন তিনি। সাংসদে দাঁড়িয়ে তিনি বাংলায় কথা বলেন। যা আলোড়ন সৃষ্টি করেছিল। ২০১৯-এ ফের ঘাটাল লোকসভা কেন্দ্র থেকে জয়ী হন তিনি।

Omicron: ভয়ে কাঁপছে ইউরোপ, জৌলুস হারালো বড়দিন

Omicron: Europe is trembling with fear, Christmas is lost

News Desk: করোনার প্রকোপ সামলে ধীরে ধীরে স্বাভাবিকের পথে হেঁটেছে গোটা বিশ্ব। জাঁকজমকের সাথেই পালন হয়েছে নানা উৎসব। কিন্তু বর্তমানে ওমিক্রন আতঙ্কে বিধ্বস্ত ইউরোপ। এরই মাঝে এসে উপস্থিত হয়েছে বড়দিন এবং কয়েকদিন পরেই বর্ষববরণ। এই উৎসবের আমেজে ওমিক্রন সংক্রমণ আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা জানিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা। ফলে সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে আনতে কড়া বিধিনিষেধ কার্যকর করেছে প্রশাসন।

আজ বড়দিন। ওমিক্রনের সংক্রমণ রুখতে কার্যত ফিকে হয়ে পড়েছে ইউরোপের বড়দিনের উৎসব। বড়দিনের পর সংক্রমণ বাড়তে পারে বলেও সতর্ক করেছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা। কয়েক সপ্তাহের মধ্যেই ওমিক্রনের জেরে স্বাস্থ্য কাঠামো আরও ভেঙে পড়তে পারে বলে আশঙ্কা জানিয়েছে হু।

প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, ওমিক্রন সংক্রমণ থেকেই এখনও সামলে উঠতে পারেনি ইউরোপ। এরই মাঝে উঠে আসছে ডেলমিক্রনের নাম। কিন্তু কি এই ডেলমিক্রন? অনেকেই মনে করতে পারেন এটি ওমিক্রনের নতুন মিউটেশন। কিন্তু তা নয়। জানা গিয়েছে, ডেলমিক্রন শব্দটি এসেছে ডেল্টা ও ওমিক্রনের সংমিশ্রণে। করোনার নতুন প্রজাতি ওমিক্রন এবং পুরনো প্রজাতি ডেল্টার মিলিত কোপে বড় মাত্রায় বাড়তে পারে সংক্রমণ। তাই বলা যায়, গোটা বিশ্ব যেখানে উৎসবের আমেজে মেতে উঠেছে সেখানে ভয় কাঁপছে ইউরোপ।

X Mas: হঠাৎ প্ল্যান করেই কাটিয়ে আসুন বড়দিনের বিকেল

park-street-christmas-festival

News Desk: আজ বড়দিন। আজকের দিনটি কীভাবে কাটানো যাবে তা প্ল্যান করে নিয়েছেন অনেকেই। কিন্তু এখনো যারা প্ল্যান করেননি তাঁরা আর দেরি না করে ভেবে নিনি আজকের বিকেল কোথায় কীভাবে কাটাবেন।

২৫ ডিসেম্বরের বিকেলে আউটিং-এর জন্য রয়েছে কয়েকটি জায়গার নাম-

সেন্ট পলস ক্যাথিড্রাল: চৌরঙ্গী রোডের বিশপস প্যালেসের ঠিক উল্টোদিকে অবস্থিত এই চার্চে একবার গিয়ে মেতে উঠতে পারেন বড়দিনের আমেজে। এই চার্চের এক দিকে এমপি বিড়লা তারামন্ডল, ভিক্টোরিয়া মেমোরিয়াল, অন্যদিকে নন্দন। আজকের আউটিং-এ পরিবার কিংবা বন্ধুদের সাথে ঘুরে আসতে পারেন।

পার্ক স্ট্রীট: বড়দিন এবং নতুন বছর উদযাপনে প্রতি বছরই আলোয় ঝলমল করে ওঠে পার্ক স্ট্রীট। অ্যালেন পার্কের নানারকম অনুষ্ঠানে ফুরফুরে হয়ে উঠবে আপনার মন। রয়েছে বহু খাবার স্টলও।

বো ব্যারাক: বো ব্যারাকের ওয়াইন ও কেক কলকাতা বিখ্যাত। নতুন বছরকে স্বাগত জানাতে প্রতি বছর সেজে ওঠে বো ব্যারাক। এখানে মূলত খ্রিস্টান ধর্মাবলম্বীদের বাস বেশি। তাঁরাই বড়দিন পালন করতে এক সপ্তাহ ধরে নিজেদের মত করে নানা অনুষ্ঠানের আয়োজন করেন। সেখানকার বাসিন্দাদের বড়দিন পালন করার ধরন জানতে গেলে একবার ঘুরে আসা যায়।

রেস্তোরাঁ: খেতে ভালোবাসেন এমন মানুষেরা বড়দিনের বিকেলে চলে যেতে পারেন কোনো রেস্তোরাঁয়। পরিবার, বন্ধু কিংবা কাছের মানুষের সাথে বাইরে কোথাও সেরে নিন আজকের ডিনার।

স্নাতক পাশ হলেই মিলবে ব্যাঙ্কে চাকরির সুবর্ণ সুযোগ

Once you graduate, you will get a golden opportunity to work in a bank

News Desk: ব্যাঙ্কে চাকরি করতে ইচ্ছুকদের জন্য দারুন সুযোগ। জুনিয়র অফিসার পদে কর্মী নিয়োগ করবে সারস্বত ব্যাঙ্ক। ব্যাঙ্কের তরফে ইতিমধ্যেই বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, জুনিয়র অফিসারের ৩০০ টি শূন্যপদে কর্মী নিয়োগ করা হবে। আবেদন করার শেষ তারিখ আগামী ৩১ ডিসেম্বর। আবেদন করতে হবে অনলাইনে। তবে পুণে‌ এবং মহারাষ্ট্রেই নিয়োগ করা হবে কর্মী।

আবেদনকারীর নূন্যতম যোগ্যতা হতে হবে স্নাতক পাশ। পাশাপাশি ব্যাঙ্ক, ডিএসএ, ক্রেডিট সোসাইটিতে কাজের অভিজ্ঞতা প্রয়োজন ১ বছরের।

ইন্টারভিউ-সহ আরও কয়েকটি পদ্ধতির মাধ্যমে প্রার্থী চূড়ান্ত করা হবে। আবেদনকারীদের বয়স ১/১২/২০২১ অনুযায়ী ৩০ অনূর্ধ্ব হতে হবে। এই চাকরির যাবতীয় বিবরণ সারস্বত ব্যাঙ্কের অফিসিয়াল ওয়েবসাইট পাওয়া যাবে।

Uttar Pradesh: ওমিক্রন উদ্বেগ, ভোট পিছানোর অনুরোধ এলাহাবাদ হাইকোর্টের

Uttarpradesh: Omicron concerns, Allahabad court requests to withdraw vote

প্রতিবেদন, ২০২০ সালের এপ্রিল-মে মাসে পাঁচ রাজ্যে বিধানসভা নির্বাচন হয়েছিল। ওই নির্বাচনের পরেই সংশ্লিষ্ট রাজ্যগুলিতে আছড়ে পড়েছিল করোনার দ্বিতীয় ঢেউ (second wave)। বহু মানুষ অকালেই প্রাণ হারিয়েছিলেন। কেউই আর সেই ঘটনার পুনরাবৃত্তি কোনওভাবে চাইছে না। সে কারণে এলাহাবাদ হাইকোর্ট (allahabad high court) প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর (narendra modi) কাছে উত্তরপ্রদেশ বিধানসভা নির্বাচন (assembly election) পিছিয়ে দেওয়ার আরজি জানাল। প্রধানমন্ত্রী এবং নির্বাচন কমিশনের কাছে এলাহাবাদ হাইকোর্টের অনুরোধ, দয়া করে দেশের বৃহত্তম রাজ্যের বিধানসভা নির্বাচন অন্তত এক-দু’মাস পিছিয়ে দেওয়া হোক।

বৃহস্পতিবার একটি মামলার শুনানি চলছিল এলাহাবাদ হাইকোর্টের বিচারপতি শেখর যাদবের এজলাসে। সেখানেই বিচারপতি যাদব বলেন, করোনার সংক্রমণ এখনও পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে আসেনি। এরইমধ্যে করোনার নতুন ভেরিয়েন্ট ওমিক্রন ক্রমশই সংক্রমণ ছড়াচ্ছে। তাই আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনের দিকে তাকিয়ে বিভিন্ন রাজনৈতিক দল উত্তরপ্রদেশে জনসভা করতে শুরু করেছে। কিন্তু এই জনসভাগুলি অবিলম্বে বন্ধ না করলে দ্বিতীয় ঢেউয়ের থেকেও ভয়ঙ্কর পরিস্থিতির মুখোমুখি হতে হবে আমাদের।

বিচারপতি যাদব আরও বলেন, ওই জনসভাগুলিতে কাউকেই সামাজিক দূরত্ব বিধি মানতে দেখা যাচ্ছে না। বেশিরভাগ মানুষের মুখে মাস্ক থাকছে না। এক ভয়ঙ্কর পরিস্থিতি। তাই প্রধানমন্ত্রীর কাছে অনুরোধ, অবিলম্বে সমস্ত নির্বাচনী জনসভাগুলি বাতিল করে দেওয়া হোক। মানুষ প্রাণে বাঁচলো তো সব হবে। দু-এক মাস পর ভোট হলে কিছু এসে যাবে না। প্রয়োজনে উত্তরপ্রদেশের ভোট দু-এক মাস পিছিয়ে দেওয়া হোক। যেভাবে ওমিক্রনের সংক্রমণ দ্রুত ছড়াচ্ছে তাতে যদি ভোট পিছিয়ে দেওয়া না হয়, যদি এভাবেই জনসভা চলতে থাকে তবে তৃতীয় ঢেউ আছড়ে পড়া শুধু সময়ের অপেক্ষা।

এই অনুরোধ জানাতে গিয়ে বিচারপতি যাদব পশ্চিমবঙ্গ সহ পাঁচ রাজ্যের বিধানসভা ভোটের কথাও টেনে এনেছেন। তিনি বলেছেন, আমরা দেখেছি পশ্চিমবঙ্গ, কেরল, তামিলনাড়ু-সহ কয়েকটি রাজ্যে নির্বাচনে পর কিভাবে করোনা ছড়িয়ে পড়েছিল। কিভাবে মৃত্যু হয়েছিল হাজার হাজার মানুষের। ইতিমধ্যেই বিশেষজ্ঞরা জানিয়ে দিয়েছেন, ফেব্রুয়ারি-মার্চ মাসে করোনার প্রকোপ শীর্ষে পৌঁছতে পারে। ঠিক ওই সময়েই উত্তরপ্রদেশ বিধানসভা নির্বাচন হওয়ার কথা। তাই প্রধানমন্ত্রী এবং নির্বাচন কমিশনের কাছে অনুরোধ, ভোট কিছু দিন পিছিয়ে দিন। মানুষ যদি সুস্থ থাকে তাহলে কয়েক মাস পরে ভোট হতে কোন সমস্যা হবে না। কিন্তু নির্বাচনী ঢেউয়ে গা ভাসালে আগামী দিনে করোনার তৃতীয় ঢেউয়ে ভেসে যাবে রাজ্য।

উল্লেখ্য, নির্বাচনের দিন তারিখ ঠিক করার ব্যাপারে আদালত কখনও কমিশনকে সরাসরি কোনও নির্দেশ দিতে পারে না। সে কারণেই বিচারপতি শেখর যাদব কমিশনকে ভোট কিছুদিন পিছিয়ে দেওয়ার অনুরোধ জানিয়েছেন।

‘করোনার দ্বিতীয় ঢেউয়ে গঙ্গা ছিল মৃতদেহের ডাম্পিং গ্রাউন্ড’

Ganges becomes dumping ground for second wave of corona, claims IAS officer

News Desk: ২০২০-র মে-জুন মাসে দেশ কেঁপে গিয়েছিল করোনার দ্বিতীয় ঢেউয়ে (second wave)। দেশে প্রতিদিন হাজার হাজার মানুষ অকালেই করোনায় প্রাণ হারিয়েছিলেন। সে সময় গঙ্গা নদী হয়ে উঠেছিল মৃতদেহ ফেলার জায়গা। এমনটাই জানালেন ‘নমামি গঙ্গে’ প্রকল্পের প্রধান রাজীব মিশ্র।

নমামি গঙ্গে প্রকল্পের প্রধান রাজীব মিশ্র এবং আইডিএএস আধিকারিক পুষ্কল উপাধ্যায়ের লেখা একটি বই বৃহস্পতিবার দিল্লিতে প্রকাশ হয়েছে। এই বইয়ে বিভিন্ন বিশেষজ্ঞরা কলাম লিখেছেন। সেখানেই রাজীব মিশ্র লিখেছেন, দীর্ঘদিন ধরে গঙ্গাকে দূষণমুক্ত করার যে বিপুল কাজ চলছে তা কয়েক মাসেই সম্পূর্ণ ধ্বংস করে দেওয়া হয়েছে।

করোনাকালে বিহার, উত্তরপ্রদেশ- সহ বিভিন্ন রাজ্যে বহু মানুষের মৃত্যু হয়েছে। প্রশাসন শ্মশান ও কবরস্থানে শেষকৃত্যের ব্যবস্থা করলেও তা প্রয়োজনের তুলনায় যথেষ্ট ছিল না। তাই গঙ্গাই যেন এক ডাম্পিং গ্রাউন্ড হয়ে উঠেছিল। যে যার ইচ্ছামত মৃতদেহ ফেলে দিয়েছিল গঙ্গায়।

রাজীব মিশ্র ১৯৮৭ ব্যাচের তেলেঙ্গানা ক্যাডারের আইএএস অফিসার। চলতি মাসের ৩১ তারিখে তিনি অবসর নেবেন। কর্মজীবনে শেষ পাঁচ বছরের বেশি সময় ধরে তিনি ন্যাশনাল মিশন অফ ক্লিন গঙ্গার দায়িত্বে রয়েছেন।

তিনি লিখেছেন, আমি নিজেও করোনা আক্রান্ত হয়েছিলাম। আমি গুরুগ্রামের একটি সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালে ভর্তি থাকার সময় জানতে পারি, গঙ্গায় বহু লাশ ভেসে বেড়াচ্ছে। এটা যে শুধু অভিযোগ ছিল না তা নয়। কারণ ভিডিয়োতে স্পষ্ট দেখা গিয়েছিল গঙ্গাতে ভেসে চলেছে একের পর এক মৃতদেহ। এই দৃশ্য দেখে তাঁর মন ভেঙে গিয়েছিল বলে দাবি করেন রাজীব। তিনি বলেন, দীর্ঘদিন ধরে গঙ্গাকে বিশুদ্ধ করার ও দূষণ কমানোর যে কাজ করছিলাম এক নিমেষেই সেটা একেবারে শেষ করে দেওয়া হল।

রাজীব তাঁর লেখায় করোনায় মৃতদের দেহ সৎকার ব্যবস্থায় বেশ কিছু ত্রুটির কথা উল্লেখ করেছেন। তিনি লিখেছেন, কেউই তাঁর নিকট আত্মীয়ের দেহ এভাবে কোনও নদীতে ফেলে দিতে চায় না। কিন্তু প্রশাসন মৃতদেহ সৎকারের যে ব্যবস্থা করেছিল তা প্রয়োজনের তুলনায় ছিল নিতান্তই অপ্রতুল। সে কারণেই মানুষ বাধ্য হয়েছিল মৃতদেহ গঙ্গায় ভাসিয়ে দিতে। রাজীবের দাবি, গঙ্গায় ফেলে দেওয়া মৃতদেহের বেশিরভাগটাই ছিল উত্তরপ্রদেশের। করোনার দ্বিতীয় ঢেউয়ে কেন এত বেশি মানুষের মৃত্যু হল তার ব্যাখ্যাও দিয়েছেন এই আইএএস অফিসার।

তিনি বলেছেন, গ্রামীণ এলাকার মানুষকে করোনা নিয়ে সেভাবে কেউ সচেতন করে তোলেনি। গ্রামের মানুষের কাছে করোনা সংক্রান্ত বিশেষ কোনও তথ্য ছিল না। গ্রামীণ এলাকার মানুষ দারিদ্রের সঙ্গে আষ্টেপৃষ্ঠে বাঁধা। তার ওপর করোনা সংক্রান্ত সর্তকতা ও সচেতনতা কোনওটাই তাঁদের ছিল না। সে কারণেই মৃত্যুর সংখ্যা এতটাই বেশি হয়েছিল।

আন্তজার্তিক ক্রিকেটকে “অলবিদা” জানালেন হরভজন সিং

Harbhajan Singh says goodbye to international cricket

Sports Desk: ভারতের জাতীয় ক্রিকেট দলের ৪১ বছর বয়সী অভিজ্ঞ অফ-স্পিনার হরভজন সিং শুক্রবার আন্তর্জাতিক ক্রিকেট থেকে অবসরের সিদ্ধান্ত ঘোষণা করেছেন। কিংবদন্তি এই স্পিনারের ক্রিকেট কেরিয়ার ছিল খুবই চোখ ঝলসানো। দেশের হয়ে ক্রিকেটের তিন ফর্ম্যাটেই অংশ নিয়েছেন সকলের প্রিয় ‘ভাজ্জি’। আন্তজার্তিক ক্রিকেটে দুরন্ত পারফরম্যান্সের জোরে হরভজন সিং নিজের নামের প্রতি আস্থা রেখে রেকর্ডের মাইলস্টোন গাঁথেন।

সাম্প্রতিক সময়ে, আন্তর্জাতিক ক্রিকেট থেকে অবসর নেওয়ার পর তাকে দেখা যেতে পারে ভারতের হাই প্রোফাইল টুর্নামেন্ট ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগে একটি দলের সহকারী হিসেবে। তবে বর্তমানে হরভজন সিংর পরবর্তী পদক্ষেপ কী হবে, তা নিয়ে অবশ্য ধোঁয়াশা অব্যাহত।

হরভজন সিং দেশের হয়ে ১০৩ টি আন্তজার্তিক টেস্ট ম্যাচ খেলেছেন। ১৯০ ইনিংসে ৩২.৫ গড়ে ৪১৭ উইকেট নিয়েছেন। এই সময়ে, তিনি ১৬ বার এবং ২৫ বার ক্রিকেট মাঠে চার এবং পাঁচ উইকেট নেওয়ার কীর্তিও অর্জন করেন। টেস্ট ক্রিকেটে ভাজ্জির সেরা বোলিং পারফরম্যান্স হল ৮৪ রানে ৮ উইকেট।

টেস্ট ক্রিকেট ছাড়াও, হরভজন সিং দেশের হয়ে ২৩৬ টি ওয়ানডে খেলে ২২৭ ইনিংসে ৩৩.৪ গড়ে ২৬৯ টি উইকেট নিয়েছেন। টেস্ট এবং ওডিআই ক্রিকেট ছাড়াও, তিনি ভারতীয় দলের হয়ে ২৮ টি টি-টোয়েন্টি আন্তর্জাতিক ম্যাচও খেলেছেন। এই ফর্ম্যাটে ভাজ্জি ২৭ ইনিংসে ২৪.৫ গড়ে ২৫ টি উইকেট শিকার করেন।

টিম ইন্ডিয়ার হয়ে বোলিং ছাড়াও হরভজন সিং ব্যাট হাতে দেশের লোয়ার লেভেল অর্ডারে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখেন। ভাজ্জি দেশের হয়ে টেস্ট ক্রিকেটে ১৪৫ ইনিংসে ১৮.২ গড়ে ২২২৪ রান করেছেন। এ সময় তার ব্যাট থেকে আসে ২ টি শতরান ও নয়টি হাফ সেঞ্চুরি।

টেস্ট ক্রিকেট ছাড়াও, তিনি দেশের হয়ে ওডিআই ফর্ম্যাটে ১৩.৩ গড়ে ১২৮ ইনিংসে ১২৩৭ রান এবং টি-টোয়েন্টি আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের ১৩ ইনিংসে ১৩.৫ গড়ে ১০৮ রান করেন।

লিজেন্ডস ক্রিকেট লীগে প্রাক্তন তারকা ক্রিকেটারদের ছড়াছড়ি

Former star cricketers scatter in the Legends Cricket League

Sports Desk: লিজেন্ডস ক্রিকেট লীগ, অবসরপ্রাপ্ত আন্তর্জাতিক ক্রিকেটারদের একটি পেশাদার ক্রিকেট লীগ। ওমানের আল আমিরাত ক্রিকেট স্টেডিয়ামে তিনটি দলের মধ্যে এই লিগটি অনুষ্ঠিত হবে।

এই লীগে পাকিস্তানের পেস বোলার শোয়েব আখতার এবং শ্রীলঙ্কার অলরাউন্ডার সনৎ জয়সুরিয়া আগামী মাসে উদ্বোধনী পর্বে এশিয়া লায়ন্স দলে হয়ে মাঠে নামবে।এশিয়া লায়ন্স ছাড়াও বাকি দুটি দল ভারত ও অবশিষ্ট বিশ্বের হবে।

এশিয়া লায়ন্সে টিমে রয়েছেন শোয়েব আখতার, শাহিদ আফ্রিদি, জয়সুরিয়া, মুত্থাইয়া মুরালিধরন, চামিন্দা ভাস, রোমেশ কালুভিতার্না, তিলকরত্নে দিলশান, আজহার মাহমুদ, উপুল থারাঙ্গা, মিসবাহ-উল হক, মহম্মদ হাফিজ, শোয়েব মালিক, মহম্মদ ইউসুফ, উমর গুল, ইউনিস খান এবং আসহার আফগান।

ভারতীয় দলের প্রাক্তন প্রধান কোচ রবি শাস্ত্রী লিজেন্ডস ক্রিকেট লিগের কমিশনার। তিনি বলেন, ‘শীর্ষ স্তরে এটা উত্তেজনাপূর্ণ ক্রিকেট হবে। পাকিস্তান, শ্রীলঙ্কা, বাংলাদেশ এবং আফগানিস্তানের এশিয়ান তারকারা একটি দলে একত্রে রয়েছে যা অবশ্যই অন্য দুটি দলকে কঠিন প্রতিদ্বন্দ্বিতা দেবে।

শাস্ত্রী বলেন, ‘আফ্রিদি, মুরলিধরন, চামিন্দা, শোয়েব মালিক সবাই এক দলে খেললে তা হবে বিস্ফোরণ’।